গত ১১ মার্চ থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়
গত ১১ মার্চ থাইল্যান্ডের পতাকাবাহী একটি পণ্যবাহী জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে হামলার শিকার হয়

হরমুজ প্রণালিতে আবারও তেলবাহী ট্যাংকারে হামলা

হরমুজ প্রণালি এলাকায় দুটি তেলবাহী ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ (প্রজেক্টাইল) আঘাত হেনেছে। যুক্তরাজ্যের একটি সামুদ্রিক সংস্থা গতকাল শুক্রবার এ তথ্য জানিয়েছে।

ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন হতো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর গুরুত্বপূর্ণ এ নৌপথটি যুদ্ধের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে।

যুদ্ধ শুরুর পর তেহরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল কার্যত অচল করে দিয়েছে। অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টার অভিযোগ করে কয়েকটি জাহাজে তারা হামলাও চালিয়েছে। এর জবাবে ওয়াশিংটন ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ আরোপ করেছে। তেহরান যাতে তাদের তেল রপ্তানি করতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই যুক্তরাষ্ট্রের লক্ষ্য।

যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য পরিচালনা সংস্থা (ইউকেএমটিও) গতকাল জানিয়েছে, প্রথম হামলায় জাহাজটিতে ‘ছোট আকারে আগুন ধরে যায় এবং জাহাজটি বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে’। পরে আগুন নেভানো হয়।

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, এ ঘটনায় হতাহত হওয়া বা পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়ার খবর পাওয়া যায়নি।

ইউকেএমটিও জানিয়েছে, জাহাজটি প্রণালি থেকে বের হওয়ার সময় হামলার শিকার হয়। পরে সেটি আবার যাত্রা শুরু করতে সক্ষম হয়। তবে জাহাজটি কোথা থেকে যাত্রা শুরু করেছিল বা গন্তব্য কোথায় ছিল, তা জানায়নি সংস্থাটি।

এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর ওমানের পূর্বে আরেকটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে বলে জানায় ইউকেএমটিও। জাহাজটির সব নাবিক নিরাপদে আছেন ও পরিবেশের কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

সংস্থাটি জানিয়েছে, এসব ঘটনার তদন্ত চলছে।