
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গুলশানের বাসায় পৌঁছেছেন। আজ বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২৫ মিনিটের দিকে তাঁকে বহনকারী গাড়িটি গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়ির সামনে আসে।
গাড়ি থেকে নেমে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান ছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের জন্য গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়িটি আগেই প্রস্তুত করা ছিল। সেখানে থাকবেন তিনি। ১৯৬ নম্বর বাড়িটি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশে অবস্থিত।
এর আগে অসুস্থ মা খালেদা জিয়াকে দেখে সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের হন তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন।
আজ লন্ডন থেকে তারেক রহমান ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধনাস্থলে চলে যান। সেখানে বক্তৃতা করেন তিনি। এরপর এভারকেয়ারের দিকে রওনা হন তারেক রহমান।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর ৩ মাস পর সময় পর দেশে ফিরেছেন। তিনি ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর থেকে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে নির্বাসিত ছিলেন।
লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানকে বহন করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বিজি-২০২ ফ্লাইটটি আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে সিলেট আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। তাঁর সঙ্গে আছেন স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদ জানান, তারেক রহমানকে বহন করা উড়োজাহাজটি সিলেটে অবতরণ করলেও তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা পরিবারের সদস্যরা উড়োজাহাজ থেকে নামেননি। উড়োজাহাজ থেকে সিলেটের যাত্রীদের নামার কথা। একই ফ্লাইটে ঢাকাগামী যাত্রীরা উঠবেন। উড়োজাহাজটি সিলেট বিমানবন্দরে প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রাবিরতির পর ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে বেলা ১১টার দিকে যাত্রা করার কথা আছে।
এর আগে গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১২টার দিকে তারেক রহমান হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এদিকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তারেক রহমানের যাত্রাবিরতি থাকলেও বিএনপির নেতা-কর্মীদের সেখানে ভিড় না করার জন্য দলের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে একই নির্দেশ দেওয়া হয় জেলা ও মহানগর বিএনপির পক্ষ থেকে। আমাদের সিলেট প্রতিনিধি জানান, বিমানবন্দরের প্রবেশমুখে উৎসুক জনতার উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে।
সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও আশপাশের এলাকায় সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে। গতকাল স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত সোয়া ১২টা) তাঁকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হচ্ছে। এই প্রত্যাবর্তন দলের নেতা-কর্মীদের কাছে শুধু একটি আগমন নয়; তাঁদের জন্য এটি ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন থেকে ফিরে আসার গল্প, নতুন রাজনীতি ও নতুন করে পথচলার সংকল্প।
(১৭ বছর নির্বাসনে থাকার পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটে স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছেন তিনি। বিএনপির চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া যখন হাসপাতালে শয্যাশায়ী, গণ-অভ্যুত্থানের এক বছর পর বাংলাদেশে রাজনীতি যখন নতুন মোড় নিয়েছে, তখন তারেক রহমান ফিরছেন দেশে। নির্বাচনের আগে খালেদা জিয়ার ছেলের বহু প্রতীক্ষিত ফেরা বিএনপির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
২০০৭ সালের জানুয়ারিতে সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুর্নীতির মামলায় আটক হয়ে প্রায় ১৮ মাস কারাবন্দী ছিলেন তারেক রহমান। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে লন্ডনে যান। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর তিনি সেখানেই ছিলেন। গত বছর ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তারেক রহমানের ফেরার অপেক্ষায় ছিল বিএনপির সমর্থকেরা। তাঁরা মনে করছেন, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে নতুন গতি এনে দেবে। নির্বাচন সামনে রেখে তাঁর দেশে ফেরা দলকে আরও দৃঢ়ভাবে দাঁড় করাবে। তাঁর ফেরার মধ্য দিয়ে সারা দেশে বিএনপির প্রতীক ধানের শীষের পক্ষে নতুন করে জাগরণ সৃষ্টি হবে।)
আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫৬ মিনিটে সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন তারেক রহমান। সকাল সোয়া ১০টার একটু আগে বিএনপির মিডিয়া সেল ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বিমানের ভেতরে সপরিবারে তারেক রহমানের ছবিপ্রকাশ করেছেন। ফেসবুক স্ট্যাটাসে মিডিয়া সেল লিখেছে ‘বাংলাদেশ’।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়েছেন ।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার পর দেওয়া ওই পোস্টে তিনি লিখেন, ‘অবশেষে সিলেটে, বাংলাদেশের মাটিতে!’
পোস্টে তারেক রহমান দুটি ছবিও যুক্ত করেন। একটিতে তাঁকে উড়োজাহাজের ভেতরে বসে থাকা অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। অন্য ছবিটিতে তাঁর সঙ্গে স্ত্রী জুবাইদা রহমানও রয়েছেন।
১৭ বছর পর দেশের মাটিতে এলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।
আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তারেক রহমানের ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের অনুরোধ রেখেছেন দলের যুক্তরাজ্য শাখার নেতা-কর্মীরা। অনুরোধ মেনে তাঁরা তারেক রহমানকে বিদায় জানাতে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে ভিড় করেননি।
১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে বাংলাদেশে ফিরছেন তারেক রহমান। স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ১২টা) তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী-কন্যাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইট ঢাকার উদ্দেশে লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দর ত্যাগ করে।
১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে যুক্তরাজ্য বিএনপির আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তারেক রহমান ঘোষণা দেন, তিনি ২৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরবেন। এই সভাতেই তারেক রহমান যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতা-কর্মীদের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেন। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানস্থলে সকালেই জড়ো হয়েছেন দলটির বিপুলসংখ্যক নেতা–কর্মী।
দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানকে স্বদেশে স্বাগত জানাতে রাজধানীর পূর্বাচলের জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ ফিট এলাকা) আজ বৃহস্পতিবার সকালেই বিএনপির নেতা–কর্মীদের ভিড় দেখা গেছে।
সকালের আলো ফোটার পর থেকেই হেঁটে হেঁটে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে গণসংবর্ধনাস্থলে আসেন তাঁরা। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশের ফ্লাইটটি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ১১ মিনিটে বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয়।
১৭ বছর পর দেশের মাটিতে এসেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সকাল ৯ টা ৫৬ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছে।
আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তারেক রহমানের ঢাকায় অবতরণের কথা রয়েছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়েছেন বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই নেতা-কর্মীরা বিভিন্ন ধরনের প্লাকার্ড, ব্যানারসহ ফুল হাতে নিয়ে সড়কের দুই পাশে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা-স্বাগতম’, ‘বাংলাদেশের প্রাণ, তারেক রহমান’ প্রভৃতি স্লোগান দিচ্ছেন।
বিমানবন্দরের আশপাশে সড়কে অবস্থান নিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
অন্যদিকে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান নিয়েছেন খিলক্ষেত থেকে ৩০০ ফিট এলাকার সড়কের দুই পাশে। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে তারেক রহমানকে বহনকারী বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইটটি বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দর এলাকায় অবস্থান করছেন বিএনপির নেতা কর্মীরা। তারেক রহমানকে স্বাগত জানাতে তাঁরা প্রস্তুত।
তারেক রহমানের সঙ্গে রয়েছেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা আব্বাস প্রমুখ।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটসহ আশপাশে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বের হওয়ার গেট থেকে একবারে সমাবেশস্থল পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান রয়েছে।
শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচলে ৩০০ ফুটে গণসংবর্ধনাস্থলের দিকে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান। তাঁর জন্য আগে থেকেই লাল, সবুজ রঙে একটি বাস সাজিয়ে রাখা হয়েছিল।
সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও পুলিশের বহর তারেক রহমানকে বহনকারী বাসটির সামনে হাঁটছেন। পেছনে ধীরে ধীরে লাল সবুজ গাড়িটি যাচ্ছে। গাড়ির সামনের আসনে বসে রাস্তা দুই পাশে থাকা নেতা কর্মীদের হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন তারেক রহমান।
দুপুর ১২টা ৩৫ মিনিটে ভিআইপি গেট দিয়ে বের হন তিনি। বাসের সামনে থেকে তারেক রহমান নেতা কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন। তাঁদের সালাম দেন।
এর আগে বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে এসে লাগোয়া বাগানে খালি পায়ে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি একমুঠো মাটি হাতে তুলে নেন। বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফিরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ থেকে তিনি সরকারপ্রধানের সঙ্গে কথা বলেন।
বিএনপি মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ দুপুর সাড়ে ১২টার কিছু আগে পোস্ট করা ভিডিওতে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।
ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সাথে কথা বলছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।’ বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গুলশানের বাড়িতে গিয়েছেন। তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে পূর্বাচল ৩০০ ফুটে গণসংবর্ধনাস্থলের দিকে যাচ্ছেন।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ঢোকেন। এ সময় জাইমা হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষদের শুভেচ্ছা জানান।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ফিরোজার পাশেই ১৯৬ নম্বর বাড়িটি। সেখানে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মোতায়েন করা হয়েছে। আশপাশের রাস্তাগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
এ সময় বিএনপির নেতা-কর্মীরা প্ল্যাকার্ড, ব্যানার ও ফুল হাতে রাস্তার দুপাশে দাঁড়িয়েছেন। তাঁরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা-স্বাগতম’, ‘দেশনেতার আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ স্লোগান দিচ্ছেন।
রাজধানীর পূর্বাচলে গণসংবর্ধনাস্থলের কাছাকাছি পৌঁছেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের গাড়িবহর। বেলা ২টা ৫৬ মিনিটের দিকে তাঁকে বহনকারী গাড়িবহর এগিয়ে আসতে দেখা যায়।
জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে জুড়ে বিএনপি নেতা–কর্মীদের বিপুল উপস্থিতি দেখা গেছে। সঙ্গে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
মা খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ খবরে হাসপাতালের সামনে দলটির নেতা-কর্মীদের ভিড় জমেছে। ১৭ বছর পর দেশে ফেরা তারেককে একনজর দেখতে এসেছেন তাঁরা।
হাসপাতালের সামনে আসা নেতা-কর্মীদের অনেকের পরনে দলের পতাকার সঙ্গে রং মিলিয়ে জার্সি। মাথায় ক্যাপ, কপালে ব্যান্ড। অনেকের হাতে দলের পতাকা, প্ল্যাকার্ড। কেউ কেউ দলের লোগো সংবলিত ব্যাজ পরে এসেছেন।
রাজধানীর ভাটারা থানা যুবদলের নেতা রতন মিয়া হাসপাতালের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। বললেন, তারেক রহমানকে এক নজর দেখার জন্য অধীর আগ্রহে মানুষ অপেক্ষা করছে। সব বয়সী মানুষ এসেছেন। ভিড় ক্রমশ বাড়ছে।
বগুড়া থেকে এসেছেন আজিজুল হক কলেজছাত্র সংসদের সাবেক নেতা ওবায়দুল হক। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘তারেক রহমানকে দেখতে এসেছি। এই উচ্ছ্বাসের কথা মুখে প্রকাশ করা যাবে না।’
নুসরাত জাহান এসেছেন বাড্ডা থেকে। চল্লিশোর্ধ্ব এই নারী প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিএনপি করি না। তবুও তারেক রহমানকে একবার দেখার জন্য এসেছি। এখানে এসে ঈদ ঈদ মনে হচ্ছে।’
ছেলে-মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে এসেছেন শরীফুজ্জামান। এভারকেয়ার হাসপাতালের কাছাকাছি মমতাজ বাজারে তাঁদের বাসা। শরীফুজ্জামান বলেন, ‘তারেক রহমানকে একনজর দেখতে এসেছি। সঙ্গে ছেলে-মেয়েকে এনেছি। ওরাও যাতে তারেক রহমানকে দেখতে পারে।’
এদিকে বিএনপির নেতা-কর্মীদের ভিড়ের কারণে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সেখানে পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজধানীর পূর্বাচলে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছেছে তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর। লালসবুজ রঙে সাজানো একটি বাসে করে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনাস্থলে পৌঁছান তারেক রহমান।
বেলা ৩টা ৫১ মিনিটের দিকে তারেক রহমান মঞ্চে ওঠেন। বেলা ৩টা ৫৭ মিনিটে তিনি বক্তব্য শুরু করেন। শুরুতেই বলেন, ‘প্রিয় বাংলাদেশ।’ তাঁর সঙ্গে বিএনপির নেতারা ছিলেন। মঞ্চে উঠে নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়েন তারেক রহমান।
মঞ্চে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, ৭১ এ দেশের মানুষ যেমন স্বাধীনতা অর্জন করেছিল ২০২৪ সালে তেমন সর্বস্তরের মানুষ, সবাই মিলে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করেছিল। আজ বাংলাদেশের মানুষ কথা বলার অধিকার ফিরে পেতে চায়। তারা তাদের গণতন্ত্রের অধিকার ফিরে পেতে চায়।
তারেক রহমান আরও বলেন, আমাদের সময় এসেছে সকলে মিলে দেশ গড়ার। এ দেশে পাহাড়ের, সমতলের, মুসলমান, হিন্দু বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই আছে। আমরা নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই। যে বাংলাদেশে একজন নারী, পুরুষ, শিশু যেই হোক না কেন নিরাপদে ঘর থেকে বের হলে, যেন নিরাপদে ফিরতে পারে।
শহীদ ওসমান হাদিকে স্মরণ করে তারেক রহমান বলেন, ওসমান হাদি চেয়েছিলেন এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে পাক। ৭১ এ যারা শহীদ হয়েছে, ২৪ এ যারা শহীদ হয়েছে তাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে হলে প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
তরুণ প্রজন্মই আগামীতে দেশ গড়ে তুলবে বলেন তিনি। গণতান্ত্রিক, শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দেশকে গড়ে তোলার ওপর জোর দেন তিনি। তিনি পরপর তিনবার বলেন আমরা দেশের শান্তি চাই।
মার্টিন লুথার কিং–এর ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’ উক্তির উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান।’ দেশকে গড়ে তুলতে পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রত্যেক মানুষের সহযোগিতা তাঁর প্রয়োজন। তাহলে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলেন তিনি।
তারেক রহমান এ সময় মা বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
তারেক রহমান বলেন, ‘সবাই মিলে করব কাজ, গড়বো মোদের বাংলাদেশ।’ তিনি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
বক্তব্য দেওয়ার পরে এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে যাচ্ছেন তারেক রহমান। বিকেল সাড়ে চারটার একটু আগে তিনি বাসে উঠেছেন। সমাবেশ সমাপ্ত ঘোষণা করা হয় বিএনপির পক্ষ থেকে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্য রওনা হয়েছেন। এভারকেয়ারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটের দিকে জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে বহনকারী একটি সাদা গাড়ি গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়ি থেকে বের হয়।
এর আগে আজ লন্ডন থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে নামেন তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান। তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে চলে যান ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধনাস্থলে। আর বিমানবন্দর থেকে জুবাইদা ও জাইমা গুলশানে চলে যান। দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে তাঁরা গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ঢোকেন। তখন সময় জাইমা হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ফিরোজার পাশেই ১৯৬ নম্বর বাড়িটি। সেখানে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মোতায়েন করা হয়েছে। আশপাশের রাস্তাগুলোতে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে।
রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
আজ বৃহস্পতিবার বিকেল ৫ টা ১০ মিনিটে একটি সাদা মাইক্রোবাসে করে হাসপাতালে আসেন তাঁরা। গাড়ি থেকে নেমে দুজনই হাসপাতালের ভেতরে প্রবেশ করেছেন। এভারকেয়ারে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আজ বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটের দিকে জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমানকে বহনকারী একটি সাদা গাড়ি গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়ি থেকে বের হয়।
এর আগে আজ লন্ডন থেকে ঢাকায় বিমানবন্দরে নামেন তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান। তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে চলে যান ৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধনাস্থলে। আর বিমানবন্দর থেকে জুবাইদা ও জাইমা গুলশানে চলে যান। দুপুর ১২টা ৫৭ মিনিটে তাঁরা গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে ঢোকেন। তখন সময় জাইমা হাত নেড়ে উপস্থিত মানুষদের শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন।
মা খালেদা জিয়াকে দেখতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের পথে রয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সড়কের দুই পাশে হাজারো নেতাকর্মী ভীড় করছেন। তাই হাসপাতালে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে তারেক রহমানের।
তারেক রহমান গাড়ির ভেতর থেকে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে হাত নাড়ছেন।
আল্লাহ যাঁকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান করেন এবং যাঁর থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা কেড়ে নেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালে পৌঁছেছেন। মা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৫ টা ৫৪ মিনিটের দিকে তারেক রহমান হাসপাতালে প্রবেশ করেন। সন্ধ্যা ৫ টা ৫০ মিনিটের দিকে তারেক রহমানকে বহনকারী লাল সবুজ বাসটি এভারকেয়ার হাসপাতালের গেটে এসে থামে।
হাসপাতালে তারেক রহমানের সঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেনসহ দলের শীর্ষপর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সেখানে উপস্থিত নেতা-কর্মীদের বিপুল উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। হাসপাতালের বাইরে তাঁরা ‘তারেক রহমান বীরের বেশে, আসবে ফিরে বাংলাদেশে’, ‘তারেক রহমান ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।
জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধনাস্থলে বক্তৃতা শেষ করে তারেক রহমান এভারকেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেন। তবে নেতাকর্মীদের ভিড়ের কারণে তাঁকে বহনকারী গাড়ি হাসপাতালে পৌঁছতে দেরি হয়। পথে সড়কের দুই পাশে ছিলেন হাজারো নেতাকর্মী। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার জন্য সড়কে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করছিলেন তাঁরা। তারেক রহমানও নেতাকর্মীদের প্রতি হাত নেড়ে এই ভালোবাসার জবাব দেন।
আজ লন্ডন থেকে তারেক রহমান ঢাকায় আসেন। বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধনাস্থলে চলে যান। সেখানে বক্তৃতা করেন তিনি। এরপর তারেক রহমান এভারকেয়ারের দিকে রওনা হন।
আজ তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফেরেন তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান। বিমানবন্দর থেকে জুবাইদা রহমান ও জাইমা রহমান গুলশানের বাসায় চলে যান। পরে সেখান থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে আসেন তাঁরা।
অসুস্থ মা খালেদা জিয়াকে দেখার পর এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বের হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি গুলশানের বাসার পথে রওনা দিয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ টা ৩০ মিনিটে হাসপাতাল থেকে বের হন তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ছিলেন।
এর আগে বিকেল ৫ টা ৫০ মিনিটে এভারকেয়ার হাসপাতাল এলাকায় আসেন তারেক রহমান। পরে ৫ টা ৫৪ মিনিটের দিকে তিনি হাসপাতালে প্রবেশ করেন। জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়েতে (৩০০ফিট) গণসংবর্ধানাস্থল থেকে তিনি এভারকেয়ারে আসেন। হাসপাতালে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেন তারেক রহমান। এরপর সেখান থেকে বেরিয়ে গুলশানের উদ্দেশে রওনা দেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের জন্য গুলশান অ্যাভিনিউর ১৯৬ নম্বর বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। সেখানে থাকবেন তিনি। বাড়িটি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দীর্ঘদিনের বাসভবন ‘ফিরোজা’র পাশে।