
ইরান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক জয়ের বদলে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের কৌশল নিয়েছে, যার লক্ষ্য প্রতিপক্ষকে ক্লান্ত করা। ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্ন ঘটিয়ে ওয়াশিংটনকে পিছু হটতে চাপ দেওয়াই তেহরানের প্রধান চাল। আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যু এবং শীর্ষ নেতাদের হারানোর পরও আইআরজিসি যুদ্ধের গতি নিয়ন্ত্রণ করছে, এমনকি মোজতবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা করায় তাদের ভূমিকা ছিল। বিশেষজ্ঞরা এটিকে ইরানের 'অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই' বলছেন।