খাসির ঐতিহ্যবাহী রান্না ছাড়াও একটু অন্য রকম স্বাদের রেসিপি দিয়েছেন সিতারা ফেরদৌস
খাসির মাংস ২ কেজি
বাসমতী চাল ১ কেজি
পেঁয়াজকুচি ১ কাপ
পেঁয়াজ বেরেস্তা ১ কাপ
আদাবাটা ২ টেবিল চামচ
রসুনবাটা ২ টেবিল চামচ
মরিচগুঁড়া ১ চা–চামচ
সাদা গোলমরিচের গুঁড়া ২ চা–চামচ
দারুচিনি ৮ টুকরা
ছোট এলাচি ১০টি
বড় এলাচি ৭টি
লবঙ্গ ১২টি
তেজপাতা ৪টি
কাঠবাদামবাটা ২ টেবিল চামচ
আলুবোখারা ১০টি
জায়ফল–জয়ত্রীগুঁড়া আধা চা–চামচ
গরমমসলা গুঁড়া ১ চা–চামচ
টক দই ১ কাপ
তেল আধা কাপ
ঘি ১ কাপ
লবণ পরিমাণমতো
কাঁচা মরিচ ১২টি
চিনি ১ টেবিল চামচ
দুধ ১ কাপ
ক্রিম আধা কাপ
জাফরান সামান্য
ধনেপাতাকুচি ২ টেবিল চামচ
পুদিনাপাতাকুচি ৪ টেবিল চামচ
কেওড়া ১ টেবিল চামচ
চিনি ২ টেবিল চামচ
লবণ পরিমাণমতো
মাংস ধুয়ে ভালো করে পানি ঝরিয়ে পেঁয়াজকুচি, বেরেস্তা, সব বাটা মসলা, গুঁড়া মসলা, গরমমসলা, টক দই আর তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে ৭-৮ ঘণ্টা ফ্রিজে রাখুন।
মাঝেমধ্যে বের করে মেখে নিন। চাল ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
ফুটন্ত গরম পানিতে লবণ ও ১ টেবিল চামচ তেল দিয়ে শেষে চাল ঢেলে ৭৫ ভাগ ফুটিয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।
বড় প্যানে মাংস বিছিয়ে আলুবোখারা, কিশমিশ, কাঁচা মরিচ, কিছু ধনেপাতা, পুদিনাপাতা দিয়ে ভাত ছড়িয়ে দিতে হবে।
দুধ, ক্রিম, চিনি, সাদা গোলমরিচের গুঁড়া, গরমমসলার গুঁড়া আর ঘি একসঙ্গে মিশিয়ে ভাতের ওপর ছড়িয়ে দিন। বাকি ধনেপাতা, পুদিনাপাতাকুচি দিয়ে ঢাকনা লাগান।
ময়দার খামির করে ঢাকনার চারপাশ সিল করে হাঁড়িটি চুলায় দিন।
১০ মিনিট বেশি জ্বাল, ২০ মিনিট মাঝারি জ্বাল আর ৩০ মিনিট অল্প জ্বালে রান্না করলেই তৈরি হয়ে যাবে সুফি বিরিয়ানি।