
ঘুমন্ত নিজের শিশুসন্তানকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার মামলায় মা আসমা খাতুনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এক দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে সাতক্ষীরার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৃতীয় আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সিরাজুল ইসলাম।
এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হওয়া নারীর নাম আসমা খাতুন (২৪)। তিনি কলারোয়া উপজেলার কুশোডাঙা গ্রামের তৌহিদুল ইসলামের স্ত্রী ও বাটরা গ্রামের আবদুল মাজেদের মেয়ে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, মানসিক ভারসাম্যহীন আসমা খাতুনকে ২৪ এপ্রিল স্বামীর বাড়ি কুশোডাঙা গ্রাম থেকে বাবা আবদুল মাজেদের বাটরা গ্রামের বাড়িতে আনা হয়। পরদিন দুপুর ১২টার দিকে আসমাকে চিকিৎসকের কাছে দেখাতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভ্যান ডাকতে যান তাঁর মা আলেয়া খাতুন। এ সময় আসমা ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা তাঁর দেড় বছরের শিশু খাদিজাকে ধারালো বঁটি দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন।
এ ঘটনায় নিহত শিশুর চাচা কুশোডাঙা গ্রামের কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে গত শুক্রবার আসমার নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা করেন। পরদিন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক নিকুঞ্জ রায় আসমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আজ সোমবার ওই রিমান্ড আবেদনের ওপর শুনানি হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কলারোয়া থানার উপপরিদর্শক নিকুঞ্জ রায় বলেন, রিমান্ড শুনানিতে আসামিপক্ষের কোনো আইনজীবী ছিলেন না। আগামীকাল মঙ্গলবার আসমাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগার থেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসা হবে।