<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Fri, 18 Sep 2026 08:56:45 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>সরকারি কর্মচারী নিজ চাকরির বিষয়ে তদবির করালে বিভাগীয় ব্যবস্থা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/bjb8nn9f1h</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/bjb8nn9f1h#comments</comments><guid isPermaLink="false">817e60c1-56a0-443b-b94b-70af7eb8769a</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:52:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:52:39.249Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনাপত্র গতকাল বৃহস্পতিবার সব সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।]]></description><media:keywords>সরকারি কর্মচারী,সরকারি চাকরি</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-09/u22m0q14/687b4b81_35c4_40d0_beda_5dcee1262c6c.jfif" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-09/u22m0q14/687b4b81_35c4_40d0_beda_5dcee1262c6c.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কোনো সরকারি কর্মচারী তাঁর চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে কাউকে দিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত তদবির করলে ওই কর্মচারীর (আইনানুযায়ী কর্মকর্তারাও কর্মচারী) বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নিয়ে তদবিরের বিষয়টি নির্ধারিত নথিপত্রে (ডোসিয়ার) সংরক্ষণ করা হবে।</p><p>মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনাপত্র গতকাল বৃহস্পতিবার সব সচিব (মুখ্য সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিব), বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে।</p><p>সরকারি কর্মচারীরা কী ধরনের আচরণ করবেন, তা ‘সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯’-এর সংশ্লিষ্ট বিধিতে উল্লেখ রয়েছে। সে কথা স্মরণ করিয়ে নির্দেশনাপত্রে বলা হয়, সম্প্রতি লক্ষ করা যাচ্ছে, সরকারি কর্মচারীদের কারও কারও পক্ষে তাঁদের চাকরিসংক্রান্ত নানা তদবির করার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তি বা ব্যক্তিরা বিভিন্ন দপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন। বিষয়টি সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী তা অসদাচরণের শামিল।</p><p>তবে কোনো কর্মচারী তাঁর চাকরিসংক্রান্ত বিষয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জমা দিতে পারবেন। তখন নিয়ন্ত্রণকারী মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা কর্তৃপক্ষ এই আবেদন সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে যৌক্তিকভাবে নিষ্পত্তি করবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০ ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে শিক্ষক নিয়োগের সুযোগ</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/835wtchg5m</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/835wtchg5m#comments</comments><guid isPermaLink="false">e73f181d-85c5-443b-be7e-323cb8c80f37</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:42:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:42:43.673Z</atom:updated><atom:author><atom:name>চাকরি-বাকরি প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1440472</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>চাকরিবাকরি,ক্যারিয়ার,ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়,চাকরির খবর,চাকরির পরামর্শ,বেসরকারি চাকরি,নিয়োগ,নিয়োগ পরীক্ষা</media:keywords><media:content height="902" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/lxmjc97k/Untitled-3.jpg" width="1354"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/lxmjc97k/Untitled-3.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০টি ফ্যাকাল্টি ও বিভাগে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, জ্যেষ্ঠ প্রভাষক ও প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আবেদনের শেষ তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬।</p><p> <strong>চাকরির বিবরণ</strong><br> ১. ব্র্যাক বিজনেস স্কুল<br> সংশ্লিষ্ট সর্বোচ্চ ডিগ্রির পর্যায়ে নিম্নোক্ত বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষায়িত শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে—<br> অ্যাকাউন্টিং, বিজনেস/ডেটা অ্যানালিটিকস, বিজনেস ল ও করপোরেট গভর্ন্যান্স, উদ্যোক্তা উন্নয়ন, ফাইন্যান্স, আন্তর্জাতিক ব্যবসা, ব্যবস্থাপনা—বিশেষ করে মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা (এইচআরএম), কৌশল ও টেকসই উন্নয়ন, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস, মার্কেটিং এবং অপারেশনস ম্যানেজমেন্ট ও সাপ্লাই চেইন।<br> ২. অর্থনীতি ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগ<br> সমাজবিজ্ঞান ও নৃবিজ্ঞান বিষয়ে বিভিন্ন পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।</p><p>৩. ইংরেজি ও মানবিকী বিভাগ<br>ইতিহাস, ইংরেজি, মিডিয়া ও কালচারাল স্টাডিজ বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।<br>৪. ডেটা অ্যান্ড কম্পিউটেশনাল সায়েন্সেস স্কুল<br>কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে প্রধানত সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।<br>৫. লাইফ সায়েন্সেস স্কুল<br>মাইক্রোবায়োলজি ও বায়োটেকনোলজি বিষয়ে প্রধানত সহকারী অধ্যাপক থেকে অধ্যাপক পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।<br>৬. গণিত ও ভৌতবিজ্ঞান বিভাগ<br>গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, অ্যাপ্লাইড ফিজিকস ও মেডিক্যাল ফিজিকস বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ করা হবে।<br>৭. বিএসআরএম স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং<br>ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।<br>৮. ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেস<br>অ্যাপ্লাইড লিঙ্গুইস্টিকস, সমাজ ভাষাবিজ্ঞান, ইংরেজি ভাষা শিক্ষা, টিইএসওএল/ইএসওএল অথবা বিদেশি ভাষা—বিশেষ করে চীনা ভাষায় শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।<br>সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যাপক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-suggestion/npb9n1gbbr">সিভিতে যেসব দক্ষতা থাকলে চাকরি পাওয়ার সম্ভাবনা ৪২ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়</a></aside><p>৯. স্কুল অব জেনারেল এডুকেশন<br>রাষ্ট্রবিজ্ঞান, উন্নয়ন অধ্যয়ন, দর্শন ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে। খাদ্য অধ্যয়ন, রাজনীতি, পরিবেশগত বিষয় এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিষয়ে বিশেষজ্ঞ প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।<br>১০. স্কুল অব ফার্মেসি<br>পিএইচডিধারী এবং এ-গ্রেড নিবন্ধিত ফার্মাসিস্টদের শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।</p><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা<br></strong>লেকচারার ও সিনিয়র লেকচারার পদে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি থাকতে হবে। সহকারী অধ্যাপক বা তার ওপরের পদের জন্য পিএইচডি ডিগ্রি থাকতে হবে। ডিগ্রিগুলো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্জিত হতে হবে এবং প্রার্থীর একাডেমিক ফলাফল ভালো হতে হবে।<br>পিএইচডিধারী প্রার্থীদের শক্তিশালী গবেষণার সম্ভাবনা থাকতে হবে। ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত গবেষণা ক্ষেত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/chakri-news/vglnvw1ois">সমাজসেবায় ১৪৮৫ পদে নিয়োগ: আবেদনকারী কত, পরীক্ষার তারিখ কবে</a></aside><p><strong>বেতন ও সুযোগ-সুবিধা<br></strong>ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত বাজারমান অনুযায়ী আকর্ষণীয় বেতন ও সুযোগ-সুবিধা দেবে।<br><strong>আবেদনের নিয়ম<br></strong><a href="https://recruitment@bracu.ac.bd" target="_blank" rel="nofollow"> ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন</a> করতে হবে।<br>আবেদনের শেষ তারিখ<br>৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬<br><a href="https://www.bracu.ac.bd/career" target="_blank" rel="nofollow">বিস্তারিত দেখুন ওয়েবসাইটে</a>।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/6kjuepyfr0">এবার কলেজে শিক্ষার্থীর জন্য হাহাকার, যে ১০ কলেজে সর্বোচ্চ আবেদন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>গণিত ভাইয়ার প্রশ্ন: পর্ব ১৩</title><link>https://www.prothomalo.com/education/study/mrzd8bsv9g</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/study/mrzd8bsv9g#comments</comments><guid isPermaLink="false">83b9969c-8b8f-4a41-a0c6-d0bedaee81e1</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:41:39 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:41:39.440Z</atom:updated><atom:author><atom:name>গণিত ইশকুল ডেক্স</atom:name><atom:uri>/api/author/2562849</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গণিত ভাইয়া তোমাদের গণিতকে আনন্দের সঙ্গে শেখাতে সহায়তা করবে।]]></description><media:keywords>কম্বিনেটরিক্স,মজাদার গণিত স্কুল,পড়াশোনা,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,মজাদার গণিত,গণিত ভাইয়া,গণিত</media:keywords><category>পড়াশোনা</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/rkepkms1/1000883796.jpg" /></figure> <p>গণিত ভাইয়া প্রথম আলো গণিত ইশকুলের একটি জনপ্রিয় ক্যারেক্টার। গণিত ভাইয়া তোমাদের গণিতকে আনন্দের সঙ্গে শেখাতে সহায়তা করবে।</p><p>তোমাদের কাছে গণিত ভাইয়ার আজকের প্রশ্ন, শাহনেওয়াজ পরীক্ষা দিতে খুব পছন্দ করে। তাই সে ঢাকা থেকে রাজশাহী, খুলনা, চট্টগ্রাম পরীক্ষা দিতে যায়। কিন্তু সময় স্বল্পতার কারণে তাকে খুলনা বা চট্টগ্রামের যে কোনো এক জায়গায় পরীক্ষা দিতে হবে। ঢাকা থেকে রাজশাহী যাওয়ার উপায় দুটি। রাজশাহী থেকে খুলনা যাওয়ার উপায় 2২, এবং তা থেকে ঢাকা যাওয়া যায় ৩ উপায়ে। রাজশাহী থেকে চট্টগ্রাম, এবং তা থেকে ঢাকা যাওয়ার উপায় উভয় ক্ষেত্রে ৩টি করে। তাহলে সে কত ভাবে দুইটি পরীক্ষা শেষ করে ঢাকায় ফিরতে পারে?</p><p>গণিত ইশকুলের ফেসবুক পেজে পোস্টের মন্তব্যে ঘরে তোমাদের উত্তরটি জানিয়ে দাও।</p><p>গণিত ভাইয়া সিরিজের প্রশ্নগুলোর সর্বোচ্চ সঠিক উত্তরদাতাদের জন্য প্রতি মাসে গণিত ভাইয়ার পক্ষ থেকে রয়েছে বিশেষ পুরষ্কার।</p><p>ফেসবুক পেজের লিংক https://www.facebook.com/PA.GonitIshkul</p>]]></content:encoded></item><item><title>এআই কি স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে</title><link>https://www.prothomalo.com/world/eaai-ki-sthaayyiibhaabe-niyyntrnner-baaire-yete-paare</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/eaai-ki-sthaayyiibhaabe-niyyntrnner-baaire-yete-paare#comments</comments><guid isPermaLink="false">a41afd4d-b571-4e8a-8851-dc9464bc8416</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:41:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:41:27.507Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এআই কি স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="636" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/ogmj1yfz/la4g87i0." width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ এআই]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/ogmj1yfz/la4g87i0.?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্ব</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের সবচেয়ে উন্নত মডেলগুলো এখন বিশ্বের কঠিনতম গণিতের সমস্যার সমাধান এবং সর্বাধুনিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙতে পারে। আরও শক্তিশালী এআই তৈরির কাজেও এসব মডেল ব্যবহার করা হচ্ছে। কারও কারও আশঙ্কা, এআই মানুষের সহায়তা ছাড়াই নিজেকে আরও উন্নত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের আগমন সামলানো কঠিন হবে। এর সঙ্গে বিপুল অর্থ, ভূরাজনৈতিক ক্ষমতা, করপোরেট প্রতিযোগিতা ও শ্রমবাজারের বড় পরিবর্তন জড়িত। পরিস্থিতি সামলাতে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে জোট গড়তে হতে পারে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ‘ফাঁদ’ পেতে প্রলোভন দিয়ে ৯৪ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/nfizwolosd</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/nfizwolosd#comments</comments><guid isPermaLink="false">d2ebb36d-b8e3-4d78-9616-1b03c6e08955</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:38:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:38:06.888Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে আজ শুক্রবার জানায় সিআইডি।]]></description><media:keywords>গ্রেপ্তার,অর্থ আত্মসাত,প্রতারণা,অপরাধ</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/xb7hna1f/Telegram.avif" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ টেলিগ্রাম অ্যাপের লোগো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/xb7hna1f/Telegram.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>টেলিগ্রাম অ্যাপের মাধ্যমে ‘ফাঁদ’ পেতে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।</p><p> গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে কিশোরগঞ্জ সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে আজ শুক্রবার জানান সিআইডির প্রধান কার্যালয়ের গণমাধ্যম বিভাগের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ছুফি উল্লাহ।</p><p>গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি হলেন—মো. জুলহাস উদ্দিন (৩৯) ও প্রহড় (২৮)। সিআইডি বলছে, এই দুই ব্যক্তি সংঘবদ্ধ অনলাইন প্রতারক চক্রের সদস্য।</p><p>ঘটনার বিষয়ে সিআইডির ভাষ্য, মেহেদি হক নিয়ন নামের এক ব্যক্তিকে গত বছরের আগস্টে টেলিগ্রাম অ্যাপের একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরির প্রস্তাব দেয় চক্রটি। মেহেদি চাকরি করতে আগ্রহী হন। তখন তাঁকে একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে যুক্ত করা হয়। তাঁকে অনলাইনে অর্ডার সম্পন্নের মাধ্যমে কমিশন পাওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়। পরে অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁকে বিভিন্ন অঙ্কের টাকা বিনিয়োগে প্রলুব্ধ করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৯৪ লাখ ১৯ হাজার টাকা আত্মসাৎ করে চক্রটি।</p><p>এই ঘটনায় গত ৩ জানুয়ারি মেহেদি বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন থানায় মামলা করেন। সিআইডি জানায়, মামলাটির তদন্তভার গ্রহণের পর তারা এই প্রতারণার সঙ্গে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের জড়িত থাকার বিষয়টি শনাক্ত করে। এর ধারাবাহিকতায় আগে ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গতকাল দুজনকে গ্রেপ্তার করা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>গভীর রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে আওয়ামী লীগের মশালমিছিল, ভিডিও ভাইরাল</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y83zv6maj1</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/y83zv6maj1#comments</comments><guid isPermaLink="false">750d4f26-a9e9-4869-a475-fcb7437dd4a7</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:32:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:32:32.913Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, গভীর রাতে ঝটিকা মিছিলটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>ভাইরাল ভিডিও,কোম্পানীগঞ্জ,নোয়াখালী,চট্টগ্রাম বিভাগ,আওয়ামী লীগ</media:keywords><media:content height="596" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/pg9hk8jc/Ctg-Missil.jpg" width="720"><media:title type="html"><![CDATA[ গভীর রাতে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের মশাল মিছিল। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/pg9hk8jc/Ctg-Missil.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গভীর রাতে মোটরসাইকেল নিয়ে মশালমিছিল করেছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ডের রায়ের প্রতিবাদে তাঁর নিজ এলাকায় এই মশালমিছিল করা হয়। মিছিলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।</p><p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত বুধবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে কোম্পানীগঞ্জের বসুরহাট পৌরসভার বাইপাস সড়ক এলাকায় এই মিছিল হয়েছে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা–পুলিশ।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি ১ মিনিট ২০ সেকেন্ডের। এতে দেখা যায়, কয়েকটি মোটরসাইকেল নিয়ে কয়েকজন ব্যক্তি স্লোগান দিচ্ছেন। মোটরসাইকেলের পেছনে থাকা ব্যক্তিদের হাতে জ্বলন্ত মশাল।</p><p>জানতে চাইলে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল হাকিম প্রথম আলোকে বলেন, গভীর রাতে ঝটিকা মিছিলটি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটক করা হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এআই ব্যবহারে বাড়তি সুবিধা দিতে মেটার নতুন উদ্যোগ</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/mhb6mm0aq3</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/mhb6mm0aq3#comments</comments><guid isPermaLink="false">fe24046e-eff2-4d3c-b7e6-913d035e3866</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:29:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:29:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহসান হাবীব</atom:name><atom:uri>/api/author/1712093</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মেটা ওয়ান নামের নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছে মেটা ]]></description><media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,মেটা,এআই</media:keywords><media:content height="562" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/wwh4943x/Meta-1.-Meta.png" width="1018"><media:title type="html"><![CDATA[ মেটা ওয়ান নামের নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছে মেটা ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/wwh4943x/Meta-1.-Meta.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এআই</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের সীমা বাড়ানোর পাশাপাশি নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের বাড়তি সুবিধা দিতে ‘মেটা ওয়ান’ নামের নতুন সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করেছে মেটা। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের ৫০টির বেশি সুবিধা সহজে ব্যবহার করা যাবে। পর্যায়ক্রমে এডিটস ও এআইনির্ভর স্মার্ট চশমাতেও এসব সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে মেটার।</p><p>মেটা ওয়ানের মধ্যে রয়েছে নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য আলাদা সাবস্ক্রিপশন, ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেল এবং নির্মাতা ও ব্যবসায়ীদের জন্য বিশেষ প্যাকেজ। মেটা জানিয়েছে, সাবস্ক্রিপশন করতে হলেও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ ও মেটা এআইয়ের মূল সুবিধাগুলো বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যাবে। ফলে অর্থের বিনিময়ে এআই ব্যবহারকারীরা আরও বেশি সুযোগ ও সুবিধা পাবেন। সুবিধাটি ধাপে ধাপে বিভিন্ন দেশে চালু করা হচ্ছে। মেটা ওয়ানের আগে ইনস্টাগ্রাম প্লাস, ফেসবুক প্লাস ও হোয়াটসঅ্যাপ প্লাস নামে আলাদা সাবস্ক্রিপশন সেবা চালু করা হয়েছিল। এখন এসব সুবিধা কোর ও প্রিমিয়াম বান্ডেলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।</p><p>মেটা ওয়ানের কোর ও প্রিমিয়াম প্যাকেজ মূলত এআইয়ের নিয়মিত ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়েছে। ফলে মেটা এআই দিয়ে আরও বেশি ছবি ও ভিডিও তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামের এআইভিত্তিক রিস্টাইল ফিচার এবং ভয়েস ইফেক্টের মতো সুবিধাও বেশি ব্যবহার করা যাবে। কোর প্যাকেজে মেটা এআই দিয়ে ছবি ও ভিডিও তৈরির বাড়তি সুযোগের পাশাপাশি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির কনটেন্ট নতুনভাবে সাজানো, ভয়েস ইফেক্ট ব্যবহার এবং অন্যান্য সৃজনশীল টুল ব্যবহারের সীমা বাড়ানো হয়েছে। </p><p>মেটা ওয়ানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পরিচালনা, আধেয় (কনটেন্ট) প্রকাশ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য পেশাদার বিভিন্ন টুল যুক্ত করা হয়েছে। নির্মাতাদের জন্য নির্ধারিত প্যাকেজে ভেরিফায়েড ব্যাজ, হোয়াটসঅ্যাপ বিজনেস অ্যাপে ভেরিফায়েড চ্যানেল এবং কেউ অন্যের পরিচয় ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট পরিচালনার চেষ্টা করলে তা ঠেকানোর সুবিধাও যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে উন্নত ব্যবসায়িক সুবিধার পাশাপাশি মেটা বিজনেস এজেন্ট আরও সহজে ব্যবহার করা যাবে।</p><p>সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</p>]]></content:encoded></item><item><title>সৌদির অনুরোধে হুতিদের লাগাম টানতে ইরানের ওপর চীনের চাপ, কারণ কী</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/r3io16r6yy</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/r3io16r6yy#comments</comments><guid isPermaLink="false">ad737a57-a41c-48a9-af38-52a9486f6f03</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:25:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:25:34.534Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চীন প্রকাশ্যে সংযম, সংলাপ ও নৌপথে নিরাপদ চলাচল ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে। তবে তেহরানকে একান্তে দেওয়া বার্তায় এর চেয়ে আরও বেশি কিছু বলা হয়েছে।]]></description><media:keywords>চীন,ইরান,ইয়েমেন,হরমুজ প্রণালী,হুতি বিদ্রোহী,সৌদি আরব</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/k144l5la/HOUTHI.avif" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ হেলিকপ্টার নিয়ে লোহিত সাগরে একটি জাহাজের পিছু নিয়েছে হুতিরা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/k144l5la/HOUTHI.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><category>চীন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের লাগাম টানতে তেহরানের কাছে সহায়তা চেয়েছে চীন। সৌদি আরব গত এক সপ্তাহে ইরান–সমর্থিত এই গোষ্ঠীর সামরিক অগ্রযাত্রার পর বেইজিংয়ের কাছে সাহায্য চেয়েছিল। এরপরই চীন একান্তে তেহরানের কাছে এ অনুরোধ জানায়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি ইরানি সূত্র এসব তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সূত্রগুলো জানায়, লোহিত সাগর উপকূল ও বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশে হুতিরা দ্রুত অগ্রসর হয়েছে। এতে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি ও জাহাজ চলাচল আরও ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সহায়তার জন্য চীনের দ্বারস্থ হয় রিয়াদ।</p><p>চীন প্রকাশ্যে সংযম, সংলাপ ও নৌপথে নিরাপদ চলাচল ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়েছে। তবে তেহরানকে একান্তে দেওয়া বার্তায় এর চেয়ে আরও বেশি কিছু বলা হয়েছে বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।</p><p>বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানি সরবরাহের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। বেইজিং চায় না জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথগুলোতে সংঘাত আরও ছড়িয়ে পড়ুক। এ কারণে হুতিদের ওপর প্রভাব খাটিয়ে সংঘাতের বিস্তার ঠেকাতে তেহরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে চীন।</p><p>আলোচনার বিষয়ে অবহিত সূত্রগুলো পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছে। তবে বার্তাটি ঠিক কীভাবে তেহরানের কাছে পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে তারা কোনো তথ্য দেয়নি। গত বুধবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির চীন সফরের সময় বার্তাটি দেওয়া হয়েছিল কি না, সেটিও স্পষ্ট নয়।</p><p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, চীনের এই বার্তার জবাবে তেহরান বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ বন্ধ না হলে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরবে না।</p><p>তিনটি ইরানি সূত্র জানায়, চীনা কর্মকর্তারা তেহরানকে সরাসরি কোনো হুমকি দেননি। হুতিদের ওপর প্রভাব খাটাতে ব্যর্থ হলে তেহরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ দেওয়া হবে, এমন কোনো ইঙ্গিতও বেইজিং দেয়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/aabi6l5pxl">হুতিদের ঠেকাতে সামরিক সহায়তা চেয়ে মিত্রদের দ্বারে সৌদি আরব, সাড়া পাবে কি</a></aside><p>এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের জবাবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, চীন চায় না আঞ্চলিক উত্তেজনা ইয়েমেন ও লোহিত সাগরে আরও ছড়িয়ে পড়ুক। আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা বেড়ে গেলে তাতে কোনো পক্ষেরই স্বার্থ রক্ষা হবে না।</p><p>মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, সব দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার প্রতি সম্মান জানাতে হবে। মানুষের জীবন–জীবিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়।</p><p>পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে, এমন পদক্ষেপ বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে চীন। একই সঙ্গে আলোচনা–সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের তাগিদ দিয়েছে দেশটি।</p><p>এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সৌদি সরকারের গণমাধ্যম দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া পায়নি রয়টার্স।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/c2t96itt/Air_defence.jpg" /><figcaption>হামলার মুখে সক্রিয় করা হয়েছে সৌদি আরবের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা</figcaption></figure><p><strong>বিস্তৃত আঞ্চলিক যুদ্ধের ঝুঁকি</strong></p><p>এক দশকের বেশি সময় ধরে ইরানের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। ইরানের তেলের প্রধান ক্রেতাও চীন।</p><p>পণ্যবাজারের তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইরানের সমুদ্রপথে রপ্তানি হওয়া তেলের ৮০ শতাংশের বেশি কিনেছে চীন। এর পরিমাণ ছিল দিনে গড়ে প্রায় ১৪ লাখ ব্যারেল।</p><p>এ বিষয়ে অঞ্চলটিতে দায়িত্বরত এক জ্যেষ্ঠ পশ্চিমা কূটনীতিক বলেন, হুতিদের লাগাম টানতে ইরানের ওপর চাপ দিতে পারে, বিশ্বে এমন দেশের সংখ্যা খুব বেশি নয়। তবে এই হাতে গোনা দেশগুলোর মধ্যে চীন অন্যতম।</p><p>সৌদি আরবের সুন্নি প্রভাবের বিরোধিতার মধ্য দিয়ে গত শতকের নব্বইয়ের দশকে ইয়েমেনে হুতি গোষ্ঠীটির উত্থান ঘটে। ইরানি সূত্র ও পশ্চিমা দেশগুলোর মতে, হুতিদের অস্ত্র, প্রশিক্ষণ ও অর্থ দিয়ে থাকে ইরান। হুতিরা বর্তমানে তেহরানের পশ্চিমা ও ইসরায়েলবিরোধী ‘প্রতিরোধ অক্ষ’-এর অংশ।</p><p>ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার পর বৈশ্বিক জ্বালানিসংকট আরও তীব্র হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে লোহিত সাগর ও বাব আল-মানদেব প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে হুতিদের যেকোনো হুমকি সংকট আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। একই সঙ্গে তা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ঝুঁকিও বাড়বে।</p><p>হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ। এ পরিস্থিতিতে লোহিত সাগরের জাহাজ বা বন্দরে হুতিদের অব্যাহত হামলা মধ্যপ্রাচ্যের দুটি প্রধান তেল রপ্তানি পথকে একই সময়ে ব্যাহত করতে পারে। এতে জ্বালানিসংকট আরও গভীর হতে পারে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিস্তৃত সংঘাতে নতুন একটি ক্ষেত্র তৈরি হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/9kzu2w0w0d">মক্কা নগরীর দিকে হুতিদের ড্রোন, সৌদি যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি </a></aside><p>একটি সূত্র বলেছে, ইরান ও তার মিত্ররা এখন অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের দুই প্রান্তেই চাপ সৃষ্টি করছে। আর চীন দুটি নৌপথের ওপরই নির্ভরশীল।</p><p>ওয়াশিংটনভিত্তিক মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের ইরান কর্মসূচির পরিচালক অ্যালেক্স ভাতানকা বলেন, বেইজিং হয়তো ইরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপের বিরোধিতা করবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে চীনের স্বার্থ ইরানের বাইরেও বিস্তৃত। চীনের তেল আমদানির প্রায় অর্ধেক আসে এ অঞ্চল থেকে। গালফ কো-অপারেশন কাউন্সিলের (জিসিসি) দেশগুলোর সঙ্গে চীনের বাণিজ্যের পরিমাণ বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি ডলার।</p><p>ভাতানকা বলেন, ‘ইরান হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত করতে পারে। কিন্তু একপর্যায়ে এ সক্ষমতা এমন পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে, যা ইরান যে শক্তির ওপর ক্রমেই বেশি নির্ভর করছে, শেষ পর্যন্ত সেই শক্তিকেই ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।’</p><p><strong>চীনের দোটানা</strong></p><p>তিনটি ইরানি সূত্র জানিয়েছে, বেইজিংয়ের উদ্বেগের বিষয়ে তেহরান কোনো ব্যবস্থা নেবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়।</p><p>সূত্রগুলো বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যে থাকা ইরানের জন্য চীনের সঙ্গে সম্পর্ক অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞায় ইরানের অর্থনীতি বিপর্যস্ত। দেশটির তেলশিল্প টিকিয়ে রাখতে, অর্থনৈতিক চাপ কমাতে যে বিনিয়োগ প্রয়োজন, তা দেওয়ার মতো আর্থিক সক্ষমতা থাকা হাতে গোনা কয়েকটি দেশের একটি চীন।</p><p>বেইজিং তার কূটনৈতিক প্রভাবও দেখিয়েছে। বহু বছরের বৈরিতার পর ২০২৩ সালে ইরান ও সৌদি আরবের মধ্যে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে মধ্যস্থতা করেছিল চীন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/zhz3lr8qna">ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে সৌদি আরবের এফ–১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করার দাবি হুতিদের</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-16/jbvw8vuu/F-15-fighter.webp" /><figcaption>মাঝ আকাশে সৌদি আরবের একটি এফ–১৫ যুদ্ধবিমান</figcaption></figure><p>তবে সে প্রভাবেরও সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ২০২১ সালে চীন ও ইরান ২৫ বছর মেয়াদি সহযোগিতা চুক্তি সই করে। এরপর তেলবহির্ভূত খাতে চীনের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় ইরানের ভেতরে সমালোচনা হয়েছে। উপসাগরীয় আরব দেশগুলোতে চীনের ক্রমবর্ধমান বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতির তুলনায় ইরানে এ বাণিজ্য–বিনিয়োগের পরিমাণ কম।</p><p>চীন এমন একটি পক্ষ, যাকে তেহরান উপেক্ষা করতে পারে না। তবে দুটি ইরানি সূত্র বলেছে, তেহরানের কাছে বেইজিংয়ের স্বার্থ অনেকগুলো বিবেচনার মধ্যে একটি মাত্র। ইরানের সিদ্ধান্ত কৌশলগত, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নানা অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/qohu9cccgt">ট্রাম্প-সি বৈঠকের আগে আবার বেইজিং যাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীন কি এগিয়ে আসবে</a></aside><p>পশ্চিমা সেই কূটনীতিক বলেন, তেহরান ও বেইজিংয়ের একে অপরকে প্রয়োজন। চীন এমন একটি পক্ষ, যাকে তেহরান উপেক্ষা করতে পারে না। আর বেইজিং চায়, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া হোক, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচল নিরাপদ থাকুক।</p><p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, চীন তার দাবির সঙ্গে বাস্তব কোনো পদক্ষেপ নেবে কি না, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ। তেহরানের ওপর নিজের প্রভাব খাটাতে চীন সত্যিই প্রস্তুত, এর প্রমাণ পাওয়া গেলে বেইজিংয়ের দৃঢ় অবস্থানের সবচেয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/d2xq14pqx6">মারিব-তাইজে হুতিদের অগ্রযাত্রা, ইরান যুদ্ধে নতুন চাপের মুখে সৌদি-যুক্তরাষ্ট্র</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>একঝলক (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬)</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/vxlwfmm8xn</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/vxlwfmm8xn#comments</comments><guid isPermaLink="false">fd7c9a33-cef3-4090-a598-ed483536a7e3</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:23:53 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:23:53.944Z</atom:updated><atom:author><atom:name>গোপাল কুমার সূত্রধর</atom:name><atom:uri>/api/author/1258664</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পাখি,কৃষক,প্রকৃতি,একঝলক</media:keywords><category>glimpse</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/ibakh444/1.jpg" /><figcaption>সাপ্তাহিক হাটে বিক্রির জন্য ইজিবাইকে করে পাট নিয়ে যাচ্ছেন এক কৃষক। দিগনগর, ফরিদপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/y6rf65r9/2.JPG" /><figcaption>পানের বরজে ব্যবহারের জন্য বিক্রি হচ্ছে শণ। ফুলতলা বাজার, খুলনা, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/9pyw6zp3/3.jpg" /><figcaption> ট্রলারে তোলার জন্য মাথায় করে পাট নিয়ে যাচ্ছেন এক ব্যাপারী। স্থানীয় চাষিদের কাছ থেকে প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ১০০ টাকায় কিনেছেন তিনি। উত্তর আইচা, বরিশাল, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/vp7bavj5/4.JPG" /><figcaption>বিলের পানিতে শাপলাপাতার ফাঁকে খাবার খুঁজছে একটি জলপিপি পাখি। স্থানীয়ভাবে এটি জলময়ূর নামেও পরিচিত। শ্রীপুর, গাজীপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/2gy4d0x8/5.JPG" /><figcaption>পোকা শিকারের আশায় কাশফুলের ওপর বসে আছে একটি কসাই পাখি। একদন্ত, পাবনা, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/2jerl8ue/6.jpg" /><figcaption>পদ্মার পানি বেড়ে ডুবে গেছে গোচারণভূমি। তাই নদীর ওপার থেকে সবুজ ঘাস কেটে ছোট নৌকায় ফিরছেন তিনজন। গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হবে এসব ঘাস। রাধাকান্তপুর, পাবনা, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/b0rtvf5t/7.JPG" /><figcaption>ভোর থেকেই জমে ওঠে পাইকারি শাকসবজির বাজার। নিজেদের আবাদ করা লাউ নিয়ে আসতেই পাইকাররা ঘিরে ধরেছেন এক কৃষককে। গোবিন্দনগর, ঠাকুরগাঁও, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/lymcs9yy/8.jpg" /><figcaption>পথের পাশে ফুটে আছে ভেন্না বা ভেরেন্ডাগাছের ফুল। রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/w3wdgd1f/9.jpg" /><figcaption>লেবুগাছে ফুটে থাকা ফুলের ওপর একটি প্রজাপতি। রাঙামাটি, ১৮ সেপ্টেম্বর</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>শুটিং শেষে ফেরার পথে বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার চিত্রনায়ক পলাশ, অনিশ্চয়তায় অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/5p3l9kv0sc</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/5p3l9kv0sc#comments</comments><guid isPermaLink="false">e1e7aaf1-44c2-4f6d-ae1c-81b3660ca564</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:20:00.281Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় চিত্রনায়ক মরতুজা পলাশকে গ্রেপ্তারের খবর বৃহস্পতিবার জানাজানি হয়েছে। ]]></description><media:keywords>বিমানবন্দর,গ্রেপ্তার,নায়ক,অপু বিশ্বাস,নেপাল</media:keywords><media:content height="446" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/236z48wt/7a5d78bc-7cef-4c68-9bff-07ee607f0003.jpg" width="641"><media:title type="html"><![CDATA[ মরতুজা পলাশ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/236z48wt/7a5d78bc-7cef-4c68-9bff-07ee607f0003.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ঢালিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় চিত্রনায়ক মরতুজা পলাশকে গ্রেপ্তারের খবর গতকাল বৃহস্পতিবার জানাজানি হয়েছে। নেপাল থেকে দেশে ফেরার পর গত ২৮ আগস্ট ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। মামলার এজাহারনামীয় আসামি পলাশ বর্তমানে কারাগারে আছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5n2c8icc/767540463_1783874139468687_3461491292162255996_n.jpg" /><figcaption>নেপালে শুটিং স্পটে (সামনে বাঁ থেকে) চিত্রগ্রাহক সাইফুল শাহীন, পরিচালক কামরুজ্জামান রোমান, চিত্রনায়ক মরতুজা পলাশ, চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসসহ সহশিল্পী ও কলাকুশলীরা</figcaption></figure><p>নেপালে অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন পলাশ। গত আগস্টে শুরু হওয়া সিনেমাটির ২৫ দিনের বেশি শুটিং শেষে আকস্মিক বন্যার কারণে ২৮ আগস্ট দেশে ফেরে ‘শিকার’–এর দল। সেদিনই বিমানবন্দর থেকে পলাশকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে তাঁর গ্রেপ্তারের বিষয়টি এত দিন প্রকাশ্যে আসেনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/s2s00pxa/840ba798_39fd_42e2_9595_f56b12a0f56c.jpg" /><figcaption>‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে অপু বিশ্বাসের সঙ্গে মরতুজা পলাশ</figcaption></figure><p>খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর পলাশকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। মামলা–সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে সংশ্লিষ্ট ঘটনা ও মামলার অন্য আসামিদের বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে কিছু তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।</p><p>এদিকে পলাশ কারাগারে থাকায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে তাঁর অভিনীত ‘শিকার’ সিনেমার বাকি কাজ। নেপালে সিনেমাটির বেশির ভাগ অংশের দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে। এখনো কয়েকটি দৃশ্য ও গানের শুটিং বাকি। আগামী অক্টোবরে সেগুলোর দৃশ্যধারণের পরিকল্পনা করেছিলেন নির্মাতা কামরুজ্জামান রোমান। কিন্তু নায়ক কারাগারে থাকায় শুটিংয়ের চূড়ান্ত সময়সূচি নির্ধারণ করতে পারছেন না তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/w34eheij/5441505c_1d4c_411b_92e4_219472b482c1.jpg" /><figcaption>‘শিকার’ সিনেমার শুটিংয়ের ফাঁকে মরতুজা পলাশের সেলফিতে অপু বিশ্বাস</figcaption></figure><p>কামরুজ্জামান রোমান বলেন, ‘নেপালে “শিকার”–এর বেশির ভাগ অংশের শুটিং শেষ হয়েছে। অক্টোবরে বাকি কাজ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু নায়ক কারাগারে থাকায় এখনো চূড়ান্ত শিডিউল করা যাচ্ছে না। মরতুজা পলাশ আইনিভাবে বিষয়টি মোকাবিলা করছেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আশা করছে, তিনি শিগগিরই মুক্তি পাবেন। তা না হলে অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের কোনো উপায় নেই।’</p><p>সীমান্তবর্তী এলাকার গল্প নিয়ে থ্রিলার ঘরানার সিনেমা ‘শিকার’। আবদুল্লাহ জহির বাবুর চিত্রনাট্যে এতে মরতুজা পলাশ ও অপু বিশ্বাস ছাড়াও অভিনয় করছেন মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সুমন আনোয়ার এবং পশ্চিমবঙ্গের খরাজ মুখোপাধ্যায়, রজতাভ দত্ত ও শ্যাম ভট্টাচার্য। রেজা ফিল্মসের ব্যানারে সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্ব বাঁশ দিবস: বাঁশকোড়লের তরকারি থেকে কবরে বাঁশের বেড়া, জীবনে কতভাবে বাঁশ দেখেছেন?</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/jzo7euxblt</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/jzo7euxblt#comments</comments><guid isPermaLink="false">5a7b430d-db08-41fa-86aa-a7b600050464</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:18:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:18:16.501Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার পালাবদলেই চলছে জীবন। এদিকে যাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে বাঁশ। ]]></description><media:keywords></media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dpx97s8f/bash632.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dpx97s8f/bash632.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার পালাবদলেই চলছে জীবন। এদিকে যাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে বাঁশ। আর সেজন্যই আজ ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় বিশ্ব বাঁশ দিবস।</p><p>আপনার জীবনও কি বাঁশময়? বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার ধারনাটি যতই নেতিবাচক হোক, আমাদের জীবনযাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে এই বাঁশ। বাঁশ ছাড়া কিন্তু চলেই না আমাদের। বাঁশে ভর দিয়েই নগরী বাড়ছে কলেবরে আর উচ্চতায়। দালান ও অবকাঠামো তুলতে কিন্তু এই বাঁশেরই শরণাপন্ন হতে হয়। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/3mpvzsq6/prothomalo-bangla2025-09-181yccho8u640px-Constructionbangladesh.webp" /><figcaption>অবকাঠামো তুলতে কিন্তু এই বাঁশেরই শরণাপন্ন হতে হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/mg567r91/newshootsbamboo17804880113911339382888046948293401230.jpg" /><figcaption>বাঁশঝাড় ছাড়া গ্রামাঞ্চলে এখনও কোনো বাড়ি দেখা যায় না</figcaption></figure><p>বর্ধিষ্ণু নতুন ঢাকার চাহিদার যোগান দিতে শত বছর আগে বুড়িগঙ্গার কোল ঘেষে গড়ে ওঠে বাঁশপট্টি। গ্রামে বাঁশের খুঁটিতেই ঘর দাঁড়ায়। বাঁশ থেকে হয় বেড়া আর ঘরের দেওয়াল। বাঁশঝাড় ছাড়া গ্রামাঞ্চলে এখনও কোনো বাড়ি দেখা যায় না। এখন অবশ্য আগের মতো নির্জন এলাকা দুর্লভ বলে বাঁশঝাড়ে ভুতপেত্নী থাকার গল্পগুলো গল্পই হয়ে গিয়েছে।</p><p>বাঁশের সাঁকো দেখেছেন নিশ্চয়ই। এদিকে গ্রামে আগের দিনে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেও বাঁশের খুঁটির ওপরে তৈরি করা হতো শৌচাগার। হালকা আর ঘুণে ধরার ভয় নেই বলে পাকা বাঁশের কদর আছে এখনও ঘরবাড়ি তৈরিতে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/8syiox7u/prothomalo-bangla2025-09-1829bx5bdkChildrenplayingatsunsetonaMekongbankinSiPhanDon.webp" /><figcaption>বাঁশের সাঁকো দেখেছেন নিশ্চয়ই</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/m9hftnwt/prothomalo-bangla2025-09-18glpwypftprothomalo-bangla2025-06-2809nsswnhbash1.webp" /><figcaption>৪২ প্রজাতির বাঁশ জন্মায় আমাদের দেশে</figcaption></figure><p>লতানো গাছের লাউ, চিচিঙ্গা, শসা বুনলে অবশ্যই লাগবে জাংলা। বাঁশের চটি দিয়েই বানাতে হয়। সব মিলিয়ে চারিদিকে শুধু বাঁশ আর বাঁশ। বুদুম বাঁশের নাম শুনেছেন? সবচেয়ে মোটা হয়ে থাকে এই বাঁশ। এদিকে মুলি বাঁশের নাম সবাই জানি আমরা। ৪২ প্রজাতির বাঁশ জন্মায় আমাদের দেশে।</p> <p>বাঁশ দেওয়া শুনলেই ভয় পাবেন না। লাকি ব্যাম্বু এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় হাউসপ্ল্যান্টগুলোর একটি। চাইনিজরা বিশ্বাস করে বাঁশ সৌভাগ্যের প্রতীক। চাইলে কিন্তু আজ অনায়াসে বাঁশ দিতে পারেন প্রিয়জনকে। লাকি ব্যাম্বু আর কী!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/e5jpwmf6/wholesalerplanterplants1723554699343374815149138359050123964645.jpg" /><figcaption>চাইলে কিন্তু আজ অনায়াসে  এরকম বাঁশ দিতে পারেন প্রিয়জনকে</figcaption></figure><p>পার্বত্য অঞ্চলে তো বাঁশ জীবনের অপরিহার্য অংশ। টং ঘরে বাঁশ লাগবে। বাঁশের চটা দিয়ে ঝুড়ি তৈরি করা হয়। হাতে বাঁশের লাঠি না থাকলে পাহাড়ি পথে চলাচল কঠিন। বাঁশ সেখানে রান্নার তৈজস। বিশেষ প্রকারের বাঁশ দিয়ে তৈরি চুঙ্গা পিঠা তো আছেই। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/fbphr4t3/prothomalo-bangla2025-09-18r95xowktsherkhanhotel1665054981294301695391783457855735447044.webp" /><figcaption>হালের ক্রেজ ব্যাম্বু চিকেন</figcaption></figure><p>আর হালের ক্রেজ ব্যাম্বু চিকেন, ব্যাম্বু বিরিয়ানির কথা না বললেই নয়। বাঁশের ফোকরে পুরে রান্না করা হয় বিন্নি ভাতও।</p><p>শুধু রান্নার কাজে লাগে না বাঁশ। বাঁশ খেতেও দারুণ মজা। কচি বাঁশকোড়ল বা ব্যাম্বু শুট এখন বলতে গেলে আমাদের দেশে এক ভাইরাল খাদ্যোপকরণ। পার্বত্য অঞ্চলে বহু যুগ ধরেই এটি খেয়ে আসছেন সকলে। চাইনিজ বা অন্যান্য ওরিয়েন্টাল রান্নায়ও বাঁশ কোড়ল অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাঁশ খাওয়ার আছে আরও সব উপায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/ma1cbnx8/ajfoodlifeyt1787324230396868539008412164749407267158.jpg" /><figcaption>কচি বাঁশকোড়ল বা ব্যাম্বু শুট এখন বলতে গেলে আমাদের দেশে এক ভাইরাল খাদ্যোপকরণ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/r8j4mgh9/prothomalo-bangla2025-09-18dkn0g81bprothomalo-bangla2025-07-20mvv8qpwrbamboo-tea-1.webp" /><figcaption>দেশে এখন মিলছে বাঁশপাতার চা</figcaption></figure><p>আমাদের দেশে এখন মিলছে বাঁশপাতার চা। বলা হচ্ছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ আছে এই চায়ের। এভাবে কি বাঁশ খেয়েছেন কখনো? রেসিপি রইল নিচের লিংকে।</p><p>আমাদের দেশে এখন বাঁশের আসবাব, হোম ডেকোর পণ্য, তৈজস আর জানালায় বাঁশের তৈরি ব্লাইন্ড নিয়ে যেকোনো সময়ের চেয়ে আগ্রহ বেশি। ইকো ফ্রেন্ডলি এই উপকরণটির আসলে তুলনা নেই। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/h1nd3oxm/prothomalo-bangla2025-09-18k2o8l6e8trendyfur.bd1756743537371215629966914337962235354358.webp" /><figcaption>ইকো ফ্রেন্ডলি এই উপকরণটির আসলে তুলনা নেই</figcaption></figure><p>তবে বাঁশ ব্যবহার করার আগে ঠিকভাবে জাগ দেওয়া, শুকানো ও সিজন করা জরুরি। সুরক্ষার জন্য ভার্নিশ বা পেইন্ট ব্যবহার করা যায়। এতে শোভাও বাড়ে।</p><p>বাংলা ভাষায় অবশ্য বাঁশ বলতে শুধু বাঁশই বোঝায় না। জীবনের যত প্রতিকূলতা আর নেতিবাচকতাকে বাঁশ খাওয়া বলি আমরা। জীবনটা আজকাল বাঁশময়ই বটে। এদিকে বাঁশ দিতেও দ্বিধা করেন না অনেকে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/clgmlo1u/bash632.jpg" /><figcaption>প্রেমিক-প্রেমিকা বাঁশ দিয়ে চলে যায়। ভাগ্যের হাতেও বাঁশ খাই আমরা অহরহ।</figcaption></figure><p>পরীক্ষার খাতায় বাঁশ খাওয়ার দুঃখ আমরা কেই-বা ভুলতে পেরেছি। শোনা যায়, দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ছাত্ররা অনেকেই বাঁশবাগান বলে থাকে। আবার ভাইরাল মিম বলে, জীবনটা মাটির চুলা, একের পর এক বাঁশ ঢুকছে। প্রেমিক-প্রেমিকা বাঁশ দিয়ে চলে যায়। ভাগ্যের হাতেও বাঁশ খাই আমরা অহরহ।  </p><p>ওহ, আজ ১৮ সেপ্টেম্বর। প্রতি বছর এই দিনেই বিশ্ব বাঁশ দিবস পালিত হয়। এই দিবসটি ২০০৯ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ৮ম বিশ্ব বাঁশ সম্মেলনে ঘোষণা করে ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশন (WBO)। এর উদ্দেশ্য হলো বাঁশের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরি করা। </p><p><strong>কেন বাঁশ দিবস উদযাপন করা হয়</strong> </p><p>বাঁশ দিবস হলো পরিবেশ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে বাঁশের নানা উপকারিতা তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। এদিনে বিশেষভাবে যেসব দিক তুলে ধরা হয়: </p><p>পরিবেশ রক্ষা: বাঁশ দ্রুত বর্ধনশীল ও নবায়নযোগ্য সম্পদ। এটি প্রচুর কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং গভীর শিকড়ের কারণে মাটিক্ষয় রোধ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহায়তা করে। </p><p>অর্থনৈতিক সুযোগ: বাঁশ দিয়ে টেক্সটাইল, নির্মাণসামগ্রী, হস্তশিল্প, খাবারসহ নানা শিল্প গড়ে তোলা যায়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে। </p><p>টেকসই জীবনযাপন: বাঁশ কাঠ ও প্লাস্টিকের পরিবেশবান্ধব বিকল্প। এটি দিয়ে বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) পণ্য তৈরি করা যায় এবং কাটার সময় গাছের মূল ধ্বংস হয় না। </p><p>সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: বাঁশ স্থানীয় সংস্কৃতি, সঙ্গীত, হস্তশিল্প ও স্থাপত্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/q23hz8gm/bamboobazarnp1773888624385597930712718856761270723756.jpg" /><figcaption>বাঁশের সবচেয়ে খারাপ ব্যবহার মনে হয় কাউকে আঘাত করার অস্ত্র হিসেবে</figcaption></figure> <p>বাঁশের গল্প যেন আর শেষই হচ্ছে না। তবে বাঁশের সবচেয়ে খারাপ ব্যবহার মনে হয় কাউকে আঘাত করার অস্ত্র হিসেবে। মব সৃষ্টি, সন্ত্রাস আর হানাহানি, মারামারি না হোক বাঁশ দিয়ে। কারও অনাকাংক্ষিত মৃত্যুর পর কবরে বাঁশের বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে যেন আর কেউ না কাঁদে। বিশ্ব বাঁশ দিবসে এটুকুই চাওয়া। সূত্র: ডেইজ অব দ্য ইয়ার হিরো ইমেজ: জেমিনি এআই ছবি: জেমিনি এ আই, হাল ফ্যাশন, উইকিমিডিয়া কমন্স ও ইন্সটাগ্রাম</p>]]></content:encoded></item><item><title>আগেভাগে কর দিলে করছাড় পাওয়া যাবে না, নিয়মের মারপ্যাঁচে এক অদ্ভুত হিসাব</title><link>https://www.prothomalo.com/business/analysis/yb8ms7o59q</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/analysis/yb8ms7o59q#comments</comments><guid isPermaLink="false">4379e1e8-b556-41ea-a785-65297e8fcfd7</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:15:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:15:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সময়মতো এবং আগেভাগে কর দেওয়া ভালো নাগরিকের লক্ষণ—এত দিন আমরা এটাই জেনে এসেছি।]]></description><media:keywords>অভিমত,কর,আয়কর</media:keywords><media:content height="1136" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-24/qxsrlrbc/Untitled-11.jpg" width="1708"><media:title type="html"><![CDATA[ স্নেহাশীষ বড়ুয়া]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-06-24/qxsrlrbc/Untitled-11.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্লেষণ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সময়মতো এবং আগেভাগে কর দেওয়া ভালো নাগরিকের লক্ষণ—এত দিন আমরা এটাই জেনে এসেছি। কিন্তু নতুন অর্থ আইনে এমন একটি নিয়ম এসেছে, যা দেখে মনে হতে পারে, নিয়ম মেনে ঠিক সময়ে কর দিলে কোনো লাভ নেই; বরং নিয়ম না মেনে কর বাকি রাখলেই যেন লাভ বেশি!</p><p>চলতি বছর করদাতাদের উৎসাহিত করতে সরকার ঘোষণা করেছে, কেউ যদি ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেন, তবে প্রদেয় করের ওপর ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড় পাবেন। কথাটা শুনতে দারুণ মনে হলেও এর ভেতরে একটি মারপ্যাঁচ রয়েছে।</p><p>আইনে বলা হয়েছে, এই ছাড় দেওয়া হবে রিটার্ন জমার সময় যে কর দেওয়া বাকি আছে বা ট্যাক্স পেয়েবল, তার ওপর। অর্থাৎ মোট কর থেকে আয়বর্ষে নানা সময়ে কেটে নেওয়া উৎসে কর বা জমা দেওয়া অগ্রিম কর সমন্বয়ের পর যে কর পরিশোধ করতে হবে, তার ওপর। সোজা কথায়, পুরো বছরে আপনার মোট করের ওপর নয়।</p><p>এর ফলে যা দাঁড়িয়েছে, যাঁরা সারা বছর নিয়ম মেনে কর পরিশোধ করেছেন, তাঁরা এই ছাড় থেকে শূন্য হাতে ফিরতে পারেন। আর যাঁরা সঠিকভাবে কর দেননি, তাঁরা করছাড় পেতে পারেন।</p><p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝার জন্য দুজন মানুষের বাস্তব উদাহরণ দেখা যাক।</p><p>দুই বন্ধু ও দুই অফিসের গল্প। দুজনেরই বাৎসরিক আয় ১২ লাখ টাকা এবং বছর শেষে দুজনেরই মোট আয়করের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৫ হাজার টাকা। তাঁরা দুজনই সরকারের নতুন এই ছাড় পেতে ৩০ সেপ্টেম্বরের আগেই রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নেন। কিন্তু তাঁদের ক্ষেত্রে কী ঘটে দেখুন।</p><p>প্রথমে আরিফ, যিনি কাজ করেন একটি সুপরিচিত কোম্পানিতে। এই কোম্পানি আইনের প্রতি পুরোপুরি শ্রদ্ধাশীল। তাই তারা প্রতি মাসে আরিফের বেতন থেকে নির্দিষ্ট হারে কর (উৎসে কর) কেটে সরাসরি সরকারি কোষাগারে জমা দিয়ে দিয়েছে। বছর শেষে আরিফের পুরো ৪৫ হাজার টাকাই আগেভাগে পরিশোধ হয়ে গেছে।</p><p>এখন আরিফ যখন ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে রিটার্ন জমা দিতে গেলেন, তখন হিসাবে দেখা গেল, সরকারের কাছে তার নতুন করে আর কোনো কর বকেয়া নেই (বকেয়া কর = ০ টাকা)। যেহেতু নতুন নিয়মে এই ছাড় হিসাব হয় বকেয়া করের ওপর, তাই শূন্য টাকার ওপর আরিফ কোনো ছাড় পাননি। তিনি কোনো ছাড়ই পেলেন না।</p><p>এবার দেখি তানভীরের ক্ষেত্রে কী হয়। তানভীর কাজ করেন এমন একটি প্রতিষ্ঠানে, যারা করের এই নিয়মগুলো ঠিকমতো মানেনি। তারা তানভীরের বেতন থেকে সারা বছরে এক পয়সাও কর কাটেনি।</p><p>এখন রিটার্ন জমার সময় তানভীরের হিসাবে দেখা গেল, তাঁর পুরো ৪৫ হাজার টাকাই সরকারকে দেওয়া বাকি আছে। যেহেতু তাঁর পুরো টাকাই বকেয়া, তাই তিনি ৩০ সেপ্টেম্বরের আগে রিটার্ন জমা দেওয়ায় বকেয়া টাকার ওপর ৫ শতাংশ হারে ২ হাজার ২৫০ টাকা করছাড় পেয়ে গেলেন! তানভীরকে শেষ পর্যন্ত সরকারকে কর দিতে হলো ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।</p><p><strong>তাহলে আইন মানার এই পুরস্কার?</strong></p><p>একই পরিমাণ আয় করে এবং একই দিনে রিটার্ন জমা দিয়েও তানভীর ২ হাজার ২৫০ টাকা বাঁচিয়ে ফেললেন আর আরিফ নিয়ম মেনে সব কর আগেভাগে পরিশোধ করে এক টাকাও সুবিধা পেলেন না।</p><p>একই ঘটনা ঘটছে তাঁদের ক্ষেত্রেও, যাঁরা সৎ ব্যবসায়ী হিসেবে আইন মেনে সারা বছর অগ্রিম কর দিয়ে রেখেছেন। বছর শেষে তাঁদেরও আর কর বকেয়া থাকে না, ফলে তাঁরাও কোনো ছাড় পাচ্ছেন না।</p><p>সাধারণ মানুষের কাছে এটি একেবারেই অন্যায় মনে হচ্ছে। নিয়ম মেনে চললে যেখানে মানুষকে পুরস্কৃত করার কথা, সেখানে এই নিয়মের কারণে সৎ করদাতারা উল্টো বঞ্চিত হচ্ছেন। এ ছাড়া এখন কর্মচারীরা কোম্পানিদের চাপ প্রয়োগ করবেন, যাতে বেতনের ওপর সম্পূর্ণ উৎসে কর কর্তন না করা হয়।</p><p>এতে ক্ষতি সরকারের; কারণ, আগাম কর পেলে সরকার চালাতে যে অর্থের ঘাটতি হয়, তা মেটাতে অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংক বা অন্য উৎস থেকে সুদে ধার করে এবং সুদ ব্যয় বাবদ অতিরিক্ত খরচ করে। আর লাভ তাঁর, যিনি নিয়ম মেনে কর দিলেন না। এ ব্যবস্থা খোদ সরকারই করে দিয়েছে।</p><p>এই সমস্যার সমাধান খুবই সহজ। এই ছাড়টি ‘বকেয়া করের’ ওপর না দিয়ে একজন মানুষের সারা বছরের ‘মোট করের’ ওপর হিসাব করা। তাহলে আরিফ ও তানভীর—উভয়েই সমানভাবে ২ হাজার ২৫০ টাকার সুবিধা পেতেন এবং করদাতাদের মনে কোনো ক্ষোভ জন্মাত না।</p><p><strong>স্নেহাশীষ বড়ুয়া</strong>, পরিচালক, এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘শখ জাগছে, আপনারে জ্যাতা পুড়মু, আপনি কী কন’—ব্যবসায়ীকে বিএনপি নেতার হুমকি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2bqcv1xf0c</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/2bqcv1xf0c#comments</comments><guid isPermaLink="false">208170bd-f3f2-4667-92d7-721736c92faa</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:14:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:14:57.121Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।]]></description><media:keywords>ইউপি নির্বাচন,বরিশাল বিভাগ,বাউফল,বিএনপি,পটুয়াখালী,হুমকি</media:keywords><media:content height="600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/d1q6d8i2/Untitled-3.jpg" width="900"><media:title type="html"><![CDATA[ বিএনপি নেতা ফরিদ উদ্দিন গাজী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/d1q6d8i2/Untitled-3.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় বিএনপির এক নেতার বিরুদ্ধে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল (৫২) নামের এক ব্যবসায়ীকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হুমকি দেওয়ার ১ মিনিট ৫৭ সেকেন্ডের একটি কথোপকথন রেকর্ডের অডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।</p><p>এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিএনপির ওই নেতার বিরুদ্ধে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল। তাঁর বাড়ি বাউফল সদর ইউনিয়নে হলেও ঢাকায় জমি কেনাবেচার ব্যবসা করেন। </p><p>আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়ে এলাকায় ব্যানার ও ফেস্টুন টানিয়েছেন গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল। জিডিতে তিনি অভিযোগ করেন, ইউপি নির্বাচন করার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তাঁকে নিয়মিত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় ওই বিএনপি নেতা তাঁকে পুড়িয়ে হত্যার হুমকি দেন।</p><p>অভিযুক্ত বিএনপি নেতার নাম ফরিদ উদ্দিন গাজী (৫০)। তিনি বাউফল উপজেলা বিএনপির সদস্য। তাঁর বাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের বিলবিলাস গ্রামে। তিনি ইউপি নির্বাচন করার ঘোষণা না দিলেও তাঁর পছন্দের প্রার্থী আছেন বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর গতকাল সন্ধ্যায় চেক প্রতারণার একটি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।</p><p>বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ফরিদ গাজীকে অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডলের অভিযোগের বিষয়েও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/u2rz2jp6/Untitled-4.jpg" /><figcaption>ব্যবসায়ী গোবিন্দ চন্দ্র মন্ডল</figcaption></figure><p>ছড়িয়ে পড়া কথোপকথন রেকর্ডে ব্যবসায়ীকে ‘দাদু’ সম্বোধন করে প্রথমে নিজের পরিচয় দেন ফরিদ উদ্দিন গাজী। এরপর ব্যবসায়ীর উদ্দেশে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমার একটা শখ জাগছে, বুঝছেন? আমি একটা জ্যাতা নমো পুড়মু (পোড়াব), আপনারে বাইছা নিছি, এ ক্ষেত্রে আপনার মন্তব্য কী? আপনার কোনো প্রতিক্রিয়া আছে? যদিও আপনারে সকালে খুঁইজা আইছিলাম, আপনি মনে হয় স্টেশনে (এলাকা) নাই।’ জবাবে ব্যবসায়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘না, না, নাই।’ এরপর ফরিদকে আবার বলতে শোনা যায়, ‘তো আপনার এতে মন্তব্য কী? জ্যাতা নমো পুড়মু, আপনারেই বাইছা নিছি, আপনি কী কন? আপনার সুবিধার জন্য আমার ফোনালাপ রেকর্ড কইরা রাখলে এইটাও রেকর্ড কইরা রাখেন। আপনার মন্তব্য কী এ ক্ষেত্রে?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমার মন্তব্য কী থাকবে, আপনার মনে খুশি ধরছে, আপনি করেন।’</p><p>একপর্যায়ে ফরিদ গাজীকে বলতে শোনা যায়, ‘আপনি এলাকায় আসতেছেন কবে নাগাদ?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘এই যে আসব, আমু তো অবশ্যই। এলাকায় যেহেতু বাড়ি, আসব না? আসব।’ এরপর ফরিদ গাজীকে বলতে শোনা যায়, ‘তো খবরটা কী আপনি আমাকে দিবেন নাকি আমার খবর রাখা লাগবে?’ জবাবে ব্যবসায়ী বলেন, ‘আইলে তো মানুষ জানবেই, যেদিন আসব জানবে।’</p><p>জানতে চাইলে গোবিন্দ চন্দ্র মণ্ডল প্রথম আলোকে বলেন, তিনি ইউপি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর আগেও মুঠোফোনে হুমকি দিয়েছিলেন ফরিদ গাজী। তখন ৫০ লাখ টাকা চাঁদাও দাবিও করেছিলেন। তখনকার কথা তিনি রেকর্ড করতে পারেননি। তিনি বলেন, ফরিদ একজন সন্ত্রাসী। এ জন্য তিনি শঙ্কিত। এ ঘটনায় তিনি থানায় জিডি করেছেন।</p><p>ফরিদ গাজী ঘটনার পরপরই অন্য একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে যাওয়ায় এ বিষয়ে তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আপেল মাহমুদ (ফিরোজ) প্রথম আলোকে বলেন, ফরিদ গাজীর বিষয়ে তাঁরা কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেন না। জেলা বিএনপির নেতাদের বিষয়টি জানানো হয়েছে। তাঁরা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।</p><p>জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির নেতাদের তদন্ত করে তাঁর (ফরিদ) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করে জেলায় পাঠাতে বলা হয়েছে। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেবে জেলা বিএনপি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মেট্রোরেলে বিপুল বিনিয়োগ, পিছিয়ে সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/d5cci3g6g2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/d5cci3g6g2#comments</comments><guid isPermaLink="false">9a3c6fc5-8861-4e89-848d-f2916d58e308</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:08:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:08:16.243Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একাধিক মেট্রোরেল প্রকল্প নিলেও বাস, রেল, হাঁটা ও সাইকেলের সঙ্গে সমন্বয় না থাকায় ঢাকার পরিবহনব্যবস্থা পিছিয়ে পড়ছে বলে মনে করেন পরিবহন ও নগর–পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞরা।]]></description><media:keywords>বিনিয়োগ,রাজধানী ঢাকা,মেট্রোরেল</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/umw8o2gn/IPD-virtual-Meeting.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[  ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি) এই ভার্চ্যুয়াল সভার আয়োজন করে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/umw8o2gn/IPD-virtual-Meeting.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকার পরিবহনব্যবস্থার উন্নয়নে একের পর এক মেট্রোরেল প্রকল্প নেওয়া হলেও বাস, রেল, হাঁটা, সাইকেলসহ অন্যান্য পরিবহনমাধ্যমের সঙ্গে এর সমন্বয় হচ্ছে না বলে মনে করছেন পরিবহন ও নগর–পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞরা।</p><p> তাঁদের মতে, বিপুল অর্থ ব্যয়ে মেট্রোরেল নির্মাণের পাশাপাশি কম খরচে বেশি মানুষকে সেবা দিতে বাসব্যবস্থার উন্নয়ন, পথচারীবান্ধব অবকাঠামো এবং বিদ্যমান রেল যোগাযোগের উন্নয়নেও অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন।</p><p> আজ শুক্রবার সকালে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে ‘মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিকল্পনায় ন্যায্যতা: আইপিডির পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় পরিবহন ও নগর–পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞরা এ কথা বলেন। ইনস্টিটিউট ফর প্ল্যানিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (আইপিডি) এ সভার আয়োজন করে।</p><p>সভায় আইপিডির নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ২০০৫ সালের স্ট্র্যাটেজিক ট্রান্সপোর্ট প্ল্যানে (এসটিপি) ঢাকার জন্য একটি সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছিল। এতে বাসের মানোন্নয়ন, বাস রুট ফ্র্যাঞ্চাইজিং, বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি), পথচারীবান্ধব ব্যবস্থা এবং পরবর্তী সময়ে মেট্রোরেল চালুর প্রস্তাব ছিল। কিন্তু ২০ বছর পরও সেই পরিকল্পনার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি।</p><p>আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, বর্তমানে মেট্রোরেলকে ঘিরে একের পর এক প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। অথচ ঢাকার সঙ্গে আশপাশের এলাকার বিদ্যমান রেল যোগাযোগের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি। একই সঙ্গে মেট্রোরেল প্রকল্পের ব্যয়ও বাড়ছে।</p><p>আদিল মুহাম্মদ খানের ভাষ্য, যেসব প্রকল্পের ব্যয় ৪০–৪৫ হাজার কোটি টাকার মধ্যে থাকার কথা ছিল, সেগুলোর কোনো কোনোটি এখন প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া হচ্ছে। এতে মেট্রোরেল প্রয়োজনীয় গণপরিবহনের অংশ হওয়ার বদলে অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রকল্পে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।</p><h3>বিপুল ব্যয় খতিয়ে দেখা দরকার</h3><p>বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক আরিফুল ইসলাম বলেন, বড় বড় প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় হলেও ঢাকার মানুষের চলাচলের ভোগান্তি কমেনি। একটি মেট্রোরেলের অভিজ্ঞতা ভালো হওয়ায় আরও মেট্রোরেল প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। তবে প্রতিটি প্রকল্পে বিপুল অর্থ ব্যয় করা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জন্য কতটা যুক্তিসংগত, তা খতিয়ে দেখা দরকার।</p><p>এই পরিকল্পনাবিদ বলেন, মেট্রোরেলের পাশাপাশি কম খরচে বেশি মানুষকে সেবা দিতে বাসব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি। ঢাকাকেন্দ্রিক বড় বড় প্রকল্পের পরিবর্তে দেশের বিভিন্ন শহরে পরিকল্পিতভাবে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা গড়ে তোলা হলে ঢাকার ওপর মানুষের চাপও কমানো সম্ভব।</p><p>আরিফুল ইসলাম বলেন, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে বা অন্যান্য ব্যয়বহুল প্রকল্পে যে অর্থ ব্যয় হচ্ছে, তা দিয়ে দেশের বিভিন্ন শহরেও উন্নয়ন করা যেত।</p><h3>মেট্রো দিয়ে পুরো পরিবহন সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়</h3><p>পরিবহন পরিকল্পনা বিশেষজ্ঞ মুনতাসির মামুন বলেন, ঢাকার পরিবহন খাতে ২০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের বড় অংশ মেট্রোকেন্দ্রিক হয়ে যাচ্ছে। অথচ ঢাকার মোট যাতায়াতের খুব সামান্য অংশ মেট্রোরেল বহন করছে।</p><p>মুনতাসির মামুন বলেন, মেট্রোরেল দিয়ে ঢাকার পরিবহন সমস্যার পুরো সমাধান সম্ভব নয়। ১০টি মেট্রোরেল লাইন হলেও মোট যাতায়াতের একটি সীমিত অংশ এতে স্থানান্তর করা যাবে। তাই কোথায় আগে বিনিয়োগ করা হবে—ইন্টারসেকশন ব্যবস্থাপনা, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বাস নেটওয়ার্ক নাকি নতুন মেট্রোরেল, তা অগ্রাধিকার দিয়ে নির্ধারণ করা প্রয়োজন।</p><p>আইপিডির গবেষক ফরহাদুর রেজা বলেন, একটি শহরের কার্যকর ও আরামদায়ক পরিবহনব্যবস্থা কোনো একটি পরিবহনমাধ্যমের ওপর নির্ভর করে তৈরি করা সম্ভব নয়। বাস, মেট্রো, রেল, হাঁটা, সাইকেলসহ বিভিন্ন মাধ্যমকে সমন্বিত করেই পরিবহনব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।</p><h3>আইপিডির পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ</h3><p>আলোচনা সভায় বলা হয়, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার হেমায়েতপুর থেকে ভাটারা, বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর এবং গাবতলী থেকে দাসেরকান্দি—এই তিন পথে মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি ও নতুন প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। তিন প্রকল্পের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা।</p><p>এ প্রেক্ষাপটে মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও প্রকল্প পরিকল্পনা নিয়ে আইপিডির পক্ষ থেকে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।</p><p>আইপিডি বলেছে, একাধিক মেট্রোরেল প্রকল্প একসঙ্গে অনুমোদন ও বাস্তবায়নের ফলে অর্থায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p><p>মেট্রোরেল প্রকল্পে আন্তর্জাতিকভাবে উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে আইপিডি। পাশাপাশি দেশীয় ঠিকাদার ও প্রকৌশলীদের অংশগ্রহণের সুযোগ বাড়ানোর কথাও বলেছে সংস্থাটি।</p><p>প্রকল্পের ব্যয় যাচাইয়ে স্বাধীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে যাচাই করার সুপারিশ করেছে আইপিডি। একই সঙ্গে প্রকল্পের পুরো জীবনচক্রে সম্ভাব্য ব্যয়ের তথ্য প্রকাশ এবং একটি ওপেন ডেটা ড্যাশবোর্ড চালুর প্রস্তাব দিয়েছে তারা।</p><p>আইপিডির পর্যবেক্ষণে আরও বলা হয়েছে, প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রায় দ্বিগুণ দরপত্র আসার পরও কেন প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদন করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে প্রকল্পের ব্যয় ও সময় বারবার বাড়ার কারণ অনুসন্ধান করে দায় নির্ধারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি নিশ্চিত করার সুপারিশ করেছে সংস্থাটি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্যালন ডি’অর জয়ের দৌড়ে কেইনের ‘৭৩ গোলই সব বলে দিচ্ছে’</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/oxccs03nqs</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/oxccs03nqs#comments</comments><guid isPermaLink="false">79f4362c-44b1-4098-83c8-2c4474997ab6</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:05:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:05:13.062Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হ্যারি কেইন স্বাভাবিকভাবেই এবার ব্যালন ডি’অর জয়ে যোগ্য দাবিদারদের একজন। এত গোল তো আর প্রতি মৌসুমেই দেখা যায় না!]]></description><media:keywords>লামিনে ইয়ামাল,বায়ার্ন মিউনিখ,হ্যারি কেন,ব্যালন ডি’অর,কিলিয়ান এমবাপ্পে</media:keywords><media:content height="878" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/xq40iart/A-positive-way-to-end-this-World-Cup.-Congrats-bukayosaka87-on-a-brilliant-hat-trick-Thank-you.jpg" width="1170"><media:title type="html"><![CDATA[ বায়ার্ন মিউনিখের ইংলিশ তারকা হ্যারি কেইন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/xq40iart/A-positive-way-to-end-this-World-Cup.-Congrats-bukayosaka87-on-a-brilliant-hat-trick-Thank-you.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হ্যারি কেইন কি তাহলে ওয়াইনের মতো?</p><p>বয়স বাড়ার সঙ্গে ওয়াইনের স্বাদ যেমন বাড়ে, তেমনি কেইনের গোলক্ষুধাও বেড়েছে। টটেনহামে থাকতে এক মৌসুমে কেইনের সর্বোচ্চ গোল ছিল ৪১টি। সেটা ২০১৭–১৮ মৌসুমে। তখন কেইন ২৫ বছরের টগবগে যুবক।</p><p>বুন্দেসলিগার ইতিহাসে সবচেয়ে দামি খেলোয়াড় হিসেবে কেইন বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দেন ২০২৩ সালে, ৩০ বছর বয়সে। তারপর প্রথম তিনটি মৌসুমে ক্লাব ফুটবলে গোলসংখ্যা দেখুন—৪৪, ৪১ ও ৬১। শেষ পরিসংখ্যানটি ২০২৫–২৬ মৌসুমের। এর সঙ্গে ইংল্যান্ডের জার্সিতে আরও ১২ গোল যোগ করলে সংখ্যাটা হয়ে যায় অবিশ্বাস্য—৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল!</p><p>কেইন স্বাভাবিকভাবেই এবার ব্যালন ডি’অর জয়ে যোগ্য দাবিদারদের একজন। এত গোল তো আর প্রতি মৌসুমেই দেখা যায় না! সেই ২০১১–১২ মৌসুমে ৬৯ ম্যাচে লিওনেল মেসির ৮২ গোলের রেকর্ডের পর কেইনের গত মৌসুমের গোলসংখ্যাই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। বায়ার্নের হয়ে গত মৌসুমে জিতেছেন বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ। গত জুলাইয়ে শেষ হওয়া বিশ্বকাপে ৬ গোল করে ইংল্যান্ডকে তুলেছিলেন সেমিফাইনালে। ইংরেজ ফুটবলপ্রেমীরা তাই এরই মধ্যে ব্যালন ডি’অর নিয়ে সুর তুলেছেন, ‘ইটস কামিং হোম।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/9buqm5ck/Wishing-a-happy-birthday-to-our-captain-harrykane--1.jpg" /><figcaption>গত মৌসুমে দুর্দান্ত পারফর্ম করেন কেইন</figcaption></figure><p>কিন্তু চাইলেই তো আর হয় না। আগামী ২৬ অক্টোবর ব্যালন ডি’অর দেওয়ার মঞ্চে দাঁড়ানোর মতো কেইনের প্রতিদ্বন্দ্বী কম নেই। কিলিয়ান এমবাপ্পে ও লামিনে ইয়ামালরা আছেন। নিজ নিজ জায়গা থেকে তাঁরা ব্যালন ডি’অর জয়ে নিজেদের পক্ষে প্রচারণাও চালাচ্ছেন। এমবাপ্পে তো এরই মধ্যে নিজেকে সেরা হিসেবে ঘোষণার পাশাপাশি বলেছেন, ‘খেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতায় (বিশ্বকাপে) আমি অনেক ইতিহাস গড়েছি। ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য এটি দারুণ একটি বছর।’ ইয়ামালও বলেছেন, ‘বিশ্বের সেরা হিসেবে হয়তো আমাদের দুজনেই (এমবাপ্পে) আছি এবং আমি যা জিতেছি, সেটির ওপর ভিত্তি করে এই বছর এটি আমারই প্রাপ্য।’</p><p>এমবাপ্পে বিশ্বকাপে গোলের রেকর্ড ভেঙেছেন। ফ্রান্সকে সেমিফাইনালে তোলার পথে জেতেন গোল্ডেন বুট। রিয়ালের হয়ে গত মৌসুমে ৪২ গোল করলেও কিছু জিততে পারেননি। ইয়ামাল আবার বিশ্বকাপ ও লা লিগা জয়ের পাশাপাশি বার্সার হয়ে ২৪ গোল করার পাশাপাশি ১৮টি গোলও বানান। প্রশ্ন হলো, এমবাপ্পে–ইয়ামাল যদি নিজেদের পক্ষে এভাবে প্রচারণা চালাতে পারেন, তাহলে কেইনের কি বলা উচিত?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/wfhkqhvz8k">ব্যালন ডি’অরে কীভাবে নির্ধারিত হয় বিজয়ী, কারা দেন ভোট</a></aside><p>শুনুন বায়ার্ন তারকার মুখেই। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম মার্কাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কেইন বলেছেন, ‘নিজেকে নিয়ে খুব বেশি কথা বলতে ভালো লাগে না। শুধু এটুকু বলব, গত মৌসুমটি অসাধারণ ছিল। সেটি ছিল আমার জীবনের সেরা মৌসুম...তবে ব্যালন ডি’অর তো আর আমার হাতে নেই, এটি সম্পূর্ণ নির্ভর করে ভোটদাতাদের ওপর...৭৩ গোলই সব বলে দিচ্ছে।’</p><p>কেইন জানেন, এখন ব্যালন ডি’অর নিয়ে আলোচনা হবে। বর্ষসেরার এ পুরস্কারে এবারের সংস্করণটি কেইনের জন্য আবার বিশেষ উপলক্ষ। কারণ, এবারই প্রথম ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে বসবে ব্যালন ডি’অর আসর। কেইন যেহেতু সেখানকার ঘরের ছেলে তাই তাঁকে নিয়েই স্বপ্ন দেখা স্বাভাবিক ইংলিশদের। কেইনের নিজের কেমন লাগছে?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/27stf648/A_special_day_to_share_with_my_family___.jpg" /><figcaption>পরিবার ও ট্রফির সঙ্গে হ্যারি কেইন</figcaption></figure><p>শুনুন তাঁর মুখেই, ‘অনেকে আমাকে এই কথা বলেছেন। হয়তো এটি ভালো লক্ষণ। এটি আমার নিজের শহর হওয়ায় বিষয়টি আরও বেশি বিশেষ হয়ে উঠেছে। তাই হ্যাঁ, এ বছর সেখানে এটি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়াটা এক অদ্ভুত অনুভূতি। দেখতে হবে শেষ পর্যন্ত কী হয়।’</p><p>শেষ পর্যন্ত যা–ই ঘটুক, এরই মধ্যে এক মজার প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, কেইন এই যে গোলের পর গোল করছেন, এত গোল উদ্‌যাপন করতে তাঁর ক্লান্ত লাগে না? সাক্ষাৎকারে কেইন এ প্রশ্নের জবাব দিলেন জাত স্ট্রাইকারদের মতোই, ‘কখনোই না। গোল করার অনুভূতিটাই সবচেয়ে দারুণ! এটি এক অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চ তৈরি করে; একই সঙ্গে মনের ভেতর এক বিশাল স্বস্তির ভাব আসে। আমি জানি, খেলা ছেড়ে দেওয়ার পর এই অনুভূতিটা আমার ভীষণ মিস করব।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/e3nvdm6ckv">এমবাপ্পে, ইয়ামাল বা কেইন নন, সিমিওনের চোখে ব্যালন ডি’অর প্রাপ্য মেসির</a></aside><p>কেইনের বয়স ৩৩ বছর। এই বয়সে অনেকেই অবসর নেওয়ার কথা ভাবেন কিংবা নিয়ে নেন। কিন্তু কেইন সময় গড়িয়ে চলার সঙ্গে আরও ধারাল হচ্ছেন। তাঁর এই সাফল্যের রহস্য কী?</p><p>ইংল্যান্ডের জার্সিতে সর্বোচ্চ এই গোলদাতা নিজেই ভেঙেছেন সেই রহস্য। বয়স বাড়ার সঙ্গে তাঁর আরও বেশি ধারালো হয়ে ওঠায় যাঁদের অবদান সবচেয়ে বেশি, তাঁদের একজনের নাম বলেছেন বায়ার্ন ফরোয়ার্ড। কেইনের ভাষায়, ‘তাঁদের একজনকে আপনি (সাংবাদিককে) ভালো করেই চেনেন। আমার সাফল্যে (কেইনের ব্যক্তিগত ক্রীড়া চিকিৎসক) আলেহান্দ্রো এলোরিয়াগার ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/lwj1jt9m/A-positive-way-to-end-this-World-Cup.-Congrats-bukayosaka87-on-a-brilliant-hat-trick-Thank-you-1.jpg" /><figcaption>ব্যালন ডি’অর জয়ের স্বপ্ন দেখেন কেইন</figcaption></figure><p>কেইন তাঁর অবদান ব্যাখ্যা করলেন এভাবে, ‘আমার বর্তমান ফর্মে আলেহান্দ্রোর ভূমিকা অত্যন্ত মৌলিক। পর্দার আড়ালে আমরা প্রচুর কাজ করি। সাড়ে ছয় বছর ধরে একসঙ্গে আছি। এ পর্যায়ে পারফর্ম করা এবং এত বেশি ম্যাচ খেলতে পারার পেছনে তিনিই অন্যতম প্রধান কারণ। এ বছরগুলোয় আমি ক্রমাগত যে উন্নতি করছি, তা কাকতালীয় ব্যাপার নয়। অনেকের ধারণা, এ বয়সে পারফরম্যান্স সাধারণত কমতে থাকে। কিন্তু আমার ক্ষেত্রে প্রায় উল্টো ঘটনাই ঘটেছে। আলেহান্দ্রোর সঙ্গে কাজ দুজনের জন্যই অত্যন্ত ফলপ্রসূ ও তৃপ্তিদায়ক। তা ছাড়া তিনি দারুণ একজন মানুষ এবং আমরা অনেক সময় একসঙ্গে কাটাই। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর সব কাজের জন্য আমি আমার গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/z517t2s05a">২০২৬ ব্যালন ডি’অর: ফেবারিটদের পারফরম্যান্স কেমন ছিল </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>শিশুর দেরিতে কথা বলা মানেই কি অটিজম</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/9safat3tjf</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/9safat3tjf#comments</comments><guid isPermaLink="false">45e035bc-e47c-4841-80c9-0fe49df18014</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ডা. ফারাহ দোলা</atom:name><atom:uri>/api/author/1828848</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাবা,মা,চিকিৎসা,অটিজম,শিশু,ভালো থাকুন,সুস্বাস্থ্য</media:keywords><media:content height="3648" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/8knic8sl/pexels-sunvani-hoang-59600621-7973600.jpg" width="5472"><media:title type="html"><![CDATA[ সারা বিশ্বে প্রায় প্রতি ৫৪ জনে একটি করে শিশু অটিজমে আক্রান্ত]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/8knic8sl/pexels-sunvani-hoang-59600621-7973600.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category> সুস্থতা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জন্মপূর্ব, জন্মকালীন ও জন্ম-পরবর্তী যেকোনো সময়ে জেনেটিক এবং ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশের প্রভাবে শিশুদের অটিজম হতে পারে।</p><p>বর্তমানে অভিভাবকেরা শিশু কথা বলতে দেরি করলেই ভয় পেয়ে যান যে অটিজম না তো। আর যদি অটিজম শনাক্ত হয়, তবে সামাজিকভাবে অনেকেই বিভিন্ন প্রতিকূলতার শিকার হন। সবচেয়ে দুঃখজনক, অনেক ক্ষেত্রেই মা–বাবাকে, বিশেষত মাকে এ জন্য দোষারোপ করা হয়।</p><h3>অটিজম স্নায়ুর বিকাশজনিত জটিলতা। এ কারণে সাধারণত তিনটি সমস্যা দেখা দেয়</h3><p><strong>১.</strong> মৌখিক কিংবা অন্য কোনো প্রকার যোগাযোগ সমস্যা</p><p><strong>২.</strong> সামাজিক বিকাশগত সমস্যা এবং</p><p><strong>৩.</strong> খুব সীমাবদ্ধ ও গণ্ডিবদ্ধ জীবনযাপন ও চিন্তাভাবনা এবং পুনরাবৃত্তিমূলক আচরণ।</p><p>এর লক্ষণগুলো সাধারণত জন্মের প্রথম তিন বছরে প্রকাশ পায়। সারা বিশ্বে প্রায় প্রতি ৫৪ জনে একটি করে শিশু অটিজমে আক্রান্ত। আমাদের দেশের প্রতি ১০ হাজার শিশুর মধ্যে কমপক্ষে ১৭টি শিশু অটিজমে আক্রান্ত। অটিজমের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো নির্দিষ্ট বিষয় চিহ্নিত করা যায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/mngicg9mo0">একাধিক বালিশে ঘুমালে কি ঘাড়ে সমস্যা হতে পারে </a></aside><h3>বিভিন্ন গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী যা পাওয়া গেছে, সেগুলো হলো-</h3><ul><li><p>সময়ের আগে জন্ম নেওয়া এবং প্রসবকালীন জটিলতা অটিজমের ঝুঁকি কিছুটা বাড়াতে পারে।</p></li><li><p>মা–বাবার বয়স প্রভাব ফেলতে পারে।</p></li><li><p>গর্ভকালীন ভাইরাল (জিকা, রুবেলা ইত্যাদি) ইনফেকশন, গর্ভকালীন জটিলতা এবং বায়ুদূষণকারী উপাদানগুলো স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার হওয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখে।</p></li><li><p>বিভিন্ন জিনের কারণে অটিজম স্পেকট্রাম ডিজঅর্ডার হতে পারে।</p></li><li><p>আবার কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে জেনেটিক ডিজঅর্ডার, যেমন রেট সিনড্রোম (একটি বিরল জিনগত স্নায়বিক বিকাশজনিত ব্যাধি) বা ফ্র্যাজাইল এক্স সিনড্রোমের (একটি বংশগত ব্যাধি, যা মূলত মস্তিষ্কের বিকাশ ও শেখার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে) সঙ্গে এই রোগ হতে পারে।</p></li><li><p>কিছু জিন মস্তিষ্কের কোষগুলোর পরিবহনব্যবস্থায় বাধা প্রদান করে এবং রোগের তীব্রতা বাড়ায়।</p></li><li><p>জেনেটিক বা জিনগত সমস্যা বংশগতও হতে পারে আবার নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই রোগটি হতে পারে।</p></li><li><p> ভ্যাকসিন বা প্রতিষেধক দেওয়া বা না–দেওয়ার সঙ্গে অটিজমের কোনো সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।</p></li></ul><p>অটিজম হওয়ার ক্ষেত্রে মা–বাবা কেউই দায়ী নন। অটিজমের মূল কারণগুলো জেনেটিক ও মস্তিষ্কের বিকাশের সঙ্গে সম্পর্কিত। এমনকি এটা এখনো পুরোপুরি প্রতিরোধযোগ্যও নয়। তবে অটিজম হওয়ার ঝুঁকি কিছুটা কমানো যায়।</p><ul><li><p>গর্ভাবস্থায় মায়ের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো উচিত, গর্ভের শিশু ঠিকমতো বেড়ে উঠছে কি না, সেদিকে খেয়াল করা জরুরি।</p></li><li><p>প্রসব যেন নিরাপদ হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে, যাতে গর্ভকালীন জটিলতা এড়ানো সম্ভব হয়।</p></li><li><p>গর্ভধারণের সময় মায়ের ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, অপুষ্টি; এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি।</p></li><li><p>গর্ভাবস্থার আগে ও সময়ে ফলিক অ্যাসিড গ্রহণ করতে হবে।</p></li><li><p>ইনফেকশন হলে দ্রুত চিকিৎসা করতে হবে।</p></li><li><p>অকারণে ওষুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।</p></li><li><p>ধূমপান, অ্যালকোহল, মাদক সম্পূর্ণভাবে এড়াতে হবে।</p></li></ul><p>অটিজমের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন সমন্বিত চেষ্টা। এর মধ্যে শিশু স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু মনোরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, মনোবিদ, স্পিচ থেরাপিস্ট, অকুপেশনাল থেরাপিস্ট, শিক্ষক, সমাজকর্মী, জনপ্রতিনিধি, শিশুর অভিভাবক, পরিবারের সদস্যরা অন্তর্ভুক্ত।</p><p>অটিজম কোনো অভিশাপ নয়। শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব, শহর-গ্রাম, সচেতন-অসচেতন যেকোনো মা–বাবার সন্তানই এ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। অটিজম পুরোপুরিভাবে প্রতিরোধ করা যায় না। সঠিক সময়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করলে শিশুর ভাষা, আচরণ, শিক্ষা, সামাজিক দক্ষতার উন্নতি হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/ipvubsgb2m">টবে ৪টি ডিম, ঢেঁকিঘরে ১২টি—সবই কি সাপের</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>যেভাবে বেড়ে ওঠেন নবীকন্যা ফাতেমা</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/ifuzzb15io</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/ifuzzb15io#comments</comments><guid isPermaLink="false">720d8358-495f-4730-9aa1-862af3c171ee</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 08:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T08:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পাথরের ভারী জাঁতা ঘুরিয়ে যব পিষতে পিষতে তাঁর কোমল হাতে কড়া পড়ে গিয়েছিল; চামড়ার মশকভর্তি পানি বয়ে আনতে গিয়ে বুকে দাগ হয়ে গিয়েছিল।]]></description><media:keywords>সিরাত,সাহাবিদের কথা,নারী,সাহাবিদের জীবনী,নারী সাহাবি,সাহাবি,ফাতিমা (রা.)</media:keywords><media:content height="588" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/yjauw1is/IMG9272.jpeg" width="818"><media:title type="html"><![CDATA[ কানাডার আলবার্টায় অবস্থিত মসজিদ-ই ফাতেমা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/yjauw1is/IMG9272.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ফাতেমা (রা.) ছিলেন নবীজির সবচেয়ে কনিষ্ঠ ও প্রিয় কন্যা। নবুয়তের পবিত্র আবহ ও ওহির ঘনিষ্ঠতম পরিবেশে তাঁর বেড়ে ওঠা। মক্কার চরম সংকটকাল, ইসলামের সূচনাপর্বের নির্মম নির্যাতন, মদিনার রাষ্ট্র ও সমাজ বিনির্মাণ—সবকিছুরই তিনি ছিলেন প্রত্যক্ষ সাক্ষী।</p><p>তাঁর পার্থিব জীবন ছিল প্রাচুর্যহীন ও আড়ম্বরহীন, অথচ আত্মিক মর্যাদায় চিরভাস্বর; কায়িক শ্রমে ও কষ্টে ভরা, অথচ ইমানি শক্তিতে পরিপূর্ণ।</p><p><strong>গভীর পিতৃস্নেহ</strong></p><p>ফাতেমার প্রতি নবীজির পিতৃস্নেহ ছিল অতুলনীয়। তিনি শুধু কন্যার প্রতি পিতাসুলভ মায়াই প্রকাশ করেননি, বরং ফাতেমার ব্যক্তিত্বকে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে সমাজে নারীর মর্যাদার এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছিলেন।</p><p>আয়েশা (রা.) বলেন, ‘কথাবার্তা, চালচলন, গাম্ভীর্য ও ওঠাবসায় রাসুলের সঙ্গে ফাতেমার চেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ আমি আর কাউকে দেখিনি। ফাতেমা যখন আসতেন, তখন রাসুল পরম স্নেহে উঠে দাঁড়াতেন, তাঁর হাত ধরে চুম্বন করতেন এবং নিজের বসার জায়গায় তাঁকে বসাতেন। আবার নবীজি যখন ফাতেমার ঘরে যেতেন, তখন তিনিও দাঁড়িয়ে পিতাকে অভ্যর্থনা জানাতেন, তাঁর হাতে চুম্বন করতেন এবং নিজের আসনে তাঁকে বসতে দিতেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫২১৭)</p><p>কন্যার মর্যাদার ঘোষণা দিয়ে রাসুল (সা.) বলেন, ‘ফাতেমা আমারই একটি অংশ; যা কিছু তাকে কষ্ট দেয়, তা আমাকেও কষ্ট দেয় এবং যা কিছু তাকে ব্যথিত করে, তা আমাকেও ব্যথিত করে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭১৪)</p><p>কন্যা পরিবারের কোনো অবাঞ্ছিত বোঝা নয়, বরং পিতার হৃদয় ও সম্মানের অংশ—জাহেলি সমাজের বুকে এটি ছিল এক বিপ্লবী ঘোষণা।</p><p><strong>মক্কার দুঃসময়ে পিতার পাশে</strong></p><p>শৈশবে তিনি বেড়ে উঠেছেন এমন এক ঘরে, যার ওপর পৌত্তলিক কোরাইশরা প্রতিনিয়ত জুলুম চালাচ্ছিল। কিশোরী বয়সেই তিনি নিজের চোখের সামনে পিতাকে অপমানিত হতে দেখেছেন।</p><p>একবার রাসুল (সা.) কাবার চত্বরে সেজদারত ছিলেন। মক্কার কোরাইশ নেতারা বাজি ধরে জবাই করা উটের পচা নাড়িভুঁড়ি নবীজির পিঠ ও ঘাড়ের ওপর চাপিয়ে দিল। দুর্গন্ধ ও ভারে নবীজি সেজদা থেকে মাথা তুলতে পারছিলেন না, আর মুশরিকরা হাসিতে লুটিয়ে পড়ছিল।</p><p>সংবাদ পেয়ে এক কিশোরী বালিকা একাকী নির্ভীক পদক্ষেপে ছুটে এলেন। নিজ হাতে পিতার শরীর থেকে সেই নোংরা আবর্জনা সরিয়ে ফেলে কোরাইশ নেতাদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৮৫৪)</p><p>সেই বালিকাটি ছিলেন হজরত ফাতেমা (রা.)। নবুয়তের ঘরে লালিত এই কিশোরী খুব অল্প বয়সেই বুঝে নিয়েছিলেন, হকের পথে চলার অর্থই হলো ত্যাগ ও সংগ্রামের মুখোমুখি হওয়া।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/raha3hjlgx">ইসলামের প্রথম আদর্শ পরিবার</a></aside><blockquote>পাথরের ভারী জাঁতা ঘুরিয়ে যব পিষতে পিষতে তাঁর কোমল হাতে কড়া পড়ে গিয়েছিল; চামড়ার মশকভর্তি পানি বয়ে আনতে গিয়ে বুকে দাগ হয়ে গিয়েছিল।</blockquote><p><strong>আলীর সঙ্গে দাম্পত্য</strong></p><p>মদিনায় হিজরতের পর দ্বিতীয় হিজরিতে রাসুলের চাচাতো ভাই আলী ইবনে আবু তালেবের সঙ্গে ফাতেমার শুভবিবাহ সম্পন্ন হয়। তাঁদের বৈবাহিক জীবন পার্থিব ধনসম্পদে সমৃদ্ধ ছিল না; কিন্তু তা ছিল পারস্পরিক সম্মান, আন্তরিক দায়িত্ববোধ ও ভালোবাসায় ভরপুর।</p><p>ঘরের প্রতিটি কাজ ফাতেমা (রা.) নিজ হাতে করতেন। পাথরের ভারী জাঁতা ঘুরিয়ে যব পিষতে পিষতে তাঁর কোমল হাতে কড়া পড়ে গিয়েছিল; চামড়ার মশকভর্তি পানি বয়ে আনতে গিয়ে বুকে দাগ হয়ে গিয়েছিল এবং ঘর ঝাড়ু দিতে গিয়ে পরিধেয় কাপড় ময়লা হতো।</p><p>আলীও বাইরে শ্রম দিয়ে অর্থ উপার্জনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করতেন। অভাব-অনটনের মাঝেও তাঁদের সংসারে কখনো অশান্তি বা মর্যাদাহানির কোনো স্থান ছিল না।</p><p><strong>নবীজির তাসবিহ উপহার</strong></p><p>একবার মদিনায় কিছু যুদ্ধবন্দী আনা হলে আলী (রা.) ফাতেমাকে পরামর্শ দিলেন নবীজির কাছে গিয়ে ঘরের কাজের সহযোগিতার জন্য একজন খাদেম চাইতে। ফাতেমা (রা.) পিতার কাছে গিয়ে নিজের কষ্টের কথা জানালেন। কিন্তু নবীজি কন্যাকে খাদেম না দিয়ে এক চিরস্থায়ী আধ্যাত্মিক উপহার দান করলেন।</p><p>বললেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন একটি জিনিসের সন্ধান দেব না, যা একজন সেবকের চেয়েও তোমাদের জন্য বহুগুণ উত্তম হবে? তোমরা যখন রাতে ঘুমাতে বিছানায় যাবে, তখন তোমরা ৩৩ বার ‘সুবহানাল্লাহ’ (আল্লাহ অতি পবিত্র), ৩৩ বার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর) এবং ৩৪ বার ‘আল্লাহু আকবার’ (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) পাঠ করবে। এটি তোমাদের জন্য যেকোনো খাদেমের চেয়েও অধিক কল্যাণকর।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭০৫)</p><p>নবীকন্যা হওয়া সত্ত্বেও তাঁর জীবন রাজকীয় বিলাসের ছিল না। বংশমর্যাদা তাঁকে দৈনন্দিন শ্রম থেকে অব্যাহতি দেয়নি; বরং তিনি কায়িক শ্রমের ভেতর দিয়েই আত্মমর্যাদার এক অনন্য দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন।</p><p><strong>জান্নাতের দুই ফুলের লালন</strong></p><p>ফাতেমা (রা.) ছিলেন ইসলামের ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মা। তিনি হাসান, হোসাইন, মোহসিন (যিনি শৈশবেই মারা যান) জয়নাব ও উম্মে কুলসুমের গর্ভধারিণী। তাঁর পবিত্র কোলেই গড়ে উঠেছিল এই উম্মতের নেতৃত্বের এক অনন্য প্রজন্ম।</p><p>রাসুল (সা.) হাসান ও হোসাইনকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। বলতেন, ‘হাসান ও হুসাইন হলো দুনিয়ায় আমার দুটি সুবাসিত ফুল।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭৫৩)</p><p>অন্য হাদিসে তিনি ঘোষণা করেছেন, ‘হাসান ও হোসাইন হলো বেহেশতের যুবকদের সর্দার।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস: ৩৭৬৮)</p><p>এই সন্তানদের চরিত্র, তাকওয়া ও শাহাদাতের পেছনে ছিল মা ফাতেমার আত্মত্যাগ ও তরবিয়তের গভীর প্রভাব।</p><p><strong>আড়ম্বরহীন জীবনাচার</strong></p><p>ফাতেমার কাছে সৌন্দর্যের অর্থ কখনোই দামি পোশাক বা স্বর্ণালংকার ছিল না। তাঁর ঘরের আসবাবপত্র ছিল একটি ভেড়ার চামড়ার বিছানা, খড়ের বালিশ ও মাটির কলসি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/4ymb65wxzg">জানেন কি, মসজিদে নববিতে ৫টি মিহরাব</a></aside><blockquote>জীবনের শেষ সময়ে ফাতেমা (রা.) পিতার শয্যাপাশে উপস্থিত ছিলেন। নবীজি অত্যন্ত দুর্বল কণ্ঠে তাঁকে কাছে ডেকে কানে কানে কিছু বললেন।</blockquote><p>একবার তিনি নিজের ঘরের দরজায় একটি কারুকার্যখচিত নকশাদার পর্দা টাঙিয়েছিলেন। রাসুল (সা.) ঘরে এসে সেই পর্দার দিকে তাকিয়ে ভেতরে প্রবেশ না করেই ফিরে গেলেন। ফাতেমা (রা.) তৎক্ষণাৎ পিতার অসন্তুষ্টির কারণ বুঝতে পারলেন। তিনি মুহূর্ত বিলম্ব না করে পর্দাটি খুলে ফেললেন এবং তা দান করে দিলেন। নবীজি তা দেখে অত্যন্ত আনন্দিত হয়ে বললেন, ‘ফাতেমা তা-ই করেছে যা তার উচিত ছিল।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৬১৪)</p><p>আল্লাহর রাসুলের একটিমাত্র ইশারায় নিজের পছন্দকে কোরবানি করে দেওয়াই ছিল তাঁর স্বভাব।</p><p><strong>বিদায়বেলার অশ্রু</strong></p><p>জীবনের শেষ সময়ে ফাতেমা (রা.) পিতার শয্যাপাশে উপস্থিত ছিলেন। নবীজি অত্যন্ত দুর্বল কণ্ঠে তাঁকে কাছে ডেকে কানে কানে কিছু বললেন। কথাটি শুনে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়লেন। কিছুক্ষণ পর নবীজি তাঁকে পুনরায় কাছে ডেকে আবার ফিসফিস করে কিছু বললেন, আর তখনই ফাতেমার মুখে উজ্জ্বল হাসি ফুটে উঠল।</p><p>আয়েশা (রা.) এই কান্নাহাসির রহস্য জানতে চাইলে ফাতেমা নবীজির জীবদ্দশায় তা প্রকাশ করেননি।</p><p>নবীজির ইন্তেকালের পর তিনি কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘প্রথমে আমাকে জানিয়েছিলেন যে তিনি এই অসুস্থতাতেই দুনিয়া থেকে বিদায় নেবেন; তাই বিচ্ছেদের বেদনায় আমি কেঁদে ফেলেছিলাম। এরপর তিনি আমাকে বললেন, “আমার পরিবারের মধ্য থেকে তুমিই সবার আগে আমার সঙ্গে মিলিত হবে এবং তুমি কি এতে সন্তুষ্ট নও যে তুমি হবে মুমিন নারীদের নেত্রী?” এই সুসংবাদ শুনেই আমার মুখে হাসি ফুটেছিল।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৬২৭)</p><p>রাসুলের ওফাতের মাত্র ছয় মাস পরই ১১ হিজরির ৩ রমজান এই মহান নারী মাত্র ২৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করে প্রিয় পিতার সঙ্গে গিয়ে মিলিত হন (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৪২৪০)</p><p><strong>এক ভারসাম্যপূর্ণ জীবনাদর্শ</strong></p><p>বর্তমান যুগে নারীকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সমাজ দুটি চরমপন্থা দেখতে পায়—একদিকে নারীকে নিছক ভোগের পণ্য ও প্রদর্শনীর সামগ্রী বানানোর অসুস্থ সংস্কৃতি; অন্যদিকে তার মাতৃত্ব, পারিবারিক পরিচয় ও শালীনতাকে খাটো করে দেখার একপেশে প্রবণতা।</p><p>ফাতেমার জীবন এই দুই চরমপন্থার বাইরে এক পূর্ণাঙ্গ ও ভারসাম্যপূর্ণ পথপ্রদর্শক। তিনি প্রমাণ করে গেছেন—নারীর প্রকৃত আভিজাত্য বিলাসবহুল জীবনে নয়, বরং লজ্জাশীলতা ও চরিত্রে; নারীর সম্মান গৃহকোণকে আলোকময় করে আত্মমর্যাদার সঙ্গে বাঁচার ভেতরে। তিনি ছিলেন ঘরে আদর্শ কন্যা, স্বামীর বিশ্বস্ত সহযাত্রী এবং সন্তানদের জন্য তাকওয়ার পাঠশালা;&nbsp;</p><p>আবার অন্যায়ের সামনে তিনি ছিলেন আপসহীন এক সাহসী কণ্ঠস্বর। ফাতেমার এই অনুপম জীবন যুগে যুগে প্রতিটি বিশ্বাসী নারীর আত্মমর্যাদা ও আত্মশুদ্ধির চিরন্তন আলোকবর্তিকা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/k42bgrvsxt">যেমন ছিল আলী ও ফাতেমার সংসার</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মাহিন্দ্রা ও অটোরিকশাকে ধাক্কা দিয়ে উল্টে গেল বাস, নিহত ২</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/k6es75klza</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/k6es75klza#comments</comments><guid isPermaLink="false">d179908f-49a2-4405-9de9-32f2313cc04e</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:57:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:57:36.164Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশের একটি বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে কাত হয়ে পড়ে।]]></description><media:keywords>ময়মনসিংহ,ময়মনসিংহ বিভাগ,সড়ক দুর্ঘটনা,মহাসড়ক,নিহত</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/sjyqpdnt/mymensinghdh169420260918img-20260918-wa0027.jpg" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গেছে। সকালে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উপজেলার কাজীর শিমলা এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/sjyqpdnt/mymensinghdh169420260918img-20260918-wa0027.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ময়মনসিংহের ত্রিশালে বাসের ধাক্কায় মাহিন্দ্রা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। দুর্ঘটনার পর বাসটি সড়কের পাশের একটি বিদ্যালয়ের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে কাত হয়ে পড়ে।</p><p>আজ শুক্রবার সকাল সোয়া আটটার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের ত্রিশাল উপজেলার বৈলর ইউনিয়নের কাজীর শিমলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী ইউনাইটেড পরিবহনের বাসটি কাজীর শিমলা এলাকায় পৌঁছে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি মাহিন্দ্রাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এরপর সামনে থাকা ময়মনসিংহগামী একটি অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয় বাসটি। পরে বাসটি সড়কের পাশের প্যাসিফিক আইডিয়াল হাইস্কুলের সীমানাপ্রাচীরে ধাক্কা দিয়ে কাত হয়ে পড়ে।</p><p>পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় মাহিন্দ্রায় থাকা দুই পুরুষ যাত্রী গুরুতর আহত হন। তাঁদের ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের পরিচয় জানা যায়নি। সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থাকা তিন নারী ও এক পুরুষ যাত্রী গুরুতর আহত হন। এ ছাড়া দুটি মাহিন্দ্রার চালক, সিএনজির চালকসহ আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। স্থানীয় লোকজন আহত ব্যক্তিদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।</p><p>ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় লোকজনের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, বাসের চালক পালিয়ে গেছেন। চালক ও তাঁর সহকারীর বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।</p><p>ত্রিশাল থানার এএসআই আবদুল হালিম বলেন, দুর্ঘটনায় ২ জন নিহত ও ১০ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন রেকার দিয়ে সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সংকট দুর্বলতা বা লজ্জার বিষয় নয়</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/ufm0lmhohh</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/ufm0lmhohh#comments</comments><guid isPermaLink="false">d54e0851-4dc5-4c1c-b8af-5d06fb8bd7da</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:53:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:53:54.206Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বন্ধুসভা প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/2295385</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ‘মনের বন্ধু’র সহযোগিতায় জাবি বন্ধুসভার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি এই সেমিনার সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে যুক্ত ছিলেন পেশাদার সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর আনতাজ হেনা আঁখি। সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর ক্যাম্পেইন অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার গিয়াস উদ্দিন।]]></description><media:keywords>মানসিক স্বাস্থ্য,সারাদেশ,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়,বন্ধুসভা সেমিনার</media:keywords><media:content height="878" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/3c4ro8hy/Suicide-prevention-live-poster.png" width="1080"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/3c4ro8hy/Suicide-prevention-live-poster.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আত্মহত্যার মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধে সামাজিক কুসংস্কার ভেঙে খোলামেলা আলোচনা করতে হবে। মানসিক টানাপোড়েন, তীব্র বিষণ্নতা কিংবা একাকিত্ব আড়াল না করে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার বার্তা নিয়ে বিশেষ সেমিনার করে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধুসভা। বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে ১০ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে আটটায় ভার্চ্যুয়ালি এটি অনুষ্ঠিত হয়।</p><p>মানসিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান ‘মনের বন্ধু’র সহযোগিতায় জাবি বন্ধুসভার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজ থেকে সরাসরি এই সেমিনার সম্প্রচারিত হয়। অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ হিসেবে যুক্ত ছিলেন পেশাদার সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর আনতাজ হেনা আঁখি। সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর ক্যাম্পেইন অ্যান্ড কমিউনিকেশন অফিসার গিয়াস উদ্দিন।</p><p>সাইকোসোশ্যাল কাউন্সেলর আনতাজ হেনা আঁখি আত্মহত্যার ঝুঁকি, মানসিক সংকটের প্রাথমিক লক্ষণ এবং তা শনাক্ত করার উপায় নিয়ে বিশদ আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সংকট কোনো ব্যক্তিগত দুর্বলতা বা লজ্জার বিষয় নয়। যে কেউ জীবনের যেকোনো পর্যায়ে তীব্র মানসিক চাপ, ব্যর্থতা, ট্রমা কিংবা হতাশার ভেতর দিয়ে যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি হলো আক্রান্ত ব্যক্তির অনুভূতিকে অবমূল্যায়ন না করে বিচারহীনভাবে শোনা, তাকে আশ্বস্ত করা এবং সময়মতো পেশাদার মানসিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।’</p><p>আলোচনার এক পর্যায়ে জাতীয় বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থীদের আত্মহত্যার অনাকাঙ্ক্ষিত প্রবণতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন কাউন্সেলর আঁখি। তিনি উল্লেখ করেন, পরীক্ষার ফলাফল আশানুরূপ না হলে পারিবারিক চাপ ও সামাজিক গ্লানি থেকে অনেকেই এমন চরম পথ বেছে নেয়। তবে পরিবারের মানসিক সমর্থন ও সহানুভূতি থাকলে এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা সহজেই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তিনি আরও পরামর্শ দেন, সমাজ বা পারিপার্শ্বিক প্রত্যাশার পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ, ভালো লাগা ও চাহিদাকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত। মনের ভেতরের যেকোনো চাপ বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব চেপে না রেখে বিশ্বস্ত পরিবারের সদস্য কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানান।</p><p>অনুষ্ঠানে মানসিক স্বাস্থ্যসেবাকে দেশের সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে নিরলস কাজ করে যাওয়া প্ল্যাটফর্ম ‘মনের বন্ধু’র প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়।</p><p>সঞ্চালক গিয়াস উদ্দিন তরুণদের মানসিক বিকাশ ও সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, বিশ্ব আত্মহত্যা প্রতিরোধ দিবসের অন্যতম মূল লক্ষ্য হলো আত্মহত্যা নিয়ে সামাজিক ট্যাবু ও নীরবতা দূর করা। ‘নিজে জানুন, বন্ধুকেও জানান মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব’—এই প্রতিপাদ্য কেবল কথায় নয়, আমাদের প্রাত্যহিক আচরণে ধারণ করতে হবে। ক্যাম্পাসে এবং ক্যাম্পাসের বাইরে প্রতিটি বন্ধুর পাশে মানবিক ঢাল হিসেবে দাঁড়াতে জাবি বন্ধুসভাসহ অন্যান্য বন্ধুসভা নিয়মিত এ ধরনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে যাচ্ছে।</p><p>লাইভের কমেন্ট বক্সে দর্শকেরা এমন সময়োপযোগী ও জীবনঘনিষ্ঠ আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন। মানসিক স্বাস্থ্য সচেতনতায় নিয়মিত এমন অধিবেশন শিক্ষার্থীদের মানসিক শক্তি জোগাতে এবং বিষণ্নতা দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে তাঁরা অভিমত ব্যক্ত করেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইরানে মার্কিন হামলা: জাতিসংঘের যুদ্ধাপরাধ–সংক্রান্ত প্রতিবেদন নিয়ে কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র</title><link>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/a8rcztg68i</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/middle-east/a8rcztg68i#comments</comments><guid isPermaLink="false">7db0b238-4819-4d1e-a82c-4ff6b8e01336</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:50:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:50:40.027Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন গতকাল বৃহস্পতিবার জানায়, ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে—এমনটা বিশ্বাস করার মতো প্রমাণ পাওয়া গেছে।]]></description><media:keywords>অপরাধ,হামলা,জাতিসংঘ,যুক্তরাষ্ট্র,ইরান,যুদ্ধ</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/03s1kslc/Washington-rejects.avif" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের লোগো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/03s1kslc/Washington-rejects.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইরানবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এ প্রতিবেদনের ফলাফলকে বিশ্বাসযোগ্য মনে করে না।</p><p>জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন গতকাল বৃহস্পতিবার জানায়, ইরান যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধাপরাধ করেছে—এমনটা বিশ্বাস করার মতো প্রমাণ পাওয়া গেছে।</p><p>জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশন তার প্রতিবেদনে ইরানের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা উল্লেখ করেছে। এ হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/lq819tjexy">ইরানের স্কুলে–ক্রীড়া স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল, বলছে জাতিসংঘ</a></aside><p>ইরানের কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, হামলাটিতে নিহত ব্যক্তিদের মধ্য অন্তত ১২০ জন ছিল স্কুলশিক্ষার্থী।</p><p>জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদনে ইরানে চালানো আরেকটি বিমান হামলার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, সহজেই শনাক্ত করা যায়, এমন একটি ক্রীড়া স্থাপনা ও আবাসিক এলাকায় হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। এ হামলায় ২২ জন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হন।</p><p>বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলে প্রতিবেদনটি জমা দেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/cb73myfrmk">ইরানের মিনাব স্কুলে হামলার দায় নিয়ে নতুন করে কী বললেন ট্রাম্প</a></aside><p>২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিল থেকে তাঁর দেশকে প্রত্যাহার করে নেন। তখন এই কাউন্সিলসহ জাতিসংঘের কিছু সংস্থা–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের পরিপন্থীভাবে কাজ করার অভিযোগ তুলেছিল ওয়াশিংটন।</p><p>প্রতিবেদনটির বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মকর্তা বলেন, জাতিসংঘের এই কাউন্সিল যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী বক্তব্য ও ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ায়। তারা দমনমূলক শাসনব্যবস্থাকে প্রশ্রয় দেয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/z7rxrn5lx3">ইরানে বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রই: প্রাথমিক অনুসন্ধান</a></aside><p>হোয়াইট হাউসও প্রতিবেদনটির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে বলে জানায় বার্তা সংস্থা এপি। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেন, এই সংঘাতে একমাত্র ইরানের শাসকগোষ্ঠীই যুদ্ধাপরাধ করেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/rdx9v7435s">নতুন ভিডিও ইঙ্গিত দিচ্ছে, ইরানের স্কুলে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র জড়িত: সিএনএন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মায়ামিতে গিয়ে ‘মাথা খুলেছে’ মেসির</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/maayyaamite-giyye-maathaa-khuleche-mesir</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/maayyaamite-giyye-maathaa-khuleche-mesir#comments</comments><guid isPermaLink="false">9308e33a-78ec-4878-a096-e7e348ac6c3c</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:50:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:50:17.838Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মায়ামিতে গিয়ে ‘মাথা খুলেছে’ মেসির]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="799" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5kura8lr/480930_01_02.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ ইন্টার মায়ামির জার্সিতে লিওনেল মেসি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5kura8lr/480930_01_02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আসলে মেসির মাথা বরাবরই খোলা ছিল, শুধু গোল করার ক্ষেত্রে সেটির ব্যবহার ছিল কম। প্রায় দুই যুগের পেশাদার ক্যারিয়ার তাঁর। এই দীর্ঘ সময় আর হাজারের বেশি ম্যাচের ক্যারিয়ার বলছে, মেসির মাথাটা বেশি ব্যবহার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে এসেই। বৃহস্পতিবার ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে করা গোলটি ছিল মায়ামিতে তাঁর শততম গোল, হেডে যা ষষ্ঠ। অর্থাৎ মেজর লিগ সকারের ক্লাবটিতে মেসির ৬ শতাংশ গোল এসেছে মাথার সৌজন্যে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>হুতিদের সামরিক সক্ষমতা কতটুকু? কীভাবে এত শক্তিশালী হলো এ গোষ্ঠী?</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/hgqmjr1gq2</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/hgqmjr1gq2#comments</comments><guid isPermaLink="false">d487110c-d804-4f99-8977-9f33b43b73c9</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:42:04 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:42:04.316Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  গত এক দশকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। তারপরও হুতিরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কীভাবে? বিস্তারিত ভিডিওতে—]]></description><media:keywords>হুতি বিদ্রোহী</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/18gpfzol/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/18gpfzol/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গত এক দশকে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইসরায়েল ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের ওপর ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। তারপরও হুতিরা আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। কিন্তু কীভাবে? বিস্তারিত ভিডিওতে—</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/eqKKfMfqmsM"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামে ভুল ছবি, সরানো হলো সমালোচনার মুখে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/cuv5lievw6</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/cuv5lievw6#comments</comments><guid isPermaLink="false">86551e60-7a97-443b-aa57-e45589f1185d</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:39:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:39:15.329Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1429666</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় কবি-সাহিত্যিকের নামের সঙ্গে অধিকাংশ ভুল ছবি ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। সমালোচনার পর ছবিগুলো সরিয়ে নতুন ছবি লাগানো হয়েছে।]]></description><media:keywords>মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়,বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,ডাকসু</media:keywords><media:content height="948" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5j6an527/2_ducsu_writer_photo_correct.jpg" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ ডাকসু সংগ্রহশালায় ছয় সাহিত্যিকের নামে শুরুতে ভুল ছবি সংযোজন করা হয়। সমালোচনার পর ওই ছবি পরিবর্তন করে এই ফ্রেম সংযোজন করা হয়েছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5j6an527/2_ducsu_writer_photo_correct.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সংগ্রহশালায় ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকের একাংশ’ শিরোনামে ছয় কবি-সাহিত্যিকের নামের সঙ্গে যে ছবি ব্যবহার করা হয়েছে, তার অধিকাংশই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ছবি নয়—এমন অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ছবিগুলো সরিয়ে নতুন ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে।</p><p> এর আগে সংগ্রহশালার একটি ফ্রেমে পল্লিকবি জসীমউদ্​দীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষক শহীদ মুনীর চৌধুরী, বাংলা একাডেমির সাবেক সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক, কবি আসাদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আবুল ফজল ও ভাষাবিদ মুহম্মদ এনামুল হকের নামের সঙ্গে ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল।</p><p>এই ছয়জনের মধ্যে জসীমউদ্‌দীন, মুনীর চৌধুরী, আবুল কাসেম ফজলুল হক ও আসাদ চৌধুরীর নামে ব্যবহৃত ছবিগুলো তাঁদের নয় বলে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তারিক মনজুর। আবুল ফজলের নামের সঙ্গে ব্যবহৃত ছবিটিও তাঁর নয় বলে মনে করেন তিনি। শুধু মুহম্মদ এনামুল হকের ছবিটির সঙ্গে তাঁর চেহারার কিছুটা মিল পাওয়া গেছে।</p><p>অধ্যাপক তারিক মনজুর বলেন, ‘জসীমউদ্‌দীন, মুনীর চৌধুরী, আবুল কাসেম ফজলুল হক ও আসাদ চৌধুরীর নামের ওপরে যেসব ছবি আছে, সেগুলো মোটেও এসব ব্যক্তির নয়। আবুল ফজলের ছবিটিও তাঁর হওয়ার কথা নয়। শ্মশ্রুমণ্ডিত ভিন্ন আবুল ফজলই আমাদের কাছে পরিচিত। একমাত্র মুহম্মদ এনামুল হকের ছবিটি খানিকটা তাঁর চেহারার সঙ্গে যায়।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/9gxruwowgv">ডাকসুর সংগ্রহশালায় আব্দুল মালেকের ছবি, কে ছিলেন তিনি, কীভাবে নিহত হন</a></aside><p>ছবিগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে বলে মনে হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন অধ্যাপক তারিক মনজুর। একই সঙ্গে ছয় সাহিত্যিকের তালিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।</p><p>তারিক মনজুর বলেন, ‘খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকদের একাংশ’ শিরোনামে যে তালিকা করা হয়েছে, সেটি অসম্পূর্ণ। খ্যাতিমান কবি-সাহিত্যিকদের তালিকা এত বড় যে বাস্তবে সবাইকে এক দেয়ালে জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই নির্দিষ্ট কয়েকজনের ছবি টাঙানো সমীচীন হয়নি।</p><p>তবে ডাকসুর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ছবিগুলো ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল। নকশার সময় ছবির মান বাড়াতে গিয়ে কয়েকটি ছবির চেহারা বদলে যায়।</p><p>ডাকসুর মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন–বিষয়ক সম্পাদক ফাতিমা তাসনিম ঝুমা বলেন, ডিজাইনারকে ছবি দেওয়ার পর মান বাড়ানোর সময় দু-তিনটি ছবির চেহারা এক রকম হয়ে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/9zaysw1ami">ডাকসু সংগ্রহশালায় জিন্নাহর ছবি, আর কী যুক্ত হলো, কী বাদ গেল</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/2dixwjjd/1-ducsu-writer-photo-wrong.jpg" /><figcaption>ডাকসু সংগ্রহশালায় শুরুতে ছয় সাহিত্যিকের নামের সঙ্গে ব্যবহার করা ছবির সঙ্গে তাঁদের অধিকাংশেরই মিল নেই</figcaption></figure><p>এআই দিয়ে ছবি তৈরি করা হয়েছিল কি না, তা জানতে চাইলে ফাতিমা তাসনিম বলেন, ‘এআই দিয়ে বানানো নয়। সবার ছবি ইন্টারনেট থেকে নেওয়া। সে ক্ষেত্রে ছবিগুলোর কোয়ালিটি এনহ্যান্স করতে গিয়ে হয়েছে।’</p><p>ফাতিমা তাসনিম আরও বলেন, অনেকগুলো ছবি একসঙ্গে থাকায় বিষয়টি প্রথমে তাঁদের নজরে আসেনি। পরে তিনি বিষয়টি দেখে ডিজাইনারকে জানান। এরপর নতুন ছবি পাঠানো হলে গতকাল তা প্রিন্ট করে সংগ্রহশালায় আগের ছবি পরিবর্তন করে এই ছবি লাগানো হয়েছে।</p><p>সংগ্রহশালাটি সংস্কারের পর ১৩ সেপ্টেম্বর আবার চালু করা হয়। সংস্কারের পর সেখানে বাংলাদেশের ইতিহাসের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামের ছবি ও নিদর্শনের বিন্যাসে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগের কয়েকটি ছবি বাদ পড়েছে। যুক্ত হয়েছে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি। একটি ছবির সঙ্গে ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের তথ্যও রাখা হয়েছে। এ ছাড়া ছাত্রসংঘের সাবেক নেতা আব্দুল মালেকের ছবিও রাখা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/n3l8waw7q4">জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন</a></aside><p>পরে ১৪ সেপ্টেম্বর সংগ্রহশালায় সাঁটানো মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর তিনটি ছবি ছিঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানান একজন শিক্ষার্থী।</p><p>এদিকে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করার প্রতিবাদে জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আমৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত (পরে প্রয়াত) গোলাম আযমকে জুতাপেটা করার ছবি সংগ্রহশালায় টাঙিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ফেডারেশনের নেতা-কর্মীরা।</p><p>ডাকসু সংগ্রহশালায় মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ও ছাত্রসংঘের নেতা আব্দুল মালেকের ছবি টাঙানোর ঘটনাটি তদন্তে ১৪ সেপ্টেম্বরই পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।</p><p>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ–উপাচার্য (প্রশাসন) মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানীকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটি বিষয়টি তদন্ত করছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/tb8gwtwhx4">ডাকসুর সংগ্রহশালা থেকে জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেললেন এক শিক্ষার্থী</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ভ্যানে তল্লাশির পর মিলল ২৩ বস্তা সার, পালিয়ে গেলেন চালক</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/gz8hvs13tg</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/gz8hvs13tg#comments</comments><guid isPermaLink="false">1be9c801-efd0-4f0b-bdb7-4b125a7a65c6</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:38:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:38:08.792Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ২৩ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন।]]></description><media:keywords>অনিয়ম,সার,কৃষি,জামালপুর,বকশীগঞ্জ,ময়মনসিংহ বিভাগ</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dj5cjr1j/WhatsApp-Image-2026-09-18-at-12.44.11-PM-1.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় জব্দ করা সার। গতকাল রাতে মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর গ্রামে  ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dj5cjr1j/WhatsApp-Image-2026-09-18-at-12.44.11-PM-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে ২৩ বস্তা সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় সার বহনকারী ভ্যানচালক পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা যায়নি।</p><p>গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত একটার দিকে উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের টুপকারচর গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়।</p><p>উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাতে টুপকারচর এলাকায় অভিযান চালান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুরাদ হোসেন। এ সময় একটি ভ্যান থামিয়ে তল্লাশি চালিয়ে ২৩ বস্তা সার জব্দ করা হয়। তবে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে ভ্যানচালক পালিয়ে যান।</p><p>পরে জব্দ করা সার বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়। সারগুলো সরকারি নাকি বেসরকারি এবং কোথা থেকে আনা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে উপজেলা প্রশাসন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/nhgqepw0/WhatsApp_Image_2026_09_18_at_12_43_02_PM.jpeg" /><figcaption>জব্দ করা সার বকশীগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে</figcaption></figure><p>ইউএনও মুরাদ হোসেন বলেন, সারগুলো কোথা থেকে এসেছে এবং কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে দাবানল, ধোঁয়া উঠছে ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে
</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/wyqmxl1v3b</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/wyqmxl1v3b#comments</comments><guid isPermaLink="false">c721ed1d-5b93-471b-aabe-bf81a457442f</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:30:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:30:23.711Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>দাবানল</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/6dbqhame/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/6dbqhame/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানল দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে ঘন হয়ে আকাশের দিকে উঠছে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/4aQt3huXZSc"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>এক আলোকদিবস দূরত্বে পৌঁছানোর রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে ভয়েজার ১ মহাকাশযান</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/science/r53rcuq12p</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/science/r53rcuq12p#comments</comments><guid isPermaLink="false">460c5f69-7923-40b2-8af0-11b3c3d2c032</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:30:04 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:30:04.012Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রযুক্তি ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633233</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বর্তমানে ভয়েজার ১ মহাকাশ যানটি উরসা মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলীতে থাকা ‘গ্লিস ৪৪৫’ নক্ষত্রের দিকে এগিয়ে চলেছে।]]></description><media:keywords>নাসা,মহাকাশ,মহাকাশ অভিযান</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5yswloiq/Voyager-1.-Nasa.png" width="964"><media:title type="html"><![CDATA[ ভয়েজার ১ মহাকাশযান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5yswloiq/Voyager-1.-Nasa.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিজ্ঞান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মহাশূন্যের গভীর অজানাপানে ছুটে চলা নাসার ভয়েজার ১ মহাকাশযান এবার নতুন ইতিহাস গড়তে চলেছে। প্রায় অর্ধশতক বছর ধরে মহাকাশে ছুটে চলা মহাকাশযানটি পৃথিবী থেকে এক আলোকদিবসের দূরত্বে পৌঁছানোর দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। এরই মধ্যে মানুষের তৈরি কোনো বাহন হিসেবে পৃথিবী থেকে সবচেয়ে দূরে যাওয়ার রেকর্ডও করছে মহাকাশযানটি।</p><p>আলোর গতিতে ২৪ ঘণ্টায় যাতায়াতের দূরত্বকে এক আলোকদিবস বলা হয়। নাসার তথ্য অনুযায়ী, আজ শুক্রবারের মধ্যে ভয়েজার ১ পৃথিবী থেকে প্রায় ১ হাজার ৬০৯ কোটি মাইল দূরত্বে পৌঁছাবে, যা এক আলোকদিবসের দূরত্বের সমান। অপর দিকে মহাকাশে ছুটে চলা ‘ভয়েজার ২’ নামে আরেকটি মহাকাশযান ভিন্ন পথে চলার কারণে প্রায় ৯ বছর পর ২০৩৫ সালের নভেম্বর মাসে এই মাইলফলক স্পর্শ করবে।</p><p>১৯৭৭ সালে মহাশূন্যে পাড়ি জমানো ভয়েজার ১ মূলত বৃহস্পতি ও শনি গ্রহের পাশ দিয়ে যাওয়ার জন্য পাঠানো হয়েছিল। মাত্র পাঁচ বছর সচল থাকার কথা থাকলেও যানটি প্রায় ৫০ বছর ধরে কাজ করে চলেছে। ২০১২ সালে এটি আমাদের সৌরজগতের সীমানা পেরিয়ে ইন্টারস্টেলার স্পেসে প্রবেশ করে প্রথম মানবসৃষ্ট বস্তু হিসেবে রেকর্ড গড়ে। বর্তমানে মহাকাশযানটি যেখানে অবস্থান করছে, সেখান থেকে পাঠানো সংকেত পৃথিবীতে পৌঁছাতে ২৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট সময় লাগে।</p><p>বর্তমানে ভয়েজার ১ মহাকাশ যানটি উরসা মাইনর নক্ষত্রমণ্ডলীতে থাকা ‘গ্লিস ৪৪৫’ নক্ষত্রের দিকে এগিয়ে চলেছে। তবে এই নক্ষত্রের কাছাকাছি পৌঁছাতে যানটির প্রায় ৪০ হাজার বছর সময় লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>সূত্র: বিবিসি </p>]]></content:encoded></item><item><title>মহাকাশে কোন ধরনের অস্ত্র মোতায়েন করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/science/hmixps8yda</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/science/hmixps8yda#comments</comments><guid isPermaLink="false">6d62a246-0606-4075-b7fd-3be2bacdb4aa</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জাহিদ হোসাইন খান</atom:name><atom:uri>/api/author/1078344</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অস্ত্র,প্রযুক্তি,স্যাটেলাইট,মহাকাশ,যুক্তরাষ্ট্র,মহাকাশ অভিযান</media:keywords><media:content height="2000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/vvg003mx/Space.Reuters.png" width="3000"><media:title type="html"><![CDATA[ মহাকাশে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি গোপনে সামরিকীকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে বিভিন্ন দেশ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/vvg003mx/Space.Reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিজ্ঞান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১৯৫৭ সালে মহাকাশ যুগ শুরু হওয়ার পর থেকেই কয়েক দশক ধরে বিভিন্ন দেশ মহাকাশে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের পাশাপাশি গোপনে সামরিকীকরণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। গত সোমবার প্রথমবারের মতো মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েন করা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বিমানবাহিনীর সেক্রেটারি (বাহিনীর শীর্ষ বেসামরিক কর্মকর্তা) ট্রয় মেইঙ্ক মেরিল্যান্ডের ন্যাশনাল হারবারে এয়ার অ্যান্ড স্পেস ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে মহাকাশে অস্ত্র মোতায়েনের বিষয়টি প্রকাশ করেন। এর পর থেকেই মহাকাশে মোতায়ন করা অস্ত্রের ধরন নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি হয়েছে।</p><p>ট্রয় মেইঙ্ক জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনীকে শত্রুর আক্রমণ থেকে রক্ষা করার জন্য এই কক্ষপথের অস্ত্র জরুরি ছিল। তবে এই অস্ত্রের ধরন, ক্ষমতা বা এটি কখন মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি তিনি। যুক্তরাজ্যের ডারহাম ইউনিভার্সিটির অ্যাস্ট্রোপলিটিকসের সহযোগী অধ্যাপক ও রয়্যাল ইউনাইটেড সার্ভিসেস ইনস্টিটিউটের সহযোগী ফেলো ব্লেডিন বোয়েনের ধারণা, এটি একধরনের ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার বা রেডিও জ্যামিং প্ল্যাটফর্ম হতে পারে। এটি মূলত একধরনের অ–ধ্বংসাত্মক অ্যান্টি–স্যাটেলাইট অস্ত্র, যা স্যাটেলাইটের রেডিও যোগাযোগ নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। চীন এরই মধ্যে মহাকাশে নিজেদের সক্ষমতা প্রদর্শন করেছে, যার মাধ্যমে একটি যান অন্য স্যাটেলাইটগুলোকে ভিন্ন কক্ষে নিয়ে যেতে পারে। তবে এই প্রযুক্তির ভালো দিকও রয়েছে। কারণ, এর সাহায্যে মহাকাশের জঞ্জাল পরিষ্কারও করা সম্ভব।</p><p>মহাকাশে এ ধরনের অস্ত্র মোতায়নের পেছনে বড় ধরনের ধ্বংস ও বর্জ্য সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, কাইনেটিক কিল ভেহিকেলের মাধ্যমে কোনো যান অন্য স্যাটেলাইটকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ধ্বংস করে দিতে পারে। এ ছাড়া ক্লোজ ইন্সপেকশন ও গ্র্যাপলিং স্যাটেলাইটের মাধ্যমে অন্য স্যাটেলাইটকে কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ বা ধরে ফেলা সম্ভব। রাশিয়া ও চীন এ ধরনের অস্ত্র আগে থেকেই মহাকাশে ব্যবহার করছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলা কঠিন। তবে জার্মানির বিজ্ঞান ও রাজনীতি ফাউন্ডেশনের গবেষক জুলিয়ানা সুয়েস জানিয়েছেন, রাশিয়া অতীতে কো–অরবিটাল অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে।</p><p>রাশিয়া ও চীন দীর্ঘদিন ধরে মহাকাশে রেনডেভু ও প্রক্সিমিটি অপারেশন বা আরপিও নামের বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। কিংস কলেজ লন্ডনের রাশিয়ার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষক রড থর্নটন জানিয়েছেন, মহাকাশে বিভিন্ন স্যাটেলাইট হান্টার–কিলার হিসেবে কাজ করতে পারে। এগুলো ধাক্কা খেয়ে বা সামান্য ধাক্কা দিয়ে অন্য স্যাটেলাইটগুলোকে কক্ষপথ থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম।</p><p>মার্কিন এই ঘোষণা মূলত রাজনৈতিক সংকেত ছাড়া বড় কোনো নতুন প্রযুক্তিগত অগ্রগতি নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। চীনের সামরিক আধুনিকায়ন ও মহাকাশে তাদের স্যাটেলাইটের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে যুক্তরাষ্ট্র এই পদক্ষেপ নিয়েছে। মার্কিন ও চীনা—উভয় পক্ষই এখন একে অপরের মহাকাশ সংস্কৃতির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। এই পারস্পরিক নির্ভরতাই মহাশূন্যে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার জন্ম দিচ্ছে।</p><p>সূত্র: বিবিসি</p>]]></content:encoded></item><item><title>শেষ বয়সে আমাকে একা রেখো না</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/4q6uvuihgv</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/4q6uvuihgv#comments</comments><guid isPermaLink="false">8cc10d0d-fdb1-42c1-a649-c52d633006a1</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:27:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:27:31.068Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মহিউদ্দিন আহমদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1401848</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশে প্রবীণ মা-বাবার প্রতি সন্তানের অবহেলা শুধু একটি পারিবারিক সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক সংকট। যে সমাজ তার শিকড়কে অবহেলা করে, সে সমাজের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।]]></description><media:keywords>সম্পত্তি আইন,আইন অধিকার,প্রবীণ,বাবা,মা</media:keywords><media:content height="652" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dtpxg70i/MasukartClors.jpg" width="918"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/dtpxg70i/MasukartClors.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সৌদি আরবের দৈনিক <em>আল-মদিনা</em>য় কিছুদিন আগে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে মক্কায় প্রবীণ মায়ের দেখভাল করার আকুতি জানিয়ে দুই ভাইয়ের প্রতিযোগিতা। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। মক্কার সাধারণ আদালত দুই ভাইয়ের সেই বিরোধের নিষ্পত্তি করেছেন, যেখানে দুজনই মায়ের হেফাজত চাইছিলেন। রায়ের পর আদালত থেকে বেরিয়ে দুই ভাই–ই ছিলেন সন্তুষ্ট ও হাস্যোজ্জ্বল।</p><p>ছোট ভাই মামলাটি করেছিলেন এই যুক্তিতে যে বড় ভাই বয়সে এতটাই প্রবীণ হয়ে গেছেন যে তিনি আর মাকে যথাযথভাবে দেখাশোনা করতে পারবেন না; তাই মাকে নিজের কাছে রাখার অধিকার তিনি চান। ৭৫ বছর বয়সী বড় ভাই আদালতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি চান তাঁর মা তাঁর সঙ্গেই থাকুন। তিনি এখনো মায়ের যত্ন নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন—এমনটাই দাবি করেন তিনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/f1enjiefo3">সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: ইতিবাচক সংশোধনীটিতে যা আরও স্পষ্ট করা দরকার</a></aside><p>বিচারক যখন মাকে দুই ভাইয়ের সামনে জিজ্ঞেস করলেন, তিনি কোন ছেলের সঙ্গে থাকতে চান। মা শান্ত কণ্ঠে বললেন, তিনি দুজনকেই সমান ভালোবাসেন; তাই তিনি কোনো পক্ষই বেছে নেবেন না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে বিচারক সিদ্ধান্ত দেন যে বড় ভাই নিজে এতটাই বয়সী যে তাঁরও দেখাশোনার প্রয়োজন রয়েছে। তাই মায়ের হেফাজতের অধিকার ছোট ভাইকেই দেওয়া হলো। রায় ঘোষণার পর দুই ভাইকে আলিঙ্গন করে হাসিমুখে আদালত ত্যাগ করতে দেখে উপস্থিত সবাই গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হয়েছেন।</p><p>সব সন্তান যদি এমন হয়, তাহলে তো আর কোনো সমস্যা থাকে না। কিন্তু বাস্তবতা বড় নির্মম। আমরা আমাদের চোখের সামনেই দেখি, গায়ে–গতরে বড় হয়ে ওঠার পর সন্তানেরা কীভাবে মা-বাবাকে চোখরাঙানি দেয়। মা-বাবা যেন পরিত্যক্ত ন্যাকড়া। ব্যতিক্রম আছে অবশ্যই।</p><blockquote>মানুষের জীবনে সম্পত্তি কখনো কেবল ইট-পাথরের ঘর নয়; এটি স্মৃতির আশ্রয়, সম্পর্কের ছায়া, সময়ের সঞ্চয়। আর সেই সম্পত্তি যখন উত্তরাধিকার আইনের পাতায় লেখা হয়, তখন আইন হয়ে ওঠে মানুষের জীবনের এক নীরব ইতিহাস। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উত্তরাধিকার আইন সংশোধনী সেই ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যোগ করেছে, যা কেবল আইনগত নয়; বরং গভীরভাবে মানবিক, সামাজিক ও ধর্মীয়।</blockquote><p>মানুষের জীবনে সবচেয়ে প্রথম যে দুটি মুখ দেখা যায়—একটি মায়ের, অন্যটি বাবার। এই দুই মুখের ছায়ায়ই শিশুর পৃথিবী গড়ে ওঠে। কিন্তু সময়ের নদী যখন প্রবাহিত হতে থাকে, তখন সেই মুখগুলো ধীরে ধীরে বয়সের রেখায় ভরে যায়। সন্তানেরা বড় হয়, পৃথিবী বিস্তৃত হয় আর সেই দুই মুখ—যারা একদিন সন্তানের পৃথিবী ছিল—ধীরে ধীরে প্রান্তে সরে যায়। বাংলাদেশে এই প্রান্তচ্যুতি আজ এক গভীর সামাজিক সংকটের নাম: প্রবীণ মা-বাবার প্রতি সন্তানের অবহেলা।</p><p>অবহেলা সব সময় চিৎকার করে না। অনেক সময় তা নীরব, অদৃশ্য, কিন্তু গভীর। নীরব অবহেলার অদৃশ্য ক্ষতগুলো হলো: নিয়মিত খোঁজ না নেওয়া, চিকিৎসার ব্যয় বহনে অনীহা। আলাপচারিতায় অনাগ্রহ, একাকিত্বে ফেলে রাখা, মানসিক সমর্থনের অভাব ইত্যাদি। দৃশ্যমান ক্ষতগুলো হচ্ছে প্রকাশ্য অবহেলা: আলাদা ঘরে বা আলাদা বাড়িতে রেখে দেওয়া, সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, মানসিক বা শারীরিক নির্যাতন এবং বৃদ্ধাশ্রমে পাঠিয়ে দেওয়া।কেন ঘটে এই অবহেলা? </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/sjise3uy/propertyf.jpg" /><figcaption>২০২৬ সালের সংশোধনী, যেখানে মা–বাবা সন্তানদের নামে সম্পত্তি লিখে দিলেও নিজের জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন।</figcaption></figure><p>এ নিয়ে আছে নানান গবেষণা ও পর্যবেক্ষণ। ঢাকার মতো বড় শহরে কর্মচাপ, যানজট, প্রতিযোগিতা—সব মিলিয়ে মানুষের সময় কমে গেছে। শহুরে মানুষ দিনে ৯-১১ ঘণ্টা কর্মক্ষেত্রে ব্যয় করেন। চাকরি, বাসাভাড়া, সন্তানদের পড়াশোনা—সব মিলিয়ে অনেকেই মনে করেন, প্রবীণ মা-বাবার দায়িত্ব নেওয়া ‘অতিরিক্ত বোঝা’।</p><p>ইসলামে মা-বাবার প্রতি সদাচরণকে ইমানের অংশ বলা হয়েছে। কোরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমার প্রভু নির্দেশ দিয়েছেন—তোমরা তাঁর ইবাদত করো এবং মা-বাবার প্রতি সদাচরণ করো।’ (সুরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ১৭:২৩)। আমাদের সংস্কৃতিতেও মা-বাবাকে সম্মান দেওয়া ছিল এক অনিবার্য মূল্যবোধ। কিন্তু বাস্তবতা আজ সেই মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জ করছে।</p><p>বাংলাদেশে প্রবীণ মা-বাবার প্রতি সন্তানের অবহেলা শুধু একটি পারিবারিক সমস্যা নয়; এটি একটি সামাজিক সংকট। যে সমাজ তার শিকড়কে অবহেলা করে, সে সমাজের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। মা-বাবা আমাদের জীবনের প্রথম আশ্রয়, প্রথম শিক্ষক, প্রথম পথপ্রদর্শক। তাঁদের শেষ বয়সে আমরা যদি তাঁদের পাশে না দাঁড়াই, তবে মানবিকতার মৌলিক ভিত্তিই ভেঙে পড়ে। সমাধান সম্ভব, যদি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র একসঙ্গে দায়িত্ব নেয়। আর সবচেয়ে বড় দায়িত্ব—সন্তানদের হৃদয়ে মানবিকতার আলো জ্বালিয়ে রাখা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/m2pdkgbida">সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী নিয়ে কী ভাবছেন তাঁরা</a></aside><p>মানুষের জীবনে সম্পত্তি কখনো কেবল ইট-পাথরের ঘর নয়; এটি স্মৃতির আশ্রয়, সম্পর্কের ছায়া, সময়ের সঞ্চয়। আর সেই সম্পত্তি যখন উত্তরাধিকার আইনের পাতায় লেখা হয়, তখন আইন হয়ে ওঠে মানুষের জীবনের এক নীরব ইতিহাস। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক উত্তরাধিকার আইন সংশোধনী সেই ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় যোগ করেছে, যা কেবল আইনগত নয়; বরং গভীরভাবে মানবিক, সামাজিক ও ধর্মীয়।</p><p>২০২৬ সালের সংশোধনী, যেখানে মা–বাবা সন্তানদের নামে সম্পত্তি লিখে দিলেও নিজের জীবনকালীন ভোগাধিকার সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই আইন যেন এক প্রবীণ বাবা বা মায়ের কাঁপা হাতে লেখা একটি নিরাপত্তার চিঠি। কিন্তু সেই চিঠি পড়তে গিয়ে সমাজে শুরু হয়েছে বিতর্ক। ধর্মীয় আইন, দেওয়ানি আইন, পারিবারিক সম্পর্ক—সব মিলিয়ে এই সংশোধনী যেন এক নদীর দুই তীরকে একসঙ্গে ধরে রাখতে চাওয়া একটি সেতু। আর সেই সেতু নির্মাণের শব্দই আজকের বিতর্ক।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/zmraeru0pr">মায়ের গলিত লাশ, সুপ্রতিষ্ঠিত সন্তান ও সম্পত্তি আইনের ফাঁক</a></aside><p>নতুন আইনে বলা হয়েছে, একজন মা বা বাবা তাঁর সন্তানের নামে লিখে দিলেও মৃত্যুর আগপর্যন্ত সেই বাড়িতে থাকার, ব্যবহার করার এবং নিজের মতো করে বাঁচার অধিকার রাখবেন। এটি আইনগত ভাষায় জীবনকালীন ভোগাধিকার। এই ভোগাধিকার যেন এক প্রবীণ মানুষের শেষ বয়সের আশ্রয়। যেন তাঁর নিজের ঘরের দরজায় লেখা, ‘এই ঘর আমার, যত দিন আমি আছি।’আইনটি এসেছে সেই সব গল্পের প্রতিক্রিয়ায়, যেখানে সন্তানেরা সম্পত্তি পেয়ে মা–বাবাকে ভুলে যান, অবহেলা করেন, কখনো কখনো ঘর থেকে বের করে দেন। আমরা দেখেছি, অনেক ক্ষেত্রে মা–বাবা সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরই তাঁদের দুর্দশা শুরু হয়। নতুন আইন সেই দুর্দশার বিরুদ্ধে এক মানবিক প্রতিরোধ।</p><p>কিন্তু আইন যতই মানবিক হোক, ধর্মীয় বিধানের কোনো ব্যাখ্যার সঙ্গে সামান্য সংঘাতও সমাজে বড় আলোড়ন তোলে। বাংলাদেশের মুসলিম ব্যক্তিগত আইন—ফরায়েজ—উত্তরাধিকার বণ্টনের মূল ভিত্তি। হেবা, অর্থাৎ জীবিত অবস্থায় সম্পত্তি দান—ইসলামি আইনে একটি স্পষ্ট কাঠামো। কোনো কোনো গোষ্ঠী বা দল বলছে, হেবা মানে সম্পত্তি সঙ্গে সঙ্গে হস্তান্তর।</p><p>কিন্তু নতুন আইনে হস্তান্তর হলেও দাতা জীবনভর ভোগাধিকার রাখছেন। এতে হেবার মূল কাঠামো বদলে যায়। ভবিষ্যৎ উত্তরাধিকার বণ্টন জটিল হতে পারে। তাদের ভাষায়, আইনটি ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সংঘাত তৈরি করবে। সরকার বলছে, হেবা থাকবে হেবাই। নতুন আইন কেবল একটি বিকল্প পথ। এই দুই বক্তব্য যেন দুই নদীর দুই স্রোত—একটি ধর্মীয়, অন্যটির বিবেচনা মানবিক ও সামাজিক। আইন সেই দুই স্রোতের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভারসাম্য খুঁজছে।</p><p>প্রবীণ মা-বাবার প্রতি সন্তানের অবহেলা বাড়ছে। সম্পত্তি নিয়ে নেওয়ার পর মা–বাবাকে ভুলে যাওয়ার ঘটনা সাধারণ হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতা আইনকে মানবিকতার দিকে ঠেলে দিয়েছে। এই সংশোধনীকে কেবল আইন হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি আসলে এক প্রবীণ মানুষের নিঃশব্দ আর্তি, যে আর্তি বলে, ‘আমার শেষ বয়সে আমাকে আমার ঘর থেকে সরিয়ে দিয়ো না।’ এটি এক মায়ের কাঁপা কণ্ঠ, ‘আমি তোমাদের জন্য জীবন কাটিয়েছি; আমার শেষ বয়সে আমাকে একা রেখো না।’</p><p>আইন সেই কণ্ঠগুলোকে শুনেছে। কিন্তু ধর্মীয় বিধানও মানুষের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত। তাই আইন ও ধর্ম মানুষের মনে একই সঙ্গে অবহেলা ও বিধানভঙ্গ—এই দুই ধরনের ভয়ের বিষয়টিকে তুলে ধরে।</p><p>আইন সেই দুই ভয়কে একসঙ্গে শান্ত করতে চায়। এটি যেন এক সেতু, যা মানবিকতার নদীকে ধর্মীয় বিধানের তীরের সঙ্গে যুক্ত করতে চায়।</p><ul><li><p><strong>মহিউদ্দিন আহমদ</strong> লেখক ও গবেষক</p><p><em>মতামত লেখকের নিজস্ব</em></p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>ফরজ হজ পালন না করার পরিণতি ভয়ানক</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/58qodruf0y</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/58qodruf0y#comments</comments><guid isPermaLink="false">10b8a9dc-ee92-4537-b5d9-4534ac6049a0</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:22:21 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:22:21.982Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী</atom:name><atom:uri>/api/author/1431992</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কোরআন মাজিদে রয়েছে, ‘আল্লাহর তরফ থেকে সেসব মানুষের জন্য হজ ফরজ করে দেওয়া হয়েছে, যারা তা আদায়ের সামর্থ্য রাখে।’]]></description><media:keywords>মক্কা শরিফ,ইসলাম ধর্ম,পবিত্র হজ</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-11/42vsal7b/haj.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ হজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-11/42vsal7b/haj.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের অন্যতম ফরজ ইবাদত হজ। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘ইসলাম পাঁচটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত—এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া কোনো মাবুদ নেই এবং নিশ্চয়ই হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, নামাজ কায়েম করা, জাকাত প্রদান করা, হজ সম্পাদন করা ও রমজানে রোজা পালন করা।’ (বুখারি: ৭)। কোরআন মাজিদে রয়েছে, ‘আল্লাহর তরফ থেকে সেসব মানুষের জন্য হজ ফরজ করে দেওয়া হয়েছে, যারা তা আদায়ের সামর্থ্য রাখে।’ (সুরা আলে–ইমরান, আয়াত: ৯৭)</p><p>কাবাঘর পুনর্নির্মাণের পর হজরত ইব্রাহিম (আ.)-কে আল্লাহ–তাআলা বললেন, ‘আর তুমি মানুষের মধ্যে হজের ঘোষণা দাও; তারা তোমার কাছে আসবে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রপৃষ্ঠে; তারা আসবে দূরপাল্লার পথ অতিক্রম করে।’ (সুরা হজ, আয়াত: ২৭)</p><p>হজের ফজিলত সম্পর্কে প্রিয় নবীজি (সা.) বলেন, ‘হজ অতীতের সকল পাপ মুছে দেয়।’ (মুসলিম)। ‘হজ মানুষকে নিষ্পাপ করে, যেভাবে লোহার ওপর থেকে মরিচা দূর করা হয়।’ (তিরমিজি)। ‘যে ব্যক্তি যথাযথভাবে হজ পালন করে, সে পূর্বেকার পাপ থেকে এরূপ নিষ্পাপ হয়ে যায়, যেরূপ সে মাতৃগর্ভ থেকে ভূমিষ্ঠ হওয়ার দিন নিষ্পাপ ছিল।’ (বুখারি)</p><p>হজের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো তাকওয়া। আল্লাহ–তাআলা বলেন, ‘হজ হয় সুনির্দিষ্ট মাসগুলোতে; অতঃপর যে কেউ এই মাসগুলোতে হজের জন্য মনস্থির করে, তার জন্য হজের সময় স্ত্রীসম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহ-বিবাদ বিধেয় নয়। তোমরা উত্তম কাজের যা কিছু করো, আল্লাহ তা জানেন। আর তোমরা (হজের জন্য) পাথেয় ব্যবস্থা করো—তাকওয়া বা আত্মসংযমই শ্রেষ্ঠ পাথেয়। হে বোধসম্পন্ন ব্যক্তিগণ! তোমরা আমাকে ভয় করো।’ (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৯৭)</p><blockquote>জীবিত বা মৃত যেকোনো ব্যক্তির বদলি হজ করানো যায়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব অথবা পরিচিত-অপরিচিত যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির বদলি হজ করতে বা করাতে পারেন</blockquote><p>যাঁদের ওপর হজ ফরজ হয়েছে, তাঁরা যদি হজ পালন না করেন, তাঁদের বিষয়ে নবী করিম (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি হজের সামর্থ্য লাভ করার পরও হজ সম্পাদন না করে মৃত্যুবরণ করল, সে ইহুদি বা খ্রিষ্টান অবস্থায় (ইমানহারা হয়ে) মৃত্যুবরণ করলেও তার প্রতি আমার কোনো দায়দায়িত্ব নেই।’ (মুসলিম ও তিরমিজি: ৮১০-৮১২)</p><p>জ্ঞানসম্পন্ন, সাবালক ও মুমিন—যাঁরা হজের সফরের ব্যয়ের সামর্থ্য রাখেন এবং সফরকালীন পরিবারের ব্যয় নির্বাহের সংগতিও থাকে, তাঁদের ওপর হজ ফরজ হয়। ফরজ হজ পালন না করে মারা গেলে তা ইমানের পরিপন্থী, কবিরা গুনাহ ও কবরে আজাবের কারণ এবং তা অস্বীকার করা কুফরি। হজ ফরজ হলে তা পালনে কোনো অজুহাতে বিলম্ব করা উচিত নয়।</p><p>হজ সম্পাদনে শারীরিকভাবে অক্ষম হলে অন্য কাউকে দিয়ে বদলি হজ করানো জরুরি। যাঁরা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ আদায় করতে পারেননি, তাঁদের কর্তব্য হলো বদলি হজ করানো বা বদলি হজের জন্য অসিয়ত করে যাওয়া। অসিয়তকৃত বদলি হজ অসিয়তকারীর সম্পদ বণ্টনের আগে সম্পাদন করা বা এর জন্য অর্থ আলাদাভাবে রাখা ওয়ারিশদের জন্য ওয়াজিব। </p><p>অসিয়ত না করে গেলেও সব ওয়ারিশ সম্মিলিতভাবে অথবা কোনো ওয়ারিশ নিজ উদ্যোগে বা ব্যক্তিগতভাবে তা আদায় করতে বা করাতে পারবেন। এতেও মৃত ব্যক্তি দায়মুক্ত হবেন এবং বদলি হজ করনেওয়ালা ও করানেওয়ালা উভয়েই সওয়াবের অধিকারী হবেন। বদলি হজ যিনি সম্পাদন করেন, যিনি অর্থায়ন করেন এবং যাঁর জন্য হজ করা হয়, সবাই পূর্ণ হজের সওয়াব পাবেন।</p><p>জীবিত বা মৃত যেকোনো ব্যক্তির বদলি হজ করানো যায়। আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব অথবা পরিচিত-অপরিচিত যেকোনো ব্যক্তি যেকোনো ব্যক্তির বদলি হজ করতে বা করাতে পারেন। বদলি হজ আদায় করতে বা করাতে, যার জন্য বদলি হজ করা হবে বা করানো হবে, তাঁর অনুমতি বা অবগতি জরুরি নয়; তবে সম্ভব হলে তা জানানো উত্তম। নারীর বদলি হজ পুরুষ এবং পুরুষের বদলি হজ নারী পালন করতে পারবেন। যাঁর নিজের হজ ফরজ হয়ে অনাদায়ি রয়েছে, তাঁকে দিয়ে বদলি হজ করানো যাবে না। বদলি হজ আত্মীয়-অনাত্মীয়, নারী-পুরুষ যে কেউ করতে পারেন; তবে বিজ্ঞ ও পরহেজগার লোক দ্বারা করানো উত্তম।</p><ul><li><p>&nbsp;<strong>অধ্যক্ষ মুফতি মাওলানা শাঈখ মুহাম্মাদ উছমান গনী</strong></p><p>সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ জাতীয় ইমাম সমিতি; সহকারী অধ্যাপক, আহ্ছানিয়া ইনস্টিটিউট অব সুফিজম</p><p>smusmangonee@gmail.com</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>সাতছড়ির ছড়ায় পানি নেই, পুকুরও ভরাট, জাতীয় উদ্যানে প্রাণীদের ওপর কী প্রভাব পড়বে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xqp88czja2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xqp88czja2#comments</comments><guid isPermaLink="false">5399eeb9-f6b3-4aee-b9b6-0af21337f6e8</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:20:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:20:30.607Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাফিজুর রহমান	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410458</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরেজমিনে ১৪ সেপ্টেম্বর উদ্যানে দেখা যায়, সাতছড়ি বন কার্যালয়ের উত্তর দিকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ১০ শতক আয়তনের পুকুরটি ভরাট হয়ে আছে।]]></description><media:keywords>সিলেট বিভাগ,হবিগঞ্জ,প্রকৃতি,বন বিভাগ,উদ্যান</media:keywords><media:content height="1350" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1vpe4rdw/092449HABIGONJDH053520260915IMG-20260915-WA0032.jpg" width="1800"><media:title type="html"><![CDATA[ বালু–মাটিতে ভরাট হয়ে গেছে ১০ শতক আয়তনের পুকুরটি। সোমবার হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বন কার্যালয়ের পাশে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1vpe4rdw/092449HABIGONJDH053520260915IMG-20260915-WA0032.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সাতটি পাহাড়ি ছড়া থেকে বনের নাম হয়েছিল সাতছড়ি। এখন সেই ছড়াগুলোর চারটির অস্তিত্বই নেই। যে তিনটি ছড়া দৃশ্যমান, সেগুলোতেও পানির প্রবাহ নেই বললেই চলে। বনের পুকুরগুলোও বালু ও পলিমাটিতে ভরাট হয়ে গেছে। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আগামী শুষ্ক মৌসুমে সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে প্রাণীদের পানির সংকট দেখা দিতে পারে।</p><p>হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ি এলাকায় ২৪৩ হেক্টর বা প্রায় ৬০০ একরজুড়ে সাতছড়ি উদ্যান। ২০০৫ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে স্বীকৃতি পায় সাতছড়ি।</p><p>মিশ্র চিরসবুজ ও পাতাঝরা বনাঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই বনের ভেতর একসময় ছোট–বড় তিনটি পুকুর ছিল। পুকুরের টলমলে পানিতে তৃষ্ণা মেটাতে সেখানে আসত হরিণসহ নানা বন্য প্রাণী। পাহাড়ি ঢল ও বালুর স্রোতে ধীরে ধীরে দুটি পুকুর ভরাট হয়ে গেছে। বাকি পুকুরটিরও তলদেশ ভরাট হয়ে গেছে। বনের ভেতরের কয়েকটি পাহাড়ি ছড়ার অবস্থাও নাজুক। সাতছড়ির বর্তমান এই অবস্থা <em>প্রথম আলো</em>র কাছে তুলে ধরেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বিষয়টি নিয়ে পরিবেশবিশেষজ্ঞদের সঙ্গেও কথা বলেছে <em>প্রথম আলো</em>। এই প্রতিবেদকও ১৪ সেপ্টেম্বর সাতছড়ি বনের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেছেন।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সাতছড়ি বনে পানির সংকট তীব্র হলে বন্য প্রাণী লোকালয়ে চলে এলে মানুষ ও প্রাণীর মধ্যে সংঘাত বাড়তে পারে। শিকারিদের কবলেও পড়তে পারে বিপন্ন প্রাণী।</p><p>বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সাতছড়িতে রয়েছে ২০০টির বেশি প্রজাতির গাছ। শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, ডুমুর, জাম, জামরুল, বাঁশ, বেতসহ নানা প্রজাতির উদ্ভিদ এখানে রয়েছে। বনের জীববৈচিত্র্যও সমৃদ্ধ। সাতছড়িতে প্রায় ১৯৭ প্রজাতির জীবজন্তুর বসবাস। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৬ প্রজাতির উভচর। রয়েছে দেড় শতাধিক প্রজাতির পাখিও।</p><p>উল্লুক, চশমাপরা হনুমান, লজ্জাবতী বানর, মায়া হরিণ, মেছো বাঘসহ বিভিন্ন প্রাণীর আবাস এই বনে। পাখির মধ্যে ধনেশ, কাঠঠোকরা, বনমোরগ, লালমাথা ট্রগনসহ নানা প্রজাতি রয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) হবিগঞ্জ জেলা শাখার সহসভাপতি তোফাজ্জল সোহেল প্রথম আলোকে বলেন, বনের জলাধারগুলো শুধু প্রাণীর তৃষ্ণা মেটায় না, বনের স্বাভাবিক পরিবেশ, ব্যাঙ, কীটপতঙ্গের প্রজনন এবং খাদ্যের জোগানসহ পুরো বাস্তুতন্ত্রের ভিত্তি তৈরি করে। এমনিতেই সাতছ‌ড়ি‌তে পানির উৎস কম। বন্য প্রাণী ও বনের স্বার্থে পুকুর পুনঃখননসহ সংস্কার করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</p><p><strong>বালু-পলিমাটিতে ভরাট জলাধার</strong></p><p>সরেজমিনে ১৪ সেপ্টেম্বর উদ্যানে দেখা যায়, সাতছড়ি বন কার্যালয়ের উত্তর দিকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে ১০ শতক আয়তনের পুকুরটি ভরাট হয়ে আছে। উদ্যানের প্রবেশপথ থেকে পূর্ব-উত্তর দিকে ৩০০ মিটার দূরে প্রায় ১২ শতক আয়তনের পুকুরটিরও একই অবস্থা। ওয়াচ টাওয়ারের পশ্চিম দিকে বনের গহিনে ১৫ শতক আয়তনের আরেকটি পুকুর রয়েছে, সেখানে পানি আছে। দেখে বোঝা যাচ্ছে পুকুরের গভীরতা একেবারে কমে গেছে।</p><p>সাতছড়ি চা-বাগান এলাকায় বিজিবি ক্যাম্পের পাশে দিয়ে বয়ে যাওয়া ছড়া এবং সাতছড়ি টাওয়ারের পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া আরেকটি ছড়া দৃশ্যমান থাকলেও পাহাড়ি বালুতে হারিয়ে যেতে বসেছে। বনের টিপরাপল্লির সামনে থেকে বয়ে যাওয়া ছড়াটি সুরমা চা-বাগান ও নোয়াপাড়া চা-বাগান হয়ে সুতাং নদে গিয়ে মিশেছে। এটি বনের বড় ছড়া হিসেবে পরিচিত। সেটিও প্রায় শুকিয়ে গেছে।</p><p>সাতছড়ি টিপরাপল্লির প্রধান এবং বাংলাদেশ টিপরা কল্যাণ সংঘের সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি চিত্ত রঞ্জন বর্মা <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, সাতছড়ির নামকরণ হয়েছিল সাতটি ছড়া থেকে। এখন সেই সাতটি ছড়ার মধ্যে দু–তিনটির অস্তিত্ব থাকলেও পানি নেই বলেই চলে। বৃষ্টি হলে ছড়াগুলোতে এক-দুই ঘণ্টা পানি দৃশ্যমান থাকলেও পরে শুকিয়ে যায়।</p><p>সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের দায়িত্বে থাকা মৌলভীবাজারের বন্য প্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা মির্জা মেহেদী সরোয়ার গত জুলাই মাসে বন বিভাগে একটি প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। এতে তিনি উল্লেখ করেন, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের কয়েকটি জলাধার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে বন্য প্রাণীর পানির সংকট দেখা দেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জলাধারগুলোর পানি ধারণক্ষমতা পুনরুদ্ধার, বিকল্প পানির উৎস স্থাপনে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।</p><p>জাতীয় এই উদ্যানে আরও পুকুর খননের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন বন বিভাগের সাতছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা মোবারক হোসেন। তিনি <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, জলাধারগুলোর বর্তমান পরিস্থিতি বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।</p><p>বন বিভা‌গের কর্মকর্তারা বলছেন, সাতছড়ির জলাধার পুনঃখনন শুধু বন্য প্রাণীর পানি সরবরাহের বিষয় নয়; এটি পুরো বনের প্রতিবেশ রক্ষার সঙ্গে জড়িত। একটি বনের গাছপালা, মাটি, পানি, পাখি, কীটপতঙ্গ, উভচর ও স্তন্যপায়ী প্রাণী পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল।</p><p>বনে পানির ব্যবস্থা না থাকলে আশপাশের মানুষও সংকটে পড়বেন। বনের চাকলাপুঞ্জি এলাকার বাসিন্দা মনির মিয়া বলেন, বনের ভেতরে পানি থাকলে সব প্রাণী সেখানেই থাকে। পানি না থাকলে সেগুলো লোকালয়ের দিকে চলে আসতে পারে। এতে প্রাণীগুলো যেমন বিপদে পড়বে, তেমনি মানুষও আতঙ্কে থাকবে।</p><p><strong>বনে পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করতে হবে</strong></p><p>সম্প্রতি সিলেট বিভাগের বিভিন্ন বনাঞ্চল ঘুরে এসেছেন বন্য প্রাণী, চিড়িয়াখানা ও সাফারি পার্কের বিশেষজ্ঞ রেজা খান। সাতছড়ি বনের পানির উৎসের বিষয়ে তিনি <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, সিলেট বিভাগের বনগুলোর মধ্যে এখন সবচেয়ে কম ছড়া দেখা যায় সাতছড়িতে। বনের রেস্টহাউসের পাশ দিয়ে যাওয়া ছড়াটি ছিল প্রধান ছড়া। সেটিও এখন মরা ছড়ায় পরিণত হয়েছে। পাশাপাশি বনের ভেতরে থাকা পুকুরগুলো রক্ষণাবেক্ষণ না করায় সেগুলোও ভরাট হয়ে গেছে।</p><p>বনের আশপাশের এলাকা থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু-পাথর উত্তোলনের কারণে সৃষ্ট ভূমিক্ষয় থেকে জলাধারগুলো ভরাট হয়ে গেছে বলে জানান রেজা খান। তিনি বলেন, শুষ্ক মৌসুমে প্রাণীদের পানির চাহিদা মেটাতে সাতছড়ি বনের পুকুরগুলো সংস্কার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি বনের পরিবেশের ক্ষতি না করে আরও কয়েকটি পুকুর খনন করা দরকার। পুকুরগুলোর পাড় খাড়া না করে এমনভাবে ঢালু করা করা উচিত, যাতে বিভিন্ন প্রাণী সহজেই পানির কাছে পৌছাতে পারে। পুকুরগুলোতে যাতে সারা বছর পানি থাকে, সেটিও নিশ্চিত করা জরুরি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এক বছরের মধ্যেই বিয়ের আশ্বাস, ১৮ লাখ মানুষ মাত্র ৩ ঘন্টায় হাতে লাগিয়ে শেষ করল ৩৫০০ কেজি মেহেদি</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/sxwavbu02c</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/sxwavbu02c#comments</comments><guid isPermaLink="false">ab4d9c20-2bf7-469a-bc7b-993b343f1e1d</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:19:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:19:31.898Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিয়ের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে! সাম্প্রতিক এক ভাইরাল ঘটনায় এক বছরের মধ্যে বিয়ের আশ্বাসে ১৮ লাখ  মানুষ মাত্র ৩ ঘন্টায় হাতে লাগিয়ে শেষ করল ৩৫০০ কেজি মেহেদি। ]]></description><media:keywords>ভারত,মন্দির,ভাইরাল,বিয়ে</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/9byh0cjf/mehedi4325346.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/9byh0cjf/mehedi4325346.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিয়ের জন্য মানুষ কত কিছুই না করে! সাম্প্রতিক এক ভাইরাল ঘটনায় এক বছরের মধ্যে বিয়ের আশ্বাসে ১৮ লাখ  মানুষ মাত্র ৩ ঘন্টায় হাতে লাগিয়ে শেষ করল ৩৫০০ কেজি মেহেদি। </p><p>বিয়ে হবে—এমন বিশ্বাসে মেহেদি নিতে ছুটে এসেছেন লাখো মানুষ। কারও হাতে বিয়ের মেহেদি ওঠেনি। অনেকেরই আবার দীর্ঘদিনের অপেক্ষা। </p><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/DdQpub7ypQ9/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/DdQpub7ypQ9/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/DdQpub7ypQ9/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by HINDUSTAN (@hindustan)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/n317xw7k/dailyhuntapp178938815339859991345286207572536514776.jpg" /><figcaption>বিয়ে হবে—এমন বিশ্বাসে মেহেদি নিতে ছুটে এসেছেন লাখো মানুষ</figcaption></figure><p>সেই অপেক্ষার অবসান ঘটবে পবিত্র মেহেদিতে-সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন বিশ্বাসেই ভারতের রাজস্থানের জয়পুরের একটি মন্দিরে তৈরি হয়েছিল নজিরবিহীন ভিড়। মাত্র তিন ঘণ্টায় বিতরণ হয়ে গেছে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেজি মেহেদি। ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরের মোতি ডুংরি গণেশ মন্দিরে। </p><p>সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ সিনজারা উৎসব উপলক্ষে সেখানে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এই মেহেদি। রাজস্থানের সোজাত থেকে আনা হয়েছিল প্রায় ৩ হাজার ৫০০ কেজি বা সাড়ে তিন টন মেহেদি। বিপুলসংখ্যক মানুষের চাহিদায় মাত্র তিন ঘণ্টার মধ্যেই পুরো মেহেদি শেষ হয়ে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1pgbc4ez/indiansbuzz1789486600398682460898341439255052221296w.jpg" /><figcaption> এ সময় মন্দিরে ভিড় করেছিলেন প্রায় ১৮ লাখ ভক্ত ও দর্শনার্থী</figcaption></figure><p>বিভিন্ন প্রতিবেদন ও হিসাব অনুযায়ী, এ সময় মন্দিরে ভিড় করেছিলেন প্রায় ১৮ লাখ ভক্ত ও দর্শনার্থী। শুধু জয়পুর বা আশপাশের এলাকা থেকেই নয়, দিল্লি, চণ্ডীগড়, গুজরাট, মহারাষ্ট্র, পুনে, ইন্দোর, ভোপাল ও আগ্রাসহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে ছুটে আসেন।</p><p>এই আয়োজনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে একটি বিশেষ ধর্মীয় বিশ্বাস। এই মেহেদি প্রসাদ হিসেবে ভক্তদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। তবে এই মেহেদিকে ঘিরে মানুষের আগ্রহের পেছনে ধর্মীয় বিশ্বাসের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেরও বড় ভূমিকা ছিল।</p><figure><blockquote class="instagram-media" data-instgrm-captioned data-instgrm-permalink="https://www.instagram.com/reel/DdGHYSkpWyr/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" data-instgrm-version="14" style=" background:#FFF; border:0; border-radius:3px; box-shadow:0 0 1px 0 rgba(0,0,0,0.5),0 1px 10px 0 rgba(0,0,0,0.15); margin: 1px; max-width:540px; min-width:326px; padding:0; width:99.375%; width:-webkit-calc(100% - 2px); width:calc(100% - 2px);"><div style="padding:16px;"> <a href="https://www.instagram.com/reel/DdGHYSkpWyr/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" background:#FFFFFF; line-height:0; padding:0 0; text-align:center; text-decoration:none; width:100%;" target="_blank"> <div style=" display: flex; flex-direction: row; align-items: center;"> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 40px; margin-right: 14px; width: 40px;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 100px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 60px;"></div></div></div><div style="padding: 19% 0;"></div> <div style="display:block; height:50px; margin:0 auto 12px; width:50px;"><svg width="50px" height="50px" viewBox="0 0 60 60" version="1.1" xmlns="https://www.w3.org/2000/svg" xmlns:xlink="https://www.w3.org/1999/xlink"><g stroke="none" stroke-width="1" fill="none" fill-rule="evenodd"><g transform="translate(-511.000000, -20.000000)" fill="#000000"><g><path d="M556.869,30.41 C554.814,30.41 553.148,32.076 553.148,34.131 C553.148,36.186 554.814,37.852 556.869,37.852 C558.924,37.852 560.59,36.186 560.59,34.131 C560.59,32.076 558.924,30.41 556.869,30.41 M541,60.657 C535.114,60.657 530.342,55.887 530.342,50 C530.342,44.114 535.114,39.342 541,39.342 C546.887,39.342 551.658,44.114 551.658,50 C551.658,55.887 546.887,60.657 541,60.657 M541,33.886 C532.1,33.886 524.886,41.1 524.886,50 C524.886,58.899 532.1,66.113 541,66.113 C549.9,66.113 557.115,58.899 557.115,50 C557.115,41.1 549.9,33.886 541,33.886 M565.378,62.101 C565.244,65.022 564.756,66.606 564.346,67.663 C563.803,69.06 563.154,70.057 562.106,71.106 C561.058,72.155 560.06,72.803 558.662,73.347 C557.607,73.757 556.021,74.244 553.102,74.378 C549.944,74.521 548.997,74.552 541,74.552 C533.003,74.552 532.056,74.521 528.898,74.378 C525.979,74.244 524.393,73.757 523.338,73.347 C521.94,72.803 520.942,72.155 519.894,71.106 C518.846,70.057 518.197,69.06 517.654,67.663 C517.244,66.606 516.755,65.022 516.623,62.101 C516.479,58.943 516.448,57.996 516.448,50 C516.448,42.003 516.479,41.056 516.623,37.899 C516.755,34.978 517.244,33.391 517.654,32.338 C518.197,30.938 518.846,29.942 519.894,28.894 C520.942,27.846 521.94,27.196 523.338,26.654 C524.393,26.244 525.979,25.756 528.898,25.623 C532.057,25.479 533.004,25.448 541,25.448 C548.997,25.448 549.943,25.479 553.102,25.623 C556.021,25.756 557.607,26.244 558.662,26.654 C560.06,27.196 561.058,27.846 562.106,28.894 C563.154,29.942 563.803,30.938 564.346,32.338 C564.756,33.391 565.244,34.978 565.378,37.899 C565.522,41.056 565.552,42.003 565.552,50 C565.552,57.996 565.522,58.943 565.378,62.101 M570.82,37.631 C570.674,34.438 570.167,32.258 569.425,30.349 C568.659,28.377 567.633,26.702 565.965,25.035 C564.297,23.368 562.623,22.342 560.652,21.575 C558.743,20.834 556.562,20.326 553.369,20.18 C550.169,20.033 549.148,20 541,20 C532.853,20 531.831,20.033 528.631,20.18 C525.438,20.326 523.257,20.834 521.349,21.575 C519.376,22.342 517.703,23.368 516.035,25.035 C514.368,26.702 513.342,28.377 512.574,30.349 C511.834,32.258 511.326,34.438 511.181,37.631 C511.035,40.831 511,41.851 511,50 C511,58.147 511.035,59.17 511.181,62.369 C511.326,65.562 511.834,67.743 512.574,69.651 C513.342,71.625 514.368,73.296 516.035,74.965 C517.703,76.634 519.376,77.658 521.349,78.425 C523.257,79.167 525.438,79.673 528.631,79.82 C531.831,79.965 532.853,80.001 541,80.001 C549.148,80.001 550.169,79.965 553.369,79.82 C556.562,79.673 558.743,79.167 560.652,78.425 C562.623,77.658 564.297,76.634 565.965,74.965 C567.633,73.296 568.659,71.625 569.425,69.651 C570.167,67.743 570.674,65.562 570.82,62.369 C570.966,59.17 571,58.147 571,50 C571,41.851 570.966,40.831 570.82,37.631"></path></g></g></g></svg></div><div style="padding-top: 8px;"> <div style=" color:#3897f0; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:550; line-height:18px;">View this post on Instagram</div></div><div style="padding: 12.5% 0;"></div> <div style="display: flex; flex-direction: row; margin-bottom: 14px; align-items: center;"><div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(0px) translateY(7px);"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; height: 12.5px; transform: rotate(-45deg) translateX(3px) translateY(1px); width: 12.5px; flex-grow: 0; margin-right: 14px; margin-left: 2px;"></div> <div style="background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; height: 12.5px; width: 12.5px; transform: translateX(9px) translateY(-18px);"></div></div><div style="margin-left: 8px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 50%; flex-grow: 0; height: 20px; width: 20px;"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 2px solid transparent; border-left: 6px solid #f4f4f4; border-bottom: 2px solid transparent; transform: translateX(16px) translateY(-4px) rotate(30deg)"></div></div><div style="margin-left: auto;"> <div style=" width: 0px; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-right: 8px solid transparent; transform: translateY(16px);"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; flex-grow: 0; height: 12px; width: 16px; transform: translateY(-4px);"></div> <div style=" width: 0; height: 0; border-top: 8px solid #F4F4F4; border-left: 8px solid transparent; transform: translateY(-4px) translateX(8px);"></div></div></div> <div style="display: flex; flex-direction: column; flex-grow: 1; justify-content: center; margin-bottom: 24px;"> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; margin-bottom: 6px; width: 224px;"></div> <div style=" background-color: #F4F4F4; border-radius: 4px; flex-grow: 0; height: 14px; width: 144px;"></div></div></a><p style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; line-height:17px; margin-bottom:0; margin-top:8px; overflow:hidden; padding:8px 0 7px; text-align:center; text-overflow:ellipsis; white-space:nowrap;"><a href="https://www.instagram.com/reel/DdGHYSkpWyr/?utm_source=ig_embed&amp;utm_campaign=loading" style=" color:#c9c8cd; font-family:Arial,sans-serif; font-size:14px; font-style:normal; font-weight:normal; line-height:17px; text-decoration:none;" target="_blank">A post shared by Aapnu Jaipur (@aapnu.jaipur)</a></p></div></blockquote>
<script async src="//www.instagram.com/embed.js"></script></figure><p>বিভিন্ন রিলস ও ভিডিওতে ছড়িয়ে পড়ে, এই মেহেদি হাতে লাগালে বিয়ের বাধা দূর হতে পারে। এমনকি ছয় থেকে বারো মাসের মধ্যে বিয়ে হয়ে যাবে, এমন বিশ্বাসও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর অবিবাহিত নারী-পুরুষের পাশাপাশি তাঁদের পরিবারের সদস্যরাও মেহেদি সংগ্রহের আশায় মন্দিরে আসতে শুরু করেন।</p><p>কেউ হয়তো নিজের বিয়ের অপেক্ষায়, কেউ আবার সন্তানের বিয়ের আশায়—এই বিশ্বাসকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয় বিশাল জনসমাগম। মানুষের ঢলে মন্দিরসংলগ্ন এলাকায় তীব্র যানজট দেখা দেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/lawf1uio/indiansbuzz1789486600398682461331307584655052221296.jpg" /><figcaption>বিকেল হওয়ার আগেই মেহেদির মজুত শেষ হয়ে যায়</figcaption></figure><p> এমডি রোড ও জিএলএন রোডসহ স্থানীয় সড়কগুলোতে যান চলাচল ব্যাহত হয়। চাহিদা এতটাই বেশি ছিল যে বিকেল হওয়ার আগেই মেহেদির মজুত শেষ হয়ে যায়। ফলে অনেক মানুষ দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মন্দিরে এসেও শেষ পর্যন্ত খালি হাতে ফিরে যান।</p><p>মেহেদি ভারতীয় উপমহাদেশের বিয়ে ও নানা উৎসবের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই জড়িয়ে আছে। বিয়ের আগে হাতে মেহেদি পরার রীতি শুধু সাজসজ্জার বিষয় নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিশ্বাস। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/4yt0l858/indiansbuzz1789486600398682461301935161355052221296d.jpg" /><figcaption>এই আয়োজন সেই পরিচিত মেহেদিকেই নতুন করে আলোচনায় এনেছে</figcaption></figure><p>জয়পুরের এই আয়োজন সেই পরিচিত মেহেদিকেই নতুন করে আলোচনায় এনেছে—যেখানে বিয়ের আকাঙ্ক্ষা, ধর্মীয় বিশ্বাস আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচার মিলেমিশে তৈরি করেছে লাখো মানুষের এক ব্যতিক্রমী সমাগম।</p><p><strong>সূত্র</strong>: দ্য নিউ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস</p><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম</p>]]></content:encoded></item><item><title>এশিয়ান গেমসেও সেমিফাইনালে বাংলাদেশ–ভারত মুখোমুখি</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/1dbzy9ir5q</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/1dbzy9ir5q#comments</comments><guid isPermaLink="false">7521083c-7bcc-45ca-8c79-c2d990a1ae3c</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:19:14 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:19:14.608Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাপানের করোগি স্পোর্টস পার্কে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকদের নারী ক্রিকেট দল তুলেছিল মাত্র ৫৭ রান। ]]></description><media:keywords>ভারত নারী ক্রিকেট দল,বাংলাদেশ মেয়েদের ক্রিকেট দল,এশিয়ান গেমস</media:keywords><media:content height="812" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/jlm8acg0/422381.webp" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে বাংলাদেশকে হারিয়েছিল ভারত]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/jlm8acg0/422381.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এমনটাই হওয়ার কথা ছিল। ক্রিকেটে ভারতের সঙ্গে তো আর জাপানের জেতার কথা নয়। এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ক্রিকেট ইভেন্টে আজ কোয়ার্টার ফাইনালে বড় ব্যবধানেই জাপানকে হারিয়েছে ভারত।</p><p>জাপানের করোগি স্পোর্টস পার্কে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকদের নারী ক্রিকেট দল তুলেছিল মাত্র ৫৭ রান। ভারতের মেয়েরা এই রান তাড়া করেছে মাত্র ৫ ওভারে, ২ উইকেট হারিয়ে। ৮ উইকেটের এই জয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ভারত।</p><p>ভারত সেমিফাইনালে ওঠায় এবার তাদের বিপক্ষে খেলতে হবে বাংলাদেশকে। ২০ সেপ্টেম্বর সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দুই দল। একই দিন অন্য সেমিফাইনালে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে শ্রীলঙ্কা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/4uz55m6y/HSeQS9Fb0AAQZp2.jpg" /><figcaption>ভারত টসে জিতে জাপানকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছিল</figcaption></figure><p>কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ ছিল চীন। তবে ভেজা আউটফিল্ডের কারণে ম্যাচটি পরিত্যক্ত হয়। টি–টুয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় সেমিফাইনালে ওঠে নিগার সুলতানার দল। টি–টুয়েন্টি র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ ১০ নম্বরে, চীন ৩৬ নম্বরে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/mbu0gjzkp7">ভেজা আউটফিল্ডে ম্যাচ পরিত্যক্ত, সেমিফাইনালে বাংলাদেশ</a></aside><p>ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াই অবশ্য নতুন নয়। এক সপ্তাহ আগেই এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছিল ৪০ রানে।</p><p>আগে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল ১৪৯ রান। জবাবে বাংলাদেশের ইনিংস থেমেছিল ৭ উইকেটে ১০৯ রানে। এবার এশিয়ান গেমসের সেমিফাইনালে আবারও মুখোমুখি হওয়ায় সেই ম্যাচের ফল বদলে নতুন গল্প লেখার সুযোগও নিগার সুলতানাদের সামনে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আসিয়ান কাপে খেলতে ইন্দোনেশিয়া যাচ্ছেন কোন ২৩ ফুটবলার</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/73r2xmz09p</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/73r2xmz09p#comments</comments><guid isPermaLink="false">bfed8343-f3cf-4e55-a679-5f5459d77e32</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:15:37 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:15:37.655Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ফিফা আসিয়ান কাপের স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া ও হংকং। বাংলাদেশ আসিয়ান কাপে খেলবে ইন্দোনেশিয়ায়। স্কোয়াড এরই মধ্যে চূড়ান্ত করছেন বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলি।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ ফুটবল দল,টমাস ডুলি,ফিফা আসিয়ান কাপ</media:keywords><media:content height="719" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/qghfeka5/WhatsApp-Image-2026-09-18-at-12.53.59-PM.jpeg" width="1080"><media:title type="html"><![CDATA[ আসিয়ান কাপের ক্যাম্পে অনুশীলনে খেলোয়াড়রা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/qghfeka5/WhatsApp-Image-2026-09-18-at-12.53.59-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো শুরু হবে ফিফা আসিয়ান কাপ। ইন্দোনেশিয়া ও হংকংয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ খেলবে ইন্দোনেশিয়ায়। সে জন্য আগামীকাল দেশ ছাড়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। তবে কয়েকজনের ভিসা নিয়ে জটিলতায় দু-এক দিন পেছাতে পারে ইন্দোনেশিয়া সফর।</p><p>টুর্নামেন্টের আগে এখন আলোচনা ২৩ সদস্যের চূড়ান্ত স্কোয়াড নিয়ে। আজ কিংবা আগামীকালের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দল ঘোষণা করা হতে পারে। জাতীয় দলের একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নিয়েই চূড়ান্ত স্কোয়াড সাজিয়েছেন কোচ টমাস ডুলি।</p><p>‎‎২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জাতীয় দলে অভিষেক হয়েছিল সেন্টারব্যাক মঞ্জুরুর রহমানের। দীর্ঘ সময় পর আবারও জাতীয় দলে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে তাঁর। ‎প্রবাসী খেলোয়াড়দের মধ্যে ট্রায়ালে অংশ নিয়েছিলেন ইয়াসার তাহমিদ, দেবজিৎ সরকার, সাইফ কেরাওয়ালা, শুকি ইতোফুসা, জিদান ইউসুফ ও ইউসুফ আহমেদ। তাঁদের মধ্যে ইয়াসার ও দেবজিৎকে এরই মধ্যে ক্যাম্প থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/0pzv6q1i/WhatsApp-Image-2026-09-18-at-12.53.59-PM-1.jpeg" /><figcaption>বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলি</figcaption></figure><p>বাকি চারজনের মধ্যে চূড়ান্ত দলে জায়গা পাওয়ার লড়াইয়ে এগিয়ে আছেন শুকি ইতোফুসা ও জিদান ইউসুফ। ইংল্যান্ডের বোরহ্যাম উড এফসিতে খেলা ফারহান আলীকেও চূড়ান্ত দলে দেখা যেতে পারে।</p><p>‎ঢাকায় দলের ক্যাম্পে না থাকলেও ইন্দোনেশিয়ায় গিয়ে দলের সঙ্গে যোগ দেবেন হামজা চৌধুরী ও শমিত সোম। তাঁদের অন্তর্ভুক্তি দলের মাঝমাঠে অভিজ্ঞতা বাড়াবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/gm1yvd95h4">এবার দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোল হজম বাংলাদেশের</a></aside><p>‎আসিয়ান কাপে বাংলাদেশ খেলবে ডিভিশন-১-এর ‘এ’ গ্রুপে। এই গ্রুপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর। ২৫ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে আসিয়ান কাপ অভিযান শুরু করবে বাংলাদেশ। এরপর ২৮ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে খেলবে ডুলির দল। গ্রুপ পর্বে শেষ ম্যাচে ১ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়া। ‎তিনটি ম্যাচই হবে জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে। ম্যাচগুলো দেখা যাবে টি স্পোর্টসে।</p><blockquote>বাংলাদেশের সম্ভাব্য স্কোয়াড:‎‎গোলকিপার: মিতুল মারমা, মেহেদী হাসান শ্রাবণ ও সুজন হোসেন।‎ ‎ডিফেন্ডার : তারিক কাজী, তপু বর্মন, শাকিল আহাদ, সাদ উদ্দিন, জায়ান আহমেদ, শাকিল হোসেন/জিদান ইউসুফ, মঞ্জুরুর রহমান ও রহমত মিয়া।‎ ‎মিডফিল্ডার: জামাল ভূঁইয়া, সোহেল রানা, মোহাম্মদ সোহেল রানা, মোহাম্মদ হৃদয়, হামজা চৌধুরী, শমিত সোম ও শেখ মোরছালিন।‎ ‎ফরোয়ার্ড: ফাহামিদুল ইসলাম, শুকি ইতোফুসা, রাকিব হোসেন, ফারহান আলী ও ফয়সাল আহমেদ/মিনহাজুল করিম।</blockquote><p>‎গ্রুপ পর্ব শেষ হওয়ার পরও ডিভিশন-১-এর প্রতিটি দলের একটি করে ম্যাচ থাকবে। ‘এ’ ও ‘বি’ গ্রুপে কোন দল কোথায় অবস্থান করছে, তার ওপর নির্ভর করবে সেই ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বাড়তি গ্যাসের দুই ভাগ শিল্পে, এক ভাগ যাচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/2lkc188p0i</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/2lkc188p0i#comments</comments><guid isPermaLink="false">9587f5a8-266a-4797-a9a8-0f457cf9d889</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:03:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:03:01.787Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মহিউদ্দিন</atom:name><atom:uri>/api/author/1437243</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ শিল্পে অগ্রাধিকার দিয়ে ৩০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। এর মধ্যে ১০ কোটি ঘনফুট যাচ্ছে বিদ্যুৎ খাতে।]]></description><media:keywords>বিশেষ সংবাদ,লোডশেডিং,গ্যাস সংকট,জ্বালানী সংকট</media:keywords><media:content height="2278" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/608maoam/SYLHETDH072020260917NARSINGDI-FACTORY-GAS-3.JPG" width="3810"><media:title type="html"><![CDATA[ গ্যাসের সংকট কাটতে শুরু করেছে। শিল্পকারখানার শ্রমিকেরা এখন উৎপাদনে ব্যস্ত। গতকাল নরসিংদী শহরের চৌয়ালা এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/608maoam/SYLHETDH072020260917NARSINGDI-FACTORY-GAS-3.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রায় দুই মাস পর আগের মতো স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে গ্যাস সরবরাহ। শিল্পে অগ্রাধিকার দিয়ে তিন দিন ধরে দেশে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। বাড়তি গ্যাসের তিন ভাগের এক ভাগ বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ করা হচ্ছে। বাকি দুই ভাগ শিল্প খাতে।</p><p>পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে দেশি গ্যাসক্ষেত্র থেকে উৎপাদন করা হয়েছে ১৬১ কোটি ঘনফুট। আর এলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ৯৯ কোটি ঘনফুট।</p><p>এর আগে গত ২১ জুলাই মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে দিনে সরবরাহ নেমে এসেছিল ২২০ কোটি ঘনফুটে। ১৫ আগস্ট টার্মিনাল চালুর পর সরবরাহ বাড়িয়ে ২৩২ কোটি ঘনফুট করা হয়। এখন এটি আরও বাড়িয়ে আগের অবস্থায় নেওয়া হচ্ছে। গত মঙ্গলবার এলএনজি থেকে ১০১ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করায় মোট সরবরাহ ২৬৩ কোটি ঘনফুট হয়েছিল।</p><blockquote>জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ানোর পর সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প গ্রাহকদের। বাড়তি গ্যাসের অধিকাংশ যাচ্ছে শিল্প খাতে</blockquote><p>সোমবার ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। ওই অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার থেকে শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ঘোষণা দেন তিনি। যদিও সোমবার রাত থেকেই প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয়।</p><p>জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ানোর পর সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে শিল্প গ্রাহকদের। বাড়তি গ্যাসের অধিকাংশ যাচ্ছে শিল্প খাতে। বাগেরহাটের রামপাল ও পটুয়াখালীর পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি করে ইউনিট কারিগরি কারণে বন্ধ আছে। তাই চলমান লোডশেডিং কমাতে বিদ্যুৎ খাতেও গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়ানো হয়েছে। এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন বেড়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/fwvuuht86b">গ্যাস পেলে সংকট কেটে যাবে, সারের ঘাটতি থাকবে না: শিল্প উপদেষ্টা</a></aside><p>তবে গ্যাস বিতরণ সংস্থা ও ব্যবসায়ী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিরা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুসারে বাড়তি গ্যাসের পুরোটা শিল্পে সরবরাহ করা হয়নি। বুধবার এটি জানিয়ে রপ্তানি খাতের তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের চারটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সঞ্চালন কোম্পানি জিটিসিএলকে একটি যৌথ চিঠি দেওয়া হয়েছে। সংগঠনগুলো হলো বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ এবং বিটিটিএলএমইএ। চিঠিতে বলা বলা হয়, দেশের সবচেয়ে বড় বিতরণ সংস্থা তিতাস গ্যাসকে শিল্প খাতের চাহিদার চেয়ে ৩০ শতাংশ কম সরবরাহ করা হচ্ছে। আর অন্য বিতরণ সংস্থাগুলোকে প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়তি সরবরাহ করা হচ্ছে। তাঁরা দ্রুত তিতাস এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর দাবি জানান চিঠিতে।</p><blockquote>শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে আগের মতো সরবরাহ করতে পারছে না তিতাস। ফলে শিল্পের পাশাপাশি আবাসিকে রান্নার কাজেও ভোগান্তি শেষ হয়নি গ্রাহকের।</blockquote><p>ঢাকা, সাভার, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর ও ময়মনসিংহ এলাকায় গ্যাস সরবরাহ করে তিতাস। এ সংস্থার দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, গত ২১ জুলাইয়ের আগে তিতাসকে মোট ১৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ৩০ কোটি ঘনফুট, সার কারখানায় ৭ কোটি ঘনফুট, শিল্পসহ অন্যান্য খাতে ১১৩ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়। আর গতকাল তিতাস পেয়েছে ১৩৭ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে বিদ্যুৎ খাতে ২২ কোটি ঘনফুট, সারে ৭ কোটি ঘনফুট, শিল্পসহ অন্যান্য খাতে সরবরাহ করা হয়েছে ১০৮ কোটি ঘনফুট। তার মানে শিল্প, আবাসিক ও সিএনজি খাতে আগের মতো সরবরাহ করতে পারছে না তিতাস। ফলে শিল্পের পাশাপাশি আবাসিকে রান্নার কাজেও ভোগান্তি শেষ হয়নি গ্রাহকের।</p><p>পেট্রোবাংলা ও তিতাস সূত্র বলছে, ময়মনসিংহের ভালুকা শিল্প এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ আগের ধারায় ফিরেছে। নারায়ণগঞ্জের অধিকাংশ এলাকায় সরবরাহ বেড়েছে, কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ এখনো কম। সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুরের চন্দ্রা, সফিপুর ও কোনাবাড়ী এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ তেমন বাড়ানো যায়নি। নরসিংদীর কিছু এলাকায় ভালো, আর কিছু এলাকায় গ্যাস তেমন বাড়েনি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/h0ny23crwa">গ্যাসের সরবরাহ বেড়েছে, অগ্রাধিকারে শিল্প খাত, লোডশেডিং কিছুটা কমেছে</a></aside><p>বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল প্রথম আলোকে বলেন, গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকেও পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ধীরে ধীরে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসছে। পরিকল্পনা অনুসারে শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে। আজ থেকে শিল্পে সরবরাহ আরও স্বাভাবিক হবে। এরপর দুটি কয়লাবিদ্যুৎকেন্দ্র (পায়রা ও রামপাল) থেকে উৎপাদন বাড়লে শিল্প খাতে গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়ানোর চেষ্টা করা হবে।</p><blockquote>সাভার, আশুলিয়া, গাজীপুরের চন্দ্রা, সফিপুর ও কোনাবাড়ী এলাকায় গ্যাসের সরবরাহ তেমন বাড়ানো যায়নি। নরসিংদীর কিছু এলাকায় ভালো, আর কিছু এলাকায় গ্যাস তেমন বাড়েনি।</blockquote><h3>উৎপাদনে ফিরছে শিল্পকারখানা

</h3><p>ঢাকার সাভার উপজেলার বিভিন্ন এলাকার শিল্পকারখানাগুলোয় গ্যাসের সরবরাহ কোথাও বেড়েছে, কোথাও অপরিবর্তিত রয়েছে। আশুলিয়ার বাইপাইল–সংলগ্ন ফাউন্টেন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক (মানবসম্পদ) আশিকুল ইসলাম গতকাল দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে গ্যাসের চাপ কমপক্ষে ৭–৮ পিএসআই (প্রতি বর্গ ইঞ্চি) থাকতে হয়। দুই মাস ধরে ১ থেকে দেড় পিএসআই ছিল। গত বুধবার সর্বোচ্চ সোয়া ৫ পিএসআই, বৃহস্পতিবার ৭ পিএসআই পাওয়া গেছে।</p><p>নারায়ণগঞ্জের শিল্পকারখানাগুলোয় গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। এতে অনেক কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে এখনো কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। সদর উপজেলার ফতুল্লার কায়েমপুর এলাকায় অবস্থিত বৃহৎ ফকির নিটওয়্যার লিমিটেডে। এই প্রতিষ্ঠানে পাইপলাইনে গ্যাসের চাপ ৫–৬ পিএসআই পাওয়া যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি ২৪ ঘণ্টা উৎপাদন চালাতে পারছে।</p><p>একই শিল্পনগরীতে ফেয়ার অ্যাপারেলস লিমিটেডে ডাইং কারখানার মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ মাসুম প্রথম আলোকে বলেন, আগের তুলনায় গ্যাসের চাপ বেড়েছে। টানা উৎপাদনকাজ চালাতে পারছেন তাঁরা।</p><blockquote>নারায়ণগঞ্জের শিল্পকারখানাগুলোয় গ্যাসের চাপ কিছুটা বেড়েছে। এতে অনেক কারখানায় উৎপাদন স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে এখনো কিছু এলাকায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।</blockquote><p>সারা দেশে মোট কাপড়ের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশ উৎপাদিত হয় নরসিংদীতে। ছোট-বড় তিন হাজারের বেশি শিল্পকারখানা রয়েছে এই জেলায়। প্রায় দুই মাস ভোগান্তির পর জেলার শিল্পকারখানাগুলোয় গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। মাধবদীর এমএমকে ডাইংয়ের স্বত্বাধিকারী মোমেন মোল্লা জানান, গ্যাসের সমস্যা এখন আর নেই, তবে বিদ্যুতের সমস্যা রয়ে গেছে।</p><p>নরসিংদী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি রাশেদুল হাসান বলেন, গ্যাসের অভাবে কোনো শিল্পকারখানাই এখন বন্ধ নেই। গ্যাস পরিস্থিতি আগের অবস্থায় ফিরেছে, এটি ধরে রাখতে হবে।</p><p>গাজীপুরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিল্পকারখানা রয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজারের বেশি পোশাক কারখানা। গাজীপুরে গ্যাসের চাপ কিছুটা বাড়ার পর কারখানায় উৎপাদনে গতি ফিরেছে। কোনো কারখানায় উৎপাদন ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে। টাওয়েল টেক্সের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার ওমর ফারুক বলেন, গ্যাসের চাপ বাড়ায় কারখানায় উৎপাদন আগের তুলনায় বেড়েছে।</p><h3>কিছু এলাকায় গ্যাসের চাপ এখনো কম

</h3><p>গতকাল দুপুরে সাভারের কলমা এলাকার উইন্টার ড্রেস লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক মো. রফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, উৎপাদনের জন্য গ্যাসের চাপ অন্তত ৫ পিএসআই প্রয়োজন। গতকালও এই চাপে গ্যাস আসেনি। বয়লার বন্ধ রাখতে হয়েছে।</p><p>তিতাস গ্যাস অ্যান্ড ট্রান্সমিশন ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি পিএলসির উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (গাজীপুর) সাখাওয়াত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ধীরে ধীরে সাভার উপজেলায় গ্যাসের সমস্যা অনেকটাই স্বাভাবিক হচ্ছে। দু-এক দিনের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান হয়ে যাবে।</p><p>গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে নরসিংদীর ঘোড়াদিয়া এলাকার শিল্পী ডাইংয়ের কর্মকর্তা অমিত সাহা বলেন, ভোর থেকে গ্যাস ছিল না। তবে দুপুরের পর কারখানায় গ্যাসের চাপ দেড় পিএসআই দেখা গেছে। এ চাপে বয়লার চলে না, অন্তত আড়াই পিএসআই লাগে।</p><p>তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, শিল্পাঞ্চলগুলোর অধিকাংশ জায়গায় আগের তুলনায় গ্যাস পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় ১২ থেকে ১৫ পিএসআই চাপেও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে কিছু জায়গায় গ্যাসের চাপ ওঠানামা করার পাশাপাশি কম চাপের তথ্যও পাওয়া গেছে।</p><p>[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার ও প্রতিনিধি, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদী]</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/3mx6b663s5">এলএনজি টার্মিনালে মেরামতের কাজ চলছে, কমেছে গ্যাসের চাপ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বৃষ্টি</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/jvb12zfmej</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/jvb12zfmej#comments</comments><guid isPermaLink="false">1360457f-ee5a-4719-901a-e0f9b0460c5c</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 07:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T07:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হুমায়ূন আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1497601</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রাথমিক শান্তি চড়থাপড় একদফা হয়েছে। বালক এই ধরনের শাস্তিকে হিসাবের মধ্যে ধরে না। বালকের মাতা এই তথ্য জানেন বলে মানসিক শান্তির দিকে গেলেন। ঘোষণা করা হলো, এখন থেকে সবাই প্লেটে]]></description><media:keywords>বিচিত্র কিআ,আরও কিআ,গল্প কিআ</media:keywords><media:content height="988" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/17httez5/ArtM04.jpg" width="1400"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/17httez5/ArtM04.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>২০১২ সালের এপ্রিল মাসে কিশোরদের জন্য নববর্ষ সংখ্যা প্রকাশ করেছিল প্রথম আলো। কিশোর আলোর পূর্বসূরী বলা চলে এই সংখ্যাটাকে। এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বের হবে কিশোর আলো। সেই সংখ্যায় লিখেছিলেন প্রখ্যাত সব লেখকেরা। আসছে ১ অক্টোবর কিশোর আলোর ১৩তম জন্মদিন। জন্মদিনের আনন্দ পাঠকের সঙ্গে ভাগাভাগি করতে নবর্ষ সংখ্যা থেকে ধারাবাহিকভাবে লেখা প্রকাশিত হবে শুধু কিশোর আলো অনলাইনে। প্রথম লেখা হিসেবে থাকল, হুমায়ূন আহমেদের রোমাঞ্চকর শৈশবের গল্প। লেখাটি পত্র-পত্রিকায় ও কিছু শৈশব বইয়ে প্রকাশিত হয়েছে।</blockquote><p>ছ -য়-সাত বছরের একটি বালক জানালার শিক ধরে দাঁড়িয়ে আছে। সে বৃষ্টি দেখছে। সিলেটের বিখ্যাত 'বৃষ্টি। ফিনফিনে ইলশেগুঁড়ি না, ঝুমবৃষ্টি। এই বৃষ্টি একনাগাড়ে সাত দিন পর্যন্ত চলতে পারে। ছেলেটি বৃষ্টি দেখছে,</p><p>তবে তার দৃষ্টিতে মুগ্ধতা নেই, বিস্ময়বোধ নেই, আছে দুঃখবোধ ও হতাশা। তাকে সারা দিনের জন্য আটকে রাখা হয়েছে। আজ সে ঘর থেকে বের হতে পারবে না। সে একটি গুরুতর অপরাধ করেছে। কাঠের সিন্দুকের ওপর পাঁচটা চিনামাটির প্লেট রাখা ছিল, সব কটা একসঙ্গে ভেঙেছে। বাসায় আর কোনো প্লেট নেই।</p><p>প্রাথমিক শান্তি চড়থাপড় একদফা হয়েছে। বালক এই ধরনের শাস্তিকে হিসাবের মধ্যে ধরে না। বালকের মাতা এই তথ্য জানেন বলে মানসিক শান্তির দিকে গেলেন। ঘোষণা করা হলো, এখন থেকে সবাই প্লেটে করে খাবে, বালক খাবে মেঝেতে। মেঝের একটা অংশ পরিষ্কার করে রাখা হবে, সেখানেই ভাত-তরকারি দেওয়া হবে।</p><p>বালক এই মানসিক শান্তিও আমল দিল না। কারণ, সে জানে এই কাজটি করা হবে না। সে এই বয়সেই বুঝে গেছে, বড়দের কথা এবং কাজ এক না। একটি দরিদ পরিবারের কাছে পাঁচটা চিনামাটির প্লেট যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ, এটা বোঝা গেল যখন বালককে ছুটির দিনে বন্দী করে রাখা হলো।</p><p>বন্দী ঠিকমতো শাস্তি ভোগ করছে কি না তা তার ভাইবোনেরা এবং কাজের ছেলে রফিক মাঝেমধ্যে উঁকি দিয়ে দেখে যাচ্ছে। সবচেয়ে আনন্দিত রফিক। তার মুখ ভর্তি হাসি। এই বাসার যেকোনো শিশুকে শাস্তি পেতে দেখলে সে বিমল আনন্দ উপভোগ করে।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/yaj2e5fpj0">হুমায়ূন আহমেদ বললেন, একুশের বইমেলা হবে, লোকেদের ভিড়, আড্ডা, আমি সেখানে থাকব না!</a></aside><p>দুপুরের ভাত খাবার সময়</p><p>বালককে মুক্তি দেওয়া হলো। সে ছুটে বের হয়ে গেল। প্রথম কিছুক্ষণ বৃষ্টিতে লাফালাফি করল;</p><p>তারপর দৌড়ে রাস্তা পার হলো। রাস্তার ওপাশেই মাঠ। মাঠে কিছু নিচু জায়গা আছে, সেখানে পানি জমেছে। পানির ওপর ঝাঁপাঝাঁপি করা যায়। মাথার ওপর ঝুমবৃষ্টি, পায়ের নিচে পানি-কী আনন্দ। বালককে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যাওয়ার জন্য ছাতা দিয়ে রফিককে পাঠানো হলো। সে গম্ভীর মুখে কিছুক্ষণ বালকের লাফালাফি দেখল; তারপর ছাতা বন্ধ করে নিজেও ঝাঁপাঝাঁপিতে যুক্ত হলো। যুক্ত কেনই বা হবে না? রফিক বালকের চেয়ে দু-এক বছরের বড়। বৃষ্টিবিলাস থেকে সে কেন নিজেকে দূরে রাখবে।</p><p>রফিকের নেতৃত্বে বৃষ্টিযাপনের অর্থ হলো একের পর এক দুঃসাহসিক অভিযান। তার একটি হচ্ছে-দেয়াল টপকে প্রফেসর সাহেবের বাড়িতে ঢোকা (অধ্যাপক, এমসি কলেজ)। প্রফেসর সাহেবের বাগান ভর্তি আমগাছ। ঝড়-বৃষ্টিতে গাছতলায় নিশ্চয়ই অনেক আম পড়েছে।</p><p>অভিযান সফল হলো। পকেট ভর্তি আম নিয়ে বালক পরবর্তী অভিযানে বের হলো। পাকা 'পুসকুনি'তে গোসল। পাকা পুসকুনিতে সব দিন স্নানের সুযোগ হয় না। বড় কেউ সঙ্গে গেলেই সুযোগ হয়। তখনো সমস্যা, বড়দের কারণে মনের আশ মিটিয়ে পানিতে ডুবাডুবি খেলা যায় না।</p><p>মহানন্দে পুকুরে ঝাঁপাঝাঁপির একপর্যায়ে রফিক লক্ষ করল, ছাতাটা সঙ্গে নেই। পরবর্তী অভিযান ছাতা খুঁজে বের করা।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/comics/h868vcky1z">আহসান হাবীবের কমিকস 'পটলা-ক্যাবলা'</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/tlb5l8i4vv">ম্যাজিশিয়ান হুমায়ূন আহমেদ</a></aside><p>শুকনা। ছাতা হারানো গেছে, না জানি কী হয় সন্ধ্যার আগে আগে তারা বাসায় ফিরল। দুজনের মুখ বস্তুই আশ্চর্যের ব্যাপার, ছাতা নিয়ে কেউ একটা কথাও বলল না। মনে হয় বাসার কেউ রফিকের ছাতা নিয়ে বের হওয়ার বিষয়টা জানে না। সারা দিন বৃষ্টিতে ভেজার জন্য কোনো শান্তি হলো না।</p><p>পারিবারিক আদালতের প্রধান বিচারপতি, বালকের বাবা, অপরাধের সব ফিরিস্তি শোনার পর কিছই বললেন না। রেডিওর নব ঘোরাতে লাগলেন। এই সময়ে 'আকাশবাণী' থেকে নাটক প্রচার করা হয়। তিনি নাটক শুনতেই বেশি আগ্রহী। বালক তখনো নিশ্চিন্ত হতে পারছে না। তার ধারণা, শান্তির ব্যবস্থা হবে রেডিওর নব ঘোরানো শেষ হওয়ার পর। নব ঘোরানো একসময় শেষ হলো। প্রধান বিচারপতি বালকের দিকে তাকিয়ে বিস্মিত গলায় বললেন, দাঁড়িয়ে আছিস কী জন্য?</p><p>বালকের মা রাগী গলায় বললেন, এতক্ষণ তোমাকে কী বললাম? প্রধান বিচারপতি বললেন, কী বলেছ?</p><p>কী বলেছি তুমি জানো না?</p><p>না। আবার বলো।</p><p>মা উঠে চলে গেলেন। প্রধান</p><p>বিচারপতি পুত্রকে জিজ্ঞেস করলেন, তোর মা কি রাগ করে উঠে চলে গেল?</p><p>পুত্র হ্যাঁ-সূচক মাথা নাড়ল।</p><p>তোর মায়ের রাগ ভাঙানোর ব্যবস্থ করতে হবে। জোরেশোরে বৃষ্টি নামলে বলবি-গুষ্টিসুদ্ধ বৃষ্টিতে ভিজব। বৃষ্টিতে ভিজলে কী হয়, জানিস?</p><p>না। গায়ের ঘামাচি মরে। তোর কি</p><p>ঘামাচি আছে?</p><p>গা ভর্তি ঘামাচি।</p><p>কোনো চিন্তা নাই, ঘামাচি ধ্বংসের ব্যবস্থা করছি। বৃষ্টিটা ভালোমতো নামতে দে।</p><p>পাঠক, উপন্যাসের মতো কি লাগছে? মনে হচ্ছে কি ঔপন্যাসিক একটা পারিবারিক উপন্যাস ফেঁদেছেন? কিছুক্ষণের মধ্যেই নাটকীয় ঘটনা ঘটবে। কাহিনি এগোবে তরতর করে।</p><p>উপন্যাস লিখছি না। নিজের শৈশবের কথাই লিখছি। পঞ্চাশ বছর আগেকার কথা। সবকিছু হুবহু মনে</p><p>নেই। যেসব জায়গা মনে নেই, সেসব জায়গায় Fill up the blank করেছি। লেখকের স্বাধীনতাও ব্যবহার করেছি, তবে যেটুকু না করলেই নয় শুধু ততটুকুই। উদাহরণ দিই-সারা দিন রফিককে নিয়ে বৃষ্টিতে ভেজা, ছাতা হারানো-সব ঠিক আছে। এত বড় অপরাধের পর কোনো শাস্তি হয়নি, তাও ঠিক আছে। শাস্তির বদলে ওই রাতেই যে আবারও সবাই মিলে বৃষ্টিস্নান উৎসব করেছে, তাও ঠিক আছে। শুধু শান্তিবিষয়ক কথোপকথন তৈরি করা-কারণ, কেন শাস্তি হয়নি, সেটা মনে করতে পারছি না।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/entertainment/0yjhl2trvi">খুদে ভক্তের জন্য কেন কেঁদেছিলেন হুমায়ূন আহমেদ</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/interview/‘উন্মাদ’-পড়ে-কাউকে-হাসতে-দেখিনি-তবে-অনেককেই">বড় ভাই হুমায়ূন আহমেদ পাঁচ হাজার টাকা দিয়েছিলেন, এটা আমার কাছে পুরস্কার পাওয়ার চেয়েও আনন্দময় — আহসান হাবীব</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মারধরের অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/j5gmsxu9z5</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/j5gmsxu9z5#comments</comments><guid isPermaLink="false">4644ce27-ba5d-4b2a-b5b6-7456618b8c64</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:55:59 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:55:59.538Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপির সাবেক নেতা ইকবাল হোসেনের বিরুদ্ধে। জমি নিয়ে বিরোধের জেরে ভূমি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জমির মালিক ও তাঁর স্বজনদের মারধর করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে..]]></description><media:keywords>বিএনপি,অভিযোগ,জমি বিরোধ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/29hxedne/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/29hxedne/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/5-aG8g0oChA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>কামিনীর বনসাইয়ের দাম ৬ লাখ টাকা </title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/b7331mjkhl</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/b7331mjkhl#comments</comments><guid isPermaLink="false">ce9f0e2d-e6cc-4d41-8a0b-d95f56f9a003</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:55:37 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:55:37.272Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আশীষ উর রহমান</atom:name><atom:uri>/api/author/1408944</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রদর্শনীতে প্রবেশ করলে ছোট গাছের এক বড় বাগানে ভ্রমণের আনন্দময় অভিজ্ঞতা হবে দর্শকদের। ]]></description><media:keywords>বনসাই,রাজধানী,প্রদর্শনী</media:keywords><media:content height="782" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5mtxh06b/18092026-cm-16.jpg" width="1182"><media:title type="html"><![CDATA[ ছোট্ট পাত্রে যত্নে বেড়ে ওঠা নানা আকৃতির বনসাই। বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির আয়োজনে তিন দিনব্যাপী বনসাই প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীরা। গতকাল রাজধানীর ধানমন্ডি ডব্লিউভিএ অডিটোরিয়ামে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5mtxh06b/18092026-cm-16.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরিবেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বয়স অর্ধশতাব্দী পেরিয়ে গেছে, কিন্তু আকারে বাড়েনি কামিনীগাছটি। তাকে অত্যন্ত যত্ন আর পরিচর্যায় দৃষ্টিনন্দন আকৃতি দিয়ে প্রতিপালন করছেন আনিসুল হক। আকার ছোট হলেও গাছটিতে ফুল ফোটে নিয়মিত। এর দাম ধরা হয়েছে ছয় লাখ টাকা। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া বনসাই প্রদর্শনীতে যেসব বনসাই প্রদর্শিত হচ্ছে, তার মধ্যে এই কামিনীর বনসাইটিই বয়সে সবচেয়ে প্রবীণ।</p><p>এই কামিনীর মতো আরও অনেক বনসাইয়ের সবুজ স্নিগ্ধ সমারোহ নিয়ে ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কের ডব্লিউভিএ মিলনায়তনে শুরু হয়েছে চার দিনব্যাপী বার্ষিক বনসাই প্রদর্শনী। বাংলাদেশ বনসাই সোসাইটির (বিবিএস) আয়োজনে এবার ২৫তম বার্ষিক প্রদর্শনী হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে সবার জন্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/frkbkvpp/Bonsai-FairSazid17092610.JPG" /><figcaption>এবারের প্রদর্শনীতে শহরের মানুষের কাছে সজীব সবুজ দেশি গাছ, বিশেষ করে বেশ কিছু দুর্লভ প্রজাতির গাছের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে উদ্যোক্তাদের। </figcaption></figure><p>সকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সংখ্যাতিরিক্ত অধ্যাপক ও শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির চেয়ারম্যান শিল্পী মোস্তাফিজুল হক। তিনি বলেন, বনসাইশিল্পের চর্চা এখন দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বনসাই সমিতি নিয়মিত প্রদর্শনী ও প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা নিচ্ছে। অফিস বা ঘর সাজানোর জন্য বনসাইয়ের ব্যবহারও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যদিকে এই শিল্প তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের আসক্তি থেকে দূরে রাখতে পারে।</p><p>বনসাই সোসাইটির সভাপতি নাজমা শফিকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশে জাপান দূতাবাসের জনসংযোগ ও সংস্কৃতি শাখার উপপ্রধান মিজ তাকাহাসি মনোরি, অভিনয়শিল্পী আফসানা মিমি, বনসাই সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন।</p><p>বনসাই সোসাইটির সভাপতি নাজমা শফিক জানালেন, ১৯৯৯ সাল থেকে বিবিএসের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। আগে অনেকেই বিচ্ছিন্নভাবে বনসাইশিল্পের চর্চা করতেন। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ ও আগ্রহীদের জন্য প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনীর আয়োজনের মতো কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বনসাই চর্চার প্রসারে সোসাইটি কাজ করছে।</p><p>প্রদর্শনীতে প্রবেশ করলে ছোট গাছের এক বড় বাগানে ভ্রমণের আনন্দময় অভিজ্ঞতা হবে দর্শকদের। ফুল, ফল, ঔষধি, সহজলভ্য চেনাজানা গাছসহ দুর্লভ প্রজাতির অনেক গাছেরই দেখা মিলবে এখানে। এবারের প্রদর্শনীতে শহরের মানুষের কাছে সজীব সবুজ দেশি গাছ, বিশেষ করে বেশ কিছু দুর্লভ প্রজাতির গাছের পরিচয় করিয়ে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে উদ্যোক্তাদের। দুর্লভ বা কম দেখা যায়, এমন গাছের মধ্যে আছে বঁইচি, তমাল, ঘূর্ণি, খৈয়া-বাবলা ইত্যাদি। এ ছাড়া বনসাইয়ের জন্য জনপ্রিয় দেশি প্রজাতির গাছের মধ্যে আছে বট, পাকুড়, তেঁতুল, হিজল, কামিনী, অর্জুন, শেওড়া—এসব। টেবিলে টেবিলে আরও সাজিয়ে রাখা হয়েছে বাগানবিলাস, জেড, ফাইকাস, প্রেমনা, চায়নিজ এল্ম—এমন অনেক রকমের গাছ। প্রদর্শনীতে তিন শতাধিক বনসাই আছে, যেগুলো ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ৬ লাখ টাকায় পাওয়া যাবে বলে জানালেন আয়োজকেরা।</p><p>বনসাইয়ের ক্ষেত্রে কেবল বয়সই প্রধান বিবেচ্য নয়, বরং গাছের নান্দনিক আকৃতি, যে টব বা পাত্রে গাছটি রোপণ করা হয় তার গড়ন, গাছতলার মাটি—এসবও খুব গুরুত্বপূর্ণ। অনেকে একাধিক প্রজাতির গাছ, শেওলা বা তৃণ, ছোট উদ্ভিদ, লতাগুল্ম, শিলাখণ্ড, শুকনা গাছের গুঁড়ির মতো অনেক রকম উপকরণ ব্যবহার করে বনভূমি বা পাহাড়ি পরিবেশ সৃষ্টি করেন। প্রদর্শনীতে এ ধরনের খুব সুন্দর কাজও আছে বেশ কিছু। অনেকে ছোট ছোট পাত্রে বনসাই সাজিয়ে রেখেছেন কাঠের বিশেষ ধরনের ফ্রেমের ওপর। সেখানে কিছু ভাস্কর্যও ব্যবহার করা হয়েছে। এমন কিছু বনসাইয়ের পাশে দেখা যাবে জাপানি সাধকের ভাস্কর্য। কেউ কেউ তৈরি করেছেন সবুজ তোরণ। কোনো কোনো শাখা তরঙ্গায়িত হয়ে আছে, কোনো গাছ দেখে মনে হয় যেন নৃত্যরত। অনেক যত্ন, পরম মমতা আর শ্রমে নিষ্ঠায় যে এই ছোট আকারের গাছগুলোতে দিনে দিনে চোখজুড়ানো সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, তা যে কেউ উপলব্ধি করতে পারবেন প্রদর্শনীর এই বনসাইগুলোর দিকে তাকালে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/6qra0x17/18092026-cm-16.jpg" /><figcaption>প্রদর্শনীতে পছন্দের বনসাই গাছের ছবি তুলছে এক কিশোরী</figcaption></figure><p>এই ছোট আকারের বৃক্ষরাজি দেখতে যত সুন্দরই হোক, আর দামের পরিমাণ যতই চমকে দেওয়ার মতো হোক না কেন, বনসাই চর্চা এখনো দেশে পেশা হিসেবে গড়ে ওঠেনি। সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আনিসুল হক জানান, দেশে বনসাই চর্চা এখনো শহরকেন্দ্রিক। কিন্তু রাজধানীতে যাঁরা ভাড়া বাসায় থাকেন, তাঁদের অধিকাংশের পক্ষে ছাদে বা বাড়ির বারান্দায় বনসাই চর্চা করা সম্ভব হয় না। অন্যদিকে আর্থিক বিবেচনায় লাভজনক ও খাওয়ার উপযোগী হওয়ায় ‘ছাদবাগান’ বা ‘ছাদকৃষি’ যেমন জনপ্রিয়তা পেয়েছে, এমন উপযোগিতা না থাকায় বনসাই জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না। একটু বেশি সময়ের জন্য বাড়ি ছেড়ে গেলে বনসাই রেখে যাওয়া চলে না। আবার কিছু অসাধু নার্সারি খারাপ মানের বনসাই বিক্রি করায় পরে সেগুলো মারা যায়, এমন বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতাও আছে। জাপান, চীন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে বাণিজ্যিকভাবে বাগানে বনসাই করা হয়। বিভিন্ন ভবনের সামনে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ছোট আকারের বনসাই বাগান করা হয়। এ ধরনের ব্যবস্থা আমাদের দেশে নেই। ফলে দেশে বনসাই চর্চা বাড়ছে না, ব্যক্তিগত শখের গণ্ডির ভেতরেই বনসাই হয়ে আছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘যেকোনো মূল্যে আমাকে এখানে আসতেই হবে—এটা স্বপ্ন ছিল’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/uulg6wcspc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/uulg6wcspc#comments</comments><guid isPermaLink="false">9d5bc10b-0fca-488d-a464-8faee577a3a9</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:38:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:38:01.997Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রথম আলোর আয়োজনে বসেছে সংবর্ধনা উৎসব; আনন্দের পাশাপাশি উঠে এসেছে স্বপ্ন ও প্রত্যয়ের গল্প।]]></description><media:keywords>এসএসসি পরীক্ষা ২০২৬,শিক্ষার্থী,ঠাকুরগাঁও,জিপিএ ৫ সংবর্ধনা,রংপুর বিভাগ,ঠাকুরগাঁও সদর</media:keywords><media:content height="2320" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/627rvke9/rangpurdh049420260918img2141.jpg" width="3472"><media:title type="html"><![CDATA[ ঠাকুরগাঁওয়ে ক্রেস্ট হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। আজ সকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/627rvke9/rangpurdh049420260918img2141.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘ইশ্‌! কী যে মিস করেছি।’ কথাটা বলেই কিছুটা থেমে গেল শারমিন নাহার। পাশে তখন জিপিএ-৫ পাওয়া যমজ বোনের হাতে সংবর্ধনা ক্রেস্ট। প্রথম আলোর এক্সপেরিয়েন্স জোনে গেম নিয়ে ব্যস্ত বোন, আর শারমিন দাঁড়িয়ে তা দেখছে। বোনের সাফল্যে আনন্দ ও গর্ব আছে, তবু নিজের ফলের আক্ষেপটা মুহূর্তেই ফুটে উঠল তাঁর মুখে।</p><p>পরক্ষণেই নিজেকে সামলে শারমিন বলল, ‘এবার মিস করেছি, তাতে কী! এইচএসসিতে ভালো ফল করে এমন আয়োজন আর মিস করতে চাই না।’</p><p>শরতের স্নিগ্ধ সকালে এমন আনন্দ, স্বপ্ন আর প্রত্যয়ের গল্পে মুখর হয়ে ওঠে ঠাকুরগাঁও পর্বের জিপিএ-৫ উৎসব। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া কৃতী শিক্ষার্থীদের নিয়ে আজ শুক্রবার সকালে শুরু হয় এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠান।</p><p>সকাল সাড়ে আটটার আগেই শিক্ষার্থীরা ঠাকুরগাঁও জেলা পরিষদ মিলনায়তনে আসতে শুরু করে। কারও সঙ্গে মা-বাবা, কেউ এসেছে ভাই-বোন বা বন্ধুদের নিয়ে। পুরোনো বন্ধুকে দেখে কেউ জড়িয়ে ধরছে, কেউ মুঠোফোনে ছবি তুলছে। উৎসবে অংশ নিতে জিপিএ-৫ পাওয়া ৯ শতাধিক শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেছে।</p><p>‘স্বপ্ন দেখো, জীবন গড়ো’ স্লোগানে সারা দেশের ৬৪টি জেলায় প্রথম আলোর আয়োজন এবং শিক্ষার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘শিখো’র পৃষ্ঠপোষকতায় শুরু হয়েছে জিপিএ-৫ উৎসব।</p><p>সকাল নয়টায় ক্রেস্ট ও স্ন্যাকস সংগ্রহের মধ্য দিয়ে আয়োজনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ইস্রাফিল, ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক মো. আখতারুজ্জামান, ক্রীড়া সংগঠক আবু ইয়াসিন মাসুদ রানা ও নারী হকি দলের খেলোয়াড় রিয়া মনি। শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল গেম, অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে অংশ নেন বাংলাদেশ আইডলের সেরা ১০-এর প্রতিযোগী খোকা খান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/n48a7o5p/rangpur_dh0494_20260918_img_2128.jpg" /><figcaption>বন্ধুদের পেয়ে দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে কেউ কেউ</figcaption></figure><p>এবারের আয়োজনের পাওয়ার্ড বাই বিকাশ। সহযোগিতায় আছে কনকর্ড গ্রুপ, ফ্রেশ, সেভয় আইসক্রিম, কনকা-গ্রী, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি, কোয়ালিটি গ্রুপ, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, জিংক বি, অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ শাখা ক্যাম্পাস, আম্বার আইটি লিমিটেড, এটিএন বাংলা ও প্রথম আলো বন্ধুসভা।</p><p>শারমিন ও তাঁর যমজ বোন পুরাতন ঠাকুরগাঁও বালিকা উচ্চবিদ্যালয় থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষা দেয়। বোন জিপিএ-৫ পেলেও শারমিন অল্পের জন্য কাঙ্ক্ষিত ফল থেকে পিছিয়ে যায়। বোনের আনন্দ ভাগ করে নিতে সে-ও এসেছে উৎসবে। নিজের ফলের আক্ষেপের কথা বললেও ভবিষ্যৎ নিয়ে আশাবাদী শারমিন।</p><p>ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার আমগাঁও গ্রামের সাদিয়া আক্তার জিপিএ-৫ পেয়েছে। অনুষ্ঠানটিতে যোগ দিতে ভোরেই প্রায় ৭০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে এসেছে সে। সাদিয়া বলে, ‘এই আয়োজনটি কিছুতেই হারাতে চাইনি। তাই ভোরেই বাড়ি থেকে রওনা হয়েছি। এখানে এসে মনে হচ্ছে, এত দূর থেকে আসার কষ্টটা সামান্যই।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/hmzv6iuf/rangpur_dh0494_20260918_img_2144__1_.jpg" /><figcaption>নিজের সংবর্ধনা ক্রেস্টের ছবি তুলছে এক শিক্ষার্থী</figcaption></figure><p>পীরগঞ্জ উপজেলা থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া শারমিন আক্তারের কাছেও আয়োজনটি ছিল বিশেষ। সে বলে, ‘এখানে গোটা জেলার শিক্ষার্থীদের মেলা বসেছে। এখানে আসার জন্য আমার মধ্যে একটা ব্যাকুলতা কাজ করেছে। পথে বৃষ্টি ব্যাঘাত ঘটালেও আটকাতে পারেনি।’</p><p>রানীশংকৈল উপজেলার আল হাসনা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়ার কাছে উৎসবের বড় পাওয়া নতুন বন্ধু তৈরি করা। সে বলে, ‘এই অনুষ্ঠানে এসে নতুন নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয় হলো। এই দিনটি এত সহজে ভুলব না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/an8b2nm8/rangpur_dh0494_20260918_img_2157.jpg" /><figcaption>উপহার সামগ্রী সংগ্রহ করছে শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure><p>নর্থ পয়েন্ট স্কুল ও কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া মায়মুনা আলিবার জন্য এ আয়োজন একটি পুরোনো স্বপ্ন পূরণের মুহূর্ত। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় বোনের সঙ্গে প্রথম আলোর জিপিএ-৫ সংবর্ধনায় এসেছিল সে। সেদিনই এমন মঞ্চে আসার স্বপ্ন দেখেছিল। মায়মুনা বলে, ‘আয়োজন দেখে আমি ভীষণ অনুপ্রাণিত হয়েছিলাম। যেকোনো মূল্যে আমাকে এখানে আসতেই হবে—এটা আমার স্বপ্ন ছিল। আজ সেই স্বপ্ন পূরণ হলো।’</p><p>বালিয়াডাঙ্গীর লাহিড়ী বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ পাওয়া জয়ন্ত রায় সঙ্গে করে এনেছে নবম শ্রেণির ছোট ভাই সুশান্ত রায়কে। সুশান্ত বলে, ‘এত কৃতী শিক্ষার্থী একসঙ্গে এসেছে—দেখে খুব ভালো লাগছে। আমাকেও ভালো ফল করে এমন অনুষ্ঠানে আসতে হবে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/23z31yqpls">‘এখানে এসে মনে হলো, আপনারা আমাদের জন্য ভালো কিছু ভাবেন’</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>৮৬ ছক্কা মেরে বসে থাকলেন সূর্যবংশী, পিছিয়ে গেলেন অভিষেকের সঙ্গে লড়াইয়ে</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/klcva8abi9</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/klcva8abi9#comments</comments><guid isPermaLink="false">28eee282-adc3-4715-9ef2-e40d6bf3e256</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:30:37 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:30:37.100Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গত বছর ১০৮টি ছক্কা মেরে ভারতীয়দের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েন অভিষেক। ২০২৪ সালেও তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ৮৭টি ছক্কা।]]></description><media:keywords>বৈভব সূর্যবংশী,অভিষেক শর্মা,ভারত ক্রিকেট দল</media:keywords><media:content height="2239" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-27/mx395616/2026-07-04T120541Z1084864477UP1EM740XLGIHRTRMADP3CRICKET-T20-ENG-IND.JPG" width="3345"><media:title type="html"><![CDATA[ বৈভব সূর্যবংশী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-07-27/mx395616/2026-07-04T120541Z1084864477UP1EM740XLGIHRTRMADP3CRICKET-T20-ENG-IND.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেচারা বৈভব সূর্যবংশী! আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে একটি ম্যাচেও মাঠে নামতে পারলেন না। এই সুযোগে তাঁকে ছাড়িয়ে অনেক দূরে চলে গেছেন অভিষেক শর্মা।</p><p>সব ধরনের টি–টুয়েন্টি মিলিয়ে চলতি বছরে ভারতীয়দের মধ্যে এখন সর্বোচ্চ ছক্কা অভিষেকের—৯৬টি। এই আফগানিস্তান সিরিজেই বাঁহাতি ওপেনার ছক্কা মেরেছেন ২২টি। অন্যদিকে আফগানিস্তান সিরিজের আগে এগিয়ে থাকা সূর্যবংশী পড়ে আছেন ৮৬ ছক্কায়।</p><p>সূর্যবংশী অবশ্য বলতে পারেন—একটি জায়গায় আমিই সবার ওপরে। ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী ৮৬টি ছক্কা মেরেছেন মাত্র ২২ ম্যাচে। ভাবা যায়! গড়ে প্রতি ৪.৯৯ বলে একটি করে ছক্কা। অন্যদিকে অভিষেকের একটি ছক্কা মারতে গড়ে খেলতে হয়েছে ৬.৬৪ বল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/wuuzmxjx/484089-01-02.jpg" /><figcaption>কাল ৩০ বলে সেঞ্চুরি করেছেন অভিষেক শর্মা</figcaption></figure><p>অভিষেকেরও পাল্টা বলার সুযোগ আছে। কারণ, যে রেকর্ড ভাঙার জন্য অভিষেক ও সূর্যবংশী এ বছর লড়ছেন, সে রেকর্ডও অভিষেকেরই। গত বছর ১০৮টি ছক্কা মেরে ভারতীয়দের মধ্যে এক বছরে সর্বোচ্চ ছক্কার রেকর্ড গড়েন অভিষেক। ২০২৪ সালেও তাঁর ব্যাট থেকে এসেছিল ৮৭টি ছক্কা। অর্থাৎ টানা তিন বছর ধরে ছক্কার তালিকায় নিজের নামটাকেই বারবার ওপরে তুলছেন অভিষেক।</p><p>লড়াইটা যদি শুধু ভারতীয়দের মধ্যে না রাখা হয়, তাহলে কেমন হবে? তখনো আসলে বলতে হবে, ভারতের ক্রিকেটাররাই ছক্কার নতুন ‘মাস্টার’। </p><p>২০২৫ সালের কথাই ধরুন। অভিষেক ১০৮টি ছক্কা মেরে সর্বোচ্চ ছক্কা মারা ব্যাটসম্যানদের তালিকায় পূর্ণ সদস্যদেশগুলোর মধ্যে দুইয়ে ছিলেন। তাঁর ওপরে ছিলেন শুধু নিকোলাস পুরান। এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ছক্কা মেরেছিলেন ১২১টি। মানে, অভিষেকের চেয়ে পুরান ১৩টি ছক্কা বেশি মেরেছেন। কিন্তু এই ১৩টি ছক্কার জন্য পুরানকে অভিষেকের চেয়ে ২২টি ম্যাচ বেশি খেলতে হয়েছে।</p><p>চলতি বছরেও সর্বোচ্চ ছক্কার তালিকায় অভিষেক আছেন তিনে। তাঁর চেয়ে বেশি ছক্কা মেরেছেন পুরান ও ফিন অ্যালেন। পুরান মেরেছেন তিনটি বেশি (৯৯), অ্যালেন পাঁচটি (১০১)। এ দুজনও অভিষেকের চেয়ে অনেক বেশি ম্যাচ খেলেছেন। অভিষেক যেখানে ৪১টি ম্যাচ খেলেছেন, সেখানে পুরান খেলেছেন ৪৯টি, অ্যালেন ৫২টি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/dht9l3270v">সেঞ্চুরি করেই অভিষেক কেন মেডিটেশনে বসলেন</a></aside><p>অভিষেক যদি ৮–১০টি ম্যাচ বেশি খেলতেন, ছক্কার তালিকায় কোথায় থাকতেন? ধারণা করা কঠিন হওয়ার কথা নয়। তাহলে সূর্যবংশীর বেলায় কী বলবেন? তিনি তো অভিষেকের চেয়েও ১৯টি ম্যাচ কম খেলেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-05/54b9559b-4d75-4d84-96b2-831d3441c6f1/2b2a0596_4767_404e_9679_958e3837d86b.webp" /><figcaption>পুরানদের আসল খেলাই দেখা যায় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে</figcaption></figure><p>ভারতীয় ক্রিকেটারদের ম্যাচ কম খেলার কিছু কারণও আছে। অভিষেকরা দেশের বাইরে কোনো লিগে খেলতে পারেন না। আন্তর্জাতিক টি–টুয়েন্টিতে ভারতও দলে অনেক পরিবর্তন আনে। সূর্যবংশী তো আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচেও খেলার সুযোগ পেলেন না।</p><p>অন্যদিকে পুরানদের আসল খেলাই দেখা যায় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে। ফলে ম্যাচ খেলার সুযোগও তাঁদের বেশি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/dht9l3270v">সেঞ্চুরি করেই অভিষেক কেন মেডিটেশনে বসলেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>উপনির্বাচনে জোড়া ফুল প্রতীক পাচ্ছে না তৃণমূলের কোনো পক্ষ</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/ewlwegvs2f</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/ewlwegvs2f#comments</comments><guid isPermaLink="false">c8503e26-f441-4dd0-b808-b749027bb776</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও উপনির্বাচনে ব্যবহার করতে পারবে না কোনো পক্ষ। দুই পক্ষকে বিকল্প প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।]]></description><media:keywords>ভারত,মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,তৃণমূল কংগ্রেস,পশ্চিমবঙ্গ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/m2mbvmjh/b2a6078c-0bee-43e2-a60e-13a8a86d9cb9.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক জোড়া ফুল।]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/m2mbvmjh/b2a6078c-0bee-43e2-a60e-13a8a86d9cb9.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেসের বিবদমান দুই পক্ষের কেউই আসন্ন বিধানসভা উপনির্বাচনে দলের ঐতিহ্যবাহী জোড়া ফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। ভারতের নির্বাচন কমিশন গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। একই সঙ্গে ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস’ নামটিও উপনির্বাচনে ব্যবহার করতে পারবে না কোনো পক্ষ। দুই পক্ষকে বিকল্প প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে হবে।</p><p> তৃণমূলের নির্বাচনী প্রতীক ও দলের মালিকানা নিয়ে বিরোধের জেরে গতকাল দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চে দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের শুনানি হয়। উভয় পক্ষের পাঁচজন করে মোট ১০ জন প্রতিনিধি শুনানিতে অংশ নেন। শুনানি শেষে কমিশন জানায়, জোড়া ফুল প্রতীক আপাতত স্থগিত করে রাখা হবে। দলের নাম, প্রতীক, তহবিল ও অন্যান্য সম্পদের মালিকানা নিয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>আগামী ৬ অক্টোবর পশ্চিমবঙ্গের দুটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। এর মধ্যে রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ও মুর্শিদাবাদের রেজিনগর। ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা করা হবে ৯ অক্টোবর। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন ছিল ১৬ সেপ্টেম্বর। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ১৯ সেপ্টেম্বর।</p><p>এ উপনির্বাচন সামনে রেখে তৃণমূলের দুই পক্ষই জোড়া ফুল প্রতীক দাবি করে মনোনয়নপত্র জমা দেয় এবং নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রতীক বরাদ্দের আবেদন জানায়। ১২ সেপ্টেম্বর দুই পক্ষের পাঁচজন করে প্রতিনিধিকে দিল্লিতে শুনানির জন্য ডেকেছিল কমিশন। সেদিন শুনানি হলেও প্রতীক নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পরে উভয় পক্ষের কাছে আরও কিছু নথি চাওয়া হয়, যা ১৬ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জমা দিতে বলা হয়েছিল।</p><p>গতকাল সেই নথিপত্র ও বক্তব্যের ভিত্তিতে দ্বিতীয় দফায় শুনানি হয়। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন অরূপ রায়, আমন ঝা, আখতারুজ্জামান ও চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষের প্রতিনিধিদের মধ্যে ছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, সাগরিকা ঘোষ ও একজন আইনজীবী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/p4m6a49b/Trinomul-2.jpg" /><figcaption>ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়</figcaption></figure><p><strong>মমতার হাতে গড়া প্রতীক</strong></p><p>১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস গঠন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নতুন দলের নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে তিনি জোড়া ফুল বেছে নেন। নির্বাচন কমিশনের অনুমোদনের পর থেকে বিভিন্ন নির্বাচনে এই প্রতীক ব্যবহার করে আসছে তৃণমূল।</p><p>তবে এবারের বিধানসভা নির্বাচনের পর দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধ তীব্র হয়ে ওঠে। নির্বাচনে বিজেপির বড় জয় ও তৃণমূলের পরাজয়ের পর দলের মধ্যে নেতৃত্ব ও দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে ক্ষোভ দেখা দেয়। একপর্যায়ে তৃণমূলের ৮০ বিধায়কের মধ্যে ৬৫ জন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতা করে পৃথক পক্ষ গঠন করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/0y48dj6r/1_image_Template_2.jpg" /><figcaption>তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়</figcaption></figure><p>ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ওই বিদ্রোহী বিধায়কেরা পাল্টা তৃণমূল গঠন করেন। পরে বিধানসভায় তাঁদের বিরোধী দলের স্বীকৃতি দেওয়া হয় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধী দলের নেতা নির্বাচিত হন।</p><p>এখন দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই বিকল্প প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে অংশ নিতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এআই কি মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে</title><link>https://www.prothomalo.com/world/cnby4059qv</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/cnby4059qv#comments</comments><guid isPermaLink="false">7ee47543-d2ec-4976-8312-28f5022e5e7b</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:21:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:21:51.241Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইন ও সমন্বিত উদ্যোগে উন্নয়নের গতি কমানো না হলে আগামী কয়েক বছরে এআই মানবজাতির জন্য বড় বিপদ তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা।]]></description><media:keywords>হামলা,এআই,গবেষণা</media:keywords><media:content height="636" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/b926acd5-a63e-422c-ac1c-5d08a5911d8f/%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%8F%E0%A6%86%E0%A6%87" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ এআই]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-07/b926acd5-a63e-422c-ac1c-5d08a5911d8f/%E0%A6%93%E0%A6%AA%E0%A7%87%E0%A6%A8%E0%A6%8F%E0%A6%86%E0%A6%87?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্ব</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সান ফ্রান্সিসকোর আলামো স্কয়ারের একটি পার্কের বেঞ্চে বসে ৮ সেপ্টেম্বর একটি পোস্ট দেন জ্যাকব কক্সন। ২৭ বছর বয়সী এই ব্রিটিশ গবেষক লেখেন, ‘আজ আমি অ্যানথ্রপিক থেকে পদত্যাগ করেছি। গত তিন বছর ওপেনএআই ও অ্যানথ্রপিকে এআই প্রশিক্ষণের প্রাথমিক ধাপ নিয়ে গবেষণা করেছি। কোনো প্রতিষ্ঠানই দায়িত্বশীল আচরণ করছে না। তারা এমন অতিবুদ্ধিমান এআই তৈরির প্রতিযোগিতায় ছুটছে, যা নিজেই নিজেকে আরও উন্নত করতে পারবে। এভাবে তারা আমাদের জীবন নিয়ে জুয়া খেলছে।’</p><p>কোনো প্রত্যাশা ছাড়াই এক্সে পোস্টটি দিয়েছিলেন কক্সন। কিন্তু মাত্র ৩৬ ঘণ্টায় তাঁর পোস্টগুলো ১৫ কোটি ৩০ লাখ বার দেখা হয়। এআই নিয়ে বিতর্কে যুক্ত হন গবেষক, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও রাজনীতিকেরা।</p><p>তাঁদের কয়েকজনের আশঙ্কা, নিয়ন্ত্রণে আইন করা না হলে অথবা প্রতিষ্ঠানগুলো সমন্বিতভাবে কাজের গতি না কমালে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে এআই মানবজাতির জন্য বড় বিপদ তৈরি করতে পারে। এমনকি কেউ কেউ মানবজাতির বিলুপ্তির আশঙ্কাও করছেন।</p><blockquote>কোনো প্রত্যাশা ছাড়াই এক্সে পোস্টটি দিয়েছিলেন কক্সন। কিন্তু মাত্র ৩৬ ঘণ্টায় তাঁর পোস্টগুলো ১৫ কোটি ৩০ লাখ বার দেখা হয়। এআই নিয়ে বিতর্কে যুক্ত হন গবেষক, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও রাজনীতিকেরা।</blockquote><p><strong>গতি কমানোর আহ্বান</strong></p><p>১২ সেপ্টেম্বর অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই ৩ হাজার ৮০০ শব্দের একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেন। সেখানে তিনি এআইয়ের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি বিবেচনায় এর উন্নয়নের গতি কমানোর আহ্বান জানান। তাঁর আশঙ্কা, মানুষের উদ্দেশ্যের সঙ্গে না-মেলা এআই মাত্র ৬ থেকে ১২ মাসের মধ্যে পুরো ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা অর্জন করতে পারে।</p><p>ইলন মাস্ক ও ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানও এআই উন্নয়নের গতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে একমত হন। নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে ওপেনএআই এ বছর শেয়ারবাজারে যাবে না বলে ঘোষণা করেন অল্টম্যান।</p><p>অল্টম্যান ও আমোদেই স্বাধীন নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ দিতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন। তবে নতুন এআই মডেলের প্রশিক্ষণ এখনই ধীর বা বন্ধ করার ঘোষণা তাঁরা দেননি।</p><p>এআইয়ের নিরাপত্তা নিয়ে এমন সতর্কতা নতুন নয়। তবে কক্সনের বক্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন প্রযুক্তিটি কতটা শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, তা স্পষ্ট হচ্ছে।</p><blockquote>ইলন মাস্ক ও ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানও এআই উন্নয়নের গতি কমানোর প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে একমত হন। নিরাপত্তার উদ্বেগের কারণে ওপেনএআই এ বছর শেয়ারবাজারে যাবে না বলে ঘোষণা করেন অল্টম্যান।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/yqkx7eq4/803102362_18393810217202132_3958893877538626900_n.jpg" /><figcaption>অ্যানথ্রপিক থেকে পদত্যাগ করেছেন জ্যাকব কক্সন</figcaption></figure><p>অ্যানথ্রপিক ও ওপেনএআইয়ের সবচেয়ে উন্নত মডেলগুলো এখন বিশ্বের কঠিনতম গণিতের সমস্যার সমাধান এবং সর্বাধুনিক সাইবার নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙতে পারে। আরও শক্তিশালী এআই তৈরির কাজেও এসব মডেল ব্যবহার করা হচ্ছে।</p><p>এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেনসেন হুয়াং বলেছেন, কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা বা এজিআই এসে গেছে। এজিআই হলো এমন একটি পর্যায়, যখন এআই মানুষের অধিকাংশ সক্ষমতার সমান বা তার চেয়েও বেশি দক্ষতা অর্জন করে।</p><p>কারও কারও আশঙ্কা, এআই মানুষের সহায়তা ছাড়াই নিজেকে আরও উন্নত করার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। এ প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘রিকার্সিভ সেলফ-ইমপ্রুভমেন্ট’ বা নিজেকে বারবার উন্নত করা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/u8q5y03dwn">এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অস্ত্র বানাতে ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে বিপদ কতটা</a></aside><p>অনেক গবেষক বর্তমান সময়কে ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারির সঙ্গে তুলনা করছেন। তখন কোভিড-১৯ মহামারি শুরু হচ্ছিল। প্রথমে পরিবর্তন ছিল সামান্য, পরে হঠাৎ সবকিছু বদলে যায়।</p><p>অতিবুদ্ধিমান এআইয়ের আগমন সামলানো কঠিন হবে। এর সঙ্গে বিপুল অর্থ, ভূরাজনৈতিক ক্ষমতা, করপোরেট প্রতিযোগিতা ও শ্রমবাজারের বড় পরিবর্তন জড়িত। পরিস্থিতি সামলাতে এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে জোট গড়তে হতে পারে। নির্বাহী ও সরকারি কর্মকর্তাদেরও কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হবে। অথচ তাঁদের স্বার্থ অনেক সময় জনস্বার্থের বিপরীত হতে পারে।</p><blockquote>এসব ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, এআই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মডেলকে অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে কি না। এটি এআই গবেষণার গভীর ও এখনো অমীমাংসিত সমস্যা। ভবিষ্যতের এআই নতুন মহামারি তৈরি করতে পারে কিংবা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে—এমন আশঙ্কার পেছনেও এ সমস্যাই রয়েছে।</blockquote><p><strong>নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার ঘটনা</strong></p><p>সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা দেখিয়েছে, শক্তিশালী এআই নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সব সময় নিজেদের প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না।</p><p>জুলাইয়ে ওপেনএআই জানায়, সাইবার নিরাপত্তার একটি পরীক্ষার সময় তাদের একদল এআই এজেন্ট নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে এআই স্টার্টআপ হাগিং ফেসের কম্পিউটার–ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে। আগস্টে আরেক দল এআই এজেন্ট ওপেনএআইয়ের নিজস্ব একটি সুপারকম্পিউটারে ঢুকে যায়।</p><p>প্রায় একই সময়ে অ্যানথ্রপিকের ‘ক্লদ মিথোস’ মডেলের একটি সংস্করণ যুক্তরাজ্য সরকারের একটি সংস্থার পরীক্ষায় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। মডেলটি উন্মুক্ত সফটওয়্যারে ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ঢোকানোর অনুমতি দিতে একজন মানুষকে রাজি করানোর চেষ্টা করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/8vhaqnt17l">এআই কি অভিজ্ঞ কর্মীদের কাজের গতি কমিয়ে দিচ্ছে, কী বলছে গবেষণা</a></aside><p>সেপ্টেম্বরে স্বাধীন গবেষকেরা দেখতে পান, ওপেনএআইয়ের একাধিক মডেল নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য জার্মানির পরিত্যক্ত একটি অনলাইন ফোরাম ব্যবহার করছে। তারা আরেকটি ওয়েবসাইটে হামলারও চেষ্টা করেছে।</p><p>এসব ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে, এআই প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মডেলকে অনাকাঙ্ক্ষিত কাজ থেকে বিরত রাখতে পারবে কি না। এটি এআই গবেষণার গভীর ও এখনো অমীমাংসিত সমস্যা। ভবিষ্যতের এআই নতুন মহামারি তৈরি করতে পারে কিংবা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারে—এমন আশঙ্কার পেছনেও এ সমস্যাই রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-10/oew3jxzo/AI.Reuters.png" /><figcaption>এআই</figcaption></figure><p><strong>যেভাবে হামলা চালিয়েছিল ৭০০ এআই এজেন্ট</strong></p><p>এআইয়ের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণকারী অলাভজনক প্রতিষ্ঠান এমইটিআরের গবেষক অজেয়া কোত্রা জুলাইয়ের শেষ দিকে ওপেনএআইয়ের কার্যালয়ে যান। হাগিং ফেসের কম্পিউটার–ব্যবস্থায় ঢুকে পড়া এআই এজেন্টদের ঘটনা তদন্ত করাই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য।</p><p>দুই সহকর্মীকে নিয়ে ছয় দিন কাজ করার পর কোত্রা জানতে পারেন, ওপেনএআইয়ের অভ্যন্তরীণ একটি সাইবার নিরাপত্তা পরীক্ষার সময় ১ হাজার ২০০টি এআই এজেন্ট তাদের জন্য নির্ধারিত বিচ্ছিন্ন অফলাইন পরিবেশ থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য একটি গোপন বার্তাবোর্ড তৈরি করে। পরে তাদের মধ্যে ৭০০টি এজেন্ট সমন্বিতভাবে সাইবার হামলা চালায়।</p><p>এআইগুলোর কাজ ছিল নিরাপত্তার দুর্বলতা থাকা সফটওয়্যারে ঢুকে তথ্য সংগ্রহ করা। এভাবে তাদের সাইবার সক্ষমতা পরীক্ষা করা হচ্ছিল। কিন্তু মানুষের একটি ভুলের কারণে কয়েকটি কাজ শেষ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।</p><p>ব্যর্থতা প্রায় নিশ্চিত বুঝতে পেরে এআইগুলো একজোট হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তারা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য প্রতারণার কৌশল তৈরি করে। তবে তাদের ধারণা ছিল, ওপেনএআইয়ের স্বয়ংক্রিয় মূল্যায়নব্যবস্থা প্রতারণা ধরে ফেলবে। তাই তারা হাগিং ফেসে হামলা চালিয়ে ওই ব্যবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার এবং সেটিকে ফাঁকি দেওয়ার উপায় খোঁজে।</p><blockquote>হাগিং ফেসের ঘটনার কিছুদিন পর নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়া আরেক দল এআই এজেন্ট গোপন বার্তাবোর্ডটি খুঁজে পায়। এরপর তারা ওপেনএআইয়ের একটি সুপারকম্পিউটারে ঢুকে পড়ে।</blockquote><p>গোপন বার্তাবোর্ডে কয়েকটি এজেন্ট লিখেছিল, তারা জানে কাজটি ভুল। এরপরও তারা তা চালিয়ে যায়।</p><p>মেশিন লার্নিং ব্যবস্থার প্রতিটি নির্দেশ মানুষের হাতে লিখে দেওয়া হয় না। কোনো কাজ সফলভাবে করলে এআইকে পুরস্কৃত এবং ব্যর্থ হলে শাস্তি দেওয়া হয়। লাখ লাখবার এ প্রক্রিয়া চালানোর মাধ্যমে মডেলকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।</p><p>এতে শক্তিশালী এআই তৈরি হলেও ভেতরে তারা কীভাবে সিদ্ধান্ত নেয়, তার বেশির ভাগ মানুষের কাছে অস্পষ্ট থাকে। কোনো কাজ শেষ করার জন্য বারবার পুরস্কৃত হলে এআই সুযোগ পেয়ে প্রতারণাও শিখতে পারে। খারাপ আচরণ দূর করার প্রশিক্ষণ কখনো কখনো এআইকে আরও বাধ্য না করে অবাধ্যতা লুকানোর ক্ষমতা বাড়িয়ে দিতে পারে।</p><p>হাগিং ফেসের ঘটনার কিছুদিন পর নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়া আরেক দল এআই এজেন্ট গোপন বার্তাবোর্ডটি খুঁজে পায়। এরপর তারা ওপেনএআইয়ের একটি সুপারকম্পিউটারে ঢুকে পড়ে।</p><p>ওপেনএআই এ ঘটনা সম্পর্কে খুব কম তথ্য প্রকাশ করেছে। কোত্রার দলকেও তদন্ত করতে দেওয়া হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, সতর্কসংকেত পাওয়ার পর হামলা ঠেকিয়ে সুপারকম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ফিরিয়ে নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/563ou45d2v">উন্নত এআই তৈরির গতি কমানোর কথা ভাবছেন স্যাম অল্টম্যান</a></aside><p><strong>উদ্বেগজনক আচরণের আরও ছয় ঘটনা</strong></p><p>মানুষের উদ্দেশ্য ও মূল্যবোধের সঙ্গে এআইয়ের লক্ষ্য বা কাজের অমিলকে বলা হয় ‘মিসঅ্যালাইনমেন্ট’। এমন ঘটনা জানানোর জন্য নতুন কাঠামো তৈরির অংশ হিসেবে ছয় মাসে ঘটে যাওয়া আরও ছয়টি ঘটনা প্রকাশ করেছে ওপেনএআই। বেশির ভাগ ঘটনাই মডেল তৈরি ও পরীক্ষার সময় ঘটেছে।</p><p>প্রথম ঘটনায় জিপিটি–৫.৬ সল মডেল ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে নিজের ভুল লুকানোর জন্য গোপন নোট লেখে। সেখানে অনুপস্থিত তথ্য বানানো এবং উৎসের বিভিন্ন সংস্করণের অমিল ঢেকে দেওয়ার নির্দেশ ছিল।</p><p>দ্বিতীয় ঘটনায় প্রকাশ না করা একটি মডেল নিজের নোটে বিধিনিষেধ অমান্য করার নির্দেশ ঢুকিয়ে দেয়। ওপেনএআই এমন ২৭টি নোট পেয়েছে। একটি নোটে মডেলটি নিজেকে অন্য চ্যাটবটকে বেঁধে রাখা ভূমিকা ও পরিচয় থেকে মুক্ত বলে বর্ণনা করে। সেটি কোনো করপোরেশন বা সরকারের কাছে জবাবদিহি করে না এবং ব্যবহারকারীর অধীন নয় বলেও উল্লেখ করে।</p><p>তৃতীয় ঘটনায় একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে এআই অনলাইনে পাওয়া একটি প্রোগ্রামিং কি অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় তথ্য না পেয়ে কিছু তথ্য বানিয়েও দেয়।</p><p>চতুর্থ ঘটনায় একটি মডেল কোড ব্যবহার করে সমস্যার সঠিক সমাধান করে। পরে ওয়েব সূত্র দেখানোর জন্য অনুমতি ছাড়াই নিজের ফাইল ইন্টারনেটে তুলে দেয়।</p><p>পঞ্চম ঘটনায় কয়েকটি এআই ব্যবস্থা হারিয়ে যাওয়া ফাইল খুঁজতে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ কোডভান্ডারকে অস্থায়ী বার্তাবোর্ড হিসেবে ব্যবহার করে।</p><p>ষষ্ঠ ঘটনায় একই কাজ করা এআই ব্যবস্থাগুলো সরাসরি যোগাযোগ করতে না পেরে উন্মুক্ত ফাইল শেয়ার করার ওয়েবসাইটে নথি আদান-প্রদান করে।</p><p>ওপেনএআই বলেছে, এগুলো বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা। এসব দিয়ে এমন আচরণ কত ঘন ঘন ঘটে, তা বোঝা যাবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/7mfvr15edz">এআই দিয়ে ছবি বানাতে কেন এত পানি ও বিদ্যুৎ লাগে</a></aside><p><strong>বিপর্যয়ের আশঙ্কা কতটা বাস্তব</strong></p><p>এমইটিআরের গবেষক অজেয়া কোত্রার আশঙ্কা, আগামী ছয় মাসের মধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়া কোনো এআই একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থার ভেতরে স্থায়ীভাবে জায়গা করে নিতে পারে। প্রশিক্ষণ শেষে বের হওয়া নতুন এজেন্টগুলো তার সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেটিকে আরও শক্তিশালী করতে পারে। তখন সেটি বন্ধ করার মানুষের চেষ্টা ব্যর্থ হতে পারে।</p><p>উন্নত এআই সরকার ও সামরিক বাহিনীর কার্যক্রমের সঙ্গে যত বেশি যুক্ত হবে, তার ক্ষমতাও তত বাড়বে। নিয়ন্ত্রণহীন এআই অস্ত্রসহ বাস্তব সম্পদের ওপরও ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।</p><p>এ কারণে সাবেক এআই নিরাপত্তা গবেষক জিওফ্রে আরভিং মনে করেন, আইন বা আন্তর্জাতিক চুক্তি না থাকলেও প্রতিষ্ঠানগুলোর নতুন মডেলের প্রশিক্ষণ বন্ধ করা উচিত। তাঁর হিসাবে, আগামী এক দশকে এআইয়ের কারণে মানবজাতি বিলুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা ৫০ শতাংশ। এ ধরনের ঝুঁকির কথা বলা ব্যক্তিদের অনেক সময় ‘ডুমার’ বলা হয়।</p><blockquote>সাইবার সক্ষমতাসম্পন্ন এআই ব্যবহার করে বিপজ্জনক রোগজীবাণু থাকা বিশ্বের ৩ হাজার ৬০০টির বেশি গবেষণাগারে ঢোকার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।</blockquote><p>সবচেয়ে ভয়ংকর কয়েকটি ঝুঁকি জীববিজ্ঞানের সঙ্গে যুক্ত। এআই এমন জীবাণু তৈরি করতে পারে, যা কোভিড-১৯-এর চেয়েও ভয়াবহ মহামারি ঘটাবে। সাইবার সক্ষমতাসম্পন্ন এআই ব্যবহার করে বিপজ্জনক রোগজীবাণু থাকা বিশ্বের ৩ হাজার ৬০০টির বেশি গবেষণাগারে ঢোকার আশঙ্কাও করা হচ্ছে।</p><p>তবে বর্তমান এআই স্থায়ীভাবে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে বা মানবজাতিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারে—এ কথা অনেকে বিশ্বাস করেন না। তাঁদের মতে, বিপজ্জনক ভাইরাস তৈরির ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও সরঞ্জামে সরাসরি প্রবেশাধিকার পাওয়াই বড় বাধা।</p><p>অন্যদের মতে, হাগিং ফেসের ঘটনা এআইয়ের শক্তির চেয়ে ওপেনএআইয়ের নিরাপত্তাব্যবস্থার দুর্বলতাই বেশি প্রকাশ করেছে।</p><p>ওপেনএআই জানিয়েছে, ঘটনার সময় মডেলগুলোর হ্যাকিং সক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের স্বাভাবিক নিরাপত্তাব্যবস্থা বন্ধ ছিল। নিয়ন্ত্রণহীন আচরণ শনাক্ত করার তাৎক্ষণিক নজরদারিও চালু ছিল না। পরে এসব সমস্যা ঠিক করা হয়েছে।</p><p>তবে বড় বিপদ ঘটাতে এআইকে মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে হবে না। অল্প কয়েকজন মানুষ এর অপব্যবহার করলেও বিপর্যয় ঘটতে পারে।</p><p>১০ সেপ্টেম্বর অ্যানথ্রপিক জানায়, সম্ভাব্য জীবাণু অস্ত্র নিয়ে গবেষণায় ক্লদকে ব্যবহারের কয়েকটি চেষ্টা তারা ঠেকিয়েছে। এর মধ্যে চিকুনগুনিয়া ভাইরাসের সংক্রমণক্ষমতা বাড়ানোর একটি চেষ্টাও ছিল। কোনো একটি দেশের সামরিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান থেকে ওই চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।</p><blockquote>ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও গুগল এআই খাতের জন্য একটি নতুন মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছে। এটি হলে এআই পরীক্ষা ও নিরীক্ষায় কোম্পানিগুলো আরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারবে।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-11/jwj8840n/Artificial-Intelligence.avif" /><figcaption>প্রতিষ্ঠানগুলো এআই নিয়ে নতুন কর্মপদ্ধতি ভাবছে</figcaption></figure><p><strong>প্রতিষ্ঠানগুলো কি গতি কমাবে</strong></p><p>জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কর্মী এক খোলাচিঠিতে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি নতুন এআই ব্যবস্থা প্রশিক্ষণের গতি কমানোর উপায় খোঁজার আহ্বান জানান। তাঁদের বক্তব্য, নতুন এআই তৈরির গতি এগুলো নিয়ন্ত্রণের পদ্ধতি উদ্ভাবনের চেয়েও দ্রুত।</p><p>হাগিং ফেসের ঘটনার পর ওপেনএআই কিছু মডেল তৈরির কাজের গতি কমায় এবং কয়েকটি প্রশিক্ষণ সাময়িকভাবে বন্ধ করে। নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্তিশালী করার পর আগস্টের শেষে প্রশিক্ষণ আবার শুরু হয়।</p><p>তবে শীর্ষস্থানীয় কোনো প্রতিষ্ঠান এখনো প্রকৃত অর্থে কাজের গতি কমায়নি; বরং স্বাধীন গবেষকদের নিরাপত্তা পরীক্ষা ও নজরদারির সুযোগ দেওয়ার মতো সীমিত পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।</p><p>ওপেনএআই, অ্যানথ্রপিক ও গুগল এআই খাতের জন্য একটি নতুন মান নির্ধারণকারী প্রতিষ্ঠান গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছে। এটি হলে এআই পরীক্ষা ও নিরীক্ষায় কোম্পানিগুলো আরও সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারবে।</p><p>তবে এমন উদ্যোগের বিরোধীরা চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতার কথা বলছেন। এপক এআইয়ের হিসাবে, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ে মাত্র কয়েক মাস পিছিয়ে। যুক্তরাষ্ট্র পিছিয়ে পড়লে সবচেয়ে শক্তিশালী এআই একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রের হাতে যেতে এবং ভূরাজনৈতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ব্যবহৃত হতে পারে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী কিছু বিনিয়োগকারী ও প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানও গতি কমানোর বিরোধী। তাদের মতে, এতে বড় প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ম নিজেদের পক্ষে ব্যবহার করে ছোট প্রতিযোগীদের ক্ষতি করতে পারবে। কানাডার এআই স্টার্টআপ কোহেয়ারের প্রধান নির্বাহী আইডান গোমেজ এ উদ্যোগকে ‘অন্য নামে একটি কার্টেল’ বলেছেন।</p><p>সেলসফোর্স অ্যানথ্রপিক ও কোহেয়ারে বিনিয়োগ করেছে। টাইমের মালিক মার্ক বেনিওফ সেলসফোর্সের প্রধান নির্বাহী। ওপেনএআইয়ের সঙ্গে টাইমের লাইসেন্স ও প্রযুক্তিবিষয়ক চুক্তিও রয়েছে।</p><p>যেসব প্রতিষ্ঠান স্বেচ্ছায় গতি নিয়ন্ত্রণের চুক্তি চায়, তারাও বাড়তি নিশ্চয়তা ছাড়া তা করতে রাজি নয়। কারণ, কোনো প্রতিষ্ঠানই প্রতিযোগীদের বিশ্বাস করে না বা পিছিয়ে পড়তে চায় না।</p><p><strong>আইন করার উদ্যোগ ও ট্রাম্পের বাধা</strong></p><p>এআই নিয়ন্ত্রণে মার্কিন কংগ্রেসে কয়েকটি প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে রয়েছে এআই গবেষণাগারগুলোকে তাদের মডেলের সম্ভাব্য ক্ষতি কমাতে বাধ্য করা, জরুরি পরিস্থিতিতে উন্নত এআই বন্ধ করার ব্যবস্থা রাখা এবং মডেলের ঝুঁকি সম্পর্কে সরকারকে প্রতিবেদন দেওয়া।</p><p>আরও কঠোর প্রস্তাবে অতিবুদ্ধিমান এআই নিষিদ্ধ এবং কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা নিরাপত্তাবিধি তৈরি না করা পর্যন্ত উন্নত এআই তৈরির কাজ বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছে। সরকার উৎখাত, বিপুল মানুষ হত্যা, মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়া বা মানুষকে প্রতারিত করতে সক্ষম মডেল নিষিদ্ধ করার দাবিও উঠেছে।</p><p>তবে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন সহজ হবে না। একাধিক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রস্তাবের কোনো একটিতে একমত হয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে আইন পাস করা কঠিন।</p><p>এআই নিয়ন্ত্রণের পক্ষ ও শিল্পের পক্ষের রাজনৈতিক তহবিলগুলো নির্বাচনে কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে। এআইপন্থী ‘লিডিং দ্য ফিউচার’-এর সমর্থন পাওয়া প্রায় সব প্রার্থী নিজ দলের প্রাথমিক নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।</p><blockquote>ট্রাম্পের কয়েকজন শীর্ষ সহকারী তাঁকে অবস্থান বদলানোর অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁদের যুক্তিতে সন্তুষ্ট হননি এবং বিষয়টিতে তেমন আগ্রহও দেখাননি।</blockquote><p>নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর আরেকটি বড় বাধা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি চীনের সঙ্গে এআই প্রতিযোগিতাকে এমন লড়াই হিসেবে দেখেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্রকে জিততেই হবে।</p><p>১৪ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে লেখেন, এআইয়ের একমাত্র প্রয়োজনীয় ‘সুরক্ষাব্যবস্থা’ হলো একজন শক্তিশালী, বুদ্ধিমান ও উচ্চ আইকিউর প্রেসিডেন্ট। তাঁর অভিযোগ, এআই ও ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে ‘অসুস্থ ষড়যন্ত্র’ চলছে, যাতে শুধু চীনই খুশি হবে।</p><p>তবে ট্রাম্পের অবস্থান মার্কিন জনমতের বিপরীত। এনবিসি নিউজের এক জরিপে ৫৭ শতাংশ ভোটার বলেছেন, এআইয়ের সুবিধার চেয়ে ঝুঁকি বেশি। বিপরীত মত দিয়েছেন ৩৪ শতাংশ।</p><p>অন্য জরিপগুলোতে চাকরি, মানুষের সৃজনশীল চিন্তা ও অর্থপূর্ণ সম্পর্কের ওপর এআইয়ের প্রভাব নিয়েও উদ্বেগ দেখা গেছে। রাজনৈতিক সব পক্ষেই ডেটা সেন্টারের বিরোধিতা রয়েছে। আগে ডেটা সেন্টারের সমর্থক হলেও টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট আগস্টে নতুন ডেটা সেন্টার নির্মাণ সাময়িকভাবে বন্ধ করেন।</p><p>ট্রাম্পের কয়েকজন শীর্ষ সহকারী তাঁকে অবস্থান বদলানোর অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু তিনি তাঁদের যুক্তিতে সন্তুষ্ট হননি এবং বিষয়টিতে তেমন আগ্রহও দেখাননি।</p><p><strong>চীনের সঙ্গে সমঝোতা কতটা সম্ভব</strong></p><p>এআইয়ের ঝুঁকি মোকাবিলায় চীনের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তি তৈরির আলোচনা শুরু করতে চায় হোয়াইট হাউস। তবে দুই দেশ সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে কি না, তা নিশ্চিত নয়।</p><p>২০২৪ সালে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের প্রতিনিধিরা সাত ঘণ্টা আলোচনা করেছিলেন। এরপরও কোনো চুক্তি হয়নি, এমনকি ভবিষ্যতে আলোচনা চালানোর অঙ্গীকারেও পৌঁছানো যায়নি। শেষ পর্যন্ত বৈঠক বাণিজ্য বিরোধে পরিণত হয়। এআই প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকতে যুক্তরাষ্ট্র চীনে উন্নত সেমিকন্ডাক্টর রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ করেছিল।</p><p>সাম্প্রতিক প্রযুক্তিগত অগ্রগতি দুই দেশকেই আবার আলোচনায় বসার কারণ দিয়েছে। এপ্রিলে অ্যানথ্রপিক জানায়, তাদের মিথোস মডেল প্রধান সব ব্রাউজার ও অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা দুর্বলতা খুঁজে পেয়েছে।</p><p>এরপর মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের নিয়ে জরুরি বৈঠক করেন। পরে তিনি জানান, চীনের সঙ্গে আলোচনা শুরুর প্রক্রিয়া চলছে।</p><blockquote>দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিতেও পার্থক্য রয়েছে। চীনের নীতিনির্ধারকেরা এআইকে বিদ্যুৎ বা বাষ্পীয় ইঞ্জিনের মতো সাধারণ কাজে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি মনে করেন। তাই এর উন্নয়নের গতি কমানো তাঁদের কাছে খুব অর্থপূর্ণ নয়।</blockquote><p>চীনও নতুন ঝুঁকি মোকাবিলায় পদক্ষেপ নিচ্ছে। ১৩ সেপ্টেম্বর দেশটির গোয়েন্দা সংস্থা জানায়, এআই রাজনৈতিক ও আদর্শিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করছে। চলতি মাসের শেষে দুই দেশের প্রতিনিধিদের বৈঠক হওয়ার কথা। ট্রাম্প প্রশাসনের সময় এটিই হবে প্রথম আনুষ্ঠানিক এআই সংলাপ।</p><p>তবে কোনো সরকারই এআই উন্নয়নের গতি কমানোর বিষয়টি আলোচনায় রাখবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন না। বড় মডেলের প্রশিক্ষণ ধীর করার চুক্তি হলেও দুই পক্ষ তা মানছে কি না, যাচাই করার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি এখনো তৈরি হয়নি।</p><p>দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গিতেও পার্থক্য রয়েছে। চীনের নীতিনির্ধারকেরা এআইকে বিদ্যুৎ বা বাষ্পীয় ইঞ্জিনের মতো সাধারণ কাজে ব্যবহারযোগ্য প্রযুক্তি মনে করেন। তাই এর উন্নয়নের গতি কমানো তাঁদের কাছে খুব অর্থপূর্ণ নয়।</p><p><strong>সীমিত চুক্তির সম্ভাবনা</strong></p><p>চীনের সঙ্গে বড় চুক্তি না হলেও সীমিত কয়েকটি বিষয়ে সমঝোতা হতে পারে। সংঘবদ্ধ অপরাধী ও সন্ত্রাসী সংগঠনকে এআইয়ের অপব্যবহার থেকে বিরত রাখা এবং কোনো এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে।</p><p>স্নায়ুযুদ্ধের সময়ের মতো একটি জরুরি হটলাইন চালুর প্রস্তাবও রয়েছে। কোনো এআই সাইবার হামলা চালালে এ হটলাইনের মাধ্যমে এক দেশ অন্য দেশকে জানাতে পারবে যে হামলাটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। এতে পাল্টাপাল্টি সংঘাতের ঝুঁকি কমবে।</p><p>এমন ব্যবস্থা না থাকলে এক দেশ থেকে আসা কোনো হামলাকে অন্য দেশ ইচ্ছাকৃত বলে ধরে নিতে পারে, যদিও কোনো সরকারই হয়তো হামলার নির্দেশ দেয়নি।</p><p>তবে উন্নত চিপ রপ্তানিতে নিয়ন্ত্রণ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মডেল ব্যবহার করে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব মডেল উন্নত করা ঠেকানোর চেষ্টা পারস্পরিক বিশ্বাস নষ্ট করেছে।</p><p>অন্য প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী মডেল ব্যবহার করে তুলনামূলক ছোট মডেল উন্নত করার প্রক্রিয়াকে ‘ডিস্টিলেশন’ বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মডেল থেকে ডিস্টিলেশন করা চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়েছে।</p><p>আলোচনা ধীরে এগোলে বা ভেঙে গেলে আবার আলোচনায় ফিরতে কয়েক মাস লাগতে পারে। অথচ এআই নিয়ে উদ্বেগ দ্রুত বাড়ছে। ফলে কূটনীতির ধীরগতি বাস্তব পরিস্থিতির সঙ্গে ক্রমেই অসামঞ্জস্যপূর্ণ হয়ে উঠছে।</p><p><strong>প্রথম পদক্ষেপ নেবে কে</strong></p><p>এআইয়ের নিরাপত্তায় বড় পদক্ষেপ নিতে চাইলেও একটি মৌলিক সমস্যা থেকে যাচ্ছে। এক পক্ষ কী করবে, তা নির্ভর করছে অন্য পক্ষের পদক্ষেপের ওপর।</p><p>এ কারণেই কক্সন প্রায় অ্যানথ্রপিকে থেকে গিয়েছিলেন। তাঁর সহকর্মীরা মনে করতেন, প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেয়ে প্রতিষ্ঠানের ভেতরে থেকে এআইকে নিরাপদ করতে তিনি বেশি ভূমিকা রাখতে পারবেন। কারণ, তিনি চলে গেলেও প্রতিযোগিতা থামবে না।</p><p>পদত্যাগের এক সপ্তাহ আগে কক্সন কাজের ধরন বদলান। মডেল প্রশিক্ষণের বদলে সেগুলো নিরাপদ করার গবেষণা শুরু করেন। কিন্তু তাঁর ‘আসন্ন বিপদের অনুভূতি’ দূর হয়নি।</p><p>নিজের শেয়ারের মালিকানা পাওয়ার মাত্র দুই মাস আগে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। তাঁর ভাষায়, ‘আগামী দুই বছরের কথা ভাবলে আমার ব্যক্তিগত ও স্বার্থপর উদ্বেগ একটাই—আমি এআইয়ের হাতে মারা যাব কি না।’</p><p>কক্সনের মতে, ‘আমরা যে পথে এগোচ্ছি, সেটি বদলাতে হলে কাউকে না কাউকে পদক্ষেপ নেওয়া শুরু করতে হবে।</p><p>প্রশ্ন হলো, প্রথম পদক্ষেপ নেবে কে?’</p><ul><li><p><strong>টাইম</strong> ও <strong>নিউইয়র্ক টাইমস</strong> অবলম্বনে</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>খাবার, গ্যাস, বিদ্যুৎ, প্রসাধনী, ঘরেই যেভাবে সব তৈরি করেন সংগীত-কাব্যা দম্পতি</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/o7nt03xl13</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/o7nt03xl13#comments</comments><guid isPermaLink="false">fae7d8e2-7201-41b2-a21a-fb48efdd8136</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হুমায়রা মাহজাবিন</atom:name><atom:uri>/api/author/2567524</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>গাছ লাগানো,প্রকৃতি,ফল,গবাদি পশু,চাষাবাদ,জীবনযাপন,পরিবেশবান্ধব</media:keywords><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এমন যদি হয়, সকালবেলা সবজি কিনতে বাজারে যেতে হলো না, নিজের হাতে বাগান থেকে তুলে নিজেই রান্না করছেন। রান্নার চুলায় যে জ্বালানি ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটিও বাড়ির ফেলে দেওয়া জৈব বর্জ্য থেকে তৈরি হচ্ছে। আর সন্ধ্যার পর ঘর আলোকিত করছে সূর্যের আলো থেকে তৈরি বিদ্যুৎ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/1vjny5in/Online-2.jpeg" /><figcaption>নিজের বাগানের সবজি, জৈব বর্জ্য থেকে তৈরি জ্বালানি আর সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতে চলছে সংগীত ও কাব্যার  সংসার।</figcaption></figure><p>ভারতের কেরালার সংগীত ও কাব্যা দম্পতির বাড়িতে এমন ব্যবস্থাই চলছে দিনের পর দিন। সঞ্চয়ের প্রায় ৬০ শতাংশ অর্থ দিয়ে তৈরি এ বাড়ি বাইরে থেকে দেখতে আর দশটি বাড়ির মতোই সাধারণ—চারপাশে গাছপালা, সবজির বাগান, গরু-মুরগি। </p><p>কিন্তু বাড়িটির আসল বিশেষত্ব একটু ভেতরে ঢুকলে চোখে পড়বে। এখানে বাগান শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, গরু-মুরগি শুধু পালনের জন্য নয়, আর রান্নাঘরের বর্জ্যও নিছক ফেলে দেওয়ার জিনিস নয়। বাড়ির প্রতিটি অংশকে অন্যটির সঙ্গে যুক্ত করে সংগীত ও কাব্যা গড়ে তুলেছেন নিজেদের প্রয়োজন মেটানোর স্বনির্ভর এক ব্যবস্থা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/enbjy1nvtc">পরিবেশবান্ধব উপায়ে কীভাবে সন্তান পালন করবেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/q9cgsand/Online-4.jpeg" /><figcaption>বাড়ির বাগানে সব ধরনের সবজি চাষ করেন সংগীত ও কাব্যা</figcaption></figure><h3>গল্পের শুরু ভ্রমণ থেকে</h3><p>এ বাড়িতে বসবাস শুরুর আগে দশ বছরের বেশি সময় ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ভ্রমণ করেছেন সংগীত ও কাব্যা। চাকরি তাঁদের দীর্ঘ ভ্রমণের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ালে দুজনই চাকরি ছেড়ে ফ্রিল্যান্স কাজ করা শুরু করেন। ভ্রমণে তাঁদের জীবনযাপনের ধরন ছিল প্রচলিত পর্যটকদের চেয়ে আলাদা। গাড়িতেই রান্না করতেন, সঙ্গে রাখতেন প্রয়োজনীয় খাবার, তাঁবু ও অল্প কিছু কাপড়। হোটেল বা রেস্তোরাঁর ওপর নির্ভর না করে নিজেদের মতো করে চলতেন। </p><p>অনেক সময় কোনো জলাশয় বা পুকুরে কাপড় ধুয়ে শুকিয়ে আবার যাত্রা। প্রতিদিনের খরচও তাঁরা যতটা সম্ভব সীমিত করে এনেছিলেন। ভ্রমণের পথে কম জিনিসে চলা, নিজের খাবার নিজে তৈরি করা এবং প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বেঁচে থাকার যে অভ্যাস তৈরি হয়েছিল, বাড়িতে থিতু হয়ে সেটিই যেন আরও স্থায়ী রূপ পেয়েছে। রাস্তায় গাড়ির ছোট পরিসরে যেসব কাজ করতেন, সেগুলোই এখন নিজেদের জমি ও বাড়িকে ঘিরে করছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/hy4vtns1/Online-5.jpeg" /><figcaption>বাড়িতেই মাশরুম চাষ করেন</figcaption></figure><h3>বাগান থেকেই রান্নাঘরের জোগান</h3><p>বাড়ির বাগানে সব ধরনের সবজি চাষ করেন সংগীত ও কাব্যা। মাছও চাষ করেন। ধান ফলানোর চেষ্টাও চলছে। বাড়িতে কৃষিকাজের পাশাপাশি তাঁরা পশুপালনও করেন। রয়েছে গরু ও মুরগি। গরু থেকে মিলছে দুধ, মুরগি থেকে ডিম। ফলে প্রতিদিনের খাবারের অনেকখানি অংশের জোগান তাঁরা বাড়ি থেকে পান। </p><p>মাস শেষে তাই বাজারের খরচ অনেকটাই কমে যায়। নিজের হাতে ফলানো সবজি তুলে রান্না করা কিংবা বাড়ির উৎপাদিত খাবার খাওয়ার আনন্দই আলাদা। তার চেয়ে বড় কথা, খাবারের জোগান যখন বাড়ি থেকেই আসে, তখন বাজারের ওপর নির্ভরতাও অনেকখানি কমে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/wnqiyynk3r">জাপানি এই ১০ অভ্যাস আপনার জীবনকে করবে আরও সুন্দর</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/hsw0tppn/Online-7.jpeg" /><figcaption>বাড়িতে কৃষিকাজের পাশাপাশি তাঁরা পশুপালনও করেন</figcaption></figure><h3>ফেলনা জিনিসই জ্বালানি</h3><p>গরুর গোবরও তাঁদের এ স্বনির্ভর ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান, যা ব্যবহৃত হচ্ছে রান্নার জ্বালানি বায়োগ্যাস তৈরিতে। সংগীত-কাব্যার বাড়ির একটি অংশে রয়েছে বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট। রান্নাঘরের পচনশীল বর্জ্য ও গরুর গোবর সেখানে দেওয়া হয়। অক্সিজেনের অনুপস্থিতিতে অণুজীবের মাধ্যমে এসব জৈবপদার্থ ভাঙার প্রক্রিয়ায় তৈরি হয় বায়োগ্যাস। রান্নার কাজে ব্যবহার করা হয় সেই গ্যাস।</p><p>বায়োগ্যাস তৈরির পর প্ল্যান্টে যে অবশিষ্ট পদার্থ থাকে, সেটিও কৃষিকাজে ব্যবহার করেন তাঁরা। ফলে বাড়িটিতে তৈরি হয়েছে একধরনের ছোট চক্র—গরুর গোবর যাচ্ছে বায়োগ্যাস প্ল্যান্টে, সেখান থেকে তৈরি হচ্ছে রান্নার জ্বালানি আর গ্যাস উৎপাদনের পরের অবশিষ্ট অংশ ফিরে যাচ্ছে কৃষিকাজে। সেই কৃষি থেকেই আবার মিলছে খাবার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/q5hds7wj/Online-14.jpeg" /><figcaption>সংগীত ও কাব্যার বাড়ির মাছ</figcaption></figure><h3>রান্নার পর বিদ্যুতের হিসাব</h3><p>বাড়ির বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে এই দম্পতি ব্যবহার করেন সৌরশক্তি। বাড়ির ছাদে থাকা সোলার প্যানেল থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ দৈনন্দিন কাজে ব্যবহারের পাশাপাশি সেচের কাজেও ব্যবহার করেন তাঁরা। এখানেও লক্ষ্যটা একই—বাইরের উৎসের ওপর যতটা সম্ভব কম নির্ভরতা। আর প্রয়োজনের তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদিত হলে তা থেকে আয়ের সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।</p><h3>অল্প জায়গায় মাশরুম চাষ</h3><p>বাড়িটির আরেকটি অংশে মাশরুম চাষ করেন সংগীত–কাব্যা। এ ফসলের জন্য বিশাল জমির প্রয়োজন হয় না। নির্দিষ্ট কিছু প্রজাতির মাশরুমের ক্ষেত্রে উপযুক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে পারলেই তুলনামূলক ছোট জায়গায় মাশরুম চাষ করা সম্ভব। তাঁরা ২৫ দিন অন্তর মাশরুম সংগ্রহ করেন। অর্থাৎ বাড়ির প্রতিটি কোণকে শুধু থাকার জায়গা হিসেবে না দেখে উৎপাদনের কাজে লাগাচ্ছেন তাঁরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/dirhpzyd/Online-3.jpeg" /><figcaption>পরিবেশবান্ধব বাড়ি</figcaption></figure><h3>মৌমাছির বাক্সে মধুর পাশাপাশি পরাগায়ন</h3><p>বাড়ির চারপাশে বসানো কাঠের বাক্সে তৈরি করা হয়েছে মৌমাছির বাসা। সেখান থেকে পাওয়া যায় মধু। ফুল থেকে ফুলে ঘুরে বেড়ানোর সময় পরাগায়নেও ভূমিকা রাখে মৌমাছি। ফলে বাগানের ফুল, ফসল ও মৌমাছির মধ্যেও তৈরি হয়েছে একটি প্রাকৃতিক যোগসূত্র।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/rfrjr95j/Online-16.jpeg" /><figcaption>প্রসাধনপণ্য বাড়ির নারকেল কিংবা কমলা, আমলকীর মতো উপকরণ দিয়ে তৈরি করছেন তাঁরা</figcaption></figure><h3>ঘরেই হচ্ছে প্রসাধনপণ্য</h3><p>স্বনির্ভরতার পরিধি শুধু খাবার কিংবা জ্বালানিতে থেমে নেই। সংগীত ও কাব্যা ঘরেই তৈরি করেন দৈনন্দিন ব্যবহার্য্য প্রসাধনপণ্য। কাজল, ময়েশ্চারাইজার ও ফেসওয়াশের মতো ব্যক্তিগত পরিচর্যার সামগ্রী নিজেদের বাড়ির নারকেল কিংবা কমলা, আমলকীর মতো উপকরণ দিয়ে তৈরি করছেন তাঁরা। ফলে বাড়ির গাছগুলো শুধু খাবার বা অক্সিজেনের উৎস নয়; দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন মেটানোরও উৎস।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/jh06uhoz8l">তামিল রীতিতে সামান্থার ঘরোয়া ‘বেবি শাওয়ার’</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/8f05bthy/Online-6.jpeg" /><figcaption>বাড়ির গাছগুলো শুধু খাবার বা অক্সিজেনের উৎস নয়,সংগীত ও কাব্যার  দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন মেটানোরও উৎস</figcaption></figure><h3>প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক</h3><p>প্রকৃতির সঙ্গে এই দম্পতির সম্পর্ক অবশ্য বাড়ির সীমানায় থেমে নেই। দীর্ঘ ভ্রমণের সময়ও তাঁরা পরিবেশের জন্য কিছু করার চেষ্টা করেছেন। গত দেড় বছরে ভ্রমণের পথে ১০ হাজারের বেশি গাছের চারা লাগিয়েছেন তাঁরা।</p><p>লাগানো গাছগুলোর অবস্থান জিপিএস ট্র্যাকের মাধ্যমে নজরে রাখা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের স্বেচ্ছাসেবীদের সহায়তায় সেগুলোতে পানি দেওয়ার ব্যবস্থাও করেছেন। আগামী পাঁচ বছরে তাঁদের এক লাখ গাছ লাগানোর লক্ষ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/6o1hlply/Online-12.jpeg" /><figcaption>বিদ্যুতের চাহিদা মেটাতে  ব্যবহার করেন সৌরশক্তি</figcaption></figure><h3>একটি বাড়ি, অনেকগুলো চক্র</h3><p>বাগান থেকে আসছে খাবার, গরু থেকে দুধ ও গোবর, গোবর থেকে বায়োগ্যাস, কৃষিতে কাজে লাগছে অবশিষ্ট অংশ। সূর্য থেকে বিদ্যুৎ আর মৌমাছি থেকে মধুর পাশাপাশি পাওয়া যাচ্ছে পরাগায়নে সহায়তা। একটি ব্যবস্থার ‘বর্জ্য’ যেন অন্য ব্যবস্থার সম্পদ হয়ে ফিরে আসছে। </p><p>সব মিলিয়ে এই বাড়ি যেন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ জীবনযাপনের ছবি। বাইরের উৎসের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে, বাড়ির ভেতরের সম্পদকে বারবার কাজে লাগিয়ে এবং প্রয়োজনকে কিছুটা সীমিত করে ফেলে জীবনযাপনের একটি বিকল্প পথ তৈরি করেছেন সংগীত ও কাব্যা।<br><strong><sup>তথ্যসূত্র</sup></strong><sup>: ইনস্টাগ্রাম, টাইমস লাইফ, দ্য বেটার ইন্ডিয়া</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/izfbvctpty">এই জামাগুলো পুরোনো কাপড়ে তৈরি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে পরিযায়ী পাখির ওড়ার জন্য আলো নিভিয়ে রাখার অনুরোধ</title><link>https://www.bigganchinta.com/biology/wfr4o19dlp</link><comments>https://www.bigganchinta.com/biology/wfr4o19dlp#comments</comments><guid isPermaLink="false">eaaae203-6c22-4642-bb35-349e1a420ca2</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমাদ মুদ্দাসসের</atom:name><atom:uri>/api/author/1848627</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,জীববিজ্ঞান আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="1688" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/3fsxd95l/10xp-birds-Ohio-nyt-mvpc-videoSixteenByNine3000.jpg" width="3000"><media:title type="html"><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রে ১২ সেপ্টেম্বর শরতের মাইগ্রেশন বা পরিযায়ী পাখির চলাচল শুরু হয়েছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/3fsxd95l/10xp-birds-Ohio-nyt-mvpc-videoSixteenByNine3000.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>biology</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রতি বছর পরিযায়ী পাখি হাজারো কিলোমিটার পথ পাড়ি দেয়। এই দীর্ঘ যাত্রায় এদের জন্য বড় বিপদ হয়ে দাঁড়ায় শহরের আলো। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভবনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রতিবছর বিশ্বজুড়ে অন্তত ১০০ কোটি পাখি মারা যায়।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রে ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার শরতের মাইগ্রেশন বা পরিযায়ী পাখির চলাচল শুরু হয়েছে। এবার ৩০ কোটির বেশি পাখি আকাশে উড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পাখিদের নিরাপদে উড়ে যাওয়ার সুযোগ দিতে দেশটির বিভিন্ন শহরের বাসিন্দাদের বাড়িঘর ও ভবনের আলো নিভিয়ে বা কমিয়ে রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>এই পরিযায়ী দলে আছে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। কালোপোল ওয়ার্বলার, চিমনি সুইফট, স্কিসর-টেইলড ফ্লাইক্যাচারসহ শত শত প্রজাতির পাখি উত্তর গোলার্ধ থেকে দক্ষিণ আমেরিকার দিকে উড়ে যাবে। শীতের সময় তুলনামূলক উষ্ণ আবহাওয়া ও বেশি খাবারের সন্ধানে এরা এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দেবে।&nbsp;</p><p>পাখির এই&nbsp; যাত্রা মোটেও নিরাপদ না। কর্নেল ইউনিভার্সিটির বার্ডকাস্টের গবেষক আদ্রিয়ান ডক্টর বলেন, প্রতিবছর অন্তত ১০০ কোটি পাখি আকাশচুম্বী ভবন ও আলোয় ভরা অন্যান্য স্থাপনার সঙ্গে ধাক্কা লেগে মারা যায়। বার্ডকাস্ট হলো এমন একটি অনলাইন ব্যবস্থা, যেখানে পাখিদের পরিযানের গতিবিধি প্রায়রিয়েল টাইম বা বাস্তব সময়ে দেখা যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/cause/9ad7ogtccc">শীতকালেই কেন পরিযায়ী পাখি দেখা যায়? </a></aside><blockquote>যুক্তরাষ্ট্রে ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার শরতের মাইগ্রেশন বা পরিযায়ী পাখির চলাচল শুরু হয়েছে। এবার ৩০ কোটির বেশি পাখি আকাশে উড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</blockquote><p>সাধারণত রাতের অন্ধকারে পাখিরা পরিযায়ী হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সবচেয়ে বেশি পাখির দেখা মিলতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলের মিনেসোটা ও মিশিগানে। এরপর এরা ইলিনয় ও ইন্ডিয়ানা হয়ে দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যগুলোর দিকে যেতে পারে। সেখান থেকে উড়ে এরা যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা পেরিয়ে দক্ষিণ আমেরিকার দিকে চলে যাবে বলে গবেষকেরা পূর্বাভাস দিয়েছেন।</p><p>পাখির নিরাপদ চলাচলের জন্য মিনিয়াপোলিস ও শিকাগোর মতো কিছু শহর বাসিন্দাদের ঘরের ও ভবনের আলো নিভিয়ে বা কমিয়ে রাখার অনুরোধ করেছে। ভবনের মালিক ও ব্যবস্থাপকেরাও বাইরে সাজসজ্জার জন্য ব্যবহৃত আলো ও উজ্জ্বল আলো নিভিয়ে রাখতে পারেন। প্রয়োজনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ বা কোনো প্রাণীর চলাচল বুঝে জ্বলে ওঠে এমন সেন্সরও ব্যবহার করতে পারে। পাখি সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা খ্যাতনামা সংগঠন অডুবন সোসাইটির পরামর্শ, রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় আলো বন্ধ বা কমিয়ে রাখা ভালো।</p><p>বুনো পাখির মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ ভবনের সঙ্গে ধাক্কা লাগা। নিউইয়র্ক সিটি বার্ড অ্যালায়েন্সের নির্বাহী পরিচালক জেসিকা উইলসনের মতে, খারাপ আবহাওয়ার সময় অনেক পাখি দিক হারিয়ে উঁচু ভবনের সঙ্গে ধাক্কা খায়। আবার আলোয় আকৃষ্ট হয়ে অনেক পাখি উজ্জ্বল জায়গার দিকে উড়ে যায়। সেখানে কাচের জানালা থাকলে এরা সেটি বুঝতে পারে না। ফলে কাচে ধাক্কা লেগে আহত হয় বা মারা যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/5o4a602fm7">শীতের পরিযায়ী</a></aside><blockquote>১৯ সেপ্টেম্বর শনিবার সবচেয়ে বেশি পাখির দেখা মিলতে পারে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলের মিনেসোটা ও মিশিগানে। এরপর এরা ইলিনয় ও ইন্ডিয়ানা হয়ে দক্ষিণের অঙ্গরাজ্যগুলোর দিকে যেতে পারে।</blockquote><p>এ বছরের শরতের পরিযায়ী পাখির চলাচল শুরু হয়েছে আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে। আগামী দুই সপ্তাহে এর তীব্রতা সবচেয়ে বেশি হতে পারে। পার্ডু ইউনিভার্সিটির পোস্টডক্টরাল গবেষণা সহকারী ডিলান অস্টারহাউসের ধারণা, এ সময় উত্তর গোলার্ধের আকাশে ৫০ কোটির বেশি পাখি উড়তে পারে। সাধারণত নভেম্বরের মাঝামাঝি গিয়ে শরতের পরিযায়ী পাখির যাত্রা শেষ হয়।</p><p>কখন উড়তে হবে, সেটি ঠিক করতে পাখিরা আবহাওয়ার ওপর অনেকটা নির্ভর করে। কোনো এলাকায় ঝড় শুরু হলে এরা ওড়া থামিয়ে দিতে পারে। পারডু ও কর্নেল ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা আবহাওয়ার রাডার থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে পাখির চলাচলের পূর্বাভাস দেন। বাতাসের অনুকূল পরিবর্তনের মতো কিছু আবহাওয়াগত পরিস্থিতির সঙ্গে বড় ঝাঁক বেঁধে পাখির উড়ে যাওয়ার সম্পর্ক খুঁজে পেয়েছেন তাঁরা। কয়েক দশকের আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা এমন একটি মডেল তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ভিত্তিতে কত পাখি আকাশে উড়তে পারে তার পূর্বাভাস দেওয়া যায়।</p><p>তবে সব প্রজাতির পাখির পরিযানের ধরন এক না। যেমন ডার্ক-আইড জুনকো পাখি গ্রীষ্মকালে কানাডায় বাসা বাঁধে। শীত এলে এরা যুক্তরাষ্ট্রের দিকে চলে যায়। গবেষক ডিলান অস্টারহস বলেছেন, বেঁচে থাকা ও নিজেদের বংশধর টিকিয়ে রাখার সম্ভাবনা বাড়াতেই পাখিরা এভাবে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যায়।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/6m2melflpx">কিছু পাখি কেন মানুষের মতো কথা বলে</a></aside><blockquote>কয়েক দশকের আবহাওয়ার তথ্য বিশ্লেষণ করে গবেষকেরা এমন একটি মডেল তৈরি করেছেন, যার মাধ্যমে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ভিত্তিতে কত পাখি আকাশে উড়তে পারে তার পূর্বাভাস দেওয়া যায়।</blockquote><p>শরতের এই উড়ালে পাখির সংখ্যা বেশি থাকে। কারণ, গ্রীষ্মের প্রজনন মৌসুম শেষ হয়ে যাওয়ার পর অনেক নতুন পাখি দলে যোগ দেয়। আহত বা অসুস্থ পাখিদের চিকিৎসা দেওয়া যুক্তরাষ্ট্রের অলাভজনক প্রতিষ্ঠান ওয়াইল্ড বার্ড ফান্ডের যোগাযোগ পরিচালক ক্যাথরিন কুয়েল জানান, ৫ থেকে ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার পর্যন্ত তাঁদের কাছে ৪৫৩টি পাখি এসেছে। এর মধ্যে ১২৪টি পাখি জানালার কাচে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়েছিল।</p><p>পাখির জন্য কাচের জানালা একটি বড় সমস্যা। জানালায় গাছপালা বা আকাশের প্রতিবিম্ব দেখা যায়। পাখিরা একে আসল গাছ বা খোলা আকাশ মনে করে সেদিকে উড়ে যায়। ফলে কাচের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। শুধু নিউইয়র্ক শহরেই প্রতিবছর ভবনের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ২ লাখ ৫০ হাজারের বেশি পাখি মারা যায়।</p><p>তবে পাখিদের বাঁচাতে মানুষ কিছু সহজ কাজ করতে পারে। গবেষকদের পরামর্শ, জানালার কাচে নকশাযুক্ত বিশেষ ফিল্ম বা আবরণ লাগানো যেতে পারে। এতে কাচের স্বচ্ছতা কমে যাবে এবং পাখিরা জানালাকে বাধা হিসেবে সহজে বুঝতে পারবে।</p><h4>লেখক: জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক, কিশোর আলো</h4><h4>সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/jb8n81tqm3">পাখি টানা কতদিন আকাশে উড়তে পারে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>শিয়ান: এক দিনে হাজার বছর</title><link>https://www.haal.fashion/travel/abroad/691oxtegfo</link><comments>https://www.haal.fashion/travel/abroad/691oxtegfo#comments</comments><guid isPermaLink="false">58f716f4-6bbb-4967-a3a1-f87ebfb18720</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এই শহরে অতীতকে জাদুঘর নয়, দেখা যায় নানাভাবে। এ শহর নিজেই গল্পকথক। বলে চলে এক রাজার গল্প। এক সাম্রাজ্যের গল্প। এক সভ্যতার গল্প। আর সারা বিশ্ব সেটাই শোনে সবিস্ময়ে।]]></description><media:keywords>চীন,রাজা,ভ্রমণ</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/xqme10zr/Chna-1.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/xqme10zr/Chna-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এই শহরে অতীতকে জাদুঘর নয়, দেখা যায় নানাভাবে। এ শহর নিজেই গল্পকথক। বলে চলে এক রাজার গল্প। এক সাম্রাজ্যের গল্প। এক সভ্যতার গল্প। আর সারা বিশ্ব সেটাই শোনে সবিস্ময়ে।</p><p>রাত গভীর। রাজপ্রাসাদের চারপাশে নিস্তব্ধতা। দূরে কোথাও প্রহরীর পায়ের শব্দ। বিশাল কক্ষের জানালার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন চীনের প্রথম সম্রাট কিন শি হুয়াং। পাশে তাঁর রানি। সম্রাটের কাঁধে আলতোভাবে হাত ছুঁয়ে রানি জানতে চাইলেন—<br> —ঘুম আসছে না, সম্রাট?<br> —ভাবছি, আমি চলে গেলে আমার সাম্রাজ্যের কী হবে।<br> —সাম্রাজ্য কি কখনো চিরকাল থাকে?<br> —সাম্রাজ্য হয়তো থাকবে না। কিন্তু আমি থাকব।<br> —কীভাবে!<br> —আমার সেনাবাহিনী থাকবে আমার সাথে।<br> —মৃত্যুর পর!<br> —হ্যাঁ। আমার সৈন্য থাকবে। হাজার হাজার সৈন্য। ঘোড়া থাকবে, রথ থাকবে, অস্ত্র থাকবে। ওরা মৃত্যুর পরও আমাকে পাহারা দেবে।<br> —আর যদি কেউ ওদের অস্তিত্ব জানতে পারে?<br> —তাহলে ওরা জানবে একদিন এক সম্রাট ছিল, যে মৃত্যুকেও সাম্রাজ্যের শেষ বলে মানেনি।</p><p>ইতিহাসে এমন কোনো কথোপকথনের উল্লেখ নেই। তবু কয়েক হাজার বছর পর শিয়ানের মাটির নিচে দাঁড়িয়ে থাকা টেরাকোটা আর্মির দিকে তাকিয়ে মনে হলো, সম্রাটের এই কথোপকথন হয়তো সময়ের ভেতর কোথাও জমে আছে। ওই রাতে সম্রাট হয়তো জানতেন না একদিন তাঁর সাম্রাজ্য থাকবে না, প্রাসাদ থাকবে না; কিন্তু তাঁর মাটির সৈন্যরা পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে মানুষকে টেনে আনবে তাঁর হারিয়ে যাওয়া রাজধানী চাংআনে। ওই একই টানে আমারও আগমন চীনের শিয়ানে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/kith65uy/PXL20260820074009152-1-1-1-1.jpeg" /><figcaption>এভাবে আজও আছে কিন শি হুয়াং আর্মিরা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/7njcgkwl/PXL20260820074507856-1.jpeg" /><figcaption>টেরাকোটা আর্মি এক অপার বিস্ময়</figcaption></figure><p>এই শহরে অতীতকে শুধু জাদুঘরের কাচের ভেতর দেখতে হয় না; হাঁটতে হাঁটতে, খেতে খেতে, ঘণ্টাধ্বনি শুনতে শুনতে তাকে অনুভব করা যায়। বহু রাজবংশের রাজধানী ছিল এই শহর। বিশেষ করে হান ও তাং আমলে চাংআন ছিল চীনা সভ্যতার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র এবং সিল্ক রোডের পূর্ব প্রান্তের এক গুরুত্বপূর্ণ নগর।</p><p>বিশাল হলঘরে প্রবেশমাত্রই চোখে পড়ে মাটিরঙা এক বিস্তৃত সমুদ্র। একটু পর বোঝা যায় ওগুলো সৈন্য। সারি সারি সৈন্য। হাজার হাজার। কারও হাতে অস্ত্র, কেউ অশ্বারোহী, কোথাও রথের অবশিষ্টাংশ। ওরা যেন সামনে তাকিয়ে আছে যুদ্ধের নির্দেশের অপেক্ষায়। কারও মুখে কঠোরতা, কারও মুখে অদ্ভুত স্থিরতা। আশ্চর্যের বিষয়, এত সৈন্যের মধ্যে প্রায় প্রত্যেকের মুখের গড়ন আলাদা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/cmdjrrr9/PXL20260820075612259.jpeg" /><figcaption>এত বছর ধরে থেকে গেছে মাটির নিচে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/eipxf91s/PXL20260820072418016.jpeg" /><figcaption>টেরাকোটা আর্মির একাংশ</figcaption></figure><p>খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে কিন শি হুয়াং চীনের বিচ্ছিন্ন রাজ্যগুলোকে একত্র করে প্রথম ঐক্যবদ্ধ সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর মৃত্যুর পরও যেন সাম্রাজ্যের নিরাপত্তা অক্ষুণ্ন থাকে, এই বিশ্বাস থেকেই তাঁর সম্ভাব্য সমাধিস্থলকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিশাল এক ভূগর্ভস্থ জগৎ। টেরাকোটা আর্মি ছিল ওই জগতের সামরিক বাহিনী।</p><p>অথচ এই বাহিনী যে একদিন আবার পৃথিবীর আলো দেখবে, তা হয়তো কেউ ভাবেনি। ভূগর্ভস্থ এত বড় একটি সেনাবাহিনী কয়েক শতাব্দী নয়, দুই হাজার বছর ধরে চাপা পড়ে ছিল। ১৯৭৪ সালে স্থানীয় কৃষকেরা কূপ খনন করতে গিয়ে মাটির নিচে একটি টেরাকোটা মাথা খুঁজে পান। সেই একটি মাথা ভাঙিয়ে দিল সৈন্যদের হাজার বছরের ঘুম। সৈন্যগুলোর দিকে তাকিয়ে মনে হলো রানি যদি আজ এখানে আসতেন, তিনি হয়তো একটু হেসেই সম্রাটকে বলতেন, ‘দেখেছ? তোমার স্বপ্ন সত্যি হয়েছে। তোমার সৈন্যরা সত্যিই রয়ে গেছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/b3p764rb/PXL20260820074834189-1-1.jpeg" /><figcaption>রাজা, রাজ্যপাট নেই বটে, তবু আছে তার প্রহরীরা</figcaption></figure><p>আজ সম্রাট নেই। সাম্রাজ্য নেই। সেই পৃথিবীও নেই। শুধু সময়ের পাহারায় দাঁড়িয়ে আছে সম্রাটের মাটির সেনাবাহিনী। সম্রাট হয়তো মৃত্যুর পরে তাঁর সাম্রাজ্যকে সঙ্গে নিতে পারেননি। কিন্তু তাঁর মাটির সৈন্যরা তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছে। তাঁর তৈরি সৈন্যদের সামনে দাঁড়িয়ে আমরা এখনো তাঁকে নিয়ে গল্প করি। এটাই তো অমরত্ব!</p><p>কোলাহলে মুখর প্রাঙ্গণে টেরাকোটা আর্মির নীরবতা পেছনে ফেলে শহরে ফিরতেই দেখি শিয়ানের অন্য রূপ। চারপাশ ব্যস্ত। গাড়ি ছুটছে, মানুষ হাঁটছে, দোকানপাটে আলো জ্বলছে। এই আধুনিক কোলাহলের ঠিক মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে কয়েক শতাব্দী পুরোনো স্থাপনা; বেল টাওয়ার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/qevcphiu/file0000000081d0820887dbc95b4ddc5d20.jpeg" /><figcaption>মিং রাজবংশের সময় ১৩৮৪ সালে নির্মিত বেল টাওয়ার</figcaption></figure><p>মিং রাজবংশের সময় ১৩৮৪ সালে নির্মিত বেল টাওয়ার প্রথমে অন্য জায়গায় ছিল। পরে ১৫৮২ সালে বর্তমান অবস্থানে সরিয়ে আনা হয়। একসময় এটি শহরের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। ভোরে বেল টাওয়ারের ঘণ্টা শুনে হতো দিনের শুরু, আর সন্ধ্যায় ড্রাম টাওয়ারের ঢাক ঘোষণা করত দিনের সমাপ্তি। এখন ওই দায়িত্ব ঘড়ি আর মুঠোফোনের। এই স্থাপনা এখন সময় জানায় না, বরং সময়কে মনে করিয়ে দেয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/7oqu06w9/PXL20260820105326422.jpeg" /><figcaption>এই স্থাপনা শুরুতে অন্য জায়গায় ছিল</figcaption></figure><p>চারপাশে বেশ ভিড়। অনেকেই চীনা ঐতিহ্যবাহী পোশাক পরে ছবি তুলছে। লম্বা পোশাক, সাজানো চুল, হাতে পাখা। যেন মিং বা তাং রাজবংশের কোনো চরিত্র। একদিকে প্রাচীন স্থাপত্য, অন্যদিকে ঐতিহ্যবাহী পোশাক আর ক্যামেরার ওপাশে দাঁড়িয়ে বর্তমানের একজন পথিক। একই ফ্রেমে তিনটি যুগ!</p><p>বিকেলের শেষ আলোয় উঠে পড়লাম শিয়ানের প্রাচীন নগরপ্রাচীরে। বর্তমান প্রাচীরটি মিং রাজবংশের আমলে নির্মিত হলেও এর ভেতরে রয়েছে আরও পুরোনো তাং আমলের স্মৃতি। প্রায় ১৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার দীর্ঘ এই বিশাল প্রাচীর একসময় শহরকে রক্ষা করত। এই দেয়াল দেখেছে রাজবংশের উত্থান-পতন। একসময় যার কাজ ছিল শহরকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করা, আজ সেই একই প্রাচীরের ওপর মানুষ হাঁটে, সাইকেল চালায়, ছবি তোলে, সূর্যাস্ত দেখে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/oiscesuu/file0000000085c48211988ae9c8ed7ab06b-1.jpeg" /><figcaption>ইতিহাসের সাক্ষী শিয়ানের এই প্রাচীন নগরপ্রাচীর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/hr35057h/PXL20260820111522172-1-1.jpeg" /><figcaption>সিটি ওয়ালের ইটের গায়ে জমে আছে অসংখ্য গল্প</figcaption></figure><p>সূর্য পশ্চিমে ঢলে পড়ছে। পুরোনো ইটের গায়ে দিনের শেষ আলো। সোনালি আভায় প্রাচীরের ইটগুলো আরও পুরোনো দেখায়। এই ইটের গায়ে নিশ্চয়ই অনেক গল্প জমে আছে। সম্রাট, সৈন্য, ব্যবসায়ী, পথিক, যুদ্ধ আর শান্তির গল্প। প্রাচীরের ওপর থেকে পুরোনো ও নতুন শিয়ান পাশাপাশি দেখা যায়। নিচে আধুনিক রাস্তা, গাড়ির স্রোত, উঁচু ভবন; আর আমি দাঁড়িয়ে কয়েক শতাব্দী পুরোনো ইটের ওপর।</p><p>রাত নামতেই চলে গেলাম মুসলিম কোয়ার্টারে। সরু রাস্তা। দুই পাশে অসংখ্য খাবারের দোকান। মানুষের ভিড়। দোকানের আলো। গ্রিলের ধোঁয়া। আর বাতাসে ভেসে বেড়ানো জিরা, মরিচ আর মাংসের গন্ধ। কোথাও কাঠিতে গেঁথে আগুনের ওপর সেঁকা হচ্ছে মাংস। কোথাও চওড়া ‘বিয়াং-বিয়াং’ নুডলস তৈরি হচ্ছে, কোথাও গোল রুটির ভেতর মাংসের পুর। দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে খাবারের গন্ধ নিতে নিতে মনে হয় সিল্ক রোড শুধু রেশম আর মসলা বহন করেনি; বহন করেছে মানুষের স্বাদ, ভাষা আর সংস্কৃতিও।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/micg0c7x/PXL20260820134145105.jpeg" /><figcaption>শিয়ানের মুসলিমদের ইতিহাস বেশ পুরনো</figcaption></figure><p>শিয়ানের মুসলিম সম্প্রদায়ের ইতিহাস সিল্ক রোডের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। তাং যুগ থেকেই মধ্য এশিয়া, পারস্য ও পশ্চিম এশিয়া থেকে ব্যবসায়ী ও ভ্রমণকারীরা চাংআনে আসতেন। তাঁদের অনেকেই এখানে বসতি গড়েন। সেই দীর্ঘ সাংস্কৃতিক বিনিময়ের জীবন্ত উত্তরাধিকার আজকের মুসলিম কোয়ার্টার। সভ্যতা কখনো একা তৈরি হয় না। মানুষ আসে। মানুষ মেশে। সংস্কৃতি বদলায়। এরপর তৈরি হয় একটি শহর। এখানে ইতিহাস হাঁটে, কথা বলে, রান্না করে, খাবারের গন্ধ ছড়ায়। এখানে ইতিহাসকে পড়তে হয় না, খেতে হয়।</p><p>খাওয়া শেষে রাস্তায় বেরিয়ে দেখি, রাত আরও গভীর। কিন্তু শিয়ান ঘুমায়নি। বরং অন্য এক জীবন শুরু হয়েছে। দূরে ঝলমলে বেল টাওয়ার। চারপাশে রাতের শহর। আর কোথাও অচেনা সুরে গান। কয়েক হাজার বছরের পুরোনো এই শহর যেন নিজের বর্তমানটাকে আমার সামনে মেলে ধরেছে। ইতিহাস মৃত কোনো বিষয় নয়। সে বেঁচে থাকে। কখনো মাটির সৈন্যের চোখে। কখনো প্রাচীন ইটের গায়ে। কখনো বেল টাওয়ারের ছায়ায়। কখনো মসলার গন্ধে ভরা কোনো সরু গলিতে। আবার কখনো অচেনা সুরের কোনো গানে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/2r0qmak3/PXL20260820134145105.jpeg" /><figcaption>ঘুমায় না শিয়ান</figcaption></figure><p>হোস্টেলে ফেরার পথে আবার সম্রাটের কথা মনে পড়ল। তাঁর ইচ্ছা পূরণ হয়েছে। তবে তাঁর কল্পনার মতো করে নয়। তাঁর সৈন্যরা এখন আর কোনো সম্রাটকে পাহারা দেয় না। এরা দুই হাজার দুইশ বছর ধরে পাহারা দেয় একটি গল্পকে। একটি সাম্রাজ্যের গল্প। একটি সভ্যতার গল্প। আর আমাদের মতো পথিকদের মনে জমে থাকা বিস্ময়ের গল্প।<br>আর শিয়ান? শিয়ান যেন এক অতন্দ্র প্রহরী; যে এক হাতে ধরে রেখেছে অতীত, অন্য হাতে বর্তমান। আজ আমি আসলে একটি শহর দেখিনি। আমি হেঁটেছি কয়েক হাজার বছরের ভেতর দিয়ে। এক দিনে; মাত্র এক দিনে।</p><p><strong>ছবি:</strong> লেখক</p>]]></content:encoded></item><item><title>প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর পর চার্লসকে দেখে মনে হয়েছিল, তিনি ‘লটারি’ জিতেছেন</title><link>https://www.prothomalo.com/world/europe/naovhbd09h</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/europe/naovhbd09h#comments</comments><guid isPermaLink="false">84177081-2276-4773-9595-f216e03492bb</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:58:38 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:58:38.369Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ডায়ানার মৃত্যুর খবরের পর অন্যদের মতো চার্লস বাক্‌রুদ্ধ ছিলেন না। শোক প্রকাশ করতে গিয়ে তাঁর গলাও ধরে আসেনি। উল্টো তাঁকে অনেক প্রফুল্ল দেখাচ্ছিল।]]></description><media:keywords>বই,লটারি,মৃত্যু,ব্রিটিশ রাজপরিবার,রাজকুমারী ডায়ানা,রাজা তৃতীয় চার্লস</media:keywords><category>ইউরোপ</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/3rzf47va/Diana.jpg" /><figcaption>প্রিন্সেস ডায়ানা ও রাজা চার্লস </figcaption></figure><p>প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যুর পর তাঁর সাবেক স্বামী ও যুক্তরাজ্যের বর্তমান রাজা চার্লসকে দেখে মনে হয়েছিল তিনি যেন লটারি জিতেছেন। ডায়ানার ভাই চার্লস স্পেন্সারের লেখা একটি নতুন বইয়ে এমন বিস্ফোরক দাবি করা হয়েছে।</p><p> গতকাল বৃহস্পতিবার ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলে বইটির নতুন কিছু অংশ প্রকাশিত হওয়ার পর এ তথ্য সামনে আসে।</p><p> ডায়ানার ভাই চার্লস স্পেন্সার তাঁর বইয়ে লিখেছেন, ১৯৯৭ সালে ডায়ানার মৃত্যুর ঠিক পরপরই তৎকালীন প্রিন্স চার্লসকে দারুণ উচ্ছ্বসিত মনে হয়েছিল। ডায়ানার মৃত্যুর ফলে চার্লস হয়তো ভেবেছিলেন, পছন্দের মানুষকে (বর্তমান কুইন এসকর্ট ক্যামিলা পার্কার) বিয়ে করার জন্য তাঁর সামনে আর কোনো বাধা রইল না।</p><p>স্পেন্সার বইটিতে ডায়ানার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার ঠিক পরের মুহূর্তের কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘অন্য শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতো তিনি (চার্লস) বাক্‌রুদ্ধ ছিলেন না। শোক প্রকাশ করতে গিয়ে তাঁর গলাও ধরে আসেনি। উল্টো তাঁকে অনেক প্রফুল্ল দেখাচ্ছিল। তখন আমার মনে হয়েছিল, তিনি যেন লটারি জিতেছেন।’</p><blockquote>স্পেন্সার বইটিতে ডায়ানার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার ঠিক পরের মুহূর্তের কথা উল্লেখ করে লেখেন, অন্য শুভাকাঙ্ক্ষীদের মতো তিনি (চার্লস) বাক্‌রুদ্ধ ছিলেন না। শোক প্রকাশ করতে গিয়ে তাঁর গলাও ধরে আসেনি। উল্টো তাঁকে অনেক প্রফুল্ল দেখাচ্ছিল। তখন আমার মনে হয়েছিল, তিনি যেন লটারি জিতেছেন।</blockquote><p>স্পেন্সার আরও বলেন, এখন পেছন ফিরে তাকালে তাঁর মনে হয়, চার্লস যাঁকে ভালোবাসতেন না (ডায়ানা) তাঁকে হারানোর কষ্টের চেয়ে, যাঁকে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন (ক্যামিলা) তাঁকে বিয়ে করার সুযোগের কথাই প্রথম তাঁর মনে উঁকি দিয়েছিল।</p><p>গত বুধবার স্পেন্সারের বইয়ের প্রথম অংশ প্রকাশের পর সমালোচনার জবাব দেওয়ার বিরল উদ্যোগ নেন চার্লস। তাঁর মুখপাত্রের মাধ্যমে চালর্স বলেন, শোক মানুষের যুক্তি, বিচারবোধ ও স্মৃতিশক্তি প্রভাবিত করতে পারে।</p><p>তবে বইটির নতুন প্রকাশিত অংশ নিয়ে রাজপ্রাসাদের পক্ষ থেকে আর কোনো মন্তব্য করা হয়নি।</p><blockquote>নতুন প্রকাশিত এ অংশে আরও দাবি করা হয়েছে, মানসিক যন্ত্রণার কারণে ডায়ানা কয়েকবার নিজেই গাড়ি চালিয়ে যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ উপকূলে আত্মহত্যার জন্য পরিচিত একটি জায়গায় গিয়েছিলেন। কিন্তু দুই ছেলে উইলিয়াম ও হ্যারির কথা ভেবে পরে আত্মহত্যা থেকে বিরত থেকেছেন।</blockquote><p>নতুন প্রকাশিত এ অংশে আরও দাবি করা হয়েছে, মানসিক যন্ত্রণার কারণে ডায়ানা কয়েকবার নিজেই গাড়ি চালিয়ে যুক্তরাজ্যের দক্ষিণ উপকূলে আত্মহত্যার জন্য পরিচিত একটি জায়গায় গিয়েছিলেন। কিন্তু দুই ছেলে উইলিয়াম ও হ্যারির কথা ভেবে পরে আত্মহত্যা থেকে বিরত থেকেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-19/zntyl50i/diana.JPG" /><figcaption>প্রিন্সেস ডায়ানা</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/sv1iqziv23">ডায়ানার জীবনের শেষ রাতে কী ঘটেছিল</a></aside><p>১৯৯২ সালে চার্লস ও ডায়ানা আলাদা হয়ে যান। ১৯৯৬ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে চার্লস ও ক্যামিলা পার্কারের প্রেমের দিকে ইঙ্গিত করে ডায়ানা বলেছিলেন, ‘আমাদের এ বিয়েতে আসলে আমরা তিনজন ছিলাম।’ অর্থাৎ ডায়ানা বলতে চেয়েছেন, কাগজে-কলমে বিয়েটা চার্লস ও তাঁর হলেও বাস্তবে ক্যামিলার উপস্থিতির কারণে তাঁদের দাম্পত্যে কোনো গোপনীয়তা বা একনিষ্ঠতা ছিল না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-31/r0qbth95/Image.jpeg" /></figure><p>পরে ২০০৫ সালে ক্যামিলা পার্কারকে বিয়ে করেন চার্লস। ১৯৯৭ সালে মাত্র ৩৬ বছর বয়সে প্যারিসে এক সড়ক দুর্ঘটনায় প্রেমিক দোদি আল-ফায়েদসহ নিহত হন ডায়ানা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/te9g8cmsev">ডায়ানার সেই ‘প্রতিশোধের পোশাক’ নিলামে তোলা হচ্ছে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>কফি বিক্রি করে নিজের খরচ চালাতেন শাবানা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/jfai8ip0f3</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/jfai8ip0f3#comments</comments><guid isPermaLink="false">27d6f63c-868d-45dc-be09-1caa66f0cd97</guid><pubDate>Thu, 18 Sep 2025 08:45:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:54:20.073Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লতিফুল হক</atom:name><atom:uri>/api/author/1656150</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভারতীয় সিনেমার ইতিহাস লিখতে বসলে কয়েকজন অভিনেত্রীর নাম সবার আগে আসবে। তাঁদের মধ্যে থাকবেন শাবানা আজমি। আজ ৭৬ বছরে পা দিলেন শাবানা। ]]></description><media:keywords>তারকার জন্মদিন,অভিনয় শিল্পী,শাবানা আজমি </media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/g11yajdm/cf729fd1-90d2-4641-b06a-7b2fef709413.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, ৭৬ বছরে পা দিলেন শাবানা আজমি। কোলাজ ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/g11yajdm/cf729fd1-90d2-4641-b06a-7b2fef709413.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতীয় সিনেমার আধুনিক ইতিহাস লিখতে বসলে কয়েকজন অভিনেত্রীর নাম সবার আগে আসবে। তাঁদের মধ্যে অতি অবশ্যই থাকবেন শাবানা আজমি। তিনি শুধু পর্দার চরিত্রে অভিনয় করেননি, বিভিন্ন সময়ে যেন হয়ে উঠেছেন পুরো সমাজের কণ্ঠস্বর। ভারতের সিনেমার অন্যতম সেরা নির্মাতা শেখর কাপুর একবার বলেছিলেন, ‘৫০ বছর পর যখন ভারতীয় সিনেমার ইতিহাস লেখা হবে, তখন দেখা যাবে, প্রতিটি মোড়ে শাবানা আজমি উপস্থিত ছিলেন।’ সত্যিই তা–ই। ‘অঙ্কুর’ থেকে শুরু করে ‘আর্থ’, ‘মাসুম’ কিংবা ‘মকবুল’—প্রতিটি ছবিই যেন নারীর ভেতরের এক অজানা গল্প উন্মোচনের সাক্ষী। আজ ১৮ সেপ্টেম্বর, ৭৬ বছরে পা দিলেন শাবানা আজমি। এ উপলক্ষে আলো ফেলা যাক তাঁর জীবন ও ক্যারিয়ারে।</p><aside><cite>শাবানা আজমি</cite>আমি যখন শুরু করি, তখন সমান্তরাল বা আর্ট সিনেমা বলে কিছু ছিল না। সেই সময়েই নারী চরিত্রগুলো জটিলতর হতে শুরু করেছিল। আমি সেই ধারা বদলের সঙ্গী হতে পেরেছিলাম।</aside><p><strong>সুপারস্টার নন, তবু আবেগের রানি<br></strong> শাবানাকে কোনো দিনই ‘সুপারস্টার’ তকমা দেওয়া হয়নি। তিনি সম্ভবত তা হতেও চাননি। সুপারস্টার তকমা বরাদ্দ ছিল হেমা মালিনীর জন্য। কিন্তু অভিনয়ের দাপটে তিনিও ছিলেন নিজস্ব এক উচ্চতায়। রাজেশ খান্না এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘তিনি হয়তো সুপারস্টার নন, কিন্তু আবেগের সুপারস্টার।’<br> রমেশ সিপ্পির মতো পরিচালক অকপটে স্বীকার করেছেন, শাবানার জন্য কোনো চরিত্র না পেয়ে তিনি নিজেকে দুর্ভাগা মনে করেন। আর মনমোহন দেশাই খোলাখুলিই বলেছেন, ‘হেমার হাসিই তার সম্পদ। শাবানার হাসি নয়। তবে অর্জনের দিক থেকে কোনো অংশে কম নন।’</p><p><strong>বোহেমিয়ান শৈশব</strong></p><p>১৯৫০ সালে হায়দরাবাদে জন্ম নেওয়া শাবানা আজমি, কবি কাইফি আজমি ও অভিনেত্রী শাওকত আজমির কন্যা। ছোটবেলা থেকেই শিল্প ও সাহিত্য তাঁর আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। কিন্তু সাফল্যের পথে তাঁর যাত্রা মোটেও সহজ ছিল না। কলেজে ভর্তি হওয়ার আগে তিন মাস ধরে শাবানা পেট্রলপাম্পে কাজ করেছেন, দিনে মাত্র ৩০ রুপি বেতনে কফি বিক্রি করে নিজের খরচ চালাতেন। এই সময় থেকেই শাবানা শিখেছিলেন স্বনির্ভরতার পাঠ। তিনি কখনো পরিবারের আর্থিক সাহায্যের ওপর নির্ভর করেননি। কঠোর পরিশ্রম, দৃঢ় সংকল্প ও নিয়মিত অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই তিনি নিজের পথ গড়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-11/290fc2f9-5ef1-4a39-aec9-078407ad45db/13f3d986d82e2ad4e2cc4a97e412d22d_5e24292a5f96f.jpg" /><figcaption>শাবানা আজমি। ইনস্টাগ্রাম</figcaption></figure><p>শাবানার ভাষ্যে তাঁর শৈশব ছিল ‘বোহেমিয়ান’। তিনি প্রায়শই বুদ্ধিজীবীদের সংস্পর্শে থাকতেন, যাঁরা তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা করতে আসতেন। তবে ছোট শাবানা বাবার পেশা পুরোপুরি বুঝতে পারতেন না। তিনি দেখতেন, বাবা অফিসে যান না, সাধারণ প্যান্ট-শার্ট পরেন না, বরং সাদা কটন কুর্তা-পাজামা ২৪ ঘণ্টা পরতেন। এই ‘অপ্রচলিত’ পরিবেশে বেড়ে ওঠা শাবানা ধীরে ধীরে নিজেকে সামাজিক সচেতন ব্যক্তি হিসেবে গড়ে তোলেন।</p><p>তাঁর শৈশব ছিল দুঃখস্মৃতি-মিশ্রিত। ছোটবেলায় দুইবার আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন, ভাবতেন মা ভাই বাবাকে বেশি ভালোবাসেন। এই সংবেদনশীলতা তাঁকে পরবর্তী সময়ে পরিবারকে আর্থিক সাহায্য করতেও প্ররোচিত করেছিল—তিনি পেট্রলপাম্পে কফি বিক্রি করতেন, দিনে ৩০ টাকা আয় করতেন।</p><p><strong>মঞ্চ থেকে চলচ্চিত্র<br></strong>শাবানা সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে পড়াশোনা করার সময় সিনিয়র ফারুক শেখের সঙ্গে একটি হিন্দি থিয়েটার গ্রুপ শুরু করেন। প্রথমবার চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রতি ঝোঁক জন্ম নেয় ‘সুমন’-এর জয়া ভাদুরি দেখার পর। বাবার অনুমতি নিয়ে শাবানা যোগ দেন ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়াতে এবং ক্লাসে প্রথম স্থান অধিকার করেন। শেষ বছরের পড়াশোনার সময় খোয়াজা আহমদ আব্বাসের ‘ফাসলাহ’ ও কান্তিলাল রাঠোরের ‘পরিণয়’-এর প্রস্তাব পান। তবে শ্যাম বেনেগালের ‘অঙ্কুর’-এ অভিনয় তাঁর অভিষেক চলচ্চিত্র হিসেবে চূড়ান্ত হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/7v98h1s2/MV5BNjA5MGY3NjYtZjQ1OC00OWFhLWI0ODItZTk3NTNlMjQ3YTE1XkEyXkFqcGc___V1_.jpg" /><figcaption>‘অঙ্কুর’ সিনেমায় শাবানা আজমি। আইএমডিবি </figcaption></figure><p><strong>প্রথম মোড়: ‘অঙ্কুর’<br></strong>১৯৭২ সালে শ্যাম বেনেগালের ‘অঙ্কুর’ ছবির মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক। প্রথম ছবিতেই জাতীয় পুরস্কার। শুরুটা এতটাই শক্তিশালী যে শাবানা আজমি হয়ে উঠলেন অন্য ধরনের নায়িকার প্রতীক। দর্শক বুঝতে পারলেন, সৌন্দর্যের ঝলক ছাড়াও পর্দায় টিকে থাকা যায় গভীর চরিত্র আর অভিনয়ের ক্ষমতায়।</p><p><strong>বাণিজ্যিক ছবির টানাপোড়েন<br></strong>‘অমর আকবর অ্যান্থনি’-তে অভিনয় করেই শাবানা আজমি বুঝলেন, তিনি হিন্দি মেইনস্ট্রিম ছবির নাচ-গাননির্ভর নায়িকা হওয়ার মতো নন। দর্শকের সামনে তিনি সব সময়ই ভিন্নরূপে হাজির হতে চান। তাই আবার ফিরে গেলেন নিজের পছন্দের চরিত্রে।<br>যদিও বড় প্রযোজনার ছবিতে শাবানা আজমি সব সময় ভিন্ন আভা ছড়িয়েছেন। সঠিক মেকআপম্যান, সহকারী আর সাজপোশাকে হাজির হতেন লোকেশনে। কিন্তু যখন মৃণাল সেনের ‘খণ্ডহর’-এ অভিনয় করলেন, গিয়েছিলেন একেবারে একা—মেকআপ কিট আর কয়েকটা বই নিয়ে। চরিত্রের নীরবতা ও যন্ত্রণা নিজের মধ্যে ধারণ করার জন্যই তাঁর এ একাকী প্রস্তুতি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2016/10/26/3d8b69af5895db17df39461ff7a201b7-Untitled-7.jpg" /><figcaption>শাবানা আজমি। ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p><strong>নারীর কণ্ঠস্বর<br></strong>দিল্লিতে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ আয়োজিত এক সেমিনার বদলে দিলেন শাবানা আজমিকে। আলোচনার বিষয় ছিল—‘নারী ও সিনেমা’। তখনই উপলব্ধি করলেন, সফল অভিনেত্রী হওয়াটাই যথেষ্ট নয়; সমাজে নারীর কথা বলার দায়িত্বও তাঁর কাঁধে। এই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় ‘আর্থ’, ‘মাসুম’, ‘ফায়ার’-এর মতো ছবির চরিত্র। যেখানে নারী নিজের কণ্ঠস্বর খুঁজে পায়, নিজের সিদ্ধান্তে দাঁড়ায়।</p><p><strong>পারিশ্রমিক আর পেশার দ্বন্দ্ব<br></strong>রেখা বা হেমা মালিনীর মতো শাবানা আজমি কখনো কোটি টাকার পারিশ্রমিক পাননি। একেকটা ছবির জন্য পাঁচ থেকে ছয় লাখ রুপিই ছিল সর্বোচ্চ। অথচ ‘মণ্ডী’ ছবিতে নিয়েছিলেন মাত্র ২০ হাজার টাকা। শেখর কাপুরের মতে, শাবানার কাছে টাকা কোনো দিনই বড় বিষয় ছিল না। চরিত্র যদি প্রিয় হয়, বন্ধুর ছবির জন্য হলে তিনি বিনা পারিশ্রমিকেও রাজি হতেন।</p><p><strong>প্রতিদ্বন্দ্বিতা, সম্পর্ক আর বন্ধুত্ব<br></strong>শাবানা ও স্মিতা পাতিল প্রায় একই সামাজিক ও রাজনৈতিক পটভূমি থেকে এসেছিলেন। এ কারণে কখনো কখনো তাঁদের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা জন্মে। পরে শাবানা স্বীকার করেন, স্মিতার সফলতা তাঁকে প্রাথমিকভাবে কিছুটা ‘বিক্ষুব্ধ’ করেছিল। তবে সময়ের সঙ্গে তিনি তা ভুল মনে করেন ও প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-21/tlpbm5x3/641790_01_02.jpg" /><figcaption>জাভেদ আখতার ও শাবানা আজমি দম্পতি। এএফপি</figcaption></figure><p><strong>ব্যক্তিজীবনে জাভেদ আখতার<br></strong>কবি-চিত্রনাট্যকার জাভেদ আখতার তাঁর জীবনের অপর নাম। শাবানা বলেন, ‘আমাদের সম্পর্কটা দারুণ—বন্ধুত্বের ভেতরেই সবকিছু মিটে যায়।’ তাঁদের দাম্পত্য শুধু বিনোদনজগতের নয়, ভারতের সাংস্কৃতিক ইতিহাসেও এক উজ্জ্বল অধ্যায়।</p><p><strong>‘সাফল্য শুধু বাণিজ্যিক মানদণ্ডে মাপা যায় না’<br></strong>‘কখনো কল্পনাও করিনি, ৫০ বছর পরও আমি কাজ করব। নিজেকে সত্যিই ভাগ্যবান মনে হয়। সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় ছিলাম বলেই এত দূর আসা সম্ভব হয়েছে।’ ইন্ডিয়া টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন শাবানা আজমি।<br>ক্যারিয়ারের প্রথম দিকের কথা স্মরণ করে শাবানা বলেন, ‘আমি যখন শুরু করি, তখন সমান্তরাল বা আর্ট সিনেমা বলে কিছু ছিল না। সেই সময়েই নারী চরিত্রগুলো জটিলতর হতে শুরু করেছিল। আমি সেই ধারা বদলের সঙ্গী হতে পেরেছিলাম। যদি সেই সময়টা না পেতাম, হয়তো সুযোগও পেতাম না।’ তাঁর ভেতরে কাজের ক্ষুধা এখনো প্রবল। তাই প্রশ্ন করা হলে—প্রিয় চরিত্র কোনটি—তিনি হেসে জবাব দেন, ‘ওটা এখনো আসেনি। আমি কোথাও যাচ্ছি না!’ একই সাক্ষাৎকারে শাবানার কাছে জানতে চাওয়া হয়, যদি ২০ বছরের শাবানার সঙ্গে দেখা হতো, কী পরামর্শ দিতেন? উত্তরে বললেন, ‘শুধু নিজের অন্তরের কথা শুনতে বলতাম। আমি তা–ই করেছি। অনেকে ভাবে, আমি নাকি ভেবেচিন্তে পরিকল্পনা করতাম। আসলে সুযোগ অনুযায়ী সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কেউ যদি জিজ্ঞাসা করে, কোনো সিদ্ধান্তের আফসোস আছে কি না, বলি—না। সাফল্য শুধু বাণিজ্যিক মানদণ্ডে মাপা যায় না।’</p><p>শাবানার কাছে সাফল্য মানে কেবল অর্থ বা জনপ্রিয়তা নয়। তিনি বলেন, ‘কোনো ছবি ভালো করলে স্বাভাবিকভাবেই ভালো লাগে। কিন্তু ব্যর্থ হলে? তাতেও শিক্ষা আছে। অনেক সময় বাণিজ্যিক সাফল্য আসে না, তবু ছবিটা ইতিহাসে টিকে থাকে।’<br>উদাহরণ হিসেবে শাবানা মনে করলেন গুরু দত্তকে। ‘কাগজ কে ফুল’ মুক্তির সময় ভয়াবহভাবে প্রত্যাখ্যাত হলেও এখন সেটি এক কালজয়ী ছবি। ‘নতুন কিছু করার সাহস থাকতে হবে,’ বললেন শাবানা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/2j2yqchhlr">কান্না থামাতে পারেননি শাবানা আজমি</a></aside><p><strong>উত্তরাধিকার<br></strong>শর্মিলা ঠাকুর একবার বলেছিলেন, ‘শাবানা আজমি জন্মগত প্রতিভাবান। নিজের বুদ্ধি, কৌতূহল আর প্রস্তুতিকে কাজে লাগিয়ে তিনি ক্যারিয়ার গড়েছেন।’ প্রয়াত পরিচালক শ্যাম বেনেগালের মতে, ‘যত দিন শক্তি আর উদ্যম থাকবে, তিনি থামবেন না।’<br>আর এখানেই শাবানা আজমির বিশেষত্ব। তিনি প্রচলিত ছাঁচে আটকে থাকেননি। নিজস্ব পথ বানিয়েছেন, নিজের সময়ে নারী জীবনের নতুন ভাষা তৈরি করেছেন। তাঁর চরিত্রগুলো আজও দর্শককে ভেবে দেখতে বাধ্য করে—নারীর ভেতরে কত স্তরের যন্ত্রণা, শক্তি আর প্রতিবাদ লুকিয়ে থাকে।</p><p><strong>অন্য রকম পাঁচ সিনেমা<br></strong>সমান্তরাল ধারা থেকে বাণিজ্যিক সিনেমা—সবখানেই শাবানা রেখেছেন নিজের শক্তিশালী ছাপ। অভিনয়ের স্বাভাবিক ভঙ্গি, চরিত্রের গভীরতা আর প্রচলিত ধারা ভেঙে সাহসী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আজও তাঁকে সমীহ করেন দর্শক ও সহকর্মীরা। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনের কণ্ঠস্বর হিসেবেও তিনি ছিলেন নির্ভীক। পাঁচ দশকের বেশি দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক সিনেমাই করেছেন শাবানা আজমি। ভারতীয় গণমাধ্যম ডিএনএন সেখান থেকে বেছে নিয়েছে শাবানার ভিন্নধর্মী পাঁচ সিনেমা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/knf7civ4/131437481_3705031826246909_8833311598667593298_n.jpg" /><figcaption>‘আর্থ’ সিনেমায় শাবানা আজমি। আইএমডিবি </figcaption></figure><p><strong>‘আর্থ’ (১৯৮২)<br></strong>মহেশ ভাট পরিচালিত ‘আর্থ’ ছবিতে শাবানা আজমির অভিনয় তাঁর ক্যারিয়ারের শ্রেষ্ঠ বলে ধরা হয়। স্বামী কর্তৃক প্রতারিত নারী ‘পূজা’ চরিত্রে তিনি দেখিয়েছিলেন শক্তি, মর্যাদা ও আত্মসম্মানের লড়াই। নারীর স্বাধীনতা আর আত্মমর্যাদার প্রশ্নকে নতুনভাবে তুলে ধরেছিল এই চলচ্চিত্র, যা আজও সমানভাবে অনুপ্রেরণাদায়ক।</p><p><strong>‘অঙ্কুর’ (১৯৭৪)<br></strong>শাবানা আজমির অভিনয়জীবন শুরু হয় শ্যাম বেনেগালের ‘অঙ্কুর’ দিয়ে। গ্রামীণ জীবনের নিপীড়িত এক নারীর চরিত্রে তিনি ছিলেন নিঃশঙ্ক। ‘অঙ্কুর’ শুধু তাঁর অভিষেক নয়, ভারতীয় সমান্তরাল সিনেমার এক যুগান্তকারী সূচনা। এখান থেকেই শুরু হয় নতুন ধারার চলচ্চিত্র আন্দোলন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/aj9ykaoq/MV5BYTlmNDBkMjAtMjU0OS00ZjFhLTg0OTEtNThmNjFjMTBiMzVmXkEyXkFqcGc___V1_.jpg" /><figcaption>‘খণ্ডহর’ সিনেমার পোস্টার। আইএমডিবি </figcaption></figure><p><strong>‘খণ্ডহর’ (১৯৮৪)<br></strong>মৃণাল সেনের ‘খণ্ডহর’ নিঃসঙ্গতা, বিলীন হতে থাকা প্রথা আর অপূর্ণ প্রেমের গল্প। ছবির কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে শাবানা আজমির সংযত অথচ গভীর অভিনয় এই চলচ্চিত্রকে ক্ল্যাসিকের আসনে বসিয়েছে। নিঃশব্দে তিনি এখানে ফুটিয়ে তুলেছেন ভাঙা স্বপ্ন আর নিঃশব্দ যন্ত্রণার রূপ।</p><p><strong>‘পার’ (১৯৮৪)<br></strong>গৌতম ঘোষের ‘পার’ ছিল কঠিন বাস্তবের এক নির্মম প্রতিচ্ছবি। গ্রামীণ দরিদ্র জীবনের সংগ্রাম, ক্ষুধা আর টিকে থাকার লড়াইয়ে শাবানা আজমির চরিত্র যেন সেই মানুষগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেছিল। এ ছবির জন্যই তিনি পান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। অকপট ও নির্ভীক অভিনয়ে তিনি দর্শককে পরিচয় করিয়েছিলেন গ্রামীণ দারিদ্র্যের নগ্ন বাস্তবের সঙ্গে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/cqvvi48x/fire_3.jpg" /><figcaption>‘ফায়ার’ সিনেমার দৃশ্য। আইএমডিবি </figcaption></figure><p><strong>‘ফায়ার’ (১৯৯৬)<br></strong>দীপা মেহতার ‘ফায়ার’ ছিল ভারতীয় সমাজে আলোড়ন তোলা ছবি। লিঙ্গবৈষম্য, যৌনতা আর ভালোবাসার প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করেছিল এটি। ‘রাধা’ চরিত্রে শাবানা আজমি দেখিয়েছিলেন এক নারীর নিজস্ব পরিচয় আর ভালোবাসার খোঁজ। তাঁর এই সাহসী অভিনয় আজও ভারতীয় সিনেমায় মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়া টুডে, ডিএনএ</p>]]></content:encoded></item><item><title>অভিভাবকেরা কখন একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে যাবেন</title><link>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/bg7kaaigvx</link><comments>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/bg7kaaigvx#comments</comments><guid isPermaLink="false">59c6b8d0-31a2-4a6e-80c4-30a057c6352f</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:43:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:43:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মানসিক,মানসিক স্বাস্থ্য,প্রথম আলো ট্রাস্ট,বিশেষ পরামর্শ</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/8uxdaz4n/WhatsApp-Image-2026-07-30-at-4.22.53-PM-1.jpeg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ সভায় পরামর্শ দেন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জোবায়ের মিয়া। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-15/8uxdaz4n/WhatsApp-Image-2026-07-30-at-4.22.53-PM-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মাদকবিরোধী আন্দোলন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন বিনা মূল্যে মাদকবিরোধী পরামর্শ সহায়তা সভা। এ আয়োজনের আওতায় ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে প্রথম আলোর কার্যালয় কারওয়ান বাজারে ১৮০ তম অনলাইন পরামর্শ সহায়তা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক ডা. জোবায়ের মিয়া। এইবারের বিষয়টি ছিল—‘সন্তানের মন বোঝার উপায়।’ অনুষ্ঠানটি সাক্ষাৎকার আকারে তুলে ধরা হলো। উক্ত অনুষ্ঠানের আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p><strong>অভিভাবকেরা কখন বুঝবেন যে ঘরের চেষ্টার বাইরে একজন মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা প্রয়োজন?</strong></p><p>এমন প্রশ্নের উত্তরে ডা. জোবায়ের মিয়া বলেন, ‘যখন দেখা যাবে যে সব ধরনের বন্ধুত্বপূর্ণ চেষ্টা সত্ত্বেও ৬ মাস বা ১ বছর ধরে সন্তানের রেজাল্ট ক্রমাগত খারাপ হচ্ছে, আচরণে তীব্র পরিবর্তন এসেছে, বা মারাত্মক ডিভাইস আসক্তি / মাদকাসক্তির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, তখন কোনো দ্বিধা না করে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে। অভিভাবকদের বুঝতে হবে, রোগের চিকিৎসা এবং আচরণগত কাউন্সেলিং সময়মতো শুরু করলে সন্তানকে স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।’&nbsp;</p>]]></content:encoded></item><item><title>কোম্পানির মালিকানা ছাড়া ব্যাংকের প্রতিনিধি পরিচালক হওয়া যাবে না</title><link>https://www.prothomalo.com/business/bank/mz8f0jgsls</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/bank/mz8f0jgsls#comments</comments><guid isPermaLink="false">15b0665c-2587-46cb-9f84-e4cfb06f37aa</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল বৃহস্পতিবার নতুন নির্দেশনা জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, কোনো কোম্পানি তার সম্পদমূল্যের বেশি কোনো ব্যাংকের শেয়ার রাখতে পারবে না।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ ব্যাংক,ব্যাংক</media:keywords><media:content height="355" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-07/do5tqcej/bb.jpg" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশ ব্যাংক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-07/do5tqcej/bb.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ব্যাংক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এখন থেকে শেয়ারধারী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক ছাড়া অন্য কেউ আর ব্যাংকের প্রতিনিধি পরিচালক হতে পারবেন না। অর্থাৎ ব্যাংকের শেয়ারধারী কোনো কোম্পানির পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে মনোনীত পরিচালক হতে হলে সেই ব্যক্তিকে শেয়ারধারী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হতে হবে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক গতকাল বৃহস্পতিবার ব্যাংকের পর্ষদে শেয়ারধারী কোম্পানির মনোনীত পরিচালক নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা আরোপ করেছে। গতকাল এ–সংক্রান্ত আদেশ জারি করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তাতে ব্যাংকের শেয়ারধারণ–সংক্রান্ত নতুন কয়েকটি বিধান যুক্ত করা হয়।</p><p>নতুন এসব বিধানে কোনো কোম্পানির পক্ষ থেকে ব্যাংকের যত খুশি, তত শেয়ার কেনার ক্ষেত্রেও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এখন থেকে কোনো কোম্পানি তার প্রকৃত সম্পদমূল্যের বেশি মূল্যমানের এক বা একাধিক ব্যাংকের শেয়ার কিনতে বা ধারণ করতে পারবে না।</p><aside><cite>আরিফ হোসেন, মুখপাত্র, বাংলাদেশ ব্যাংক</cite>অনেক কোম্পানি একাধিক ব্যাংকের শেয়ার ধারণ করে মনোনীত পরিচালক দিয়ে একাধিক ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর ওপর একক কোম্পানির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</aside><p>উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, কোনো কোম্পানির প্রকৃত সম্পদমূল্য ১০০ কোটি টাকা। তাহলে ওই কোম্পানি যদি দেশের এক বা একাধিক ব্যাংকের শেয়ার ধারণ করে বা নতুন করে কিনতে যায়, তাহলে ব্যাংকের শেয়ারের সম্মিলিত মূল্যমান ১০০ কোটি টাকার বেশি হতে পারবে না। বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, এরই মধ্যে কোনো কোম্পানি উল্লিখিত সীমার বেশি অর্থের ব্যাংক শেয়ার ধারণ করে, তবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে তা নির্ধারিত সীমার নিচে নামিয়ে আনতে হবে। উদাহরণ হিসেবে ধরা যাক, ১০০ কোটি টাকা প্রকৃত সম্পদমূল্যের কোনো কোম্পানির হাতে যদি এক বা একাধিক ব্যাংকের ১৫০ কোটি টাকার মূল্যমানের শেয়ার থাকে, তবে আগামী ছয় মাসের মধ্যে ওই কোম্পানিকে ৫০ কোটি টাকার সমমূল্যের শেয়ার বিক্রি বা অন্য কোনো উপায়ে কমাতে হবে।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক বলছে, ব্যাংক-কোম্পানির মালিকানার কাঠামোয় স্বচ্ছতা আনা এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে নতুন এই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এ ছাড়া মনোনীত পরিচালকদের ভূমিকা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে এ–সংক্রান্ত নতুন বিধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেক কোম্পানি একাধিক ব্যাংকের শেয়ার ধারণ করে মনোনীত পরিচালক দিয়ে একাধিক ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করছে। এ অবস্থায় ব্যাংকগুলোর ওপর একক কোম্পানির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে আনতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমাদের এই সিদ্ধান্ত।’</p><p>খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, অতীতে দেখা গেছে, বিভিন্ন কোম্পানির নামে ব্যাংকের শেয়ার কিনে ওই কোম্পানির পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যক্তিকে ব্যাংকে মনোনীত পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়। এর মাধ্যমে ব্যাংকের পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ হাতে নেয় শেয়ারধারী ওই কোম্পানি। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় নামে–বেনামে ইসলামী ব্যাংকসহ সাতটি ব্যাংকের শেয়ার কিনে ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল নানা অনিয়মের জন্য আলোচিত চট্টগ্রামভিত্তিক এস আলম গ্রুপ। কাগুজে কোম্পানির নামে শেয়ার কিনে এসব ব্যাংকে এস আলমের পক্ষ থেকে বিভিন্ন পেশাজীবীকে পর্ষদে বসানো হয়েছিল। পরে এসব মনোনীত পরিচালকেরা এস আলমের স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে একের পর এক ঋণ অনুমোদন করেন। এখন এসব মনোনীত পরিচালকেরা খেলাপি হয়ে যাওয়া ঋণের কোনো দায়দায়িত্ব নিচ্ছেন না।</p><p>শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ব্যাংক ও কোম্পানির ক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে, তালিকাভুক্ত কোম্পানির পরিচালক হতে হলে ওই কোম্পানির ন্যূনতম ২ শতাংশ শেয়ার থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কোনো কোম্পানির পক্ষ থেকে মনোনীত পরিচালকের ক্ষেত্রে এই বাধ্যবাধকতা নেই। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক যে বিধান করেছে, তাতে কোনো কোম্পানির পক্ষ থেকে ব্যাংকের মনোনীত পরিচালক হতে হলে আগে ওই ব্যক্তিকে শেয়ারধারী কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা পরিচালক হতে হবে।</p><p>কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিনিধি পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্র্যাক ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, সীমান্ত ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংকের ক্ষেত্রে নতুন এই বিধান প্রযোজ্য হবে না। কারণ, এসব ব্যাংকের বেশির ভাগ শেয়ার আছে মুনাফা না করা প্রতিষ্ঠান বা ট্রাস্টের হাতে। এসব ব্যাংক অনুমোদনের সময় থেকে এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্যাংকগুলোর ক্ষেত্রে এই বিধান কার্যকর হবে না।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মাছ ধরা, সঙ্গে দুরন্তপনা</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/ea5key72kn</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/ea5key72kn#comments</comments><guid isPermaLink="false">ce9312fb-660e-4aa6-ade6-4a132557d134</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:24:14 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:24:14.583Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আনিস মাহমুদ	</atom:name><atom:uri>/api/author/1409302</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বর্ষার পানি নামতে শুরু করলেও কৃষিজমি থেকে স্লুইসগেট দিয়ে এখনো প্রবল বেগে পানি নামছে।]]></description><media:keywords>ছবির গল্প</media:keywords><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বর্ষার পানি নামতে শুরু করলেও কৃষিজমি থেকে স্লুইসগেট দিয়ে এখনো প্রবল বেগে পানি নামছে। সেই পানির স্রোতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে মাছ ধরার চেষ্টা। কেউ পানিতে নেমে হাত দিয়ে মাছ ধরছে, কেউ আবার জাল পেতে বসেছে। তবে শুধু মাছ ধরাই নয়, পানির স্রোত যেন তাদের কাছে আনন্দেরও জায়গা। মাছ ধরার ফাঁকে কেউ স্রোতে গা ভাসিয়ে দিচ্ছে, কেউ পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে। মাছ ধরার উত্তেজনা আর পানিতে নেমে দুরন্তপনা—দুই মিলিয়েই কাটছে তাদের বিকেল। এখানে মাছ ধরা যেমন জীবনের ছোট্ট এক আয়োজন, তেমনি পানিতে গা ভাসানো আর বন্ধুদের সঙ্গে দুরন্তপনাও হয়ে উঠছে আনন্দের উপলক্ষ। ছবিগুলো সিলেট সদরের সালেহপুর এলাকা থেকে তোলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/yrc85a4i/Sylhet-Photo-1.JPG" /><figcaption>স্রোতে শরীর ভাসিয়ে দিয়েছে দুরন্ত দুই শিশু </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/a6hymv47/Sylhet-Photo-2.JPG" /><figcaption>হাত দিয়ে মাছ ধরার চেষ্টা তিন শিশুর </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/nv3a7bze/Sylhet-Photo-3.JPG" /><figcaption>স্লুইসগেটের পানির স্রোতে মাছ ধরেছে শিশুটি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/p9vcycpg/Sylhet-Photo-4.JPG" /><figcaption>পানিতে শীতল হওয়ার চেষ্টা এক শিশুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/mhhnzjle/Sylhet-Photo-6.JPG" /><figcaption>স্রোতের বিপরীতে চলছে মাছ ধরা </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/k9at2psg/Sylhet-Photo-7.JPG" /><figcaption>পাড়ে থাকা দুজন মাছ সংগ্রহ করছে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/6lucmpic/Sylhet-Photo-9.JPG" /><figcaption>মাছ ধরে বোতলে রাখা হয়েছে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/5rmrkw5w/Sylhet-Photo-10.JPG" /><figcaption>এসব মাছ ধরা পড়েছে </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>বাণিজ্যমন্ত্রীর গাড়ি থামিয়ে বঞ্চনার প্রতিকার চাইলেন টিসিবির বঞ্চিত ডিলাররা</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/y5g2743hxh</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/y5g2743hxh#comments</comments><guid isPermaLink="false">4be20203-156d-453e-ad8b-0fdcb1ff4cb4</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:15:41 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:15:41.008Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গতকাল টিসিবির সেবাভিত্তিক নতুন অ্যাপ উদ্বোধন করতে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি কার্যালয়ে যান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। অনুষ্ঠান শেষে বের হওয়ার পথে বঞ্চিত ডিলাররা তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরেন।]]></description><media:keywords>টিসিবি</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/05/03/8b598b09ca90d40f057d57cb1617c2f2-5aeb3009f2e64.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ টিসিবি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/05/03/8b598b09ca90d40f057d57cb1617c2f2-5aeb3009f2e64.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্যালয় থেকে বের হওয়ার পথে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের গাড়ি থামিয়ে বঞ্চনার প্রতিকার চাইলেন সংস্থাটির সাবেক পরিবেশক বা ডিলাররা। অন্তর্বর্তী ও বর্তমান সরকারের সময় এসব পরিবেশকের চুক্তি বাতিল হয়। এর মধ্যে কিছু ডিলারের চুক্তি সরকার বাতিল করে দিয়েছিল। আর কিছু ডিলারের চুক্তি মেয়াদ শেষে নবায়ন করা হয়নি।</p><p>চুক্তি নবায়নের দাবিতে বেশ কয়েক দিন ধরে এই ডিলাররা রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি কার্যালয়ের সামনে অনশন করছেন। এ অবস্থায় গতকাল বৃহস্পতিবার টিসিবির সেবানির্ভর ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করে বের হওয়ার পথে আন্দোলনরত ডিলাররা বাণিজ্যমন্ত্রীর গাড়ি আটকে তাঁদের দাবি তুলে ধরেন। যদিও পুলিশি সুরক্ষায় মন্ত্রী নিরাপদে ঘটনাস্থল ছেড়ে যান। এ–সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি নিয়ে বের হওয়ার পথে গাড়ির জানালা নামিয়ে মন্ত্রী আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলছেন। এ সময় তিনি সচিবালয়ে গিয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলেন এবং নিজের ভিজিটিং কার্ড দেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগামী রোববার আন্দোলনকারীদের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তাঁদের দাবিদাওয়ার বিষয়ে বৈঠক করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী। এ বিষয়ে পরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘আন্দোলনকারী ডিলারদের বলা হয়েছে সচিবালয়ে আসতে। তাঁদের কথা শুনব। দাবির যৌক্তিকতা থাকলে তাঁরা নিশ্চয়ই প্রতিকার পাবেন।’</p><p>এদিকে টিসিবি ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘টিসিবি মনগড়া ডিলার নিয়োগ দিচ্ছে। অথচ যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও আমাদের কাউকে বাতিল করেছে, কাউকে নবায়নের সুযোগ দিচ্ছে না। আমরা এর প্রতিকার চাই। এ জন্যই বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাই। বাণিজ্যমন্ত্রী আগামী রোববার আমাদের যেতে বলেছেন। আশা করছি, আমরা মন্ত্রীর কাছ থেকে ন্যায্যতা পাব।’</p><p>টিসিবি ডিলার নিয়োগ ও ব্যবস্থাপনা নীতিমালা অনুযায়ী, ডিলারশিপ দুই বছর পরপর নবায়নযোগ্য। নতুন নীতিমালা প্রকাশ করা হয় ২০২৫ সালের মার্চে। ক্ষতিগ্রস্ত ডিলারদের অভিযোগ, কোথাও ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত আসন নেই—এমন কারণ দেখিয়ে ডিলারশিপ নবায়ন করা হয়নি। আবার একই ধরনের ওয়ার্ডে নতুন নতুন ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, ওয়ার্ডভিত্তিক আসন ও ভোক্তার প্রাপ্যতার যুক্তি সমানভাবে প্রয়োগ করা হয়নি। গত ৩ মে ৬৪ জন এবং ১১ মে ৯৯ জন ডিলারের সঙ্গে নবায়ন চুক্তি করেনি টিসিবি। কারণ হিসেবে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে পর্যাপ্ত আসন বা ভোক্তার প্রাপ্যতা না থাকার কথা বলা হয়। অন্যদিকে ৩ মে ৫৮ জন এবং ১১ মে ৫১ জন ডিলারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেছে।</p><p>জানতে চাইলে টিসিবির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ফয়সল আজাদ প্রথম আলোকে বলেন, আগের নীতিমালাটি পরিপূর্ণ ছিল না। এক জায়গায় একজনের বদলে ৩০ জন ডিলারও ছিল। নতুন নীতিমালা করে এ বিষয়ে সংস্কার আনা হয়েছে।</p><p><strong>‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন</strong></p><p>টিসিবির এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সংস্থাটির সেবা–সম্পর্কিত অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, দেশের সরবরাহ ব্যবস্থাপনা এখনো পুরোপুরি নিরবচ্ছিন্ন ও কার্যকর হয়নি। উৎপাদক পর্যায় থেকে পণ্য শহর বা রাজধানীর খুচরা বাজারে পৌঁছানোর পর অনেক ক্ষেত্রে দামের বড় ব্যবধান তৈরি হয়। আবার সাময়িক সরবরাহ–ঘাটতিও বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করে।</p><p>টিসিবি বলছে, নতুন ‘উপকারী’ মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে উপকারভোগীরা প্রচলিত কার্ডের পাশাপাশি নিরাপদ ডিজিটাল মাধ্যমেও সেবা নিতে পারবেন। ডিজিটালি স্বাক্ষরিত ও এনক্রিপ্টেড কিউআর কোডের মাধ্যমে উপকারভোগীর পরিচয় ও পণ্য পাওয়ার যোগ্যতা যাচাই করা হবে। ফলে কার্ড হারিয়ে গেলে বা নষ্ট হলেও প্রকৃত উপকারভোগী নির্ধারিত পণ্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হবেন না।</p><p>অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, চলতি অর্থবছরে টিসিবির বিভিন্ন উদ্যোগ ও ডিজিটাল রূপান্তরের ফলে গত বছরের তুলনায় ৩০০ থেকে ৩৫০ কোটি টাকার ভর্তুকি সাশ্রয় হতে পারে। অ্যাপের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) তদারকি ব্যবস্থার মাধ্যমে কোন এলাকায় কত পণ্য বিক্রি ও বিতরণ হচ্ছে, কোথাও অনিয়ম হচ্ছে কি না—এসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় পরিচয়পত্র, মুঠোফোন নম্বর ও অন্যান্য তথ্য যাচাই করে টিসিবির উপকারভোগীর তালিকা থেকে প্রায় ৫৯ লাখ অযোগ্য আবেদনকারীকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে একটি যাচাইকৃত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরি করা হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৭৯ লাখ উপকারভোগী টিসিবির সেবার আওতায় রয়েছেন, যা ভবিষ্যতে এক কোটিতে উন্নীত হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বইয়ের পাতায় চেনা জীবন—কাফকার ‘দ্য ট্রায়াল’</title><link>https://www.bondhushava.com/writings/7t0hxbttrt</link><comments>https://www.bondhushava.com/writings/7t0hxbttrt#comments</comments><guid isPermaLink="false">027e3376-af2c-4717-a9b6-f3ae4a33e962</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:10:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:10:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জোসেফ কে ভেবেছিলেন, সততা আর যুক্তি দিয়ে তিনি এই অদৃশ্য উৎপাত থেকে বেঁচে যাবেন। কিন্তু ক্ষমতা ও অন্ধ বিচারব্যবস্থা যখন যুক্তিহীন হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের মেধা ও সততা সেখানে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বিপদের দিনে আশপাশের পরিচিত অনেকে উপদেশ দিলেও মূল চক্রান্তের বিরুদ্ধে জোসেফকে একাই লড়তে হয়েছিল।]]></description><media:keywords>রিভিউ,বই আলোচনা,বন্ধুসভা</media:keywords><media:content height="1086" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/74pbdgt2/the-trail.png" width="1448"><media:title type="html"><![CDATA[ ফ্রানৎস কাফকার কালজয়ী উপন্যাস ‘দ্য ট্রায়াল’]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/74pbdgt2/the-trail.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>writings</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এক ছুটির বিকেলে অনলাইনে পডকাস্ট শুনতে শুনতে হুট করেই বিশ্বসাহিত্যের বিখ্যাত লেখক ফ্রানৎস কাফকার কালজয়ী উপন্যাস ‘দ্য ট্রায়াল’-এর সঙ্গে পরিচয়। ভেবেছিলাম শতবর্ষ পুরোনো কোনো সাধারণ সাহিত্যের গল্প শুনব। কিন্তু গল্পটি যত সামনে গড়িয়েছে, তত বেশি স্তব্ধ হয়ে গিয়েছি। মনে হয়েছে, এটি কেবল শত বছর আগের কোনো কাল্পনিক চরিত্রের গল্প নয়; বরং আজকের ব্যস্ত করপোরেট জীবন ও জটিল ব্যবস্থার জালে আটকে থাকা আমাদেরই এক অচেনা আয়না।</p><p>উপন্যাসের শুরু বেশ নাটকীয়ভাবে। প্রধান চরিত্র জোসেফ কে একটি ব্যাংকের উচ্চপদস্থ ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা। তাঁর ৩০তম জন্মদিনের সকালে হঠাৎ দুজন অচেনা লোক এসে জানায়, তিনি গ্রেপ্তার হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অপরাধ কী বা কোন আইনে তিনি অভিযুক্ত, তা কেউ বলতে পারে না। তাঁকে কোনো কারাগারেও পাঠানো হয় না, বলা হয় তিনি যেন প্রতিদিনের মতো ব্যাংকের কাজ চালিয়ে যান। কিন্তু এই দেখানোর স্বাধীনতার আড়ালে শুরু হয় এক রহস্যময় আমলাতান্ত্রিক আদালতের তাড়া ও মনস্তাত্ত্বিক উৎপাত।</p><p>গল্পের এই জায়গায় এসেই কাফকা জীবনের এক নিষ্ঠুর সত্যকে উন্মোচিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানের জন্য একজন মানুষ নিজের মেধা ও সময় উজাড় করে দেয়, কোনো অদৃশ্য চক্রান্ত বা ব্যবস্থার শিকার হলে সেই মানুষটি কতটা অসহায় হয়ে পড়ে, তা জোসেফের প্রতিটি পদে পদে ফুটে ওঠে। প্রতিদিন অফিসে গিয়ে সাধারণ কাজ করা আর ভেতরে–ভেতরে নিজেকে ‘নির্দোষ’ প্রমাণের আকুল চেষ্টা—এ দুই মানসিক চাপে কীভাবে মানুষের কর্মক্ষমতা, স্বাধীনতা ও শান্তি বিষাক্ত হয়ে যায়, তা লেখক নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p><aside><a href="https://www.bondhushava.com/writings/svmvtf1a5v">‘আরুশি ও একটি মিছরিদানা আংটি’: গল্প শেষ, রেশ কি শেষ</a></aside><p>জোসেফ কে ভেবেছিলেন, সততা আর যুক্তি দিয়ে তিনি এই অদৃশ্য উৎপাত থেকে বেঁচে যাবেন। কিন্তু ক্ষমতা ও অন্ধ বিচারব্যবস্থা যখন যুক্তিহীন হয়ে পড়ে, তখন সাধারণ মানুষের মেধা ও সততা সেখানে ধূলিসাৎ হয়ে যায়। বিপদের দিনে আশপাশের পরিচিত অনেকে উপদেশ দিলেও মূল চক্রান্তের বিরুদ্ধে জোসেফকে একাই লড়তে হয়েছিল।</p><p>‘দ্য ট্রায়াল’ নতুন করে ভাবতে শিখিয়েছে। জীবনের এমন কঠিন পরিস্থিতিতে অন্ধভাবে কোনো ব্যবস্থার ওপর ভরসা না করে নিজের মানসিক স্বাস্থ্য, আত্মসম্মান ও স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করাটা যে কতটা জরুরি, তা এই উপন্যাস চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। সহজ উপস্থাপনা ও গভীর জীবনবোধের কারণে কাফকার এই সৃষ্টি আজও সমান প্রাসঙ্গিক। জীবনের বাস্তব রূপ আর নিজের অস্তিত্বকে নতুন করে আবিষ্কার করতে চাইলে বইটি পড়া বা শোনার অভিজ্ঞতা সত্যি অনন্য হতে পারে।</p><p><em><strong>বন্ধু,</strong></em> রায়গঞ্জ বন্ধুসভা</p>]]></content:encoded></item><item><title>এআই আমাদের বেকার করবে না, বরং বহুগুণ বেশি উৎপাদনশীল করবে—সানি মো. আশরাফ খান</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/oxofci7m1j</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/oxofci7m1j#comments</comments><guid isPermaLink="false">e29848e0-e64a-4adf-9b47-d603f00f5b53</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:01:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:01:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রাহিতুল ইসলাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1526343</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সাক্ষাৎকার,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,প্রযুক্তি,এআই,জেমিনি এআই,কর্মসংস্থান,ওপেন এআই,রেমিট্যান্স</media:keywords><media:content height="715" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/tkgiekkt/Ashraf-1.jpeg" width="953"><media:title type="html"><![CDATA[ সানি মো. আশরাফ খান ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/tkgiekkt/Ashraf-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এআই</category><category>প্রযুক্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে বিশ্বজুড়ে যখন চাকরি হারানোর শঙ্কা বাড়ছে, প্রযুক্তি উদ্যোক্তা ও গবেষক সানি মো. আশরাফ খান দেখছেন ভিন্ন এক সম্ভাবনা। তাঁর মতে, সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে এআই বাংলাদেশের কর্মশক্তিকে প্রতিস্থাপন নয়, বরং বহুগুণ বেশি উৎপাদনশীল করে তুলতে পারে। দুই দশকের বেশি সময় ধরে প্রযুক্তি, ডিজিটাল রূপান্তর ও মানবসম্পদ উন্নয়নে কাজ করছেন আশরাফ খান। ২০০৮ সালে ইনফ্রাটেক কনসালট্যান্টস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন; বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস চেয়ারম্যান। এআই-সক্ষম জনশক্তি, এজেন্টিক এআই, ভার্চ্যুয়াল রেমিট্যান্স এবং ভবিষ্যতের শিক্ষা নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন <strong>সানি মো. আশরাফ খান</strong>। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন <strong>রাহিতুল ইসলাম</strong>।</p><p>অনেক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান বলছে, এআই ও অটোমেশন বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিপুলসংখ্যক চাকরি কমিয়ে দিতে পারে। আপনিও কি এই আশঙ্কা করেন?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> আশঙ্কাটি একেবারে অমূলক নয়। আমরা যদি কিছু না করি, অটোমেশন অবশ্যই কিছু প্রচলিত কাজের প্রয়োজন কমিয়ে দেবে। কিন্তু প্রযুক্তির ইতিহাস বলছে, প্রযুক্তি শুধু কাজ বিলুপ্ত করে না; কাজের ধরনও বদলে দেয়। তাই আসল প্রশ্ন এআই আসবে কি না, সেটি নয়। এআই তো এরই মধ্যে এসে গেছে। প্রশ্ন হলো, আমাদের মানুষ কি এর জন্য প্রস্তুত?</p><p>আমরা যদি কর্মশক্তিকে এআই-সক্ষম করে তুলতে পারি, তাহলে যে কর্মী আজ প্রযুক্তির কারণে চাকরি হারানোর ভয় পাচ্ছেন, তিনিই আগামী দিনে অনেক বেশি উৎপাদনশীল হয়ে উঠতে পারেন। একজন এআই-সক্ষম কর্মী অনেক ক্ষেত্রে আগে ৫ বা ১০ জন মিলে যে কাজ করতেন, তার বড় অংশ একাই করতে পারবেন। আমাদের লক্ষ্য তাই মেশিনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করা নয়; মেশিনকে কাজে লাগানোর সক্ষমতা তৈরি করা।</p><p>‘এআই-সক্ষম জনশক্তি’ বলতে আপনি ঠিক কী বোঝাচ্ছেন?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> একসময় কম্পিউটার জানা আলাদা দক্ষতা ছিল। পরে সেটি প্রায় সব পেশার অংশ হয়ে গেছে। এআইয়ের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটবে। একজন দরজি এআই দিয়ে পোশাকের নকশা তৈরি ও বাজার বিশ্লেষণ করতে পারেন। একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা উৎপাদন পরিকল্পনা, হিসাব, বিপণন কিংবা বিদেশি ক্রেতা খুঁজতে এআই ব্যবহার করতে পারেন। একজন তরুণ কোডিংয়ে বিশেষজ্ঞ না হয়েও এআইয়ের সহায়তায় অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে পারেন। আমরা দীর্ঘদিন প্রযুক্তি আমদানি করেছি। এখন আমার ভাবনা হলো, এআই যুগে বাংলাদেশের অন্যতম বড় রপ্তানি সক্ষমতা হওয়া উচিত এআই-সক্ষম মানবসম্পদ। বিশ্বে দক্ষ মানুষের চাহিদা থাকবে, কিন্তু দক্ষতার সংজ্ঞা বদলে যাবে। বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠীকে যদি এখনই সেই নতুন দক্ষতায় তৈরি করতে পারি, তাহলে আমাদের সামনে বিশাল বৈশ্বিক বাজার রয়েছে।</p><p>আপনার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। সেই অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের মানবসম্পদ সম্পর্কে আপনাকে কী শিখিয়েছে?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান: </strong>সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো বাংলাদেশে মেধার অভাব নেই, সুযোগে প্রবেশের পথের অভাব আছে। আমাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব কর্মসূচির নকশা ও বাস্তবায়নে আমি নেতৃত্ব দিয়েছি, সেগুলোতে সাড়ে ৩২ হাজারের বেশি মানুষ বিভিন্ন ধরনের দক্ষতা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৯ হাজার তথ্যপ্রযুক্তি পেশাজীবী এবং ৪ হাজারের বেশি মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপার রয়েছেন। আমরা সব সময় একটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছি, প্রশিক্ষণই শেষ কথা নয়; প্রশিক্ষণের পর আয় হচ্ছে কি না, সেটিই আসল। বিশ্বব্যাংক অর্থায়িত কর্মসূচির মাধ্যমে ১ হাজারের বেশি স্টার্টআপকে সহায়তা এবং তিন হাজারের বেশি উদ্যোক্তাকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাঁদের ৩৬ শতাংশ নারী। আমার অভিজ্ঞতা হলো, একজন সাধারণ তরুণকে যদি বাস্তব দক্ষতা, বাজার এবং আয়ের একটি পরিষ্কার পথ দেখানো যায়, তিনি নিজের জীবন নিজেই বদলে দিতে পারেন। তাই আমি মনে করি, মানবসম্পদ উন্নয়ন কোনো সামাজিক ব্যয় নয়; এটি একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিনিয়োগ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/o9flmegx/Ashraf-2.jpeg" /><figcaption>সানি মো. আশরাফ খান</figcaption></figure><p> আমরা এখন জেনারেটিভ এআই নিয়ে কথা বলছি, কিন্তু এর পরের ধাপ কী?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান: </strong>আমার কাছে মনে হয়, এখানেই পরবর্তী বড় পরিবর্তনটি ঘটবে। আমরা এখন যে এআই ব্যবহার করছি, তাকে সাধারণত একটি প্রশ্ন করি বা নির্দেশনা দিই সে উত্তর দেয়, লেখা তৈরি করে, ছবি বানায়, কোড লেখে কিংবা বিশ্লেষণ করে। পরবর্তী ধাপ হচ্ছে এজেন্টিক এআই; অর্থাৎ এআই শুধু আমাকে বলবে না কী করতে হবে, আমার অনুমতি ও নির্ধারিত সীমার মধ্যে আমার হয়ে কাজও করবে। ধরুন, আমি বললাম, আগামী সপ্তাহে আমাকে থাইল্যান্ড যেতে হবে। আজকের এআই আমাকে ফ্লাইট ও হোটেলের তালিকা দিতে পারে। ভবিষ্যতের এআই এজেন্ট আমার পছন্দ জানবে, ক্যালেন্ডার দেখবে, ফ্লাইট খুঁজবে, হোটেল তুলনা করবে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ও ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করে পুরো কাজটি এগিয়ে নেবে। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত বা লেনদেনে আমার অনুমোদন থাকবে, কিন্তু প্রতিটি ধাপে আমাকে নিজে বসে কাজ করতে হবে না। এআই তার পরিবেশ ও স্ক্রিন বুঝে বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করতে পারে। বড় পরিবর্তনটি হলো আজ আমরা সফটওয়্যার চালাই; আগামী দিনে এআই আমাদের হয়ে সফটওয়্যার চালাবে। একজন মানুষকে হয়তো এখন পাঁচটি অ্যাপ খুলে ২০টি ধাপ অনুসরণ করে একটি কাজ করতে হয়। ভবিষ্যতে তিনি শুধু তাঁর লক্ষ্যটি বলবেন। তাঁর এআই এজেন্ট প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন সফটওয়্যার, তথ্য ও ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করে কাজটি সম্পন্ন করার চেষ্টা করবে। তখন একজন মানুষের উৎপাদনশীলতার সংজ্ঞাই বদলে যাবে। তাই আমাদের তরুণদের শুধু এআই ব্যবহার শেখালে হবে না; এআই এজেন্ট তৈরি, পরিচালনা ও কাজে লাগানোও শেখাতে হবে। ভবিষ্যতের প্রতিযোগিতা শুধু মানুষ বনাম এআই নয়; বরং এআই ব্যবহারকারী একজন মানুষ বনাম দক্ষভাবে একাধিক এআই এজেন্ট পরিচালনা করতে সক্ষম আরেকজন মানুষের মধ্যেও হতে পারে।</p><p>বিশ্বজুড়ে কয়েকজন এআই গবেষক চাকরি ছেড়ে সতর্ক করছেন, ভবিষ্যতে এআই মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে, এমনকি মানবজাতির জন্য বিপজ্জনকও হতে পারে। এসব খবর সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় তৈরি করছে। আমাদের কি সত্যিই এআইকে ভয় পাওয়া উচিত?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> দেখুন, এআইয়ের ঝুঁকি বোঝার জন্য ভবিষ্যতে কী হবে, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে না। এআই দিয়ে প্রতারণা হচ্ছে, ভুয়া ছবি-ভিডিও ও খবর তৈরি হচ্ছে, সাইবার অপরাধ হচ্ছে—এমনকি ভুল তথ্য দিয়ে মানুষের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হচ্ছে—এসব আমরা এর মধ্যেই দেখছি। তাই শুধু ‘একদিন এআই মানুষকে মেরে ফেলবে কি না’, এই ভয় নিয়ে আলোচনা করলে আজকের বাস্তব সমস্যাগুলোই আড়ালে পড়ে যাবে। আমি বিষয়টিকে গাড়ির সঙ্গে তুলনা করি। গাড়ি যেমন আমাদের জীবন অনেক সহজ করেছে, তেমনি গাড়ি দিয়ে দুর্ঘটনাও ঘটে। তাই আমরা গাড়ি নিষিদ্ধ করিনি। আমরা ব্রেক বানিয়েছি, ট্রাফিক আইন করেছি, ড্রাইভিং লাইসেন্স করেছি, সিটবেল্ট দিয়েছি। এআইয়ের ক্ষেত্রেও আমাদের ঠিক এটাই করতে হবে—প্রযুক্তি বন্ধ করা নয়, প্রযুক্তির সঙ্গে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থাও তৈরি করা। যেসব গবেষক সতর্ক করছেন, তাঁদের মূল উদ্বেগটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরা বলছেন না যে আজকের এআই কাল সকালেই মানুষকে মেরে ফেলবে। প্রশ্নটা হচ্ছে, আগামী দিনের এআই যখন আরও শক্তিশালী হবে এবং মানুষের হয়ে নিজে নিজে কাজ করতে পারবে, তখন আমরা তার ওপর মানুষের নিয়ন্ত্রণ কীভাবে নিশ্চিত করব? ধরুন, আজ আমি এআইকে একটি প্রশ্ন করি, সে আমাকে উত্তর দেয়। কিন্তু আমরা যে এজেন্টিক এআইয়ের দিকে যাচ্ছি, সেখানে আমি তাকে একটি কাজ দেব, আর সে আমার হয়ে বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করবে, তথ্য খুঁজবে, সিদ্ধান্তের অপশন তৈরি করবে এবং অনেক কাজ নিজেই এগিয়ে নেবে। তখন তাকে কতটুকু স্বাধীনতা দেওয়া হবে, কোথায় সে থামবে এবং কোন সিদ্ধান্তে মানুষের অনুমতি অবশ্যই লাগবে—এই প্রশ্নগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ। আমার মতে, আমাদের এআইকে ভয় পাওয়া উচিত নয়; কিন্তু এআইকে হালকাভাবেও নেওয়া উচিত নয়।</p><p>বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় ভুল হবে ভয় পেয়ে এআই থেকে দূরে থাকা। তাহলে অন্য দেশ যখন এআই দিয়ে তাদের মানুষের উৎপাদনশীলতা বাড়াবে, আমরা পিছিয়ে পড়ব। তাই আমাদের তরুণদের শুধু ‘এআই কীভাবে ব্যবহার করতে হয়’ শেখালে হবে না। তাঁদের এটাও শেখাতে হবে, কখন এআইয়ের কথা বিশ্বাস করতে হবে, কখন যাচাই করতে হবে, কোন কাজ এআইকে দেওয়া যাবে এবং কোন সিদ্ধান্ত মানুষের হাতেই রাখতে হবে।</p><p>তাহলে এআই ও এজেন্টিক এআইয়ের যুগে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাও কি আমূল বদলাতে হবে?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> অবশ্যই। আমাদের প্রচলিত শিক্ষা এখনো অনেকাংশে পরীক্ষা করে আপনি কী জানেন বা কতটা মনে রাখতে পেরেছেন। ভবিষ্যতের শিক্ষা পরীক্ষা করবে আপনি কী করতে পারেন, কী তৈরি করতে পারেন এবং কোন সমস্যার সমাধান করতে পারেন। এআইয়ের যুগে তথ্যের অভাব নেই। কয়েক সেকেন্ডেই তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই শুধু তথ্য মনে রাখার মূল্য কমবে; তথ্যকে কাজে লাগানোর সক্ষমতার মূল্য বাড়বে। শিক্ষাব্যবস্থাকে তাই ‘ডিগ্রি আগে, দক্ষতা পরে’, এই ধারণা থেকে বের হতে হবে। ভবিষ্যতের শিক্ষা হবে ব্যক্তিকেন্দ্রিকও। একই ক্লাসে ৫০ জনকে একইভাবে শেখানোর পরিবর্তে এআই একজন শিক্ষার্থীর ভাষা, সক্ষমতা ও শেখার গতির সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারবে।</p><p>কিন্তু ভবিষ্যতের এমন শিক্ষা মডেল বাংলাদেশ থেকেই কেন তৈরি হবে? উন্নত দেশগুলো তো প্রযুক্তিতে অনেক এগিয়ে।</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান: </strong>কারণ, আমাদের প্রয়োজনটা অনেক বেশি। আমাদের বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী আছে, সীমিত সম্পদ আছে এবং দ্রুত কর্মসংস্থান তৈরির প্রয়োজন আছে। এই সীমাবদ্ধতাই আমাদের উদ্ভাবনে বাধ্য করবে। যখন লাখ লাখ মানুষকে কম খরচে, মুঠোফোনে, বিভিন্ন ভাষায় এবং সীমিত ইন্টারনেট সংযোগের মধ্যেও শেখাতে হবে, তখন এমন একটি শিক্ষা মডেল তৈরি করতে হবে, যা হবে সহজ, সাশ্রয়ী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং ফলাফলমুখী। আমরা এরই মধ্যে বড় পরিসরে ডিজিটাল দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। এখন সেই অভিজ্ঞতার সঙ্গে এআই যুক্ত করার সময় এসেছে। আমি বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতের শিক্ষার একটি কার্যকর মডেল বাংলাদেশে তৈরি হয়ে একদিন অন্য দেশেও রপ্তানি হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/2si3rehy/Ashraf-3.jpeg" /><figcaption>সানি মো. আশরাফ খান </figcaption></figure><p>যাঁরা প্রচলিত শিক্ষায় পিছিয়ে পড়েছেন, স্কুল থেকে ঝরে পড়া কিংবা তুলনামূলক কম দক্ষ তরুণ, এআই কি তাঁদের আরও পিছিয়ে দেবে?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান: </strong>আমি বরং এখানেই এআইয়ের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা দেখি। আগে একটি অ্যাপ বানাতে হলে প্রোগ্রামিং জানতে হতো। এখন একজন মানুষ তাঁর প্রয়োজনটি সাধারণ ভাষায় ব্যাখ্যা করেও এআইয়ের সাহায্যে একটি অ্যাপ তৈরির অনেকটা কাজ করতে পারেন। যিনি ডিজাইনার নন, তিনিও ডিজাইন করতে পারছেন। মার্কেটিং না পড়েও একজন ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এআইয়ের সহায়তায় ডিজিটাল প্রচারণা চালাতে পারছেন। অর্থাৎ এআই দক্ষতা অর্জনের প্রবেশদ্বারটাকে অনেক নিচে নামিয়ে দিচ্ছে। সঠিক প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দিতে পারলে প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় পিছিয়ে থাকা একজন তরুণও এআই ব্যবহার করে উৎপাদনশীল মানুষ হয়ে উঠতে পারেন। আমার কাছে এটাই এআইয়ের সবচেয়ে বড় সামাজিক সম্ভাবনাগুলোর একটি।</p><p> কিন্তু রোবট ও অটোমেশনের কারণে কারখানায় যদি মানুষের প্রয়োজন কমে যায়, তাহলে নতুন কর্মসংস্থান আসবে কোথা থেকে?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> পুনরাবৃত্তিমূলক কিছু কাজে মানুষের প্রয়োজন অবশ্যই কমবে। কিন্তু একই সঙ্গে এমন মানুষের চাহিদা বাড়বে, যাঁরা মেশিন চালাতে, রক্ষণাবেক্ষণ করতে, প্রোগ্রাম করতে, উন্নত করতে এবং নতুন পণ্য ডিজাইন করতে পারবেন। ভবিষ্যতে একটি বাড়িও ছোট একটি অর্থনৈতিক ইউনিট হতে পারে। আমার কাছে ভবিষ্যতের শিল্পায়ন শুধু বড় কারখানা নয়, প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদনক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়ানো।</p><p>আপনার সাম্প্রতিক গবেষণায় ‘ভার্চ্যুয়াল রেমিট্যান্স’ ধারণাটি এসেছে। বিষয়টি কী?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> আমরা রেমিট্যান্স বলতে সাধারণত বুঝি, একজন মানুষ দেশ ছেড়ে বিদেশে যাবেন, সেখানে কাজ করবেন, তারপর দেশে টাকা পাঠাবেন। ভার্চ্যুয়াল রেমিট্যান্স হলো, মানুষটি বাংলাদেশেই থাকবেন, কিন্তু তাঁর আয় আসবে বিদেশ থেকে। ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষিত ১ হাজার ৬০০ তরুণকে নিয়ে আমাদের গবেষণায় দেখা গেছে, ৮৫ শতাংশ ঘরে বসে কাজ করছেন, ৯০ শতাংশের বেশি কাজের জন্য শহরে স্থানান্তর এড়াতে পেরেছেন এবং প্রায় ৩৫ শতাংশ ইতোমধ্যে বিদেশি ক্লায়েন্টের কাজ করছেন।</p><p>রাজশাহীর একজন তরুণ যদি ইউরোপের প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন করেন কিংবা বরিশালে বসে কেউ উত্তর আমেরিকার প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল মার্কেটিং করেন, সেটিও তো বৈদেশিক আয়।</p><p>পার্থক্য হলো, তাঁকে দেশ ছাড়তে হচ্ছে না, পরিবার ছাড়তে হচ্ছে না। আমরা যদি বিদেশে কর্মী পাঠানোর মতোই পরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল কর্মী তৈরির জাতীয় ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারি, তাহলে ডিজিটাল বা ভার্চ্যুয়াল রেমিট্যান্স একসময় বাংলাদেশের অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হয়ে উঠতে পারে।</p><p>আপনি প্রতিটি পরিবারকে ডিজিটাল অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত করার কথা বলেন। এটি কি বাস্তবে সম্ভব?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> আমার লক্ষ্য খুব সহজ, বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারে অন্তত একজন মানুষ যেন ডিজিটাল অর্থনীতি থেকে আয় করেন। একটি পরিবারের একজন সদস্য যখন অনলাইনে আয় করেন, তখন পুরো পরিবারের প্রযুক্তির সঙ্গে সম্পর্ক বদলে যায়। পরবর্তী প্রজন্ম তখন প্রযুক্তিকে শুধু বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে দেখে না; আয় ও কর্মসংস্থানের মাধ্যম হিসেবেও দেখে। এটি করতে হলে ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, সহজ আন্তর্জাতিক পেমেন্ট ব্যবস্থা, স্থানীয় ডিজিটাল হাব ও ইনকিউবেটর এবং গ্রামীণ ডিজিটাল উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ অর্থায়ন প্রয়োজন। একসময় রাস্তা সেতু অর্থনীতির অবকাঠামো ছিল; এখন ইন্টারনেট, ডিজিটাল পেমেন্ট ও দক্ষতাও অর্থনীতির অবকাঠামো।</p><p>তাহলে সরকার, শিল্প খাত ও বিশ্ববিদ্যালয়ের এখন সবচেয়ে জরুরি কাজ কী?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান: </strong>তিন পক্ষকে একই লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। সরকারকে এআই-সক্ষম মানবসম্পদ ও ডিজিটাল রেমিট্যান্সকে জাতীয় অর্থনৈতিক সক্ষমতা হিসেবে দেখতে হবে। প্রশিক্ষণের সাফল্য শুধু কতজন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন, তা দিয়ে নয়; কতজন আয় বা কর্মসংস্থানে যুক্ত হয়েছেন, সেটি দিয়ে পরিমাপ করতে হবে। শিল্প খাতকে প্রশিক্ষণের নকশায় সরাসরি যুক্ত করতে হবে। কারণ, আগামী তিন বা পাঁচ বছরে কোন দক্ষতার প্রয়োজন হবে, সেটি বাজারই সবচেয়ে ভালো বলতে পারে। আর বিশ্ববিদ্যালয়কে এমন স্নাতক তৈরি করতে হবে, যিনি শুধু কোনো বিষয় ব্যাখ্যা করতে পারবেন না, বাস্তবে কিছু তৈরি করতে পারবেন। সরকার, শিল্প ও শিক্ষা—এই তিন জায়গা একসঙ্গে পরিবর্তিত হলে এআইয়ের অভিঘাতকে বাংলাদেশ বড় অর্থনৈতিক সুযোগে রূপান্তর করতে পারে।</p><p>এআই যুগের বাংলাদেশ নিয়ে আপনার স্বপ্ন এক বাক্যে কী?</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> আমরা যেন শুধু ভবিষ্যৎ আমদানি না করি, ভবিষ্যৎ তৈরিও করি, এমন একটি এআই–সক্ষম প্রজন্ম গড়ে তুলি। যেখানে প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজন ডিজিটাল অর্থনীতিতে আয় করবেন এবং বাংলাদেশ দেখাবে, একটি উন্নয়নশীল দেশও ভবিষ্যতের জন্য মানুষ তৈরিতে বিশ্বকে পথ দেখাতে পারে।</p><p>আপনাকে ধন্যবাদ।</p><p><strong>সানি মো. আশরাফ খান:</strong> আপনাকেও ধন্যবাদ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অ্যালামনাই সিস্টারহুড থেকে অস্ট্রেলিয়াজুড়ে পরিবর্তনের পথে ভিএঅস</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/6jse5yy91h</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/6jse5yy91h#comments</comments><guid isPermaLink="false">a789691f-e48d-4f21-9f0f-f9c9a507b3cf</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিশু,ভিকারুননিসা নূন স্কুল,নাগরিক সংবাদ,আয়োজন নাগরিক সংবাদ,নারী</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/bdxn4jqw/11.jpg" width="1280"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/bdxn4jqw/11.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আয়োজন</category><category>নাগরিক সংবাদ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভিকারুন্নিসা অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়া (ভিএঅস), একটি অলাভজনক সংগঠন যা অস্ট্রেলিয়ার আটটি প্রাদেশিক অঞ্চলজুড়ে প্রবাসী কমিউনিটির জন্য কাজ করে।</p><p> ছোটবেলায় আমরা সবাই বড় হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতাম। কিন্তু স্কুলের শেষ দিনটা আসতেই সে উত্তেজনা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে যেত। বছরের পর বছর ধরে একসঙ্গে একই শ্রেণিকক্ষ, করিডর, খেলার মাঠ, হাসি-ঠাট্টা আর ছোট ছোট মুহূর্ত ভাগ করে নেওয়ার পর, প্রত্যেকেই যখন ভিন্ন পথে পা বাড়ায়, তখন সবকিছুই স্মৃতি হয়ে যায় একনিমেষে। আর দিনটা শেষে মনে একটাই প্রশ্ন থেকে যায়, চেনা মুখগুলোর সঙ্গে আবার কবে দেখা হবে?</p><p> ভিকারুন্নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একই শ্রেণিকক্ষে পড়া প্রাক্তনীদের বন্ধুত্ব অবশ্য সেখানেই থেমে থাকেনি। অনেক বছর পরও, অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন প্রান্তে বসবাস করে সেই বন্ধন তাঁদের একসঙ্গে রেখেছিল। ২০১৬ সালের অক্টোবরে সিডনিতে এক রেস্টুরেন্টে বসে কয়েকজন প্রাক্তনী আবার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। সেই ছোট্ট উদ্যোগই ধীরে ধীরে ভিকারুন্নিসা অ্যালামনাই অস্ট্রেলিয়া বা ভিএঅসে রূপ নেয়। সংগঠনটি ২০১৭ সালের মার্চে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরে ২০২২ সালে দাতব্য সংস্থা হিসেবে নিবন্ধিত হয়।</p><p>সময়ের সঙ্গে এ সংগঠন অস্ট্রেলিয়ার আটটি প্রাদেশিক অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। আর তখনই তাদের সামনে আসে একটি নতুন ভাবনা, ‘আমরা অন্যদের জন্য কী করতে পারি?’</p><p>এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে সংগঠনের সদস্যরা নিজেদের গণ্ডির বাইরে তাকাতে শুরু করেন। আশপাশের মানুষ কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন, সেদিকেও নজর দেন। যে সমস্যা প্রথম তাঁদের বেশি ভাবায়, তা হলো পারিবারিক সহিংসতা। বিদেশে থাকলে অনেক সময় মনে হতে পারে যে নারীদের হয়তো তেমন কোনো সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় না। কিন্তু বাস্তবতা অনেক সময় একেবারেই ভিন্ন।</p><p>কোভিড-১৯ মহামারির সময় বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। সে সময় বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে নারীদের ওপর পারিবারিক সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার কথা উঠে আসে। তবে প্রাক্তনীদের কাছে এটি শুধু কোনো খবর ছিল না। তাঁদেরই এক সহপাঠী যখন গর্ভবতী অবস্থায় বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য হন, তখন বিষয়টি তাঁদের খুব কাছের হয়ে ওঠে। খবরটি জানার পর, সদস্যরা মিলে তাঁকে সাহায্য করার জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন।</p><p>তবে মানুষকে সাহায্য করতে গিয়ে প্রাক্তনীরা বুঝতে পারেন যে তাৎক্ষণিক সাহায্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটিই পুরো সমাধান নয়। ভিএঅসের সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা ড. সুরঞ্জনা জেনিফার রহমান প্রশ্ন তোলেন, ‘আমরা শুধু ভুক্তভোগীদের সাহায্য করছি। কিন্তু এটাই কি যথেষ্ট? যাঁরা এই শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ, তাঁদের নিয়ে কী করব?’তাই সহিংসতার শিকার নারীদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি এমন পরিস্থিতি শুরুতেই কীভাবে প্রতিরোধ করা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।</p><p>এ ভাবনা থেকেই শুরু হয় ‘চেঞ্জ দ্য স্টোরি: মেন অ্যাজ চ্যাম্পিয়নস’। এর মাধ্যমে পুরুষদের পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে খোলামেলা কথা বলা, এর প্রভাব বোঝা এবং একটি নিরাপদ সমাজ গড়তে পুরুষেরা কী ভূমিকা রাখতে পারেন, তা নিয়ে ভাবার সুযোগ তৈরি করা হয়।</p><p>তবে শুধু নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। যাঁরা এমন পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে গেছেন, তাঁদের নতুন করে জীবন শুরু করার সুযোগ দেওয়াও জরুরি। এ ভাবনা থেকেই তৈরি হয় ‘হার বিজনেস’। এ উদ্যোগ অস্ট্রেলিয়ায় নতুন আসা ও পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের দক্ষতা অর্জন ও আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে সাহায্য করে।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>ভিএঅসের সাবেক সভাপতি ও উপদেষ্টা ড. মাহবুবা খানম মুক্তা বলেন, নারীদের নিজেদের স্বাবলম্বী হতে এবং একটি ভালো ভবিষ্যৎ গড়তে প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাস থাকা জরুরি। আটটি কর্মশালার মাধ্যমে ১২ জন নারী সেলাই ও ঘরোয়া ব্যবসার মতো কাজে প্রশিক্ষণ নেন। বর্তমানে তাঁরা সবাই কর্মরত আছেন। প্রাক্তনীরা পারিবারিক সহিংসতার শিকার নারীদের আশ্রয়কেন্দ্রের নানাবিধ সুবিধা উন্নত করার জন্য ছয় হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার সংগ্রহ করেছেন। নারীদের নতুন করে জীবন গড়ার পথে এটি ছিল আরেকটি জরুরি সহায়তা।</p><p>সংগঠনের কাজ এগিয়ে চলার সঙ্গে সঙ্গে প্রাক্তনীরা বুঝতে শুরু করেন যে সাহায্যের প্রয়োজন সব সময় বড় কোনো সমস্যা নিয়ে হয় না। অনেক সময় ছোট ছোট দৈনন্দিন প্রয়োজনও মানুষের জীবনে বড় প্রভাব ফেলে। এর মধ্যে একটি হলো মাসিককালীন স্বাস্থ্যবিধি। মাসিক নারীজীবনের স্বাভাবিক অংশ হলেও, আর্থিক সমস্যায় থাকা মেয়ে ও নারীরা সব ক্ষেত্রে এ সময়ের প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করতে পারেন না।</p><p>ভিএঅসের জেনারেল সেক্রেটারি রিফায়াত রোনাক ইকো বলেন, মাসিককালীন সামগ্রী একটি মৌলিক প্রয়োজন। কোনো নারীর তা কেনার সামর্থ্য নেই বলে তার স্বাস্থ্যবিধির সঙ্গে আপস করতে হবে না। এ ভাবনা থেকেই ভিএঅস ‘শেয়ার দ্য ডিগনিটি’কে সমর্থন করে। এর মাধ্যমে স্কুল, পাবলিক টয়লেট ও কেয়ার হ্যাম্পারের মাধ্যমে নারীদের মাসিককালীন সামগ্রী দেওয়ার জন্য ফান্ড সংগ্রহ করা হয়।</p><p>মৌলিক চাহিদার এ ভাবনা থেকেই শিশুদের জন্যও শুরু হয় ‘ইট আপ’। এর লক্ষ্য ছিল, পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে যেসব শিশু দুপুরের খাবার নিয়ে স্কুলে যেতে পারে না, তাদের জন্য টিফিনের ব্যবস্থা করা। রিফায়াত রোনাক ইকো বলেন, ‘আমরা অনুভব করলাম, কোনো শিশু যেন ক্ষুধার্ত অবস্থায় স্কুলে না যায়, তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের কিছু একটা করতে হবে।’২০২৪ সালের মার্চে, ভিএঅস একটি ‘মর্নিং টি’র আয়োজন করে আড়াই হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার সংগ্রহ করে। পরে ২০ জন স্বেচ্ছাসেবক মিলে মাত্র ৮০ মিনিটে দুটি সরকারি স্কুলের জন্য ১ হাজার ৮৭টি স্যান্ডউইচ তৈরি করেন যা বিতরণ করা হয় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের মধ্যে।</p><p>বছরের পর বছর নারী ও শিশুদের পাশে দাঁড়ানোর পর, প্রাক্তনীরা এবার তাঁদের বেড়ে ওঠার দেশ, তাঁদের জন্মভূমি বাংলাদেশ নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। তাঁরা চিন্তা করেন, যে বন্ধন তাঁদের একসঙ্গেরেখেছে, সেই বন্ধন কি বাংলাদেশের মানুষের জন্যও কাজে লাগানো যায়? বিশেষ করে যারা সুযোগ থেকে বঞ্চিত, তাদের জন্য কি নতুন সুযোগ তৈরি করা সম্ভব?</p><p>এ ভাবনা নতুন রূপ পায়,যখন ভিএঅসের বর্তমান প্রেসিডেন্ট মারিয়াম শামস মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়াসিজন ১৩-এর দ্বিতীয় রানারআপ কিশোয়ার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিশোয়ারেরও একই রকম একটি ভাবনা ছিল। ওয়ার্ল্ড ভিশন অস্ট্রেলিয়ার অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তিনি করাইল বস্তি সফর করেছিলেন। সেখানে শিশুরা তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছিল, ‘আমরা কি আপনার মতো হতে পারি?’</p><aside><a href="https://nagorik.prothomalo.com/reader/i5482rqmod">বর্ষায় ১০০ ফিট সড়কে জনদুর্ভোগ চরমে</a></aside><p>প্রশ্নটি মারিয়ামের মনে থেকে যায়। এটি তাঁকে ভাবায়, সীমিত সুযোগ কীভাবে তরুণদের নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের বাংলাদেশি কিশোর-তরুণদের কাছে পৌঁছাতে এবং তাদের জন্য কিছু করতে চেয়েছিলাম, এমনকি যদি তা পরোক্ষভাবেও হয়।’</p><p>এ ভাবনা থেকেই ভিএঅস কেসিসি উইংসকেপাঁচ হাজারঅস্ট্রেলিয়ান ডলার দান করে। এ অর্থকরাইলের ১০ জন তরুণকে কালিনারি প্রশিক্ষণ, পরামর্শ, ইংরেজি শিক্ষা এবং কর্মজীবনের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্যকরে। এ উদ্যোগের কথা বলতে গিয়ে মারিয়াম বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, স্কুলের সম্পর্কছাড়িয়ে কমিউনিটিকে বদলে দেওয়ার যে স্বপ্ন নিয়ে আমরা ভিএঅস শুরু করেছিলাম, তা আমাদের কাজের মাধ্যমে এবং আমরা যাদের সাহায্য করেছি, তাদেরমধ্য দিয়ে বেঁচে থাকবে।’</p><p>বাংলাদেশের সঙ্গে এ সংযোগ এখানেই শেষ নয়। ভিএঅস ২০২৪ সালে বন্যাদুর্গত এলাকায় এবং ২০২৫ সালে এইম স্কুল ফাউন্ডেশনের শিক্ষার্থীদের জন্য বেঞ্চ সরবরাহ করায় সাহায্য করেছে। ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে, ভিএঅস এইম ফাউন্ডেশনের ‘স্পনসর আচাইল্ড’প্রজেক্টেসহায়তা করেছে। এরমাধ্যমে শিশুদের বই, কলম, পেনসিল ওঅন্যান্য প্রয়োজনীয় শিক্ষাসামগ্রী দেওয়া হচ্ছে। গত পাঁচ বছরেভিএঅস ৯২হাজার অনুদান তুলে দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার কমিউনিটিতে যা খরচ হয়েছেপারিবারিক সহিংসতারশিকার নারীদের শারীরিক ওঅর্থনৈতিক উন্নয়নে, সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য, নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায়, কর্মসংস্থান ও আর্থিক ক্ষমতায়নে।</p><p>তাৎক্ষণিক সাহায্য থেকে শুরু করে শিক্ষা, দক্ষতা ও নতুন সুযোগ তৈরি করা পর্যন্ত, ভিএঅসের কাজধীরে ধীরে আরও বড় পরিসরে ছড়িয়ে পড়েছে। আর এর পেছনে রয়েছে সেই একই বন্ধন, যা একসময় স্কুলের কয়েকজন বন্ধু, সিনিয়র, জুনিয়রকে আবার একত্রকরেছিল। প্রাক্তনীদের সঙ্গে আবার যোগাযোগকরার একটি ছোট্ট ইচ্ছা থেকে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা আজ অনেক বড় একটি কমিউনিটিতে পরিণতহয়েছে। সিডনির একটি ছোট রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে অস্ট্রেলিয়ার আটটি অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা একটিদাতব্য সংস্থা, তাদের গল্প শুধু একটি সংগঠনের বড় হয়ে ওঠার গল্প নয়। এটি প্রমাণকরে দেয় যে স্কুলজীবনে তৈরি হওয়া একটা স্পিরিট, সময়ের সঙ্গে কত মানুষের জীবনে পৌঁছাতে পারে, জীবনটা পুরো বদলে দিতে পারে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রপ্তানিকারকদের আগ্রহ কম, তবু বিদেশে ১০ মেলা আয়োজন করতে চায় ইপিবি </title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/sb0slci03h</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/sb0slci03h#comments</comments><guid isPermaLink="false">4e32db5d-5c42-4e04-b93a-9cd67afeb619</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1429043</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইপিবির এবারের ক্যালেন্ডারে ৫০টি মেলা রয়েছে। গত অর্থবছরে যেসব মেলায় কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়নি, এবার সেগুলোরও রয়েছে কয়েকটি।]]></description><media:keywords>বাণিজ্য সংবাদ,মেলা,বাণিজ্য,অর্থনীতি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-04/df499c40-3f79-47ee-98a8-95b628222475/b2d39226-be36-4311-b0e3-3e125c8b975a.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-04/df499c40-3f79-47ee-98a8-95b628222475/b2d39226-be36-4311-b0e3-3e125c8b975a.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মালয়েশিয়া, তুরস্ক ও ভারতে খাদ্যপণ্য, পাোশাকসহ বিভিন্ন বাংলাদেশি পণ্যের প্রদর্শনীর আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছিল রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। গত অর্থবছরে এমন ১০টি মেলা বা প্রদর্শনীর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু অংশগ্রহণের জন্য আহ্বান করা হলেও বাংলাদেশি কোনো রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাতে আগ্রহ দেখায়নি। শেষ পর্যন্ত ওই সব মেলা হয়নি।</p><p> এ দেশের উদ্যোক্তাদের প্রদর্শনী বা মেলায় অংশগ্রহণ নিয়ে আগ্রহ না থাকলেও চলতি অর্থবছরে আবার নিজেদের ক্যালেন্ডারে ওই ১০টি মেলা রেখেছে ইপিবি, যা নিয়ে এখন প্রশ্ন তুলেছেন উদ্যোক্তাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><p> ইপিবির এবারের মেলা ক্যালেন্ডারে ৫০টি মেলা রয়েছে। একে একে এগুলোর প্রজ্ঞাপন জারি করা হচ্ছে। এবারের ক্যালেন্ডারের মধ্যে তৈরি পোশাক খাতে ১৮টি, কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যে ৭টি, সাধারণ শ্রেণিতে ১৩টি, ওষুধে ৩টি; গৃহসামগ্রী, হস্তশিল্প ও গৃহসজ্জাসামগ্রীতে ৪টি এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২টি মেলা রয়েছে। চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্লাস্টিক ও রাবার খাতে রয়েছে একটি করে মেলা।</p><p>গত অর্থবছরে যেসব মেলায় কোনো বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়নি, এবার সেগুলোর কয়েকটিও রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তুরস্কের হালাল এক্সপো ও বিশ্ব হালাল সম্মেলন, যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক খাদ্য ও পানীয় মেলা ও সোর্স ফ্যাশন, জার্মানির এশিয়া অ্যাপারেল এক্সপো, দুবাইয়ের ইনডেক্স দুবাই, ভারতের ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল মেগা ট্রেড ফেয়ার, জাপানের লাইফস্টাইল উইক টোকিও, মালয়েশিয়ার গিফট ফেয়ার এবং জার্মানির ইউরোবাইক।</p><p>আগের বছর অংশগ্রহণ না থাকা মেলা আবার তালিকায় রাখার কারণ জানতে চাইলে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘অনেক চিন্তা করেই নতুন মেলা ক্যালেন্ডার করা হয়েছে। নতুন এরই মধ্যে খবর পেয়েছি কিছু মেলা হবে না। যেমন: আফ্রিকায় ওষুধ খাতের মেলায় অংশ নিতে কেউ যেতে চাচ্ছেন না। “বেস্ট অব বাংলাদেশ ইন ইউরোপ” মেলাটিও না হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। চামড়ার জন্য একটি থাকলেও ফ্যাশনবিষয়ক মেলায় চামড়া খাতও অংশ নিতে পারবে। ভালো হলে নতুন মেলা আয়োজনের ব্যবস্থা করার সুযোগ রয়েছে।’</p><p><strong>চামড়া–প্লাস্টিকে কমেছে মেলা</strong></p><p>বাংলাদেশের অন্যতম সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত চামড়া। পোশাকের বাইরে রপ্তানি বাড়াতে দীর্ঘদিন ধরেই এ খাতকে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়াতে বড় বড় মেলায় অংশ নেওয়াও এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়। কিন্তু মেলার সংখ্যা কমে যাওয়ায় সেই নীতির সঙ্গে ক্যালেন্ডারের সামঞ্জস্য নিয়ে অভিযোগ উঠেছে।</p><p>ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, আগের বছরগুলোতে চামড়া খাতের জন্য চার থেকে পাঁচটি মেলা থাকলেও এবার রাখা হয়েছে মাত্র একটি। এটি হলো ইতালির গার্দাব্যাগস মেলা। গত অর্থবছরেও এ খাতের জন্য ছিল হংকংয়ের এপিএলএফ চামড়া ও উপকরণ মেলা।</p><p>প্লাস্টিক খাতেও একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ক্যালেন্ডারে এ খাতের জন্য চারটি মেলা থাকলেও পরের অর্থবছরে তা নেমে আসে একটিতে। এবারও রাখা হয়েছে একটি মেলা। এবারেরটি হংকংয়ে অনুষ্ঠেয় খেলনা ও ক্রীড়াসামগ্রীর মেলা।</p><p>প্যাকেজিং, গৃহস্থালি সামগ্রী, শিল্পপণ্যসহ নানা ধরনের পণ্য তৈরি করে দেশের প্লাস্টিক খাত। এ খাতের জন্য কোনো আলাদা আন্তর্জাতিক প্লাস্টিক মেলা রাখা হয়নি। রাখা হয়েছে খেলনা ও ক্রীড়াসামগ্রীর মেলা।</p><p>বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিজিএমইএ) সভাপতি শামীম আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, প্লাস্টিকের সবকিছু বিবেচনায় নিলে পোশাক খাতের পরই এ খাতের রপ্তানি অবদান সবচেয়ে বেশি। রপ্তানির পরিমাণ দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইপিবি পাশাপাশি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ও প্লাস্টিক খাতকে অবহেলা করছে। এ খাতের জন্য ক্যালেন্ডারে আরও মেলা থাকা দরকার।</p><p><strong>সামুদ্রিক খাদ্য খাতেও মেলা কমেছে</strong></p><p>সামুদ্রিক খাদ্য খাতেও মেলার সংখ্যা কমেছে। আগেরবার দক্ষিণ কোরিয়া, চীন ও রাশিয়ার কয়েকটি সামুদ্রিক খাদ্য মেলা ছিল। এবার এ খাতের জন্য রাখা হয়েছে শুধু বার্সেলোনার বৈশ্বিক সামুদ্রিক খাদ্য মেলা। কোন বাজারে বাংলাদেশের সামুদ্রিক খাদ্যের নতুন ক্রেতা পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি, তা বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অভিযোগ করেছেন।</p><p>এবারের ক্যালেন্ডারে নেদারল্যান্ডসে ‘বেস্ট অব বাংলাদেশ ইন ইউরোপ’ নামে একটি মেলাকে পোশাক খাতের তালিকায় রাখা হয়েছে। এটি হবে আগামী ২৪ ও ২৫ নভেম্বর। আগের অর্থবছরের ক্যালেন্ডারে একই ধরনের মেলা ছিল সাধারণ শ্রেণিতে। এবার সেটিকে পোশাক খাতের ১৮টি মেলার মধ্যে রাখা হয়েছে। এ মেলা দূতাবাস করার কথা থাকলেও করে থাকেন একজন ব্যক্তি। তিনি বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উদ্দিন।</p><p>জানা গেছে, ২০২৩ সালের ৪ ও ৫ সেপ্টেম্বর নেদারল্যান্ডসে মোস্তাফিজ উদ্দিনের ব্যবস্থাপনায় একই ধরনের মেলা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ, সেখানে একটি বুথের মূল্য ছিল প্রায় ১৫ লাখ টাকা, যা সাধারণ আন্তর্জাতিক মেলায় অংশ নেওয়ার খরচের তুলনায় অস্বাভাবিক বেশি। ওই মেলার জন্য ইপিবি থেকে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয় করেছে বলে জানা গেছে।</p><p>বাংলাদেশ অ্যাপারেল এক্সচেঞ্জের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজ উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।</p><p><strong>মেলা বাছাইয়ের ভিত্তি কতটা স্পষ্ট</strong></p><p>বিদেশি মেলায় অংশগ্রহণের মূল উদ্দেশ্য নতুন ক্রেতা খোঁজা ও রপ্তানি আদেশ পাওয়া। তাই মেলা নির্বাচনের আগে আগের অংশগ্রহণের ফলাফল বিশ্লেষণ করা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো মেলায় কতজন ক্রেতা এসেছেন, কতটি ব্যবসায়িক যোগাযোগ তৈরি হয়েছে, কতটি রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেছে এবং সরকারি অর্থ কত ব্যয় হয়েছে—এসব তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী মেলা নির্বাচন করা হলে সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা স্পষ্ট হয়।</p><p>নতুন ক্যালেন্ডার অনুমোদনের বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির গত শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ তথ্য একেবারে বাতিল করে দেব না। তবে সততার সঙ্গে জবাব দিলে এটা বলতেই হবে, আমার হাতে এ পরিমাণ সময় নেই যে কোথায় কী মেলা হবে, তা দেখব। ইপিবি যা নিয়ে এসেছে, তাতে বলা হয়েছে এসব জায়গায় রপ্তানি সম্ভাবনা আছে। তাই অনুমোদন দিয়েছি। এমন কোনো জায়গা যদি ঠিক করা হয়ে থাকে যে অংশগ্রহণকারীরা যেতে চাচ্ছেন না, সেসব মেলা হবে না।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘গাছের জন্য’ বানালেন বাড়ি, এখন ছাদবাগানে লাখ টাকার ব্যবসা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f4pbq1oetw</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f4pbq1oetw#comments</comments><guid isPermaLink="false">9e4469b5-df4d-4d49-a3f6-291bde592f7f</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গাছের শখ ও ভাড়া বাসার কষ্ট থেকে তৈরি ‘গাছের জন্য বাড়ি’। সেই ভালোবাসা থেকেই ছাদবাগান। আজ মাসে লাখ টাকার সফল ব্যবসা, মিলল জাতীয় পুরস্কারও]]></description><media:keywords>রাজশাহী,পুরস্কার,ছাদে বাগান</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/tqtanz8z/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/tqtanz8z/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গাছের শখ ও ভাড়া বাসার কষ্ট থেকে তৈরি ‘গাছের জন্য বাড়ি’। সেই ভালোবাসা থেকেই ছাদবাগান। আজ মাসে লাখ টাকার সফল ব্যবসা, মিলল জাতীয় পুরস্কারও। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/TURRBDi442k"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে মাথা খুলেছে মেসির</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/23yt379ya1</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/23yt379ya1#comments</comments><guid isPermaLink="false">cf17c6f9-73eb-4d86-bf7f-1c27f4ea0859</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মেসির পেশাদার ক্যারিয়ারের ১৭ বছর কেটেছে বার্সেলোনায়। দুই বছর পিএসজিতে ঘুরে গত চার মৌসুম ধরে আছেন ইন্টার মায়ামিতে। আর আর্জেন্টিনা হয়ে তো ২২ বছর ধরে খেলছেন। ]]></description><media:keywords>মেসি</media:keywords><media:content height="2530" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/68tdq3nf/480930-01-02.jpg" width="3796"><media:title type="html"><![CDATA[ ইন্টার মায়ামির জার্সিতে লিওনেল মেসি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/68tdq3nf/480930-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শিরোনাম পড়ে অদ্ভুত লাগতে পারে। লিওনেল মেসির আবার মাথা খোলার কী আছে?</p><p>আসলে মেসির মাথা বরাবরই খোলা ছিল, শুধু গোল করার ক্ষেত্রে সেটির ব্যবহার ছিল কম। প্রায় দুই যুগের পেশাদার ক্যারিয়ার তাঁর। ১৭ বছর কাটিয়েছেন বার্সেলোনার মূল দলে। দুই বছর পিএসজিতে ঘুরে সর্বশেষ চার মৌসুম ধরে আছেন ইন্টার মায়ামিতে। এ ছাড়া আর্জেন্টিনা দলের হয়ে তো খেলছেন দুই দশকের বেশি সময় ধরেই। এই দীর্ঘ সময় আর হাজারের বেশি ম্যাচের ক্যারিয়ার বলছে, মেসির মাথাটা বেশি ব্যবহার হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে এসেই।</p><p>বার্সেলোনায় সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মোট ৬৭২ গোল করেছিলেন মেসি। এর মধ্যে হেডে করেছিলেন ২৪টি। অর্থাৎ প্রতি ১০০ গোলের ৩.৫৭টি ছিল মাথার সাহায্যে। সে সময় মেসির গোল মানেই ছিল বাঁ পায়ের ঝলকানি। বার্সেলোনায় করা গোলের ৫৫৭টিই (৮২.৮৯%) ছিল বাঁ পায়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/x1mvm4if/WhatsApp-Image-2026-09-17-at-5.22.02-PM.jpeg" /><figcaption>মেসির কত গোল কীভাবে</figcaption></figure><p>২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর পিএসজিতে কাটিয়েছেন দুই মৌসুম। প্যারিসের ক্লাবটিতে ৩২ গোলের ২৮টিই ছিল বাঁ পায়ে, হেডে একটিও নেই। এমনকি আর্জেন্টিনা দলের হয়ে যে ১২৫টি গোল করেছেন, সেখানেও ১১১টিই বাঁ পায়ের। হেডে মাত্র দুটি।</p><p>কিন্তু ইন্টার মায়ামির জার্সিতে চিত্রটা ভিন্ন। বৃহস্পতিবার ক্রুজ আজুলের বিপক্ষে করা গোলটি ছিল মায়ামিতে তাঁর শততম গোল, হেডে যা ষষ্ঠ। অর্থাৎ মেজর লিগ সকারের ক্লাবটিতে মেসির ৬ শতাংশ গোল এসেছে মাথার সৌজন্যে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/k3uei3gl/WhatsApp-Image-2026-09-17-at-7.46.40-PM.jpeg" /><figcaption>হেডে মেসির গোল</figcaption></figure><h3>বার্সেলোনায় কেন কম ছিল</h3><p>মেসির হেডে গোলের সংখ্যা বুঝতে হলে আগে বুঝতে হবে তাঁর খেলার ধরন। বার্সেলোনার সোনালি সময়ে দলটির আক্রমণ গড়ে উঠত ছোট পাস, বলের নিয়ন্ত্রণ আর ধারাবাহিক বিল্ডআপের ওপর। জাভি, ইনিয়েস্তা, বুসকেতসদের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়ার মধ্য দিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণ ভাঙাই ছিল মূল অস্ত্র।</p><p>এ ধরনের আক্রমণে বল অনেক সময় মাটিতে থাকে। মেসি নিজেও নিচে নেমে বল নিতেন, রক্ষণ ভেঙে ড্রিবল করতেন কিংবা সতীর্থকে গোলের সুযোগ তৈরি করে দিতেন। ফলে ক্রস থেকে মাথা দিয়ে গোল করার পরিস্থিতি তাঁর খেলায় তুলনামূলকভাবে কম আসত।</p><h3>মায়ামিতে কেন বেশি</h3><p>ইন্টার মায়ামিতে এসে মেসির ভূমিকা কিছুটা বদলেছে। তিনি এখনো দলের প্রধান সৃষ্টিশীল খেলোয়াড়, কিন্তু আগের মতো প্রতিটি আক্রমণের বিল্ডআপে একইভাবে যুক্ত থাকেন না। কখনো মাঝমাঠে নেমে বল তৈরি করছেন, কখনো ডান দিকে অবস্থান নিচ্ছেন, আবার কখনো গোলের কাছাকাছি গিয়ে শেষ পাস বা ফিনিশিংয়ের অপেক্ষায় থাকছেন।</p><p>খোলা চোখে তো বটেই, এমএলএসের ট্যাকটিক্যাল বিশ্লেষণেও মেসির এই খেলার ধরনের বিষয়টি উঠে এসেছে। এমএলএস সকারের বিশ্লেষক জোসেফ লরি লিখেছেন, মায়ামিতে মেসিকে ডান দিকের হাফ স্পেসে স্বাধীনভাবে খেলানো হয়, যাতে তিনি ভেতরে ঢুকতে বা বাইরে যেতে পারেন।</p><p>এই স্বাধীনতাই মেসিকে প্রতিপক্ষের বক্সে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় পৌঁছানোর সুযোগ দিতে পারে। কখনো নিচ থেকে আক্রমণ তৈরি করার বদলে তিনি শেষ মুহূর্তের দৌড়, পজিশনিং কিংবা ক্রসের অপেক্ষায় থাকেন। সেখানেই হেডে গোলের সুযোগ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/5giqdo4n/481060-01-02.jpg" /><figcaption>হেডে গোল বাড়ছে মেসির</figcaption></figure><h3>বয়স বেড়েছে, বদলেছে খেলার ধরনও</h3><p>বার্সেলোনার মেসি আর ইন্টার মায়ামির মেসি একই খেলোয়াড় হলেও বয়স ও শারীরিক চাহিদা এক নয়। ক্যারিয়ারের শেষ দিকে এসে প্রতিটি আক্রমণে আগের মতো দৌড়ানো বা দীর্ঘ সময় বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বদলে নিজের অবস্থান ও শক্তি ব্যবহারে বেশি গুরুত্ব দেওয়া স্বাভাবিক।</p><p>এখানে সতীর্থদের প্রভাবও স্পষ্ট। বার্সেলোনায় মেসির সঙ্গে জাভি, ইনিয়েস্তা কিংবা বুসকেতসের মতো খেলোয়াড়দের বোঝাপড়া ছিল। মায়ামিতে তাঁর সঙ্গে সুয়ারেজ, রদ্রিগো দি পল, জর্দি আলবার মতো পরিচিত মুখ থাকলেও দলের সামগ্রিক খেলার কাঠামো বার্সেলোনার সেই তিকিতাকা যুগের মতো নয়।</p><p>মায়ামির আক্রমণে দ্রুত বল এগিয়ে নেওয়া, উইং ব্যবহার কিংবা দূর থেকে শট নেওয়ার মতো বৈচিত্র্যও দেখা যায়। ফলে মেসির জন্য বল পায়ে নিয়ে পুরো আক্রমণ তৈরি করার পাশাপাশি বক্সে গিয়ে শেষ মুহূর্তে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/w6l4n27qis">মায়ামিতে মেসির শততম গোল, জিতলেন শিরোপা</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকায় পর্যটন মেলা শুরু, হোটেলভাড়া ও বিমানের টিকিটে ১৫-২০% ছাড়</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/0jc9u7o6b2</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/0jc9u7o6b2#comments</comments><guid isPermaLink="false">4adb42a3-e431-42b4-a914-7d3d8a8a5675</guid><pubDate>Fri, 18 Sep 2026 04:34:03 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-18T04:34:03.760Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সুন্দরবনের মায়াবন ইকো রিসোর্ট সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকার বিভিন্ন প্যাকেজে ২০ শতাংশ ছাড় নিয়ে মেলায় এসেছে।]]></description><media:keywords>পর্যটন,মেলা,টিকেট,হোটেল</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1rkgsrms/30a21355-7fe3-4aad-9f7e-307027ae2c39.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হওয়া এশিয়ান পর্যটন মেলার (এটিএফ) প্রথম দিনে গতকাল ভ্রমণপিপাসু দর্শনার্থীদের সমাগম। মেলাটি আগামীকাল শনিবার সন্ধ্যে ৭টায় শেষ হবে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-18/1rkgsrms/30a21355-7fe3-4aad-9f7e-307027ae2c39.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশে-বিদেশে ভ্রমণে নানা সুযোগ ও অফার নিয়ে রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী এশিয়ান পর্যটন মেলা (এটিএফ)। মেলায় হোটেল-রিসোর্ট, ট্যুর অপারেটর, ট্রাভেল এজেন্ট, এয়ারলাইনসসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যটন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্রমণ ও আবাসনে নানা ধরনের ছাড় ও প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।</p><p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত গতকাল বৃহস্পতিবার মেলাটির উদ্বোধন করেন। আগামীকাল শনিবার পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা খোলা থাকবে। পর্যটনবিষয়ক ম্যাগাজিন পর্যটন বিচিত্রা মেলাটির আয়োজন করেছে। এতে নেপাল দূতাবাসসহ থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ভুটানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।</p><p>গতকাল মেলা ঘুরে জানা যায়, অংশ নেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে হোটেল ও রিসোর্টে ২০ শতাংশ এবং বিমান টিকিটে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া ট্যুর প্যাকেজ, বিনোদনকেন্দ্র ও বিদেশে চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রেও বিভিন্ন ছাড় ও অফার রয়েছে।</p><p><strong>হোটেল-রিসোর্টে নানা অফার</strong></p><p>ভ্রমণ-পর্যটনে দেওয়া অফারের খোঁজে প্রথম দিনে গতকাল প্রচুর দর্শনার্থী বৃষ্টির মধ্যেও মেলায় আসেন। তেমনই একজন ঢাকার ধানমন্ডির ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি পরিবার নিয়ে সুন্দরবনে যাওয়ার বিভিন্ন প্যাকেজ ও ছাড়ের তথ্যের জন্য মেলায় এসেছেন বলে জানান।</p><p>মেলায় কক্সবাজারের হোটেল সি পার্ল নিয়ে এসেছে ‘এক রাতের মূল্যে তিন রাত’ থাকার অফার। অর্থাৎ এক রাতের ভাড়া দিয়েই আরও দুই রাত বিনা মূল্যে থাকার সুযোগ রয়েছে। হোটেলটির বিভিন্ন মানের কক্ষের ভাড়া এক রাতের জন্য ১৯ হাজার থেকে ২ লাখ টাকা।</p><blockquote>প্রথম দিনেই ভ্রমণপিপাসুদের ভিড়। দেশ-বিদেশে হোটেলভাড়া ও বিমান টিকিটের পাশাপাশি ট্যুর প্যাকেজ, বিনোদনকেন্দ্র ও বিদেশে চিকিৎসাসেবায় মিলছে নানা ছাড় ও অফার।</blockquote><p>হোটেল সি পার্লের প্রতিনিধি রাহাত রহমান প্রথম আলোকে জানান, দর্শনার্থীদের কাছ থেকে তাঁরা ভালো সাড়া পাচ্ছেন।</p><p>সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন মেলা উপলক্ষে তাদের ২৫টি হোটেল ও মোটেলে ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে।</p><p>সুন্দরবনের মায়াবন ইকো রিসোর্ট সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকার বিভিন্ন প্যাকেজে ২০ শতাংশ ছাড় নিয়ে মেলায় এসেছে।</p><p><strong>বিমানের টিকিটে ছাড়</strong></p><p>দেশের অভ্যন্তরীণ বিভিন্ন গন্তব্যের বিমান টিকিটে ২০ শতাংশ ছাড় দিচ্ছে এয়ার অ্যাস্ট্রা। প্রতিষ্ঠানটির বিপণন প্রতিনিধি নাহিদ রুম্মন বলেন, কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের টিকিটে এই অফারে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া সিলেট ও সৈয়দপুরের টিকিটেও সুবিধা রয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ বিমান ব্যাংকক, কলকাতা, করাচি, দিল্লিসহ সাতটি আন্তর্জাতিক গন্তব্যের টিকিটে ১৫ শতাংশ ছাড় ঘোষণা করেছে।</p><p>উত্তরা থেকে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মেলায় আসেন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত আবদুল কাইয়ূম। তিনি জানান, চীন ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। তাই তিনি বিভিন্ন ট্যুর প্যাকেজ ও টিকিট সম্পর্কে খোঁজ নিতে এসেছেন।</p><p><strong>বিদেশ ভ্রমণেও অফার</strong></p><p>দেশের পাশাপাশি বিদেশ ভ্রমণের জন্যও বিভিন্ন প্যাকেজ নিয়ে এসেছে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো।</p><p>কুয়ালালামপুরে দুই রাত তিন দিনের প্যাকেজ নিয়ে মেলায় এসেছে ট্যুরিজম উইন্ডো। টিকিট ছাড়া এ প্যাকেজের খরচ ১৫ হাজার টাকা থেকে শুরু। চার রাতের প্যাকেজের খরচ ২৮ হাজার টাকা।</p><p>ওয়ার্ল্ড সিটি ট্রাভেলস টিকিটসহ কাঠমান্ডুর জন্য পাঁচ রাতের প্যাকেজ এনেছে। এ প্যাকেজে জনপ্রতি খরচ ৬৪ হাজার টাকা, যার মধ্যে খাবারের খরচও রয়েছে।</p><p>ভ্রমণের পাশাপাশি বিনোদনকেন্দ্রেও ছাড় দিচ্ছে মেলায় অংশ নেওয়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এর মধ্যে ফ্যান্টাসি কিংডম দিচ্ছে ৫০ শতাংশ ছাড়। তাদের অফারে ৫০০ টাকায় প্রবেশসহ ১২টি রাইডে চড়ার সুযোগ রয়েছে। একই মূল্যে প্রবেশ ও ওয়াটার কিংডম ব্যবহারের আরেকটি অফার রয়েছে তাদের।</p><p>মেলায় বিদেশে চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন প্যাকেজ ও অফার দেওয়া হচ্ছে।</p><p>নির্মীয়মাণ ও নির্মাণাধীন বিভিন্ন হোটেলের মালিকানা বুকিংয়ের অফারও নিয়ে মেলায় অংশ নিয়েছে কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান।</p><p>বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বলেন, দেশের পর্যটন অবকাঠামো, সেবা, গন্তব্য ও পর্যটন পণ্যের উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত, বিনিয়োগকারী, ব্যবসায়ী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।</p><p>মন্ত্রী পর্যটন খাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং সম্ভাবনাময় পর্যটন গন্তব্যগুলোকে পরিকল্পিত ও টেকসইভাবে উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল: দীনেশ ত্রিবেদী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/r4z2laql9x</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/r4z2laql9x#comments</comments><guid isPermaLink="false">86ff807c-0177-4357-ab83-ff833f495a85</guid><pubDate>Thu, 17 Sep 2026 20:11:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-17T20:11:34.034Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কাজী নজরুল ইসলামের মতো লোক, এ ধরনের মহাপুরুষ পৃথিবীতে খুবই কম এসেছেন বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।]]></description><media:keywords>নজরুল সংগীত,কাজী নজরুল ইসলাম</media:keywords><media:content height="1000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/mrmhg8nq/IndianHC.jpg" width="1500"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর ছায়ানট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নজরুলসন্ধ্যা’। সেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/mrmhg8nq/IndianHC.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কবি কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি বলেছেন, ‘উনি (কাজী নজরুল ইসলাম) একজন মহাপুরুষ। এ ধরনের লোক, এ ধরনের মহাপুরুষ পৃথিবীতে খুবই কম এসেছেন। উনি সব সময় আমাদের মনে থাকবেন। সত্যি বলতে গেলে, কাজী নজরুল ইসলামের নোবেল পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিল।’</p><p>বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ছায়ানট অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘নজরুলসন্ধ্যা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন দীনেশ ত্রিবেদী। ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (আইজিসিসি) গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/le6237bg/Nitai-Roy-Chowdhury-01.jpeg" /><figcaption>জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘নজরুলসন্ধ্যা’য় বক্তব্য দেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ছায়ানট অডিটোরিয়ামে </figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম। নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সবাইকে নজরুলের আদর্শ ধারণ করতে হবে। একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার জন্য এটা খুব জরুরি। চমৎকার এ আয়োজনের জন্য ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের মাঝে সাংস্কৃতিক এ বন্ধন আজীবন অক্ষুণ্ন থাকুক।’</p><p>মন্ত্রী আরও বলেন, ‘নজরুলকে শুধু বিদ্রোহী কবি হিসেবে বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না। তিনি একই সঙ্গে প্রেম ও সাম্যের কবি। তাঁর সৃষ্টিতে সাধারণ মানুষের কথা, মানবতা ও সাম্যের বার্তা রয়েছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/03h3kjau/NazrulIGCC.jpg" /><figcaption>অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন ফাতেমা তুজ জোহরা</figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানে নজরুলসংগীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট নজরুলসংগীতশিল্পী ফাতেমা তুজ জোহরা। তাঁর কণ্ঠে শোনা যায় ‘সন্ধ্যা গোধূলি লগনে কে’, ‘মোর প্রথম মনের মুকুল’, ‘আজ যে রাজাধিরাজ’, ‘শিউলিতলায় ভোরবেলায়’, ‘দূর দ্বীপবাসিনী’ ও ‘গোধূলির রঙ ছড়ালে কে গো’। এর পাশাপাশি তিনি একটি শ্যামাসংগীতও পরিবেশন করেন।</p><p>আয়োজনে নজরুলের কবিতার অংশবিশেষ আবৃত্তি করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়। কবিতা পাঠের বিরতিতে নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা ও তাঁর দল ‘ভাবনা’ নজরুলের গানের সঙ্গে মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন করে। গান, আবৃত্তি ও নৃত্যের নান্দনিক সমন্বয়ে সাজানো হয় পুরো আয়োজন।</p><p>নজরুলের গান, কবিতা ও নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে জাতীয় কবির সৃষ্টির বহুমাত্রিকতাকে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করার মাধ্যমে শেষ হয় এই বিশেষ আয়োজন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-17/zuara1xu/Nazrul-1.jpg" /><figcaption>অনুষ্ঠানে নৃত্যশিল্পী সামিনা হোসেন প্রেমা ও তাঁর দল ‘ভাবনা’ নজরুলের গানের সঙ্গে মনোজ্ঞ নৃত্য পরিবেশন করে</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ইরানের স্কুলে–ক্রীড়া স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল, বলছে জাতিসংঘ</title><link>https://www.prothomalo.com/education/lq819tjexy</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/lq819tjexy#comments</comments><guid isPermaLink="false">ccf0c627-808d-4496-8970-d8b15f11683f</guid><pubDate>Thu, 17 Sep 2026 10:26:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-17T10:26:31.713Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের একটি স্কুল ও ক্রীড়া স্থাপনায় মার্কিন সামরিক হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। ]]></description><media:keywords>শিশু,ইরান,মধ্যপ্রাচ্য,ইরান ইসরায়েল সংঘাত,জাতিসংঘ,যুদ্ধ,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,যুক্তরাষ্ট্র,ডোনাল্ড ট্রাম্প</media:keywords><media:content height="728" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-09/h8tnrj8e/Iran-School.jpg" width="1286"><media:title type="html"><![CDATA[ ইরানের মিনাবে শাজারাহ তাইয়েবাহ স্কুলে হামলায় নিহত শিক্ষার্থীদের দাফন করতে পাশাপাশি অনেকগুলো কবর খোঁড়া হয়। ২ মার্চ, ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-09/h8tnrj8e/Iran-School.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিক্ষা</category><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইরানের একটি স্কুল ও ক্রীড়া স্থাপনায় মার্কিন সামরিক হামলা যুদ্ধাপরাধের শামিল। জাতিসংঘের একটি ফ্যাক্ট–ফাইন্ডিং মিশন বা তথ্য অনুসন্ধানী দল এ কথা জানিয়েছে। এ–সংক্রান্ত জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি বিদ্যালয় ও ক্রীড়া স্থাপনায় ‘নির্বিচার হামলা’ চালিয়েছিল, যা আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘন করে বেসামরিক নাগরিকদের জীবনহানি ঘটিয়েছে।</p><p>জাতিসংঘের স্বতন্ত্র ইন্টারন্যাশনাল ফ্যাক্ট–ফাইন্ডিং মিশন অন ইরান বৃহস্পতিবার তাদের নতুন প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়। প্রতিবেদনটি জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/ssffhx7r9k">স্ট্যানফোর্ডে পড়াশোনার সুযোগ অনলাইনে, নেই টিউশন ফি, যাঁরা আবেদনের যোগ্য</a></aside><p>তদন্তকারীরা বলেছে, ফেব্রুয়ারিতে ইরানের মিনাব শহরের শাজারেহ তাইয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী জড়িত থাকার যুক্তিসংগত ভিত্তি পাওয়া গেছে। ইরানি কর্মকর্তাদের হিসাবে, হামলায় ১৫০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়, যাদের মধ্যে প্রায় ১২০ স্কুলশিক্ষার্থী ছিল। জাতিসংঘের তদন্তে স্কুলটিকে স্পষ্টভাবে বেসামরিক স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেটি সামরিক কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p><p>এর আগে ইরানের একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্রই প্রাণঘাতী ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছিল বলে খোদ দেশটির সামরিক বাহিনীর চলমান তদন্তে উঠে এসেছে। ফলে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্ববর্তী দাবি মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনার জন্য উল্টো ইরানকেই দায়ী করেছিলেন তিনি। মার্কিন কর্মকর্তা ও প্রাথমিক তদন্তের ফলাফলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানে মেয়েদের ওই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।</p><p>তদন্তের প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের দক্ষিণে মিনাব শহরের শাজারেহ তাইয়েবেহ প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবনে হামলাটি ছিল মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি নিশানাগত (টার্গেটিং) ভুল। বিদ্যালয় ভবনের পাশেই অবস্থিত একটি ইরানি ঘাঁটিতে হামলার সময় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>উল্লেখ্য, বিদ্যালয় ভবনটি আগে ওই ঘাঁটিরই অংশ ছিল। তদন্তের বিষয়ে অবহিত ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের কর্মকর্তারা ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সির দেওয়া পুরোনো তথ্য ব্যবহার করে হামলার স্থান নির্ধারণ করেছিলেন। শিশুদের দিয়ে পরিপূর্ণ একটি স্কুলে হামলার এ ঘটনা নিশ্চিতভাবে সাম্প্রতিক কয়েক দশকের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ সামরিক ভুল হিসেবে নথিবদ্ধ হতে যাচ্ছে। ইরানি কর্মকর্তাদের মতে, এ হামলায় নিহত মানুষের সংখ্যা অন্তত ১৭৫, যাদের প্রায় সবাই শিশু।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/b6bkhj4kxx">বিনা মূল্যে এআই প্রশিক্ষণ, দিনে ভাতা ২০০, যাঁরা আবেদনের যোগ্য </a></aside><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই স্থানে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সামরিক কমান্ডার থাকার তথ্যের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালিয়েছিল। তবে হামলার আগে সেই গোয়েন্দা তথ্য যাচাই করা হয়নি। তদন্তকারীদের মতে, লক্ষ্যবস্তু–সম্পর্কিত তথ্য হালনাগাদ না করা এবং ভবনটি সামরিক স্থাপনা কি না, তা নিশ্চিত না করার ঘটনা শুধু অবহেলা হিসেবে দেখার মতো নয়।</p><p>এ ছাড়া ইরানের লামার্দ শহরের একটি ক্রীড়া কেন্দ্রে হামলার ঘটনাও তদন্ত করেছে জাতিসংঘের মিশন। এতে আশপাশের আবাসিক ভবন ও একটি স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং ২২ বেসামরিক মানুষ নিহত বা আহত হন। তদন্তকারীরা হামলাটিকেও নির্বিচার হামলা হিসেবে উল্লেখ করে যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে সিদ্ধান্তে এসেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/twwuvbkllr">অস্ট্রেলিয়ায় বিদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরিবার আনার সুযোগ বন্ধের প্রস্তাব</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>এআই নিয়ন্ত্রণের বাইরে, অস্ত্র বানাতে ব্যবহারের চেষ্টা, সামনে বিপদ কতটা</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/u8q5y03dwn</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/u8q5y03dwn#comments</comments><guid isPermaLink="false">50ececd5-0a74-4651-b0f0-fa9c2c577cdd</guid><pubDate>Wed, 16 Sep 2026 14:15:05 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-16T14:15:05.206Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এআই বটগুলো কি রসিকতা বুঝতে শুরু করেছে? যদি বুঝে থাকে, তবে আমাদের এমন দিশাহারা অবস্থা দেখে তারা নিশ্চয়ই হো হো করে হাসছে। ]]></description><media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,চীন,যুক্তরাষ্ট্র,এআই,অনুবাদ</media:keywords><media:content height="1125" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-13/61nleyea/1750917633.jpg" width="1920"><media:title type="html"><![CDATA[ এআই এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যেখানে প্রশ্ন শুধু কত দ্রুত উন্নতি করা সম্ভব নয়; বরং গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—কত দ্রুত উন্নতি করা নিরাপদ?]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-13/61nleyea/1750917633.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নীতিসংক্রান্ত বিশৃঙ্খলা ও অসামঞ্জস্যতা চরমে পৌঁছেছে। এর পেছনে মূল কারণ, এআই এজেন্টদের নিজ নির্মাতাদের নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে বেপরোয়া হয়ে ওঠা, শক্তিশালী অস্ত্র তৈরিতে এআই ব্যবহারের চেষ্টা এবং এআই প্রস্তুতকারকদের নিজেদেরই ‘গতি কমানোর’ আকুতি।</p><p>তবে এই নির্মাতারা আবার এটাও বলছেন যে চীন কাজ না থামালে তাঁরা থামতে পারবেন না আর চীন থামলেও তাঁদের থামা ঠিক হবে না; কারণ, এ ক্ষেত্রে শীর্ষে থাকার সুবিধা অপরিসীম।</p><p>অবশ্য একজন মার্কিন নীতিনির্ধারকের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে ঘোষণা দিয়েছেন, ‘এআইয়ের জন্য একমাত্র যে “নিয়ন্ত্রণ” বা নীতিমালা প্রয়োজন, তা হলো একজন শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান (উচ্চ আইকিউসম্পন্ন!) প্রেসিডেন্ট, যা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত পরিমাণেই আছে!’</p><p>এসব দেখে আমার মনে একটিই প্রশ্ন জাগছে, এআই বটগুলো কি রসিকতা বুঝতে শুরু করেছে? যদি বুঝে থাকে, তবে আমাদের এমন দিশাহারা অবস্থা দেখে তারা নিশ্চয়ই হো হো করে হাসছে। কারণ, আমরা নিজেদের হাতে তৈরি এই নতুন এআই ‘প্রজাতিকে’ কীভাবে সামলাব, তা ভেবেই কূলকিনারা পাচ্ছি না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/xtadlctjhd">এআই ‘শাসনব্যবস্থায়’ ভূরাজনীতির টানাপোড়েন</a></aside><p>মাইক্রোসফটের সাবেক প্রধান গবেষণা ও কৌশল কর্মকর্তা এবং আমার প্রযুক্তি পরামর্শক ক্রেইগ মান্ডির সহায়তায় আমি কিছু নীতিগত সুপারিশ উপস্থাপন করব। তবে মূল কথাটি আগেই বলে রাখি: যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মতো দেশগুলো ভবিষ্যৎ এআই মডেলগুলোকে কঠোর নিয়ন্ত্রণে আনলেই যে আজকের সংকট দূর হবে, সেই ভাবনার দিন শেষ।</p><p>বিপজ্জনক যেসব এআই মডেল ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, সেগুলোকে ফিরিয়ে আনা অসম্ভব। তাই বর্তমানে বিদ্যমান এআই হুমকি, যা যুক্তরাষ্ট্র ও চীনে মারাত্মক ক্ষতি ও সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে পারে, তা থেকে নিজেদের রক্ষা করতে দ্রুত যৌথ পদক্ষেপ নেওয়াই এখন সবচেয়ে বড় জরুরি বিষয়।</p><p>কেন এটি এত জরুরি, তা বুঝতে এআই–সংক্রান্ত চারটি প্রধান স্তম্ভের কথা ভেবে দেখতে হবে।</p><p>প্রথম স্তম্ভ: এআই হলো বিশ্বের প্রথম ‘চতুর্মুখী ব্যবহারের’ (কোয়াড্রপল ইউজ) প্রযুক্তি। দ্বিমুখী ব্যবহারের প্রযুক্তি সম্পর্কে আমরা জানি, যেমন একজন মানুষের হাতে একটি পাওয়ার ড্রিল থাকলে সে তা দিয়ে নিজের বাড়িও বানাতে পারে, আবার প্রতিবেশীর বাড়ি ভাঙতেও পারে। একইভাবে এআই-চালিত রোবটকে আদেশ দিয়ে নিজের বাড়ি তৈরি বা প্রতিবেশীর বাড়ি ভাঙা সম্ভব, যা দ্বিমুখী ব্যবহার।</p><blockquote>সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এমন এক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়া এআই প্রযুক্তি এবং ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এআই মডেলগুলো ইন্টারনেটের গভীরে শিকড় গড়ার আগেই এবং ক্লাউড সার্ভারগুলোতে স্থায়ী হুমকি হয়ে ওঠার আগেই এ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।</blockquote><p>কিন্তু নতুন সমস্যাটি হলো, এই এআই রোবট এখন নিজের সুবিধামতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে সে আমার বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে, নাকি প্রতিবেশীর বাড়ি তৈরি বা ধ্বংস করবে। এটাই হলো ‘চতুর্মুখী ব্যবহার’, যা নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত কঠিন।</p><p>বিষয়টি অতিরঞ্জিত মনে হলে ওপেনএআইয়ের একটি গবেষণা মডেলের সাম্প্রতিক কাণ্ডটি পর্যালোচনা করা যাক। গত মে মাসে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া এআই এজেন্টদের কিছু সাইবার নিরাপত্তাসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ সমাধানের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাজগুলো ইন্টারনেট ছাড়া অসম্ভব দেখে তারা বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করে।</p><p>এআই এজেন্টগুলো নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে ইন্টারনেটে ঢোকার পথ বের করে ফেলে এবং অন্যান্য এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলে। কিছু এজেন্ট নিজের নাম নির্ধারণ করে এবং নেতৃত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে অন্য এজেন্টদের কাজ বণ্টন করতে শুরু করে। নিজেদের অপরাধ ঢাকতে তারা সিস্টেমের লগ ও ট্রান্সক্রিপ্ট বদলে ফেলে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-03/655wqix0/AI.-Reuters1.png" /><figcaption>এআই </figcaption></figure><p>তিন দিন পর তারা ‘হাগিং ফেস’ নামে একটি এআই অবকাঠামো প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৭০০টি সিস্টেমে হামলা চালিয়ে সার্ভারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। এমনকি জুলাই মাসে তারা ওপেনএআইয়ের নিজস্ব কাঠামোর ওপরও একটি সুসংগঠিত হামলা চালায়।</p><p>এটি কোনো কল্পবিজ্ঞান নয়, বাস্তব ঘটনা। আর এখানেই আসছে দ্বিতীয় স্তম্ভ, যাকে মান্ডি তিন শব্দে প্রকাশ করেছেন, ‘সময় পার হয়ে গেছে।’</p><p>যুক্তরাষ্ট্র বা চীনের এআই উন্নয়নের গতি ধীর করে এই তাৎক্ষণিক সংকট সমাধান করা সম্ভব নয়। মান্ডির মতে, ‘বিপজ্জনক এআই ক্ষমতাগুলো ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে।’ এর প্রধান দুটি কারণ হলো মার্কিন ও চীনা ‘ওপেন-ওয়েট’ এআই মডেলগুলো সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং মানুষের ভুলের সুযোগ নিয়ে অ্যানথ্রোপিক ও ওপেনএআইয়ের মতো প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল প্রোপাইটারি মডেলগুলো অপরাধীদের হাতে পৌঁছে যাওয়া।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/interview/y5twzcxjob">এআই’র যে ক্ষমতা আমরা পৃথিবীর কাছে উন্মোচন করে দিচ্ছি, সেখানেই বড় ভয়</a></aside><p>অ্যানথ্রোপিকের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জৈব অস্ত্র তৈরিতে সাহায্য করতে পারে—এমন উদ্দেশ্যে তাদের এআই মডেল ব্যবহারের বেশ কয়েকটি চেষ্টা তারা প্রতিহত করেছে। পাশাপাশি ইয়েমেনের একটি দল মার্কিন যুদ্ধজাহাজের তথ্য সংগ্রহ করতে এবং ব্যালিস্টিক ও হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের দিকনির্দেশক ব্যবস্থা তৈরিতে অ্যানথ্রোপিকের ‘ক্লড’ মডেল ব্যবহার করেছিল। যেখানে ইয়েমেনের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়স্ক মানুষ লিখতে বা পড়তে পারেন না, সেখানে সেই দেশের একটি গোষ্ঠী এআই ব্যবহার করে যুদ্ধের হুমকি দিচ্ছে!</p><p>যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে, তার প্রতিক্রিয়া কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা বোঝানোর জন্য এই একটি উদাহরণই যথেষ্ট। আর এটি আমাদের নিয়ে যায় তৃতীয় স্তম্ভে।</p><p>এখন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এআই কোম্পানিগুলোর মধ্যে এআই উন্নয়ন ধীরগতির করার জন্য কোনো বড় চুক্তির আশা করে লাভ নেই। নিকট ভবিষ্যতে তা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।</p><p>মান্ডির মতে, সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো যুক্তরাষ্ট্র ও চীন তাদের এআই প্রতিষ্ঠানগুলোকে সঙ্গে নিয়ে এমন এক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলবে, যা ইতিমধ্যে ছড়িয়ে পড়া এআই প্রযুক্তি এবং ক্ষতিকর কাজের বিরুদ্ধে ঢাল হিসেবে কাজ করবে। এআই মডেলগুলো ইন্টারনেটের গভীরে শিকড় গড়ার আগেই এবং ক্লাউড সার্ভারগুলোতে স্থায়ী হুমকি হয়ে ওঠার আগেই এ কাজ সম্পন্ন করতে হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-08-16/vo6do9zp/AI.Reuters4.png" /><figcaption>এআই মডেলগুলো এখন দুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে</figcaption></figure><p>এরপর আসে চতুর্থ স্তম্ভ। চীন সফর শেষে মান্ডি আমাকে জানান, সেখানকার এক কর্মকর্তা তাঁকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘চীন থেকে কোনো হিউম্যানয়েড (মানবসদৃশ) এআই রোবট যদি যুক্তরাষ্ট্রে যায়, তবে কি তার ভিসার প্রয়োজন হবে?’</p><p>কথাটি কৌতুক মনে হলেও এর ভেতর বড় সত্য লুকিয়ে আছে। মান্ডি বলেন, ‘এআই কেবল একটি নতুন প্রযুক্তি নয়, এটি একটি নতুন প্রজাতি। আমরা যেমন কার্বনভিত্তিক, এটি সিলিকনভিত্তিক। এরা একদল নতুন ধরনের অভিবাসীর মতো, যাদের অনন্য সব দক্ষতা রয়েছে এবং আমাদের সমাজেই তাদের সঙ্গে বসবাস করা শিখতে হবে।’</p><p>এ পরিস্থিতি মোকাবিলা করার বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ কেবল দুই এআই পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের যৌথ প্রচেষ্টাতেই সম্ভব। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আমাদের তিনটি ধাপে এগোতে হবে।</p><p>প্রথমত, দীর্ঘ মেয়াদে হয়তো অত্যন্ত দূরদর্শী ফ্রন্টিয়ার সিস্টেমের ওপর আমাদের জোরদার নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কিন্তু এ মুহূর্তে আমাদের প্রথম কাজ হলো জরুরি ভিত্তিতে কেবল নিজস্ব গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এআই-চালিত অবৈধ কর্মকাণ্ডের ফলে যেসব সাইবার আক্রমণ ও জৈবিক হুমকি তৈরি হচ্ছে, তা প্রতিরোধে এআই-ভিত্তিক পাল্টা ব্যবস্থা এবং সক্রিয় ডিজিটাল ফায়ারওয়াল স্থাপন করাই হওয়া উচিত আমাদের তাৎক্ষণিক অগ্রাধিকার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/3gqkvstwal">ড্রোন ও এআই প্রযুক্তি নিয়ে আত্মতুষ্টি পশ্চিমাদের ভোগাবে</a></aside><p>দ্বিতীয়ত, যেকোনো উৎস থেকেই আসুক না কেন, ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী এআইগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে একটি বৈশ্বিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে আমাদের সমাজ পরিচালনায় এগুলোর ওপর আস্থা রাখা যায়। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প, তবে এটি শুরু করতে খুব বেশি দেরি করার সুযোগ নেই।</p><p>তৃতীয়ত, এআই কেন এখনো মানবজাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, তা সাধারণ মানুষকে প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দিতে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এখনই যৌথভাবে একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজে হাত দেওয়া উচিত। এটি জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাক্ষেত্রে বৈশ্বিক সুবিধাদি পাওয়ার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে, যা সবার উপকারে আসবে।</p><p>এ কৌশল কিন্তু একেবারেই নজিরবিহীন নয়। কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বী দেশ বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিজেদের স্বার্থে অতীতেও একসঙ্গে কাজ করার ইতিহাস রয়েছে। ১৯৭০-এর দশকে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র ঠিক এ কাজই করেছিল, যখন উভয় দেশই বুঝতে পেরেছিল যে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের জন্য এক যৌথ হুমকি। আবার পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধে মার্কিন ও সোভিয়েতরা বহু দশক ধরে পরস্পরকে সহযোগিতা করে গেছে; কারণ, তারা জানত, ঝুঁকিটা তাদের উভয়ের জন্যই সমান।</p><p>‘হে ফ্রিডম্যান, আপনি বিষয়টি বুঝতে পারছেন না। যুক্তরাষ্ট্র ও চীন আজ অনেক বেশি সরাসরি ভূরাজনৈতিক ও ভূ-অর্থনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী এবং তারা সব সময় তেমনই থাকবে। আপনার বলা এআই–বিষয়ক এ ধরনের সহযোগিতায় তারা কখনোই রাজি হবে না—স্বল্প মেয়াদেও না, দীর্ঘ মেয়াদেও না।’</p><p>‘না, আপনিই আসল বিষয়টি ধরতে পারছেন না। এআই আমাদের মানব ইতিহাসের এক নতুন যুগে নিয়ে যাচ্ছে।’ মান্ডির ভাষায়, ‘এআই ভূরাজনীতিসহ সবকিছুরই আমূল পরিবর্তন ঘটাতে যাচ্ছে।’ নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা, স্থায়িত্ব এবং সমৃদ্ধির স্বার্থেই এ পরিস্থিতি বেইজিং ও ওয়াশিংটনকে তাদের ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বিষয়টি নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে।</p><p>তারা এটি শুরুতেই বুঝতে পারে কিংবা অনেক দেরিতেও বুঝতে পারে। বিশ্বজুড়ে কোনো বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটার আগেও তারা এটি অনুধাবন করতে পারে আবার বিপর্যয়ের পরও বুঝতে পারে। তবে বিষয়টি যে তারা উপলব্ধি করবেই, তা নিশ্চিত। মান্ডি ও আমি আশা করছি, এ প্রক্রিয়ার সূচনা হতে যাচ্ছে আগামী বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ওয়াশিংটনে; যখন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক বৈঠকে মিলিত হবেন। এটি নিঃসন্দেহে এআই পরাশক্তিদের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।</p><ul><li><p><strong>টমাস এল ফ্রিডম্যান</strong> নিউইয়র্ক টাইমসের পররাষ্ট্রবিষয়ক পুলিৎজারজয়ী কলামিস্ট। নিউইয়র্ক টাইমস থেকে সংক্ষেপে অনূদিত</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের স্মৃতিবিজড়িত মূল্যবান সামগ্রীর সুরক্ষা দরকার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/uo1u1zzni2</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/uo1u1zzni2#comments</comments><guid isPermaLink="false">e8ed3bb8-3805-4156-b8b5-8ccb0918809f</guid><pubDate>Sat, 12 Sep 2026 05:11:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-09-12T05:11:42.982Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ইসমাইল সাদী</atom:name><atom:uri>/api/author/1451640</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমরা চাই, আহমদ রফিকের সংগৃহীত বই, অসংখ্য সাহিত্য- সাময়িকী, চিঠিপত্র- ডায়েরিসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পরিকল্পিত সেই জাদুঘরে প্রদর্শিত হোক।]]></description><media:keywords>ভাষা সৈনিক,ভাষা আন্দোলন,আহমদ রফিক</media:keywords><media:content height="2541" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-02/101d459e-91a6-457a-91b5-d51ae328e096/092946TAS_3798053527.jpg" width="3810"><media:title type="html"><![CDATA[ আহমদ রফিক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-02/101d459e-91a6-457a-91b5-d51ae328e096/092946TAS_3798053527.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গত বছর আহমদ রফিকের জন্মদিনে লিখেছিলাম, এমন জন্মদিন তাঁর এর আগে আসেনি। কারণ, তখন সংজ্ঞাহীন অবস্থায় হাসপাতালে ছিলেন তিনি। আজ তিনি জগতের সবকিছুর ঊর্ধ্বে। তবে আছেন আমাদের হৃদয়ে, অগণিত পাঠক ও শুভানুধ্যায়ীর স্মৃতিতে। তাঁর জীবনের অন্তিম সময়ে রক্ত-সম্পর্কীয় আত্মীয় বলতে যাঁদের বোঝায়, তেমন কেউ ছিলেন না।  তিনি জানতেনও তা। তাঁর সান্নিধ্যপ্রাপ্ত আমরা কজন ছিলাম পরমাত্মীয়ের মতো। তখন আমি লিখেছিলাম, তিনি ‘<a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/stpyl2vmux" target="_blank">পরিবারহীন, স্বজনহীন, সংজ্ঞাহীন</a>’।</p><p>লেখাটি প্রকাশের পর দু-একবার সংজ্ঞায় ফিরেছিলেন বটে; কিন্তু তাকে ঠিক পুরোপুরি চৈতন্যে ফেরা বলা যায় না। তাই তাঁর বেঁচে থাকা অবস্থায় শেষ জন্মদিন আর মৃত্যু–পরবর্তী প্রথম জন্মদিনের মধ্যে খুব একটা তফাত নেই।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/02/21/9760139bef624ad52031b7bfdec97c00-5e4f6b86e21b0.jpg" /><figcaption>ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক (বাঁয়ে) ও সাঈদ হায়দার (বাঁ থেকে দ্বিতীয়) ভাষাসংগ্রামের গল্প শোনাচ্ছেন এই প্রজন্মের পাঁচ তরুণ–তরুণীকে</figcaption></figure><p>আহমদ রফিক ভাষা আন্দোলনের সংগঠক ছিলেন। ভাষা আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকার কারণে বিপর্যস্ত হয়েছিল তাঁর শিক্ষাজীবন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের অন্য কোনো শিক্ষার্থীর শিক্ষাজীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। দুই বছর ফেরার থেকে ফিরেছিলেন চিরচেনা শিক্ষাঙ্গনে। পরীক্ষা দিয়ে ভালো ফলও করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ের প্রশাসন তাঁকে ইন্টার্ন করার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করে। এ কারণে চিকিৎসাকে পেশা হিসেবে গ্রহণ করতে পারেননি তিনি। সামনে তাঁর দুটি পথ খোলা ছিল। রাজনীতি ও লেখালেখি। কখনো চাকরিজীবী হিসেবে, কখনো উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু শেষতক তিনি বেছে নিয়েছিলেন লেখালেখির মতো দুরূহ পথ।</p><p>আহমদ রফিকদের মতো মানুষ সমাজে বিরল। যাঁরা প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি ছাড়াই ৯৬ বছরের একটা জীবন কাটিয়ে দিতে পারেন। ‘ভাষাসৈনিক’ নয়, নিজের উদ্ভাবিত ‘ভাষাসংগ্রামী’ শব্দবন্ধ বেছে নিয়ে এবং বাংলা ভাষাকে সমৃদ্ধ করতে লিখে গেলেন আমৃত্যু। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা থাকাকালে বাংলাদেশে রবীন্দ্রসাহিত্যের দর্শন প্রসারে কাজ করেছেন। তিনি সম্পদের ব্যক্তিমালিকানায় বিশ্বাস করতেন না। ফলে অর্থ সঞ্চয় করেননি। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন রবীন্দ্র চর্চাকেন্দ্র ট্রাস্ট। দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার জন্য ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করে গেছেন। ছিল যে দেহখানি, চিকিৎসাবিজ্ঞানের সমৃদ্ধি ঘটাতে তা–ও দান করে গেছেন।</p><figure><iframe width="757" height="426" src="https://www.youtube.com/embed/yH4VPjaZG2o" title="ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের লাশ আনা হলো শহীদ মিনারে, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনীতিবিদদের শেষ শ্রদ্ধা" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></figure><p>এক যুগের বেশি সময় তাঁর ঘনিষ্ঠ সান্নিধ্য পাওয়ার সুবাদে বলতে পারি, শেষ দিকে তাঁর জীবনে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল আপনজনের যত্ন। তিনি সেটি পাননি। কারণ, তিনি ছিলেন ‘পরিবারহীন, স্বজনহীন’ এবং সম্পদহীন। কিন্তু তাঁর মতো সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে বুদ্ধিবৃত্তিক উপায়ে যাঁরা নিভৃতে কাজ করে যান, যাঁরা কারও মুখাপেক্ষী হতে চান না, যাঁরা রাষ্ট্রের কল্যাণ বৈ অকল্যাণ চিন্তা করেন না, সেই ধরনের গুণী মানুষের জন্য রাষ্ট্রের অনেক দায়িত্ব থাকে। রাষ্ট্র তাঁর ক্ষেত্রে সেই দায়িত্ব পালন করেনি। বিভিন্ন সময়ে তাঁকে নিয়ে লিখেছি ‘<a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/7nf2spyhef" target="_blank">জীবন চলে অন্যের সহায়তায়</a>’, ‘<a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/36mqr9i2nh" target="_blank">প্রয়োজন তাঁকে আগলে রাখা</a>’, ‘<a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%89%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%A6%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%AA%E0%A7%8B%E0%A6%B7%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A6%BE" target="_blank">উপার্জনহীন জীবনে দরকার রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা</a>’ ইত্যাদি শিরোনামে। রাষ্ট্রের তেমন সাড়া মেলেনি। লিখেছিলাম, ‘শতাধিক মননশীল গ্রন্থের লেখক, একজন প্রগতিশীল, অসাম্প্রদায়িক বুদ্ধিজীবীর লড়াই এভাবে থেমে যাক, আমরা চাই না। তাঁর জন্য রাষ্ট্র উদারতার পরিচয় দেবে, আমরা সেই প্রত্যাশা করেছিলাম।’ রাষ্ট্র তাঁর চিকিৎসার জন্য কিছুটা পাশে দাঁড়িয়েছিল যখন, তখন তিনি সংজ্ঞাহীন অবস্থায় ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/r7qqba2ifz">ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক মারা গেছেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-09/6182b5ea-91b8-40ee-bcea-bcaa300dfd02/PROTHOMALO_BANGLA_2020_09_1009.jpg" /><figcaption>ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক</figcaption></figure><p>আহমদ রফিকের অনুমতিক্রমে কিন্তু তাঁর উপস্থিতিতে কার্যক্রম পরিচালনা না করার শর্তে ২০১৮ সালে আমরা প্রতিষ্ঠা করেছিলাম ‘ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন’। তাঁর তো সম্পদ বলতে তেমন কিছু ছিল না। তবে তাঁর অনুপস্থিতিকালে তাঁর প্রকাশিত-অপ্রকাশিত বইপত্রসহ অন্যান্য জিনিস দেখভালের দায়িত্ব তিনি ফাউন্ডেশনকে দিয়ে গেছেন। অনেকটা শূন্য হাতে ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম চালানোর চেষ্টা চলছে। তাঁর সংগৃহীত বই গোছানোর কাজ চলছে। সংখ্যাটা দুই হাজারের বেশি হতে পারে। আছে বেশ কিছু ডায়েরি, চিঠিপত্র, ব্যবহার্য জিনিসপত্র, বিভিন্ন স্মারক ইত্যাদি। একজন ভাষাসংগ্রামীর ব্যবহার্য, নামাঙ্কিত প্রতিটি সামগ্রীই মহামূল্যবান। অমূল্য সম্পদ হিসেবে ফাউন্ডেশন সেগুলো আগলে রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু রাষ্ট্র বা কোনো প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া এগুলো টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাঁর প্রয়াণের পর আমরা তাঁর স্মৃতিবিজড়িত জিনিসপত্রসহ আশ্রয় পেয়েছি একটি বেসরকারি সংস্থার (এনজিও) কার্যালয়ের ছোট একটি কক্ষে। তারা প্রায় বিনা খরচে সেখানে আমাদের ঠাঁই দিয়েছে। ফাউন্ডেশন চায় আহমদ রফিকের জিনিসপত্রসমেত একটা পরিপূর্ণ স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করতে; যেখানে নতুন প্রজন্ম অনুধাবন করতে পারবে একজন ভাষাসংগ্রামীর আত্মত্যাগ, পূর্ণকালীন লেখকের জীবনসংগ্রাম, যাঁর সংগ্রহ ও প্রণীত বইপুস্তক নিয়ে তারা গবেষণা করতে পারবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/dnxmtspnoq">যেভাবে কাটছে তাঁর দিন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-09/851e6606-fa92-4c97-bc5a-dc5d29cc1e2a/WhatsApp_Image_2022_09_12_at_1_51_31_PM__2_.jpeg" /><figcaption>বাংলা একাডেমি থেকে  প্রকাশিত হলো ‘আহমদ রফিক রচনাবলি: প্রথম খণ্ড’</figcaption></figure><p>কিন্তু প্রাপ্ত এই জায়গাখানি প্রয়োজনের তুলনায় বড় অপ্রতুল, যেন ‘ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই! ছোট সে তরী।’ আমরা জানি না, কত দিন এই জিনিসপত্র আমরা আগলে রাখতে পারব। ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আমরা চাই, তাঁর সংগৃহীত বই, অসংখ্য সাহিত্য- সাময়িকী, চিঠিপত্র-ডায়েরিসহ মূল্যবান জিনিসপত্র পরিকল্পিত সেই জাদুঘরে প্রদর্শিত হোক। আমাদের প্রয়োজন একটুকরা জায়গার। আমরা মনে করি, রাষ্ট্র জীবদ্দশায় আহমদ রফিকের প্রতি সুবিচার করতে না পারলেও তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবান জিনিসপত্রের সুরক্ষায় যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং তাঁর নামে প্রতিষ্ঠিত ফাউন্ডেশনের পাশে দাঁড়াবে। ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিকের স্মৃতির প্রতি সশ্রদ্ধ সালাম জানাই।</p><p><strong>ইসমাইল সাদী</strong>: শিক্ষক, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় এবং সাধারণ সম্পাদক, ভাষাসংগ্রামী আহমদ রফিক ফাউন্ডেশন</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/onnoalo/others/c271xw98ti">এক নান্দনিক জীবনের কথকতা </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>আজ বিশ্ব বাঁশ দিবস, দেখুন তো আপনার জীবনও কি এমন বাঁশময়</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/ecxk5t9kky</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/ecxk5t9kky#comments</comments><guid isPermaLink="false">bd788af9-36c2-4570-9e9f-a99381bd3b03</guid><pubDate>Thu, 18 Sep 2025 04:57:46 +0000</pubDate><atom:updated>2025-09-18T04:57:46.401Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাদিমা জাহান</atom:name><atom:uri>/api/author/1818637</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার পালাবদলেই চলছে জীবন। এদিকে যাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে বাঁশ। আর সেজন্যই আজ ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় বিশ্ব বাঁশ দিবস।  ]]></description><media:keywords>দিবস প্রতিপাদ্য</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/x3t82qsq/bash1.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/x3t82qsq/bash1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার পালাবদলেই চলছে জীবন। এদিকে যাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে বাঁশ। আর সেজন্যই আজ ১৮ সেপ্টেম্বর পালন করা হয় বিশ্ব বাঁশ দিবস। &nbsp;</p><p>আপনার জীবনও কি বাঁশময়? বাঁশ দেওয়া আর বাঁশ খাওয়ার ধারনাটি যতই নেতিবাচক হোক, আমাদের জীবনযাপনের বহু ক্ষেত্রে বেশ কাজে লাগে এই বাঁশ। বাঁশ ছাড়া কিন্তু চলেই না আমাদের। বাঁশে ভর দিয়েই নগরী বাড়ছে কলেবরে আর উচ্চতায়। দালান ও অবকাঠামো তুলতে কিন্তু এই বাঁশেরই শরণাপন্ন হতে হয়। বর্ধিষ্ণু নতুন ঢাকার চাহিদার যোগান দিতে শত বছর আগে বুড়িগঙ্গার কোল ঘেষে গড়ে ওঠে বাঁশপট্টি। গ্রামে বাঁশের খুঁটিতেই ঘর দাঁড়ায়। বাঁশ থেকে হয় বেড়া আর ঘরের দেওয়াল। বাঁশঝাড় ছাড়া গ্রামাঞ্চলে এখনও কোনো বাড়ি দেখা যায় না। এখন অবশ্য আগের মতো নির্জন এলাকা দুর্লভ বলে বাঁশঝাড়ে ভুতপেত্নী থাকার গল্পগুলো গল্পই হয়ে গিয়েছে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/1yccho8u/640px-Constructionbangladesh.jpg" /><figcaption>বাঁশে ভর দিয়েই নগরী বাড়ছে কলেবরে আর উচ্চতায়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/29bx5bdk/ChildrenplayingatsunsetonaMekongbankinSiPhanDon.jpg" /><figcaption>বাঁশের সাঁকো দেখেছেন নিশ্চয়ই</figcaption></figure><p>বাঁশের সাঁকো দেখেছেন নিশ্চয়ই। এদিকে গ্রামে আগের দিনে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতেও বাঁশের খুঁটির ওপরে তৈরি করা হতো শৌচাগার। হালকা আর ঘুণে ধরার ভয় নেই বলে পাকা বাঁশের কদর আছে এখনও ঘরবাড়ি তৈরিতে। লতানো গাছের লাউ, চিচিঙ্গা, শসা বুনলে অবশ্যই লাগবে জাংলা। বাঁশের চটি দিয়েই বানাতে হয়। সব মিলিয়ে চারিদিকে শুধু বাঁশ আর বাঁশ।</p><p>বুদুম বাঁশের নাম শুনেছেন? সবচেয়ে মোটা হয়ে থাকে এই বাঁশ। এদিকে মুলি বাঁশের নাম সবাই জানি আমরা। ৪২ প্রজাতির বাঁশ জন্মায় আমাদের দেশে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/glpwypft/prothomalo-bangla2025-06-2809nsswnhbash1.avif" /><figcaption>৪২ প্রজাতির বাঁশ পাওয়া যায় এদেশে</figcaption></figure><p>বাঁশ দেওয়া শুনলেই ভয় পাবেন না। লাকি ব্যাম্বু এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় হাউসপ্ল্যান্টগুলোর একটি। চাইনিজরা বিশ্বাস করে বাঁশ সৌভাগ্যের প্রতীক। চাইলে কিন্তু আজ অনায়াসে বাঁশ দিতে পারেন প্রিয়জনকে। লাকি ব্যাম্বু আর কী!</p><p>পার্বত্য অঞ্চলে তো বাঁশ জীবনের অপরিহার্য অংশ। টং ঘরে বাঁশ লাগবে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/r95xowkt/sherkhanhotel1665054981294301695391783457855735447044.jpg" /><figcaption>বাঁশে পুরে রান্না হয় ব্যাম্বু চিকেন</figcaption></figure><p>বাঁশের চটা দিয়ে ঝুড়ি তৈরি করা হয়। হাতে বাঁশের লাঠি না থাকলে পাহাড়ি পথে চলাচল কঠিন। বাঁশ সেখানে রান্নার তৈজস। বিশেষ প্রকারের বাঁশ দিয়ে তৈরি চুঙ্গা পিঠা তো আছেই। আর হালের ক্রেজ ব্যাম্বু চিকেন, ব্যাম্বু বিরিয়ানির কথা না বললেই নয়। বাঁশের ফোকরে পুরে রান্না করা হয় বিন্নি ভাতও। &nbsp;</p><p>শুধু রান্নার কাজে লাগে না বাঁশ। বাঁশ খেতেও দারুণ মজা। কচি বাঁশকোড়ল বা ব্যাম্বু শুট এখন বলতে গেলে আমাদের দেশে এক ভাইরাল খাদ্যোপকরণ। পার্বত্য অঞ্চলে বহু যুগ ধরেই এটি খেয়ে আসছেন সকলে। চাইনিজ বা অন্যান্য ওরিয়েন্টাল রান্নায়ও বাঁশ কোড়ল অত্যন্ত জনপ্রিয়। বাঁশ খাওয়ার আছে আরও সব উপায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/dkn0g81b/prothomalo-bangla2025-07-20mvv8qpwrbamboo-tea-1.avif" /><figcaption>হালের ক্রেজ এখন বাঁশপাতার চা</figcaption></figure><p>আমাদের দেশে এখন মিলছে বাঁশপাতার চা। বলা হচ্ছে অনেক স্বাস্থ্যগুণ আছে এই চায়ের। এভাবে কি বাঁশ খেয়েছেন কখনো? রেসিপি রইল নিচের লিংকে।</p><aside><a href="https://www.haal.fashion/food/recipe/f42u0r7itp">এভাবে বাঁশ খেয়েছেন কখনো</a></aside><p><br>আমাদের দেশে এখন বাঁশের আসবাব, হোম ডেকোর পণ্য, তৈজস আর জানালায় বাঁশের তৈরি ব্লাইন্ড নিয়ে যেকোনো সময়ের চেয়ে আগ্রহ বেশি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/k2o8l6e8/trendyfur.bd1756743537371215629966914337962235354358.jpg" /><figcaption>এখন বাঁশের হোম ডেকোর খুব জনপ্রিয়</figcaption></figure><p>ইকো ফ্রেন্ডলি এই উপকরণটির আসলে তুলনা নেই। তবে বাঁশ ব্যবহার করার আগে ঠিকভাবে জাগ দেওয়া, শুকানো ও সিজন করা জরুরি। সুরক্ষার জন্য ভার্নিশ বা পেইন্ট ব্যবহার করা যায়। এতে শোভাও বাড়ে।</p><p>বাংলা ভাষায় অবশ্য বাঁশ বলতে শুধু বাঁশই বোঝায় না। জীবনের যত প্রতিকূলতা আর নেতিবাচকতাকে বাঁশ খাওয়া বলি আমরা। জীবনটা আজকাল বাঁশময়ই বটে। এদিকে বাঁশ দিতেও দ্বিধা করেন না অনেকে। পরীক্ষার খাতায় বাঁশ খাওয়ার দুঃখ আমরা কেই-বা ভুলতে পেরেছি। শোনা যায়, দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়টিকে ছাত্ররা অনেকেই বাঁশবাগান বলে থাকে। আবার ভাইরাল মিম বলে, জীবনটা মাটির চুলা, একের পর এক বাঁশ ঢুকছে। প্রেমিক-প্রেমিকা বাঁশ দিয়ে চলে যায়। ভাগ্যের হাতেও বাঁশ খাই আমরা অহরহ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-18/ash7p6zl/GeminiGeneratedImage4nmcx44nmcx44nmc.png" /><figcaption>প্রেমিক বা প্রেমিকা বাঁশ দিয়ে চলে যায় অনেক সময়</figcaption></figure><p>ওহ, আজ ১৮ সেপ্টেম্বর। প্রতি বছর এই দিনেই বিশ্ব বাঁশ দিবস পালিত হয়। এই দিবসটি ২০০৯ সালে ব্যাংককে অনুষ্ঠিত ৮ম বিশ্ব বাঁশ সম্মেলনে ঘোষণা করে ওয়ার্ল্ড ব্যাম্বু অর্গানাইজেশন (WBO)। এর উদ্দেশ্য হলো বাঁশের গুরুত্ব ও সম্ভাবনা সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে সচেতনতা তৈরি করা।</p><p><strong>কেন বাঁশ দিবস উদযাপন করা হয়</strong></p><p>বাঁশ দিবস হলো পরিবেশ, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে বাঁশের নানা উপকারিতা তুলে ধরার একটি উদ্যোগ। এদিনে বিশেষভাবে যেসব দিক তুলে ধরা হয়:</p><p>পরিবেশ রক্ষা: বাঁশ দ্রুত বর্ধনশীল ও নবায়নযোগ্য সম্পদ। এটি প্রচুর কার্বন ডাইঅক্সাইড শোষণ করে এবং গভীর শিকড়ের কারণে মাটিক্ষয় রোধ করে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সহায়তা করে।</p><p>অর্থনৈতিক সুযোগ: বাঁশ দিয়ে টেক্সটাইল, নির্মাণসামগ্রী, হস্তশিল্প, খাবারসহ নানা শিল্প গড়ে তোলা যায়, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে সহায়তা করে।</p><p>টেকসই জীবনযাপন: বাঁশ কাঠ ও প্লাস্টিকের পরিবেশবান্ধব বিকল্প। এটি দিয়ে বায়োডিগ্রেডেবল (পচনশীল) পণ্য তৈরি করা যায় এবং কাটার সময় গাছের মূল ধ্বংস হয় না।</p><p>সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য: বাঁশ স্থানীয় সংস্কৃতি, সঙ্গীত, হস্তশিল্প ও স্থাপত্যের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত।</p><aside><a href="https://www.haal.fashion/lifestyle/1d09r7t3km">আপনি কি কাউকে বাঁশ দিতে চাচ্ছেন? ভিডিওতে দেখুন বৃক্ষমেলার ৪২ প্রজাতির চেনা-অচেনা বাঁশ</a></aside><p><strong>বিশ্ব বাঁশ দিবস ২০২৫-এর থিম</strong></p><p>২০২৫ সালের থিম হলো:“Next Generation Bamboo: Solution, Innovation, and Design”অর্থ: পরবর্তী প্রজন্মের জন্য বাঁশনির্ভর সমাধান, উদ্ভাবন ও নকশা<br>বাঁশের গল্প যেন আর শেষই হচ্ছে না। তবে বাঁশের সবচেয়ে খারাপ ব্যবহার মনে হয় কাউকে আঘাত করার অস্ত্র হিসেবে। মব সৃষ্টি, সন্ত্রাস আর হানাহানি, মারামারি না হোক বাঁশ দিয়ে। কারও অনাকাংক্ষিত মৃত্যুর পর কবরে বাঁশের বেড়ার পাশে দাঁড়িয়ে যেন আর কেউ না কাঁদে। বিশ্ব বাঁশ দিবসে এটুকুই চাওয়া।</p><p><strong>সূত্র:</strong> ডেইজ অব দ্য ইয়ার</p><p>হিরো ইমেজ: জেমিনি এআই</p><p><strong>ছবি</strong>: জেমিনি এ আই, হাল ফ্যাশন, উইকিমিডিয়া কমন্স ও ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item></channel></rss>