তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গতকাল সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার সল্ট লেকে ইডির দপ্তরে হাজিরা দেন
তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি গতকাল সোমবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার সল্ট লেকে ইডির দপ্তরে হাজিরা দেন

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে টানা ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে টানা ১১ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

গতকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কলকাতার সল্ট লেকের সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দপ্তরে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেকের কাছে তাঁর গড়া সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস নিয়ে বিভিন্ন তথ্য জানতে চাওয়া হয়। এ ছাড়া রাজ্যের বিভিন্ন নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে অভিষেক বলেছেন, তিনি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।

তৃণমূল বিধায়কদের স্বাক্ষর জাল-কাণ্ডে আগের দিন রোববার দ্বিতীয় দফায় অভিষেককে জেরা করেন সিআইডির কর্মকর্তারা। কলকাতার ভবানী ভবনে সিআইডির দপ্তরে তাঁকে সাড়ে আট ঘণ্টা জেরা করা হয়।

পরদিন সোমবার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিজিও কমপ্লক্সে হাজির হতে নির্দেশ দেয় ইডি। বেলা ১১টার মধ্যে তাঁকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়। তিনি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই ইডি দপ্তরে হাজির হন। টানা জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ১০টার দিকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ইডির দপ্তর থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অভিষেক বলেন, বিজেপিকে নিয়ে যত কম কথা বলা যায়, ততই ভালো। একদিকে বিজেপি দল ভাঙানোর খেলায় মেতেছে আর অন্যদিকে যাঁরা মাথা নত করছেন না, তাঁরা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। বিজেপির এখন একটাই লক্ষ্য—ধমকানো, চমকানো ও দমন–পীড়ন করে পশ্চিম বাংলাকে বিরোধীশূন্য করা। কিন্তু বিজেপি তা পারবে না। তাই বিজেপি এখন তৃণমূলকে যাতে বিরোধী দলের মর্যাদা না দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে নানা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিষেক ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘এসব করে কোনো লাভ হবে না। আমাদের গলা কেটে নিলেও আমরা আত্মসমর্পণ করব না। লড়াই করে যাব।’