বিডিজবসের আইটি ও এআই চাকরি মেলায় দিনব্যাপী অংশগ্রহণ করেন বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী
বিডিজবসের আইটি ও এআই চাকরি মেলায় দিনব্যাপী অংশগ্রহণ করেন বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী

বিডিজবসের এআই চাকরি মেলায় ২০ হাজারের বেশি আবেদন, শূন্য পদ ২০১

চাকরির ওয়েবসাইট বিডিজবস ডটকম আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে আইটি ও এআই চাকরি মেলা। গতকাল বুধবার (২৪ জুন ২০২৬) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয় চাকরি মেলা। দিনব্যাপী আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন বিপুলসংখ্যক চাকরিপ্রার্থী।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মেলায় ৬০টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও ১০টি প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মোট ২০১টি শূন্য পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে চাকরিপ্রার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হয়।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, মেলায় ৬০টি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও ১০টি প্রশিক্ষণদাতা প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়

মেলায় ২০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন। আবেদন গ্রহণের পর অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো সিভি যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীদের শর্টলিস্ট করবে। পরবর্তীকালে তাঁদের সাক্ষাৎকার বা নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে।

চাকরি মেলার পাশাপাশি এআই ও প্রযুক্তি খাতের বর্তমান প্রবণতা নিয়ে দুটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ছিল ‘এজেন্টিক সফ্‌টওয়ার ডেভেলপমেন্ট’ এবং কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য ‘দ্য এআই কনটেন্ট মেথড’ শীর্ষক সেশন।

মেলায় অংশ নেওয়া চাকরিপ্রার্থী সুমাইয়া খানম প্রথম আলো বলেন, ‘আমি পদার্থবিজ্ঞানে অনার্স করলেও এআই নিয়ে আগ্রহ আছে। নিজ উদ্যোগে প্রোগ্রামিং শিখেছি। দুটি প্রতিষ্ঠানে সিভি জমা দিয়েছি।’

স্নাতক পর্ব শেষ না হলেও চাকরি মেলায় অংশগ্রহণ করেন তেজগাঁও কলেজের শিক্ষার্থী মানিক সাহা। তিনি বলেন, ‘আমি নিজ উদ্যোগে প্রোগ্রামিং শিখছি। এখানে এসেছি মূলত সেমিনারে অংশগ্রহণ করতে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও যোগাযোগ তৈরি হবে।’

মেলায় ২০ হাজারের বেশি আবেদন জমা পড়েছে বলে আয়োজকেরা জানিয়েছেন। প্রতিষ্ঠানগুলো সিভি যাচাই-বাছাই করে যোগ্য প্রার্থীদের শর্টলিস্ট করবে। পরবর্তীকালে তাঁদের সাক্ষাৎকার বা নিয়োগ পরীক্ষার জন্য ডাকা হবে

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ কে এম ফাহিম মাশরুর বলেন, ‘সব চাকরি এআই প্রতিস্থাপন করবে না। চাকরির ধরন পরিবর্তিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে দক্ষতা বাড়াতে হবে এবং নতুন বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, দেশে আইটি গ্র্যাজুয়েটের সংখ্যা বাড়লেও সে তুলনায় চাকরির সুযোগ সীমিত। তবে গত এক বছরে এআই-সংশ্লিষ্ট জনবল নিয়োগের হার বৃদ্ধি পেয়েছে, যা নতুন কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরি করছে।