
কিউবার কমিউনিস্ট সরকারকে চারদিক থেকে চেপে ধরতে নতুন কৌশল নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেসব দেশ কিউবাকে তেল সরবরাহ করবে, সেসব দেশের পণ্যের ওপর চড়া শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার এ–সংক্রান্ত একটি নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প।
নির্বাহী আদেশে নির্দিষ্ট করে কোনো দেশের নাম বা শুল্কের হার উল্লেখ করা হয়নি। তবে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, মেক্সিকোসহ লাতিন আমেরিকার যেসব দেশ কিউবার জ্বালানিসংকট মেটাতে তেল পাঠিয়ে সহায়তা করছে, তাদের শায়েস্তা করাই এর মূল লক্ষ্য।
এর আগে চলতি মাসেই মার্কিন বাহিনী অভিযান চালিয়ে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে তুলে নিয়ে যাওয়ার পর থেকে কিউবার ওপর চাপ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে আসছিলেন ট্রাম্প। গত সপ্তাহে এক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘কিউবা খুব শিগগির ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে যাচ্ছে।’ তিনি দাবি করেন, ভেনেজুয়েলা থেকে কিউবায় তেল ও অর্থ যাওয়া ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের এ হুমকির কড়া জবাব দিয়েছে কিউবা সরকার। কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগুয়েল দিয়াজ-ক্যানেল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ওয়াশিংটনের এমন কোনো নৈতিক অধিকার নেই, যা দিয়ে তারা কিউবাকে কোনো চুক্তিতে বাধ্য করতে পারে।
প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই ট্রাম্প শুল্ক আরোপের হুমকিকে তাঁর পররাষ্ট্রনীতির প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন। কিউবার ওপর এ নতুন চাপ দেশটির চলমান অর্থনৈতিক ও জ্বালানিসংকট আরও ঘনীভূত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।