<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Tue, 05 May 2026 06:48:02 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েক শ কোটি ডলারের সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/feix26sem6</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/feix26sem6#comments</comments><guid isPermaLink="false">1fb4fd35-7186-4138-8eea-43be8187b81a</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:44:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:44:13.827Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আল–জাজিরা</atom:name><atom:uri>/api/author/1772923</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ সামরিক সাফল্য নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছিলেন। এর পরদিন ইরান সৌদি আরবের মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়।]]></description><media:keywords>ইরান,যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="449" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/aifl6nke/Untitled-6.jpg" width="800"><media:title type="html"><![CDATA[ ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেখানো একটি উড়োজাহাজের ধ্বংসাবশেষ। ইরানের দাবি, মার্কিন উদ্ধার অভিযানের সময় এই উড়োজাহাজ ধ্বংস করা হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/aifl6nke/Untitled-6.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ নিয়ে গত ২৬ মার্চ টেলিভিশনে প্রচারিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সামরিক সাফল্য নিয়ে বেশ বড়াই করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাশে বসে তিনি বলেন, ‘ইতিহাসে কখনো কোনো দেশের সামরিক বাহিনীকে এত দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্ক্রিয় করা সম্ভব হয়নি।’</p><p>এর পরদিন সৌদি আরবে অবস্থিত একটি মার্কিন ঘাঁটিতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন মার্কিন সেনা আহত হন। ধ্বংস হয় ৭০ কোটি ডলার দামের একটি নজরদারি বিমান।</p><p>এটি কোনো বিচ্ছিন্ন হামলা ছিল না। ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) হিসাব করেছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন এবং কথিত ভুলবশত নিজেদের ওপর নিজেদের হামলার (ফ্রেন্ডলি ফায়ার) একটি ঘটনা ২৩০ কোটি থেকে ২৮০ কোটি ডলার দামের মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস করেছে।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, সিএসআইএস তার একটি বিস্তারিত তালিকা তৈরি করেছে। বড় কোনো আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থার করা এটিই প্রথম বিস্তারিত তালিকা। আল–জাজিরা প্রথম এ খবর প্রকাশ করেছে।</p><p>এ হিসাবের মধ্যে ওই অঞ্চলে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কিংবা কোনো বিশেষ সরঞ্জাম বা নৌসম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।</p><p>সিএসআইএসের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিভাগের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা মার্ক কানসিয়ান এই হিসাব করেছেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র যেসব ঘাঁটি ব্যবহার করে, সেগুলোর ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তিনি খতিয়ে দেখেছেন।</p><p>তবে এ কাজ এখন আরও বেশি কঠিন হয়ে পড়েছে। মহাকাশ থেকে ছবি পাওয়ার বৈশ্বিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান প্ল্যানেট ল্যাবসের কোনো স্যাটেলাইট ছবিই আর সাধারণ মানুষ ও সংবাদমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত নেই। মার্কিন সরকারের অনুরোধে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে তারা এই পদক্ষেপ নিয়েছে।</p><p>তবে ইরানের স্যাটেলাইট থেকে তোলা ছবিগুলো পাওয়া যাচ্ছে। কানসিয়ান মার্কিন ঘাঁটিগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমরা ওপর থেকে তোলা ছবি দেখে বুঝতে পারছি, কোন কোন ভবন আক্রান্ত হয়েছে। তবে ওই ভবনগুলোর ভেতর কী ছিল, তা জানা কঠিন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-06/ogroaeav/US-Crew.jpg" /><figcaption>মার্কিন যুদ্ধবিমান এফ-১৫ই স্ট্রাইক ইগল</figcaption></figure><p><strong>কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল</strong></p><p>কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কথিত ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ারে’ বা নিজেদের হামলায়। মার্চ মাসের শুরুতে কুয়েতে এমন এক ঘটনায় তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়।</p><p>যুদ্ধে ধ্বংস হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ বিমান ও রাডার ইরানের লক্ষ্যবস্তু হয়েছিল। এর মধ্যে বিশেষ করে দুটি ঘটনা উল্লেখযোগ্য। গত ১ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র অন্তত একটি শক্তিশালী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডার হারায়। এটি থাড প্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষেপণাস্ত্র ও কিছু অতি দ্রুতগতির বা হাইপারসনিক হুমকি শনাক্ত করত। রাডারটি অন্যান্য প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে লক্ষ্যবস্তু–সম্পর্কিত তথ্যও পাঠাত।</p><p>কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দুটি রাডার ধ্বংস হয়েছে। এতে মোট খরচ হয়েছে ৪৮ কোটি ৫০ লাখ থেকে ৯৭ কোটি ডলার।</p><p>এগুলোর অবস্থান নির্দিষ্ট করে জানানো হয়নি। উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশে মার্কিন সশস্ত্র বাহিনী অবস্থান করছে। ওই সব দেশে থাড প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বসানো হয়েছিল।</p><p>গত ২৭ মার্চ সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে হামলা হয়। হেগসেথের বড়াই করার ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি, এর মধ্যেই ৭০ কোটি ডলারের একটি ই-৩ অ্যাওয়াকস/ই-৭ রাডার শনাক্তকারী বিমান ধ্বংস করা হয়।</p><p>এটি আসলে আকাশে ওড়ার উপযোগী একটি নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র। এটি শত শত কিলোমিটার দূরের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করতে পারে। আকাশপথের লড়াই পরিচালনা করতেও এটি সহায়তা করে।</p><p>দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের নিরাপত্তা ও সামরিক বিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ওমর আশুর এ বিষয়ে কথা বলেছেন। তিনি ওই প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা গবেষণা কর্মসূচিরও প্রতিষ্ঠাতা। ওমর আশুর বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কিছু হিসাব প্রকাশ করেছে। তবে রাজনৈতিক কারণে তারা সব তথ্য পরিষ্কারভাবে জানাতে পারবে না।</p><p>ওমর আশুর আল–জাজিরাকে বলেন, ‘এই মুহূর্তে ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক সরঞ্জাম ও লোকবল হারানোর খবর প্রচার করতে চাইবে না।’ তিনি আরও বলেন, এর জন্য হয়তো আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে চড়া দাম দিতে হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/yoio6roz/us-damage.jpeg" /></figure><p>ওমর আশুর বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন যুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী হওয়ার ইতিহাস রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কৌশলগতভাবে ব্যর্থ হয়।</p><p>ওমর বলেন, ‘ভিয়েতনামে তারা একের পর এক যুদ্ধে জিতেছে। আফগানিস্তানেও তারা জিতেছিল। কিন্তু সবশেষে তাদের কৌশলগত পরাজয় হয়েছে। কারণ, ওই খণ্ড খণ্ড যুদ্ধের জয় শেষ পর্যন্ত বড় কোনো লক্ষ্য অর্জনে কাজে আসেনি।’</p><p>ওমর আশুর আরও বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে কৌশলগত লক্ষ্যগুলো খুবই রাজনৈতিক।’ তিনি ইরানের শাসনব্যবস্থা পরিবর্তন এবং দেশটিকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর কথা উল্লেখ করে এ মন্তব্য করেন।</p><p>ওমর আশুর জোর দিয়ে বলেন, বর্তমানে এই অঞ্চলে মোতায়েন করা মার্কিন সেনা ২০০৩ সালে ইরাক আক্রমণের সময়ের তুলনায় ১০ ভাগের ১ ভাগও নয়। ইরাক যুদ্ধে যে কয়টি বিমানবাহী রণতরি ব্যবহার করা হয়েছিল, এখন তা–ও নেই। ইরান কীভাবে এর প্রতিশোধ নিল?</p><p>কানসিয়ান বলেন, ইরান শুধু মার্কিন ঘাঁটিতেই হামলা করেনি, বরং উপসাগরীয় দেশগুলোতেও হামলা চালিয়েছে। এতে তিনি অবাক হয়েছেন। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘আমি মনে করি এটা তাদের একটি কৌশলগত ভুল ছিল। তারা ভেবেছিল, এই হামলার ফলে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক ছিন্ন হবে। কিন্তু এটি উল্টো তাদের যুক্তরাষ্ট্রের আরও কাছাকাছি নিয়ে গেছে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bxxz6t04/usae-3-sentry4.avif" /><figcaption>‘উড়ন্ত রাডার’ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ উড়োজাহাজ</figcaption></figure><p>কানসিয়ান বলেন, হরমুজ প্রণালি সচল রাখতে না পারা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি বড় শিক্ষা। একটি নৌবাহিনী প্রস্তুত না থাকলে কী হতে পারে, এ ঘটনা তা মনে করিয়ে দেয়। যুদ্ধের শুরুতেই ইরান এই প্রণালি দিয়ে বেশির ভাগ জাহাজ চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে। এরপর গত ১৩ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রও পাল্টা ব্যবস্থা নেয়। তারা ইরানের বন্দরগুলো এবং এই জলপথ দিয়ে চলাচলের চেষ্টা করা ইরানি জাহাজগুলো অবরোধ করে।</p><p>কানসিয়ান বলেন, ‘এটি অবাক করার মতো। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ৪৫ বছর ধরে এ বিষয় নিয়ে ভাবছে।’ এরপর তিনি নিজের সামরিক জীবনের কথা উল্লেখ করেন। কানসিয়ান যুক্তরাষ্ট্র মেরিন কোরের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল। তাঁর সামরিক জীবন তিন দশকেরও বেশি সময়ের। তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধ এবং ইরাক যুদ্ধে বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।</p><p>কানসিয়ান কেশম দ্বীপ দখলের জন্য করা উভচর হামলার পরিকল্পনার অনুশীলনে অংশ নেওয়ার কথা স্মরণ করেন। ধারণা করা হয়, ইরান এই দ্বীপের ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় তাদের বেশ কিছু ক্ষেপণাস্ত্র মজুত করে রেখেছে। তিনি বলেন, ‘এ বিষয় যে হঠাৎ করে সামনে চলে এসেছে, তা নয়।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/6huw2gxa/us-damage2.jpeg" /></figure><p>কানসিয়ান বলেন, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র যখন বর্তমান যুদ্ধটি শুরু করে, তখন তাদের হাতে পর্যাপ্ত বাহিনী প্রস্তুত ছিল না।</p><p>সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, শুরুতে না করলেও এখন তারা এটি করছে। তবে কোনো কারণে সম্ভবত তারা হরমুজ প্রণালি খোলার সক্ষমতা হারিয়েছে। অথবা তারা এই মুহূর্তে কোনো ঝুঁকি নিতে চাইছে না।</p><p>আশুর বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনীও ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনে দেশটির প্রথাগত সামরিক কাঠামো দুর্বল হয়ে গেছে। তবে তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র, গোলাবারুদ ও ড্রোন পুরোপুরি ধ্বংস করতে পারেনি।</p><p>আশুরের মতে, ইরানি নৌবাহিনী পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে—এমন দাবি সত্য নয়।</p><p>ওমর আশুর বলেন, শক্তিশালী বা প্রথাগত নৌবাহিনী ছাড়াও সমুদ্রে লড়াই চালিয়ে যাওয়া সম্ভব। ইরানের নৌবাহিনী দুর্বল হয়েছে ঠিকই, তবে তারা এখনো পরাজিত হয়নি। তারা মোটেও দমে যায়নি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘বড়াই করে’ গাওয়ার কথা ছিল না অংকনের </title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/cr4ck6fi4a</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/cr4ck6fi4a#comments</comments><guid isPermaLink="false">21a62127-73b8-4fd0-be9f-fa53c180560e</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মকফুল হোসেন</atom:name><atom:uri>/api/author/1685687</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সংগীত,সংগীত শিল্পী,তরুণ মুখ</media:keywords><media:content height="752" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/tq9oo2kp/4f3ad509-5e4f-49c1-a56f-1344f16066a6.jpg" width="1002"><media:title type="html"><![CDATA[ অংকন কুমার ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/tq9oo2kp/4f3ad509-5e4f-49c1-a56f-1344f16066a6.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>টিকটক, ফেসবুক রিলস, ইউটিউব শর্টস ছাপিয়ে মানুষের মুখে মুখে ফিরছে ‘বড়াই করে’। গানটির সংগীতশিল্পী <strong>অংকন কুমার</strong> বলছেন, গানটি তাঁর গাওয়ার কথা ছিল না। আরেকজনের জন্য লিখেছিলেন তিনি।</p><p>ঈদে মুক্তি পাওয়া প্রেশার কুকার সিনেমায় গানটি ব্যবহৃত হয়েছে। কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানের কথা ও সুরও করেছেন অংকন কুমার। </p><p>২১ মার্চ ইউটিউবে গানের ভিডিও প্রকাশের পরপরই দর্শকেরা লুফে নিয়েছেন। দেড় মাসের ব্যবধানে ভিডিওটি প্রায় ১০ লাখ বার দেখা হয়েছে।</p><p>প্রেমিক–প্রেমিকার আকুতিকে দরদভরা কণ্ঠে ফুটিয়ে তুলেছেন অংকন। এক শ্রোতা ইউটিউবে লিখেছেন, ‘মন থেকে কাউকে ভালোবাসলে এই গানটা শোনার পর শুধু তার চেহারা চোখের সামনে চলে আসবেই।’ </p><p>আরেক শ্রোতা লিখেছেন, ‘ছেলেটা সব শিল্পীর চেয়ে আলাদা এবং তার লেখা, কণ্ঠের দরদ ও উচ্চারণ একদম আলাদা।’</p><figure><iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/uqilywxVNPs?si=9VOpLdU2LmUOD56R" title="YouTube video player" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></figure><p><strong>গানটি গাওয়ার কথা ছিল না</strong></p><p>গানটি অংকন কুমার নিজের জন্য তৈরি করেননি। মূলত সংগীত প্রযোজক জাহিদ নিরবের জন্য এটি তৈরি করেছিলেন তিনি। সুর করার সময়ও জাহিদ নিরবের কথা মাথায় রেখেছিলেন তিনি। </p><p>জাহিদ নিরব শেষ পর্যন্ত গানটি নিজে না গেয়ে অংকনকে গাইতে বলেন। নিরবের মতে, অংকন গাইলে গানটি বেশি সুন্দর লাগবে। নিরবের সেই অনুরোধেই গানটিতে কণ্ঠ দেন তিনি।</p><p>গানটি তৈরির সময়েই পরিচালক রায়হান রাফীর টিমের সঙ্গে তাঁদের কথা হয়। সে সময় রাফীর সিনেমার শুটিং চলছিল। শেষ পর্যন্ত গানটি তাঁর সিনেমায় যুক্ত করা হয়।</p><figure><iframe width="560" height="315" src="https://www.youtube.com/embed/MCVDTLMQBmc?si=04TIyBI0BighgWD1" title="YouTube video player" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></figure><p><strong>‘উপ’ থেকে ‘বড়াই করে’</strong></p><p>মৌলিক গান ‘উপ’ দিয়ে প্রথম আলোচনায় আসেন অংকন। ২০২২ সালে হাতিরপুল সেশনসে গানটি প্রকাশের পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গানটি তাঁকে তারকাখ্যাতি এনে দিয়েছে। কোক স্টুডিও বাংলায় ‘লং ডিসট্যান্স লাভ’ গানটিও পরে সাড়া ফেলেছিল।</p><p>বছর তিন–চারেকের ক্যারিয়ারে পাঁচ–ছয়টির মতো মৌলিক গান প্রকাশ করেছেন অংকন। বেশির ভাগই হিট। সব গানে ঘুরেফিরে প্রেমের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। তবে তিনি গানকে পুরোপুরি ‘রোমান্টিক’ বলতে নারাজ।</p><p>অংকনের ভাষ্য, রোমান্টিক সম্পর্কের আড়ালে যে জটিল অনুভূতি ও আবেগগুলো থাকে, যা সাধারণত মানুষের সামনে আসে না, সেগুলোই তিনি গানে তুলে ধরতে পছন্দ করেন। এর মধ্যে দূরবর্তী প্রেম আছে, কাউকে না পাওয়ার বেদনা কিংবা একতরফা প্রেমও আছে। গানের আবেগের সঙ্গে বাস্তবতার মেলবন্ধন ঘটাতে চান তিনি।</p> <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/eoiusbid/7be6b2b6-ad1c-4a2f-8300-e51f1622cdcc.jpg" /><figcaption>অংকন কুমার </figcaption></figure><p>গানের সংখ্যা কম কেন—জানতে চাইলে অংকন জানান, প্রচুর গান প্রকাশের চেয়ে তিনি গানের মানের ওপর জোর দেন। তাঁর লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মানের সাউন্ড বা ফ্রিকোয়েন্সি আউটপুট তৈরি করা।</p><p>অংকন কুমার মনে করেন, শিল্পী হিসেবে মানুষের হৃদয়ে টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি হলো ভালো মানের কাজ। তাঁর ভাষ্য, সংগীত অনেক সময় তাঁকে প্রতিকূল পরিস্থিতি থেকে বাঁচিয়েছে এবং তিনি মূলত আনন্দের সঙ্গেই গান তৈরি করতে ভালোবাসেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/muxup5z49v">এসেই আলোচনায়, কে এই তরুণ অভিনেত্রী</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/1c8dw0mt/02618858-d895-429b-91fd-7331d384dcd6.jpg" /><figcaption>অংকন কুমার </figcaption></figure><p><strong>গানের বাইরে</strong></p><p>সংগীতের বাইরে নিয়মিত ফুটবল খেলেন অংকন। মিডফিল্ডার ও স্ট্রাইকার হিসেবে পরিচিতি রয়েছে। অবসরে উপন্যাস, কবিতা আর কমিকস পড়তে ভালোবাসেন। অবসরে অ্যাকশন গেম খেলেন, অ্যানিমেশন মুভি দেখেন।</p><p>ঢাকাতেই অংকন কুমারের বেড়ে ওঠা ও পড়াশোনা। পারিবারিকভাবেই তাঁর সংগীতের হাতেখড়ি। পরিবারের সদস্যরা গানের সঙ্গে যুক্ত। ছোটবেলা থেকেই গান শিখেছেন তিনি।</p><p>ক্যারিয়ারে প্রথম একক অ্যালবাম নিয়ে কাজ করছেন অংকন। অ্যালবামে চার থেকে পাঁচটি মৌলিক গান থাকবে। পাশাপাশি একটি যৌথ অ্যালবামের কাজও চলছে, যাতে পপ ধারার গানের আধিক্য থাকবে। এ ছাড়া বেশ কিছু প্রজেক্ট বর্তমানে হাতে রয়েছে, যা এখনই তিনি প্রকাশ করতে চান না।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি ট্রাম্পের, তেলের দাম বাড়ল নাটকীয়ভাবে</title><link>https://www.prothomalo.com/world/8biouvagp3</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/8biouvagp3#comments</comments><guid isPermaLink="false">2cfb23e1-8018-44ad-848b-462063ab2d59</guid><pubDate>Tue, 21 Apr 2026 19:06:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:22:57.080Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মধ্যপ্রাচ্য,ইরান,যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ,আরব বিশ্ব,ইসরায়েল</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/g9vs3z0l/prothomalo_Trump.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/g9vs3z0l/prothomalo_Trump.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিশ্ব</category><category>মধ্যপ্রাচ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/tmzlzl2l/iran-ship-fire.jpg" /><figcaption>ইরানের আধা সরকারি সংবাদ সংস্থা ইসনা থেকে পাওয়া এ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণ ইরানের বন্দর আব্বাস সংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে নোঙর করে আছে বেশ কিছু জাহাজ। ৪ মে ২০২৬  </figcaption></figure><h3>ইরানের বন্দরে কয়েকটি জাহাজে আগুন, নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে ফায়ার সার্ভিস</h3><p>ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় দায়ের বন্দরের একটি জেটিতে থাকা কয়েকটি বাণিজ্যিক জাহাজে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>দায়ের বন্দর ফায়ার সার্ভিসের প্রধান মজিদ ওমরানি ইসলামি বিপ্লবী গার্ডের (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজকে জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন।</p><p>তবে ঠিক কী কারণে এ আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য আসার অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-29/bk453pjw/prothomalo-bangla2022-1220ce22ed-ca1e-4566-9a99-d1b9eee452703Dprintedoilbarrels.avif" /><figcaption>জ্বালানি তেল</figcaption></figure><h3>হরমুজে উত্তেজনা: যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে নাটকীয়ভাবে বাড়ল তেলের দাম</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার অচলাবস্থা সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম নাটকীয়ভাবে বেড়েছে।</p><p>এই সংঘাত তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সই হওয়া ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে বড় ধরনের সংশয় তৈরি করেছে।</p><p>আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম গতকাল সোমবার প্রায় ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৪ দশমিক ৪৪ ডলারে ঠেকেছে।</p><p>আজ মঙ্গলবার দাম কিছুটা কমে গ্রিনিচ মান সময় রাত দুইটা নাগাদ ১১৩ দশমিক ৫৪ ডলারে লেনদেন হচ্ছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/2hnz64qg/hormuz-002.jpg" /><figcaption>ওমানের মুসান্দাম এলাকা সংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে বিভিন্ন নৌযান</figcaption></figure><p>বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা এবং হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর হামলায় ইরানের দ্রুতগামী সামরিক নৌযান ডুবে যাওয়ার ঘটনায় নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। </p><p>আর এই যুদ্ধের ঝুঁকিই তেলের বাজারকে ঊর্ধ্বমুখী করে তুলছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-02/202249b0-d9dc-4116-aba1-1c9a1de314dc/fighter_jets_to_UAE.webp" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতে সামরিক সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</figcaption></figure><h3>আরব আমিরাতকে ইরানের হুঁশিয়ারি, উচ্চ সতর্কাবস্থায় ইসরায়েল</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) যদি ইরানের বিরুদ্ধে কোনো ‘অবিবেচনাপ্রসূত’ পদক্ষেপ নেয়, তবে দেশটির সব স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনা বা লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হবে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দেশটির এক সামরিক সূত্র এ হুমকি দিয়েছে।</p><p>এদিকে উপসাগরীয় অঞ্চলের এই উত্তেজনার দিকে কড়া নজর রাখছে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী।</p><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে ইসরায়েলের এক সামরিক কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, তাঁদের সেনাবাহিনী বর্তমানে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bwy920zy/uae-drone-attack.jpeg" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরায় তেলের ডিপোতে ইরানের হামলার পর আগুন জ্বলতে দেখা যায়</figcaption></figure><p>তবে ওই কর্মকর্তা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি সাধারণ নাগরিকদের জন্য যুদ্ধকালীন নির্দেশনায় নতুন কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। বিশেষ করে, জনসমাগমের আকারের ওপর যে বিধিনিষেধ থাকে, তা আপাতত আগের মতোই বজায় থাকছে।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/h9a5ptks/hormuz-strait.webp" /><figcaption>ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধ চলাকালে গতমাসে একটি জাহাজকে দেশটির বন্দরের দিকে যেতে বাধা দেয় মার্কিন রণতরি ইউএসএস রাফায়েল পেরালতা (সামনে)</figcaption></figure><h3>হরমুজ নিয়ে আবার উত্তেজনা, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান</h3><p>ইরান যুদ্ধের ভঙ্গুর অস্ত্রবিরতি এখন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা পড়া শত শত জাহাজ ও এগুলোর নাবিকদের উদ্ধারে গতকাল সোমবার ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>এ সময় বেসামরিক জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা ইরানের ছয়টি নৌযান ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে তেহরান এ দাবি নাকচ করে দিয়েছে।</p><p>এদিকে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের পথ আবার খুলে দেওয়ার চেষ্টায় নিয়োজিত মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ইরান হামলা চালালে দেশটিকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে দেওয়া’ হবে বলে হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন কড়া হুঁশিয়ারি এই অঞ্চলকে আবারও একটি পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/7glmzj7s/Hormuz.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালির ম্যাপের ইলাস্ট্রেশন</figcaption></figure><p><strong>হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে সর্বশেষ আরও যা ঘটল</strong></p><p>—বার্তা সংস্থা এপির বরাতে জানা গেছে, গতমাসের শুরুতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এ প্রথম সরাসরি ইরানি হামলার শিকার হওয়ার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই)।</p><p>—মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, নতুন একটি উদ্যোগের অংশ হিসেবে গতকাল তাদের পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে।</p><p>—আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরান থেকে ছোড়া ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন প্রতিহত করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এ ছাড়া আমিরাতের ফুজাইরাহ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ড্রোনের আঘাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। এতে সেখানে কর্মরত তিন ভারতীয় নাগরিক আহত হয়েছেন।</p><p>—ব্রিটিশ সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, আমিরাত উপকূলে দুটি পণ্যবাহী জাহাজে আগুন জ্বলতে দেখা গেছে।</p><p>ইরান এসব হামলার বিষয়ে সরাসরি কোনো স্বীকারোক্তি দেয়নি বা অস্বীকার করেনি। তবে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও আরব আমিরাতের উচিত হবে না নিজেদের আবারও কোনো ‘চোরাবালিতে’ টেনে নেওয়া।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p><h3>আমিরাতে মার্কিন দূতাবাসের সতর্কতা জারি  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-05/66303c97-e3ea-48bd-a3aa-30855abb8448/Untitled_1.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা</figcaption></figure><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের মিশন দেশটিতে অবস্থানরত তাদের নাগরিকদের জন্য ‘আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকির’ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে মিশন জানিয়েছে, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত মার্কিন মিশন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আমেরিকানদের আমিরাত কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসরণ করার ও নির্দেশ পেলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকার অনুরোধ জানাচ্ছে।’</p><p>আমিরাত গতকাল সোমবার জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে দেশটি পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে। এই বিষয়ে এ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ইরান। </p><p>মার্কিন মিশন আরও জানায়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য তাদের বর্তমান ভ্রমণ সতর্কতা ৩-স্তরে অপরিবর্তিত রয়েছে। এর অর্থ হলো মার্কিন নাগরিকদের সেখানে ‘ভ্রমণের বিষয়টি পুনর্বিবেচনা’ করা উচিত।</p><p>বিবৃতিতে বলা হয়, মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেট জেনারেল খোলা থাকলেও, ‘জরুরি নয় এমন মার্কিন সরকারি কর্মীদের সংযুক্ত আরব আমিরাতের বাইরে স্থানান্তর করা হয়েছে।’</p><p>তথ্যসূত্র : আল-জাজিরা </p><h3>আমিরাতে ইরানের হামলার নিন্দা যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডার

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-01/yqb8x8tl/UAE-IRAN-ISRAEL-US-CONFLICT–01.jpg" /><figcaption>ইরানের হামলার পর জেবেল আলী বন্দর থেকে উড়ছে ধোঁয়া। দু্বাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ১ মার্চ ২০২৬</figcaption></figure><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনায় প্রভাবশালী কয়েকটি পশ্চিমা দেশ তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডা পৃথক বিবৃতিতে এই হামলাকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছে।</p><p>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার আমিরাতে ইরানের হামলার কঠোর সমালোচনা করে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের বিস্তার অবশ্যই বন্ধ হতে হবে। উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের অংশীদারদের প্রতিরক্ষায় আমরা সমর্থন অব্যাহত রাখব।</p><p>ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়ে স্টারমার বলেন, দীর্ঘমেয়াদি কূটনৈতিক সমাধানের মাধ্যমে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখা জরুরি।</p><p>ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেন, আরব আমিরাত ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের ভূখণ্ড রক্ষায় ফ্রান্স সব সময় পাশে থাকবে।</p><p>বর্তমান সংকট সমাধানে দুটি শর্তের কথা উল্লেখ করেছেন মাখো। এক. হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে নৌ-চলাচল স্বাভাবিক করা। দুই. আঞ্চলিক দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে একটি টেকসই চুক্তি করা।</p><p>ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার প্রধান কারণ বলে উল্লেখ করে মাখোঁ। </p><p>আমিরাতে ইরানের হামলার ঘটনায় সংহতি প্রকাশ করে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি এক বিবৃতিতে লেখেন, আমরা শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ এবং আমিরাতের জনগণের পাশে আছি। বেসামরিক নাগরিক ও অবকাঠামো রক্ষায় তাঁদের প্রচেষ্টাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে এই অঞ্চলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানো এবং উত্তেজনা কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।</p><p>সংযুক্ত আরব আমিরাত গতকাল সোমবার জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে দেশটি পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে। এই বিষয়ে এ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ইরান। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><h3>সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের হামলার নিন্দা সৌদি আরবের 

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-10/w9zoldkh/iran-oil.avif" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা তেল শিল্প এলাকার একটি স্থাপনায় হামলার পর সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও ধোঁয়া। ফুজাইরা মিডিয়া অফিসের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের মধ্যে গত ৪ মার্চ ফুজাইরায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর এর ধ্বংসাবশেষ থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়</figcaption></figure><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান।</p><p>সৌদি প্রেস এজেন্সি জানায়, যুবরাজ টেলিফোনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানের সঙ্গে কথা বলেন।</p><p>মোহাম্মদ বিন সালমান মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে বলেন, ‘ভ্রাতৃপ্রতিম সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের এই অযৌক্তিক হামলার নিন্দা জানাচ্ছে সৌদি আরব।’ একই সঙ্গে আমিরাতের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় রিয়াদের পূর্ণ সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।</p><p>সংযুক্ত আরব আমিরাত গতকাল সোমবার জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও চারটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। এই হামলাকে ‘বিশ্বাসঘাতকতামূলক’ আখ্যা দিয়ে দেশটি পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার রক্ষার ঘোষণা দিয়েছে। এই বিষয়ে এ এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি ইরান। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><h3>রাজনৈতিক সংকটের কোনো ‘সামরিক সমাধান’ নেই: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/n5ujcenk/Abbas-Araghchi.avif" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি </figcaption></figure><p>রাজনৈতিক সংকটের কোনো সামরিক সমাধান নেই—হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি থেকে এটি স্পষ্ট। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এ মন্তব্য করেছেন। </p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে সোমবার দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি লেখেন, ‘পাকিস্তানের আন্তরিক প্রচেষ্টায় যখন আলোচনা এগোচ্ছে, তখন অশুভ শক্তির প্ররোচনায় পুনরায় কোনো চোরাবালিতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্ক হওয়া উচিত। একই কথা সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’</p><p>আরাগচি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম আসলে প্রজেক্ট ডেডলকে (অচল অবস্থা) পরিণত হয়েছে।’</p><p>হরমুজে আটকে পড়া বিভিন্ন দেশের জাহাজকে প্রণালিটিতে ছাড়তে সহায়তা করতে সোমবার সকাল থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডম নামের একটি অভিযান শুরু করে মার্কিন সেনাবাহিনী। তবে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের প্রচেষ্টাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল আখ্যা দিয়ে তা প্রতিরোধের ঘোষণা দেয় ইরান। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><h3>হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার মার্কিন চেষ্টার ‘কঠোর’ জবাব দেওয়া হবে: ইরান

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/a4pomsp0/Strait-of-Hormuz.avif" /><figcaption>মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি</figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের যেকোনো প্রচেষ্টার ‘কঠোর’ জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) রাজনৈতিক শাখার উপপ্রধান ইয়াদুল্লাহ জাভানি এ হুঁশিয়ারি দেন। </p><p>ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএকে জাভানি বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ‘ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করতে চাইছেন। এটা তাঁর নতুন সমস্যা। ৪০ দিনের যুদ্ধ ও পরবর্তী সময়ে তিনি সবখানে টোকা দিয়েছেন। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি।’</p><p>জাভানি অভিযোগ করেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানের ওপর ‘চাপ সৃষ্টি’ করে এই জলপথটি সচল করার চেষ্টা করছেন।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে জাভানি বলেন, ‘এর অর্থ হলো যুক্তরাষ্ট্র এখন আর কোনো পরাশক্তি নয়। বরং তারা এখন আরেকটি পরাশক্তির মুখোমুখি হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, হিসাব করলে দেখা যাবে, যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতি ইরানের তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে।</p><p>জাভানি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজের সামর্থ্য যাচাই করবে, সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে এবং শেষ পর্যন্ত পরাজিত হবে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><h3> মার্কিন সামরিক পাহারায় হরমুজ পার হলো যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক জাহাজ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/bkjmq64v/Untitled.png" /><figcaption>মেয়ার্স্ক বিশ্বের অন্যতম প্রধান শিপিং কোম্পানি</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী একটি বাণিজ্যিক জাহাজ মার্কিন সামরিক নিরাপত্তায় সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে। শিপিং কোম্পানি মেয়ার্স্ক বিবিসিকে এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>মেয়ার্স্ক জানায়, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই জাহাজটি পার হয়েছে। ক্রু সদস্যদের সবাই নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছেন।</p><p>প্রতিষ্ঠানটির মতে, অ্যালায়েন্স ফেয়ারফ্যাক্স নামের এই জাহাজটি যুদ্ধের কারণে গত ফেব্রুয়ারি থেকে পারস্য উপসাগর ত্যাগ করতে পারছিল না।</p><p>মেয়ার্স্ক জানিয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা করে। একটি ‘বিস্তৃত নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরির’ পর জাহাজটিকে হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।</p><p>শিপিং কোম্পানিটি আরও জানায়, জাহাজটি ‘মার্কিন সামরিক সরঞ্জামের পাহারায়’ পারস্য উপসাগর ছাড়ে। এই অভিযান সফল করতে মার্কিন বাহিনীর ‘পেশাদারি ও কার্যকর সমন্বয়ের’ জন্য তারা ধন্যবাদ জানায়। </p><p>এর আগে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম জানিয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ ‘সফলভাবে হরমুজ প্রণালি পার হয়েছে’। </p><p>তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) যুক্তরাষ্ট্রের এই দাবিকে ‘ডাহা মিথ্যা’ বলে দাবি করেছিল। </p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><h3>সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানি হামলার তীব্র নিন্দা কাতারের

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-07/agb2azxo/4.jpg" /><figcaption>কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি</figcaption></figure><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) বেসামরিক এলাকা ও স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে ইরানের চালানো হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। </p><p>এক বিবৃতিতে কাতারের আমিরের দপ্তর জানায়, কাতারের আমির টেলিফোনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, কাতার সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে। একই সঙ্গে দেশটির নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে নেওয়া সব পদক্ষেপের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-09/vauy8jnk/US-President.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলার’ হুমকি ট্রাম্পের</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ পরিচালনাকারী মার্কিন জাহাজে হামলা চালালে ইরানকে ‘পৃথিবীর বুক থেকে মুছে ফেলা’ হবে বলে হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>ফক্স নিউজের এক অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, ‘আগের তুলনায় আমাদের কাছে এখন অনেক উন্নত মানের প্রচুর অস্ত্র ও গোলাবারুদ রয়েছে। আমাদের কাছে সেরা সব সরঞ্জাম আছে। সারা বিশ্বে আমাদের সামরিক সরঞ্জাম ও ঘাঁটি ছড়িয়ে আছে। সেগুলো সরঞ্জামে পরিপূর্ণ। আমরা সেই সবকিছুই ব্যবহার করতে পারি এবং প্রয়োজন হলে আমরা তা করব।’</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ইরান এখন ‘অনেক বেশি নমনীয়’ হয়েছে। সেই সঙ্গে ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর ওপরও জোর দেন তিনি।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলায় তিন ভারতীয় আহত</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলায় তিন ভারতীয় আহত হয়েছেন। ফুজাইরা মিডিয়া অফিস এই হামলার জন্য ইরানকে দায়ী করছে আমিরাত।</p><p>আহত তিনজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের আঘাত খুব বেশি গুরুতর নয় বলে জানানো হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন মোকাবিলা করা হচ্ছে: আমিরাত</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘বর্তমানে ইরান থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোনের মোকাবিলা করছে’।</p><p>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক্স বার্তায় দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, দেশের বিভিন্ন স্থানে শোনা যাওয়া শব্দগুলি আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা প্রতিরোধের শব্দ।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-10/w9zoldkh/iran-oil.avif" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা তেল শিল্প এলাকার একটি স্থাপনায় হামলার পর সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ড ও ধোঁয়া। ফুজাইরা মিডিয়া অফিসের ভাষ্য, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের মধ্যে গত ৪ মার্চ ফুজাইরায় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ড্রোন ভূপাতিত করার পর এর ধ্বংসাবশেষ থেকে এ আগুনের সূত্রপাত হয়</figcaption></figure><h3>আমিরাতে ড্রোন হামলা, ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় আগুন  </h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা পেট্রোলিয়াম স্থাপনায় ড্রোন হামলার পর আগুন ধরেছে। ফুজাইরার মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, ইরান থেকে ড্রোন হামলার পর আমিরাতের পেট্রোলিয়াম শিল্প এলাকায় ‘বড় আগুন লেগেছে’।</p><p>এর আগেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, কিছুক্ষণ আগে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। যার তিনটি প্রতিহত করা হয়েছে। একটি সমুদ্রে পড়েছে।</p><p>তবে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে এই হামলার বিষয়ে কিছু জানায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান, তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত: আমিরাত

</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাত লক্ষ্য করে চারটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে ইরান। এর মধ্যে তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে। অন্য ক্ষেপণাস্ত্রটি সমুদ্রে পড়েছে। আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।</p><p>তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইরানের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-12-01/dkbuw612/uae-flag.jpg" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3>আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শঙ্কা, জরুরি সতর্কতা জারি  </h3><p>ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা জরুরি সতর্কতা জারি করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। দেশটির জাতীয় জরুরি সংকট এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এ সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে।</p><p>বার্তা জানানো হয়েছে, আমিরাতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা একটি ক্ষেপণাস্ত্র হুমকির মোকাবিলা করছে।</p><p>এই বার্তা দেওয়ার প্রায় দুই ঘণ্টা আগে একই ধরনের একটি বার্তা জারি করা হয়েছিল। ওই বার্তার কিছুক্ষণ পর আশঙ্কা কেটে গেছে বলে বার্তা পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু কেন ওই বার্তা পাঠানো হয়েছিল বা হামলার বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।</p><p>মার্কিন-ইরান যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর আজই প্রথম এমন বার্তা পাঠাল আমিরাত সরকার।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-23/zy1nwa6m/Iran-arrests.jpg" /><figcaption>ইরানের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালি দিয়ে কোনো মার্কিন জাহাজ পার হয়নি, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অসত্য: ইরান

</h3><p>হরমুজ প্রণালি দিয়ে মার্কিন কোনো জাহাজ পার হয়নি। দুটি মার্কিন পতাকাবাহী জাহাজ হরমুজ পাড়ি দিয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র যে দাবি করেছে, তা অসত্য।</p><p>ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বরাত দিয়ে দেশটির বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এ কথা জানিয়েছে।</p><p>আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, গত কয়েক ঘণ্টায় কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা ট্যাঙ্কার হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল করেনি। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মার্কিন কর্মকর্তাদের এসব (হরমুজ পড়ি দেওয়া) দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং একেবারে মিথ্যা।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে  দক্ষিণ কোরিয়ার জাহাজে বিস্ফোরণ, আগুন</h3><p>দক্ষিণ কোরীয় জাহাজ কোম্পানি এইচএমএমেএর একজন মুখপাত্র রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তাদের একটি বাল্ক ক্যারিয়ারের ইঞ্জিন রুমে আগুনের খবর পাওয়া গেছে। এর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।</p><p>দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও জাহাজটিতে বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের খবর নিশ্চিত করেছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঘটনার সময় জাহাজটিতে ২৪ জন ক্রু ছিলেন, যাদের মধ্যে ১৮ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৬ জন দক্ষিণ কোরীয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-02-09/g8l18z2p/s_korea.jpg" /><figcaption>দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকা</figcaption></figure><h3>হরমুজে দক্ষিণ কোরীয় জাহাজে হামলার খবরের সত্যতা যাচাই করছে সিউল

</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে দক্ষিণ কোরিয়ার পতাকাবাহী একটি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে—এমন গোয়েন্দা তথ্যের সত্যতা যাচাই করছে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার। দেশটির বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপ এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ইয়োনহাপ জানায়, এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যমতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সরকার ঘটনার ‘সঠিক তথ্য ও সত্যতা যাচাই’ করছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে অবরুদ্ধ জাহাজগুলোকে ওমানের জলসীমা ব্যবহারের পরামর্শ যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে অবরুদ্ধ বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে ওমানের জলসীমা ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত জয়েন্ট মেরিটাইম ইনফরমেশন সেন্টার (জেএমআইসি) হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের ক্ষেত্রে ওমানের জলসীমা ব্যবহারের এই পরামর্শ দিয়েছে। সেখানে একটি ‘উন্নত নিরাপত্তা বলয়’ তৈরি করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।</p><p>তবে এই মুহূর্তে কোনো জাহাজ ওই প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। এ ছাড়া নৌপথে জাহাজ লক্ষ্য করে ইরানের অব্যাহত হামলা ও হুমকির মুখে জাহাজ কোম্পানি বা বিমাকারীরা এই ঝুঁকি নিতে কতটা স্বস্তি বোধ করবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।</p><p>এদিকে, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের পথ সচল করতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-কে ‘প্রলাপ’ বলে অভিহিত করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ।</p><p>তেহরানের সামরিক বাহিনী সোমবার সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী যেকোনো জাহাজকে অবশ্যই তাদের সাথে সমন্বয় করতে হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/dh6u23ew/Strait-Of-Hormuz.avif" /><figcaption> হরমুজ প্রণালি</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে তেলের ট্যাংকারে হামলা হয়েছে, স্বীকার করল আমিরাত  </h3><p>হরমুজ প্রণালিতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) তেলের ট্যাংকারে হামলা হয়েছে। তবে এই হামলায় কেউ আহত হয়নি। আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ কথা জানিয়েছে।&nbsp;</p><p>আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই হামলা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশন ২৮১৭-এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন, যেখানে নৌ চলাচলের স্বাধীনতার গুরুত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে এবং বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্যবস্তু করা বা আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ বন্ধ না করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্যবস্তু করা এবং হরমুজ প্রণালিকে অর্থনৈতিক চাপ বা ব্ল্যাকমেলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর জলদস্যুতার কাজ। এটি এই অঞ্চল, জনগণ এবং বৈশ্বিক জ্বালানি নিরাপত্তার সরাসরি জন্য হুমকি।</p><p>ইরানকে এমন হামলা বন্ধ করতে এবং দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়ে হরমুজ প্রণালির নিঃশর্তভাবে সম্পূর্ণ খুলে দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছে।</p><p>এর আগে ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সতর্কতা উপেক্ষা করার পর জাস্ক দ্বীপের কাছে একটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।</p><p> তবে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কোনো জাহাজে আঘাত হানা হয়নি। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে কোনো মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলা হয়নি, দাবি যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন কোনো যুদ্ধ জাহাজে হামলা হয়নি বলে দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কোনো জাহাজে আঘাত হানা হয়নি।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে সেন্টকম জানায়, মার্কিন বাহিনী ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ এবং ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ কার্যকর করছে।</p><p>এর আগে ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সতর্কতা উপেক্ষা করার পর জাস্ক দ্বীপের কাছে একটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।</p><p>তথ্যসূত্র:  আল–জাজিরা</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে কী ঘটেছে</h3><p>* ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সতর্কতা উপেক্ষা করায় জাস্ক দ্বীপের কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে বলে ফার্স নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।</p><p>* এই খবর আসার কয়েক মিনিট আগেই আইআরজিসি বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছিল, মার্কিন যুদ্ধজাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে ইরানে।</p><p>* এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ নামে অভিযান শুরু হচ্ছে। যে দেশগুলো জাহাজগুলো প্রণালিতে আটকে রয়েছে, তাদের অনুরোধে এই অভিযান। আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সহায়তা দেওয়া হবে এই অভিযানে।</p><p>* প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর ইরান বারবার সতর্কতা জানিয়ে আসছিল, যে এই অভিযান সংঘর্ষের দিকে নিয়ে যাবে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/e9zwwgbw/Hormuz_Fars.jpg" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে লাল রেখা চিহ্নিত এই মানচিত্র প্রকাশ করে আইআরজিসি জানিয়েছে, এই এলাকা তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে নিজের নিয়ন্ত্রিত এলাকার মানচিত্র প্রকাশ ইরানের

</h3><p>ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালিতে তেহরানের নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকা চিহ্নিত করে একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। দেশটির আধা সরকারি বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এই মানচিত্র প্রকাশ করেছে।</p><p>প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের নিয়ন্ত্রিত এলাকা হলো দেশটির মাউন্ট মুবারক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফুজাইরার দক্ষিণের মধ্যে আঁকা রেখা এবং ইরানে কেশম দ্বীপের শেষ প্রান্ত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উম্ম আল কুয়াইনের মধ্যে আঁকা রেখার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিকভাবে এই মানচিত্র নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানায়নি।</p><p>সূত্র: বিবিসি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/1dfs925v/Hormuzprothom-Alo.jpeg" /></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইরানি গণমাধ্যম   </h3><p>ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সতর্কতা উপেক্ষা করার পর জাস্ক দ্বীপের কাছে একটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।</p><p>ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এ কথা জানিয়েছে।</p><p>এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্র সোমবার ‘প্রোজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান শুরু করবে। এর আওতায় হরমুজ প্রণালি থেকে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে বের করতে সহায়তা দেওয়া হবে।</p><p>ট্রাম্পের ওই ঘোষণার পর এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার খবর এল।</p><p>এর আগে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সির খবরে বলা হয়, ইরানের সেনাবাহিনী মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে বাধা দিয়েছে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><h3>ইরানের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে ১৬ মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত, কয়েকটি ব্যবহারের অনুপযোগী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/fkhi2uil/usa_outpost.avif" /></figure><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধে ইরান ও তার মিত্ররা এ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের আটটি দেশে অন্তত ১৬টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি ঘাঁটি ‘পুরোপুরি ব্যবহারের অনুপযোগী’ হয়ে পড়েছে। কয়েকটি সূত্রের বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>ডজনখানেক স্যাটেলাইট চিত্র এবং যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর সূত্রের সঙ্গে কথা বলে সিএনএন এ প্রতিবেদন তৈরি করেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক অবস্থানের ‘বড় একটি অংশই’ ইরানের হামলার শিকার হয়েছে। <a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/ajg1l40fdf">বিস্তারিত পড়ুন</a></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/h2yxn6c2aj">মধ্যপ্রাচ্যে কেন মার্কিন ঘাঁটি, কোন কোন দেশে রয়েছে এসব ঘাঁটি</a></aside><h3>হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশের চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করা হবে, সতর্ক করল ইরান  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/cusm39yl/Strait_of_Hormuz.webp" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নৌযানের টহল</figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালিতে সামরিক উদ্যোগ ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’–এর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ করতে চাইলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে।</p><p>বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ জলপথের নিরাপত্তার দায়িত্ব ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে ন্যস্ত। তাই&nbsp;যেকোন পরিস্থিতিতে ‘নিরাপদ যাতায়াত ও নৌ চলাচলের’ ক্ষেত্রে নেওয়া উদ্যোগ (ইরানের) সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই নিতে হবে।’</p><p>সতর্ক বরে দিয়ে বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘আমরা সতর্ক করছি, যেকোন বিদেশি সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালির দিকে এগিয়ে আসার কিংবা প্রবেশের চেষ্টা করলে; তাদের ওপর হামলা করা হবে।’</p><p>সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে, সেগুলোর নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’।</p><p>ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি ও আল–জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/video/international/3nibfwvlwo">হরমুজে ইরানের গোপন অস্ত্র: মাইন বহন করবে ডলফিন</a></aside><h3>হরমুজে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’, অংশ নেবে ১৫ হাজার সেনা, ১০০ যুদ্ধবিমান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/g9vs3z0l/prothomalo_Trump.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে, সেগুলোর নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। </p><p>নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার কথা।</p><p>এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র–বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান। </p><p>সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, ‘হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ৪ মে থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।’</p><p>ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, সেখানে অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।</p><p>ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি ও আল–জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/jwebvnviac">হরমুজে অবরুদ্ধ জাহাজগুলোকে মুক্ত করার ট্রাম্পের ঘোষণা কি দর-কষাকষির নতুন কোনো কৌশল</a></aside><h3>হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে দেখা হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/drru36r4/Strait_of_Hormuz.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে চলছে নৌযান</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি চলছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন বাহিনীর যেকোনো হস্তক্ষেপ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে দেখবে তেহরান।</p><p>ইরানের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ও আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি আজ সোমবার এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। </p><p>ইব্রাহিম আজিজি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার। বর্তমানে তিনি দেশটির পার্লামেন্টের সদস্য এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি–বিষয়ক কমিটির প্রধান।</p><p>এর আগে ইব্রাহিম আজিজি বিবিসি তেহরানকে বলেছিলেন, ‘এটি (হরমুজ) আমাদের মৌলিক অধিকার। এ পথ দিয়ে কী হবে সে সিদ্ধান্ত ইরানের। এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/ctqdis1se1">হরমুজ প্রণালিতে কাদের জাহাজ চলবে, কাদের চলতে পারবে না, জানাল ইরান</a></aside><h3>জব্দ ইরানি জাহাজের ২২ নাবিককে পাকিস্তানে পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র, দেশে ফিরবেন তাঁরা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/32q49dhp/iran_crisis_ship.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা ইরানের পতাকাবাহী কনটেইনার জাহাজ এমভি তুসকা</figcaption></figure><p>ওমান উপসাগর থেকে জব্দ করা ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি তুসকার ২২ জন নাবিককে পাকিস্তানে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকে পরে তাঁদের নিজ দেশে ফেরার কথা রয়েছে। </p><p>ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) একজন মুখপাত্র আজ সোমবার এ কথা জানিয়েছেন। </p><p>গত মাসে এমভি তুসকা নামের ইরানি জাহাজটি জব্দ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স আজ বলেন, ‘আজ, এমভি তুসকার ২২ জন নাবিককে পাকিস্তানে হস্তান্তরের কাজ শেষ করেছে মার্কিন বাহিনী। তাঁদের দেশে (ইরান) প্রত্যাবাসন করা হবে।’</p><p>যুক্তরাষ্ট্র গত ২০ এপ্রিল ইরানের কনটেইনারবাহী জাহাজটি জব্দ করে। বলা হয়, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ ভঙ্গ করায় জাহাজটিকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘জলদস্যুতা’ বলে চিহ্নিত করে তেহরান।  </p><p>সেন্টকম জানায়, এমভি তুসকায় থাকা ছয়জনকে গত সপ্তাহে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি আঞ্চলিক দেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এ ছয়জন জাহাজটির নাবিকদের পরিবারের সদস্য।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/video/international/0sgfkpus24">ইরানি জাহাজ ‘তুসকা’তে মার্কিন হামলা, পাল্টা জবাবের হুঁশিয়ারি তেহরানের</a></aside><h3>হরমুজে কত জাহাজ আটকা পড়েছে, কতজন নাবিক আটকে আছেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/7glmzj7s/Hormuz.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালির ম্যাপের ইলাস্ট্রেশন</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরু করে। এর পর থেকে অভরুদ্ধ হরমুজ প্রণালিতে প্রায় ২ হাজার জাহাজ আটকা পড়েছে। এসব জাহাজে আটকে আছেন ২০ হাজারের বেশি নাবিক ও ক্রু। </p><p>জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী বিশেষায়িত সংস্থা (আইএমও) এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>সংস্থাটি বলেছে, আটকা পড়া জাহাজের মধ্যে তেল ও গ্যাসবাহী ট্যাংকার, বাল্ক ক্যারিয়ার, পণ্যবাহী বা কার্গো জাহাজ এবং পর্যটকবাহী ক্রুজ লাইনার রয়েছে।</p><p>আইএমও আরও জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হরমুজ প্রণালিতে আটকা জাহাজে অন্তত ১৯টি হামলার ঘটনা ঘটেছে। অন্তত ১০ জন নাবিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও আটজন। </p><p>এর আগে আইএমও সতর্ক করে বলেছিল, পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে পড়া জাহাজগুলোয় খাবার, জ্বালানি আর সুপেয় পানির মজুত আশঙ্কাজনক হারে কমে আসছে। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/yne0j5l0t1">হরমুজ প্রণালিতে ইরানের ‘টোল বুথ’, জাহাজপ্রতি কত ফি নেওয়া হবে</a></aside><h3>ইরানে ‘মোসাদের এজেন্ট’সহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/i1emzbbh/Execution_Reuters.avif" /><figcaption>ইরানে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার ঘটনা বেড়ে গেছে</figcaption></figure><p>ইরানে তিনজন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করছিলেন। একজনের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভের সময় উত্তর–পূর্বাঞ্চলের মাসহাদ শহরে সহিংস অস্থিরতা উসকে দেওয়ার অভিযোগ ছিল। </p><p>ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, তিনজনের মধ্যে মেহেদি রাসুলি ও মোহাম্মদ রেজা মিরি নামের দুজনকে ‘মোসাদের এজেন্ট’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইব্রাহিম দোলাতাবাদি নামের একজন ব্যক্তি মাসহাদ শহরের তাবারসি এলাকার অস্থিরতায় নেতৃত্ব দেওয়ায় দোষীসাব্যস্ত হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>জার্মানিতে আপাতত টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে না যুক্তরাষ্ট্র: জার্মান চ্যান্সেলর

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/cz3c630p/GERMANY.avif" /><figcaption>জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস</figcaption></figure><p>জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎস নিশ্চিত করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত জার্মানিতে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করছে না। তবে তিনি এটাও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের পেছনে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে যুদ্ধে জড়ানো নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক সমালোচনার কোনো সম্পর্ক নেই।</p><p>সম্প্রচারমাধ্যম এআরডি–কে ফ্রিডরিখ মের্ৎস আরও বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নিজের কাছেই পর্যাপ্ত অস্ত্র নেই। নিরপেক্ষভাবে বলতে গেলে, যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।</p><p>২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জার্মানিতে টমাহক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এর উদ্দেশ্য ছিল, ইউরোপের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে না ওঠা পর্যন্ত জার্মানির প্রতিরোধ সক্ষমতা শক্তিশালী করা।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>ইরানে ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/fgk0tvms/residential_building_damaged.webp" /><figcaption>মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি আবাসিক ভবনে উদ্ধারকাজ চলছে। ইরানের রাজধানী তেহরানে, ২৩ মার্চ ২০২৬</figcaption></figure><p>ইরানের হাউজিং ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে এবারের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া প্রায় ৩৭ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন এরই মধ্যে মেরামত করা হয়েছে। ইরানের আধা–সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর আল–জাজিরার।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ব্যাপক পরিসরে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে আবাসিক এলাকাগুলোয় মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হয় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, নয়তো ব্যাপকভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে।</p><p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশজুড়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রায় ৩৩৯টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এর মধ্যে মেডিকেল সেন্টার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মেসি, চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণাগার প্রভৃতি রয়েছে।</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাত, তদন্ত চলছে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/t9ruo2fj/Strait_of_Hormuz.webp" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে ভাসছে নৌযান। ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের কাছে</figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড সেন্টার (ইউকেএমটিও) আজ সোমবার এ খবর জানিয়েছে। </p><p>ইউকেএমটিও একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, নৌযানটি ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের উত্তর প্রান্তের কাছাকাছি অবস্থান করছে। </p><p>এক্স পোস্টে ইউকেএমটিও জানায়, ‘সব ক্রু নিরাপদে আছে। পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।’</p><p>গতকাল রোববার এই হামলা হয়। এর পরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে ঘোষণা দেন, সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে, তাদের নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। </p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><h3>ট্রাম্পের ওপর থেকে কেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন মার্কিন তরুণেরা </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-25/pljg2u4z/মার্কিন-প্রেসিডেন্ট-ডোনাল্ড-ট্রাম্প" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>প্রত্যাশার চেয়ে বেশি তরুণ ভোটার ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানানোয় রিপাবলিকানরা উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। ট্রাম্পের ‘বিশ্বের ইতিহাসের সেরা অর্থনীতি গড়ার’ মতো চটকদার প্রতিশ্রুতিতে এই তরুণদের অনেকেই ওই সময় প্রভাবিত হয়েছিলেন।</p><p>তবে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা যেভাবে কমছে, তাতে রিপাবলিকানদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। ইউগভ–দ্য ইকোনমিস্টের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই বয়সীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনসমর্থন যেখানে ৪৮ শতাংশ ছিল, গত কয়েক মাসে তা কমে ২৫ থেকে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে।</p><p>লাখ লাখ মার্কিন তরুণ ট্রাম্পের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াটা অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। কারণ, তিনি তাঁর দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতিই পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/kkrzpcgbvh">ট্রাম্পের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন মার্কিন তরুণেরা</a></aside><h3>এক্সে ছবি পোস্ট করে ট্রাম্পের বার্তা, ‘সব  কার্ড আমার কাছে’</h3><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="zxx" dir="ltr"><a href="https://t.co/NM0SdwNu9A">pic.twitter.com/NM0SdwNu9A</a></p>&mdash; The White House (@WhiteHouse) <a href="https://twitter.com/WhiteHouse/status/2051065153500655701?ref_src=twsrc%5Etfw">May 3, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>হোয়াইট হাউসের এক্স অ্যাকাউন্টে রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিতে কয়েকটি উনো কার্ড হাতে হাসিমুখে ট্রাম্পকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে। কোনো ক্যাপশন দেওয়া হয়নি। তবে ছবিতে লেখা রয়েছে, ‘সব কার্ড আমার কাছে’।</p><p>এ ছবির বিষয়ে আল–জাজিরা বলছে, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে চলমান উত্তেজনা এবং তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ঘিরে বিরোধের মাঝে এটি ইরানের প্রতি একটি সুস্পষ্ট বার্তা বলে মনে করা হচ্ছে।</p><h3>হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে ইরানের হুঁশিয়ারি

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/68xtjjuj/Hormuj-2.jpg" /><figcaption>হরমুজ প্রণালি ও ইরানের অবস্থান নির্দেশকারী মানচিত্রের ইলাস্ট্রেশন </figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালির নতুন সামুদ্রিক শাসনব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে ‘যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন’ হিসেবে গণ্য করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরান পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রোববার দিবাগত রাতে দেওয়া এক পোস্টে আজিজি এ হুঁশিয়ারি দেন। </p><p>আজিজি যুক্তরাষ্ট্রের ‘দোষারোপের রাজনীতি’ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘বিভ্রান্তিকর পোস্ট’ দিয়ে হরমুজ প্রণালি ও পারস্য উপসাগর পরিচালিত হবে না। তাঁর মতে, এই অঞ্চল বাগাড়ম্বর করার জায়গা নয়।</p><p>আজিজির পোস্টের কিছু সময় আগে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প ঘোষণা দেন, হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে। </p><p>এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে এটি শুরু হবে।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>আজ থেকে হরমুজে আটকে পড়া জাহাজ সরাতে সহায়তা করবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/jp9bmms7/Ships_and_boats_in_the_Strait_of_Hormuz__REUTERS.png" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত কয়েকটি জাহাজ ও নৌকার দৃশ্য </figcaption></figure><p>সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে, তাদের নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। </p><p>এই উদ্যোগের নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী আজ সোমবার সকালে এটি শুরু হবে।</p><p>ট্রাম্প পোস্টে আরও লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকেরা ইরানের সঙ্গে ‘খুব ইতিবাচক আলোচনা’ করছেন। এই আলোচনা সবার জন্য ইতিবাচক কিছু বয়ে আনতে পারে।</p><p>ট্রাম্প বলেন, ‘মূলত সেই সব মানুষ, কোম্পানি ও দেশকে মুক্ত করতে জাহাজ চলাচলের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যারা কোনো অপরাধ করেনি। তারা পরিস্থিতির শিকার।’</p><p>ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে প্রণালি থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি বিশেষ করে ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে।</p><p>ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-30/dscvxquw/Ismail-bagai.jpg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই</figcaption></figure><h3>ইরানের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র,  পর্যালোচনা করছে তেহরান</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের দেওয়া ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে  ওয়াশিংটন। তেহরান তা পর্যালোচনা করছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব পেয়েছে তেহরান। তা এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে।</p><p>ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, ইরানের দেওয়া এই পরিকল্পনাটি কেবল যুদ্ধ অবসানের বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই পর্যায়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ রাখা হয়নি।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><h3>সেন্টকম ৪৯টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দিয়েছে

</h3><p>মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার গতকাল ইউএসএস মিলিয়াস পরিদর্শন করেছেন। ওই সময় ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী জাহাজটি ইরানের বন্দরগুলির অবরোধ কার্যকরে আঞ্চলিক জলসীমায় টহল দিচ্ছিল।</p><p>ইউএসএস মিলিয়াসে অবস্থানকালে, ব্র্যাড কুপার নাবিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন ও বক্তৃতা দিয়েছেন। তিনি সেখানে চলমান মিশনের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। সেন্টকম ‘এক্স’ বার্তায় এ কথা জানিয়েছে।</p><p>সেন্টকম জানায়, গত ১৩ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ শুরু করার পর আজ রোববার পর্যন্ত ৪৯টি বাণিজ্যিক জাহাজের পথ ঘুরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/dvrnj60w/Hormuz_prothom_Alo.jpeg" /></figure><h3>ইরান উপকূলে পণ্যবাহী জাহাজে হামলা: ইউকেএমটিও

</h3><p>ইরান উপকূলের কাছে একটি পণ্যবাহী জাহাজ (বাল্ক ক্যারিয়ার) হামলার শিকার হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্য কার্যক্রমবিষয়ক সংস্থা ইউকেএমটিও।</p><p>সংস্থাটি জানায়, পণ্যবাহী জাহাজটি উত্তর দিকে অগ্রসর হওয়ার সময় সিরিক থেকে প্রায় ১১ নটিক্যাল মাইল (১৮ কিলোমিটার) পশ্চিমে ছোট ছোট কয়েকটি নৌযান থেকে জাহাজটির ওপর হামলা চালানো হয়।</p><p>ইউকেএমটিও আরও জানিয়েছে, হামলার শিকার জাহাজের সব নাবিক ও ক্রু নিরাপদ আছেন। এ ছাড়া এই ঘটনার ফলে সমুদ্রের পরিবেশে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়ার খবর পাওয়া যায়নি।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পাঠানো শান্তি পরিকল্পনায় প্রধান তিন ধাপে কী বলছে ইরান</h3><p>পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইরানের পাঠানো সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবে মোটা দাগে তিনটি ধাপ রয়েছে।&nbsp;</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, ইরানের মূল লক্ষ্য হলো চলমান যুদ্ধবিরতিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ অবসানে রূপান্তর করা। এই প্রস্তাবে ইসরায়েলকেও অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো—যাতে মধ্যপ্রাচ্যে আর কোনো যুদ্ধ ফিরে না আসে এবং পুরো অঞ্চলে লড়াইয়ের অবসান ঘটে।</p><p>পরিকল্পনার <strong>প্রথম ধাপে</strong> পর্যায়ক্রমে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করে দেওয়া এবং ইরানের বন্দরগুলোর ওপর থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে। এ ছাড়া সমুদ্রে পেতে রাখা মাইনগুলো অপসারণের দায়িত্ব তেহরান নিজে গ্রহণ করার প্রস্তাব দিয়েছে।</p><p>প্রস্তাবের <strong>দ্বিতীয় ধাপে</strong> বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষে ইরান পুনরায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ হারে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ শুরু করবে। তবে এটি করা হবে ‘জিরো-স্টোরেজ’ বা মজুত না রাখার নীতি মেনে।</p><p>চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইরান ও তার মিত্রদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল কোনো হামলা চালাবে না। বিনিময়ে ইরানও তাদের ওপর সব ধরনের হামলা থেকে বিরত থাকবে।ইরানের পরমাণু অবকাঠামো ভেঙে ফেলা বা কোনো স্থাপনা ধ্বংস করার দাবি এই প্রস্তাবে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।</p><p>তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পাশাপাশি বিদেশে আটকে থাকা ইরানের সব অর্থ পর্যায়ক্রমে ছেড়ে দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।</p><p><strong>তৃতীয় ধাপে</strong> তেহরান তাদের আরব প্রতিবেশীদের সঙ্গে কৌশলগত সংলাপ শুরুর প্রস্তাব দিয়েছে। এর লক্ষ্য হলো পুরো মধ্যপ্রাচ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে একটি সম্মিলিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-08/j48tobkc/Iran-flag-2.jpg" /><figcaption>ইরানের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত না করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধে জোর ইরানের

</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে ১৪ দফার নতুন প্রস্তাবে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের ওপর জোর দিয়েছে ইরান। এই প্রস্তাবে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে যাবতীয় সমস্যার সমাধান এবং কেবল যুদ্ধবিরতি দীর্ঘায়িত না করে স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা নূর নিউজ-এর তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ৯ দফার পাল্টা হিসেবে এই ১৪ দফা প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান। এতে ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, নৌ-অবরোধের অবসান এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে ইসরায়েলি অভিযানসহ সব ধরনের শত্রুতা বন্ধের শর্তও দিয়েছে দেশটি।</p><p>এর আগে গত সপ্তাহে ইরানের একটি প্রস্তাব নাকচ করে দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে তা সত্ত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং গত তিন সপ্তাহ ধরে চলা ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি এখনো টিকে আছে।</p><p>এদিকে গত রোববার ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। উল্লেখ্য, বর্তমান সংঘাত শুরুর আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার মধ্যস্থতা করেছিল ওমান।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-29/kpqmh5n7/usae-3-sentry4.jpeg" /><figcaption>‘উড়ন্ত রাডার’ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি ‘ই-৩ সেন্ট্রি’ উড়োজাহাজ</figcaption></figure><h3>মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজের তৎপরতা অস্বাভাবিক বেড়েছে</h3><p>মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উড়োজাহাজ চলাচলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এসব উড়োজাহাজের বড় অংশই মূলত পরিবহন ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (এরিয়াল রিফুয়েলিং) উড়োজাহাজ।</p><p>উড়োজাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষক ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’ বলেছে, গতকাল শনিবার ইউরোপ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের অস্বাভাবিক সংখ্যক সামরিক উড়োজাহাজ উড়ে যেতে দেখা গেছে।</p><p>এই অঞ্চলে পাঠানো উড়োজাহাজগুলোর বেশিরভাগই ‘সি-১৭এ গ্লোবমাস্টার–৩’ মডেলের সামরিক কার্গো উড়োজাহাজ। এ ধরনের প্রতিটি উড়োজাহাজ প্রায় ৭৭ টন সরঞ্জাম এবং ১০০ জন সেনাসদস্য বহনে সক্ষম।</p><p>খবরে বলা হয়েছে, অন্তত ১২টি পরিবহন উড়োজাহাজ মধ্যপ্রাচ্যের পথে ছিল, যার কয়েকটি জার্মানি থেকে রওনা হয়।</p><p>এ ছাড়া বোয়িং ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটো ট্যাঙ্কার’ মডেলের জ্বালানি সরবরাহকারী উড়োজাহাজকেও ওই অঞ্চলের দিকে যেতে দেখা গেছে। ইসরায়েল ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এ ধরনের অন্তত চারটি উড়োজাহাজ সক্রিয় রয়েছে বলে পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/w7fmvmb2/hezbollahFPVfibreoptic-1777458688.webp" /><figcaption>হিজবুল্লাহর প্রচারমাধ্যমের প্রকাশ করা এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, গোষ্ঠীটির এক যোদ্ধা একটি এফপিভি (ফার্স্ট পারসন ভিউ) ড্রোনে পিজি-৭ ওয়ারহেড (গোলা) যুক্ত করছেন। তবে কোনো এক অজ্ঞাত স্থানে ছবিটি তোলা হয়েছে</figcaption></figure><h3>ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র ‘ফাইবার অপটিক ড্রোন’ ব্যবহার শুরু করেছে হিজবুল্লাহ</h3><p>লেবাননের ভেতরে ইসরায়েলি সেনা ও ট্যাংকের ওপর হামলায় হিজবুল্লাহ এখন নতুন এক ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করছে। গোষ্ঠীটি তাদের লড়াইয়ে ছোট আকারের ‘ফাইবার অপটিক’ ড্রোন ব্যবহারের হার বাড়িয়ে দিয়েছে।</p><p>প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এ ড্রোনগুলো তৈরির খরচ যেমন কম, তেমনি এগুলো শনাক্ত করাও বেশ কঠিন। এ ড্রোনের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এগুলো সিগন্যাল জ্যামিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অকেজো করা যায় না।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Hezbollah is increasingly using a new kind of weapon in its fight against Israel. The group is using small fibre-optic drones to attack Israeli soldiers and tanks inside Lebanon. They’re cheap, very difficult to detect, and can’t be jammed.<br><br>Al Jazeera’s <a href="https://twitter.com/TheMikeAppel?ref_src=twsrc%5Etfw">@TheMikeAppel</a> reports. <a href="https://t.co/7aO2fBnd3K">pic.twitter.com/7aO2fBnd3K</a></p>&mdash; Al Jazeera English (@AJEnglish) <a href="https://twitter.com/AJEnglish/status/2050655311363776609?ref_src=twsrc%5Etfw">May 2, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>‘ফাইবার অপটিক’ তারের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় এ ড্রোনগুলো অত্যন্ত নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম।</p><p><strong>ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য নতুন আতঙ্ক</strong></p><p>এদিকে হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত নতুন প্রযুক্তির ফাইবার অপটিক ড্রোনগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে হামলায় দারুণ কার্যকর ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সূত্রটি জানায়, এই ড্রোনগুলো কোনো তারহীন সংকেত বা ওয়্যারলেস সিগন্যালের বদলে সরাসরি ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে অপারেটরের (চালক) সঙ্গে যুক্ত থাকে। ফলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা তাঁর জন্য অনেক সহজ ও নিখুঁত হয়।</p><p>সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ড্রোনের তারের বিস্তৃতি প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এতে ড্রোনচালকেরা নিরাপদ দূরত্বে থেকেই হামলা পরিচালনা করতে পারছেন। </p><p>অন্য একটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানায়, হিজবুল্লাহ এই ড্রোনগুলোতে শক্তিশালী বিস্ফোরক যুক্ত করছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ড্রোনের এই নতুন হুমকি মোকাবিলায় তাঁরা কার্যকর পথ খুঁজছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা ও সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/nu0jyfoe/sprit.webp" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় এয়ারলাইনসগুলোর একটি স্পিরিট তাদের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে</figcaption></figure><h3>জ্বালানি সংকটে বন্ধ হয়ে গেল জনপ্রিয় এয়ারলাইনস ‘স্পিরিট’</h3><p>দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট ও ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে নিজেদের ব্যবসা পুরোপুরি গুটিয়ে নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় বাজেট এয়ারলাইনস স্পিরিট।</p><p>গতকাল শনিবার প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ক্রমাগত লোকসান ও ঋণের দায়ে তারা আর কার্যক্রম চালিয়ে নিতে পারছে না।</p><p>এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল থেকেই তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হলেও তাঁদের বিকল্প অন্য কোনো এয়ারলাইনসে টিকিট বুক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।</p><p>এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দুবার দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে ব্যবসা পুনর্গঠনের চেষ্টা চালিয়েছিল স্পিরিট। তবে সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানির অস্বাভাবিক দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটির সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।</p><p>ফ্লোরিডাভিত্তিক এ এয়ারলাইনসকে বাঁচাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ৫০ কোটি ডলারের একটি আর্থিক সহায়তা প্যাকেজের প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ঋণের শর্ত ও কোম্পানি পুনর্গঠন নিয়ে পাওনাদারদের সঙ্গে সমঝোতা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বিলুপ্তির পথে হাঁটল।</p><p>কম খরচে আকাশপথের ভ্রমণের পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত এ এয়ারলাইনস ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করেছিল।</p><p>তথ্যসূত্র: টাইম</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/n5ujcenk/Abbas-Araghchi.avif" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি </figcaption></figure><h3>আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আব্বাস আরাগচির ফোনালাপ</h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তোশিমিতসু মোতেগির মধ্যে টেলিফোন আলাপ হয়েছে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>ফোনালাপে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও বর্তমান আঞ্চলিক নানা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Iran’s Foreign Minister Seyed Abbas Araghchi and Japan’s Foreign Minister Toshimitsu Motegi held a phone call to discuss bilateral relations and regional issues. <a href="https://t.co/hKMgucfsql">pic.twitter.com/hKMgucfsql</a></p>&mdash; IRIB (Islamic Republic of Iran Broadcasting) (@iribnews_irib) <a href="https://twitter.com/iribnews_irib/status/2050654872962298255?ref_src=twsrc%5Etfw">May 2, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/7fezl975/us-troops-from-germany-1.jpg" /><figcaption>জার্মানির গ্রাফেনভোর প্রশিক্ষণ এলাকায় গত ২৩ এপ্রিল মার্কিন সেনাবাহিনীর ‘কম্বাইন্ড রিজলভ ২৬-০৭’ মহড়া চলাকালে সিএইচ-৪৭ চিনুক হেলিকপ্টার থেকে নামছেন সেনাসদস্য</figcaption></figure><h3>জার্মানি থেকে ৫ হাজার নয়, আরও অনেক সেনা সরাবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প</h3><p>জার্মানি থেকে আরও বেশি সংখ্যায় মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>জার্মানি থেকে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার সেনা সরানোর কথা থাকলেও ট্রাম্প জানিয়েছেন, প্রকৃত সংখ্যাটি এর চেয়ে অনেক বেশি হবে।</p><p>জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা সেনাসংখ্যা অনেক কমিয়ে ফেলছি। আমরা ৫ হাজারের চেয়েও অনেক বেশি সেনা সরিয়ে নিচ্ছি।’</p><p>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে দুই মিত্র দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যে গত শুক্রবার পেন্টাগন জার্মানি থেকে সেনা কমানোর ঘোষণা দেয়। উল্লেখ্য, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটিটি জার্মানিতেই অবস্থিত।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের ব্যাপক হামলা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/ocz6eqvp/lebanon-01.webp" /><figcaption>দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ এলাকার মেফাদুন গ্রামে গতকাল শনিবার ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে আকাশে উঠছে। ইসরায়েল গত কয়েক দিন ধরে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/oxdj0brw/lebanon-02.webp" /><figcaption>লেবাননের নাবাতিহ এলাকার হাবৌশ শহরে ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। গতকাল শনিবারের এ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/jajqkko3/lebanon-03.webp" /><figcaption>দক্ষিণ লেবাননের আইন বাল গ্রামে ইসরায়েলি বিমান হামলায় দুমড়েমুচড়ে যাওয়া একটি গাড়ি ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে টেনে বের করা হচ্ছে। গত শুক্রবারের এ হামলায় গ্রামের অনেক ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/wvxvfl7w/lebanon-04.webp" /><figcaption>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর নির্দেশে নিজ গ্রামে ফিরতে না পারা এবং ঘরবাড়ি ধ্বংসের প্রতিবাদে বৈরুতের কেন্দ্রস্থলে গত বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ করেন দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামগুলোর বাসিন্দারা</figcaption></figure><h3>২২ কোটি ডলারের তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ এড়াল ইরানের সুপার ট্যাংকার</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-05/b5ca93ab-36f6-462a-aff3-6934b0dab325/Iranian_tanker.jpg" /><figcaption>ইরানের পতাকাবাহী একটি জ্বালানি ট্যাংকার</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর কঠোর অবরোধ এড়িয়ে এশিয়া–প্যাসিফিক অঞ্চলে পৌঁছেছে ইরানের একটি বিশাল তেলের ট্যাংকার।</p><p>জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ‘ট্যাংকারট্র্যাকারস ডটকম’ এ তথ্য জানিয়েছে।ন্যাশনাল ইরানিয়ান ট্যাংকার কোম্পানির (এনআইটিসি) মালিকানাধীন এই বিশাল জাহাজটির নাম ‘হিউজ’।</p><p>জাহাজটি প্রায় ১৯ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করছে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ২২ কোটি মার্কিন ডলার।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ট্যাংকারট্র্যাকারস জানায়, এক সপ্তাহেরও বেশি সময় আগে জাহাজটিকে সর্বশেষ শ্রীলঙ্কা উপকূলে দেখা গিয়েছিল। বর্তমানে এটি ইন্দোনেশিয়ার লম্বক প্রণালি হয়ে রিয়াউ দ্বীপপুঞ্জের দিকে যাচ্ছে।</p><p>সংস্থাটি আরও জানায়, গত ১৩ এপ্রিল মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি বন্দর অবরোধের ঘোষণা দেওয়ার সময় ‘হিউজ’ ইরানের জলসীমায় ছিল। এর আগে গত ২০ মার্চ জাহাজটি মালাক্কা প্রণালি থেকে ইরানের উদ্দেশে রওনা হওয়ার পর থেকে সেটির ‘অটোমেটিক আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম’ বা এআইএস বন্ধ রাখা হয়েছিল। ফলে জাহাজটির অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">A National Iranian Tanker Company (NITC) VLCC supertanker carrying over 1.9 million barrels (valued at nearly $220 million dollars) of crude oil has managed to evade the U.S. Navy and reach the Far East.<br><br>Her name is HUGE (9357183), and we last sighted her off Sri Lanka over a… <a href="https://t.co/dBf7QzPVkB">pic.twitter.com/dBf7QzPVkB</a></p>&mdash; TankerTrackers.com, Inc. (@TankerTrackers) <a href="https://twitter.com/TankerTrackers/status/2050735101412012086?ref_src=twsrc%5Etfw">May 3, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>গত ২৯ এপ্রিল ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দাবি করে, তাদের অন্তত ৫২টি জাহাজ সফলভাবে মার্কিন অবরোধ ভেঙেছে। তবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বলেছে, অবরোধ শুরুর পর থেকে তারা ইরান-সংশ্লিষ্ট অন্তত ৪১টি নৌযানকে গতিপথ পরিবর্তনে বাধ্য করেছে।</p><p>মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, এই অবরোধ কার্যকরভাবে কাজ করছে এবং এর ফলে ইরানের কয়েক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র বলছে, ইরানের বন্দরসমূহ অবরোধের কারণে দেশটি তেল রপ্তানি করতে পারছে না এবং মজুত রাখার জায়গা শেষ হয়ে গেলে তারা তেল উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা ও ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/d9u62e8h/trump.JPG" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানের নতুন শান্তি প্রস্তাব পর্যালোচনার ঘোষণা ট্রাম্পের</h3><p>ইরানের পাঠানো সর্বশেষ শান্তি প্রস্তাবটি খুব শিগগির পর্যালোচনার ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে প্রস্তাবটি গৃহীত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন।</p><p>গতকাল শনিবার ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানান।</p><p>পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান আমাদের কাছে যে পরিকল্পনা (শান্তি প্রস্তাব) পাঠিয়েছে, তা আমি শিগগিরই পর্যালোচনা করব। তবে এটি গ্রহণযোগ্য হবে বলে আমি মনে করতে পারছি না। কারণ গত ৪৭ বছর ধরে তারা মানবতা ও বিশ্বের যা ক্ষতি করেছে, তার জন্য তারা এখনো পর্যাপ্ত মূল্য পরিশোধ করেনি।’</p><p>ট্রাম্প ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে অবস্থানকালে এই মন্তব্য করেন। ইরানের পক্ষ থেকে নতুন প্রস্তাবে কী কী বিষয় রয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে ট্রাম্পের এ বক্তব্যের পর দুদেশের চলমান উত্তেজনা নিরসনের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হয়ে পড়ল বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/gaxnu1oo/Trump.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরান ‘অসদাচরণ’ করলে আবার হামলার হুমকি ট্রাম্পের
</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান ‘অসদাচরণ’ করলে দেশটিতে আবারও সামরিক হামলা চালানো হতে পারে। গতকাল শনিবার ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন।</p><p>ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তির রূপরেখা সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করা হয়েছে। তিনি এখন চুক্তিটির চূড়ান্ত লিখিত খসড়ার অপেক্ষায় আছেন। </p><p>পুনরায় হামলা শুরুর সম্ভাবনা আছে কি না— এমন প্রশ্নে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর না দিলেও বলেন, ‘ইরান যা করেছে, তার জন্য তারা এখনো যথেষ্ট মূল্য দেয়নি। আমি এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাই না। তবে তারা  খারাপ কিছু করলে অবশ্যই হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।’</p><p>এদিকে ইরান তাদের ১৪ দফার নতুন প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা এবং মার্কিন অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলেছে। তবে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার বিষয়টি তারা পরবর্তী সময়ের জন্য তুলে রাখার প্রস্তাব দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র এই প্রস্তাব মেনে নেবে কি না, তা নিয়ে এখনো ধোঁয়াশা কাটেনি।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/k1z4xsri/abbasagachi.jpg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><h3>যুদ্ধ বন্ধে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরাগচির ফোনালাপ
</h3><p>ইরান ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান যুদ্ধ ও আন্তর্জাতিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি ও আইআরএনএ জানিয়েছে, ফোনালাপে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারোকে যুদ্ধ বন্ধে তেহরানের নেওয়া নানা কৌশলগত ও কূটনৈতিক উদ্যোগ সম্পর্কে অবহিত করেন। </p><p>এ সময় আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, অঞ্চলজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে ইউরোপীয় দেশগুলোর গঠনমূলক ভূমিকা পালন করা জরুরি। অন্যদিকে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জঁ-নোয়েল বারো চলমান কূটনৈতিক আলোচনা ও উদ্যোগের প্রতি প্যারিসের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই পক্ষের মধ্যে চলমান এই আলোচনা অচিরেই মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থায়ী শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনবে। </p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/k9h26rn9/২.avif" /><figcaption>ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির ছবিযুক্ত বিলবোর্ডের পাশ দিয়ে চলছে যানবাহন। তেহরানে, ২০ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনা দিল ইরান</h3><p>লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে চলমান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফার একটি শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে ইরান। দেশটির দাবি, শুধু সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, বরং সংকটের স্থায়ী সমাধানই তাদের মূল লক্ষ্য। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ৯ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব দিয়েছিল। তেহরান সেই প্রস্তাবের পাল্টা জবাবে এই ১৪ দফা পরিকল্পনা জমা দিল। পাকিস্তান সরকারের মধ্যস্থতায় এই কূটনৈতিক প্রক্রিয়াটি চলছে। </p><p>ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম ঘারিভাবাদি তেহরানে নিযুক্ত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের এক সম্মেলনে বলেন, ‘চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে পাকিস্তানের কাছে একটি পরিকল্পনা জমা দিয়েছে ইরান। এখন বল যুক্তরাষ্ট্রের কোর্টে। তারা কূটনীতির পথে হাঁটবে নাকি সংঘাত বজায় রাখবে— সেই সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে।’</p><p>তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাসের সময় চেয়ে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে ইরান তা নাকচ করে বলেছে, যাবতীয় সমস্যার সমাধান ৩০ দিনের মধ্যেই হতে হবে। </p><p>ইরানের দেওয়া এই নতুন শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ভবিষ্যতে কোনো প্রকার সামরিক আগ্রাসন না চালানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে। ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহার করতে হবে। ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ ও সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে। বিদেশে জব্দ করা ইরানের সব সম্পদ ফেরত দিতে হবে। লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/4qaerd23/2026-05-02T142652Z871654451RC211LAABZJMRTRMADP3IRAN-CRISIS-LEBANON-ISRAEL-1777758534.webp" /><figcaption>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পর ধোঁয়া উঠছে</figcaption></figure><h3>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ওপর হিজবুল্লাহর ব্যাপক হামলা 
</h3><p>লেবাননের ভূখণ্ডে অবস্থানরত ইসরায়েলি বাহিনীর অবস্থান লক্ষ্য করে একের পর এক হামলা চালাচ্ছে হিজবুল্লাহ। গতকাল শনিবার থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।</p><p>হিজবুল্লাহর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, রণাঙ্গনের বেশ কিছু ইসরায়েলি অবস্থানে তারা আত্মঘাতী ড্রোন হামলা ও কামান থেকে গোলাবর্ষণ করেছে। বিয়াদা শহরে ইসরায়েলি সেনা ও সামরিক যানের দুটি পৃথক অবস্থানে হামলা চালানো হয়েছে। </p><p>একই এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ট্যাংকবিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে ড্রোন দিয়ে আঘাত হানা হয়েছে।অন্যদিকে, আল-কান্তারা শহরের জুনেইজেল পাহাড়ে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে ভারী কামানের গোলাবর্ষণ করেছে হিজবুল্লাহ। </p><p>এছাড়া বিয়াদা শহরে ইসরায়েলি সামরিক সরঞ্জাম লক্ষ্য করেও হামলা চালানোর দাবি করেছে গোষ্ঠীটি।</p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/7p7ml42w/Hormuzprothom-Alo.jpeg" /></figure><h3>মধ্যপ্রাচ্যে পরিস্থিতি নিয়ে সর্বশেষ যা জানা গেল—

</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে ইসরায়েলি জাহাজ নিষিদ্ধের পরিকল্পনা করেছে ইরান। ইরানের পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদেজা হাজি-বাবায়ি জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর আওতায় এই সমুদ্রপথ দিয়ে ইসরায়েলি জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করা হতে পারে।</p><p><strong>৪৮টি জাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র</strong></p><p>ইরানের ওপর অবরোধ আরোপের পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটির বন্দর অভিমুখে যাওয়া ৪৮টি জাহাজকে পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ১৩ এপ্রিল থেকে এই অবরোধ চালিয়ে&nbsp;যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p><strong>কাতারের প্রধানমন্ত্রী–ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফোনালাপ</strong></p><p>কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান আল থানিকে ফোন করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে চলমান আলোচনার অগ্রগতি নিয়ে তাঁরা&nbsp;কথা বলেন।</p><p><strong>লেবাননে ২৪ ঘণ্টায় নিহত ৪১</strong></p><p>লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ২৪ ঘণ্টায় ৪১ জন নিহত হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত দুই মাস ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২,৬৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৮,১৮৩ জন।</p><p><strong>হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা</strong></p><p>দক্ষিণ লেবাননের আল-কান্তারায় ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলার দাবি করেছে সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।</p><p><strong>যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ কমিটির বৈঠক</strong></p><p>লেবানন সেনাবাহিনী জানিয়েছে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন যুদ্ধবিরতি পর্যবেক্ষণ কমিটির নতুন প্রধান জেনারেল জোসেফ ক্লিয়ারফিল্ড লেবানিজ সেনাবাহিনীর কমান্ডার জেনারেল রুডলফ হাইকাল-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।</p><p><strong>গাজায় আরও ৭ জন নিহত</strong></p><p>গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও সাতজন নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২,৬০৮ জনে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, গত অক্টোবরে ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণার পর থেকে এ পর্যন্ত ৮২৮ জন নিহত হয়েছেন।</p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-10/il9fjbra/Flag.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পতাকা</figcaption></figure><h3>ইরানি তেল কেনায় চীনা কোম্পানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, ক্ষুব্ধ বেইজিংয়ের পাল্টা নিষেধাজ্ঞা

</h3><p>ইরানের তেল কেনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র বেশ কিছু চীনা প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বেইজিং ওয়াশিংটনের এই কর্মকাণ্ডকে অন্য দেশের ওপর নিজেদের আইন প্রয়োগের অন্যায্য চেষ্টা হিসেবে অভিহিত করে এর নিন্দা জানিয়েছে।</p><p>একইসঙ্গে চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সেই মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো ঠেকানোর জন্য একটি নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ জারি করেছে।&nbsp;</p><p>ইরানি তেল কেনার অভিযোগে যে পাঁচটি চীনা কোম্পানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে, চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া দেশটির বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বরাতে ওই কোম্পানিগুলোর নাম প্রকাশ করেছে:</p><p>* হেংলি পেট্রোকেমিক্যাল (ডালিয়ান) রিফাইনারি,</p><p>* শানডং জিনচেং পেট্রোকেমিক্যাল গ্রুপ,</p><p>* হেবেই সিনহাই কেমিক্যাল গ্রুপ,</p><p>* শওগুয়াং লুচিং পেট্রোকেমিক্যাল এবং</p><p>* শানডং শেংক্সিং কেমিক্যাল।</p><p>তবে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ঠেকানোর জন্য চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নিষেধাজ্ঞামূলক আদেশ ঠিক কীভাবে কার্যকর করা হবে, তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।</p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/wceh10wb/Yemen-Coast-GuardAFPProthomalo.jpg" /><figcaption> ইয়েমেনের উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্টগার্ড) বাব এল মান্দেব প্রণালিতে টহল দিচ্ছে</figcaption></figure><h3>ইয়েমেন উপকূল থেকে তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করেছে সশস্ত্র ব্যক্তিরা  </h3><p>ইয়েমেন উপকূল থেকে একটি তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করে নিয়ে গেছে সশস্ত্র ব্যক্তিরা। ইয়েমেনের উপকূলরক্ষী বাহিনী (কোস্টগার্ড) এ কথা জানিয়েছে। কে বা কারা এই ছিনতাইয়ে জড়িত তা নিশ্চিত করতে পারেনি তারা।</p><p>কোস্টগার্ড জানায়, একদল অজ্ঞাত সশস্ত্র ব্যক্তি শাবওয়া প্রদেশ সংলগ্ন উপকূলে 'এম/টি ইউরেকা' নামের তেলবাহী ট্যাংকার ছিনতাই করে নিয়ে গেছে। আক্রমণকারীরা ট্যাংকারে উঠে সেটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়, পরে সেটি এডেন উপসাগর হয়ে সোমালিয়া জলসীমার দিকে নিয়ে যেতে শুরু করে।</p><p>এর আগে, যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) জানিয়েছিল, মুকাল্লা বন্দর থেকে ৮৪ নটিক্যাল মাইল (১৫৫ কিলোমিটার) দক্ষিণ-পশ্চিমে একটি ‘বাল্ক ক্যারিয়ার’ জাহাজ থেকে তাদের কাছে একটি বার্তা আসে। ওই বার্তায় জানানো হয়, সন্দেহভাজন একটি সবুজ রঙের ছোট নৌকা এবং একটি মাছ ধরার ট্রলার ওই জাহাজের দিকে ধেয়ে আসছে।</p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/07/21/0472ed1d951832e8ffccc95799baee29-5b53539b3a9b2.jpg" /><figcaption>চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><h3>শি–ট্রাম্পের বৈঠকে যুদ্ধবিরতি ও হরমুজ অন্যতম প্রসঙ্গ হবে: চীন

</h3><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠকের আলোচনায় হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকার প্রসঙ্গ প্রাধান্য পাবে।</p><p>জাতিসংঘে নিযুক্ত চীনের দূত ফু কং এ কথা জানিয়েছেন।</p><p>চীনের দূত ফু কং বলেছেন, যুদ্ধবিরতি বজায় রাখা এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খোলার প্রসঙ্গ আলোচনায় ‘জরুরি’ অগ্রাধিকার হবে। তিনি আরও বলেছেন, যদি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আসন্ন বেইজিং সফরের সময় প্রণালিটি বন্ধ থাকে, তবে এই বিষয়টি আলোচনার উপরের দিকে থাকবে।</p><p>ট্রাম্প ১৪ মে দুই দিনের সফরে বেইজিংয়ে পৌঁছার কথা। তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন।</p><p> তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-18/4apmx2xh/Trump-smiles.JPG" /><figcaption>হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৭ মার্চ ২০২৬ </figcaption></figure><h3>ইরানি বন্দর অবরোধে মার্কিন নৌবাহিনী ‘জলদস্যুদের মতো’ কাজ করছে: ট্রাম্প</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন নৌবাহিনী ‘জলদস্যুদের মতো’ কাজ করেছেন। ইরানের বন্দরগুলোতে পাল্টা অবরোধ চলাকালে একটি জাহাজ জব্দ করতে চালানো সামরিক অভিযানের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।</p><p>গতকাল শুক্রবার ফ্লোরিডায় এক সমাবেশে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা... এটার (জাহাজ) ওপর নামলাম এবং জাহাজটি নিজেদের দখলে নিলাম। আমরা জাহাজটির নিয়ন্ত্রণ নিয়েছি, তেল জব্দ করেছি। এটি অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা।’</p><p>উপস্থিত জনতার হর্ষধ্বনির মধ্যে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমরা জলদস্যুদের মতো। আমরা অনেকটা জলদস্যুদের মতোই কাজ করছি, তবে আমরা হেলাফেলা করার মতো কিছু করছি না।’</p><p>মার্কিন নৌবাহিনীর তৎপরতাকে ট্রাম্প যখন জলদস্যুবৃত্তির সঙ্গে তুলনা করছেন, ঠিক তখনই আইন বিশেষজ্ঞরা গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের অবরোধ এবং সেখান দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজগুলোর ওপর ফি ধার্য করার পরিকল্পনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা শুরু হওয়ার পর তেহরান কার্যত এই সমুদ্রপথটি বন্ধ করে দেয়। তেল ও গ্যাস পরিবহনের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রুট।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/vr7lqtl8/trump-logo.jpg" /><figcaption>সিএনএন, দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের লোগো ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>সিএনএন ‘নির্বোধ’, নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক’—চটে গিয়ে বললেন ট্রাম্প</h3><p>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে প্রভাবশালী দুই মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের ওপর তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><p>ট্রাম্প সিএনএনকে ‘নির্বোধ’ ও নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতামূলক’ বলে আখ্যায়িত করেন। বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এসব কথা বলেন। কর্মীদের অবসরকালীন সঞ্চয় সুবিধা বৃদ্ধির এক নির্বাহী আদেশে সই করতে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।</p><p>অনুষ্ঠানে নিজের যুদ্ধংদেহী মনোভাব বজায় রেখে ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইরানকে সামরিকভাবে ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রতিদিন পড়ি, তারা (ইরান) সামরিকভাবে কত ভালো করছে। আসলে তাদের আর কিছুই অবশিষ্ট নেই, তারা শেষ। অথচ আমি নিউইয়র্ক টাইমসে এসব পড়ি আর নির্বোধ সিএনএনে দেখি। আমি সিএনএন দেখি কারণ, শত্রুর গতিবিধি বুঝতে কিছুটা দেখতে হয়।’</p><p>ট্রাম্পের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যম দুটি এমনভাবে প্রতিবেদন প্রকাশ করছে যাতে মনে হয় ইরান এ যুদ্ধে ‘জিতছে’। তিনি বলেন, ‘নিউইয়র্ক টাইমস যা করছে তা আমার মতে রাষ্ট্রদ্রোহিতা। আপনারা কলামিস্টদের লেখা পড়লে দেখবেন, এসব ওপরমহল থেকেই শুরু হয়। এটা খুবই ভয়ংকর বিষয়।’</p><p>ইরানের সামরিক অবস্থা তুলে ধরে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি এসবে পরোয়া করি না, কারণ সবাই সত্য জানে। আমরা দেশটিকে (ইরান) ধ্বংস করে দিচ্ছি।’</p><p>এর আগে নিউইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয় বোর্ড এক নিবন্ধে উল্লেখ করেছিল যে ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী তাদের ‘শক্তি’ হারাচ্ছে। সেখানে যুক্তি দেওয়া হয়, ছোটখাটো কিছু সাফল্য বড় কোনো জয়ে রূপ নিতে পারছে না, বরং এটি ওয়াশিংটনের অবস্থানকে দুর্বল করে দিতে পারে।</p><p>তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/rvhyftl8/us-army.jpg" /><figcaption>আটলান্টিক মহাসাগরে মহড়া চলাকালে একটি ‘এসএম-২’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করছে মার্কিন নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ </figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো সময় যুদ্ধ শুরু, ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ তেহরান: ইরান</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ যেকোনো সময় আবারও শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ইরানের সামরিক বাহিনী।</p><p>উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো ‘দুঃসাহসিকতা বা বোকামির’ কড়া জবাব দিতে তেহরান ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ রয়েছে বলেও ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে।</p><p>ইরানের সামরিক সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ আবার শুরু হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।’</p><p>কারণ হিসেবে ইরানের সামরিক বাহিনী বলছে, যুক্তরাষ্ট্র কোনো চুক্তি বা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল—এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে না।</p><p>তেহরানের মূল্যায়ন হলো, যুদ্ধ শুরুর আগের আলোচনা থেকে শুরু করে যুদ্ধবিরতি পর্যন্ত সবক্ষেত্রেই ইরান যথেষ্ট নমনীয়তা দেখিয়েছে। কিন্তু ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তেমন কোনো ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><p>ইরানের দাবি, তারা যখনই তাদের দাবি কিছুটা শিথিল করেছে, যুক্তরাষ্ট্র ততবারই আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে।</p><p>কিছু অসমর্থিত সূত্রে জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান করা শান্তি প্রস্তাবটিতে ইরান তাদের কিছু দাবি বাদ দিয়েছিল। এর মধ্যে অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিও ছিল। এখন ইরান বলছে, তার পারমাণবিক কর্মসূচির মতো বড় বিষয় নিয়ে আলোচনার আগে হরমুজ প্রণালির বর্তমান অবস্থা ও ‘নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার’ বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে।</p><p>তবে বর্তমানে দুপক্ষই নিজেদের অবস্থানে অনড়। ইরান বলছে, আলোচনার নামে যুক্তরাষ্ট্র মূলত তাদের ‘আত্মসমর্পণ’ করতে বলছে, যা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। সামগ্রিকভাবে তেহরানের ধারণা, যুদ্ধের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। আর সেই অনুযায়ীই তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/dh6u23ew/Strait-Of-Hormuz.avif" /><figcaption>মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণে আরও কড়াকড়ি, বিশেষ বলয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা ইরানের</h3><p>নিজেদের দক্ষিণ উপকূলীয় জলসীমায় নৌচলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘নতুন নিয়ম’ ঘোষণা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি ও আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের সমুদ্রপথে নিজের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করতেই মূলত এ পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটি।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়, আইআরজিসি নৌ শাখার কমান্ড থেকে একটি বিবৃতি জারি করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, আরব উপসাগর থেকে শুরু করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত ইরানের প্রায় ২ হাজার কিলোমিটার উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ নিয়ন্ত্রণ বলয় গড়ে তোলা হবে।</p><p>বিবৃতিতে আইআরজিসি দাবি করেছে, এ পদক্ষেপের উদ্দেশ্য হলো, এ জলসীমাকে ‘ইরানের মানুষের জন্য গর্ব ও শক্তির উৎস’ এবং ‘এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধির কেন্দ্র’ হিসেবে গড়ে তোলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/obc673t6/US_CENTCOM.avif" /><figcaption>ওমানের মুসান্দাম প্রদেশের উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত একটি জাহাজ। ১২ এপ্রিল ২০২৬ তোলা</figcaption></figure><p>প্রেস টিভি জানিয়েছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির দেওয়া এক নির্দেশনার পরদিন এই ঘোষণা এল। ওই নির্দেশনায় তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যারা আরব উপসাগরকে লক্ষ্য করে নীলনকশা সাজাচ্ছে, সেসব বিদেশিদের জন্য এই অঞ্চলে কোনো জায়গা নেই, একমাত্র সমুদ্রের তলদেশ ছাড়া তাদের আর কোথাও ঠাঁই হবে না।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/hl68isdu/france-foreign-minister.jpg" /><figcaption>দামেস্কে সিরিয়ার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো। ৩ জানুয়ারি ২০২৫  </figcaption></figure><h3>ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা নাকচ করে দিল ফ্রান্স</h3><p>ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা যুদ্ধে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আবারও স্পষ্ট করেছে ফ্রান্স। গতকাল শুক্রবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো এ ঘোষণা দেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>ফরাসি সংবাদমাধ্যম বিএফএম টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জ্যঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘এই সংকট শুরুর পর থেকেই ফ্রান্স যুদ্ধে জড়ায়নি। আমরা আগেই বলেছি, যুদ্ধের লক্ষ্য পরিষ্কার না হওয়ায় এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এই অভিযান চলায় ফ্রান্সের পক্ষে এতে অংশ নেওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়।’</p><p>আলোচনার মাধ্যমে শত্রুতা নিরসনের ওপর জোর দিয়ে জ্যঁ-নোয়েল বারো বলেন, ‘শুরু থেকেই আমরা এ যুদ্ধের বিপক্ষে ছিলাম। সবাই দেখছে, যুদ্ধের উত্তেজনা বৃদ্ধির ঝুঁকি কতটা বেশি। বিশ্ব অর্থনীতি ও আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।’</p><p>ইরান উপকূলে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবার খুলে দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, ওই এলাকায় নৌচলাচল স্বাভাবিক করতে একটি আন্তর্জাতিক মিশন গঠনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।বারো আরও বলেন, ‘কোনো প্রণালিতেই কোনো ধরনের বাধা, ব্ল্যাকমেইল বা টোল আদায় সহ্য করা হবে না। আন্তর্জাতিক জলসীমায় কেউ কোনোভাবেই প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারবে না।’</p><p>উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল হামলা শুরু করে। জবাবে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন মিত্রদের ওপর পাল্টা হামলা চালায় তেহরান। বিশ্ববাজারের প্রায় ২০ শতাংশ জ্বালানি তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালিও বন্ধ হয়ে যায়।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/34dqcync/zermany.webp" /><figcaption>জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের (ডানে) সঙ্গে ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবাইল</figcaption></figure><h3>ট্রাম্পের কাছ থেকে আমাদের কোনো উপদেশের প্রয়োজন নেই: জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর</h3><p>ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধকৌশল নিয়ে কড়া সমালোচনা করেছেন জার্মানির ভাইস চ্যান্সেলর লার্স ক্লিংবাইল।</p><p>আটলান্টিকের দুই পাড়ের মিত্রদের (ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র) মধ্যে কয়েক দিন ধরে চলা বিবাদের জেরে গতকাল শুক্রবার ক্লিংবাইল এ মন্তব্য করেন। আনাদোলু এজেন্সির প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>জার্মানির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বের্গকামেনে শ্রমিক দিবসের এক অনুষ্ঠানে লার্স ক্লিংবাইল বলেন, ‘আমার মনে হয়, তিনি (ট্রাম্প) ভেবেছিলেন, এই যুদ্ধ দুই-তিন দিনের ব্যাপার, তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে। এখন ইরানে এই যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার দায়িত্ব তাঁরই।’</p><p>এ সময় ক্লিংবাইল চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের পক্ষ নিয়ে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক সমালোচনার জবাব দেন। ক্লিংবাইল বলেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছ থেকে আমাদের কোনো উপদেশের প্রয়োজন নেই। নিজের তৈরি করা এই জগাখিচুড়ি পরিস্থিতির দিকে তাঁর তাকানো উচিত। তাঁর উচিত এখন ইরানে কার্যকর শান্তি আলোচনা নিশ্চিত করা।’</p><p>ভাইস চ্যান্সেলর আরও বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে ডোনাল্ড ট্রাম্প জার্মান সরকার ও চ্যান্সেলরকে নিয়ে যেসব মন্তব্য করছেন, তার প্রেক্ষাপটেই আমি এসব কথা বলছি।’</p><p>উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার ট্রাম্প দাবি করেন যে, চ্যান্সেলর মের্ৎস ইরানের পরমাণু অস্ত্র থাকাকে সমর্থন করেন। এর ফলে দুই মিত্র দেশের মধ্যে সম্পর্কের আরও অবনতি ঘটে।</p><p>নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ ট্রাম্প লেখেন, মের্ৎস কী বলছেন তিনি নিজেও জানেন না। ট্রাম্পের দাবি, পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী তেহরান পুরো বিশ্বকে ‘জিম্মি’ করে রাখবে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/k0toa4tu/Araghchi-meets-Pakistan.avif" /><figcaption>পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে, ২৫ এপ্রিল ২০২৬ </figcaption></figure><h3>ইরানের জন্য স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিল পাকিস্তান</h3><p>ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ এবং সমুদ্রবন্দরে অবরোধের মুখে থাকা ইরানের জন্য নিজেদের স্থল বাণিজ্য পথ খুলে দিয়েছে পাকিস্তান। এর ফলে এখন থেকে পাকিস্তানের ওপর দিয়ে ইরানের পণ্য পরিবহন বা ট্রানজিট সুবিধা পাওয়া যাবে।</p><p>এ পদক্ষেপকে যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের অর্থনীতির জন্য এক বড় ধরনের স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><p>তবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে চাপে রাখার যে চেষ্টা করছে, পাকিস্তানের এই পদক্ষেপ কি সেই চেষ্টাকে দুর্বল করে দেবে—উঠেছে সেই প্রশ্ন। এ ছাড়া যুদ্ধ বন্ধে ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনাতেই বা এর কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েও শুরু হয়েছে বিশ্লেষণ।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে আঞ্চলিক অর্থনীতি স্থবির হয়ে পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের এ সিদ্ধান্ত দুই দেশের বাণিজ্য সচল রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।</p><p>তবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র হিসেবে পরিচিত পাকিস্তান তেহরানকে এই সুবিধা দেওয়ায় ওয়াশিংটনের সঙ্গে ইসলামাবাদের সম্পর্কে নতুন কোনো টানাপোড়েন তৈরি হয় কি না, সেটিই এখন দেখার বিষয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-29/bk453pjw/prothomalo-bangla2022-1220ce22ed-ca1e-4566-9a99-d1b9eee452703Dprintedoilbarrels.avif" /><figcaption>জ্বালানি তেল</figcaption></figure><h3>‘ট্রাম্প একজন নির্বোধ’, জ্বালানি তেলের দামে ফুঁসছে ক্যালিফোর্নিয়াবাসী</h3><p>লস অ্যাঞ্জেলেসের একটি তেল পাম্পে নিজের পিকআপ ট্রাকে তেল ভরছিলেন ২৮ বছর বয়সী রাইডার থমাস। চোখেমুখে তাঁর চাপা উত্তেজনা আর ক্ষোভ। পুরো ট্যাংক পূর্ণ করতে তাঁর খরচ হয়েছে ১৩০ ডলার, যা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের আগের তুলনায় ৩০ ডলার বেশি।</p><p>ক্ষুব্ধ থমাস এএফপিকে বলেন, ‘তেলের দামে আমি যেমন ক্ষিপ্ত, কেন এ দাম বাড়ছে তা নিয়ে তার চেয়েও বেশি রাগান্বিত। ট্রাম্প একজন নির্বোধ, এছাড়া আর কিছুই নয়।’</p><p>ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে দেশ দুটির হামলা শুরুর পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানির সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে হু হু করে বাড়ছে অপরিশোধিত তেলের দাম।</p><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুরু করা এ যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্রের সাধারণ মানুষের কাছে ক্রমেই অজনপ্রিয় হয়ে উঠছে। জনমত জরিপ বলছে, অধিকাংশ মার্কিনই এ যুদ্ধকে সমর্থন করছেন না।</p><p>থমাসের মতে, ‘এ যুদ্ধের কোনো দরকারই ছিল না। এটি ঠিক ইরাক আক্রমণের মতো, যেখানে শেষ পর্যন্ত কোনো গণবিধ্বংসী অস্ত্র পাওয়া যায়নি।’</p><p>ট্রাম্প দাবি করে আসছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখতে এ হামলা জরুরি ছিল এবং এ যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হবে না। তবে মার্কিন চাপের মুখেও ইরান বিশ্ববাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ করে দিয়েছে।</p><p>বিশ্বের মোট তেল–গ্যাসের এক–পঞ্চমাংশ এ পথ দিয়েই সরবরাহ করা হয়। সরবরাহ কমায় ক্যালিফোর্নিয়ায় প্রতি গ্যালন তেলের দাম ৬ ডলার (লিটারপ্রতি ১ দশমিক ৫৯ ডলার) ছাড়িয়েছে, যা যুদ্ধের আগে ছিল সাড়ে ৪ ডলার।</p><p>জ্বালানির এ মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবে খাদ্য ও পোশাকসহ নিত্যপণ্যের দামও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ মানুষ। তেলের পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ডেভিড চাভেজ নামের এক ক্যামেরাপারসন অবশ্য পরিস্থিতির জন্য সরাসরি কাউকে দায়ী করতে নারাজ। সাবেক ডেমোক্র্যাট সমর্থক চাভেজ অভিবাসন ও অর্থনীতি ইস্যুতে জো বাইডেনের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে গত নির্বাচনে ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছেন।</p><p>চাভেজ মনে করেন, তেল কোম্পানিগুলো কৃত্রিমভাবে দাম বাড়াচ্ছে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনিও ট্রাম্পের ওপর কিছুটা হতাশ।</p><p>জ্বালানি তেলের এ লাগামহীন দামের প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জীবনযাত্রায়। তেলের দাম দিতে গিয়ে অনেককে এখন টান দিতে হচ্ছে খাবারের বাজেটে। ৭৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নারী ফ্লো জানান, চড়া দামের কারণে এখন তাঁকে গাড়ি চালানো কমাতে হয়েছে। পেনশনের সামান্য টাকা দিয়ে ঘরভাড়া দেওয়ার পর হাতখরচ চালানোও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে।</p><p>দীর্ঘশ্বাস ফেলে ফ্লো বলেন, ‘জীবন আগে থেকেই কঠিন ছিল, এখন তা আরও দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।’</p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/05/11/fce7f2b72c51ed49f1a9eab3001e461f-5cd66052cd0fb.jpg" /><figcaption>কাতারের কাছে ৪০০ কোটি ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রি করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</figcaption></figure><h3>কাতার ও ইসরায়েলকে প্যাট্রিয়টসহ ৫০০ কোটি ডলারের উন্নত অস্ত্রশস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে উপসাগরীয় মিত্র কাতারের কাছে ৪ বিলিয়ন (৪০০ কোটি) মার্কিন ডলারের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>একই সঙ্গে ইসরায়েলের কাছে প্রায় ১ বিলিয়ন (১০০ কোটি) ডলারের নির্ভুল লক্ষ্যভেদী অস্ত্রব্যবস্থা বা প্রিসিশন ওয়েপন সিস্টেম বিক্রিরও অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।</p><p>গতকাল শুক্রবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর কংগ্রেসকে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়।</p><p>পররাষ্ট্র দপ্তরের মতে, এ দুই দেশের কাছে অস্ত্র বিক্রি যুক্তরাষ্ট্রের ‘পররাষ্ট্র নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার’ লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে কাতার ও ইসরায়েলকে এই উন্নত সমরাস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। মার্কিন আইন অনুযায়ী, এ ধরনের বড় অঙ্কের অস্ত্র বিক্রির ক্ষেত্রে কংগ্রেসের অনুমোদন প্রয়োজন হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><h3>নৌ অবরোধে ৪৫টি জাহাজ ঘুরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী: সেন্টকম</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/obc673t6/US_CENTCOM.avif" /><figcaption>ওমানের মুসান্দাম প্রদেশের উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত একটি জাহাজ। ১২ এপ্রিল ২০২৬ তোলা। </figcaption></figure><p>ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধে ৪৫টি জাহাজ ঘুরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। তাদের দাবি, এসব জাহাজ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল।&nbsp;</p><p>ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধের দায়িত্বে থাকা সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, মার্কিন বাহিনী আন্তর্জাতিক জলসীমায় টহল অব্যাহত রেখেছে। ইরানের বিরুদ্ধে চলা নৌ অবরোধ কার্যকর করছে। ৪৫টি বাণিজ্যিক জাহাজকে ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে কিংবা বন্দরে ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাতে&nbsp;অবরোধের নিয়ম নিশ্চিত থাকে।&nbsp;</p><p>যুদ্ধের মধ্যে গত ১৩ এপ্রিল ইরানের বন্দরগুলোর ওপর অবরোধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।&nbsp;</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>জার্মানি থেকে ৫ হাজার সেনা প্রত্যাহার করছে যুক্তরাষ্ট্র</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/8yh9pfey/2.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ</figcaption></figure><p>জার্মানি থেকে ৫ হাজার মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। শুক্রবার পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। </p><p>ইরান যুদ্ধকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইউরোপের দেশগুলোর ক্রমবর্ধমান দূরত্বের মধ্যেই ন্যাটো মিত্র জার্মানির বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নিল ওয়াশিংটন। কয়েক দিন আগে জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে তিক্ত বাক্যবিনিময়ের পর দেশটি থেকে সেনা সরিয়ে আনার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। </p><p>দুই মাস ধরে চলা ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনায় ইরান সরকার যুক্তরাষ্ট্রকে ‘অপমান’ করছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন জার্মান চ্যান্সেলর। মূলত এর জেরেই ট্রাম্প এই পদক্ষেপ নিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আগামী ছয় থেকে বারো মাসের মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় শিশুসহ নিহত ১২</h3><p>দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিহ ও সিডন এলাকায় ইসরায়েলের বিমান হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>নাবাতিহ এলাকার হাবুশ শহরে চালানো ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে আটজনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে এক শিশু ও দুই নারী রয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ হামলায় আরও ২১ জন আহত হয়েছেন। </p><p>এদিকে সিডনের জরাইরিয়াহ শহরে পৃথক ইসরায়েলি হামলায় আরও ৪ জন নিহত হয়েছেন। এনএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে দুই নারী রয়েছেন। সেখানে আহত হয়েছেন আরও ৪ জন।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/m2l0pfam/Bunker-Buster.jpeg" /><figcaption>অবিস্ফোরিত অস্ত্র–গোলাবারুদের এই ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি</figcaption></figure><h3>ইরানে অবিস্ফোরিত বোমা সরানোর সময় আইআরজিসির ১৪ সদস্য নিহত</h3><p>ইরানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জানজান প্রদেশে অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ইসলামি রেভ্যলুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ সদস্য নিহত হয়েছেন। সংশ্লিষ্টদের বরাত দিয়ে ইরানের বার্তা সংস্থা ফারস এ কথা জানিয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঘটনায় আরও দুই সদস্য আহত হয়েছেন। নিহতরা আইআরজিসি’র একটি বিশেষ ইউনিটের সদস্য ছিলেন, যাঁদের ওই এলাকা থেকে অবিস্ফোরিত বোমা ও মাইন অপসারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।</p><p>সংবাদ সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ওই এলাকায় ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত বোমার কারণে প্রায় ১ হাজার ২০০ হেক্টর কৃষিজমি ঝুঁকির মুখে ছিল। মূলত সেই কৃষিজমিগুলো নিরাপদ করতেই এই বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছিল।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/kmxllrz1/1-1-2026-04-07T150826Z996315448RC2DKKAHKWCBRTRMADP3IRAN-CRISIS.JPG" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান হামলা থেকে রেহাই পাচ্ছে না উপাসনালয়ও। হামলায় বিধ্বস্ত ইহুদিদের একটি সিনাগগের ধ্বংসাবশেষ সরানোর কাজ করছেন জরুরি বিভাগের কর্মীরা। তেহরান, ইরান; ৭ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধকে ‘ভুল’ মনে করেন ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক: জরিপ</h3><p>ওয়াশিংটন পোস্ট/এবিসি নিউজ/ইপসোস প্রকাশিত সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ অনুযায়ী, ৬১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক মনে করেন ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক শক্তি ব্যবহার করা একটি ‘ভুল’ সিদ্ধান্ত ছিল।</p><p>ওয়াশিংটন পোস্ট উল্লেখ করেছে, এই জনমত ২০০৬ সালের মে মাসে ইরাক যুদ্ধ নিয়ে করা এক জরিপের প্রায় সমান। ওই সময় ৫৯ শতাংশ মার্কিনি ইরাক যুদ্ধকে ভুল বলেছিলেন।</p><p>এ ছাড়া ১৯৭১ সালের এক গ্যালপ জরিপে দেখা গিয়েছিল, প্রতি ১০ জন মার্কিনির মধ্যে ছয়জনই ভিয়েতনাম যুদ্ধকে একই রকম ভুল হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন।</p><p>বর্তমান জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাটদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৯ জন ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপকে ভুল মনে করছেন। এ ছাড়া ৭১ শতাংশ স্বতন্ত্র ভোটার এবং ১৯ শতাংশ রিপাবলিকান সমর্থকও একই মত পোষণ করেছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-06/j7zhuq9x/Trump_AFP_Prothomalo.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস, ৬ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবেও অসন্তোষ জানালেন ট্রাম্প, চুক্তি নিয়ে সংশয়</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধে ইরানের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবেও তিনি সন্তুষ্ট নন। একই সঙ্গে ইরান আদৌ কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তিনি।</p><p>হোয়াইট হাউসের সাউথ লনে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (ইরান) একটি চুক্তি করতে চায়। কিন্তু আমি এতে সন্তুষ্ট নই।’</p><p>ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবের ঠিক কোন বিষয়টি তিনি গ্রহণ করতে পারছেন না, সে সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি ট্রাম্প। তবে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, তেহরানের কর্মকর্তারা হয়তো কখনোই আলোচনার মাধ্যমে একটি স্থায়ী মীমাংসায় পৌঁছাতে পারবেন না।</p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, ‘তারা (ইরান) কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে, তবে তারা শেষ পর্যন্ত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে কি না, তা নিয়ে আমি নিশ্চিত নই।” এ সময় তিনি ইরানের নেতাদের মধ্যে ‘প্রচণ্ড মতভেদ’ রয়েছে বলেও দাবি করেন।</p><p>ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তাদের (ইরানের) নেতৃত্ব খুবই অসংগঠিত। সেখানে দুই থেকে তিনটি, এমনকি চারটি উপদল থাকতে পারে। একটি বিক্ষিপ্ত নেতৃত্ব। তারা সবাই চুক্তি করতে চায় ঠিকই, কিন্তু সবাই তালগোল পাকিয়ে রেখেছে।’</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-03/26b8fc13-9e09-4c9e-bf5c-e8e7e4d77265/oil.JPG" /><figcaption>জ্বালানি তেলের সংকট</figcaption></figure><h3>জ্বালানির দামে পিষ্ট হচ্ছেন মার্কিনিরা: কংগ্রেস সদস্য</h3><p>ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের (পেট্রোল) অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি তুলে ধরেছেন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য টেড লিউ।</p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া সমালোচক হিসেবে পরিচিত এই রাজনীতিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘ট্রাম্প এবং তাঁর ধনকুবের বন্ধুরা যখন আরও ধনী হচ্ছে, তখন সাধারণ মার্কিনিরা (জ্বালানির দামে) পিষ্ট হচ্ছে।’</p><p>আমেরিকান অটোমোবাইল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি গ্যালন (৩ দশমিক ৮ লিটার) পেট্রোলের গড় দাম বেড়ে ৪ দশমিক ৩৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে এই দাম ছিল ৩ ডলারের কম।</p><p>অবশ্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম ‘দ্রুত কমে আসবে’।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/k1z4xsri/abbasagachi.jpg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><h3>ছয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বললেন আরাগচি</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসন বন্ধে তেহরানের সর্বশেষ অবস্থান এবং উদ্যোগগুলো নিয়ে আঞ্চলিক ছয়টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।</p><p>আজ শুক্রবার তুরস্ক, মিসর, কাতার, সৌদি আরব, ইরাক এবং আজারবাইজানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আরাগচি পৃথক টেলিফোন আলাপ করেন।</p><p>এ সময় আরাগচি যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নবাদী শাসনের (ইসরায়েল) চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসী যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে তেহরানের সর্বশেষ অবস্থান ও কূটনৈতিক উদ্যোগগুলো সম্পর্কে অবহিত করেন।</p><p>এর আগে ইরানের একটি কূটনৈতিক সূত্র আল–জাজিরাকে বলেছে,&nbsp;ইরান সরকার গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-11/rn3lqufi/pakistan-add-1.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর তাঁদের স্বাগত জানান পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনির ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ ইসহাক দার</figcaption></figure><h3>পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের কাছে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান</h3><p>ইরান সরকার গতকাল বৃহস্পতিবার পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে। আল–জাজিরাকে ইরানের একটি কূটনৈতিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং ইরান একে অপরকে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে যাচ্ছে। আরেক দফা যুদ্ধের আশঙ্কায় পুরো অঞ্চলজুড়ে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।</p><p>এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে&nbsp;জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি ‘প্রতি ঘণ্টায় দ্রুত আরও খারাপ’ হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র:&nbsp;আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-08/8lb2iskl/prothomalo_bangla_2025_02_26_pv1y717u_Antonio_Guterres.avif" /><figcaption>জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধ ঘিরে পরিস্থিতি প্রতি ঘণ্টায় আরও খারাপ হচ্ছে: জাতিসংঘ মহাসচিব</h3><p>জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতার ফলে সৃষ্ট পরিস্থিতি ‘প্রতি ঘণ্টায় দ্রুত আরও খারাপ’ হচ্ছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গুতেরেস লিখেছেন, ‘এখনই সময় আলোচনার মাধ্যমে এমন সমাধান খোঁজার, যা আমাদের খাদের কিনারা থেকে ফিরিয়ে আনবে এবং শান্তির পথ প্রশস্ত করবে।’</p><p>এমন সময় জাতিসংঘ মহাসচিব এসব কথা বললেন, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আরেক দফা ইরানে হামলার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। আক্রান্ত হলে পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকি ইচ্ছে ইরানও।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/10/26/b6dd32073913270168eee9affd07df4f-5db45e935de66.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন</figcaption></figure><h3>ইরানের নৌশক্তি ধ্বংস করতে সক্ষম হয়নি মার্কিন বাহিনী, স্বীকার করল পেন্টাগন</h3><p>ইরানের নৌবাহিনীর সব যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করতে মার্কিন সামরিক বাহিনী সক্ষম হয়নি বলে স্বীকার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন জানান, ইরানের নৌশক্তিকে পুরোপুরি পরাজিত করার দাবি করা হলেও এখনো হরমুজ প্রণালিতে তাদের কিছু ‘ফাস্ট অ্যাটাক বোট’ বা দ্রুতগামী যুদ্ধযান সক্রিয় রয়েছে।</p><p>মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ‘অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস কমিটি’র এক শুনানিতে ড্যান কেইন আরও বলেন, ‘ইরানের কাছে এখনো ছোট ও অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন কিছু যুদ্ধযান রয়ে গেছে।’</p><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ নিয়ে বেশ কিছু আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, ইরানের সামরিক সক্ষমতা মূলত শেষ হয়ে গেছে এবং তাদের নৌবাহিনীর যা কিছু অবশিষ্ট আছে তা–ও ধ্বংস করার অঙ্গীকার করেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-09/f7tojouc/General-Dan-​Caine.avif" /><figcaption>মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন </figcaption></figure><p>ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইরানের নৌবাহিনীর যা অবশিষ্ট আছে তা হলো শুধু কিছু ছোট নৌকা, আমরা সেগুলোও ধ্বংস করে দেব।’ তিনি আরও ধারণা করেন, যুদ্ধবিরতির সুযোগে ইরান হয়তো আবারও অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করেছে। এ ছাড়া ইরানের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে ট্রাম্প দাবি করেন, ‘দেশটির প্রকৃত নেতা কে, তা এখন কেউ নিশ্চিতভাবে জানেন না।’</p><p>উল্লেখ্য, এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, মার্কিন বাহিনী ইরানের ১৫৯টি জাহাজ ডুবিয়ে দিয়েছে, যা ছিল দেশটির নৌবাহিনীর সার্বিক সক্ষমতা। কিন্তু পেন্টাগনের নতুন তথ্য ট্রাম্পের সেই দাবিকে নাকচ করে দিল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-06/rqi4fu6v/missile.jpg" /><figcaption>ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র</figcaption></figure><h3>পাল্টা হামলার প্রস্তুতি: ভূগর্ভে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র–গোলাবারুদ উদ্ধারে তৎপরতা ইরানের</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার পর মাটির নিচে বা ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং গোলাবারুদ উদ্ধারে জোর তৎপরতা শুরু করেছে ইরান।</p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>একজন মার্কিন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট আরও দুটি সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমান যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে তেহরান তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ‘দ্রুত পুনর্গঠন’ করার চেষ্টা করছে। মূলত হামলার কারণে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া বা আগে থেকে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধারের দিকেই এখন বিশেষ নজর দিচ্ছে দেশটি।</p><p>মার্কিন কর্মকর্তাদের ধারণা, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আবার সামরিক অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নেন, তবে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পাল্টা হামলা চালানোর প্রস্তুতি হিসেবেই ইরান এ পদক্ষেপ নিচ্ছে।</p><p>এনবিসি নিউজের মতে, এসব কৌশলগত সামরিক সম্পদ উদ্ধারের মাধ্যমে ইরান মূলত তাদের আক্রমণাত্মক সক্ষমতা ফিরে পেতে চাইছে, যাতে আঞ্চলিক নিরাপত্তার যেকোনো পরিবর্তন মোকাবিলা করা যায়।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-01/z95a2c53/white-phosphorus.jpg" /><figcaption>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর ছোড়া গোলার বিস্ফোরণ, যা দেখে সাদা ফসফরাস বলে মনে হচ্ছে। ৩০ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>দক্ষিণ লেবাননে ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার করার অভিযোগ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে</h3><p>দক্ষিণ লেবাননের নাবাতিয়েহ এলাকায় ইসরায়েলি বাহিনী ‘সাদা ফসফরাস’ ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন ফুটেজ ও সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>সাদা ফসফরাস হলো এমন একটি রাসায়নিক পদার্থ যা কামানের গোলা, রকেট বা বোমার মাধ্যমে ছড়ানো হয়। এটি অক্সিজেনের সংস্পর্শে আসামাত্র জ্বলে ওঠে এবং খুব দ্রুত আগুন ছড়িয়ে দিতে পারে।</p><p>শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো ইসরায়েলের এই রাসায়নিকের ব্যবহারকে ‘বেআইনি’ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।</p><p>সাম্প্রতিক সময়ে লেবাননে এই ধরনের নিষিদ্ধ রাসায়নিক ব্যবহারের বেশ কিছু প্রমাণও পাওয়া গেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/h5kw5885/US-Central-Command.jpg" /><figcaption>মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ</figcaption></figure><h3>ইরানে হামলার নতুন পরিকল্পনা নিয়ে ট্রাম্পকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর ব্রিফিং</h3><p>ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠক করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ৪৫ মিনিটের এই ব্রিফিংয়ে ট্রাম্পকে হালনাগাদ কৌশলগত পরিকল্পনাগুলো জানানো হয়েছে। আল–জাজিরার বরাতে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈঠকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার ও জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য নতুন সামরিক অভিযানের বিভিন্ন দিক প্রেসিডেন্টের সামনে তুলে ধরেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-12/2qkdvulc/১.jpeg" /><figcaption>মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)–এর লোগো</figcaption></figure><p>সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ইরান সংকটে পরবর্তী পদক্ষেপ কী হতে পারে, তা নিয়ে বর্তমানে বিচার-বিশ্লেষণ করছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য হামলার কৌশলগুলোর ওপর ভিত্তি করেই মূলত সামরিক পরিকল্পনার এ হালনাগাদ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-24/2hwrcqfp/fighterjetdrone1.jpg" /><figcaption>ইরানের ছোড়া ড্রোন প্রতিহত করতে যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো</figcaption></figure><h3>ইরানে ‘যেকোনো সময়’ হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, সিএনএনকে মার্কিন সিনেটর </h3><p>ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র খুব শিগগির হামলা চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন ডেমোক্র্যাট সিনেটর রিচার্ড ব্লুমেন্থাল। আল-জাজিরার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিচার্ড ব্লুমেন্থাল জানান, সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্রিফিং ও বিভিন্ন সূত্র থেকে তিনি এমন আভাস পেয়েছেন যে, ইরানে হামলা চালানোর বিষয়টি এখন মার্কিন প্রশাসনের ‘টেবিলে’ রয়েছে।</p><p>ইরানের ওপর এই সম্ভাব্য হামলাকে ‘অত্যন্ত উদ্বেগজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ব্লুমেন্থাল। তিনি সতর্ক করে বলেন, এমন পদক্ষেপ মার্কিন সেনাদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলবে এবং এর ফলে উভয় পক্ষেই ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-01/re6agiu7/IRANIANPRESIDENTMASOUDPEZESHKIAN.webp" /><figcaption>তেহরানে বিজ্ঞান, গবেষণা ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে বক্তব্য দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ১৯ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>আলোচনার মধ্যেই হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র, পেজেশকিয়ানের সতর্কবার্তা</h3><p>যুদ্ধ বন্ধের আলোচনা চলার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানে হামলা চালাতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি বলেছেন, ওয়াশিংটনের ওপর থেকে ইরানের আস্থা ‘পুরোপুরি নষ্ট’ হয়ে গেছে।</p><p>গতকাল বৃহস্পতিবার বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কোর সঙ্গে এক ফোনালাপে মাসুদ পেজেশকিয়ান এ কথা বলেন। আনাদোলু এজেন্সির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পেজেশকিয়ান বলেন, সংলাপ ও কূটনীতি সব সময় ইরানের অগ্রাধিকার তালিকায় ছিল। তিনি অভিযোগ করেন, ‘(অতীতে) আলোচনা চলাকালেই যুক্তরাষ্ট্র ও জায়োনিস্ট শাসনগোষ্ঠী (ইসরায়েল) দুবার ইরানে হামলা চালিয়েছে। আবারও এ ধরনের হামলার আশঙ্কা রয়েছে। আর এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ইরান আর কোনো ভরসা রাখতে পারছে না।’</p><p>২০২৫ সালের জুনে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার মধ্যে প্রথমবার ইরানে যৌথ হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এরপর গত ফেব্রুয়ারিতে আবারও আলোচনা চলা অবস্থায় দ্বিতীয় দফা হামলার শিকার হয় তেহরান।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের জেরে তেহরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দিলে বিশ্বজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। এরপর ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।</p><p>তবে পাকিস্তানের অনুরোধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একতরফাভাবে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ালেও কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা ঘোষণা করেননি। এর আগে ইরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে পরে আলোচনার প্রস্তাব দেওয়া হলেও ট্রাম্প তা প্রত্যাখ্যান করেন।</p><p>ফোনালাপে বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আলেকজান্ডার লুকাশেঙ্কো উপসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং এর ফলে সৃষ্ট বৈশ্বিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংলাপের মাধ্যমেই তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার এই সংকটের সমাধান হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2014/11/04/f0d5e18cfa7c8042ae8da34ea527c347-19.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ভবন </figcaption></figure><h3> ইরান যুদ্ধ থেকে মার্কিন সেনাদের ফিরিয়ে আনার প্রস্তাব টিকল না সিনেটে</h3><p>ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে নাকচ হয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়।</p><p>এমন এক সময়ে এ ভোটাভুটি হলো, যার পরদিনই (আজ শুক্রবার) প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার ওপর একটি আইনি বাধ্যবাধকতার সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।</p><p>সিনেটে প্রস্তাবটি ৪৭-৫০ ভোটে পরাজিত হয়। এ ভোটাভুটিতে রিপাবলিকান পার্টির মাত্র দুজন সদস্য—মেইন অঙ্গরাজ্যের সুসান কলিন্স ও কেনটাকির র‍্যান্ড পল দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেন।</p><p>গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কোনো রিপাবলিকান সদস্য হিসেবে কলিন্স এমন প্রস্তাবে সমর্থন দিলেন। অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার জন ফেটারম্যান ছিলেন একমাত্র ডেমোক্র্যাট সদস্য, যিনি প্রস্তাবটির বিপক্ষে ভোট দিয়েছেন।</p><p>এ পদক্ষেপের ফলে আট সপ্তাহে গড়িয়ে যাওয়া ইরান যুদ্ধের ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আরও একটি সুযোগ হারাল কংগ্রেস।</p><p>তথ্যসূত্র: টাইম</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-01/x2n49j9h/us-warship.jpg" /><figcaption>প্রশান্ত মহাসাগরের কোনো এক অজ্ঞাত স্থানে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার ত্রিপক্ষীয় নৌমহড়া। মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরি ‘ইউএসএস কার্ল ভিনসন’–এর (পেছনে বাঁয়ে) পিছু পিছু চলছে গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস কিড’ (সামনে ডানে)</figcaption></figure><h3>যুদ্ধজাহাজে নতুন করে জ্বালানি, খাবার ও গোলাবারুদ ভরছে যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত নিজেদের যুদ্ধজাহাজগুলোতে নতুন করে জ্বালানি, খাবার ও গোলাবারুদসহ প্রয়োজনীয় রসদ সরবরাহ করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে দায়িত্বরত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বার্তায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেন্টকমের শেয়ার করা কিছু ছবিতে দেখা যায়, গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক’-এ বিপুল পরিমাণ রসদ তোলা হচ্ছে।</p><p>এ রণতরি বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপকে সহায়তা দিচ্ছে।</p><p>এদিকে, এ যুদ্ধের ব্যয় নিয়ে মার্কিন সিনেটে তথ্য দিয়েছেন পেন্টাগন প্রধান পিট হেগসেথ। তিনি জানান, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে এ পর্যন্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রায় ২ হাজার ৫০০ কোটি (২৫ বিলিয়ন) ডলার খরচ হয়েছে।</p><p>তবে বিভিন্ন সংস্থার মতে, প্রকৃত ব্যয়ের পরিমাণ এই হিসাবের চেয়ে অনেক বেশি হতে পারে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/gaxnu1oo/Trump.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু হতে পারে, ইতালি ও স্পেন থেকেও সেনা সরানোর আভাস ট্রাম্পের</h3><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির পর যুক্তরাষ্ট্র আবারও যুদ্ধে জড়াবে কি না, তা তাঁর জানা নেই (নিশ্চিত নন)। গতকাল বৃহস্পতিবার ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।</p><p>ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে। এ সংক্রান্ত আলোচনার বিষয়ে আমি এবং হাতেগোনা কয়েকজন ছাড়া আর কেউ কিছু জানেন না।’</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কবে থামবে, তা নিশ্চিত না করলেও তিনি দাবি করেন, এ সংকটের সমাধান হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে আসবে।</p><p>ইরান নিয়ে মন্তব্যের জেরে জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা কমিয়ে আনার ঘোষণার মাত্র একদিন পরই ট্রাম্পের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল—তিনি ইতালি ও স্পেন থেকেও সেনা সরিয়ে নেবেন কি না। জবাবে ট্রাম্প বলেন, সম্ভবত তিনি তেমনটি করবেন।</p><p>চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণের বিষয়েও কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ইরান এই বিশ্বকাপে অংশ নিলে তাঁর কোনো আপত্তি নেই।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা ও মিডল ইস্ট আই</p><h3>ট্রাম্পের ছেলেদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি মার্কিন বিমানবাহিনীর কাছে ড্রোন বিক্রি করবে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-01/lllima8z/trump-boy.jpg" /><figcaption>ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র (বাঁয়ে)  ও এরিক ট্রাম্প </figcaption></figure><p>মার্কিন ড্রোন কোম্পানি পাওয়ারআসের প্রতিষ্ঠাতা বলেছেন, তাঁর প্রতিষ্ঠান মার্কিন সেনাবাহিনীর কাছে ড্রোন বিক্রি করবে। ব্লুমবার্গের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে এরিক ট্রাম্প ও ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়রের সংশ্লিষ্টতা আছে।   </p><p>ব্লুমবার্গের ওই প্রতিবেদনের বরাতে আল জাজিরার খবরে জানানো হয়, মার্কিন বিমানবাহিনী ফ্লোরিডার ওই প্রতিষ্ঠান থেকে ড্রোন কিনবে। এ ধরনের ড্রোন শত্রুপক্ষের হামলা প্রতিরোধে সক্ষম। তবে কত ড্রোন কেনা হবে তা জানায়নি ওই প্রতিষ্ঠানটি। </p><p>পাওয়ারআসের প্রতিষ্ঠাতা ব্রেট ভেলিকোভিচ এক্স পোস্টে জানান, এটি মার্কিন ড্রোনের শক্তির বিষয়। সস্তা ড্রোনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয়বহুল প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ঝুঁকিতে পড়ছে। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/zk9pohe5/WhatsApp-Image-2026-04-30-at-09.40.55.jpeg" /><figcaption>প্রতীকী ছবি</figcaption></figure><h3>ইরানে নতুন হামলার আশঙ্কায় জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধি </h3><p>ইরান যুদ্ধে নতুন করে সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য পরিকল্পনা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ব্রিফিং দেওয়া হবে— এমন খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার একপর্যায়ে অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেল প্রতি ১২৬ ডলার ছাড়িয়ে যায়। যদিও দিনের শেষভাগে তা কিছুটা কমে ১১৪ ডলারে নামে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর তেলের দামে এমন ঊর্ধ্বগতি আর দেখা যায়নি।</p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ায় দেশটির ওপর ‘স্বল্পমেয়াদী কিন্তু শক্তিশালী’ বিমান হামলার একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ ছাড়া কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে সেখানে পদাতিক সেনা পাঠানোর মতো কঠোর পদক্ষেপও ট্রাম্পের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানা গেছে।</p><p>বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশই এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে এই পথটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দামে ব্যাপক প্রভাব পড়ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সাধারণ গ্রাহকদের ওপর। </p><p>অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, নতুন করে ইরানে হামলা হলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় ধস নামাতে পারে। শুধু জ্বালানি নয়, খাদ্যপণ্যের দাম ও উড়োজাহাজের ভাড়াও আকাশচুম্বী হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। </p><p>এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেল খাতের নির্বাহীদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে যুদ্ধের প্রভাব মার্কিন গ্রাহকদের ওপর যেন না পড়ে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে বাজার বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধের স্থায়িত্ব বাড়লে মুল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। এই আশঙ্কায় এশিয়ার শেয়ারবাজারগুলোতে বড় ধরনের দরপতন লক্ষ্য করা গেছে। </p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/eah5af5f/frame.png" /><figcaption>জোসেফ আউন ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু</figcaption></figure><h3>লেবানন ও ইসরায়েলের শীর্ষ নেতাদের সরাসরি বৈঠকের আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি আলোচনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বৈরুতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস।</p><p>দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের মধ্যে বৈঠক হলে তা লেবাননের পূর্ণ সার্বভৌমত্ব, আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্রের নিশ্চয়তা পাওয়ার পথও প্রশস্ত হবে।</p><p>মার্কিন দূতাবাস আরও জানায়, লেবানন এই সুযোগ গ্রহণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পাশে থাকবে। সময় এসেছে দ্বিধা ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার।</p><p>তবে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, লেবাননের কর্মকর্তারা প্রেসিডেন্ট আউনের বরাতে বলেছেন, নিকট ভবিষ্যতে নেতানিয়াহুর সঙ্গে কোনো আলোচনার সম্ভাবনা তিনি নাকচ করে দিয়েছেন।</p><p>অন্যদিকে লেবাননের প্রধানমন্ত্রী নওয়াফ সালাম স্পষ্ট করে বলেছেন, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহার ছাড়া কোনো চুক্তিতে সই করবে না বৈরুত।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-20/b66w74mt/iran-air.png" /><figcaption>ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ‘আরমান’</figcaption></figure><h3>তেহরানে ড্রোন প্রতিহত করতে তৎপর ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা</h3><p>ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, দেশটির রাজধানী তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় হওয়ার শব্দ শোনা গেছে। মূলত ‘ক্ষুদ্র আকৃতির বিমান ও নজরদারি ড্রোন’ প্রতিহত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে এটি সক্রিয় হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের পশ্চিমাঞ্চল, মধ্যাঞ্চল এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলসহ রাজধানীর বেশ কিছু এলাকায় এখনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সক্রিয় তৎপরতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।</p><p>এর আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র পুনরায় হামলা চালালে ‘দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক’ পাল্টা আঘাতের হুমকি দিয়েছে ইরান। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই তেহরানের আকাশে ড্রোনের উপস্থিতি এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার এই সক্রিয়তা নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/p30mf3zt/moztaba-khameni.avif" /><figcaption>মোজতবা খামেনি </figcaption></figure><h3>নতুন হামলা হলে যুক্তরাষ্ট্রকে কড়া জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে হামলা চালালে ‘দীর্ঘ ও বেদনাদায়ক’ পাল্টা আঘাত হানার হুমকি দিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে তারা হরমুজ প্রণালির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার ঘোষণা পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা এই জলপথটি পুনরায় সচল করার মার্কিন প্রচেষ্টাকে আরও জটিল করে তুলেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যকার এই যুদ্ধের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও বিশ্বের ২০ শতাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ। এর ফলে বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম আকাশচুম্বী হয়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গত ৮ এপ্রিল থেকে যুদ্ধবিরতি চললেও ইরানের তেল রপ্তানিতে মার্কিন অবরোধের প্রতিবাদে তারা এই জলপথটি আটকে রেখেছে।</p><p>হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ইরানকে আলোচনায় বাধ্য করতে পুনরায় সামরিক অভিযানের একটি পরিকল্পনা নিয়ে বৃহস্পতিবার ব্রিফিং করার কথা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে তেহরানে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার শব্দ শোনা গেছে। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর জানিয়েছে, ড্রোন ও নজরদারি বিমান ঠেকাতে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে।</p><p>ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনো নতুন হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ভয়াবহ হামলা চালানো হবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক বার্তায় স্পষ্ট করেছেন, হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-07/ai6lhh8z/lebanon001.jpg" /><figcaption>লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল</figcaption></figure><h3>লেবাননের ১০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে ইসরায়েলি বাহিনী

</h3><p>লেবাননের ১০ কিলোমিটার (৬ দশমিক ২ মাইল) অভ্যন্তরে ইসরায়েলি বাহিনী ঢুকে পড়েছে। সেখান থেকে পিছু হটার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলীয় কমান্ডের কমান্ডার রাফি মিলো।</p><p>ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপকালে মিলো জানান, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের প্রায় ৬০টি গ্রামজুড়ে বিস্তৃত এলাকা ইসরায়েলি বাহিনী ‘শত্রুমুক্ত’ করার কাজ করছে।</p><p>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব কথা জানানো হয়। কমান্ডার মিলো বলেন, ‘আমরা বর্তমান অবস্থান থেকে সরে যাওয়ার কোনো পরিকল্পনা করছি না। আমরা যা করছি, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং আমাদের আরও অনেক কাজ বাকি আছে।’</p><p>ইসরায়েলি জনগণের মনোভাবের কথা উল্লেখ করে মিলো আরও বলেন, এটি দীর্ঘস্থায়ী এক যুদ্ধ। হিজবুল্লাহকে নির্মূল করতে যতক্ষণ প্রয়োজন সামরিক বাহিনী ততক্ষণ লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।</p><p>সামরিক অভিযানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে এই কমান্ডার দাবি করেন বলেন, ‘এই অঞ্চলে আমাদের পূর্ণ স্বাধীনতা রয়েছে—আমরা আমাদের প্রয়োজনমতো অভিযান, হামলা এবং গোলাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছি।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-14/j2h39xmj/Katz.jpg" /><figcaption>ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ</figcaption></figure><h3>‘লক্ষ্য অর্জনে’ ইরানে আবার হামলার হুমকি ইসরায়েলের  </h3><p>ইরান যেন ভবিষ্যতে ইসরায়েলের জন্য আর হুমকি হয়ে দাঁড়াতে না পারে, সে জন্য দেশটির বিরুদ্ধে আবারও সামরিক ব্যবস্থা নিতে হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ।</p><p>এক সামরিক অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় ইসরায়েল কাৎজ এ হুমকি দেন। তিনি বলেন, ‘ ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে সমন্বয় করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই অভিযানের লক্ষ্য অর্জনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ইরান যাতে ভবিষ্যতে ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মুক্ত বিশ্বের জন্য আর হুমকি হতে না পারে, তা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য।’</p><p>ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এই প্রচেষ্টাকে সমর্থন করছি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিচ্ছি। তবে এই লক্ষ্যগুলো অর্জনে আমাদের খুব শিগগিরই আবারও (ইরানের বিরুদ্ধে) ব্যবস্থা নিতে হতে পারে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-13/jfnmi1xq/Israel-strikes.webp" /><figcaption>লেবাননে ইসরায়েলের বিমান হামলা যুদ্ধবিরতিকে আরও নড়বড়ে করে তুলেছে</figcaption></figure><h3> ইসরায়েলে ২৪ ঘণ্টায় পৌঁছাল সাড়ে ৬ হাজার টন গোলাবারুদ– সামরিক সরঞ্জাম  </h3><p>ইসরায়েল গত ২৪ ঘণ্টায় বিমান ও স্থলপথের ব্যবহারের গোলাবারুদসহ প্রায় ৬ হাজার ৫০০ টন সামরিক সরঞ্জাম পেয়েছে । দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আজ এক বিবৃতিতে এ কথা জানিয়েছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে মন্ত্রণালয় জানায়, এসব সামরিক সরঞ্জাম ও গোলাবারুদ দুটি জাহাজ ও বেশ কয়েকটি উড়োজাহাজে করে ইসরায়েলে আনা হয়েছে। পরে সেগুলো সড়কপথে দেশটির বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে পৌঁছে দেওয়া হয়।</p><p>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্ধৃতি দিয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, যেকোনো সময়ে এবং যেকোনো স্থানে শত্রুদের বিরুদ্ধে পূর্ণ শক্তি নিয়ে লড়াই করার জন্য সেনাবাহিনী যাতে প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পায়, তা নিশ্চিত করতেই এই সরবরাহ অব্যাহত রাখা হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/ogocrgzo/Lebanon.jpg" /><figcaption>যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল</figcaption></figure><h3>হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলি সেনা নিহত

</h3><p>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে গোলানি ব্রিগেডের একজন সেনা নিহত হয়েছেন। ইসরায়েলি ওই সেনার নাম লিয়াম বেন হামো (১৯)।</p><p>ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল জানিয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের কান্তারা গ্রামে হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলায় এই নিহতের ঘটনা ঘটে। হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরক-ভর্তি ড্রোন হামলা চালায়, এতে তিনি প্রাণ হারান। এই হামলায় আরও এক সেনা ‘মাঝারি ধরনের’ আহত হয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/p30mf3zt/moztaba-khameni.avif" /><figcaption>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর তাঁর ছেলে মোজতবা খামেনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পান </figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজে নতুন অধ্যায়ের সূচনা: মোজতবা খামেনি

</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের ‘লজ্জাজনক ব্যর্থতার’ পরিপ্রেক্ষিতে হরমুজ প্রণালিতে এক ‘নতুন অধ্যায়ের’ সূচনা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি। এক বিবৃতিতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা এ মন্তব্য করেন।</p><p>মোজতবা খামেনির এই বিবৃতি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলোত প্রচারিত হয়েছে। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘আজ বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রচারণা ও আগ্রাসনের দুই মাস এবং যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনায় লজ্জাজনক ব্যর্থতার পর পারস্য উপসাগর এবং হরমুজ প্রণালিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।’</p><p>এই বিবৃতি ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা ইআরএনএ পোস্ট করে জাতীয় পারস্য উপসাগর দিবসের স্মরণে। ১৬২২ সালে পর্তুগিজ বাহিনীকে হরমুজ প্রণালি থেকে উৎখাত করার ঘটনা এই দিনে উদযাপন করা হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/2li6hpet/Mojtaba-Khamenei.avif" /><figcaption>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি</figcaption></figure><h3>ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রক্ষা করা হবে: খামেনি</h3><p>ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি বলেছেন, ইরান তার পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা রক্ষা করবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এগুলো ধ্বংস করতে চান। ট্রাম্পের ওই ইচ্ছার প্রতি তেহরানের এটা স্পষ্ট প্রতিবাদ।</p><p>মোজতবা খামেনি বলেন, ইরানিরা দেশের পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে তাদের জাতীয় পুঁজি হিসেবে দেখে। ভূমি, নৌ ও আকাশ সীমান্তের মতোই পারমাণবিক এবং ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকেও রক্ষা করবে ইরান।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/jdvhyd4g/us-possible-attack-in-iran-01.jpeg" /><figcaption>সেন্টকমের পরিকল্পনায় ইরানে একগুচ্ছ হামলার প্রস্তাব করা হয়েছে</figcaption></figure><h3>ইরানে ‘স্বল্পমেয়াদি ও শক্তিশালী’ হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>ইরানের সঙ্গে চলমান কূটনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনে দেশটিতে ‘স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী’ একগুচ্ছ হামলার পরিকল্পনা তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)।</p><p>ওয়াশিংটন যখন তেহরানের সঙ্গে তার পারমাণবিক কর্মসূচি ও গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিবাদে জড়িয়েছে, তখন এমন পরিকল্পনার খবর সামনে আনল সংবাদমাধ্যম এক্সিওস।</p><p>বিবিসি বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, এ পরিকল্পনা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে একটি ‘উচ্চমানের প্রভাবশালী বিকল্প’ হিসেবে পেশ করা হয়েছে, যা পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের চেয়ে কিছুটা সীমিত। </p><p>ট্রাম্প এখনো এই পরিকল্পনার অনুমোদন দেননি, বরং তিনি ইরানের বিরুদ্ধে চলা নৌ-অবরোধ ও অর্থনৈতিক চাপ বজায় রাখাকেই প্রাধান্য দিচ্ছেন। ট্রাম্প জনসমক্ষে একে ‘বোমার চেয়েও কার্যকর’ বলে উল্লেখ করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/r4pjdwmc/us-possible-attack-in-iran-02.jpg" /><figcaption>আরব সাগরে হরমুজ প্রণালির কাছে ‘এমভি ব্লু স্টার ৩’ নামে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে তল্লাশি চালাচ্ছেন মার্কিন নৌবাহিনীর সদস্যরা। ২৮ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><p><strong>পরিকল্পনায় যা আছে</strong></p><p>এক্সিওস ও বিবিসির তথ্য অনুযায়ী, সেন্টকমের এ পরিকল্পনায় ইরানের তেল রপ্তানি স্থাপনা, সামরিক ঘাঁটি, কমান্ড সেন্টার ও আঞ্চলিক মিলিশিয়া নেটওয়ার্কের মতো অবকাঠামোগুলো লক্ষ্যবস্তু করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য হলো—দীর্ঘদিন ধরে বোমাবর্ষণ না করে দ্রুত বড় ধরনের ক্ষতি করা, যাতে তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের শর্ত মেনে আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়।</p><p>আরেকটি পরিকল্পনায় হরমুজ প্রণালির কিছু অংশের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যার জন্য স্থল অভিযানের প্রয়োজন হতে পারে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr"> Over the past two days, continuous flows of U.S. military transport aircraft — including C-17A Globemaster III and C-5M Super Galaxy — have been heading to the Middle East via Europe.<br><br>▪️ This likely indicates the buildup of additional stockpiles of munitions, including… <a href="https://t.co/MIkrw2Hwzg">pic.twitter.com/MIkrw2Hwzg</a></p>&mdash; NSTRIKE (@NSTRIKE1231) <a href="https://twitter.com/NSTRIKE1231/status/2048735039827902467?ref_src=twsrc%5Etfw">April 27, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p><strong>অবরোধ নাকি কূটনীতি</strong></p><p>শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার পর এবং হরমুজ প্রণালি আংশিক খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের তিন স্তরের শান্তি প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করার পর এই হামলার পরিকল্পনাটি সামনে এনেছে সেন্টকম। ট্রাম্প এখনো নৌ-অবরোধের ওপরই ভরসা রাখলেও কূটনীতি পুরোপুরি ব্যর্থ হলে যেকোনো সময় সামরিক আঘাত হানার পথ খোলা রেখেছেন।</p><p><strong>হাইপারসনিক মিসাইল মোতায়েন</strong></p><p>ব্লুমবার্গ জানিয়েছে, সেন্টকম ইরানে হামলায় ব্যবহারের উদ্দেশ্যে পেন্টাগনের কাছে মধ্যপ্রাচ্যে সেনাবাহিনীর ‘ডার্ক ঈগল’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। এটি মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রথম মোতায়েনযোগ্য হাইপারসনিক অস্ত্র, যা শব্দের চেয়ে পাঁচ গুণ বেশি গতিতে ১ হাজার ৭২৫ মাইলের বেশি দূরত্বে আঘাত হানতে সক্ষম।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">CENTCOM is looking to deploy the US Army’s Long-Range Hypersonic Weapon (Dark Eagle) to the Middle East in order to strike missile launchers that have been moved to sites deep within Iran -Bloomberg<br><br>The Dark Eagle, still undergoing testing, has a limited stockpile of rounds. <a href="https://t.co/jYsomwbQOo">pic.twitter.com/jYsomwbQOo</a></p>&mdash; OSINTtechnical (@Osinttechnical) <a href="https://twitter.com/Osinttechnical/status/2049659409341547008?ref_src=twsrc%5Etfw">April 30, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>এই ক্ষেপণাস্ত্রটি মাটির গভীরে থাকা বাংকার বা ভ্রাম্যমাণ মিসাইল লঞ্চারের মতো অত্যন্ত সুরক্ষিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করতে বিশেষভাবে তৈরি।</p><p>সেন্টকমের কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ ‘স্বল্পমেয়াদি ও শক্তিশালী’ হামলার রূপরেখাটি তুলে ধরেন। </p><p>বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এ পরিকল্পনা থাকার অর্থ এ নয় যে হামলা আসন্ন, বরং এটি তেহরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আলোচনার টেবিলে বাড়তি সুবিধা পাওয়ার জন্য ট্রাম্প প্রশাসনের একটি কৌশল।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/mas3azn7/hermes-drone.avif" /><figcaption>‘হার্মিস ৪৫০’ মডেলের একটি ড্রোন</figcaption></figure><h3>লেবাননে ইসরায়েলের ‘হার্মিস ৪৫০জেড’ ড্রোন ভূপাতিত</h3><p>দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের একটি ড্রোন ভূপাতিত করেছে হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ড্রোনটি ভূপাতিত করা হয়েছে।</p><p>লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েলি ‘হার্মিস ৪৫০জেড’ মডেলের ড্রোনটি নাবাতিয়েহ অঞ্চলে ধ্বংস করা হয়েছে।</p><p>এদিকে, গতকাল বুধবার দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর পাঁচ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে ইসরায়েল। এর আগে গতকালই মাজদাল জউন শহরে ইসরায়েলের টানা দুটি হামলায় অন্তত পাঁচজন নিহত হন। এ নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে তিনজন উদ্ধারকর্মী ও একজন লেবানিজ সেনাসদস্য রয়েছেন।</p><p>চলতি এপ্রিলের মাঝামাঝি ঘোষিত যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে ইসরায়েল ক্রমাগত দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২ হাজার ৫৩৪ জন নিহত ও ৭ হাজার ৮৬৩ জন আহত হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-18/av3pvbtk/Ford-1.webp" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড</figcaption></figure><h3>রেকর্ড গড়া অভিযান শেষে দেশে ফিরছে বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ‘ইউএসএস ফোর্ড’</h3><p>রেকর্ডসংখ্যক দিন দায়িত্ব পালন শেষে দেশে ফিরছে বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’। ৩০০ দিনের বেশি সময় ধরে চলা এ অভিযানে রণতরিটির অন্যতম প্রধান কাজ ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ও ভেনেজুয়েলার নেতা নিকোলা মাদুরোকে গ্রেপ্তারে অংশ নেওয়া।</p><p>গতকাল বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই কর্মকর্তারা জানান, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য ছাড়বে ইউএসএস ফোর্ড। মে মাসের মাঝামাঝি এটি যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় অবস্থিত নিজস্ব বন্দরে পৌঁছাবে।</p><p>প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই খবরটি প্রকাশ করে।</p><p>গত সপ্তাহে ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ পৌঁছানোর ফলে মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে তিনটি মার্কিন রণতরি অবস্থান করছে। ইরান যুদ্ধের একটি নড়বড়ে যুদ্ধবিরতি চলাকালে ২০০৩ সালের পর এ প্রথম একসঙ্গে তিনটি মার্কিন রণতরি মোতায়েন করা হলো। এর আগে জানুয়ারি থেকে তেহরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনও এ অঞ্চলে অবস্থান করছে।</p><p>গত বছরের জুনে নরফোক নেভাল স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করার পর ইউএসএস ফোর্ড প্রায় ১০ মাস সমুদ্রে অবস্থান করছে। এর মাধ্যমে এটি ভিয়েতনাম যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘতম সময় মোতায়েন থাকা রণতরির নতুন রেকর্ড গড়েছে।</p><p>ইউএস নেভাল ইনস্টিটিউট নিউজ-এর তথ্য অনুযায়ী, গত ৫০ বছরে কোনো মার্কিন রণতরির এটিই দীর্ঘতম অভিযান। এর আগে ২০২০ সালে করোনা মহামারির সময় ইউএসএস লিংকন টানা ২৯৪ দিন সমুদ্রে অবস্থান করে আগের রেকর্ডটি গড়েছিল। ইউএসএস ফোর্ড সমুদ্রের বুকে ২৯৫তম দিন পার করার মাধ্যমে সেই রেকর্ড ভেঙে দেয়।</p><p>তথ্যসূত্র: এপি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/hecs8brk/trump-zermany–02.jpg" /><figcaption>ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফ্রিডরিখ মের্ৎস</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধ নিয়ে উত্তেজনায় জার্মানি থেকে মার্কিন সেনা কমানোর হুমকি ট্রাম্পের</h3><p>জার্মানিতে মোতায়েন করা মার্কিন সেনাসংখ্যা কমিয়ে আনার চিন্তাভাবনা করছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরান যুদ্ধ নিয়ে দেশটির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেৎ৴সের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে এ ইঙ্গিত দিলেন তিনি।</p><p>নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তাঁর প্রশাসন জার্মানিতে সেনা কমানোর বিষয়টি নিয়ে ‘পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা’ করছে। এ বিষয়ে খুব দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।</p><p>সম্প্রতি জার্মান চ্যান্সেলর মন্তব্য করেন, ইরানি নেতৃত্বের কাছে যুক্তরাষ্ট্র ‘অপমানিত’ হচ্ছে। তাঁর এ মন্তব্যের পর ট্রাম্প ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান ও মার্কিন সেনা কমানোর বার্তা দেন।</p><p>এ ছাড়া ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে জার্মানি ও ন্যাটোর অন্যান্য মিত্রদেশের ভূমিকা নিয়ে বারবার সমালোচনা করে আসছেন ট্রাম্প। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি আবার সচল করতে নৌবাহিনী মোতায়েন না করায় মিত্রদের ওপর ক্ষুব্ধ তিনি।</p><p>বর্তমানে বিদেশে অবস্থান করা মার্কিন সেনাদের জন্য জার্মানি অন্যতম বড় ঘাঁটি। দেশটিতে প্রায় ৩৩ হাজার ৯০০ মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/yrmjh4j2/lebanon-attack.webp" /><figcaption>গতকাল বুধবার দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ভবন ও ঘরবাড়ি ধ্বংস করার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়</figcaption></figure><h3>দক্ষিণ লেবাননে পানি শোধনাগারে হামলা চালাল ইসরায়েল</h3><p>লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় বাতুলিয়া শহরের একটি পানি শোধনাগারে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।</p><p>লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সির (এনএনএ) বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই অঞ্চলে এখনো যেসব বাসিন্দা অবস্থান করছেন, তাঁদের পানির চাহিদা মেটানোর একমাত্র উৎস ছিল এ শোধনাগারটি।</p><p>এনএনএ আরও জানিয়েছে, এ হামলার পাশাপাশি আল-বাইয়াদ এলাকায় একটি পর্যটন রিসোর্টও উড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/lhnbk2u5/WEB.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পতাকা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি</figcaption></figure><h3>ইরানের প্রায় ৫০ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ জব্দের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>ইরানের প্রায় ৫০ কোটি (৫০০ মিলিয়ন) ডলার সমমূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল সম্পদ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ দাবি করে বলেছেন, ওয়াশিংটনের ‘অপারেশন ইকোনমিক ফিউরি’র প্রভাবে তেহরান সরকার এখন ‘সংকটে’র মুখে পড়েছে।</p><p>ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা প্রায় ৩৫ কোটি ডলারের ক্রিপ্টো সম্পদ (ইরানের) কবজায় নিতে পেরেছি। এর আগে আরও ১০ কোটি ডলার জব্দ করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি ডলারের কাছাকাছি সম্পদ আমাদের নিয়ন্ত্রণে। এ ছাড়া আমরা বিভিন্ন স্থানে ইরানি ব্যাংক হিসাবগুলোও জব্দ করছি।’</p><p>মার্কিন অর্থমন্ত্রী আরও জানান, গত বছরের মার্চ মাসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রায় তিন সপ্তাহ আগে তিনি ইরানের ওপর ‘চাপ আরও বাড়ানোর’ জন্য আবার আদেশ দেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-14/os415w26/bessent.jpg" /><figcaption>মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট</figcaption></figure><p>ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করতে এখন বিদেশি সরকার ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপরও চাপ দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রসঙ্গে বেসেন্ট বলেন, ‘আমরা ইরানি তেলের ক্রেতাদের জানিয়ে দিয়েছি যে, কোনো দেশের শিল্পপ্রতিষ্ঠান বা ব্যাংক যদি ইরানি তেলের লেনদেন করে, তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধেও ‘‘সেকেন্ডারি স্যাংশন’’ আরোপ করব।’</p><p>বেসেন্ট মনে করেন, এ অর্থনৈতিক অভিযান এবং ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধ দেশটির অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি বয়ে আনবে।</p><p>অবশ্য আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের এ অভিযানকে উপহাস করে বলেছে, এর ফলে উল্টো তেলের দাম আরও বাড়বে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মার্কিন অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘অসার’ বা ‘আবর্জনা’ বলে মন্তব্য করেছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-16/ibu5vej3/israel-army-chief.webp" /><figcaption>ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর  চিফ অব জেনারেল স্টাফ লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামির</figcaption></figure><h3>লেবাননের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই: ইসরায়েলি সেনাপ্রধান</h3><p>লেবাননের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির। দেশটিতে ইসরায়েলের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞ অব্যাহত থাকার মধ্যেই তিনি এ কথা বললেন।</p><p>দক্ষিণ লেবাননে মোতায়েন ইসরায়েলি সেনাদল পরিদর্শনে গিয়ে ইয়াল জামির বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতৃত্ব আমাদের যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে তা হলো, এমন একটি অবস্থানে থাকা যেন (ইসরায়েলি) জনপদগুলোতে সরাসরি কোনো হামলা না হয়। আমরা সেই লক্ষ্যে পৌঁছেছি এবং বর্তমানে এ অবস্থানেই আছি। আমাদের হয়তো এখানেই অবস্থান করতে হবে।’</p><p>সেনাদের উদ্দেশে ইয়াল জামির আরও বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে কোনো যুদ্ধবিরতি নেই। আপনাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। উত্তর ইসরায়েলের জনপদগুলো থেকে সরাসরি ও পরোক্ষ হুমকি দূর করতে হবে। ‘‘সন্ত্রাসীদের’’ অবকাঠামো ধ্বংস ও তাঁদের খুঁজে বের করে নির্মূল করতে হবে।’</p><p>গত ২ মার্চ থেকে লেবাননে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় অন্তত ২ হাজার ২৯০ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশজুড়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/njs2aeyk/Iranian-flagged-cargo.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইরানের জাহাজটি মার্কিন নৌ অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করছিল</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের নৌ–অবরোধে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটছে না তেহরানের: ইরান</h3><p>ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ সত্ত্বেও দেশটির জ্বালানি সরবরাহ বা বিতরণে কোনো প্রভাব পড়েনি বলে দাবি করেছেন ইরানের তেলমন্ত্রী মহসিন পাকনেজাদ। দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন।</p><p>তেলমন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের বিঘ্ন এড়াতে তেল খাতের কর্মীরা দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছেন।</p><p>গত ১৩ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়া এ মার্কিন অবরোধের ফলে ইরানে তেল মজুতের সক্ষমতা ফুরিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মজুত সংকটে ইরান শেষ পর্যন্ত তেল উৎপাদন কমিয়ে দিতে বাধ্য হতে পারে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/wqb37ji4/Donald-Trump.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>আরব আমিরাতের ওপেক ছাড়ার সিদ্ধান্ত ‘চমৎকার’, কমবে তেলের দাম: ট্রাম্প</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংস্থা ওপেক ত্যাগের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘চমৎকার’ হিসেবে আখ্যায়িত এবং এর ফলে তেলের বাজার স্থিতিশীল হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন।</p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের কারণে জ্বালানি বাজারে যে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, আমিরাতের এ সিদ্ধান্তের ফলে তা কমতে পারে। এর প্রভাবে জ্বালানি তেল ও পেট্রলের (গ্যাসোলিন) দামও কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/jt91jq50/Opec.avif" /><figcaption>ওপেকের লোগো</figcaption></figure><p>ট্রাম্প বলেন, ‘আমি মনে করি, শেষ পর্যন্ত এটি পেট্রল ও তেলের দাম কমানোর জন্য ভালো একটি উদ্যোগ হবে। সবকিছুই এর মাধ্যমে সস্তায় পাওয়া সম্ভব হবে।’</p><p>উল্লেখ্য, আরব আমিরাত হঠাৎ করেই ওপেক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ওই ঘোষণা দিয়েছে। এটি বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতিতে এটি বড় ঘটনা। ১৯৭১ সালে জাতিরাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের আগে থেকেই তারা ওপেকের সদস্য ছিল।</p><p>উপসাগরীয় তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর এই সংগঠন কয়েক দশক ধরে উৎপাদন বাড়ানো-কমানো এবং সদস্যদের জন্য কোটা নির্ধারণের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করেছে। ১৯৭০-এর দশকের তেলসংকটে ওপেকের ভূমিকার কল্যাণে বৈশ্বিক জ্বালানিনীতি আমূল বদলে যায়।</p><p>ওপেকের উৎপাদনে সৌদি আরবের প্রাধান্য থাকলেও অতিরিক্ত উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে ইউএই ছিল দ্বিতীয় অবস্থানে। অর্থাৎ বাজারে দাম কমাতে প্রয়োজন হলে উৎপাদন দ্রুত বাড়ানোর সক্ষমতা ছিল তাদের। </p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><h3>ইরানের ইউরেনিয়াম মজুত নিয়ে সহায়তার প্রস্তাব পুতিনের, জানালেন ট্রাম্প

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/vcs768e1/Trump-and-Putin.avif" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বিশেষ করে ইরানের সমৃদ্ধ করা ইউরেনিয়ামের মজুত নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তিতে ওয়াশিংটনকে সহায়তা করতে চায় মস্কো।</p><p>বুধবার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে টেলিফোনে ঘণ্টা দেড়েক কথা হয়। সেখানেই পুতিন এমন আগ্রহ প্রকাশ করেন বলে নিশ্চিত করেছেন ট্রাম্প।</p><p>ওভাল অফিস থেকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ট্রাম্প বলেন, ‘তিনি (পুতিন) সহায়তা করতে চান। কিন্তু আমি বলেছি, আমাকে সহায়তা করার আগে আপনার নিজের যুদ্ধ শেষ করতে হবে।’</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তিনি (পুতিন) আমাকে বলেছেন, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ নিয়ে চলা প্রক্রিয়ায় তিনি যুক্ত হতে চান। এ বিষয়ে তিনি আমাদের সহায়তা করতে পারেন।’</p><p>এর আগে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে তাঁর ‘খুবই ফলপ্রসু’ আলোচনা হয়েছে। ইউক্রেন সংঘাতের একটি সমাধান দ্রুতই আসতে পারে।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><h3>জব্দ ইরানি জাহাজের ৬ ক্রুকে ছেড়ে দিল যুক্তরাষ্ট্র</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/4hy3kb94/Hormuz.avif" /><figcaption>বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালিতে একটি জাহাজ দেখা যাচ্ছে</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা একটি ইরানি কনটেইনারবাহী জাহাজে থাকা ছয়জন ক্রুকে মুক্ত করা হয়েছে। তাঁরা নিরাপদে দেশে ফিরে এসেছেন। গত ২০ এপ্রিল ক্রুসহ ট্যাংকারটি জব্দ করেছিল মার্কিন বাহিনী। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম এসব তথ্য জানিয়েছে। </p><p>তবে ‘তউসকা’ নামের কনটেইনারবাহী জাহাজের আরও ২২ জন ইরানি ক্রু এখনও আটকা রয়েছেন। তাঁদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ইরানের কর্তৃপক্ষ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে তাসনিম। </p><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে চলা নৌ অবরোধের মধ্যে হরমুজ প্রণালি থেকে কনটেইনারবাহী জাহাজটিকে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ না মানায় সেটিকে জব্দ করা হয়। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-10/hkx7rm8q/Putin-trump-1.jpg" /><figcaption>জাপানের ওসাকায় অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কথা বলছেন। ২৮ জুন ২০১৯</figcaption></figure><h3>পুতিন ও ট্রাম্পের দেড় ঘণ্টার ফোনালাপে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা</h3><p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার দেড় ঘণ্টার এক ফোনালাপে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে।</p><p>ফোনালাপে পুতিন ও ট্রাম্প ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংঘাত নিরসনে বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন।</p><p>ক্রেমলিনের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, আগামী মাসে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার বার্ষিকী উপলক্ষে পুতিন ইউক্রেনে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবও দিয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন ও আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-02/dbjyhbds/Hegseth_Afp.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধকে ‘চোরাবালি’ বললেন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা, ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হেগসেথের</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্য জন গারামেন্ডি ইরান যুদ্ধের ‘কৌশলগত দিক’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইরান যুদ্ধ নিয়ে আজ বুধবার হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে তিনি এই প্রশ্ন তোলেন।</p><p>যুদ্ধে ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহতের পাশাপাশি শত শত সেনার আহত হওয়া এবং হাজার হাজার বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করে গারামেন্ডি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই যুদ্ধকে ‘আমেরিকার নিজের ওপর নিজে করা গুরুতর আঘাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।</p><p>হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ‘আগে থেকে অনুমেয় ছিল’ উল্লেখ করে হেগসেথকে তিনি বলেন, ‘আপনি এই যুদ্ধ নিয়ে প্রথম দিন থেকেই মার্কিন জনগণকে মিথ্যা বলে আসছেন এবং প্রেসিডেন্টও তা-ই করছেন।’</p><p>গারামেন্ডি এই যুদ্ধকৌশলকে ‘চরম অযোগ্যতা’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, ইরানের সরকার টিকে আছে; দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবস্থা এখনো অক্ষত রয়েছে। উপরন্তু, এই যুদ্ধ চীন, রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ইরানের সহযোগিতাকে আরও শক্তিশালী করেছে। তিনি বলেন, ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি যুদ্ধের ‘চোরাবালিতে’ আটকে গেছেন।</p><p>গারামেন্ডির এই বক্তব্যকে ‘বেপরোয়া’ বলে মন্তব্য করেন হেগসেথ। ট্রাম্প ‘চোরাবালিতে’ আটকে আছেন—এমন দাবি অস্বীকার করে তিনি বলেন, এ ধরনের বক্তব্য আমেরিকার শত্রুদের হাতে প্রচারণার সুযোগ করে দিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আপনার ঘৃণা আপনাকে অন্ধ করে দিয়েছে।’</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/6s7iuiwi/Trump-1.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার আগে অবরোধ তুলবেন না ট্রাম্প</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।</p><p>আজ বুধবার অ্যাক্সিওস-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে তিনি আগে কিছু নিশ্চয়তা চান। তিনি বলেন, ‘তাদের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।’</p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও বলেন, ‘বোমাবর্ষণের চেয়ে অবরোধ কিছুটা বেশি কার্যকর। তারা শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় আছে। পরিস্থিতি তাদের জন্য আরও খারাপ হবে। তাদের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকতে পারবে না।’</p><p>অবরোধের কার্যকারিতার প্রশংসা করলেও ট্রাম্প এই সাক্ষাৎকারে সম্ভাব্য কোনো সামরিক পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলতে রাজি হননি।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা (ইরান) সমঝোতা করতে চায়। তারা চায় না যে আমি অবরোধ বহাল রাখি। আমি (অবরোধ) তুলতে চাই না, কারণ আমি চাই না তাদের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকুক।’</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/8yh9pfey/2.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধের সমালোচক আইনপ্রণেতাদের ওপর চটলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী</h3><p>ইরান যুদ্ধের বিরোধিতার কঠোর সমালোচনা করে ট্রাম্প প্রশাসনের সমালোচনাকারী আইনপ্রণেতাদেরই ‘সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।</p><p>যুদ্ধ শুরুর পর আজ বুধবার প্রথমবারের মতো কংগ্রেসের শুনানিতে গিয়ে হেগসেথ এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন।</p><p>হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটির শুনানিতে প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ও প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হচ্ছি, তা হলো ডেমোক্র্যাট ও কিছু রিপাবলিকান আইনপ্রণেতার বেপরোয়া, দায়িত্বজ্ঞানহীন ও পরাজয়বাদী কথাবার্তা।’</p><p>হেগসেথ আরও বলেন, সংঘাতটি দুই মাস পূর্ণ করার মুহূর্তে এসব সমালোচনা আসছে। তিনি যুক্তি দেন, ইরাক, আফগানিস্তান ও ভিয়েতনাম যুদ্ধের তুলনায় এই যুদ্ধ উল্লেখযোগ্যভাবে সংক্ষিপ্ত।</p><p>যুদ্ধের পক্ষে সাফাই গেয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী, ‘আমরা এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়ে গর্বিত।’</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2019/10/26/b6dd32073913270168eee9affd07df4f-5db45e935de66.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধে ইতিমধ্যে ২৫ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র: পেন্টাগন</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের শীর্ষ আর্থিক কর্মকর্তা জুলস ‘জেই’ হার্স্ট কংগ্রেসের আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান যুদ্ধে মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রায় ২৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে।</p><p>আজ বুধবার হাউস আর্মড সার্ভিসেস কমিটিকে হার্স্ট জানান, এই ব্যয়ের বড় একটি অংশ অস্ত্রশস্ত্রের পেছনে ব্যয় হয়েছে। তবে কিছু খরচ হয়েছে রক্ষণাবেক্ষণ ও ক্ষতিগ্রস্ত সরঞ্জামের জায়গায় নতুন সরঞ্জাম পাঠানোর কাজে।</p><p>যুদ্ধের সুনির্দিষ্ট ব্যয় কত, তা নিয়ে আইনপ্রণেতাদের মধ্যে ধোঁয়াশা ছিল। কংগ্রেস যখন ২০২৭ অর্থবছরের জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট প্রস্তাব নিয়ে পর্যালোচনা করছে, তখন এটি ক্রমেই একটি রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।</p><p>হার্স্টের জবাবে&nbsp;কমিটির শীর্ষ ডেমোক্র্যাট সদস্য ও হাউস প্রতিনিধি অ্যাডাম স্মিথ বলেন, ‘আমি আনন্দিত যে আপনি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। কারণ, আমরা অনেক দিন ধরে এই তথ্যটি চাইছিলাম, কিন্তু কেউ আমাদের সেই সংখ্যাটি জানায়নি।’</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/aaba6fm2/trump-cnn.webp" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ট্রাম্পের বক্তব্যে তেলের দাম ৫ শতাংশ বেড়েছে</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের পর হরমুজ প্রণালি দীর্ঘ সময় ধরে বন্ধ থাকতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আরও বেড়েছে।</p><p>অপরিশোধিত জ্বালানি তেল ব্রেন্ট ক্রুড ৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৬ দশমিক ৮ ডলারে পৌঁছেছে, যা গত এক সপ্তাহ ধরে চলমান ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাকে আরও দীর্ঘায়িত করেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৪ দশমিক ৯ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১০৪ দশমিক ৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনায় অচলাবস্থার কারণে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।</p><p>ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের মঙ্গলবার রাতের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুদ্ধ অবসানে তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাবে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন এবং হরমুজে ইরানের ওপর দীর্ঘমেয়াদি অবরোধের প্রস্তুতির জন্য তাঁর সহযোগীদের নির্দেশ দিয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-11/w1jh2xq3/Netanyahu.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্র সফরে যেতে পারেন নেতানিয়াহু</h3><p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে ওয়াশিংটন ডিসি সফরের পরিকল্পনা করছেন। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত একটি ইসরায়েলি সূত্রের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি বৃহত্তর যুদ্ধবিরতি চুক্তি এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তখন এই সফরটি আগামী সপ্তাহে বা তার পরের সপ্তাহে হতে পারে। ট্রাম্প বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়িয়েছিলেন। এর মেয়াদ মে মাসের মাঝামাঝি শেষ হতে যাচ্ছে।</p><p>ট্রাম্প অদূর ভবিষ্যতে নেতানিয়াহু ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক বৈঠক আয়োজনের অভিপ্রায়ের কথা জানিয়েছেন। কয়েক দশক ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে কোনো কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই।</p><p>আউন সম্প্রতি নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। এ ছাড়া দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলার পরিপ্রেক্ষিতে আউন ইসরায়েলি নেতার সঙ্গে সরাসরি বৈঠকে অংশ নিতে আগ্রহী হবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/n6v6rw6s/Iran-3.webp" /><figcaption>আব্বাস আরাগচিকে স্বাগত জানাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ (বাঁয়ে)</figcaption></figure><h3>মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে: শাহবাজ</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা কার্যত স্থবির হয়ে পড়লেও মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা ‘এখনো অব্যাহত রয়েছে’ বলে জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ শরিফ বলেছেন, ‘আমাদের ব্যাপক প্রচেষ্টার কারণে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, যা এখনো চলছে।’</p><p>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা এখনো অব্যাহত রয়েছে এবং এ ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না।’</p><p>এদিকে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আলোচকেরা ইরানিদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। হোয়াইট হাউসের দাবি, যুদ্ধের মধ্যে ইরান তাদের নেতৃত্বে নিয়ে সৃষ্ট পরিস্থিতি সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে।</p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি বলেছেন, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে কেবল এমন একটি চুক্তি করবেন, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা প্রাধান্য পাবে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রচ্ছন্ন হুমকির সুরে ইরানকে ‘বুদ্ধিমত্তা দেখানোর’ পরামর্শ দেওয়ার পরই হোয়াইট হাউস থেকে এই বিবৃতি দেওয়া হলো।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/50lgibc5/Iranarmy.jpg" /><figcaption>যুদ্ধবিরতির মধ্যে সামরিক প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে ইরানের সামরিক বাহিনী</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতির মধ্যে হামলার নতুন নতুন লক্ষ্যবস্তু ঠিক করেছে ইরান: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র</h3><p>ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসন বন্ধ থাকার সময়কালে ইরানের সামরিক বাহিনী তাদের লক্ষ্যবস্তুর তথ্যভান্ডার হালনাগাদ ও পুরোপুরি সমৃদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে সামরিক সরঞ্জামের মানোন্নয়ন করেছে।</p><p>ইরান পূর্ণ সামরিক প্রস্তুতির মধ্যে অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে মঙ্গলবার এক টেলিভিশন অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, সেনাবাহিনী এই যুদ্ধকে শেষ বলে মনে করছে না।</p><p>ব্রিগেডিয়ার আকরামিনিয়া বলেন, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যখনই লড়াই থেমেছে ও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে, তখনই শত্রুপক্ষের ওপর অনাস্থার কারণে সেনাবাহিনী তাদের লক্ষ্যগুলো হালনাগাদ করা, লক্ষ্যবস্তুর তালিকা সম্পূর্ণ করা, প্রশিক্ষণ অব্যাহত রাখা এবং যুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর প্রক্রিয়া চালিয়ে গেছে।</p><p>এই সেনা কর্মকর্তা আরও বলেন, সেনাবাহিনী তাদের সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও মানোন্নয়ন উভয় কাজই করেছে এবং ইরানের জন্য পরিস্থিতি মূলত এখনো যুদ্ধকালীন অবস্থার মতোই রয়ে গেছে।</p><p>সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, বাহিনীর নজরদারি, পর্যবেক্ষণ ও সরঞ্জাম সজ্জিত করার কার্যক্রম কোনো বিরতি ছাড়াই অব্যাহত রয়েছে। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, শত্রু যদি আবারও কোনো আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের ইরানের নতুন নতুন সামরিক সরঞ্জাম, কৌশল এবং লড়াইয়ের নতুন জায়গায় মোকাবিলা করতে হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/g7c5hzcf/us-attack.avif" /><figcaption>মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ ভেঙে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি তুসকা’ পার হওয়ার চেষ্টা করলে গত ২০ এপ্রিল আরব সাগরে টহল দেয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী</figcaption></figure><h3>৭২ ঘণ্টায় মার্কিন অবরোধ ভেঙেছে ৫২টি ইরানি জাহাজ: ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম</h3><p>৭২ ঘণ্টার মধ্যে ইরানের ৫২টি জাহাজ দেশটির জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা অবরোধ ভেঙেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সি।</p><p>স্থানীয় সময় গত সোমবার রাত ১০টা পর্যন্ত আগের তিন দিনের স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে এ খবর জানানো হয়েছে। জাহাজগুলোর মধ্যে ৩১টি তেলবাহী ট্যাংকার ও ২১টি পণ্যবাহী জাহাজ।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হয়। এরপর ২ মার্চ ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) ঘোষণা দেয়, হরমুজ প্রণালি জাহাজ চলাচলের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।</p><p>পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি। পরে ২১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে যুদ্ধবিরতি বাড়ানো হয়েছে; যা ইরানের আলোচনার প্রস্তাব পেশ করা পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/eckure8g/trump-tweet.jpg" /><figcaption>ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া ট্রাম্পের পোস্ট </figcaption></figure><h3>‘ভদ্র সাজার দিন শেষ’—ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে নতুন করে উত্তেজনা</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি কড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্ট ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে।</p><p>নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি ছবি শেয়ার করেছেন ট্রাম্প। সেখানে তাঁর পেছনে ভয়াবহ বিস্ফোরণের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। ছবির ওপর বড় অক্ষরে লেখা—‘নো মোর মি. নাইস গাই!’ (ভদ্র সাজার দিন শেষ!)।</p><p>ছবির সঙ্গে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, ইরান পরমাণু অস্ত্রমুক্ত চুক্তির পথে হাঁটতে ব্যর্থ হচ্ছে। তেহরানকে সতর্ক করে তিনি লেখেন, ইরানকে ‘দ্রুত বুদ্ধিমান (বাস্তব পরিস্থিতি বোঝা বা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া) হতে হবে’।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে যখন গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, ঠিক তখনই ট্রাম্পের এ কড়া বার্তা এল। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্পের অবস্থানে এক ধরনের অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে।</p><p>ট্রাম্প কখনো কূটনীতির মাধ্যমে সমাধানের কথা বলছেন, আবার কখনো আলোচনা ব্যর্থ হলে ভয়াবহ পরিণতির হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা, গালফ নিউজ ও মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/mq4v5k66/iran-khomeni-int-airport.jpeg" /><figcaption>তেহরানের প্রধান বিমানবন্দর</figcaption></figure><h3>৫৭ দিন পর সচল হলো ইরানের প্রধান বিমানবন্দর, শুরু ফ্লাইট চলাচল</h3><p>দীর্ঘ ৫৭ দিন বন্ধ থাকার পর ইরানের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ‘ইমাম খোমেনি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট’ আবার সচল হয়েছে। যুদ্ধের কারণে ইরানের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় রাজধানী তেহরানের এ প্রধান প্রবেশপথটি দীর্ঘ দিন অচল ছিল। তবে দুই দিন আগে আকাশসীমা খুলে দেওয়ার পর আবার ফ্লাইট শুরু হয়েছে।</p><p>স্বাভাবিক সময়ে এই বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০টি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা ১০ থেকে ১৫টিতে নেমেছে। তবে ধীরে ধীরে কার্যক্রম বাড়ছে এবং টার্মিনালগুলোতে যাত্রীদের ভিড় ফিরতে শুরু করেছে।</p><p>দেশজুড়ে অবকাঠামোগত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেই এ বিমানবন্দর সচল করা হয়েছে। তেহরানের দ্বিতীয় বিমানবন্দর ‘মেহরাবাদ’ যুদ্ধে বারবার হামলার শিকার হয়েছে। অভ্যন্তরীণ রুটে ব্যবহৃত হয় এ বিমানবন্দর। এছাড়া তাবরিজ ও উর্মিয়ার মতো দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরও হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল।</p><p>দীর্ঘ কয়েক দশকের নিষেধাজ্ঞা এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধে বেশ কিছু যাত্রীবাহী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ইরানের বিমান খাত বড় ধরনের সংকটে পড়েছে। বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।</p><p>দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে কিছুটা স্বাভাবিকতা ফিরলেও ইরানে মানুষের মনে রয়েছে শঙ্কা। যুদ্ধবিরতি এখন পর্যন্ত কার্যকর থাকলেও স্থায়ী শান্তি আসবে, নাকি আবারও সংঘাত শুরু হবে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ উদ্বিগ্ন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-02/dbjyhbds/Hegseth_Afp.jpg" /><figcaption>পিট হেগসেথ</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধ নিয়ে কংগ্রেসে আজ জেরার মুখে পড়ছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ</h3><p>ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এ প্রথম মার্কিন কংগ্রেসে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।</p><p>আজ বুধবার প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিস কমিটির এক শুনানিতে পিট হেগসেথ আইনপ্রণেতাদের কঠোর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ১.৫ ট্রিলিয়ন (দেড় লাখ কোটি) ডলারের প্রতিরক্ষা বাজেট নিয়ে আলোচনার জন্য এ শুনানির আয়োজন করা হয়েছে। তবে বাজেটের পাশাপাশি ইরান যুদ্ধ নিয়ে উত্তপ্ত বিতর্কের সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>এর আগে ইরান যুদ্ধের বিষয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দেওয়া তথ্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান—উভয় দলের আইনপ্রণেতারাই। ফলে আজকের শুনানি বেশ উত্তপ্ত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। শুনানিতে মার্কিন সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা জেনারেল ড্যান কেইনও সাক্ষ্য দেবেন।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/ijph60qq/south-lebanon.webp" /><figcaption>গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের আল-কান্তারা গ্রামে ইসরায়েলি হামলার পর ধোঁয়া উঠছে</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতির মধ্যেই দক্ষিণ লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল, নিহত ৮</h3><p>লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে নতুন করে বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণ করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। আজ বুধবার ভোরে লেবাননের হানিন শহরে এ হামলা চালানো হয়।</p><p>লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, ভোরে হানিন শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় বেশ কিছু ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে নাকুরা শহরেও ইসরায়েলি বাহিনী হামলা চালায়। সেখান থেকে রাতভর বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।</p><p>এনএনএর প্রতিবেদন অনুযায়ী, একই সময় খিয়াম শহরে বিমান হামলা ও গুলিবর্ষণ করেছেন ইসরায়েলি সেনারা। দক্ষিণ লেবাননের সীমান্ত এলাকায় গত কয়েক দিন ধরেই পাল্টাপাল্টি হামলার তীব্রতা বেড়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/y7fmuh99/south-lebanon-02.webp" /><figcaption>গতকাল মঙ্গলবার দক্ষিণ লেবাননের আরনুন গ্রামে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার পর বিস্ফোরণস্থল থেকে ধোঁয়া উঠছে
</figcaption></figure> <p>এদিকে মার্কিন সম্প্রচারমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ঘোষিত যুদ্ধবিরতি উপেক্ষা করে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলজুড়ে গতকাল ইসরায়েলি বাহিনীর চালানো ভয়াবহ হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও জাতীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/gaxnu1oo/Trump.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানের নৌ–অবরোধ ‘দীর্ঘায়িত করতে’ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ ট্রাম্পের, বাড়ছে তেলের দাম</h3><p>ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে—এমন খবরে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর সহযোগীদের অবরোধ দীর্ঘায়িত করার প্রস্তুতি নিতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।</p><p>গতকাল মঙ্গলবার শেষ দিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানায়, ইরানের অর্থনীতি ও তেল রপ্তানির ওপর চাপ বজায় রাখতে দেশটির বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ট্রাম্প। </p><p>এ খবরের পর আজ বুধবার সকালে বিশ্ববাজারে তেলের দাম নতুন করে বেড়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-29/bk453pjw/prothomalo-bangla2022-1220ce22ed-ca1e-4566-9a99-d1b9eee452703Dprintedoilbarrels.avif" /><figcaption>জ্বালানি তেল</figcaption></figure><p><strong>বাজারের বর্তমান চিত্র</strong></p><p>আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম টানা আট দিন ধরে বাড়ছে। জুন মাসের সরবরাহের জন্য এ তেলের দাম ৫২ সেন্ট বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১১ দশমিক ৭৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। জুনের চুক্তির মেয়াদ এ সপ্তাহে শেষ হওয়ায় জুলাই মাসের সরবরাহের আগাম দামও ০ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে ১০৪ দশমিক ৮৪ ডলার হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে, ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৫৭ সেন্ট বা ০ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে ১০০ দশমিক ৫০ ডলারে উঠেছে। গত আট কার্যদিবসের মধ্যে সাত দিনই এ তেলের দাম বেড়েছে।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা কাটছে না।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/7myhygcj/panama-canal.webp" /><figcaption>গত রোববার পানামা সিটিতে পানামা খাল পার হওয়ার অপেক্ষায় থাকা কয়েকটি পণ্যবাহী জাহাজ</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালি অবরোধ: পানামা খালে ভিড়ছে জাহাজ, গুনতে হচ্ছে বাড়তি অর্থ</h3><p>ইরান পরিস্থিতির কারণে আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে যুক্ত করা পানামা খালে জাহাজ চলাচলের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। পানামা খাল কর্তৃপক্ষের অর্থ বিভাগের প্রধান ভিক্টর ভিয়াল জানান, গত বছরের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গতবারের তুলনায় প্রায় ৩০০টি অতিরিক্ত জাহাজ এই জলপথ পাড়ি দিয়েছে।</p><p>রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি সভায় ভিক্টর ভিয়াল বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির সমাধান না হওয়া পর্যন্ত এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আমরা মনে করছি।’</p><p>মূলত হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ থাকায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ইরানের উপকূলীয় এ জলপথ এড়িয়ে চলতে বাণিজ্যিক জাহাজগুলো তাদের পথ পরিবর্তন করছে। অনেক ক্ষেত্রে অন্য দেশ থেকে পণ্য কেনাকাটায় জাহাজগুলো এখন বিকল্প হিসেবে পানামা খাল ব্যবহার করছে।</p><p>এ খাল পার হতে জাহাজভেদে গড়ে ৩ থেকে ৪ লাখ ডলার খরচ হয়। তবে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বলেছে, দ্রুত পারাপার নিশ্চিত করতে কোনো কোনো জাহাজকে বাড়তি ফি হিসেবে ৪ লাখ ২৫ হাজার ডলার পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-17/28zdb3xl/trump.webp" /><figcaption>ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাজা তৃতীয় চার্লস</figcaption></figure><h3>ইরানের কখনোই পরমাণু অস্ত্র থাকা উচিত নয়—আমার চেয়েও বেশি একমত রাজা চার্লস: ট্রাম্প</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র সফররত যুক্তরাজ্যের রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে ইরান পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। </p><p>হোয়াইট হাউসের এ অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে ট্রাম্প বলেন, ইরান যাতে কখনোই পরমাণু অস্ত্র তৈরি করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তাঁর সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন।</p><p>বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর প্রশাসন কাজ করছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, সেখানকার অবস্থা ‘খুবই ইতিবাচক’ দিকে যাচ্ছে।</p><p>বক্তব্যে ইরানকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উল্লেখ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা সামরিকভাবে ওই নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষকে পরাজিত করেছি। আমরা কখনোই তাদের পরমাণু অস্ত্র হাতে পেতে দেব না। এ বিষয়ে রাজা চার্লস আমার চেয়েও বেশি একমত।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>ইরানের ৩৫ ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/kw6kwy7q/prothomalo_bangla_2025_06_18_71y7h019____________________________.avif" /><figcaption>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা</figcaption></figure><p>&nbsp;ইরানের ‘ছায়া ব্যাংকিং’ ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত ৩৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ। যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় দেখা দেওয়া অচলাবস্থার মধ্যে নতুন করে এ নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।</p><p>মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট বলেন, নিষেধাজ্ঞার আওতায় আনা ব্যক্তি–প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি ডলারের অবৈধ তহবিল স্থানাস্তর হয়েছে। আর এসব অর্থ ইরানের ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে’ সহায়তা করেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ২ হাজার ৫৩৪</h3><p>লেবাননের ভূখণ্ডে এ বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৫৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><p>লেবাননের স্বাস্থ্য মস্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যের বরাতে দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এ খবর জানিয়েছে।</p><p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য, ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৭ হাজার ৮৬৩ জন আহত হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-27/7x0pw1tr/Wadipul.jpg" /><figcaption>জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল</figcaption></figure><h3>হরমুজ সংকট সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদকে ভূমিকা নিতে হবে: জার্মানি

</h3><p>বিশ্বজুড়ে জ্বালানি নিয়ে অস্থির পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালিতে অবরোধ তুলে নিতে ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে জার্মানি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডিপুল এই আহ্বান জানান। একইসঙ্গে তিনি বলেন, হরমুজ সংকট নিরসনে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে ভূমিকা নিতে হবে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রপথে ক্রমবর্ধমান সংকট নিয়ে উচ্চপর্যায়ের আলোচনার পর এখন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদকে ‘অবশ্যই ভূমিকা পালন করতে হবে’। এই সংকটের কারণে হাজার হাজার মালবাহী জাহাজ এবং প্রায় ২০ হাজার নাবিক আটকা পড়ে আছেন।</p><p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাডিপুল বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের উচিত ‘দায়িত্ব নেওয়া এবং একটি প্রস্তাব পাস করা’। তিনি জানান, জার্মানিও এই দায়বদ্ধতা নিতে আগ্রহী এবং সংস্থাটির সদস্যপদ পাওয়ার জন্য নির্বাচনে লড়ছে।</p><p>উল্লেখ্য, ১৫ সদস্যবিশিষ্ট জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি স্থায়ী সদস্য দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, চীন ও ফ্রান্স। বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য পদ বিভিন্ন অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বণ্টন করা হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-27/ouuzhsnj/92be91ea_09d4_4e84_9315_2d9f6b14be83.jpg" /><figcaption>ইরানের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3>শত্রুপক্ষ কোনো পদক্ষেপ নিলে রণক্ষেত্রে কঠিন জবাব পাবে: ইরানের সেনাবাহিনী</h3><p>ইরানের সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির জন্য পরিস্থিতি এখনও ‘যুদ্ধকালীন’ এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>ইরানের সেনাবাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের জন্য পরিস্থিতি এখনও যুদ্ধকালীন। আমাদের পর্যবেক্ষণ ও নজরদারি কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে।’</p><p>শত্রুপক্ষকে সতর্ক করে দিয়ে ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘শত্রু যদি নতুন কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার দুঃসাহস দেখায়, তবে তাদের সম্পূর্ণ নতুন ধরনের সরঞ্জাম, পদ্ধতি ও রণক্ষেত্রে কঠিন জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/6s7iuiwi/Trump-1.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরান ‘ভেঙে পড়ছে’, হরমুজ খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছে, দাবি ট্রাম্পের

</h3><p>বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে যুক্তরাষ্ট্রকে অনুরোধ করেছে ইরান— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ&nbsp;দাবি&nbsp;করেছেন।</p><p>নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ইরান এইমাত্র আমাদের জানিয়েছে যে, দেশটি বর্তমানে “ভেঙে পড়ার মতো অবস্থায়” রয়েছে। দেশটিতে নেতৃত্বের সংকট সমাধানের চেষ্টা চলাকালীন (যা আমার বিশ্বাস তারা সফলভাবেই করতে পারবে!) তারা চায়, আমরা যেন যত দ্রুত সম্ভব হরমুজ প্রণালি খুলে দিই।’&nbsp;</p><p>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ বিষয়ে&nbsp;ট্রাম্প অনেকবার ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়েছেন। এসব পোস্টের মধ্যে&nbsp;বেশ&nbsp;কিছু পরে অসত্য বলে প্রমাণ হয়।</p><p>সর্বশেষ ইরানের দেওয়া প্রস্তাব পর্যালোচনা করছেন ট্রাম্পসহ তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সদস্যরা। এই প্রস্তাবে ট্রাম্প সন্তুষ্ট হতে পারেনি বলে বিভিন্ন সূত্রে&nbsp;খবর প্রকাশ করেছে&nbsp;আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবের বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-12-01/dkbuw612/uae-flag.jpg" /><figcaption>সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3> ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোট থেকে বেরিয়ে গেল সংযুক্ত আরব আমিরাত</h3><p>সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ওপেক এবং ওপেক প্লাস জোটের সদস্যপদ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। আগামী ১ মে থেকে দেশটির পদত্যাগ কার্যকর হচ্ছে।</p><p>আমিরাতে এই পদক্ষেপ তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট এবং এই জোটের প্রকৃত নেতা সৌদি আরবের জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে, এমন এক সময়ে আমিরাত এই সিদ্ধান্ত নিল যখন, ইরান যুদ্ধ বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট তৈরি করেছে এবং বিশ্ব অর্থনীতিকে অস্থির করে তুলেছে।</p><p>ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলার কারণে ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়ায় ওপেকভুক্ত উপসাগরীয় দেশগুলো তেল রপ্তানি করতে হিমশিম খাচ্ছে। ইরান ও ওমানের মধ্যবর্তী এই সংকীর্ণ জলপথটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এলাকা, যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল এবং তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন করা হয়।</p><p>আঞ্চলিক ব্যবসার কেন্দ্রবিন্দু এবং ওয়াশিংটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র আমিরাত এই সিদ্ধান্তটি এমন সময় নিল, যখন তারা অভিযোগ করছে যে, যুদ্ধের সময় ইরানের অসংখ্য হামলা থেকে তাদের রক্ষা করার জন্য অন্য আরব দেশগুলো যথেষ্ট ভূমিকা রাখছে না।</p><p>১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত ওপেক বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহের ক্ষেত্রে অন্যতম শক্তিশালী সংগঠন, কারণ এই সংস্থাটি বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের এক-তৃতীয়াংশের বেশি উৎপাদন করে।</p><p>আমিরাত বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণার পর ওপেকের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১১। এগুলো হলো—</p><p>সৌদি আরব, ইরান, ইরাক, কুয়েত, ভেনেজুয়েলা, আলজেরিয়া, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, গ্যাবন, ইকুইটোরিয়াল গিনি এবং কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।</p><p>আর ওপেকের সব সদস্যই ওপেক প্লাসের সদস্য। এই জোটে আরও আছে রাশিয়া (জোটের অন্যতম প্রধান শক্তি), আজারবাইজান, বাহরাইন, ব্রুনাই, কাজাখস্তান, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, ওমান, দক্ষিণ সুদান এবং সুদান।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-23/zy1nwa6m/Iran-arrests.jpg" /><figcaption>ইরানের জাতীয় পতাকা</figcaption></figure><h3>অন্য দেশের ওপর নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অবস্থানে যুক্তরাষ্ট্র আর নেই: ইরান  </h3><p>যুক্তরাষ্ট্র অন্য দেশগুলোর ওপর নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অবস্থানে আর নেই বলে মনে করে ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আর স্বাধীন দেশগুলোর ওপর তার নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অবস্থানে নেই।’ তিনি আরও বলেন, ওয়াশিংটনকে এটা মেনে নিতে হবে যে, ইরানের কাছে চাওয়া অবৈধ এবং অযৌক্তিক দাবিগুলি বাদ দেবে তারা।</p><p>ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাব গতকাল পর্যালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সদস্যদের সঙ্গে ইরানের প্রস্তাবগুলো পর্যালোচনা করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স সূত্রের বরাত দিয়ে জানায়, ইরানের দেওয়া নতুন প্রস্তাবেও নাখোশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/vmvnx2ws/PutinaragchiProthomaloafp.jpg" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি হাত মেলান। সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠক করেছেন তাঁরা। রাশিয়া, ২৭ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের পূর্ণ অধিকার ইরানের আছে: রাশিয়া</h3><p>হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ করার পূর্ণ অধিকার ইরানের রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া। একই সঙ্গে পশ্চিমা দেশগুলোর বিরুদ্ধে ‘ভণ্ডামি’ ও ‘জলদস্যুতার’ অভিযোগ তুলেছেন তিনি।</p><p>জাতিসংঘে দেওয়া বক্তব্যে ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, ‘পুরো দায়ভার ইরানের ওপর চাপানোর একটি চেষ্টা চলছে, যেন মনে হয় ইরানই তার প্রতিবেশীদের ওপর হামলা করেছে। কিন্তু যুদ্ধের সময় কোনো উপকূলীয় দেশ আক্রান্ত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে তারা নিজ জলসীমায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।’</p><p>পশ্চিমা দেশগুলোকে জলদস্যুদের সঙ্গে তুলনা করে রুশ রাষ্ট্রদূত বলেন, কৃষ্ণসাগরে রাশিয়ার বাণিজ্যিক জাহাজে ইউক্রেনের হামলায় সমর্থন দিয়ে ইউরোপীয় দেশগুলো আইন লঙ্ঘন করছে।</p><p>নেবেনজিয়া আরও বলেন, ‘জলদস্যুরা যেমন জাহাজে কঙ্কাল আঁকা কালো পতাকা উড়িয়ে আক্রমণ করে, পশ্চিমা দেশগুলো তেমনটা করে না। তারা তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ডকে একতরফা জবরদস্তিমূলক ব্যবস্থার (নিষেধাজ্ঞা) আড়ালে লুকোনোর চেষ্টা করছে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-03/j4ssg2zf/880773-01-02.jpg" /><figcaption>জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত একটি বৈঠকে বক্তব্য দেন মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস</figcaption></figure><h3>জাতিসংঘ পরমাণু সম্মেলনের সহ–সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় ইরানের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়াল যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তির (এনপিটি) পর্যালোচনা সম্মেলনে ইরানকে অন্যতম সহ-সভাপতি নির্বাচিত করা নিয়ে জাতিসংঘে বিতণ্ডায় জড়াল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। ইরানের এ নির্বাচনকে এনপিটি চুক্তির প্রতি ‘উপহাস’ বলে বর্ণনা করেছে ওয়াশিংটন।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরান তাদের পারমাণবিক দায়বদ্ধতা পালনে ব্যর্থ হয়েছে এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সঙ্গেও পূর্ণ সহযোগিতা করছে না। অন্যদিকে, ওয়াশিংটনের এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান।</p><p>ইরান বলেছে, পরমাণু চুক্তি মেনে চলার বিষয়ে মন্তব্য করার নৈতিক অধিকার বা গ্রহণযোগ্যতা যুক্তরাষ্ট্রের নেই। তারা যুক্তি দিয়ে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রই বিশ্বের একমাত্র দেশ, যারা যুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/l7bl3fbp/Russias-Defence-Minister.jpg" /><figcaption>মস্কোর ন্যাশনাল ডিফেন্স কন্ট্রোল সেন্টারে এক অনুষ্ঠানে রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ। ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫</figcaption></figure><h3>‘যেকোনো পরিস্থিতিতে’ একে অপরের পাশে থাকবে রাশিয়া ও ইরান: রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী</h3><p>রাশিয়া ও ইরান যেকোনো পরিস্থিতিতে একে অপরকে সহযোগিতা ও সমর্থন দিয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী আন্দ্রেই বেলোসভ।</p><p>ইরানের উপ–প্রতিরক্ষামন্ত্রী রেজা তালাই-নিকের সঙ্গে এক বৈঠকে আন্দ্রেই বেলোসভ এ কথা বলেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা এবং ঘনিষ্ঠতা দিন দিন আরও বাড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে দুই দেশের পক্ষ থেকেই চলমান সংকট ও সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/58w22q21/Gulf-of-Oman-27-December-2019-1.jpg" /><figcaption>ওমান উপসাগরে ইরান-রাশিয়া-চীন নৌমহড়া চলাকালীন চাবাহার বন্দরে রুশ নৌবাহিনীর ফ্রিগেট ‘ইয়ারোস্লাভ মুদ্রো’</figcaption></figure><h3>মার্কিন অবরোধের মধ্যেই ইরানি বন্দরের কাছে তেল ট্যাংকারের ভিড়</h3><p>হরমুজ প্রণালির বাইরে ইরানের চাবাহার বন্দরের কাছে বেশ কিছু তেল ট্যাংকার জড়ো হয়েছে। ব্লুমবার্গের বরাত দিয়ে মিডল ইস্ট আই জানিয়েছে, কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ছবিতে এ দৃশ্য ধরা পড়েছে।</p><p>ছবিতে দেখা গেছে, ওই এলাকায় অন্তত আটটি বড় তেল ট্যাংকার ও বেশ কিছু ছোট জাহাজ অবস্থান করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ ভিড় দেখে বোঝা যায়, ইরান এখনো তেল উত্তোলন ও তা জাহাজে বোঝাই করা অব্যাহত রেখেছে।</p><p>তবে এটি মার্কিন নৌ–অবরোধের প্রভাবকেও স্পষ্ট করে তুলছে। ইরানি বন্দরের ওপর এ অবরোধের কারণে বিশ্ববাজারে ইরানের অপরিশোধিত তেল সরবরাহ সীমিত হয়ে পড়েছে। ফলে তেল রপ্তানি রুটের মুখে এ জট তৈরি হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/dnyj83z8/iran-ship.jpg" /><figcaption>ইরানের একটি বন্দরে যাওয়ার চেষ্টার সময় ইরানি পতাকাবাহী ট্যাংকার ‘এম/টি স্ট্রিম’কে বাধা দিচ্ছে মার্কিন গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’। ২৬ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালি অবরোধ: ইরানের জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের অংশ হিসেবে একটি ইরানি পতাকাবাহী তেলের ট্যাংকার জব্দ করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।</p><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) বলেছে, তাদের গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’ অভিযান চালিয়ে ‘এম/টি স্ট্রিম’ নামের ওই ট্যাংকারটি থামিয়ে দেয়।</p><p>সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, ট্যাংকারটি অবরোধ অমান্য করে ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছিল।</p><p>জাহাজ চলাচলের তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘মেরিন ট্রাফিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটিকে সর্বশেষ মালাক্কা প্রণালিতে অবস্থান করতে দেখা গিয়েছিল।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Guided-missile destroyer USS Rafael Peralta (DDG 115) enforces the U.S. blockade of Iranian ports against M/T Stream after it attempted to sail to an Iranian port, April 26. <a href="https://t.co/mPCIp5rLlO">pic.twitter.com/mPCIp5rLlO</a></p>&mdash; U.S. Central Command (@CENTCOM) <a href="https://twitter.com/CENTCOM/status/2048916276441956362?ref_src=twsrc%5Etfw">April 28, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ইরান-সংশ্লিষ্ট তেলের ট্যাংকার এভাবে মাঝসমুদ্রে আটকে দেওয়ার ঘটনাকে এর আগেও ‘জলদস্যুতা ও সশস্ত্র ডাকাতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপের বিষয়ে তেহরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-09/a24d6506-6670-4e65-bfaa-9e908e4f710c/Iran.webp" /><figcaption>ইরানি নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ জামারান হরমুজ প্রণালিতে সম্প্রতি দুটি জাহাজ জব্দ করে</figcaption></figure><h3>জাতিসংঘ সমুদ্র আইন মানতে বাধ্য নয় তেহরান: ইরান</h3><p>জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাইদ ইরাভানি গতকাল সোমবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, তাঁর দেশ জাতিসংঘের সমুদ্র আইন মেনে চলতে ‘বাধ্য নয়’। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নেওয়া বিভিন্ন নৌ-পদক্ষেপের পক্ষে যুক্তি দিয়েছেন তিনি।</p><p>ইরাভানি যুক্তি দেন, বর্তমান ‘অত্যন্ত অস্থিতিশীল’ পরিস্থিতিতে উপকূলীয় নিরাপত্তা ও নিরাপদ নৌ-চলাচলের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপগুলো নেওয়া হয়েছে।</p><p>ইরানি প্রতিনিধি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কিছু সদস্যের বিরুদ্ধে ‘দ্বিমুখী নীতি’র অভিযোগ তুলে বলেন, তারা ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ-অবরোধ এড়িয়ে যাচ্ছে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Iran’s representative to the United Nations, Amir Saeid Iravani, stated on Monday that Iran is “not bound” by the UN Law of the Sea and defended his country’s maritime actions in the Strait of Hormuz <a href="https://t.co/up9OgJfZEE">pic.twitter.com/up9OgJfZEE</a></p>&mdash; Middle East Eye (@MiddleEastEye) <a href="https://twitter.com/MiddleEastEye/status/2048920313023603066?ref_src=twsrc%5Etfw">April 28, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ইরাভানি আরও বলেন, ‘সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিয়ে তাদের এ উদ্বেগ কোনোভাবেই বাস্তবসম্মত নয় এবং তাদের কর্মকাণ্ড ও অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণও নয়।’</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-18/3jz8ifkn/USS-Gerald-R.-Ford.jpg" /><figcaption>বৃহত্তম মার্কিন রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড</figcaption></figure><h3>১ মে’র সময়সীমা—ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা নিয়ে অনিশ্চয়তা</h3><p>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করলেও নতুন করে শান্তি আলোচনার জন্য কোনো সময়সীমা ঘোষণা করেননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত বুধবার তিনি জানান, তেহরানের ওপর গত এক সপ্তাহ ধরে চলা অবরোধ অব্যাহত থাকবে এবং আলোচনার জন্য ইরান কী ‘প্রস্তাব’ দেয়, তার অপেক্ষায় থাকবে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>তবে আলোচনার টেবিলের সময় না থাকলেও ট্রাম্পের জন্য দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন কংগ্রেসের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা।</p><p>‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন’ অনুযায়ী, ১ মে’র মধ্যে ট্রাম্পকে কংগ্রেসের কাছ থেকে সামরিক অভিযানের অনুমোদন নিতে হবে। এ আইন (কখনো কখনো ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট বলা হয়) অনুযায়ী, কংগ্রেসের বিশেষ অনুমতি ছাড়া কোনো সংঘাতপূর্ণ এলাকায় ৬০ দিনের বেশি সেনা মোতায়েন রাখার ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের নেই। এ অনুমোদনের জন্য প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয় কক্ষেই সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় প্রস্তাব পাস হতে হয়, যা এখন পর্যন্ত হয়নি।</p><p>তবে অতীতে অনেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট অন্য আইনি অজুহাতে এই নিয়ম এড়িয়ে সামরিক অভিযান চালিয়ে গেছেন।</p><p><strong>ওয়ার পাওয়ারস অ্যাক্ট কী</strong></p><p>১৯৭৩ সালে প্রণীত এই ফেডারেল আইনের মূল লক্ষ্য ছিল, বিদেশের মাটিতে যুদ্ধে জড়ানোর ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের একক ক্ষমতা খর্ব করা। এই আইন অনুযায়ী, সামরিক পদক্ষেপ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রেসিডেন্টকে কংগ্রেসকে অবহিত করতে হয়। এরপর তিনি সর্বোচ্চ ৬০ দিন সেনা মোতায়েন রাখতে পারেন। কংগ্রেস চাইলে আরও ৩০ দিন সময় বাড়াতে পারে। তবে এর বেশি সময় সেনা মোতায়েন রাখতে হলে কংগ্রেসের চূড়ান্ত অনুমোদন বা যুদ্ধ ঘোষণা প্রয়োজন।</p><p>কলোরাডো ল’ স্কুলের আইনের সহযোগী অধ্যাপক মারিয়াম জামশিদি বলেন, ‘৬০ দিনের মেয়াদ আরও ৩০ দিন বাড়াতে হলে প্রেসিডেন্টকে লিখিতভাবে জানাতে হবে যে, সামরিক প্রয়োজনে এটি ‘অপরিহার্য’। অন্যথায় ৯০ দিন পর সেনা সরিয়ে নিতে প্রেসিডেন্ট বাধ্য। তবে তিনি আরও বলেন, প্রেসিডেন্টকে এটি মানতে বাধ্য করার আইনি পথ বেশ জটিল। অনেক সাবেক প্রেসিডেন্ট এ আইনকে ‘অসাংবিধানিক’ দাবি করে তা মানতে অস্বীকার করেছেন।</p><p><strong>কংগ্রেসের অনুমোদন কি পাবেন ট্রাম্প</strong></p><p>বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের জন্য কংগ্রেসের অনুমোদন পাওয়া ট্রাম্পের জন্য বেশ কঠিন। কারণ ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের মধ্যে এ নিয়ে গভীর বিভেদ রয়েছে।</p><p>গত ১৫ এপ্রিল প্রেসিডেন্টের যুদ্ধ করার ক্ষমতা সীমিত করার একটি দ্বিপক্ষীয় প্রচেষ্টা ৫২-৪৭ ভোটে সিনেটে ব্যর্থ হয়। ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘সিনেটের রিপাবলিকান নেতারা এমন একটি যুদ্ধের ওপর নজরদারি করতে অস্বীকার করছেন, যাতে প্রতি সপ্তাহে শত শত কোটি ডলার খরচ হচ্ছে—এটি বিস্ময়কর।’</p><p>রিপাবলিকানদের বড় একটি অংশ এ পর্যন্ত ট্রাম্পকে সমর্থন দিলেও ৬০ দিন পার হওয়ার পর কংগ্রেসের অনুমোদন বাধ্যতামূলক বলে মনে করছেন। রিপাবলিকান সিনেটর জন কার্টিস বলেন, ‘আমি মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় প্রেসিডেন্টের পদক্ষেপ সমর্থন করি। তবে কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া ৬০ দিনের বেশি সামরিক তৎপরতা সমর্থন করব না।’</p><p>রিপাবলিকান কংগ্রেস সদস্য ডন বেকনও একই সুরে বলেন, অনুমোদন না পেলে আইনত অভিযান বন্ধ করতে হবে।</p><p>এমনকি ট্রাম্পের কট্টর সমর্থক অনেক রিপাবলিকানও দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের আশঙ্কায় অস্বস্তিতে রয়েছেন। তাঁরা এ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা খর্ব করার চেষ্টায় বাধা দিলেও, যুদ্ধ ৬০ দিনের বেশি গড়ালে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করতে পারেন বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/2hush3tc/trump-111111.webp" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরানের দেওয়া প্রস্তাব ট্রাম্পের গ্রহণ না করার ইঙ্গিত: সিএনএন</h3><p>ইরানের দেওয়া সাম্প্রতিক প্রস্তাব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রহণ করবেন না বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। অভ্যন্তরীণ আলোচনার বিষয়ে অবগত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ক কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক বৈঠকে ট্রাম্প তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। একটি সূত্র জানিয়েছে, ইরানের এ প্রস্তাব অনুমোদনের সম্ভাবনা ‘খুবই কম’।</p><p>মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ ইস্যুর সমাধান না করে শুধু হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে চুক্তি করলে তা আলোচনায় ওয়াশিংটনকে দুর্বল করে তুলবে।</p><p>হোয়াইট হাউসের একজন সহযোগী জানিয়েছেন, ‘মার্কিন জনগণের স্বার্থ রক্ষা না হওয়া পর্যন্ত প্রশাসন কোনো চুক্তিতে যাবে না।’ পাশাপাশি তেহরানের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা আসলে কার হাতে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/z11acyhc8x">যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান, কী আছে তাতে</a></aside><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/3dcrt9t7/new-british-counterpart.jpg" /><figcaption>উত্তর-পশ্চিম ইংল্যান্ডের লিভারপুলে এক সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ পাঠ করছেন ইভেট কুপার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪</figcaption></figure><h3>বিশ্ব অর্থনীতিকে ‘জিম্মি’ করতে পারে না ইরান: যুক্তরাজ্য</h3><p>হরমুজ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণকে ব্যবহার করে ইরান যেন ‘বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি’ করতে না পারে, সেজন্য দেশটির ওপর চাপ বাড়াচ্ছে যুক্তরাজ্য। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের একটি বড় অংশ এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। এ পথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন বৈশ্বিক অর্থনীতির জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে।</p><p>কুপার জানান, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা সফল করতে ব্রিটিশ সরকার কাজ করছে।</p><p>ব্রিটিশ কর্মকর্তারা বারবার সতর্ক করে বলছেন যে, হরমুজ প্রণালিতে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা দেখা দিলে জ্বালানি তেলের দাম অনেক বাড়তে পারে। এটি বিশ্ববাজারকে অস্থিতিশীল করে তোলার পাশাপাশি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট তৈরি করবে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/dqv8nums/jean-noel-barrot-french-foreign-minister.webp" /><figcaption>ফ্রান্সের নিসে ‘ইউনাইটেড নেশনস ওশান কনফারেন্স’-এর সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দিচ্ছেন দেশটির ইউরোপ ও পররাষ্ট্রবিষয়ক মন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো। ১০ জুন ২০২৫</figcaption></figure><h3>মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে ইরানকে ‘বড় ছাড়’ দিতে হবে: ফ্রান্স</h3><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ইরানকে ‘বড় ধরনের ছাড়’ দেওয়ার মানসিকতা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-নোয়েল বারো।</p><p>জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে দেওয়া এক বক্তব্যে জ্যঁ-নোয়েল বলেন, তেহরান যদি তাদের বর্তমান অবস্থানের ‘আমূল পরিবর্তন’ না করে, তবে এই সংকটের কোনো স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।</p><p>জ্যঁ-নোয়েল আরও বলেন, ইরানের উচিত তাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ‘শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান’ নিশ্চিত করা। এ ধরনের পরিবর্তন দেশটির সাধারণ মানুষকে তাদের ভবিষ্যৎ গড়তে সহায়তা করবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।</p><p>বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও আলোচনা অনেকটা স্থবির হয়ে আছে। এমন এক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফ্রান্সের পক্ষ থেকে এ মন্তব্য এল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-28/gwgsyvrq/169179-01-02.jpg" /><figcaption>ইরানের মিনাব শহরের স্কুলে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও থেকে ছবিটি নেওয়া হয়েছে</figcaption></figure><h3>ইরানের মিনাব স্কুলে হামলায় নিহতের সংখ্যা ১৫৫: রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধের প্রথম দিন ইরানের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় নিহতের বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির সরকার। আজ মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, ওই হামলায় মোট ১৫৫ জন নিহত হয়েছেন।</p><p>রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি ও স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হরমুজগান প্রদেশের মিনাব শহরের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল ওই হামলা চালায়। এতে ৭৩ ছেলে শিশু ও ৪৭ মেয়ে শিশু প্রাণ হারায়।</p><p>দিনটি ছিল ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের একযোগে আক্রমণ শুরুর প্রথম দিন। এর জবাবে তেহরানও ইসরায়েল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে পাল্টা হামলা চালায়।</p><p>আইআরআইবি তাদের টেলিগ্রাম পোস্টে জানায়, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬ জন শিক্ষক, ৭ জন অভিভাবক, একজন স্কুলবাস চালক ও স্কুলের পাশের ক্লিনিকের একজন ফার্মাসি টেকনিশিয়ান রয়েছেন।</p><p>নতুন এ তথ্যের ফলে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৫–এ। এটি আগে ১৭৫ এর বেশি বলে ধারণা করা হয়েছিল। এদিকে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর প্রাথমিক তদন্তের তথ্যমতে, লক্ষ্যবস্তু নির্ধারণে ভুলের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘টমাহক ক্রুজ মিসাইল’ স্কুলটিতে আঘাত হানে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরুতে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, এ ঘটনার জন্য ইরান নিজেই দায়ী হতে পারে। তবে ইরানের কাছে কোনো টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নেই।</p><p>জাতিসংঘের মানবাধিকার পরিষদে দেওয়া এক ভিডিও ভাষণে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওই হামলাকে একটি ‘পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক আক্রমণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।</p><p>আরাগচি জোর দিয়ে বলেন, ‘মার্কিন-ইসরায়েলি আক্রমণকারীরা যখন দাবি করে, তাদের কাছে বিশ্বের সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তি ও নিখুঁত লক্ষ্যভেদী সামরিক সরঞ্জাম এবং ডেটা সিস্টেম রয়েছে; তখন স্কুলটিতে এ হামলা ইচ্ছাকৃত ছিল না—এটি কেউ বিশ্বাস করবে না।’</p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><h3>লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত বেড়ে ২ হাজার ৫২১</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/ksu63h3w/Israeli_strike_in_Beirut.avif" /><figcaption>লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলার পর উদ্ধারকাজ চলছে। গত ৮ এপ্রিল তোলা</figcaption></figure><p>লেবাননের ভূখণ্ডে এ বছরের ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৫২১ জনে দাঁড়িয়েছে।</p><p>লেবাননের স্বাস্থ্য মস্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্যের বরাতে দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা (এনএনএ) এ খবর জানিয়েছে। </p><p>স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হালনাগাদ তথ্য, ইসরায়েলের হামলায় লেবাননে ৭ হাজার ৮০৪ জন আহত হয়েছেন। </p><p>ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে এখন যুদ্ধবিরতি চলছে। তবে তা ক্রমেই ভঙ্গুর হয়ে পড়ছে। যুদ্ধবিরতির মাঝে গত দুই দিনে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে অন্তত ২২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে এনএনএ। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-11/6fimukml/Iran-Hormuz-4.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><h3>ইরানের দেওয়া প্রস্তাব ট্রাম্পসহ নীতিনির্ধারকেরা পর্যালোচনা করছেন: হোয়াইট হাউস

</h3><p>যুদ্ধ বন্ধ এবং গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পসহ নীতিনির্ধারকদের আলোচনার টেবিলে রয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশটির নীতিনির্ধারকেরা এই প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন।</p><p>হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করছি, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আজ সকালে তাঁর জাতীয় নিরাপত্তা দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন। বৈঠকটি এখনো চলছে কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিত নয়। তবে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হচ্ছে।’</p><p>চলমান যুদ্ধ বন্ধ ও হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করতে ওয়াশিংটনের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। তবে এতে ইরান একটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে; তাদের দাবি অনুযায়ী, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিতর্কিত আলোচনাগুলো এই মুহূর্তে নয়, বরং ভবিষ্যতের জন্য স্থগিত রাখতে হবে।</p><p>এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুরু থেকেই অনড় অবস্থানে রয়েছেন যে, ইরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে দেওয়া হবে না। মুখপাত্র লেভিট বলেন, ইরানের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমাগুলো অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-28/upog65c5/marco-rubio.jpg" /><figcaption>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি করতে ‘আন্তরিক’ ইরান, মন্তব্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিওর</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর বিষয়ে ইরান আন্তরিক (সিরিয়াস) বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, যেকোনো চুক্তির ক্ষেত্রে অবশ্যই ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথ বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।</p><p>ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রুবিও এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা যে সংকটের মধ্যে রয়েছে, তা থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে তারা যথেষ্ট আন্তরিক।’</p><p>ইরানের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে রুবিও বলেন, দেশটিতে বর্তমানে উচ্চ  মূল্যস্ফীতি এবং বেতন দেওয়ার ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়েছে। এর ওপর রয়েছে চলমান নিষেধাজ্ঞা। রুবিওর মতে, ‘সংঘাত শুরুর আগে ইরানের যেসব সমস্যা ছিল, সেগুলো তো রয়েছেই, তার বেশিরভাগই এখন আরও প্রকট হয়েছে।’</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের নিশ্চিত করতে হবে, যেকোনো চুক্তির ফলে তারা যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে দ্রুত এগিয়ে যেতে না পারে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/ek56jhs4/PutinAragchiAFPProthomalo.jpg" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি করমর্দন করেন। সেন্ট পিটার্সবার্গ, ২৭ এপ্রিল</figcaption></figure><h3>ইরানের প্রতি রাশিয়ার ‘অটল’ সমর্থনে কৃতজ্ঞতা জানালেন আরাগচি

</h3><p>রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তাঁর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। আরাগচি বলেন, ‘আমরা পুরো বিশ্বকে প্রমাণ করে দিয়েছি যে, রাশিয়ান ফেডারেশনের মতো ভালো বন্ধু ও মিত্র ইরানের পাশে রয়েছে।’</p><p>ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতি রাশিয়ার ‘দৃঢ় ও অটল’ অবস্থানের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে আরাগচি বলেন, ‘আপনাদের এই অবিচল সমর্থনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।’</p><p>গতকাল পাকিস্তান থেকে রওনা হয়ে রাশিয়ায় পৌঁছান আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ। গত শনিবার পাকিস্তানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেন আরাগচি। ওইদিনই তিনি ওমানে যান। সেখানে দেশটির আমিরের সঙ্গে বৈঠক করেন। এরপর গতকাল পাকিস্তানে ফিরে কয়েক ঘণ্টা অবস্থানের পর রাশিয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রা&nbsp;করেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/exwwy8bn/Putin_aragchi_Prothomalo_afp.jpg" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি হাত মেলান। সেন্ট পিটার্সবার্গে বৈঠক করেছেন তাঁরা। রাশিয়া, ২৭ এপ্রিল</figcaption></figure><h3>পুতিনের কাছে খামেনির বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিলেন আরাগচি</h3><p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির বিশেষ বার্তা পৌঁছে দিয়েছেন আব্বাস আরাগচি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি আজ সোমবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেন।</p><p>এই বৈঠকে খামেনির বার্তা পুতিনের কাছে পৌঁছে দেন আরাগচি। রাশিয়ার সঙ্গে ইরানের ‘কৌশলগত অংশীদারিত্ব’ চুক্তি রয়েছে। ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলা শুরুর পর থেকেই মস্কো ও তেহরান সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলছে।&nbsp;</p><p>আজ বৈঠকে পুতিন জানিয়েছেন, ইরানসহ ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর স্বার্থে রাশিয়া সম্ভাব্য সবকিছু করবে।</p><p>ইরানের প্রতি মস্কোর সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ইরানের লড়াই অব্যাহত থাকবে।<strong><br></strong>সূত্রমতে, খুব শিগগিরই পুতিন, রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী লাভরভ এবং উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একটি বিশেষ আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে চলমান আলোচনার বর্তমান পরিস্থিতিই হবে এই বৈঠকের মূল বিষয়বস্তু।</p><p>ক্রেমলিন জানিয়েছে, তারা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিকভাবে এই সংঘাত নিরসনে এবং সমাধানের পথ খুঁজতে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।</p><p>যুদ্ধ শুরুর পর রাশিয়া ইরানে অস্ত্র সরবরাহের দাবি প্রত্যাখ্যান করলেও পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর দাবি ভিন্ন। তাদের মতে, রাশিয়া ইরানকে ড্রোন সরবরাহে রাজি হয়েছে। এমনকি মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলার লক্ষ্যবস্তু সংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান নিয়েও দুই দেশের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/5ti7qfbk/PutinArgchiprothomalo.jpg" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্বাগত জানান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে। এরপর তাঁরা বৈঠকস্থলের দিকে এগিয়ে যান। রাশিয়া , ২৭ এপ্রিল</figcaption></figure><h3>ইরানসহ ওই অঞ্চলের দেশগুলোর স্বার্থে রাশিয়া সম্ভাব্য সবকিছু করবে: পুতিন</h3><p>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। দেশটির স্থানীয় সংবাদ সংস্থার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পুতিন বলেন, ইরানসহ ওই অঞ্চলের অন্যান্য দেশগুলোর স্বার্থে রাশিয়া সম্ভাব্য সবকিছু করবে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ইরানের জনগণ বর্তমানের এই ‘কঠিন সময়’ কাটিয়ে উঠবে এবং সেখানে শান্তি ফিরে আসবে।&nbsp;</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিতে যুদ্ধের প্রভাব নিয়ে স্টারমারের জরুরি বৈঠক

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-09/u2fubgyj/Keir-Starmer.jpg" /><figcaption>যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার</figcaption></figure><p>ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা করতে আগামীকাল মঙ্গলবার বৈঠক করবেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এই বৈঠকে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড ও সরকারের জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা কমিটির (কোবরা) প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।</p><p>আজ সোমবার ট্রেড ইউনিয়ন সদস্যদের স্টারমার বলেন, ‘যুদ্ধের প্রভাব পর্যালোচনায় আগামীকাল আমি কোবরার একটি বৈঠকে সভাপতিত্ব করব। সেখানে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের কর্মকর্তাদেরও রাখা হয়েছে। এই সংকটে আমরা কর্মজীবী মানুষের পাশে থাকব, এ বিষয়ে আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন।’</p><p>জ্বালানির দাম বৃদ্ধির উদাহরণ টেনে স্টারমার বলেন, ‘ইরান পরিস্থিতি নিয়ে আমাকে সত্য কথাটা বলতে হবে। আসল কথা হলো, এই যুদ্ধের অর্থনৈতিক ধাক্কা আমাদের আরও অনেক দিন সইতে হতে পারে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ আছে: ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/g22dnrrh/Mohammad_Baqer_Qalibaf.avif" /><figcaption>ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ</figcaption></figure><p>ওয়াশিংটন ও তেহরানের অর্থনৈতিক ‘কার্ড’ বিশ্লেষণ করেছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের গালিবাফ। এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের আধিপত্যের দাবি তিনি নাকচ করেছেন। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র তার শক্তির বড় অংশই ইতিমধ্যে হারিয়েছে। অন্যদিকে, তেহরানের হাতে এখনো গুরুত্বপূর্ণ কিছু ‘কার্ড’ রয়েছে, যা ব্যবহার করা হয়নি। </p><p>গতকাল রোববার রাতে নিজের এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া পোস্টে গালিবাফ এই বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।</p><p>ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার একটি সমীকরণ তুলে ধরেন। এর একদিকে রয়েছে ইরানের সরবরাহভিত্তিক সক্ষমতা—হরমুজ প্রণালি, বাব এল-মান্দেব প্রণালি ও তেলের পাইপলাইন। </p><p>সমীকরণের অন্যদিকে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের চাহিদাভিত্তিক পদক্ষেপ—কৌশলগত মজুত থেকে তেল ছাড়, চাহিদা নিয়ন্ত্রণ ও সম্ভাব্য মূল্য সমন্বয়।</p><p>ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, তেহরানের হাতে এমন কিছু বিকল্প আছে, যা এখনো ব্যবহার করা হয়নি। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ইতিমধ্যে তার বেশ কিছু হাতিয়ার ব্যবহার করেছে বা আংশিকভাবে প্রয়োগ করেছে। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ করে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার লিখেছেন, ‘ওরা কার্ড নিয়ে বড়াই করছে। দেখা যাক: সরবরাহ কার্ড = চাহিদা কার্ড।’</p><p>তেহরানের কার্ড প্রসঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, হরমুজ প্রণালি কার্ড আংশিক ব্যবহার হয়েছে। বাব এল-মান্দেব কার্ড ব্যবহার হয়নি। পাইপলাইন কার্ডও ব্যবহার করা হয়নি।</p><p>ওয়াশিংটনের কার্ড প্রসঙ্গে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বলেন, মজুত থেকে তেল বাজারে ছাড়া হয়েছে। চাহিদা নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আংশিক ব্যবহৃত হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও মূল্য সমন্বয় আসবে। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ‘অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার’ দিকটি তুলে ধরে  ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার আরও বলেন, গ্রীষ্মকালীন ছুটির মৌসুমে দেশটিতে জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় নিতে হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ </p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের কারণে আলোচনা ব্যর্থ হয়েছে: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/t9q4lr0x/Araghchi.avif" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><p>পাকিস্তানের ইসলামাবাদে তেহরান–ওয়াশিংটন আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।</p><p>আজ সোমবার রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছানোর পর ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক এই মন্তব্য করেন। এখানেই রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আব্বাস আরাগচির বৈঠক করার কথা রয়েছে।</p><p>আব্বাস আরাগচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও অতিরিক্ত দাবির কারণে অগ্রগতি সত্ত্বেও আগের দফার আলোচনা লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/z11acyhc8x">যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান, কী আছে তাতে</a></aside><h3>হরমুজ বন্ধ, হাজারো নাবিক জানেন না কবে ফিরবেন</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/lnpolsdf/Strait-of-Hormuz.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে নৌযান।২২ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><p>বন্ধ হরমুজ প্রণালিতে ১০৫টির বেশি ট্যাঙ্কারে প্রায় ২ হাজার ৪০০ জন নাবিক আটকে আছেন। ট্যাঙ্কার কোম্পানিগুলোর একটি বাণিজ্য সংগঠন এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>ইরান জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি আবার চালু করা সম্ভব নয়। </p><p>এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) পরিবহন করা হয়। </p><p>বিবিসির ‘টুডে’ অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে ট্যাঙ্কার বাণিজ্য সংগঠন ইন্টারট্যাঙ্কোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক টিম উইলকিন্স বলেন, হরমুজ প্রণালির এই বন্ধ অবস্থার কারণে ইরানের উপকূলে বহু নাবিক আটকে আছেন। </p><p>জাহাজগুলোতে থাকা ক্রুদের মধ্যে তীব্র উদ্বেগ, মানসিক চাপ ও ক্লান্তি ভর করেছে বলে উল্লেখ করেন টিম উইলকিন্স। তিনি বলেন, ক্রুদের খাবার, পানিসহ মৌলিক সরবরাহ ও আবর্জনা ব্যবস্থাপনার মতো কাজ সামলাতে হচ্ছে।</p><p>টিম উইলকিন্স আরও বলেন, ‘অনেকেই জাহাজে আটকে আছেন। এবং তাঁরা কবে বাড়ি ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চয়তা নেই।’</p><p>ইরান–যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও এই অঞ্চলের নৌপথে সংঘাতসহ পাল্টাপাল্টি পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। </p><p>গত সপ্তাহে ইরান জানায়, তারা হরমুজ প্রণালিতে দুটি কার্গো জাহাজ ‘পরিদর্শনের’ জন্য আটক করেছে। </p><p>পাশাপাশি কিছু জাহাজ এই পথ অতিক্রমের সময় হামলার শিকার হয় বলে খবর পাওয়া গেছে।</p><p>অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ১৩ এপ্রিল ইরানি বন্দরে প্রবেশ–প্রস্থানকারী নৌযানের ওপর অবরোধ আরোপ করে। এরপর তারা একাধিক জাহাজ আটক করেছে। এ ছাড়া অনেক জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করার অথবা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/dZGTi18AI5I?si=IwoXSKWO4ncJ7Rx7"></iframe></figure><h3>দক্ষিণ লেবাননে অভিযান চালাতে গিয়ে ইসরায়েলি সেনা নিহত</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/op471io7/Lebanon.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। ২৬ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><p>দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান চলাকালে এক ইসরায়েলি সেনা নিহত ও ছয়জন আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। অন্যদিকে, লেবাননে গতকাল ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।</p><p>লেবাননে নিহত ইসরায়েলি সেনার নাম সার্জেন্ট ইদান ফুকস। আহতদের মধ্যে চারজনের অবস্থা গুরুতর। বাকি দুজনের আঘাত গুরুতর নয়। </p><p>আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯ বছর বয়সী সার্জেন্ট ইদান ফুকস ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৭ম ব্রিগেডের ৭৭তম ব্যাটালিয়নের সদস্য ছিলেন। তিনি দক্ষিণ লেবাননে নিহত হন। ঘটনার সময় একজন সেনা কর্মকর্তা ও তিনজন সেনা গুরুতরভাবে আহত হন। আর দুই সেনার আঘাত হালকা। </p><p>আহত সেনাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে জানায় আইডিএফ। বিবৃতিতে বলা হয়, সেনাদের পরিবারের সদস্যদের বিষয়টি জানানো হয়েছে।</p><p>ইসরায়েল ও লেবাননের হিজবুল্লাহ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ করছে। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া ‘যুদ্ধবিরতি’ সত্ত্বেও ইসরায়েলি বাহিনী দক্ষিণ লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে। এতে হাজারো মানুষ আবার তাঁদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। লেবাননে রোববারের এসব হামলায় অন্তত ১৪ জন নিহত হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: ফক্স নিউজ ও আল–জাজিরা</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রকে জানাতে পাকিস্তানের কাছে ‘রেড লাইন’ তালিকা দিল ইরান, কী আছে এতে </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/a070vgu7/Iran.jpg" /><figcaption>ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, এই বার্তা প্রদানের বিষয়টি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়</figcaption></figure><p>ইরান তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমারেখার একটি তালিকা পাকিস্তানকে দিয়েছে, যাতে ইসলামাবাদ তা যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়ে দেয়। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এই তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি সম্প্রতি পাকিস্তান সফর করেন। এই সফরের সময়ই তিনি তালিকাটি পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় ফার্স নিউজ এজেন্সি জানায়। </p><p>সংবাদ সংস্থাটির খবরে বলা হয়, তেহরানের ‘রেড লাইন’ বা সীমারেখার মধ্যে পরমাণু ইস্যুর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। </p><p>খবরে আরও বলা হয়, এই বার্তা প্রদানের বিষয়টি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। এটি মূলত আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও ইরানের অবস্থান পরিষ্কার করার জন্য দেওয়া হয়েছে। </p><p>এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><h3>২ হাজার পাউন্ড ওজনের তিনটি মার্কিন বাংকারবিধ্বংসী অবিস্ফোরিত বোমা ধ্বংসের দাবি আইআরজিসির</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/3rg8a0s8/Bunker-Buster.jpeg" /><figcaption>অবিস্ফোরিত অস্ত্র–গোলাবারুদের এই ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি</figcaption></figure><p>ইরানের জাঞ্জান প্রদেশে ৯ হাজার ৫০০টি বোমার ক্ষুদ্র অংশ (বোম্বেট), কয়েক ডজন অবিস্ফোরিত রকেট–ক্ষেপণাস্ত্র ও তিনটি ২ হাজার পাউন্ড ওজনের মার্কিন জিবিইউ–৫৭ বাংকারবিধ্বংসী বোমা শনাক্ত–নিষ্ক্রিয় করার কথা জানিয়েছে দেশটির ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। আইআরজিসির বিবৃতির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি। </p><p>প্রদেশটিতে আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের চালানো আগ্রাসনের অবিস্ফোরিত অস্ত্র–গোলাবারুদ শনাক্ত–নিষ্ক্রিয় করতে বিশেষায়িত বোমা নিষ্ক্রিয়কারী–অপসারণ ইউনিটগুলো অভিযান চালায়। চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এই অভিযান চালানো হয়। </p><p>বিবৃতিতে বলা হয়, ৯ হাজার ৫০০টির বেশি বোমার ক্ষুদ্র অংশ শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এগুলো শত্রুর যুদ্ধবিমান থেকে ফেলা হয়েছিল। এফ–১৫, এফ–১৬ ও এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া বিভিন্ন ধরনের অবিস্ফোরিত রকেট–ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। মোট ৫২টি রকেট ধ্বংস করা হয়েছে। ১০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। </p><p>আইআরজিসি বলেছে, তিনটি ২ হাজার পাউন্ড ওজনের মার্কিন জিবিইউ–৫৭ বাংকারবিধ্বংসী বোমা ধ্বংস করা হয়েছে। একই ধরনের আরেকটি বোমা উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার পর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।</p><p>এ ছাড়া একটি ৫০০ পাউন্ড ওজনের দূরপাল্লার ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং জিবি–৩৯ ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে বলে জানায় আইআরজিসি। তারা বলেছে, এগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের উন্নত যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া হয়েছিল। </p><p>তথ্যসূত্র: তাসনিম নিউজ </p><h3>এবার রাশিয়ায় গেলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী, পুতিনের সঙ্গে কী কথা হবে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/msalof0l/Putin-Araghchi.jpg" /><figcaption>ভ্লাদিমির পুতিন ও আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><p>রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সফররত ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেন্ট পিটার্সবার্গে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এর আগে পাকিস্তান ও ওমান সফর করেছিলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।</p><p>আইআরএনএ জানায়, আজ সোমবার সকালে সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছান ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে সেখানে গেছেন।</p><p>এর আগে রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাস ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভের বরাতে জানায়, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা করেছেন পুতিন।</p><p>রাশিয়ায় ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালির বরাতে ইরানের আইএসএন সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন আরাগচি। বৈঠকে তিনি আলোচনার সবশেষ অবস্থা, যুদ্ধবিরতি ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি তুলে ধরবেন। এ নিয়ে রুশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করবেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা ও এএফপি</p><h3>হরমুজ প্রণালি আবার চালুসহ যুদ্ধের অবসানে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রস্তাব দিয়েছে ইরান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/dh6u23ew/Strait-Of-Hormuz.avif" /><figcaption>মানচিত্রে হরমুজ প্রণালি</figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালি আবার চালু করাসহ যুদ্ধের অবসান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছে ইরান।</p><p>পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরান এই প্রস্তাব দিয়েছে। প্রস্তাবে পরমাণু আলোচনা পরবর্তী পর্যায়ের জন্য স্থগিত রাখার কথাও বলা হয়েছে।</p><p>গতকাল রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। বিষয়টি সম্পর্কে অবগত যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা ও দুটি সূত্রের বরাতে প্রতিবেদনটি করা হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/world-business/xvp4av6kvc">বেড়েছে তেলের দাম, ইরান–যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা স্থগিতের জের</a></aside><h3>ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগোতে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্ল্যাকমেল –আলটিমেটাম’ ছাড়তে হবে: রাশিয়ার দূত </h3><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">The <a href="https://twitter.com/hashtag/US?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#US</a> is accustomed to conduct negotiations from the position of strength, threatening to use military force or tighten <a href="https://twitter.com/hashtag/sanctions?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#sanctions</a>. It is obvious that this scheme doesn’t work with <a href="https://twitter.com/hashtag/Iran?src=hash&amp;ref_src=twsrc%5Etfw">#Iran</a>. The best way ahead for the US under the current circumstances is to drop all those…</p>&mdash; Mikhail Ulyanov (@Amb_Ulyanov) <a href="https://twitter.com/Amb_Ulyanov/status/2048437993342407078?ref_src=twsrc%5Etfw">April 26, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ইরানের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে নিতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে ‘ব্ল্যাকমেল’ ও ‘আলটিমেটাম’ দেওয়া ছাড়তে হবে। ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক সংস্থায়  নিযুক্ত রাশিয়ার দূত মিখাইল আলইয়ানভ এমনটাই জানান। সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আলইয়ানভ লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক শক্তি প্রয়োগ, কঠোর নিষেধাজ্ঞার ভয় দেখিয়ে আলোচনা চালাতে চায়। শক্তিপ্রয়োগের মাধ্যমে আলোচনা চালিয়ে যেতে অভ্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র। তবে ইরানে তা কাজ করবে না। </p><p>ওই পোস্টে আলইয়ানভ আরও লেখেন,  এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো এসব বাদ দেওয়া। তিনি হ্যাশট্যাগ দিয়ে তিনটি কৌশল বাদ দেওয়ার দিকে ইঙ্গিত করেন। এগুলো হলো ‘ব্ল্যাকমেলিং’, ‘আলটিমেটাম’ ও ‘ডেডলাইন’। </p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/u48909n34x">যুদ্ধের সময় আরব আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ পাঠিয়েছিল ইসরায়েল</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/tjajerkj/WhatsApp-Image-2026-04-27-at-6.38.50-AM.jpeg" /><figcaption>স্যাটেলাইট থেকে ধারণ করা হরমুজ প্রণালির চিত্র</figcaption></figure><h3>নৌ-অবরোধের সময় ৩৮টি জাহাজ ফিরিয়ে দিয়েছে মার্কিন বাহিনী: সেন্টকম
</h3><p>ইরানের বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর নৌ-অবরোধ চলছে। মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছে, অবরোধ চলাকালে তারা ৩৮টি জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করার অথবা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের ফলে ইরানি জলসীমায় কোনো জাহাজের প্রবেশ বা সেখান থেকে বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, ইরানে মার্কিন যুদ্ধবিরতি চললেও দেশটির বন্দরে অবরোধ চালিয়ে যাওয়া হবে। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/jwjeeons62">প্রতিবছরই যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর শান্তিতে নোবেল পাওয়া উচিত: হেগসেথ</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/7m9wqrlo/WhatsApp-Image-2026-04-27-at-6.16.25-AM.jpeg" /><figcaption>ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ব্যাপক হারে বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম</figcaption></figure><h3>আলোচনা থমকে যাওয়ায় বেড়েছে তেলের দাম</h3><p>যুদ্ধ বন্ধে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা থমকে যাওয়ায় এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন সীমিত থাকার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে। </p><p>সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোররাত ৪টার দিকে (গ্রিনিচ মান সময় রোববার রাত ১০টা) ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২ দশমিক ২২ ডলার বা ২ দশমিক ১১ শতাংশ বেড়ে ১০৭ দশমিক ৫৫ ডলার হয়েছে। </p><p>অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম ২ দশমিক শূন্য ২ ডলার বা ২ দশমিক ১৪ শতাংশ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৯৬ দশমিক ৪২ ডলারে পৌঁছেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/FDuCI7g_BIA?si=WA4k4ars1T_zS5is"></iframe></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/0m3xmxec/WhatsApp-Image-2026-04-27-at-4.55.jpg" /><figcaption>রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><h3>রাশিয়ায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী </h3><p>রাশিয়া সফরের সময় সেন্ট পিটার্সবার্গ শহরে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। মস্কোয় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূতের বরাতে ইরানের বার্তা সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>ইরনার খবরে বলা হয়েছে, আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বৈঠকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও অংশ নেবেন। তাদের আলোচনার মূল বিষয়বস্তু হবে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ বন্ধের বর্তমান আলোচনাকে এগিয়ে নেওয়া। </p><p>এর আগে রোববার পাকিস্তান সফর শেষে রাশিয়ার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন আব্বাস আরাগচি। এ নিয়ে দুই দিনের ব্যবধানে দুইবার পাকিস্তান সফর করলেন তিনি। পাকিস্তানের দেশটির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের সঙ্গে আব্বাস আরাগচি দেখা করলেও মার্কিন কোনো প্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি বৈঠক করেননি। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/qwa5lva5/netanihahu.avif" /><figcaption>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু </figcaption></figure><h3>ইসরায়েলে নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা</h3><p>ইসরায়েলে নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে একজোট হয়েছেন বিরোধীরা। নেতানিয়াহুকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হাত মিলিয়েছেন দেশটির সাবেক দুই প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট ও ইয়ার লাপিদ। </p><p>নাফতালি বেনেট ডানপন্থী নেতা। অপরদিকে ইয়ার লাপিদ মধ্যপন্থী। তাঁরা ঘোষণা দিয়েছেন যে নির্বাচনের আগে নিজেদের দল দুটিকে একীভূত করে ‘টুগেদার’ নামে নতুন একটি দল গঠন করতে যাচ্ছেন তারা। </p><p>বেনেটের সঙ্গে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে লাপিদ বলেন, ‘আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে আমরা এখানে একত্রিত হয়েছি। ইসরায়েল রাষ্ট্রকে এখন তার চলার পথ পরিবর্তন করতে হবে।’</p><p>ইসরায়েলের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নেতানিয়াহু ২০২২ সালের নভেম্বরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবার ক্ষমতায় বসেন। এরপর দেশটির ইতিহাসের সবচেয়ে কট্টর ডানপন্থী সরকার গঠন করেন তিনি।</p><p>নেতানিয়াহু ক্ষমতায় ফেরার পর ফিলিস্তিনের গাজায় ভয়াবহ যুদ্ধ চালিয়েছেন তিনি। এই যুদ্ধে সাড়ে ৭২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে যুদ্ধ এবং দুই দফায় ইরান যুদ্ধেও ইসরায়েলকে জড়িয়েছেন নেতানিয়াহু। </p><p>ইসরায়েলের বিভিন্ন জনমত জরিপ বলছে, নেতানিয়াহুর তথাকথিত ‘নিরাপত্তা রক্ষার’ ভাবমূর্তি এখন পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে। ফলে আগামী অক্টোবরের শেষে যে নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে, তাতে তিনি পরাজিত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/x6riqf2v/iron-dome-.jpg" /><figcaption>ইসরায়েলের আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা</figcaption></figure><h3>যুদ্ধের সময় আরব আমিরাতে ‘আয়রন ডোম’ পাঠিয়েছিল ইসরায়েল</h3><p>ইরান যুদ্ধের সময় সংযুক্ত আরব আমিরাতে গোপনে আয়রন ডোম আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও কয়েক ডজন সেনা মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। বিষয়টি নিয়ে জানাশোনা আছে—এমন ইসরায়েলি একটি সূত্র রোববার সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যম এক্সিওস প্রথম এই খবর প্রকাশ করে। পরে সে বিষয়টি সিএনএনকে নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সূত্র। ২০২০ সালে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের মাধ্যমে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছিল ইসরায়েল–আরব আমিরাত। তবে দুই দেশের মধ্যে এমন সামরিক সহযোগিতা নজিরবিহীন। </p><p>ইসরায়েলি সূত্র জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেষ মোহাম্মদ বিন জায়েদের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছিল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। এরপরই আমিরাতে আয়রন ডোম পাঠাতে ইসরায়েলি বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছিলেন নেতানিয়াহু। </p><p>ইসরায়েলের তৈরি আয়রন ডোম ভ্রাম্যমাণ ও স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এটি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়। এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রকেট, মর্টার, কামানের গোলা ও ড্রোন ধ্বংস করতে সক্ষম। ইসরায়েল এর আগে বিদেশে এই ব্যবস্থা বিক্রি করেছে। তবে অন্য কোনো দেশে এটি মোতায়েন করে যুদ্ধে ব্যবহারের ঘটনা এটিই প্রথম। </p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/oiv6r2gytp">শারীরিক আঘাত নাকি কৌশল—কীভাবে অজ্ঞাত স্থানে থেকেই দেশ চালাচ্ছেন মোজতবা খামেনি</a></aside><h3>রাশিয়ার পথে আব্বাস আরাগচি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/n5ujcenk/Abbas-Araghchi.avif" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি </figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তান ত্যাগ করেছেন। দেশটি থেকে রাশিয়ার উদ্দেশে রওনা করেছেন তিনি। বার্তা আদানপ্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>টেলিগ্রামে ইরানের মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এই সফরের সময় রাশিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে ইরান-রাশিয়া দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।’ </p><p>মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে দুইবার পাকিস্তান সফর করেছেন আব্বাস আরাগচি। এদিকে মার্কিন দূতদের ইসলামাবাদ সফর বাতিল হওয়ার পর ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি বৈঠকের সম্ভাবনা কমে গেছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন যে দুই দেশের আলোচনা ফোনকলের মাধ্যমে হতে পারে। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-16/bqbgrnu7/মার্কিন-প্রেসিডেন্ট-ডোনাল্ড-ট্রাম্প" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ইরান চাইলে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ফোন করতে পারে: ট্রাম্প

</h3><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, দুই দেশের মধ্যে চলমান যুদ্ধ বন্ধ করতে ইরান যদি আলোচনা করতে চায়, তবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।</p><p>ফক্স নিউজের ‘দ্য সানডে ব্রিফিং’ অনুষ্ঠানে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘তারা (ইরান) যদি কথা বলতে চায়, তবে তারা আমাদের কাছে আসতে পারে অথবা আমাদের ফোন করতে পারে। আপনারা জানেন, সেখানে টেলিফোন আছে। আমাদের কাছে চমৎকার ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা রয়েছে।’</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ইরান যুদ্ধ খুব শিগগিরই শেষ হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র এতে বিজয়ী হবে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><h3>ওমান থেকে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। আজ রোববার কিছুক্ষণ আগে তিনি পাকিস্তানে পৌঁছান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তান।</p><p>ইরানের সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএর বরাত দিয়ে আল–জাজিরা জানায়,&nbsp;পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি ওমান থেকে পাকিস্তানে পৌঁছেন। গতকাল ইসলামাবাদ থেকে তিনি ওমান&nbsp;সফরে গিয়েছিলেন। আরাগচি গতকাল ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেন। আগামীকালও তিনি&nbsp;পাকিস্তানের এই দুই নেতার সঙ্গে বৈঠক&nbsp;করবেন বলে জানা গেছে।</p><p>পাকিস্তান থেকে&nbsp;রাশিয়া সফরে&nbsp;যাওয়ার কথা ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচির।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-04/fne105iz/trump-UK-PM.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (বাঁয়ে) ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার</figcaption></figure><h3>প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ, হরমুজ নিয়ে আলোচনা

</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। আজ রোববার এই দুই নেতার ফোনালাপে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেন, দুই নেতা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ পুনরায় চালু করার জরুরি প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করেছেন। কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালি বিশ্ব অর্থনীতি ও যুক্তরাজ্য এবং বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবনযাত্রার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলছে।</p><p>বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁর সঙ্গে তাঁর যৌথ উদ্যোগের সর্বশেষ অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেছেন, যাতে হরমুজে স্বাধীনভাবে সব ধরনের নৌযান চলাচল করতে পারে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-27/0l79suhe/iran-foreign-minister.webp" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><h3>পাকিস্তানের পথে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি  </h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমানের রাজধানী মাসকাট থেকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। একটি ইরানি সূত্র সিএনএনকে এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সূত্রটি জানিয়েছে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি খুব শিগগিরই ইসলামাবাদের উপকণ্ঠে নূর খান বিমানঘাঁটিতে পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। সূত্রটি আরও জানিয়েছে, পাকিস্তানে স্বল্প সময়ের জন্য বিরতি নেওয়ার পর, আরাগচি রাশিয়া সফরে যাবেন।</p><p>এর আগে আরাগচির নেতৃত্বে ইরানের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল পাকিস্তান সফর করে। প্রতিনিধিদলটি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে ওমানের উদ্দেশ্যে ইসলামাবাদ ছেড়েছিলেন।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাকিস্তানসহ কয়েকটি দেশ।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/v0bezm5u/ShebazAraghchiProthomalo.jpg" /><figcaption>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে করমর্দন করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল শনিবার ইসলামাবাদে বৈঠক করে ইরানের প্রতিনিধিদল</figcaption></figure><h3>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কাল আবার বৈঠক হতে পারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর</h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আবার পাকিস্তান যাচ্ছেন। ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য আলোচনার ক্ষেত্রে একে আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানি কর্মকর্তারা জোর দিয়ে বলছেন, আরাগচির আবার ইসলামাবাদে আসাটা এটাই তুলে ধরছে যে, আলোচনার চেষ্টা ভেস্তে যায়নি বরং এটা কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গতকাল ইসলামাবাদ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাহ শরিফ ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরের সঙ্গে পৃথকভাবে বৈঠক করেন। পরে তিনি ওমান সফরে যান। ওমানে আরাগচি দেশটির উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেই আলোচনার ফলস্বরূপ তিনি আজ রোববার ইসলামাবাদে ফেরার পরিকল্পনা করছেন।</p><p>পাকিস্তানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আগামীকাল সোমবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্ভবত আবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এবং সেনাপ্রধানের সঙ্গে বৈঠক করবেন। একে আশাব্যঞ্জক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। অন্য কথায়, তাঁরা আশা করছেন কূটনৈতিক প্রক্রিয়ায় ধাপে ধাপে কিছু অগ্রগতি হতে পারে এবং এটি অগ্রগতির দিকে এগিয়ে যাবে। </p><p>সূত্র: আল–জাজিরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/k5f213qm/Untitled-2.png" /><figcaption>যুক্তরাজ্যের রয়্যাল এয়ার ফোর্স ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে আজ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধে ব্যবহার করা যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে আগুন</h3><p>যুক্তরাজ্যের গ্লুস্টারশায়ারে অবস্থিত রয়্যাল এয়ার ফোর্স (আরএএফ) ফেয়ারফোর্ড বিমানঘাঁটিতে অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। বিমানঘাঁটিটি ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ ও গ্লুস্টারশায়ার লাইভ এই খবর জানিয়েছে।</p><p>আজ রোববার ভোরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি সেবা সংস্থার বেশ কয়েকটি ইউনিট মোতায়েন করা হয়।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Fire Erupts At Raf Fairford British Airbase Used for Aggression Against Iran<br><br>A major fire broke out overnight at Raf Fairford in Gloucestershire, England, the British airbase hosting a large forward-deployed contingent of US Air Force bombers for illegal strikes on Iran. <a href="https://t.co/qFpgY1TX6h">pic.twitter.com/qFpgY1TX6h</a></p>&mdash; Tasnim News Agency (@Tasnimnews_EN) <a href="https://twitter.com/Tasnimnews_EN/status/2048322923002294625?ref_src=twsrc%5Etfw">April 26, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>দ্য টেলিগ্রাফ জানিয়েছে, এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া রয়্যাল এয়ার ফোর্সের কোনো উড়োজাহাজের ক্ষতি হয়নি। </p><p>তবে বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমান বাহিনীর কী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা এ পর্যন্ত জানা যায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-17/bv7z0yng/IRGC-iran.avif" /><figcaption>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সামরিক মহড়া</figcaption></figure><h3>আবার আগ্রাসন হলে ‘প্রত্যাশার চেয়ে ভয়াবহ’ পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের</h3><p>শত্রুপক্ষ কোনো ধরনের ভুল হিসাব-নিকাশ করলে বা নতুন করে আগ্রাসন চালালে ‘প্রত্যাশার চেয়েও ভয়াবহ’ পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।</p><p>আজ রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার (আইআরএনএ) বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।</p><p>এক বিবৃতিতে আইআরজিসি জোর দিয়ে বলেছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর ‘শক্তিশালী ও বুদ্ধিদীপ্ত নীরবতা’ কোনোভাবেই তাদের দুর্বলতা নয়। এই সংযম যেকোনো মুহূর্তে ‘নারকীয় ঝড়ে’ রূপ নিতে পারে।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যুদ্ধবাজ ও প্রতিশ্রুতি ভঙ্গকারী শত্রু’ যদি কোনো ধরনের ভুল করে বা নতুন করে আগ্রাসন চালায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে এই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের পক্ষ থেকে আসা এই কড়া হুঁশিয়ারি নতুন করে শঙ্কা তৈরি করেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-25/chwc0esb/Untitled-3.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি</figcaption></figure><h3>পাঁচ শর্তে আটকে আছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা</h3><p>দীর্ঘদিনের উত্তেজনা ও প্রায় দুই মাস ধরে চলা যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে আলোচনা শুরু হলেও বেশ কিছু মৌলিক শর্তে দুপক্ষের বড় ধরনের মতপার্থক্য রয়ে গেছে। দুই দেশের মধ্যে একটি স্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাধা হয়ে থাকা প্রধান পাঁচ শর্ত নিচে তুলে ধরা হলো:</p><p><strong>পারমাণবিক কর্মসূচি</strong></p><p>যুক্তরাষ্ট্র চায় ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করে দিক। তবে তেহরান এ দাবিতে রাজি নয়। তার ভাষ্য, পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধে যেকোনো ধরনের বিধিনিষেধ শুধু নির্দিষ্ট কয়েক বছরের জন্য হতে পারে, স্থায়ীভাবে নয়।</p><p><strong>ইউরেনিয়াম মজুত</strong></p><p>ইরানের কাছে বর্তমানে ৪০০ কেজি (৮৮০ পাউন্ড) উচ্চ মাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত রয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চান, এই ইউরেনিয়ামের পুরোটা যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে থাকবে। তবে তেহরান এ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।</p><p><strong>হরমুজ ও বন্দর অবরোধ</strong></p><p>ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। অন্যদিকে ট্রাম্পের অবস্থান হলো, চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর আগে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়া হবে না।</p><p><strong>আটকা পড়া অর্থ</strong></p><p>একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান তাদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশে আটকা পড়ে থাকা প্রায় ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।</p><p><strong>যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ</strong></p><p>আলোচনায় ইরান এক বড় অঙ্কের ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় তাদের যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার বিনিময়ে দেশ দুটিকে দিতে হবে প্রায় ২৭ হাজার কোটি (২৭০ বিলিয়ন) ডলার ক্ষতিপূরণ।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/mb4gbrdx/iran-islamabad-meetting.webp" /><figcaption>গতকাল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ দেশটির প্রতিনিধিরা</figcaption></figure><h3>আজ রাতেই ইসলামাবাদে ফিরছে ইরানি প্রতিনিধিদল: ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম</h3><p>তেহরানে আকস্মিক ফিরে যাওয়া ইরানি প্রতিনিধিদলের একটি অংশ আজ রোববার রাতেই আবার ইসলামাবাদ পৌঁছাবে।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার (আইআরএনএ) বরাত দিয়ে তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে ইসলামাবাদ সফরে যাওয়া এই প্রতিনিধিদল যুদ্ধ নিরসনের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনার জন্য তেহরানে ফিরে গিয়েছিল। প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও নতুন নির্দেশনা নিয়ে তারা আজ <a href="https://twitter.com/IRNA_1313/status/2048123503224713322" rel="nofollow">রাতেই আবার আরাগচির সঙ্গে যোগ দেবে</a>।</p> <p>বর্তমানে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনা এবং যুদ্ধ বন্ধের প্রক্রিয়া নিয়ে ইসলামাবাদে আলোচনা চলছে। আরাগচির নেতৃত্বাধীন ইরানি প্রতিনিধিদলটি এ আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/8gn4tl0q/trump_111111.webp" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>হামলা চালিয়ে ইরান যুদ্ধ থেকে আমাকে সরানো যাবে না: ট্রাম্প</h3><p>হোয়াইট হাউস করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে গুলিবর্ষণের ঘটনার পরও ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় থাকার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, এ হামলা তাঁকে ইরান যুদ্ধে জয়ী হওয়া থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না।</p><p>গতকাল শনিবার রাতে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে এ হামলার ঘটনার পর হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান যুদ্ধে জয়ী হওয়া থেকে কোনো কিছুই আমাকে আটকাতে পারবে না। আমি জানি না, এ হামলার সঙ্গে যুদ্ধের কোনো সম্পর্ক আছে কি না। তবে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, আমি মনে করি না, এর পেছনে কোনো যোগসূত্র আছে।’</p><p>অবশ্য এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প কিছুটা সংশয় প্রকাশ করে বলেছিলেন, হামলার পেছনে ইরান যুদ্ধের সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা ‘বলা মুশকিল’।</p><p>হামলাকারীকে একজন ‘লোন উলফ’ বা নিঃসঙ্গ হামলাকারী হিসেবে বর্ণনা করে ট্রাম্প জানান, তদন্তকারীরা হামলার প্রকৃত উদ্দেশ্য খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন।</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, তেহরানের আলোচনার প্রস্তাব পছন্দ না হওয়ায় তিনি মার্কিন প্রতিনিধিদের পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন।</p><p>প্রায় দুই মাস ধরে ইরানের সঙ্গে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি শান্তি আলোচনার চেষ্টা চলছে। তবে ট্রাম্পের মতে, তেহরানের বর্তমান অবস্থান আলোচনার জন্য যথেষ্ট ইতিবাচক নয়।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-20/zcdrkoig/Gas_Field_4.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>ওয়াশিংটনে গুলিবর্ষণের সঙ্গে ইরানের যোগসূত্র নেই: ট্রাম্প</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে ঘটে যাওয়া গুলিবর্ষণের ঘটনার সঙ্গে ইরানের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এ ঘটনায় তদন্ত অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্ল্যাঞ্চ এ হামলাকে অত্যন্ত গুরুতর হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি জানান, শিগগিরই এ ঘটনায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করা হবে।</p><p>ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই) পরিচালক ক্যাশ প্যাটেল বলেন, তদন্তকারীরা ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো পরীক্ষা করে দেখছেন। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দিও নেওয়া হচ্ছে।</p><p>ওয়াশিংটনের পুলিশপ্রধান জেফরি ক্যারল জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন হামলাকারীর কাছে একাধিক অস্ত্র ছিল। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় আর কোনো সন্দেহভাজনের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-07/wqb37ji4/Donald-Trump.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>আকাশপথের ‘দীর্ঘ ভ্রমণের’ কারণেই ইসলামাবাদ সফর বাতিল করা হয়েছে, দাবি ট্রাম্পের</h3><p>দীর্ঘ সময় আকাশপথে ভ্রমণের ধকলের কথা মাথায় রেখেই পাকিস্তানে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনারের সফর বাতিল করা হয়েছে। গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ দাবি করেছেন।</p><p>ট্রাম্প বলেন, ইরানিদের সঙ্গে আলোচনার জন্য এই দীর্ঘ সফর প্রয়োজনীয় ছিল না; বরং এখন থেকে ফোনে আলোচনা চালানো হবে।</p><p>ফ্লোরিডায় এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, ‘এমন একটি নথির (লিখিত প্রস্তাব) জন্য আমরা বারবার উড়োজাহাজে ১৫ ঘণ্টা করে যাওয়া-আসা করতে পারি না; যা যথেষ্ট কার্যকর নয়। তাই আমরা এখন থেকে টেলিফোনে যোগাযোগ করব। তারা (ইরান) চাইলে যেকোনো সময় আমাদের ফোন করতে পারে।’</p><p>সফরের পরিবর্তে টেলিফোনে আলাপ করার সিদ্ধান্তটি দুই পক্ষের জন্যই সহজ হবে বলে মনে করেন ট্রাম্প। এর আগে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য ট্রাম্পের বিশেষ দূত ও তাঁর জামাতা কুশনারের ইসলামাবাদ যাওয়ার কথা ছিল। </p><p>সফর বাতিলের কারণ হিসেবে ভ্রমণের ধকলের পাশাপাশি ইরানের নেতৃত্ব নিয়েও নিজের পূর্ববর্তী সংশয়ের কথা আবার উল্লেখ করেন ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানের নেতৃত্বের মধ্যে এক ধরনের অনিশ্চয়তা কাজ করছে, যা আলোচনাকে আরও জটিল করে তুলছে।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-06/fivid4qa/masoud-pezeshkian.jpg" /><figcaption>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান</figcaption></figure><h3>চাপ প্রয়োগে বা হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনায় বসানো যাবে না: পেজেশকিয়ান</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র চাপ প্রয়োগ করে বা হুমকি দিয়ে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে পারবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।</p><p>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে এক টেলিফোন আলাপে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, বর্তমান মার্কিন পদক্ষেপগুলো দুই দেশের মধ্যকার পারস্পরিক আস্থা নষ্ট করছে ও সংলাপের পথ আরও জটিল করে তুলছে।</p><p>পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করে বলেন, ওয়াশিংটন যদি তাদের ‘শত্রুতামূলক আচরণ ও চাপ সৃষ্টি’ বন্ধ না করে, তবে কোনো অগ্রগতি সম্ভব নয়।</p><p>পেজেশকিয়ান আরও বলেন, আলোচনার পরিবেশ তৈরি করতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে আগে সব ধরনের ‘কার্যকরী বাধা’ দূর করতে হবে। এর মধ্যে ইরানি বন্দরগুলোতে চলাচলকারী জাহাজের ওপর থেকে অবরোধ প্রত্যাহার করা অন্যতম।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-26/mb4gbrdx/iran-islamabad-meetting.webp" /><figcaption>গতকাল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ দেশটির প্রতিনিধিরা</figcaption></figure><p>পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ফোনালাপে শাহবাজ শরিফ আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে শাহবাজ শরিফ জানান, যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদ সফর করায় তিনি কৃতজ্ঞ। প্রতিনিধিদলটি গতকাল শনিবার ইসলামাবাদ ছেড়ে ওমানের মাসকাটে পরবর্তী আঞ্চলিক আলোচনার উদ্দেশে রওনা হয়েছে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Iran will not enter into negotiations under pressure, threats, and siege, President Masoud Pezeshkian says.<a href="https://t.co/lZ5UMan6h9">https://t.co/lZ5UMan6h9</a></p>&mdash; Mehr News Agency (@MehrnewsCom) <a href="https://twitter.com/MehrnewsCom/status/2048248926588035428?ref_src=twsrc%5Etfw">April 26, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>এদিকে, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের গতকাল ইসলামাবাদ সফরের কথা ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ট্রাম্প তাঁদের এ সফর বাতিল করেছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><h3>মোসাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ইরানে একজনের মৃত্যুদণ্ড</h3><p>ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং গত জানুয়ারি মাসে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অভিযোগে ইরানে এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাঁর নাম এরফান কিয়ান। ইরানের বিচার বিভাগের বার্তা সংস্থা মিজান এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>মিজানের খবরে বলা হয়েছে, এরফান কিয়ান গত জানুয়ারিতে ইসফাহান শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর হামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন। খবরে আরও দাবি করা হয়েছে যে, তিনি মোসাদের একটি অভিযানের অংশ ছিলেন। যদিও এ বিষয়ে খবরে কোনো প্রমাণ তুলে ধরা হয়নি। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/ear0ygu8/WhatsApp-Image-2026-04-26-at-3.49.04-AM.jpeg" /><figcaption>আরব সাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ</figcaption></figure><h3>আরব সাগরে ইরানের আরেকটি জাহাজ আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্র: সেন্টকম</h3><p>আরব সাগরে ইরানের আরেকটি জ্বালানিবাহী জাহাজ আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। মার্কিন বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্য অনুযায়ী, ইরানের ‘ছায়া বহরের’ ওই জাহাজটি বিদেশি বাজারে বিক্রির জন্য কয়েক শ কোটি ডলার মূল্যের জ্বালানি, তেল ও গ্যাসজাত পণ্য বহন করছিল।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে সেন্টকম জানায়, শনিবার ভোরে আরব সাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ‘এমভি সেভান’ নামের ওই জাহাজটিকে বাধা দেয়। জাহাজটি মার্কিন বাহিনীর পাহারায় আবার ইরানের দিকে ফিরে যাচ্ছে।</p><p>চলতি মাসের শুরুর দিকে মার্কিন বাহিনী ঘোষণা করেছিল যে, তারা ইরানের উপকূল অভিমুখে যাওয়া বা সেখান থেকে আসা জাহাজগুলোকে আটকে দেবে অথবা ফিরিয়ে দেবে। সেন্টকম বলছে, মার্কিন বাহিনী ইরানি বন্দরগুলোর ওপর এই অবরোধ পুরোপুরি কার্যকর রেখেছে। </p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><h3>আবার পাকিস্তানে যেতে পারেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/ktt73w2u/২.jpeg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে শনিবার ইসলামাবাদে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই পাকিস্তান ছেড়েছে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল। তবে ওমান সফর শেষে তিনি আবার পাকিস্তানে যেতে পারেন বলে জানিয়েছে ইরানের বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এজেন্সি। এরপর তাঁর রাশিয়া যাওয়ার কথা রয়েছে। </p><p>মেহর নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলের একটি অংশ পাকিস্তান থেকে তেহরানে ফিরে গেছেন। তাঁরা যুদ্ধ শেষ করা-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা নেওয়ার জন্য সেখানে গেছেন। আগামীকাল রোববার রাতে ইসলামাবাদে আবার তাঁদের আরাগচির সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে।</p><p>এর আগে ইরান যুদ্ধ নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পাকিস্তানের অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করেন আব্বাস আরাগচি। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট অগ্রগতি ছাড়াই ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন তিনি।</p><p>এদিকে আরাগচি ইসলামাবাদ ত্যাগ করার পর শনিবার মার্কিন দুই দূতের পাকিস্তান সফরও বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর ফলে শান্তি প্রক্রিয়ায় নতুন একটি প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/i2ch61aady">শান্তি আলোচনার চেষ্টার মধ্যেই
ইরানে আবার হামলার হুমকি </a></aside><h3>যুদ্ধবিরতি শেষ করার কথা ‘এখনো ভাবেননি’ ট্রাম্প </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-25/pljg2u4z/মার্কিন-প্রেসিডেন্ট-ডোনাল্ড-ট্রাম্প" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানে ‘যারা বর্তমানে ক্ষমতায় আছেন’ তাঁদের সঙ্গে চুক্তি করতে তিনি প্রস্তুত। শুক্রবার সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। </p><p>ইরানের নেতৃত্বের দিকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। সেখানে প্রচুর অভ্যন্তরীণ কোন্দল চলছে। সম্ভবত অনেক ক্ষেত্রে তারা নেতৃত্বের জন্য লড়াই করছে। তবে আমার মনে হয়, তারা নেতা না হওয়ার জন্য লড়াই করছে। কারণ, আমরা তাদের দুই স্তরের নেতাদের শেষ করে দিয়েছি।’</p><p>যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘তারা (ইরান) যখন চাইবে আমাকে ফোনকল করতে পারে। সব কার্ড এখন আমাদের হাতে। আমরাই সবকিছুতে জিতেছি।’ </p><p>ট্রাম্প বলেন, ‘ওরা (ইরান) আমাদের একটা প্রস্তাব পাঠিয়েছিল। সেটি আরও ভালো হওয়া উচিত ছিল। মজার বিষয় হলো, আমি যখন (পাকিস্তানে দূত পাঠানো) বাতিল করলাম, তার ১০ মিনিটের মধ্যেই আমরা নতুন একটা প্রস্তাব পেলাম। সেটি আগের চেয়ে অনেক ভালো ছিল। আমরা এ কথা বলেছি যে তাদের কাছে কোনো পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না। খুবই সহজ হিসাব... তারা অনেক কিছুরই প্রস্তাব দিয়েছে, কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না।’</p><p>যুদ্ধবিরতি চালিয়ে যাবেন কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি এ নিয়ে এখনো চিন্তাও করিনি।’ </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করাই ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’: আইআরজিসি

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/r2eamc4j/barrels_of_Iranian.png" /><figcaption>হরমুজ প্রণালির ইলাস্ট্রেটেড মানচিত্র। ২৬ মার্চ ২০২৬</figcaption></figure><p>বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাস সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে ইরানের ‘চূড়ান্ত কৌশল’। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যম টেলিগ্রাম চ্যানেলে এ কথা জানিয়েছে ।</p><p>আইআরজিসি টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বিবৃতিতে বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ করা এবং এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও হোয়াইট হাউসের সমর্থকদের ওপর এর প্রতিরোধমূলক প্রভাবের ছায়া বজায় রাখাই ইরানের চূড়ান্ত কৌশল।’</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>কূটনীতিতে যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন আরাগচির

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/6ji5msvt/Irans_Foreign_Minister_Seyyed.png" /><figcaption>ওমানে পৌঁছে দেশটির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। শনিবার ওমানের রাজধানী মাসকাটে 

</figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তাঁর তিন দেশীয় কূটনৈতিক সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে ওমানে পৌঁছেছেন। তাঁর এই সফরে পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্র—   উভয় পক্ষের জন্য বার্তা রয়েছে।</p><p>ওমানে পৌঁছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে  এক পোস্টে আরাগচি লেখেন,  তাঁর ‘পাকিস্তান সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। ... আমাদের অঞ্চলে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য দেশটির (পাকিস্তানের) ভ্রাতৃপ্রতিম প্রচেষ্টাকে আমরা অত্যন্ত মূল্যায়ন করি।’</p><p>তবে আলোচনার মাধ্যমে সংঘাত নিরসনে ওয়াশিংটনের আন্তরিকতা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন আরাগচি। তিনি পোস্টে লিখেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র কূটনীতির বিষয়ে সত্যিই কতটা আন্তরিক, তা দেখার এখনো বাকি আছে।’</p><p>আরাগচি এমন এক সময়ে এ মন্তব্য করলেন, যার কিছুক্ষণ আগে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্দেশ্যে মার্কিন প্রতিনিধি দলের পূর্বনির্ধারিত পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন ডিসির স্থানীয় সময় আজ শনিবার সকালে তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এ খবর জানান।</p><p>ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমার প্রতিনিধি যারা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কিছুক্ষণ আগে আমি তাঁদের বললাম, না, আপনাদের সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার দীর্ঘ ফ্লাইট ধরার দরকার নেই। সব কার্ড এখন আমাদের হাতে। তারা যখন খুশি আমাদের কল করতে পারে। কিন্তু স্রেফ অর্থহীন আলোচনা করার জন্য আপনারা আর ১৮ ঘণ্টা উড়ে সেখানে যাবেন না।’</p><p>আরাগচি তাঁর প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদ ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ট্রাম্প এ মন্তব্য করেন। গতকাল রাতে একটি প্রতিনিধি দল নিয়ে ইসলামাবাদে আসেন আরাগচি। সেখান থেকে তাঁর ওমান ও রাশিয়া যাওয়ার কথা ছিল। </p><p>আজ সকালে আরাগচি তাঁর প্রতিনিধি দল নিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন। বৈঠকে তাঁরা সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরানের নীতিগত অবস্থান ও আপত্তি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন।</p><p>হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার সকালে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন।... ইরানিরা সরাসরি কথা বলতে চায় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট কূটনীতিকে একটি সুযোগ দিতে চান।’ </p><p>ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ সফর করছে, গতকাল লেভিট এমন দাবি করলেও তেহরান তা অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, আপাতত তাদের মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>মার্কিন প্রতিনিধি দল পাকিস্তান যাচ্ছে না, জানালেন ট্রাম্প

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-25/pljg2u4z/মার্কিন-প্রেসিডেন্ট-ডোনাল্ড-ট্রাম্প" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার উদ্দেশ্যে মার্কিন প্রতিনিধি দলের পূর্বনির্ধারিত পাকিস্তান সফর বাতিল করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আজ শনিবার সকালে তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে এ খবর জানান। </p><p>ট্রাম্প ফক্স নিউজকে বলেন, ‘আমার প্রতিনিধি যারা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কিছুক্ষণ আগে আমি তাঁদের বললাম, না, আপনাদের সেখানে যাওয়ার জন্য ১৮ ঘণ্টার দীর্ঘ ফ্লাইট ধরার দরকার নেই। সব কার্ড এখন আমাদের হাতে। তারা যখন খুশি আমাদের কল করতে পারে। কিন্তু স্রেফ অর্থহীন আলোচনা করার জন্য আপনারা আর ১৮ ঘণ্টা উড়ে সেখানে যাবেন না।’</p><p>হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট গতকাল শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘ইরানের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার শনিবার সকালে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন।... ইরানিরা সরাসরি কথা বলতে চায় এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট কূটনীতিকে একটি সুযোগ দিতে চান।’ </p><p>ইরানের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক করার জন্য মার্কিন প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ সফর করছে, গতকাল লেভিট এমন দাবি করলেও তেহরান তা অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, আপাতত তাদের মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্ব ইরানের একটি প্রতিনিধি দল গতকাল রাতে ইসলামাবাদ আসেন। তাঁরা আজ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করে ইসলামাবাদ ত্যাগ করেন। বৈঠকে তাঁরা সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে ইরানের নীতিগত অবস্থান ও আপত্তি পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের জানিয়েছেন। </p><p>সূত্র: আল-জাজিরা ও ফক্স নিউজ</p><h3>মার্কিন প্রতিনিধি দল পৌঁছার আগেই ইসলামাবাদ ছাড়ল ইরানের প্রতিনিধি দল

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/cpa5f3zd/meetting.avif" /><figcaption>ইসলামাবাদসংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার (ডানে তৃতীয়) ও পাকিস্তানের চিফ অব আর্মি স্টাফ ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের (বাঁয়ে তৃতীয়) সঙ্গে কথা বলছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি (মাঝে)। ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ </figcaption></figure><p>পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন ইরানের প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদ ছেড়েছেন। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করছেন প্রতিনিধি দলটি।</p><p>আল–জাজিরার খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বন্ধ করতে তেহরানের দাবির আনুষ্ঠানিক তালিকা পাকিস্তানি নেতাদের কাছে হস্তান্তর করেছে আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল।</p><p>এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলটি পাকিস্তান ছাড়াও, ওমান ও রাশিয়া সফর করবে।</p><p>এদিকে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট গতকাল জানিয়েছিলেন, আজ শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানে পৌঁছাবে। প্রতিনিধিদলে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকভ ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার থাকবেন।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Was pleased to meet H.E. Seyed Abbas Araghchi, Foreign Minister of Iran, and his delegation in Islamabad today. Had a most warm, cordial exchange of views on the current regional situation. We also discussed matters of mutual interest, including the further strengthening of… <a href="https://t.co/ZGLQNuGOK6">pic.twitter.com/ZGLQNuGOK6</a></p>&mdash; Shehbaz Sharif (@CMShehbaz) <a href="https://twitter.com/CMShehbaz/status/2048041937698185577?ref_src=twsrc%5Etfw">April 25, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><h3>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরাগচির বৈঠক  </h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, জোরদার সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইরান সরকার।</p><p>তেহরানের তথ্য অনুযায়ী, আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে পাকিস্তানের প্রচেষ্টার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং আলোচনার আয়োজন করার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন।</p><p>আব্বাস আরাগচি ‘যুদ্ধ সমাপ্ত করার ক্ষেত্রে ইরানের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন এবং প্রতিবেশীদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন’।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-24/nqaotgkb/Pete_Hegseth.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ</figcaption></figure><h3>যুদ্ধ থেকে ‘সম্মানজনক’ প্রস্থানের পথ খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র: ইরান</h3><p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদের পাকিস্তান সফর শুরুর আগে তেহরান দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্র এখন যুদ্ধ থেকে একটি ‘সম্মানজনক’ প্রস্থানের পথ খুঁজছে। আজ শনিবার ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মন্তব্য করে।</p><p>প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রকে উদ্ধৃত করে ইরানের সংবাদমাধ্যম ইসনা (আইএসএনএ) বলেছে, ‘বর্তমানে আমাদের সামরিক শক্তি একটি প্রভাবশালী অবস্থানে রয়েছে। শত্রু এখন যুদ্ধের এ চোরাবালি থেকে বাঁচতে এক সম্মানজনক প্রস্থানের পথ খুঁজছে, যেখানে তারা আটকা পড়েছে।’</p><p>মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও জারেড কুশনার বর্তমানে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। এমন এক সময়ে ইরানের পক্ষ থেকে এই কঠোর মন্তব্য এল। যদিও ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা দেশটির নেই।</p><p>তথ্যসূত্র: জিও নিউজ</p><h3>ইসলামাবাদে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি</h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের রাজধানীর সর্বশেষ কিছু চিত্র এখানে তুলে ধরা হলো।</p><p>হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার আজ শনিবারই পাকিস্তানে পৌঁছাবেন। খবর সিএনএনের।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/4xvf9i92/pak-001.webp" /><figcaption>ইসলামাবাদে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্ভাব্য আলোচনার স্থান সেরেনা হোটেলের কাছে রেড জোন এলাকায় পাহারায় পুলিশ কর্মকর্তা। ২৫ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/dff7xuvc/pak-002.webp" /><figcaption>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ইসলামাবাদের একটি সড়কে টহল দিচ্ছেন সেনাসদস্যরা। ২৪ এপ্রিল, ২০২৬   </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/5p057r4n/pak-003.webp" /><figcaption>ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকায় একটি বন্ধ করে দেওয়া সড়কে পাহারায় এক সেনাসদস্য। ২৫ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/gy0qlorz/pak-004.webp" /><figcaption>শান্তি আলোচনাকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তার কারণে ইসলামাবাদে যান চলাচল স্থগিত ও বাজার বন্ধ রাখা হয়। প্রবেশপথ কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা এমন একটি বন্ধ জ্বালানি স্টেশনের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন পথচারীরা। ২৪ এপ্রিল, ২০২৬  </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/nuiv34cc/pak-005.webp" /><figcaption>ইসলামাবাদের রেড জোন এলাকার আকাশে একটি হেলিকপ্টার টহল দিচ্ছে। ২৫ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/8t7upqsy/pak-006.webp" /><figcaption>ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনের জনমানবহীন সড়কে একটি টহল যান। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনার প্রস্তুতি হিসেবে রাজধানীতে নিরাপত্তা কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। ২৫ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আশা মিসর ও পাকিস্তানের</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/2ajubl6e/egypt-talk.webp" /><figcaption>ইসলামাবাদের সেরেনা হোটেলের পাশে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনায় পাকিস্তানের মধ্যস্থতার বিষয়টি প্রচার করা ব্যানারগুলোর পাশ দিয়ে যাচ্ছেন পুলিশ সদস্যরা। ২৪ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><p>ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে টেলিফোনে আলোচনা করেছেন মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাতি এবং পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার।</p><p>মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই মন্ত্রীই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় দফার আলোচনার বিষয়ে আশা ব্যক্ত করেছেন। তাঁরা আশা করছেন, এ আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হবে, যা একটি স্থিতিশীল যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করবে, উত্তেজনা কমাবে ও বর্তমান সংঘাত বন্ধের পরিবেশ তৈরি করবে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="tl" dir="ltr">Iranian delegation meets Pakistan&#39;s Army chief Asim Munir in Islamabad <a href="https://t.co/FcWJ0WkRE3">pic.twitter.com/FcWJ0WkRE3</a></p>&mdash; Mehr News Agency (@MehrnewsCom) <a href="https://twitter.com/MehrnewsCom/status/2047916813736874258?ref_src=twsrc%5Etfw">April 25, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>আলাপে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদেলাতি আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা বজায় রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি আঞ্চলিক দেশগুলোর, বিশেষ করে আরব উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়টি সমাধানের ওপরও জোর দেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/1x9iqvy3/meetting.avif" /><figcaption>ইসলামাবাদসংলগ্ন রাওয়ালপিন্ডির নূর খান বিমানঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার (ডানে তৃতীয়) ও পাকিস্তানের চিফ অব আর্মি স্টাফ ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের (বাঁয়ে তৃতীয়) সঙ্গে কথা বলছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি (মাঝে)। ২৪ এপ্রিল, ২০২৬ </figcaption></figure><h3>ইসলামাবাদে আসিম মুনির–আরাগচি বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও নিরাপত্তা সহযোগিতায় গুরুত্বারোপ</h3><p>পাকিস্তানের চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস (সিডিএফ) ও চিফ অব আর্মি স্টাফ (সিওএএস) ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইসলামাবাদে অবস্থিত ইরান দূতাবাস এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>বৈঠকে উভয় পক্ষ আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাকিস্তান ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও তাঁরা একমত হয়েছেন।</p><p>ইরান দূতাবাস জানিয়েছে, ইসলামাবাদ ও তেহরানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ আসিম মালিক ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি উপস্থিত ছিলেন।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">H.E. Dr Seyyed Abbas Araghchi, Honorable Foreign Minister calls on Field Marshal Seyed Asim Munir, NI(M), HJ, COAS &amp; CDF <a href="https://t.co/sihS0yB3NJ">pic.twitter.com/sihS0yB3NJ</a></p>&mdash; Embassy of IR Iran Pakistan (@IraninIslamabad) <a href="https://twitter.com/IraninIslamabad/status/2047920076654067916?ref_src=twsrc%5Etfw">April 25, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>ইরানি প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচির সঙ্গে আরও ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি, রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোকাদ্দাম ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।</p><p>তথ্যসূত্র: ডন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/k08ucwfb/Bunker-Buster.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ টেস্ট অ্যান্ড ট্রেনিং রেঞ্জে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট ‘জিবিইউ-২৮ বাংকার বাস্টার’ বোমা ফেলছে মার্কিন বিমানবাহিনীর উড়োজাহাজ। ৫০০০ পাউন্ড ওজনের এ শক্তিশালী বোমা মূলত মাটির গভীর পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম</figcaption></figure><h3>মাটির ৪৩ ফুট গভীরে থাকা অবিস্ফোরিত ‘বাংকার বিধ্বংসী’ বোমা নিষ্ক্রিয় করল ইরান</h3><p>ইরানের ইয়াজদ প্রদেশের একটি আবাসিক এলাকায় মাটির গভীরে পুঁতে থাকা অবিস্ফোরিত ‘বাংকার বাস্টার’ বোমা সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। দেশটির সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলা চলাকালে নিক্ষিপ্ত এ শক্তিশালী বোমাটি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানলেও বিস্ফোরিত হয়নি। এটি আবাসিক এলাকার প্রায় ১৩ মিটার (প্রায় ৪৩ ফুট) মাটির নিচে ঢুকে গিয়েছিল।</p><p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) এবং স্থানীয় বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের সদস্যরা যৌথভাবে এ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভিযান পরিচালনা করেন। কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ছাড়াই বোমাটি সরিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/blnewkq1/A-security-personnel-officer.jpg" /><figcaption>ইয়েমেনের রাজধানী সানায় হুতি বিদ্রোহীদের এক সমাবেশে ‘ফিলিস্তিন’ লেখা একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবির সামনে পাহারায় এক নিরাপত্তাকর্মী। ১৭ এপ্রিল, ২০২৬ </figcaption></figure><h3>যুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ‘সামান্যই ব্যবহার’ করেছে ইরান, নিচ্ছে পাল্টা হামলার প্রস্তুতি</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার একটি বড় অংশ এখনো অব্যবহৃত রয়ে গেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ইরানি সংবাদমাধ্যম ‘প্রেস টিভি’ এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রেজা তালাই-নিক বলেন, ইরান বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের রক্ষণাত্মক ও পাল্টা আঘাত হানার প্রস্তুতি বজায় রেখেছে।</p><p>মুখপাত্র তালাই-নিক বলেন, দেশীয় প্রযুক্তিতে ইরান বর্তমানে ১ হাজারেরও বেশি ধরনের অস্ত্র উৎপাদন করছে। তিনি আরও বলেন, দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার প্রতিষ্ঠান এ অস্ত্র উৎপাদনে সহায়তা করছে। এমনকি কোনো স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উৎপাদন প্রক্রিয়া থেমে থাকবে না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-05/vx5ejxd7/ballistic.avif" /><figcaption>ইরানের একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র</figcaption></figure><p>হরমুজ প্রণালি সম্পর্কে মুখপাত্র বলেন, এটি ইরানের ‘নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার’। এ প্রণালি ব্যবহারের মাধ্যমে ইরান পার্শ্ববর্তী জলসীমার পরিস্থিতির ওপর প্রভাব বিস্তার করে আসছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-01/7znvfarn/White-House.avif" /><figcaption>হোয়াইট হাউস</figcaption></figure><h3>ইরান সরাসরি আলোচনায় আগ্রহী—দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, অস্বীকার তেহরানের</h3><p>হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়িয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নমনীয়তা প্রদর্শন করেছেন। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লেভিট দাবি করেছেন, তেহরান এখন সরাসরি আলোচনায় বসতে আগ্রহী।</p><p>এ আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন কর্মকর্তা জারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফের পাকিস্তান সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো (সরাসরি) বৈঠকের পরিকল্পনা নেই বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছে ইরান।</p><p>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। ইরানের অবস্থান পাকিস্তানের মাধ্যমেই জানিয়ে দেওয়া হবে।’</p><p>মুখপাত্র নিশ্চিত করেন, মধ্যস্থতা প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বর্তমানে ইসলামাবাদে পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/r1m9vsj0/USAIRFORCEREFUELINGMISSIONNEARSTRAITOFHORMUZ.webp" /><figcaption>উত্তেজনাপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনীর একটি ‘পি-৮ পসাইডন’ উড়োজাহাজে মাঝ আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করছে দেশটির ‘কেসি-১৩৫ স্ট্র্যাটোট্যাংকার’ উড়োজাহাজ। ২১ এপ্রিল, ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু করতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির অপেক্ষায় ইসরায়েল</h3><p>ইরানের ওপর বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।</p><p>ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ তেহরানকে নতুন করে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।</p><p>কাৎজ জানিয়েছেন, হামলার জন্য ওয়াশিংটনের কাছ থেকে ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার অপেক্ষায় আছে সেনাবাহিনী। কাৎজের এ মন্তব্যকে উত্তেজনার পারদ আরও বাড়িয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা।</p><p>ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, সম্ভাব্য যেকোনো হামলার লক্ষ্য হবে ইরানের সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া।</p><p>কাৎজের ব্যবহৃত শব্দগুলো থেকে ধারণা করা হচ্ছে, এই অভিযানের সামরিক ফলাফল হবে সুদূরপ্রসারি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/uqv62pzq/USAIRFORCEREFUELINGMISSIONNEARSTRAITOFHORMUZ-02.webp" /><figcaption>ইসরায়েলের তেল আবিবে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ। বৈঠকে তাঁর সঙ্গে ছিলেন সশস্ত্র বাহিনীর চিফ অব স্টাফ ইয়াল জামির, সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ‘আমান’-এর প্রধান শ্লোমি বিন্ডারসহ ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তারা। ৭ মার্চ, ২০২৬  </figcaption></figure><p>আঞ্চলিক চরম উত্তেজনার মধ্যে কাৎজ দাবি করেন, ইসরায়েলি বাহিনী উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। যেকোনো ধরনের রক্ষণাত্মক বা আক্রমণাত্মক পরিস্থিতির জন্য তারা পুরোপুরি প্রস্তুত। তিনি আরও বলেন, প্রধান মিত্র ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমন্বয় সাপেক্ষে সব ধরনের সামরিক পথই খোলা রাখা হয়েছে।</p><p>বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনিকে জড়িয়ে কাৎজের মন্তব্যগুলোকে বিশ্লেষকেরা তেহরানের ওপর রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক চাপ বৃদ্ধির কৌশল হিসেবে দেখছেন।</p><p>পর্যবেক্ষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি ও ইসরায়েলের উত্তর ফ্রন্টের মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলোতে চলমান উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের কঠোর বার্তার উদ্দেশ্য হলো ইরানকে দমানো।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-06/8442df0b-0593-421e-a280-dc084eb71971/Bitcoin_reuters.png" /><figcaption>বিটকয়েন</figcaption></figure><h3>ইরান সংশ্লিষ্ট সাড়ে ৩৪ কোটি ডলারের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ইরান সংশ্লিষ্ট প্রায় ৩৪ কোটি ৪০ লাখ (৩৪৪ মিলিয়ন) ডলার মূল্যের ক্রিপ্টোকারেন্সি জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গতকাল শুক্রবার মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে তেহরানের ওপর চাপ বাড়াতে ওয়াশিংটন এ পদক্ষেপ নিয়েছে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বেসেন্ট বলেন, ‘তেহরানের তহবিল গঠন, স্থানান্তর এবং দেশে টাকা ফিরিয়ে নেওয়ার সক্ষমতা ধ্বংস করতে মার্কিন অর্থ বিভাগ কাজ চালিয়ে যাবে।’ তিনি জানান, ইরান সংশ্লিষ্ট বেশ কিছু ডিজিটাল ওয়ালেটের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মাধ্যমে এসব তহবিল জব্দ করা হয়েছে।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Under Economic Fury, <a href="https://twitter.com/USTreasury?ref_src=twsrc%5Etfw">@USTreasury</a> will continue to systematically degrade Tehran’s ability to generate, move, and repatriate funds.<br><br>Treasury’s Office of Foreign Assets Control is sanctioning multiple wallets tied to Iran — resulting in the freeze of $344 million in…</p>&mdash; Treasury Secretary Scott Bessent (@SecScottBessent) <a href="https://twitter.com/SecScottBessent/status/2047741124853502012?ref_src=twsrc%5Etfw">April 24, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইরান ছদ্মবেশী প্রতিষ্ঠান ব্যবহারের মতো প্রচলিত পদ্ধতির পাশাপাশি ডিজিটাল মুদ্রার মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। ওয়াশিংটন উভয় পথ বন্ধ করতে চাইছে।</p><p>ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, বর্তমানে বিভিন্ন ডিজিটাল অ্যাসেট এক্সচেঞ্জসহ (ক্রিপ্টোকারেন্সি কেনাবেচার মাধ্যম) আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে নিবিড়ভাবে কাজ করছে অর্থ বিভাগ।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/zgykzi3q/israel-lebanon.webp" /><figcaption>ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বৃদ্ধির ঘোষণার পরদিন গতকাল শুক্রবার দুই দেশের সীমান্তে ইসরায়েলি ট্যাংকের উপস্থিতি দেখা যায়</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও ইসরায়েল-হিজবুল্লাহ লড়াই চলছেই</h3><p>লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও তিন সপ্তাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এ ঘোষণার একদিন পার না হতেই দুই পক্ষ আবার পাল্টাপাল্টি হামলায় জড়িয়েছে।</p><p>গতকাল শুক্রবার দিনভর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও লেবাননের সশস্ত্র সংগঠন হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের মধ্যে এ লড়াই চলে।</p><p>ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) বলেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের ইয়াতের ও কাফরা শহরে হিজবুল্লাহর রকেট লঞ্চার লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, এসব রকেট লঞ্চার ইসরায়েলি সেনা ও সাধারণ নাগরিকদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছিল।</p><p>লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননজুড়ে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন।</p><p>অন্যদিকে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা দক্ষিণ লেবাননের রামিয়াহ এলাকায় ইসরায়েলের একটি সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, দক্ষিণ লেবাননে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ধ্বংস করার জবাবে তারা এ হামলা চালিয়েছে।</p><p>হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল ঘরবাড়ি ধ্বংস করে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করছে।</p><p>এর আগে গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছিলেন। তবে ঘোষণার পর থেকেই উভয় পক্ষ একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে আসছে।</p><p>ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, লেবানন থেকে আসা ‘যেকোনো হুমকির’ বিরুদ্ধে ইসরায়েল হামলা চালিয়ে যাবে। যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, আত্মরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।</p><p>তবে হিজবুল্লাহর দাবি, ইসরায়েল লেবাননের ভূখণ্ডে হামলা অব্যাহত রাখায় এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির এখন আর কোনো অর্থ নেই।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/qjrmns4k/45X52V2M2ZIGHHSYZE2UXRCJPI1.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্র–ইরান যুদ্ধবিরতির মধ্যে গতকাল শুক্রবার ওয়াশিংটনে পেন্টাগনের ব্রিফিংয়ে ইরান যুদ্ধ নিয়ে কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতি ছাড়া হরমুজ দিয়ে বিশ্বের কোথাও  জাহাজ চলছে না: পিট হেগসেথ</h3><p>ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। গতকাল শুক্রবার তিনি বলেন, তেহরানের সামনে এখনো ওয়াশিংটনের সঙ্গে একটি ‘ভালো চুক্তিতে’ আসার সুযোগ রয়েছে।</p><p>সাংবাদিকদের হেগসেথ বলেন, ‘আমাদের অবরোধের পরিধি বাড়ছে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন নৌবাহিনীর অনুমতি ছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে এখন বিশ্বের কোথাও কোনো জাহাজ চলাচল করতে পারছে না।’</p><p>প্রতিরক্ষামন্ত্রীর এ মন্তব্যের মধ্যেই রয়টার্স জানিয়েছে, পাকিস্তান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শিগগিরই শান্তি আলোচনা শুরু হতে পারে। পাকিস্তানের তিনটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>শীর্ষ মার্কিন জেনারেল ড্যান কেইনকে পাশে নিয়ে হেগসেথ আরও বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্র ‘উদ্বিগ্ন নয়’। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সুর টেনে তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে যথেষ্ট সময় আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ইরানের সামনে এখনো বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেওয়ার ও আলোচনার টেবিলে আসার সুযোগ রয়েছে। তাদের শুধু অর্থবহ ও যাচাইযোগ্য উপায়ে পারমাণবিক অস্ত্রের পথ ত্যাগ করতে হবে।’</p><p>এদিকে জেনারেল ড্যান কেইন জানান, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের সব বন্দরে কঠোর অবরোধ বজায় রেখেছে। গতকাল সকাল পর্যন্ত ৩৪টি জাহাজকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রশান্ত ও ভারত মহাসাগরেও ইরানি জাহাজগুলো বাধা দেওয়া অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান।</p><p>কেইন বলেন, ‘ইরানের কোনো বন্দর বা ভূখণ্ডে যাতায়াতকারী যেকোনো দেশের জাহাজের ক্ষেত্রে আমরা এই অবরোধ কঠোরভাবে কার্যকর করছি। যেসব জাহাজ ইরানের দিকে যাচ্ছে বা ইরান থেকে বের হচ্ছে, সেগুলোর ওপর আমরা তীক্ষ্ণ নজর রাখছি এবং প্রয়োজনে গতিরোধ করার জন্য প্রস্তুত আছি।’</p><p>উল্লেখ্য, গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এই নৌ-অবরোধ শুরু হয়। হেগসেথ সতর্ক করে বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসানোর চেষ্টা করে, তবে তা যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে।</p><p>হেগসেথ অভিযোগ করেন, ইরানের অস্ত্রধারী ছোট ও দ্রুতগামী নৌযানগুলোর দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল এখন অনেক বেশি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-25/l3ya52p0/us-centcom-vessel.webp" /><figcaption>ইরানের একটি বন্দরে যাওয়ার পথে গতকাল শুক্রবার ইরানি পতাকাবাহী একটি জাহাজকে গতিরোধ করে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’। সেই মুহূর্তের একটি ছবি প্রকাশ করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড </figcaption></figure><h3>ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্রের ডেস্ট্রয়ার</h3><p>ইরানের একটি বন্দরে যাওয়ার পথে ইরানি পতাকাবাহী জাহাজের গতিরোধ ও সেটি জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা’ (ডিডিজি ১১৫)।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, গতকাল শুক্রবার জাহাজটি যখন ইরানের একটি বন্দরের দিকে যাচ্ছিল, তখন সেটিকে বাধা দেওয়া হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/wcagqf94/WhatsApp-Image-2026-04-25-at-5.35.12-AM.jpeg" /><figcaption>চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে ইরানের বন্দরে অবরোধ জারি রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র</figcaption></figure><h3>ইরান-রাশিয়ার তেলে ছাড়ের মেয়াদ বাড়বে না: যুক্তরাষ্ট্র </h3><p>সমুদ্রপথে থাকা ইরান ও রাশিয়ার জ্বালানি তেল কেনার ওপর যুক্তরাষ্ট্র যে বিশেষ ছাড় দিয়েছিল, তার মেয়াদ আর নবায়ন করা হবে না। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এপি। </p><p>স্কট বেসেন্ট বলেন, সমুদ্রপথে থাকা ইরানি তেলের ক্ষেত্রে ছাড়ের সময়সীমা বাড়ানোর বিষয়টি পুরোপুরি অসম্ভব বা আলোচনার বাইরে। তিনি বলেন, ‘ইরানিদের জন্য কোনো ছাড় নেই। (ইরানের বন্দরে) আমাদের অবরোধ চলছে এবং সেখান থেকে কোনো তেল বের হচ্ছে না।’ </p><p>তথ্যসূত্র:  আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-24/eomrq95z/Bahgei-ProthomALOVIAAFP.jpg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাগাই</figcaption></figure><h3>ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই ইরানের</h3><p>পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের কোনো বৈঠকের পরিকল্পনা নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই। তিনি লেখেন, ইসলামাবাদে ইরানের পর্যবেক্ষণ বা বক্তব্যগুলো পাকিস্তানের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।</p><p>এক্সে ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন। তিনি পাকিস্তানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এই বৈঠকটি মূলত ‘যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধ এবং এই অঞ্চলে শান্তি পুনরুদ্ধারে’ পাকিস্তানের চলমান মধ্যস্থতা ও প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>ওয়াশিংটনের সঙ্গে বৈঠকের পরিকল্পনা নেই তেহরানের: ইরানি সংবাদমাধ্যম</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/92seon1e/2.jpeg" /><figcaption>ইরানের প্রতিনিধিদলের সফরের আগে শুক্রবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়</figcaption></figure><p>পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বৈঠকের কোনো পরিকল্পনা নেই। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি বার্তা আদানপ্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>আইআরআইবির তথ্য অনুযায়ী, ইসলামাবাদ কেবল দুই পক্ষের মধ্যে একটি ‘সেতুবন্ধন’ হিসেবে কাজ করতে পারে। তাদের কাজ হতে পারে ‘সংঘাত নিরসনে ইরানের বিবেচনাধীন বিষয়গুলো’ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া। </p><p>এর আগে হোয়াইট হাউস থেকে জানানো হয়েছিল যে মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ইসলামাবাদে যাবেন। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান সরাসরি কথা বলতে চেয়েছে। </p><p>আব্বাস আরাগচি শুক্রবার রাতে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানি দূতাবাস জানিয়েছে, ইরান ও পাকিস্তানের মধ্যে ‘দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো’ পর্যালোচনা করার পরিকল্পনা করছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।</p><p>এদিকে পাকিস্তানের একজন সরকারি কর্মকর্তার বরাতে সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাদা আলাদাভাবে বৈঠক করবে। যদি এই বৈঠকগুলো সফল হয়, তবেই মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা আগামী রোববার সরাসরি বৈঠকে বসবেন।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পূরণ হয় এমন প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/iu1a1odu/Pakistan-Talk.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><p>পাকিস্তানে পৌঁছেছে ইরানের প্রতিনিধি দল। মার্কিন প্রতিনিধিরাও ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বন্ধে শান্তি আলোচনা আবার শুরু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি পূরণ হয়—এমন প্রস্তাব দেওয়ার পরিকল্পনা করছে তেহরান। </p><p>রয়টার্সকে টেলিফোনে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা একটি প্রস্তাব দিচ্ছে এবং আমাদের দেখতে হবে সেটি কেমন হয়।’ তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবটি ঠিক কী হবে তা তিনি এখনো জানেন না। তবে ট্রাম্প শুরু থেকেই বলে আসছেন যে যেকোনো চুক্তিতে ইরানকে অবশ্যই তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম ত্যাগ করতে হবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে অবাধে তেলবাহী জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে হবে। </p><p>এর আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। আর মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছিলেন, ইরানের নেতৃত্ব বিভক্ত হয়ে পড়েছে। শুক্রবার যখন ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়—যুক্তরাষ্ট্র আসলে কার সঙ্গে আলোচনা করছে, তখন ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সেটা বলতে চাই না, তবে বর্তমানে যারা ক্ষমতায় আছে, আমরা তাদের সঙ্গেই আলোচনা করছি।’ </p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><h3>পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবে ইরানের প্রতিনিধিদল: ইসলামাবাদ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/aqmk6sb4/2.jpeg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ দেশটির প্রতিনিধিদল গতকাল পাকিস্তানে পৌঁছান। শুক্রবার রাওয়ালপিন্ডির নুর খান বিমানঘাঁটিতে</figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদল পাকিস্তানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ইরানের প্রতিনিধিদলের ইসলামাবাদে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করে একটি বিবৃতি দিয়েছে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেখানে বৈঠকের বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। </p><p>পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিনিধিরা পাকিস্তানের পৌঁছানোর পর দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও সেনাপ্রধান আসিম মুনিরসহ দেশটির জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে সর্বশেষ আঞ্চলিক পরিস্থিতি এবং ‘আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার চলমান প্রচেষ্টা’ নিয়ে আলোচনা হবে।</p><p>এদিকে আগামীকাল শনিবার ইসলামাবাদে পৌঁছানোর কথা রয়েছে মার্কিন প্রতিনিধিদলের। তাঁদের সঙ্গে ইরানের প্রতিনিধিদলের বৈঠক হবে কি না, তা পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>আলোচনার জন্য পাকিস্তানে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/n5ujcenk/Abbas-Araghchi.avif" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি </figcaption></figure><p>আলোচনার জন্য পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। আজ শুক্রবার রাতে তিনি ইসলামাবাদে পৌঁছান বলে জানিয়েছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। </p><p>পাকিস্তানের এক কর্মকর্তা আল-জাজিরাকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে টানাপোড়েনের দুই পক্ষের ‘বড় ধরনের সমঝোতা হওয়ার বড় সম্ভাবনা’ রয়েছে। </p><p>এর আগে ইরানের সংবাদমাধ্যম মেহর নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ‘এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ইরানবিরোধী ইসরায়েলি শাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><h3>মার্কিন প্রতিনিধি দল শনিবার পাকিস্তান যাচ্ছে : হোয়াইট হাউস

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/lmdn0hhd/Karoline_Leavitt.png" /><figcaption>হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট। ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলনে, ২২ এপ্রিল ২০২৬ 

</figcaption></figure><p>যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফার আলোচনায় অংশ নিতে শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার পাকিস্তানের উদ্দেশ্যে রওনা করবেন। শুক্রবার ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট এ খবর নিশ্চিত করেন।</p><p>লেভিটি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত করে বলছি, আলোচনার উদ্দেশ্যে বিশেষ দূত উইটকফ ও জ্যারেড কুশনার আগামীকাল সকালে আবারও পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা দেবেন।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের (ট্রাম্প) আহ্বানে সাড়া দিয়ে ইরানিরা এই সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা আশাবাদী, এটি একটি ফলপ্রসূ আলোচনা হবে এবং চুক্তির পথে এগোবে।’</p><p>এর আগে গত ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়েছিল। প্রায় ২১ ঘণ্টার সেই বৈঠক সমঝোতা ছাড়া শেষ হয়েছিল। তখন মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। তবে এবার তিনি থাকছেন না। </p><p>লেভিট জানান, ভ্যান্স এখনো পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত আছেন। তবে আপাতত তিনি যাচ্ছেন না। </p><p>হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি বলেন, ‘প্রয়োজন হলে যেকোনো মুহূর্তে পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য সবাই প্রস্তুত রয়েছেন।’</p><p>ট্রাম্পের ব্যবসায়িক সহযোগী থেকে বৈশ্বিক আলোচক হওয়া উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা কুশনার গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে যৌথ হামলার ঠিক আগমুহূর্ত পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়েছিলেন। হামলার পর তেহরান তাঁদের বিরুদ্ধে ‘প্রতারণার’ অভিযোগ আনে।</p><p>পাকিস্তানে প্রথম দফার আলোচনা শেষে ভ্যান্স জানিয়েছিলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ইরান প্রত্যাখ্যান করেছে। </p><p>গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে প্রাথমিকভাবে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি হয়। ২২ এপ্রিল এ যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে তা অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রাম্প। </p><p>তথ্যসূত্র: এএফপি</p><h3>ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে উইটকফ ও কুশনারকে পাকিস্তানে পাঠাচ্ছেন ট্রাম্প  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/pv1dov50/special_envoy_Steve_Witkoff.png" /><figcaption>ইরান ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ (ডানে) ও জ্যারেড কুশনার। পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে, ১২ এপ্রিল ২০২৬

</figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে এই সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠেয় আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারকে পাকিস্তানে পাঠাচ্ছেন। ট্রাম্প প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তা সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>মার্কিন কর্মকর্তারা জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স আপাতত এই সফরে থাকছেন না। কারণ ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও এই আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন না। </p><p>হোয়াইট হাউসের অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নে গালিবাফকে ইরানি প্রতিনিধি দলের প্রধান এবং ভ্যান্সের সমমর্যাদার প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।</p><p>তবে কর্মকর্তারা আরও জানান, আলোচনার অগ্রগতি হলে ভাইস প্রেসিডেন্ট যেকোনো সময় ইসলামাবাদ যাওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছেন। এ ছাড়া তাঁর দপ্তরের কর্মীরা পাকিস্তানে অবস্থান করবেন এবং আলোচনায় অংশ নেবেন। </p><p>গত ১১ ও ১২ এপ্রিল পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে সরাসরি বৈঠক হয়েছিল। প্রায় ২১ ঘণ্টার সেই বৈঠক সমঝোতা ছাড়া শেষ হয়েছিল। এই বৈঠকে ইরানের প্রতিনিধি দলের অন্যতম প্রধান আলোচক ছিলেন গালিবাফ। আর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের প্রধান আলোচক ছিলেন ভ্যান্স। মার্কিন প্রতিনিধি দলে অন্যান্যদের মধ্যে উইটকফ ও ট্রাম্পের জামাতা কুশনারও ছিলেন।  </p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর আগে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকটি পরোক্ষ বৈঠক হয়েছিল। তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় হওয়া এসব বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন উইটকফ ও কুশনার। </p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন ও আল-জাজিরা </p><h3> ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৯১

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/y9lu3coq/Workers_clean.png" /><figcaption>ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি রেস্তোরাঁ পরিষ্কার করছেন কর্মীরা। লেবাননের টায়ার শহরে, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ 
</figcaption></figure><p>ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ও হিজবুল্লাহর মধ্যে গত ২ মার্চ সংঘাত শুরুর পর থেকে লেবাননে এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৪৯১ জনে দাঁড়িয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, এই সময়ের মধ্যে ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭ হাজার ৭১৯ জন আহত হয়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>তেহরান-ওয়াশিংটনের মধ্যে এখনো বড় মতপার্থক্য রয়ে গেছে, রাশিয়ার সমর্থন চায় ইরান 

</h3><p>বর্তমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে ইসলামাবাদ, মাসকাট ও মস্কোর পথে ‘সময়োপযোগী’ এক সফরে বের হয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।</p><p>কাতারের রাজধানী দোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের অধ্যাপক মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেন, আরাগচির এই সফরের মস্কো অংশটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। তার মতে, তেহরান এখন রাশিয়ার কাছ থেকে বড় ধরনের সমর্থন প্রত্যাশা করছে, বিশেষ করে জাতিসংঘে।</p><p>এলমাসরি বলেন, ‘ইরানিরা রাশিয়ার সমর্থনের ওপর নির্ভর করতে পারে। ইরানের পক্ষ থেকে দেওয়া ১০ দফা দাবির একটিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের কথা বলা হয়েছে। এমন এক প্রস্তাব, যেখানে ভবিষ্যতে ইরানের ওপর আর কোনো হামলা হবে না বলে নিশ্চয়তা দেওয়া হবে।’</p><p>এই সফরে সামরিক সহযোগিতার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে থাকতে পারে জানিয়ে এলমাসরি বলেন, ‘রাশিয়া ও ইরানের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং ইরানকে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়েও বিভিন্ন খবর পাওয়া যাচ্ছে।’</p><p>তবে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও দুই পক্ষের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান রয়ে গেছে বলে মনে করেন এই বিশ্লেষক। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত দেখে মনে হচ্ছে না, কোনো পক্ষই বড় কোনো আপস করতে রাজি আছে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-27/0l79suhe/iran-foreign-minister.webp" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><h3>পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পাকিস্তান, ওমান ও রাশিয়া সফরে যাচ্ছেন: ইরানের গণমাধ্যম

</h3><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আজ রাতে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন। ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা মেহর নিউজ এ কথা জানিয়েছে।</p><p>মেহর নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ রাতে ইসলামাবাদ যাবেন। এরপর তিনি ওমানের মাস্কাট এবং রাশিয়ার মস্কো সফর শুরু করবেন।</p><p>মেহর নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বিপক্ষীয় আলোচনা, বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং ইরানবিরোধী ইসরায়েলি শাসন ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা।</p><h3>ইরান চাইলে একটি ভালো ও চৌকস চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে : মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/w7wxwtzm/U.S.-Secretary-of-War-Pete-Hegseth.jpg" /><figcaption>সংবাদ ব্রিফিংয়ে কথা বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত পেন্টাগনে, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ 

</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, ইরানের সামনে এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ রয়েছে। তারা চাইলে একটি ভালো ও চৌকস চুক্তিতে পৌঁছাতে পারে।</p><p> যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে আজ শুক্রবার এক যৌথ সংবাদ ব্রিফিংয়ে হেগসেথ এ কথা বলেন। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যের আর্লিংটনে অবস্থিত পেন্টাগনে এ ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়। </p><p>হেগসেথ জানান, ইরানি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধের কারণে এ পর্যন্ত অন্তত ৩৪টি জাহাজকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।</p><p>তেহরানকে হুঁশিয়ারি দিয়ে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অবরোধ আরও কঠোর হচ্ছে। পরিস্থিতি আমাদের নিয়ন্ত্রণে। এখন আর কোনো কিছুই (ইরানের বন্দরের) ভেতরে ঢুকবে না বা বাইরে আসবে না।’</p><p>তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের এই অবরোধ কেবল বিস্তৃত হচ্ছে না, বরং এটি এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে।’</p><p>হেগসেথ সাফ জানিয়ে দেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ইরানের বন্দরে মার্কিন অবরোধ বজায় থাকবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে অফুরন্ত সময় আছে এবং আমরা চুক্তি করার জন্য মোটেও উদ্বিগ্ন বা তাড়াহুড়ো করছি না।’</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স </p> <h3>আজ রাতে পাকিস্তানে আসতে পারে ইরানের প্রতিনিধি দল  </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/gqee6i8r/Abbas–Araqhchi.jpg" /><figcaption>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি</figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির নেতৃত্বে দেশটির একটি প্রতিনিধি দল আজ শুক্রবার রাতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পৌঁছাতে পারে। পাকিস্তানের কয়েকটি সরকারি সূত্র আল-জাজিরাকে এ তথ্য জানিয়েছে। </p><p>সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে আলোচনায় বড় ধরনের অগ্রগতির ‘প্রবল সম্ভাবনা’ রয়েছে। </p><p>এর আগে আজ দিনের শুরুতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার টেলিফোনে কথা বলেছেন। উভয় পক্ষ এ খবর নিশ্চিত করেছে।</p><p>পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ফোনে দুই নেতা আঞ্চলিক পরিস্থিতি, যুদ্ধবিরতি ও যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পৃক্ততার প্রেক্ষাপটে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন। ইসহাক দার নিরবচ্ছিন্ন আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেন। অন্যদিকে, আরাগচি পাকিস্তানের ‘ধারাবাহিক ও গঠনমূলক মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকার’ প্রশংসা করেন।</p><p>ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, আরাগচি আজ পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গেও পৃথকভাবে ফোনে কথা বলেছেন। তবে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই ফোনালাপের বিষয়ে কোনো তথ্য নিশ্চিত বা অস্বীকার করেনি। </p><p>যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের মধ্যে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গত ১১ ও ১২ এপ্রিল প্রায় ২১ ঘণ্টার আলোচনা হয়। কিন্তু কোনো সমঝোতা ছাড়া তা শেষ হয়। এরপর দেশ দুটির মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য চেষ্টা করছে প্রধান মধ্যস্থতাকারী পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ। </p><p>দ্বিতীয় দফার বৈঠকের জন্য চলতি সপ্তাহের শুরু থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদ ও পাশের শহর রাওয়ালপিন্ডিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ইসলামাবাদে দুটি হোটেল বুকিং দিয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অপরাধে দ্বিতীয় দফায় আলোচনা বসতে ইরান এ পর্যন্ত রাজি হয়নি।   </p><p>কিন্তু আলোচনার প্রস্তুতি হিসেবে চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে অন্তত ৯টি মার্কিন বিমান যোগাযোগ সরঞ্জাম, যানবাহন, নিরাপত্তা কর্মী এবং কারিগরি জনবল নিয়ে ইসলামাবাদে পৌঁছেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>ইইউর অর্থনীতিতে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব 

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/9n9x1zuk/e-eu.avif" /><figcaption>বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় কমিশনের সদর দপ্তরের সামনে উড়ছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পতাকা</figcaption></figure><p>মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) অর্থনীতি শূন্য দশমিক ২ থেকে শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইইউর অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ক কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভস্কিস।</p><p>ডোমব্রোভস্কিস বলেন, যুদ্ধের ফলে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) দাম প্রায় ৬০ শতাংশ বেড়েছে। সেই সঙ্গে উড়োজাহাজের জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। </p><p>এসব কিছুর ফলে ইইউর প্রতিদিন আনুমানিক ৫০ কোটি ইউরো (প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার) আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>আটক হওয়া ইরানি জাহাজ চীনের ‘উপহার’ ছিল না: বেইজিং

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/r2eamc4j/barrels_of_Iranian.png" /><figcaption>হরমুজ প্রণালির ইলাস্ট্রেটেড মানচিত্র। ২৬ মার্চ ২০২৬</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের হাতে আটক হওয়া ইরানের পতাকাবাহী একটি কার্গো জাহাজকে চীনের দেওয়া ‘উপহার’ বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে দাবি করেছেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছে বেইজিং। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই দাবিকে ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে।</p><p>মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন আজ শুক্রবার সাংবাদিকদের বলেন, একটি দেশের সঙ্গে আরেকটি দেশের স্বাভাবিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকা উচিত।</p><p>গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরে নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেই সঙ্গে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলও নিয়ন্ত্রণ করছে তারা। </p><p>এর পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে ইরান ওই প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দিয়েছে। পাশাপাশি বাণিজ্যিক জাহাজ জব্দ করছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের সব বাণিজ্য বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে।</p><p>স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের নানা দেশে যায়। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ এ জলপথটি পারস্য উপসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><h3>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের ফোনালাপ 

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-15/i1crr1ab/asimmunir.jpeg" /><figcaption>পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরকে স্বাগত জানাচ্ছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। ইরানের রাজধানী তেহরানে, ১৫ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><p>ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আজ শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।</p><p>ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ফোনালাপে তাঁরা ‘আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধবিরতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা করেছেন।</p><p>পৃথক এক প্রতিবেদনে তাসনিম নিউজ জানায়, ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানির সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন আরাগচি। তাঁরাও আঞ্চলিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন। </p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/x1i48y4g/us-attack.avif" /><figcaption>মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ ভেঙে ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি তুসকা’ পার হওয়ার চেষ্টা করলে গত ২০ এপ্রিল আরব সাগরে টহল দেয় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে বড় ধরনের হামলার ছক কষছে যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যদি ভেঙে যায়, তবে দেশটির হরমুজ প্রণালির সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>এ পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্র সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বিবেচনায় থাকা বেশ কিছু লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে একটি বিশেষ দিক হলো, ইরানের ‘ডায়নামিক টার্গেট’ বা চলন্ত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালানো।</p><p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, মূলত হরমুজ প্রণালি, দক্ষিণ আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরে ইরানের সক্ষমতা ধ্বংস করাই এ পরিকল্পনার লক্ষ্য। বিশেষ করে ইরানের ছোট দ্রুতগামী আক্রমণকারী নৌযান, মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম; যা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এসব জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে।</p><p>গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেও এ জলপথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে।</p><p>মার্কিন বাহিনী আগে ইরানের নৌবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করলেও, প্রথম মাসের বোমাবর্ষণ ছিল মূলত হরমুজ প্রণালি থেকে দূরের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে। উদ্দেশ্য ছিল, ইরানের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে হামলার পথ তৈরি করা। তবে নতুন পরিকল্পনায় এই কৌশলগত জলপথের আশপাশে অনেক বেশি বোমাবর্ষণের কথা বলা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/zwu9et6k5w">শীর্ষ নেতাদের হারানো ইরান কি সত্যিই দুর্বল, ট্রাম্পের দাবি কতটা সত্য</a></aside><p>সিএনএনের আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত আছে। এছাড়া ইরানের অসংখ্য ছোট নৌযান রয়েছে, যা জাহাজে হামলা চালানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ফলে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করার মার্কিন প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে।</p><p>তবে একাধিক সূত্র এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিপিং ব্রোকার সিএনএনকে জানিয়েছেন, শুধু হরমুজ প্রণালির আশপাশে হামলা চালিয়েই এ জলপথ তাৎক্ষণিকভাবে উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়।</p><p>ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধান না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করবে। যদিও বর্তমান ও সাবেক অনেক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, ইরানে আবারও হামলা চালানো হলে তা সংঘাতকে নতুন করে উসকে দেবে।</p><p>হামলার পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমরা ভবিষ্যৎ বা কাল্পনিক কোনো পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করি না। মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন বিকল্প দিয়ে যাচ্ছে এবং সব বিকল্পই এখন আলোচনার টেবিলে রয়েছে।’</p><p>সূত্রগুলো আরও জানায়, নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগের দফায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন অক্ষত রয়ে গেছে।</p><p>গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে তাদের কিছু সামরিক সম্পদ নতুন জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ইরান চুক্তিতে না এলে এসব স্থানেও হামলা চালানো হবে।</p><p>সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু করতে আগ্রহী নন এবং তিনি একটি কূটনৈতিক সমাধানই পছন্দ করবেন। তবে একই সঙ্গে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, ট্রাম্পের এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। নির্দেশ পাওয়ামাত্রই মার্কিন বাহিনী আবারও হামলা শুরু করতে প্রস্তুত রয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-31/mtnwa90z/bunker-buster.jpg" /><figcaption>ইরানে সম্প্রতি হামলা চালানো নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পোস্ট করা ভিডিও থেকে সংগৃহীত স্ক্রিনশট </figcaption></figure><h3>তেলক্ষেত্রে কোনো ধরনের হামলা হলে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের</h3><p>ইরানের তেলক্ষেত্রে কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সমপরিমাণ পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট। ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানা গেছে।</p><p>ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাঈল সাকাব এসফাহানি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ যদি আবারও কোনো ভুল করে, তবে আমাদের কৌশল হবে ‘‘চোখের বদলে চোখ’’। আমাদের কোনো তেলকূপে আঘাত করা হলে, যেদেশের মাটি ব্যবহার করে আমাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে, সেই দেশের তেল স্থাপনাগুলোও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’</p><p>তেহরানের আলোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে সাকাব এসফাহানি আরও বলেন, আলোচনার টেবিলে ইরানের প্রতিনিধি দল ‘শত্রুর কলার চেপে ধরেছে’।</p><p>দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ইরানিদের দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শ দিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, এ বিষয়ে সব ধরনের ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হয়েছে।</p><p>সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিভিন্ন তেলক্ষেত্রে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। এমনকি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সুপেয় পানির প্ল্যান্টগুলো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ারও বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-19/4pfcndii/Hormuz-strait.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালি আবারও চালুর সিদ্ধান্ত থেকে ইরান সরে আসার পর সেখানে অপেক্ষমাণ তেলবাহী ট্যাংকার ও অন্যান্য জাহাজ</figcaption></figure><h3>‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালিতে ফি মওকুফ করল ইরান</h3><p>কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য মাশুল বা ফি মওকুফ করেছে ইরান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি সংবাদ সংস্থাটিকে বলেন, ‘আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি জানি না।’</p><p>রাষ্ট্রদূত আরও জানান, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এ বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। এর একটি উদাহরণ হলো রাশিয়া।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/6fc8511c-eaec-4e22-a606-ee2e17dfd138/state_department.jpg" /><figcaption>মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের লোগো</figcaption></figure><h3>ইরান–সমর্থিত ইরাকি বিদ্রোহী নেতার মাথার দাম ১ কোটি ডলার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>ইরাকে ইরান–সমর্থিত একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠীর প্রধানের খোঁজ দিতে ১ কোটি ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ‘রিওয়ার্ডস ফর জাস্টিস’ কর্মসূচির আওতায় কাতায়েব সাইয়্যেদ আল-শুহাদা নামের গোষ্ঠীর এ নেতার বিরুদ্ধে এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।</p><p>পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, হাশিম ফিনিয়ান রহিম আল-সরাজি ওই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তাঁর দলের বিরুদ্ধে ইরাকি বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা ও ইরাকে থাকা মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনায় হামলার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>এছাড়া ইরাক এবং সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও সেনাদের ওপর হামলার পেছনেও কাতায়েব সাইয়্যেদ আল-শুহাদাকে দায়ী করেছে ওয়াশিংটন।</p><p>২০১৪ সালে মসুলের পতনের পর ইরাকে স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীগুলোকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে ‘পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস’ গঠিত হয়, যারা আইএসকে পরাজিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ইরাকের এমন বেশ কিছু ইরান–সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠীর মধ্যে কাতায়েব সাইয়্যেদ আল-শুহাদা অন্যতম।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2020/08/14/5b2168f30f0b2efaef9b21417334c4af-5f36250ae6516.jpg" /><figcaption>সম্প্রতি ইরানের জ্বালানিবাহী একটি জাহাজ জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ, আইআরজিসির পাহারায় বন্দরে পৌঁছাল ইরানি জাহাজ</h3><p>ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ করে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে বন্দরে পৌঁছেছে একটি ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, চালবাহী জাহাজটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-ইউনিট। মূলত মার্কিন বাহিনীর কব্জা থেকে জাহাজটিকে রক্ষা করতেই এই বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-04/3d796250-aa81-4f36-82c5-f856a634c180/Iran_air_defence.jpg" /><figcaption>ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা</figcaption></figure><h3>তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরান</h3><p>ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশে ‘শত্রু লক্ষ্যবস্তু’ শনাক্ত হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন অংশে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আকাশে সন্দেহভাজন কিছু লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে।</p><p>ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি জানায়, রাজধানীর আকাশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি নূর নিউজও নিশ্চিত করেছে যে, শহরের বেশ কয়েকটি স্থানে প্রতিরক্ষা ব্যাটারিগুলো সক্রিয় করা হয়েছে।</p><p>তবে এ হুমকির ধরন সম্পর্কে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের উত্তেজনা বাড়তে থাকায় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই তেহরানে এ ঘটনা ঘটল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-08/jvb42hmz/পারমাণবিক-বোমা-ফ্যাট-ম্যানটিনিয়ান-দ্বীপ-আগস্ট-১৯৪৫।-ন্যাশনাল-আর্কাইভ।.jpg" /><figcaption>পারমাণবিক বোমা ফ্যাট ম্যান, টিনিয়ান দ্বীপ, আগস্ট ১৯৪৫</figcaption></figure><h3>ট্রাম্পের সুর নরম, ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ </h3><p>ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো ভয়ানক হামলার হুমকি দিলেও এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এলেন তিনি।</p><p>গতকাল বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, কোনো অবস্থাতেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্র যাতে কেউ কোনোভাবে ব্যবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’</p><p>এর আগে ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, ইরানি সভ্যতা পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হবে। তবে তাঁর নতুন মন্তব্য সেই আগের কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-11-19/ixquz4pe/ATACMS.webp" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এটিএসিএমএস ক্ষেপণাস্ত্র </figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মজুত অস্ত্রভাণ্ডারের বড় অংশ শেষ: নিউইয়র্ক টাইমস</h3><p>ইরান যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা সামরিক সরঞ্জামের একটি বড় অংশ শেষ হয়ে গেছে।</p><p>প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এশিয়া ও ইউরোপীয় কমান্ড থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে।</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যদিও হোয়াইট হাউস এ পর্যন্ত যুদ্ধের সঠিক ব্যয় নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব দেয়নি, তবে দুটি স্বতন্ত্র সংস্থা জানিয়েছে যে, ইরান যুদ্ধের পেছনে প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের পরিমাণ ২৮ বিলিয়ন (২ হাজার ৮০০ কোটি) থেকে ৩৫ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার।</p><p>বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের যে গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রগুলোর মজুত আশঙ্কাজনকভাবে কমেছে, তার মধ্যে রয়েছে প্রিসিশন-স্ট্রাইক মিসাইল (নির্ভুল নিশানায় আঘাতকারী ক্ষেপণাস্ত্র), এটিএসিএমএস ভূমি থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর মিসাইল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><h3>মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি</h3><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Nimitz-class aircraft carrier USS George H.W. Bush (CVN 77) sails in the Indian Ocean in the U.S. Central Command area of responsibility, April 23. <a href="https://t.co/oDcTM6YMLF">pic.twitter.com/oDcTM6YMLF</a></p>&mdash; U.S. Central Command (@CENTCOM) <a href="https://twitter.com/CENTCOM/status/2047375382135947468?ref_src=twsrc%5Etfw">April 23, 2026</a></blockquote>
<script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script>

</figure><p>মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। রণতরিটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে। সেন্ট্রাল কমান্ড এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রণতরির একটি ছবি শেয়ার করেছে। এতে দেখা যায়, নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে চলাচল করছে।</p><p>মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকে থাকা মার্কিন জাহাজগুলোর সঙ্গে এই রণতরিটি যোগ দেবে, নাকি কোনো একটি জাহাজের পরিবর্তে আসছে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। যদিও কিছু গণমাধ্যম এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।</p><p>এর আগে সেন্টকম জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বর্তমানে লোহিত সাগরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের অধীনে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/3ivwx9973w">হরমুজ প্রণালিতে ভারতগামী জাহাজ যেভাবে জব্দ করল ইরান</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/3il8mqwc/trump-white-house.webp" /><figcaption>হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হামাদে মোয়াদ এবং লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ঈসা। ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র, ২৩ এপ্রিল</figcaption></figure><h3>ইসরায়েল ও লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ তিন সপ্তাহ বাড়াতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প </h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/d9u62e8h/trump.JPG" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>হোয়াইট হাউসে ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিদের বৈঠকটি ‘খুব ভালো হয়েছে’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি আরও জানিয়েছেন, লেবাননের যুদ্ধবিরতি তিন সপ্তাহের জন্য বাড়ানো হবে।</p><p>ট্রাম্প বলেন, ‘আমি অদূর ভবিষ্যতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বিবি নেতানিয়াহু এবং লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউনকে আতিথেয়তা দেওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছি। এই অত্যন্ত ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশগ্রহণ করা আমার জন্য বড় সম্মানের বিষয় ছিল!’</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/btic7v12x8">যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির পর আলোচনা নিয়ে কেন দ্বিধায় ইরানের নেতৃত্ব</a></aside><h3>আগামী রোববার থেকে কুয়েতি এয়ারলাইনসের ফ্লাইট পুনরায় চালু</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/mkvdm236/Kuwait-Airway.avif" /><figcaption>কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি উড়োজাহাজ</figcaption></figure><p>কুয়েত সরকার ঘোষণা করেছে, দেশটির দুই এয়ারলাইনস—কুয়েত এয়ারওয়েজ ও জাজিরা এয়ারওয়েজ—আগামী রোববার থেকে পুনরায় ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করবে।</p><p>সরকারি যোগাযোগ কেন্দ্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে এক ডজনেরও বেশি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে ফ্লাইট পুনরায় চালুর তালিকা প্রকাশ করেছে।</p><p>কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বৃহস্পতিবার থেকে খুলে দেওয়ার ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত এলো। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বিমান চলাচলে সাময়িক ও সতর্কতামূলক স্থগিতাদেশের পর এই বিমানবন্দরটি পুনরায় চালু করা হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/7ixuzwu5hw">যিশুমূর্তি ভাঙচুর: খ্রিষ্ট সম্প্রদায়ের কাছে মুখ রক্ষার করতেই কি সেনাদের শাস্তি দিল ইসরায়েল</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/zykpdffa/Trump.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতির সময়ে ইরান ‘শক্তি সঞ্চয়’ করে থাকতে পারে: ট্রাম্প</h3><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ইরানের সঙ্গে চুক্তির সম্ভাবনা নিয়ে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন।</p><p>ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ‘প্রায় ৭৫ শতাংশ লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে’।</p><p>যুদ্ধ আগে দেওয়া তাঁর চার থেকে ছয় সপ্তাহ স্থায়ী হওয়ার দাবির বিষয়ে সাংবাদিকরা চাপ দিলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমিও সামান্য বিরতি নিয়েছিলাম। আমি সবচেয়ে ভালো চুক্তিটি করতে চাই, আমি এখনই একটি চুক্তি করতে পারি। তাদের পুনর্গঠন করতে ২০ বছর সময় লাগবে, কিন্তু আমি তা করতে চাই না।’</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি এর ওপর তেমন কোনো সময়সীমা চাপিয়ে দিতে চাই না, তবে এটি খুব দ্রুতই ঘটবে এবং আমরা হরমুজ প্রণালী খুলে দেব।’</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘ইরানিরা আমাদের কাছে এসে বলেছিল, আমরা প্রণালীটি খুলে দিতে রাজি আছি এবং এতে আমার সব লোকজন খুশি হয়েছিল। আমি ছাড়া প্রত্যেকেই খুশি ছিল। আমি বললাম, এক মিনিট দাঁড়ান, যদি আমরা প্রণালীটি খুলে দিই, তবে এর মানে হলো তারা প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন (৫০ কোটি) ডলার আয় করবে। এই সমস্যার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি চাই না তারা প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার আয় করুক। তাই আমিই এটি বন্ধ রেখেছি।’</p><p>মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধের জন্য মার্কিনিদের নিকট ভবিষ্যতে জ্বালানি তেলের চড়া দামের জন্য প্রস্তুত থাকতে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ইরানের হুমকি শেষ করা এবং দেশটির পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সম্ভাবনা বন্ধ করার জন্য এটি একটি ছোট মূল্য মাত্র।</p><p>ট্রাম্প বলেন, ভোক্তাদের “অল্প সময়ের জন্য” বাড়তি খরচের মুখোমুখি হতে হবে।</p><p>ট্রাম্প আরও বলেন, সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির সময় ইরান হয়তো তাদের সামরিক সক্ষমতা কিছুটা পুনর্গঠন করেছে, তবে মার্কিন বাহিনী দ্রুতই তা অকার্যকর করে দিতে পারে।</p><p>“তাদের নৌবাহিনী শেষ। তাদের বিমানবাহিনী শেষ, তাদের বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থাও শেষ... হয়তো এই দুই সপ্তাহের বিরতিতে তারা কিছুটা রসদ মজুত করেছে, তবে যদি তারা তা করেও থাকে, আমরা এক দিনেই তা গুঁড়িয়ে দেব,” তিনি বলেন।</p><p>দীর্ঘমেয়াদী চুক্তির সময়সীমা সম্পর্কে জানতে চাইলে ট্রাম্প ইঙ্গিত দেন যে, তাঁর কোনো তাড়া নেই।</p><p>ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাকে তাড়াহুড়ো করতে বলবেন না।’</p><p>তথ্যসূত্র<strong>:</strong> আল জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/x6wkaw3hb8">মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথের কোপ, সরানো হলো নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধানকে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-13/8wemgfyl/Trump_attacks.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘উপযুক্ত ও লাভজনক’ না হওয়া পর্যন্ত ইরানের সঙ্গে চুক্তি নয়: ট্রাম্প  </h3><p>ইরানের সঙ্গে যেকোনো সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে নিজের অনড় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘উপযুক্ত এবং লাভজনক’ না হওয়া পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় যাবে না ওয়াশিংটন।</p><p>মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোতে ইরান যুদ্ধের কাভারেজ নিয়ে ক্ষোভ ঝেড়ে ট্রাম্প বলেন, অনেকে ধারণা করছেন তিনি যুদ্ধ শেষ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন। এই ধারণাকে উড়িয়ে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার হাতে অফুরন্ত সময় আছে, কিন্তু ইরানের তা নেই—তাদের সময় ফুরিয়ে আসছে!’</p><p>যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে ট্রাম্প আরও আক্রমণাত্মক ভাষায় বলেন, ‘ইরানের নৌবাহিনী এখন সমুদ্রের তলদেশে পড়ে আছে, তাদের বিমানবাহিনী ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তাদের বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা এবং রাডার প্রযুক্তি এখন অতীত। তাদের শীর্ষ নেতারা আর বেঁচে নেই।’</p><p>অবরোধের কঠোরতা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের অবরোধ এখন নিশ্ছিদ্র এবং অত্যন্ত শক্তিশালী। এখান থেকে পরিস্থিতি কেবল তাদের জন্য আরও খারাপই হবে—সময় কিছুতেই তাদের পক্ষে নেই!’</p><p>ট্রাম্প বলেন, ‘একটি চুক্তি তখনই হবে যখন সেটি যুক্তরাষ্ট্র, আমাদের মিত্র রাষ্ট্রগুলো এবং সর্বোপরি বিশ্বের জন্য যথাযথ ও কল্যাণকর হবে।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-02/naruetcj/WhatsApp-Image-2026-04-03-at-4.03.17-AM.jpeg" /><figcaption>ইরান অভিযানে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’ থেকে উড়ে যাচ্ছে দুটি এফ/এ-১৮ সুপার হর্নেট যুদ্ধবিমান। ৩ মার্চ, ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরান অবরোধে যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন তৎপরতা, দুটি রণতরিসহ ২৬টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন</h3><p>মধ্যপ্রাচ্য ও ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ওই অঞ্চলে দুটি বিমানবাহী রণতরিসহ যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ২৬টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রশাসনের এক কর্মকর্তা এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।</p><p>গত ১৩ এপ্রিল থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ কার্যকর করে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই অভিযানের অংশ হিসেবে বিভিন্ন দিকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। ভারত মহাসাগরসহ বিভিন্ন এলাকায় এ পর্যন্ত অন্তত তিনটি জাহাজে তল্লাশি চালিয়েছে মার্কিন সেনারা। এর মধ্যে দুটি অভিযান চালানো হয় পারস্য উপসাগর থেকে প্রায় ২ হাজার মাইল দূরে ভারত মহাসাগরে।</p><p>সবশেষ গত বুধবার রাতে ভারত মহাসাগরে নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা একটি তেলবাহী জাহাজে অভিযান চালায় মার্কিন বাহিনী। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, জাহাজটি ইরান থেকে তেল নিয়ে যাচ্ছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-29/1f6c3jao/U_S__ships.png" /><figcaption>বিশ্বের বৃহত্তম রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মোতায়েন করা হয়েছে </figcaption></figure><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) অধীনে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন থাকা ১৯টি জাহাজ হলো—</p><p><strong>বিমানবাহী রণতরি</strong>: ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন ও ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড।</p><p><strong>ডেস্ট্রয়ার</strong>: ইউএসএস বেইনব্রিজ, ইউএসএস টমাস হাডনার, ইউএসএস ফ্রাঙ্ক ই পিটারসেন জুনিয়র, ইউএসএস ডেলবার্ট ডি ব্ল্যাক, ইউএসএস মাইকেল মার্ফি, ইউএসএস মিটশার, ইউএসএস রাফায়েল পেরাল্টা, ইউএসএস স্প্রুয়েন্স, ইউএসএস মিলিয়াস, ইউএসএস চার্চিল, ইউএসএস ট্রাক্সটন ও ইউএসএস মাহান।</p><p><strong>কমব্যাট শিপ</strong>: ইউএসএস ক্যানবেরা ও ইউএসএস তুলসা।</p><p><strong>অ্যাম্ফিবিয়াস গ্রুপ</strong>: ইউএসএস ত্রিপোলি, ইউএসএস নিউ অরলিন্স ও ইউএসএস রাশমোর।</p><p>এ ছাড়া ভারত মহাসাগরে আলাদাভাবে আরও সাতটি যুদ্ধজাহাজ টহল দিচ্ছে। যার মধ্যে ইউএসএস জন ফিন, ইউএসএস পিঙ্কনি, ইউএসএস হিগিন্স, ইউএসএস মাস্টিন, ইউএসএস ম্যাকফল, ইউএসএস জন এল. ক্যানলি এবং ইউএসএস সান্তা বারবারা।</p><p>সূত্র: সিএনএন</p><h3>ইরানের পক্ষে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, ইসরায়েলের দুই সেনার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

</h3><p>ইরানি গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করার অভিযোগে ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর (আইএএফ) দুই সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে ইসরায়েল। ইসরায়েলি দৈনিক হারেৎজের বরাতে এই তথ্য জানা গেছে।</p><p>ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ), অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেত এবং পুলিশের যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্ত ওই দুজনের বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষকে সহায়তা এবং স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের মতো গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে এক সেনার বিরুদ্ধে সরাসরি বিদেশি এজেন্টের সঙ্গে যোগাযোগের এবং অন্যজনের বিরুদ্ধে সেই যোগাযোগে সহায়তার অভিযোগ রয়েছে।</p><p>তদন্তকারীদের বরাত দিয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, অভিযুক্তরা শুরুতে ইরানের কাছ থেকে অস্ত্র-সংক্রান্ত কোনো কাজ করার প্রস্তাব পেয়েছিলেন। কিন্তু তা করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তারা ইরানি হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। তবে কর্মকর্তাদের দাবি, পরে ইরানের পক্ষ থেকে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়া হলে ওই দুই সেনা পুনরায় তাদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করেন।ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অভিযুক্তদের একজন যুদ্ধবিমানের সিস্টেম-সংক্রান্ত সামরিক প্রশিক্ষণ উপকরণ এবং একটি সামরিক ঘাঁটির বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকার ভিডিও চিত্র ইরানি এজেন্টের কাছে পাচার করেছেন।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/iu1a1odu/Pakistan-Talk.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে মাইন বসানোর নৌযান দেখলেই গুলির নির্দেশ দিয়েছি: ট্রাম্প</h3><p>বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে মাইন স্থাপনকারী কোনো নৌযান দেখলেই গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কথা জানিয়েছেন।</p><p>ট্রাম্প তাঁর পোস্টে লিখেছেন, ‘আমি মার্কিন নৌবাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছি—হরমুজ প্রণালিতে যারা মাইন বসাচ্ছে, তাদের নৌকা ছোট হলেও যেন গুলি করে ধ্বংস করা হয়।’</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো দ্বিধাবোধ করা হবে না। তিনি দাবি করেন, মার্কিন ‘মাইন সুইপার’ বা মাইন অপসারণকারী জাহাজগুলো বর্তমানে ওই প্রণালী পরিষ্কার করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/imhvsa3s/Iran-shipProthomalo.jpg" /><figcaption>ভারত মহাসাগর থেকে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র</figcaption></figure><h3>ভারত মহাসাগরে ইরানের তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র

</h3><p>ভারত মহাসাগরে অভিযান চালিয়ে ইরানের তেল পরিবহনকারী একটি ‘রাষ্ট্রহীন জাহাজ’ জব্দ করেছে মার্কিন বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গত রাতে ‘এমটি ম্যাজেস্টিক এক্স’ নামের ওই জাহাজটিতে তল্লাশি ও নিয়ন্ত্রণ অভিযান চালানো হয়। </p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর এই তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের দাবি, জাহাজটি তাদের ‘ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড’ এলাকার মধ্যে ছিল। মূলত নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা এই জাহাজটি ইরানের তেল পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিল। </p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">Overnight, U.S. forces carried out a maritime interdiction and right-of-visit boarding of the sanctioned stateless vessel M/T Majestic X transporting oil from Iran, in the Indian Ocean within the INDOPACOM area of responsibility.<br> <br>We will continue global maritime enforcement to… <a href="https://t.co/SWF6Jt9Ci4">pic.twitter.com/SWF6Jt9Ci4</a></p>&mdash; Department of War  (@DeptofWar) <a href="https://twitter.com/DeptofWar/status/2047272909920444776?ref_src=twsrc%5Etfw">April 23, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>এক্সে দেওয়া বিবৃতিতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জানায়, ‘ইরানকে সহায়তা ও বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহকারী জাহাজগুলোর পথ রুদ্ধ করতে এবং অবৈধ নেটওয়ার্ক গুঁড়িয়ে দিতে আমাদের বিশ্বব্যাপী অভিযান অব্যাহত থাকবে। তারা যেখানেই থাকুক না কেন, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না।’বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক জলসীমাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধীরা পার পাবে না। জলপথে এসব অবৈধ পক্ষ ও তাদের জাহাজের অবাধ চলাচল রুখতে বদ্ধপরিকর মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ সত্ত্বেও তেল রপ্তানি অব্যাহত ইরানের

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/r2eamc4j/barrels_of_Iranian.png" /><figcaption>হরমুজ প্রণালির ইলাস্ট্রেটেড মানচিত্র। ২৬ মার্চ ২০২৬</figcaption></figure><p>ইরানের বন্দরে গত ১৩ এপ্রিল থেকে অবরোধ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ফাঁকি দিয়ে তেল রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে ইরান। </p><p>তথ্য বিশ্লেষণকারী প্রতিষ্ঠান ভরটেক্সা জানিয়েছে, গত ১৩ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে প্রায় ১ কোটি ৭ লাখ ব্যারেল ইরানি অপরিশোধিত তেল হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। এই চালানগুলো মার্কিন নৌবাহিনীর অবরোধ করা এলাকা পার হতে সক্ষম হয়েছে।</p><p> ছয়টি বড় ট্যাংকারে এসব তেল রপ্তানি করা হয়েছে। ট্যাংকারগুলো তাদের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (এআইএস) বন্ধ করে যাতায়াত করছিল।</p><p>অবরোধের বিষয়ে ভরটেক্সা জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ইরানি বন্দর বা হরমুজ প্রণালির খুব কাছে কার্যকর করা হচ্ছে না। বরং পাকিস্তান-ইরান সীমান্ত থেকে ওমানের পশ্চিম কোণ পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মাইল এলাকায় কিছুটা নমনীয়ভাবে এই অবরোধ চলছে। </p><p>প্রতিষ্ঠানটির তথ্যমতে, ১৩ থেকে ২২ এপ্রিলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভেঙে মোট ৩৫টি জাহাজ যাতায়াত করেছে। এই তালিকায় ইরান-সংশ্লিষ্ট বা নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকা কিছু মালবাহী জাহাজও রয়েছে।</p><p>তবে অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজের সংখ্যা কমেছে। গত ৩০ দিনে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩টি ট্যাংকার যাতায়াত করত, ১৩ থেকে ২১ এপ্রিলের মধ্যে তা কমে ১ থেকে ২টিতে দাঁড়িয়েছে।</p><p>মার্কিন সামরিক বাহিনী গতকাল বুধবার জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে অবরোধের অংশ হিসেবে তারা এ পর্যন্ত ৩০টিরও বেশি জাহাজকে বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><h3>বিশ্বকাপে ইরানের বদলে ইতালিকে চায় ট্রাম্পের বিশেষ দূত

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/ftqzys9z/Zampolli_.png" /><figcaption>হোয়াইট হাউসে পাওলো জাম্পোলি (ডানে)। ১৬ মার্চ ২০২৬ 

</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের আয়োজিত আসন্ন বিশ্বকাপে ইরানের পরিবর্তে ইতালিকে অন্তর্ভুক্ত করতে ফিফাকে পরামর্শ দিয়েছেন ট্রাম্পের এক শীর্ষ দূত।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত পাওলো জাম্পোলি ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, আমি জন্মগতভাবে ইতালীয় এবং যুক্তরাষ্ট্রে আয়োজিত টুর্নামেন্টে ‘আজুরি’দের দেখাটা হবে স্বপ্নের মতো। চারবারের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে এই টুর্নামেন্টে যুক্ত হওয়ার মতো যোগ্যতা তাদের রয়েছে।</p><p>গত মার্চে টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়ে বড় এক ধাক্কা খায় ইতালির জাতীয় দল।</p><p>জাম্পোলি একজন ইতালীয়-আমেরিকান। তিনি ট্রাম্পের গ্লোবাল পার্টনারশিপ-বিষয়ক দূত। তবে বিশ্বকাপ বা ইতালীয় ফুটবলের সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক নেই।</p><p>ইরান যুদ্ধ নিয়ে পোপ লিও’র বিরুদ্ধে ট্রাম্পের আক্রমণের জেরে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে ট্রাম্পের সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই পরিকল্পনা সেই সম্পর্ক মেরামতের একটি প্রচেষ্টা।</p><p>ইতালির ক্রীড়ামন্ত্রী আন্দ্রেয়া আবোদি ইতালীয় সংবাদ সংস্থা লা প্রেসকে বলেছেন, ‘প্রথমত এটি সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত এটি যথাযথ নয়... যোগ্যতা মাঠেই প্রমাণ করতে হয়।’</p><p>অর্থমন্ত্রী জিয়ানকারলো জিওরগেত্তি আরও এক ধাপ এগিয়ে এই ভাবনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করেছেন।</p><p>গত মাসে তুরস্কে ইরান দলের একটি প্রশিক্ষণ ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেছেন, সব ম্যাচ নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে।</p><p>হোয়াইট হাউস, ইতালীয় ফুটবল ফেডারেশন এবং এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/97frrpxz/hormueziran.jpg" /><figcaption>বিশ্ববাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি যুদ্ধক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্রে পরিণত হয়েছে</figcaption></figure><h3>হরমুজ মাইনমুক্ত করতে লাগতে পারে ৬ মাস, তেল নিয়ে অস্থিরতা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার আশঙ্কা</h3><p>ইরানের পেতে রাখা মাইন থেকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি মুক্ত করতে অন্তত ৬ মাস লাগতে পারে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনের এক মূল্যায়ন প্রতিবেদনের বরাতে গতকাল বুধবার ওয়াশিংটন পোস্ট এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>ধারণা করা হচ্ছে, এ দীর্ঘ সময়ের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও অনেকটা সময় চড়া থাকতে পারে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান এ গুরুত্বপূর্ণ নৌপথটি প্রায় বন্ধ করে রেখেছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল ও গ্যাসের দাম যেমন হু হু করে বাড়ছে, তেমনি বিশ্ব অর্থনীতিও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।</p><p>স্বাভাবিক সময়ে বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) পাঁচ ভাগের এক ভাগ এ প্রণালি দিয়ে পরিবহন করা হয়। বর্তমানে যুদ্ধবিরতি চললেও যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে এই পথটি কার্যত বন্ধই রয়েছে।</p><p>ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও সমুদ্রপথটি মাইনমুক্ত করতে কয়েক মাস লেগে যাবে। পেন্টাগন মনে করছে, যুদ্ধ পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করা সম্ভব নয়। মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের আর্মড সার্ভিসেস কমিটির এক গোপন ব্রিফিংয়ে এই ৬ মাসের কথা জানানো হয়েছে।</p><p>আইনপ্রণেতাদের জানানো হয়েছে, ইরান হরমুজ প্রণালি ও এর আশপাশে ২০টি বা এরও বেশি মাইন পেতে রেখেছে। এর মধ্যে কিছু জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ফলে এগুলো শনাক্ত করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে মন্তব্য করার জন্য এএফপি যোগাযোগ করলে পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল ওয়াশিংটন পোস্টের এ তথ্যকে ‘ভুল’ বলে দাবি করেছেন।</p><p>অন্যদিকে, ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, সমুদ্রের প্রায় ১ হাজার ৪০০ বর্গকিলোমিটার এলাকাকে তারা ‘বিপজ্জনক অঞ্চল’ হিসেবে ঘোষণা করেছে, যা ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের তুলনায় ১৪ গুণ। এই বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে মাইন থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><p>তথ্যসূত্র: গালফ নিউজ</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-17/n3ulpms0/Oil-prices-fall.jpg" /><figcaption>ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে ইরানের হামলার খবরে বেড়েছে তেলের দাম</h3><p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) হাতে হরমুজ প্রণালিতে তিনটি জাহাজ আক্রান্ত হওয়ার খবরে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে।</p><p>ওই ঘটনার পর আজ বৃহস্পতিবার থেকে অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বাজার চড়া হতে শুরু করে।</p><p>বর্তমানে বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম প্রতি ব্যারেলে ১০৩ ডলার (৭৬ দশমিক ৩৫ পাউন্ড) এর কাছাকাছি অবস্থান করছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে তেলের বাজারদর ৯৪ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।</p><p>বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, গত মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে চুক্তির স্বার্থে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই তেলের দাম বাড়তে শুরু করেছিল। সর্বশেষ তিনটি জাহাজে হামলা চালিয়ে দুটি জব্দের ঘটনা সেই পালে নতুন হাওয়া দিয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/n9oyyddb/seized-ship.avif" /><figcaption>আরব সাগরে রোববার ইরানের পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ ‘এমভি তুসকা’ জব্দ করে মার্কিন বাহিনী। এরপর সেটির পাশ দিয়ে মার্কিন সেনাদের টহল দিতে দেখা যায়</figcaption></figure><h3>এশীয় জলসীমা থেকে ইরানের ৩টি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করল যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>এশিয়ার কয়েকটি দেশের জলসীমা থেকে ইরানের অন্তত তিনটি তেলবাহী জাহাজ জব্দ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>শিপিং ও নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ভারত, মালয়েশিয়া ও শ্রীলঙ্কার উপকূলের কাছ থেকে জব্দ করা ট্যাংকারগুলো তাদের গন্তব্য থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।</p><p>হরমুজ প্রণালি ও ইরানের বন্দরসমূহে, অর্থাৎ সমুদ্রপথে তেহরানের বাণিজ্যের ওপর ওয়াশিংটন অবরোধ আরোপ করার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হলো। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রবেশদ্বার হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ করতে তেহরান তিনটি জাহাজে গুলিবর্ষণ করেছিল।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ শুরুর প্রায় দুই মাস পর দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।</p><p>হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার ফলে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাস সরবরাহের এক-পঞ্চমাংশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দিনে মার্কিন বাহিনী ইরানের একটি কার্গো জাহাজ এবং একটি তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করেছে।</p><p>অন্যদিকে, ইরান জানিয়েছে, তারা গতকাল বুধবার হরমুজ প্রণালি দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দুটি কন্টেইনার জাহাজ জব্দ করেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর এটিই ইরানের প্রথম জাহাজ জব্দের ঘটনা।</p><p>মার্কিন ও ভারতীয় শিপিং সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করা তিন ইরানি ট্যাংকারের একটি ‘ডিপ সি’ নামের সুপারট্যাংকার। এটি মালয়েশিয়া উপকূল থেকে এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হয়েছিল। এ ছাড়া ‘সেভিন’ ও ‘ডোরেনা’ নামের আরও দুটি ট্যাংকার জব্দ করা হয়েছে। ডোরেনা ২০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল নিয়ে ভারত উপকূলের কাছে ছিল।</p><p>মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ইরানি বন্দর অবরোধ অমান্য করার চেষ্টা করায় ডোরেনা বর্তমানে একটি মার্কিন রণতরীর পাহারায় ভারত মহাসাগরে রয়েছে।</p><p>সেন্টকম আরও জানায়, অবরোধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত ২৯টি জাহাজকে তারা বন্দরে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে। সমুদ্রপথে ইরানের সামরিক তৎপরতা এবং ভাসমান মাইন এড়াতে মার্কিন বাহিনী এখন উন্মুক্ত সাগরে ইরানি জাহাজগুলো লক্ষ্যবস্তু করছে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-26/s3ye5yon/IsraelLebanon-.jpg" /><figcaption>ইসরায়েলি বাহিনী ট্যাংক নিয়ে ঢুকে পড়েছে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে। ২ মার্চ থেকে লেবাননে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল</figcaption></figure><h3>ওয়াশিংটনে ইসরায়েল-লেবানন দ্বিতীয় দফার বৈঠক আজ</h3><p>ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে দ্বিতীয় দফার বৈঠক আজ বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে চলমান ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ আলোচনা চলছে।</p><p>লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন জানিয়েছেন, রাষ্ট্রদূত পর্যায়ের এ আলোচনার মূল ভিত্তি হলো, ইসরায়েলি আগ্রাসন সম্পূর্ণ বন্ধ করা, লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার ও বন্দিবিনিময়। এ ছাড়া, আন্তর্জাতিক সীমান্তে লেবানন সেনাবাহিনীর মোতায়েন এবং যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে পুনর্গঠন প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে বৈরুত।</p><p>এর আগে গত ১৬ এপ্রিল প্রথম দফার আলোচনার পর দুই দেশের মধ্যে ১০ দিনের একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। বাংলাদেশ সময় অনুযায়ী ওইদিন দিবাগত রাত ৩টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি শুরু হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-25/chwc0esb/Untitled-3.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি</figcaption></figure><h3>ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে রোববার, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি</h3><p>ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি আগামী রোববার শেষ হচ্ছে বলে ইসরায়েলকে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।</p><p>ইসরায়েলের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম ‘কান’ (কেএএন) বলেছে, তেহরানের জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেঁধে দেওয়া সময়সীমা আর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হচ্ছে—এমন বার্তা তেল আবিবকে পাঠিয়েছে ওয়াশিংটন।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের আলোচনার পরিবর্তে তেহরানের সঙ্গে একটি সুনির্দিষ্ট সমঝোতায় পৌঁছাতে চাইছেন।</p><p>তবে ইসরায়েলি সূত্রগুলো বলছে, চলতি সপ্তাহের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় কোনো বড় ধরনের অগ্রগতির সম্ভাবনা কম। তারা মার্কিন প্রশাসনের বর্তমান পদক্ষেপগুলোকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে বর্ণনা করেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/zckm1irbc2">ইরানের হাতে ‘নতুন অস্ত্র’, উপসাগরীয় দেশগুলোয় ঘটতে পারে ভয়াবহ বিপর্যয়</a></aside><p>এর আগে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছিলেন, ইরানের কাছ থেকে কোনো প্রস্তাব পাওয়ার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করেননি।</p><p>সাংবাদিকদের লেভিট বলেছিলেন, ‘প্রেসিডেন্ট যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, কারণ ইরানকেই তাদের অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।’</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/s7ns6ocy/c-felan.webp" /><figcaption>জন সি ফেলান</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান জন সি ফেলানের পদত্যাগ</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর বেসামরিক প্রধান জন সি ফেলান পদত্যাগ করেছেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন জানিয়েছে, অবিলম্বে তাঁর এ পদত্যাগ কার্যকর হবে।</p><p>পেন্টাগনের একজন মুখপাত্র জন সি ফেলানকে তাঁর কর্মকাণ্ডের জন্য ধন্যবাদ ও ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।</p><p>ফেলানের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে আন্ডার সেক্রেটারি হাং কাও ভারপ্রাপ্ত নৌমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/ein69t0e/cable.avif" /><figcaption>সাবমেরিন কেবল</figcaption></figure><h3>পারস্য উপসাগরের তলদেশের ইন্টারনেট কেবলে ইরানের ‘হামলার হুমকি’</h3><p>ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ পারস্য উপসাগরের তলদেশে থাকা ইন্টারনেট কেবল ও ক্লাউড অবকাঠামোর একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। এটিকে অঞ্চলটির ডিজিটাল যোগাযোগ ব্যবস্থার ওপর এক প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><p>গতকাল বুধবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম ‘তাসনিম’ হরমুজ প্রণালিকে শুধু জ্বালানি সরবরাহের পথ হিসেবেই নয়, বরং সাবমেরিন কেবলের একটি গুরুত্বপূর্ণ করিডোর হিসেবেও উল্লেখ করেছে।</p><p>এ পথ দিয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোর ইন্টারনেট সংযোগের মূল কেবলগুলো গেছে।</p><p>প্রতিবেদনে যুক্তি দেওয়া হয়েছে, পারস্য উপসাগরের দক্ষিণের দেশগুলো ইন্টারনেটের জন্য ইরানের তুলনায় অনেক বেশি সমুদ্রপথের ওপর নির্ভরশীল।</p><p>বিশ্লেষকেরা বলছেন, তাসনিমের প্রতিবেদনটি সাধারণ কোনো কারিগরি তথ্য নয়। বরং এটি ওই অঞ্চলের কেবল, ল্যান্ডিং স্টেশন এবং ডেটা সেন্টারগুলোকে চলমান সংঘাতের কৌশলগত চাপের উৎস হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বিশেষ করে আরব আমিরাত এবং বাহরাইনে অবস্থিত ক্লাউড ও ডেটা সেন্টার অবকাঠামোর দিকে ইঙ্গিত করে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে যে, এসব স্থাপনায় বিপর্যয় ঘটলে তার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগগত প্রভাব হবে ভয়াবহ।</p><p>এ সতর্কবার্তা এমন এক সময় এল, যখন যুক্তরাষ্ট্র ও এর মিত্র ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ডিজিটাল অবকাঠামোর ওপর এরই মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটেছে।</p><p>সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আরব আমিরাত ও বাহরাইনে আমাজন ওয়েব সার্ভিসের স্থাপনায় ইরানের ড্রোন হামলা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক ক্লাউড অবকাঠামোর নিরাপত্তা ঝুঁকি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।</p><p>তাসনিমের প্রতিবেদনটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বন্দর, জাহাজ চলাচলের পথ এবং জ্বালানি স্থাপনার পাশাপাশি এখন সাবমেরিন কেবল ও আঞ্চলিক ডেটা সেন্টারগুলোও ইরানের লক্ষ্যবস্তুর তালিকায় যুক্ত হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল ও টাইমস অব ইসরায়েল</p><h3>ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধে ৩১ জাহাজ ফেরত পাঠানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/dcv40a67/Hormuz.avif" /><figcaption>কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজ </figcaption></figure><p>ইরানের বিরুদ্ধে আরোপ করা নৌ অবরোধে ৩১টি জাহাজের দিক বদল করতে বা বন্দরে ফিরতে নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এসব নৌযানের বেশিরভাগই জ্বালানি তেলের ট্যাংকার।&nbsp;মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সেন্টকম বলেছে, ‘বেশিরভাগ জাহাজ মার্কিন নির্দেশনা মেনে চলেছে।’</p><p>ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধে ১০ হাজারের বেশি মার্কিন সেনা, দেশটির ১৭টি যুদ্ধজাহাজ এবং শতাধিক বিমান অংশ নিয়েছে বলেও জানিয়েছে সেন্টকম।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এর পরপরই বিশ্ববাণিজ্যের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে দেয় তেহরান। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরু করে।&nbsp;</p><p>এ পরিস্থিতিতে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেন, মার্কিন নৌ অবরোধ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার পথে বাধা।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা&nbsp;</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/48pwg68q/DO27DNJU6ZKN7BATK5ZUGTXPMM.avif" /><figcaption>ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আছে ক্ষতিগ্রস্ত একটি সিভিল ডিফেন্স গাড়ি। মনসুরি গ্রাম, দক্ষিণ লেবানন। ২১ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>লেবাননের সাংবাদিক আমাল খলিল নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত  </h3><p>লেবাননের সাংবাদিক আমাল খলিলের নিয়োগকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, বুধবার দিনের শুরুর দিকে একটি ইসরায়েলি হামলায় তিনি নিহত হয়েছেন।</p><p>রয়টার্সের উদ্ধৃতি দিয়ে লেবাননের একজন ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ধ্বংসস্তূপের নিচে ওই সাংবাদিকের মরদেহ পাওয়া গেছে।</p><p>লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এর আগে জানিয়েছিল যে, দক্ষিণ লেবাননের একটি শহরে ইসরায়েলি হামলার পর সাংবাদিক খলিল এবং জয়নাব ফারাজ যে বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন, ইসরায়েল সেই বাড়িকে ‘লক্ষ্যবস্তু’ বানানোর মাধ্যমে তাঁদের ‘পিছু ধাওয়া’ করেছে।</p><p>তবে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সাংবাদিকদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।</p><p>বেশ কয়েকজন লেবানিজ কর্মকর্তা ও সাংবাদিক আল-আখবার পত্রিকার প্রতিনিধি আমাল খলিলকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে লক্ষ্যবস্তু করার জন্য ইসরায়েলকে অভিযুক্ত করছেন।</p><p>লেবানন থেকে পাওয়া বেশ কিছু প্রতিবেদন অনুযায়ী, আমাল খলিল এবং তাঁর সহকর্মী জয়নাব ফারাজ দক্ষিণ লেবাননের আতি-তিরি শহরে সংবাদ সংগ্রহ করছিলেন। এ সময় তাঁদের কাছে থাকা একটি যানবাহনে ইসরায়েলি বিমান হামলা আঘাত হানে।</p><p>খলিল পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নিজের অবস্থান জানাতে সক্ষম হন। লেবানিজ কর্মকর্তারা ওই এলাকায় উদ্ধারকারীদের প্রবেশের নিরাপদ পথ নিশ্চিত করতে দ্রুত পদক্ষেপ নেন।</p><p>উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছে এলাকাটি থেকে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেন এবং আহত অবস্থায় ফারাজকে উদ্ধার করতে সক্ষম হন। কিন্তু খলিলকে উদ্ধারের আগেই তাঁরা ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিবর্ষণের মুখে পড়েন।</p><p>আল-আখবার জানিয়েছে, প্রথম হামলার প্রায় দুই ঘণ্টা পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী খলিলের আশ্রয় নেওয়া বাড়িটিতে পুনরায় হামলা চালায়। এরপর থেকে ওই সাংবাদিকের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।</p><p>কয়েক ঘণ্টা পর সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আমাল খলিলের প্রাণহীন দেহ উদ্ধার করেন।</p><p>চলতি বছরে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়া চতুর্থ লেবানিজ সাংবাদিক তিনি। এর আগে গত মাসে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক হত্যাকাণ্ডে আরও তিন সাংবাদিক নিহত হন।</p><p>তথ্যসূত্র<strong>:</strong> আল–জাজিরা</p><h3>ইরানের জন্য কোনো যুদ্ধবিরতির সময়সীমা বেঁধে দেননি ট্রাম্প: হোয়াইট হাউস</h3><p>হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ পর্যন্ত কখন শেষ হবে, তা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই ‘নির্ধারণ’ করবেন।</p><p>হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলিন লিভিট বলেছেন, ‘আজ কিছু সংবাদে যেমনটা দেখেছি, প্রেসিডেন্ট তেমন কোনো কঠোর সময়সীমা (ডেডলাইন) বেঁধে দেননি... আমি জানি কিছু বেনামী সূত্রের বরাতে বলা হচ্ছে যে তিন থেকে পাঁচ দিনের একটি সময় দেওয়া হয়েছে। এটি সত্য নয়।’</p><p>তিনি আরও যোগ করেন, শান্তি চুক্তির জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া শর্তাবলির বিষয়ে ইরানের নেতাদের কাছ থেকে একটি ‘সম্মিলিত প্রতিক্রিয়া’ পাওয়ার অপেক্ষায় আছেন মার্কিন নেতা।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-30/ffoaplue/Pezeshkian.jpg" /><figcaption>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান </figcaption></figure><h3>আলোচনার পথে তিন বাধার কথা জানালেন ইরানের প্রেসিডেন্ট</h3><p>ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তাঁর দেশ সংলাপ ও সমঝোতাকে স্বাগত জানায় এবং তা অব্যাহত রেখেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।</p><p>পেজেশকিয়ান আরও লিখেছেন, ‘প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অবরোধ এবং হুমকি প্রদানই প্রকৃত আলোচনার প্রধান বাধা।’</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইঙ্গিত করে পেজেশকিয়ান তাঁর বক্তব্যের শেষে লিখেছেন, ‘বিশ্ব তোমাদের অন্তহীন কপট কথাবার্তা এবং দাবি ও কাজের মধ্যকার বৈপরীত্য দেখতে পাচ্ছে।’</p><p>এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ লিখেছেন, ‘নৌ-অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন না করলে এবং জায়নবাদীদের (ইসরায়েল) সব ফ্রন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব বন্ধ হলেই একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি অর্থবহ হয়।’</p><p>গালিবাফ আরও লিখেছেন, ‘যুদ্ধবিরতির এমন চরম লঙ্ঘনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয়।’</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-12/ozii5yqw/Ghalibaf.jpg" /><figcaption>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ</figcaption></figure><h3>নৌ-অবরোধ  হরমুজ খোলার পথে বাধা: গালিবাফ</h3><p>ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ বলেছেন, নৌ-অবরোধের মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন না করলে এবং সব ফ্রন্টে ইসরায়েলি কর্মকাণ্ড বন্ধ হলেই একটি ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি’ অর্থবহ হতে পারে।</p><p>বুধবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে গালিবাফ লিখেছেন, ‘নৌ-অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে জিম্মি করার মাধ্যমে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন না করলে এবং জায়নবাদীদের সব ফ্রন্টের যুদ্ধংদেহী মনোভাব বন্ধ হলেই একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি অর্থবহ হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির এমন চরম লঙ্ঘনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয়।’</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সর্বশেষ আলোচনায় ইরানি দলের নেতৃত্ব দেওয়া গালিবাফ চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে ইরানের কাছ থেকে ছাড় আদায়ের ধারণাও প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘সামরিক আগ্রাসনের মাধ্যমে তারা তাদের লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি, চাপের মুখেও তা পারবে না। একমাত্র পথ হলো ইরানি জাতির অধিকারকে মেনে নেওয়া।’</p><p>এদিকে সিএনএনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে ইরানকে ‘ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব’ উপস্থাপনের জন্য সীমিত সময় দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে ট্রাম্পের এই বার্তা ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-19/33qlp2ms/Strait-of-Hormuz.jpg" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়ার সময় একটি তেলবাহী ট্যাংকারকে ঘিরে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌযান। ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬  </figcaption></figure><h3>ইরানের তেল বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ বাড়াল যুক্তরাষ্ট্র</h3><p>ইরান ও রাশিয়ার জাহাজে থাকা তেল বিক্রির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ ৩০ দিনের জন্য বাড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেল সংকটের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অনুরোধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ কথা জানিয়েছেন।</p><p>মার্কিন সিনেটের অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন্স উপকমিটির বাজেট বিষয়ক শুনানিতে বেসেন্ট জানান, গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ও বিশ্বব্যাংকের বৈঠকের সময় প্রায় ১০টি দেশের অর্থমন্ত্রীরা তাঁকে এই অনুরোধ জানিয়েছিলেন।</p><p>এর মাধ্যমে গত সপ্তাহে দেওয়া বেসেন্টের করা মন্তব্য থেকে সরে এল মার্কিন প্রশাসন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, নিষেধাজ্ঞা শিথিলের মেয়াদ আর বাড়ানো হবে না।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-08/bcg82vro/US-President-Donald-Trump.webp" /><figcaption>হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৬ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>ইরানের সঙ্গে আলোচনা শুক্রবারের মধ্যে শুরু হওয়া সম্ভব: ট্রাম্প</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনার দ্বিতীয় দফা শুক্রবারের মধ্যেই শুরু হওয়া ‘সম্ভব’। নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে এমনটা বলা হয়েছে।</p><p>মার্কিন সংবাদপত্রটি বলেছে, পাকিস্তানি কর্মকর্তারা তাদের বলেছেন, আগামী ‘৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার’ মধ্যে আলোচনা শুরু হতে পারে। নিউইয়র্ক পোস্ট এ বিষয়ে ট্রাম্পের অবস্থান জানতে চাইলে খুদে বার্তায় তিনি বলেন, ‘এটা সম্ভব!’</p><p>গতকাল ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেন। বুধবার সন্ধ্যায় এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। মূলত যুদ্ধ অবসানের জন্য ইরানকে ‘ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব’ দেওয়ার সুযোগ দিতেই এই মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে তিনি জানান।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/mfq4g1bb/greaterisraelmap.jpg" /><figcaption>মিডল ইস্ট আই–এ প্রকাশিত বৃহত্তর ইসরায়েলের কল্পিত মানচিত্র</figcaption></figure><h3>এবার সিরিয়ায় ঢুকে পড়ল ‘বৃহত্তর ইসরায়েলের’ সমর্থক একদল ইসরায়েলি</h3><p>সিরিয়ায় অনুপ্রবেশের পর প্রায় ৪০ জন ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীকে (সেটলার) ফিরিয়ে নিয়েছে ইসরায়েলের সেনাবাহিনী। আজ বুধবার এ ঘটনা ঘটেছে। এই ইহুদিরা মূলত ‘বৃহত্তর ইসরায়েলের (গ্রেটার ইসরায়েল)’ সমর্থক।</p><p>ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, ওই বেসামরিক ব্যক্তিরা সীমান্তে জড়ো হয়েছিলেন এবং সিরিয়ায় ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দখলে থাকা বাফার জোনের কয়েক শ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন। পরে তাঁদের ইসরায়েলে ফিরিয়ে নিয়ে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়।</p><p>ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম অনুপ্রবেশকারীদের ডানপন্থী গোষ্ঠী ‘পাইওনিয়ারস অব বাশান’-এর সদস্য হিসেবে শনাক্ত করেছে। এই গোষ্ঠীটি লেবানন ও সিরিয়ায় ইহুদি বসতিস্থাপনের আহ্বান জানিয়ে আসছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/middle-east/il9lxjqrxr">‘বৃহত্তর ইসরায়েল’ মানচিত্র নিয়ে ক্ষুব্ধ আরব দেশগুলো</a></aside><h3>দক্ষিণ লেবাননে হামলায় আহত ফরাসি শান্তিরক্ষীর মৃত্যু</h3><p>দক্ষিণ লেবাননে গত শনিবার হামলায় আহত ফরাসি এক শান্তিরক্ষী মারা গেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাখোঁ এ কথা জানিয়েছেন।</p><p>এর আগে গান্দোরিয়েহ গ্রামে ওই হামলায় ফ্লোরিয়ান মন্তোরিও নামের আরেক ফরাসি শান্তিরক্ষী ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছিলেন।</p><p>জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন ইউনিফিলের প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এটি ছিল একটি ‘পরিকল্পিত হামলা’। সম্ভবত কোনো অরাষ্ট্রীয় গোষ্ঠী—অভিযোগ রয়েছে হিজবুল্লাহর—তরফ থেকে এ হামলা চালানো হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-11/6fimukml/Iran-Hormuz-4.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><h3>‘ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব’ দেওয়ার জন্য ইরানকে সীমিত সময় দেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্পের</h3><p>যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক আলোচনা পুনরায় শুরুর লক্ষ্যে ইরানকে ‘ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব’ উপস্থাপনের জন্য সীমিত সময় দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ আলোচনা সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র সিএনএন-কে এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই বার্তা ইরানের কাছে পৌঁছেছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে স্পষ্ট নয়।</p><p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমান প্রশাসন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে চায় না এবং তারা ইরানকে আলোচনার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত করার সুযোগও দিতে চায় না।</p><p>সূত্রগুলোর ভাষ্যমতে, বুধবারের সময়সীমার পরও চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে প্রেসিডেন্ট সতর্ক ছিলেন। তিনি যত দ্রুত সম্ভব একটি চুক্তি চূড়ান্ত করতে চান এবং আশা করেছিলেন, সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার চাপ যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার আগেই ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে বাধ্য করবে।</p><p>তবে সিএনএনের আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্পের শীর্ষ উপদেষ্টারা মনে করেন যে ইরানি নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য রয়েছে। একটি চুক্তি চূড়ান্ত করার মতো পর্যাপ্ত ক্ষমতা আলোচকদের দেওয়ার বিষয়ে তাঁরা একমত হতে পারেননি।</p><p>সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের ভাষায় তেহরানকে ‘ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রস্তাব’ উপস্থাপনের জন্য আরও সময় দেওয়ার সিদ্ধান্তটি কূটনৈতিকভাবে যুদ্ধ অবসানের প্রতি প্রশাসনের আগ্রহকেই প্রতিফলিত করে। একই সঙ্গে এটি সামরিক হামলা পুনরায় শুরু করার বিষয়ে তাদের অনিচ্ছারও বহিঃপ্রকাশ।</p><p>এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মনে করেন, আলোচনা চলার সময় হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ ইরানিদের চাপে রাখবে। যদিও ট্রাম্পের সহযোগীদের মধ্যে এই স্বীকারোক্তিও রয়েছে যে, অবরোধ যত দীর্ঘায়িত হবে, বিশ্ব অর্থনীতির তত বেশি ক্ষতি হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: সিএনএন</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-09/nfekv1sj/Lebanon_President_Joseph_awon.jpg" /><figcaption>লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন</figcaption></figure><h3>ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে আলোচনা চলছে: আউন</h3><p>লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বলেছেন, ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, কাউকে কোনো ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাধাগ্রস্ত করতে বা স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেওয়া হবে না।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রেসিডেন্ট আউন লিখেছেন, ‘আমাদের দেশের ইতিহাসের এই পর্যায়ে নাগরিক শান্তি রক্ষা করা একটি রেড লাইন (চরম সীমা)।’ লেবাননের এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি অবসানে তিনি সব ধরনের প্রচেষ্টা চালাবেন বলেও জানান।</p><p>আগামীকাল বৃহস্পতিবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে আয়োজিত একটি প্রস্তুতিমূলক সভায় লেবাননের প্রতিনিধিত্ব করবেন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত লেবাননের রাষ্ট্রদূত নাদা হাদ্দাদ মাউয়াদ। সভায় তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়টি উত্থাপন করবেন এবং দক্ষিণ লেবাননের গ্রাম ও শহরগুলোতে ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ বন্ধের দাবি জানাবেন।</p><p>প্রেসিডেন্ট আউন বলেন, এই আলোচনা চারটি শর্তের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে—ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধ করা, ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, বন্দিবিনিময় এবং লেবাননের সেনাবাহিনী মোতায়েন।</p><p>এর আগে লেবাননে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। লেবাননের স্থানীয় সময় ১৬ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। এর মধ্য দিয়ে ইসরায়েলের আগ্রাসন ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলা বন্ধ হয়।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-11/wcvbfr78/pakistan-int-image.webp" /><figcaption>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির</figcaption></figure><h3>টেকসই চুক্তির জন্য জোর তৎপরতা চালাচ্ছে পাকিস্তান</h3><p>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁদের সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী ও টেকসই সমঝোতা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন।</p><p>এ দুজনের অনুরোধেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট শুধু যুদ্ধবিরতির মেয়াদই বাড়াননি, বরং একে অনির্দিষ্টকালের জন্য কার্যকর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মূলত কূটনীতির জন্য বাড়তি সময় দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><p>যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে শেষ চেষ্টা হিসেবে নয়, বরং শুরু থেকেই তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। এই যোগাযোগ এখনো অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।</p><p>এরই মধ্যে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইরানি রাষ্ট্রদূতের একটি বৈঠক হয়েছে এবং তাঁদের আলোচনা এখনো চলছে। মূলত পাকিস্তান দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। তারা যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া একটি রূপরেখা ইরানকে পৌঁছে দিচ্ছে এবং একটি দীর্ঘস্থায়ী চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।</p><p>সূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/tgikii31/iran-war.avif" /><figcaption>ইরানের রাজধানী তেহরানে লোকজনের চলাচল</figcaption></figure><h3>যুদ্ধে চাকরি হারিয়েছেন ২০ লাখ ইরানি</h3><p>ইরানের শ্রম উপমন্ত্রী গোলাম হোসেন মোহাম্মাদির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধের প্রভাবে দেশটিতে ২০ লাখের বেশি মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। এ কারণে নিষেধাজ্ঞা ও ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের কবলে থাকা ইরানের ভঙ্গুর অর্থনীতি আরও গভীর সংকটের মুখে পড়েছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের তেল ও গ্যাস ক্ষেত্র, পেট্রোকেমিক্যাল শিল্প, ইস্পাত ও অ্যালুমিনিয়াম কারখানাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><p>জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় ইন্টারনেট বিভ্রাট এবং ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে চলমান ব্ল্যাকআউটের কারণে দেশটির ডিজিটাল অর্থনীতিও স্থবির হয়ে পড়েছে।</p><p>এমন পরিস্থিতিতে দেশটিতে ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই চলছে। ইরানের সামাজিক নিরাপত্তা সংস্থার সাবেক অর্থনীতিবিদ হাদি কাহালজাদেহ ধারণা করছেন, দেশটির মোট শ্রমশক্তির প্রায় অর্ধেক বা ১ কোটি থেকে ১ কোটি ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান এখন ঝুঁকির মুখে।</p><p>ইরানের আধা সরকারি বার্তা সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, দেশটির শ্রম উপমন্ত্রী এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ সংস্থার প্রধান গোলাম হোসেন মোহাম্মাদি চলতি সপ্তাহের শুরুতে বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী যুদ্ধের কারণে ১০ লাখের বেশি মানুষ সরাসরি কাজ হারিয়েছেন। এ ছাড়া প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সব মিলিয়ে ২০ লাখ মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন।</p><p>তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-05/pyalkike/IRGC-Navy.jpg" /><figcaption>মহড়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) নৌবাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে</figcaption></figure><h3>দুটি জাহাজ জব্দ করার কথা জানাল আইআরজিসি</h3><p>ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি থেকে দুটি জাহাজ জব্দ করে সেগুলোকে ইরানের উপকূলে নিয়ে গেছে। আইআরজিসি বলেছে, ‘হরমুজ প্রণালিতে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ইরানের জন্য একটি রেড লাইন (চরম সীমা) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।’</p><p>এর আগে খবরে বলা হয়েছিল, ইরানের উপকূলে একটি জাহাজে গুলি চালানো হয়েছে। এ ছাড়া ওমান উপকূলে হামলার শিকার হয়ে আরেকটি জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল-জাজিরা</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/iu1a1odu/Pakistan-Talk.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><h3>ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বৈঠকের ঠিক আগে ইরানের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞা যুক্তরাষ্ট্রের</h3><p>দুই দেশের মধ্যে প্রায় দুই মাসের যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফা বৈঠকের ঠিক আগমুহূর্তে ইরানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>গতকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ঘোষণা দেয়। ইরানের অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম সংগ্রহে সহায়তা করার অভিযোগে মোট ১৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।</p><p>সংঘাত বন্ধে বড় ধরনের ছাড় পেতে ইরানের ওপর আর্থিক চাপ বাড়ানোর যে কৌশল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিয়েছেন, এ নিষেধাজ্ঞা তারই অংশ। </p><p>মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিশ্বের জ্বালানি বাজারে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন দিয়ে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানানোর জন্য ইরানি প্রশাসনকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।’ তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে ‘ইকোনমিক ফিউরি’ বা অর্থনৈতিক ক্রোধ কর্মসূচির আওতায় ইরানের ‘‘হঠকারিতা ও তাদের সহযোগীদের অর্থের উৎস’’ বন্ধ করা অব্যাহত থাকবে।</p><p>এদিকে আজ বুধবার পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি কর্মকর্তাদের মধ্যে দ্বিতীয় দফার ওই বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। ইরানের বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান অবরোধের কারণে তেহরান এ পর্যন্ত এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়নি।</p><p>নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার পরপরই ডোনাল্ড ট্রাম্প তাঁর নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে জানান, বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াতে রাজি আছেন তিনি। দুই সপ্তাহের জন্য করা এই যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আজই শেষ হওয়ার কথা ছিল।</p><p>ট্রাম্প আগে এ যুদ্ধবিরতির মেয়াদ না বাড়ানোর কথা বললেও গতকাল তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন আনেন। তিনি বলেন, ইরানের প্রতিনিধিরা একটি সমন্বিত প্রস্তাব নিয়ে না আসা পর্যন্ত যুদ্ধ বন্ধ থাকবে।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-07/uejjrnsz/Strait-of-Hormuz.jpg" /><figcaption>হরমুজ প্রণালিতে আটকে আছে অনেক জাহাজ ও ট্যাংকার</figcaption></figure><h3>হরমুজ প্রণালিতে এক দিনে পণ্যবাহী তিন জাহাজে ইরানের হামলা</h3><p>কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে আজ বুধবার অন্তত তিনটি কন্টেইনার জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্র এবং যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।</p><p>সম্প্রতি ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন নৌ-অবরোধের প্রতিবাদে দেশটি এই প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ওপর কড়াকড়ি আরোপ করেছে।</p><p>ইউকেএমটিও জানায়, ওমানের উত্তর-পূর্বে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি ও রকেট-চালিত গ্রেনেড দিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে জাহাজটির ওপরের অংশ বা ‘ব্রিজ’ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><p>জাহাজের ক্যাপ্টেন জানান, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একটি গানবোট তাঁদের জাহাজের কাছাকাছি আসে এবং পরে গুলি চালায়। গানবোটে তিনজন আরোহী ছিলেন।</p><p>গ্রিস-চালিত এই জাহাজের ক্যাপ্টেন দাবি করেন, হামলার আগে রেডিওর মাধ্যমে কোনো যোগাযোগ করা হয়নি, যদিও শুরুতে তাঁদের প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। </p><p>আইআরজিসি বলেছে, জাহাজটিকে বারবার সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু তা উপেক্ষা করে সেটি। </p><p>পরে ইউকেএমটিও জানায়, ইরান থেকে প্রায় আট নটিক্যাল মাইল পশ্চিমে দ্বিতীয় আরেকটি কন্টেইনার জাহাজে গুলি চালানো হয়েছে। পানামার পতাকাবাহী এ জাহাজে অবশ্য কোনো ক্ষতি হয়নি এবং এর নাবিকেরা নিরাপদ আছেন।</p><p>সামুদ্রিক নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়ার সময় তৃতীয় আরেকটি কন্টেইনার জাহাজও গুলিবর্ষণের শিকার হয়েছে। লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী এ জাহাজটির কোনো ক্ষতি না হলেও সেটি মাঝসমুদ্রে থেমে গেছে। এর নাবিকেরাও নিরাপদ রয়েছেন।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হতো। এখন প্রণালিটি কার্যত বন্ধ থাকায় বিশ্ব তেল বাণিজ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।</p><p>তথ্যসূত্র: রয়টার্স</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/akb37igb/valentina.jpg" /><figcaption>মুসলিমবিদ্বেষী মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার ভ্যালেন্টিনা গোমেজ</figcaption></figure><h3>ইসরায়েলপন্থী মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার ভ্যালেন্টিনা গোমেজ যুক্তরাজ্যে নিষিদ্ধ</h3><p>কট্টর মুসলিমবিদ্বেষী ও বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য পরিচিত মার্কিন ইনফ্লুয়েন্সার ভ্যালেন্টিনা গোমেজকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উগ্র ডানপন্থী নেতা টমি রবিনসনের একটি সমাবেশে যোগ দিতে তাঁর লন্ডনে আসার কথা ছিল।</p><p>প্রাথমিকভাবে গোমেজকে যুক্তরাজ্যে ভ্রমণের জন্য ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথোরাইজেশন (ইটিএ) বা বিশেষ অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। তবে তাঁর আগমনের খবরে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হলে ব্রিটেন সরকার সেই অনুমতি প্রত্যাহার করে নেয়।</p><p>সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গোমেজের উপস্থিতি ‘জনস্বার্থের জন্য সহায়ক হবে না’। সরকারের হঠাৎ মত পরিবর্তনের পেছনে ছিল জনরোষ। প্রথমে গোমেজকে অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি অনেক মুসলমানকে মর্মাহত করে। এছাড়া ঘৃণা ছড়ানোর বিষয়ে ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘দ্বিমুখী আচরণে’র অভিযোগও ওঠে।</p><p>গোমেজ দীর্ঘদিন ধরে মুসলমানদের নিয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করে আসছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস নির্বাচনে প্রচারের সময় তিনি পবিত্র কোরআন পুড়িয়েছিলেন ও ইসলামকে চিরতরে থামিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এছাড়া মুসলমানদের ‘ধর্ষক’ ও ‘সহিংস বহিরাগত’ হিসেবেও বারবার আখ্যা দিয়েছেন এ মুসলিমবিদ্বেষী ইনফ্লুয়েন্সার।</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">A true warrior and a dear friend.<br>Thank you <a href="https://twitter.com/ValentinaForUSA?ref_src=twsrc%5Etfw">@ValentinaForUSA</a> for your courage, your voice, and your heart for Israel.<br>  <a href="https://t.co/3xbpUvUtKL">https://t.co/3xbpUvUtKL</a></p>&mdash; אוהד טל - Ohad Tal (@MKOhadTal) <a href="https://twitter.com/MKOhadTal/status/1981073458646982704?ref_src=twsrc%5Etfw">October 22, 2025</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>মুসলিম কাউন্সিল অব ব্রিটেন ও মুসলিম উইমেন’স নেটওয়ার্ক ইউকে গোমেজের আগমনের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদকে উদ্দেশ্য করে তারা জানায়, গোমেজকে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষ স্বাভাবিক করে তুলবে এবং সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করবে।</p><p>সম্প্রতি গোমেজ ইসরায়েল সফর করে গাজায় দেশটির সামরিক অভিযানের প্রতিও সমর্থন জানিয়েছেন। ইসরায়েলি হামলার একটি ভিডিওতে তাঁকে পপকর্ন খেতে খেতে উল্লাস করতে দেখা যায়। তাঁর এ ভূমিকার প্রশংসা করে ইসরায়েলি সংসদ সদস্য ওহাদ তাল তাঁকে ‘একজন সত্যিকারের যোদ্ধা ও প্রিয় বন্ধু’ হিসেবে বর্ণনা করেন।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/rm1kxtbx/IRAN.jpg" /><figcaption>তেহরানে আঁকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলবিরোধী একটি দেয়ালচিত্রের পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন একজন নারী। ২১ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নিলে আবার ইসলামাবাদে বসতে রাজি ইরান</h3><p>ইরানের ওপর থেকে নৌ-অবরোধ তুলে নিলে আবার আলোচনায় বসতে রাজি আছে তেহরান। জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির-সাঈদ ইরাভানি এ কথা জানিয়েছেন।</p><p>ইরানি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রদূত ইরাভানি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ তুলে নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে পরবর্তী দফার আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।’</p><p>তবে নতুন কোনো আলোচনায় বসার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে বলে শর্ত দিয়েছেন তিনি। ইরাভানি বলেন, ‘নতুন কোনো আলোচনায় বসার আগে যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বন্ধ করতে হবে।’</p><p>ইরান যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত রয়েছে উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘তারা (যুক্তরাষ্ট্র) যদি রাজনৈতিক সমাধান চায়, তবে আমরা প্রস্তুত। আর যদি তারা যুদ্ধ চায়, ইরান সেটির জন্যও তৈরি।’</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-19/4pfcndii/Hormuz-strait.avif" /><figcaption>হরমুজ প্রণালি আবারও চালুর সিদ্ধান্ত থেকে ইরান সরে আসার পর সেখানে অপেক্ষমাণ তেলবাহী ট্যাংকার ও অন্যান্য জাহাজ</figcaption></figure><h3>হরমুজে নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা: ওমান উপকূলে পণ্যবাহী জাহাজে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের হামলা</h3><p>ওমান উপকূলে একটি পণ্যবাহী কনটেইনার জাহাজে হামলা করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এতে জাহাজটির নিয়ন্ত্রণকক্ষ বা ‘ব্রিজ’ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।</p><p>যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (ইউকেএমটিও) এই তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সংস্থাটি জানায়, ওমান থেকে প্রায় ১৫ নটিক্যাল মাইল উত্তর-পূর্বে জাহাজটির কাছে আইআরজিসির একটি নৌকা চলে আসে এবং এরপর গানবোটটি থেকে গুলি চালানো হয়।</p><p>এদিকে ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, তাদের সামরিক বাহিনী বারবার সতর্ক করার পরও জাহাজটি সাড়া দেয়নি। তাই ‘সমুদ্র আইন’ অনুযায়ী ওই জাহাজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।</p><p>হামলার স্থান হরমুজ প্রণালির সঙ্গে যুক্ত। আইআরজিসির গানবোট কোনো প্রকার সতর্কবার্তা ছাড়াই সরাসরি জাহাজটির নিয়ন্ত্রণকক্ষ লক্ষ্য করে গুলি চালায়।</p><p>ইরান সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, তাদের বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত তারা হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখবে এবং এই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে যেকোনো জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু বানানো হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-21/9g55shxg/মোসাদ" /><figcaption>প্রতীকী ছবি</figcaption></figure><h3>ইরানে মোসাদের গুপ্তচর সন্দেহে উচ্চপদস্থ বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মকর্তার ফাঁসি</h3><p>ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগে এক উচ্চপদস্থ সিভিল ডিফেন্স (বেসামরিক প্রতিরক্ষা) কর্মকর্তাকে ফাঁসি দিয়েছে ইরান। দেশটির বার্তা সংস্থা মিজান নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানা গেছে।</p><p>মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ওই কর্মকর্তার নাম মেহেদী ফরিদ। ইরানের সুপ্রিম কোর্ট এই সাজা বহাল রাখার পর তাঁকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয়।</p><p>মিজান নিউজ এজেন্সি জানায়, মেহেদী ফরিদ ইসরায়েলি গোয়েন্দাদের কাছে স্পর্শকাতর তথ্য পাচারের চেষ্টার কথা স্বীকার করেছিলেন। এসবের মধ্যে বিভিন্ন সংস্থার অভ্যন্তরীণ তথ্য, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নকশা ও কর্মকর্তাদের নথিপত্র ছিল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/uh30yi79/us.png" /><figcaption>চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে জোরেশোরে নিজেদের প্রস্তুত করছেন মার্কিন সেনারা</figcaption></figure><h3>যুদ্ধবিরতির সুযোগে নতুন করে অস্ত্রসজ্জিত হচ্ছে মার্কিন বাহিনী, সাজাচ্ছে রণকৌশল</h3><p>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি চললেও হাত গুটিয়ে বসে নেই মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ সময়ে নিজেদের নতুন করে অস্ত্রসজ্জিত ও প্রস্তুত করছে তারা। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>সেন্টকম জানিয়েছে, যুদ্ধবিরতির এ সুযোগে মার্কিন সেনারা নিজেদের ‘রি-আর্মিং’ (অস্ত্রসজ্জিত হওয়া) এবং ‘রি-টুলিং’ (সরঞ্জাম মেরামত ও আধুনিকায়ন) করছে। সেন্টকম আরও জানায়, তাদের সেনারা সব সময় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত রয়েছে।</p><p>এক সংবাদ সম্মেলনে সেন্টকমের কমান্ডার ব্র্যাড কুপার বলেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী বর্তমানে তাদের রণকৌশল ও কর্মপদ্ধতি নতুন করে সাজাচ্ছে।</p><p>ব্র্যাড কুপার দাবি করেন, ‘বিশ্বের অন্য কোনো সামরিক বাহিনী আমাদের মতো দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারে না। যুদ্ধবিরতির এ সময়ে আমরা ঠিক সে কাজটুকুই করছি।’</p><figure><blockquote class="twitter-tweet"><p lang="en" dir="ltr">U.S. Central Command forces remain ready... <a href="https://t.co/ddkfNDQ6k7">pic.twitter.com/ddkfNDQ6k7</a></p>&mdash; U.S. Central Command (@CENTCOM) <a href="https://twitter.com/CENTCOM/status/2046729681152409737?ref_src=twsrc%5Etfw">April 21, 2026</a></blockquote> <script async src="https://platform.twitter.com/widgets.js" charset="utf-8"></script></figure><p>সংবাদ সম্মেলনে ব্র্যাড কুপারের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর এই মন্তব্যগুলো সামনে এল।</p><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/x4xq6mx3/Patriotsystems.webp" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা 
</figcaption></figure><h3>ইরান যুদ্ধে প্যাট্রিয়ট, থাড ও প্রিসিশন ক্ষেপণাস্ত্রের অর্ধেকই ব্যবহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র, ফুরিয়ে আসছে মজুত</h3><p>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে নিজেদের শক্তিশালী ‘প্যাট্রিয়ট’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার প্রায় অর্ধেক ইন্টারসেপ্টর বা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ব্যবহার করে ফেলেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী।</p><p>ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা সংস্থা ‘সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ’ (সিএসআইএস)-এর এক নতুন বিশ্লেষণকে উদ্ধৃত করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য হিল এ তথ্য জানিয়েছে।</p><p>প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামে পরিচিত এই সামরিক অভিযানের ব্যাপকতার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধাস্ত্রের ভাণ্ডারে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।</p><p>সিএসআইএসের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মার্কিন সেনাবাহিনী তাদের অতি উঁচুমানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ‘থাড’-এরও অর্ধেক ইন্টারসেপ্টরই ইতিমধ্যে ব্যবহার করে ফেলেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/vjdrg64e/Thaad-02.avif" /><figcaption>ইসরায়েলে থাড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বজুড়ে দেশটির মাত্র আটটি এ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা মোতায়েন রয়েছে</figcaption></figure><p>প্যাট্রিয়ট ও থাড ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল’-এর মজুতেও টান পড়েছে বলে জানা গেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এই ক্ষেপণাস্ত্রের মোট মজুতের ৪৫ শতাংশের বেশি ইতিমধ্যে যুদ্ধে ব্যবহার করা হয়েছে।</p><p>সামরিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, যুদ্ধের এমন ব্যাপকতা মার্কিন বাহিনীর যুদ্ধাস্ত্রের সংরক্ষিত ভাণ্ডারে বড় ধরনের শূন্যতা তৈরি করছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/1v9p32hq/US-Army-PrSM-test.webp" /><figcaption>২০২৪ সালের ডিসেম্বরে একটি পরীক্ষা চলাকালীন মার্কিন সেনারা একটি প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল উৎক্ষেপণ করছেন
</figcaption></figure><p>তথ্যসূত্র: মিডল ইস্ট আই</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-16/4v96qzop/WhatsApp-Image-2026-03-31-at-3.46.24-PM.jpeg" /><figcaption>ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মোজতবা খামেনি</figcaption></figure><h3>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির শর্ত কী, এ পর্যন্ত কী ঘটল</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এমন প্রেক্ষাপটে দুই দেশের মধ্যে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতির শর্ত নতুন করে সামনে এসেছে।</p><p>গত ৮ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান দুই সপ্তাহের একটি শর্তসাপেক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। এর মেয়াদ আজ বুধবার সন্ধ্যায় (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময়) শেষ হওয়ার কথা ছিল।</p><p>—প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, এ চুক্তির প্রধান শর্ত ছিল ইরানকে ‘হরমুজ প্রণালি’ আবার খুলে দিতে হবে।</p><p>—পারস্য উপসাগর থেকে তেল ও অন্যান্য পণ্য রপ্তানির জন্য এ নৌপথটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইরান দুই সপ্তাহের জন্য তাদের সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে এ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে রাজি হয়েছিল।</p><p>—শান্তি আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স ও ইরানের প্রতিনিধিদল সম্প্রতি পাকিস্তানের ইসলামাবাদ সফর করেন। তবে দীর্ঘ আলোচনার পরও কোনো সমাধান ছাড়াই ভ্যান্সকে খালি হাতে ওয়াশিংটনে ফিরতে হয়।</p><p>—যুদ্ধ বন্ধে চূড়ান্ত কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে না পারায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ আরোপ করেছে। নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারিসহ দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপও আরও বাড়িয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/os3teoejx5">ইরানের সঙ্গে চুক্তি নাগালেই ছিল, সর্বনাশ করেছে সামাজিকমাধ্যমে ট্রাম্পের পোস্ট</a></aside><p>—মূল সংঘাতের সমান্তরালে ইসরায়েল ও লেবানন সীমান্তেও একটি যুদ্ধবিরতি চলছে। ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবারের মতো দুই দেশের সরাসরি আলোচনার পর গত ১৬ এপ্রিল ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।</p><p>—ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ‘লেবাননের যুদ্ধবিরতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে’ হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে’। তবে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করায় তেহরান এ ঘোষণার পরদিনই আবার নৌপথটি বন্ধ করে দেয়।</p><p>—যুদ্ধবিরতির শর্ত অনুযায়ী, ‘পরিকল্পিত, তাৎক্ষণিক বা চলমান যেকোনো হামলার বিরুদ্ধে ইসরায়েল যেকোনো সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বা আত্মরক্ষার অধিকার বজায় রাখবে।’</p><p>—চুক্তিতে আরও বলা হয়, হিজবুল্লাহসহ অন্য যেকোনো ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী’ যাতে ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে না পারে, সেজন্য লেবানন সরকারকে ‘কার্যকর পদক্ষেপ’ নিতে হবে।</p><p>তথ্যসূত্র: বিবিসি</p><h3>ইরানে হামলায় ১৩০০ বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত, অর্ধেকের বেশি মেরামত হয়েছে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/lmimdycs/Iran_school.avif" /><figcaption>ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের মিনাব শহরের একটি বালিকা বিদ্যালয়ে হামলার পর উদ্ধার তৎপরতা চলছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তোলা</figcaption></figure><p>ইরানের শিক্ষামন্ত্রী আলিরেজা খাজেমি বলেন, মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ইরানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ বিদ্যালয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি বা ৭৭৫টি মেরামত করা হয়েছে। দেশটির সংবাদমাধ্যম ইরনা এ খবর জানিয়েছে।</p><p>খাজেমি জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া হামলায় ইরানে অন্তত ২০টি বিদ্যালয় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তেহরান, কেরমানশাহ, ইস্পাহান ও হরমোজগান এলাকায়।</p><p>হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাকি বিদ্যালয়গুলোর মেরামত কাজ আগামী অক্টোবরের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে বলেও জানান ইরানের শিক্ষামন্ত্রী।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><h3>হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি বন্ধ’ রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান চাইছে খুলতে: ট্রাম্প

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/cmls689s/President-Donald-Trump.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প </figcaption></figure><p>মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি’ অবরুদ্ধ করে রেখেছে যুক্তরাষ্ট্র। আর ইরান নিজেদের আর্থিক ক্ষতি এড়াতে এ সমুদ্রপথ খুলে দিতে চাইছে। আপাতত ‘মুখরক্ষা করতে’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রেখেছে তেহরান।</p><p>এমনটাই দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করে ট্রাম্প এমন দাবি করেন।</p><p>পোস্টে ট্রাম্প লিখেন, ‘হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাক, এটা ইরান চায় না। তারা এটা খোলা দেখতে চায়। যাতে তারা প্রতিদিন এখান থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলার আয় করতে পারে (প্রণালিটি বন্ধ থাকলে তারা ক্ষতির শিকার হবে!)।’</p><p>‘তারা এটা (হরমুজ প্রণালি) বন্ধ রাখতে চায় একটা কারণেই যে, আমি এ পথ পুরোপুরি অবরোধ করে রেখেছি (বন্ধ করে দিয়েছি!)। তাই তারা কেবল মুখরক্ষা করতে চাইছে’—বলেন ট্রাম্প।</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও যোগ করেন, ‘চারদিন আগেই লোকজন আমাকে বলেছিল, “স্যার, ইরান অবিলম্বে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চায়।”’</p><p>‘কিন্তু আমরা যদি সেটা করি, তাহলে ইরানের সঙ্গে কখনোই কোনো চুক্তি করা যাবে না, যদি না আমরা তাদের দেশের বাকি অংশ, তাদের নেতাদেরসহ উড়িয়ে না দিই!’—হুঁশিয়ারি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।</p><p>তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>ইরানের পুরো নৌবাহিনী সমুদ্রের তলদেশে : ট্রাম্প</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-18/a2cn7aqt/Uranium.jpg" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ‘ট্রুথ সোশ্যাল’ প্ল্যাটফর্মে দেওয়া এক পোস্টে ‘দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল’ সংবাদপত্রের একটি কলামের কড়া সমালোচনা করেছেন। ওই নিবন্ধে দাবি করা হয়েছিল যে, ইরানের নেতৃত্ব মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ‘বোকা’ ভাবছে।</p><p>জবাবে ট্রাম্প বলেন, গত ৪৭ বছর ধরে তেহরান বর্তমান প্রেসিডেন্টের আগ পর্যন্ত “প্রত্যেক মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুযোগ নিয়েছে”।</p><p>ট্রাম্প লিখেছেন, “আর আমি তাদের কী দিয়েছি? একটি জরাজীর্ণ দেশ!”</p><p>এরপর ট্রাম্প এক দীর্ঘ দাবি তুলে ধরে বলেন, ইরানের “পুরো নৌবাহিনী সমুদ্রের তলদেশে, তাদের বিমানবাহিনী নেই, তাদের বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থা ও রাডার ধ্বংস হয়ে গেছে” এবং “তাদের পরমাণু গবেষণাগার ও গুদামগুলো মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে ।”</p><p>মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও দাবি করেন যে, ইরানি বন্দরগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন “৫০ কোটি ডলার” লোকসান করছে।</p><p>গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু করার পর থেকেই ট্রাম্প বারবার দাবি করে আসছেন যে ইরানের সামরিক বাহিনী ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে বাস্তবে ইরানি বাহিনী এখনও আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে এবং তারা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধ রাখতে সক্ষম হয়েছে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><h3>ইসরায়েল-লেবানন সরাসরি আলোচনায় যোগ দেবেন হাকাবি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-22/rual0n1x/AS2749064227.JPG" /><figcaption>রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের সময় ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।  জেরুসালেমে, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের একজন কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন যে, ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আসন্ন সরাসরি আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ইসরায়েলে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মাইক হাকাবি।</p><p>মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আবারও এই আলোচনায় অংশ নেবেন। তাঁর সঙ্গে থাকবেন লেবাননে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মিশেল ইসা এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের কাউন্সিলর মাইকেল নিডহ্যাম।</p><p>ইসরায়েল ও লেবাননের প্রতিনিধিত্ব করবেন যথাক্রমে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত দেশ দুটির রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লেইটার এবং নাদা হামাদে মোয়াদ।</p><p>আগামী বৃহস্পতিবার মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে এই আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। গত দুই সপ্তাহের মধ্যে রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে এটি দ্বিতীয় দফার আলোচনা। লেবাননে ১০ দিনের একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মধ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হলো।</p><p>স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওই কর্মকর্তার মতে, ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থানকালে হাকাবি “স্টেট ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্ব এবং আন্তঃসংস্থা অংশীদারদের সঙ্গে নিয়মিত পরামর্শ করবেন, যার মধ্যে আঞ্চলিক সমস্যাগুলো নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।"</p><p>সূত্র: সিএনএন</p><h3>যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ‌বির‌তির মেয়াদ বাড়ানোকে স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ মহাসচিব</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-08/8lb2iskl/prothomalo_bangla_2025_02_26_pv1y717u_Antonio_Guterres.avif" /><figcaption>জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস</figcaption></figure><p>​যুক্তরাষ্ট্র ঘোষিত যুদ্ধ‌বির‌তির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। একে উত্তেজনা প্রশমনে এক ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।</p><p>​জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক এক বিবৃতিতে জানান, গুতেরেস এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি মনে করেন, এটি উত্তেজনা প্রশমন এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কূটনীতি ও আস্থা তৈরির পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।</p><p>​মুখপাত্র আরও বলেন, 'আমরা সব পক্ষকে এই সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানাই। একইসঙ্গে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকতে বলছি যা অস্ত্রবিরতিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। একটি টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে সবাইকে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিতে উৎসাহিত করছি।'</p><p>​কূটনৈতিক প্রক্রিয়ার বিষয়ে দুজারিক জানান, পরবর্তী আলোচনা সফল করতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে গুতেরেস পূর্ণ সমর্থন দিয়েছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগ দ্বন্দ্ব নিরসনে একটি দীর্ঘমেয়াদী ও কার্যকর সমাধানের পথ তৈরি করবে।</p><p>সূত্র: আল–জাজিরা</p><h3>যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোয় ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানালেন শাহবাজ শরিফ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-06-21/3wdp2yh8/Untitled-11.jpg" /><figcaption>পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়ার পর তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। </p><p>সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া পোস্টে শাহবাজ লিখেছেন, ‘আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে এবং ফিল্ড মার্শাল সৈয়দ আসিম মুনিরের পক্ষ থেকে, চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতে যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর আমাদের অনুরোধ সদয়ভাবে গ্রহণ করার জন্য আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।’</p><p>শাহবাজ শরিফ আরও লিখেছেন, পাকিস্তান একটি আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির জন্য তার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবে। তিনি আরও যোগ করেন: “আমি আন্তরিকভাবে আশা করি যে উভয় পক্ষই যুদ্ধবিরতি পালন অব্যাহত রাখবে এবং সংঘাতের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে ইসলামাবাদে নির্ধারিত দ্বিতীয় দফার আলোচনায় একটি ব্যাপক ‘শান্তি চুক্তি’ সম্পন্ন করতে সক্ষম হবে।”</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p><p>* আগের লাইভ দেখতে&nbsp;<a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p><h3>ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আকস্মিক হামলার জন্য সময়ক্ষেপণ: ইরানি কর্মকর্তা</h3><p>ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকারের উপদেষ্টা মাহদি মোহাম্মদী বলেছেন, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি বৃদ্ধির ঘোষণা ‘অর্থহীন’। তিনি বলেন, ‘পরাজিত পক্ষ কোনো শর্ত চাপিয়ে দিতে পারে না।’<br><br>মোহাম্মদী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আরও বলেছেন, ‘অবরোধ অব্যাহত রাখা বোমাবর্ষণের চেয়ে আলাদা কিছু নয় এবং এর জবাব অবশ্যই সামরিকভাবে দিতে হবে। তাছাড়া, ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো নিশ্চিতভাবেই একটি আকস্মিক হামলার জন্য সময় কেনার অপকৌশল। ইরানের পক্ষ থেকে পাল্টা উদ্যোগ নেওয়ার সময় এখন চলে এসেছে।’</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p><h3>পাকিস্তানে আলোচনায় না বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান : তাসনিম নিউজ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/tgikii31/iran-war.avif" /><figcaption>ইরানের রাজধানী তেহরানের পথে চলছে লোকজন</figcaption></figure><p>ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ তাদের একজন প্রতিনিধির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, পাকিস্তানে হতে যাওয়া আলোচনায় অংশ নিতে অস্বীকার করেছে ইরান।</p><p>সংস্থাটি জানায়, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র তাদের ‘অযৌক্তিক দাবি’ থেকে সরে না আসায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।</p><p>তাসনিম নিউজের ভাষ্যে, “এই কারণে ইরান শেষ পর্যন্ত আজ ঘোষণা করেছে যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে আলোচনায় অংশগ্রহণ করা কেবল সময়ের অপচয়। কারণ যুক্তরাষ্ট্র যেকোনো উপযুক্ত চুক্তির পথে বাধা সৃষ্টি করছে। তাই ইরান আমেরিকানদের সাথে কোনো আলোচনায় বসবে না।”</p><p>প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইরান তাদের এই অবস্থানের কথা পাকিস্তানকে জানিয়ে দিয়েছে এবং মধ্যস্থতাকারীদের অবহিত করেছে যে আগামীকাল পাকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আলোচনায় তারা উপস্থিত থাকছে না।</p><p>তবে এই প্রতিবেদনের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।<br><br>সূত্র: আল জাজিরা</p><h3>ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর ঘোষণা ট্রাম্পের</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/qcb9atgw/Trump.avif" /><figcaption>মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের<strong> </strong>প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পাকিস্তানের অনুরোধে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবে এবং ইরানি বন্দরগুলোতে অবরোধ অব্যাহত রাখবে।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান সরকার মারাত্মকভাবে ভেঙে পড়েছে—যা অপ্রত্যাশিত ছিল না। পাকিস্তানের ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের অনুরোধে আমাদের কাছে ইরানের ওপর হামলা স্থগিত রাখার আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তাদের নেতা ও প্রতিনিধিরা একটি ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারেন। তাই আমি আমাদের সামরিক বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দিয়েছি এবং অন্যান্য সব দিক থেকে প্রস্তুত ও সক্ষম থাকতে বলেছি। প্রস্তাব জমা দেওয়া এবং আলোচনা কোনো একটি সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করছি।’<br><br>সূত্র: বিবিসি</p><h3>যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর হামলা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/034use50/lebanon.jpg" /><figcaption>ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত একটি মসজিদের পাশ দিয়ে এক যুবককে মোপেড (এক ধরনের মোটরসাইকেল) চালিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে। কাফর সির গ্রাম, দক্ষিণ লেবানন, ২১ এপ্রিল ২০২৬</figcaption></figure><p>লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের পাল্টা জবাব হিসেবে তারা উত্তর ইসরায়েলে হামলা চালিয়েছে।</p><p>এক বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানায়, উত্তর ইসরায়েলের একটি অবস্থান লক্ষ্য করে তাদের যোদ্ধারা রকেট ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটির দাবি, ওই অবস্থান থেকেই দক্ষিণ লেবাননের একটি শহরে কামানের গোলা ছোড়া হয়েছিল।</p><p>বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘লেবানন ও তার জনগণকে রক্ষা এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলা ও ঘরবাড়ি-গ্রাম ধ্বংসসহ ইসরায়েলের পক্ষ থেকে নির্লজ্জ’ যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের প্রতিবাদে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><p>সূত্র: আল জাজিরা</p><h3>অশুভ শক্তির’ বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পর ইসরায়েল এখন ‘আগের চেয়ে শক্তিশালী’: নেতানিয়াহু</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-16/p43vz5ds/netanyahu.jpg" /><figcaption>ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু</figcaption></figure><p>পশ্চিম জেরুজালেমে এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রশংসা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।</p><p>দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েল এখন আগের চেয়ে শক্তিশালী এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে আমরা বিশ্বের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নেতৃত্ব দিচ্ছি।’</p><p>নেতানিয়াহু আরও বলেন, ‘আমরা ইরানের হুমকি ব্যবস্থাকে মারাত্মক আঘাত করেছি, যা আমাদের বিপদে ফেলার ক্ষমতাকে খর্ব করেছে। আমরা আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে ইসরায়েলের অবস্থান শক্তিশালী করেছি। আমরা নতুন জোট গঠন করেছি এবং শান্তির পরিধি বাড়ানোর পথ প্রশস্ত করেছি।’</p><p>সূত্র: আল জাজিরা&nbsp;</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-14/13hct4xy/D_Vance.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স</figcaption></figure><h3>মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের পাকিস্তান সফর স্থগিত</h3><p>যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর স্থগিত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি অবগত একজন মার্কিন কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এটিও জানিয়েছেন যে, পরিস্থিতি অনুকূলে এলে যেকোনো মুহূর্তে এই সফর পুনরায় শুরু হতে পারে।</p><p>ওই কর্মকর্তার ভাষ্যমতে, তেহরান মার্কিন আলোচনার শর্তাবলি বা অবস্থানের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানায়নি, যার ফলে এই উচ্চপর্যায়ের সফরটি আপাতত থমকে গেছে। তবে আলোচনার পথ এখনো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি; যেকোনো সময় এই সফর হতে পারে।</p><p>সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস।</p><p>* আগের লাইভ দেখতে <a href="https://www.prothomalo.com/world/pqbl234nen">ক্লিক করুন</a></p>]]></content:encoded></item><item><title>কুসংস্কারে বিশ্বাস থেকেই কি হোটেল পাল্টেছেন সিমিওনে</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/sfoky5vyp2</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/sfoky5vyp2#comments</comments><guid isPermaLink="false">99e8169e-e071-49d5-9522-262a5e0ea5f4</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:17:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:17:19.351Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনাল ফিরতি লেগে আজ রাতে আর্সেনালের মুখোমুখি হবে আর্সেনাল। প্রথম লেগ ১–১ গোলে ড্র হয়।]]></description><media:keywords>চ্যাম্পিয়নস লিগ,আতলেতিকো মাদ্রিদ,আর্সেনাল,দিয়েগো সিমিওনে</media:keywords><media:content height="5181" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1gbavwpk/613735-01-02.jpg" width="7772"><media:title type="html"><![CDATA[ আতলেতিকো মাদ্রিদের কোচ ডিয়েগো সিমিওনে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1gbavwpk/613735-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ডিয়েগো সিমিওনে কি কুসংস্কার মানেন? ‘স্কুয়াকা’ ওয়েবসাইটে চার বছর আগেই প্রশ্নটির উত্তর দিয়ে রেখেছেন সাবেক ব্রাজিলিয়ান লেফটব্যাক গিলের্মে সিকুয়েইরিয়া। আতলেতিকো মাদ্রিদে সিমিওনের অধীনে তিনটি বছর (২০১৪-২০১৭) খেলা সিকুয়েইরিয়ার ভাষায়, সিমিওনে ‘ফুটবলের ইতিহাসে সবচেয়ে কুসংস্কারাচ্ছন্ন কোচ’।</p><p>কুসংস্কারে আরও অনেক কোচেরই বিশ্বাস আছে। তবে সিমিওনের ব্যাপারটি আলাদা করে উঠে আসার কারণ চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনাল ফিরতি লেগের আগে একটি ঘটনা। এমিরেটস স্টেডিয়ামে আজ রাতে স্বাগতিক হয়ে আতলেতিকোকে আতিথ্য দেবে আর্সেনাল। এই ম্যাচের আগে দলবল নিয়ে সিমিওনের হোটেল পাল্টানো আলোচনার জন্ম দিয়েছে।</p><p>গত বছর অক্টোবরে চ্যাম্পিয়নস লিগে লিগ পর্বের ম্যাচে লন্ডনের রিজেন্টস পার্কের ম্যারিয়ট হোটেলে উঠেছিল স্প্যানিশ ক্লাবটি। সেই ম্যাচে আর্সেনালের বিপক্ষে তারা ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত হয়েছিল। এবার সেমিফাইনাল ফিরতি লেগের আগে ম্যারিয়ট হোটেল এড়িয়ে শোরডিচের কোর্টহাউস হোটেলে উঠেছে সিমিওনের দল। গুঞ্জন উঠেছে, গতবার হারের দুর্ভাগ্য এড়াতেই এবার হোটেল বদল করেছেন আতলেতিকো কোচ। তবে সংবাদ সম্মেলনে সিমিওনে এমন দাবি হেসে উড়িয়ে দেন।</p><p>গতকাল সংবাদ সম্মেলনে সিমিওনে দাবি করেন, ‘এই হোটেল আগের চেয়ে সস্তা। সে জন্য আমরা (হোটেল) পাল্টেছি।’ কিন্তু গুঞ্জন চলছে, খেলোয়াড়দের ওপর কোনো অলক্ষুণে ছায়া যেন না পড়ে, সে ভাবনা থেকেই আগেরবারের হোটেল বদলের নির্দেশ দেন সিমিওনে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ij4i26de/613747_01_02.jpg" /><figcaption>আর্সেনালের মুখোমুখি হওয়ার আগে শেষ প্রস্তুতিতে আতলেতিকোর খেলোয়াড়রা। পাশেই কোচ সিমিওনে</figcaption></figure><p>এমন গুঞ্জন ওঠার অবশ্য কারণও আছে। সিমিওনের যে কুসংস্কার মেনে চলার বাতিক আছে, সেটা ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে মোটামুটি সবারই জানা। ২০১৪ চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে লাল-সাদা জার্সি পরে রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল আতলেতিকোর। সে কারণে দুই বছর পর একই প্রতিযোগিতার ফাইনালে উঠে নীল জার্সি পরে মাঠে নামার অনুমতি চেয়েছিলেন সিমিওনে।</p><p>বাকিটা শুনতে পারেন সিকুয়েইরিয়ার মুখে। সিমিওনের কুসংস্কারে বিশ্বাস নিয়ে ইএসপিএন ব্রাজিলকে সিকুয়েইরিয়া বলেছিলেন, ‘ফুটবলের ইতিহাসে আতলেতিকোর মতো এমন কুসংস্কারাচ্ছন্ন কোচিং স্টাফ আমি আর কখনোই দেখিনি। এমন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে আগে কখনো যেতে হয়নি আমাকে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/sd30g4tw5x">এভারটনের মাঠে ম্যান সিটির হোঁচট, আর্সেনালে উৎসবের আমেজ</a></aside><p>সিকুয়েইরিয়া আরও বলেন, ‘হোটেল ছাড়া থেকে শুরু করে বাসে চড়া কিংবা ম্যাচ শুরু হওয়ার আগপর্যন্ত আমাদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম মেনে চলতে হতো। বাসে সব সময় একই গানের তালিকা বাজাতে হতো। ড্রেসিংরুমের চিত্রও ছিল একই রকম। ওয়ার্মআপ থেকে ফিরে দেখতাম, সিমিওনে আপন মনে বল ড্রিবল করছেন। খেলোয়াড়দের নিয়ে গোল হয়ে দাঁড়ানোর আগে তিনি বলটি অধিনায়কের হাতে তুলে দিতেন।অধিনায়ককেও ঠিক একইভাবে তা করতে হতো; এর কোনো ব্যতিক্রম করার উপায় ছিল না।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/k2i08y4g/613732-01-02.jpg" /><figcaption>কুসংস্কারে বিশ্বাস আছে সিমিওনের</figcaption></figure><p>বেনফিকার হয়ে পর্তুগালের শীর্ষ লিগজয়ী সিকুয়েইরিয়া কিছু ঘটনাও উল্লেখ করেন, ‘প্লেলিস্টে সব ধরনের গানই থাকত—রেগেটন, স্প্যানিশ কিংবা লাতিন মিউজিক। সব গানই বাজানো হতো সব সময় একই পেনড্রাইভ থেকে। ভুল করেও কেউ যদি সেই প্লেলিস্ট বদলানোর চেষ্টা করত, তবে তার কপালে দুঃখ ছিল। একদিন বাসে হঠাৎ গান বন্ধ হয়ে যায়। তাতেই সিমেওনে এমন ক্ষিপ্ত হলেন যেন আমরা ১-০ গোলে পিছিয়ে পড়েছি! চিৎকার করে বলছিলেন, “গান চালাও!” শেষ পর্যন্ত আমাকেই তাঁকে শান্ত করতে হয়েছিল।’</p><p>এমিরেটস স্টেডিয়ামে আজ যাওয়ার পথেও কি এসব বিশ্বাসে আস্থা রাখবেন সিমিওনে? উত্তর সময় হলেই জানা যাবে। আতলেতিকোর মাঠে প্রথম লেগ ১-১ গোলে ড্র করে দুই দল। আজ রাতে ফিরতি লেগে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১টায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/b5c7u2gnnz">আর্সেনাল, না আতলেতিকো—অপেক্ষা ফুরাবে কাদের</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মিড ডে মিল: কোনো কোনো স্কুলে পচা কলা, নষ্ট ডিম দেওয়ার অভিযোগ, খাবারের ধরন বদলের চিন্তা</title><link>https://www.prothomalo.com/education/jey8c6hqe4</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/jey8c6hqe4#comments</comments><guid isPermaLink="false">d4819509-3385-483c-9778-6b5054f1d914</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:17:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:17:15.754Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মোশতাক আহমেদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1311288</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী প্রতিটি ডিম ১৪ টাকা, কলা ১০ টাকা, বানরুটি ২৫ টাকা, দুধ ২৯ টাকা ও বিস্কুট ১৯ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>স্কুল,বিশেষ সংবাদ,শিক্ষার্থী</media:keywords><category>শিক্ষা</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি ও নষ্ট সেদ্ধ ডিম বিতরণের অভিযোগ। খাবারের ধরন পরিবর্তনের চিন্তা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9x44th2l/6a171e1c-c6c2-47b8-8875-389dfec3159c.jfif" /></figure><p>নরসিংদী শহরের বৌয়াপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩৩৯ জন। গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ওই বিদ্যালয়ে দেখা যায়, উপস্থিত ২৪০ শিক্ষার্থীকে একটি করে সেদ্ধ ডিম এবং দুই পিস করে বানরুটির একটি প্যাকেট দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বলল, প্রতিদিনই তারা খাবার পাচ্ছে। খাবার নিয়ে অভিযোগ নেই। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অপর্ণা রানী দেবী বললেন, অন্য কোনো বিদ্যালয়ে খাবারের মান খারাপ পড়ার কথা শুনেছেন, কিন্তু এই বিদ্যালয়ে এখনো খারাপ পড়েনি।</p><p>নরসিংদীর এই বিদ্যালয়ে কোনো অভিযোগ না থাকলেও ভিন্ন চিত্র চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার শংকরবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বিদ্যালয়টিতে গত ২২ এপ্রিল ফিডিং কর্মসূচির বানরুটি খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে বেশ কিছু শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় বানরুটি প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ঘটনার দিন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। এ ছাড়া ফরিদপুর সদর উপজেলার ৯৩ নম্বর শহীদ সালাহ উদ্দীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৬ এপ্রিল শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাওয়ার অনুপযোগী কাঁচা কলা বিতরণ করা হয়েছিল। এ ঘটনায় বিদ্যালয়টির এক সহকারী শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস।</p><blockquote>পুষ্টিহীনতা ও ক্ষুধা প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম বড় বাধা—এই বাস্তবতা মাথায় রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ নামে পরিচিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে। দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে এই খাবার দেওয়া হয়।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-27/d51duc6o/6___Photostory_Faridpur_School_Photo_Aliuzzman_26042026.jpg" /><figcaption>চর কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাইস কুকারে ডিম সেদ্ধ করে দেওয়া হচ্ছে </figcaption></figure><p>সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ নামে পরিচিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচির আওতায় দেশের আরও কিছু এলাকায় পচা বা কাঁচা কলা, নিম্নমানের বানরুটি এবং নষ্ট সেদ্ধ ডিম বিতরণের ঘটনা সামনে এসেছে।</p><p>পুষ্টিহীনতা ও ক্ষুধা প্রাথমিক শিক্ষার অন্যতম বড় বাধা—এই বাস্তবতা মাথায় রেখে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মিড-ডে মিল’ নামে পরিচিত স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হয় গত বছরের সেপ্টেম্বরে। দেশের ১৫০টি উপজেলার ১৯ হাজার ৪১৯টি বিদ্যালয়ে প্রায় ৩০ লাখ শিক্ষার্থীকে এই খাবার দেওয়া হয়।</p><aside><cite>সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ </cite>খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ামাত্র সরবরাহকারীদের শোকজ করা হচ্ছে এবং সতর্ক করা হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের নিম্নমানের খাবার পাওয়া গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে ফেরত দিতে এবং গ্রহণ না করতে। তদারকি জোরদার করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ঢাকায় এনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</aside><p>এই কর্মসূচির লক্ষ্য শিক্ষার্থীর উপস্থিতি বাড়ানো, ঝরে পড়া কমানো এবং শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ ধরে রাখা। খাবারের তালিকায় রয়েছে বানরুটি, সেদ্ধ ডিম, কলা, ইউএইচটি দুধ ও ফর্টিফায়েড বিস্কুট (বাড়তি পুষ্টিসমৃদ্ধ)।</p><p>একসময় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিশুদের বিস্কুটজাতীয় খাবার দেওয়া হতো। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলে তা বন্ধ হয়ে যায়। পরে গরম খাবার (খিচুড়ি) দেওয়ার বিষয় নিয়ে আলোচনা হলেও পরে খাবারের ধরনে পরিবর্তন আনা হয়।</p><p>সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির পরিচালক মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, খাবারের মান নিয়ে অভিযোগ গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগ পাওয়ামাত্র সরবরাহকারীদের শোকজ করা হচ্ছে এবং সতর্ক করা হচ্ছে। বিদ্যালয়গুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনো ধরনের নিম্নমানের খাবার পাওয়া গেলে তা সঙ্গে সঙ্গে ফেরত দিতে এবং গ্রহণ না করতে। তদারকি জোরদার করতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের ঢাকায় এনে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-30/pzrg490s/4yx9bhlm.jpg" /><figcaption>স্কুল ফিডিং কর্মসূচি আওতায় প্রতিটি বিদ্যালয়ে শিশুদের সপ্তাহে ৫ দিন দেওয়া হচ্ছে বনরুটি, ডিম ও কলা। ডিম-রুটি-কলা পেয়ে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা</figcaption></figure><p><strong>খাবার কী, খরচ কত</strong></p><p>এখন শনি থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিন খাবার দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী শনি, রবি, বুধ ও বৃহস্পতিবার বানরুটি ও সেদ্ধ ডিম দেওয়া হয়। সোমবার বানরুটি ও ইউএইচটি দুধ এবং মঙ্গলবার দেওয়া হয় ফর্টিফায়েড বিস্কুট ও কলা। ইউএইচটি (আলট্রা হাই টেম্পারেচার) হলো দুধ সংরক্ষণের পদ্ধতি। এই দুধ প্যাকেট খুলে সরাসরি পান করা যায়।</p><p>সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী প্রতিটি ডিম ১৪ টাকা, কলা ১০ টাকা, বানরুটি ২৫ টাকা, দুধ ২৯ টাকা ও বিস্কুট ১৯ টাকা ধরে হিসাব করা হয়েছে।</p><p>খাবার সরবরাহ করা হচ্ছে দরপত্রের মাধ্যমে নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। দুধ সরবরাহ করে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান, বিস্কুট দুটি এবং বানরুটি-ডিম-কলা প্যাকেজ দেয় ১২টি প্রতিষ্ঠান। স্থানীয় এজেন্টদের মাধ্যমে সরবরাহে অনিয়ম, কম দামে নিম্নমানের পণ্য কেনা, আগে থেকে খাবার প্রস্তুত রাখা এবং পরিবহনে ত্রুটির কারণে মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগ রয়েছে।</p><blockquote>এখন শনি থেকে বৃহস্পতিবার ছয় দিন খাবার দেওয়া হচ্ছে। নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী শনি, রবি, বুধ ও বৃহস্পতিবার বানরুটি ও সেদ্ধ ডিম দেওয়া হয়। সোমবার বানরুটি ও ইউএইচটি দুধ এবং মঙ্গলবার দেওয়া হয় ফর্টিফায়েড বিস্কুট ও কলা। ইউএইচটি (আলট্রা হাই টেম্পারেচার) হলো দুধ সংরক্ষণের পদ্ধতি। এই দুধ প্যাকেট খুলে সরাসরি পান করা যায়।</blockquote><p><strong>মান নিয়ে অভিযোগ</strong></p><p>অভিযোগ উঠেছে, বানরুটি, কলা ও ডিমের বিতরণ পর্যায়ে সমস্যা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে এসব খাবার সংগ্রহ করে সরবরাহ করা হয় এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো এজেন্টদের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করে। এই প্রক্রিয়ায় অনিয়মের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সরকারি দামে বরাদ্দ বেশি হলেও কোথাও কোথাও ১৪-১৫ টাকায় বানরুটি কেনা হয়। ডিম অনেক আগে থেকেই সেদ্ধ করে রাখা হয়। আবার কলা কাঁচা বা পচাও থাকে।</p><p>গত মার্চে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় স্কুল ফিডিং কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্কুলে পৌঁছানো হয়েছিল পচা ও কাঁচা কলা। ফলে উপজেলার অধিকাংশ স্কুল এসব কলা ফিরিয়ে দিয়েছে। পচা ও কাঁচা কলার ছবি–ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনা শুরু হয়। ফলে প্রায় বিদ্যালয়ে বিস্কুট পেলেও সেদিন কলা পায়নি শিক্ষার্থীরা। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দাবি, ৮-১০টি স্কুলে এ সমস্যা হয়েছে।</p><p>৮ এপ্রিল মাদারীপুর সদর উপজেলায় এই খাবার খেয়ে উপজেলার ছয়টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেশ কিছু শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। ১৭ শিক্ষার্থীকে দ্রুত মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয়। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন।</p><p>গত মাসে নরসিংদীতে পরিদর্শনে গিয়ে খাবারের মান নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ।</p><p>অধিদপ্তরের একাধিক কর্মকর্তা মনে করেন, বর্তমান পদ্ধতিতে ঝুঁকি রয়েছে। শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে স্থানীয় পর্যায়ে তদারকি জোরদার করা গেলে মান নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। এ ছাড়া অভিযোগের কারণে বানরুটি, কলা ও ডিম পরিবর্তনের বিষয়েও চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।</p><blockquote>শিক্ষার্থীরা বলছে, প্রথম দিকে সব খাবার দেওয়া হতো, এখন খাবার কম দেওয়া হয়। বিশেষ করে শুধু বানরুটি যেদিন দেওয়া হয়, সেদিন খেতে কষ্ট হয়।</blockquote><p><strong>শিক্ষার্থী উপস্থিতি বেড়েছে</strong></p><p>গত বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া চা–বাগানের ভাড়াউড়া চা–বাগান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, এদিন শুধু বানরুটি দেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহেদা শরমিন <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, যে খাবার দেওয়া হয়, সেগুলোর মান মোটামুটি ভালো। তবে সরকারের দেওয়া রুটিন অনুযায়ী তাঁরা খাবার পাচ্ছেন না। দুধের সঙ্গে বিস্কুট, ডিমের সঙ্গে বানরুটি এবং কলার সঙ্গে বানরুটি দেওয়ার কথা থাকলেও এখন ‘সিঙ্গেল আইটেম’ দেওয়া হচ্ছে।</p><p>শিক্ষার্থীরা বলছে, প্রথম দিকে সব খাবার দেওয়া হতো, এখন খাবার কম দেওয়া হয়। বিশেষ করে শুধু বানরুটি যেদিন দেওয়া হয়, সেদিন খেতে কষ্ট হয়।</p><p>দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দক্ষিণ মাধুপুর নয়াপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গত বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ১০টায় দেখা যায়, সেদ্ধ ডিম সরবরাহ করেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আর বরাদ্দ করা ৫৫টি বানরুটি আগের দিন বিকেলে বিদ্যালয়ে সরবরাহ করা হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক জানান। স্কুলের প্রধান শিক্ষক শেলিনা বেগম সরকার বললেন, মিড–ডে মিল চালুর ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেড়েছে।</p><aside><cite>সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী </cite>বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি শুধু উপস্থিতি বাড়ায় না, শেখার ফলাফল উন্নত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য তিনি সরকারকে সাধুবাদ জানান। তবে খাবারের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না।</aside><p><strong>সম্প্রসারণের পরিকল্পনা</strong></p><p>বর্তমানে ১৫০ উপজেলায় বাস্তবায়িত এই কর্মসূচির তিন বছরের প্রাক্কলিত ব্যয় ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকা। এর মধ্যে চলতি অর্থবছরের জন্য বরাদ্দ ১ হাজার ৯২ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছর থেকে আরও ৩৪৮ উপজেলায় এটি চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এতে মোট ব্যয় দাঁড়াবে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা।</p><p>দেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ লাখ ১৮ হাজারের বেশি। এর মধ্যে সরকারি ৬৫ হাজার ৫৬৭টি। মোট শিক্ষার্থী ২ কোটি ১ লাখের বেশি। এর মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ে ১ কোটি ৬ লাখের বেশি। ২০২৪ সালে ঝরে পড়ার হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ দশমিক ২৫ শতাংশে, যা ২০২৩ সালে ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ।</p><p><strong>সময়োপযোগী উদ্যোগ</strong></p><p>সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধূরী <em>প্রথম আলো</em>কে বলেন, বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও সময়োপযোগী উদ্যোগ। এটি শুধু উপস্থিতি বাড়ায় না, শেখার ফলাফল উন্নত করতেও ভূমিকা রাখতে পারে। এ জন্য তিনি সরকারকে সাধুবাদ জানান। তবে খাবারের মানের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা যাবে না। যেহেতু স্থানীয় পর্যায়ে পণ্য কিনতে হয়, তাই কোনো সিন্ডিকেটের কবলে যেন না পড়ে, তা সরকারকে নিশ্চিত করতে হবে। তদারকির ক্ষেত্রে মায়েদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে। এই কর্মসূচি সারা দেশে সম্প্রসারণ করা উচিত বলে মনে করেন তিনি।</p><p>&nbsp;[প্রতিবেদনে তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন<em> প্রথম আলো</em>র <strong>প্রতিনিধি</strong> <em>নরসিংদী</em> ও <em>শ্রীমঙ্গল </em>(<em>মৌলভীবাজার</em>) এবং <em>বিরামপুর</em> (<em>দিনাজপুর</em>)]</p>]]></content:encoded></item><item><title>নীরবতা কোনো সমাধান নয়</title><link>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/6tjhfctr60</link><comments>https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/6tjhfctr60#comments</comments><guid isPermaLink="false">63074a02-cfa3-417a-924a-5f5476e5f640</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:16:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:16:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মানসিক,মানসিক স্বাস্থ্য,প্রথম আলো ট্রাস্ট,বিশেষ পরামর্শ</media:keywords><media:content height="371" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/wwebxm0v/1.jpg" width="656"><media:title type="html"><![CDATA[ পরামর্শ দেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/wwebxm0v/1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>মাদকবিরোধী আন্দোলন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রথম আলো ট্রাস্টের একটি আয়োজন অনলাইনে মাদকবিরোধী পরামর্শ সভা। এ আয়োজনের আওতায় ২০২৬ সালের ১৬ মার্চ একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচক ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডা. ফারজানা রহমান। তিনি ‘মনের জট খুলুল: মানসিক চাপ কমানোর কৌশল’—এই বিষয়ের ওপর আলোচনা করেন।&nbsp;উক্ত আলোচনা থেকে একটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো।</p><p>সভায় ডা. ফারজানা রহমান বলেন, আধুনিক গবেষণা এবং বিজ্ঞানও এখন বলছে যে, ক্রমাগত অন্যায় বা অস্বস্তিকর পরিস্থিতি মুখ বুজে সহ্য করা শরীরের ওপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সুতরাং মনের উপর চাপ কমাতে হলে কোনো কিছু দীর্ঘ দিন পুষে রাখা উচিত নয়। নীরবতা ভেঙে প্রকাশ করতে হবে। তা ছাড়া এখনকার বিশ্বে শিষ্টাচার বজায় রেখেও নিজের অধিকার এবং সীমানা স্পষ্টভাবে জানানোটা অনেক বেশি জরুরি।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘মনরে বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/mw26tbwatp</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/mw26tbwatp#comments</comments><guid isPermaLink="false">61dd408c-5f7f-4168-8c48-ead541ea618d</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:13:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:13:06.759Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খলিল রহমান</atom:name><atom:uri>/api/author/1410451</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হাওরের বোরো ধানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় শরিয়ত উল্লাহর পরিবারের। বাপ-দাদার হাত ধরে কৃষিকাজের শুরু। ]]></description><media:keywords>হাওর,সুনামগঞ্জ,বিশেষ সংবাদ,অর্থনৈতিক সংকট,মানুষের কথা</media:keywords><media:content height="817" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/c61jbsio/05052026-cm-1.jpg" width="1158"><media:title type="html"><![CDATA[ হাওরের কেটে রাখা আধা পাকা ধানের আঁটি দেখিয়ে আফসোস করছেন কৃষক শরিয়ত উল্লাহ। গতকাল দুপুরে সুনামগঞ্জের জোয়ালভাঙ্গা হাওরে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/c61jbsio/05052026-cm-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হাওরের ধানের ওপর নির্ভরশীল শরিয়ত উল্লাহর পরিবার। ক্ষতির মুখে পড়ায় সংসার কীভাবে চালাবেন সে চিন্তা।</p><p>‘পরতি বছর ধান পাই ১২০ থাকি ১৩০ মণ। ইবার অর্ধেক ধান পানিতে গেছে। মনরে খালি বোঝ দিবার লাগি আধা পচা ধান কাটছি। এখন বছরের খোরাকি নিয়া চিন্তাত আছি। আমরার একবারের ক্ষতি পোষাইতে পাঁচ বছর টানতে অয়।’</p><p>হাওরের খলায় (ধানমাড়াই ও শুকানোর সমতল স্থান) স্তূপ করে রাখা আধা পাকা ধানের আঁটি দেখিয়ে এভাবেই আফসোস করছিলেন কৃষক মো. শরিয়ত উল্লাহ। সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার গৌরারং ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। সম্প্রতি ভারী বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে হাওরের ধানের খেত তলিয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে তাঁর।</p><p>গতকাল সোমবার দুপুরে গ্রামের পাশের জোয়ালভাঙা হাওরপারে কথা হয় শরিয়ত উল্লাহর সঙ্গে। জোয়ালভাঙা হাওরেই ৬৭ বছর বয়সী এই বৃদ্ধের সব জমি। শুধু নিয়ামতপুর নয়, এই হাওর এলাকার ১৫ থেকে ২০টি গ্রামের কৃষকদের জমি রয়েছে। খলায় অন্যদের সঙ্গে ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত ছিলেন শরিয়ত উল্লাহ। তাঁর কিছু ধান এখনো মাড়াই করা হয়নি। পাশেই স্তূপ করে রাখা।</p><p>হাওরের বোরো ধানের ওপর পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় শরিয়ত উল্লাহর পরিবারের। বাপ-দাদার হাত ধরে কৃষিকাজের শুরু। এখনো কৃষিতেই আছেন। কাজের ফাঁকে জানালেন, হাওরে এবার আট একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছিলেন। এর মধ্যে সাড়ে চার একর জমির ধান কেটেছেন। বাকি সাড়ে তিন একর জমির ধান বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে তলিয়ে গেছে।</p><p>যেসব জমির ধান কেটেছেন, সেগুলোও আধা পাকা ছিল বলে জানালেন এই বৃদ্ধ। তিনি বলেন, যখন পানি আসে, তখন শ্রমিক পাননি। তাই নিজে এবং গ্রামের আরও কিছু লোককে নিয়ে ‘আধিভাগিতে’ ধান কেটেছেন। সে অনুযায়ী, কাটা ধানের অর্ধেকই দিতে হয়েছে ওই লোকদের। যখন হাওরে চোখের সামনে কৃষকদের জমি তলিয়ে যাচ্ছিল, তখন এক হাজার টাকা দিয়েও শ্রমিক মেলেনি। আবার হাওরে পানি থাকায় কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিনেও ধান কাটা যায়নি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/qqda2ad1/05052026-cm-2.jpg" /><figcaption>অতিবৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন হাওরের বোরো ধান। পানিতে নিমজ্জিত ধান কেটে নৌকায় তুলছেন কৃষক মো. শামসুদ্দিন আহমদ। গতকাল সুনামগঞ্জের সদর উপজেলার দেখার হাওরে</figcaption></figure><p><strong>এই ধানে ভালো চাল হবে না</strong></p><p>সুনামগঞ্জে এবার মার্চের মাঝামাঝি থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এতে বিভিন্ন হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এপ্রিলের শেষ দিকে এসে শুরু হয় অতিবৃষ্টি। এর সঙ্গে যুক্ত হয় উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল। স্থানীয় কৃষি বিভাগের দেওয়া তথ্য বলছে, বৃষ্টি আর ঢলে সুনামগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ও নেত্রকোনার হাওরাঞ্চলের ৪২ হাজার হেক্টরের বেশি ধানখেত তলিয়ে ফসলের ক্ষতি হয়েছে।</p><p>হাওরের উত্তরপারে নিয়ামতপুর গ্রামের ধানের খলা। রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে হাওরের পানি দেখিয়ে শরিয়ত উল্লাহ বলেন, তাঁর যেসব জমি তলিয়েছে, সেগুলো গভীর হাওরে ছিল। কৃষকেরা ভাবতে পারেননি, এবার এত দ্রুত বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে হাওর তলাবে। অন্য বছর পানি ধীরে ধীরে আসে। এবার আগে বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। পরে ঢলের পানি ঢুকে ফসল তলিয়ে যায়।</p><p>শরিয়ত উল্লাহ বলছিলেন, ২৫ এপ্রিল হাওরে কম পানি দেখে যান মানুষজন। পরদিন সকালে এসে দেখেন জমি তলিয়ে যাচ্ছে। আবহাওয়ার যে অবস্থা ছিল, তাতে ধান কাটা ও মাড়াই নিয়ে চরম সংকটে পড়েন তাঁরা। এরপর জমির ধান তলিয়ে যায়। কৃষকেরা ছিলেন নিরুপায়। তিনি বলেন,‘পানির তলের সব ধান পচি গিছে। এই ধান আর কাটা যাইত না। আর কাটলেও কোনো কামে আইত না।’</p><p>অতিবৃষ্টির কারণে কাটা ধান নিয়ে বিপাকে পড়া কৃষক শরিয়ত উল্লাহ জানান, এক সপ্তাহ এই ধান খলায় স্তূপ করে রাখা ছিল। ঝড়বৃষ্টি আর বজ্রপাতের হাওরে কোনো কাজ করতে পারেননি তাঁরা। রোববার রোদ ওঠায় একটা মেশিন এনে ধান মাড়াই করেছেন। এখন শুকানোর চেষ্টা করছেন।</p><p>ভেজা ধান হাতে নিয়ে দেখান এই কৃষক। জানালেন, ধান ময়লা হয়ে গেছে। এগুলোতে ভালো চাল হবে না। মানে ভালো না হলে দাম কম পাওয়া যাবে। বেশি দিন স্তূপে থাকায় ধানে একধরনের গন্ধ ধরে গেছে। তাই যেখানে ৩০ শতক জমিতে ১৫ থেকে ২০ মণ ধান হওয়ার কথা, সেখানে ধান হবে ১০ থেকে ১২ মণ। খলাতেই তাঁর কাটা ধানের অর্ধেকের মতো ক্ষতি হয়েছে।</p><p><strong>ঋণের কিস্তি চালানোই দায়</strong></p><p>শরিয়ত উল্লাহর পরিবারে স্ত্রী-সন্তান মিলে ছয়জন মানুষ। দুই ছেলের মধ্যে বড় ছেলের বয়স ২২ বছর। ছোট ছেলের বয়স ছয়। বাপ-ছেলে মিলেই জমিতে আবাদ করেন। তিনি বললেন, এবার নিজের সঞ্চয় বাদে জমি আবাদ করতে বাড়তি ২৮ হাজার টাকা ঋণ করছিলেন। এনজিওর একটি ঋণের সাপ্তাহিক কিস্তি আছে। বৈশাখে ধান তুলেই দেনা পরিশোধ করার কথা ছিল। কিন্তু এখন ঋণ পরিশোধ তো দূরে থাক, কিস্তি চালানোই দায় হয়ে পড়েছে।</p><p>বছরে শরিয়ত উল্লাহর পরিবারে খাবারের জন্য ধান দরকার হয় ৪০ থেকে ৫০ মণ। এ ছাড়া মাসে পরিবারের আনুষঙ্গিক খরচ আছে আরও কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা। প্রতিবছর নিজের ঘরের খাবার বাদে ২০ থেকে ৩০ মণ ধান বিক্রি করতেন তিনি। এবার খোরাকিই হবে কি-না, এই চিন্তায় আছেন।</p><p>শরিয়ত উল্লাহর সঙ্গে কথা বলার সময় পাশে থাকা কৃষকেরা আলাপে যুক্ত হন। তাঁদেরও একই কথা। তাঁরা বললেন, হাওরে এবার যে ধানের আবাদ হয়েছিল, তার অর্ধেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাওরের এই ধানের ওপর সব নির্ভর করে তাঁদের। সংসারের পুরো এক বছরের খাওয়ার পাশাপাশি সব খরচ জোগাতে হয় ধান বিক্রি থেকে। কিন্তু এবার অনেক কৃষকের ঘরে বছরের খাবারের ধানই মিলছে না। জমি আবাদ করতে শ্রমিক, সার-বীজ, কীটনাশক, সেচসহ আনুষঙ্গিক খরচ প্রতি একরে এখন পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। এই খরচের জন্য কৃষকদের নিজের সঞ্চয় বাদে বাকিটা দেনা করতে হয়। এমনটা প্রতিবছরই করেন তাঁরা।</p><p>শরিয়ত উল্লাহ এখন চিন্তা করছেন, বয়স যা–ই হোক, সংসার তো চালাতে হবে। এ জন্য শ্রমিকের কাজ করবেন। তিনি বলছিলেন, ‘বৈশাখ মাসে হাওরের খলাত যে আনন্দ থাকে, ইবার এই আনন্দ আমরার মনে নাই। সামনের বছরটাই আমরার নিরানন্দে যাইব।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামে শিশুমৃত্যু থামছেই না, নতুন ভর্তি ১৯</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xn651ikbvo</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xn651ikbvo#comments</comments><guid isPermaLink="false">aacb1b5b-2b6d-430a-9258-e6c7cf0af3a6</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:12:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:12:51.625Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামের লক্ষণ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।]]></description><media:keywords>ময়মনসিংহ বিভাগ,হাম,মৃত্যু,হাসপাতাল</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-02/3cjtxhx9/mymensinghdh169420260401img-20260331-wa0034.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের লক্ষণ নিয়ে শিশু ভর্তি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-02/3cjtxhx9/mymensinghdh169420260401img-20260331-wa0034.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হামে আক্রান্ত এবং হামের লক্ষণ নিয়ে শিশুমৃত্যু থামছেই না। প্রায় প্রতিদিনই মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। গতকাল সোমবার মারা গেছে আরও এক শিশু। এ নিয়ে ২৫ শিশুর মৃত্যু হলো। ২৪ ঘণ্টায় নতুন আরও ১৯ শিশু ভর্তি হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৯ শিশু।</p><p>মারা যাওয়া ৭ মাস বয়সী শিশু রাবিয়া টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার টেকিপাড়া গ্রামের আবদুর রহিমের মেয়ে। গতকাল সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শিশুটি হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে মারা যায়। এর আগে ৩০ এপ্রিল শিশুটিকে হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি করা হয়েছিল। হামের লক্ষণের পাশাপাশি নিউমোনিয়া ও হার্ট ফেইল হওয়ার কারণে শিশুটির মৃত্যু হয়, এমনটি লেখা হয় মৃত্যুসনদে।</p><p>হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গতকাল সোমবার সকাল ৮টা থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে হামের লক্ষণ নিয়ে নতুন করে ১৯ শিশু ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছে। গত ১৭ মার্চ থেকে আজ সকাল পর্যন্ত হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ৮৮টি শিশু। এর মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৪ শিশু। মৃত্যু হয়েছে ২৫ শিশুর। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ৭৯ শিশু। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে আরও ২১টি শিশু। এ সময়ে কোনো শিশুকে রেফার করা হয়নি।</p><p>ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ মাইনউদ্দিন খান বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে নতুন ১৯ শিশু হামের লক্ষণ নিয়ে ভর্তি হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>অযত্নের কচুরিপানায় নারীদের ভাগ্যবদল, পণ্য যাচ্ছে ৮২ দেশে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/348qdhbgzb</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/348qdhbgzb#comments</comments><guid isPermaLink="false">a140b2ed-3a97-4fc0-8d6a-056fd3e1456a</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:12:05 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:12:05.580Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আজাদ রহমান	</atom:name><atom:uri>/api/author/1409330</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ অযত্নের কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশবান্ধব পণ্য। ঘরে বসে অবসরে তৈরি এসব পণ্য রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ৮২টি দেশে, যা বদলে দিচ্ছে গ্রামীণ নারীদের ভাগ্য।]]></description><media:keywords>ঝিনাইদহ সদর,শিল্প,হস্তশিল্প,রপ্তানি,নারী,ঝিনাইদহ,খুলনা বিভাগ,কোটচাঁদপুর</media:keywords><media:content height="1363" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/8f6uw1wh/JhenaidahDH057420260502Azad-08.jpg" width="2000"><media:title type="html"><![CDATA[ কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ট্রে, পাপস, বাস্কেট। গ্রামের নারীরা বাড়িতে বসে এগুলো তৈরি করছেন। গত বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের তালসার গ্রামে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/8f6uw1wh/JhenaidahDH057420260502Azad-08.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>খাল-বিলের যে কচুরিপানাকে একসময় অযত্নের আগাছা মনে করা হতো, তা দিয়েই এখন তৈরি হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন নানা গৃহস্থালি পণ্য। ঝিনাইদহের গ্রামগঞ্জের শত শত নারী সংসারের কাজের ফাঁকে কচুরিপানা, ধানের খড় ও খেজুরপাতা দিয়ে তৈরি করছেন পাপোশ, ট্রে ও বাস্কেট। গ্রামীণ নারীদের হাতের ছোঁয়ায় তৈরি এসব পরিবেশবান্ধব পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে বিশ্বের ৮২টি দেশে; শোভা পাচ্ছে ভিনদেশি অভিজাত পরিবারের রান্নাঘর ও বসার ঘরে। ঘরে বসে অবসরে কাজ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন প্রায় ৮০০ নারী।</p><p>নারীদের দিয়ে পণ্য তৈরির কাজটি করছে ‘বিডি ক্রিয়েশন’ নামে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বলছেন, মূলত ফেলে দেওয়া তিনটি প্রাকৃতিক উপাদান—খেজুরের পাতা, ধানের খড় ও কচুরিপানা দিয়ে তাঁরা পণ্য তৈরি করেন। খেজুরপাতা ও ধানের খড় অন্য কাজে কিছুটা ব্যবহার হলেও কচুরিপানা ফেলে দেওয়া ছাড়া আগে কোনো উপায় ছিল না। নদী-নালা, পুকুর-জলাশয় থেকে শ্রমিক খাটিয়ে এগুলো পরিষ্কার করতে হতো। সেই আগাছাই এখন সম্পদে পরিণত হয়েছে।</p><p>বিডি ক্রিয়েশনের ঝিনাইদহ অঞ্চলের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) আবদুল হামিদ জানান, বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় এই কাজ শুরু হলেও ঝিনাইদহে তিনিই প্রথম উদ্যোগ নেন। শুরুতে নিজ উদ্যোগে কিছু নারীকে দিয়ে কাজ শুরু করালেও পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে ২০১৮ সালের পর বিডি ক্রিয়েশন তাঁদের পাশে দাঁড়ায়। বর্তমানে জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার, কাশিমা; সদর উপজেলার কালুহাটি, কামারকুন্ডু এবং কোটচাঁদপুর উপজেলার বলাবাড়িয়া, সলেমানপুর, বলুহর, হরিণদীয়া ও মামুনশিয়া এলাকার ৮০০ নারী ৪০টি দলে বিভক্ত হয়ে নিজ বাড়িতে বসে কাজ করছেন।</p><p>কাজের প্রসারের কারণে বর্তমানে ৪০ টাকা কেজি দরে তাঁদের শুকনো কচুরিপানা কিনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবদুল হামিদ। স্থানীয় লোকজন নদী থেকে কচুরিপানা তুলে শুকিয়ে তাঁদের কাছে বিক্রি করছেন। একইভাবে ধানের খড় ও খেজুরপাতাও সংগ্রহ করা হয়। শুকানোর পর এগুলো নারীদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়। পণ্য তৈরির পর গাড়ি দিয়ে সংগ্রহ করে প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়। এরপর ক্রেতাদের পছন্দমতো ফিনিশিংয়ের কাজ শেষে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/4y0na21t/JhenaidahDH057420260502Azad-02.jpg" /><figcaption>বাড়িতে বসে কচুরিপানা দিয়ে পাপস তৈরি করছেন এক নারী। বৃহস্পতিবার ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুরের তালসার গ্রামে</figcaption></figure><p>নারীদের দিয়ে পণ্য তৈরির কাজে যুক্ত বলুহর গ্রামের রিপন মিয়া বলেন, তাঁরা প্রথমে নারীদের প্রশিক্ষণ দেন। এরপর বাড়িতে কাঁচামাল দিয়ে আসেন। বাড়তি কোনো নিয়মনীতির প্রয়োজন পড়ে না। কাজ শেষে তৈরি করা পণ্য তাঁরা সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন।</p><p>সরেজমিনে জেলার তালসার গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিভিন্ন বাড়ির বারান্দায় বসে কাজ করছেন নারীরা। বাড়ির উঠানে রোদে শুকানো হচ্ছে কচুরিপানা। গ্রামের নিখিল দাসের স্ত্রী শম্পা দেবী কচুরিপানা দিয়ে পাপোশ বুনছেন। তাঁর স্বামী পেশায় ভ্যানচালক। টিনের চালাঘর ছাড়া সহায়সম্বল কিছু নেই। একমাত্র মেয়ে বীথিকা দাসকে বিয়ে দিয়েছেন, ছেলে চণ্ডী দাস নবম শ্রেণিতে পড়ে। আগে অভাব-অনটনে সংসার চললেও এক বছর ধরে কচুরিপানার পণ্য তৈরি করে তাঁর ভাগ্য ফিরেছে। কখনো পাপোশ, কখনো ট্রে আবার কখনো বাস্কেট তৈরি করেন তিনি।</p><p>শম্পা দেবী প্রথম আলোকে বলেন, সংসারের অন্য সব কাজ করে অবসর সময়ে এই কাজ করেন। দিনে ১২ থেকে ১৫টি পণ্য তৈরি করতে পারেন। প্রতিটির জন্য ২০ টাকা করে পান। গড়ে মাসে তিন হাজার টাকা আয় হয়, যা সংসারে খরচ করেন। এখন সংসারে আগের মতো অভাব নেই। কোম্পানির লোকজন কাঁচামাল দিয়ে যান, পণ্য তৈরি হলে আবার তারাই নিয়ে যান। তাঁদের শুধু তৈরি করে দিতে হয়।</p><p>শম্পার মতো পিংকী দেবীও কচুরিপানা দিয়ে ট্রে তৈরি করেন। আর শিল্পী দাস তৈরি করছেন বাস্কেট। শিল্পী দাসের স্বামী সাধন দাস পেশায় নরসুন্দর। তাঁর সামান্য আয়ে পাঁচজনের সংসার চালানো বেশ কঠিন ছিল। এখন বাড়িতে বসে অবসর সময়ে কাজ করে তিনিও স্বামীকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করছেন। এতে অভাব যেমন ঘুচেছে, তেমনি পরিবারে সুখ-শান্তি ফিরেছে।</p><p>এজিএম আবদুল হামিদ প্রথম আলোকে বলেন, ফেলনা কাঁচামাল দিয়ে অনেক ধরনের শৌখিন পণ্য তৈরি হয়। তবে ঝিনাইদহে ট্রে, প্রসাধনী বাস্কেট ও পাপস—এই তিনটি পণ্য বেশি তৈরি হচ্ছে। বর্তমানে প্রতি মাসে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার পিস পণ্য বিশ্বের ৮২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। তাঁরা এটাকে শিল্প হিসেবে দেখছেন, যার সঙ্গে গ্রামের দরিদ্র পরিবারের নারীরা জড়িত। কাজের প্রসার বাড়াতে তাঁরা সদর উপজেলার নৈহাটী গ্রামে একটি কারখানা তৈরি করছেন।</p><p>বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক সেলিনা রহমান প্রথম আলোকে বলেন, এসব ক্ষুদ্র শিল্পগুলো তাঁদের কার্যক্রম বাড়াতে বিসিকের সহযোগিতা নিতে পারেন। তারা যোগাযোগ করলে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মেট গালায় ভারতীয়দের মধ্যে ইশা আম্বানির পোশাকটিই কি বেশি দামী?</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/zt8t9l8k8u</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/zt8t9l8k8u#comments</comments><guid isPermaLink="false">1334984c-ad82-4a5f-bd91-9d5662bf20aa</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:08:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:08:52.726Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়া মুনতাসীর</atom:name><atom:uri>/api/author/1421694</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সাজ,তারকা সাজ,মেট গালা ২০২৬,পোশাক</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/45qq5ddv/WhatsApp-Image-2026-05-05-at-11.46.11-AM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ ভারতীয় তারকাদের পোশাকে দেখা যাচ্ছে নানা ধরনের শিল্পকর্ম]]></media:title><media:description type="html"><![CDATA[ মেট গালা ২০২৬]]></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/45qq5ddv/WhatsApp-Image-2026-05-05-at-11.46.11-AM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>স্টাইল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রতিবছরের মতো এবারও মে মাসের প্রথম সোমবার নিউইয়র্কের মিউজিয়াম অব আর্টে শুরু হয়ে গেছে মেট গালার আসর। বাংলাদেশ সময় সকাল ৬টা থেকে সেটার একটা ভালো ঝলকও দেখা সামাজিক মাধ্যমগুলোতে। এবারের মেট গালার থিম ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’। অর্থাৎ তারকাদের পোশাকে থাকতে হবে শিল্পকর্ম। হিউম্যান ফর্ম থেকে শুরু করে বোল্ড সিলুয়েট, যেকোনো ধরনের কাজ উঠে আসতে পারে তারকাদের সাজ পোশাকে। এ বছর এই ফ্যাশন আয়োজনের মঞ্চে দেখা গেছে ভারতীয় তারকাদেরও। নিউইয়র্ক সিটির মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে তুলে ধরেছেন ভারতীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ছোঁয়া। করণ জোহর থেকে অনন্যা বিড়লা মেট গালা ২০২৬-এ উপস্থিত ভারতীয়দের ডিজাইনার সাজ তুলে ধরা হলো এখানে। </p><h3>করণ জোহর

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bon4twic/Manish_Malhotra_walks_the__MetGala_red_carpet_alongside_Karan_Johar___karanjohar__and_Sudha_Redd__3_.jpg" /><figcaption>বলিউড পরিচালক করণ জোহর প্রথমবার অংশ নেন</figcaption></figure><p>মেট গালা ২০২৬-এ বলিউড পরিচালক করণ জোহর প্রথমবার অংশ নেন। তিনি পরেছিলেন মণীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা একটি বিশেষ পোশাক, যা চিত্রশিল্পী রাজা রবি বর্মার কাজ থেকে অনুপ্রাণিত। </p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/8xplkjrw/_ELLEFashion__Making_his_Met_Gala_debut__Karan_Johar_arrives_with_a_vision_rooted_in_art_history.jpg" /><figcaption>পোশাকটি চিত্রশিল্পী রাজা রবি বর্মার কাজ থেকে অনুপ্রাণিত</figcaption></figure><p>করণ জোহর ইনস্টাগ্রামে নিজের সাজটি নিয়ে লিখেছেন, “রাজা রবি বর্মার কাজ আমার খুব প্রিয়, কারণ তিনি ছবিতে যেমন অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতেন, আমিও সিনেমায় সেটাই করতে চাই।” এই পোশাকে ছিল হাতে আঁকা নকশা, জারদৌজি কাজ, পদ্ম, রাজহাঁস ও স্তম্ভের ডিজাইন। পুরো পোশাকটি ৮৬ দিনে ৫ হাজার ৬০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তৈরি করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/nnrngrjuu0">মেট গালায় নিজের নামের সিনেমায় হাজির সাবরিনা কার্পেন্টার</a></aside><h3>অনন্যা বীরলা

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/necmcq4k/ELLEFashion-Ananya-Birla-makes-her-Met-Gala-debut-in-custom-Robert-Wun.-A-sculpted-blazer-with-3.jpg" /><figcaption>কালো কতুর পোশাকে দেখা যায় অনন্যা বীরলাকে</figcaption></figure><p>লাল গালিচায় প্রবেশের সময় উদ্যোক্তা অনন্যা বীরলা<strong> </strong>নজর কেড়ে নেন তাঁর নিরীক্ষাধর্মী লুকের কারণে। রবার্ট উনের ডিজাইন করা স্ট্রাকচার্ড কালো কতুর পোশাকে দেখা যায় তাঁকে।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/4lhtjaxs/ELLEFashion-Ananya-Birla-makes-her-Met-Gala-debut-in-custom-Robert-Wun.-A-sculpted-blazer-with-2.jpg" /><figcaption>অনন্যার স্টাইলিং করেছেন রিয়া কাপুর</figcaption></figure><p>স্টাইলিং করেছেন রিয়া কাপুর। তাঁর পোশাকের মূল আকর্ষণ ছিল শিল্পী সুবোধ গুপ্তের তৈরি ধাতব মুখোশ।</p><h3>গৌরবী কুমারী ও সাওয়াই পদ্মনাভ সিংহ

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/2krwd4a9/ELLEFashion-Maharaja-Sawai-Padmanabh-Singh-and-Princess-Gauravi-Kumari-wore-Prabal-Gurung-to-M-1.jpg" /><figcaption>গৌরবী কুমারী ও সাওয়াই পদ্মনাভ সিংহ</figcaption></figure><p>জয়পুরের রাজপরিবারকেও লাল গালিচায় দেখা যায়। </p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/qhvcu3n5/_Exclusive__For_the__MetGala_2026__Princess_Gauravi_Kumari___gauravikumari__and_Sawai_Padmanabh___1_.jpg" /><figcaption>হালকা গোলাপি রং বেছে নেন এই আয়োজনে</figcaption></figure><p>গৌরবী কুমারী তাঁর দাদি গায়ত্রী দেবীর ভিনটেজ শিফন শাড়ি বেছে নেন। তবে সেটিকে রূপ দেন ফ্লুইড গাউনে। </p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/cylf6av1/_Exclusive__For_the__MetGala_2026__Princess_Gauravi_Kumari___gauravikumari__and_Sawai_Padmanabh___2_.jpg" /><figcaption>গলায় ছিল হীরার মালা</figcaption></figure><p>অন্যদিকে সাওয়াই পদ্মনাভ সিংহ পরেছিলেন ঐতিহ্যবাহী সিলুয়েটের ওপর ভেলভেট কোট।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/ergpa35orr">মেট গালায় ১০ বছর পর বিয়ন্সে ফিরলেন ‘রানি’ হয়ে</a></aside><h3>সুধা রেড্ডি

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/96zkf8xk/Manish-Malhotra-walks-the-MetGala-red-carpet-alongside-Karan-Johar-karanjohar-and-Sudha-Redd-5.jpg" /><figcaption>ভারতীয় বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী সুধা রেড্ডি</figcaption></figure><p>নিউইয়র্কে ৫ মে অনুষ্ঠিত মেট গালা ২০২৬-এ ভারতীয় বিলিয়নিয়ার সমাজসেবী সুধা রেড্ডি লাল গালিচায় হাজির হন মণীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা পোশাকে। এই পোশাকে তিনি ভারতীয় বস্ত্রশিল্পের ঐতিহ্য তুলে ধরেন। ‘ট্রি অব লাইফ’ নামের এই পোশাকটি দক্ষিণ ভারতের ঐতিহ্যবাহী কলমকারি শিল্প থেকে অনুপ্রাণিত। এটি তৈরি করতে ৯০ জনের বেশি কারিগরের ৩ হাজার ৪৫৯ ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে। </p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/a64bsoqr/Manish-Malhotra-walks-the-MetGala-red-carpet-alongside-Karan-Johar-karanjohar-and-Sudha-Redd-4.jpg" /><figcaption>সুধা রেড্ডি নিজের সংগ্রহের গয়না পরেন</figcaption></figure><p>পোশাকটির মূল নকশা ছিল ‘ট্রি অব লাইফ’ বা জীবনের বৃক্ষ—যা বৃদ্ধি ও সম্পর্কের প্রতীক। এতে তেলেঙ্গানার কিছু প্রতীকও ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন পাখি, গাছ, ফুল, পাশাপাশি সূর্য ও চাঁদের নকশা। গাঢ় নীল রঙের এই পোশাকে ভেলভেট, সিল্ক ও টুল কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। সোনালি সূচিকর্ম এবং লম্বা ট্রেইন ও স্বচ্ছ কেপের পেছনে একটি ধাতব নকশাও যুক্ত ছিল। সুধা রেড্ডি নিজের সংগ্রহের গয়না পরেন, যার মধ্যে ছিল বড় টানজানাইট পাথরের নেকলেস ও ডায়মন্ড আংটি। তাঁর সাজ ছিল খুবই সহজ—হালকা মেকআপ ও সাধারণ চুলের স্টাইল।</p><h3>মণীশ মালহোত্রা

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1yu0w7jj/ELLEFashion-The-Met-Gala-2026-continues-to-spotlight-craft-at-its-most-personal-and-Manish-Mal-1.jpg" /><figcaption>২০২৬-এর লাল গালিচায় মণীশ মালহোত্রা যেন ভারতীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে তুলে ধরলেন</figcaption></figure><p>শুধু তারকাদের জন্য পোশাক তৈরি করাই নয়, এই ডিজাইনার নিজেও নিজের নকশা করা পোশাক পরে এই আয়োজনে জাঁকজমকপূর্ণভাবেই উপস্থিত হন। মেট গালা ২০২৬-এর লাল গালিচায় মণীশ মালহোত্রা যেন ভারতীয় কারুশিল্পকে নতুনভাবে তুলে ধরলেন। তাঁর পরনে ছিল দৃষ্টিনন্দন একটি বন্ধগলা ও সূচিকর্ম করা কেপ, যেখানে ছিল তাঁর কারিগরদের নাম ও স্বাক্ষর।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/dlyytg53/ELLEFashion-The-Met-Gala-2026-continues-to-spotlight-craft-at-its-most-personal-and-Manish-Mal.jpg" /><figcaption>মণীশ মালহোত্রার পুরো লুকটি যেন মুম্বাই, স্মৃতি আর সম্মিলিত শিল্পচর্চার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা।</figcaption></figure><p>টানা দ্বিতীয়বার মেট গালায় অংশ নিয়ে তিনি এবার শুধু ফ্যাশনের ঝলকেই সীমাবদ্ধ থাকেননি; বরং যাঁদের হাতে কতুরের আসল কাজটি তৈরি হয়, সেই অদৃশ্য কারিগরদের সামনে নিয়ে এসেছেন। তাঁর পুরো লুকটি যেন মুম্বাই, স্মৃতি আর সম্মিলিত শিল্পচর্চার প্রতি এক গভীর শ্রদ্ধা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/5y17x8pfsp">১০ বছর পর মেট গালায় ফিরছেন বিয়ন্সে, সঙ্গে থাকছে কী?</a></aside><h3>ইশা আম্বানি

</h3><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/djq5f5e7/ELLEFashion-The-Met-Gala-2026-is-in-full-swing-—-and-Isha-Ambani-makes-a-case-for-the-saree-as-2.jpg" /><figcaption>৫০ জনের বেশি কারিগর ১ হাজার ২০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তৈরি করেছেন ইশার পোশাকটি</figcaption></figure><p>ভারতীয় ব্যবসায়ী ইশা আম্বানি লাল গালিচায় হাজির হন গৌরব গুপ্তার ডিজাইন করা শাড়ি এবং ভাস্কর্যের আদলে তৈরি করা কেপ পরে। যেটা কারিগররা খাঁটি সোনার সুতো দিয়ে বুনেছেন। স্টাইলিং করেছেন অনাইতা শ্রফ আদাজানিয়া। শাড়িটিতে প্রাচীন ভারতীয় ফ্রেস্কো চিত্রের প্রভাব দেখা যায়। পাড়জুড়ে ছিল হাতে আঁকা পিচওয়াই অনুপ্রাণিত নকশা। এই শাড়িতে আরও যোগ হয়েছে—জারদৌজি, আরি কাজ ও রিলিফ এমব্রয়ডারির মিশেল। ৫০ জনের বেশি কারিগর ১ হাজার ২০০ ঘণ্টার বেশি সময় ধরে তৈরি করেছেন। ব্লাউজে পরিবারের হীরার সংগ্রহকে কতুরে রূপ দেওয়া হয়েছে। নীতা আম্বানির ব্যক্তিগত সংগ্রহ থেকে নেওয়া ২০০টিরও বেশি পুরোনো কাটের হীরা হাতে সেলাই করে বসানো হয়েছে এই বডিস বা ব্লাউজে।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/xca6h9cq/For-the-MetGala-Isha-Mukesh-Ambani-opts-for-a-custom-made-Gaurav-Gupta-gauravguptaofficial-.jpg" /><figcaption>শিল্পী সৌরভ গুপ্ত ১৫০ ঘণ্টার বেশি সময় নিয়ে কাগজ, তামা ও পিতল দিয়ে প্রতিটি জুঁই কুঁড়ি আলাদাভাবে গড়েছেন</figcaption></figure><p>গলায় ছিল দুটি স্তরের হীরার নেকলেস, যার মোট ওজন ২৫০ ক্যারেটের বেশি। হাতে ছিল হাতফুল আর কোমরে হীরার কোমরবন্ধ—যা শাড়ির ভাঁজ বরাবর নেমে এসেছে।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/2u7vipgu/ELLEFashion-The-Met-Gala-2026-is-in-full-swing-—-and-Isha-Ambani-makes-a-case-for-the-saree-as-3.jpg" /><figcaption>হাতে রাখা সুবোধ গুপ্তের তৈরি আমের ভাস্কর্যটি যেন বিশেষভাবে নজড় কাড়ছিল</figcaption></figure><p>লুকটি সম্পূর্ণ করতে অনাইতা শ্রফ আদাজানিয়া ব্যবহার করেছেন জুঁই ফুলের অনুপ্রাণিত একটি হেয়ার স্কাল্পচার, যা মোগরা ও গাজরার ধাঁচে তৈরি। ব্রুকলিনভিত্তিক শিল্পী সৌরভ গুপ্ত ১৫০ ঘণ্টার বেশি সময় নিয়ে কাগজ, তামা ও পিতল দিয়ে প্রতিটি জুঁই কুঁড়ি আলাদাভাবে গড়েছেন, পরে ভারতীয় রঙে রাঙিয়েছেন। হাতে রাখা সুবোধ গুপ্তের তৈরি আমের ভাস্কর্যটি যেন বিশেষভাবে নজড় কাড়ছিল।</p><h3>নাতাশা পুনাওয়ালা

</h3><p>মেট গালায় লাল গালিচায় ভারতীয় সমাজসেবী ও ব্যবসায়ী নাতাশা পুনাওয়ালা হাজির হন এক ভিন্নধর্মী লুকে। ব্রিটিশ ভিজ্যুয়াল শিল্পী মার্ক কুইনের তৈরি ‘অর্কিড পেক্টোরাল’ নামের ভাস্কর্যধর্মী আর্ট পিসটি পরেছিলেন বুকজুড়ে। এর সঙ্গে ছিল ডলচে অ্যান্ড গাব্বানার সাদা কতুর গাউন।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ub7n40kp/ELLEFashion-Natasha-Poonawalla-delivers-one-of-the-most-arresting-moments-at-the-Met-Gala-202.heic" /><figcaption>সাদা হালকা রেজিন দিয়ে তৈরি অর্কিডটি সামনে–পেছনে ছড়িয়ে গিয়ে যেন এক ধরনের বর্মের অনুভূতি দিচ্ছিল</figcaption></figure><p>নাতাশা ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “মার্ক কুইনের স্টুডিওতে প্রথম গেলে তাঁর কাজের বিশালতা আমাকে আকর্ষণ করে। তখনই মনে হয়েছিল—এমন কিছু কি পোশাক হিসেবে পরা যায় না?” সাদা হালকা রেজিন দিয়ে তৈরি অর্কিডটি সামনে–পেছনে ছড়িয়ে গিয়ে যেন এক ধরনের বর্মের অনুভূতি দিচ্ছিল।</p><figure><img alt="মেট গালা ২০২৬" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/kavx74l9/ELLEFashion-Natasha-Poonawalla-delivers-one-of-the-most-arresting-moments-at-the-Met-Gala-202-1.heic" /><figcaption>নাতাশার চুল ছিল উঁচু করে বাঁধা, পাফ বান স্টাইলে</figcaption></figure><p>গাউনের কোমলতা পুরো লুকে এনে দেয় ভারসাম্য। হালকা কাপড়ের গাউনটি পেছনে লম্বা হয়ে নেমে এসেছে স্বচ্ছন্দভাবে। সঙ্গে ছিল বড় হীরার দুল ও আউটহাউস জুয়েলারির একটি ক্রিস্টাল আংটি। মেকআপ ছিল স্বাভাবিক ন্যুড, চোখে হালকা বাদামি শেড। চুল উঁচু করে বাঁধা ছিল পাফ বান স্টাইল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/pjghf049fr">মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারে তারকাদের  ব্লাউজের নকশায় ছিল নতুনত্ব</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>৬৫ ফুট লম্বা দানবাকার অক্টোপাস</title><link>https://www.bigganchinta.com/biology/gyipw7z904</link><comments>https://www.bigganchinta.com/biology/gyipw7z904#comments</comments><guid isPermaLink="false">a47f68bc-a7a6-4173-9743-2fc28763fd5f</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,জীববিজ্ঞান আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,জীববিজ্ঞান বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="1856" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/py7i9ipm/Octopuse.png" width="2464"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/py7i9ipm/Octopuse.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>biology</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পৌরাণিক গল্পে একসময় একটি ভয়ংকর সামুদ্রিক দানবের কথা খুব শোনা যেত। দানবটার নাম ক্র্যাকেন। বলা হতো, ক্র্যাকেনের বিশাল বিশাল শুঁড় দিয়ে নাকি আস্ত একটা জাহাজকে পেঁচিয়ে সাগরের অতলে ডুবিয়ে দিতে পারত! গল্পটা শুনলে গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, এই ক্র্যাকেন শুধু পৌরাণিক বা রূপকথার গল্প নয়। আজ থেকে প্রায় ১০ কোটি বছর আগে আমাদের এই পৃথিবীর বুকেই সত্যি সত্যি এমন বিশাল আর ভয়ংকর সব অক্টোপাস ঘুরে বেড়াত!</p><p>ডাইনোসররা যখন দাপিয়ে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর স্থলভাগে, তখন ক্রেটাসিয়াস যুগে সাগরের অতলে রাজত্ব করত এই অতিকায় অক্টোপাসেরা। সম্প্রতি বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী <em>সায়েন্স</em>-এ প্রকাশিত একটি গবেষণা থেকে এই চমকপ্রদ তথ্য জানা গেছে। জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীবাশ্মবিদ ইয়াসুহিরো ইবা এবং তাঁর দল এই গবেষণাটি করেছেন। তাঁদের মতে, পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন এই অক্টোপাসগুলো লম্বায় প্রায় ৬৫ ফুট পর্যন্ত হতো! ৬৫ ফুট মানে বুঝতে পারছেন? প্রায় ছয় তলা একটা ভবনের সমান! ওই সময়ে সাগরে ঘুরে বেড়ানো বিশাল সব সামুদ্রিক সরীসৃপদের চেয়েও এরা আকারে বড় ছিল। বলা যায়, এরা ছিল সাগরের খাদ্যশৃঙ্খলের একদম চূড়ায় থাকা শিকারি।</p><p>এখন আপনার মনে একটা খটকা লাগতে পারে। অক্টোপাসের শরীরে তো কোনো হাড়গোড় থাকে না, পুরোটাই নরম মাংসে তৈরি। হাড় না থাকলে কোটি কোটি বছর পর মাটির নিচে এদের জীবাশ্ম বা ফসিল তৈরি হবে কীভাবে? বিজ্ঞানীরা এদের খুঁজেই বা পেলেন কোথা থেকে?</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/yhcfo13r2o">অক্টোপাস রং বদলায় কীভাবে</a></aside><blockquote>জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ের সামুদ্রিক জীবাশ্মবিদ ইয়াসুহিরো ইবা এবং তাঁর দলের মতে, পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন এই অক্টোপাসগুলো লম্বায় প্রায় ৬৫ ফুট পর্যন্ত হতো!</blockquote><p>এর উত্তর লুকিয়ে আছে অক্টোপাসের মুখে! আধুনিক অক্টোপাসদের মতোই প্রাচীনকালের সেই বিশাল অক্টোপাসগুলোরও মুখের ভেতর পাখির ঠোঁটের মতো খুব শক্ত ও ধারালো দুটি চোয়াল ছিল। এই চোয়াল দিয়েই তারা শিকারকে টুকরো টুকরো করে খেত। শরীরের নরম অংশগুলো পচে নষ্ট হয়ে গেলেও, সাগরের শান্ত তলদেশে এই শক্ত চোয়ালগুলো চমৎকার জীবাশ্ম হিসেবে কোটি কোটি বছর ধরে সংরক্ষিত ছিল।</p><p>বিজ্ঞানীরা জাপান এবং কানাডার ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপ থেকে পাওয়া এই চোয়ালের জীবাশ্মগুলো পরীক্ষা করেছেন। এই অক্টোপাসগুলো সিরাটা নামে একটি উপগোষ্ঠীর সদস্য, যাদের বংশধরেরা এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছে। বিজ্ঞানীরা ‘হাই-রেজ্যুলেশন গ্রাইন্ডিং টোমোগ্রাফি’ নামে একটি আধুনিক স্ক্যানিং প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে এই প্রাণীগুলোর শারীরিক কাঠামোর একটি নকশা তৈরি করেন। এই নকশা থেকেই বেরিয়ে আসে অবাক করা সব তথ্য!</p><p>এই আবিষ্কারের ফলে বিশাল আকারের ডানাযুক্ত অক্টোপাসদের পৃথিবীতে আসার ইতিহাস আরও প্রায় দেড় কোটি বছর পিছিয়ে গেছে। সামগ্রিকভাবে অক্টোপাসদের ইতিহাস পিছিয়েছে প্রায় ৫০ লাখ বছর। অর্থাৎ, আজ থেকে প্রায় ১০ কোটি বছর আগেই তারা পৃথিবীতে নিজেদের শক্ত অবস্থান তৈরি করে নিয়েছিল।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/feature/আটপেয়ে-অক্টোপাস">আটপেয়ে অক্টোপাস</a></aside><blockquote>বিজ্ঞানীরা জাপান এবং কানাডার ভ্যাঙ্কুভার দ্বীপ থেকে পাওয়া এই চোয়ালের জীবাশ্মগুলো পরীক্ষা করেছেন। এই অক্টোপাসগুলো সিরাটা নামে একটি উপগোষ্ঠীর সদস্য।</blockquote><p>তবে শুধু বিশাল আকারই নয়, এই প্রাচীন ক্র্যাকেনরা ছিল দারুণ বুদ্ধিমান! বিজ্ঞানীরা এদের চোয়াল পরীক্ষা করে দেখেছেন, চোয়ালের এক পাশ অন্য পাশের চেয়ে বেশি ক্ষয়প্রাপ্ত। মানে, তারা শিকার ধরার সময় চোয়ালের একটি নির্দিষ্ট পাশ বেশি ব্যবহার করত। বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলে ল্যাটারলাইজেশন। যেসব প্রাণীর মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্র খুব বেশি উন্নত, শুধু তাদের মধ্যেই এই বিশেষ আচরণ দেখা যায়। অর্থাৎ, সেই প্রাচীনকালেও অক্টোপাসেরা ছিল অসম্ভব চালাক!</p><p>এই বিশাল অক্টোপাসেরা যে খুব শান্তশিষ্ট ছিল, তা কিন্তু নয়। তাদের চোয়ালের অতিরিক্ত ক্ষয় দেখে বোঝা যায়, তারা খুব আক্রমণাত্মকভাবে শিকার করত। এমনকি শিকারের সঙ্গে তুমুল লড়াই করতে গিয়ে অনেক পূর্ণবয়স্ক অক্টোপাসের চোয়ালের সামনের দিকের প্রায় ১০ শতাংশ ভেঙেও গিয়েছিল!</p><p>এত দিন বিজ্ঞানীদের একটি পুরোনো ধারণা ছিল, সাগরের সবচেয়ে ভয়ংকর শিকারি হতে হলে প্রাণীদের মেরুদণ্ড থাকাটা খুব জরুরি। কিন্তু এই অতিকায় প্রাচীন অক্টোপাসেরা প্রমাণ করে দিয়েছে, সাগরের বুকে ত্রাস ছড়ানোর জন্য মেরুদণ্ড থাকার কোনো দরকার নেই; শুধু বিশাল আকার, ধারালো চোয়াল এবং প্রখর বুদ্ধি থাকলেই চলে!</p><h4>সূত্র: সায়েন্স ডটকম ও পপুলার সায়েন্স</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/biology/59mc69ieh7">অক্টোপাসের রক্ত কেন নীল </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মাথায় জাহাজ আর সাত সহকারী নিয়ে চমকে দিলেন ম্যাডোনা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/pqrghjj90z</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/pqrghjj90z#comments</comments><guid isPermaLink="false">c50968a0-6629-4699-a7d1-3deb7cef2e02</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  ম্যাডেনা মানেই চমক। এই ৬৭ বছর বয়সে এসেও তাঁর উপস্থিতি মানেই নতুন কিছু। ব্যতিক্রম হলো না এবারের মেট গালাও।]]></description><media:keywords>মেট গালা,মেট গালা ২০২৬,ম্যাডোনা</media:keywords><media:content height="3779" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ohxz72ll/616437-01-02.jpg" width="5717"><media:title type="html"><![CDATA[ মেট গালায় ম্যাডোনা। এএফপি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ohxz72ll/616437-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>হলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ম্যাডেনা মানেই চমক। এই ৬৭ বছর বয়সে এসেও তাঁর উপস্থিতি মানেই নতুন কিছু। ব্যতিক্রম হলো না এবারের মেট গালাও। পিপল ডটকম অবলম্বনে ছবিতে ছবিতে জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত—</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9x6tmaoo/616968_01_02.jpg" /><figcaption>মেট গালায় এবার আলোচনার কেন্দ্রে ম্যাডোনা। তবে এ বছরের উপস্থিতি শুধু পোশাকের জন্য নয়; বরং একেবারে শিল্পনির্ভর উপস্থাপনার জন্য আলাদা করে নজর কাড়ে। মেট গালায় এবারের থিম ‘কস্টিউম আর্ট’ আর ম্যাডোনা সেই ধারণাকে আক্ষরিক অর্থেই জীবন্ত করে তুলেছেন। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/krheeycp/615739_01_02.jpg" /><figcaption>ম্যাডোনার পুরো লুক অনুপ্রাণিত লিওনোরা ক্যারিংটনের চিত্রকর্ম থেকে। চিত্রকর্মে যেমন এক নারীর মাথায় অদ্ভুত গঠন, সঙ্গে বড় কাপড় বহন করছে কয়েকজন, ঠিক তেমনই বাস্তব রূপ দেখা যায় ম্যাডোনার উপস্থিতিতে। এএফপি 
</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/g8vqzyxa/615680_01_02.jpg" /><figcaption>কালো পোশাকে হাজির হন ম্যাডোনা। এই লুকের সবচেয়ে আলোচিত দিক ছিল তাঁর টপ হ্যাটের ওপরে বসানো একটি ছোট জাহাজ। এর সঙ্গে ছিল একটি হর্ন, যা তিনি হাতে ধরে ছিলেন। এই উপাদানগুলো সরাসরি চিত্রকর্মের প্রতিফলন। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/5g9kec92/615678_01_02.jpg" /><figcaption>ম্যাডোনার পোশাকের সঙ্গে যুক্ত ছিল একটি বিশাল, ধূসর রঙের স্বচ্ছ ওড়না। ওড়নাটি এত বড় ছিল যে সেটি বহন করতে হয় সাতজন নারী সহকারীকে। সহকারীরা আলাদা আলাদা রঙের প্যাস্টেল পোশাক পরেছিলেন। প্রত্যেকের চোখে ছিল স্বচ্ছ অলংকার। পুরো দৃশ্য একসঙ্গে মিলে যেন একটি জীবন্ত শিল্পকর্ম হয়ে ওঠে। এএফপি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/zhefa6c4/615682_01_02.jpg" /><figcaption>এ উপস্থাপনায় শুধু ফ্যাশন নয়, একটি ভাবনাও রয়েছে। ম্যাডোনা এখানে নিজেকে এমন একজন শিল্পী হিসেবে তুলে ধরেছেন, যিনি প্রচলিত নিয়মের বাইরে গিয়ে কাজ করেন। তাঁর পোশাক, প্রপস, এমনকি সহকারীদের উপস্থিতিও সেই স্বাধীন শিল্পচর্চার প্রতীক। এএফপি 
</figcaption></figure><aside><a href="https://www.haal.fashion/celeb/look/r6d7a7msp8">হীরকখচিত ন্যুড 'কঙ্কাল' গাউনে এক দশক পর ফিরলেন মেট গালা কুইন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/qkmuxpfi/616437_01_02.jpg" /><figcaption> ১৯৯৭ সাল থেকে মেট গালায় নিয়মিত অংশ নিচ্ছেন ম্যাডোনা। প্রতিবারই তিনি নতুন কিছু করার চেষ্টা করেছেন। এএফপি </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>কেন বাংলাদেশে ইলেকট্রিক গাড়ির বিপ্লব প্রয়োজন</title><link>https://www.bondhushava.com/feature/qfh3xaxzjj</link><comments>https://www.bondhushava.com/feature/qfh3xaxzjj#comments</comments><guid isPermaLink="false">b451fb5d-423d-48f6-93e7-aa43fd4085d2</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 06:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T06:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সংখ্যাটা চমকে দেওয়ার মতো। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে মোট ২ কোটি ৭ লাখের বেশি ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি হয়েছে; যা নতুন গাড়ির বাজারের ২৫ শতাংশের বেশি। ]]></description><media:keywords>পরিবেশবান্ধব,পরিবহন,যানবাহন</media:keywords><media:content height="3667" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-07/319df8d0-3546-4ca4-b6b4-af701ce96d32/byd_reuters.jpg" width="5500"><media:title type="html"><![CDATA[ চীনে তৈরি বিওয়াইডি ইলেকট্রিক গাড়ি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-07/319df8d0-3546-4ca4-b6b4-af701ce96d32/byd_reuters.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কল্পনা করুন, ঢাকার রাস্তায় গাড়ির হর্ন আছে, যানজট আছে, কিন্তু ধোঁয়া নেই। জ্বালানির দাম নিয়ে দুশ্চিন্তা নেই। এটা কোনো উপন্যাসের দৃশ্য নয়; এটাই হতে পারে আগামীর বাস্তবতা, যদি বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও ইলেকট্রিক ভেহিকেল বা ইভির পথে হাঁটতে পারে।</p><p>জলবায়ু পরিবর্তন আজ আর কাগজে-কলমের বিষয় নয়। বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় প্রকৃতির রাগ এখন ঘরের দরজায়। পরিবহন খাত বিশ্বের মোট কার্বন নির্গমনের একটি বড় অংশের জন্য দায়ী। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে এক নীরব কিন্তু শক্তিশালী বিপ্লব, বৈদ্যুতিক যানবাহনের বিপ্লব।</p><p><strong>বিশ্বজুড়ে ইলেকট্রিক ভেহিকেল–ঝড়</strong><br>সংখ্যাটা চমকে দেওয়ার মতো। ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে মোট ২ কোটি ৭ লাখের বেশি ইলেকট্রিক গাড়ি বিক্রি হয়েছে; যা নতুন গাড়ির বাজারের ২৫ শতাংশের বেশি। মাত্র পাঁচ বছর আগে, ২০২০ সালে এই সংখ্যা ছিল মাত্র ৩০ লাখ। একটি প্রযুক্তি এত দ্রুত মানুষের জীবনে ঢুকে পড়েছে, ইতিহাসে এমন নজির কম।</p><p>এই বিপ্লবের নেতৃত্বে রয়েছে চীন। ২০২৪ সালে চীনে বিক্রি হওয়া প্রতি দুটি গাড়ির মধ্যে একটি ছিল বৈদ্যুতিক। সড়কে চলা প্রতি দশটি গাড়ির একটি এখন ইভি। ইউরোপেও ছবিটা বদলে যাচ্ছে দ্রুত। নরওয়েতে ২০২৪ সালে বিক্রি হওয়া প্রায় ৯০ শতাংশ গাড়িই ছিল ব্যাটারিচালিত, এটা রীতিমতো পৃথিবীর রেকর্ড। যুক্তরাজ্যে ২০২৫ সালে ইভির বাজার দখল ছিল ২৩ শতাংশের বেশি।</p><p><strong>ইলেকট্রিক ভেহিকেল কেন এত জনপ্রিয়?</strong><br>কারণ তিনটি: পরিবেশ, সাশ্রয় ও প্রযুক্তি। একটি ইভি তার পুরো জীবনকালে একটি পেট্রলচালিত গাড়ির তুলনায় অনেক কম কার্বন নির্গমন করে। চার্জিং খরচ জ্বালানির চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম। আর ব্যাটারি প্রযুক্তির উন্নতিতে দাম প্রতিবছর কমছে। আইইএর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের রাস্তায় ২৪ কোটির বেশি ইলেকট্রিক ভেহিকেল থাকবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-04/907500d9-015d-45c9-b342-a9ed1b680cf5/tesla.jpg" /><figcaption>ইলেকট্রিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক</figcaption></figure><p><strong>বাংলাদেশ: সম্ভাবনার মাঝে সতর্ক পদক্ষেপ</strong><br>বাংলাদেশের গল্পটা একটু ভিন্ন, কিন্তু মোটেই নিরুৎসাহজনক নয়। মজার বিষয় হলো, বাংলাদেশ আসলে অনেক আগেই ‘ইলেকট্রিক বিপ্লব’ শুরু করেছে, তবে সরকারি পরিকল্পনা ছাড়াই। সারা দেশেই লাখো ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান চলছে বছরের পর বছর। এটা ছিল তৃণমূল স্তরের একটি স্বতঃস্ফূর্ত বিপ্লব।</p><p>তবে আধুনিক ইভি বাজারের চিত্রটা এখনো ছোট। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) তথ্য অনুযায়ী, ৬০ লাখের বেশি নিবন্ধিত যানবাহনের মধ্যে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত মাত্র ৪০০টি চার চাকার ইভি নিবন্ধিত হয়েছিল। তবে ২০২৫ সালের মাঝামাঝি এই সংখ্যা ৪ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধির গতি আশাব্যঞ্জক।</p><p>সরকারও নড়েচড়ে বসেছে। ২০২৬ সালের এপ্রিলে শিল্প মন্ত্রণালয় ‘ইলেকট্রিক ভেহিকেল ইন্ডাস্ট্রি ডেভেলপমেন্ট পলিসি ২০২৫’ প্রণয়নের কাজ শুরু করেছে। এই নীতিতে থাকছে ইভি নিবন্ধন ফি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো, ২০৩০ সাল পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর মওকুফ এবং উৎপাদন প্রতিষ্ঠানগুলোকে ২০৪০ সাল পর্যন্ত আয়কর ছাড়। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন পরিকল্পনা করেছে, ২০৪০ সালের মধ্যে গণপরিবহনের ৮০ শতাংশ ও ২০৫০ সালের মধ্যে ৯৫ শতাংশ ব্যক্তিগত গাড়ি বৈদ্যুতিক করতে।</p><aside><a href="https://www.bondhushava.com/feature/9a2wmb8ufs">মানুষ ০.৭ কী? মানবসভ্যতা কি টাইপ–২–তে পৌঁছাতে পারবে</a></aside><p><strong>চ্যালেঞ্জ: বাস্তবতার কঠিন মুখ</strong><br><em>চার্জিং অবকাঠামো:</em> বর্তমানে সারা দেশে মাত্র কয়েকটি পাবলিক ইভি চার্জিং স্টেশন রয়েছে, যা ৬০ লাখ যানবাহনের দেশের জন্য অপ্রতুল। তুলনায় দেশে প্রায় ৭৫৯টি বেশি পেট্রলপাম্প আছে। অথচ চার্জিং স্টেশন না থাকলে দূরের পথে ইভি চালানো প্রায় অসম্ভব।</p><p><em>উচ্চ মূল্য:</em> চার চাকার ইভির আমদানি শুল্ক এখনো ৮৯ শতাংশ। এর ফলে একটি বিওয়াইডি গাড়ির দাম পড়ে যাচ্ছে কোটি টাকার কাছাকাছি; যা সাধারণ ক্রেতার নাগালের বাইরে।</p><p><em>বিদ্যুৎ অবকাঠামো:</em> লাখো গাড়ি চার্জ করতে হলে শক্তিশালী জাতীয় গ্রিড দরকার। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ছে; কিন্তু বিতরণ নেটওয়ার্ক এখনো লোডশেডিংমুক্ত নয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-05/n0fy305b/Photo%20shared%20by%20Gurpreet%20on%20September%2002,%202024%20tagging%20@e30worldwide.%20May%20be%20an%20image%20of%20car%20and%20convertible..jpg" /><figcaption>১৯৭২ সালে প্রথম ইলেকট্রিক কার তৈরি করে বিএমডব্লিউ</figcaption></figure><p><strong>উজ্জ্বল ভবিষ্যতের হাতছানি</strong><br>দ্য ডেইলি স্টারের একটি বিশ্লেষণ বলছে, জ্বালানি আমদানিতে বাংলাদেশের বার্ষিক ব্যয় ৭ বিলিয়ন ডলারের বেশি। ইভির বিস্তার এই নির্ভরতা কমাতে পারে। পরিবেশগত দিক থেকে সরকার প্যারিস চুক্তির আওতায় পরিবহন খাতে ৩৪ লাখ টন কার্বন নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট যানবাহনের ৩০ শতাংশ ইভি করার লক্ষ্য ধরেছে।</p><p>তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য সুযোগ তৈরি হচ্ছে। ২০২৫ সালের মে মাসে বাংলাদেশি ও চীনা কোম্পানির মধ্যে ১ কোটি ৫০ লাখ ডলারের একটি যৌথ উদ্যোগ ঘোষণা হয়েছে; যেখানে স্থানীয় ইভি সংযোজন কারখানা, ব্যাটারি উৎপাদন ও চার্জিং অবকাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশের পরিবহন খাতের আধুনিকায়নে সহায়তা করছে।</p><p>সৌরশক্তিচালিত চার্জিং স্টেশনের ধারণাটি বিশেষভাবে আশাব্যঞ্জক। বাংলাদেশ সারা বছর প্রচুর সূর্যালোক পায়। এই সুবিধা কাজে লাগানো গেলে পরিষ্কার বিদ্যুতে গাড়ি চলবে, জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমবে।</p><p>ইতিহাস বলে, যে জাতি সময়মতো প্রযুক্তির রথে চড়তে পারে, সে এগিয়ে যায়। ইভি বিপ্লব এখন আর দূরের স্বপ্ন নয়, এটা সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বাস্তবতা। নরওয়ে একদিন পেট্রলের গাড়ি থেকে সরে এসেছে নীতি আর দৃঢ়তা দিয়ে। চীন হয়েছে বিশ্বের ইভি কারখানা। বাংলাদেশেরও সেই সুযোগ আছে।</p><p>প্রশ্নটা প্রযুক্তির নয়, সদিচ্ছার। চার্জিং স্টেশন বাড়াতে হবে, শুল্ক কমাতে হবে, গ্রিড শক্তিশালী করতে হবে। তার সঙ্গে দরকার একটি প্রজন্মের সচেতনতা ও উদ্যোক্তা মনোভাব। বাংলাদেশের রাস্তায় আর কতকাল ধোঁয়া উড়বে, এই প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করছে আজকের সিদ্ধান্তের ওপর। তবে বাংলাদেশে ইভির জনপ্রিয়টা দিন দিন বেড়েই চলছে।</p><p><em><strong>শিক্ষার্থী,</strong></em> ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘বইবিহীন’ বইয়ের দোকান</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/ahst253hun</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/ahst253hun#comments</comments><guid isPermaLink="false">476aac99-7b3c-44e5-ba9d-059283fef973</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:50:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:50:17.303Z</atom:updated><atom:author><atom:name>এএফপি </atom:name><atom:uri>/api/author/1427842</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রতিটি স্টোরি টাইল থেকে শোনা যায় কোনো বইয়ের অংশবিশেষ। ওই অংশবিশেষ শুনে পছন্দ হলে গ্রাহক পুরো বইটি অডিবলের অ্যাপে পাবেন।]]></description><media:keywords>যুক্তরাষ্ট্র,বই,বিচিত্র,বিচিত্র খবর</media:keywords><media:content height="1600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ji1yjqli/Audio-Book-copy.jpg" width="2133"><media:title type="html"><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বইয়ের দোকানটিতে কাগজে মুদ্রিত কোনো বই নেই]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ji1yjqli/Audio-Book-copy.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বইয়ের দোকানের কথা ভাবলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে তাকভর্তি বই, পাতার গন্ধ আর নীরব পাঠকের ছবি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে এমন একটি বইয়ের দোকান খুলেছে, যেখানে কাগজে ছাপা কোনো বই নেই। পৃষ্ঠা বা মলাটের হিসাব নেই। আছে এক ভিন্ন ধাঁচের বইয়ের জগৎ।</p><p>অডিওবুক প্ল্যাটফর্ম অডিবল গত শুক্রবার ম্যানহাটানের লোয়ার ইস্ট সাইডে অডিও বুকের এই পপআপ স্টোর খুলেছে। এর নাম দেওয়া হয়েছে অডিবল স্টোরি হাউস। ই–কমার্স প্ল্যাটফর্ম অ্যামাজনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান অডিবল বলছে, এটি নিউইয়র্কের প্রথম ‘বইবিহীন বইয়ের দোকান’। </p><p>দোকানটিতে ঢুকলে চোখে পড়বে না কোনো বইয়ের তাক বা উপন্যাসের স্তূপ। বরং দোকানের তাকজুড়ে সাজানো আছে ‘স্টোরি টাইল’ নামের অডিওবুক ট্যাবলেট। এ স্টোরি টাইলগুলোকে প্লেয়ারে ঢোকালেই হেডফোনে শোনা যায় গল্প। অর্থাৎ এখানে বই পড়া নয়, আসলে বইয়ের লেখাগুলো শোনা যাবে!</p><p>প্রতিটি স্টোরি টাইল থেকে শোনা যায় কোনো বইয়ের অংশবিশেষ। ওই অংশবিশেষ শুনে পছন্দ হলে গ্রাহক পুরো বইটি অডিবলের অ্যাপে পাবেন।</p><p>দোকানের ভেতরে একটি বিশেষ কক্ষও আছে। সেখানে হেডফোন ছাড়াই স্পিকার বাজিয়ে গল্প শোনার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এ ছাড়া আছে ‘লিসেনিং বার’। সেখানে ‘স্টোরি টেন্ডার’–এর সাহায্যে পছন্দ ও আগ্রহ অনুযায়ী উপযুক্ত অডিওবুক খুঁজে নেওয়া যায়।</p><p>অডিবলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বব ক্যারিগান বলেন, ‘এটি এমন একটি জায়গা, যা পুরোপুরি অডিও গল্প বলাকে জীবন্ত করে তোলার জন্য তৈরি করা হয়েছে।’</p><p>বব বলেছেন, এই পপআপ স্টোরটি এক মাসের জন্য চালু করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হলো এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে মানুষ ঘুরে ঘুরে অডিওবুক দেখতে পারবে এবং অন্যদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে।</p><p>অডিওবুক বাজারে আধিপত্য বিস্তার করা প্ল্যাটফর্ম অডিবল সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক সেবা দিয়ে থাকে। আলাদা করে বই কেনার সুযোগ এবং অ্যামাজন অ্যাকাউন্টধারীদের জন্য কিছু অডিও বুক বিনা মূল্যে শোনার সুবিধাও দেয় তারা।</p><p>অডিও পাবলিশার্স অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪ সালে ২২২ কোটি ডলার মূল্যের অডিওবুক বিক্রি হয়েছে, যা গত পাঁচ বছরে প্রায় দ্বিগুণ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সোনার দাম কমেছে ভরিতে ২,১৫৮ টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/business/woinqc30nw</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/woinqc30nw#comments</comments><guid isPermaLink="false">6767b4c2-8263-4277-a987-44bcfda302a5</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:40:22 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:40:22.511Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশে এক ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমেছে। নতুন দামে ২২ ক্যারেট সোনা ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা।]]></description><media:keywords>বাজুস,বিশ্ব বাজার,সোনার দাম</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9r9ttuyl/b7e0a3f1-361f-49ca-a580-ddc921774948.jfif" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9r9ttuyl/b7e0a3f1-361f-49ca-a580-ddc921774948.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশের বাজারেও সোনার দাম কমেছে। এবার ভরিপ্রতি সর্বোচ্চ দাম কমেছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টায় সোনার নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ সকালে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানিয়েছে। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার রাতে সোনার দাম বেড়েছিল ২ হাজার ১৫৮ টাকা। সেদিন সকালে সমপরিমাণ দাম কমেছিল। </p><p>সোনার নতুন দর অনুযায়ী, ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরিতে (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের সোনা ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৬ হাজার ৬৫৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম কমে হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ১৪৭ টাকা হয়েছে।</p><p>গতকাল পর্যন্ত ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হয়েছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির সোনা বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকা।</p><p>এদিকে আজ সোনার দাম কমলেও রুপার দাম একই আছে। ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম হয়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা।</p><p>২০২৫ সালে বিশ্ববাজারে সোনার দাম ৭০ শতাংশ বেড়েছে। ফলে চলমান ইরান–ইসরায়েল–যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধে সোনার দাম বাড়েনি, বরং কমেছে। গত ৩০ দিনে বিশ্ববাজারে সোনার দাম আউন্সপ্রতি ১৩২ ডলার কমেছে। সে কারণে সময়–সময় দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।</p><p>চলমান যুদ্ধের মধ্যে বিশ্ববাজারে সোনার দাম খুব একটা বাড়বে, তেমন পূর্বাভাস নেই।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি, পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/148p24zgc9</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/148p24zgc9#comments</comments><guid isPermaLink="false">4bd14e81-10f9-4272-bb6f-633275ed9c8d</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:36:02 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:36:02.995Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর সাদাপোশাকে চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়।]]></description><media:keywords>পুলিশ,মামলা,চট্টগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="541" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-17/mowykagd/c622ae4e-dca7-4324-b362-d8f59769bc5f.jfif" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ চট্টগ্রাম আদালত ভবন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-17/mowykagd/c622ae4e-dca7-4324-b362-d8f59769bc5f.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চট্টগ্রামে ক্রসফায়ারের হুমকি দিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অপহরণের অভিযোগে রাউজান থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয়জনের বিরুদ্ধে করা এক চিকিৎসকের মামলা পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল সোমবার চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শাখাওয়াত হোসেন আদালত এই আদেশ দেন।</p><p>মামলার আসামিরা হলেন রাউজান থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, উপপরিদর্শক (এসআই) টোটন মজুমদার ও শাফায়েত আহমদ এবং উপজেলার পাইওনিয়ার হাসপাতালের চেয়ারম্যান ফজল করিম প্রকাশ বাবুল, পরিচালক মনজুর হোসেন ও তত্ত্বাবধায়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম।</p><p>মামলাটির বাদী চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম। ২০২৪ সালের ৩ সেপ্টেম্বর তিনি মামলাটি করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ আনা হয়, ২০১৫ সালের ১৫ এপ্রিল রাউজান নোয়াপাড়ায় ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখছিলেন চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম। এ সময় রাউজান থানার তৎকালীন এসআই টোটন মজুমদার উপজেলা বিএনপির কমিটিতে নাম থাকায় জাহাঙ্গীর আলমের কাছে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দিলে ক্রসফায়ারে দেওয়ার হুমকি দেন। এরপর সাদাপোশাকে চিকিৎসক জাহাঙ্গীরকে ধরে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পরে অন্য আসামিদের সহায়তায় তাঁর বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ দেওয়া হয়েছে। জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে তখন অভিযোগ আনা হয়, একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গাড়িচালক রাসেলের কাছ থেকে ১৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়েছেন। যদিও পরে রাসেল আদালতে হলফনামা দিয়ে জানান, চিকিৎসক জাহাঙ্গীর নামের কাউকে তিনি চেনেন না। তাঁর কাছ থেকে কেউ টাকা নেয়নি। গত ২৯ আগস্ট আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন।</p><p>গত বছরের ২৬ নভেম্বর চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমের করা এই মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হোসেন ইবনে নাঈম ভূঁইয়া। তবে বাদী নারাজি আবেদন করলে আদালত পিবিআইকে মামলাটি পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন। বাদীর আইনজীবী মোহাম্মদ রাসেল আদালতের আদেশের বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন।</p><p>চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মিথ্যা মামলা হওয়ার পর থেকে ১০ বছর আমি চেম্বারে বসে রোগী দেখতে পারিনি। কেন, কার নির্দেশে পুলিশ ও অন্য আসামিরা আমাকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়েছেন, তদন্ত করে তাঁদের আইনের আওতায় আনা হোক।’</p><p>তবে চিকিৎসকের এই মামলার পর অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত তিন পুলিশ সদস্যদের কাছে জানতে চাওয়া হয়। তখন তাঁরা সবাই বাদীর অভিযোগ অস্বীকার করেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মেট গালায় গিয়ে হঠাৎ বুড়ো হয়ে গেলেন কেন এই হার্টথ্রব গায়ক </title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/s84zc1k72x</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/s84zc1k72x#comments</comments><guid isPermaLink="false">1c1a6922-6829-4038-8015-e1025f518d3a</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:27:35 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:27:35.268Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মেট গালায় গিয়ে হঠাৎ বুড়ো হয়ে গেলেন এই হার্টথ্রব গায়ক। অবশ্য এই গেটআপেও সমান হ্যান্ডসাম তিনি।]]></description><media:keywords>মেট গালা ২০২৬</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/4y2xvz5x/bad1.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/4y2xvz5x/bad1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মেট গালা ২০২৬-এর থিম কস্টিউম আর্ট। একটু বেশিই সিরিয়াসলি নিয়ে নিয়েছেন এই কনসেপ্টটি তিনি। মেট গালায় গিয়ে এমন বুড়ো হয়ে গেলেন কেন এই হার্টথ্রব গায়ক? পুয়ের্তোরিকান এই র‍্যাপার আর কেউ নন। তিনি ব্যাড বানি। যার আসল নাম বেনিতো অ্যান্টোনিও মার্টিনেজ ওকাসিও। কস্টিউম আর্টের ধারনাকে লুকে পরিণত করেছেন তিনি সাদা দাড়ি-গোঁফ, জারা স্যুট আর হাতের লাঠিতে। তবে বলতেই হয়, এই গেটআপেও সমান হ্যান্ডসাম তিনি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/rpial7x4/carasmexico17779412143889975043025928125314924507.jpg" /><figcaption>লাঠি হাতে এই হ্যান্ডসাম বুড়োকে দেখে চমকে যেতে হয় </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/e6fh53br/carasmexico17779412143889975039511049540314924507.jpg" /><figcaption>অল ব্ল্যাক জারা স্যুটের সঙ্গে সাদা দাড়ি গোঁফের কন্ট্রাস্ট নজর কাড়ছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0yz9rqlg/gettyentertainment17779575993890112593722631653551401476.jpg" /><figcaption>বয়স্ক সাজার মেকওভারটি সত্যিই নিখুঁত হয়েছে। বলিরেখাগুলোও</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1qgdok04/carasmexico17779412143889975044351443943314924507.jpg" /><figcaption>কালো ড্রেস শুজ আর ফলায় বাঁধা স্কার্ফ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/mzxr8tgn/carasmexico17779412143889975038009667552314924507.jpg" /><figcaption>কে বলবে তিনি আমাদের প্রিয় হার্টথ্রব গায়ক ব্যাডবানি!</figcaption></figure><p><strong>ছবি:</strong> ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item><item><title>‘সংসার চলে না গো বাপু, ৪০০ থেকে ৫০০ টেহায় এহন আর কিছুই হয় না’</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8e3gfveodl</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8e3gfveodl#comments</comments><guid isPermaLink="false">64f5f801-a359-4dfe-90a0-fc4c2a0a0af1</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:24:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:24:46.678Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আব্দুল আজিজ</atom:name><atom:uri>/api/author/899157</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জামালপুরের ফুটপাতের কলা বিক্রেতা আবদুল মালেকের আয় কমেছে এবং সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পাইকারি বাজার থেকে বাকিতে কলা নিয়ে বসছেন, কিন্তু বিক্রিও কম।]]></description><media:keywords>পেশা,জামালপুর,জীবন ও জীবিকা,ময়মনসিংহ বিভাগ,জামালপুর সদর</media:keywords><media:content height="2397" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/at76836z/jamalpurdh056320260505jamalpur-pic-.2.jpg" width="3196"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রায় প্রতিদিন জামালপুর শহরের সকালবাজার এলাকার ফুটপাতে দেখা মেলে আবদুল মালেকের। সম্প্রতি তোলা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/at76836z/jamalpurdh056320260505jamalpur-pic-.2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শহরের কর্মব্যস্ততা শুরু হয়েছে সবে। কেউ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলছেন, কেউ হেঁটে কিংবা যানবাহনে নিজেদের কর্মস্থলে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে ব্যস্ত সড়কের পাশে ফুটপাতের এক কোণে বসে আছেন ৫৫ বছর বয়সী আবদুল মালেক। সামনে দুটি বাঁশের ঝুড়িতে স্তরে স্তরে সাজানো আছে কলা। ক্রেতার অপেক্ষায় তাঁর চোখ বারবার রাস্তার দিকে যাচ্ছিল, সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দীর্ঘ হচ্ছিল সেই অপেক্ষা।</p><p>কিছুদিন আগেও রোজ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় করতেন বলে দাবি করেন আবদুল মালেক। কিন্তু এখন তা নেমে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। এর আগে কলা বিক্রির আয়ে কোনোরকমে সংসার চললেও এখন আর তা হচ্ছে না। তাই আক্ষেপের সুরে তিনি বলে ওঠেন, ‘বউ-পুনাই (ছেলে-মেয়ে) নিয়ে কষ্টেই আছি, ভাই। এই ইনকাম দিয়ে এহন আর চলে না।’</p><p>গত রোববার সকাল ৯টার দিকে জামালপুর শহরের সকালবাজার এলাকার ফুটপাতে দেখা মেলে আবদুল মালেকের। সেখানেই তিনি প্রতিদিন কলা বিক্রি করতে বসেন। ভোর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সেখানে বসে কলা বিক্রি করেন। তাঁর ভাষ্য, পাইকারি কলার দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং বিক্রি কমে যাওয়ায় আগের মতো উপার্জনও প্রায় নেই বলা চলে।</p><p>আবদুল মালেক প্রতিদিন পাইকারি বাজার থেকে মহাজনের কাছ থেকে বাকিতে এক হাজার থেকে দেড় হাজার টাকার কলা নিয়ে আসেন। ওই কলা ঝুড়িতে করে কাঁধে তুলে সকালবাজার এলাকায় বসে বিক্রি করেন। এতে অনেক সময় তাঁর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা আয় হয়। পুরো কলা বিক্রি করে মহাজনকে কলার টাকা বুঝিয়ে দিয়ে বাড়িতে ফিরে যান।</p><p>আবদুল মালেকের বাড়ি জামালপুর সদর উপজেলার তিতপল্লা ইউনিয়নের মাগুরিপাড়া এলাকায়। রোদ-বৃষ্টি-ঝড় যা–ই হোক না কেন, প্রতিদিন ভোরে প্রায় ১০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে আবার কখনো ইজিবাইকে কলা বিক্রি করতে আসেন। প্রায় ১০ বছর ধরে এ পেশায় আছেন তিনি। এর আগে তিনি কৃষিকাজ করতেন।</p><p>কথায়–কথায় জানালেন, তাঁর তিন ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ের বিয়ে হওয়ায় শ্বশুড়বাড়ি চলে গেছেন। অভাবের কারণে বড় ছেলের লেখাপড়া করানোর সুযোগ হয়নি। ছোট দুই ছেলেকে স্কুলে দিয়েছেন, কিন্তু সেই খরচ মেটাতে পারছেন না। পরে বাধ্য হয়ে সম্প্রতি বড় ছেলেকেও এই পেশায় নামিয়েছেন।</p><p>আবদুল মালেক জানান, অল্প পুঁজির ব্যবসা। আয় কমে যাওয়ায় এখন আর পুঁজিও নেই। মহাজনের কাছ থেকে বাকিতে কলা নিয়ে বিক্রি করেন। বিক্রি শেষে মহাজনকে টাকা দিয়ে বাড়িতে যেতে হয়। কলা বিক্রির আয়ের ওপর নির্ভর করে সব খরচ। তারপরও দিন শেষে যা হাতে আসে, তা দিয়ে পাঁচ সদস্যের পরিবারের খরচ মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন।</p><p>ফুটপাতে অপেক্ষারত অবস্থায় আলাপের এ পর্যায়ে আবদুল মালকের চোখেমুখে স্পষ্ট হয় ক্লান্তি ও অনিশ্চয়তার ছাপ। দিনের পর দিন জীবনসংগ্রামে ক্লান্ত মানুষটির কণ্ঠেও জমে আছে দীর্ঘশ্বাস। কেমন চলছে দিনকাল—এই প্রতিবেদকের এমন প্রশ্নে আবদুল মালেক বলেন, ‘কোন বিয়ানবেলায় (ভোরে) আইছি। এক টেহাও বিক্রি করতে পারি নাই। দিনরাত বইসে থ্যাইকেও এহন আর আগের মতো বেচাবিক্রি নাই। যা ইনকাম হয়, মহাজনকে দিয়ে কিছুই আর লাভ থাহে (থাকে) না। এহন আর সংসার চলে না গো, বাপু। যে বাও-বাজার, ৪০০ থেকে ৫০০ টেহায় এহন আর কিছুই হয় না।’</p><p>একটু থেমে আবদুল মালেক আবার বলেন, ‘বিয়ানবেলায় কড়কড়া ভাত (বাসি ভাত) খাইয়ে বার হই। ওই রাইতে বাড়িত যাইয়্যা আবার খাই। এর মধ্যে নিজের জন্যে এক টেহাও খরচ করবার সাহস পাই না। যে ইনকামের অবস্থা, এক বেলা হোটেলে খাইতে গেলে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা লাগে। তাই ওমনেই থাকি। খাওয়ানের অভাবে দেহেন না, শরীরের মধ্যে কিছুই নাই।’</p><p>ওই আয় দিয়ে সংসার কীভাবে চলে, এমন প্রশ্নে আবদুল মালেক কিছুক্ষণ নীরব থেকে দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। এরপর ধরে আসা গলায় বলেন, ‘বাজারে ওই টেহা নিয়ে কিছুই কিনা যায় না। প্রতিদিন দুই কেজি চাল লাগে। চাল কিনতেই ১২০ টেহা যাই গা। বাকি টেহা দিয়ে তরকারি (সবজি) কিনতেই শেষ হই যায়। কোনোরহমে খেয়ে না-খেয়ে দিন চলে। বছরে একবারও গরুর মাংস জুটে না।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বর্ষের ক্লাসের তারিখ ঘোষণা</title><link>https://www.prothomalo.com/education/examination/m7pkvxm6qn</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/examination/m7pkvxm6qn#comments</comments><guid isPermaLink="false">d74f6a84-caa5-48aa-9bc4-42f6532364d9</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:20:51 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:20:51.565Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস ১০ মে শুরু হবে।]]></description><media:keywords>পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ২০২৫,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/a8fd5ebb-2c67-4a59-9572-47810439ff1d/Rajshahi_University.webp" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/a8fd5ebb-2c67-4a59-9572-47810439ff1d/Rajshahi_University.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরীক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ক্লাস ১০ মে শুরু হবে। গতকাল সোমবার (৪ মে ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। <a href="https://www.ru.ac.bd/wp-content/uploads/2026/05/2025-2026-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A7%A7%E0%A6%AE%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B8-%E0%A6%B6%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%96.pdf" rel="nofollow">বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে,</a> গত ১১ জানুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) শ্রেণির ক্লাস শুরুর তারিখ ১০ মে নির্ধারণ করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/t25plhfp9x">এইচএসসি ও সমমান শিক্ষার্থীরা পাবে ভর্তি–সহায়তা ৬,০০০ টাকা, আবেদনের সময় বৃদ্ধি</a></aside><p>এদিকে ফাঁকা আসনে ভর্তি কার্যক্রমও চলমান থাকবে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/43mu6h7qj3">বিনা খরচে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ফুলব্রাইট ফরেন স্কলারশিপে, আইইএলটিএসে ৭ স্কোরে আবেদন </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: ‘প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনের’ ডাক প্রধানমন্ত্রী মোদির</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/wzwqq1bkcq</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/wzwqq1bkcq#comments</comments><guid isPermaLink="false">44121edf-c2ec-4655-901c-ebd6ddc44c7a</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:14:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:14:23.166Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘আমরা জনগণের সেবায় নিবেদিত, তাই মানুষ ক্রমেই বিজেপির ওপর বেশি করে আস্থা রাখছে…যেখানে বিজেপি আছে, সেখানে সুশাসন আছে…সেখানে উন্নয়ন আছে।’]]></description><media:keywords>নরেন্দ্র মোদি,বিজেপি,পশ্চিমবঙ্গ,বিধানসভা</media:keywords><media:content height="988" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/dyw12m6x/Modi-BJP.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর গতকাল সোমবার নয়াদিল্লিতে বিজেপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/dyw12m6x/Modi-BJP.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর দিনটিকে ‘ঐতিহাসিক ও নজিরবিহীন’ বলে বর্ণনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে নতুন ভোরের সূচনা হয়েছে এবং এই ফলাফল ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় উন্নয়নমূলক রাজনীতির প্রতি আস্থার প্রতিফলন।</p><p>গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় বিজেপি সদর দপ্তরে দলীয় নেতা–কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, তামিলনাড়ু, কেরালা ও পদুচেরির ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে চলমান সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেও স্থিতিশীল শাসনের পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করে ঐক্যবদ্ধ অবস্থান নেওয়ার জন্য তিনি ভোটারদের ধন্যবাদ জানান।</p><p>মোদি বলেন, ‘আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু একটি ব্যবস্থা নয়, এটি এমন এক ঐতিহ্য, যা আমাদের রক্তে প্রবাহিত...আজ শুধু ভারতের গণতন্ত্রই বিজয়ী হয়নি, এর সংবিধানও বিজয়ী হয়েছে। আমাদের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিজয়ী হয়েছে, আমাদের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াগুলো বিজয়ী হয়েছে।’</p><p>বর্তমানে ভারতে ২০টির বেশি রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ সরকার ক্ষমতায় রয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নাগরিক দেবো ভব’ (নাগরিকই দেবতা) মন্ত্রে পরিচালিত বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিও জোট সরকার আজ ২০টির বেশি রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে...আমরা জনগণের সেবায় নিবেদিত, তাই মানুষ ক্রমেই বিজেপির ওপর বেশি করে আস্থা রাখছে...যেখানে বিজেপি আছে, সেখানে সুশাসন আছে...সেখানে উন্নয়ন আছে।’</p><p>শ্যামা প্রসাদ মুখার্জির মতো বিদগ্ধ নেতাদের স্বপ্নের ‘শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলা’ গড়ে তোলার সুযোগ বিজেপি পেয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আজ থেকে বাংলার ভাগ্যে একটি নতুন অধ্যায় যুক্ত হলো, যা হবে ভয়মুক্ত এবং আশ্বাসে পরিপূর্ণ।’</p><p>নাগরিকদের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে মোদি বলেন, ‘আজ আমি বাংলার প্রতিটি নাগরিককে আশ্বস্ত করছি, বিজেপি দিনরাত বাংলার উন্নয়নে কাজ করবে; নারীরা নিরাপত্তার পরিবেশ পাবেন, তরুণেরা কর্মসংস্থান পাবেন, অভিবাসন থামবে। প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই “আয়ুষ্মান ভারত যোজনা” অনুমোদন পাবে। অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’</p><p>পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকার বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির”—এ স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ai7hdpod/BJP-Joy.avif" /><figcaption>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণায় রাজ্যজুড়ে উৎসবের আমেজে বিজেপির নেতা–কর্মীরা  </figcaption></figure><p>মোদি রাজ্যের সব রাজনৈতিক পক্ষকে কয়েক দশক ধরে রাজ্যকে গ্রাস করে থাকা রাজনৈতিক সহিংসতার দুষ্টচক্র থেকে ‘বেরিয়ে আসার’ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘বাংলা যখন এই নতুন যুগে প্রবেশ করছে, আমি অন্য দলগুলোর কাছে তাদের অভ্যাস পরিবর্তনের অনুরোধ জানাই।’</p><p>প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আজ যখন বিজেপি জয়ী হয়েছে, তখন প্রতিশোধ নয়, পরিবর্তনের কথা বলা উচিত; ভয় নয়, ভবিষ্যতের কথা বলা উচিত।’</p><p>এদিন ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি বিরোধীদের আক্রমণও করেছেন মোদি। তিনি বিরোধীদের প্রতি অভিযোগ তুলে বলেন, বিরোধীরা সারা দেশে আইনসভাগুলোয় নারীদের জন্য আসন সংরক্ষণ দ্রুত বাস্তবায়নে তাঁর সরকারের প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করেছে।</p><p>মোদি বলেন, ‘নারীশক্তি (নারীর ক্ষমতায়ন) “বিকশিত ভারত”-এর আরেকটি স্তম্ভ, কিন্তু কংগ্রেস এটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছে...এই দলগুলো সংসদে নারী ক্ষমতায়ন আইন পাস হতে দেয়নি। আমি এসব দলকে সতর্ক করে বলেছিলাম, তাদের নারী ভোটারদের ক্ষোভের মুখোমুখি হতে হবে। আজ কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস...শাস্তি পেয়েছে। কেরালায় আগামীবার কংগ্রেসকে শিক্ষা দেওয়া হবে। উত্তর প্রদেশেও কংগ্রেসকে এর পরিণতি ভোগ করতে হবে; সমাজবাদী পার্টিও তাদের করা পাপ থেকে মুক্তি পাবে না।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/x7ftlrxk88">পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির, হারলেন মমতাও</a></aside><p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভায় মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯৩ (একটি আসনে ভোট গ্রহণ নতুন করে হবে) আসনের ফলাফলে বিজেপি ২০৬টিতে হয় জয়ী ঘোষিত, নয়তো এগিয়ে রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের এমন আসনসংখ্যা ৮১। তৃণমূলের প্রধান ও বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নিজ আসনে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে হেরে গেছেন।</p><p>১৫ বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় তৃণমূল। ৩৪ বছর ধরে ক্ষমতায় থাকা বাম ফ্রন্টকে হারিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসে মমতার দল তৃণমূল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/us1hmb9xvh">পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের আলোচিত প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>হোয়াইট হাউসের কাছে ‘সশস্ত্র সন্দেহভাজন’ ব্যক্তি, গোলাগুলিতে আহত</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/3ap68t6zmm</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/3ap68t6zmm#comments</comments><guid isPermaLink="false">14536341-6e9d-403a-8804-6a73a97cac78</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:07:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:07:17.254Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হোয়াইট হাউসের বাইরে নিরাপত্তায় থাকা কর্মকর্তারা ওই ‘সন্দেহজনক’ ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। সিক্রেট সার্ভিস বলেছে, ওই ব্যক্তির কাছে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।]]></description><media:keywords>ডোনাল্ড ট্রাম্প,হোয়াইট হাউস,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="764" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1ouph7do/White-House.jpg" width="1147"><media:title type="html"><![CDATA[ হোয়াইট হাউসের কাছে গোলাগুলির পর ঘটনাস্থলে যুক্তরাষ্ট্রের সিক্রেট সার্ভিসের তদন্তকারীরা কাজ করছেন। ৪ মে, ২০২৬ ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1ouph7do/White-House.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ও কার্যালয় হোয়াইট হাউসের কাছে সশস্ত্র এক ‘সন্দেহজনক’ ব্যক্তির সঙ্গে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গোলাগুলি হয়েছে। গতকাল সোমবার নিরাপত্তা সংস্থাটির কর্মকর্তারা এমন দাবি করেছেন।</p><p>ওই ব্যক্তি  গুলি চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন। পরে সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তাদের গুলিতে তিনি আহত হন।</p><p>এই ঘটনার জেরে হোয়াইট হাউসে সাময়িকভাবে ‘লকডাউন’ জারি করা হয়েছিল। সেখানে কাউকে ঢুকতে ও বের হতে দেওয়া হয়নি।</p><p>হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের বাইরে নিরাপত্তা টহলে থাকা কর্মকর্তারা ওই ‘সন্দেহজনক’ ব্যক্তিকে শনাক্ত করেন। সিক্রেট সার্ভিসের উপ পরিচালক ম্যাথিউ কুইন বলেছেন, ওই ব্যক্তির কাছে  আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল।&nbsp; &nbsp; &nbsp; </p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/p1nc4sfxl1">মাত্র চার সেকেন্ডে নিরাপত্তাবলয় ভেঙে কীভাবে ট্রাম্পের নৈশভোজে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন বন্দুকধারী</a></aside><p>এক সংবাদ সম্মেলনে কুইন বলেন, সিক্রেট সার্ভিসের কর্মকর্তারা কাছে আসতেই সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করে এবং তাঁদের দিকে গুলি চালায়। সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যরা পাল্টা গুলি চালালে সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।</p><p>কু্ইন আরও বলেন, ঘটনার কিছুক্ষণ আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের গাড়ি বহর ওই এলাকা দিয়ে পার হয়েছে। তবে ভ্যান্সের গাড়ি বহরের কাছে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তির মধ্যে ছিল কিনা–সেরকম কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।</p><p>এ ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তির গুলিতে এক কিশোর পথচারী আহত হয়েছে। তবে তার আঘাত গুরুতর নয়। তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।</p><p>কুইন সাংবাদিকদের বলেন, ওই ব্যক্তিকে দেখে সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের সন্দেহ হয়েছিল। কারণ, তাঁকে দেখেই মনে হচ্ছিল যে তাঁর কাছে অস্ত্র আছে।</p><p>তিনি আরও বলেন, সন্দেহভাজন ব্যক্তি হোয়াইট হাউসের সীমানার বাইরে ছিলেন।</p><p>গত মাসের শেষ দিকে ওয়াশিংটনের একটি হোটেলে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজ অনুষ্ঠান চলাকালে গুলির ঘটনার পর একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই নৈশভোজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও উপস্থিত ছিলেন। এর জেরে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানীতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে উচ্চ সতর্কতায় রাখা হয়েছে।</p><p>সোমবারের ঘটনাটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ওপর সম্প্রতি হওয়া ‘অন্যান্য হামলাচেষ্টার’ সঙ্গে সম্পর্কিত কিনা—এমন প্রশ্ন করা হলে ম্যাথিউ কুইন বলেন, ‘প্রেসিডেন্টকে নিশানা করতে এটা করা হয়েছিল কি না, তা আমি নিশ্চিত নই। তবে আমরা এ ঘটনার উদ্দেশ্য খুঁজে বের করব।’</p><p>সন্দেহভাজনের কাছ থেকে একটি অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ম্যাথিউ কুইন। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি।</p><p>ওয়াশিংটন ডিসির মেট্রোপলিটন পুলিশ বিভাগ এই ঘটনার তদন্ত করছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের ক্ষতিই বেশি</title><link>https://www.prothomalo.com/business/yuktraassttrer-sngge-baannijycuktite-baanlaadesher-ksstii-beshi</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/yuktraassttrer-sngge-baannijycuktite-baanlaadesher-ksstii-beshi#comments</comments><guid isPermaLink="false">874f7679-59fb-4f8e-9f67-5e437b44849e</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:00:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:00:43.705Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের ক্ষতিই বেশি]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bdh34dgs/image.jpg" width="1200"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bdh34dgs/image.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির কারণে বাংলাদেশ রাজস্ব হারাবে, বেশি দরে পণ্য কিনতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী নীতি ঠিক করতে হবে এবং বাধ্যতামূলকভাবে অসংখ্য শর্ত পালন করতে হবে। বিপরীতে এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বাড়বে, নিজের ভূরাজনৈতিক কৌশল অনুযায়ী বাংলাদেশকে নীতি নিতে বাধ্য করতে পারবে এবং এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে তেমন কোনো ছাড় দিতে হবে না। সব মিলিয়ে এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের লাভ অতি সামান্য, ক্ষতি বেশি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>নতুন কৌশলে ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অনলাইনে বিক্রি</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/8q6xjrww6b</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/8q6xjrww6b#comments</comments><guid isPermaLink="false">9e107916-32e3-4818-9447-666ffaef53ec</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রযুক্তি ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633233</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গুগলের অ্যাপশিট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সাইবার অপারাধীরা প্রায় ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান গার্ডিও।]]></description><media:keywords>গুগল,হ্যাকিং,ফেসবুক</media:keywords><media:content height="540" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/huisrsq3/Facebook%20ID%20hack.%20reuters.png" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/huisrsq3/Facebook%20ID%20hack.%20reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>প্রযুক্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গুগলের অ্যাপশিট প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সাইবার অপারাধীরা প্রায় ৩০ হাজার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করেছে বলে জানিয়েছে সাইবার নিরাপত্তাপ্রতিষ্ঠান গার্ডিও। নতুন এই কৌশলকে ‘অ্যাকাউন্টডাম্পলিং’ নামে অভিহিত করে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ভিয়েতনামভিত্তিক একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে এই আক্রমণ চালিয়ে আসছে এবং হ্যাক করা অ্যাকাউন্টগুলো অবৈধভাবে অনলাইনে বিক্রি করছে।</p><p>গার্ডিওর নিরাপত্তা গবেষক শেকড চেন বলেন, এটি কোনো এককালীন ফিশিং কৌশল নয়, এটি একটি ধারাবাহিক ও ক্রমবিবর্তিত অপরাধ। এতে রিয়েল-টাইম অপারেটর প্যানেল, উন্নত কৌশল এবং একটি সুসংগঠিত বাণিজ্যিক কাঠামো রয়েছে। </p><p>বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট দখল করে তা বিক্রির প্রবণতা বেড়েছে। বিশেষ করে যেসব অ্যাকাউন্টের সঙ্গে ব্যবসায়িক কার্যক্রম বা বিজ্ঞাপন ব্যবস্থাপনার ইতিহাস যুক্ত থাকে, সেগুলোর চাহিদা অবৈধ বাজারে তুলনামূলক বেশি। এই আক্রমণের শুরু হয় লক্ষ্যভিত্তিক ফিশিং ই–মেইলের মাধ্যমে। মূলত ফেসবুকের বিজনেস অ্যাকাউন্টধারীদের উদ্দেশে পাঠানো এসব ই–মেইলে মেটার সাপোর্ট বিভাগের পরিচয় ব্যবহার করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, অ্যাকাউন্টে সমস্যা আছে এবং দ্রুত আবেদন না করলে অ্যাকাউন্টটি চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। গুগল অ্যাপশিট প্ল্যাটফর্মের ‘নোরিপ্লাই’ ঠিকানা থেকে ই–মেইল পাঠানোর কারণে সাধারণ স্প্যাম ফিল্টার এগুলো শনাক্ত করতে পারছে না। পরে তাদের একটি ভুয়া ওয়েবসাইটে নেওয়া হয়, যেখানে লগইন তথ্য সংগ্রহ করা হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/txck1dhxig">ফেসবুক অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য চুরির জন্য নতুন ফাঁদ</a></aside><p>গার্ডিও এই অভিযানে ব্যবহৃত চারটি প্রধান কৌশল চিহ্নিত করেছে। প্রথমত, নেটলিফাইয়ে হোস্ট করা ভুয়া ফেসবুক সাপোর্ট পেজের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের জন্মতারিখ, ফোন নম্বর এবং পরিচয়পত্রের ছবি সংগ্রহ করা হয়। পরে এসব তথ্য সাইবার অপরাধীদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে পাঠানো হয়। দ্বিতীয়ত, ‘ব্লু ব্যাজ’ যাচাইয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবহারকারীদের ভেরসেলে হোস্ট করা ভুয়া নিরাপত্তা যাচাই পেজে নেওয়া হয়। সেখানে নকল ক্যাপচা যাচাইয়ের পর ব্যবহারকারীদের ফিশিং পেজে পাঠিয়ে যোগাযোগের তথ্য, ব্যবসায়িক তথ্য, পাসওয়ার্ড এবং টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন কোড সংগ্রহ করা হয়। তৃতীয়ত, গুগল ড্রাইভে রাখা পিডিএফ ফাইলের মাধ্যমে ভেরিফিকেশন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। এই পিডিএফগুলো ‘ক্যানভা’ ব্যবহার করে তৈরি করা। এর মাধ্যমে পাসওয়ার্ডের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর ব্রাউজারের স্ক্রিনশটও হাতিয়ে নেওয়া হয়।। চতুর্থত, হোয়াটসঅ্যাপ, মেটা, অ্যাপল বা কোকা-কোলার মতো বড় প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ভুয়া চাকরির প্রস্তাব দেওয়া হয়। এতে প্রথমে ব্যবহারকারীদের আস্থা অর্জন করে পরে তাঁদের হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রিত প্ল্যাটফর্মে নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/cyberworld/c353yyk7qg">ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য ওয়েবসাইটে লগইন করা কি নিরাপদ</a></aside><p>গার্ডিওর তথ্য অনুযায়ী, প্রথম তিনটি কৌশলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট টেলিগ্রাম চ্যানেলগুলোতে প্রায় ৩০ হাজার ভুক্তভোগীর তথ্য পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগীদের বড় অংশ যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি, কানাডা, ফিলিপাইন, ভারত, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, ব্রাজিল ও মেক্সিকোর বাসিন্দা। তাঁদের অনেকেই ইতিমধ্যে নিজেদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশাধিকার হারিয়েছেন।</p><p>সূত্র: দ্য হ্যাকার নিউজ</p>]]></content:encoded></item><item><title>দর্শক নেটফ্লিক্সে কী দেখেছেন, আপনার সঙ্গে মিলিয়ে নিন</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/sasrrdw9vs</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/sasrrdw9vs#comments</comments><guid isPermaLink="false">bf9440f9-994a-481c-bfa7-b29325f766b1</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 05:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T05:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গতকাল পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেখা পাঁচটি কনটেন্টের মধ্যে অ্যাকশন, অ্যানিমেশন, ড্রামা ও ফ্যান্টাসির বৈচিত্র্য উঠে এসেছে।]]></description><media:keywords>সিনেমা,হলিউড,আইএমডিবি,নেটফ্লিক্স</media:keywords><category>হলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <blockquote>বিশ্বের জনপ্রিয় স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে প্রতিদিনই দর্শকের পছন্দের তালিকা পরিবর্তন হয়ে যায়। গত রোববারপর্যন্ত সবচেয়ে বেশি দেখা পাঁচটি কনটেন্টের মধ্যে অ্যাকশন, অ্যানিমেশন, ড্রামা ও ফ্যান্টাসির বৈচিত্র্য উঠে এসেছে। নেটফ্লিক্সে দর্শক কী দেখছেন, আপনার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/1jbvdelo/1199247_apex_2026_0_230_0_345_crop.jpg" /><figcaption>‘অ্যাপেক্স’ সিনেমার পোস্টার </figcaption></figure><p><strong>১. ‘অ্যাপেক্স’</strong><br> এই সারভাইভাল থ্রিলারের আইএমডিবি রেটিং ৬.২। একজন পর্বতারোহীর ভয়ংকর এক সিদ্ধান্ত নিয়েই এর গল্প। অ্যাকশন-থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমায় বেঁচে থাকার লড়াই এবং বিপজ্জনক মিশনের গল্প দর্শক সবচেয়ে বেশি দেখেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/cg3u7c89/qoil7txfx4ekhtjyoqh1o7kawpz.webp" /><figcaption>‘সোয়াপড’ সিনেমার পোস্টার</figcaption></figure><p><strong>২. ‘সোয়াপড’</strong><br>এক ক্ষুদ্র প্রাণী এবং এক রাজকীয় পাখি হঠাৎ করে শরীর-বদল করে। চিরশত্রু এই দুই প্রাণী বাধ্য হয় একে অপরের পালক এবং লোমের ভেতর দিয়ে জীবন কাটাতে, আর সেই সঙ্গে তারা শুরু করে এক দুঃসাহসিক এবং রোমাঞ্চকর যাত্রা। এমন গল্প নিয়েই অ্যানিমেশন সিনেমাটি। সিনেমাটির রেটিং ৭.৩।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/q7es7fr3/MV5BYjVjMDM0ZWQtYTQ1Mi00YTM1LWIxZDQtMjY5ZTIyZWM1OTAxXkEyXkFqcGc___V1_.jpg" /><figcaption>‘মাই ফেভারিট ওয়েডিং’ সিনেমার পোস্টার</figcaption></figure><p><strong>৩. ‘মাই ফেভারিট ওয়েডিং’</strong><br>রোমান্টিক-কমেডি ঘরানার এই সিনেমায় ভালোবাসা, ভুল বোঝাবুঝি ও সম্পর্কের টানাপোড়েন তুলে ধরা হয়েছে। সিনেমাটির আইএমডিবি রেটিং ৬.২।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/99vk86os/MV5BMjA2NDM2OTY3MF5BMl5BanBnXkFtZTgwNjY0NDAxMzE___V1_.jpg" /><figcaption>‘ফাইন্ডার্স কিপার্স’ সিনেমার পোস্টার</figcaption></figure><p><strong>৪. ‘ফাইন্ডার্স কিপার্স’</strong><br>রহস্য ও থ্রিলারে ভরপুর এই গল্পে অপ্রত্যাশিত এক আবিষ্কার ঘিরে তৈরি হয় উত্তেজনা। একটি ভৌতিক পুতুল একটি ছোট মেয়েকে শেখায় মৃত থেকে ফিরে আসার গল্প। ভৌতিক এই খেলা ঘিরে ঘটতে থাকে নানা ঘটনা। এই সিনেমার রেটিং ৪.৩।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/ek04l7bvd1">‘ও, জামাকাপড় বিক্রি করে আসছে, ওকে দিয়ে আর কী হবে!’</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/18k1o9ff/2cxhvwyEwRlysAmRH4iodkvo0z5.webp" /><figcaption>‘গ্ল্যাডিয়েটর টু’ সিনেমার পোস্টার</figcaption></figure><p><strong>৫. ‘গ্ল্যাডিয়েটর টু’</strong><br>দর্শকদের পছন্দে শীর্ষ ৫–এ রয়েছে ‘গ্ল্যাডিয়েটর টু’। চোখের সামনে ম্যাক্সিমাসের মৃত্যুর সাক্ষী হয়েছিল লুসিয়াস। সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি আরও বদলে গেছে। অত্যাচারী সম্রাটদের দখলে চলে গেছে তার বাসভূমি, আর রোম শাসিত হচ্ছে কঠোর নিপীড়নের মাধ্যমে। ঐতিহাসিক অ্যাকশনধর্মী এই সিক্যুয়েল দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে, বিশেষ করে প্রথম পর্বের জনপ্রিয়তার কারণে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সংরক্ষিত নারী আসনে নুসরাতকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করল ইসি</title><link>https://www.prothomalo.com/politics/n633ozqy1j</link><comments>https://www.prothomalo.com/politics/n633ozqy1j#comments</comments><guid isPermaLink="false">bbb18106-bcc5-4270-935e-33df2d069150</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:56:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:56:11.914Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গতকাল সোমবার নুসরাতকে বিনা প্রতিপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে ইসি।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ,জাতীয় নাগরিক পার্টি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/wqe1bmg1/Untitled-1.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুম]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/wqe1bmg1/Untitled-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জামায়াত জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক নুসরাত তাবাসসুমকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।</p><p>গতকাল সোমবার নুসরাতকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। একই সঙ্গে এ–সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে ইসি। আজ এই গেজেট (৪ মে সই করা) প্রকাশ করা হলো।</p><p>জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন মোট ৫০টি। এর মধ্যে ৪৯ জন গত রোববার শপথ নেন।</p><p>জামায়াত জোট ১৩টি নারী আসন পায়। এর মধ্যে জোটের ১২ জন প্রার্থী শপথ নেন। তবে এই জোট থেকে মোট ১৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে জোটের এক প্রার্থী মনিরা শারমিনের মনোনয়ন বাছাইয়ে বাতিল হয়। আর নির্ধারিত সময়ের পরে যাওয়ায় জোটের আরেক প্রার্থী নুসরাতের মনোনয়ন প্রথমে গ্রহণ করেননি রিটার্নিং কর্মকর্তা। পরে আদালতের নির্দেশে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হয়, বাছাইয়ে তা বৈধ হয়।</p><p>এখন নুসরাতকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করল ইসি। নিয়ম অনুযায়ী এখন নুসরাতের শপথ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে সংসদ সচিবালয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/politics/4d28oq6hor">নুসরাত তাবাসসুমকে নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করতে যাচ্ছে ইসি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>হোয়াইট হাউসের কাছে বন্দুকধারীর গুলি, পাল্টা গুলিতে আহত সন্দেহভাজন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/international/8o9ts2teao</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/international/8o9ts2teao#comments</comments><guid isPermaLink="false">ad576b12-7fbe-4603-9614-d569691150cc</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:52:12 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:52:12.504Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>হোয়াইট হাউস,যুক্তরাষ্ট্র,গুলি</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/fnbhd2l6/YT-GFX.00065108.Still027.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/fnbhd2l6/YT-GFX.00065108.Still027.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>International</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউসে কাছে গুলির ঘটনা ঘটেছে। কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার পর পালানোর চেষ্টা করলে সিক্রেট সার্ভিস পাল্টা গুলি চালায়। এতে সন্দেহভাজন এক কিশোর আহত হয়। ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/xZAM7tRUEEE"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুরে রেলক্রসিংয়ে বালুভর্তি ট্রাক বিকল, ঢাকা-যমুনা সেতু রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িক বন্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q7f0bwb4rg</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q7f0bwb4rg#comments</comments><guid isPermaLink="false">7d49032d-771e-4dcf-9682-c1a1241bc763</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:50:10 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:50:10.765Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সোনাখালী রেলক্রসিংয়ে বালুভর্তি একটি ট্রাক বিকল হয়ে রেললাইনের ওপর আটকে পড়ায় ঢাকা-যমুনা সেতু রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।]]></description><media:keywords>কালিয়াকৈর,গাজীপুর,ঢাকা বিভাগ,ট্রেন</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/z0uohilf/gazipurdh061520260505img-20260505-wa0012.jpg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ সোনাখালী রেলক্রসিংয়ে বালুভর্তি একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/z0uohilf/gazipurdh061520260505img-20260505-wa0012.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সোনাখালী রেলক্রসিংয়ে বালুভর্তি একটি ট্রাক বিকল হয়ে রেললাইনের ওপর আটকে পড়ায় ঢাকা-যমুনা সেতু রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এতে ঘটনাস্থলের পাশে নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনসহ কয়েকটি ট্রেন আটকে পড়ে যাত্রীদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে কালিয়াকৈর-ধামরাই সড়কের সোনাখালী রেলক্রসিং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।</p><p>প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বালুভর্তি একটি ট্রাক রেললাইন পার হওয়ার সময় হঠাৎ বিকল হয়ে পড়ে এবং রেললাইনের ওপর আটকে যায়। স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি সরানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হয়নি।</p><p>রেলওয়ে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সড়কটির দুই পাশেই খানাখন্দ থাকায় ভারী যানবাহন চলাচলে প্রায়ই সমস্যা হয়। বিশেষ করে রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় অনেক ট্রাক ধীরগতিতে চলতে গিয়ে মাঝপথে আটকে পড়ে। এ কারণে প্রায়ই ট্রেন চলাচলে বিঘ্ন ঘটে এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়ে। ঘটনার পরপরই রেলওয়ে কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হলে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ট্রাকটি সরানোর চেষ্টা শুরু করে। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ট্রাকটি সরানো সম্ভব হয়নি এবং ওই রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।</p><p>এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সোনাখালী রেলক্রসিংয়ের সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে প্রায়ই এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। তাঁরা দ্রুত সড়কটি সংস্কার এবং স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে ট্রেন চলাচলে আর কোনো বিঘ্ন না ঘটে।</p><p>জয়দেবপুর রেলওয়ে জংশনের স্টেশনমাস্টার মাহমুদুল হাসান বলেন, রেললাইনের ওপর একটি ট্রাক বিকল হয়ে পড়ায় আপাতত এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থলের কাছে আটকা রয়েছে। ট্রাকটি সরানোর জন্য কাজ চলছে, দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মেট গালায় নিজের নামের সিনেমায় হাজির সাবরিনা কার্পেন্টার</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/nnrngrjuu0</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/style/nnrngrjuu0#comments</comments><guid isPermaLink="false">ba9fe52d-7534-4854-a1dd-3e440cdd6088</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:48:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:48:01.946Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মৃণাল সাহা</atom:name><atom:uri>/api/author/1442826</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>তারকা সাজ,স্টাইল,পোশাক,মেট গালা ২০২৬</media:keywords><category>স্টাইল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ সময় গতকাল দিবাগত রাত সাড়ে তিনটা থেকে আজ সকাল সাতটা পর্যন্ত হয়ে গেল ফ্যাশনজগতের সবচেয়ে জমকালো আয়োজন মেট গালা। সেখানে ‘সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার।</p><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/dk77hi58/Cover-1.jpg" /><figcaption>এবারের মেট গালার থিম ছিল ‘ফ্যাশন ইজ আর্ট’। মার্কিন গায়িকা সাবরিনা কার্পেন্টার যেন সেটাকে নিয়েছিলেন আক্ষরিক অর্থেই। মেট গালার লালগালিচায় সাবরিনা হাজির হয়েছিলেন ‘সিনেমা’ হয়ে</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/qy7rz8c5/8-1.jpg" /><figcaption>এবারের মেট গালায় নজর কেড়ে নিয়েছে সাবরিনা কার্পেন্টারের লুক। ডিজাইনার জোনাথন অ্যান্ডারসনের করা কাস্টম ‘ডিওর’ গাউনটি তৈরি করা হয়েছে সত্যিকারের সিনেমার ফিল্ম রোল দিয়ে</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/sjeawzg5/7-1.jpg" /><figcaption>সেটাও আবার যেনতেন সিনেমা নয়, ১৯৫৪ সালে মুক্তি পাওয়া বিখ্যাত হলিউড সিনেমা ‘সাবরিনা’র ফিল্ম রোল দিয়ে বানানো হয়েছে পোশাকটি। সেই সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অড্রে হেপবার্ন</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/iaizz7l5/6-1.jpg" /><figcaption>এমনকি নখে ছিল ক্ল্যাসিক ফ্রেঞ্চ টিপস, যা নকশা করা হয়েছে ছোট ফিল্ম স্ট্রিপের মতো করে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/ergpa35orr">মেট গালায় ১০ বছর পর বিয়ন্সে ফিরলেন ‘রানি’ হয়ে</a></aside><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/pig0sdmw/4-1.jpg" /><figcaption>হল্টার নেক, থাই-হাই স্লিটের গাউনের পুরোটাই তৈরি করা হয়েছে ফিল্মের রোল দিয়ে। এ ছাড়া কোমরের এক পাশে ফিল্মের স্ট্রিপ দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল বিশাল একটি বো। পোশাকের পেছনের দিকে ছিল ভিক্টোরিয়ান স্টাইলের বাসল</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0pvjjid8/1-1.jpg" /><figcaption>১৯৫৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘সাবরিনা’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অড্রে হেপবার্ন, হামফ্রে বোগার্ট ও উইলিয়াম হোলডেন। ১৯৯৫ সালে সিনেমাটির একটি রিমেক তৈরি হয়। সেখানে অভিনয় করেছিলেন হ্যারিসন ফোর্ড, জুলিয়া অরমন্ড ও গ্রেগ কিনিয়ার</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bpxfqeum/2-1.jpg" /><figcaption>পোশাকের সঙ্গে সঙ্গে পুরো ওল্ড হলিউড স্টাইলে ফেরত গিয়েছিলেন সাবরিনা। আইকনিক বব কাটের সঙ্গে ছিল ক্রিস্টালের টিয়ারা। </figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/o8iv9cl2/5-1.jpg" /><figcaption> সাবরিনার লুকে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে রত্নখচিত টিয়ারা। যেখানে রত্নপাথরে খোদাই করা ছিল ‘সাবরিনা’ সিনেমার পোস্টার। সঙ্গে ছিল হীরার কানের দুল ও আংটি</figcaption></figure><figure><img alt="মেট গালায় সিনেমা’ হয়ে হাজির হয়েছিলেন মার্কিন পপ তারকা সাবরিনা কার্পেন্টার" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/yczprhrq/3-1.jpg" /><figcaption>‘স্বপ্নের মতো লাগছে। নিজের পছন্দের সিনেমা নিয়ে মেট গালার মঞ্চে হাজির হতে পেরেছি, এটা ভেবেই অনেক ভালো লাগছে। পুরো লুকের ক্রেডিট যাবে জোনাথন অ্যান্ডারসনের কাছে,’ ভোগকে দেওয়া ছোট্ট সাক্ষাৎকারে বলেন সাবরিনা</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/5y17x8pfsp">১০ বছর পর মেট গালায় ফিরছেন বিয়ন্সে, সঙ্গে থাকছে কী?</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ভারত ও চীনের দর্শক কি বিশ্বকাপ দেখতে পারবেন </title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/pud9pvo143</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/pud9pvo143#comments</comments><guid isPermaLink="false">697b1090-8ade-4b6e-b8dc-82b79d1e7a50</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:41:41 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:41:41.245Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ভারতে ক্রিকেটের মতো জনপ্রিয় নয় ফুটবল। ইরান যুদ্ধের কারণে বিজ্ঞাপনের বাজারে যে মন্দা দেখা দিয়েছে, তা বিশ্বকাপের খেলা প্রচার করে আয়ের প্রত্যাশায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। ]]></description><media:keywords>বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬</media:keywords><media:content height="2510" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-04/hqsuc2tu/659697-01-02.jpg" width="3765"><media:title type="html"><![CDATA[ ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-04/hqsuc2tu/659697-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিশ্বকাপ শুরু হতে আর বেশি দেরি নেই। আগামী ১১ জুন শুরু হতে যাওয়া বৈশ্বিক এ আসর দেখার সুযোগ না–ও পেতে পারেন ভারত ও চীনের কোটি কোটি দর্শক। বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে জটিলতায় পড়েছে ভারত ও চীন। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি।</p><p>ভারতে বিশ্বকাপের স্বত্ব পেতে রিলায়েন্স ও ডিজনি যৌথ উদ্যোগে ২ কোটি ডলারের প্রস্তাব দিয়েছে, যা ফিফার চাহিদার তুলনায় খুবই নগণ্য। ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এই দামে রাজি নয় বলে গতকাল সোমবার রয়টার্সকে জানিয়েছে দুটি সূত্র। সংশ্লিষ্ট আরেকটি সূত্র জানায়, জাপানি প্রতিষ্ঠান সনি এ নিয়ে আলোচনা চালালেও শেষ পর্যন্ত ভারতে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ফিফাকে কোনো প্রস্তাব না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p><p>বিশ্বকাপের সম্প্রচার নিয়ে চীনের সঙ্গেও এখনো ফিফার কোনো চুক্তির ঘোষণা আসেনি। ফিফার তথ্যমতে, ২০২২ বিশ্বকাপ চলাকালে বিশ্বজুড়ে ডিজিটাল ও সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মগুলোতে মোট যত সময় খেলা দেখা হয়েছে, তার ৪৯.৮ শতাংশই দেখেছেন চীনের দর্শক। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া বিবৃতিতে ফিফা জানিয়েছে, এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৭৫টির বেশি অঞ্চলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব নিয়ে চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।<br>ফিফার বিবৃতিতে বলা হয়, ‘২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রির বিষয়ে চীন ও ভারতের সঙ্গে আলোচনা চলছে। তবে এ পর্যায়ে এ–সংক্রান্ত তথ্য গোপন রাখা প্রয়োজন।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-01/d07146cd-7852-4e95-819c-3e0ae0d08235/fifa.jpg" /><figcaption>সুইজারল্যান্ডের জুরিখে ফিফার সদরদপ্তর</figcaption></figure><p>ভারতের ধনকুবের মুকেশ আম্বানির মালিকানাধীন রিলায়েন্স-ডিজনির যৌথ উদ্যোগের প্রতিষ্ঠান এবং সনির সঙ্গে এ বিষয়ে রয়টার্সের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলেও কেউ মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বিশ্বকাপ শুরুর খুব অল্প দিন বাকি থাকতে ভারত বা চীনে সম্প্রচার চুক্তি নিয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়াটা বেশ অস্বাভাবিক।</p><p>২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপ শুরুর বেশ আগেভাগেই সম্প্রচার স্বত্ব নিশ্চিত করেছিল চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি। টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই তারা প্রচারণামূলক অনুষ্ঠান ও পৃষ্ঠপোষকদের বিজ্ঞাপন প্রচার শুরু করে।</p><p>টিভি ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও রয়টার্স এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি সিসিটিভি।</p><p>২০২২ বিশ্বকাপে বিশ্বজুড়ে সরাসরি টেলিভিশন সম্প্রচার দেখা দর্শকদের ১৭ দশমিক ৭ শতাংশই ছিল চীনের। ভারতের ক্ষেত্রে এই হার ২ দশমিক ৯ শতাংশ। এ ছাড়া সেবার বিশ্বকাপের মোট ডিজিটাল স্ট্রিমিংয়ের ২২ দশমিক ৬ শতাংশই ছিল এই দুই দেশের দখলে।</p><h3>কেন এই অনীহা</h3><p>নাম প্রকাশ না করার শর্তে সূত্রগুলো জানিয়েছে, ২০২৬ ও ২০৩০ বিশ্বকাপের সম্প্রচার স্বত্বের জন্য ভারতের কাছে শুরুতে ১০ কোটি ডলার দাবি করেছিল ফিফা।</p><p>২০২২ বিশ্বকাপে ভারতে রিলায়েন্স প্রায় ৬ কোটি ডলারে সম্প্রচার স্বত্ব কিনেছিল। সেই চুক্তির বিষয়টি টুর্নামেন্ট শুরুর প্রায় ১৪ মাস আগে ঘোষণা করা হয়। রয়টার্সকে ফিফার একটি সূত্র বলেন, ‘এবারের আসরের জন্যও ফিফা সমপরিমাণ অর্থই চাইছে।’</p><p>রিলায়েন্স ও ডিজনি একীভূত হওয়ায় ভারতের মিডিয়া ও স্ট্রিমিং জগতে তারা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করেছে। ফিফাকে তাদের ২ কোটি ডলারের প্রস্তাবটি মূলত ভারতের বাজারে এই গোষ্ঠীর দর-কষাকষির শক্তিশালী অবস্থানকেই তুলে ধরে। একটি সূত্র রয়টার্সকে জানান, ফিফা আগের চাওয়া ১০ কোটি ডলার থেকে সরে এসে দাবির অঙ্ক অনেক কমালেও রিলায়েন্সের দেওয়া ২ কোটি ডলারের প্রস্তাবে এখনো সায় দেয়নি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-02-26/e47nwo1y/G7XvlAWWwAAqoV9.jpg" /><figcaption>এবারের বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে</figcaption></figure><p>ক্রিকেটের পেছনে কোটি কোটি ডলার খরচ করা রিলায়েন্স-ডিজনি মনে করছে, এবারের বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হওয়ায় ভারতে দর্শকসংখ্যা কম হতে পারে। কারণ, অধিকাংশ ম্যাচই ভারতের সময় অনুযায়ী মাঝরাতের পর অনুষ্ঠিত হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/sd30g4tw5x">এভারটনের মাঠে ম্যান সিটির হোঁচট, আর্সেনালে উৎসবের আমেজ</a></aside><p>চীনের প্রায় ২০ কোটি ফুটবল–ভক্ত রয়েছে, যা বিশ্বের যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি। কিন্তু বিশ্বমানের জাতীয় দল গড়তে তারা ব্যর্থ হয়েছে। এর অন্যতম কারণ দেশটির ‘টপ-ডাউন’ পদ্ধতি, যেখানে ক্লাবগুলো খেলোয়াড় বাছাইয়ের ক্ষেত্রে খুব সীমিত একটি গণ্ডির ওপর নির্ভর করে।</p><p>ভারতে ক্রিকেটের মতো ফুটবলের বাণিজ্যিক কদর নেই। এর ওপর ইরান যুদ্ধের কারণে বিজ্ঞাপনের বাজারে যে মন্দা দেখা দিয়েছে, তা আয়ের প্রত্যাশায় বড় ধাক্কা দিয়েছে। সূত্রের ভাষায়, ‘ভারতে ফুটবল এখনো নির্দিষ্ট কিছু মানুষের খেলা।’</p><p>ভারতে সনির টিভি চ্যানেল ও স্ট্রিমিং অ্যাপ রয়েছে। সূত্রের দাবি, সনিও তাদের টিভি চ্যানেল বা স্ট্রিমিং অ্যাপের জন্য ফিফার কাছ থেকে বিশ্বকাপের স্বত্ব না কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ, এই বিনিয়োগ তাদের কাছে ব্যবসায়িকভাবে লাভজনক মনে হয়নি।</p><p>বিজ্ঞাপনী সংস্থা ‘ডেন্টসু ইন্ডিয়া’র ক্রীড়া বিভাগের ম্যানেজিং পার্টনার রোহিত পোতফোড়ে বলেন, ‘সময় খুব বেশি নেই, তবে আমি একে অচল অবস্থা বলব না। পরিস্থিতিটা এখন দাবার লড়াইয়ে একদম শেষ মুহূর্তের মতো, যেখানে মাত্র কয়েক চাল বাকি আছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/b5c7u2gnnz">আর্সেনাল, না আতলেতিকো—অপেক্ষা ফুরাবে কাদের</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুর</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/f29k21kh45</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/f29k21kh45#comments</comments><guid isPermaLink="false">c4f89093-4c72-4f61-9bc8-25ed094aec05</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:41:07 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:41:07.387Z</atom:updated><atom:author><atom:name>তথ্যসূত্র:</atom:name><atom:uri>/api/author/1851499</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিজেপির লোকজন এসব হামলা–ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।]]></description><media:keywords>তৃণমূল কংগ্রেস,পশ্চিমবঙ্গ,কলকাতা,ভাঙচুর</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/385tx186/Untitled-1.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ কলকাতার রুবি ক্রসিংয়ে তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। কোলাজ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/385tx186/Untitled-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।</p><p>বিজেপির লোকজন এসব হামলা–ভাঙচুর চালিয়েছেন বলে অভিযোগ তৃণমূলের। তবে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি।</p><p>তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, গতকাল সোমবার ভোটের ফলাফলের গতিপ্রকৃতি স্পষ্ট হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুর চালানো হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/x7ftlrxk88">পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির, হারলেন মমতাও</a></aside><p>যেসব স্থানে তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলা–ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে, তার মধ্যে রয়েছে কলকাতা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, উত্তর চব্বিশ পরগনা, কোচবিহার, হাওড়া ও মুর্শিদাবাদ।</p><p>দ্য স্টেটসম্যান পত্রিকার ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিওতে দেখা যায়, কলকাতার রুবি ক্রসিংয়ে তৃণমূলের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। সেখানে থাকা লোকজনের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা দেখা গেছে।</p><p>পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গতকাল গণনা করা হয়। ফলাফল অনুযায়ী, বিজেপি ২০৬ আসনে জয়ী। তৃণমূল জয়ী ৮১ আসনে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/us1hmb9xvh">পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূলের আলোচিত প্রার্থীরা কে কার কাছে হারলেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>মেট গালায় ১০ বছর পর বিয়ন্সে ফিরলেন ‘রানি’ হয়ে</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/ergpa35orr</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/ergpa35orr#comments</comments><guid isPermaLink="false">c0ed4ce2-7983-4fa9-87da-aa8f05e3e4b8</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:34:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:34:48.337Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মৃণাল সাহা</atom:name><atom:uri>/api/author/1442826</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিয়ন্সে,তারকা সাজ,মেট গালা ২০২৬,পোশাক</media:keywords><category>জীবনযাপন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এবারের মেট গালায় সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিলেন মার্কিন গায়িকা বিয়ন্সে। পুরো এক দশক পর তাঁর মেট গালায় প্রত্যাবর্তন হলো রানির বেশে।</p><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/6ouuzvbg/6.jpg" /><figcaption>এক দশক পর মেট গালায় লালগালিচায় আগমন, তার ওপর কো-চেয়ার। বিয়ন্সের প্রত্যাবর্তনটা হওয়া উচিত ছিল রানির মতো। দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং ডিজাইনার অলিভিয়ে রোস্তাঁ সেটা ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছিলেন</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/eou44poe/5.jpg" /><figcaption>অলিভিয়ে রোস্তাঁ বিয়ন্সের জন্য তৈরি করেছেন কঙ্কালসদৃশ এক গাউন। দূর থেকে দেখে মনে হবে, বিয়ন্সে যেন কঙ্কালদের রানি। পাঁজর থেকে শুরু করে মেরুদণ্ড, কোমরের হাড়ের নিখুঁত কারুকাজ করা হয়েছে হীরা ও ক্রিস্টালের সংমিশ্রণে</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/no1dxi1h/Cover.jpg" /><figcaption>গাউনের সঙ্গে ছিল বিশাল ধূসর ট্রেইন। প্রায় ১০ ফুট লম্বা ট্রেইনটি পুরোটাই তৈরি করা হয়ে অম্ব্রে ফেদার কেপ দিয়ে, যে ট্রেইন সামলাতে বিয়ন্সেকে সাহায্য করেছেন পাঁচজন সহকারী</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ozfa1qor/8.jpg" /><figcaption>প্রথম দেখায় মনে হতে পারে, ৪৪ বছর বয়সী বিয়ন্সে শুধু কঙ্কালের গাউনটিই পরে আছেন; তা কিন্তু নয়, পুরো পোশাক তৈরি করা হয়েছে একটি ন্যুড গাউনের ওপর। ন্যুড গাউনকে যেন নতুন করে ট্রেন্ডে আনলেন বিয়ন্সে</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/azylqd1p/7.jpg" /><figcaption>তবে তাঁর লুককে আরও আকর্ষণীয় করেছে ফ্রেঞ্চ লাক্সারি ব্র্যান্ড ‘শোপা’র তৈরি জুয়েলারি আর হীরার মুকুট। মুকুটটি কে তৈরি করেছেন, তা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি। কিন্তু সেখানে হীরার কাজ করা হয়েছে ‘শোপা’ থেকে</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/obqwp1im/2.jpg" /><figcaption>পোশাকের সঙ্গে মিল রেখে চুলের স্টাইলেও পরিবর্তন এনেছেন বিয়ন্সে। নিজের সিগনেচার স্টাইল পরিবর্তন করে বেছে নিয়েছিলেন লম্বা ক্রিম্পড ওয়েভ হেয়ারস্টাইল। পোশাকের সঙ্গে সেটাই বেশ মানিয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/yu0vnhqy/4.jpg" /><figcaption>এবারের আসরের শো-স্টপার ছিলেন বিয়ন্সে। তাঁকে দিয়েই জমকালো আয়োজনের পর্দা নেমেছে এবার। বালমাইনের সাবেক প্রধান ডিজাইনার অলিভিয়ে রোস্তাঁ তাঁকে সাজিয়েছেন ঠিক সেভাবেই</figcaption></figure><figure><img alt="১০ বছর পর মেট গালায় বিয়ন্সে " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/xya8z0ui/3.jpg" /><figcaption>মেট গালায় বিয়ন্সে এসেছিলেন স্বামী জে-জি ও বড় মেয়ে ব্লু আইভিকে নিয়ে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য মেট গালায় প্রবেশের অনুমতি না মিললেও ১৪ বছর বয়সী ব্লু আইভির জন্য ছাড় দিয়েছেন অ্যানা উইনটোর। এটিই ছিল ব্লু আইভির প্রথম মেট গালা</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/5y17x8pfsp">১০ বছর পর মেট গালায় ফিরছেন বিয়ন্সে, সঙ্গে থাকছে কী?</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>হাকালুকি হাওরপারের বাতাসে ভেজা–পচা ধানের গন্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9j26a69v70</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9j26a69v70#comments</comments><guid isPermaLink="false">b026975e-1967-43d5-9921-2db103df18a2</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:33:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:33:11.403Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কল্যাণ প্রসুণ	</atom:name><atom:uri>/api/author/1410450</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরকারি হিসাবে অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে জুড়ী উপজেলার ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে।]]></description><media:keywords>সিলেট বিভাগ,মৌলভীবাজার,জুড়ী,হাওর,কৃষক,ধান চাষ,ভোগান্তি</media:keywords><media:content height="1632" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/p8up8tyd/MoulavibazarDH054220260505IMG20260504174823.jpg" width="2448"><media:title type="html"><![CDATA[ রোদ উঠায় সড়কে ভেজা ধান শুকানোর তোড়জোড়। সোমবার মৌলভীবাজারের জুড়ীর উত্তর জাঙ্গিরাই-খালেরমুখ বাজার সড়কে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/p8up8tyd/MoulavibazarDH054220260505IMG20260504174823.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার হাকালুকি হাওরপারের উত্তর জাঙ্গিরাই এলাকায় পাকা সড়কের এক পাশে বসে চুলায় বড় ডেকচিতে (সিলভারের পাতিল) ধান সেদ্ধ করছিলেন জমিলা খাতুন নামের এক নারী। পাশে বেশ কিছু ভেজা ধান স্তূপ করে রাখা। জমিলার স্বামী কৃষক ফুল মিয়া পাশের হাকালুকি হাওরে ১৫ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেছেন। কয়েক দিনের ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে অন্যদের মতো তাঁদের জমিও তলিয়ে যায়। কিছু ধান কেটে আনেন। কিন্তু রোদের অভাবে শুকানো যাচ্ছিল না। প্রায় অর্ধেক ধান অঙ্কুরিত হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভেজা ধান সেদ্ধ করে রক্ষার চেষ্টা চালাচ্ছেন। </p><p>চুলায় আগুন দিতে দিতে জমিলা বললেন, ‘ছয়-সাত দিন ধরি রোদ নাই, খালি মেঘ-বৃষ্টি অর (হচ্ছে)। ধান মাড়া (মাড়াই) দিয়া হুকানি গেছে না। ভিজা ধান জালা (অঙ্কুরিত) অই গেছে। চউখের সামনে ধানটা নষ্ট অই যার (যাচ্ছে)। ভিজা ধানরে বাঁচাইবার লাগি সিদ্ধ দিয়ার, শুকাইতে না পারলে এইটাও নষ্ট অই যাইব।’</p><p>একপর্যায়ে জমিলার স্বামী ফুল মিয়া সেখানে হাজির হন। ফুল মিয়া জানালেন, হাওরে ১৫ বিঘা জমিতে বোরো ধানের আবাদ করেন। সব জমির ফসল পানির নিচে চলে যায়। এর মধ্যে তিন বিঘা অথই পানিতে থাকায় ধান কেটে আনা সম্ভব হয়নি।</p><p>সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা স্কুলশিক্ষক রফিকুল ইসলাম। তিনি বললেন, এবারের মতো হাওরের ফসলের ক্ষতি কয়েক বছরের মধ্যে হয়নি।</p><p>উত্তর জাঙ্গিরাই গ্রাম থেকে হাকালুকি হাওরের পাশ ঘেঁষে নয়াগ্রাম খালেরমুখ বাজার সেতু পর্যন্ত একটি আরসিসি সড়ক গেছে। গতকাল সোমবার বিকেলের দিকে গিয়ে দেখা য়ায়, আবহাওয়া অন্য দিনের চেয়ে ভালো। দুপুরে কয়েক ঘণ্টা রোদ ছিল। পুরো সড়কের দুই পাশে কয়েক হাত পরপর ভেজা ধানের স্তূপ। বাতাসে ভেজা, পচা ধানের গন্ধ ছড়াচ্ছিল। সেখানে কেউ যন্ত্রে ধান মাড়াই করছিলেন আবার কেউ রাস্তায় ধান শুকাচ্ছিলেন।</p><p>নয়াগ্রাম বাজারের কাছে জুড়ী নদীতে ধানবোঝাই একটি নৌকা থেকে কয়েকজন শ্রমিক ভেজা ধানের আঁটি মাথায় করে নিয়ে সড়কের পাশে স্তূপ করছিলেন। সেখানে দাঁড়ানো সুফিয়া বেগম জানালেন, ধানগুলো তাঁদের জমির। পাশের বাছিরপুর গ্রামে তাঁদের বাড়ি। হাওরে তিন বিঘা জমির ধান ডুবে যায়। শ্রমিকদের দিয়ে এক বিঘার ধান কেটে এনেছেন।</p><p>সুফিয়া খাতুন নামের এক গৃহিণী বলেন, ‘চাইরজন (চার) কামলা লাগাইছি, আগে কামলার রোজ আছিল ৭০০-৮০০ টেকা (টাকা)। অখন লাগে ১ হাজার টেকা (টাকা)। ধান আনতে নৌকা লাগে। ছোট নৌকার ভাড়া ১ হাজার, বড় নৌকার ২ হাজার টেকা। পানিত থাকতে থাকতে ধান হিজি (ভিজা) গেছে। অখন মেশিনে মাড়া দিয়া হুকানি লাগব। টিকানি যাইবনি অউটাউ চিন্তা করিয়ার।’</p><p>দুপুরে রোদ ওঠায় নয়াগ্রামের আরসিসি রাস্তায় আশপাশের লোকজনের ধান শুকানোর ধুম পড়ে। নারীরা শুকাতে দেওয়া ধান পা দিয়ে নেড়ে দিচ্ছিলেন। মিনারা বেগম নামের এক নারী বললেন, ‘মানুষর কষ্ট দেখিয়া আল্লাহ দিন ভালা করছইন (রোদ ওঠা)। অলা তিন-চার দিন থাকলেই অইলো।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/2uklrpy6/MoulavibazarDH054220260505IMG20260504175210.jpg" /><figcaption>সড়কে যন্ত্রে ধান মাড়াই চলছে। মৌলভীবাজারের জুড়ীর নয়াগ্রামে</figcaption></figure><p>খালেরমুখ বাজারের পাশ দিয়ে জুড়ী নদীর সঙ্গে যুক্ত একটি ছোট খাল হাকালুকি হাওরে গিয়ে মিশেছে। ওই খাল দিয়ে ধানবোঝাই একটি নৌকায় রশি বেঁধে টেনে টেনে আনছিলেন দক্ষিণ কালনীগড় গ্রামের তরুণ রাজু দাস। কয়েক দিনের বৃষ্টিতে খালের পাড়ের কাঁচা রাস্তা কাদায় একাকার অবস্থা। ওই রাস্তারও দুই পাশে ভেজা ধানের স্তূপ লেগে আছে।</p><p>রাজু জানালেন, হাওরে তাঁদের সাড়ে ১৪ বিঘার মধ্যে ৯ বিঘা জমির ফসল পানির নিচে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও চার দিন ধরে সাতজন শ্রমিক দিয়ে ৫ বিঘার ধান কাটাতে পেরেছেন। রাজু বলেন, ‘মেহনত করি খেত করছি। খেতের ধানে ঘরে বছরর খানি চলে। কিছু বেচতামও। ধান লাগানি, কাটানির খরচ হিসাব করলে অনেক টেকা। ধানটা ঘরো তুলতে পারলেউ শান্তি।’</p><p>হাওরে ওই অংশের ফসলের ক্ষয়ক্ষতির কারণ হিসেবে সেচের অভাবে দেরিতে চাষাবাদ শুরু করাকে দায়ী করেন উত্তর জাঙ্গিরাই এলাকার বাসিন্দা গবাদিপশুর খামারি হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বোরো মৌসুমের শুরুতে উপজেলা সদরের উত্তর ভবানীপুর এলাকায় জুড়ী নদীতে মাটির বাঁধ স্থাপন করে কণ্ঠিনালা শাখা নদী দিয়ে পানি ছেড়ে দেওয়া হয়। এতে হাওরের একাংশের কৃষকেরা সেচসুবিধা পান। সঠিক সময়ে চাষাবাদ করে তাঁরা ফসল ঘরে তুলতে পারেন। এদিকে দেরিতে বাঁধ অপসারণ করায় এ এলাকায় ধান আবাদে দেরি হয়ে যায়। ফসলও দেরিতে আসে। তখন আগাম বন্যায় প্রায়ই ফসলহানি ঘটে।</p><p>উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল আলম খান গতকাল সোমবার বিকেলে হাওরের ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। নয়াগ্রাম এলাকায় দেখা হলে তিনি বললেন, উপজেলার ৬ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। অতিবৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে হাকালুকি হাওরের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ধান পানির নিচে চলে গেছে। যাঁরা ধান কাটতে পেরেছেন, রোদের অভাবে শুকাতে পারছেন না। প্রায় প্রতিদিনই বৃষ্টি হচ্ছে। অনেকের ধান চারা হয়েও যাচ্ছে। কৃষি বিভাগ উপজেলায় প্রায় আড়াই হাজার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা তৈরির কাজ করছে। তাঁদের প্রণোদনা দিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্যক্তিগত নোটে অমূল্য ইতিহাস</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/books/sscu4f4nop</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/books/sscu4f4nop#comments</comments><guid isPermaLink="false">fe12426d-5382-4b30-8d9d-595c05a700bd</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মুক্তিযুদ্ধ,বইপত্র-অন্য আলো,বই,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/uyp2gt98/Tajuddin.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ `মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশ' বইয়ের প্রচ্ছদ অবলম্বনে গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/uyp2gt98/Tajuddin.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>books</category><content:encoded><![CDATA[ <p>স্বাধীন একটি ভূখণ্ডের জন্য শত বছর ধরে সংগ্রামরত বাঙালি জাতির জন্য ১৯৭১ একটি অতিগুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ। এ পর্বে রক্তক্ষয়ী একটি যুদ্ধে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম। বাঙালির গৌরবজনক এই রাজনৈতিক অধ্যায়ের অন্যতম প্রধান চরিত্র তাজউদ্দীন আহমদ, যিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে ১৯৭১ সালের জনযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছেন। অস্থির ও উত্তাল সেই সময়ে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করাও তাঁর জন্য সহজ ছিল না। তীব্র অন্তর্দলীয় কোন্দল, মতবিরোধ, বিভিন্ন পক্ষের অসহযোগিতা, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র ও মতাদর্শগত বিভক্তি মোকাবিলা করেই বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছিল। বন্ধুর এ যাত্রাপথে তাঁকে পদে পদে বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। অনেক সময় হয়ে পড়েছেন একান্ত একা। এ কারণে অনেক ইতিহাস বিশ্লেষক তাঁকে ১৯৭১ সালের নিঃসঙ্গ সারথি হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন।</p><p>যুদ্ধদিনের এই নিঃসঙ্গ সারথির এক দারুণ অভ্যাস ছিল। তিনি বিভিন্ন আলোচনার নোট নিতেন, ডায়েরি লিখতেন। তাজউদ্দীন আহমদের মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশে ব্যক্তিগত নোট নিয়েই এ গ্রন্থ। মেধাবী, দূরদর্শী ও সংবেদনশীল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে প্রতিনিয়ত তাজউদ্দীন আহমদকে নানা ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলতে হতো। যোগ দিতে হতো গুরুত্বপূর্ণ নানা বৈঠকে। এসব ব্যক্তিগত আলাপচারিতা ও বৈঠকের নোটই এ গ্রন্থের প্রধান আধেয়, যাতে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বহু অন্ধকার অধ্যায় সম্পর্কে অতিগুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত রয়েছে।</p><p>যুদ্ধদিনের একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরীর সঙ্গে আলাপচারিতায় তাজউদ্দীন আহমদ বেশ ইঙ্গিতপূর্ণ নোট নিয়েছিলেন। তাতে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ লিখছেন, ঘণ্টাখানেক অপেক্ষার পরও, অগ্রিম আমন্ত্রণ জানানো সত্ত্বেও সেক্টর কমান্ডার-২ আসেননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/i38kraqj/Tajuddin.jpeg" /><figcaption>`মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশ’ বইয়ের প্রচ্ছদ</figcaption></figure><p>তাঁর উসকানিতে ভাষণ দেওয়ার সময় জওয়ানরা এ প্রশ্ন করেছেন? আওয়ামী লীগ তাঁদের জন্য কী করেছে, একই আলোচনায় তাজউদ্দীন আরও নোট নিয়েছেন, ক্যাপ্টেন হায়দারের প্রশিক্ষণার্থীরা, তাঁদের অর্ধেকই আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দেননি।—তাজউদ্দীনের নোটের এই দুটো বাক্য খুবই সাদামাটা ও সাধারণ বলে মনে হতে পারে। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে ইতিহাসের গভীর অনুষঙ্গ ও যোগসূত্র খুঁজে পাওয়া যায়। একটু খতিয়ে দেখা যাক। ১৯৭১ সালে সেক্টর-টু–এর অধিনায়ক ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ আর তাঁর অধীনে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দিতেন ক্যাপ্টেন হায়দার। মুক্তিযুদ্ধে এই দুই মুক্তিযোদ্ধার অবদান নিয়ে কোনো সংশয় নেই। কিন্তু যুদ্ধদিনে তাঁদের সঙ্গে মুজিবনগর সরকারের দ্বন্দ্ব ছিল। একটু মনে করিয়ে দিই, ১৯৭১ সালে রাজধানী ঢাকা ছিল সেক্টর টু–এর অধীনে। আর এই সেক্টরে যোগ দিতে চিন্তাচেতনায় অগ্রগামী বা কিছুটা বামঘেঁষা ছাত্র-যুবারা সীমান্ত পাড়ি দিচ্ছিলেন। রুমী, বদি, আজাদরা এই দলেই ছিলেন। মুক্তিকামী এসব তরুণের অনেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির প্রতি অনুরক্ত ছিলেন না। তাই মুক্তিবাহিনীতে তাঁদের যোগদান ও পরের দিকে নানা বিষয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তাঁদের দ্বন্দ্ব ছিল। যে দ্বন্দ্ব ও সংঘাত যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশেও অব্যাহত ছিল।</p><p>সাজ্জাদ শরিফের সম্পাদনায় বইটি মোটা দাগে দুই ভাগে বিভক্ত। প্রথম পর্বে আছে তাজউদ্দীনের যুদ্ধকালীন নোট, পরের অংশে যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশের। স্বাধীন বাংলাদেশের পর্বটি শুরু হয়েছে ১৯৭২ সালের জুলাই মাসের শেষ দিকে।</p><blockquote>ফেনী জেলার এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় তাজউদ্দীন নোট নিয়েছেন, ছাত্ররা দুই ভাগে বিভক্ত—মুজিববাদ ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র। (পৃষ্ঠা: ৬৭) নিশ্চিতভাবেই ইঙ্গিতপূর্ণ ও অর্থবহ নোট। এ অংশেই কুষ্টিয়ার এক নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় তাজউদ্দীন তাঁর নোট খাতায় লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট কোলাবরেটরদের ঘাঁটি’। (পৃষ্ঠা: ৬৭)</blockquote><p>ফেনী জেলার এক আওয়ামী লীগ নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় তাজউদ্দীন নোট নিয়েছেন, ছাত্ররা দুই ভাগে বিভক্ত—মুজিববাদ ও বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র। (পৃষ্ঠা: ৬৭) নিশ্চিতভাবেই ইঙ্গিতপূর্ণ ও অর্থবহ নোট। এ অংশেই কুষ্টিয়ার এক নেতার সঙ্গে আলাপচারিতায় তাজউদ্দীন তাঁর নোট খাতায় লিখেছেন, ‘বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট কোলাবরেটরদের ঘাঁটি’। (পৃষ্ঠা: ৬৭)</p><p>১৯৭৩ সালের নোটগুলোয় আরও বিস্তারিতভাবে প্রতিফলিত হয়েছে বিভক্ত ও ব্যর্থ হতে যাওয়া রাজনৈতিক ব্যবস্থার চিত্র। আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল ইসলামের সঙ্গে আলাপচারিতার নোট নিতে গিয়ে তাজউদ্দীন আহমদ লিখেছেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা এখন বঙ্গবন্ধুকে মালা দিচ্ছেন। এ অংশেই তিনি নোট নিয়েছেন, বাংলাদেশবিরোধী শক্তি প্রচারে সফল হচ্ছে: ভারতবিরোধী, হিন্দুবিরোধী, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী মনোভাব জাগাতে সমর্থ হচ্ছে। (পৃষ্ঠা: ৮৯)</p><p>পরবর্তী অংশেও এ ধরনের অনেক নোট রয়েছে, যেগুলো রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভীষণ তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতি আগ্রহী পাঠকদের জন্য এসব নোট নতুন করে চিন্তার খোরাক জোগাতে পারে। গ্রন্থটির শেষ অংশে তাজউদ্দীনের তিনটি ভাষণ বিশেষ সংযোজন। ১৯৭১ সালের যুদ্ধদিনের এই তিনটি ভাষণ সত্যিই সুলিখিত, মুক্তিসংগ্রামের অনবদ্য দলিল।</p><p>গ্রন্থটির টীকা অংশে আছে বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়। কিন্তু ঘটনা বা প্রেক্ষাপটভিত্তিক কোনো টীকা নেই। যদি ঘটনার প্রেক্ষাপটভিত্তিক টীকা সংযোজিত হতো, তাহলে অনেকের কাছে তাজউদ্দীনের নেওয়া নোটগুলোর যথার্থতা পাঠক সহজে বুঝতে পারতেন। আশা রাখছি, গ্রন্থটির সম্পাদক আগামী সংস্করণে এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেবেন।</p><p><strong>...</strong></p><p><strong>মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধ–পরবর্তী বাংলাদেশ</strong></p><p><strong>তাজউদ্দীন আহমদ</strong></p><p><strong>সম্পাদনা: সাজ্জাদ শরিফ</strong></p><p>প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন</p><p>প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২৬</p><p>প্রচ্ছদ: আনিসুজ্জামান সোহেল</p><p>মূল্য: ৪২৫ টাকা; পৃষ্ঠা: ১৬৭</p>]]></content:encoded></item><item><title>আলোচনায় মেরিল–প্রথম আলোর গ্ল্যাম-মুভ</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/628c1a72ui</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/628c1a72ui#comments</comments><guid isPermaLink="false">c42da301-1841-4fcb-b7a8-5a99629711e4</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অভিনয় শিল্পী,মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/uodgpovc/WhatsApp-Image-2026-05-05-at-12.26.12-PM.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ তারকাদের উপস্থিতি, পোশাক ও উপস্থাপন নিয়ে জমে উঠেছে আলাপ–আলোচনা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/uodgpovc/WhatsApp-Image-2026-05-05-at-12.26.12-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিনোদন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২৬ এপ্রিল প্রকাশের পর থেকেই আলোচনায় মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের ‘গ্ল্যাম-মুভ’। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ছোট ছোট ভিডিওগুলো আগ্রহ নিয়ে দেখছেন নেটিজনরা, জানাচ্ছেন প্রতিক্রিয়া। বিশেষ করে তারকাদের উপস্থিতি, পোশাক ও উপস্থাপন নিয়ে জমে উঠেছে আলাপ–আলোচনা।</p><p>বিশ্বের বড় বড় আয়োজন, যেমন অস্কার, মেট গালা, প্যারিস ও লন্ডন ফ্যাশন উইক কিংবা কান চলচ্চিত্র উৎসবে তারকাদের উপস্থিতিকে নান্দনিকভাবে তুলে ধরার নানা আয়োজন থাকে। তারই একটি সাম্প্রতিক ধারা গ্ল্যাম-মুভ। লালগালিচায় গতানুগতিক হাঁটার গণ্ডি ছাড়িয়ে এখানে তারকারা নিজেদের উপস্থিতিকে আরও পরিকল্পিত ও নান্দনিকভাবে তুলে ধরেন, যা দর্শকদের জন্য তৈরি করে আলাদা এক দৃশ্য-আনন্দ। এখন এটি আর শুধু নিছকই একটি ভিডিও নয়; বরং তারকাদের উপস্থিতিকে আধুনিকভাবে উপস্থাপনের কার্যকর একটি মাধ্যম। সেই ধারাবাহিকতাতেই ২০২১ সালে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারেও যুক্ত হয় গ্ল্যাম-মুভ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/a2w88gzy/Glambot_BTS_Still3.jpg" /><figcaption>২০২১ সালে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারেও যুক্ত হয় গ্ল্যাম-মুভ। প্রথম আলো</figcaption></figure><p>আয়োজকেরা জানান, কয়েক বছরেই দর্শকদের কাছে আলাদা আকর্ষণ তৈরি করেছে এই উদ্যোগ। লালগালিচার প্রচলিত আয়োজনগুলোর বাইরে গিয়ে তারকাদের উপস্থিতিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের এই উদ্যোগে প্রতিবছরই বাড়ছে অংশগ্রহণ ও আগ্রহ। অগ্রজ থেকে অনুজ—সব প্রজন্মের তারকার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে গ্ল্যাম-মুভ পেয়েছে নতুন মাত্রা।</p><figure>https://www.facebook.com/share/v/1JsbA9f9Co/</figure><p>গ্ল্যাম-মুভকে ঘিরে তারকাদের প্রস্তুতিতেও এসেছে দৃশ্যমান পরিবর্তন। পোশাক নির্বাচন, স্টাইলিং ও উপস্থাপনায় তাঁরা রাখছেন বাড়তি মনোযোগ। অনেকেই এই অংশের কথা মাথায় রেখে পোশাক নকশা করান। সব মিলিয়ে গ্ল্যাম-মুভ হয়ে উঠেছে তারকাদের ব্যক্তিত্ব ও স্টাইল প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চ।</p><blockquote>২০২৬ সালের গ্ল্যাম-মুভ টিমপরিচালনা: কনক খন্দকারধারণা: মালিক মোহাম্মদ সাঈদপ্রকল্প প্রধান: জাবেদ সুলতানচিত্রগ্রহণ: কাওসার হামিদসম্পাদনা: জোনায়েদ হোসেনইভেন্ট সমন্বয়: শাহপরান তুষারশিল্পী ব্যবস্থাপনা: নাদিয়া ইসলাম</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/video/entertainment/n7nt9hn88y">আজীবন সম্মাননায় ভূষিত বরেণ্য অভিনেতা আলমগীর</a></aside><p>মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের এই উদ্যোগের সঙ্গে শুরু থেকেই যুক্ত আছেন কনক খন্দকার। তিনি বলেন, ‘একসঙ্গে এত তারকাকে পরিকল্পিতভাবে ফ্রেমবন্দী করা সহজ কাজ নয়। প্রত্যেকের সময়, প্রস্তুতি ও উপস্থিতি মিলিয়ে কাজটি করতে হয়। তবে সবার আগ্রহ ও সহযোগিতার কারণেই এটি সম্ভব হয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রতিবছরই নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকে। এবার সময় কম ছিল, অংশগ্রহণকারী তারকার সংখ্যাও বেশি। তবু সবার সহযোগিতায় কাজটি ভালোভাবে সম্পন্ন হয়েছে।’</p><p>দর্শক আগ্রহ, তারকাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ এবং অনলাইনে ব্যাপক সাড়া—সব মিলিয়ে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কারের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে এখন গ্ল্যাম-মুভ।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/uved3dwj/Glambot-BTS-Still1.jpg" /><figcaption>গ্ল্যাম-মুভ টিম। প্রথম আলো</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তিতে বাংলাদেশের লাভ সামান্য, ক্ষতিই বেশি</title><link>https://www.prothomalo.com/business/lq3k2b014f</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/lq3k2b014f#comments</comments><guid isPermaLink="false">68378768-f633-467d-9b7b-21ecf13ff440</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:29:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:29:43.281Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শওকত হোসেন</atom:name><atom:uri>/api/author/1421311</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এই চুক্তিতে বাংলাদেশের রাজস্ব, নীতি-স্বাধীনতা ও দর-কষাকষির ক্ষমতা কমবে; বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত লাভ বাড়বে।]]></description><media:keywords>বিশেষ সংবাদ,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার,পাল্টা শুল্ক,যুক্তরাষ্ট্র,ডোনাল্ড ট্রাম্প</media:keywords><category>বাণিজ্য</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p><strong>যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি:&nbsp;</strong>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যচুক্তির&nbsp;<strong>দ্বিতীয় পর্বে</strong>&nbsp;থাকছে বাংলাদেশের রাজস্ব, নীতি-স্বাধীনতা, দর-কষাকষি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক ও কৌশলগত লাভ নিয়ে বিশ্লেষণ। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/wzfsrtld/60d06ed1-d4f6-4422-9d49-f32e6ce9d32f.jfif" /></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তির কারণে বাংলাদেশ রাজস্ব হারাবে, বেশি দরে পণ্য কিনতে হবে, যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া অনুযায়ী নীতি ঠিক করতে হবে এবং বাধ্যতামূলকভাবে অসংখ্য শর্ত পালন করতে হবে। </p><p>বিপরীতে এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বাড়বে, নিজের ভূরাজনৈতিক কৌশল অনুযায়ী বাংলাদেশকে নীতি নিতে বাধ্য করতে পারবে এবং এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে তেমন কোনো ছাড় দিতে হবে না। সব মিলিয়ে এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের লাভ অতি সামান্য, ক্ষতি বেশি। </p><p>যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড-এআরটি) সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিন দিন আগে। তখন দায়িত্বে ছিল ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার; আর ১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠন করা হয়। </p><p>পরে ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট এই পাল্টা বা পারস্পরিক শুল্ক আরোপ বাতিল করে দেন। এই শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (আইইইপিএ) আইনের অধীন। এই আইন সাধারণত ব্যবহৃত হয় জরুরি জাতীয় নিরাপত্তা হুমকি মোকাবিলায়। যেমন সন্ত্রাসবাদ, নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধ পরিস্থিতিতে। আদালত বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই শুল্ক আরোপে আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছেন। বাণিজ্য–ঘাটতিকে জাতীয় জরুরি অবস্থা দেখিয়ে শুল্ক বসানো যায় না। শুল্ক আরোপের ক্ষমতা মূলত কংগ্রেসের। </p><p>সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রথমে ১০ শতাংশ এবং পরদিন ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এটি করা হয় ট্রেড অ্যাক্ট অব ১৯৭৪-এর আওতায়। এই আইনে জরুরি পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে আমদানি পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি শুল্ক বসানো যায়। তবে এরও মেয়াদ সর্বোচ্চ ১৫০ দিন। এরপর কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/fumaag6mec">বাংলাদেশকে মানতে হবে ১৩১ শর্ত, যুক্তরাষ্ট্রকে ৬</a></aside><p>যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট পারস্পরিক শুল্ক বাতিল করলেও এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাদা চুক্তি করেছে বাংলাদেশ। তবে এটি এখনো কার্যকর হয়নি। এর কারণ হচ্ছে, চুক্তিতে বলা আছে যে দুই পক্ষ নিজেদের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার কথা লিখিতভাবে জানাবে। এর ৬০ দিন পর চুক্তিটি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হবে। তবে চাইলে তারা অন্য তারিখও ঠিক করতে পারবে। অর্থাৎ চুক্তি কার্যকর করতে হলে প্রথমে আইনি প্রক্রিয়া ঠিক করতে হবে। সেটিই এখনো চূড়ান্ত হয়নি।  </p><p>তবে জাতীয় নির্বাচনের আগে কেন এই চুক্তি করা হলো—এ নিয়েই রয়েছে নানা প্রশ্ন। চুক্তির একতরফা বিভিন্ন বাধ্যবাধকতা নিয়েও আলোচনা রয়েছে। আবার চুক্তি কার্যকর হওয়ার আগেই নানা রকম কেনাকাটার চুক্তি করা হচ্ছে। এসব কারণে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন এই চুক্তি বাতিলের দাবি তুলছে; আর অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য সমাধান হওয়া দরকার। </p><blockquote>বিপরীতে এই চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বাড়বে, নিজের ভূরাজনৈতিক কৌশল অনুযায়ী বাংলাদেশকে নীতি নিতে বাধ্য করতে পারবে এবং এর বিনিময়ে বাংলাদেশকে তেমন কোনো ছাড় দিতে হবে না। সব মিলিয়ে এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের লাভ অতি সামান্য, ক্ষতি বেশি।</blockquote><h3>চুক্তির যত কেনাকাটা

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/ck5x5h1q/6.PNG" /><figcaption>বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ওপর পাল্টাশুল্ক আরোপের হার সংবলিত তালিকা হাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প</figcaption></figure><p>মূল চুক্তির একদম শেষ অনুচ্ছেদ হচ্ছে বাণিজ্যিক নানা বিষয় নিয়ে। এর মূল কথা হচ্ছে কেনাকাটার অঙ্গীকার; আর সেই অঙ্গীকারই দিয়েছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ চুক্তি কার্যকর রাখতে বাংলাদেশ নির্দিষ্ট বেশ কিছু পণ্য কিনতে বাধ্য। চুক্তিতে যেমন বলা হয়েছে—</p><p>১. রাষ্ট্রীয় বিমান সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশি যাত্রীবাহী বিমান, যন্ত্রাংশ ও সেবা কিনবে। তারা ১৪টি বোয়িং কেনার কথা বলেছে। এর বাইরে আরও কিছু বিমান কেনার সুযোগও রাখবে।</p><p>২. বাংলাদেশ বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করবে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে জ্বালানি কিনতে পারে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসও (এলএনজি) থাকবে। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি কেনার চুক্তি থাকবে। ১৫ বছরে এর সম্ভাব্য মূল্য ১৫ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।</p><p>৩. বাংলাদেশ বাংলাদেশি কোম্পানিগুলোকে সাহায্য করবে, যাতে তারা যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিপণ্য কিনতে পারে। এর মধ্যে গম, সয়াবিন, সয়া থেকে তৈরি পণ্য এবং তুলা থাকবে। গম প্রতিবছর অন্তত সাত লাখ মেট্রিক টন করে পাঁচ বছর কিনতে হবে। সয়াবিন ও সয়া পণ্যের ক্ষেত্রে এক বছরে অন্তত ১ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার বা ১২৫ কোটি ডলার মূল্যের ২৬ লাখ মেট্রিক টন—যেটি কম হয়, সেটি কিনতে হবে। এসব পণ্যের মোট সম্ভাব্য মূল্য ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন বা ৩৫০ কোটি ডলার।</p><p>৪. বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম আরও বেশি কিনবে। একই সঙ্গে কিছু নির্দিষ্ট দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা কমাবে।</p><p>৫. চুক্তি কার্যকর হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে দেশে কী কী ভর্তুকি দেওয়া হয়, তা বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থাকে জানাবে।</p><h3>বেশি দামে যা কিনতে হবে

</h3><figure><iframe width="640" height="360" src="https://www.youtube.com/embed/V0VIYAD3I5g" title="বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তিতে আসলে কী আছে | অর্থনীতি -অনর্থনীতি | Bangladesh-USA Trade Deal" frameborder="0" allow="accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share" referrerpolicy="strict-origin-when-cross-origin" allowfullscreen></iframe></figure><p>চুক্তিতে কৃষি খাতে আগামী পাঁচ বছর প্রতিবছর ৭ লাখ টন গম এবং বছরে ১২৫ কোটি ডলারের সয়াবিন পণ্য বা ২৬ লাখ টন কেনার কথা আছে। এসবের মূল্য বছরে প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন বা ৩৫০ কোটি ডলার হতে পারে, অথচ বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসব পণ্য বছরে ১০০ কোটি বা ১ বিলিয়ন ডলারের কম কেনে। এ ছাড়া এলএনজি আমদানি, ১৪টি বোয়িং বিমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম কেনার কথা রয়েছে চুক্তিতে। একই সঙ্গে কিছু দেশ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনা সীমিত করার কথা বলা হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশ গম, সয়াবিন, এলএনজি ও তুলা অন্য দেশ থেকে কেনে। কারণ, সেগুলো তুলনামূলক সস্তা ও দ্রুত আসে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনতে খরচ ও সময় বেশি হতে পারে। সরকারি কেনাকাটায় বেশি দামে কিনলে বাড়তি খরচ করদাতাদের বহন করতে হবে। আর বেসরকারি খাতকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে উৎসাহিত করতে হলে সরকারকে প্রণোদনা বা ভর্তুকি দিতে হতে পারে।</p><p>ফলে বছরে প্রায় ৩৫০ কোটি ডলারের কৃষিপণ্য এবং ১৫ বছরে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের জ্বালানি কেনা বাংলাদেশের ওপর বড় আর্থিক চাপ তৈরি করবে। এ বিষয়ে চুক্তির মধ্যেই এক ধরনের স্ববিরোধিতা রয়েছে। যেমন একদিকে চুক্তিতে রাষ্ট্রীয় ভর্তুকির কারণে প্রতিযোগিতামূলক দেশ থেকে পণ্য আনতে না বলা হয়েছে; অন্যদিকে মার্কিন পণ্যকে প্রতিযোগিতামূলক করতে বাংলাদেশকেই ভর্তুকি দিতে হতে পারে।</p><blockquote>চুক্তিতে কৃষি খাতে আগামী পাঁচ বছর প্রতিবছর ৭ লাখ টন গম এবং বছরে ১২৫ কোটি ডলারের সয়াবিন পণ্য বা ২৬ লাখ টন কেনার কথা আছে। এসবের মূল্য বছরে প্রায় সাড়ে ৩ বিলিয়ন বা ৩৫০ কোটি ডলার হতে পারে, অথচ বাংলাদেশ এখন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসব পণ্য বছরে ১০০ কোটি বা ১ বিলিয়ন ডলারের কম কেনে।</blockquote><h3>আগেই যত কেনাকাটা

</h3><p>চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর না হলেও বাংলাদেশ এরই মধ্যে কেনাকাটার জন্য আলাদা চুক্তি করেছে। এর মধ্যে বেশ কটি চুক্তি ও সমঝোতা সই হয় সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে। আর বিএনপি সরকারের সময় চুক্তি হলো বোয়িং কেনা নিয়ে।</p><p>বাণিজ্য চুক্তিতেই ১৪টি বোয়িং কোম্পানির উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এ জন্য গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি বোয়িং কেনারই চুক্তি করেছে। এর দাম ধরা হয়েছে ৩৭০ কোটি ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। রয়টার্স ওই দিনই এ নিয়ে তাদের রিপোর্টে বলছে, এই পদক্ষেপকে ওয়াশিংটনের বাণিজ্যচাপের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের এয়ারবাস থেকে সরে এসে বোয়িংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/bzsn9nou/Boeing-Agreement-01.jpeg" /><figcaption>উড়োজাহাজ কেনা নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স এবং মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে </figcaption></figure><p>উল্লেখ্য, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়, ২০২৩ সালে ফ্রান্স থেকে ১০টি এয়ারবাস কেনার একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের গণ–অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ব্যবধান কমানোর কৌশলগত চাপে অন্তর্বর্তী সরকার বোয়িংয়ের পক্ষেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। আর সেই চুক্তিই করা হলো বর্তমান বিএনপি সরকারের সময়ে।</p><p>এর আগে ২০২৫ সালের ২০ জুলাই বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানির চুক্তি করেছিল। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও ইউএস হুইট অ্যাসোসিয়েটসের মধ্যে এ নিয়ে করা সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশ প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাত লাখ টন গম আমদানি করবে। হুবহু এ কথাটিই মূল চুক্তিতে রয়েছে। আর মূল চুক্তি করা হয় এর সাড়ে ছয় মাস পরে।</p><p>উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রতিবছর প্রায় ৭০ লাখ টন গম আমদানি করে। কম দামের কারণে এর বড় অংশ আসে কৃষ্ণসাগর অঞ্চল, অর্থাৎ মূলত রাশিয়া ও ইউক্রেন থেকে। তবে যুক্তরাষ্ট্র থেকেও অল্প কিছু গম আমদানি করা হয়।</p><p>আবার ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক বছরে ১২৫ কোটি ডলারের সয়াবিন ও সয়াবিন মিল আমদানির জন্য চুক্তি করেছিল। এ নিয়ে ইউনাইটেড স্টেটস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিলের সঙ্গে চুক্তি সই হয়। তখন বলা হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বাড়িয়ে দুই দেশের প্রায় ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্যঘাটতি কমানোই এ উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য।</p><p>যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি আমদানির চুক্তি হয় ২০২৫ সালের ২৪ জানুয়ারি। সেদিন ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ ও মার্কিন কোম্পানি আর্জেন্ট এলএনজির মধ্যে প্রাথমিক সমঝোতা সই হয়। এতে বছরে সর্বোচ্চ প্রায় ৫০ লাখ টন এলএনজি সরবরাহের কথা বলা হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা মূল বাণিজ্য চুক্তিতেও এলএনজি আমদানির বিষয়টি যুক্ত হয়।</p><blockquote>বাণিজ্য চুক্তিতেই ১৪টি বোয়িং কোম্পানির উড়োজাহাজ কেনার কথা রয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এ জন্য গত ৩০ এপ্রিল ১৪টি বোয়িং কেনারই চুক্তি করেছে। এর দাম ধরা হয়েছে ৩৭০ কোটি ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। রয়টার্স ওই দিনই এ নিয়ে তাদের রিপোর্টে বলছে, এই পদক্ষেপকে ওয়াশিংটনের বাণিজ্যচাপের প্রেক্ষাপটে ইউরোপের এয়ারবাস থেকে সরে এসে বোয়িংয়ের দিকে ঝুঁকে পড়া হিসেবে দেখা হচ্ছে।</blockquote><h3>চুক্তিতে বাংলাদেশের লাভ-ক্ষতি

</h3><p>অর্থনীতিবিদেরা বলছেন, সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের এই পারস্পরিক শুল্ক চুক্তির অর্থনৈতিক প্রভাব নানামুখী। সাধারণত প্রতিযোগিতামূলক বাজারে জ্বালানি, বিমান বা কৃষিপণ্য কোথা থেকে কেনা হবে, তা ঠিক হয় দাম, পরিবহনসুবিধা ও দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ নিরাপত্তা দেখে। অথচ চুক্তি অনুযায়ী এসব পণ্য কিনতে হবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। সাধারণত নির্দিষ্ট দেশ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কেনার শর্ত থাকলে এতে শিল্পে উৎপাদনের খরচ বাড়ে, সরকারও প্রতিযোগিতামূলক দরে পণ্য কেনার সুযোগ হারায়। আবার এসব বাধ্যবাধকতা বাংলাদেশের বর্তমান সরবরাহকারী দেশগুলোর সঙ্গেও সম্পর্কের প্রভাব ফেলতে পারে।</p><p>চুক্তির কয়েকটি ধারা বাংলাদেশের বাণিজ্যনীতির বাইরে গিয়ে পররাষ্ট্রনীতি ও কৌশলগত স্বাধীনতার ওপরও প্রভাব ফেলবে। কেননা, বাংলাদেশ কোন দেশের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য বা ডিজিটাল বাণিজ্য চুক্তি করবে, কোথা থেকে পারমাণবিক প্রযুক্তি বা জ্বালানি কিনবে—এসব বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বিবেচনায় নিতে হবে। একই সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর, সোর্স কোড, রাষ্ট্রীয় ভর্তুকি ও ভর্তুকির তথ্য প্রকাশের শর্ত বাংলাদেশের নীতিনির্ধারণের স্বাধীনতাও সীমিত করবে।</p><p>আরেকটি উদ্বেগজনক বিষয় হচ্ছে চুক্তির মেধাস্বত্ব–সংক্রান্ত ধারাগুলো। এর মধ্যে ১২টি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যোগ দেওয়ার শর্তে ছোট কৃষকের বীজ সংরক্ষণ ও বিনিময়ের সুযোগ কমাবে, এতে উৎপাদন খরচ বাড়বে। ওষুধ খাতেও এফডিএ অনুমোদন ও পেটেন্ট-সংক্রান্ত বাড়তি নিয়ম জেনেরিক ওষুধশিল্পের ওপর চাপ তৈরি করবে। এসব শর্ত স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে পাওয়া সুবিধাও কমিয়ে দেবে। এমনিতেই এই চুক্তি করার সময় বাংলাদেশের এলডিসি থাকাকে আদৌ বিবেচনায় নেওয়া হয়নি।</p><h3>ডব্লিউটিওর সঙ্গে সাংঘর্ষিক

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-02/08e49df2-9bd0-4408-bd6c-8117ef327dae/Unt2.jpg" /><figcaption>বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) </figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক শুল্ক বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা ডব্লিউটিওর নিয়মভিত্তিক বাণিজ্যব্যবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। কারণ, এমএফএন নীতিতে একই পণ্যে সব দেশের জন্য একই শুল্ক থাকার কথা, কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র দেশভেদে আলাদা বাড়তি শুল্ক বসিয়েছে। এমএফএন বা মোস্ট ফেভারড নেশন নীতি হলো বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার একটি মৌলিক নিয়ম। এর অর্থ হচ্ছে একটি দেশ কোনো একটি দেশকে যে শুল্ক বা সুবিধা দেবে, একই পণ্যে সেই সুবিধা অন্য সব ডব্লিউটিও সদস্যকেও দিতে হবে।</p><p>বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কের ভিত্তি দুর্বল। কারণ, এতে শুধু পণ্য বাণিজ্যের ঘাটতি দেখা হয়েছে; কিন্তু সেবা বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বড় উদ্বৃত্ত বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। প্রযুক্তি, আর্থিক সেবা, মেধাস্বত্ব ও ডিজিটাল খাতে যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বজুড়ে বড় আয় করে। যেমন ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যঘাটতি ছিল ৯৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার; কিন্তু সেবায় উদ্বৃত্ত ছিল ২৯ বিলিয়ন ডলার। তাই শুধু পণ্যে ঘাটতি দেখিয়ে কোনো দেশকে অন্যায্য সুবিধাভোগী বলা অর্থনৈতিকভাবে একপেশে।</p><blockquote>এই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রায় সব মার্কিন পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে; কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সমান সুবিধা দিচ্ছে না। ফলে অন্য দেশও বাংলাদেশের কাছে একই সুবিধা চাইতে পারে, আর না দিলে ডব্লিউটিওর এমএফএন নীতি ভঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে।</blockquote><p>আবার পাল্টা বা পারস্পরিক শুল্ক ডব্লিউটিওর নিয়মের বিরুদ্ধে গেলেও এই চুক্তিতে বাংলাদেশকে ডব্লিউটিওতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান সমর্থন করতে বলছে। যেমন ইলেকট্রনিক ট্রান্সমিশনের ওপর স্থায়ীভাবে শুল্ক না বসানোর প্রস্তাব সমর্থন করতে বলা হয়েছে, যা বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী হতে পারে। আবার বাংলাদেশকে মৎস্য–ভর্তুকি চুক্তি ও বাণিজ্য সহজীকরণ চুক্তি বাস্তবায়ন করতেও বলা হয়েছে; কিন্তু এতে এলডিসি ও উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে বাংলাদেশের বিশেষ সুবিধার বিষয়টি অস্পষ্ট।</p><p>এই চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রায় সব মার্কিন পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে; কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে সমান সুবিধা দিচ্ছে না। ফলে অন্য দেশও বাংলাদেশের কাছে একই সুবিধা চাইতে পারে, আর না দিলে ডব্লিউটিওর এমএফএন নীতি ভঙ্গের অভিযোগ উঠতে পারে।</p><h3>শুল্কের ব্যবধান বাড়বে

</h3><p>চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পাল্টা শুল্কহার হবে ১৯ শতাংশ। এই শুল্ক অনেক ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান এমএফএন শুল্কের সঙ্গে যুক্ত হবে। পারস্পরিক বা পাল্টা শুল্ক থেকে ছাড় পাওয়া পণ্য বাদ দিলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানি-ওজনভিত্তিক গড় শুল্ক দাঁড়াবে প্রায় ৩৪ শতাংশ। এর মধ্যে প্রায় ১৫ শতাংশ এমএফএন শুল্ক এবং ১৯ শতাংশ পাল্টা শুল্ক। অর্থাৎ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আরও বেশি শুল্কের মুখে পড়বে।</p><p>অন্যদিকে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের গড় আমদানি শুল্ক এখন প্রায় ৬ দশমিক ২ শতাংশ। তবে কর রেয়াত ধরলে কার্যকর গড় শুল্ক দাঁড়ায় প্রায় ২ দশমিক ২ শতাংশ। আর নতুন চুক্তি পুরোপুরি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের বেশির ভাগ পণ্যে এই শুল্ক প্রায় শূন্যে নেমে আসবে। ফলে দুই দেশের শুল্ক ব্যবধান আরও বড় হবে।</p><h3>রাজস্ব ক্ষতি বাংলাদেশের

</h3><p>চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রের অনেক পণ্যে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে শুল্ক কমাবে বা পুরোপুরি তুলে দেবে। এ জন্য পাঁচ ধরনের শ্রেণি রাখা হয়েছে। যেমন ইআইএফ শ্রেণির পণ্যে চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকেই শুল্ক শূন্য হবে। বি-৫ শ্রেণিতে শুরুতেই অর্ধেক শুল্ক কমবে, বাকি অংশ ধাপে ধাপে কমে পঞ্চম বছরে শূন্য হবে। বি-১০ শ্রেণিতে একইভাবে প্রথমে অর্ধেক কমবে, বাকি অংশ দশম বছরে গিয়ে শূন্য হবে। যে পণ্যে শুল্ক আগেই শূন্য, সেখানে তা শূন্যই থাকবে। আর এক্স শ্রেণির পণ্যে কোনো ছাড় নেই, আগের এমএফএন শুল্কই বহাল থাকবে।</p><p>এ নিয়ে গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান এক গবেষণায় দেখিয়েছেন, চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ আগামী ১০ বছরে যুক্তরাষ্ট্রের ৭ হাজার ১৩২টি ট্যারিফ লাইনের পণ্যে এমএফএন শুল্ক তুলে নেবে। এর মধ্যে ৪ হাজার ৯২২টি পণ্যচুক্তি কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে শুল্কমুক্ত হবে। আরও ২ হাজার ২১০টি পণ্য ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে শুল্কমুক্ত হবে।</p><p>এই ছাড়ের বড় অংশ শুরুতেই কার্যকর হবে। অর্থাৎ চুক্তি কার্যকর হওয়ার পরপরই অনেক মার্কিন পণ্যে শুল্ক কমে যাবে বা উঠে যাবে। ফলে বাংলাদেশ রাজস্ব হারাবে শুরু থেকেই। যুক্তরাষ্ট্রের মাত্র ৩২৬টি পণ্য শুল্কমুক্ত তালিকার বাইরে থাকবে; কিন্তু বাংলাদেশ বর্তমানে এসব পণ্য খুব কম আমদানি করে।</p><p>অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশ থেকে আমদানির ১ হাজার ৬৩৮টি ট্যারিফ লাইনকে পাল্টা শুল্কের তালিকার বাইরে রাখার কথা বলেছে। তবে এসব পণ্যে এমএফএন শুল্ক বহাল থাকবে। এই তালিকার বাণিজ্যিক মূল্য বাংলাদেশের জন্য সীমিত। কারণ, বাংলাদেশ বর্তমানে এর মধ্যে মাত্র ১০ থেকে ১৫টি পণ্য সামান্য পরিমাণে রপ্তানি করে। বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য, বিশেষ করে পোশাক, এই তালিকার বড় সুবিধা পাচ্ছে না।</p><p>২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর প্রায় ১ দশমিক ২৪ বিলিয়ন বা ১২৪ কোটি ডলার শুল্ক আদায় করেছিল। একই সময়ে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর প্রায় ১৮০ মিলিয়ন বা ১৮ কোটি ডলার শুল্ক আদায় করেছিল। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের আদায় ছিল বাংলাদেশের তুলনায় প্রায় ছয় গুণ বেশি।</p><p>আর নতুন চুক্তি কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক আদায় ১ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার থেকে বেড়ে প্রায় ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশে মার্কিন পণ্যের ওপর প্রায় ১৮০ মিলিয়ন ডলারের শুল্ক প্রায় শূন্যে নেমে আসবে।</p><h3>কতটা লাভবান হবে পোশাক খাত

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-19/fqe25wa3/Garments-Worker.jpg" /><figcaption> পোশাক কারখানায় কাজ করছেন শ্রমিকেরা  </figcaption></figure><p>চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের তুলা ও মানবসৃষ্ট তন্তু দিয়ে তৈরি কিছু পোশাকে পাল্টা শুল্ক থাকবে না। তবে আগের যে এমএফএন শুল্ক প্রায় ১৬ শতাংশ, তা বহাল থাকবে। দেখা গেছে, বাংলাদেশে তুলা আমদানির ৪০ শতাংশ আসে আফ্রিকার দেশগুলো থেকে। প্রায় ২৫ শতাংশ আসে ব্রাজিল থেকে, ১৫ শতাংশ ভারত থেকে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসে মাত্র ৭ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের তুলা অন্যদের তুলনায় ১০ থেকে ২০ শতাংশ বেশি দামি। এর সঙ্গে পরিবহন খরচও আছে। বাংলাদেশের মোট পোশাক রপ্তানির প্রায় ১৯ শতাংশ যায় যুক্তরাষ্ট্রে।</p><p>চুক্তিতে বলা আছে, বাংলাদেশ থেকে আমদানি হওয়া ‘নির্দিষ্ট কিছু বস্ত্র ও পোশাকপণ্যের’ ওপর অতিরিক্ত শুল্ক বসবে না, তবে তা ‘পরে নির্ধারিত একটি পরিমাণ’ পর্যন্ত। সুতরাং শেষ পর্যন্ত পোশাকপণ্য কতটা সুবিধা পাবে তা নির্ভর করবে কেবল যুক্তরাষ্ট্রের একক সিদ্ধান্তের ওপর। অর্থাৎ ছাড় পেলেও এসব পোশাক বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পুরোপুরি শুল্কমুক্ত হবে না।</p><blockquote>এই বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের বাণিজ্যসংক্রান্ত সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে। যেমন রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ করতে গেলে রাশিয়া থেকে রিঅ্যাক্টর কেনা যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে পড়তে পারে। চীনের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে।</blockquote><h3>যুক্তরাষ্ট্রের তিন হুমকি

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/immdscww/tramptraif.png" /><figcaption>পুরো চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র তিনবার হুমকি দিয়েছে যে শর্ত না মানলে তারা চুক্তি বাতিল করবে এবং আগের দেওয়া বাড়তি শুল্ক আরোপ করবে</figcaption></figure><p>পুরো চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র তিনবার হুমকি দিয়েছে যে শর্ত না মানলে তারা চুক্তি বাতিল করবে এবং আগের দেওয়া বাড়তি শুল্ক আরোপ করবে। প্রথম হুমকি ডিজিটাল বাণিজ্য ও প্রযুক্তি নিয়ে। বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমন কোনো দেশের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া ডিজিটাল বাণিজ্য চুক্তি করা যাবে না।</p><p>দ্বিতীয় হুমকি বাজারভিত্তিক নয় এমন দেশের সঙ্গে চুক্তি করা নিয়ে। যেমন বাংলাদেশ যদি কোনো অবাজার অর্থনীতির দেশের সঙ্গে এমন চুক্তি করে, যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি দুর্বল হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বাতিল করবে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে অবাজার অর্থনীতি বা নন-মার্কেট ইকোনমি দেশের একটি তালিকা আছে। অর্থাৎ যেখানে পণ্যের দাম পুরোপুরি বাজারের নিয়মে ঠিক হয় না। দেশগুলো হলো অ্যাঙ্গোলা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বেলারুশ, চীন, জর্জিয়া, কিরগিজ প্রজাতন্ত্র, লাওস, মলদোভা, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম। এসব দেশের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে যুক্তরাষ্ট্র তা মানবে না। অর্থাৎ বাংলাদেশের স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমল। এই ধারার কারণেই কি রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন লাগছে?</p><p>চুক্তিতে আরও আছে, বাংলাদেশ এমন কোনো দেশ থেকে পারমাণবিক চুল্লি, জ্বালানি রড বা সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম কিনবে না, যে দেশ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থকে ঝুঁকিতে ফেলে। তবে দুটি ছাড় আছে। যেমন যদি বিকল্প সরবরাহকারী না থাকে অথবা আগে যদি অন্য চুক্তি থেকে থাকে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের তৃতীয় হুমকি হচ্ছে, এই বাণিজ্য চুক্তি থাকলেও অন্যায্য বাণিজ্য, হঠাৎ আমদানি বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বা জাতীয় নিরাপত্তার কারণে যুক্তরাষ্ট্র আরও অতিরিক্ত শুল্ক বসাবে। যুক্তরাষ্ট্র যদি মনে করে এই চুক্তির কোনো ধারা বাংলাদেশ মানেনি, তাহলে আগের পারস্পরিক শুল্কহার ফিরিয়ে আনবে।</p><p>সুতরাং দেখা যাচ্ছে, এই বাণিজ্য চুক্তির কারণে বাংলাদেশের বাণিজ্যসংক্রান্ত সার্বভৌম সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সীমিত হতে পারে। যেমন রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ভবিষ্যতে সম্প্রসারণ করতে গেলে রাশিয়া থেকে রিঅ্যাক্টর কেনা যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারিতে পড়তে পারে। চীনের ক্ষেত্রেও সমস্যা তৈরি হতে পারে। অথচ চীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আমদানি উৎস এবং বেসরকারি খাত সেখান থেকে সস্তা, প্রতিযোগিতামূলক ও দ্রুত সরবরাহযোগ্য পণ্য আনে।</p><h3>অন্যরা কী করেছে

</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র ৫৭টি দেশ ও অঞ্চলের ওপর পাল্টা শুল্কহার ঘোষণা করেছিল। এর মধ্যে বাংলাদেশসহ ৯টি দেশের সঙ্গে আলাদা চুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড) করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশগুলো হলো মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, আর্জেন্টিনা, তাইওয়ান, ইন্দোনেশিয়া ও ইকুয়েডর।</p><p>দেখা গেছে, বাংলাদেশের সঙ্গে করা চুক্তিটি অনেক বেশি কঠোর। অন্য দেশের চুক্তি বেশি পারস্পরিক, কাঠামোগত, নিয়মভিত্তিক ও বাণিজ্য সম্প্রসারণমুখী; কিন্তু বাংলাদেশের চুক্তি বেশি শর্তযুক্ত, অনুপালননির্ভর, নির্দেশনামূলক, বাধ্যতামূলক ক্রয়সমৃদ্ধ, অসম ও রাজস্ব ক্ষতির ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ।</p><h3>বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য

</h3><p>যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি বাজার। ২০২১-২২ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ছিল ১ হাজার ৪২ কোটি ডলার। পরের বছর তা কমে ৮৫২ কোটি ডলারে নেমে আসে এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আরও কমে দাঁড়ায় ৭৬০ কোটি ডলারে। তবে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আবার কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়ে রপ্তানি বেড়ে ৮৬৯ কোটি ডলার হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির প্রায় ১৮ শতাংশের গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র।</p><p>খাতভিত্তিক হিসাবে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির বড় অংশই তৈরি পোশাক। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এই খাতে রপ্তানি হয়েছে ৭৫৫ কোটি ডলার। এর বাইরে ক্যাপ ২৬ কোটি ডলার এবং হোম টেক্সটাইল ১৫ কোটি ডলার রপ্তানি হয়েছে।</p><p>অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানিও বাড়ছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ছিল ২৫৪ কোটি ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ২৭১ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত হয়েছে ৫৯৮ কোটি ডলার এবং ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৫০৬ কোটি ডলার।</p><p>প্রবাসী আয়েও যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই দেশ থেকে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স এসেছিল ৩৪৪ কোটি ডলার, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বেড়ে ৪৭৩ কোটি ডলারে পৌঁছেছে।</p><h3>চুক্তি কীভাবে কার্যকর হবে

</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-21/bnhd6x7o/Untitled-7.jpg" /><figcaption>বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির</figcaption></figure><p>বাংলাদেশ এই চুক্তি করার ১১ দিন পরে ২০ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বেশির ভাগ পাল্টা চুক্তি আরোপ বাতিল করে দেন। যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের এই রায়ের পরই মালয়েশিয়া বলেছে, রায়ের কারণে মালয়েশিয়া-যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা চুক্তি অকার্যকর হয়ে গেছে। দেশটির সংসদ সদস্যরাও অনুমোদন স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছেন।</p><p>বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির এ নিয়ে গত বুধবার প্রথম আলোকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি কার্যকরের এখনো আনুষ্ঠানিকতা বাকি আছে। চলতি মে মাসের প্রথম সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক প্রতিনিধির (ইউএসটিআর) দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী ব্রেন্ডান লিঞ্চ ঢাকায় আসছেন। তখন বাণিজ্য চুক্তির সার্বিক বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।</p><p>বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর না হলে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যঘাটতি কমাতে গম, ভোজ্যতেল, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তুলা ইত্যাদি পণ্য কেন বেশি করে আমদানি করা হচ্ছে এবং সেগুলো কীভাবে হচ্ছে—এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এসব পণ্য কোথাও না কোথাও থেকে আমাদের আমদানি করতেই হবে।</p><h3>টিকফার ব্যবহার চান বিশেষজ্ঞরা

</h3><p>বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কো-অপারেশন ফোরাম অ্যাগ্রিমেন্ট বা বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তি সই হয়েছিল ২০১৩ সালের নভেম্বরে। এর উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ-সম্পর্কিত সমস্যা, বাধা ও সম্ভাবনা নিয়ে নিয়মিত আলোচনার একটি আনুষ্ঠানিক ফোরাম তৈরি করা। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে টিকফার আওতায় সর্বশেষ বৈঠক হয়েছিল ২০২৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর। ঢাকায় অনুষ্ঠিত সেই বৈঠক ছিল টিকফার সপ্তম বৈঠক।</p><p>অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান টিকফার কার্যকর ব্যবহারসহ সামগ্রিক বিষয় নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্টের রায় বাংলাদেশকে নতুন আলোচনার সুযোগ দিয়েছে। বাংলাদেশের উচিত এই সুযোগ গ্রহণ করে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে মার্কিন পক্ষকে নিজেদের উদ্বেগগুলো তুলে ধরা। তবে মনে রাখতে হবে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক রপ্তানি বাজার, বিদেশি বিনিয়োগের বড় উৎস এবং সম্ভাবনাময় বাজার। তাই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা–সংক্রান্ত যে কাঠামো চুক্তি বা টিকফা প্ল্যাটফর্ম আছে, আলোচনার জন্য বাংলাদেশ তা সক্রিয়ভাবে ব্যবহার করতে পারে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি পাচ্ছেন ২৭৯৭ শিক্ষার্থী</title><link>https://www.prothomalo.com/education/scholarship/y6w0ui7bml</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/scholarship/y6w0ui7bml#comments</comments><guid isPermaLink="false">a9e0f608-dd76-45dd-84d2-2fae28946340</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:23:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:23:09.983Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীদের মধ্যে মেধাবী, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের সন্তানেরাও আছে।]]></description><media:keywords>শিক্ষাবৃত্তি,জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="784" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-24/kep46fhf/160.%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E2%80%93%E0%A7%AA.jpg" width="1366"><media:title type="html"><![CDATA[ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-24/kep46fhf/160.%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%AF%E0%A6%BC-%E2%80%93%E0%A7%AA.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বৃত্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>৮৩৭ কলেজের ২ হাজার ৭৯৭ শিক্ষার্থীকে বৃত্তির জন্য মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। সোমবার (৪ এপ্রিল ২০২৬) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/43mu6h7qj3">বিনা খরচে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা ফুলব্রাইট ফরেন স্কলারশিপে, আইইএলটিএসে ৭ স্কোরে আবেদন </a></aside><figure><iframe src="https://www.facebook.com/plugins/post.php?href=https%3A%2F%2Fwww.facebook.com%2Fpermalink.php%3Fstory_fbid%3Dpfbid02ZpreWP5XBWbgHvnG7FmAngnz9bwGPAxntzyVQN4W3taYEkyNyGN6Bi3buiwnpsYBl%26id%3D61588436857514&show_text=true&width=500" width="500" height="419" style="border:none;overflow:hidden" scrolling="no" frameborder="0" allowfullscreen="true" allow="autoplay; clipboard-write; encrypted-media; picture-in-picture; web-share"></iframe></figure><p>তথ্য অনুযায়ী, ২ হাজার ৬৩৬ জন মেধাবী শিক্ষার্থী, ১৪৩ জন বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থী, ৩ জন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও আহত পরিবারের শিক্ষার্থী ও ১৫ জন অন্যান্য আবেদনকৃত শিক্ষার্থীকে এই বৃত্তির জন্য মনোনীত করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/no49lqdcdt">রোমানিয়ায় বিনা মূল্যে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কোর্স করার সুযোগ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>জার্মানির ফুলডায় ‘ঈদ-পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩’ উদ্‌যাপন</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/a7tk17zclw</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/durporobash/a7tk17zclw#comments</comments><guid isPermaLink="false">ee855e0f-8365-4406-a0ed-34066950bdb5</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:19:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:19:23.235Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জার্মানির ফুলডায় বসবাসরত বিএসআইএফের অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঈদুল ফিতর পুনর্মিলনী ও পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩’ শীর্ষক  বর্ণিল আয়োজন।]]></description><media:keywords>ঈদ আয়োজন,প্রবাসী জীবন,বাংলা নববর্ষ,দূর পরবাস,জার্মানি</media:keywords><media:content height="600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/cughoq5n/1.jpeg" width="800"><media:title type="html"><![CDATA[ ঝলমলে আবহাওয়ায় রঙিন উপস্থিতি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/cughoq5n/1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>দূর পরবাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জার্মানির ফুলডায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন বাংলাদেশি স্টুডেন্টস ইন ফুলডা–বিএসআইএফ (Bangladeshi Students in Fulda–BSiF)-এর উদ্যোগে গত ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঈদুল ফিতর পুনর্মিলনী ও পয়লা বৈশাখ ১৪৩৩’ শীর্ষক বর্ণিল আয়োজন। প্রায় ৬৫ জন প্রবাসী বাংলাদেশির উপস্থিতিতে দিনটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও উৎসবমুখর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/moagm2mw/2.jpeg" /><figcaption>সংগীত পরিবেশনা</figcaption></figure><p>অনুষ্ঠানের শুরুতেই ছিল ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের আয়োজন। অংশগ্রহণকারীরা উপভোগ করেন খিচুড়ি, ইলিশ ভাজা, বেগুন ভাজা এবং বিভিন্ন ধরনের ভর্তা। প্রবাসের মাটিতে এমন দেশি খাবারের স্বাদ যেন সবার মনে এনে দেয় বাংলাদেশের স্মৃতি। আয়োজনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল এই সুস্বাদু খাবার।</p><p>খাবার পর্ব শেষে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উপস্থিত অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকেই অনেকে গান পরিবেশন করেন, যা পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও প্রাণবন্ত। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে জমে ওঠে এই সাংস্কৃতিক পর্ব।</p><p>এরপর পরিবেশন করা হয় বাঙালির প্রিয় নাশতা—মিষ্টি, নিমকি ও চটপটি। আড্ডা, গল্প আর হাসি-আনন্দে ভরে ওঠে পুরো আয়োজন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/rwo2lw1e/3.jpeg" /><figcaption>খাবারের আয়োজন</figcaption></figure><p>সৌভাগ্যক্রমে সেদিনের আবহাওয়াও ছিল অত্যন্ত মনোরম, যা অনুষ্ঠানের আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দেয়। সব মিলিয়ে ফুলডার প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য এটি ছিল এক স্মরণীয় মিলনমেলা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/4efc70a3/4.jpeg" /><figcaption>বাংলাদেশি ফুলডা কমিউনিটির পয়লা বৈশাখ উদ্‌যাপন</figcaption></figure><p>আয়োজক সংগঠন BSiF-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে বাংলা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অংশগ্রহণকারীরাও ভবিষ্যতে এমন আয়োজন নিয়মিতভাবে করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।</p><blockquote>দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: dp@prothomalo.com</blockquote>]]></content:encoded></item><item><title>নৌবাহিনীতে ১১০ পদে বড় নিয়োগ, বেসামরিক পদে আবেদন শেষ ৬ মে</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/yvhd6xqqwi</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/yvhd6xqqwi#comments</comments><guid isPermaLink="false">a70a81a1-8f1e-42cd-98f1-0485e30dba77</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:14:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:14:11.111Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে ১৩তম থেকে ১৯তম গ্রেডে আবেদন চলছে। আবেদনের শেষ সময় ৬ মে, ২০২৬।]]></description><media:keywords>সরকারি চাকরি,বাংলাদেশ নৌবাহিনী,সাপ্তাহিক চাকরির খবর</media:keywords><media:content height="657" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-19/brrw7xm0/Capture.jpg" width="934"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশ নৌবাহিনী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-19/brrw7xm0/Capture.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ নৌবাহিনী বেসামরিক বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগে আবেদন চলছে। ১৩তম থেকে ১৯তম গ্রেড পর্যন্ত বিভিন্ন কারিগরি পদে বাংলাদেশের প্রকৃত নাগরিকেরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর বয়স ১৮ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে হতে হবে। আবেদনের শেষ সময় ৬ মে, ২০২৬।</p><h3>পদের বিবরণ—

</h3><p><strong>১. পদের নাম ড্রাফটসম্যান (গ্রেড-২)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১টি।</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ ড্রাফটসম্যানশিপ (মেকানিক্যাল/শিপ বিল্ডিং অথবা অটোকার্ড) দুই বছরের ট্রেড কোর্সে উত্তীর্ণ হতে হবে।</p><p>বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/jvclx5fz9x">মোংলা বন্দরে বড় নিয়োগ, চাকরির সুযোগ ১৩৯ জনের</a></aside><p><strong>২. পদের নাম: সহকারী লিডিংম্যান</strong></p><p>পদসংখ্যা: ৮টি</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে এক বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্ত</p><p>বেতন স্কেল : ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><p><strong>৩. পদের নাম: হাইলি স্কিল্ড মিস্ত্রি</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১৪টি।</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে এক বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।</p><p>বেতন স্কেল: ১০,২০০-২৪,৬৮০ টাকা (গ্রেড-১৪)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/ajrokucrq3">পিএসসিতে বিভিন্ন গ্রেডে চাকরি, পদ ৯০</a></aside><p><strong>৪. পদের নাম: হাইলি স্কিল্ড (গ্রেড-১)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১২টি</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষা উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে এক বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে তিন বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা;</p><p>অথবা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট ট্রেড কোর্স উত্তীর্ণ।</p><p>বেতন স্কেল : ৯,৭০০-২৩,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৫)।</p><p><strong>৫. পদের নাম ও সংখ্যা: হাইলি স্কিল্ড (গ্রেড-২)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ২২টি</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এইচএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে ছয় মাসের বাস্তব অভিজ্ঞতা; অথবা</p><p>এসএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট কাজে দুই বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা; অথবা</p><p>এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ সংশ্লিষ্ট ট্রেড কোর্সে উত্তীর্ণ এবং সংশ্লিষ্ট কাজে ছয় মাসের বাস্তব অভিজ্ঞতা।</p><p>বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)।</p><p><strong>৬. পদের নাম: স্কিল্ড গ্রেড</strong></p><p>পদসংখ্যা: ২৫টি</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমান এবং ট্রেড কোর্স উত্তীর্ণ; অথবা এসএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।</p><p>বেতন স্কেল : ৯,০০০-২১,৮০০ টাকা (গ্রেড-১৭)।</p><p><strong>৭. পদের নাম: সেমি স্কিল্ড (গ্রেড-১)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ২৩টি</p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণসহ ট্রেড কোর্স সার্টিফিকেটধারী এবং সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে দুই বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা; অথবা এসএসসি (ভোকেশনাল) বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।</p><p>বেতন স্কেল: ৮,৮০০-২১,৩১০ টাকা (গ্রেড-১৮)।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/higher-education/1tl2ap9agl">বিদেশে পড়াশোনার স্বপ্ন? অনুসরণ করুন এই ৫ ধাপ</a></aside><p><strong>৮. পদের নাম ও সংখ্যা: সেমি স্কিল্ড (গ্রেড-২) পদসংখ্যা: ৫টি।</strong></p><p>শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ।</p><p>বেতন স্কেল: ৮,৫০০-২০,৫৭০ টাকা (গ্রেড-১৯)।</p><p><strong>আবেদনের পদ্ধতি</strong></p><p>আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা অনলাইনে <a href="http://bndepteletalk.com.bd/" rel="nofollow">ওয়েবসাইটের</a>  মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে <a href="https://bndcp.teletalk.com.bd/" rel="nofollow">লিংকে</a>  প্রবেশ করুন। এরপর পদ নির্বাচন করে <a href="https://bndcp.teletalk.com.bd/bndcp_2026_trade/docs/BNDCP20260409.pdf" rel="nofollow">আবেদন ফর্মটি</a> সঠিক তথ্য দিয়ে পূরণ করতে হবে। ৩০০x৩০০ পিক্সেলের ছবি এবং ৩০০x৮০ পিক্সেলের স্বাক্ষর আপলোড করতে হবে আবেদনকারীকে। সফলভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর একটি ইউজার আইডি (User ID) পাবেন আবেদনকারী প্রার্থী।</p><p><strong>আবেদন ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি—</strong></p><p>User ID ব্যবহার করে আবেদন করার পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে টেলিটক প্রিপেইড সিম থেকে এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন ফি জমা দিতে হবে।</p><p>আবেদনের পদ্ধতি, আবেদনের বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে <a href="https://bndcp.teletalk.com.bd/bndcp_2026_trade/docs/BNDCP20260409.pdf" rel="nofollow">লিঙ্কে </a>।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাজশাহীতে সড়ক দুর্ঘটনায় দোকানি নিহত, দুই ডাম্প ট্রাকে আগুন দিল জনতা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r12qim6n00</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/r12qim6n00#comments</comments><guid isPermaLink="false">7af31a37-8848-4b80-b56c-5b69230bbfa5</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:08:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:08:30.838Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আবু তাহের সোহেল</atom:name><atom:uri>/api/author/1258677</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একটি ট্রাক আকরামকে চাপা দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাক দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।]]></description><media:keywords>নিহত,পুঠিয়া,আগুন,সড়ক দুর্ঘটনা,রাজশাহী,রাজশাহী বিভাগ</media:keywords><media:content height="960" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/yajsd84f/000.jpg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার পর বালুবাহী দুটি ডাম্প ট্রাকে আগুন দেয় স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের রাজশাহীর পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজারের সামনে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/yajsd84f/000.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নাশতা করে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আকরাম নামের এক ব্যক্তি। এ সময় বালুবাহী একটি ট্রাক তাঁকে চাপা দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যায় অনেক দূর। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। ঘটনা দেখে সঙ্গে সঙ্গে ফুঁসে ওঠে স্থানীয় জনতা। সড়ক অবরোধ করে আগুন দেয় দুটি ট্রাকে। আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের রাজশাহীর পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজারের সামনে এ ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত আকরামের বাড়ি রাজশাহীর সরদা থানাপাড়া এলাকায়। পেশায় দরজি। তাঁর বয়স আনুমানিক ৬০ বছর। পুঠিয়ার বিড়ালদহ মাজার এলাকায় তাঁর একটি টেইলারের দোকান রয়েছে। ঘটনাস্থলের পাশেই তাঁর লাশ রাখা হয়েছে।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দা মিজানুর রহমানসহ একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, সকাল সাতটার দিকে খাবারের দোকানে নাশতা সেরে রাস্তা পার হচ্ছিলেন আকরাম। এ সময় বালুবাহী দুটি ডাম্প ট্রাক পুঠিয়াবাজার থেকে নাটোরের দিকে যাচ্ছিল। একটি ট্রাক আকরামকে চাপা দিয়ে হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছিল। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ সময় বিক্ষুব্ধ জনতা ট্রাক দুটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়। যাঁরা এ ঘটনার ভিডিও ধারণ করছিলেন, তাঁদের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভাঙচুর করে ট্রাকের আগুনে পুড়িয়ে দেয় জনতা। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়।</p><p>খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদুল ইসলাম। বিক্ষুব্ধ জনতা প্রথমে পুলিশের ওপরও চড়াও হয়। পরে ওসির কাছে স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি জানান, দিনের বেলায় ওই এলাকায় কোনো ডাম্প ট্রাক চলতে দেওয়া যাবে না। সড়কে স্পিডব্রেকার বসাতে হবে। ওসি এসব দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।</p><p>ফায়ার সার্ভিস রাজশাহীর উপসহকারী পরিচালক ফরহাদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, বিক্ষুব্ধ জনতার কারণে তিনি ঘটনাস্থলে যেতে ভয় পাচ্ছেন। পরিস্থিতি শান্ত হলে পুলিশ ও স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় ঘটনাস্থলে যাবেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>লক্ষ্মীপুরে খুনের মামলার আসামির সঙ্গে থানায় পোষা বানর, মানুষের কৌতূহল</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ej6a9pvjn9</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ej6a9pvjn9#comments</comments><guid isPermaLink="false">fd01bbef-e790-4fbd-9fd4-78e606eed39e</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:04:26 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:04:26.292Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বানরটিকে থানায় আনার পর সেটি দেখতে কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায়। থানার ভেতরে ছোটাছুটি করতে থাকে বানরটি। পুলিশ সদস্যদেরও বানরটিকে সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায়।]]></description><media:keywords>বন্যপ্রাণী,গ্রেপ্তার,লক্ষ্মীপুর,চট্টগ্রাম বিভাগ,হত্যা</media:keywords><media:content height="1130" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bsolndz2/d7748157-aeee-4e6e-8aa3-229e9c643e62.jfif" width="1062"><media:title type="html"><![CDATA[ খুনের মামলার আসামিদের সঙ্গে তাঁর পোষা বানরটিকেও রায়পুর থানায় নিয়ে আসা হয়। গতকাল রাতে তোলা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/bsolndz2/d7748157-aeee-4e6e-8aa3-229e9c643e62.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় কিশোর অটোরিকশাচালক মো. রাজিবকে (১৪) হত্যার মামলায় প্রধান আসামি গিয়াস উদ্দিনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। গতকাল সোমবার রাতে চাঁদপুর সদরের ওয়্যারলেস এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই সময়ে তাঁর সঙ্গে থাকা একটি পোষা বানরকেও থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।</p><p>গ্রেপ্তার গিয়াস উদ্দিন রায়পুরের চর আবাবিল ইউনিয়নের বাসিন্দা। হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করে গত শুক্রবার রাতে অটোরিকশাচালক রাজিবকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত শনিবার রাতে নিহত রাজিবের বাবা মো. মোস্তফা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় গিয়াস উদ্দিনকে প্রধান আসামি করা হয়।</p><p>পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রাজিবকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন গিয়াস উদ্দিন। তিনি শুক্রবার রাতে রাজিবের অটোরিকশাটি ভাড়া নিয়ে নির্জন স্থানে মাদক সেবন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে রাজিবের অটোরিকশাটি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন গিয়াস উদ্দিন। রাজিব তাতে বাধা দিলে মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে তাকে হত্যা করা হয়। পরদিন শনিবার দুপুরে চর আবাবিল ইউনিয়নের ক্যাম্পের হাট স্কুলের পশ্চিম পাশের একটি বাগান থেকে রাজিবের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।</p><p>রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন মিয়া জানান, রাজিবকে হত্যার পর তার লাশ বাগানেই ফেলে রেখে হায়দারগঞ্জ বাজারে নিয়ে গিয়ে অটোরিকশাটি বিক্রির চেষ্টা করেন গিয়াস। তবে সেটি বিক্রি করতে না পারায় পাশের একটি বাড়িতে রেখে পালিয়ে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/qbxp8r1y/f3924c4d-7e1f-48dc-89a8-e8351c73a864.jfif" /><figcaption>পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে গ্রেপ্তার আসামি। গতকাল রাতে</figcaption></figure><p>ওসি বলেন, ‘গিয়াস উদ্দিনের একটি পোষা বানর ছিল। “রাজ” নামের ওই বানরকে নিয়েই ঘটনার পর বাড়ি থেকে পালিয়ে যান তিনি। তাঁকে সেই পোষা বানরটিসহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বানরটি বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। সেটি বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’</p><p>এদিকে রাতে বানরটিকে থানায় আনার পর সেটি দেখতে কৌতূহলী মানুষ ভিড় জমায়। থানার ভেতরে ছোটাছুটি করতে থাকে বানরটি। পুলিশ সদস্যদেরও বানরটিকে সামলাতে হিমশিম খেতে দেখা যায়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দাদনের ফাঁদে বগুড়ার ‘খেলনা গ্রামের’ কারিগরেরা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/5znj81y5rh</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/5znj81y5rh#comments</comments><guid isPermaLink="false">45b06f53-930b-482c-b33a-e685f7d22e92</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ঐতিহ্য,বগুড়া</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/72xi0b1f/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/72xi0b1f/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বগুড়ার খোলাস গ্রামে খেলনার কারিগরেরা ছোটদের খেলনা তৈরি করেন। তবে ঐতিহ্য ধরে রাখতে দাদনের অদৃশ্য ফাঁদে আটকে পড়েছেন তাঁরা। খেলনা তৈরির ব্যস্ততার আড়ালে লুকিয়ে আছে অসংখ্য পরিবারের দুঃখের গল্প। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/foR160CILGA"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>মা দিবসে মাকে কী উপহার দেবেন?</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/rdmqqg7npa</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/rdmqqg7npa#comments</comments><guid isPermaLink="false">1ebd2210-611d-4a60-9bd9-f2e011ec2339</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মা,উপহার,মা দিবস</media:keywords><media:content height="2177" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ly8c3qrf/250A0075.JPG" width="3871"><media:title type="html"><![CDATA[ মাকে ভালোবাসা জানাতে মা দিবসে দিতে পারেন বিশেষ কোনো উপহার ]]></media:title><media:description type="html"><![CDATA[ মা দিবসের উপহার ]]></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ly8c3qrf/250A0075.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পর্ক</category><category>কেনাকাটা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রতিবছর মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার উদ্‌যাপিত হয় ‘মা দিবস’। দিনটিকে ঘিরে থাকে সন্তানদের অনেক চিন্তাভাবনা, নানা আয়োজন। কী দিলে সত্যিই খুশি হবেন মা—এ ভাবনাটাই হয়ে উঠছে এখন মূল।</p><p>কোহিনূর জাহান তিন মেয়ের মা। মাঝবয়সী এই গৃহিণী মনে করেন, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর মধ্যেই দিনটির আসল আনন্দ। ঘরোয়া আয়োজন, কিংবা বাইরে গিয়ে হয়তো ফুচকা-চটপটির ছোট্ট আড্ডা—এসবই তাঁকে আনন্দ দেয় বেশি। তবে জানান, উপহার হিসেবে বই তাঁর প্রিয়। </p><p>অন্যদিকে ৭০ বছরের অবসরপ্রাপ্ত সরকারি চাকরিজীবী মোহসিনা বেগমের কাছে ‘মাদার্স ডে’ অনেকটাই নতুন অভিজ্ঞতা। বেশ কয়েক বছর আগেও এমন কোনো দিবসের চল ছিল না। এখন সন্তান ও নাতি-নাতনিদের উদ্‌যাপন দেখে বেশ খুশিই হন তিনি। জানান, মা দিবসে হয়তো তেমন উপহারের কথা চিন্তা করেন না। তবে গাছের প্রতি তাঁর আলাদা টান রয়েছে—একটি ছোট্ট গাছই হতে পারে তাঁর সবচেয়ে পছন্দের গিফট। </p><p>স্নিগ্ধা মরিয়মের দুই সন্তানই এখনো ছোট, তাই মা দিবসে উপহার প্রাপ্তির তেমন কোনো প্রত্যাশা নেই। তবে বাচ্চাদের বাবা মাঝেমধ্যে দিবস উদ্‌যাপনে কেক বা উপহার দিয়ে দিনটিকে বিশেষ করে তোলেন। পরিবারের সঙ্গে বাইরে কোথাও ঘুরতে যাওয়াও তাঁর পছন্দ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/o51y35ullk">উপহার পেলে কি ফিরতি উপহার দিতেই হবে</a></aside><h3>ব্যবহারিক উপহার

</h3><p>উপহারসামগ্রীর দোকানগুলোতে মা দিবসের উপহার হিসেবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে ব্যবহারিক জিনিসপত্র, যা মায়ের কাজে লাগবে সবচেয়ে বেশি। যেমন কিচেন অর্গানাইজার, স্টোরেজ বক্স, কফি মগ, কিংবা তৈজসপত্র। মিনিসো, ইয়ো ইয়ো সো এবং মি ডি আই ওয়াইয়ের মতো দোকানগুলোতে এ ধরনের উপহারের বিশাল সংগ্রহ পাওয়া যাচ্ছে। এগুলোর বিশেষত্ব হলো দেখতেও সুন্দর, আবার প্রতিদিনের জীবনে ব্যবহারযোগ্য।</p><figure><img alt="মা দিবসের উপহার " src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/tbmj52je/250A0037.JPG" /><figcaption>মায়ের সঙ্গে সময় কাটানোর মধ্যেই দিনটির আসল আনন্দ</figcaption></figure><h3>মেমোরি-বেজড উপহার

</h3><p>মায়েদের জন্য আবেগমাখা উপহারগুলোর মধ্যে রয়েছে কাস্টমাইজড বা মেমোরি-বেজড উপহার। ছবির ফ্রেম, মেমোরি অ্যালবাম, মায়ের ছবিযুক্ত মগ, কিংবা হাতে লেখা চিঠি—এ ছোট জিনিসগুলোই স্মৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে। এই চাহিদাকে সামনে রেখে বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, যেমন উপহার বিডি, সুগারি গিফটস, রাভেন গিফট শপ নিয়ে এসেছে বিভিন্ন কাস্টমাইজড উপহার। যেখানে নাম, ছবি বা ব্যক্তিগত বার্তা যুক্ত করে উপহারকে করে তোলা যায় আরও বিশেষ। এ ছাড়া অনলাইনের দোকানগুলো থেকে সংগ্রহ করতে পারেন মায়ের পছন্দের গাছ বা বই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/recipe/lqt8l0nkfg">মা, দাদি ও নানির রান্না করা সাদামাটা কোনো খাবারও কেন জীবনে বিশেষ হয়ে ওঠে</a></aside><h3>ম্যাচিং ট্রেন্ড

</h3><p>আজকাল মা ও সন্তানের মিলিয়ে পোশাক পরার ট্রেন্ড বেশ চলছে। যেমন জনপ্রিয় ফ্যাশন হাউস বিশ্বরঙ মা দিবস উপলক্ষে নিয়ে এসেছে বিশেষ ‘মা-মেয়ে ম্যাচিং কালেকশন’। যেখানে দুই প্রজন্মের জন্য তৈরি করা হয়েছে একই নকশার পোশাক। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি পোশাক এই সম্পর্ককে নতুনভাবে উদ্‌যাপন করছে। পোশাক সব সময়ই জনপ্রিয় উপহার, এই সংগ্রহ তাতে দিয়েছে নতুন মাত্রা।</p><h3>সেলফ-কেয়ার ও ওয়েলনেস গিফট

</h3><p>বর্তমান সময়ে মায়েদের জন্য সেলফ-কেয়ার গিফট বা ব্যক্তিগত চর্চার সামগ্রী বেশ জনপ্রিয়। ত্বকচর্চার উপকরণ, সুগন্ধি বা স্পা কিট—এ ধরনের উপহার মায়েদের নিজের জন্য একটু সময় বের করার সুযোগ দেয়। দৈনন্দিন ব্যস্ততার মাঝে ছোট্ট এ বিরতিই মানসিকভাবে মায়েদের জন্য বেশ ইতিবাচক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/2sc09n54/Gemini_Generated_Image_175ovu175ovu175o.png" /><figcaption>ছবির ফ্রেম, মেমোরি অ্যালবাম, মায়ের ছবিযুক্ত মগ, কিংবা হাতে লেখা চিঠি—এ ছোট জিনিসগুলোই স্মৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে</figcaption></figure><h3>অভিজ্ঞতাভিত্তিক উপহার

</h3><p>শুধু ব্যক্তিগত উপহার নয়, এখন গুরুত্ব পাচ্ছে ‘এক্সপেরিয়েন্স গিফট’ও। যেমন একসঙ্গে বাইরে খেতে যাওয়া, দূরে কোথাও ভ্রমণ বা একটি পুরো দিন শুধু মায়ের জন্য রাখা। যত ব্যক্তিগত উপহার দেওয়া হোক না কেন, তুলনায় অভিজ্ঞতাভিত্তিক উপহার মায়েদের জন্য দীর্ঘস্থায়ী আনন্দের উৎস। এসব উপহার পরিবারের সম্পর্কগুলোকেও আরও গভীর করে।</p><p>তাই মাকে ভালোবাসা জানাতে মা দিবসের আগে থেকেই আয়োজন করে রাখতে পারেন এমন কোনো উপহার।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/1k09qrx9we">শিশুরা কি প্রথম জন্মদিনের আগেই ‘মিথ্যা’ বলতে পারে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>এনসিটির সঙ্গে সিসিটিও চায় ডিপি ওয়ার্ল্ড</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/btyh499orr</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/btyh499orr#comments</comments><guid isPermaLink="false">19e40adf-cb6d-4f38-89a9-0f0932c7b99d</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মাসুদ মিলাদ</atom:name><atom:uri>/api/author/1408959</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সম্প্রতি দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের বৈঠকে এ আগ্রহ প্রকাশ করে দুবাইভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি।]]></description><media:keywords>অর্থনীতি,বাণিজ্য,চট্টগ্রাম বন্দর</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-19/r5g7nx6z/Ctg-port.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-10-19/r5g7nx6z/Ctg-port.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে স্থগিত হওয়া চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) দীর্ঘ মেয়াদে ইজারাপ্রক্রিয়া আবারও গতি পাচ্ছে। তবে এবার শুধু এনসিটি নয়, এর পাশে থাকা চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি) মিলিয়ে একক টার্মিনাল হিসেবে একসঙ্গে আধুনিকায়ন ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক বন্দর অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ড।</p><p> বাংলাদেশ-দুবাই যৌথ পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্ল্যাটফর্মের চতুর্থ সভায় এ আগ্রহ প্রকাশ করে প্রতিষ্ঠানটি। ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয় এবং পরবর্তী বৈঠকে এটি পৃথক প্রকল্প হিসেবে বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রথম আলোর হাতে আসা সভার কার্যবিবরণী থেকে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি শ্রমিক আন্দোলনের মুখে এনসিটি ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া স্থগিতের ঘোষণা দেয় তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। নতুন করে শুরু হওয়া প্রক্রিয়ায় এখন আরও বড় পরিসরে বিনিয়োগ ও পরিচালনার প্রস্তাব দিল দুবাইভিত্তিক বন্দর পরিচালনাকারী কোম্পানিটি।</p><p>আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৪ সালে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল বিদেশি অপারেটরের কাছে হস্তান্তরের পর চট্টগ্রাম বন্দরের হাতে তিনটি টার্মিনাল চালু রয়েছে। টার্মিনাল তিনটি হলো জেনারেল কার্গো বার্থ (জিসিবি), সিসিটি ও এনসিটি। এগুলো বর্তমানে দেশি অপারেটরদের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৯৫০ মিটার লম্বা এনসিটি দেশের প্রধান কনটেইনার টার্মিনাল, যেখানে একসঙ্গে চারটি সমুদ্রগামী ও একটি ছোট কনটেইনার জাহাজ ভেড়ানো যায়। এনসিটির পাশে থাকা সিসিটি টার্মিনালে একসঙ্গে দুটি জাহাজ ভেড়ানো যায়। আর জেসিবিতে ছয়টি কনটেইনার জেটিতে পাঁচটি জাহাজ ভেড়ানো যায়। এই তিন টার্মিনালের বাইরে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় লালদিয়ার চরে নতুন টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনায় ডেনমার্কের মায়ের্সক লাইনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে। টার্মিনালটি নির্মাণের পর চালু হবে, সে জন্য আরও বছর তিনেক অপেক্ষা করতে হবে।</p><h3>যেভাবে এনসিটির সঙ্গে সিসিটিও প্রস্তাবনায়</h3><p>বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় এনসিটি ১৫ বছর মেয়াদে ডিপি ওয়ার্ল্ডের হাতে ছেড়ে দেওয়া নিয়ে দর–কষাকষির শুরুতে সিসিটি টার্মিনালও পরিচালনার আগ্রহ দেখায় ডিপি ওয়ার্ল্ড। কিন্তু সে সময় চলমান প্রক্রিয়ায় সিসিটির বিষয়টি না থাকায় বন্দর কর্মকর্তারা সিসিটি টার্মিনাল নিয়ে আলোচনা বাদ দেন। তবে শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে অন্তর্বর্তী সরকার শেষ পর্যন্ত আর ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এনসিটি পরিচালনার চুক্তি করতে পারেনি। এখন আবার এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।</p><p>গত ৮ এপ্রিল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত প্ল্যাটফর্ম সভায় এনসিটির সঙ্গে সিসিটি পরিচালনার বিষয়টি আবারও তুলেছে ডিপি ওয়ার্ল্ড। এনসিটি ও সিসিটি পাশাপাশি অবস্থিত হওয়ায় দুটি টার্মিনালকে একীভূত করে একটি টার্মিনাল হিসেবে পরিচালনার প্রস্তাব দেয় তারা।</p><p>ডিপি ওয়ার্ল্ড প্রস্তাব দেওয়ার আগে বাংলাদেশভিত্তিক বহুজাতিক কোম্পানি এমজিএইচ গ্রুপ ২০২৫ সালের ২৪ মার্চ নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও পিপিপি কর্তৃপক্ষের কাছে সিসিটিতে বিনিয়োগ ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল। গ্রুপটি ২৫ থেকে ৩০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করে টার্মিনালটি সরকারি–বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় দীর্ঘ মেয়াদে পরিচালনার প্রস্তাব দেয়। তবে বন্দর সূত্র জানিয়েছে, এই প্রস্তাব বেশি দূর এগোয়নি।</p><p>দুবাইয়ের সভায় এনসিটি পরিচালনার ক্ষেত্রে রাজস্ব, ব্যয় ও জনবলকাঠামোর বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা চেয়েছে ডিপি ওয়ার্ল্ড। একই সঙ্গে প্রস্তাবিত ১৫ বছরের কনসেশন মেয়াদ পুনর্বিবেচনা এবং টার্মিনাল আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগের বিষয়েও গুরুত্ব দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এনসিটির জন্য আরএফপির (রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল) মেয়াদের মধ্যেই আলোচনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য ডিপি ওয়ার্ল্ডকে প্রয়োজনবোধে একটি সংশোধিত দরপত্র প্রস্তাব দ্রুততম সময়ের মধ্যে জমা দিতে হবে। প্রায় সাত বছর আগে ডিপি ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশের লজিস্টিকস অবকাঠামো উন্নয়নে এক বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছিল। সর্বশেষ প্ল্যাটফর্ম সভায় লজিস্টিকস অবকাঠামোতে আরও নতুন প্রকল্প যুক্ত করে বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে কোম্পানিটি।</p><p>সভার কার্যবিবরণী অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প, যেমন বে কনটেইনার টার্মিনাল, ধীরাশ্রম আইসিডি ও ডিজিটাল সিঙ্গেল উইন্ডো সিস্টেম নিয়ে বিনিয়োগে আগ্রহী ডিপি ওয়ার্ল্ড। বিশেষ করে বন্দরের কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন ও লজিস্টিকস ব্যবস্থার আধুনিকায়নে যৌথভাবে কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছে তারা। নিমতলা ডিপোতেও বিনিয়োগে আগ্রহ দেখিয়েছে দুবাইভিত্তিক কোম্পানিটি।</p><p>দুবাইতে অনুষ্ঠিত সভায় বাংলাদেশ পিপিপি কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক চৌধুরীসহ চারজন কর্মকর্তা অংশ নেন। অন্যদিকে দুবাই সরকারের পোর্টস, কাস্টমস অ্যান্ড ফ্রি জোনস করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নাসের আবদুল্লাহ আল নেয়াদি, ডিপি ওয়ার্ল্ড গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা যুবরাজ নারায়ণসহ চারজন অংশ নেন।</p><p>এ বিষয়ে আশিক চৌধুরীর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন না ধরায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।</p><p>অবশ্য গত ১৯ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বন্দর পরিদর্শেন এসে সাংবাদিকদের বলেছেন, এনসিটি ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েই সরকার সিদ্ধান্ত নেবে। ডিপি ওয়ার্ল্ডের প্রস্তাবের ইতিবাচক সম্ভাবনা আছে জানিয়ে তিনি বলেন, পাশাপাশি কিছু চ্যালেঞ্জও আছে, যার জন্য সতর্ক পর্যালোচনার প্রয়োজন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আইসক্রিম নিয়ে ৬ বিশ্ব রেকর্ড</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/hwun08usse</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/hwun08usse#comments</comments><guid isPermaLink="false">867b5585-2cdd-4349-ac4e-9178ea9b0fb5</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 04:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T04:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কিআ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1433867</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ তাই পুরোনো রেকর্ড ভাঙো বা নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া, সবই করার সুযোগ আছে। তার আগে আইসক্রিমের ৬টি বিশ্ব রেকর্ড দেখে নেওয়া যাক, হতেও পারে তুমি বা তোমার কোনো বন্ধু এই রেকর্ড ভেঙে ফেলবে।]]></description><media:keywords>বিচিত্র কিআ,বিশ্ব রেকর্ড,জানা অজানা কিআ</media:keywords><media:content height="571" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/henxqs2z/1.jpg" width="775"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/henxqs2z/1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভাবতে পারো, শুধু আইসক্রিম খেয়েই তুমি ইতিহাসের অংশ হয়ে যেতে পারো! আগের রেকর্ড ভাঙার পাশাপাশি নতুন রেকর্ড গড়ার সুযোগও কিন্তু আছে। যেমন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, আইসক্রিম খেতে খেতে দীর্ঘ সময় সাইকেল চালানোর কোনো রেকর্ড এখনো নেই। মানে, চাইলে তুমিই হতে পারো সেই প্রথম রেকর্ডধারী! তাই পুরোনো রেকর্ড ভাঙো বা নতুন চ্যালেঞ্জ নেওয়া, সবই করার সুযোগ আছে। তার আগে আইসক্রিমের ৬টি বিশ্ব রেকর্ড দেখে নেওয়া যাক, হতেও পারে তুমি বা তোমার কোনো বন্ধু এই রেকর্ড ভেঙে ফেলবে।</p><p><strong>মিনিটে সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম</strong></p><p>প্রথমেই আছে ১ মিনিটে সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম খাওয়ার রেকর্ড। খুব দ্রুত আইসক্রিম খেলে অনেক সময় ‘ব্রেন ফ্রিজ’ হয়ে যায়। মানে মাথার ভেতরটা যেন হঠাৎ জমে যায়, আর কোনো স্বাদই ঠিকমতো বোঝা যায় না। এমন ঝুঁকি নিয়েই ২০১৭ সালের ১৬ জুলাই আইজ্যাক হার্ডিং ডেভিস মাত্র ১ মিনিটে ৮০৬ গ্রাম আইসক্রিম খেয়েছিলেন। তিনি খেয়েছিলেন বেন অ্যান্ড জেরিসের স্ট্রবেরি চিজকেক ফ্লেভার। ব্রেন ফ্রিজ হয়েছিল কি না সেটাও ভাবতে পারো!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/pcp2jrtb/2.jpg" /></figure><p><strong>সবচেয়ে বড় আইস্ক্রিম স্কুপ</strong></p><p>সবচেয়ে বড় আইসক্রিম স্কুপের রেকর্ডটা বেশ কঠিন। একটি সুন্দর গোল স্কুপ বানানোই যেখানে কঠিন, সেখানে সবচেয়ে বড় স্কুপ বানানো তো আরও বড় চ্যালেঞ্জ হবেই। ২০১৪ সালের ২৮ জুন দুগ্ধজাত খাবারের প্রতিষ্ঠান কেমপস যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিনের সিডারবার্গ স্ট্রবেরি উৎসবে বিশাল এক স্কুপ তৈরি করে। এর উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি আর প্রস্থ ৬ ফুট ২ ইঞ্চি। আর ফ্লেভার? অবশ্যই স্ট্রবেরি!</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/lifestyle/b2xu9m36zh">কিশোরদের দৃঢ়তা গড়তে আইনস্টাইনের পরামর্শ</a></aside><p><strong>সবচেয়ে উঁচু আইসক্রিম</strong></p><p>তৃতীয় রেকর্ডটি হলো সবচেয়ে উঁচু আইসক্রিম কোন নিয়ে। একটি বিশাল কোন বানাতে দারুণ পরিকল্পনা করা লাগে। নিখুঁত হিসাবের দরকার হয়। ২০১৫ সালের ২৬ জুলাই নরওয়ের হেনিন-অসলেন ইজ এবং ট্রনড এল. ওয়েইন মিলে ১০ দশমিক ১২৬ ফুট উঁচু একটি আইসক্রিম কোন তৈরি করেন। এতে ছিল ওয়েফার কোন, চকলেট লাইনিং, আইসক্রিম এবং ওপরে জ্যামের টপিং।</p><p><strong>একটি কোনে সবচেয়ে বেশি স্কুপ</strong></p><p>চতুর্থ রেকর্ডটি বেশ মজার। একটি কোনের ওপরে সবচেয়ে বেশি স্কুপ সাজানোর রেকর্ড এটি। আমরা অনেকেই চেষ্টা করি কোনে বেশি করে স্কুপ নিতে, কিন্তু ইতালির দিমিত্রি প্যানসিয়েরা এই কাজটাকে একেবারে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। ২০১৮ সালের ১৭ নভেম্বর তিনি একটিমাত্র কোনের ওপরে ১২৫টি স্কুপ সাজিয়ে রেকর্ড গড়েন। মজার ব্যাপার হলো, তিনি এই রেকর্ড দুইবার করেছেন!</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/qbqxz4vttr">ডেথ ভ্যালির পাথর কি সত্যিই চলতে পারে</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/yfqowisr/5.jpg" /></figure><p><strong>মানব আইসক্রিম কোন</strong></p><p>পঞ্চম রেকর্ডটি সবচেয়ে বড় মানব আইসক্রিম কোন নিয়ে। একটি পণ্যের উদ্বোধন উপলক্ষে নেসলে (চীন) ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর ৪৭৮ জন মানুষকে নিয়ে রঙিন পোশাকে একটি বিশাল মানব আইসক্রিম কোন তৈরি করে। এই কোনের উচ্চতা ছিল ১৫ মিটার, আর ওপরে থাকা ‘স্কুপ’ অংশটির দৈর্ঘ্য ছিল ৯ মিটার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/4ookjted/6.jpg" /></figure><p><strong>সবচেয়ে বেশি আইসক্রিম ট্রাক একসঙ্গে</strong></p><p>আইসক্রিম ভ্যানের ডাক শুনলে আমরা যেমন আইসক্রিম কিনতে ছুটে যাই। একসঙ্গে ৮৪টি ভ্যান যদি ডাকাডাকি শুরু করে? সবশেষে রেকর্ডটা সবচেয়ে বড় আইসক্রিম ট্রাক বা ভ্যান প্যারেড নিয়ে। ২০১৮ সালের ১৬ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের ক্রু শহরে ৮৪টি আইসক্রিম ট্রাক ও ভ্যান একসঙ্গে রাস্তায় নেমেছিল। এই রেকর্ডটি আয়োজন করেছিল দ্য আইসক্রিম ভ্যান ড্রিম টিম।</p><p>এখন বলো, তুমি কোন রেকর্ডটি ভাঙতে চাও? নাকি একেবারে নতুন কোনো আইসক্রিম রেকর্ড গড়ার পরিকল্পনা করছ?</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/fh7j2arjno">টিয়াপাখি কীভাবে মানুষের মতো কথা বলে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>করণ জোহরের বিশাল কেপ জুড়ে রাজা রবি বর্মার পেইন্টিং, ইশা আম্বানির হাতে পাকা আম কেন</title><link>https://www.haal.fashion/fashion/hwsb0x4dt0</link><comments>https://www.haal.fashion/fashion/hwsb0x4dt0#comments</comments><guid isPermaLink="false">04601e34-3624-4056-a11d-28f204353dfc</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:51:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:51:27.587Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মেট গালায় করণ জোহরের বর্ণাঢ্য ডেব্যুতে দেখা যাচ্ছে বিশাল ৬ ফুট কেপ জুড়ে রাজা রবি বর্মার পেইন্টিং। এদিকে ইশা আম্বানি কেন পাকা আম হাতে গিয়েছেন রেড কার্পেটে?]]></description><media:keywords>মেট গালা,মেট গালা ২০২৬</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/d86h8chd/koron1.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/d86h8chd/koron1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফ্যাশন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের সমৃদ্ধ আর্ট অ্যান্ড কালচারের ভাণ্ডার থেকে ঐতিহ্যবাহী 'রাজা রবি বর্মা' পেইন্টিং বেছে নিয়েছেন পরিচালক করণ জোহর তাঁর মেট গালা ডেব্যুতে নিজের রাজকীয় লুকের জন্য। জারদৌসির কারুকাজের মাঝে ৬ ফিট কেপে দারুণভাবে এই চিত্রকলা ফুটিয়ে তুলেছেন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রা। এবারের মেট গালা থিম কস্টিউম আর্ট। ড্রেসকোড হলো ফ্যাশন ইজ আর্ট। আর সেদিক থেকে অত্যন্ত সার্থক হয়েছে করণের লুক। মনীশ একে পোশাক নয়, যেন এক ক্যানভাস হিসেবেই উপস্থাপন করেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/pwai9toz/avstv17779389973889954570536238527194747149.jpg" /><figcaption>মনীশ মালহোত্রার অনসম্বলে মেট গালা ডেব্যু করলেন করণ জোহর </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/rm9t60wo/gqindia17779369053889938296442155623526186478.jpg" /><figcaption>৬ ফিট লম্বা কেপে হাতে আঁকা রাজা রবি বর্মা পেইন্টিং। বটম প্লেন কালো রঙের। ভেতরের প্রিন্স কোটেও কালো ফেব্রিকে সোনালি কাজ করা। তাতে পেইন্টিং মোটিফ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/vm6od8p9/avstv17779389973889954569496219199194747149.jpg" /><figcaption>উনিশ শতকের এই বিখ্যাত ফিউশন স্ররটিস্টের পেইন্টিংয়ের মাঝে মাঝে করা হয়েছে জারদৌসি কাজ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/geii7p2f/gauravguptaofficial177793599038899308775936471471408888092.jpg" /><figcaption>গৌরব গুপ্তের সোনালি-রূপালি-আইভরি গাউন  পরে মেট গালায় এসেছেন আম্বানিদের মেয়ে ইশা। এতে আছে পিওয়াই মোটিফে জমকালো কারুকাজ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/uoip17nf/fueledbyfashion1777933721388991158794777356549303576456-1.jpg" /><figcaption>শাড়িপ্রাণিত গাউনে ডিজাইনার তাঁর সিগনেচার স্ট্রাকচার্ড ডিজাইন রেখেছেন </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/x5l9wn2m/elleindia17779340293889914793795437772574267692.jpg" /><figcaption>হীরা জহরতের দরাজ ব্যবহার ব্লাউজ আর গয়নায় </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0e6lkmpb/fueledbyfashion1777933721388991158969276308149303576456.jpg" /><figcaption>হাতে সুবোঢ গুপ্তের পালা আমের মিনিয়েচার ভাষ্কর্যটাই বদলে দিয়েছে পুরো লুক </figcaption></figure><p><strong>ছবি</strong>: ইন্সটাগ্রাম </p>]]></content:encoded></item><item><title>টিআর ও কাবিখা: টাকা নয়, কেন খাদ্যই দেওয়া দরকার</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/casu12gmte</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/casu12gmte#comments</comments><guid isPermaLink="false">0c583a3d-383f-4010-86de-8a7df915e745</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:48:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:48:48.989Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আলী ইমাম মজুমদার</atom:name><atom:uri>/api/author/1401847</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরকারের কাছে সরাসরি ধান এবং মিলারদের চাল বিক্রি করতে একটি সুনির্দিষ্ট মান রয়েছে। এ মানের সঙ্গে আপস করলে সরকারি অর্থের ব্যাপক অপচয় হবে।]]></description><media:keywords>উন্নয়ন প্রকল্প,উন্নয়ন,খাদ্য অধিদপ্তর,খাদ্য,খাদ্য মন্ত্রণালয়</media:keywords><media:content height="1688" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/06/14/fb75a26a5892b9355f4b7662161d794d-5b226e1d48d81.JPG" width="2250"><media:title type="html"><![CDATA[ কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) কর্মসূচি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2018/06/14/fb75a26a5892b9355f4b7662161d794d-5b226e1d48d81.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দৈনিক <em>প্রথম আলো</em>য় প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে ৪৯৮টি প্রস্তাবের মধ্যে টিআর ও কাবিখা প্রকল্প খাদ্যের পরিবর্তে নগদ অর্থে বাস্তবায়নের একটি প্রস্তাব এসেছে। উল্লেখ্য, ৩ মে ঢাকায় শুরু হয়েছে ডিসিদের ৪ দিনের বার্ষিক সম্মেলন। </p><p>সম্মেলনটি প্রশাসনের শুধু গতানুগতিক একটি পরিক্রমা হিসেবে বিবেচনা করা চলে না; এটা অতীত থেকে শিক্ষা, বর্তমানের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যতের করণীয় সম্পর্কে মাঠ প্রশাসনের প্রধান নির্বাহীদের সরকারের প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রী ও সচিবদের নজরে আনার মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় থাকে।</p><p>সম্মেলনের প্রস্তুতি হিসেবে ডিসি ও বিভাগীয় কমিশনারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত বিভিন্ন প্রস্তাব পর্যালোচনা করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ মন্ত্রণালয় ও বিভাগভিত্তিক আলোচনার সূচি তৈরি করে। জানা যায়, এবার ৩৪টি অধিবেশনে ৪৯৮টি প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর মধ্যে এটিও রয়েছে। </p><p>এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকেন ডিসিরা। তাঁরা অনেকেই জানেন, কীভাবে বা কী করলে জনগণ অধিক উপকৃত হবে। সুতরাং তাঁদের কথা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও সচিব বিবেচনা করেন গুরুত্বের সঙ্গে। জানা সম্ভব হয়নি, কোন কোন ডিসি বা বিভাগীয় কমিশনার প্রস্তাবটি করেছেন বা সমর্থন করেন।</p><p>এটি মূলত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়বিষয়ক। তবে খাদ্য মন্ত্রণালয় ও অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্টতা ব্যাপক। প্রস্তাবের সমর্থনেও কিছু কথা বলা যাবে, যেমন আলোচিত টেস্ট রিলিফ (টিআর) ও কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি (কাবিখা) প্রকল্পের মালামাল পরিবহনের জন্য বরাদ্দ থাকে অপ্রতুল। এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে সংশ্লিষ্ট শ্রমিকেরাও নগদ অর্থ নিতে পছন্দ করেন। তাই গুদাম থেকে বুঝে নেওয়ার পর্যায়ে এগুলোর বেশ কিছু বিক্রি হয়ে যায় খাদ্য ব্যবসায়ীদের কাছে। প্রস্তাবটি যিনি বা যাঁরা করেছেন, তাঁদের ধারণা, এর মাধ্যমে হয়তোবা ব্যবস্থাপনা অধিকতর স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হবে।</p><p>আপাতত এমনটা দৃশ্যমান হলেও বাস্তবতা ভিন্ন। টিআর চালু হয় সম্ভবত ব্রিটিশ কিংবা পাকিস্তান আমলে। আর কাবিখার সূচনা পাকিস্তান আমলে। প্রথম দিকে এটা বৈদেশিক সাহায্যনির্ভর ছিল। বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এটা পরিচালনা করতে সহায়তা দিত। এখন দুটি কার্যক্রমই সরকার নিজস্ব সম্পদে বাস্তবায়ন করছে। অবশ্য টিআরে খাদ্যসহায়তা নিকট অতীতে উঠেই গেছে। যুগবাহিত রেওয়াজ অনুসারে টিআরের মাধ্যমে কচুরিপানা, জঙ্গল পরিষ্কারসহ ছোটখাটো মেরামতি কাজে বরাদ্দ দেওয়া হয়।</p><blockquote>হাওর এলাকায় অস্থায়ী ভিত্তিতে যে বাঁধ দেওয়া হয়, সে সময়ে সেখানে থাকে না তেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ। মানুষ থাকে অভাব–অনটনে। চাল কিনে খাওয়া তাঁদের পক্ষে অনেকটাই কষ্টসাধ্য হয়</blockquote><p>কাবিখায় থাকে প্রধানত পল্লিপূর্ত কার্যক্রম যথা গ্রামীণ রাস্তাঘাট নির্মাণ, খাল পুনঃখনন ইত্যাদি। কাবিখায় একসময় পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বড় বড় প্রকল্পও বাস্তবায়িত হতো। এখন সীমিত আকারে কাবিখা চলছে খাদ্যসহায়তার মাধ্যমে। বর্তমান অর্থবছরে এর জন্য ৯০ হাজার মেট্রিক টন চাল ও সমপরিমাণ গম এবং ভূমি মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের ২০ হাজার টন বরাদ্দ রয়েছে। </p><p>আলোচনা করা প্রাসঙ্গিক, উভয় কর্মসূচি যে সময়ে চলে, তখন গ্রামের মৌসুমি শ্রমিকদের কাজ থাকে না। ফসলের মৌসুম নয় বিধায় খাদ্যশস্যের দামও থাকে কিছুটা ঊর্ধ্বমুখী। এ সময়ে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি কিছু খাদ্য সরকারি মজুত থেকে ছাড়া হলে মূল্য স্থিতিশীল রেখে বাজার ক্রেতাবান্ধব হয়।</p><p>সারা বছরে সরকারের বিভিন্ন চাহিদা বিবেচনা করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গণখাদ্য বিতরণব্যবস্থা (পিএফডিএস) চাহিদা নির্ধারণ করে। এসব চাহিদায় অন্তর্ভুক্ত থাকে বিভিন্ন বাহিনী ও সংস্থায় প্রদেয় রেশন, বাজারদর থেকে কম দামে খোলাবাজারে বিক্রি (ওএমএস), অসহায় বা দুস্থ জনগোষ্ঠীকে খাদ্যসহায়তা, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি, কাবিখাসহ নানা কার্যক্রম।</p><p>এসব কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় বা বিভাগ পরিচালনা করলেও সব খাদ্য সংগ্রহ, পরিবহন ও মজুত করতে হয় খাদ্য মন্ত্রণালয়কে। আর সে মজুতের প্রধান উৎস ফসলের মৌসুমে সরকার নির্ধারিত প্রণোদনা মূল্যে কৃষকের ধান ও মিলারদের মাধ্যমে চাল সংগ্রহ করা। চালকলগুলো ধান কিনে চাল উৎপাদন করে এবং চুক্তিমতো সরকারি গুদামে চাল দেয়। এতে ফসল মৌসুমে সরকার সক্রিয় থাকলে কৃষকের জন্য জোটে প্রণোদনা মূল্য।</p><p>সরকারের কাছে সরাসরি ধান এবং মিলারদের চাল বিক্রি করতে একটি সুনির্দিষ্ট মান রয়েছে। এ মানের সঙ্গে আপস করলে সরকারি অর্থের ব্যাপক অপচয় হবে। তবে শুধু দেশজ উৎপাদন থেকে খাদ্যশস্য পুরোপুরি সংগ্রহ সম্ভব হয় না। যেমন আমাদের গমের চাহিদা ৭০ লাখ টন হলেও দেশজ উৎপাদন কমবেশি ১০ লাখ টন।</p><p>সরকারি বিতরণব্যবস্থায় দরকার হয় ৭ লাখ টন। এর পুরোটাই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। আর চালও চাহিদা মোতাবেক স্থানীয়ভাবে সংগ্রহের ঘাটতি মেটাতে বিদেশ থেকে আমদানি প্রয়োজন। সম্পূর্ণ পিএফডিএসের জন্য সংগ্রহ, মজুত ও বিতরণে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে বরাদ্দ দেয় অর্থ বিভাগ।</p><p>পিএফডিএস খাতে বিতরণের দুটি মূল উদ্দেশ্যর একটি ফসল মৌসুমে কৃষককে প্রণোদনা দান, অপরটি বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করা। তেমনি টিআর ও কাবিখায় খাদ্যসহায়তাও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখতে সহায়ক হয়। এ ক্ষেত্রে যেমন কিছু পরিমাণ খাদ্য ব্যবসায়ীদের কাছে চলে যাওয়ার অভিযোগ আছে, তেমনি আছে রেশনিং ব্যবস্থাতেও। তেমনটা যাতে না যায়, সে জন্য সবাই যতটা সম্ভব নজরদারি করা প্রয়োজন। তা না করে বিষয়টি তুলে দিলে বাজারদরের ওপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়তে পারে।</p><p>উল্লেখ্য, এসব ব্যবস্থা ত্রুটিমুক্ত—এমনটা বলা যাবে না। তবে ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে গঠিত সিভিল সাপ্লাই ডিপার্টমেন্টের উত্তরসূরি আজকের খাদ্য অধিদপ্তর বিভিন্ন পরীক্ষা–নিরীক্ষার ফসল। এ ব্যবস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কারও কারও বিরুদ্ধে অদক্ষতা ও দুর্নীতির অভিযোগ থাকতে পারে। তবে তার জন্য বিষয়টি ছেঁটে ফেলা ঠিক হবে না। তাদের দক্ষতাও প্রশংসার সঙ্গে উল্লেখ করতে হয়। পিএফডিএস–সংক্রান্ত বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৩৬ লাখ টন। অন্তর্বর্তী সরকারের শেষ দিনে মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার টন। পাইপলাইনে আমদানির অপেক্ষায় ছিল আরও ২ দশমিক ৫ লাখ টন। এটা ওই তারিখে নিকট অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক বেশি।</p><p>উল্লেখ্য, আমাদের ন্যূনতম নিরাপদ মজুত চাল ও গম মিলে ১৩ লাখ টন। গড়ে তোলা মজুত প্রতিনিয়তই খরচ হচ্ছে। আর খরচ করার জন্যই সংগ্রহ। তাই উভয় ব্যবস্থাই প্রতিনিয়ত সচল রাখতে হয়। এর একটি হচ্ছে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি। আগেই আলোচিত হয়েছে, কাবিখা ও টিআর পিএফডিএসের একটি অঙ্গ। এটি টাকায় রূপান্তর করলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়বে। বাজারকে ভোক্তাবান্ধব করার প্রচেষ্টা কিছুটা হলেও থমকে যাবে।</p><p>মাঠ প্রশাসনে দীর্ঘকালীন অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্বর্তী সরকারের একজন অংশীদার হিসেবে এই নিবন্ধকার বিবেচনা করে, কাবিখা কর্মসূচি কোনো অবস্থাতেই টাকায় রূপান্তর যথোচিত হবে না; বরং পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনেক প্রকল্প এর আওতায় আনা যেতে পারে। বিশেষ করে হাওর এলাকায় অস্থায়ী ভিত্তিতে যে বাঁধ দেওয়া হয়, সে সময়ে সেখানে থাকে না তেমন কর্মসংস্থানের সুযোগ। মানুষ থাকে অভাব–অনটনে। চাল কিনে খাওয়া তাঁদের পক্ষে অনেকটাই কষ্টসাধ্য হয়। এ কর্মসূচিসহ সমধর্মী আরও বেশ কিছু কাজ খাদ্যের বিনিময়ে করার বিষয়টি এখন সময়ের দাবি।</p><ul><li><p><strong>আলী ইমাম মজুমদার </strong>সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা</p><p>majumderali1950@gmail.com</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>হাম নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছিল ইউনিসেফ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/k1x8w153et</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/k1x8w153et#comments</comments><guid isPermaLink="false">54b74308-dfee-4e1e-9c52-1cdf3fec1b19</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:42:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:42:43.106Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে।]]></description><media:keywords>হাম,ইউনিসেফ,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার,স্বাস্থ্য,অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস</media:keywords><media:content height="853" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/1bf74jr7/baby-.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর ডিএনসিসি ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে হামে আক্রান্ত শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-23/1bf74jr7/baby-.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>টিকাদানের ক্ষেত্রে সফল হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশে হামে এত সংক্রমণ ও মৃত্যুর ঘটনা নানা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। টিকাদানের সফলতার গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী জাতিসংঘের সংস্থা ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি <strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া</strong> এসব বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন প্রথম আলোর সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন <strong>পার্থ শঙ্কর সাহা</strong>।</p><p>প্রতিবছর ইউনিসেফ বিশ্বের প্রায় অর্ধেক শিশুকে টিকা দিতে সহায়তা করে, যাতে তারা সুস্থভাবে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। বাংলাদেশেও ইউনিসেফ প্রতিবছর লাখো শিশুর জন্য এই কাজ করছে এবং বড় ধরনের প্রাদুর্ভাব প্রতিরোধে সহায়তা করছে। বাংলাদেশে গণটিকাদানের এই সাফল্য কতটা? </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/nke0tcey/WhatsApp_Image_2026_05_05_at_9_43_08_AM.jpeg" /><figcaption>ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া </figcaption></figure><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> ১৯৭৪ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) আন্তর্জাতিকভাবে চালু হওয়ার পর থেকেই ইউনিসেফ তাদের কাজের কেন্দ্রে টিকাদানকে রেখেছে। এর উদ্দেশ্য ছিল, প্রতিটি শিশু সে যেখানেই থাকুক, যেন জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। বাংলাদেশে ১৯৭৯ সালে ইপিআই চালুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরকারকে ব্যাপক কারিগরি সহায়তা দিয়ে আসছে। ইউনিসেফ বিশ্বব্যাপী সরকারগুলোর সঙ্গে কাজ করে, যাতে প্রতিটি শিশু জীবনরক্ষাকারী টিকা পায়। এর জন্য তারা বৈশ্বিক ক্রয়ক্ষমতা, কারিগরি দক্ষতা এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততাকে একত্র করে। বাংলাদেশে এই অংশীদারত্ব বড় বড় সাফল্য এনে দিয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে পোলিও নির্মূল, নতুন টিকা চালু এবং ধারাবাহিকভাবে টিকাদানের উচ্চ হার। ইউনিসেফের সহায়তায় বাংলাদেশে পূর্ণ টিকাদান কাভারেজ ১৯৮০ সালের ২ শতাংশ থেকে ২০২৩ সালে ৮২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।</p><p>বাংলাদেশে ইউনিসেফ পোলিও নির্মূল, মাতৃ ও নবজাতকের টিটেনাস নির্মূল, হেপাটাইটিস বি নিয়ন্ত্রণ এবং এইচপিভি ও টিসিভি টিকার মতো নতুন টিকা চালু করতে সহায়তা করেছে। পাশাপাশি শিক্ষাব্যবস্থাকে ব্যবহার করে স্কুলভিত্তিক পুষ্টি, পানি ও স্যানিটেশন (ওয়াশ) কার্যক্রমের সঙ্গে টিকাদান যুক্ত করে সমন্বিত পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। সংক্ষেপে শক্তিশালী সরকারি নেতৃত্ব, তথ্যভিত্তিক কৌশল, কমিউনিটির আস্থা, ইউনিসেফসহ অংশীদারদের সমন্বিত সহায়তার ফলে বাংলাদেশ গণটিকাদান দ্রুত সম্প্রসারণ করে প্রতিটি শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনতে পেরেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/haame-ken-et-shishumrtyu">হামে কেন এত শিশুমৃত্যু</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-28/rilj01kl/68170541214431066445229258008188620838451888n.jpg" /><figcaption>হামে আক্রান্ত এক শিশুর মৃত্যু।  বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট</figcaption></figure><p>বাংলাদেশে সম্প্রতি হামের বড় প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এর পেছনে সময়মতো হামের টিকাদানের ব্যর্থতার প্রশ্নটি আসছে বারবারই। সম্প্রতি এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স বলেছিলেন, ‘পূর্ববর্তী সরকার দেশে টিকা আনতে ব্যর্থ হয়েছিল এবং তারা টিকা ক্রয়ের পদ্ধতিও পরিবর্তন করেছিল।’ তাহলে কি অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফের সঙ্গে কোনো আলোচনা ছাড়াই টিকাদানের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিতে আকস্মিক পরিবর্তন এনেছিল?</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> বিশ্বব্যাপী টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় ইউনিসেফ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইউনিসেফ শতাধিক দেশে প্রায় ৪৫ শতাংশ টিকা সরবরাহ করে। বাংলাদেশ সরকার-ইউনিসেফের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হয়ে আসছে, যার ফলে সময়মতো, সাশ্রয়ী এবং সমতাভিত্তিকভাবে টিকা সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।</p><p>২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকার ৫০ শতাংশ টিকা ওপেন টেন্ডার মেথডে (উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি) কেনার বিষয়টি বিবেচনার সিদ্ধান্ত নেয়। ইউনিসেফ ও তাদের অংশীদারেরা তখন উদ্বেগ জানায় যে এই প্রক্রিয়ায় সামগ্রিক ক্রয়প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ১২ মাস পর্যন্ত বিলম্বিত হতে পারে। এসব উদ্বেগ সত্ত্বেও উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। দুঃখজনকভাবে, এ সিদ্ধান্তের ফলে টিকা সংগ্রহে বিলম্ব ঘটে। ২০২৫ সালে ইউনিসেফ আগাম অর্থায়নের ব্যবস্থা করে টিকা সংগ্রহ ও সরবরাহ নিশ্চিত করে, যাতে তীব্র সংকট মোকাবিলা করা যায়। এর ফলে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত কিছু টিকার মজুত বজায় রাখা সম্ভব হয়।</p><p>তবে কিছু টিকার ক্ষেত্রে এর আগেই মজুত শেষ হয়ে যায় এবং কিছু টিকার ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ঘাটতি দেখা দেয়। অর্থছাড়ে বিলম্ব এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় পরিবর্তনের সম্মিলিত প্রভাবে টিকা সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হয়। কারণ, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা সংগ্রহ সম্পন্ন করা যায়নি এবং অন্তর্বর্তী সরকার ইউনিসেফকে বরাদ্দ দেওয়া অর্থও ছাড় করতে পারেনি।</p><p>২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইউনিসেফ ও অংশীদারদের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে মার্চ মাসে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতি বাতিলের নির্দেশ দেন। এরপর এপ্রিলে আবার ইউনিসেফের মাধ্যমে আগের পদ্ধতিতে টিকা সংগ্রহে ফেরার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/g23dblclfr">হাম ও হামের উপসর্গে আরও ১৭ শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৩০০ ছাড়াল</a></aside><p>সরকারি সহযোগিতা না থাকলে কোনো সম্ভাব্য স্বাস্থ্যসংকট মোকাবিলায় ইউনিসেফের নিজস্ব কি কোনো ব্যবস্থা রয়েছে?</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> সরবরাহে বিঘ্ন এড়াতে ইউনিসেফ একটি বিশেষ প্রিফাইন্যান্সিং ব্যবস্থা বজায় রাখে, যার মাধ্যমে সরকার অর্থছাড়ে বিলম্ব হলে তা সাময়িকভাবে পূরণ করা যায়। এ জন্য ইউনিসেফ উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করে, যাতে টিকার মজুত শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এড়ানো যায় এবং টিকাদান কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৫ সালে ইউনিসেফ প্রায় ১৮ মিলিয়ন (১ কোটি ৮০ লাখ) মার্কিন ডলার আগাম অর্থায়ন করেছে। এ ছাড়া ২০১৭-১৮ থেকে ২০২২ সালের মধ্যে প্রায় ২০ মিলিয়ন (২ কোটি) ডলার ব্যয় করা হয়েছে টিকা সরবরাহ বজায় রাখতে।</p><p>সাম্প্রতিক হাম প্রাদুর্ভাবের সময় ইউনিসেফের সদর দপ্তর তাদের বৈশ্বিক জরুরি সাড়া দেওয়ার ব্যবস্থার মাধ্যমে অতিরিক্ত কারিগরি দক্ষতা ও জরুরি তহবিল জোগাড় করে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য অংশীদার ও দাতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে জাতীয় পর্যায়ে হাম মোকাবিলা এবং এ ধরনের জরুরি পরিস্থিতির জন্য অতিরিক্ত সম্পদ নিশ্চিত করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-20/u9qgmf8q/11.-RangpurTika.JPG" /><figcaption>শিশুকে দেওয়া হচ্ছে হামের টিকা। সিটি করপোরেশন চত্বর, রংপুর, ২০ এপ্রিল</figcaption></figure><p>অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার আগে ইউনিসেফ ও গ্যাভি যৌথভাবে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট থেকে সংগৃহীত টিকা বাংলাদেশে সরবরাহ করত, কিন্তু গত বছর হঠাৎ এই প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। এ সিদ্ধান্ত কি অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে একটি ভালো নীতি ছিল? এ থেকে অন্য দেশগুলো কী শিক্ষা নিতে পারে—এটি কি বিশ্বব্যাপী একটি সতর্কবার্তা?</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> ইউনিসেফ ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটসহ ইউরোপ, জাপান ও এশিয়ার বিভিন্ন প্রস্তুতকারকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি বজায় রাখে, যারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত টিকা উৎপাদন করে। এসব ব্যবস্থার আওতায় ১৯৭৯ সালে ইপিআই কর্মসূচি শুরুর পর থেকেই ইউনিসেফ সরাসরি এসব প্রস্তুতকারকের কাছ থেকে টিকা সংগ্রহ করে আসছে, যাতে গুণগত মান, নির্ভরযোগ্যতা এবং সর্বনিম্ন দামে সময়মতো সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। অন্তর্বর্তী সরকারের নেওয়া ক্রয়সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত এবং ক্রয় নীতিমালা পরিবর্তনের ফলে টিকা সরবরাহব্যবস্থায় কীভাবে প্রভাব পড়ে এবং টিকার ঘাটতি তৈরি হয়, তা আগেই আমি বলেছি।</p><p>চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহেই দেশে প্রথম হামের রোগী শনাক্ত হয়। তখন কি সংক্রমণ ঠেকাতে ও স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করতে অন্তর্বর্তী সরকার যথেষ্ট পদক্ষেপ নিয়েছিল? জানুয়ারির পর দুই মাস পেরিয়ে গেলে প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকে, এ ক্ষেত্রে সরকার কি দেরিতে ব্যবস্থা নিয়েছে বলে মনে করেন?</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> হামের রোগীর তথ্য প্রকাশে বিলম্ব বাংলাদেশের রোগ নজরদারি ও প্রতিবেদনব্যবস্থার বড় দুর্বলতাটি তুলে ধরে। বর্তমান প্রাদুর্ভাবের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে ক্রয়সংক্রান্ত জটিলতার কারণে টিকার ঘাটতি, রোগ নজরদারির বিলম্বিত প্রতিবেদন এবং জনগোষ্ঠীর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমে যাওয়া। এর সঙ্গে আরও যুক্ত হয়েছে ভিটামিন এ ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ধাপ পরিচালনা করতে না পারা।</p><p>২০২৬ সালের মার্চের শেষ দিকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও ইউনিসেফ আনুষ্ঠানিকভাবে হাম রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির তথ্য পায়। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, সম্ভাব্য একটি ক্যাম্পেইনের জন্য ইউনিসেফ ২০২৫-এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত এই হামের টিকা সংগ্রহ করে রেখেছিল। মার্চের শেষ দিকে পরিস্থিতি জানার পর ইউনিসেফ দ্রুত এমআর (হাম-রুবেলা) ক্যাম্পেইন শুরুর পক্ষে জোরালোভাবে অবস্থান নেয়, যা শেষ পর্যন্ত গত ৫ এপ্রিল শুরু হয়।</p><p>একজন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে বলেছেন, জাতীয় টিকাদান পরামর্শক কমিটি দেড় বছর আগে অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছিল যে শিশুদের টিকা না দিলে হামের প্রাদুর্ভাব হতে পারে। টিকা সংগ্রহ বন্ধ হয়ে গেলে ইউনিসেফ কি কোনো সতর্কবার্তা দিয়েছিল?</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> হ্যাঁ, ইউনিসেফ একাধিকবার অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায়ের নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছে এবং প্রতিটি বৈঠকের পর আনুষ্ঠানিক চিঠির মাধ্যমে টিকার সম্ভাব্য ঘাটতি, রোগের প্রাদুর্ভাব, জটিলতা বৃদ্ধি এবং মৃত্যুহারের ঝুঁকি নিয়ে সতর্ক করেছে।</p><p>আপনাকে ধন্যবাদ।</p><p><strong>স্ট্যানলি গুয়াভুইয়া:</strong> আপনাকেও ধন্যবাদ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রয়টার্সের জোড়া পুলিৎজার, নিউইয়র্ক টাইমস–ওয়াশিংটন পোস্টসহ আরও পেল কারা</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/14cdhxkr0f</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/14cdhxkr0f#comments</comments><guid isPermaLink="false">5d7f31bd-8e2d-4b47-8858-9459785f121b</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:41:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:41:31.609Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রয়টার্স </atom:name><atom:uri>/api/author/1427841</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রয়টার্স ছাড়াও ২০২৬ সালে বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরষ্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেকটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।]]></description><media:keywords>সাংবাদিকতা,পুরস্কার,যুক্তরাষ্ট্র,ডোনাল্ড ট্রাম্প</media:keywords><media:content height="371" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/07mgkjz3/Pulitzer-Prize.avif" width="557"><media:title type="html"><![CDATA[ পুলিৎজার পুরস্কারের পদক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/07mgkjz3/Pulitzer-Prize.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক কার্যক্রমের ওপর প্রতিবেদন করে এ বছর (২০২৬ সাল) পুলিৎজার পুরস্কার জিতেছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ‘ন্যাশনাল রিপোর্টিং’ বিভাগে রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।</p><p>‘বিট রিপোর্টিং’ বিভাগেও এ বছরের পুলিৎজার পুরস্কার ঝুলিতে ভরেছে রয়টার্স। শিশু ও ব্যবহারকারীদের ক্ষতিকর এআই চ্যাটবট ও প্রতারণামূলক বিজ্ঞাপনের সংস্পর্শে আনায়  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বড় প্রতিষ্ঠান মেটার ভূমিকা নিয়ে অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের জন্য রয়টার্স এ পুরস্কার পেয়েছে।</p><p>এ বছর বিভিন্ন বিভাগে সম্মানজনক পুলিৎজার পুরস্কার পেয়েছে নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্ট, কানেটিকাট মিরর, শিকাগো ট্রিবিউন, এপিসহ আরও কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। এর মধ্যে নিউইয়র্ক টাইমস তিনটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছে।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল প্রতিষ্ঠানগুলোয় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্রশাসন ও ধনকুবের ইলন মাস্কের ব্যাপক কাটছাঁট নিয়ে প্রতিবেদন করে ওয়াশিংটন পোস্ট পাবলিক সার্ভিস বিভাগে পুলিৎজার জিতে নিয়েছে।</p><p>অনুসন্ধানী সাংবাদিকতাসহ তিনটি বিভাগে পুলিৎজার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। ট্রাম্প, তাঁর পরিবার ও ট্রাম্পের মিত্ররা কীভাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করে লাভবান হচ্ছেন, তা নিয়ে প্রতিবেদনের জন্য অনুসন্ধানী সাংবাদিকতায় পুরস্কার জিতেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মতামতধর্মী লেখার জন্য পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের এম গেসেন। ব্রেকিং নিউজ ফটোগ্রাফিতে পুরস্কার জিতেছেন নিউইয়র্ক টাইমসের প্রদায়ক সাহের আলঘোরা।</p><p>ব্রেকিং নিউজ রিপোর্টিং বিভাগে এ বছর পুরস্কার জিতেছেন মিনেসোটা স্টার ট্রিবিউনের কর্মীরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/4v0gteqzz4">রয়টার্স, নিউইয়র্ক টাইমস, ওয়াশিংটন পোস্টসহ পুলিৎজার পুরস্কার পেল কারা</a></aside><p>সান ফ্রান্সিসকো ক্রনিকলের তিন সাংবাদিক সুশি নেইলসেন, মেগান ফ্যান মিউনি আর সারা ডিনাটালে এ বছরের বিশ্লেষণধর্মী বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন।</p><p>স্থানীয় সাংবাদিকতায় দুটি পুরস্কারের একটি জিতে নিয়েছে কানেটিকাট মিররের ডেভআলটিমারি ও গিনি মঙ্ক এবং প্রোপাবলিকার সোফি চউ ও হারু কোরনি। আরেকটি শিকাগো ট্রিবিউনের কর্মীদের ঝুলিতে গেছে।</p><p>ন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে পুরস্কারজয়ীদের মধ্যে রয়টার্সের কর্মীদের, বিশেষত নেড পারকার, লিন্ডা সো, পিটার ইসলার ও মাইক স্পেকটরের নাম রয়েছে। বিট রিপোর্টিং বিভাগে জয়ী ব্যক্তিদের তালিকায় রয়টার্সের জেফ হরউইজ ও এনজেন থামের নাম রয়েছে।</p><p>ইন্টারন্যাশনাল রিপোর্টিং বিভাগে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের (এপি) প্রদায়ক ডেক কাং, গ্রেরেনস বুরকি, বায়রন টাউ, অনিরুদ্ধ ঘোষাল ও ইয়েল গ্রাউয়ের পুলিৎজার জিতেছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/g2b5l44ibp">পুলিৎজার পেল রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট</a></aside><p>ফিচার লিখে পুলিৎজার জিতেছেন টেক্সাস মান্থলির অ্যারন পার্সলে। সমালোচনা বিভাগে ডালাস মর্নিং নিউজের মার্ক ল্যামস্টার এবং ইলাস্ট্রেটেড রিপোর্টিং অ্যান্ড কমেন্টারি বিভাগে ব্লুমবার্গের আনন্দ আরকে, সুপর্ণা শর্মা আর নাটালি ওবিকো পিয়ারসন পুলিৎজার জিতেছেন।</p><p>ওয়াশিংটন পোস্টের জাহি চিকেওয়েনদু ‘ফিচার ফটোগ্রাফি’ বিভাগে এ বছরের পুলিৎজার জিতেছেন। আর অডিও রিপোর্টিং বিভাগে পুলিৎজার জিতেছেন পডকাস্ট পাবলো টোরি ফাইন্ডস আউটের কর্মীরা।</p><p>যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় পর্যায়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এ পুরস্কার সাংবাদিকতার নোবেল হিসেবেও খ্যাত। ১৯১৭ সাল থেকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতা ছাড়াও সাহিত্য, সংগীত ও নাটকে বিশেষ অবদানের জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়।</p><p>কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির একটি বোর্ড প্রতিবছর এ পুরস্কার ঘোষণা করে। গতকাল সোমবার এ বছরের পুলিৎজার বিজয়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/europe/পুলিৎজার-পেল-রয়টার্সের-যেসব-ছবি">পুলিৎজার পেল রয়টার্সের যেসব ছবি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঋণের বোঝায় দিশাহারা অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী, বাঁচার আকুতি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/0x8b9agc9k</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/0x8b9agc9k#comments</comments><guid isPermaLink="false">b55e1c5d-abf0-4d98-b74f-ffd8cad200ee</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:39:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:39:40.359Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় স্বপ্নের ধান তলিয়ে যেতে দেখে জমিতে অচেতন হয়ে মারা যাওয়া কৃষক আহাদ মিয়ার (৫৫) পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জর।]]></description><media:keywords>ঋণ,নাসিরনগর,ব্রাহ্মণবাড়িয়া,মৃত্যু,চট্টগ্রাম বিভাগ</media:keywords><media:content height="1600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/x3c6alh0/bbariadh051720260504whatsapp-image-2026-05-04-at-11.57.03-am.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ কৃষক আহাদ মিয়ার তিন শিশু সন্তান। গতকাল সোমবার কৃষক আহাদের বাড়িতে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/x3c6alh0/bbariadh051720260504whatsapp-image-2026-05-04-at-11.57.03-am.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় স্বপ্নের ধান তলিয়ে যেতে দেখে জমিতে অচেতন হয়ে মারা যাওয়া কৃষক আহাদ মিয়ার (৫৫) পরিবার ঋণের বোঝায় জর্জর। পাশাপাশি তিন সন্তানের লালন-পালন ও তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তাঁর দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী খুসনাহার বেগম।</p><p>আহাদ মিয়া উপজেলার গোয়ালনগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর তিন সন্তানই অপ্রাপ্তবয়স্ক। সাত বছর বয়সী বড় ছেলে শাহাজুল মিয়া রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ছয় বছর বয়সী মেজ ছেলে লিটন মিয়া একই বিদ্যালয়ের শিশুশ্রেণিতে পড়ে। ছোট মেয়ে নুসরাত বেগমের বয়স তিন বছর। তিন সন্তান ও গর্ভের সন্তানের ভবিষ্যৎ চিন্তার পাশাপাশি স্বামীর রেখে যাওয়া ঋণ কীভাবে শোধ করবেন, এ দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে খুসনাহার বেগমের।</p><p>থাকার জন্য পৈতৃকভাবে পাওয়া এক শতক জমির ওপর নির্মিত একটি ছোট, ভাঙা টিনের ঘরে স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করতেন আহাদ। পেশায় কৃষক হলেও তিনি গ্রাম থেকে পুরোনো জামাকাপড় সংগ্রহ করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফেরি করে বিক্রি করতেন। এ আয় দিয়েই চলত তাঁর সংসার।</p><p>আহাদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাড়ির পাশের মেদির হাওরে তাঁর এক বিঘা জমি ছিল। সেই জমির ধানেই বছরের খাবার চলত। ভালো থাকার আশায় এ বছর তিনি অগ্রিম টাকা দিয়ে আরও পাঁচ বিঘা জমি বর্গা নেন এবং বোরো ধান আবাদ করেন। জমি চাষাবাদ করতে গিয়ে এলাকার কিছু ব্যক্তির কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঋণ নেন। পরিকল্পনা ছিল, ধান ঘরে তুলেই তা বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করবেন। কিন্তু টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে তাঁর ছয় বিঘা জমির পাকা ধান তলিয়ে যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/j5u2t5pr4o">ধান পানিতে তলিয়ে গেছে দেখে ঢলে পড়লেন কৃষক, জমিতেই মৃত্যু</a></aside><p>গত শনিবার সকালে কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে ধান কাটতে জমিতে যান আহাদ মিয়া। সকাল সাড়ে আটটার দিকে জমিতে পৌঁছে কোমরসমান পানিতে দাঁড়িয়ে চোখের সামনে পাকা ধান ডুবে যেতে দেখেন। কিছুক্ষণ নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে থাকার পরই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে শ্রমিক ও স্থানীয় লোকজন তাঁর লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান। শনিবার রাতে জানাজা শেষে রামপুর গ্রামে তাঁকে দাফন করা হয়। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারের স্বপ্নও যেন অন্ধকারে তলিয়ে গেছে।</p><p>কৃষক আহাদ মিয়ার স্ত্রী খুসনাহার বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার স্বামী ৮০ হাজার টাকা ঋণ করছে। এই টাকা পরিশোধ করার তৌফিক ও সাধ্য আমার নাই। আমার কেউ নাই এখন। আমার ঘর খালি হইয়্যা গেছে। সবই চলে গেছে, নিঃস্ব হয়ে গেছি। কী যে করুম, আমার মাথা কাজ করতাছে না। সরকার যদি সাহায্য করে, তইলে পুলা-মাইয়্যারে লইয়া বাঁচতে পারুম। না হইলে ১০ জনের কাছে হাত পাততে হইব। আল্লাহ জানে, আমার কী হবে। আমার তিন সন্তান লইয়্যা কই যামু, কী খামু, কিছুই বুঝদাছি না। আমার মা নাই। বাবার বাড়ির লোকজনও খুব গরিব। আমি সর্বহারা হইয়্যা গেছি। আপনারা আমারে একটু বাঁচান।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/eab4z8vi/bbaria_dh0517_20260504_whatsapp_image_2026_05_04_at_6_28_31_pm.jpg" /><figcaption>কৃষক আহাদ মিয়ার ঘর </figcaption></figure><p>জানা গেছে, রোববার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম হান্নান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনা নাছরিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন সাকিলসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা আহাদের পরিবারকে দেখতে যান। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার, নতুন জামাকাপড় ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।</p><p>আহাদের বড় ভাই ও ইউপি সদস্য আহম্মদ হোসেন বলেন, ‘আমার ভাই কাপড় ফেরি করে বিক্রি করে সংসার চালাত। উপজেলার লাখাই, ফান্দাউক, বুড়িশ্বর, শ্রীঘরসহ বিভিন্ন এলাকায় কাপড় বিক্রি করত। কিছু টাকা ঋণ করে এবার জমি করেছিল।’</p><p>উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, নাসিরনগরে মোট ১৭ হাজার ৯৮২ হেক্টর জমিতে ধান আবাদ হয়েছে। প্রায় ৫৫ হাজার কৃষক এতে যুক্ত। গত বৃহস্পতিবার কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা পাঠাতে নির্দেশ দেওয়া হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ২০০ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নামের তালিকা পাঠিয়েছেন, তবে এতে সব কৃষকের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।</p><p>উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইমরান হোসাইন বলেন, উপজেলায় ধানের জমি নতুন করে আর প্লাবিত হয়নি। সোমবার বিকেল পর্যন্ত ৩০৫ হেক্টর জমির ধান পানির নিচে রয়েছে। সোমবার সকাল থেকে রোদ ওঠায় কৃষকেরা কিছুটা স্বস্তিতে আছেন। কৃষক আহাদ মিয়ার পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্ত্রীকে বিধবা ভাতাসহ মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর থেকে গর্ভবতী ভাতা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। কৃষকের নাম প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে তিনি সহায়তা পাবেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পাহাড়ের কোলে দৃষ্টিনন্দন আমের বাগান</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/k78y1hct8s</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/k78y1hct8s#comments</comments><guid isPermaLink="false">e4f29f0a-ebd2-4ecc-bcc4-338c73f69d9a</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:34:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:34:23.798Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ছবি:</atom:name><atom:uri>/api/author/1512359</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের মাঝে প্রায় ৪ একর জায়গা জুড়ে এক দৃষ্টিনন্দন আমের বাগান। এটি গড়ে তুলেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা নবজ্যোতি চাকমা। ]]></description><media:keywords>ছবির গল্প</media:keywords><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাঙামাটির কাপ্তাই লেকের মাঝে প্রায় চার একর জায়গাজুড়ে এক দৃষ্টিনন্দন আমের বাগান। এটি গড়ে তুলেছেন তরুণ কৃষি উদ্যোক্তা নবজ্যোতি চাকমা। দীর্ঘ ১০ বছর ধরে কৃষির সঙ্গে যুক্ত থাকা এই উদ্যোক্তা ছয় বছর ধরে এই স্বপ্নের বাগান দাঁড় করিয়েছেন। তাঁর বাগানে বিশ্বের ১৫ থেকে ২০ প্রজাতির দুর্লভ, বিশালাকৃতির ও রঙিন আমের পাশাপাশি কয়েকটি দেশি সুমিষ্ট আমের জাত রয়েছে। রাসায়নিক সার ও কীটনাশকমুক্ত ফল উৎপাদনের জন্য আধুনিক ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ প্রযুক্তির ব্যবহার থেকে শুরু করে একই গাছে মুকুল ও পাকা আমের মেলবন্ধন। এর মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় বেকার তরুণ-তরুণীদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে চান নবজ্যোতি। পাহাড়ের কোলে দৃষ্টিনন্দন আমের বাগান নিয়ে ছবির গল্প</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/mysnyi2z/1.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-বারি-৪.jpg" /><figcaption>উন্নত জাতের ‘বারি ৪’ আমের ভারে যেন নুয়ে পড়েছে গাছের ডাল</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0syp6gf1/3.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-কিউজাই.jpg" /><figcaption>লেকের মনোরম পটভূমিতে নজর কাড়ছে বিশালাকৃতির বিদেশি জাত ‘কিউজাই’ আম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0lp2i0gs/4.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-আলফানসো.jpg" /><figcaption>বাগানের বিখ্যাত ‘আলফানসো’ আমের বৃদ্ধি ও যত্ন নিজ হাতে পরখ করে দেখছেন উদ্যোক্তা নবজ্যোতি চাকমা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ma4lu7cf/6.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-কাটিমন.jpg" /><figcaption>থোকায় ধরা ‘কাটিমন’ জাতের আম, যা অন্যতম জনপ্রিয় একটি বারোমাসি জাত </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/3av2pkxf/7.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-গোড়মতি.jpg" /><figcaption>গাছের ডালে পাতার নিবিড় আশ্রয়ে থোকা থোকা ‘গৌড়মতি’ আম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/0k9zr7u4/8.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-রেড-পালমার.jpg" /><figcaption>বিশালাকৃতির রঙিন ‘রেড পালমার’ আমের ফলন নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন নবজ্যোতি চাকমা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/5jbyz945/9.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-বারি-১১-বারমাসি.jpg" /><figcaption>বারোমাসি জাত ‘বারি ১১’-এর গাছে চমৎকার দৃশ্য; একই সঙ্গে দেখা যাচ্ছে মুকুল, গুটি ও পরিপক্ব আম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/1ughyjqi/10.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-তাইওয়ান-রেড.jpg" /><figcaption>বাগানের সৌন্দর্য বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে লালচে-বেগুনি রঙের ‘তাইওয়ান রেড’ আম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/sujcqo5v/11.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-ব্রুনাই-কিং.jpg" /><figcaption>বাগানের অন্যতম বৃহৎ জাত ‘ব্রুনাই কিং’, যার একেকটির ওজন ও আকার অবাক করার মতো</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/es0455h0/12.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-থাই-ব্যানানা.jpg" /><figcaption>ঠিক যেন কলার মতো দেখতে! ভিন্নধর্মী আকৃতির এই আমের জাতের নাম ‘থাই ব্যানানা’ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/iedh506c/15.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-সূর্য-ডিম.jpg" /><figcaption>লালচে আভায় মোড়ানো বিশ্বের অন্যতম দামি ও আকর্ষণীয় আমের জাত ‘সূর্যডিম’ বা মিয়াজাকি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/l67kgr24/16.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-রেড-আইভরি.jpg" /><figcaption>বৃষ্টির ছোঁয়ায় সতেজ হয়ে ওঠা নজরকাড়া লম্বাটে গড়নের ‘রেড আইভরি’ আম</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/zxw1zfse/19.-Photostory-Rangamati-Mango-Photo-Suprio-Chakma-05052026-ব্যাগিং.jpg" /><figcaption>বিষমুক্ত ও নিরাপদ আম উৎপাদনের লক্ষ্যে পুরো বাগানে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক ‘ফ্রুট ব্যাগিং’ প্রযুক্তি</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>অস্ট্রেলিয়ার কথা বলে নেপালে নিয়ে নির্যাতন, ৮ মাস পর বাড়ি ফিরলেন সাকিব</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/622zwvqxui</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/622zwvqxui#comments</comments><guid isPermaLink="false">05aefa7f-be32-4297-9583-3a5efc87bb9d</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দালালদের কাছ থেকে ছাড়া পেয়ে প্রায় আট মাস পর বাড়ি ফিরে সাকিব হোসেন শোনালেন ভয়াবহ এক বন্দিজীবনের গল্প। সাড়ে ১২ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে চিন্তায় পরিবার।]]></description><media:keywords>বাঘারপাড়া,নির্যাতন,প্রবাসী জীবন,অপহরণ,যশোর,খুলনা বিভাগ,অভিবাসন</media:keywords><media:content height="1932" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/zi08krms/JESSORE-SAKIB-HOSSAIN-02.JPG" width="2996"><media:title type="html"><![CDATA[ শরীরে দালালদের নির্যাতনের ক্ষত নিয়ে আট মাস পর বাড়ি ফিরেছেন তরুণ সাকিব। রোববার দুপুরে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার কিসমত মাহমুদপুর গ্রামে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/zi08krms/JESSORE-SAKIB-HOSSAIN-02.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ছেলে সাকিব হোসেনকে অস্ট্রেলিয়ায় পাঠাতে দালালের হাতে ১৫ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (৪৪)। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার বদলে তাঁকে নেপালে নিয়ে গিয়ে বন্দী করে রাখা হয়। এর পর থেকে ছেলের খোঁজ পাচ্ছিলেন না আলগমীর। প্রায় আট মাস পর বাড়ি ফিরে সাকিব হোসেন শোনালেন ভয়াবহ এক বন্দিজীবনের গল্প। জানালেন, নেপালের একটি কক্ষে আটকে রেখে প্রতিদিন মারধর, ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখানো, এমনকি পেটে আঘাত করার মতো নির্মম নির্যাতনের কথা।</p><p>সাকিবদের (২১) বাড়ি যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার কিসমত মাহমুদপুর গ্রামে। গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁকে নেপালের কাঠমান্ডু নিয়ে যাওয়া হয়। এর কিছুদিন পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবার। গত শনিবার রাতে তিনি অবৈধ পথে ভারত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।</p><p>নেপাল গিয়ে সাকিবের নিখোঁজ থাকা নিয়ে গত ১৬ এপ্রিল প্রথম আলোর অনলাইন সংস্করণে ‘অস্ট্রেলিয়ায় নেওয়ার কথা বলে নেওয়া হয় নেপালে, তরুণের খোঁজ পাচ্ছেন না মা-বাবা’ শিরোনোমে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।</p><p>এর আগে ছেলেকে ফিরে পেতে আলমগীর হোসেন গত ১৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের মানব পাচার ও অভিবাসী চোরাচালান প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল-১–এ মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলাটি এজাহার হিসেবে নথিভুক্ত করেন। মামলায় উপজেলার কিসমত মাহমুদপুর গ্রামের মোকলেস মোল্যার ছেলে তরিকুল ইসলাম (৪৫) এবং নাজমুল হোসেনকে (৩৫) আসামি করা হয়েছে।</p><p>মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে তদন্ত কর্মকর্তা বাঘারপাড়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোবিন্দ কুমার মণ্ডল বলেন, ‘সাকিব হোসেন দেশে ফিরে এসেছেন। মামলার আসামিরা পলাতক থাকায় তাঁদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’</p><p>গত রোববার (৩ মে) দুপুরে কিসমত মাহমুদপুর গ্রামের বাড়ির উঠানে বসে কথা হয় সাকিব হোসেনের সঙ্গে। এ সময় তাঁকে খুব ক্লান্ত মনে হচ্ছিল। কথা বলার সময় বারবার তিনি দুচোখ মুছছিলেন।</p><aside><cite>ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন, সাকিব হোসেনের বাবা</cite>ছেলেকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। কিন্তু পাওনাদারেরা টাকার জন্য প্রতিদিন বাড়ি এসে বসে থাকছে। কী খাব আর কী করে টাকা পরিশোধ করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।</aside><p>সাকিব হোসেন জানান, ঢাকায় বিমানবন্দরে তাঁরা পাঁচজন ছিলেন। এর মধ্যে একজন দালালের লোক। পাসপোর্ট ছিল দালালের লোকের কাছে। তিনি জানতেন, তিনি অস্ট্রেলিয়াতে যাচ্ছেন। বিমান অবতরণের পর দেখতে পান তিনি নেপালের কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে। তিনি আবাক হন। সেখানে পাসপোর্ট ফিরে পেয়ে ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষ করে বিমানবন্দরের বাইরে এলে দালালের লোক তাঁর পাসপোর্ট এবং কাছে থাকা আশি হাজার টাকা মূল্যের ডলার নিয়ে নেন। তিনজনকে বিমানবন্দরের বাইরে রেখে দালালের লোক তাঁকে নিয়ে কিছুটা ফাঁকা জায়গায় যান। দুই দিন পর অস্ট্রেলিয়ার ফ্লাইট। দুইজন বাঙালি এসে তাঁকে নিয়ে যাবেন বলে দালালের লোক চলে যান। প্রায় আড়াই ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর দুইজন লোক এসে তাঁকে নর্থ বেঙ্গল হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে তাঁরা তাঁর মোবাইল নিয়ে নেন।</p><p>সাকিব জানান, হোটেলের একটি কক্ষে তিনটি বেড (শয্যা)। তিনজন ওই কক্ষে থাকতেন। তাঁরা তাঁকে বাইরে বের হতে দিতেন না। দালালের লোকজন বাইরে বের হলে তাঁকে ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা দিয়ে যেতেন।</p><p>টাকার জন্য প্রতিদিন তাঁকে মারধর করা হতো উল্লেখ করে সাকিব হোসেন বলেন, বাড়ি থেকে কথা বলার জন্য কল করলে তাঁরা ফোন দিতেন। তাঁরা যা বলে দিতেন, বাড়িতে তাই বলতে হতো। কথা বলার সময় তাঁরা পাশে ছুরি নিয়ে বসে থাকতেন। তাঁদের শেখানো কথা না বললে ছুরি দিয়ে ভয় দেখাতেন। তাঁরা আরও দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। ওই টাকা নেওয়ার পরও তাঁরা তাঁকে মারধর করতেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/xu3acrn7rm">অস্ট্রেলিয়া নেওয়ার কথা বলে নেওয়া হয় নেপালে, তরুণের খোঁজ পাচ্ছেন না মা–বাবা</a></aside><p>চার মাস সেখানে থাকার পর নতুন দুজন লোক এসে তাঁকে ট্যাক্সিতে করে একটি নির্জন জায়গার ফাঁকা বাড়িতে নিয়ে যান বলে জানান সাকিব হোসেন। এরপর বাড়ির বেজমেন্টের ঘরে তাঁকে থাকতে দেওয়া হয়। ঘরে আলো–বাতাস ঢোকার অল্প জায়গা আছে। সেখানে নিয়ে যাওয়ার তিন দিন পর তাঁকে ভাত খেতে দেওয়া হয়। ওই ঘরে প্রতিদিন তাঁকে মারধর করা হতো। ভাত খেতে চাইলেও মারধর করা হতো। তাঁরা ছুরি নিয়ে বসে থাকতেন। একদিন মারধর করার সময় তাঁরা তাঁর পেটে ছুরি দিয়ে পোঁচ দেন। এতে তিনি মারাত্মক আহত হন। অবশ্য শেষের ১৫ দিন তাঁরা মারধর করেননি।</p><p>বাড়িতে ফিরে আসার বর্ণনা দিয়ে সাকিব জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে তাঁরা দুজন তাঁকে নিয়ে বের হন। বাসে করে প্রথমে ভারতের শিলিগুড়ি নিয়ে আসেন। সেখানে বাস পরিবর্তন করে পরদিন দুপুরে জলপাইগুড়িতে আসেন। সেখান থেকে অটোতে করে এক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। রাতে সেখানে তাঁকে রেখে দুইজন লোক চলে যান। নতুন একজন এসে তাঁকে নিয়ে পায়ে হেঁটে একটি ফাঁকা মাঠের মধ্যে রেখে চলে যান। এরপর নতুন একজন লোক এসে তাঁকে নিয়ে প্রায় শুকনো একটি নদী হেঁটে পার হয়ে এপারে আসেন। শুক্রবার শেষ রাতের দিকে তাঁকে নিয়ে তারকাঁটার নিচে কালভার্টের ভেতর দিয়ে পার করে নীলফামারী সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দিয়ে তিনি চলে যান। সেখান থেকে শনিবার রাতে তিনি ট্রেনে করে বাড়ি ফিরেছেন।</p><p>সাকিব হোসেন বলেন, ‘শরীর খুব দুর্বল। ওজন অনেক কমে গেছে। কিছু ভালো লাগে না।’</p><p>ছেলেকে ফিরে পেয়ে খুশি সাকিবের মা সোনালী বেগম (৩৮)। তিনি বলেন, ‘আমরা সর্বস্বান্ত হয়ে গেছি। ছেলেকে ফিরে পেয়ে আনন্দ লাগছে। কিন্তু দেনার যন্ত্রণা নিয়ে খুব কষ্টে আছি।’</p><p>ছেলেকে বিদেশ পাঠাতে গিয়ে সহায়–সম্পদ সব বিক্রি করে ঋণ নিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন বলে জানালেন আলমগীর হোসেন। তিনি বলেন, ‘আমার ২২ শতক জমি ছিল। এর মধ্যে ১৪ শতক ভিটাবাড়ি এবং ৮ শতক জমিতে লিচুবাগান। ইঞ্জিনচালিত একটি ভ্যান ছিল। মাথা গোঁজার জমিটুকু ছাড়া সব জমি বিক্রি করেছি। আয়ের একমাত্র সম্বল ভ্যানটিও বিক্রি করে দিয়েছি। পাঁচটি এনজিও ও সমিতি থেকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা লোন নিয়েছি। ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়ে সংসারে একটু সচ্ছলতা আনার জন্য সব টাকা দালালের হাতে তুলে দিয়েছি।’ &nbsp;</p><p>এখন আয়ের কোনো পথ খোলা নেই উল্লেখ করে আলগমীর হোসেন বলেন, ‘ছেলেকে ফিরে পেয়ে ভালো লাগছে। কিন্তু পাওনাদারেরা টাকার জন্য প্রতিদিন বাড়ি এসে বসে থাকছে। কী খাব আর কী করে টাকা পরিশোধ করব, কিছুই বুঝতে পারছি না।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>অ্যালকোহলে আসক্তি নিয়ে কথা বলে বিপাকে জাহ্নবী</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/xnpag6bvts</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/xnpag6bvts#comments</comments><guid isPermaLink="false">14b40775-1fa6-4c80-b820-377e7aadef9e</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মাদকাসক্তি নিয়ে নিজের মন্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বিষয়টি পরিষ্কার করলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। ]]></description><media:keywords>চলচ্চিত্র বিতর্ক,বলিউড তারকা,জাহ্নবী কাপুর</media:keywords><media:content height="810" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-01/vek0s6uv/janhvikapoor175571000337034863967167811071231494329.jpg" width="1440"><media:title type="html"><![CDATA[ জাহ্নবী কাপুর। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-01/vek0s6uv/janhvikapoor175571000337034863967167811071231494329.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মাদকাসক্তি নিয়ে নিজের মন্তব্য ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে বিষয়টি পরিষ্কার করলেন বলিউড অভিনেত্রী জাহ্নবী কাপুর। তাঁর সঙ্গে যুক্ত অ্যালকোহল-আসক্তি সচেতনতা উদ্যোগ ‘অব দ্য রকস অ্যান্ড আমাহা’ এক বিবৃতিতে জানায়, গণমাধ্যমের একটি অংশ তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে।</p><p> <strong>‘ভুল ব্যাখ্যা উদ্বেগজনক’<br></strong> গতকাল রাতে প্রকাশিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, এই উদ্যোগের সঙ্গে জাহ্নবীর সম্পৃক্ততা ও তাঁর বক্তব্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে, যা ‘গভীরভাবে উদ্বেগজনক’। বিবৃতিটি জাহ্নবী নিজেও তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করেন।<br> বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়, ‘জাহ্নবী কাপুর এই আলোচনায় যুক্ত একজন সহমর্মী ও সহযোগী হিসেবে; তিনি নিজে কখনো আসক্তি বা অ্যালকোহল–নির্ভরতার অভিজ্ঞতার মধ্যে ছিলেন না।’ এ ধরনের ভুল ব্যাখ্যা তাঁর ভূমিকাকে খাটো করে এবং আসক্তির সঙ্গে লড়াই করা মানুষের বাস্তব অভিজ্ঞতাকে অসম্মান করে বলেও উল্লেখ করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-06/ja2vj8ps/janhvikapoor176262096437614597370287803971231494329.jpg" /><figcaption>জাহ্নবী কাপুর। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p><strong>ক্লিকবেটের বিরুদ্ধে সতর্কতা<br></strong>বিবৃতিতে গণমাধ্যম, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ও ব্যক্তিদের প্রতি দায়িত্বশীলভাবে খবর প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। বলা হয়, আসক্তির মতো সংবেদনশীল বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো শুধু ক্ষতিকরই নয়, এটি সংশ্লিষ্ট মানুষদের প্রতি অসম্মানজনকও।</p><p><strong>কী বলেছিলেন জাহ্নবী<br></strong>এই বিতর্কের সূত্রপাত রাজ সামানির পডকাস্টে দেওয়া জাহ্নবীর এক মন্তব্য থেকে। সেখানে তিনি বলেছিলেন, জীবনের এক কঠিন অভিজ্ঞতার পর তিনি কিছু সময় নিয়মিত মদ্যপান করতেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-07-29/f9pbq96x/Loved_walking_for__jayantireddylabel_____7_.jpg" /><figcaption>জাহ্নবী কাপুর</figcaption></figure><p>তবে জাহ্নবী পরিষ্কার করেন, ‘আমি বলব না যে আমি আসক্ত ছিলাম বা অ্যালকোহলের অপব্যবহার করতাম, কিন্তু তখন আমি প্রায়ই মদ্যপান করতাম।’<br>বিষয়টি বুঝে উঠতে সময় লেগেছিল অভিনেত্রীর। ক্রমে বুঝতে পারছিলেন, মদ্যপান তাঁর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলছে। সকালবেলায়ও অস্বস্তি হতো তাঁর।</p><p>জাহ্নবীর কথায়, ‘আমার স্বাস্থ্যের ওপর যে প্রভাব পড়ছিল, সেটা আমার ভালো লাগছিল না। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যে অনুভূতি হতো, তা মোটেই সুখকর ছিল না। নিজের শরীর থেকেই এক অদ্ভুত গন্ধ বেরোত। এই গন্ধ আমার খুব পরিচিত ছিল। আমারই এক চেনা ব্যক্তি, যিনি নেশাগ্রস্ত থাকতেন, তাঁর শরীর থেকে এমন গন্ধ বেরোত।’ এভাবেই ক্রমে বুঝলেন, মদ্যপান মোটেই ঠিক নয় স্বাস্থ্যের জন্য। ক্রমে সেই অভ্যাস ত্যাগ করেন অভিনেত্রী।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/xdvc51lp35">পর্ন সাইটে নিজের আপত্তিকর ছবি দেখে তাজ্জব অভিনেত্রী</a></aside><p><strong>সামনে কী কাজ<br></strong>কাজের দিক থেকে জাহ্নবী কাপুরকে পরবর্তী সময়ে দেখা যাবে ‘পেড্ডি’ ছবিতে, যেখানে তাঁর সহ-অভিনেতা রামচরণ। ছবিটি মুক্তি পাবে আগামী ৬ জুন।</p><p><sup>ইন্ডিয়া টুডে অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>সতীর্থ রবিনিও জুনিয়রকে মারধরের অভিযোগে তদন্তের মুখে নেইমার</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/nybg61rkwx</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/nybg61rkwx#comments</comments><guid isPermaLink="false">1ca08bdf-2a0a-437b-b757-f1ffb8d961a3</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নতুন করে আবার সংকটে পড়লেন নেইমার। এবার সতীর্থকে মারধরের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।]]></description><media:keywords>ব্রাজিল ফুটবল দল ,সান্তোস,নেইমার</media:keywords><media:content height="1347" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-02/4fgldzjz/2025-11-01T213711Z1690950178UP1ELB11MUN29RTRMADP3SOCCER-BRAZIL-SAN-FOR.JPG" width="2394"><media:title type="html"><![CDATA[ নেইমারের বিরুদ্ধে এবার সতীর্থকে মারধরের অভিযোগ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-11-02/4fgldzjz/2025-11-01T213711Z1690950178UP1ELB11MUN29RTRMADP3SOCCER-BRAZIL-SAN-FOR.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নেইমারের সময়টা ভালো যাচ্ছে না। ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দলে জায়গা পাওয়া নিয়ে শঙ্কায় আছেন। ফিটনেস নিয়েও আছে নানা জটিলতা। এসবের সঙ্গে এবার যুক্ত হয়েছে সান্তোস সতীর্থকে মারধরের অভিযোগও। এ অভিযোগের ভিত্তিতে নেইমারের বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে। জানা গেছে, গত রোববার অনুশীলনে ক্লাব সতীর্থ রবিনিও জুনিয়রকে ‘শারীরিকভাবে আঘাত’ করার অভিযোগে নেইমারের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে সান্তোস।</p><p>ইএসপিএনকে সূত্র জানিয়েছে, ১৮ বছর বয়সী তরুণ ফরোয়ার্ড রবিনিও জুনিয়র অনুশীলনে নেইমারকে ড্রিবল করে পেরিয়ে গেলে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অসম্মান করা হয়েছে ভেবে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখান নেইমার।</p><p>সান্তোসের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সান্তোস ফুটবল ক্লাব তাদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে একই ক্লাবের আরেক খেলোয়াড়কে শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হয়েছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/929j4293ua">এস্তেভাওয়ের চোটে কি নেইমারের বিশ্বকাপে খেলার দরজা খুলল</a></aside><p>সূত্রগুলোর দাবি, রাগের মাথায় নেইমার রবিনিও জুনিয়রকে পা দিয়ে ঠেলে ফেলে দেন। এরপর দুজনের মধ্যে তীব্র বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। পরে সতীর্থরা গিয়ে দুই পক্ষকে শান্ত করেন। ঘটনার পর রবিনিও জুনিয়র মানসিকভাবে বেশ ভেঙে পড়েছেন বলেও জানা গেছে।</p><p>সান্তোসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ক্লাবের পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ঘটনার পরপরই অভ্যন্তরীণ তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ক্লাবের বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ তদন্ত পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ক্লাবের আইন বিভাগকে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/xkjjm377/Transcende-o-futebol.-Histórias-de-Santos-Futebol-Clube.--RaulBarettaPhoto-Santos-FC.jpg" /><figcaption>নেইমার ও রবিনিও জুনিয়র</figcaption></figure><p>ব্রাজিলের সংবাদমাধ্যম গ্লোবোস্পোর্তে জানিয়েছে, সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটি তারকা রবিনিওর ছেলে রবিনিও জুনিয়র নেইমারের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ তুলেছেন। একই সঙ্গে ক্লাবে ‘ন্যূনতম নিরাপত্তার অভাব’ উল্লেখ করে তিনি চুক্তি বাতিলের বিষয়ে আলোচনার জন্য সান্তোস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকের দাবিও জানিয়েছেন।</p><p>রবিনিও জুনিয়রের অভিযোগ, নেইমার তাঁকে লক্ষ্য করে ‘অপমানজনক গালি’ দিয়েছেন, ল্যাং মেরেছেন এবং মুখে ‘জোরে চড়’ মেরেছেন। এ বিষয়ে ইএসপিএন যোগাযোগ করলে নেইমারের বার্তা অফিস থেকে জানানো হয়, সান্তোস অধিনায়ক নেইমার এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে চান না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/digl29a7kb">মেসি-রোনালদো-নেইমার: বিশ্বকাপ খেলার সম্ভাবনা কার কেমন</a></aside><p>তবে এর আগে সূত্রগুলো ইএসপিএনকে জানিয়েছিল, ঘটনার পর পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন নেইমার। তিনি রবিনিও জুনিয়রকে ফোন করেন এবং যা ঘটেছে, সে জন্য রবিনিওর পরিবারের কাছেও বার্তা পাঠিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন।</p><p>নেইমার একসময় ব্রাজিল জাতীয় দলে রবিনিও জুনিয়রের বাবার সঙ্গে খেলেছেন। গত গ্রীষ্মে ক্লাবের মূল দলে সুযোগ পান রবিনিও জুনিয়র। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত আটটি ম্যাচ খেলেছেন রবিনিও জুনিয়র।</p>]]></content:encoded></item><item><title>হামে কেন এত শিশুমৃত্যু</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/haame-ken-et-shishumrtyu</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/haame-ken-et-shishumrtyu#comments</comments><guid isPermaLink="false">f66f9fb9-5ef5-4fe4-931f-9e6ad8491cf1</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:22:04 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:22:04.395Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হামে কেন এত শিশুমৃত্যু]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/vvb2z3b7/baby.jpeg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ ডিএনসিসি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত শিশুরা। সেখানে এক শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/vvb2z3b7/baby.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হামে মৃত্যু কেন থামানো যাচ্ছে না, প্রথম আলোর পক্ষ থেকে এই প্রশ্ন একাধিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিদের কাছে করা হয়েছিল। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মো. মাহবুবুল হক প্রথম আলোকে বলেন, হামের চিকিৎসায় কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। হামের কারণে নিউমোনিয়া হলে তা জটিল হয়। হাম হলে আরও অনেক জটিলতা দেখা দেয়। হাসপাতালে শিশুদের আনা হচ্ছে অনেক জটিলতা হওয়ার পর। লাইফ সাপোর্ট দিয়েও তাদের বাঁচানো যাচ্ছে না।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দেড় মাসেও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় ঘাটতি কেন</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/vqaqkfkso8</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/vqaqkfkso8#comments</comments><guid isPermaLink="false">0fb5ba1a-545b-44ec-a5d4-9087216a9b14</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:15:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:15:47.219Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সম্পাদকীয়</atom:name><atom:uri>/api/author/1428031</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ হামের মতো একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য বা প্রতিরোধযোগ্য অসুখে দিনের পর দিন শিশুমৃত্যুর ঘটনা আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ব্যর্থতা, গাফিলতি ও ভঙ্গুরতাকে সামনে আনে। ]]></description><media:keywords>চিকিৎসা,হাম,মৃত্যু</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1029114c-37fd-4c36-a816-595983984828/editorial_5.png" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ সম্পাদকীয় ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1029114c-37fd-4c36-a816-595983984828/editorial_5.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পাদকীয়</category><content:encoded><![CDATA[ <p>হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যু কমছে না; বরং বাড়ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ৩১১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। প্রতিদিনই সংবাদপত্রের পাতা ভরে উঠছে একেকটা পরিবারের প্রিয় সন্তান হারানোর হৃদয়স্পর্শী বিবরণে। চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পরিবারগুলোকে, অনেক পরিবার ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ছে। হামের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার জরুরি ভিত্তিতে হাম–রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করলেও, হামের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পরিকল্পনার ঘাটতি প্রবলভাবে দৃশ্যমান। আমরা মনে করি, হামের আপৎকালীন চিকিৎসা পরিকল্পনার ঘাটতিতে সংক্রমণ ও শিশুমৃত্যুর হার বেড়েছে।</p><p>হামের মতো একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য বা প্রতিরোধযোগ্য অসুখে দিনের পর দিন শিশুমৃত্যুর ঘটনা আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ব্যর্থতা, গাফিলতি ও ভঙ্গুরতাকে সামনে আনে। সফল টিকাদানের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ যখন হাম নির্মূলের পথে এগোচ্ছিল, তখনই এ রোগের প্রাদুর্ভাব আমাদের নীতিনির্ধারকদের জন্য বড় সতর্কবার্তা। সারা দেশে রোগের বিস্তার, বহু শিশুর আক্রান্ত হওয়া, উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ও রোগ প্রতিরোধক্ষমতার ঘাটতি—সব মিলিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বাংলাদেশকে হামের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশের তালিকায় রেখেছে।</p><p>দেশব্যাপী হামের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ৫ এপ্রিল থেকে ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলায় এবং পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে সব কটি জেলায় হাম–রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। টিকা প্রদানের কাভারেজের হার প্রায় শতভাগ। জনস্বাস্থ্যবিদেরা মনে করছেন, উপদ্রুত এলাকায় ৯৫ শতাংশ শিশু টিকার আওতায় এলে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে হাম সংক্রমণ কমে আসতে পারে। এটা আশার খবর হলেও ‘আইসিইউ খুঁজতে খুঁজতে শিশুদের প্রাণ নিভে যাওয়া’ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। প্রাদুর্ভাবের দেড় মাস পেরিয়ে যাওয়ার পরও হাম মোকাবিলায় একটি সমন্বিত ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে না পারার পেছনে কী যুক্তি থাকতে পারে, সেটা বোধগম্য নয়। উল্লেখ্য, প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই জনস্বাস্থ্যবিদেরা হামের প্রাদুর্ভাবকে জরুরি স্বাস্থ্য অবস্থা ঘোষণা করার পরামর্শ দিয়ে আসছেন।</p><p>হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে শিশুমৃত্যুর হার বেড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ, পিআইসিইউ, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সংকট। ফলে অভিভাবকদের তাঁদের সন্তানদের নিয়ে একটি আইসিইউর জন্য মূলত রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও ঢাকায় আসতে হচ্ছে। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতাল ঘুরতে ঘুরতে, আইসিইউর সিরিয়াল পেতে পেতেই প্রাণ হারাচ্ছে শিশুরা। এর চেয়ে বেদনাবহ ও দুঃখজনক বিষয় আর কী হতে পারে।</p><p>প্রশ্ন হচ্ছে, জেলা হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ, পিআইসিইউ সুবিধা কেন থাকবে না। এটি আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার বড় ধরনের কাঠামোগত দুর্বলতা। অথচ কোভিড মহামারি ও ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে জেলা পর্যায়ের হাসপাতালে আইসিইউ সক্ষমতা গড়ে তোলা কতটা জরুরি কর্তব্য ছিল। মহামারির ভয়াবহ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবং এটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে নিয়ে পৃথিবীর অনেক দেশই স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানোর উদ্যাগ নিয়েছে। অথচ আমরা যে মহামারি থেকে কোনো শিক্ষা নিতে পারিনি, হামের এই জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইসিইউর সংকটই তার প্রমাণ দেয়।</p><p>আমরা মনে করি, স্বাস্থ্য–গবেষক সৈয়দ আব্দুল হামিদ যথার্থই বলেছেন, হামে শিশুমৃত্যুর মতো ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে: আমরা এখনো প্রতিরোধমূলক রাষ্ট্র হয়ে উঠতে পারিনি, আমরা প্রতিক্রিয়াশীল রাষ্ট্র। এর অর্থ হচ্ছে, আমরা মূলত সংকট দেখা দিলেই নড়েচড়ে বসি, আবার সংকট চলে গেলেই আবার পুরোনো ধারায় চলতে থাকি। হামের প্রাদুর্ভাব ও শিশুমৃত্যু আমাদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার দর্শনটাকে পাল্টানোর সতর্কবার্তা দিচ্ছে। আমরা যদি এরপরও শিক্ষা নিতে না পারি, তাহলে আরও বড় জনস্বাস্থ্যগত বিপর্যয় যে সামনে আসছে, সেটা বলা বাহুল্য।</p>]]></content:encoded></item><item><title>শ্যামনগরে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা জরুরি</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/anb7oyvffe</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/anb7oyvffe#comments</comments><guid isPermaLink="false">3f676750-492f-462e-b29c-6aa8c84ca931</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:11:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:11:43.318Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সম্পাদকীয়</atom:name><atom:uri>/api/author/1428031</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিল থেকে জুলাই—এই চার মাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। ]]></description><media:keywords>শ্যামনগর,পানি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1d63e6da-a8a2-4b30-a01c-0443c6229cd7/editorial_3.png" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ সম্পাদকীয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/1d63e6da-a8a2-4b30-a01c-0443c6229cd7/editorial_3.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পাদকীয়</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সাতক্ষীরার শ্যামনগরের উপকূলীয় জনপদে সুপেয় পানির সংকট আজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এখন আর পরিবেশগত বিপর্যয়ের মধ্যে নেই, চরম মানবিক সংকট তৈরি করেছে। চারদিকে অথই জলরাশি থাকলেও পানের যোগ্য এক ফোঁটা পানি নেই—প্রকৃতির এই নির্মম পরিহাস উপকূলের মানুষের ললাটলিখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আরও দুঃখজনক হচ্ছে, উপকূলের এই সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্র ও সরকার কখনোই সে অর্থে আন্তরিকতা বা সদিচ্ছার পরিচয় দেয়নি।</p><p>সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে উঠে আসা চিত্র বলছে, এক কলসি সুপেয় পানির জন্য সেখানে নারী-শিশুদের মাইলের পর মাইল পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে, এমনকি নদী সাঁতরেও পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। এ দৃশ্য একটি আধুনিক রাষ্ট্রে জনস্বাস্থ্যের অধিকারের চরম লঙ্ঘন। উপকূলের এই জীবনসংগ্রামের গভীরতা কেবল দূরত্বের মাপে বোঝা সম্ভব নয়। এর সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব আরও ভয়াবহ। পানির কষ্টের কারণে ওই অঞ্চলে বিয়ে ভেঙে যাওয়া কিংবা নতুন করে কেউ আত্মীয়তা করতে না চাওয়ার এই করুণ বাস্তবতা রাজধানীর সুবিধাভোগী গোষ্ঠী ও নীতিনির্ধারকদের কোনোভাবেই স্পর্শ করবে না। পানির সংকটে যখন একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীকে পড়াশোনা বাদ দিয়ে লাইনে দাঁড়াতে হয় কিংবা একজন ষাটোর্ধ্ব নারীকে ভেজা কাপড়ে নদী পার হয়ে আসতে হয়, তখন বুঝতে হবে সংকটটি কেবল ‘অসুবিধা’র পর্যায়ে নেই; এটি একটি মানবিক বিপর্যয়।</p><p>জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তথ্যমতে, এপ্রিল থেকে জুলাই—এই চার মাস সংকট তীব্র আকার ধারণ করে। ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ৩০ ফুট পর্যন্ত নিচে নেমে যাওয়া এবং লোনাপানির আগ্রাসনে অধিকাংশ নলকূপ অকার্যকর হয়ে পড়েছে। অথচ এই সংকট আকস্মিক নয়; জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে প্রতিবছরই পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। প্রশ্ন হলো, প্রতিবছর একই সময়ে সংকট ঘনীভূত হবে জেনেও কেন স্থায়ী কোনো সমাধান নিশ্চিত করা যাচ্ছে না? সরকারি পর্যায়ে পুকুর খনন বা বিকল্প উৎসের প্রকল্পের কথা বলা হলেও মাঠপর্যায়ে সেগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে।</p><p>সেখানে মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের জেলেখালিতে একটি বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে পুকুরের পানি পরিশোধন করে সীমিত আকারে সরবরাহের যে প্রচেষ্টা চলছে, তা সাধুবাদযোগ্য। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট এলাকার সামান্য উদ্যোগ দিয়ে এই বিশাল জনপদের চাহিদা মেটানো সম্ভব নয়। এখানে প্রয়োজন টেকসই ও দীর্ঘমেয়াদি সরকারি পরিকল্পনা। বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের (রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিং) আধুনিক প্রযুক্তি প্রতিটি পরিবার বা পাড়াভিত্তিক পৌঁছে দেওয়া এবং বৃহৎ আকারে লবণাক্ততা দূরীকরণ (ডি-স্যালাইনেশন) প্ল্যান্ট স্থাপন এখন সময়ের দাবি।</p><p>সরকার ও সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের বুঝতে হবে, উপকূলের মানুষের কাছে এখন উন্নয়ন মানে যেন এক কলসি সুপেয় পানির নিশ্চয়তা হয়ে উঠেছে। ওই অঞ্চলের সামাজিক স্থিতিশীলতা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার নিশ্চিত করতেও এটি জরুরি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>লোককথার বনে গাজী ও বনবিবি</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/others/yae4fkqe4d</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/others/yae4fkqe4d#comments</comments><guid isPermaLink="false">4e960663-f307-4dbe-af8b-e742d9902752</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:01:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:01:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>অনার্য মুর্শিদ</atom:name><atom:uri>/api/author/2310523</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অন্যান্য-অন্য আলো,শিল্প ও সাহিত্য,সাহিত্য,অন্য আলো,লোকসংস্কৃতি,সংস্কৃতি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/m02n9d7n/Aunarjo.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ : এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/m02n9d7n/Aunarjo.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>others</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পঞ্চদশ শতাব্দীর শেষভাগের কথা। বাংলায় তখন সুলতানি আমল। সুলতানি শাসনের সূচনা হয় ১২০৪ সালের দিকে, ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি নদীয়া জয়ের মাধ্যমে। খিলজির এই বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় শুরু হয় মুসলিম শাসন। তবে দিল্লির শাসকেরা দূর থেকে বাংলার শাসন পরিচালনা করতেন। মাঝখানে দিল্লি যখন নিজের ঘর সামলাতে ব্যস্ত, সেই বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। তিনি বাংলার ছোট ছোট রাজ্যকে একসুতোয় গেঁথে দিল্লির আনুগত্য অস্বীকার করলেন। এভাবেই ১৩৩৮ সাল থেকে শুরু হলো বাংলার এক গৌরবময় অধ্যায়—‘স্বাধীন সুলতানি আমল’। ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২০০ বছর সুলতানরা এই স্বাধীন বাংলা শাসন করেছিলেন।</p><p>সে সময় ঝিনাইদহের বৈরাট নগরে রাজত্ব করতেন সুলতান সেকান্দর শাহ। এখন বৈরাট নগর বলে আর কিছু নেই, এর অস্তিত্ব এখন মাটির নিচে চাপা পড়ে আছে। সেকান্দর শাহর বড় ছেলের নাম বড় খাঁ গাজী। গাজীর মাতা অজিফা সুন্দরী ছিলেন বলি রাজার কন্যা। সুলতানের এক পালিত পুত্র ছিলেন, যাঁর নাম কালু।</p><p>গাজী ছোটবেলা থেকেই ছিলেন সংসার বিবাগী ও আধ্যাত্মিক ধ্যানধারণায় মগ্ন। রাজপ্রাসাদের ঐশ্বর্য তাঁকে টানল না। একদিন তিনি রাজকীয় পোশাক ও সিংহাসনের মোহ ত্যাগ করে ফকিরি বেশ নিলেন। ভাইয়ের অনুগত কালুও রাজসুখ ছেড়ে তাঁর সঙ্গী হলেন। তাঁরা চলে এলেন বিরাট নগরের অদূরে ছাপাইনগরের বারোবাজারে। পুঁথির ভাষায় তাঁদের সেই যাত্রার বর্ণনা ছিল এমন:</p><p>‘রাজ্যেশ্বর ত্যাজিয়া গাজী ফকিরি ধরিল,</p><p>কালু ভাই সঙ্গে লয়ে বনেতে চলিল।’</p><blockquote>ফকির গাজী চম্পাবতীকে দেখে মুগ্ধ হলেন এবং বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে কালুকে রাজার দরবারে পাঠালেন। কিন্তু রাজা মুকুট রায় একজন নিঃস্ব ফকিরের পক্ষ থেকে আসা এ প্রস্তাবকে নিজের আভিজাত্যের অবমাননা বলে মনে করলেন। তিনি ক্রোধে কালুকে বন্দী করলেন। ফলে গাজীর সঙ্গে মুকুট রায়ের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠল।</blockquote><p>হাঁটতে হাঁটতে দুই ভাই পাড়ি জমালেন ভাটি অঞ্চলের সুন্দরবনের গহিনে। সেখানে গাজীর আধ্যাত্মিক প্রতাপে বনের হিংস্র বাঘ আর কুমিরেরা পর্যন্ত বশীভূত হয়ে গেল। ধারণা করা হয়, বাঘের চোখে চোখ রেখে এবং লাঠির সাহায্যে তিনি তাদের বশে আনতেন। কুমিরকেও একইভাবে সামলাতেন।</p><p>ছাপাইনগর এলাকায় কোনো মুসলমান বসতি ছিল না। সেখানে গাজী প্রথম ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করেন। হাসিলবাগের এক দরিদ্র তাঁতি তাঁর অনুগ্রহে বিত্তশালী হলেন আর জামালগোদা নামের এক ব্যক্তির দুরারোগ্য ব্যাধি সেরে গেল। গাজীর এই অলৌকিক ক্ষমতার কথা চারদিকে বাতাসের মতো ছড়িয়ে পড়ল।</p><p>এরপর গাজী ও কালু উপস্থিত হলেন ব্রাহ্মণনগর এলাকায়। এখানকার সামন্ত রাজা মুকুট রায়ের এক পরম রূপবতী কন্যা ছিলেন, নাম তাঁর চম্পাবতী। পুঁথিতে তাঁর রূপের বর্ণনায় বলা হয়েছে:</p><p>‘চম্পাবতীর রূপ যেন বিজলী ঝিলিক,</p><p>চাঁদ–সুরুজ লজ্জা পায় দেখে এক তিলক।’</p><p>ফকির গাজী চম্পাবতীকে দেখে মুগ্ধ হলেন এবং বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে কালুকে রাজার দরবারে পাঠালেন। কিন্তু রাজা মুকুট রায় একজন নিঃস্ব ফকিরের পক্ষ থেকে আসা এ প্রস্তাবকে নিজের আভিজাত্যের অবমাননা বলে মনে করলেন। তিনি ক্রোধে কালুকে বন্দী করলেন। ফলে গাজীর সঙ্গে মুকুট রায়ের যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে উঠল।</p><p>গাজীর ছিল এক অদ্ভুত বাহিনী—বনের অসংখ্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাঘ। রণক্ষেত্রে গাজী যখন ডাক দিলেন, বাঘেরা রাজার বিশাল হস্তীবাহিনীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। পুঁথিতে সেই যুদ্ধের গর্জন আজও প্রতিধ্বনিত হয়:</p><p>‘গাজী বলে ওরে বাঘ শোন রে বচন,</p><p>মুকুট রায়ের সৈন্য তোরা কররে ভক্ষণ।’</p><blockquote>গাজী ও দক্ষিণ রায়ের সেই আধ্যাত্মিক ও সামরিক সংঘাত থেকেই জন্ম নিল সুন্দরবনের আরেক বড় বিশ্বাস—বনবিবির আখ্যান। মুন্সী বয়ানউদ্দীনের পুঁথি অনুযায়ী, বনবিবি ও তাঁর ভাই শাহ জাঙ্গলী এসেছিলেন মক্কা থেকে। তখন বনে বাঘরূপী দক্ষিণ রায়ের অত্যাচারে মানুষের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত।</blockquote><p>রাজা মুকুট রায়ের প্রধান সেনাপতি দক্ষিণ রায় কুমির বাহিনী নিয়ে ডাঙার লড়াইয়ে নামলেন। কিন্তু ডাঙ্গায় কুমির বাঘের ক্ষিপ্রতার কাছে টিকতে পারল না। দীর্ঘ সাত দিনের লড়াইয়ের পর রাজা মুকুট রায় পরাস্ত হলেন।</p><p>হয়তো তাদের মধ্যে সাধারণ যুদ্ধই হয়েছিল। এত আগের ঘটনা যে মানুষ যুদ্ধের সেই ঘটনা ভুলে যাওয়ায় যুদ্ধকে কেন্দ্র করে কিছু গল্প মনে রাখতে শুরু করে। অর্থাৎ সম্ভবত বাস্তব কোনো যুদ্ধই পরবর্তীকালে লোককথার অলৌকিক রূপ পেয়েছে।</p><p>যাই হোক, পরাজয় নিশ্চিত দেখে রাজমহিষীরা ‘মৃত্যুঞ্জীব কূপে’ প্রাণ বিসর্জন দিলেন। অবশেষে চম্পাবতী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন এবং গাজীর সঙ্গে তাঁর পরিণয় সম্পন্ন হলো। আজও ঝিনাইদহের বারোবাজারের বাদুরগাছা মৌজায় পাশাপাশি পাথর বাঁধাই করা তিনটি কবর—গাজী, কালু ও চম্পাবতীর লোকস্মৃতির সাক্ষী হয়ে আছে।</p><p>গাজী ও দক্ষিণ রায়ের সেই আধ্যাত্মিক ও সামরিক সংঘাত থেকেই জন্ম নিল সুন্দরবনের আরেক বড় বিশ্বাস—বনবিবির আখ্যান। মুন্সী বয়ানউদ্দীনের পুঁথি অনুযায়ী, বনবিবি ও তাঁর ভাই শাহ জাঙ্গলী এসেছিলেন মক্কা থেকে। তখন বনে বাঘরূপী দক্ষিণ রায়ের অত্যাচারে মানুষের জীবন ছিল ওষ্ঠাগত।</p><p>সেই বনের ধারে থাকত এক পিতৃহীন বালক, নাম তার দুখু। দুখুর দুই ধূর্ত ও লোভী চাচা ছিল—ধনা আর মনা। তারা প্রচুর মধু আর মোমের লোভে দক্ষিণ রায়ের সঙ্গে এক পৈশাচিক চুক্তিতে লিপ্ত হলো। মধুর বিনিময়ে তারা অসহায় দুখুকে বাঘরূপী দক্ষিণ রায়ের হাতে তুলে দিল এবং মাঝরাতে একা ফেলে পালিয়ে গেল।</p><blockquote>বনবিবি দুখুকে উদ্ধার করে সাত নৌকা মধু দিয়ে তাঁর মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন। সেই থেকে সুন্দরবনে হিন্দু-মুসলিম সব ধর্মের মানুষ গাজীর দোহাই আর বনবিবির আশীর্বাদ নিয়ে অরণ্যে প্রবেশ করে।</blockquote><p>পুঁথিতে দুখুর সেই আর্তনাদ আজও করুণ:</p><p>‘চাচারা ফেলিয়া মোরে পলাইল তরাসে,</p><p>বাঘরূপী যম বুঝি আসিল মোর পাশে।’</p><p>দক্ষিণ রায় যখন দুখুকে ভক্ষণ করতে তেড়ে এল, তখন দুখু চিৎকার করে বনবিবির দোহাই দিল। সঙ্গে সঙ্গে বনবিবি ও শাহ জাঙ্গলী আবির্ভূত হলেন। শাহ জাঙ্গলী তাঁর জাদুকরি লাঠি দিয়ে দক্ষিণ রায়কে তাড়া করলেন। পরাজিত রায় পালিয়ে গিয়ে বড় খাঁ গাজীর পায়ে আশ্রয় নিলেন।</p><p>গাজীর মধ্যস্থতায় এবং শ্রীহরির অলৌকিক উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যে এক ঐতিহাসিক সন্ধি হলো। স্থির হলো, মানুষ বন থেকে কেবল জীবনধারণের প্রয়োজনটুকু নেবে, কোনো লোভ করবে না। আর বাঘও কোনো নিরপরাধ মানুষের ক্ষতি করবে না। সেই সন্ধির মূল সুর ছিল সম্প্রীতি:</p><p>‘একহি অদ্বৈত রূপ নাম মাত্র ভেদ,</p><p>পুরাণ কোরান মতে নাহিক প্রভেদ।’</p><p>বনবিবি দুখুকে উদ্ধার করে সাত নৌকা মধু দিয়ে তাঁর মায়ের কোলে ফিরিয়ে দিলেন। সেই থেকে সুন্দরবনে হিন্দু-মুসলিম সব ধর্মের মানুষ গাজীর দোহাই আর বনবিবির আশীর্বাদ নিয়ে অরণ্যে প্রবেশ করে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>হীরকখচিত ন্যুড &apos;কঙ্কাল&apos; গাউনে এক দশক পর ফিরলেন মেট গালা কুইন</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/r6d7a7msp8</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/r6d7a7msp8#comments</comments><guid isPermaLink="false">118677db-07a9-4aba-8a70-95c80f5612db</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাল ফ্যাশন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1645869</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দশ বছর পর মেট গালা কুইনকে দেখা গেল রেড কার্পেটে। বিলাসবহুল ফ্রেঞ্চ ডিজাইনারের তৈরি হীরকখচিত কঙ্কাল ডিজাইনের ন্যুড গাউন পরেছেন তিনি। ]]></description><media:keywords>বিয়ন্সে,মেট গালা ২০২৬</media:keywords><media:content height="1100" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/v30mlpt2/beyonce1111.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/v30mlpt2/beyonce1111.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <h3>হাল ফ্যাশন ডেস্ক </h3><p>মেট গালা কুইন বলা হয় এই পপ ডিভাকে। অথচ দশ বছর দেখা যায়নি তাঁকে এই রেড কার্পেটে। এবার রাজসিক প্রত্যাবর্তন করলেন বিয়ন্সে মেট গালায়। পরেছেন বিলাসবহুল ফ্রেঞ্চ ডিজাইনারের তৈরি হীরকখচিত কঙ্কাল ডিজাইনের ন্যুড গাউন । সঙ্গে নিয়ে এসেছেন মেয়ে ব্লু আইভি আর স্বামী জেজিকেও। বয়সসীমা ১৮ হলেও ব্লু আইভিকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে মায়ের সঙ্গে রেড কার্পেটে হাঁটতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/r17jla5r/fccdaily177794156238899780315507886844751629923.jpg" /><figcaption>ফ্রান্সের বিলাসবহুল ডিজাইনার অলিভিয়ে রোস্তাঁর ডিজাইন করা এই রাজসিক গাউন </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/8pkcgzt7/ellecanada17779417433889979130853631156190714206.jpg" /><figcaption>নেকেড বা ন্যুড গাউনের সঙ্গা বদলে দিয়েছে বিয়ন্সের এই লুক </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/spwkn8q7/beyonce1111.jpg" /><figcaption>বুকের পাঁজর, মেরুদন্ড আর হিপবোনের আদলে হীরকখচিত এই গাউন ডিজাইন করেছেন অলিভিয়ে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ry3demhx/beysgroove1777943313388999166948978597162927315285.jpg" /><figcaption>সঙ্গে আছে বর্মের মতো দেখতে ম্যাচিং হেডগিয়ার , দুল ও ব্রেসলেট </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/ppqsnoqg/metgalaofcial1777941435388997701291134854166530256836.jpg" /><figcaption>এর সঙ্গে আছে বিশাল ধুসর অম্ব্রে ফেদার কেপ </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9o3bl3u9/fzine1777942577388998410168776319052858265.jpg" /><figcaption>লেপটি নেমে গিয়েছে লম্বা ট্রেনের মতো </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/t7dgsl0s/beysgroove1777943313388999163497898689962927315285.jpg" /><figcaption>সঙ্গে এসেছেন মেয়ে ব্লু আইভি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/mta2hieq/fzine1777942577388998410477494751152858265.jpg" /><figcaption>ব্লু আইভি পরেছেন সাদা বাবল ড্রেস, সাদা ম্যাচিং জ্যাকেট আর কালো শেডস </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/5a4t6fpt/lacallevistealamoda1777944004388999794708848104849894511812.jpg" /><figcaption>স্বামী জেজিকেও দেখা যাচ্ছে কালো স্যুটে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/j91yab2t/beysgroove1777943313388999163307490819762927315285.jpg" /><figcaption>লম্বা সোনালি কার্লসে মোহনীয় লাগছেন বিয়ন্সে </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/9kdt9a63/beysgroove1777943313388999168037804644662927315285.jpg" /><figcaption>মেট গালার কো হোস্ট বিয়ন্সের এই গাউনটির ফ্রেঞ্চ রূপকার যে একসময় বালমাইনের প্রধান ডিজাইনার ছিলেন, সেটি গাউনের লাক্সারি লেভেল দেখেই বোঝা যাচ্ছে </figcaption></figure><p><strong>ছবি: ইন্সটাগ্রাম</strong> </p>]]></content:encoded></item><item><title>আর্সেনাল, না আতলেতিকো—অপেক্ষা ফুরাবে কাদের</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/b5c7u2gnnz</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/b5c7u2gnnz#comments</comments><guid isPermaLink="false">e379cec4-acbc-4256-8757-efc736c39acc</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি প্রথমবার ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্বপ্ন দেখা দুই দল আর্সেনাল ও আতলেতিকো মাদ্রিদ।]]></description><media:keywords>চ্যাম্পিয়নস লিগ,হুলিয়ান আলভারেজ,আতলেতিকো মাদ্রিদ,বুকায়ো সাকা,আর্সেনাল</media:keywords><media:content height="2667" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/7rbvqyut/588879-01-02.jpg" width="4000"><media:title type="html"><![CDATA[ মাদ্রিদে প্রথম লেগটা ১–১ গোলে ড্র করেছে আতলেতিকো ও আর্সেনাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/7rbvqyut/588879-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>১০, না ২০ বছরের অপেক্ষা ফুরাবে আজ?</p><p>অপেক্ষা আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে ওঠার। তিনবার ফাইনালে উঠে তিনবারই রানার্সআপ হওয়া স্প্যানিশ ক্লাব আতলেতিকো মাদ্রিদ সর্বশেষ ফাইনাল খেলেছে ২০১৬ সালে। আর্সেনালের একমাত্র ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আরও ১০ বছর আগের, ২০০৬ সালে। সেই ফাইনালে হেরেছিল গানাররা।</p><p>আজ লন্ডনের এমিরেটস স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে মুখোমুখি প্রথমবার ইউরোপীয় শ্রেষ্ঠত্বের স্বপ্ন দেখা দুই দল। ম্যাচটি সমতায় থেকেই শুরু করবে দুই দল। মাদ্রিদে প্রথম লেগটা যে <a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/alhuh7ftz1">১-১ গোলে ড্র</a> হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/4vuli8ka/Screenshot_2026_05_04_225031.png" /></figure><p>ইতিহাস আজ আর্সেনালের পক্ষেই। মুখোমুখি লড়াইয়ের হিসাবে ১-১ সমতা থাকলেও এমিরেটসে দুই দলের সর্বশেষ ম্যাচটিই এগিয়ে রাখছে মিকেল আরতেতার দলকে। এ মৌসুমের লিগ পর্বেই ঘরের মাঠে দিয়েগো সিমিওনের আতলেতিকোকে ৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছিল আর্সেনাল।</p><p>উত্তর লন্ডনের বিরুদ্ধ পরিবেশে আতলেতিকো কোচ সিমিওনের সামনে আরেকটি লড়াইও অপেক্ষা করছে। লড়াইটা হুলিয়ান আলভারেজকে ধরে রাখার। আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী স্ট্রাইকার মৌসুম শেষে চলে যেতে পারেন মাদ্রিদ থেকে। আলভারেজের সম্ভাব্য দুটি গন্তব্যের একটি আবার আর্সেনালই। আরেকটি বার্সেলোনা।</p><p>আলভারেজের মতো তারকাকে ধরে রাখতে সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তো চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ই হতে পারে। আতলেতিকো প্রথমবার ইউরোপ-সেরা হলে সিমিওনে আলভারেজকে বলতে পারবেন, ‘দেখো, আমরাও কিন্তু একেবারে ফেলনা নই।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/qgxq5sdhue">আর্সেনাল না সিটি—কোন দলের পাল্লা ভারী দেখছেন বিশ্লেষকেরা</a></aside><p>সেই স্বপ্নপূরণে আতলেতিকো আবার তাকিয়ে আলভারেজের দিকেই। আলভারেজ নিজে অবশ্য দাবি করছেন, দলবদল নিয়ে এখনই খুব বেশি ভাবছেন না। সেমিফাইনালের প্রথম লেগের আগে এই আর্জেন্টাইন বলেছিলেন, ‘এসব নিয়ে ভেবে শক্তি ক্ষয় করে কোনো লাভ নেই। আমার সামনে যে কাজ, সে কাজেই মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করছি।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/zp8w472h/2026_04_29T202355Z_1098702999_UP1EM4T1KNTSI_RTRMADP_3_SOCCER_CHAMPIONS_ATM_ARS.JPG" /><figcaption>প্রথম লেগে গোলের পর হুলিয়ান আলভারেজ</figcaption></figure><p>নিখুঁত এক পেনাল্টি নিয়ে সমতা ফিরিয়ে মনোযোগের প্রমাণ ঘরের মাঠেই দিয়ে এসেছেন আলভারেজ। আতলেতিকোর প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগের এক মৌসুমে ১০ গোল করার কীর্তিও গড়েছেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/xbc8p34dkw">চ্যাম্পিয়নস লিগে টানা ১৩ ম্যাচ অপরাজিত আর্সেনাল, রেকর্ড কোন দলের </a></aside><p>আজকের ম্যাচের আগে আর্সেনালে জন্য সুখবর হয়ে এসেছেন বুকায়ো সাকা। এই উইঙ্গার চোট থেকে পুরোপুরি সেরে ওঠার প্রমাণ দিয়েছেন ফুলহামের বিপক্ষে আর্সেনালের সর্বশেষ জয়ে নিজে একটি গোল করে ও ইয়োকেরেসকে দিয়ে একটি করিয়ে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/uoh0ma8z/2026_04_29T195833Z_1785340282_UP1EM4T1JHKRI_RTRMADP_3_SOCCER_CHAMPIONS_ATM_ARS.JPG" /><figcaption>প্রথম লেগে আর্সেনালের গোলটি ভিক্টর ইয়োকেরেসের</figcaption></figure><p>আতলেতিকোর জন্য সাকা, ইয়োকেরেস, রাইসদের সামলানোর চেয়ে আর্সেনালের দুর্ভেদ্য রক্ষণ দুর্গ ভাঙার চ্যালেঞ্জটা বোধ হয় আরও বড়। এবারের চ্যাম্পিয়নস লিগে ১৩ ম্যাচে মাত্র ৬টি গোল খেয়েছে আর্সেনাল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/7q4ch3qihh">রিয়ালের অধিনায়ক মানেই কাঁটার মুকুট, মৌসুম শেষেই বিদায় </a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>গ্র্যাজুয়েশন–পরবর্তী জীবন: সুযোগ, নাকি অনিশ্চয়তার শুরু?</title><link>https://www.bondhushava.com/monobondu/7f756nxbzv</link><comments>https://www.bondhushava.com/monobondu/7f756nxbzv#comments</comments><guid isPermaLink="false">eba13fd3-85e5-4de9-86f0-e54edd2ba6f1</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সমাজ সাধারণত এই সময়টাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে। অনেকেই মনে করেন, যাঁরা ক্যারিয়ার নিয়ে নিশ্চিত নন, তাঁরা অলস, অমনোযোগী বা দায়িত্বজ্ঞানহীন। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই সময়টা আসলে নিজের পরিচয় নির্মাণের সময়। মানুষ তখন শুধু চাকরি খোঁজে না, নিজের অর্থপূর্ণ জায়গাটাও খুঁজছে আসলে।]]></description><media:keywords>মানসিক স্বাস্থ্য,ক্যারিয়ার,বন্ধুসভা ফিচার</media:keywords><media:content height="768" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/9cy8vmyp/lonley-boy.png" width="1265"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রতীকী]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/9cy8vmyp/lonley-boy.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>monobondu</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাফসান (ছদ্মনাম) বিশ্ববিদ্যালয়জীবন শেষ করেছে প্রায় এক বছর হলো। ডিগ্রি হাতে পাওয়ার দিন সবাই খুব খুশি ছিল। ছবি তোলা, একে অপরকে শুভেচ্ছা জানানো, ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন—তখন মনে হয়েছিল, জীবন যেন এখনই শুরু হতে যাচ্ছে।</p><p>কিন্তু এর পর থেকেই তাঁর জীবনে একধরনের শূন্যতা নেমে এসেছে। সকালে আর ক্লাস নেই, পরীক্ষার চাপ নেই, নির্দিষ্ট কোনো গন্তব্য নেই। বন্ধুরা একে একে নিজেদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে; কেউ চাকরিতে, কেউ বিদেশে, কেউ নতুন ব্যবসায়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবাই তাঁদের জীবনের সফলতার গল্প শেয়ার করছে। শুধু রাফসানের মনে হয়, সে যেন কোথাও আটকে গেছে।</p><p>আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে দেখা হলেই একই প্রশ্ন—<br>‘এখন কী করছ?’<br>‘চাকরির খবর কী?’<br>‘এত দিন বসে আছ কেন?’<br>‘কিছু তো করো!’<br>এই প্রশ্নগুলো শুনতে সাধারণ মনে হলেও প্রতিবার উত্তর দেওয়ার সময় তাঁর ভেতরে অদৃশ্য একটা চাপ তৈরি হয়। ঠিক বুঝতে পারে না, সে সত্যিই পিছিয়ে পড়ছে, নাকি শুধু নিজের পথ খুঁজছে।</p><aside><cite></cite>যে মানুষ নিজের পথ খুঁজতে সাহস করে, একদিন সেই মানুষই নিজের পথ তৈরি করে। দরকার শুধু একটু সাহসের, আর সমাজ, পরিবার ও বন্ধুদের পাশে থাকা।</aside><p>বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষে বাংলাদেশের অসংখ্য তরুণ-তরুণী আজ একই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। পড়াশোনা শেষ হওয়ার পরের সময়টা বাইরে থেকে যতটা সহজ মনে হয়, ভেতরে ততটাই জটিল মানসিক অবস্থায় থাকে। মনোবিজ্ঞানের ভাষায় এই সময়টাকে জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রূপান্তরের ধাপ বলা হয়। এত দিন একজন মানুষের পরিচয় ছিল ‘শিক্ষার্থী’, হঠাৎ সেই পরিচয় শেষ হয়ে গেলেও নতুন কোনো পরিচয় গড়ে ওঠেনি। এই মাঝামাঝি অবস্থাটিই তৈরি করে গভীর অনিশ্চয়তা।</p><p>এ সময় তরুণদের মনে প্রায়ই কিছু নীরব প্রশ্ন ঘুরতে থাকে—‘আমি আসলে কী চাই?’, ‘কোন কাজ আমাকে মানাবে?’, ‘ভুল সিদ্ধান্ত নিলে কি পুরো জীবনটাই নষ্ট হয়ে যাবে?’, ‘অন্যরা এত দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে, আমি কেন পারছি না?’<br>ধীরে ধীরে তুলনা শুরু হয়। নিজের জীবনকে অন্যের সাফল্যের সঙ্গে মাপতে মাপতে আত্মবিশ্বাস ক্ষয়ে যেতে থাকে। অনেকে বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগ কমিয়ে দেয়, পারিবারিক আড্ডা এড়িয়ে চলে। কারণ, তাঁরা জানে, আবারও সেই একই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে।</p><p>সমাজ সাধারণত এই সময়টাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে। অনেকেই মনে করেন, যাঁরা ক্যারিয়ার নিয়ে নিশ্চিত নন, তাঁরা অলস, অমনোযোগী বা দায়িত্বজ্ঞানহীন। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই সময়টা আসলে নিজের পরিচয় নির্মাণের সময়। মানুষ তখন শুধু চাকরি খোঁজে না, নিজের অর্থপূর্ণ জায়গাটাও খুঁজছে আসলে।</p><p>সমস্যা হয় তখনই, যখন ভালোবাসার ভাষাও চাপ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা অজান্তেই বলে ফেলি—‘ওর ছেলে তো চাকরি পেয়ে গেছে…’, ‘তোমার বয়সে আমরা সংসার চালিয়েছি…’, ‘মোবাইল কম ব্যবহার করলে কিছু একটা হতো…’ ইত্যাদি।</p><p>এই কথাগুলো হয়তো উদ্বেগ থেকে বলা, কিন্তু শুনতে শুনতে একজন তরুণ নিজের ভেতরেই ব্যর্থতার অনুভূতি তৈরি করে। সে ভাবতে শুরু করে সমস্যাটা হয়তো আমিই। এই সময় অনেকেই আত্মহত্যার মতো পথ বেছে নেয়। কেউ কেউ বেছে নেয় মাদক। সবার কথা এবং নিজের অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে অনেকেই তাড়াহুড়ো করে এমন ক্যারিয়ার বেছে নেয়, যা আসলে তার নিজের নয়; বরং সমাজের প্রত্যাশা পূরণের জন্য নেওয়া সিদ্ধান্ত। পরে সেই সিদ্ধান্তই ক্লান্তি, অস্বস্তি এবং মানসিক বার্নআউটের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।</p><p>অথচ ক্যারিয়ার খুঁজে পাওয়া কোনো দৌড় নয়। মানুষের জীবনের সময়রেখা একেকজনের জন্য একেক রকম। কেউ দ্রুত নিজের পথ খুঁজে পায়, কেউ সময় নিয়ে, অভিজ্ঞতা নিয়ে, ভুল থেকে শিখে নিজের জায়গা তৈরি করে। কনফিউশন অনেক সময় দুর্বলতার লক্ষণ নয়, বরং সচেতনতার লক্ষণ। যে মানুষ প্রশ্ন করে, সে আসলে নিজের জীবনের প্রতি দায়িত্বশীল।</p><aside><a href="https://www.bondhushava.com/career/389n5elk5b">কর্মস্থলে নিজেকে উপেক্ষিত মনে হলে কী করবেন</a></aside><p>এই সময় তরুণদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন সমালোচনা নয়, নিরাপদ মানসিক পরিবেশ। এমন একটি জায়গা, যেখানে তাঁরা বলতে পারে— ‘আমি এখনো খুঁজছি’ এবং উত্তর হিসেবে পায়, ‘ঠিক আছে, সময় নাও।’</p><p>পরিবার, শিক্ষক ও সমাজ যদি বুঝতে পারে যে পথ খুঁজে নেওয়াও জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ, তাহলে অনেক তরুণ অযথা আত্মদোষে ভুগবে না। পড়াশোনা শেষ হওয়া মানে জীবন প্রস্তুত হয়ে গেছে, এমন নয়; বরং এটি সেই সময়, যখন মানুষ নিজের সত্যিকারের পরিচয়ের দিকে হাঁটা শুরু করে। আজ যারা ক্যারিয়ার নিয়ে কনফিউজড, তারা হারিয়ে যায়নি। তারা দাঁড়িয়ে আছে জীবনের সবচেয়ে সৎ প্রশ্নের সামনে।</p><p>যে মানুষ নিজের পথ খুঁজতে সাহস করে, একদিন সেই মানুষই নিজের পথ তৈরি করে। দরকার শুধু একটু সাহসের, আর সমাজ, পরিবার ও বন্ধুদের পাশে থাকা।</p><p><em><strong>সাইকোথেরাপিস্ট ও মানসিক–বিষয়ক প্রশিক্ষক, কনসালট্যান্ট, সিটি হাসপাতাল লিমিটেড এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বন্ধুসভা জাতীয় পরিচালনা পর্ষদ</strong></em></p>]]></content:encoded></item><item><title>আল্লাহর ওপর ভরসা করা কেন ইমানের অপরিহার্য অংশ</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/g7eunm7s0g</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/g7eunm7s0g#comments</comments><guid isPermaLink="false">38f69593-dfcb-4711-808c-05d13917c187</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহমাদ সাব্বির</atom:name><atom:uri>/api/author/2395608</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।]]></description><media:keywords>ইসলামের কথা,ইসলাম,আল্লাহ বিশ্বাসী,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ,ইমান,আল্লাহর ভালোবাসা</media:keywords><media:content height="2000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/djovtbzq/6685161.jpg" width="2000"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/djovtbzq/6685161.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাসুল (সা.) বলেছেন, জান্নাতে এমন একদল মানুষ প্রবেশ করবে, যাদের অন্তর হবে পাখির অন্তরের মতো। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৭৩৪১)</p><p>এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু অর্থবহ বক্তব্যটি শুধু আখেরাতের সুসংবাদই বহন করে না; বরং মানবজীবনের আত্মোন্নয়ন, আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি এবং সফলতার একটি মৌলিক নীতিও তুলে ধরে।</p><p>প্রশ্ন জাগে—কেন আত্মোন্নয়ন ও সফলতার আলোচনায় এই হাদিসটি প্রাসঙ্গিক? এর উত্তর নিহিত আছে “তাওয়াক্কুল” বা আল্লাহর ওপর নির্ভরতার ধারণার মধ্যে, যা ইসলামি জীবনদর্শনের এক গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।</p><p>মানুষ স্বভাবতই দুর্বল, সীমাবদ্ধ এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাসকারী এক সত্তা। তার জ্ঞান সীমিত, তার শক্তি ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু যখন সে তার আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তখন সে এক অন্যরকম শক্তির অধিকারী হয়ে ওঠে।</p><p>এই নির্ভরতা শুধু মুখের কথা নয়; এটি একটি গভীর বিশ্বাস, যা মানুষের চিন্তা, কর্ম ও সিদ্ধান্তে প্রতিফলিত হয়। ইসলামে এই নির্ভরতাকেই বলা হয় তাওয়াক্কুল—যেখানে বান্দা তার সর্বোচ্চ চেষ্টা করার পর ফলাফলের দায়িত্ব আল্লাহর উপর ছেড়ে দেয় এবং যা আসে তাতেই সন্তুষ্ট থাকে।</p><p>এক হাদিসে পাখির অন্তরের সঙ্গে মানুষের অন্তরের তুলনা করা হয়েছে। বলা হয়েছে, পাখি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে বাসা থেকে বের হয়, কিন্তু তার মনে কোনো উদ্বেগ থাকে না। সে জানে, তার রিজিক নির্ধারিত এবং সে তা পেয়ে যাবে। সন্ধ্যায় সে ভরা পেটে ফিরে আসে।&nbsp; (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৩৪৪)</p><aside><cite>কোরআন, সুরা আনফাল, আয়াত: ২</cite>মুমিন তো তারাই, যাদের সামনে আল্লাহকে স্মরণ করা হলে তাদের হৃদয় কেঁপে ওঠে, তাঁর আয়াত পাঠ করা হলে তাদের ইমান বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপর ভরসা করে।</aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/dp5pcykqs8">সুন্দর ইবাদতে সুস্থতার ৪ প্রভাব</a></aside><p>এই উদাহরণটি মানুষের জন্য এক অসাধারণ শিক্ষা—চেষ্টা করতে হবে, কিন্তু ফলাফলের জন্য উদ্বিগ্ন হয়ে নয়; বরং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে। এই বিশ্বাসই মানুষকে মানসিক প্রশান্তি দেয় এবং তাকে অস্থিরতা থেকে মুক্ত রাখে।</p><p>কোরআনে আল্লাহ তাওয়াক্কুলকারীদের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেন, “মুমিন তো তারাই, যাদের সামনে আল্লাহকে স্মরণ করা হলে তাদের হৃদয় কেঁপে ওঠে, তাঁর আয়াত পাঠ করা হলে তাদের ইমান বৃদ্ধি পায় এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপর ভরসা করে।” (সুরা আনফাল, আয়াত: ২)</p><p>আবার অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, “যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট।” (সুরা তালাক, আয়াত: ৩)</p><p>এই আয়াতগুলো স্পষ্ট করে যে, তাওয়াক্কুল শুধু একটি গুণ নয়; এটি প্রকৃত ইমানের একটি অপরিহার্য অংশ।</p><p>আত্মোন্নয়নের দৃষ্টিকোণ থেকে তাওয়াক্কুল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক বিশ্বে সফলতার ধারণা অনেকাংশে আত্মনির্ভরতা, পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমের উপর নির্ভরশীল।</p><p>কিন্তু ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গিতে এই সবকিছুর পাশাপাশি আল্লাহর ওপর নির্ভরতা অপরিহার্য। কারণ, মানুষ যতই পরিকল্পনা করুক, চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারণ করেন আল্লাহই। এই উপলব্ধি মানুষকে অহংকার থেকে দূরে রাখে এবং তাকে বিনয়ী করে তোলে।</p><p>অনেক আলেম এই হাদিসের ব্যাখ্যায় পাখির অন্তরের সঙ্গে মানুষের অন্তরের কয়েকটি সাদৃশ্য তুলে ধরেছেন।</p><p>প্রথমত, পাখির অন্তর কোমল। তাওয়াক্কুলকারী ব্যক্তির হৃদয়ও কোমল হয়। সে মানুষের প্রতি সদয়, দয়ালু এবং সহানুভূতিশীল হয়।</p><p>দ্বিতীয়ত, পাখি সবসময় সতর্ক ও ভীত থাকে। তেমনি একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।</p><p>এই ভয় তাকে সবসময় সচেতন রাখে এবং ভুল থেকে ফিরে আসতে সাহায্য করে।</p><p>তৃতীয়ত, পাখির জীবনে কোনো সঞ্চয় নেই; সে প্রতিদিনের রিযিকের উপর নির্ভর করে। এই দৃষ্টান্ত মানুষকে শেখায় যে, অতিরিক্ত দুনিয়াবি লোভ ও উদ্বেগ পরিহার করে আল্লাহর ওপর নির্ভর করা উচিত। এর অর্থ এই নয় যে, মানুষ চেষ্টা করবে না বা পরিকল্পনা করবে না; বরং সে চেষ্টা করবে, কিন্তু তার হৃদয় থাকবে আল্লাহর উপর নির্ভরশীল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/9viex8hozc">মহান আল্লাহ কোথায় আছেন</a></aside><blockquote>একজন মুমিনও আল্লাহর প্রতি ভয় ও শ্রদ্ধা নিয়ে জীবনযাপন করে। সে ভালো কাজ করার পরও ভয় পায়, যদি তাতে কোনো ত্রুটি থেকে যায়; আবার খারাপ কাজ করলে সে ভয় পায় আল্লাহর শাস্তির।</blockquote><p>ইমাম তিবি (রহ.) বলেছেন, এই হাদিসে সাদৃশ্যের কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ না করায় এর অর্থ ব্যাপক হয়েছে। অর্থাৎ, এখানে কোমলতা, আল্লাহভীতি, নির্ভরতা—সবকিছুই অন্তর্ভুক্ত। ফলে এই হাদিসটি বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদান করে, যা মানুষের আধ্যাত্মিক ও নৈতিক উন্নয়নে সহায়ক।</p><p>তাওয়াক্কুল মানুষের জীবনে এক ধরনের ভারসাম্য সৃষ্টি করে। একদিকে এটি তাকে কর্মঠ করে তোলে, কারণ সে জানে তাকে চেষ্টা করতে হবে; অন্যদিকে এটি তাকে শান্ত রাখে, কারণ সে জানে ফলাফল আল্লাহর হাতে।</p><p>এই ভারসাম্যই প্রকৃত সফলতার চাবিকাঠি। যারা শুধু নিজের ওপর নির্ভর করে, তারা ব্যর্থ হলে হতাশ হয়ে পড়ে; আর যারা আল্লাহর উপর নির্ভর করে, তারা ব্যর্থতাকেও শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করে এবং সামনে এগিয়ে যায়।</p><p>আজকের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে মানুষ নানা ধরনের চাপ, উদ্বেগ ও হতাশার মধ্যে বসবাস করে। এই পরিস্থিতিতে তাওয়াক্কুল একটি মানসিক ও আধ্যাত্মিক আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।</p><p>এটি মানুষকে স্থিরতা, ধৈর্য ও আশাবাদী মনোভাব প্রদান করে। একজন তাওয়াক্কুলকারী ব্যক্তি জানে, তার জীবনে যা ঘটছে, তা আল্লাহর পরিকল্পনার অংশ এবং এর মধ্যে কোনো না কোনো কল্যাণ নিহিত আছে।</p><p>আত্মোন্নয়ন ও সফলতার পথে তাওয়াক্কুল একটি অপরিহার্য উপাদান। এটি শুধু একটি আধ্যাত্মিক ধারণা নয়; বরং একটি বাস্তব জীবনব্যবস্থা, যা মানুষের চিন্তা, আচরণ ও মানসিক অবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/ql0bd6cmjq">অলসতা মোকাবিলার আধ্যাত্মিক কৌশল</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ ও চার কর্মকর্তাকে জরিমানা</title><link>https://www.prothomalo.com/business/fdnqn9cqm0</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/fdnqn9cqm0#comments</comments><guid isPermaLink="false">349fa76f-5356-4bc6-904e-bab50bb366a7</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গ্রাহককে না জানিয়ে শেয়ার কেনাবেচা ও বিও হিসাবের তথ্য বদলসহ নানা অভিযোগে ব্রোকারেজ হাউস ও তার চার কর্মকর্তাকে ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করেছে বিএসইসি।]]></description><media:keywords>শেয়ারবাজার,বাণিজ্য,বিএসইসি,প্রতারণা,জরিমানা</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/24d61578-1098-4bc6-976f-563f9c5c9d80/_____________4______________________________.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ শেয়ারবাজার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/24d61578-1098-4bc6-976f-563f9c5c9d80/_____________4______________________________.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে ব্রোকারেজ হাউস ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজ ও প্রতিষ্ঠানটির ৪ কর্মকর্তাকে মোট ৬৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের দায়ে সম্প্রতি তাদের এই জরিমানা করে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।</p><p> বিএসইসির এ–সংক্রান্ত আদেশে বলা হয়েছে, গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণার দায়ে প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্রোকারেজ হাউস ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজকে ৩০ লাখ টাকা, প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রহমত পাশা ও কর্মকর্তা শহিদুজ্জামানকে ১৫ লাখ করে ৩০ লাখ টাকা এবং অপর দুই কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম ও আবদুল আহাদ শেখকে ৩ লাখ টাকা করে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তাঁদের গত ৩০ এপ্রিল আদেশ জারির ৩০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে বলা হয়েছে।</p><p>জানা গেছে, আইয়ুব আলী নামে ব্রোকারেজ হাউসটির এক গ্রাহক গত বছরের মার্চে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ দাখিল করেন। তাঁকে না জানিয়ে বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবের মুঠোফোন নম্বর, ই–মেইলসহ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বদল, ভুয়া পোর্টফোলিও সরবরাহ ও স্বাক্ষর জাল করে নতুন বিও হিসাব খোলাসহ বেশ কিছু অনিয়মের অভিযোগ তোলেন তিনি। তখন বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ডিএসই একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা উঠে আসে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্ত প্রতিবেদনটি বিএসইসিতে পাঠায় ডিএসই। তার ভিত্তিতে বিএসইসি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের শুনানিতে ডাকে। তবে শুনানিতে দেওয়া তাঁদের বক্তব্য শেষ পর্যন্ত গ্রহণ করেনি বিএসইসি। বরং অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় জরিমানার সিদ্ধান্ত দেয়।</p><p>বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, গ্রাহক আইয়ুব আলীকে না জানিয়ে বিও হিসাবে তাঁর দেওয়া নম্বর বদলে ভুয়া একটি নম্বর যুক্ত করা হয়। পাশাপাশি ই–মেইল ঠিকানাও বদলে ফেলা হয়। ফলে শেয়ার কেনাবেচার হালনাগাদ কোনো তথ্য পাননি ওই গ্রাহক। এর মধ্যে গ্রাহকের হিসাবে কোটি টাকার বেশি শেয়ার কেনাবেচা হলেও তিনি তা জানতে পারেননি। প্রকৃত তথ্য আড়াল করে তাঁকে অসত্য ও বানোয়াট পোর্টফোলিও (কেনাবেচার পর বিও হিসাবের তথ্য) সরবরাহ করা হয়েছে। এমনকি ব্রোকারেজ হাউসে ওই গ্রাহক নিজে যে বিও হিসাব খুলেছিলেন, সেটি সংরক্ষণ না করে গ্রাহকের অজান্তে ভুয়া ও অসত্য তথ্য দিয়ে নতুন বিও হিসাব খোলা হয়, যেখানে গ্রাহকের স্বাক্ষরও জাল করা হয়েছে। বিএসইসির শুনানিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিরা বলেন, গ্রাহকের পক্ষে নিযুক্ত এক প্রতিনিধির নির্দেশে ওই গ্রাহকের বিও হিসাবে শেয়ার লেনদেন করা হয়েছে। গ্রাহকের পক্ষ থেকে তাঁর প্রতিষ্ঠানের এক কর্মকর্তা ওই বিও হিসাব তদারকির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে অভিযুক্তদের এই বক্তব্য গ্রহণ করেনি বিএসইসি।</p><p>এদিকে এ বিষয়ে ওই গ্রাহকের করা একটি মামলাও চলমান রয়েছে।</p><p>ইউসিবি স্টক ব্রোকারেজের সিইও রহমত পাশার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ‘গ্রাহক বিষয়টি নিয়ে মামলা করেছেন, যা চলমান। তাই মামলাধীন বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করতে চাই না।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>মে মাসে কয়েকটি তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে, আছে ঘূর্ণিঝড়ের শঙ্কাও</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f37v975ihm</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/f37v975ihm#comments</comments><guid isPermaLink="false">587128a9-5943-4e0e-8f94-b06c4221cf2b</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মে মাসে দেশে মিশ্র আবহাওয়া থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী এ মাসে কয়েকটি  মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে।]]></description><media:keywords>আবহাওয়া অধিদপ্তর,তাপপ্রবাহ,ঘূর্ণিঝড়,কালবৈশাখী</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/tycgd8pi/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/tycgd8pi/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>মে মাসে দেশে মিশ্র আবহাওয়া থাকতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী এ মাসে কয়েকটি  মৃদু থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহ ও তীব্র তাপপ্রবাহের আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি কালবৈশাখী ঝড় ও ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কাও রয়েছে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে—</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/A6o_EHHOPYY"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>এলাকাটিতে কেন শত শত টিয়া পাখি আশ্রয় নিয়েছে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/7ujyrt633a</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/7ujyrt633a#comments</comments><guid isPermaLink="false">e344dd11-df63-4e9c-a6d4-a37707812b60</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>জয়ন্তী দেওয়ান	</atom:name><atom:uri>/api/author/1409603</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কেউ যাতে শিকার করতে না পারে, সে জন্য সার্বক্ষণিক পাহারার ব্যবস্থা রয়েছে। পাখির খাদ্যের জন্য প্রায় দুই শ ফলদ গাছ রোপণ করেছে বন বিভাগ।]]></description><media:keywords>পাখি,খাগড়াছড়ি,পার্বত্য চট্টগ্রাম,প্রকৃতি,জীব বৈচিত্র্য,চট্টগ্রাম বিভাগ,পরিবেশ</media:keywords><media:content height="1194" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/zyqzo9rc/Bird-1.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ গাছের পাতার সঙ্গে মিশে গেছে লাশ বুক মদনা টিয়া পাখি। সম্প্রতি খাগড়াছড়ি শহরের বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/zyqzo9rc/Bird-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>খাগড়াছড়ি বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কার্যালয় এলাকায় শত শত লাল-বুক টিয়া পাখি আশ্রয় নিয়েছে মূলত নিরাপদ পরিবেশ, শিকারির অনুপস্থিতি, পর্যাপ্ত খাদ্য এবং বড় গাছের কারণে। প্রাঙ্গণে থাকা ও নতুন করে রোপণ করা বিভিন্ন ফলদ গাছ তাদের খাবারের জোগান দেয়, আর ঘন গাছপালা রাতের আশ্রয় নিশ্চিত করে। লোকালয়ে বড় শিকারি পাখির উপস্থিতি কম থাকায় তারা এখানে নিরাপদ বোধ করে। তাই দিনে পাহাড়ে খাদ্য খুঁজতে গেলেও সন্ধ্যায় আবার এই জায়গায় ফিরে এসে ঝাঁকে ঝাঁকে রাত কাটায়।</p><p>বিকেল ঘনিয়ে আসতেই যেন অন্য এক পরিবেশ তৈরি হয় খাগড়াছড়ি বন বিভাগের সদর রেঞ্জ কর্মকর্তার কার্যালয় এলাকায়। চারদিক নিস্তব্ধ হওয়ার আগেই শুরু হয় শত শত টিয়ার কোলাহল। ঝাঁকে ঝাঁকে উড়ে এসে উঁচু গাছের ডালে বসে তারা সারা দিনের ক্লান্তি ঝেড়ে নেয়। পাখির কিচিরমিচির শব্দে পথচারীরা ভুলে যান এটি শহরের একটি ব্যস্ত এলাকা।</p><p> প্রায় এক দশকের বেশি সময় ধরে এভাবেই রেঞ্জ কার্যালয় প্রাঙ্গণের আকাশমণি, মেহগনি, জাম, জারুল, কাঁঠালসহ বড় গাছগুলোকে রাতের আশ্রয়স্থল বানিয়েছে মদনা বা লাল-বুক টিয়া। শিকারিদের উৎপাত না থাকা এবং বন বিভাগের নজরদারির কারণে জায়গাটি এখন তাদের জন্য নিরাপদ আবাসস্থল। সারি সারি গাছের ডালজুড়ে টিয়া পাখির এমন সরব উপস্থিতি দেখতে অনেকে ভিড় জমান। সকালে ও বিকেলে হাঁটতে বের হলে চলে আসেন রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনের রাস্তায়। তোলেন ছবিও।</p><p>খাগড়াছড়ির শহরে ঢুকতেই বাস টার্মিনালের অদূরে বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়। কার্যালয়ের পাশ ঘেঁষে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক। পাঁচিল ও কাঁটাতারে ঘেরা কার্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েক শ ফলদ ও বনজ গাছ। বৃক্ষ শোভিত এলাকাটিতে টিয়া ছাড়াও শালিক, ফিঙে ও বাদুড় আসে নিয়মিত। প্রচুর ফল গাছ থাকায় এলাকাটি পাখির প্রিয়। এখানকার বাসিন্দারা জানান, ভোর ছয়টার দিকে টিয়া পাখির দল গাছ ছেড়ে চলে যায়। আবার সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসে। সন্ধ্যার সময়টা তাই এই এলাকা অন্য রকম হয়ে ওঠে। কার্যালয়ের পাশের পাড়ার বাসিন্দা সুমন চাকমা বলেন, ‘প্রথম দিকে এত পাখি দেখে অবাক হতাম। এখন প্রতিদিনই দেখি। সন্ধ্যার সময় আর ভোরবেলায় এখানে দাঁড়ালে মনে হয় যেন কোনো পাখির অভয়ারণ্যে আছি। পাখিগুলো এখন এই পরিবেশেরই অংশ হয়ে গেছে।’</p><blockquote>খাগড়াছড়ির শহরে ঢুকতেই বাস টার্মিনালের অদূরে বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়। কার্যালয়ের পাশ ঘেঁষে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক। পাঁচিল ও কাঁটাতারে ঘেরা কার্যালয় প্রাঙ্গণে কয়েক শ ফলদ ও বনজ গাছ। বৃক্ষশোভিত এলাকাটিতে টিয়া ছাড়াও শালিক, ফিঙে ও বাদুড় আসে নিয়মিত। প্রচুর ফল গাছ থাকায় এলাকাটি পাখির প্রিয়। এখানকার বাসিন্দারা জানান, ভোর ছয়টার দিকে টিয়া পাখির দল গাছ ছেড়ে চলে যায়। আবার সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসে।</blockquote><p>আরেক বাসিন্দা মোবারক হোসেন টিয়ার ঝাঁক দেখতে রেঞ্জ কার্যালয়ের সামনের রাস্তায় প্রতিদিন ভোরবেলায় হাঁটতে যান বলে জানালেন। তিনি বলেন, শহরের ভেতরে এমন দৃশ্য কল্পনাও করা যায় না। সবুজ গাছের ওপর লাল–বুক টিয়ার ঝাঁক দেখতে সত্যিই অসাধারণ লাগে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/wt2qmesk/Bird-2.jpg" /><figcaption>খাগড়াছড়ি শহরের রেঞ্জ কার্যালয়ের গাছগুলোতে গত এক দশকেরও বেশিা সময় ধরে হাজারো টিয়া পাখি আশ্রয় নিয়েছে</figcaption></figure><p>টিয়া পাখিগুলো ১০ থেকে ১২ বছর ধরে রেঞ্জ কার্যালয়ে আসছে বলে জানান খাগড়াছড়ি সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, পাখিগুলো এখানে রাত কাটায়। ভোরে তারা পাহাড়ের বিভিন্ন এলাকায় খাবারের সন্ধানে চলে যায়। আবার সন্ধ্যার সময় ফিরে আসে। তিনি আরও বলেন, কেউ যাতে শিকার করতে না পারে, সে জন্য সার্বক্ষণিক পাহারার ব্যবস্থা রয়েছে। বন বিভাগের বিশেষ টিম কাজ করছে। এ বছর পাখির খাদ্যের জন্য প্রায় দুই শ ফলদ গাছ রোপণ করেছে বন বিভাগ। রোপণ করা গাছের মধ্যে রয়েছে উদাল, গুটি জাম, বট, পাকুড়, আম, পেয়ারা ও ডেউয়া রয়েছে। এসব ফল টিয়াদের খাদ্য। আর গাছগুলো তাদের আশ্রয়।</p><p>টিয়া পাখির ভিডিও ধারণ করে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছেন সাংবাদিক ও বন্য প্রাণী আলোকচিত্রী সমির মল্লিক। তিনি বলেন, লোকালয়ের আশপাশে বড় শিকারি পাখির উপস্থিতি তুলনামূলক কম থাকায় টিয়াগুলো এখানে বেশি নিরাপদ বোধ করে। দিনে দূরে গেলেও রাতে নিরাপদ জায়গায় ফিরে আসা তাদের স্বাভাবিক আচরণ। টিয়া পাখি শুধু সৌন্দর্যই বাড়ায় না—তারা বীজ ছড়িয়ে বন বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ক্ষতিকর পোকামাকড়ও খেয়ে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ijo193pf/Bird-33.jpg" /><figcaption>গলা ও বুক পিচ ফলের মতো লাল। সুন্দর এই পাখি বাংলাদেশের বন্য প্রাণী আইনে সংরক্ষিত</figcaption></figure><p>বাংলাদেশের বন্য প্রাণী আইনে মদনা বা লাল বুক টিয়া সংরক্ষিত বলে জানালেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. ফরিদ মিঞা। তিনি বলেন, এদের দেহ সবুজ, বুক লালচে, মাথা ধূসর এবং চোখ হলুদ। তিনি আরও বলেন, ‘পাখির জন্য নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করতে আমরা কাজ করছি। নতুন করে গাছ লাগানো হচ্ছে। পাহারা জোরদার করা হয়েছে। সবই করা হয়েছে টিয়াদের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার জন্য। বন বিভাগ শুধু টিয়া পাখিদের অভয়াশ্রম করেনি। এখানে বাদুড় এবং বিভিন্ন জাতের পাখিও রয়েছে।’</p><p>পাখিবিশেষজ্ঞ আ ন ম আমিনুর রহমান এক লেখায় এই পাখির বিবরণ দিয়েছেন। তাঁর দেওয়া বিবরণ অনুযায়ী, মদনা টিয়া লাল-বুক টিয়া নামেও পরিচিত। ইংরেজি নাম Red Breasted Parakeet, Moustached Prakeet। Psittacidae গোত্রের পাখিটির বৈজ্ঞানিক নাম psittacula alexandri। মদনা টিয়ার দৈর্ঘ্য ৩৮ সেন্টিমিটার ও ওজন ১০০-১৩০ গ্রাম। স্ত্রী-পুরুষের রঙে পার্থক্য থাকে। পুরুষের মাথা হালকা ধূসর। দুচোখের মাঝখানে, কপালে নাসারন্ধ্রের ঠিক ওপরে রয়েছে কালো ফিতে। থুতনিতে মোটা কালো গোঁফের মতো রেখা। গলা ও বুক পিচ ফলের মতো লাল। মাথা বাদে দেহের ওপরের অংশ ও পেট ঘাস-সবুজ। নীলচে সবুজ লেজের আগা হলুদ। দুই ডানার ওপর একচিলতে হলুদ রং। লেজের তলা হলদে সবুজ। পুরুষের ওপরের ঠোঁট প্রবালের মতো লাল ও নিচের ঠোঁট কালচে বাদামি। চোখ হলদে। পা, নখ ও পায়ের পাতা হলদে ধূসর। স্ত্রীর উভয় ঠোঁটই কালো। মাথায় নীলচে সবুজ আভা থাকে। অপ্রাপ্তবয়স্কগুলো দেখতে অনেকটা মায়ের মতো, তবে পালক অনুজ্জ্বল, গোঁফরেখা অসম্পূর্ণ, লেজ খাটো ও ঠোঁট হালকা গোলাপি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিশ্বে বায়ুদূষণে ঢাকা দ্বিতীয়, নগরীর ১০ স্থানে দূষণ বেশি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/7gv4awb2zd</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/environment/7gv4awb2zd#comments</comments><guid isPermaLink="false">bd7e43f6-bbb7-4c5d-807e-2b42df2bde9b</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 02:57:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T02:57:19.872Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর যে মান, তাতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।]]></description><media:keywords>বায়ুদূষণ,পরিবেশ</media:keywords><media:content height="3221" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-12-12/p2vhisgw/4.JPG" width="4832"><media:title type="html"><![CDATA[ বায়ুদূষণ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-12-12/p2vhisgw/4.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>পরিবেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বায়ুদূষণের কবল থেকে রক্ষা নেই রাজধানীবাসীর। টানা বৃষ্টি চলল কয়েক দিন। ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে সব প্রচেষ্টা যখন ব্যর্থ, তখন এই বৃষ্টিই ভরসা। কিন্তু সেই বৃষ্টির পরও এই মে মাসে দূষণ কমছে না।</p><p>আজ রোববার সকালে বিশ্বের ১২৪টি নগরীর মধ্যে ঢাকার অবস্থান দ্বিতীয়। আইকিউএয়ারে এ সময় ঢাকার বায়ুর মান ১৫৮। সকাল সোয়া আটটায় বাতাসের এ পরিস্থিতি ছিল। বাতাসের এ মানকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়।</p><p>বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের অবস্থা নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং সতর্ক করে। আজ বাতাসের এ দূষণ থেকে রক্ষা পেতে আইকিউএয়ার বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছে।</p><p>এপ্রিল মাসের পর থেকেই ঢাকার বাতাসের মান ভালো হতে থাকে। এ সময় বৃষ্টি হলে দ্রুতই বাতাসের মান ভালো হয়। এপ্রিল পেরিয়ে মে মাস এসে গেল, তারপর এত বৃষ্টি। কিন্তু বাতাসের মান ততটা উন্নত হচ্ছে না।</p><p>আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে কুয়েতের কুয়েত সিটি। এ নগরীর বায়ুর মান ১৬১।</p><p><strong>আজ ঢাকার বেশি দূষিত এলাকাগুলো</strong></p><p>আজ বায়ুদূষণে শীর্ষে আছে পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি। এ এলাকার বায়ুমান ২২১। বায়ুর মান দুই শতাধিক হলে তাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এরপর দূষণের তালিকায় আছে যথাক্রমে গুলশানের বে’জ এইজ ওয়াটার (১৭৯), দক্ষিণ পল্লবী (১৬৭), গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল (১৬৬), পীরেরবাগ রেললাইন (১৬৪), বারিধারা লেক সাইড (১৬৩), উত্তর বাড্ডা (১৬১), গোড়ান (১৬০), গুলশান লেক পার্ক (১৬০) ও ধানমন্ডি (১৫৯)।</p><p><strong>সুরক্ষায় নগরবাসী যা করবেন</strong></p><p>আইকিউএয়ারের পরামর্শ অনুযায়ী, আজ ঢাকায় বায়ুর যে মান, তাতে বাইরে বের হলে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। বাড়ির বাইরে গিয়ে ব্যায়াম না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আর ঘরের জানালাগুলো যতটা সম্ভব বন্ধ রাখতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/tilta1nv7w</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/tilta1nv7w#comments</comments><guid isPermaLink="false">c5968bb0-8e2a-4c74-81cf-97b3477301f0</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 02:54:45 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T02:54:45.681Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকে।]]></description><media:keywords>নির্বাচন,যুক্তরাষ্ট্র,সকালের খবর,পশ্চিমবঙ্গ</media:keywords><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শুভ সকাল। আজ ৫ মে, মঙ্গলবার। গতকাল সোমবার প্রথম আলোর অনেক আলোচিত সংবাদ হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই আজ দিনের শুরুতেই পড়তে পারেন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচ খবর ও বিশ্লেষণ।</p><h3>বাংলাদেশকে মানতে হবে ১৩১ শর্ত, যুক্তরাষ্ট্রকে ৬</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/2fmevcyg/4f39ce50-9dad-4ac9-9e7e-9bf3130e3356.jfif" /></figure><p>কোনো আইনে বা চুক্তিতে ইংরেজি ‘শ্যাল’ কথা থাকা অর্থ হচ্ছে এসব বিষয় পালন করা বাধ্যতামূলক। ‘উইল’ লেখা থাকলে সেটা হবে ইচ্ছাধীন বিষয়। ৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে শ্যাল কথাটি আছে মোট ১৭৯ বার, উইল ৩ বার। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ শ্যাল’ এসেছে ১৩১ বার, আর ‘ইউএস শ্যাল’ আছে মাত্র ৬ বার। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/fumaag6mec">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনকাঠামো ১ জুলাই থেকে আংশিক বাস্তবায়ন হতে পারে</h3><figure><img alt="গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার লোগো" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-12/614f1f56-0436-44d5-bd9e-5fdd0cbcf173/451c7e8d-3819-4f50-80df-9f0604330e9b.jpg" /></figure><p>সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতনকাঠামোর আংশিক বাস্তবায়ন শুরু হতে পারে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকে। নতুন সুপারিশ অনুযায়ী, প্রথম বছরে মূল বেতনের ৫০ শতাংশ ও পরের ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি ৫০ শতাংশ দেওয়া হতে পারে। আর ২০২৮-২৯ অর্থবছরে যুক্ত হতে পারে ভাতাগুলো। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। <a href="https://www.prothomalo.com/business/economics/mu68hbp47q">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>গেরুয়া-ঝড়ে তছনছ মমতার সাজানো বাগান</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/n57nxmga/BJP-Joy-01.jpg" /><figcaption>পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিজয়ের পর কলকাতায় দলটির সমর্থকদের গেরুয়া আবির খেলা   </figcaption></figure><p>মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়তো এমনটা ভাবেননি। এভাবে গেরুয়া-ঝড়ে তছনছ হয়ে যাবে তাঁর সাজানো বাগান। মাত্র ১৫ বছরেই ভেঙে চুরমার হলো তৃণমূলের স্বপ্ন। আগামী ৫ বছর শাসন করার স্বপ্ন এখন মমতার কাছে দুঃস্বপ্ন। বাংলায় এবার ‘পদ্মাসনে’ বসতে চলেছে বিজেপি। <a href="https://www.prothomalo.com/world/india/us6rbir5ce">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>বিএনপি ও জামায়াতের সম্পর্ক: ‘একাত্তর কার্ড’ যেভাবে ভারসাম্য রাখছে</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/bzdoupy7/bnpjamatkk.jpg" /></figure><p>দুই কারণে জামায়াত এতে রাজি হয়নি। এক. জামায়াত চাইছিল নিজেদের ভাগ্য পরীক্ষা করে এককভাবে ক্ষমতায় যেতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদগুলোর নির্বাচনে শিবিরের জয় জামায়াতের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলেছিল। দ্বিতীয় কারণটি ছিল, জামায়াত জানত সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও তারা নিশ্চিতভাবে প্রধান বিরোধী দল হবে এবং সেটা কিছু মন্ত্রিত্বের চেয়েও অনেক বেশি সম্মানের। <a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/4edmug1byy">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p><h3>‘আমি তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হব’, বাবাকে বলেছিলেন বিজয়</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/elh66v3u/a5d56960-b401-4431-8c2a-139b9423ec2b.jpg" /><figcaption>বিজয় ও এস এ চন্দ্রশেখর। কোলাজ </figcaption></figure><p>তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ বিজয়ের দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে)। প্রথমবারের নির্বাচনে অংশ নিয়েই এমন পারফরম্যান্স ইতিমধ্যে রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করেছে। এই সাফল্য শুধু রাজনৈতিক মহলই নয়, উচ্ছ্বসিত করেছে তাঁর পরিবারকেও। <a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/8rokuvl9mj">বিস্তারিত পড়ুন...</a></p>]]></content:encoded></item><item><title>সঞ্চয়পত্র, এফডিআরের বিকল্প হতে পারে সরকারি ট্রেজারি বিল-বন্ড, মুনাফা কত</title><link>https://www.prothomalo.com/business/personal-finance/g9vt6pgjc3</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/personal-finance/g9vt6pgjc3#comments</comments><guid isPermaLink="false">3e6c8dd8-c8ef-4872-8779-538a31b97d70</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 02:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T02:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফখরুল ইসলাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1258753</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বিল ও বন্ড কেনার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিজনেস পার্টনার আইডেনটিফিকেশন (বিপি আইডি) হিসাব খুলতে হয়। এনআইডি, টিআইএন, আবেদনকারী বা মনোনীত ব্যক্তির ছবি, ব্যাংক হিসাবের বিবরণ থাকা বাধ্যতামূলক।]]></description><media:keywords>ব্যাংক,আপনার টাকা</media:keywords><media:content height="414" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/fwqf2q7e/prothomalo_bangla2024_053a06aba5_a18e_498a_9a4e_222ec4ff3187SY9476.avif" width="622"><media:title type="html"><![CDATA[ টাকা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-24/fwqf2q7e/prothomalo_bangla2024_053a06aba5_a18e_498a_9a4e_222ec4ff3187SY9476.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আপনার টাকা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অলস টাকা পড়ে আছে। বিনিয়োগের সুবিধামতো জায়গা পাচ্ছেন না। আপনার জন্য বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র হতে পারে সরকারি সিকিউরিটিজ, অর্থাৎ ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড। সঞ্চয়পত্র, এফডিআরের ভালো বিকল্প হতে পারে এসব ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড। বন্ড নিয়ে ধীরে ধীরে মানুষের আগ্রহও বাড়ছে।</p><p>সঞ্চয়পত্র কিংবা এফডিআরের মতোই বেশ ভালো মুনাফা পাওয়া যায় এসব সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ডে। সঞ্চয়পত্রে যেমন মেয়াদপূর্তির পর ১০-১১ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যায়, ট্রেজারি বিল-বন্ডেও কমবেশি একই হারে মুনাফা মেলে। এফডিআরে সুদের হারও প্রায় একই রকম।</p><p><strong>সরকারি ট্রেজারি বিল ও বন্ড কী</strong></p><p>ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ড হচ্ছে সরকারি সিকিউরিটিজ। ট্রেজারি বিল সংক্ষেপে টি-বিল হিসেবেও পরিচিত। ট্রেজারি বিলকে বলা হয় স্বল্পমেয়াদি ঋণপত্র। এটি সাধারণত ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিনের মেয়াদে ইস্যু করা হয়। এগুলো ডিসকাউন্ট মূল্যে বিক্রি হয় এবং মেয়াদ শেষে পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা হয়। ফলে বিনিয়োগকারীদের লাভ আসে ক্রয়মূল্য ও পরিশোধ মূল্যের পার্থক্য থেকে।</p><p>অন্যদিকে ট্রেজারি বন্ড সংক্ষেপে পরিচিত বিজিটিবি নামে। এটি দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্র, যার মেয়াদ ২ বছর থেকে শুরু করে ২০ বছর পর্যন্ত হয়। এসব বন্ডে নির্দিষ্ট কুপন হারে সুদ দেওয়া হয়। সুদ দেওয়া হয় সাধারণত ছয় মাস পরপর।</p><p>ট্রেজারি বিল ও বন্ড ইস্যুর ক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করে।</p><p>এরপর সরকারের নিয়োগ করা বাজারে প্রাইমারি ডিলার (পিডি) ব্যাংকগুলো নির্ধারিত সুদের হারে নিলাম (বিড) জমা দেয়। এই নিলামপ্রক্রিয়ায় তুলনামূলক কম সুদের প্রস্তাবগুলো আগে গ্রহণ করা হয়, অর্থাৎ সুদের হার নির্ধারিত হয় বাজারভিত্তিক প্রতিযোগিতার মাধ্যমে।</p><p><strong>সাধারণ ক্রেতারা কীভাবে কিনবেন</strong></p><p>প্রাইমারি ডিলাররা সরাসরি সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছ থেকে ট্রেজারি বিল ও বন্ড কিনে নেয়। পরে সেগুলো বাজারে বিনিয়োগকারীদের কাছে বিক্রি করে।</p><p>সরকার যখন নতুন বন্ড বা বিল ইস্যু করে, তখন পিডিরা বাধ্যতামূলকভাবে সেই নিলামে অংশ নেয় এবং একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিল-বন্ড কিনে থাকে। পিডিরা পরে সেকেন্ডারি মার্কেটে তা নিয়মিত কেনাবেচা করে।</p><p>এবার দেখা যাক, কোন ব্যাংকগুলো বন্ড কিনে থাকে। আপনি সরকারি বন্ডে বিনিয়োগ করতে চাইল কোথায় যাবেন।</p><p>বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, সোনালী ব্যাংক বন্ড কেনায় সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখে। অন্য ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো অগ্রণী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। আপনি চাইলে এসব ব্যাংক থেকে বন্ড কিনতে পারেন।</p><p>আবার ক্রেতা সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকে অনুষ্ঠেয় নিলামে অংশ নিতে পারেন। ট্রেজারি বিলে বিনিয়োগ স্বল্প মেয়াদি হওয়ায় মেয়াদান্তে মুনাফা ও আসল একসঙ্গে ফেরত দেওয়া হয়।</p><p><strong>সুদের হার কত</strong></p><p>ট্রেজারি বিলের সুদের হার মেয়াদভেদে বিভিন্ন হারের হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গত ২৯ এপ্রিলের তথ্য অনুযায়ী, ৯১ দিনের বিলের হার ১০ দশমিক ১৭ শতাংশ, ১৮২ দিনের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং ৩৬৪ দিনের ক্ষেত্রে ১০ দশমিক ৬৪ শতাংশ।</p><p>ট্রেজারি বন্ডের সুদের হার তুলনামূলক বেশি। যেমন ২ থেকে ৩ বছরের বন্ডে সুদের হার ১০ দশমিক ২ থেকে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ, ৫ বছরের বন্ডে ১০ দশমিক ৭৫ শতাংশ, ১০ বছরের বন্ডে ১০ দশমিক ৯৮ শতাংশ, ১৫ বছরের বন্ডে ১১ দশমিক ১৫ শতাংশ এবং ২০ বছরের বন্ডে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ।</p><p><strong>কারা কিনতে পারেন, বিক্রির প্রক্রিয়া কী</strong></p><p>সরকারি বিল ও বন্ড ঝুঁকিমুক্ত এবং দেশের সব শ্রেণি-পেশার নাগরিক বিল-বন্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। অন্যান্য বন্ডের ক্ষেত্রে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা থাকলেও ট্রেজারি বিল ও বন্ডে তা নেই। তাই এ বন্ডে যত খুশি বিনিয়োগ করা যায়।</p><p>ন্যূনতম বিনিয়োগের পরিমাণ এক লাখ টাকা। আবাসিক ও অনাবাসিক ব্যক্তি, ব্যাংক, নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিমা কোম্পানি, ভবিষ্য তহবিল ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ ও করপোরেট সংস্থা এগুলো কিনতে পারে। সেকেন্ডারি বাজারেও তা লেনদেনযোগ্য। বিল ও বন্ডে বিনিয়োগ করা, অর্থাৎ এগুলো কেনার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বিজনেস পার্টনার আইডেন্টিফিকেশন (বিপি আইডি) হিসাব খুলতে হয়।</p><p>সাধারণত কোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে তা করা হয়ে থাকে। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি), করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (টিআইএন), আবেদনকারী বা মনোনীত ব্যক্তির ছবি এবং ব্যাংক হিসাবের বিবরণ থাকা বাধ্যতামূলক। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সেকেন্ডারি বাজার থেকেও বিল ও বন্ড কিনতে পারবে। এ ক্ষেত্রে মনোনীত শাখাকে বিল ও বন্ডের মূল্যের সমপরিমাণ অঙ্কের চেক দিতে হবে।</p><p>মেয়াদপূর্তিতে বিল ও বন্ডের আসল ও সুদ যথাসময়ে প্রধান কার্যালয়ের ট্রেজারি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট শাখায় চলে যাবে। তবে মেয়াদপূর্তির আগে যেকোনো সময় তা বিক্রি করা যায়। তবে পিডি ব্যাংককে তা জানাতে হবে।</p><p><strong>দুটি ব্যাংক নতুন পিডি</strong></p><p>নতুন করে দেশের দুটি বেসরকারি ব্যাংককে পিডি নিয়োগ দিয়েছে সরকার। এ দফায় সুযোগ পেয়েছে ব্র্যাক ব্যাংক ও পূবালী ব্যাংক। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ গত বৃহস্পতিবার আলাদা চিঠির মাধ্যমে ওই দুই ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালককে (এমডি) এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ফলে দেশে মোট পিডি ব্যাংকের সংখ্যা বর্তমানের ২৪ থেকে বেড়ে ২৬ হয়েছে।</p><p>নতুন পিডি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে ব্র্যাক ব্যাংকের এমডি তারেক রেফাত উল্লাহ খান গত শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ‘কয়েক মাস আগে আমরা আবেদন করেছিলাম। সরকার অনুমতি দেওয়ায় ভালো হলো। আমরা এখন পিডি হিসেবে বন্ড বাজারে ভূমিকা রাখতে পারব।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>জাতীয় দল ছেড়ে কেন এইচপিতে যাচ্ছেন সালাহউদ্দীন</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/x4drcnthfk</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/x4drcnthfk#comments</comments><guid isPermaLink="false">d22168d0-9b8d-4e4f-9b22-841a92be6aca</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গুঞ্জন সত্যি করে জাতীয় দলের প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন যোগ দেবেন বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ ক্রিকেট,মোহাম্মদ সালাউদ্দিন (ক্রিকেট কোচ),বিসিবি</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/4m5sjp56/Salauddin.jpg" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ  হচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/4m5sjp56/Salauddin.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>৮ মে শুরু দুই টেস্টের পাকিস্তান সিরিজই জাতীয় দলের সঙ্গে আপাতত তাঁর শেষ অ্যাসাইনমেন্ট। গুঞ্জন সত্যি করে জাতীয় দলের প্রধান সহকারী কোচ মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন এরপরই যোগ দেবেন বিসিবির হাইপারফরম্যান্স (এইচপি) বিভাগের প্রধান কোচ হিসেবে।</p><p>প্রস্তাবটা যেমন বিসিবির দিক থেকে ছিল, একইভাবে সালাহউদ্দীনও মনে করছেন, জাতীয় দলকে আপাতত তাঁর তেমন কিছু দেওয়ার নেই। এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত তরুণদের নিয়ে এইচপিতে ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই নিজের জন্য ভালো হবে। নতুন দায়িত্ব নিয়ে কাল বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালের সঙ্গে ছোটখাটো একটা মিটিংও হয়েছে সালাহউদ্দীনের।</p><aside><cite>মোহাম্মদ সালাউদ্দীন,  সিনিয়র সহকারী কোচ, বাংলাদেশ</cite>তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে।</aside><p>২০২৪ সালের নভেম্বরে জাতীয় দলের সিনিয়র সহকারী কোচের দায়িত্ব পান সালাহউদ্দীন। বিসিবির সঙ্গে তাঁর বর্তমান চুক্তির কার্যকাল ২০২৭ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত। পাকিস্তান সিরিজের পর এইচপির প্রধান কোচের পদে যোগ দিলেও সালাহউদ্দীনের চুক্তির মেয়াদ আপাতত ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্তই থাকবে। এইচপির বর্তমান প্রধান কোচ ডেভিড হেম্পকে দেওয়া হবে অন্য দায়িত্ব।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/i08xw813/Salauddin_T_Tamim___P_EMon_at_Na_cricket_team_practice_at_Academy_ground__6.jpg" /><figcaption>জাতীয় দলের ক্যাম্পে শিষ্যদের সঙ্গে মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন</figcaption></figure><p>জাতীয় দল ছেড়ে এইচপির দায়িত্বে কেন আগ্রহী হলেন, জানতে চাইলে কাল মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে সালাহউদ্দীন এই প্রতিবেদককে বলেন, ‘এইচপিতে যারা থাকবে, তাদেরকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সর্বোচ্চ পর্যায়ের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। খেলার পাশাপাশি তাদের ক্রিকেটীয় চিন্তাভাবনা আর জীবনযাপন প্রণালিতেও উন্নতি আনাটা জরুরি। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়ে আমি এ ধরনের কাজ আগেও করেছি। তাই আমার মনে হয়েছে, ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরির কাজটাই আমি ভালো করতে পারব। বিসিবিও সেভাবেই চিন্তা করেছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/sports-interview/qyopw3mx40">‘সেগুলো আপাতত নিজের কাছেই রাখছি’ </a></aside><p>গত দেড় বছর জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করায় জাতীয় দলের কোথায় ঘাটতি, সেখানে কী ধরনের ক্রিকেটার প্রয়োজন; সে ব্যাপারেও তাঁর ভালো ধারণা জন্মেছে। এইচপির দায়িত্ব নিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতেই সেই কাজটা করতে চান, ‘জাতীয় দলের প্রয়োজনটা আমি এখন আরও ভালো করে বুঝি। যেমন সাদা বলের ক্রিকেটে আমাদের একজন ভালো অলরাউন্ডার দরকার, যে বোলিংয়ের পাশাপাশি ৭–৮ নম্বরে নেমে নির্ভরতা দিতে পারবে। এই ঘাটতিটা আমাদের থেকেই যাচ্ছে। এইচপিতে শুরু থেকেই আমার এ ধরনের ক্রিকেটারদের দিকে দৃষ্টি থাকবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/t3y1b991/Coach_Salauddin_watching_practice_Match___1.jpg" /><figcaption>বাউন্ডারি সীমানায় বসে প্রস্তুতি ম্যাচ দেখছেন মোহাম্মদ সালাহউদ্দীন</figcaption></figure><p>অনূর্ধ্ব–১৯, এইচপি, বাংলাদেশ টাইগার্স, জাতীয় দল—কয়েক বছর ধরে এই কাঠামোতেই চলছে জাতীয় পর্যায়ের ক্রিকেটারদের নিয়ে বিসিবির কার্যক্রম। এবার সেখানেও আসবে পরিবর্তন। কাঠামোতে বাংলাদেশ টাইগার্স আর থাকছে না, যোগ হবে অনূর্ধ্ব–২৩ দল। যেটি কাজ করবে অনূর্ধ্ব–১৯ আর জাতীয় দলের মধ্যে সিঁড়ি হিসেবে। আর এইচপিতে নিচের দিক থেকে যেমন ক্রিকেটাররা উঠে আসবেন, প্রয়োজনে জাতীয় দল থেকেও ক্রিকেটার এখানে আসবেন বিশেষায়িত অনুশীলনের জন্য।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/oahbve48up">নাহিদ রানার গতির মুখে পড়তে চান না বাবর</a></aside><p>নিজের চিন্তাভাবনাও এরই মধ্যে গুছিয়ে নিয়েছেন সালাহউদ্দীন, ‘তিন–চার মাসের ক্যাম্প করে লাভ নেই। এইচপির কার্যক্রম সারা বছর ধরে চলবে। ক্রিকেটাররা যেন এখান থেকে বিশেষ কিছু শিখে ওপরে উঠতে পারে, সেটাই থাকবে এইচপির মূল উদ্দেশ্য।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/c47wkn0ms8">তাজপুরের কিশোর যেভাবে আইপিএলের আকাশছোঁয়া বৈভব সূর্যবংশী হয়ে উঠলেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বগুড়ায় সুর আর অভিনয়ে এক ‘অন্যরকম’ যাত্রা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/zchq19c251</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/zchq19c251#comments</comments><guid isPermaLink="false">ad445e7d-3615-4b06-bb08-08ce89d27dc5</guid><pubDate>Tue, 05 May 2026 02:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-05T02:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>মাসুম অপু</atom:name><atom:uri>/api/author/1258735</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দলের সদস্যরা যেহেতু নাট্যকর্মী, তাই তাঁদের পরিবেশনায় স্বাভাবিকভাবেই থাকে নাট্যরস। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে বুনে চলেন গল্প। ফলে একসঙ্গে গান, কবিতা ও অভিনয়ের স্বাদ পান দর্শক।]]></description><media:keywords>মঞ্চ নাটক,মঞ্চ,মাসুম অপু,দর্শনীয় স্থান,সংস্কৃতি সংবাদ,বাংলা গান,বগুড়া,থিয়েটার,সংগীত শিল্পী</media:keywords><media:content height="720" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/6td7badm/WhatsApp-Image-2026-04-09-at-11.51.23-PM-1.jpeg" width="1280"><media:title type="html"><![CDATA[ ‘দল অন্যরকম’–এর শিল্পীরা। ছবি: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/6td7badm/WhatsApp-Image-2026-04-09-at-11.51.23-PM-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সেই সন্ধ্যায় হালকা বৃষ্টি ছিল। তার মধ্যেও বগুড়া শহরের নওয়াববাড়ি সড়কে মানুষের ভিড়। সেই বৃষ্টি-ভিড় পেরিয়ে বগুড়া ইয়ুথ কয়্যারের কার্যালয়ের পেছনের এক পুরোনো ভবনে ঢুকে পড়ি। দরজার কাছে যেতেই কানে আসে ঢোল, বাঁশি আর হারমোনিয়ামের সুর।</p><p>ভেতরে ঢুকে দেখি একটি বড় ঘরের মধ্যে গোল হয়ে বসে নানা বয়সের একদল শিল্পী অনুশীলনে ব্যস্ত। সামনে ছড়ানো ঢোল, তবলা, খমক, মন্দিরা, হারমোনিয়াম, খোল, গিটার, কাহন—আরও কত যন্ত্র! শিল্পীদের চোখেমুখে একাগ্রতা। বোঝাই যায়, সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ তাঁদের। সবাই বগুড়া থিয়েটারের নাট্যকর্মী। নাটকের পাশাপাশি গান ও কবিতার ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে করতে তৈরি করে ফেলেছেন একটা দল—‘দল অন্যরকম’।</p><p>সে সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গেই গানে–গল্পে কিছুটা সময় কাটল। ‘মহারাজা তোমাদের সালাম’ দিয়ে শুরু, এরপর ‘দেখা না দিলে বন্ধু কথা কইও না’, ‘মা লো মা’, ‘সাদা সাদা কালা কালা’, ‘চুমকি চলেছে একা পথে’, ‘বেদের মেয়ে জোসনা আমায় কথা দিয়েছে’। আবার তালির তালে কাওয়ালি! গজলও শোনায়, তুমে দিল লাগি হে জানি পারে গি...। কোনো পরিবেশনায় কোথাও তাল হারায় না, সুর ফসকে যায় না। জমিয়ে গান করে।</p><blockquote>শুধু ‘গানের দল’ বললে তাদের পরিচয় পুরোটা ধরা পড়ে না। পরিবেশনায় কখনো যুক্ত হয় কবিতা, কখনো গল্প, কখনো রম্যকথা। একটি গানের রেশ ধরে একজন অভিনয় করে পরের গানের সূত্র ধরিয়ে দেন—এভাবেই তৈরি হয় কথা ও গানের সেতুবন্ধ।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ew4exa4m/WhatsApp_Image_2026_05_04_at_5_20_30_PM.jpeg" /><figcaption>সে সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গেই গানে–গল্পে কিছুটা সময় কাটল</figcaption></figure><p>মুগ্ধ হয়ে শুনলাম, দেখলাম। মনে হলো শুধু ‘গানের দল’ বললে তাদের পরিচয় পুরোটা ধরা পড়ে না। পরিবেশনায় কখনো যুক্ত হয় কবিতা, কখনো গল্প, কখনো রম্যকথা। একটি গানের রেশ ধরে একজন অভিনয় করে পরের গানের সূত্র ধরিয়ে দেন—এভাবেই তৈরি হয় কথা ও গানের সেতুবন্ধ। মনে হলো এই কিছুক্ষণ আগে কোনো মুহূর্ত ধরে তাঁরা গানটি বুনেছেন বা বেছে নিয়েছেন। শ্রোতার সঙ্গে সুরে সুরে চললে অন্যরকম কথোপকথন। অভিনব সে পরিবেশনা, হয়তো এ কারণেই নাম—‘দল অন্যরকম’।</p><blockquote>দলের সদস্যরা যেহেতু নাট্যকর্মী, তাই তাঁদের পরিবেশনায় স্বাভাবিকভাবেই থাকে নাট্যরস। অনেক সময় তাৎক্ষণিক ইম্প্রোভাইজেশনে দর্শকের সঙ্গে তৈরি হয় সরাসরি যোগাযোগ। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে কথক বুনে চলেন গল্প। ফলে একসঙ্গে গান, কবিতা ও অভিনয়ের স্বাদ পান দর্শক।</blockquote><p>দলের সদস্যরা যেহেতু নাট্যকর্মী, তাই তাঁদের পরিবেশনায় স্বাভাবিকভাবেই থাকে নাট্যরস। অনেক সময় তাৎক্ষণিক ইম্প্রোভাইজেশনে দর্শকের সঙ্গে তৈরি হয় সরাসরি যোগাযোগ। স্থান, কাল ও পাত্রভেদে কথক বুনে চলেন গল্প। ফলে একসঙ্গে গান, কবিতা ও অভিনয়ের স্বাদ পান দর্শক।</p><p>এই দলের জন্ম অনেকটা হঠাৎ করে। ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় নাটক করতে গিয়েছিল বগুড়া থিয়েটার। আয়োজকদের অনুরোধে দলটিকে সেখানে নাটকের পাশাপাশি গান পরিবেশন করতে হয়। কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই কবিতা ও গানের সংমিশ্রণে তারা একটি পরিবেশনা করে। হাজারখানেক দর্শকের ভালোবাসায় ভেসে যান সদস্যরা। সেই অভিজ্ঞতা নিয়েই দেশে ফিরে শুরু হয় ‘দল অন্যরকম’। অল্প সময়েই বগুড়া ও আশপাশের এলাকায় দলটি সাড়া ফেলেছে, জানান স্থানীয় সংস্কৃতিকর্মীরা।</p><blockquote>২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বেলডাঙ্গায় নাটক করতে গিয়েছিল বগুড়া থিয়েটার। আয়োজকদের অনুরোধে দলটিকে সেখানে নাটকের পাশাপাশি গান পরিবেশন করতে হয়। কোনো প্রস্তুতি ছাড়াই কবিতা ও গানের সংমিশ্রণে তারা একটি পরিবেশনা করে।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/dpzn3h2l/WhatsApp_Image_2026_04_09_at_11_51_24_PM.jpeg" /><figcaption>‘দল অন্যরকম’–এর শিল্পীরা। ছবি: প্রথম আলো</figcaption></figure><p>কথা হলো বগুড়ার সুপরিচিত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব গানের দল ‘বিবর্তন বগুড়া’র সভাপতি জি এম সাকলাইনের সঙ্গে। ‘আঞ্চলিক গানকে নান্দনিকভাবে উপস্থাপন করে একসময় বাজিমাত করেছিল বগুড়া ইয়ুথ কয়্যার। সাম্প্রতিক সময়ে কথামালা ও গানের মিশেলে নতুনভাবে সাড়া ফেলেছে “দল অন্যরকম”। জনপ্রিয় গানগুলোকে দলগত পরিবেশনা ও অভিব্যক্তির সূক্ষ্মতায় নতুনভাবে তুলে ধরছে। নামের মতোই তাদের পরিবেশনা সত্যিই অন্যরকম।’ স্থানীয় কয়েকজন সংস্কৃতিকর্মীর মন্তব্যও একই রকম।</p><p>দলের গানের অংশের দায়িত্বে আছেন সোবহানী বাপ্পী আর কবিতা ও কথার অংশে কনক কুমার পাল। তাঁদের সঙ্গে বায়েজিদ নিবিড়, আমিনুল রকি, স্মরণ, আল গালিব, রবিউল করিম, মো. সানা—সবাই মিলে হারমোনিয়াম, ঢোল, তবলা, কলস, ডারবুকা, খমক, নাকাড়া, মাদল, কাহন, করতাল, অ্যাকুয়াস্টিক ও ইলেকট্রিক গিটারে বাজিয়ে জমিয়ে তোলেন আসর।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/song/ot2hydmyac">প্রাণে প্রাণে সুরের বাঁধন</a></aside><blockquote>অনুষ্ঠানভেদে গান নির্বাচনেও থাকে ভিন্নতা। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে বিয়ের গীত, আবার স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোক ও ব্যান্ড গানের মিশেল—সব জায়গাতেই নিজেদের মতো করে পরিবেশনা সাজিয়ে নেন তাঁরা।</blockquote><p>অনুষ্ঠানভেদে গান নির্বাচনেও থাকে ভিন্নতা। গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে বিয়ের গীত, আবার স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোক ও ব্যান্ড গানের মিশেল—সব জায়গাতেই নিজেদের মতো করে পরিবেশনা সাজিয়ে নেন তাঁরা। দলটির একটি স্লোগানও আছে—‘কবিতা আর বাংলা গানে, মন ভাসুক ভাটি কিংবা উজানে’।</p><p>দলের মূল ভোকালিস্ট সোবহানী বাপ্পী বলেন, ‘অন্যরকম কিছু করতে চেয়েছি আমরা। প্রতিনিয়ত ভাঙা-গড়ার মধ্য দিয়ে নিজেদের তৈরি করছি। এখন পর্যন্ত দর্শকের যে সাড়া পাচ্ছি, তা আমাদের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। আমাদের কয়েকটি মৌলিক গান রয়েছে, সংখ্যাটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি।’</p><p>দলের অন্যতম সদস্য কনক কুমার পাল বলেন, ‘এটা সত্যি যে এক শ্রেণির মানুষ ছাড়া সাধারণ দর্শক কবিতা শুনতে খুব একটা আগ্রহী নয়। কিন্তু আমাদের পরিবেশনায় কবিতাও দর্শকের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। এ কাজটা দেশ-বিদেশের আরও দর্শকের কাছে পৌঁছে দিতে চাই।’ শেষে জোর দিয়ে বলেন, ‘আমরা সবাই বগুড়া থিয়েটার ও কলেজ থিয়েটারের নাট্যকর্মী—থিয়েটারই আমাদের মূল পরিচয়।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/dhallywood/609eqeswf0"> ‘রাক্ষস’: নায়কই এখানে নায়ক
</a></aside><p>যে ঘরে মহড়া চলছিল, সেটিই নাট্যদলের কার্যালয়। দেয়ালে সেলিম আল দীনের বড় প্রতিকৃতি আর নানা নাটকের পোস্টার যেন জায়গাটিকে আলাদা আবহ দিয়েছে। মহড়া দেখতে এবং দিনের কাজ শেষে এই সাংস্কৃতিক আড্ডায় সময় কাটাতে সেদিন এসেছিলেন দলের প্রবীণ সদস্যরাও। পরিচয় হলো সংগঠনের সদস্যসচিব দ্বীন মোহাম্মদ দীনু, পাঁপড়ি ইসলাম, খন্দকার এনাম, নজরুল ইসলাম, শহীদুর রহমান, কবির রহমান, গাজী আশাসহ নানা প্রজন্মের এক ঝাঁক নাট্যকর্মীর সঙ্গে। বগুড়া থিয়েটারের আহ্বায়ক পলাশ খন্দকার জানান, ১৯৮০ সালের ২৯ মে এই সংগঠনের যাত্রা শুরু। ‘ঝড়ঝঞ্ঝা পেরিয়ে বসন্তের মুকুল যেমন জ্যৈষ্ঠে পাকা ফলে রূপ নেয়, তেমনি দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আজ ৪৬ বছরের এক শক্ত সাংস্কৃতিক বৃক্ষে পরিণত হয়েছে বগুড়া থিয়েটার,’ বলেন তিনি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/fhc5peo6/660289147_27432651612989816_7931446936594264034_n.jpg" /><figcaption>এ পর্যন্ত বগুড়া থিয়েটারের প্রযোজনা ৬৫টি, মঞ্চায়নের সংখ্যা দেড় সহস্রাধিক</figcaption></figure><blockquote>এ পর্যন্ত বগুড়া থিয়েটারের প্রযোজনা ৬৫টি, মঞ্চায়নের সংখ্যা দেড় সহস্রাধিক। বাংলাদেশ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে একাধিকবার মঞ্চস্থ হয়েছে তাঁদের নাটক। ‘ইঙ্গিত’, ‘যে গল্পের শেষ নেই’, ‘কথা পুণ্ড্রবর্ধন’, ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’, ‘কোর্ট মার্শাল’, ‘দ্রোহ’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘নূরলদীনের সারাজীবন’—এমন অনেক উল্লেখযোগ্য প্রযোজনা রয়েছে তাদের।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/ufrkbfr3/WhatsApp_Image_2026_05_04_at_5_20_41_PM.jpeg" /><figcaption>দলের গানের অংশের দায়িত্বে আছেন সোবহানী বাপ্পী আর কবিতা ও কথার অংশে কনক কুমার পাল</figcaption></figure><p>পলাশ খন্দকার জানান, এ পর্যন্ত বগুড়া থিয়েটারের প্রযোজনা ৬৫টি, মঞ্চায়নের সংখ্যা দেড় সহস্রাধিক। বাংলাদেশ ছাড়াও পশ্চিমবঙ্গে একাধিকবার মঞ্চস্থ হয়েছে তাঁদের নাটক। ‘ইঙ্গিত’, ‘যে গল্পের শেষ নেই’, ‘কথা পুণ্ড্রবর্ধন’, ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’, ‘কোর্ট মার্শাল’, ‘দ্রোহ’, ‘ফকির মজনু শাহ’, ‘নূরলদীনের সারাজীবন’—এমন অনেক উল্লেখযোগ্য প্রযোজনা রয়েছে তাদের। পাশাপাশি টানা ৪৪ বছর ধরে বৈশাখী মেলা আয়োজন করে আসছে দলটি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/z3utukt4/657325288_27322761720645473_5975919063204516058_n.jpg" /><figcaption>গায়েহলুদের অনুষ্ঠানে বিয়ের গীত, আবার স্কুল-কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফোক ও ব্যান্ড গানের মিশেল—সব জায়গাতেই নিজেদের মতো করে পরিবেশনা সাজিয়ে নেন তাঁরা</figcaption></figure><p>বৃষ্টিভেজা সন্ধ্যায় ‘দল অন্যরকম’-এর মহড়া দেখতে দেখতে কখন যে সময় পেরিয়ে গেল, টেরই পাইনি। বলা যায়, একধরনের ঘোরের মধ্যে ছিলাম। তাদের গায়কি যেমন দারুণ, তেমনি বাদনেও স্পষ্ট দক্ষতা। পুরোনো গানগুলোও যেন নতুন হয়ে ফিরে আসে। পুরো পরিবেশনাটা মনে হয় নানা ফুলের মালা—একটির সঙ্গে আরেকটির মেলবন্ধন। সব মিলিয়ে এক পরিপূর্ণ উপস্থাপনা—এখানেই তাদের মুনশিয়ানা, এখানেই তারা সত্যিই অন্যরকম।</p><p>অটোরিকশায় নওয়াববাড়ি সড়ক থেকে চেলোপাড়ার মধুবনের পথে যেতে যেতে মনে হচ্ছিল, ক্রমশ স্ক্রিননির্ভর হয়ে ওঠা প্রজন্মের ডিজিটাল সামাজিক মাধ্যমের এই সময়েও ঢাকা থেকে দূরের একটি জেলা শহরে এমন প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক চর্চা দেখা সত্যিই ভিন্ন অভিজ্ঞতা। এ অভিজ্ঞতা মনে করিয়ে দেয়—সময় এখনো ফুরোয়নি, জেলা শহরগুলোতে সংস্কৃতি এখনো নিজের মতো করে বেঁচে আছে। মানুষের ভেতরে সংস্কৃতির স্পন্দন এখনো টিকে আছে। হয়তো রাজধানীর বাইরে, এমন চর্চাই টিকিয়ে রাখবে আমাদের সাংস্কৃতিক প্রাণ।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আসামে বিজেপিই থাকল, পালাবদল কেরালায়</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/qyqcsd7j44</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/qyqcsd7j44#comments</comments><guid isPermaLink="false">e40e9675-6941-4533-a70e-467ba80320c3</guid><pubDate>Mon, 04 May 2026 20:26:41 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-04T20:26:41.747Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শুভজিৎ বাগচী</atom:name><atom:uri>/api/author/1444177</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট। ]]></description><media:keywords>কংগ্রেস,আসাম,থালাপতি বিজয়,বিধানসভা</media:keywords><media:content height="555" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/jw6dqxok/Screenshot__261_.png" width="882"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/jw6dqxok/Screenshot__261_.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে এল চমকের পর চমক। পশ্চিমবঙ্গে ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেস শাসনের অবসান ঘটানোর পাশাপাশি অন্য দুই রাজ্যও সাক্ষী থাকল পালাবদলের। আসামে বিজেপিই থাকল, তবে আরও শক্তিশালী হয়ে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পদুচেরিতে মসনদ টিকিয়ে রাখার লড়াইয়ে আবার সফল হলো ক্ষমতাসীন এনডিএ জোট। </p><p>চারটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত পদুচেরি নিয়ে পাঁচটি বিধানসভায় গত মাসে ভোট গ্রহণ করা হয়। গতকাল সোমবার সকালে সব রাজ্যে একসঙ্গে ভোট গণনা শুরু হয়। গতকাল রাত একটায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ফল পাওয়া না গেলেও কে জয়ী হচ্ছে, তা স্পষ্ট হয়ে গেছে।</p><p><strong>বহিরাগত জুজুই তুরুপের তাস হিমন্তের</strong></p><p>আসাম বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি এবার আঞ্চলিক জোটসঙ্গীদের ছাড়াই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ঐতিহাসিক জয়ের পথে। ১২৬টি আসনের মধ্যে একাই ৮২টিতে জয়ী বা এগিয়ে রয়েছে তারা। এই সাফল্যের প্রধান কারিগর মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা; যিনি ‘উন্নয়ন’ ও ‘সাংস্কৃতিক সুরক্ষা’র এক মিশেল ঘটিয়ে নিজেকে রাজ্যের একমাত্র ‘রক্ষাকর্তা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সফল হয়েছেন। একদিকে গত পাঁচ বছরের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক প্রকল্প; অন্যদিকে ‘বহিরাগত’দের হাত থেকে অসমিয়া পরিচয় রক্ষার কৌশলী প্রচার—এই দুইয়ের সমন্বয়েই তৈরি হয়েছে ‘হিমন্ত ম্যাজিক’। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-01-30/bgtnj61e/assam-chief-minister.jpg" /><figcaption>আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা</figcaption></figure><p>আসামের এক শিক্ষক সুনিত ঠাকুরের কথায়, নির্বাচনের ঠিক আগে প্রদ্যুৎ বরদলৈ ও ভূপেন কুমার বরার মতো প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতাদের বিজেপিতে শামিল করা ছিল তাঁর রাজনৈতিক মাস্টারস্ট্রোক। তিনি আরও বলেন, প্রতিবারের মতোই বিজেপির প্রচারের একটি প্রধান অংশ ছিল তথাকথিত বহিরাগত ব্যক্তিদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া নিয়ে। এটিও বিজেপির পক্ষেই কাজ করেছে।</p><p>বিপরীতে আসামে কংগ্রেসের ভরাডুবির মূলে রয়েছে চরম সাংগঠনিক দুর্বলতা ও নেতৃত্বের অভাব। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি গৌরব গগৈয়ের পরাজয় এবং বড় বড় নেতার দলত্যাগ কর্মীদের মনোবল ভেঙে দিয়েছিল। পাশাপাশি ‘অসম সম্মিলিত মোর্চা’র অন্দরে আসন রফা নিয়ে দ্বন্দ্ব এবং এআইইউডিএফের সঙ্গে জোটের ফলে হিন্দু ও অসমিয়া ভোটারদের একটি বড় অংশ কংগ্রেস থেকে মুখ ফিরিয়ে বিজেপির দিকে ঝোঁকে। প্রচারের ক্ষেত্রেও কংগ্রেস ভুল কৌশল অবলম্বন করে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। স্থানীয় সমস্যাগুলোর পরিবর্তে পবন খেরা ও হিমন্তের স্ত্রীর সংঘাতের মতো অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে জড়িয়ে পড়ায় গ্রামীণ ভোটারদের সঙ্গে দলের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।</p><p><strong>তামিল আকাশে নতুন তারা বিজয়</strong></p><p>তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দীর্ঘ কয়েক দশকের দ্রাবিড়ীয় আধিপত্যে ইতি টেনে এক ঐতিহাসিক উত্থান ঘটল অভিনেতা সি জোসেফ বিজয়ের (থালাপতি বিজয়) দল ‘তামিলাগা ভেত্তরি কাঝাগম’ সংক্ষেপে ‘টিভিকে’–এর। পুরোনো দল ডিএমকে ও এআইএডিএমকের মতো প্রতিষ্ঠিত শক্তিকে পেছনে ফেলে জয় প্রায় নিশ্চিত করেছে নতুন এই দল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-29/no8gnh2d/prothomalo-vijay.avif" /><figcaption>থালাপতি বিজয়</figcaption></figure><p>বিজয়ের এই সাফল্যের মূলে রয়েছে তাঁর ব্যক্তিগত ক্যারিশমা এবং ‘বিকল্প রাজনীতি’র প্রতিশ্রুতি। প্রচারের মাধ্যমে দ্রাবিড়ীয় ভাবাদর্শকে সরাসরি আক্রমণ না করে বরং তাঁকে আধুনিক ও কার্যকর করার কথা বলেছিলেন বিজয়। এই কৌশলী অবস্থান এবং তৃণমূল স্তরে শক্তিশালী ফ্যান ক্লাবের সাংগঠনিক শক্তি তাঁর প্রচলিত প্রথা ভাঙার লড়াইয়ে গতি বাড়িয়েছে।</p><p>তামিলনাড়ুতে দীর্ঘ সময় ধরে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের পাল্টাপাল্টি শাসনে বীতশ্রদ্ধ তরুণ প্রজন্ম ও নারীরা চলচ্চিত্র তারকা বিজয়ের মধ্যে এক স্বচ্ছ ও নতুন দিশা খুঁজে পেয়েছেন। সোজা কথায়—সরাসরি তামিল জাতীয়তাবাদ এবং জনকল্যাণমূলক রাজনীতির কথা বলে সাধারণ মানুষের আবেগ ছুঁতে পেরেছে টিভিকে। পাশাপাশি ভোটের প্রচারে বারবার ঘোষিত দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং কর্মসংস্থানের আশ্বাসও ভোটারদের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা পায়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং সেই সূত্রে দুর্নীতি–সংক্রান্ত অসংখ্য মামলা ও দীর্ঘমেয়াদি প্রশাসনিক স্থবিরতা; যা সাধারণের মনে ক্ষোভের দাবানল জ্বেলে দেয়। এ ছাড়া আদর্শগত পার্থক্য ছাপিয়ে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকের ক্ষমতার লড়াই প্রাধান্য পাওয়ায় এক নতুন বিকল্পের প্রতি আগ্রহী করে তোলে জনমানসকে। এই সম্মিলিত সমস্যা থেকে রেহাই পেতেই তামিলভূমে নবাগত তৃতীয় শক্তি হিসেবে বিজয়ের টিভিকেকে সাদরে আমন্ত্রণ জানাতে মুখিয়ে ওঠে জনতা জনার্দন।</p><p>তবে ২৩৪ আসনের তামিলনাড়ু বিধানসভায় সরকার গঠনের ‘ম্যাজিক নম্বর’ ১১৮ বিজয়ের দলও পাচ্ছে না। ১০৭টি আসনে জয় পেয়েছে তারা। ফলে মুখ্যমন্ত্রী হতে অন্য কারও মুখাপেক্ষী হতে হবে বিজয়কে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/india/kwznnukd7y">থালাপতি বিজয়: রাজনীতির ময়দানে চমক দেখালেন পর্দার নায়ক</a></aside><p><strong>কেরালায় বাম দুর্গের পতন</strong></p><p>কেরালার রাজনীতিতে ‘বিকল্প শাসন’–এর চিরাচরিত প্রথা মেনেই পালাবদল ঘটেছে। পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন বাম জোট এলডিএফ সরকারকে সরিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ জোট। ১৪০টি আসনের মধ্যে ৮৯ আসনে জয়ী হয়েছে ইউডিএফ জোট, কংগ্রেস একাই পেয়েছে ৬৩ আসন।</p><p>বিশ্লেষকদের মতে, গত ১০ বছরের বাম শাসনের বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া প্রবল প্রতিষ্ঠানবিরোধী হাওয়া এই পটপরিবর্তনের প্রধান কারণ। সরকারের বিরুদ্ধে ওঠা একের পর এক দুর্নীতি, স্বজনপোষণ ও প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ ভোটারদের বিকল্প খুঁজতে বাধ্য করেছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটের মেরুকরণ ইউডিএফের পাল্লা ভারী করেছে। সেই সঙ্গে সমাজের প্রতিটি স্তরকে নিশানা করে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর নিরন্তর প্রচার এবং জনকল্যাণমূলক প্রতিশ্রুতির মিশেল ইউডিএফের পালে হাওয়া দিয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-05/xgcdz24b/vd_satheeshan_kerala_congress.png" /><figcaption>কেরালা কংগ্রেসের নেতা ভি ডি সাতিশান</figcaption></figure><p>মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন নিজের দুর্গ ধর্মদমে জয়ী হলেও তাঁর মন্ত্রিসভার প্রায় ১৩ জন মন্ত্রী ধরাশায়ী হয়েছেন। এই পরাজয় এলডিএফের জন্য নিঃসন্দেহে বড় ধাক্কা, যা তাদের তৃতীয়বার ক্ষমতায় ফেরার স্বপ্ন চুরমার করে দিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি চাতানুরের মতো আসনে জয়লাভ করে কেরালায় আবার নিজেদের অস্তিত্বের জানান দিয়েছে। এই ফলাফল আরও একবার প্রমাণ করল যে কেরালার ভোটাররা শাসনের ধারাবাহিকতার চেয়ে পরিবর্তনকেই বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন।</p><p>অন্যদিকে পরিবর্তনের দমকা বাতাস স্পর্শ করেনি পদুচেরিকে। সেখানে ৩০টি আসনের সর্বশেষ ফল অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী এন রঙ্গস্বামীর নেতৃত্বাধীন এআইএনআরসি বিজেপির সঙ্গে জোট করে সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>থালাপতি বিজয়: ভারতের দক্ষিণে রাজনীতির নতুন ‘কমান্ডার’?</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/or13p9k9n5</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/or13p9k9n5#comments</comments><guid isPermaLink="false">9c5700fa-4e14-4953-88cc-7377005264c2</guid><pubDate>Mon, 04 May 2026 14:18:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-04T14:18:23.049Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আলতাফ পারভেজ</atom:name><atom:uri>/api/author/1147189</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।]]></description><media:keywords>দক্ষিণী সিনেমা,থালাপতি বিজয়,বিধানসভা,ভারত</media:keywords><media:content height="386" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-29/no8gnh2d/prothomalo-vijay.avif" width="579"><media:title type="html"><![CDATA[ থালাপতি বিজয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-29/no8gnh2d/prothomalo-vijay.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতিতে এখন আলোচিত নাম দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক থালাপতি বিজয়। ৪ মে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় তাঁর দল বিজয়ের পথে। ভারতের দক্ষিণের রাজনীতিতে থালাপতির উত্থান নিয়ে <strong>আলতাফ পারভেজের</strong> এ বিশ্লেষণ ৩০ আগস্ট ২০২৫ প্রথম আলোতে প্রকাশিত হয়েছিল। প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় লেখাটি আজকে পুনঃপ্রকাশ করা হলো। </p><p>সিনেমার মতো দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিও উত্তরের চেয়ে অনেক পৃথক ধাঁচের। তারকানির্ভরতা তামিল, তেলেগু, মালয়ালম ছবির চিরচেনা বৈশিষ্ট্য। ঠিক তার মতোই তামিল রাজনীতিরও একটি ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য—সিনেমার তারকারা এখানে একপর্যায়ে রাজনীতিতে নামেন এবং ভোটের রাজনীতিতে প্রতিপক্ষকে মাত করেন। ‘প্রতিপক্ষ’রাও হয়ে থাকেন অনেক সময় সিনেমাজগতের মানুষ। ফলে বহুকাল ধরে তামিলভাষীদের রাজনীতি অনেকটা সিনেমার হিরো-ভিলেন সমীকরণের মতো চলছে। এ রকম এক ঐতিহ্যের মধ্যেই নতুন তারকা হিসেবে নিজেকে তামিল সমাজে ‘ভাইরাল’ করেছেন থালাপতি বিজয়। তাঁর কথাবার্তা মনোযোগ কাড়ছে বাংলাদেশেও।</p><p>তবে অনেকে এ-ও বলছেন, থালাপতি হলেন বিজেপির স্থানীয় ‘প্রক্সি’। প্রচলিত কৌশলে দক্ষিণের রাজনীতিতে সুবিধা করতে না পেরে বিজেপি কংগ্রেসবিরোধী ধারাকে শক্তি জোগাতে বিজয়কে মাঠে নামিয়ে নিজস্ব মিডিয়া সাম্রাজ্য দিয়ে প্রচার-উত্তেজনা তৈরি করছে।</p><h3>পেরিয়ারের আদর্শের কথা বলছেন বিজয়</h3><p>বাস্তবে নাম যোশেফ বিজয় হলেও ভক্তরা তাঁকে যে ‘থালাপতি’ বলেন, সেটি তামিল চলচ্চিত্রে তাঁর পেশাগত সফলতার কারণে। তামিল ভাষায় থালাপতি অর্থ কমান্ডার, বস বা নেতা। বলাবাহুল্য, ভক্তদের দেওয়া ওই নামের জোরেই রাজনীতির পথে হাঁটছেন বিজয়।</p><p>থালাপতির দলের নাম ‘টিভিকে’ বা ‘তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম’। বাংলায় ‘তামিলনাড়ুর বিজয়ী মোর্চা’। সময়ের হিসাবে এক বছর হলো দলের বয়স। বড়সড় মাত্র দুটি সমাবেশ করেছে তারা। সমাবেশগুলোয় তরুণদের ব্যাপক জমায়েত ঘটছে। সর্বশেষ সমাবেশ থেকে থালাপতি আগামী বছর বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেবেন বলে জানান। এই এক ঘোষণাতেই দক্ষিণের রাজনীতি সরগরম হয়ে উঠেছে।</p><p>অন্যদিকে থালাপতিকে নিয়ে তামিল তরুণদের মাতামাতি দেখে ভারতজুড়ে জাতীয়ভাবে নতুন করে কিছু রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশও শুরু হয়েছে। থালাপতির জনসভার আকার দেখে তামিলনাড়ুর পুরোনো দল ডিএমকে ও এআইএডিএমকের পাশাপাশি রাজনৈতিক হুমকিতে আছে আরেক সিনেমা তারকা সিমানের দল ‘নাম তামিলার কাচ্চি’ বা এনটিকে।</p><p>কৌতূককর দিক হলো, সিমান ও থালাপতি উভয়ে রামস্বামী পেরিয়ারের আদর্শের কথা বলছেন। পেরিয়ার হলেন দক্ষিণের আম্বেদকর বা বাংলার যোগেন মণ্ডলের মতো, বর্ণবাদবিরোধী সামাজিক গুরু। এই সূত্রে বাংলাদেশে চব্বিশের ছাত্রনেতাদের কারও কারও যোগেন মণ্ডল প্রীতির সঙ্গে সিমান ও বিজয়ের রাজনীতির কিছু সাদৃশ্য মেলে।</p><p>তবে বাংলাদেশের ‘চব্বিশ’-পরবর্তী রাজনীতির সঙ্গে থালাপতির চিন্তার ফারাক অনেক। তিনি নারী অধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক সমতা ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজনীতির কথা বলছেন। তাঁর বক্তব্য শুনে নিউইয়র্কের মেয়র প্রার্থী মামদানির কথাও মনে পড়ে যায়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-08-30/fzp8i9g4/thalapotibijoy.JPG" /><figcaption>থালাপতি নারী অধিকার ও প্রাকৃতিক সম্পদের সুরক্ষা, অর্থনৈতিক সমতা ও ধর্মনিরপেক্ষ সমাজনীতির কথা বলছেন। </figcaption></figure><h3>তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ওলট–পালট ঘটবে কি</h3><p>রাজনৈতিক আদর্শবাদের চেয়েও থালাপতিকে নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—তিনি তামিল রাজনীতির দ্বিদলীয় ব্যবস্থা ভাঙতে পারবেন কি না?</p><p>বহুকাল তামিলভাষীদের বড় অংশ দুটি দলের সমর্থক হিসেবে বিভক্ত। একটি দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম (ডিএমকে) এবং অন্যদিকে নিখিল ভারত আন্না দ্রাবিড় মুনেত্রা কাজাগাম (এআইএডিএমকে)। সমকালীন ভোটের আসরগুলোয় এই দুই দল চার ভাগের তিন ভাগ ভোট পেয়েছে। ৫০ বছর ধরে তামিল সমাজে ও সেখানকার ভোটে এই দ্বিদলীয় মেরুকরণ চলছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/pvppwlp0o1">ভারতীয় রাষ্ট্র বনাম পশ্চিম বাংলা: ২০২৬ দেখছে এক নজিরবিহীন নির্বাচন</a></aside><p>বিজেপি সারা দেশে নিজ আধিপত্যের পরও তাতে চিড় ধরাতে পারেনি। ২০২৪ সালের নির্বাচনেও বিজেপি ও তাদের এনডিএ জোট এখানে আসন পায়নি। আসনের ৩৯টাই পায় কংগ্রেস ও তাদের স্থানীয় মিত্র ডিএমকে ও বাম দলগুলো। শেষোক্ত দলগুলোর এই একচেটিয়া অবস্থা কি বিজয় বদলাতে পারবেন? এ নিয়েই দক্ষিণের রাজনীতির তাবৎ গবেষণা চলছে এখন। এর মধ্যেই বিজয় থালাপতি জানান, আগামী বছর তিনি মাদুরাই থেকে বিধানসভার একটি আসনে নির্বাচনে লড়বেন।</p><blockquote>বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।</blockquote><p>তামিলনাড়ুর সাংস্কৃতিক রাজধানী বলা হয় মন্দিরের শহর মাদুরাইকে। এখানে প্রভাব বিস্তারে সক্ষম ও সফল ব্যক্তিরা পুরো তামিলনাড়ুকে প্রভাবিত করতে পারেন। একই সূত্রে মাদুরাই বহু রাজনীতিবিদের জন্য বধ্যভূমির স্মৃতির মতোও বটে। দক্ষিণের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বের কারণেই গান্ধী তাঁর রাজনৈতিক জীবনে পাঁচবার গিয়েছিলেন এখানে।</p><p>নির্বাচনী আসন হিসেবে থালাপতির মাদুরাইকে বেছে নেওয়ার আরেক কারণ, এখানে রয়েছে তাঁর বড় এক ভক্তকুল। থালাপতির ব্যাপারে বিজেপির উৎসাহের কিছু উত্তর আছে তাঁর মাদুরাইকে যুদ্ধময়দান হিসেবে বেছে নেওয়ার মধ্যে। বর্তমানে এখানকার লোকসভার এমপি সাম্যবাদী লেখক সিপিএমের ভেঙ্কটেশন।</p><p>মাদুরাইয়ের মন্দিরগুলো, বিশেষ করে মুরুগান মন্দিরকে কেন্দ্র করে বিজেপি ও সংঘ-পরিবার তামিলনাড়ুতে হিন্দুত্ববাদী একটি উত্তেজনা ছড়াতে চেষ্টা করছে অনেক দিন। একই পাহাড়ের ওপর অবস্থিত মুরুগান মন্দিরের পাশেই রয়েছে সিকন্দার দরগা। এই দরগায় আগে রজব মাসের ওরসের সময় মুরিদদের দেওয়া ছাগল জবাইয়ের রেওয়াজ ছিল। বিজেপির বাধায় সেটি এখন বন্ধ। এ নিয়ে বেশ উত্তেজনাও আছে, যদিও মন্দির ও দরগার পাশাপাশি উপস্থিতি এখানকার ধর্মীয় শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের কথাও জানায়।</p><h3>থালাপতি কি বিজেপির প্রক্সি</h3><p>তামিলভাষীদের মধ্যে থালাপতির সাম্প্রতিক অতিসক্রিয়তা দেখে অনেকে এ-ও বলছেন, ২০২৬ সালের রাজ্য নির্বাচনে বিজেপির প্রক্সি হিসেবে নেমেছেন তিনি। এই বক্তব্যের পক্ষে যুক্তি বেশি নেই। তবে কিছু কারণে এই অনুমান উড়িয়ে দেওয়ার মতোও নয়। আবার থালাপতি হঠাৎ রাজনীতিতে নেমেছেন, সেটিও বলা যায় না।</p><p>২০০৯ থেকে থালাপতি ভক্তদের দিয়ে রাজনৈতিক কাজে লিপ্ত আছেন। দল গঠনের আগে ‘বিজয়-ইয়াক্কাম’ (বিজয়ের অভিযান) নামে তাঁর একটি তরুণ কাফেলা ছিল। সেটাকেই এখন তিনি ‘তামিলাগা ভেট্টরি কাজাগাম’(টিভিকে) হিসেবে সাজিয়েছেন।</p><p>থালাপতি-ইয়াক্কাম প্রথম দিকে বিজেপির জাতীয়ভিত্তিক এনডিএ জোটের তামিল শরিক এআইএডিএমকে দলকে স্থানীয় নির্বাচনে সহযোগিতা করত। এআইএডিএমকে দল দিয়ে এনডিএ তামিলনাড়ুতে কংগ্রেস জোটকে সামলাতে পারছে না। সে কারণে বিজয়কে দিয়ে বিজেপি দক্ষিণে নতুনভাবে ভাগ্য পরীক্ষা করতে চাইতে পারে।</p><p>তবে থালাপতি বলছেন, বিজেপি তাঁর ‘ভাবাদর্শিক শত্রু’। আর ‘রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ হলো ডিএমকে দল, যারা এখন তামিলনাড়ুতে ক্ষমতায় আছে। যেহেতু তামিলনাড়ুতে ডিএমকে হলো কংগ্রেসের মিত্র এবং এখানে ভোটের রাজনীতিতে বিজেপি বড় কোনো ফ্যাক্টর নয়, ফলে খুব সহজে বোঝা যায়, থালাপতির জয়রথ মূলত জাতীয় ও আঞ্চলিকভাবে কংগ্রেস ও তার মিত্রদের টার্গেট করে এগোচ্ছে। তাতে লোকসভা ও বিধানসভায় ফায়দা হবে বিজেপি ও এনডিএ জোটের।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/1h3xxmd9jz">আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের ভোট নিয়ে বাংলাদেশের ভাবনার কারণ কী</a></aside><p>অন্যদিকে বিজেপি পরিবারের অভ্যন্তরীণ হিসাব হলো, তারা তামিল রাজনীতিতে জায়গা করে নিতে অনেক দিন ধরে পরোক্ষে বিভিন্ন পেশার তারকাদের দিয়ে চেষ্টা করে বারবার ব্যর্থ হয়েছে। এর মধ্যে একবার তারা চেষ্টা করে কর্ণাটকের সাবেক রাষ্ট্রীয় কর্মকর্তা আন্নামালাইকে দিয়ে। আন্নামালাইকে তামিলনাড়ু বিজেপির প্রধান করা হয়। অভিনেতা সিমান ও রজনীকান্তকেও বিজেপি পরোক্ষ মদদ দিয়েছে, কিন্তু তাতে সফলতা আসেনি এই রাজ্যে।</p><p>রজনীকান্ত রাজনৈতিক ভাগ্য পরীক্ষায় নেমেছিলেন ২০০২ থেকে এবং অনেক কৌশলের পাশাপাশি বিজেপির রাজনীতির অন্ধ অনুসারী হয়েও মাঠপর্যায়ে শুভসূচনায় ব্যর্থ হন। </p><p>একসময় বিজেপির যোগী আদিত্যনাথকে পা ছুঁয়ে সম্মান জানাতেও দেখা গিয়েছিল রজনীকান্তকে। নিজ দলের প্রতীক হিসেবে প্রথমে নিয়েছিলেন পদ্ম এবং পরে নেন গোখরা সাপ। দুটিই আরএসএস পরিবারের ধর্মীয় প্রতীক। শেষমেশ তিনি শারীরিক অসুস্থতার কথা বলে সক্রিয় রাজনীতির বদলে জনকল্যাণে সীমিত থাকার কথা জানান।</p><p>অনেকের অনুমান, দক্ষিণের মেগা স্টার হলেও পারিবারিক মারাঠি পরিচয় তামিল রাজনীতিতে তাঁর জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াত। এটি বুঝেই রজনীকান্ত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছাকে দমন করেছেন। তাতে করে তাঁকে নিয়ে বিজেপির স্বপ্নও দমিত হয়ে গেছে।</p><p>এ রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষার পটভূমিতেই থালাপতির উত্থানকে বিজেপির আরেক ছদ্ম প্রকল্প হিসেবে সন্দেহ করেন কেউ কেউ। এই সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একজন হলেন তামিলনাড়ুর স্পিকার এম আপ্পাভুও। যিনি গত চার বিধানসভায় এমপি হিসেবে আছেন। প্রকাশ্যেই তিনি তাঁর সন্দেহের কথা বলে থাকেন।</p><p>থালাপতি নিজে খ্রিষ্টান হওয়ায় তামিল খ্রিষ্টানদের বড় অংশ নির্বাচনে তাঁর প্রতীক পছন্দ করতে পারে। এটা কংগ্রেস, ডিএমকে ও বামপন্থী জোটের জন্য সুবিধাজনক নয়।</p><p>এই রাজ্যের খ্রিষ্টানরা বহুকাল ধরে কংগ্রেস ও বামদের সমর্থক। গণিতের হিসাবে খ্রিষ্টান-তামিল ভোট ছয় ভাগ হলেও জয়-পরাজয়ে তারা বেশ নির্ধারক ভূমিকা রাখে। বিজয়ের ধর্মনিরপেক্ষতার আওয়াজ স্থানীয় মুসলমানদের জন্যও স্বস্তিকর। তাদেরও ছয় ভাগ ভোট আছে এই রাজ্যে। এ রকম ভোটব্যাংকগুলোকে কাছে টানতে চাইছেন বিজয়।</p><p>কেউ কেউ আবার মনে করছেন, থালাপতি যেহেতু ডিএমকে-কংগ্রেস জোটের প্রধান প্রতিপক্ষ হতে চাইছেন, সে কারণে ওই জোটের এত দিনের প্রতিপক্ষ এআইএডিএমকে-বিজেপির ভোটই তিনি কাটবেন। এ রকম বিতর্কে তৃতীয় মত হলো আঞ্চলিক বা জাতীয় কোনো দলের সঙ্গে জোট পাকানো ছাড়া যোশেফ বিজয়ের পক্ষে রাজনীতির ‘থালাপতি’ বা কমান্ডার হওয়া দুরূহ।</p><h3>জনপ্রিয়তার পাশাপাশি বড় শক্তি যখন বিত্ত</h3><p>থালাপতির রাজনীতি করতে চাওয়ার পেছনে তাঁর শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তিও টনিকের মতো কাজ করছে। দক্ষিণের সুপারস্টারদের মধ্যে পেশাগত ও রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার বাইরে অর্থবিত্তের একটি নীরব প্রতিযোগিতাও চলমান। সেই যুদ্ধে থালাপতির অবস্থান এখন ষষ্ঠ। ২০২১ সালের হিসাবেই তাঁর সম্পদ সাড়ে ৪০০ কোটি রুপির বেশি ছিল বলে অনুমান করা হয়, যা কমল হাসানের চেয়েও বেশি, তবে রজনীকান্তের চেয়ে সামান্য কম।</p><p>২০২৩-২৪ সালে থালাপতি ৮০ কোটি রুপি কর দিয়ে করদাতা তারকাদের তালিকায় সবচেয়ে ওপরে ছিলেন। <em>দ্য গ্রেটেস্ট অব অলটাইম </em>মুভির ব্যাপক ব্যবসা থালাপতির কোষাগারকে বিশেষভাবে সমৃদ্ধ করে। তামিলনাড়ুতে প্রথম সপ্তাহে এই ছবি ১৭৮ কোটি রুপি ব্যবসা করে। <em>লিও </em>ছবি থেকে তিনি ১৩০ কোটি রুপি সম্মানী নেন বলে খবর বের হয়েছিল। আর <em>জন নায়ক </em>থেকে ২৭৫ কোটি সম্মানী নিয়ে এই জগতে রেকর্ড গড়েছেন। এটা ছিল তাঁর ৬৯তম মুভি। এগুলোর আয় যোগ হয়ে তাঁর সম্পদের পরিমাণ আরও অনেক বেড়েছে বলে ধারণা করা যায়।</p><p>&nbsp;এ রকম বিত্তশালী কেউ যখন তামিলনাড়ুতে নির্বাচনী যুদ্ধে নামবেন, তখন স্বাভাবিকভাবে সাধারণ পেশা থেকে আসা অন্যান্য দলের রাজনীতিবিদদের জন্য সেটি অসম এক লড়াই হয়ে উঠবে। মাদুরাইয়ের স্বল্পবিত্তের বামপন্থীদের জন্য থালাপতিকে রুখে দাঁড়ানো কঠিনই বটে।</p><p>সংগত কারণেই কংগ্রেস ও বিজেপি সবাই এখন থালাপতিকে জোটে ডাকছে! কংগ্রেস ইতিমধ্যে থালাপতিকে জাতীয় জোট এনডিএতে শরিক হতে আহ্বান জানিয়েছে। কংগ্রেস নেতারা বলছেন, থালাপতি যদি প্রকৃতই বিজেপিকে ‘আদর্শিক শত্রু’ মনে করে, তাহলে কংগ্রেসই তাঁর স্বাভাবিক মিত্র হওয়ার কথা!</p><p>আবার অমিত শাহ এরই মধ্যে বলে রেখেছেন, থালাপতি আগ্রহী হলে বিজেপি টিভিকের সঙ্গে জোট করতে প্রস্তুত। তবে থালাপতি এনডিএ এবং বিজেপি উভয়েরই কিছু কিছু সমালোচনা করে এখনো কৌশলগতভাবে স্বতন্ত্র একটি ভাবমূর্তি ধরে রেখেছেন!</p><h3>সিনেমাস্টার রাজনীতিবিদদের অতীত অভিজ্ঞতা কী রকম</h3><p>তামিলনাড়ুতে অভিনেতা কাম রাজনীতিবিদদের তালিকা দীর্ঘ। এর মধ্যে রামচন্দ্র কিংবা জয়ললিতা সফল হলেও ব্যর্থদের তালিকাও ছোট নয়। সম্প্রতি ব্যর্থতার বড় নজির কমল হাসান ও তাঁর দল ‘মাক্কাল নিদি মাইয়াম’ (জনন্যায় কেন্দ্র)। তার আগে শিবাজি গণেশন ও রজনীকান্তও মুখ্যমন্ত্রী হতে গিয়ে পারেননি।</p><p>তবে পর্দার লোকেরা অনেকে আবার এখানে সফলও হয়েছেন এবং রীতিমতো পরিবারতন্ত্রও কায়েম করেছেন। অভিনেতা আন্নাদুরাইয়ের মাধ্যমে ১৯৬৭ সালে এই ধারার সূচনা। তখন তিনি ক্ষমতাচ্যুত করেন শক্তিধর কংগ্রেসকে। তারপর নায়ক রামচন্দ্র ১৯৭৭ সালে আন্নাদুরাইয়ের ডিএমকে দলকে হারান। রামচন্দ্রের পর তাঁর দল চলেছে নায়িকা-বান্ধবী জয়ললিতার হাত ধরে।</p><p>বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন হলেন সাবেক মুখ্যমন্ত্রী করুণানিধির ছেলে। করুণানিধি ছিলেন তামিল সিনেমাজগতের নামকরা স্ক্রিপ্টরাইটার। তিনি পাঁচবার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। জয়ললিতা ছিলেন ২৫ বছর। রামচন্দ্র ছিলেন ১০ বছর। এ রকম হিসাব থেকেই স্পষ্ট, তামিলনাড়ুর নির্বাচনী রাজনীতি কীভাবে সেখানকার সিনেমা তারকাদের দখলে। থালাপতি পুরোনো সেই ঐতিহ্যে কেবল নিজেকে যুক্ত করতে চাইছেন। সেই সুযোগে বিজেপি চাইছে তাদের জাতীয় ও আঞ্চলিক প্রতিপক্ষের ধরাশায়ী।</p><ul><li><p><strong>আলতাফ পারভেজ</strong> দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ে গবেষক</p><p>মতামত লেখকের নিজস্ব</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>একাডেমিক এক্সেলেন্স ও ইসলামি ভ্যালুজের সমন্বয়</title><link>https://www.prothomalo.com/education/higher-education/yul7g22duq</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/higher-education/yul7g22duq#comments</comments><guid isPermaLink="false">c88c2f16-2637-4ae9-a0f1-84777edceec1</guid><pubDate>Mon, 04 May 2026 13:01:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-04T13:01:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞাপন বার্তা</atom:name><atom:uri>/api/author/1429202</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বিডিতে হিফজুল কোরআন প্রোগ্রাম ছাড়াও শিক্ষার্থীদের নৈতিক নেতৃত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ফি মওকুফের প্রণোদনা দিচ্ছে।]]></description><media:keywords>ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল অ্যাডমিশন ফেয়ার,শিক্ষার্থী,পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="2622" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/bjt53k4a/10.-AdvertorialInsight-InternationalImage-1.jpeg" width="3763"><media:title type="html"><![CDATA[  ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে শিক্ষার্থীদের প্রি-প্রাইমারি থেকে ‘এ’ লেভেল পর্যন্ত ধর্মীয় শিক্ষা ও একাডেমিক উৎকর্ষে একটি সমন্বিত ও সুসংহত শিক্ষানুভবের মধ্য দিয়ে গড়ে তোলা হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-04/bjt53k4a/10.-AdvertorialInsight-InternationalImage-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>উচ্চশিক্ষা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকায় অন্যতম স্বতন্ত্র নাম ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বিডি বা আইআইএসবিডি। ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষায় এক্সেলেন্স ধরে রাখা এবং ‘ও’ লেভেলে একাধিকবার ‘কান্ট্রি হায়েস্ট’ রেজাল্ট অর্জনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নিজস্ব অবস্থান সুদৃঢ় করেছে। কেমব্রিজ ও পিয়ারসন কারিকুলামের পাশাপাশি একটি ফ্ল্যাগশিপ হিফজুল কোরআন প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে আইআইএসবিডি অভিভাবকদের সামনে তুলে ধরেছে এক অনন্য ও ব্যালান্সড শিক্ষার পথ—দ্বীন ও দুনিয়ায় এক্সেলেন্স।</p><p><strong>বিশ্বাস, জ্ঞান ও উদ্দেশ্য—</strong></p><p>প্রকৃত সাফল্য আসলে এই জীবন ও পরকালের সফলতাকে ঘিরেই—আইআইএসবিডি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই বিশ্বাসে। যা গড়ে ওঠে চরিত্র ও জ্ঞানের সমান বিনিয়োগের মাধ্যমে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য এমন আত্মবিশ্বাসী ও সহানুভূতিশীল মানুষ গড়ে তোলা, যাঁরা ইসলামি নীতিমালা ধারণ করে আধুনিক বিশ্বে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এখানে ধর্মীয় শিক্ষা ও একাডেমিক উৎকর্ষ আলাদা কোনো অনুসন্ধান নয়, বরং প্রি-প্রাইমারি থেকে ‘এ’ লেভেল পর্যন্ত একটি সমন্বিত ও সুসংহত শিক্ষানুভবের মধ্য দিয়ে তা গড়ে তোলা হয়।</p><p>ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের হেড অব স্কুল আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য এমন একটি পরিবেশ গড়ে তোলা, যেখানে শিক্ষার্থীরা ইসলামি জ্ঞানের সুরক্ষার ভেতর থেকেই পার্থিব জ্ঞান অর্জনের সুযোগ পায়—যেখানে দ্বীন কোনো বাধা নয়, বরং দিকনির্দেশক একটি কম্পাসের মতো কাজ করে। আইআইএসবিডিতে আমরা শিক্ষার্থীদের তাদের বিশ্বাস ও ভবিষ্যতের মধ্যে কোনো একটি বেছে নিতে বলি না, বরং দুইয়ের মধ্যে সেতুবন্ধ তৈরি করি।’</p><p><strong>কেমব্রিজ ও পিয়ারসন: ডুয়াল ইন্টারন্যাশনাল পাথওয়েজ—</strong></p><p>আইআইএসবিডিতে প্লে গ্রুপ থেকে শুরু করে আইজিসিএসই ‘ও’ এবং ‘এ’ লেভেল পর্যন্ত কেমব্রিজ ও পিয়ারসন—উভয় কারিকুলামই চালু রয়েছে। ফলে অভিভাবকেরা তাঁদের সন্তানের স্ট্রেংথ ও অ্যাসপিরেশন অনুযায়ী উপযুক্ত পাথওয়ে বেছে নেওয়ার সুযোগ পান। এই দুই আন্তর্জাতিক কারিকুলামই স্টুডেন্টদের মধ্যে ক্রিটিক্যাল থিঙ্কিং, ক্রিয়েটিভিটি এবং ডিপ সাবজেক্ট মাস্টারি গড়ে তুলতে সহায়তা করে—যা টপ ইউনিভার্সিটি ও ফিউচার এমপ্লয়ারদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p><p><strong>হিফজুল কোরআন ও ইসলামি স্টাডিজ—</strong></p><p>আইআইএসবিডির হিফজুল কোরআন প্রোগ্রামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যথাযথ তাজবিদসহ সম্পূর্ণ পবিত্র কোরআন মুখস্থ করার সুযোগ পায়। এই প্রোগ্রামটি প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি সমান্তরালে পরিচালিত হয়, যাতে কোনো শিক্ষার্থীকে দ্বীন ও শিক্ষার মধ্যে বেছে নিতে না হয়। ইসলামি শিক্ষার পাঠক্রমে প্রাথমিক স্তরে তারবিয়াহ ফাউন্ডেশন থেকে শুরু করে আকিদাহ, সিরাহ ও হাদিস এবং মাধ্যমিক স্তরে উচ্চতর তাফসির ও ফিকহ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ফলে স্নাতকেরা শুধু একাডেমিকভাবেই নয়, তাকওয়া, সততা ও নৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলিতেও সমৃদ্ধ হয়ে ওঠে।</p><p><strong>ক্যাম্পাস, সুবিধা ও স্কুলজীবন—</strong></p><p>উত্তরার সেক্টর ৯-এ অবস্থিত আইআইএসবিডির ক্যাম্পাস শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ একটি পরিবেশ নিশ্চিত করে। প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে প্রজেক্টর সুবিধা রয়েছে এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্মার্টবোর্ড সংযোজন করা হচ্ছে। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের জন্য রয়েছে পৃথক ল্যাবরেটরি; যেখানে হাতে-কলমে ব্যবহারিক শিক্ষার সুযোগ রয়েছে এবং একটি কম্পিউটার ল্যাবও উন্নয়নাধীন রয়েছে।</p><p>এ ছাড়া রয়েছে ডেডিকেটেড হিফজ স্পেস, আর্ট ও ক্যালিগ্রাফির জন্য ক্রিয়েটিভ জোন ও স্পোর্টস ফ্যাসিলিটিজ। একাডেমিক কার্যক্রমের বাইরে স্টুডেন্টরা ডিবেটিং, সায়েন্স ও রোবোটিকস ক্লাব, কোরআন রিসাইটেশন কম্পিটিশন এবং মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন থেকে অনুপ্রাণিত লিডারশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে।</p><p>যেসব অভিভাবক সন্তানদের জন্য এমন একটি শিক্ষাব্যবস্থা খুঁজছেন, যেখানে বিশ্বাস ও বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ সমান গুরুত্ব পায়—ইনসাইট ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, বিডি হতে পারে তাঁদের প্রথম পছন্দ। প্রতিষ্ঠানটি ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির ক্ষেত্রে বিশেষ প্রণোদনা দিচ্ছে, যার মধ্যে রয়েছে ফি মওকুফের সুবিধাও। আসনসংখ্যা সীমিত।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আর্সেনাল নাকি ম্যানচেস্টার সিটি, কে জিতবে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ?</title><link>https://www.prothomalo.com/video/sports/wnh20kept9</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/sports/wnh20kept9#comments</comments><guid isPermaLink="false">b24b134c-3772-4d03-833c-882bcb58c03f</guid><pubDate>Sun, 03 May 2026 14:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-03T14:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>খেলা,আর্সেনাল,ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ,ফুটবল,ম্যানচেস্টার সিটি</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/kelqysu9/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-03/kelqysu9/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Sports</category><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা লড়াইয়ে টান টান উত্তেজনা। অপটার হিসেবে আর্সেনাল ফেবারিট হলেও, ম্যানচেস্টার সিটিকে হিসাবের বাইরে রাখার সুযোগ নেই। পয়েন্ট টেবিল, সহজ সূচি আর বিশ্লেষকদের চোখে শিরোপার দৌড়ে এগিয়ে কোন দল? বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/DmodIaEML48"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেটের হার বাংলাদেশের, জিততে পারল না সিরিজও</title><link>https://www.prothomalo.com/video/sports/9hbq9jqygc</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/sports/9hbq9jqygc#comments</comments><guid isPermaLink="false">44282530-c65c-4096-9756-abecc67b7167</guid><pubDate>Sat, 02 May 2026 13:32:10 +0000</pubDate><atom:updated>2026-05-02T13:32:10.302Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড সিরিজ,খেলা,ক্রিকেট</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/4sed7psb/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A7%AC-%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%93.00025824.Still002.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-05-02/4sed7psb/%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%87-%E0%A7%AC-%E0%A6%89%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%B2-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A6%93.00025824.Still002.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Sports</category><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বৃষ্টি নাকি অন্য কিছু। বাংলাদেশ তৃতীয় টি-টুয়েন্টিতে হারল কেন? নাকি ৬ উইকেটে হারের দিনটাই বাংলাদেশের ছিল না। নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয় সারির এই দলের বিপক্ষে টি-টুয়েন্টি সিরিজ জিততে ব্যর্থ হওয়ার পর এমন নানা প্রশ্নই হয়তো উঠবে। বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/sf_GYYHRDzs"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>তামিমের নেতৃত্বাধীন বিসিবির কমিটির কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট</title><link>https://www.prothomalo.com/video/sports/f60v9b8pa4</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/sports/f60v9b8pa4#comments</comments><guid isPermaLink="false">a1009eaf-778c-4aa3-bee9-733227b5c6f0</guid><pubDate>Thu, 30 Apr 2026 14:17:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-04-30T14:17:01.667Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট হয়েছে। সাত আইনজীবী ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন।]]></description><media:keywords>হাইকোর্ট,খেলা,ক্রিকেট,বিসিবি,তামিম ইকবাল</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/2aaoypwy/WEB-.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-30/2aaoypwy/WEB-.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Sports</category><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচিত কমিটি ভেঙে দিয়ে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে রিট হয়েছে। সাত আইনজীবী ৩০ এপ্রিল হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিটটি করেন। বিস্তারিত ভিডিও প্রতিবেদনে।</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/WYzpgQq07So"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>টি–টুয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্ত সরকারের ‘বড় ভুল’ ছিল, জানালেন সাকিব</title><link>https://www.prothomalo.com/video/sports/3dax3c3bx5</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/sports/3dax3c3bx5#comments</comments><guid isPermaLink="false">d5123592-59ac-4fb4-a464-c52922fa8131</guid><pubDate>Wed, 29 Apr 2026 16:58:06 +0000</pubDate><atom:updated>2026-04-29T16:58:06.867Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নিরাপত্তার শঙ্কায় অন্তর্বর্তী সরকার ভারত সফরের অনুমতি না দেওয়ায় গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের খেলা হয়নি।]]></description><media:keywords>খেলা,সাকিব আল হাসান,২০২৬ টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ,ক্রিকেট</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/afpplqip/Shakib-Al-Hasan.00042114.Still003.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-04-29/afpplqip/Shakib-Al-Hasan.00042114.Still003.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>Sports</category><category>খেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নিরাপত্তার শঙ্কায় অন্তর্বর্তী সরকার ভারত সফরের অনুমতি না দেওয়ায় গত ফেব্রুয়ারি-মার্চে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের খেলা হয়নি। বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান মনে করেন, এটি ছিল অন্তর্বর্তী সরকারের ভুল একটি সিদ্ধান্ত। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/Wy497BnSOk8"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>মিনি, মিডি আর ম্যাক্সি ড্রেসে মোহনীয় এই সুন্দরী অভিনেত্রী, দেখুন তাঁর ৬ লুক</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/style/0o6z468uk1</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/style/0o6z468uk1#comments</comments><guid isPermaLink="false">805b39d1-3251-4b82-85a7-21653535a9b7</guid><pubDate>Sun, 01 Sep 2024 04:25:52 +0000</pubDate><atom:updated>2025-04-23T02:25:13.815Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাদিমা জাহান</atom:name><atom:uri>/api/author/1644377</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চোখ জুড়ানো মিনি, মিডি ও পুরো দৈর্ঘ্যের ফ্লোয়ি ড্রেসে অভিনেত্রী তমা মির্জাকে মনে হচ্ছে ভিন্টেজ মুভি সেটের ফ্রেমে দেখতে পাওয়া কোনো হলিউড ডিভা]]></description><media:keywords>তমা মির্জা</media:keywords><category>স্টাইল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভিনটেজ স্টাইলে আজকাল অনেক ফ্যাশনিস্তাই সাজাচ্ছেন নিজেকে সাবেকি আমেজের মডগার্ল লুকে। ষাটের দশকের এই অত্যন্ত ট্রেন্ডি স্টাইলের বিশেষ দিক ছিল স্কার্ফ,মিনি ড্রেস,পরিমিত নেকলাইনের বডি হাগিং সিলোয়েট আর রোদচশমা। বিশ্বজুড়ে তারকাদেরকেও এই ট্রেন্ডে গা ভাসাতে দেখা যাচ্ছে এ বছর। ষাটের দশকের হলিউড সেনসেশন অড্রে হেপবার্ন, সোফিয়া লরেন বা এলিজাবেথ টেইলরের আদলে স্টাইলিং করা এমন সব লুকে ভক্তরাও পছন্দ করছেন তাঁদের প্রিয় তারকাদেরকে।  চোখ জুড়ানো মিনি, মিডি ও পুরো দৈর্ঘ্যের ফ্লোয়ি ড্রেসে তমাকে মনে হচ্ছে ভিন্টেজ মুভি সেটের ফ্রেমে দেখতে পাওয়া হলিউড ডিভা। চলুন তবে দেখে নিই এই সুন্দরী অভিনেত্রীর এই সাম্প্রতিক লুকগুলো।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/3txrzk3q/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2020,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%205%20people,%20parasol,%20headscarf%20and%20text..jpg" /><figcaption>ফুলেল প্রিন্টের ডিপ নেক ড্রেসের পাফড স্লিভসে কিউট ভাইব এসেছে তমার লুকে। মার্কিন মুলুকের ইউনিভার্সাল স্টুডিওতে এমন লুকে গেলেই তো মানায় আসলে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/wre9teuy/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2020,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%20_4%20people,%20ice%20cream,%20sarong,%20parasol,%20palm%20trees%20and%20_text%20that%20says%20&apos;_Fresh!%20Po%20POP%20PS!%20ن%20LI%207T!%20BRDA%20SA_&apos;__..jpg" /><figcaption>নজরকাড়া সাবেকি গাড়ির সামনে তমা। স্টাইলিশ ওভারসাইজড ব্যাগ আর স্নিকার্সে তাঁকে স্মার্ট লাগছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/p6dfz0yg/jpg%20(76).jpeg" /><figcaption>লাল লিপকালার আর সাদা স্কার্ফের এই লুক দিচ্ছে হলিউডি আমেজ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/iji8ly8c/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2017,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20slip,%20headdress,%20dress,%20headscarf%20and%20hallway..jpg" /><figcaption>লিটল ব্ল্যাক ড্রেস যে কোনোদিন হেরে যাবে তমার এই লিটল হট পিংক ড্রেসের কাছে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/ym0uffhb/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2017,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20dress%20and%20sundress..jpg" /><figcaption>নুডল স্ট্র্যাপের মনোক্রোম এই ড্রেসের নেকলাইন বেশ গভীর ও চৌকো শেপের। সঙ্গে তমা পরেছেন মানানসই হিলস। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/e4bh445p/jpg%20(79).jpeg" /><figcaption>স্ট্র্যান্ডস দেওয়া আপডু হেয়ারস্টাইলের সঙ্গে সবুজ পান্না পাথরের নেকপিস এখানে শো-স্টপার</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/qimfc0cc/jpg%20(82).jpeg" /><figcaption>উজ্জ্বল নীল ফুলেল ছাপার ট্রেঞ্চকোট প্যাটার্নের সাদা ড্রেস আর স্নিকার্সে তমা মির্জা। মিনি ড্রেসই বলা চলে একে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/1uwgt03r/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2028,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20hat,%20sarong,%20sundress,%20parasol,%20headscarf%20and%20outdoors..jpg" /><figcaption>সাগরপারে নুডল স্ট্র্যাপের বর্ণিল ম্যাক্সি ড্রেস পরেছেন তমা। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/cl32amvo/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2028,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20sarong,%20sundress%20and%20outdoors.%20(1).jpg" /><figcaption>সঙ্গে আছে ভিনটেজ আমেজের হ্যাট আর স্কার্ফ। খালি পায়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তমা সমুদ্র সৈকতে। </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/liieytyl/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2028,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20towel,%20parasol,%20headscarf,%20sarong,%20sundress%20and%20ocean..jpg" /><figcaption>পুরো লুকের শোভা বাড়িয়েছে কোচ-এর বিলাসবহুল ব্যাগ আর হলুদ শেডের রোদচশমা </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/f9u3uc4p/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2025,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%204%20people,%20scarf,%20eyewear,%20stripes,%20headscarf%20and%20turban..jpg" /><figcaption>মডগার্ল লুকের তমাকে সত্যিই সুন্দর লাগছে এখানে। কালো স্ট্রাইপের সাদা ড্রেস আর সাদা-কালো স্কার্ফের সঙ্গে অত্যন্ত মানিয়েছে ভিনটেজ ফ্রেমের রোদচশমা, ক্লাচ আর লাল লিপকালার </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/xyic85li/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2026,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20car%20and%20text..jpg" /><figcaption>সঙ্গে তমা পরেছেন সাদাকালো হিলস</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/vxry9hup/jpg%20(93).jpeg" /><figcaption>এখানে পুরাপুরি হলিউডি আমেজে দেখা দিয়েছেন তমা। সবুজ মিডি স্কার্টের সঙ্গে সাদা ভেস্ট টপ বেছে নিয়েছেন তিনি। সঙ্গে রয়েছে স্কার্ফ</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-01/k86m69ra/Photo%20by%20Tama%20Mirza%20on%20August%2021,%202024.%20May%20be%20an%20image%20of%201%20person,%20skirt%20and%20flower..jpg" /><figcaption>সাদা বেল্টেড স্লিপার্স পরেছেন এই অভিনেত্রী এই লুকে। আর লাল লিপকালার তো রয়েছেই।</figcaption></figure><p><strong>ছবি</strong>: তমা মির্জার ইন্সটাগ্রাম</p>]]></content:encoded></item></channel></rss>