ইরানের বিভিন্ন এলাকায় বেশ কিছু বাড়ি থেকে মার্কিন অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধারের দাবি করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এসব অস্ত্র ও বিস্ফোরক কয়েকটি ‘সন্ত্রাসী সেলের’ সদস্যদের কাছে ছিল বলে জানানো হয়েছে।
ইরানি কর্মকর্তাদের অভিযোগ, দেশটিতে সহিংসতা উসকে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ‘বিদেশি এজেন্ট’ মোতায়েন করেছে, যাতে পরবর্তীকালে (দেশটির বিরুদ্ধে) সামরিক শক্তি ব্যবহারের অজুহাত তৈরি করা যায়।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক বিবৃতিতে জানান, দেশের বাইরে থেকে বিক্ষোভকারীদের নির্দেশনা দেওয়ার বেশ কিছু অডিও রেকর্ড কর্তৃপক্ষের হাতে এসেছে।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলার হুমকি অব্যাহত রেখেছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। হোয়াইট হাউস বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালানোসহ ‘অনেক বিকল্প’ তারা বিবেচনায় রাখছে।
ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভ চলছে। এই বিক্ষোভের জেরে দেশটির সরকারের ওপর চাপ বাড়ছে। দেশটি বলেছে, তারা যুদ্ধ চায় না। তবে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালালে তারা হাত গুটিয়ে বসে থাকবে না, বরং পাল্টা জবাব দেবে।
আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তাঁর দেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত, তবে তারা আলোচনার পথও খোলা রেখেছে।
গত ডিসেম্বরের শেষ দিক থেকে ইরানজুড়ে অস্থিরতা চলছে। এতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে প্রাণহানিও হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তেহরান কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে; মুঠোফোন ও ইন্টারনেট সেবা বন্ধ রাখা হয়েছে। কর্তৃপক্ষের দাবি, বিদেশি উসকানিমূলক সহিংসতা ঠেকাতেই এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।