
বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) প্রথম আলো ডটকম আয়োজিত ‘স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনলাইন ভর্তি মেলা’য় অংশ নিয়েছে।
২০০৩ সালে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি)। ঢাকা কমার্স কলেজের পৃষ্ঠপোষকতায় রাজধানীর রূপনগরে (মিরপুর-২) বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। পাঁচটি অনুষদের অধীন বিইউবিটিতে অধ্যয়নের সুযোগ রয়েছে শিক্ষার্থীদের। চার বিঘা জমির ওপর দাঁড়িয়ে আছে ক্যাম্পাসের চারটি বিশাল ভবন। আছে একটি আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সেন্টার, সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত শ্রেণিকক্ষ, আধুনিক ল্যাব, সভাকক্ষ, আধুনিক যন্ত্রপাতিসমৃদ্ধ মেডিকেল সেন্টার, দুটি ক্যাফেটেরিয়াসহ নানা সুবিধা। ক্যাম্পাসের অদূরে ২২ বিঘা জমির ওপর করা হয়েছে একটি সুবিশাল স্পোর্টস কমপ্লেক্স।
কলা ও মানবিক অনুষদের অধীন ইংরেজিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টিচিংয়ে (ইএলটি) স্নাতকোত্তর করার সুযোগ আছে। আইন অনুষদে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়া যায়। প্রকৌশল ও ফলিতবিজ্ঞান অনুষদের অধীন আছে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি, কম্পিউটারবিজ্ঞান ও প্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিকস প্রকৌশল, টেক্সটাইল প্রকৌশল এবং পুরকৌশলে স্নাতক করার সুযোগ। এ ছাড়া গণিতে স্নাতকোত্তর করা যায়। ব্যবসায় ও সামাজিক বিজ্ঞানের বিষয়গুলোর মধ্যে স্নাতক পর্যায়ে বিবিএ, এমবিএ, ইএমবিএ, এমবিএম (মাস্টার্স অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্ট), অর্থনীতি, পরিবেশ ও উন্নয়ন অর্থনীতি পড়া যায়। স্নাতকোত্তর আছে অর্থনীতিতেও।
ভিনদেশি প্রায় ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতার প্রক্রিয়া চলছে। যৌথ অর্থায়নে বিদেশে পিএইচডি প্রোগ্রামসহ যৌথ প্রোগ্রাম চালু আছে। ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফিতে ১৫ শতাংশ এবং টিউশন ফিতে ১০ শতাংশ ওয়েভার দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের ১০-১০০ শতাংশ ওয়েভার বা বৃত্তি দেওয়া হয়।
করোনা মহামারির সময়ও ব্যতিক্রম (বিইউবিটি)। অন্যান্য বছরের তুলনায় গত কয়েকটি সেমিস্টারে শিক্ষার্থী ভর্তির সংখ্যা বেশি ছিল। সংকটময় পরিস্থিতিতেও অনলাইন পাঠদান প্রক্রিয়ায় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ সাফল্য এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস পরিচালনার পাশাপাশি গবেষণাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য সব কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়েছে। করোনার কারণে অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও শিক্ষকেরা গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। অনলাইন ক্লাসে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারনেট প্যাকেজের দামও শিক্ষার্থীদের জন্য বেশ বড় একটি সমস্যা। তাই শিক্ষার্থীদের কাছে স্বল্প খরচে ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে দুটি মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
পাঠদান ছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দাপ্তরিক কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করতে বেশ কিছু নতুন সুবিধা চালু করেছে বিইউবিটি। মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মাধ্যমে টিউশন ফি প্রদান, অনলাইন নিবন্ধনসহ ঘরে বসেই আরও বেশ কিছু সুবিধা পাচ্ছেন এখানকার শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা এসব কাজের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হলে তা সমাধানের জন্য ‘ওয়ানস্টপ’ নামে একটি পরিষেবাও চালু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
এই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার খরচ সম্পর্কিত তথ্য এ ওয়েবসাইটে জানা যাবে।