প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

অভিমত–বিশ্লেষণ

বাল্যবিবাহ যেভাবে মেয়েদের ভবিষ্যৎকে প্রশ্নের মুখে ফেলে

বাংলাদেশের অঙ্গীকার হওয়া উচিত প্রতিটি মেয়ের শৈশব সুরক্ষিত রাখা এবং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া একটি জীবন মেনে নেওয়ার জন্য তাকে প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য হতে পারে না। লিখেছেন এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ

বাল্যবিবাহ একটি মেয়ের জীবন থেকে কী কী কেড়ে নেয়—পড়াশোনার বছর, কাজের সুযোগ কিংবা পরিবার শুরুর সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা—আমরা সাধারণত বিভিন্ন আলোচনা সভায় এ প্রশ্নগুলোই করে থাকি। তবে আমাদের এটিও প্রশ্ন করা উচিত, সমাজ ও পৃথিবীতে তার ভবিষ্যৎ অবস্থান কোথায় এবং বাল্যবিবাহ তাকে এ সম্পর্কে কী শেখায়? বিকল্প পথগুলো খুঁজে দেখার সুযোগ পাওয়ার আগেই যখন প্রাপ্তবয়স্ক জীবনের দায়িত্ব এসে পড়ে, তখন অসম প্রত্যাশাগুলোকেই জীবনের স্বাভাবিক নিয়ম বলে মনে হতে শুরু করে।

আশঙ্কাটি ১১ অক্টোবর পালিত আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস ২০২৬-এর প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য হলো, ‘বাল্যবিবাহ বন্ধ করি, কন্যাশিশুর অধিকার নিশ্চিত করি’।

অঙ্গীকার দুটি একটি আরেকটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শৈশবে বিয়ে রোধ করা শৈশবকে সুরক্ষা দেয়। একইভাবে শৈশবের অধিকার রক্ষা করার অর্থ হলো একজন কিশোরীকে সেই সময়, সামাজিক সম্পর্ক ও সুযোগগুলোকে সুরক্ষা দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজে কী হয়ে উঠতে পারে, সে সম্পর্কে তার নিজস্ব চিন্তাভাবনা গড়ে ওঠে।

২.

বাংলাদেশের জন্য এ পথ অতিক্রম করা এখনো অনেক বাকি। ইউনিসেফের প্রকাশিত ২০২৫ সালের তথ্য অনুযায়ী, ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী নারীদের ৪৭ দশমিক ২ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৮ বছর হওয়ার আগে। ১৩ দশমিক ৪ শতাংশের বিয়ে হয়েছে ১৫ বছর হওয়ার আগেই। এটি ওই বয়সী নারীদের বিয়ের ইতিহাসের হিসাব; বর্তমানে সব কন্যাশিশুর কত শতাংশ বিবাহিত, তার হিসাব নয়। তবু চিত্রটি স্পষ্ট—এই সাম্প্রতিক প্রজন্মের প্রায় অর্ধেক নারী শৈশবেই বিবাহিত জীবনে প্রবেশ করেছেন।

দুই দশক ধরে নারী উন্নয়ন নিয়ে গবেষণায় নিয়োজিত একজন অর্থনীতিবিদ হিসেবে এ প্রশ্ন আমার কাছে বিশেষভাবেই গুরুত্বপূর্ণ। ২০১৪ সালে জুনাইরা আসাদুল্লাহ এবং পরের বছর নোরা আসাদুল্লাহর জন্মের পর এর সঙ্গে একটি ব্যক্তিগত মাত্রাও যুক্ত হয়। দুই কন্যাসন্তানের বাবা হওয়ার পর মেয়েদের সুস্থভাবে বেড়ে ওঠা ও তার পেছনে বিনিয়োগের চেনা পরিচিত যুক্তিগুলোকে নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করি।

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা কি তাদের নিজস্ব পছন্দ বেছে নেওয়ার বৃহত্তর স্বাধীনতা নিশ্চিত করে, নাকি সমাজই ঠিক করে দেয় কোন স্বপ্ন ও দায়িত্বগুলো তাদের জন্য উপযুক্ত? নোরা ও জুনাইরার জন্ম আমাকে বাংলাদেশের আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটে মেয়েদের বেড়ে ওঠা ও জীবন গঠনের প্রত্যাশাগুলো নিয়ে আমার গবেষণার আগ্রহ আরও গভীর করেছে।

মানসম্মত শিক্ষা বা কর্মসংস্থানের সুযোগ–সুবিধা দেওয়া কঠিন হলেও একটি মেয়েকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। অন্য সব সুযোগ পুরোপুরি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সুরক্ষা স্থগিত রাখা উচিত নয়। একইভাবে একটি বিয়ে বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বস্ত বিকল্প পথও তৈরি করতে হবে—একটি নিরাপদ স্কুল, অর্থবহ শিক্ষা, ইতিবাচক ও সহায়ক সম্পর্ক এবং উচ্চতর পড়াশোনা বা কাজের বাস্তবসম্মত সুযোগ।

কিংস কলেজ লন্ডনের অধ্যাপক জ্যাকি ওয়াহাজের সঙ্গে ইকোনমিকা জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা প্রবন্ধে আমরা দেখার চেষ্টা করেছিলাম যে বাল্যবিবাহ নিজে থেকেই প্রথাগত লিঙ্গভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি বা সামাজিক নিয়ম ছড়াতে সাহায্য করে কি না। এটি নির্ধারণ করা কঠিন—কম বয়সে বিয়ে হওয়া নারীরা হয়তো ইতিমধ্যে এমন পরিবার থেকে এসেছে, যাদের আয়, শিক্ষা ও মানসিকতা ভিন্ন।

 আমাদের গবেষণায় আমরা একই পরিবারের আপন বোনদের মধ্যে পরিসংখ্যানভিত্তিক আর্থসামাজিক-সাংস্কৃতিক তুলনা করেছি এবং বিয়ের বয়সের তারতম্য বোঝার জন্য তাদের বয়ঃসন্ধির সময়পর্বের পার্থক্যকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছি। এর গবেষণাপদ্ধতিগত উদ্দেশ্য ছিল পরিবারের একই পটভূমির প্রভাব থেকে বিয়ের সময়ের প্রভাবকে আলাদা করা।

আমাদের হিসাব ও বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কম বয়সে বিয়ে হওয়ার কারণে নারীদের মধ্যে প্রথাগত লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা এবং ছেলে ও মেয়েদের প্রতি অসম আচরণের সমর্থনের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। এর তাৎপর্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ—রক্ষণশীল বা সংকীর্ণ বিশ্বাস যেমন বাল্যবিবাহকে উৎসাহিত করতে পারে, তেমনি বাল্যবিবাহও রক্ষণশীল বিশ্বাসগুলোকে আরও শক্ত করতে সাহায্য করে।

এই চক্র একটি অন্যতম কারণ যে কেন পারিপার্শ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও লিঙ্গবৈষম্য দীর্ঘস্থায়ী হয়? অবশ্য এ কার্যকারণ ব্যাখ্যা আমাদের গবেষণার অনুমানের ওপর নির্ভরশীল; এটি প্রত্যেক নারীর ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার চিত্র নয়।

৩.

গবেষণা এই ফলাফল কেবল শিক্ষার অভাবসংক্রান্ত বিষয় ছিল না। যেসব নারী কখনো স্কুলে যাননি, তাঁদের মধ্যেও এই হিসাবকৃত প্রভাব অপরিবর্তিত ছিল। আমরা আরও প্রমাণ পেয়েছি, বাল্যবিবাহ এমন সামাজিক যোগাযোগ বা নেটওয়ার্কে যুক্ত হওয়ার সুযোগ সীমিত করে দেয়, যেখানে অপ্রথাগত জীবনধারা বেছে নেওয়া নারীরা যুক্ত রয়েছেন। এমন একজন বড় বোন থাকা—যিনি চাকরি করেন বা মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করেছেন—মনোভাবের ওপর বাল্যবিবাহের প্রভাবকে পুরোপুরি দূর করতে পারেনি। এই তথ্য নির্দেশ করে, বিয়ে পিছিয়ে দেওয়ার গুরুত্ব কেবল অতিরিক্ত কিছু সময় ক্লাসরুমে কাটানোর চেয়েও অনেক বেশি।

আমরা বেশ কিছু কারণ বিবেচনা করেছিলাম, যেমন শিক্ষা, বিয়ের সঙ্গী, সামাজিক যোগাযোগব্যবস্থা এবং বৈবাহিক দায়িত্বের অভিজ্ঞতা। প্রমাণগুলো নির্দেশ করে, কম বয়সে বিয়ে করা এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অভিজ্ঞতাগুলো (যেমন সন্তান ধারণ) এ প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে এটি প্রতিটি নির্দিষ্ট মাধ্যমকে নিশ্চিতভাবে আলাদা করতে পারেনি।

বাল্যবিবাহ

সন্তানসন্ততির ওপর এর পূর্ণাঙ্গ প্রভাব প্রতিষ্ঠা করতে আমরা ধারাবাহিক একাধিক প্রজন্ম পর্যবেক্ষণ করিনি। তাই এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনাকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত, গবেষণায় যা মাপা হয়েছে তার চেয়ে বেশি দাবি করা ঠিক নয়।

নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে এটি মূল প্রশ্নটিকে বদলে দেয়। মানসম্মত শিক্ষা বা কর্মসংস্থানের সুযোগ–সুবিধা দেওয়া কঠিন হলেও একটি মেয়েকে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা করা প্রয়োজন। অন্য সব সুযোগ পুরোপুরি তৈরি না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই সুরক্ষা স্থগিত রাখা উচিত নয়। একইভাবে একটি বিয়ে বন্ধ করার সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বস্ত বিকল্প পথও তৈরি করতে হবে—একটি নিরাপদ স্কুল, অর্থবহ শিক্ষা, ইতিবাচক ও সহায়ক সম্পর্ক এবং উচ্চতর পড়াশোনা বা কাজের বাস্তবসম্মত সুযোগ।

 এটি আমাদের মানুষের চাওয়াগুলোকে আরও মনোযোগ দিয়ে শোনার আহ্বান জানায়। মানুষের পছন্দগুলো তাদের বাস্তব পরিস্থিতির ভেতরেই গড়ে ওঠে। একটি মেয়ে হয়তো সীমিত বা ছোট কোনো স্বপ্নের কথা প্রকাশ করতে পারে; কারণ, সে হয়তো তার চারপাশে এর চেয়ে ভিন্ন কোনো সুযোগ দেখেনি, অথবা দ্বিমত পোষণের মূল্য অনেক বেশি মনে হয়েছে।

একজন বাবা হিসেবে আমার কন্যাসন্তানদের জন্য আমি চাই সেই সুযোগ। আর একজন গবেষক হিসেবে আমি জানি, বিয়ে পিছিয়ে দেওয়ার গুরুত্ব কাগজের সনদের তারিখের চেয়েও অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে বাংলাদেশের অঙ্গীকার হওয়া উচিত প্রতিটি মেয়ের শৈশব সুরক্ষিত রাখা এবং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া একটি জীবন মেনে নেওয়ার জন্য তাকে প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য হতে পারে না।

কিন্তু এর মানে এই নয় যে তার মতামত গুরুত্বপূর্ণ নয়। এতে তাকে তথ্য দেওয়া, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নতুন কিছু খোঁজার সুযোগ দেওয়া অপরিহার্য হয়ে পড়ে—যার অর্থ এক সেট প্রাপ্তবয়স্ক নির্দেশের জায়গায় আরেক সেট নির্দেশ চাপিয়ে দেওয়া নয়।

পরিচর্যাকারী বা কেয়ারগিভারের দায়িত্ব যেভাবে দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করে, তা আমার উপলব্ধিকে আরও গভীর করেছে। আমার মা মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত পেয়ে পক্ষাঘাতগ্রস্ত হওয়ার পর তাঁর পুনর্বাসন, ওষুধ, ডাক্তারের অ্যাপয়েন্টমেন্ট এবং চলাফেরায় সহায়তা করা একটি ধারাবাহিক দায়িত্বে পরিণত হয়।

এটি আমার পেশাগত ও ব্যক্তিগত জীবন বদলে দিয়েছে। একজন ছেলে হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে আমি আরও স্পষ্টভাবে অনুধাবন করেছি, কীভাবে ধরে নেওয়া হয় এ ধরনের কাজগুলো স্রেফ নারীদের দায়িত্ব। পরিচর্যার জন্য শেখা এবং সহায়তার প্রয়োজন হয়; জন্মসূত্রে লিঙ্গপরিচয় কাউকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এর কোনোটিই দেয় না।

৪.

মেয়েদের অধিকারের ক্ষেত্রে সম্পর্কিত প্রশ্নটি হলো—পরিষেবাগুলো ব্যর্থ হলে এই অতিরিক্ত শ্রম কে দেয়? একটি পরিবারে অসুস্থ আত্মীয়র সঙ্গে যাওয়ার জন্য, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পরিচালনা করার জন্য বা দৈনন্দিন প্রয়োজনে সাহায্য করার জন্য কাউকে না কাউকে প্রয়োজন হতে পারে। আমাদের খতিয়ে দেখা উচিত কীভাবে এই দায়িত্বগুলো ভাগ করা হয় এবং ছেলেদের তুলনায় মেয়েদের শিক্ষার সময়কে কম গুরুত্বপূর্ণ মনে করে ত্যাগ করা হচ্ছে কি না। এটি আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে উঠে আসা একটি নীতিগত প্রশ্ন, আমাদের বাল্যবিবাহ–বিষয়ক গবেষণার ফলাফল নয়।

পারিবারিক জীবনে সাধারণ অংশগ্রহণ মূল্যবান হতে পারে। কিন্তু সমস্যাটি হলো এই স্থায়ী প্রত্যাশা যে মেয়েদের শিক্ষা বা আকাঙ্ক্ষা যা–ই হোক না কেন, তারা সব সময় গৃহস্থালি কাজের জন্য প্রস্তুত থাকবে। পরিবারগুলো যেমন পরিচর্যা করা শেখাতে পারে, তেমনই দায়িত্বগুলো ন্যায্যভাবে ভাগ করে নিতে পারে। বাবা ও ছেলেরা ব্যবহারিক দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন। মেয়েদের সুযোগ রক্ষা করা এবং প্রবীণদের সহায়তা করা—দুটিই পরস্পরের পরিপূরক দায়িত্ব।

আমার গবেষণাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়, বৈষম্য কেবল জন্মসূত্রে পাওয়া বিশ্বাসের মাধ্যমে টিকে থাকে না, বরং দৈনন্দিন অভিজ্ঞতাও তাকে টিকিয়ে রাখে। তবে এটি ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগও তৈরি করে। সুরক্ষিত শৈশব মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক বছরে পা দেওয়ার আগে এবং কৈশোর–পরবর্তী জীবনের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ হওয়ার আগে তাদের সমাজ ও জীবন নিয়ে আগ্রহ এবং বিচারবুদ্ধি বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে। তাই তাদের অধিকার টেকসই ও রক্ষার কর্মসূচিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে কৈশোরের সেই সময়কে কার্যকর করতে হবে এবং তাদের পছন্দগুলোকে বাস্তব রূপ দিতে হবে।

একজন বাবা হিসেবে আমার কন্যাসন্তানদের জন্য আমি চাই সেই সুযোগ। আর একজন গবেষক হিসেবে আমি জানি, বিয়ে পিছিয়ে দেওয়ার গুরুত্ব কাগজের সনদের তারিখের চেয়েও অনেক বেশি। আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবসে বাংলাদেশের অঙ্গীকার হওয়া উচিত প্রতিটি মেয়ের শৈশব সুরক্ষিত রাখা এবং নিজের ভবিষ্যৎ গড়ায় তার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া একটি জীবন মেনে নেওয়ার জন্য তাকে প্রস্তুত করাই আমাদের লক্ষ্য হতে পারে না।

  • এম নিয়াজ আসাদুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক।

    Email: mniaz.asadullah@gmail.com

    মতামত লেখকের নিজস্ব