ছোলা: আধা কেজি
শুকনা মরিচ: ৪টি
জিরা: ১ টেবিল চামচ
পাঁচফোড়ন: ২ চা-চামচ
এলাচি: ৪টি
আদাবাটা: ১ চা-চামচ
আদাকুচি: ২ চা-চামচ
মরিচগুঁড়া: ২ চা-চামচ
চিনাবাদাম: সিকি কাপ
তেঁতুল: আধা কাপ
চিনি: আধা কাপ বা স্বাদমতো
তেল: আধা কাপ
আলু: তিন শ গ্রাম
তেজপাতা: ১টি
ধনে: ১ টেবিল চামচ
দারুচিনি (২ সেন্টিমিটার): ৩টি
লবঙ্গ: ২টি
রসুনবাটা: ১ চা-চামচ
কিশমিশ: দেড় টেবিল চামচ
চিনাবাদাম (অর্ধচূর্ণ): সাজানোর জন্য
পেঁয়াজ স্লাইস: ৪টি
লবণ: স্বাদমতো
ছোলা ধুয়ে সারা রাত পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। আরেকবার ভালো করে ধুয়ে ডুবো পানিতে সেদ্ধ করে নিন।
ছোলা বেশি পুরোনো হলো সামান্য খাওয়ার সোডা দিয়ে সেদ্ধ করুন।
আলু সেদ্ধ করে ছোট কিউব করে কেটে নিন। শুকনা মরিচ, তেজপাতা, জিরা, ধনে, পাঁচফোড়ন, দারুচিনি, এলাচি ও লবঙ্গ আলাদা করে হালকা টেলে গুঁড়া করে নিন।
কিশমিশ ধুয়ে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।
২ কাপ পানিতে তেঁতুল ১ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তেঁতুল ছেনে মাড় বের করুন। এই মাড়ের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে রাখুন।
প্যানে তেল গরম করে পেঁয়াজ বেরেস্তা করে তুলে রাখুন। আদাকুচি লালচে করে ভেজে তুলে রাখতে হবে।
বাকি তেলে ভাজা গুঁড়া মসলা, বেরেস্তা ও ভাজা আদা ঝুরি বাদে অন্যান্য মসলা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে নিন।
মসলা থেকে তেল ছাড়া শুরু করলে আলু ও ছোলা দিয়ে মিশিয়ে নাড়ুন। লবণ দিয়ে আরও কিছুক্ষণ কষিয়ে নিয়ে ডুবো পানিতে ২০ মিনিট মাঝারি আঁচে ফুটিয়ে নিন।
ছোলা সেদ্ধ হলে তেঁতুলের মাড় ও পরিমাণমতো গরম পানি দিয়ে মিশিয়ে রান্না করুন। ঘন হয়ে এলে কিশমিশ ও চিনাবাদাম দিয়ে নাড়ুন।
ভাজা গুঁড়া মসলা ও বেরেস্তা ও আদা ভাজা ছিটিয়ে আলতোভাবে নেড়ে চুলা বন্ধ করে দিন।
টমেটো, শসা, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচকুচি, আদাকুচি, ধনেপাতাকুচি দিয়ে সালাদ তৈরি করে চাট মসলা মিশিয়ে পরিবেশন করুন।