<rss version="2.0" xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom" xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/" xmlns:media="http://search.yahoo.com/mrss/" xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"><channel><title>প্রথম আলো</title><link>https://www.prothomalo.com</link><description>প্রথম আলো</description><atom:link href="https://www.prothomalo.com/stories.rss" rel="self" type="application/rss+xml"></atom:link><language>bn</language><lastBuildDate>Mon, 02 Nov 2026 14:37:59 +0000</lastBuildDate><sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod><sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency><item><title>গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zgy8od8zao</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zgy8od8zao#comments</comments><guid isPermaLink="false">6ccb4931-0cd0-4b83-8077-470f485ef055</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:30:35 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:30:35.126Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী লোক অনুপ্রবেশ করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী]]></description><media:keywords>শ্রমিক,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,বিক্ষোভ,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/d6wnf0t4/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/d6wnf0t4/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>গার্মেন্টস শ্রমিকদের বিক্ষোভে মুখোশধারী কিছু লোক অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ২ নভেম্বর বিকেলে সচিবালয়ে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিস্তারিত ভিডিওতে—</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/LV5aJ1K_ckQ"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>সন্তান জন্মের তৃতীয় দিনে সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলেন মা, নবজাতক আইসিইউতে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/wv9a809ojf</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/wv9a809ojf#comments</comments><guid isPermaLink="false">6bd86b25-a2d1-4fa2-a528-26612c8dcb60</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:26:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:26:01.257Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।]]></description><media:keywords>সিলেট,সিলেট বিভাগ,মা,নিহত,সড়ক দুর্ঘটনা</media:keywords><media:content height="169" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-10-12/pg7gl74g/prothomaloimport.webp" width="300"><media:title type="html"><![CDATA[ মরদেহ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-10-12/pg7gl74g/prothomaloimport.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সন্তান জন্ম দেওয়ার তিন দিনের মাথায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন হালিমা বেগম। একই দুর্ঘটনায় তাঁর নবজাতক সন্তানসহ পরিবারের চার সদস্য আহত হয়েছেন। নবজাতকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। </p><p>গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাশিকাপন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>নিহত হালিমা বেগম উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের সৌদি আরবপ্রবাসী রাজু মিয়ার স্ত্রী। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিরা হলেন হালিমার মা রুবেনা বেগম, শাশুড়ি শাহেনা বেগম, শ্বশুর আনহার মিয়া, ননদ ইমা বেগম ও অ্যাম্বুলেন্সচালক মুহিবুর রহমান।</p><p>স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার সকালে তাজপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কন্যাসন্তানের জন্ম দেন হালিমা। গতকাল নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেট নগরের একটি হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের সদস্যরা। পরে নবজাতক ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে একটি অ্যাম্বুলেন্সে সিলেটের উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। পথে রাত আটটার দিকে কাশিকাপন এলাকায় পৌঁছালে অ্যাম্বুলেন্সটি রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা হালিমা ঘটনাস্থলেই মারা যান। নবজাতকসহ আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।</p><p>হালিমা বেগমের মামা আলাল মিয়া বলেন, অ্যাম্বুলেন্সচালক নিয়ন্ত্রণহীনভাবে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। নবজাতকের শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে স্থানীয় একটি ক্লিনিক থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটি দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে ধাক্কা দিলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।</p><p>আলাল মিয়া জানান, প্রবাসী রাজু মিয়া তাঁর বড় বোনের ছেলে। প্রায় এক বছর আগে প্রবাস থেকে দেশে ফিরে আরেক বোনের মেয়ে হালিমাকে বিয়ে করেন রাজু। বিয়ের প্রায় চার মাস পর তিনি আবার প্রবাসে চলে যান। গত শুক্রবার তাঁদের ঘরে কন্যাসন্তানের জন্ম হয়। এটাই তাঁদের প্রথম সন্তান। সন্তান জন্মের খবরে খুব খুশি হয়েছিলেন রাজু। কিন্তু সেই আনন্দ বেশিদিন স্থায়ী হলো না।</p><p>স্ত্রী–সন্তানের এমন অবস্থার কথা শুনে সৌদি আরবে থাকা রাজু মিয়াও ভেঙে পড়েছেন বলে জানান তাঁর মামা আলাল মিয়া। তিনি বলেন, সন্তান জন্মের মাত্র তিন দিনের মাথায় স্ত্রীকে হারিয়েছেন রাজু, নবজাতক সন্তান হাসপাতালের আইসিইউতে। এমন খবর শুনে প্রবাসে রাজু নিজেও জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে সেখানে থাকা স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন।</p><p>আলাল মিয়া জানান, আজ সোমবার দুপুরে হালিমার দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আহত অন্যরা চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরেছে। এখন পরিবারের সবার একটাই চাওয়া, নবজাতক শিশুটি যেন বেঁচে থাকে।</p><p>ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন সিলেটের শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কুমার চৌধুরী। এ ঘটনায় ট্রাক ও অ্যাম্বুলেন্স থানা হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/hfvacfh8k0</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/hfvacfh8k0#comments</comments><guid isPermaLink="false">d08329e5-b292-4df2-9720-e547ae6421d4</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:08:09 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:08:09.929Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা]]></description><media:keywords>গ্যাস,নোয়াখালী,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qlmmog6m/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qlmmog6m/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <figure>https://admin-prothomalo-video.chorki.net/v1/bytes/noyakhaleete-ntun-kuupe-gzaser-sndhan-bipul-mjuter-asa</figure>]]></content:encoded></item><item><title>নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zdnbehcnqf</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zdnbehcnqf#comments</comments><guid isPermaLink="false">5e7628aa-a195-4522-80ae-5820b3945344</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:07:40 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:07:40.633Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, বিপুল মজুতের আশা]]></description><media:keywords>গ্যাস,নোয়াখালী,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/28k4i3wo/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/28k4i3wo/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। মজুত ও উত্তোলনযোগ্য পরিমাণ জানতে আরও দুই থেকে তিন দিন লাগবে। বিস্তারিত ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/AC7Hpls5dv4"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে অস্ট্রেলিয়ায় এআইইউবির প্রতিনিধিত্ব  </title><link>https://www.prothomalo.com/education/campus/g7n1u4psby</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/campus/g7n1u4psby#comments</comments><guid isPermaLink="false">2fd64728-3f61-41bd-a229-19212a9b2409</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:03:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:03:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>শিক্ষার্থী,ক্যাম্পাস,শিক্ষক,অস্ট্রেলিয়া,সম্মেলন,গবেষণা,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hqbiinj2/3.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[  অস্ট্রেলিয়ায় সফররত বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hqbiinj2/3.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্যাম্পাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে অস্ট্রেলিয়া সফর করেছেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজের ভাইস চেয়ারম্যান এবং অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সেক্রেটারি জেনারেল ইশতিয়াক আবেদীন। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা খাতের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে তিনি এ সফরে অংশ নেন। সফরে দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, ট্রান্সন্যাশনাল এডুকেশন, দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>সফরের অংশ হিসেবে সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার শিক্ষা বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন ইশতিয়াক আবেদীন। অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগবিষয়ক সরকারি সংস্থা অস্ট্রেলিয়ান ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট কমিশনের (অস্ট্রেড) কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশ বিজনেস ফোরামের (এবিবিএফ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে উচ্চশিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে মতবিনিময় করেন তিনি।</p><p>আলোচনায় অস্ট্রেডের এলোদি জুরনে, ভিক সিং, মোস্তাফিজুর রহমান ও স্যান্ডি সেনেভিরতের সঙ্গে মতবিনিময় হয়। এসব আলোচনায় দুই দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্ক জোরদার, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে সহযোগিতার নতুন সুযোগ চিহ্নিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p><p>অস্ট্রেলিয়ান ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন কনফারেন্স (এআইইসি) ২০২৬ উপলক্ষে সিডনির ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক শিক্ষা খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।</p><p>সম্মেলনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার ভবিষ্যৎ, নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র এবং বিভিন্ন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অংশীদারত্বের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এআইইউবির জনসংযোগ কর্মকর্তা সাদি ইসলামও প্রতিনিধিদলের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।</p><p>এ সফরের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতা, যৌথ গবেষণা, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময় এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্বের সম্ভাবনা উঠে আসে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে আবার দাম বাড়ল</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/12-keji-elpiji-silinddaare-aabaar-daam-baarrl</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/12-keji-elpiji-silinddaare-aabaar-daam-baarrl#comments</comments><guid isPermaLink="false">545aace9-7d06-4434-b7d0-d677d491f6ea</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 14:01:30 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:01:30.658Z</atom:updated><atom:author><atom:name>শর্টস</atom:name><atom:uri>/api/author/2332152</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে আবার দাম বাড়ল]]></description><media:keywords>শর্টস</media:keywords><media:content height="468" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/9j1qjztl/1npnv07s.webp" width="832"><media:title type="html"><![CDATA[ এলপিজি সিলিন্ডার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/9j1qjztl/1npnv07s.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেড় মাসের বেশি সময় ধরে এলপিজি সংকটে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ৫০০-৭০০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে ১২ কেজির সিলিন্ডার। আজ সোমবার বিইআরসি নতুন দাম ঘোষণা করেছে ২ হাজার ৬০ টাকা, গত মাসেও বেড়েছিল ২১২ টাকা। অথচ বাজারে এটি ২২০০-২৩০০ টাকায় বিকোচ্ছে। প্রায় ১ কোটি গ্রাহকের ৮০% রান্নার কাজে এলপিজি ব্যবহার করে। আমদানি না কমলেও বাজারে সরবরাহ কমেছে। নতুন দাম আজ রাত ৮টা থেকে কার্যকর।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আমি যেমন, তেমনই থাকব: ডায়না পেন্টি</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/lxz1in97wc</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/lxz1in97wc#comments</comments><guid isPermaLink="false">b6a1faeb-c311-4f6f-9893-b2e4687a773b</guid><pubDate>Tue, 16 Sep 2025 01:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T14:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সদ্য মুক্তি পাওয়া ওয়েব সিরিজ ‘ডু ইউ ওয়াননা পার্টনার’ নিয়ে বর্তমানে চর্চায় আছেন ডায়না। এই কমেডি থ্রিলার সিরিজে তাঁকে একেবারে ভিন্ন রূপে দেখা গেছে। ]]></description><media:keywords>তারকার জন্মদিন,জন্মদিন,হিন্দি সিনেমা,অভিনয় শিল্পী</media:keywords><media:content height="809" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/esdsjriq/dianapenty16992653723229994512879939250294520248.jpg" width="1440"><media:title type="html"><![CDATA[ ডায়না পেন্টি]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/esdsjriq/dianapenty16992653723229994512879939250294520248.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বলিউড</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অভিষেক সিনেমাতেই নজর কাড়েন ডায়না পেন্টি। হোমি আদজানিয়া পরিচালিত ককটেল ছবিতে সাইফ আলী খান আর দীপিকা পাড়ুকোনের দ্যুতির মধ্যে তিনি হারিয়ে যাননি। বরং এই দুই তারকার পাশে সমান উজ্জ্বল ছিলেন সেই নবাগতা। তারপর আসে ‘হ্যাপি ভাগ যায়েগি’—যেখানে ভিন্ন আঙ্গিকে ধরা দেন তিনি। পরের বছর মুক্তি পাওয়া ‘লক্ষ্ণৌ সেন্ট্রাল’ ছবিতেও দর্শকের দৃষ্টি কেড়েছিলেন। ধীরে ধীরে নিজের জায়গা পাকাপোক্ত করেছেন তিনি। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে বলিউডে টিকে থেকে নিজের অবস্থান অক্ষুণ্ন রেখেছেন ডায়না। আজ এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। তিনি ১৯৮৫ সালের ২ নভেম্বর ভারতের মুম্বাইয়ে জন্মগ্রহণ করেন।</p><p>কিছুদিন আগে হলিউড রিপোর্টার্স-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, এই আলো কিংবা পরিচিতির ভ্রমণটা মোটেও সহজ ছিল না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-15/975a16ax/dianapenty16662731532953235719371613341294520248.webp" /><figcaption>ডায়না পেন্টি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>নিজের স্বভাবের কথা বলতে গিয়ে অকপটে স্বীকার করেছেন, ‘বরাবরই আমি একটু লাজুক, অন্তর্মুখী। মানুষের সঙ্গে খুব একটা মিশতে পারি না। ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে ইন্ডাস্ট্রির নানা প্রান্ত থেকে আসা অনেক মানুষ আমাকে শিখিয়েছিলেন, এখানে টিকে থাকতে হলে কীভাবে চলতে হবে। আমি তাদের পরামর্শ নেওয়ার চেষ্টা করেছিলাম, তাদের মতো হওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই বুঝতে পারি, এই প্রচেষ্টা আমাকে ক্লান্ত করে তুলছে। তখনই উপলব্ধি করি, আমি শুধু আমার মতোই থাকব।’</p><p>ডায়নার এই আত্মবিশ্বাসী অবস্থান তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে। তিনি বলেছেন, ‘আমি কেমন মানুষ, সেটা দেখে আমাকে অনেক সময় ছবি দেওয়া হয় না। আমি কেমন অভিনেত্রী, সেটা তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ না। তবে আমার এতে কোনো যায় আসে না। অবশেষে বলতে শিখেছি, আমি যেমন, তেমনই থাকব। হয়তো আমার কথা অনেকেই পছন্দ করবেন না, কিন্তু আমি এতে মনের শান্তি খুঁজে পেয়েছি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/79mkelxrhr">‘সব পুরুষকে বলতে চাই, তাঁরা যেন তাঁদের ঘরের মেয়েদের পাশে দাঁড়ান’</a></aside><p>বলিউডের চাকচিক্য, শোরগোল কিংবা পাপারাজ্জিদের অবিরাম ক্যামেরার আলো থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পছন্দ করেন ডায়না। সব সময় নিজের ছন্দে চলতে চান। এ কারণেই তাঁকে সাধারণত আলোচনার বাইরে দেখা যায়। তবে যখনই তিনি পর্দায় হাজির হন, তখন নিজের উপস্থিতির ছাপ রেখে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-15/6w38im7q/dianapenty16787960473058285364053222373294520248.jpg" /><figcaption>ডায়না পেন্টি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>‘ককটেল, ‘হ্যাপি ভাগ যায়েগি’র পর ‘লক্ষ্ণৌ সেন্ট্রাল’, ‘পরমাণু: দ্য স্টোরি অব পোখরান’, ‘হ্যাপি ফির ভাগ যায়েগি’ কিংবা ‘শিদ্দত’—প্রতিটি ছবিতেই আলাদা কিছু করার চেষ্টা করেছেন পেন্টি। চরিত্র বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কখনোই তাড়াহুড়া করেননি। এবার ‘ডু ইউ ওয়াননা পার্টনার’ তাঁকে নতুন করে আলোচনায় এনেছে। সিরিজের চরিত্র আনাহিতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে ডায়না জানিয়েছেন, এই চরিত্র নিজের সত্তার সঙ্গে কোথাও না কোথাও মিল খুঁজে পেয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘অভিনয় আমার কাছে শুধুই কাজ নয়, বরং আত্মপ্রকাশের এক রূপ। তাই অন্যের মতো হয়ে নয়, নিজের সত্যিকারের সত্তাকে ধরে রেখে এগিয়ে যেতে চাই।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-09-15/9697pcuq/dianapenty_1683364801_3096610849359021211_294520248.jpg" /><figcaption>ডায়না পেন্টি। ছবি: অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে </figcaption></figure><p>সমালোচকদের মতে, ডায়না পেন্টির এই আত্মবিশ্বাসী যাত্রা নতুন অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারে। যে মেয়েটি লাজুক, অন্তর্মুখী স্বভাব নিয়ে বলিউডে পা রেখেছিলেন, তিনিই আজ সাহসের সঙ্গে বলতে পারেন—‘আমি যেমন, তেমনই থাকব।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>ছয় পেসার নিয়ে বাংলাদেশের অপেক্ষায় দক্ষিণ আফ্রিকা</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/qb8guwg9cd</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/qb8guwg9cd#comments</comments><guid isPermaLink="false">afc8a94f-ad34-457b-a275-e62603305746</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:57:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:57:27.728Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ চলতি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে যাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। সেখানে দুই টেস্টের সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ ক্রিকেট দল,দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট দল,টেস্ট সিরিজ</media:keywords><media:content height="2746" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-06/3cca4tiv/545603-01-02.jpg" width="4119"><media:title type="html"><![CDATA[ বাংলাদেশের বিপক্ষে পেস আক্রমণ শক্তিশালি করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-01-06/3cca4tiv/545603-01-02.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>টনি ডি জর্জি ও আনরিখ নর্কিয়াকে ফিরিয়ে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই টেস্টের সিরিজের জন্য আজ ১৫ জনের দল ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। জোহানেসবার্গে ১৫ নভেম্বর শুরু হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট।</p><p>গত সেপ্টেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে হ্যামস্ট্রিংয়ে চোট পান ডি জর্জি। ডেভিড বেডিংহামকে বাদ দিয়ে নেওয়া হয়েছে ডি জর্জিকে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে গত শনিবার শেষ হওয়া কেপটাউন টেস্টের প্রোটিয়া স্কোয়াড থেকে বেডিংহামসহ বাদ পড়েছেন চারজন—ডেভিড বেডিংহাম, জেরাল্ড কোয়েৎজি, কাইল ভেরেইনা, সেনরুয়ান মুতুসামি।</p><p>অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সেন্ট জর্জেস পার্কে দ্বিতীয় টেস্টে চোট পাওয়া পেসার নর্কিয়া এক ম্যাচ পর ফিরলেন দক্ষিণ আফ্রিকা দলে। সব মিলিয়ে দলে ছয় পেসার—কাগিসো রাবাদা, মার্কো ইয়ানসেন, উইয়ান মুল্ডার, করবিন বশ, ডেন প্যাটারসন ও নর্কিয়া। হ্যামস্ট্রিংয়ের চোট থেকে সেরে না ওঠায় ফেরানো হয়নি আরেক পেসার লুঙ্গি এনগিডিকে। তবু এ কজনেই বোঝা যাচ্ছে, চলতি মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা কীসের মুখোমুখি হবেন!</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-24/f6b849ex/423579.webp" /><figcaption>আনরিখ নর্কিয়া ফিরেছেন বাংলাদেশ সিরিজে</figcaption></figure><p>অস্ট্রেলিয়া সিরিজে জায়গা হারানো উইকেটকিপার কাইল ভেরাইনকে ফেরায়নি প্রোটিয়ারা। রায়ান রিকেলটন প্রথম পছন্দ, এর পাশাপাশি রিজার্ভ উইকেটকিপার হিসেবে আছেন ম্যাথু ব্রিটৎজকে। দুজন স্পিনারও আছেন—সাইমন হারমার ও কেশব মহারাজ। তবে বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে দক্ষিণ আফ্রিকায় পেসবান্ধব উইকেট হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তাই প্রোটিয়া একাদশে বড়জোর একজন স্পিনারকে দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে মহারাজ ও হারমারের মধ্যে লড়াই হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সর্বশেষ দুই টেস্টে খেলেছেন হারমার।</p><p>ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ জিতে প্রোটিয়াদের টেস্ট র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে তোলা অধিনায়ক টেম্বা বাভুমা থাকছেন দলের নেতৃত্বে। অতিরিক্ত একজন ব্যাটসম্যান হিসেবে ফেরানো হয়েছে জুবাইর হামজাকে। ব্যাটিং লাইনআপে দক্ষিণ আফ্রিকা অবশ্য চমকপ্রদ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারে বাংলাদেশ সিরিজে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/6vdirblq6x">ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও</a></aside><p>অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে রিকেলটনকে নিচে নামিয়ে এইডেন মার্করামের সঙ্গে মার্কেস অ্যাকারম্যানকে ওপেন করতে পাঠানো হয়। অ্যাকারমান এই সিরিজের আগে লাল বলে কখনো ওপেন করেননি। ডি জর্জি ফেরায় বাংলাদেশ সিরিজে তাঁকে ওপেন করতে দেখা যেতে পারে। তিনে নেমে যেতে পারেন অ্যাকারম্যান। অস্ট্রেলিয়া সিরিজে এই পজিশনে নিজের জায়গা পাকা করতে পারেননি বেডিংহাম।</p><blockquote>দক্ষিণ আফ্রিকা দলটেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), মার্কেস অ্যাকারম্যান, ম্যাথু ব্রিটৎজকে, করবিন বশ, টনি ডি জর্জি, সাইমন হারমার, জুবায়ের হামজা, মার্কো ইয়ানসেন, কেশব মহারাজ, এইডেন মার্করাম, উইয়ান মুল্ডার, আনরিখ নর্কিয়া, ডেন প্যাটারসন, কাগিসো রাবাদা ও রায়ান রিকেলটন।</blockquote><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-05/2ca6d065-9414-4087-9cf9-9b63aa8b16d3/149006_01_02.jpg" /><figcaption>স্পিনার সাইমন হারমারকে দলে রেখেছে দক্ষিণ আফ্রিকা</figcaption></figure><p>বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে দুই ম্যাচের এ সিরিজে ম্যাচগুলো হবে সুমদ্রপৃষ্ঠ থেকে বেশ উঁচুতে (হাইভেল্ড কন্ডিশন) অবস্থিত স্টেডিয়াম জোহানেসবার্গ ও সেঞ্চুরিয়নে। সেখানে পেসাররা সাধারণত বাড়তি সুবিধা পান। প্রোটিয়া কোচ শুকরি কনরাড বাংলাদেশ দলের পেস শক্তি সম্পর্কে জানেন বলেই এমন কন্ডিশনে তাদের মুখোমুখি হওয়া নিয়ে সমীহ ঝরল তাঁর কণ্ঠে, ‘বাংলাদেশ দল কতটা ভীতি ছড়াতে পারে, তা আমরা জানি এবং হাইভেল্ড কন্ডিশনে তাদের পেসাররাও বেশ কার্যকর হয়ে উঠবেন বলে আমরা আশঙ্কা করছি।’</p><p>এমন ভেন্যুতে নিজেদের শক্তি নিয়ে কনরাড বলেন, ‘সাধারণত হাইভেল্ড উইকেট পেস ও বাউন্সের জন্য অনুকূল হয়, যদিও ইদানীং ওয়ান্ডারার্সে স্পিনারদেরও কিছুটা সুবিধা পেতে দেখা গেছে। বিষয়টি মাথায় রেখেই আমাদের পেস বোলিং বিকল্পগুলোর ওপর বেশি জোর দেওয়া হবে।’</p><p>১১ নভেম্বর জোহানেসবার্গে দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ক্যাম্প শুরু হবে। ২৩ নভেম্বর সেঞ্চুরিয়নে শুরু হবে দ্বিতীয় টেস্ট।</p>]]></content:encoded></item><item><title>হকি মাঠের অপূর্ণ স্বপ্ন আর ক্রিকেটের বিশ্বজয়ী সাম্রাজ্য: অন্য এক শাহরুখ খানের গল্প</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/v62ts4u8su</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/v62ts4u8su#comments</comments><guid isPermaLink="false">041c22ea-8b87-4fff-a524-8eae2b2cbb4e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:50:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:50:57.765Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ শাহরুখ খানের জন্মদিন। সিনেমার পর্দার বাইরের শাহরুখের আরেকটি পরিচয় আছে, যেটি ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়।]]></description><media:keywords>হকি,বলিউড,ক্রিকেট,শাহরুখ খান</media:keywords><media:content height="506" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/0lvk59y6/deccanheraldimportsitesdhfilesarticleimages20230425srk-afp-1212803-1682418790.avif" width="900"><media:title type="html"><![CDATA[ শাহরুখ খান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/0lvk59y6/deccanheraldimportsitesdhfilesarticleimages20230425srk-afp-1212803-1682418790.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বলিউডের বাদশা হওয়ার কথা ছিল না। অন্তত শুরুতে নয়। দিল্লির এক তরুণের স্বপ্ন ছিল ভারতের হয়ে হকি খেলার। দেশের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিনিধিত্ব করবেন ভারতকে। বলিউডের রুপালি পর্দা তখনো তাঁর স্বপ্নের গন্তব্য হয়ে ওঠেনি। </p><p>কিন্তু জীবনের চিত্রনাট্য বোধ হয় কোনো পরিচালকও আগে থেকে লিখে রাখতে পারেন না। শাহরুখ খানের ক্ষেত্রেও তা-ই হয়েছে। হকি খেলার স্বপ্ন দেখতে দেখতে একদিন হয়ে গেলেন বলিউডের সুপারস্টার। আর যে মানুষটি একসময় ভারতের হয়ে খেলতে চেয়েছিলেন, তিনি এখন ক্রিকেটে একাধিক দলের মালিক!</p><p>আজ শাহরুখ খানের জন্মদিন। অভিনয়, সিনেমা, প্রেম, রোমান্স, সংলাপ, সব মিলিয়ে তাঁর পরিচয়ের শেষ নেই। তবে পর্দার বাইরের শাহরুখের আরেকটি পরিচয় আছে, যেটি ক্রীড়াপ্রেমীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। তিনি একসময় খেলোয়াড় হতে চেয়েছিলেন। হকি, ফুটবল, ক্রিকেট, সবই টানত তাঁকে। তবে হকির প্রতি ভালোবাসাটা ছিল একটু বেশিই।</p><p>দিল্লিতে বেড়ে ওঠা শাহরুখ স্কুল ও কলেজজীবনে নিয়মিত খেলাধুলা করতেন। হকিতে খেলতেন সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে। স্বপ্ন ছিল ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার। অর্থাৎ আজ যে মানুষটিকে ক্রিকেটের গ্যালারিতে দলকে সমর্থন দিতে দেখা যায়, একসময় তিনিই স্বপ্ন দেখতেন দেশের হয়ে মাঠে নামার।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-05/9ec5dcda-7016-4f05-be7b-9faabe8d8f71/5ae9267f-7056-4384-af1b-a249d0b17406.jpg" /><figcaption>এক সময় হকি খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন দেখেছেন শাহরুখ খান</figcaption></figure><p>কিন্তু ভাগ্য তখন অন্য চিত্রনাট্য লিখছিল। পিঠের চোট সব হিসাব পাল্টে দিল। খেলাধুলা থেকে সরে যেতে হলো তাঁকে। একটা সময় শয্যাশায়ীও ছিলেন। খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্নটা যেন সেখানেই থেমে গেল। মায়ের উৎসাহে এরপর থিয়েটারে যুক্ত হন শাহরুখ। অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। টেলিভিশন হয়ে একসময় প্রবেশ করেন সিনেমার জগতে। তারপরের গল্পটা তো সবারই জানা। দিল্লির সেই তরুণ হয়ে ওঠেন বলিউডের ও বিশ্বের অন্যতম বড় তারকা। তবে হকির সঙ্গে সম্পর্কটা একেবারে ছিন্ন হয়নি। ২০০৭ সালে মুক্তি পায় শাহরুখের অভিনীত সিনেমা ‘চাক দে! ইন্ডিয়া’।</p><p>পরিচালক শিমিত আমিনের এই স্পোর্টস ড্রামায় শাহরুখ অভিনয় করেন কবির খান চরিত্রে। ভারতের পুরুষ হকি দলের সাবেক অধিনায়ক কবির খানের দায়িত্ব পড়ে জাতীয় নারী হকি দলের কোচের। সিনেমাটিতে উঠে আসে ভারতীয় হকির নানা বাস্তবতা। নারী খেলোয়াড়দের চ্যালেঞ্জ, দলীয় সংহতি, আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দেশের প্রতিনিধিত্ব করার চাপ, সবকিছুই। কবির খান চরিত্রে শাহরুখের অভিনয় তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম স্মরণীয় পারফরম্যান্স হয়ে আছে। সিনেমাটি ভারতে নারী হকির প্রতিও নতুন করে মনোযোগ তৈরি করেছিল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/9twcbqz6uy">ব্রিটিশ পাসপোর্ট নিয়ে আফগান লিগে আমির, আইপিএলেও কি মিলবে সুযোগ</a></aside><p>মজার ব্যাপার, হকি নিয়ে শাহরুখের এই আবেগ শুধু সিনেমার পর্দায় আটকে থাকেনি। ২০১৮ সালে ভুবনেশ্বরে পুরুষ হকি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। সেখানে নিজের স্কুল ও কলেজজীবনে হকি খেলার অভিজ্ঞতার কথাও বলেছিলেন। &nbsp;যে স্বপ্ন একদিন চোটের কারণে থেমে গিয়েছিল, সেই খেলার সঙ্গেই আবার দেখা হলো সিনেমার পর্দায়। এবার অবশ্য হাতে হকি স্টিক নয়, পরিচালকের দেওয়া চরিত্র।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2022-06/a2ea5958-cccd-4243-a7e9-ab743e2ed615/MV5BMTk2NjUzMzc2OV5BMl5BanBnXkFtZTgwMDM4MTcxMzI___V1_.jpg" /><figcaption>‘চাক দে! ইন্ডিয়া’ সিনেমায় ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা পারফরম্যান্স করেন শাহরুখ</figcaption></figure><h3>হকি থেকে কলকাতা নাইট রাইডার্স</h3><p>খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়নি। কিন্তু খেলার দুনিয়া থেকে দূরে থাকতে পারেননি শাহরুখ। ২০০৮ সালে জুহি চাওলা ও জয় মেহতার সঙ্গে মিলে কিনে নেন আইপিএলের অন্যতম আটটি মূল ফ্র্যাঞ্চাইজির একটি কলকাতা নাইট রাইডার্স বা কেকেআর। শুরুটা অবশ্য খুব মসৃণ ছিল না। মাঠের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতার অভাব ছিল। সমালোচনাও কম শুনতে হয়নি। কিন্তু ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেয় কলকাতার দলটি।</p><p>২০১২ সালে চেন্নাই সুপার কিংসকে ফাইনালে হারিয়ে প্রথমবার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয় কেকেআর। দুই বছর পর, ২০১৪ সালে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবকে হারিয়ে জেতে দ্বিতীয় শিরোপা। এরপর দীর্ঘ অপেক্ষা। অবশেষে ২০২৪ সালে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে ফাইনালে হারিয়ে তৃতীয়বারের মতো আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয় শাহরুখের দল। তিনটি শিরোপা। মাঝখানে সমালোচনা, অপেক্ষা আর প্রত্যাবর্তনের গল্প। কেকেআর এখন আইপিএলের সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর একটি। শাহরুখের ক্রিকেট-সম্পর্কও পেয়েছে নতুন মাত্রা।</p><h3>ক্রিকেটে এখন আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্য</h3><p>শাহরুখের ক্রিকেট ব্যবসা অবশ্য শুধু আইপিএলে আটকে নেই। নাইট রাইডার্স গ্রুপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটেও ছড়িয়ে পড়েছে তাঁর বিনিয়োগ। ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে রয়েছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। ইন্টারন্যাশনাল লিগ টি-টুয়েন্টিতে আবুধাবি নাইট রাইডার্স। আর যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ ক্রিকেটে লস অ্যাঞ্জেলেস নাইট রাইডার্স।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08/b8faf1c9-de64-4f3c-bad9-118214ec1f5c/0d17184f_328a_41f2_be93_541400849453.webp" /><figcaption>নাইট রাইডার্স ফ্র্যাঞ্চাইজিকে বেশ কয়েকটি টি–টুয়েন্টি লিগে ছড়িয়ে দিয়েছেন শাহরুখ</figcaption></figure><p>অর্থাৎ ভারত থেকে ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ, আবুধাবি হয়ে যুক্তরাষ্ট্র, ক্রিকেটের নতুন নতুন বাজারে হাজির শাহরুখের নাইট রাইডার্স। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক এক ক্রিকেট নেটওয়ার্ক। নাইট রাইডার্স এখন বিশ্ব ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের পরিচিত নাম।</p><p>একসময় ভারতের হয়ে হকি খেলার স্বপ্ন দেখতেন যে তরুণ, তিনি এখন একাধিক দেশের টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটে দল নামাচ্ছেন। খেলোয়াড় হতে পারেননি, হয়েছেন দলের মালিক। মাঠে গোল করার সুযোগ হয়নি, কিন্তু তাঁর দলের খেলোয়াড়েরা ছক্কা মারলে গ্যালারিতে তাঁকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। জীবন তাঁকে হকির মাঠে ভারতের জার্সি পরার সুযোগ দেয়নি। কিন্তু ক্রিকেটের মাঠে নিজের নামের জার্সি ছড়িয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/rgz504l33q">এক বছরে ৪০০ ছক্কা, টি–টুয়েন্টিতে ভারতের নতুন ইতিহাস</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুরে বহিরাগতদের বিষয়ে জানাতে বাড়ির মালিকদের নির্দেশনা, গণবিজ্ঞপ্তি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/dvm206y0ee</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/dvm206y0ee#comments</comments><guid isPermaLink="false">fce3e128-4137-4815-bba1-a7e98b27ca1d</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:50:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:50:17.530Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বহিরাগত ব্যক্তিদের তৎপরতা ঠেকাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের সতর্ক করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন।]]></description><media:keywords>তৈরি পোশাক,শ্রমিক,গাজীপুর,আন্দোলন,ঢাকা বিভাগ</media:keywords><media:content height="1066" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hkhvxtcf/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-12.02.12-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ গাজীপুরের কালিয়াকৈরে পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের চিত্র]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hkhvxtcf/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-12.02.12-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বহিরাগত ব্যক্তিদের তৎপরতা ঠেকাতে গাজীপুরের কালিয়াকৈরে বাড়ি ও ফ্ল্যাটের মালিকদের সতর্ক করে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে উপজেলা প্রশাসন। ভাড়াটেদের বাসায় পরিবারের সদস্যদের বাইরে কোনো বহিরাগত ব্যক্তি কিংবা অপরাধ চক্রের সদস্য অবস্থান করলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ করা হয়েছে।</p><p>আজ সোমবার কালিয়াকৈর পৌরসভা ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। এতে স্বাক্ষর করেছেন কালিয়াকৈর পৌরসভার প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন।</p><p>গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাড়ি বা ফ্ল্যাটের ভাড়াটেরা নিজ পরিবারের সদস্যদের বাইরে অন্য কোনো বহিরাগত ব্যক্তিকে আশ্রয় দিয়ে থাকলে অথবা কোনো বহিরাগত অপরাধ চক্রের সদস্য বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করলে দ্রুত কালিয়াকৈর থানা কিংবা উপজেলা প্রশাসনকে জানাতে হবে। এ বিষয়ে বাড়ির মালিকদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p><p>গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিষয়টি প্রশাসনকে না জানানো হলে এবং এ কারণে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে, তার দায় সংশ্লিষ্ট বাড়ির মালিকদের ওপর বর্তাবে। বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিকে ‘অতি জরুরি’ উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>এ বিষয়ে ইউএনও এ এইচ এম ফখরুল হোসাইন বলেন, শ্রমিকদের আন্দোলনের মধ্যে বহিরাগত ব্যক্তিরা যেন প্রবেশ করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে জন্য এই গণবিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।</p><p>উল্লেখ্য, গত কয়েক দিন ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও মহাসড়ক অবরোধের ঘটনা ঘটেছে। বিশেষ করে কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা, পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর ও মৌচাক এলাকায় শ্রমিক অসন্তোষের প্রভাব বেশি পড়েছে। এ সময় অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন, ছুটি কতদিন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4qz8x2uwjm</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/4qz8x2uwjm#comments</comments><guid isPermaLink="false">deb955e6-833d-44e5-b245-9ff5f69b923c</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:50:11 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:50:11.498Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিশেষ প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633289</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>সরকারি ছুটি,মন্ত্রিসভা</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-09/u22m0q14/687b4b81_35c4_40d0_beda_5dcee1262c6c.jfif" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-09-09/u22m0q14/687b4b81_35c4_40d0_beda_5dcee1262c6c.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এতে ১৫ দিন সাধারণ ছুটি ও ১৪ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি রাখা হয়েছে। তবে এসব ছুটির মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় মোট ছুটি হবে কার্যত ২২ দিন ।</p><p>আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। সেখানেই এই ছুটির তালিকা অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি। </p><p>বিস্তারিত আসছে...</p>]]></content:encoded></item><item><title>টেলিপ্যাথি ও ব্লাইন্ডসাইট তৈরি করছে ইলন মাস্কের নিউরালিংক, যে সুবিধা পাওয়া যাবে</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/7imu6lg4t4</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/7imu6lg4t4#comments</comments><guid isPermaLink="false">ddcb24b9-4eed-437e-b32e-27c7014a1177</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:41:31 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:41:31.650Z</atom:updated><atom:author><atom:name>আহসান হাবীব</atom:name><atom:uri>/api/author/1712093</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ‘টেলিপ্যাথি’ ও ‘ব্লাইন্ডসাইট’ নামের ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেসেস প্রযুক্তিনির্ভর তারহীন চিপ বাজারে আনতে যাচ্ছে নিউরালিংক।]]></description><media:keywords>প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান,দৃষ্টিশক্তি,ইলন মাস্ক</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-23/jxxe5h0g/Neuralink.reuters.png" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ নিউরালিংক]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-08-23/jxxe5h0g/Neuralink.reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>প্রযুক্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কল্পবিজ্ঞানের মতো শোনালেও দীর্ঘদিন ধরেই মানুষের মস্তিষ্ক ও যন্ত্রের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করার কাজ করছে ইলন মাস্কের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান নিউরালিংক। ইতিমধ্যে ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেসেস (বিসিআইএস) প্রযুক্তির তারহীন চিপ তৈরির পাশাপাশি সেগুলো একাধিক গুরুতর স্নায়বিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মাথায় বসিয়ে সফলও হয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এবার ‘টেলিপ্যাথি’ ও ‘ব্লাইন্ডসাইট’ নামের ব্রেন কম্পিউটার ইন্টারফেসেস প্রযুক্তিনির্ভর তারহীন চিপ বাজারে আনতে যাচ্ছে নিউরালিংক।</p><p>টেলিপ্যাথি চিপের সাহায্যে শুধু চিন্তার মাধ্যমে দূর থেকে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি নির্দিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে। অন্যদিকে ব্লাইন্ডসাইট চিপের মাধ্যমে দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা আবার দেখতে পারবেন। ইলন মাস্কের দাবি, ব্লাইন্ডসাইটের প্রকৌশলগত উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এখন শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/f3wfskofhd">ইলন মাস্ক সম্পর্কে চমকপ্রদ ২১ তথ্য, যা হয়তো আপনার অজানা</a></aside><h3>চিন্তার মাধ্যমে যোগাযোগ করবে টেলিপ্যাথি</h3><p>নিউরালিংকের প্রথম পণ্য হতে যাচ্ছে টেলিপ্যাথি চিপ। চিপটির সাহায্যে ব্যবহারকারীরা শুধু চিন্তার মাধ্যমে কম্পিউটারসহ বিভিন্ন যন্ত্র নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। একইভাবে কথা বা টাইপ না করেই অন্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।</p><p>ইলন মাস্কের দাবি, আগামী কয়েক বছরের মধ্যে টেলিপ্যাথি চিপের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি মানুষের কথা বলা বা দ্রুত টাইপ করার গতিকেও ছাড়িয়ে যাবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, এ প্রযুক্তির সাহায্যে চিন্তার মাধ্যমেই কম্পিউটার বা মানুষের সঙ্গে উচ্চগতিতে যোগাযোগ করা সম্ভব হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/joqt51cdtx">ইলন মাস্কের অদ্ভুত ভবিষ্যদ্বাণী</a></aside><h3>দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে আনতে ব্লাইন্ডসাইট</h3><p>নিউরালিংকের দ্বিতীয় পণ্য ব্লাইন্ডসাইট চিপ মূলত দৃষ্টিহীন ব্যক্তিদের দেখার সক্ষমতা ফিরিয়ে আনবে। এর ফলে কোনো কারণে দৃষ্টিশক্তি হারানো ব্যক্তিদের পাশাপাশি জন্মগত দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরাও দেখার সুযোগ পাবেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/technology/p007o9urhq">ইলন মাস্কের সম্পদের পরিমাণ বাংলাদেশের বাজেটের কত গুণ জানেন</a></aside><p>ইলন মাস্ক জানিয়েছেন, ব্লাইন্ডসাইটের মাধ্যমে সম্পূর্ণ অন্ধ ব্যক্তি বা যাঁরা কখনোই দেখতে পাননি, তাঁরাও দেখার সুযোগ পাবেন। প্রকৌশলগত দিক থেকে প্রযুক্তিটি প্রস্তুত। এখন শুধু নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের অপেক্ষা।</p><p>সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া</p>]]></content:encoded></item><item><title>পর্তুগালে সফটওয়্যার কোয়ালিটি ও টেস্টিংয়ের গ্লোবাল মঞ্চে বাংলাদেশ  </title><link>https://www.prothomalo.com/education/campus/uc6lnsi6bo</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/campus/uc6lnsi6bo#comments</comments><guid isPermaLink="false">54de5c78-1fa1-471c-b288-79c039cf7493</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:39:26 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:39:26.616Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশ সফটওয়্যার টেস্টিং বোর্ড পর্তুগালে আইএসটিকিউবির জেনারেল অ্যাসেম্বলিতে অংশগ্রহণ করেছে, ১০ হাজার দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার তৈরির উদ্যোগ।]]></description><media:keywords>প্রতিষ্ঠানের খবর,জনশক্তি,কর্মসংস্থান,ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি</media:keywords><media:content height="872" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xoa01r8k/4.jpg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xoa01r8k/4.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্যাম্পাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আইএসটিকিউবি জেনারেল অ্যাসেম্বলি ২০২৬-এ বিএসটিবি প্রতিনিধিদল; ১০ হাজার সফটওয়্যার কোয়ালিটি ও টেস্ট ইঞ্জিনিয়ার তৈরির লক্ষ্য এবং এসকিউএটি বাংলাদেশে বিশ্বনেতাদের আমন্ত্রণ।</p><p>পর্তুগালে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল সফটওয়্যার টেস্টিং কোয়ালিফিকেশনস বোর্ড (আইএসটিকিউবি)-এর জেনারেল অ্যাসেম্বলি ২০২৬-এ অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ সফটওয়্যার টেস্টিং বোর্ড (বিএসটিবি) প্রতিনিধিদল। বিএসটিবি প্রেসিডেন্ট এম নুরুজ্জামানের নেতৃত্বে ৪ সদস্যের প্রতিনিধিদল আন্তর্জাতিক এই আয়োজনে বাংলাদেশের সফটওয়্যার কোয়ালিটি ও টেস্টিং খাতের অগ্রগতি, দক্ষ জনশক্তি উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়।</p><p>সম্মেলনে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে ১০ হাজার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সফটওয়্যার কোয়ালিটি ও টেস্ট ইঞ্জিনিয়ার তৈরি ও কর্মসংস্থানের লক্ষ্য তুলে ধরা হয়। এ উদ্যোগে আইএসটিকিউবির আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, সার্টিফিকেশন ও দক্ষতা উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব পায়।</p><p>বাংলাদেশে এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। বিএসটিবি বিশ্ববিদ্যালয়, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচির সমন্বয়ে এ উদ্যোগকে জাতীয় পর্যায়ে সম্প্রসারণ করতে চায়।</p><p>এদিকে আগামী ৫ ডিসেম্বর ঢাকার শেরাটন হোটেলে ‘কোয়ালিটি ইন দ্য এজ অব এআই’ প্রতিপাদ্যে অনুষ্ঠিতব্য চতুর্থ এসকিউএটি বাংলাদেশ ২০২৬ সম্মেলনে আইএসটিকিউবির বর্তমান গ্লোবাল প্রেসিডেন্ট ড. ক্লাউডিয়া এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট অলিভিয়ের ডেনুসহ আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বিএসটিবি আয়োজিত সম্মেলনটির একাডেমিক পার্টনার ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস।</p><p>বিএসটিবি প্রেসিডেন্ট এম নুরুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক সফটওয়্যার কোয়ালিটি ও টেস্টিং পেশাজীবী তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে পরিণত করা। ১০ হাজার দক্ষ ইঞ্জিনিয়ার তৈরি ও তাঁদের দেশ-বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকার, বিশ্ববিদ্যালয়, সফটওয়্যার শিল্প এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’</p><p>পর্তুগালের আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ এবং ঢাকায় আসন্ন এসকিউএটি বাংলাদেশ সম্মেলন দেশের সফটওয়্যার শিল্প, আন্তর্জাতিক সার্টিফিকেশন ও দক্ষ জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>নিজের অজান্তেই সঙ্গীর যে ৫ অভ্যাস রপ্ত করেন দম্পতিরা</title><link>https://www.haal.fashion/lifestyle/relationships/c19v17nyjc</link><comments>https://www.haal.fashion/lifestyle/relationships/c19v17nyjc#comments</comments><guid isPermaLink="false">b4864cd6-5d94-4394-9fe5-a6f930bc1447</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:35:44 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:35:44.183Z</atom:updated><atom:author><atom:name>কানিজ ফাতেমা</atom:name><atom:uri>/api/author/2115305</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ খাবারের পছন্দ, কথা বলার ধরন, এমনকি মুখভঙ্গিতেও দম্পতিদের মধ্যে তৈরি হতে পারে মিল। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার প্রভাবে অজান্তেই সঙ্গীর নানা অভ্যাস নিজের মধ্যে চলে আসে।]]></description><media:keywords>অভ্যাস,দম্পতি ,সম্পর্ক</media:keywords><media:content height="1013" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/o44ps2rm/image-78.png" width="760"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/o44ps2rm/image-78.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>সম্পর্ক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>খাবারের পছন্দ, কথা বলার ধরন, এমনকি মুখভঙ্গিতেও দম্পতিদের মধ্যে তৈরি হতে পারে মিল। দীর্ঘদিন একসঙ্গে থাকার প্রভাবে অজান্তেই সঙ্গীর নানা অভ্যাস নিজের মধ্যে চলে আসে।</p><p>দুজন মানুষের পছন্দ, স্বভাব ও জীবনযাপনের ধরন আলাদা হওয়াই স্বাভাবিক। এমনকি দুজন হতে পারেন সম্পূর্ণ বিপরীত স্বভাবের। ভিন্ন পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশ থেকে আসা দুজন মানুষ যখন একসঙ্গে জীবন শুরু করেন, তখন তাঁদের নিজস্ব অভ্যাস ও পছন্দও সঙ্গে থাকে। তবে সময়ের সঙ্গে একে অপরের প্রভাবে সেসব অভ্যাসে কিছু পরিবর্তন আসতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ua9wim2q/pexels-oguz-ugur-739229867-20112797.jpg" /></figure><p>হয়তো সঙ্গীর মুখে প্রায়ই শোনা যায় এমন কোনো শব্দ এখন আপনিও ব্যবহার করছেন। যে খাবার একসময় পছন্দ করতেন না, সেটিই এখন প্রিয়। কিংবা নিজের অজান্তেই সঙ্গীর মতো করে হাসছেন বা কথা বলছেন। একসঙ্গে সময় কাটানোর এমনই পাঁচটি প্রভাবের কথা জেনে নেওয়া যাক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/lfd876s5/pexels-ron-lach-9652358.jpg" /></figure><h3>১. কথা বলার ধরন</h3><p>সঙ্গীর মুখে প্রায়ই শোনা যায় এমন কোনো শব্দ বা বাক্য কখন যে নিজের কথাবার্তায় যুক্ত হয়ে যায়, তা টেরও পাওয়া যায় না। শুধু শব্দ নয়, উচ্চারণ, কথার ভঙ্গি, এমনকি রসিকতা করার ধরনেও তৈরি হতে পারে মিল। পরিচিত মানুষের সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটালে তাঁর ভাষা ও অভিব্যক্তির কিছুটা নিজের মধ্যে চলে আসা খুবই স্বাভাবিক।</p><h3>২. খাবারের পছন্দ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/2yrcc9i6/pexels-avery-arwood-713708816-19109116.jpg" /></figure><p>আপনি হয়তো চা ছাড়া দিন শুরু করতে পারতেন না, অথচ সঙ্গীর সঙ্গে থাকতে থাকতে সন্ধ্যার কফিও এখন আপনার অভ্যাস। আবার যে খাবার কখনো চেখে দেখার ইচ্ছা হয়নি, সঙ্গীর পছন্দের কারণে সেটিই হয়ে উঠতে পারে প্রিয়। একসঙ্গে খেতে বসা, নতুন খাবার চেখে দেখা কিংবা সঙ্গীর পছন্দের খাবার ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে বদলে যেতে পারে খাদ্যাভ্যাস।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4sob4lln/pexels-ketut-subiyanto-5038855.jpg" /></figure><h3>৩. দৈনন্দিন রুটিনেও আসে পরিবর্তন</h3><p>একজন রাতে দেরি করে ঘুমাতে অভ্যস্ত, অন্যজনের ঘুমানোর সময় তুলনামূলক আগে। একসঙ্গে থাকতে থাকতে দুজনের ঘুমের সময়েও মিল তৈরি হতে পারে। সকালে হাঁটতে যাওয়া, ব্যায়াম করা কিংবা ছুটির দিনে ঘুরতে বের হওয়ার মতো অভ্যাসও সঙ্গীর প্রভাবে নিজের রুটিনের অংশ হয়ে যেতে পারে।</p><h3>৪. বিনোদনের পছন্দে তৈরি হয় মিল</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qaebwg65/pexels-roman-odintsov-5912193.jpg" /></figure><p>ফুটবল খেলার প্রতি কখনো আগ্রহ ছিল না, কিন্তু সঙ্গী নিয়মিত খেলা দেখেন বলে এখন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের সময় আপনিও টেলিভিশনের সামনে বসে পড়েন। অন্যদিকে, আপনার পছন্দের রোমান্টিক সিনেমা দেখতে দেখতে সঙ্গীরও হয়তো সেই ঘরানার ছবির প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। গান, সিনেমা, সিরিজ, পডকাস্ট কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিষয়বস্তু, বিনোদনের পছন্দেও এভাবে অদলবদল ঘটে।</p><h3>৫. অজান্তেই নকল করেন অঙ্গভঙ্গি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/anqjr268/pexels-shkrabaanthony-6599065-1.jpg" /></figure><p>কথা বলার সময় সঙ্গীর বিশেষ কোনো মুখভঙ্গি, হাসির ধরন কিংবা হাত নাড়ানোর অভ্যাস কি কখনো নিজের মধ্যে খুঁজে পেয়েছেন? অনেক দম্পতির ক্ষেত্রেই এমনটা ঘটে। কোনো ঘটনায় কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন, কীভাবে রসিকতা করছেন, এমনকি পরিচিত কোনো অভিব্যক্তিও একে অপরের মতো হয়ে যেতে পারে।</p><h3>অভ্যাসের মিল মানেই স্বাতন্ত্র্য হারানো নয়</h3><p>দীর্ঘদিনের সম্পর্কে এমন ছোট ছোট পরিবর্তন খুবই স্বাভাবিক। এর অর্থ এই নয় যে দুজন মানুষ নিজেদের স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলছেন। বরং একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়ে একে অপরের কাছ থেকে নতুন কিছু শেখা, নতুন পছন্দ তৈরি হওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনে কিছু মিল খুঁজে পাওয়াই সম্পর্কের একটি স্বাভাবিক দিক। </p>]]></content:encoded></item><item><title>জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগ, বেতন নবম গ্রেডে</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/li26zzcrfu</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/li26zzcrfu#comments</comments><guid isPermaLink="false">883ef5ba-04ae-4a6e-83f6-e6e141e148af</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:35:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:35:15.125Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগে ১২টি প্রভাষক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। আবেদন অনলাইনে করতে হবে]]></description><media:keywords>চাকরির খবর,সাপ্তাহিক চাকরির খবর,চাকরিবাকরি,সরকারি চাকরি,জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়</media:keywords><media:content height="450" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-02/r8af852k/prothomalo-bangla_2023-01_fd741003-2db5-4d20-a91b-1f3fc0ca5bc6_prothomalo_bangla_2021_12_cd165218_9e20_4a56_8cb3_148183bf4f14_Jahangir_nagar_University.webp" width="800"><media:title type="html"><![CDATA[ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-09-02/r8af852k/prothomalo-bangla_2023-01_fd741003-2db5-4d20-a91b-1f3fc0ca5bc6_prothomalo_bangla_2021_12_cd165218_9e20_4a56_8cb3_148183bf4f14_Jahangir_nagar_University.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগে স্থায়ী ও অস্থায়ী ভিত্তিতে শিক্ষক (প্রভাষক) নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। আগ্রহী যোগ্য বাংলাদেশি নাগরিকেরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।</p><p> <strong>এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য</strong></p><p> প্রতিষ্ঠানের নাম: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (সাভার, ঢাকা)</p><p> বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ: ১ নভেম্বর ২০২৬</p><p> পদের নাম: প্রভাষক</p><p> মোট শূন্য পদ: ১২টি</p><p> চাকরির ধরন: পূর্ণকালীন (স্থায়ী/অস্থায়ী)</p><p> বেতন স্কেল: ৪৪,০০০ – ১,০৫,৯০০/- (জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ অনুযায়ী)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/5xpvn1m9mz">অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে</a></aside><h3>পদ ও বিভাগভিত্তিক শূন্য পদের বিবরণ:</h3><p><strong>১. প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (স্থায়ী)</p><p>পদের সংখ্যা: ২টি</p><p><strong>২. ইংরেজি বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (স্থায়ী)</p><p>পদের সংখ্যা: ৩টি</p><p><strong>৩. ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (স্থায়ী)-১টি</p><p>পদের নাম: প্রভাষক (অস্থায়ী, শূন্য স্থায়ী সহযোগী অধ্যাপক পদের বিপরীতে)-২টি</p><p><strong>৪. সরকার ও রাজনীতি বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (অস্থায়ী, ১টি শূন্য স্থায়ী প্রভাষক ও ১টি শূন্য স্থায়ী সহযোগী অধ্যাপক পদের বিপরীতে) –২টি</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><p><strong>৫. ভূতাত্ত্বিক বিজ্ঞান বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (স্থায়ী)</p><p>পদের সংখ্যা: ২টি</p><p><strong>৬. পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ</strong></p><p>পদের নাম: প্রভাষক (স্থায়ী)</p><p>পদের সংখ্যা: ৩টি</p><p><strong>আবেদন প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলি</strong></p><p>আগ্রহী প্রার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া আবেদনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের পর নির্দেশনা অনুযায়ী প্রিন্ট কপি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে অবশ্যই রেজিস্ট্রার অফিসে জমা দিতে হবে।</p><p>* শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা এবং বিস্তারিত শর্তাবলি জানতে ভিজিট করুন jobs.juniv.edu</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/examination/y99l7agvop">এইচএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন শুরু, মানতে হবে যে যে নিয়ম</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পেঙ্গুইনের ভালোবাসা</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/b3yybsodz7</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/ayojon/b3yybsodz7#comments</comments><guid isPermaLink="false">bfb2d8e4-c319-4bb6-8ae0-8f7cd2a9d86e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:33:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:33:43.209Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নাগরিক সংবাদ,আয়োজন নাগরিক সংবাদ,অ্যান্টার্কটিকা,ডিম,ভালোবাসা</media:keywords><media:content height="640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-02/1i7g49v7/Emperor-penguin.Reuters.png" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ পেঙ্গুইন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-03-02/1i7g49v7/Emperor-penguin.Reuters.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আয়োজন</category><category>নাগরিক সংবাদ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অ্যান্টার্কটিকায় তখন শীতের তীব্রতা বাড়ছে। বরফের ওপর দিয়ে বাতাস বয়ে গেলে মনে হয়, ধারালো কিছু এসে গায়ে বিঁধছে। চারদিকে সাদা বরফ। দূরে সমুদ্রের পানি কালো দেখায়। এমন পরিবেশে হাজার হাজার সম্রাট পেঙ্গুইন জড়ো হয়েছে একটি জায়গায়।</p><p> তাদেরই এক জোড়া পেঙ্গুইন কয়েক দিন ধরে পাশাপাশি থাকছে। মেয়ে পেঙ্গুইনটি ডিম পাড়ার পর সেটি আলতো করে তুলে দিল তার সঙ্গীর পায়ের ওপর। পুরুষ পেঙ্গুইনটি ডিমটিকে দুই পায়ের মাঝখানে রেখে পেটের নিচের চামড়ার ভাঁজ দিয়ে ঢেকে দিল। বাইরে থেকে ডিমটি আর দেখা যায় না।</p><p> মেয়ে পেঙ্গুইনটি এবার সমুদ্রের দিকে রওনা হবে। দীর্ঘদিন ধরে ডিম তৈরির ধকল গেছে তার শরীরের ওপর দিয়ে। খাবার খেয়ে শক্তি ফিরে পাওয়া দরকার। তাই তাকে সমুদ্রে যেতে হবে মাছ ও ছোট সামুদ্রিক প্রাণীর খোঁজে।</p><p> যাওয়ার আগে সে একবার সঙ্গীর দিকে তাকাল। তারপর ধীরে ধীরে অন্য পেঙ্গুইনদের সঙ্গে বরফের ওপর দিয়ে এগিয়ে গেল।</p><p> পুরুষ পেঙ্গুইনটি সেখানেই রয়ে গেল।</p><p> তার এখন একটাই কাজ—ডিমটিকে উষ্ণ রাখা।</p><p>প্রথম কয়েক দিন কাজটা খুব কঠিন মনে না হলেও সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওপর চাপ বাড়তে লাগল। ডিমটি পায়ের ওপর ঠিকমতো ধরে রাখতে হয়। একটু অসাবধান হলেই বিপদ। বরফের ওপর পড়ে গেলে ডিমটি জমে যেতে পারে। তাই হাঁটাচলা করতে হলেও তাকে খুব সাবধানে পা ফেলতে হয়।</p><p>এদিকে শীত আরও বাড়ল। বাতাসের সঙ্গে বরফ উড়ে এসে পড়ে পেঙ্গুইনগুলোর গায়ে। পুরুষ পেঙ্গুইনটি মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে। তার নিজের শরীরও ঠান্ডায় কাবু হয়ে আসে। কিন্তু পেটের নিচে ডিমটি উষ্ণ রাখতে হবে।</p><p>খাবার খাওয়ার জন্য সে সমুদ্রেও যেতে পারে না। শরীরে যে শক্তি জমা আছে, তা দিয়েই তাকে দীর্ঘ সময় কাটাতে হবে।</p><p>তার আশপাশে আরও অনেক বাবা পেঙ্গুইন একইভাবে ডিম আগলে দাঁড়িয়ে আছে। কখনো তারা একে অপরের গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। এতে শরীরের তাপ ধরে রাখা সহজ হয়। আবার অবস্থান বদলে বাইরের ঠান্ডা বাতাসের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগও ভাগ করে নেয় তারা।</p><p>দিনের পর দিন কেটে যায়।</p><blockquote>নাগরিক সংবাদে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: ns@prothomalo.com</blockquote><p>মেয়ে পেঙ্গুইনটি তখন সমুদ্রে খাবার খুঁজছে। আর তার সঙ্গী ডিমটিকে আগলে আছে বরফের দেশে। দুজনের পথ আলাদা হলেও অপেক্ষাটা একই পরিবারের জন্য।</p><p>প্রায় দুই মাস পর এক সকালে ডিমের খোলসে ছোট্ট একটি ফাটল দেখা দিল। পুরুষ পেঙ্গুইনটি পায়ের ওপর ডিমটি ধরে রেখেই অপেক্ষা করতে লাগল। কিছুক্ষণ পর খোলস ভেঙে বেরিয়ে এল একটি ছানা।</p><p>ছানাটির শরীরে ধূসর নরম পালক। ঠান্ডায় সে কাঁপছে। পৃথিবীর আলো-বাতাসে চোখ মেলেই সে আবার বাবার উষ্ণ আশ্রয়ে মুখ লুকাল।</p><p>এত দিন ধরে যে ডিমটি আগলে রেখেছিল পেঙ্গুইনটি, তার ভেতরেই বেড়ে উঠছিল এই ছোট্ট প্রাণ। এখন তাকে বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্ব আরও বেড়েছে।</p><p>কিন্তু বাবার শরীরে তখন খাবার প্রায় শেষ। তাকে এবার সমুদ্রে যেতে হবে। অন্যদিকে মা পেঙ্গুইনও ফিরবে ছানার কাছে। তাই কলোনির ভিড়ে সঙ্গীকে খুঁজে পাওয়ার অপেক্ষা শুরু হলো।</p><p>কিছুদিন পর সমুদ্র থেকে ফিরে এল মা পেঙ্গুইন। হাজার হাজার পেঙ্গুইনের ভিড়ে সে নিজের সঙ্গীকে খুঁজে নিল পরিচিত ডাক শুনে। কাছে এসে ছানাটিকে নিজের পায়ের ওপর তুলে নিল। এবার তার পালা ছানাকে আগলে রাখার।</p><p>বাবা পেঙ্গুইনটি সমুদ্রের দিকে রওনা হলো। দীর্ঘদিন না খেয়ে থাকার পর তার খাবার দরকার। সামনে বরফের পথ, হিমেল বাতাস আর অনিশ্চিত যাত্রা। তবু তাকে যেতে হবে। ছানাটিকে বড় করতে হলে মা-বাবা দুজনেরই সুস্থ থাকা জরুরি।</p><p>ছানাটি মায়ের পায়ের ওপর নিশ্চিন্তে বসে রইল। কিছুক্ষণ পর সে ছোট্ট মুখ তুলে ডাকল। মা পেঙ্গুইন তাকে আরও কাছে টেনে নিল।</p><p>বরফের দেশে এভাবেই চলতে থাকে সম্রাট পেঙ্গুইনদের জীবন। এখানে বাসা বানানোর মতো গাছ নেই, শীত থেকে বাঁচার মতো ঘর নেই। তবু তারা ডিম আগলে রাখে, ছানাকে বাঁচিয়ে রাখে, খাবারের খোঁজে দূরে যায়, আবার ফিরে আসে।</p><p>আর একটি ছোট্ট পেঙ্গুইনের জীবনের শুরু হয় তার মা–বাবার এই দীর্ঘ অপেক্ষা আর নিরন্তর যত্নের মধ্য দিয়ে।</p><p>মানিকদি, ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট</p>]]></content:encoded></item><item><title>আলোক হেলথকেয়ারে ১০ পদে চাকরি, বেতন ২৫ হাজার টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/veifkfnvi7</link><comments>https://www.prothomalo.com/chakri/employment/veifkfnvi7#comments</comments><guid isPermaLink="false">86ce8fad-9a28-4af6-ba61-ed0e25cfe91f</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:33:17 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:33:17.001Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আলোক হেলথকেয়ারে মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ পদে ১০ জন নিয়োগ দেবে, আবেদন শেষ তারিখ ২৭ নভেম্বর।]]></description><media:keywords>চাকরির খবর,সাপ্তাহিক চাকরির খবর,বেসরকারি চাকরি,চাকরিবাকরি</media:keywords><media:content height="334" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-09/a163d999-f80a-4e17-8854-2fe4881ff80b/prothomalo_bangla_2023_05_9207f3d7_767c_4f5c_a145_86e4bc7aa4dd_Job.webp" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ চাকরি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-09/a163d999-f80a-4e17-8854-2fe4881ff80b/prothomalo_bangla_2023_05_9207f3d7_767c_4f5c_a145_86e4bc7aa4dd_Job.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>নিয়োগ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ‘আলোক হেলথকেয়ার অ্যান্ড হাসপাতাল’ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেবার জন্য ‘মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ’ পদে মোট ১০ জন কর্মী নিয়োগ দেবে। ব্যাচেলর অব সায়েন্স বা ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) আবেদন করতে পারবেন। আবেদনের শেষ সময় ২৭ নভেম্বর।</p><h3>পদের নাম ও পদসংখ্যা

</h3><p><strong>পদের নাম: মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ (হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক)</strong></p><p>পদসংখ্যা: ১০টি</p><p><strong>শিক্ষাগত যোগ্যতা</strong></p><p>যেকোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি অথবা মার্কেটিং বিষয়ে বিবিএ ডিগ্রি থাকতে হবে।</p><p>অভিজ্ঞতা, বয়সসীমা ও অন্যান্য শর্তাবলি</p><p>বয়সসীমা: প্রার্থীর বয়স ন্যূনতম ২৫ বছর হতে হবে।</p><p>অভিজ্ঞতা: সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে ন্যূনতম ১ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। হাসপাতাল খাতে কাজের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রার্থীরা অগ্রাধিকার পাবেন। তবে নতুন বা ফ্রেশারদেরও আবেদনের আহ্বান জানানো হয়েছে।</p><p>লিঙ্গ: শুধুমাত্র পুরুষ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।</p><p>প্রার্থীর নিজস্ব মোটরসাইকেল থাকলে কাজের সুবিধা হবে, তবে এটি বাধ্যতামূলক নয়।</p><p><strong>প্রধান দায়িত্বসমূহ</strong></p><p>হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেবার প্রচারে কনসালট্যান্ট, জিপি, ক্লিনিক ও কেমিস্ট সেন্টারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা। রোগীর সংখ্যা বাড়াতে বিভিন্ন বিপণন কৌশল তৈরি ও বাস্তবায়ন করা। বাজার জরিপ, নতুন ভৌগোলিক এলাকা চিহ্নিতকরণ এবং ফিল্ড মার্কেটিং পরিচালনা করা। সরাসরি হেড অব মার্কেটিংয়ের অধীন কাজ করতে হবে।</p><p><strong>বেতন ও সুবিধাসমূহ</strong></p><p>মাসিক বেতন: ২৫,০০০ টাকা। পেশাদারদের ক্ষেত্রে বেতন আলোচনা সাপেক্ষে হতে পারে।</p><p>অন্যান্য সুবিধা: যাতায়াত ভাতা (টিএ), প্রভিডেন্ট ফান্ড, চিকিৎসা ভাতা, পারফরম্যান্স বোনাস, মোবাইল বিল, বার্ষিক বেতন পর্যালোচনা এবং বছরে ২টি উৎসব বোনাস দেওয়া হবে।</p><p><strong>কর্মস্থল</strong></p><p>ঢাকা (মিরপুর)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/dbdi5owhju">ইউরোপের ঘণ্টাপ্রতি বেতন যে ১০ দেশে সবচেয়ে বেশি</a></aside><h3>আবেদনের প্রক্রিয়া

</h3><p>আগ্রহী প্রার্থীদের কভার লেটার, জীবনবৃত্তান্ত এবং যাবতীয় সনদ (শিক্ষাগত যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, প্রশিক্ষণ, জাতীয় পরিচয়পত্র ও টিআইএন) একটিমাত্র পিডিএফ ফাইলে যুক্ত করে ই–মেইলে (hr.aalok@gmail.com) পাঠাতে হবে। আগে আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।</p><p><strong>আবেদনের শেষ তারিখ:</strong> ২৭ নভেম্বর ২০২৬।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/chakri/employment/5xpvn1m9mz">অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩৫ জনের চাকরি, বেতন নতুন পে স্কেলে</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পাঠানো হয়েছে ভিক্ষা করতে, অথচ চার বছরের শিশুটির স্বপ্ন শিক্ষক হওয়া</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/6a512sl6zc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/capital/6a512sl6zc#comments</comments><guid isPermaLink="false">5e57b63c-2543-4345-ab50-0ff7bad1e556</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:31:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:31:47.931Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>দারিদ্র্য,রাজধানী ঢাকা,পথশিশু,রাজধানী,চরম দারিদ্র্য</media:keywords><media:content height="3024" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/aw6k5723/Street-Child-Parvin-1.jpeg" width="4032"><media:title type="html"><![CDATA[ রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্কে চার বছরের পথশিশু পারভিন]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/aw6k5723/Street-Child-Parvin-1.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>রাজধানী</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাহাদুর শাহ পার্কের এক কোণে পড়ে থাকা ময়লা–আবর্জনা আর কুড়িয়ে পাওয়া জিনিসপত্র নিয়ে খেলছিল পারভিন। বয়স মাত্র চার বছর। এই বয়সে একটি শিশুর নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার কথা থাকলেও তার দিন কাটে পার্কের কোণে কিংবা ফুটপাতে। কথায় কথায় পারভিনের কাছে তার মা–বাবার কথা জানতে চাওয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে বলা হয়, ‘চলো, তোমার বাবার কাছে যাই।’ কথাটি শুনতেই বদলে যায় শিশুটির মুখ। ভয় পেয়ে সে বলে, ‘আব্বার কাছে যামু না, গেলেই মারব।’</p><p>কেন বাবা মারবে, জানতে চাইলে পুরোনো কলম নিয়ে খেলতে খেলতে পারভিন জানায়, বাবা তাকে মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলতে পাঠিয়েছে। কিন্তু সে টাকা না তুলে লুকিয়ে পার্কে খেলছে। শিশুটির ভাষায়, ‘আব্বা আমারে টাকা তুলতে বলছে, আমি না গিয়া লুকাইয়া লুকাইয়া এখানে খেলতাছি।’</p><p>পারভিনের বাবা তখন পার্কের ভেতরে ঘুমাচ্ছিলেন। আর মা রায়সাহেব বাজারে কলম বিক্রি করছিলেন। সঙ্গে ছিল পারভিনের আরও তিন বোন।</p><p>এদিকে পারভিনের সঙ্গে কথা বলতে বলতে তার বাবা মুন্না ঘুম থেকে উঠে পড়েন। কথার এক ফাঁকে জানা যায় সকাল থেকে পেটে খাবার পড়েনি পারভিনের। ক্ষুধার কথা শুনে তার বাবার অনুমতি নিয়ে তাকে রুটি কিনে দেন এই প্রতিবেদক। কিন্তু সেই রুটিও বেশিক্ষণ তার কাছে থাকেনি। কিছুক্ষণ পর দেখা যায়, মেয়ের হাত থেকে রুটি নিয়ে খাচ্ছেন বাবা। তবে এতে শিশুটি মন খারাপ করেনি; বরং মুখে হাসি লেগেছিল।</p><p>ছোট্ট পারভিন জানায়, প্রতিদিন ভাত খাওয়ার কথা বলে মানুষের কাছ থেকে টাকা তুলতে হয় তাকে। বিকেলে বাবা সেই টাকার হিসাব নেন। টাকা তুলতে না পারলে শুধু পারভিন নয়, তার অন্য বোনদেরও মারধর করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/i2io121b/Street-Child-Parvin-2.jpeg" /><figcaption>পার্কের এক কোণে খেলছে পারভিন। কুড়িয়ে পাওয়া প্লাস্টিকের বোতল, কৌটা আর ফেলে দেওয়া জিনিসপত্রই এই চার বছর বয়সী শিশুর খেলার সামগ্রী</figcaption></figure><p>পারভিনের অন্য তিন বোন ফাতেমা, রোজা ও পান্না। দুজন পারভীনের চেয়েও ছোট। তাদের মা মোসাম্মৎ নুপুর চার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে রায়সাহেব বাজার ও সদরঘাটের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে কলম বিক্রি করেন। পাশাপাশি মেয়েদের খাবারের জন্য টাকা চেয়ে মানুষের কাছে হাত পাততে হয়। হাত পাতে শিশুরা। দিন শেষে সেই টাকা তুলে দিতে হয় মুন্নার হাতে। পার্কের পাশে থাকা এক চা–দোকানির অভিযোগ, স্ত্রী ও সন্তানদের কাছ থেকে পাওয়া টাকার একটি অংশ পারভিনের বাবা মাদক সেবনে ব্যয় করেন।</p><p>অভাবের পাশাপাশি পারভিন ভুগছে স্বাস্থ্য সমস্যায়। বেশ কিছুদিন ধরে তার মাথা ও ঘাড়ে ফোড়া হয়েছে। মুখের ভেতরেও ঘা। পারভিনের আক্ষেপ, ‘অনেক দিন ধইরা বাপকে বলতেছি, আমার ঘাড়ে ও মাথায় ফোড়া হইছে। আমাকে ওষুধ কিনে দিতে। দিমু দিমু কইরা আর কিন্না দেয় না।’</p><p>সন্ধ্যায় কথা হয় পারভিনের মা মোসাম্মৎ নুপুরের সঙ্গেও। স্বামীর আচরণ সম্পর্কে পারভিনের মায়ের অভিযোগও একই রকম। তিনি বলেন, মেয়েরা টাকা রোজগার করতে না পারলে স্বামী বকাবকি করেন। এ নিয়ে তাঁকেও মারধর করা হয়। তিনি চান, তাঁর স্বামী আবার কাজ শুরু করুক, সংসারের দায়িত্ব নিক।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5pponjx8/Street-Child-Parvin-3.jpeg" /><figcaption>বাহাদুর শাহ পার্কের সিঁড়িতে চার বোন—ফাতেমা, রোজা, পারভিন ও পান্না। মাথা গোঁজার নিজস্ব ঠাঁই না থাকায় বাহাদুর শাহ পার্ক আর ফুটপাতেই কাটছে তাদের শৈশব</figcaption></figure><p><strong>তবু স্বপ্ন শিক্ষক হওয়ার</strong></p><p>এত অভাবের মধ্যেও পারভিনের একটি স্বপ্ন আছে। লেখাপড়া শিখে অনেক বড় হওয়ার ইচ্ছা তার। সে বলে, ‘আমি লেখাপড়া করে অনেক বড় হতে চাই। বড় হয়ে স্যার হতে চাই। সবাইরে পড়াইতে চাই।’</p><p>পারভিনের মা জানান, চার মেয়েকে নিয়ে তাঁর অনেক স্বপ্ন। তিনি বলেন, ‘মেয়েদের ডাক্তার–ইঞ্জিনিয়ার–উকিল বানাতে চাই। প্রয়োজনে মানুষের বাসায় কাজ করে হলেও তাদের পড়াতে চাই। এভাবে রাস্তায় রাস্তায় থাকতে আর ভালো লাগে না। অল্প কিছু টাকা জমাইতে পারলে তাদের নিয়া বাড়ি ফিরা যামু। নাহয় কেউ আর্থিক সহায়তা করলে মেয়েদের পড়ালেখা করাতে পারতাম।’</p><p>পরিবারটি জানায়, তারা প্রায় চার বছর ধরে বাহাদুর শাহ পার্ক এলাকায় বসবাস করছে। তাদের গ্রামের বাড়ি মাদারীপুর। পারভিনের বাবা মুন্না আগে রিকশা চালাতেন। তাঁর দাবি, রিকশা চুরি হয়ে যাওয়ার পর তিনি কোনো কাজ খুঁজে পাচ্ছেন না। তিনি বলেন, ‘কেউ কাজ দিলে করতে চাই। বাধ্য হয়ে বউ–বাচ্চাদের দিয়ে কাজ করাচ্ছি। আমিও চাই আমার মেয়েরা লেখাপড়া করুক।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>‘রোকযানা’ গানের শিল্পী সাহেদের শারীরিক অবস্থার অবনতি, আইসিইউতে ভর্তি</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/w5h6it9bwo</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/song/w5h6it9bwo#comments</comments><guid isPermaLink="false">205f1287-6f60-4643-b6bd-c1808acc4ed8</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428416</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ডেঙ্গু জ্বর,অসুস্থ,বাংলা গান,শিল্পীর চিকিৎসা</media:keywords><media:content height="315" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ke70eov5/Shaikh_Shahed_1.jpg" width="560"><media:title type="html"><![CDATA[ মঞ্চে শাহেদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ke70eov5/Shaikh_Shahed_1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>গান</category><content:encoded><![CDATA[ <p>একসময়ের আলোচিত ‘রোকযানা’ গানের শিল্পী শেখ সাহেদ আলী রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। দীর্ঘদিন ধরে কিডনির জটিলতায় ভুগছেন তিনি। সম্প্রতি স্ট্রোক এবং পরে ডেঙ্গু শনাক্ত হওয়ার পর তাঁর শারীরিক পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। শিল্পীর বন্ধু কুল এক্সপোজারের প্রধান এরশাদুল হক এসব তথ্য জানিয়েছেন।</p><p>এরশাদুল হক জানান, চার বছর ধরে নিয়মিত ডায়ালাইসিস নিতে হচ্ছে সাহেদকে। গত ২৪ অক্টোবর শরীরে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দিলে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর স্ট্রোক হয়। এর পর থেকে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছেন না তিনি। ফিসফিস করে ও ইশারায় মনের ভাব প্রকাশের চেষ্টা করছেন। এর মধ্যে পরীক্ষায় তাঁর ডেঙ্গুও ধরা পড়ে।<br> শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ৩১ অক্টোবর তাঁকে পুরান ঢাকা গেন্ডারিয়া এলাকার আরেকটি হাসপাতালের হাইডিপেনডেন্সি ইউনিটে (এইচডিইউ) নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।</p><p>এরশাদুল হক আরও জানান, সর্বশেষ ডায়ালাইসিসের পরও সাহেদের বেশ কিছু শারীরিক জটিলতা রয়েছে। তাঁর ডান হাত-পা ফুলে গেছে। ডায়ালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত ফিস্টুলায় রক্ত জমাট বাঁধায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। চিকিৎসকেরা তাঁকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2020-10/617270f2-01ff-42fd-a45e-9e2c55071f00/Shaikh_Shahed.jpg" /><figcaption> ‘রোকযানা’ খ্যাত শিল্পী শেখ সাহেদের</figcaption></figure><p>অসুস্থতার কারণে থমকে গেছে সাহেদের দীর্ঘদিনের একটি গানের আয়োজনও। এরশাদুল হকের ভাষ্য, গত ১১ বছরে তৈরি করা ২৪টি নতুন গান প্রকাশের প্রস্তুতি নিয়েছিলেন শিল্পী। জি-সিরিজের ব্যানারে গানগুলো প্রকাশের পাশাপাশি সংগ্রহে রাখার জন্য চারটি করে সিডি, ক্যাসেট ও ভিনাইল রেকর্ড প্রকাশের পরিকল্পনা ছিল। ৬ নভেম্বর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। শিল্পীর অসুস্থতার কারণে আয়োজনটি বাতিল করা হয়েছে। </p><p>ওই অনুষ্ঠান শেষে ১৫ নভেম্বরের পর কিডনি প্রতিস্থাপনের জন্য সাহেদের দিল্লিতে যাওয়ার প্রস্তুতিও ছিল বলে জানান এরশাদুল হক। তাঁর ভাষ্য, দাতাও চূড়ান্ত করা হয়েছিল। তবে বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতিতে সে যাত্রা স্থগিত হয়েছে। </p><p>শেখ সাহেদ ‘গাছ’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা। নব্বইয়ের দশক থেকে গান করছেন তিনি। সংগীতাঙ্গনে ‘রোকযানা’ সাহেদ নামেও পরিচিত। তাঁর জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘রোকযানা’, ‘উপলব্ধি’, ‘ক্লাসরুমে বসে শেখা’, ‘উটপাখির ডিম’, ‘খোলা চুল’ ও ‘প্রেম আসবেই’। তাঁর প্রথম অ্যালবাম ‘প্রভু’ প্রকাশিত হয় ১৯৯১ সালে। এরপর আরও পাঁচটি অ্যালবাম প্রকাশ করেছেন তিনি। শিল্পীর দ্রুত সুস্থতার জন্য পরিবার, বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন এরশাদুল হক।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মুসলিম বলেই কি বলিউড অভিনেত্রী দিয়ার আতশবাজিবিরোধী ভিডিও বার্তা সরিয়ে দিল মুম্বাই পৌরসভা</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/6gjirj3l4r</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/6gjirj3l4r#comments</comments><guid isPermaLink="false">d21f2aff-20e3-49ed-8877-ee1ac412f0fa</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:26:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:26:27.491Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পৌরসভার অনুরোধে আতশবাজি ও দূষণের বিরুদ্ধে দিয়া ছাড়াও ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, ক্রিকেটার অজিঙ্ক রাহানের মতো ব্যক্তিরা। তাঁদের কারও ভিডিও বার্তা সরানো হয়নি।]]></description><media:keywords>হাইকোর্ট,বলিউড,দীপাবলি</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/353gcul5/Dia-Th.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ বলিউড অভিনেত্রী দিয়া মির্জা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/353gcul5/Dia-Th.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নির্দেশ ছিল বম্বে হাইকোর্টের। উদ্যোগ নিয়েছিল বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা। তাদের অনুরোধেই ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী দিয়া মির্জা। কিন্তু বিজেপি–শিবসেনার আপত্তিতে পৌরসভার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে তা সরিয়ে দেওয়া হলো। কেন সরানো হলো, সেই কারণও স্পষ্ট, দিয়ার ‘ধর্ম’।</p><p> দিয়া মির্জার বাবা ফ্র্যাঙ্ক হ্যান্ডরিচ ছিলেন জার্মান খ্রিষ্টান। পেশায় তিনি ছিলেন গ্রাফিকস ডিজাইনার। মা দীপা, ইন্টেরিয়র ডিজাইনার, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি হিন্দু। দিয়ার জন্মের চার বছর পর মা–বাবার বিচ্ছেদ হলে দিয়ার মা হায়দরাবাদের আহমেদ মির্জাকে বিয়ে করেন। তাঁর স্নেহেই দিয়া পালিত। দিয়া সৎবাবার ‘মির্জা’ পদবিই ব্যবহার করে আসছেন।</p><p>৪৪ বছরের দিয়ারও দুই বিয়ে। তাঁর প্রথম স্বামী সাহিল সাংঘা। ২০২১ সালে তিনি দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন বৈভব রেখি নামের এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে।</p><p>পৌরসভার অনুরোধে আতশবাজি ও দূষণের বিরুদ্ধে দিয়া ছাড়াও ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন অভিনেত্রী মাধুরী দীক্ষিত, ক্রিকেটার অজিঙ্কা রাহানে, মারাঠি সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী নিশিগন্ধা ওয়াডের মতো ব্যক্তিরা। তাঁদের কারও ভিডিও বার্তা বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা মুছে দেয়নি। দিয়া মির্জা একমাত্র ব্যতিক্রম।</p><p>উৎসবের সময় বায়ুদূষণ বৃদ্ধি করে আতশবাজি। আতশবাজি নিয়ন্ত্রণে পৌরসভার ব্যর্থতায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বম্বে হাইকোর্ট। গত ১৫ অক্টোবর হাইকোর্ট এ বিষয়ে পৌরসভাকে উদ্যোগী হতে বলেন। জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য পরিচিত মানুষদের কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।</p><p>সেই অনুযায়ী বিনোদন জগতের বিভিন্ন তারকাকে অনুরোধ করে পৌরসভা। দিয়া তাদেরই ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন বিনা পারিশ্রমিকে। বম্বে পৌরসভাও বলেছিল, জনহিতের জন্য এ ধরনের কাজে তারকাদের পারিশ্রমিক নেওয়া অনুচিত।</p><p>আদালতের নির্দেশ অনুযায়ীই বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা কাজে নামে। তাদের অনুরোধ মেনে নানা তারকার আবেদন পৌরসভার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলা হয়। কিন্তু হিন্দুত্ববাদীদের চাপ ও বিরুদ্ধ প্রচার সইতে না পেরে বিজেপি–শিবসেনা পরিচালিত পৌরসভা দিয়ার ভিডিও সরিয়ে দেয়।</p><p>বিজেপির মুম্বাই শাখার সভাপতি অমিত সাটম এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বার্তা পোস্ট করেন। পৌরসভাকে ট্যাগ করে তাতে তিনি লেখেন, ‘দীপাবলি কীভাবে উদ্‌যাপন করা উচিত, সেই জ্ঞান আমরা দিয়া মীর্জার কাছ থেকে নেব না। আমাদের সংস্কৃতির শিকড় আমাদের ঐতিহ্যেই নিহিত রয়েছে।’</p><p>বিজেপি নেতার ওই বার্তার পর আরও কয়েকজন উগ্র হিন্দুত্ববাদী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একই ধরনের পোস্ট দেন। তারপরই বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা দিয়ার পোস্টটি মুছে দেয়। অন্য কারও পোস্টে অবশ্য হাত দেওয়া হয়নি।</p><p>পৌরসভার এক কর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশেই ওই প্রচারাভিযান চালানো হয়েছে। তাই বায়ুদূষণ রোধে নিয়মমাফিক বাজি পোড়ানোর বার্তা রয়েছে। শুধু জনরোষের জন্য এক বিশেষ ব্যক্তির বার্তা সরানো হয়েছে।</p><p>বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা এর আগে স্বচ্ছতা ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিনেতা অক্ষয় কুমারকে কাজে নামিয়েছিল। তাঁকে দিয়ে প্রচার করিয়েছিল।</p><p>দিয়া মির্জার বার্তা কেন সরানো হয়েছে, সে বিষয়ে পৌরসভার পক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি বা ব্যাখ্যা অবশ্য দেওয়া হয়নি।</p><p>দিয়ার বার্তার বিরোধিতা করেছেন বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর শরিক রিপাবলিকান পার্টির নেতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামদাস আটওয়ালেও। তিনি বলেছেন, ‘দিয়া অভিনেত্রী। তিনি মুসলিম। তবে এটা কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা সম্প্রদায়ের বিষয় নয়। ভারতের সংবিধান সব ধর্মের মানুষদের নিজস্ব উৎসব পালনের অধিকার দিয়েছে। হিন্দুরা যেমন ঈদ উৎসবে যোগ দেন, মুসলিমরাও তেমন দীপাবলি পালন করেন। বাজি পোড়ানো দীপাবলির অঙ্গ। তা বন্ধ করা হলে দীপাবলির কিছু তাৎপর্য হারিয়ে যায়। তবে অবশ্যই অতিরিক্ত দূষণ নিয়ে আমাদের সবারই সতর্ক থাকা উচিত। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ারও কারণ আছে।’</p><p>শিবসেনার মুখপাত্র শায়না এনসিও এ বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘দীপাবলি আলোর উৎসব। দিয়া মির্জার নামেও ‘দীপ’ রয়েছে। দীপাবলির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সাংস্কৃতিক পরিচয় ও ধর্মীয় আবেগ কতটা, তা ওঁর বোঝা উচিত। কেউ দূষণ ছড়ানো বা আতশবাজি পোড়ানোর প্রচার করছে না। আমাদের নিজেদেরও আত্মসমীক্ষার প্রয়োজন আছে। মুম্বাইয়ের জনগণের কী করা উচিত, সে বিষয়ে অন্য কারও কাছ থেকে উপদেশ নেওয়ার প্রয়োজন নেই।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/tnqcits3/fire.jpg" /><figcaption>দীপাবলি উৎসবে ভারতে ব্যাপকহারে বাজি পোড়ানো হয়</figcaption></figure><p>মুম্বাইয়ের মেয়র বিজেপি নেত্রী রীতু তাওড়ে অবশ্য বৃহন্মুম্বাই পৌরসভার এই সিদ্ধান্তের এক ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন। দিয়া মির্জাকে তিনি বরাবরের হিন্দুত্ববিরোধী বলে আখ্যা দিয়েছেন। রীতু তাওড়ে বলেছেন, ‘এর সঙ্গে কোনো ধর্ম বা সম্প্রদায়ের যোগসাজশ নেই। দিয়া মির্জা বারবার হিন্দুত্ববিরোধী ভূমিকা নিয়েছেন। সরকারবিরোধী মন্তব্য করেছেন। অতীতে দেখেছি, তিনি সব সময় বেছে বেছে কিছু বিষয়ের বিরোধিতা করেন। সেটা করার অধিকার তাঁর আছে। কিন্তু বৃহন্মুম্বাই পৌরসভার হ্যান্ডলে তা করা যাবে না।’</p><p>রীতু তাওড়ে বলেন, ‘দিয়া মির্জার হিন্দুত্ববিরোধী অবস্থানের জন্যই ওঁর বার্তা সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এর সঙ্গে ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী।’</p><p>কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের আপত্তি ও বৃহন্মুম্বাই পৌরসভার সিদ্ধান্তের বিস্ময় প্রকাশ করেছেন দিয়া নিজেও। আজ সোমবার তিনি বলেন, ‘বম্বে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছেন, বৃহন্মুম্বাই পৌরসভা সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আমাকে দিয়ে তারাই ভিডিও রেকর্ড করিয়েছে, তা নিয়ে অন্যরা কেন সমালোচনা করবেন?’</p><p>দিয়া বলেন, বায়ুদূষণ অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। দূষণ কমানোর চেষ্টা সবারই করা উচিত। কারণ, এটি মানুষের স্বাস্থ্যের সঙ্গে জড়িত।</p><p>সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হতাশা প্রকাশ করে এক বার্তায় এই অভিনেত্রী বলেছেন, ‘এই কাজের জন্য কোনো পারিশ্রমিক দাবি করিনি। ভালো কাজের দিন আর নেই।’</p><p>তবে দিয়া মির্জা সমর্থনও পেয়েছেন। হায়দরাবাদের দল অল ইন্ডিয়া মজলিস ই ইত্তেহাদুল মুসলিমিনের (এআইএমআইএম) মুখপাত্র ওয়ারিশ পাঠান ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘অমিত সাটম, শুধু দিয়া মির্জাকেই কেন বাছলেন? একই আবেদন তো মাধুরী দীক্ষিতও করেছেন? নিশিগন্ধা ওয়াডও করেছেন? তাহলে কেন এই ভিন্নতা? একে ঐতিহ্যের পক্ষে দাঁড়ানো বলে না। বেছে বেছে এমন ক্ষোভ প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে দ্বিমুখী নীতিরই পরিচয় পাওয়া যায়। আসল কথা হলো, তাঁর নাম। নামটা দিয়া মির্জা। তাই না?’</p>]]></content:encoded></item><item><title>কিশোরীকে ধর্ষণ ও হত্যার পর ফেলে দেওয়া হয় রেললাইনে, তরুণের মৃত্যুদণ্ড</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/jkokfek1vr</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/jkokfek1vr#comments</comments><guid isPermaLink="false">53efd552-3703-48c0-bf6d-b7e65d228d7e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:25:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:25:34.373Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হুসাইন মুহাম্মদ ফজলুল বারী এই দণ্ডাদেশ দেন।]]></description><media:keywords>পঞ্চগড়,রংপুর বিভাগ,তরুণ,মৃত্যুদণ্ড,ধর্ষণ,হত্যা</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-10/x9hfbk29/862c5682-29e8-44ed-8941-65f4101f62be.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রিফাত বিন সাজ্জাদ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2025-03-10/x9hfbk29/862c5682-29e8-44ed-8941-65f4101f62be.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পঞ্চগড়ে এক কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে রেললাইনে ফেলে দেওয়ার দায়ে রিফাত বিন সাজ্জাদ (২৪) নামের এক তরুণের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে তাঁকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। </p><p>আজ সোমবার দুপুরে পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) হুসাইন মুহাম্মদ ফজলুল বারী এই দণ্ডাদেশ দেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) খলিলুর রহমান।</p><p>মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রিফাত বিন সাজ্জাদ পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় তিনি কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/fq8ti3895x">চোর সন্দেহে আটক, মোবাইল ঘেঁটে বেরিয়ে এল ধর্ষণ-হত্যাসহ নানা ঘটনা</a></aside><p>আদালত ও মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণীতে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১৪ জানুয়ারি সকালে পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের কিসমত রেলস্টেশনের পাশে মালিগাঁও রেলঘুমটি এলাকায় রেলপথের ওপর থেকে অজ্ঞাতনামা এক নারীর খণ্ডবিখণ্ড লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।</p><p>এ ঘটনায় দিনাজপুর রেলওয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরে লাশটি ঠাকুরগাঁও জেলার ভূল্লী উপজেলার নিখোঁজ ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরীর বলে শনাক্ত করেন তার স্বজনরা।</p><p>এদিকে ২০২৫ সালের ৮ মার্চ সকালে আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের কিসমত রেলগেট–সংলগ্ন হাজী শাহার আলী উচ্চবিদ্যালয় মাঠে চুরি হওয়া একটি ইজিবাইকসহ চুরির অভিযোগে রিফাত বিন সাজ্জাদ নামে এক তরুণকে আটোয়ারী থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় স্থানীয় লোকজন। পরে তাঁর স্মার্টফোনে কিছু নগ্ন ছবি ও আপত্তিকর ভিডিও দেখতে পায় পুলিশ। এসব বিষয়ে সন্দেহ হয় পুলিশের।</p><p>পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রিফাত একপর্যায়ে জানান, ১৪ জানুয়ারি রেললাইনের ওপর যে কিশোরীর লাশ গিয়েছিল তাকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছিলেন তিনি। পরে পুলিশ বাদী হয়ে রিফাত বিন সাজ্জাদের নামে আটোয়ারী থানায় একটি ধর্ষণ ও হত্যা মামলা করে। এরপর ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দেন রিফাত বিন সাজ্জাদ।</p><p>ঘটনার বিবরণে রিফাত জানান, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী একতা এক্সপ্রেস ট্রেনে দিনাজপুর থেকে পঞ্চগড়ের দিকে আসছিলেন রিফাত। এ সময় ঠাকুরগাঁও রোড রেলস্টেশন এলাকায় ট্রেনের ভেতর অজ্ঞাতনামা কিশোরীকে দেখতে পেয়ে তার সঙ্গে কথা বলেন রিফাত। পরে মেয়েটিকে বিভিন্ন ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে রাত ৯টার দিকে পঞ্চগড়ের কিসমত রেলস্টেশনে মেয়েটিকে সঙ্গে নিয়ে ট্রেন থেকে নামেন রিফাত। পরে মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন তিনি। এরপর দুজনের মধ্যে কথা–কাটাকাটি হলে একপর্যায়ে একটি ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে মেয়েটিকে হত্যা করেন রিফাত। পরে ভোরে মেয়েটির লাশ টেনেহিঁচড়ে রেললাইনের ওপর রেখে চলে যান তিনি। পরে রাজশাহী থেকে পঞ্চগড়গামী বাংলাবান্ধা এক্সপ্রেস ট্রেনে কাটা পরে খণ্ডবিখণ্ড হয়ে যায় লাশটি।</p><p>ওই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আটোয়ারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জহুরুল ইসলাম ২০২৫ সালের ১৫ আগস্ট রিফাত বিন সাজ্জাদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর মোট ১৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বিচারক মামলার রায় ঘোষণা করলেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আলীবাবা থেকে বাংলাদেশি কোম্পানি স্টেপ ফুটওয়্যারের জুতা কিনতে পারবেন বিদেশি ব্যবসায়ীরা</title><link>https://www.prothomalo.com/business/industry/qb7bjq43s0</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/industry/qb7bjq43s0#comments</comments><guid isPermaLink="false">ba2e432a-b69c-46d5-a60e-9ecc5d21e676</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:20:15 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:20:15.551Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বাজার,ডলার,ই কমার্স,শিল্প,চামড়া শিল্প,রপ্তানি</media:keywords><media:content height="1092" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4jb25pwv/Untitled-1.jpg" width="1645"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4jb25pwv/Untitled-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>শিল্প</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশি কোম্পানি স্টেপ ফুটওয়্যার বিশ্বখ্যাত ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম আলিবাবাডটকমের অনুমোদিত সরবরাহকারী হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের পণ্য ও ব্র্যান্ড পরিচিতি তুলে ধরার পাশাপাশি বৈশ্বিক ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারবে স্টেপ ফুটওয়্যার। ব্যবসায়িক সক্ষমতা ও রপ্তানি সম্ভাবনা উপস্থাপনের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।</p><p> এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্টেপ ফুটওয়্যারকে সহযোগিতা করছে বাংলাদেশে আলিবাবাডটকমের পার্টনার ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনাল। এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>গতকাল রোববার ঢাকার উত্তরায় অবস্থিত স্টেপ ফুটওয়্যারের প্রধান কার্যালয়ে স্টেপ ফুটওয়্যার ও ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে এ–সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এতে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির এবং ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠাতা নাঈম হোসেন।</p><p>অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বেলি গ্রুপের চেয়ারম্যান মাসুদুজ্জামান ও পরিচালক আয়মান জামান এবং ম্যাক্সিমো ইন্টারন্যাশনালের বিজনেস ডেভেলপমেন্ট লিড মুস্তাক-উল আলমসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।</p><p>স্টেপ ফুটওয়্যার এক যুগ ধরে নারী, পুরুষ ও শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের জুতা বাজারজাত করে আসছে। আলিবাবাডটকমে যুক্ত হওয়ার ফলে স্টেপ ফুটওয়্যার আন্তর্জাতিক বিটুবি বাণিজ্যের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিজেদের পণ্য ও উৎপাদন সক্ষমতা তুলে ধরার সুযোগ পাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আমদানিকারক, পাইকারি ক্রেতা ও সম্ভাব্য ব্যবসায়িক অংশীদারদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন, নতুন বাজারের সন্ধান এবং আন্তর্জাতিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।</p><p>স্টেপ ফুটওয়্যারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম কবির বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের কাছে আমাদের পণ্য ও ব্র্যান্ড পরিচিতি তুলে ধরার নতুন সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারে এবার দাম বাড়ল ২২৩ টাকা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/0m4sxob0tq</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/0m4sxob0tq#comments</comments><guid isPermaLink="false">b2f83f6f-a89f-4cec-924f-0c851595bdfc</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:17:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:17:08.531Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এলপিজির নতুন দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা। ]]></description><media:keywords>এলপিজি,গ্যাস,সিলিন্ডার গ্যাস</media:keywords><media:content height="393" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/t75e1g7b/LPG.jpg" width="602"><media:title type="html"><![CDATA[ এলপিজি সিলিন্ডার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-05/t75e1g7b/LPG.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p> দেশের বাজারে দেড় মাসের বেশি সময় ধরে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) সরবরাহে ঘাটতি। ফলে নির্ধারিত দামের চেয়ে ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা বাড়তি দিয়ে কিনতে হচ্ছে বাজারে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার। এর ওপর এখন দাম বেড়েছে ২২৩ টাকা। গত মাসেও দাম বেড়েছিল ২১২ টাকা।</p><p> আজ সোমবার নতুন দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। প্রতি মাসেই দাম সমন্বয় করে সংস্থাটি। গত মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল ১ হাজার ৮৩৭ টাকা। বিইআরসি এখন নতুন দাম ঠিক করেছে ২ হাজার ৬০ টাকা। যদিও দেড় মাস ধরে বাজারে এটি বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায়।</p><p>এলপিজি খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, প্রায় এক কোটি গ্রাহক জ্বালানি হিসেবে এলপিজি ব্যবহার করেন। এর মধ্যে ৮০ শতাংশ ব্যবহৃত হয় বাসার রান্নার কাজে। অন্যরা শিল্প ও পরিবহনে এলপিজি ব্যবহার করেন। এ খাতের ৯৯ শতাংশ বেসরকারি খাতের দখলে, যারা আমদানি করে সরবরাহ করে। গত দুই মাসে এলপিজি আমদানি তেমন কমেনি। অথচ বাজারে সরবরাহ কমেছে।</p><p>এলপিজির নতুন দাম আজ রাত আটটা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়। এখন থেকে প্রতি কেজি এলপিজির দাম ১৭১ টাকা ৬৮ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) দাম প্রতি লিটার ৮৪ টাকা ৬২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৯১ টাকা ৯৫ পয়সা।</p><p>২০২১ সালের এপ্রিল থেকে এলপিজির দাম নির্ধারণ করে আসছে বিইআরসি। তবে অভিযোগ আছে, বাজারে নির্ধারিত দামে বিক্রি হয় না। মাঝেমধ্যেই সরবরাহ সংকটের নামে এটি অনেক বেড়ে যায়। বাড়তি দাম দিয়েও এলপিজি পায় না ভোক্তা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পাকা চুলেরও কেন বিশেষ যত্ন নিতে হয়</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/5431oyq22i</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/5431oyq22i#comments</comments><guid isPermaLink="false">0bdcbba1-b679-46fe-8142-480299a97f58</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:16:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:16:13.748Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গবেষণায় ধূমপানের সঙ্গে অকালে চুল পাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের ৩০ বছর বয়সের আগে চুল পাকার আশঙ্কা আড়াই গুণ বেশি। ]]></description><media:keywords>স্বাস্থ্য,চুলের যত্ন,চুল,ভালো থাকুন</media:keywords><media:content height="563" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/0ec9a376-f491-4984-9bd0-c54a5f3f6f90/prothomalo_bangla_2021_04_8e84a55f_003c_4c5a_a226_87b9dc44bb3b__SY_5860.webp" width="1000"><media:title type="html"><![CDATA[ বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলে রুপালি রঙের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। পাকা চুলেরও যত্ন নেওয়া দরকার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-03/0ec9a376-f491-4984-9bd0-c54a5f3f6f90/prothomalo_bangla_2021_04_8e84a55f_003c_4c5a_a226_87b9dc44bb3b__SY_5860.webp?w=280" width="280"></media:thumbnail><category> সুস্থতা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলে রুপালি রঙের ছোঁয়া লাগতে শুরু করে। পাকা চুলেরও যত্ন নেওয়া দরকার।&nbsp;</p><h3>চুল পাকে কেন 

</h3><p>চুলের ফলিকলে অবস্থিত মেলানোসাইট কোষ মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি করে, যা চুলের স্বাভাবিক রং নির্ধারণ করে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মেলানিন উৎপাদন কমে গেলে চুল সাদা হয়ে যায়। এ ক্ষেত্রে বয়স ও বংশগতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।</p><h3>চুল পাকার স্বাভাবিক বয়স কোনটি? 

</h3><p>সাধারণত শ্বেতাঙ্গদের ক্ষেত্রে বয়স ৩০–এর দশকের মাঝামাঝি, এশীয়দের ক্ষেত্রে ৩০-এর দশকের শেষ দিকে এবং আফ্রিকান বংশোদ্ভূতদের ক্ষেত্রে ৪০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চুল ধূসর হতে শুরু করে। এশীয়দের ক্ষেত্রে ২৫ বছরে চুল পাকতে শুরু করলে তাকে অকালপক্বতা বলা যায়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/beauty/4gqsyidynv">হঠাৎ করেই অস্বাভাবিক চুল পড়ছে? এটি হতে পারে গোপন কোনো সংকেত</a></aside><h3>শারীরিক সমস্যা ও মানসিক চাপ

</h3><p>ভিটামিন বি–১২–এর ঘাটতি, থাইরয়েডের রোগ, শ্বেতীরোগ ও অ্যালোপেশিয়া এরিয়াটার মতো কিছু সমস্যার সঙ্গে চুলের রং পরিবর্তনের সম্পর্ক রয়েছে। মানসিক চাপ চুলের স্বাস্থ্যে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে মানসিক চাপ সরাসরি চুল পাকার কারণ, এমন পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।</p><h3>ধূমপানের প্রভাব

</h3><p>গবেষণায় ধূমপানের সঙ্গে অকালে চুল পাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একটি গবেষণায় দেখা গেছে, ধূমপায়ীদের ৩০ বছর বয়সের আগে চুল পাকার আশঙ্কা আড়াই গুণ বেশি।&nbsp;</p><h3>পাকা চুল কি তুলে ফেলা উচিত  </h3><p>একটি পাকা চুল তুললে তার জায়গায় তিনটি নতুন পাকা চুল গজায়—এটি একটি প্রচলিত ভুল ধারণা। বারবার চুল তুলে ফেললে চুলের ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/health/541igyth7f">টাকমাথায় চুল গজানো নিয়ে ৫ ভুল ধারণার উত্তর দিয়েছেন হেয়ার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন</a></aside><h3>পাকা চুলের বিশেষ যত্ন

</h3><p>পাকা চুল অনেকের ক্ষেত্রে শুষ্ক, রুক্ষ ও ভঙ্গুর হয়ে উঠতে পারে। তাই নিয়মিত কন্ডিশনার ব্যবহার, অতিরিক্ত তাপ প্রয়োগ এড়িয়ে চলা এবং দীর্ঘ সময় সূর্যের আলো থেকে চুলকে সুরক্ষিত রাখা প্রয়োজন। সাদা বা রুপালি চুলে হলদেটে আভা দেখা দিলে বেগুনি রঞ্জকযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করা যেতে পারে।&nbsp;</p><h3>পাকা চুল ঢাকার উপায়

</h3><p>অল্প চুল পাকলে হেয়ারস্টাইল পরিবর্তন, হেডব্যান্ডের ব্যবহার কিংবা চুলের সিঁথি পরিবর্তনের মাধ্যমে তা আড়াল করা যায়।&nbsp;</p><p>প্রয়োজনে আধা স্থায়ী বা স্থায়ী চুলের রং (হেয়ার ডাই) ব্যবহার করা যেতে পারে।&nbsp; প্রাকৃতিক মেহেদিও অনেকে চুলে ব্যবহার করেন। তবে তথাকথিত ‘ব্ল্যাক হেনা’ ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এতে প্যারা-ফেনিলিনডায়ামিন নামক রাসায়নিক থাকতে পারে, যা ত্বকে তীব্র অ্যালার্জি করতে পারে।</p><p><strong><sup>ডা. পীযুষ পাল</sup></strong><sup>, সহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌনরোগ বিভাগ, গ্রিন লাইফ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল</sup></p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/beauty/g2smv9ggpo">চুল চিটচিটে হওয়ার কারণ শুধু ঘাম নয়, দায়ী হতে পারে এই ১০টি বিষয়</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>গাজীপুর ও সাভারে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ, দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/javgtls3fn</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/javgtls3fn#comments</comments><guid isPermaLink="false">964e287a-6a08-491a-8c18-955d0fb02cbb</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:13:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:13:48.596Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গাজীপুর ও সাভারে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ ও সংঘর্ষ, দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি]]></description><media:keywords>শ্রমিক,সাভার,সংঘর্ষ,বিক্ষোভ,কারখানা,পোশাক,গাজীপুর,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k2jem0x7/BS26.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k2jem0x7/BS26.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সব খবর নিয়ে প্রথম আলোর নিয়মিত আয়োজন ‘বার্তাসংক্ষেপ’। অল্প সময়ে দিনের বড় ঘটনা ও খবরের ভেতরের খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের এ বিশেষ আয়োজনে... </p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/GHp0dpAcumo"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>মিরপুরে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুরে ৫ মামলা, আজও বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/h9c1w99cjs</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/h9c1w99cjs#comments</comments><guid isPermaLink="false">7c99ddc6-6da0-42a7-92d1-1009567aef85</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:08:59 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:08:59.919Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার আজ প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচটি মামলার প্রতিটিতে অজ্ঞাতনামা এক হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>পুলিশ,মামলা,আন্দোলন,পোশাক শ্রমিক,ভাঙচুর</media:keywords><media:content height="665" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ft5us7zf/Capture.PNG" width="980"><media:title type="html"><![CDATA[ ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে মিরপুর-১১ নম্বরে সড়ক অবরোধ করে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভের একপর্যায়ে পুলিশের গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। ১ নভেম্বর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/ft5us7zf/Capture.PNG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পোশাকশ্রমিকদের ন্যূনতম মাসিক মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে চলমান আন্দোলনে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশের গাড়িতে আগুন–ভাঙচুরের ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার দুপুরে ওই ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আজ সোমবার এসব মামলা করে।</p><p> পুলিশের মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদার আজ প্রথম আলোকে বলেন, পাঁচটি মামলার প্রতিটিতে অজ্ঞাতনামা এক হাজারের বেশি ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে।</p><p>এদিকে আজ সকালে ব্রিফিংয়ে ডিএমপির যুগ্ম পুলিশ কমিশনার মহিদুল ইসলাম সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, গতকাল বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তবে বিভিন্ন স্থানে যাঁরা জড়ো হওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়েছে।</p><p>রাজধানীর মিরপুরের বিভিন্ন অলিগলি দিয়ে আজ সকালে বিচ্ছিন্নভাবে সড়কে নামার চেষ্টা করেছেন তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা পৌনে ১১টার দিকে মিরপুর ১০ নম্বরের সেনপাড়া পর্বতা এলাকার একটি গলি দিয়ে শ্রমিকেরা সড়কে নামার চেষ্টা করেন। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের কয়েকটি শেল ছোড়া হয়। পরে শ্রমিকেরা সেখান থেকে সরে যান। এ ছাড়া আজ সকালে রূপনগর এলাকা থেকে শ্রমিকেরা বিচ্ছিন্নভাবে মিরপুর ২ নম্বর স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে প্রশিকা মোড়ের দিকে আসতে থাকেন। তাঁরা সড়কে নামার চেষ্টা করেন। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ তাঁদের বাধা দেয়। এ সময় সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।</p><p>মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের টানা দুই দিনের বিক্ষোভ–সংঘর্ষের পর আজ সকাল থেকে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। সকাল থেকে মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ সদস্যদের অবস্থান করতে দেখা যায়। গোলচত্বরে পুলিশের দাঙ্গা দমনের যান, জলকামানসহ বিভিন্ন যান প্রস্তুত রাখা হয়।</p><p>মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনের পরিস্থিতি ও পুলিশের সতর্ক অবস্থান নিয়ে আজ সকালে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম প্রিভেনশন-উত্তর) মহিদুল ইসলাম।</p><p>মহিদুল ইসলাম বলেন, মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে কেউ অরাজকতা সৃষ্টি, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত কিংবা রাষ্ট্রীয় সম্পত্তি বিনষ্টের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গতকাল রোববারের সংঘর্ষ ও পুলিশের গাড়িতে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, তা শনাক্তে তদন্ত চলছে। এ বিষয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহসহ পুলিশের বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।</p><p>মহিদুল ইসলাম বলেন, গতকালের ঘটনায় শুধু শ্রমিকেরাই জড়িত ছিলেন, এমন নয়। তদন্তে শ্রমিকদের পাশাপাশি অন্য অপরাধীদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আইন অমান্য করে দেশের ক্ষতি করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><p>পুলিশের সতর্ক অবস্থানের বিষয়ে মহিদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন স্থানে বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। তাঁদের কার্যক্রম চলমান। তাঁরা অত্যন্ত সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>পাঠকের ছবি (২ নভেম্বর ২০২৬)</title><link>https://nagorik.prothomalo.com/photo/4s0o05r1n4</link><comments>https://nagorik.prothomalo.com/photo/4s0o05r1n4#comments</comments><guid isPermaLink="false">5b9412a6-0cfc-456a-a9e8-25e7d9d00d87</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:03:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:03:57.123Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাগরিক ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1532141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পাখির ছবি,নাগরিক সংবাদ,সিরাজগঞ্জ,প্রকৃতির ছবি,ছবির গল্প</media:keywords><category>ছবি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/7dma1iln/200.jpg" /><figcaption> যে হাসিতে অনেক অজানা কথা ভেসে ওঠে। একজন সুখী মানুষ না হলে কেউ এমন প্রাণখোলা হাসি হাসতে পারেন না। সম্প্রতি ছবিটি ভোলার লালমোহন থেকে তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ptizs6o4/201.jpg" /><figcaption>ছায়াঘেরা গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মেঠো পথ। উত্তর নারীবাড়ি, গুরুদাসপুর, নাটোর, ১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/e5pbyb0z/202.jpg" /><figcaption>যে জলে জীবিকা ভাসে। মিয়ারহাট বন্দর, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/nsam6k11/203.jpg" /><figcaption>বিস্তীর্ণ চর ও চারদিকে বনজঙ্গলে ঘেরা চরকারফামার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গলাচিপা, পটুয়াখালী, ১ নভেম্বর, বেলা ২টার দিকে তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/fz0z3yrt/204.jpg" /><figcaption>পুবের মেঘলা আকাশে সূর্যের রক্তিম আভা, আর শিশিরভেজা সবুজ ধানখেতে মিশে আছে প্রকৃতির এক অপার্থিব স্নিগ্ধতা। ময়মনসিংহ, ৩১ অক্টোবর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/kb2hta4w/205.jpg" /><figcaption>ঘর্মাক্ত শরীরে বাঁশের স্তূপ নিয়ে লোকটি হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ ঘামে বিশুদ্ধতা আছে। অন্যকে ঠকানোর ভাইরাস নেই। সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম থেকে ছবিটি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4wcxksyk/206.jpg" /><figcaption>নভেম্বরের প্রথম আলো। ধামাইনগর, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, ১ নভেম্বর ২০২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5wkord2x/207.jpg" /><figcaption>ময়মনসিংহে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আগমনের শতবর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতকণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত। অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়াম, টাউনহল, ময়মনসিংহ, ৩১ অক্টোবর ২৬</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/u3te4q3d/208.jpeg" /><figcaption>সন্ধ্যামালতী ফুল। এটি সাধারণত বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে (বিশেষ করে ৪টার পর) ফুটতে শুরু করে এবং সারা রাত প্রস্ফুটিত থাকে। চুড়ারগাতী, মহম্মদপুর, মাগুরা। ছবিটি সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ov5hn3lk/209.jpg" /><figcaption>স্পিডবোটে ভোলার ভেদুরিয়া ঘাটের কাছাকাছি সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ব্রিটিশ গোয়েন্দারা কেন পাকিস্তানি মিডিয়াকে রক্ষায় তৎপর</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/3916rra5tq</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/3916rra5tq#comments</comments><guid isPermaLink="false">a3550f42-b940-433e-b2e3-904808f169c0</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:01:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:01:13.686Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বছরের পর বছর ধরে শতাধিক শুনানিতে আমাদের আবেদনটির ওপর বিচারিক কার্যক্রম চলেছিল। ]]></description><media:keywords>পাকিস্তান,মৃত্যু,গণমাধ্যম</media:keywords><media:content height="527" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/c4fw7s4p/02112026-cm-5.jpg" width="1197"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/c4fw7s4p/02112026-cm-5.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি জাল এমআই৬ নথিসহ ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। জাল নথিটিতে মুনিজা জাহাঙ্গীর, ফারহাতুল্লাহ বাবর ও হামিদ মীরকে এমআই৬-এর এজেন্ট বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের প্রতি সরকারের সাম্প্রতিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে লিখেছেন<strong> হামিদ মীর</strong>।</p><p>মাজহার আব্বাসের নতুন বইয়ের শিরোনামেই পাকিস্তানের গণমাধ্যমের পুরো চিত্রটি ফুটে উঠেছে। পাকিস্তানের অন্যতম সুপরিচিত এই সাংবাদিকের বইটির নাম <em>মিডিয়া আন্ডার দ্য শ্যাডো অব ডেথ</em> (‘মৃত্যুর ছায়ায় গণমাধ্যম’)। বইটির প্রচ্ছদে দেখা যায়, কলম ও ক্যামেরা হাতে সাংবাদিকেরা সেন্সরশিপের কারাগারে বন্দী।</p><p>কয়েক দিন আগে ইসলামাবাদে সুপরিচিত উপস্থাপক আবসা কোমলের সঞ্চালনায় বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। কিছুদিন আগে ইসলামাবাদের ন্যাশনাল প্রেসক্লাবের সামনে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রে বেতন না দেওয়ার প্রতিবাদে কথা বলেছিলেন আবসা। এর পরিণতিতে তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।</p><p>আমাদের মতো সাংবাদিকদের কাছে চাকরি হারানো কিংবা টেলিভিশনের পর্দায় উপস্থিতি নিষিদ্ধ হওয়া নতুন কিছু নয়। উদ্বেগের বিষয় হলো, মাজহার আব্বাসের মতো একজন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক বিশ্বকে সতর্ক করে দিচ্ছেন যে পাকিস্তানের গণমাধ্যম মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে এবং একে বাঁচানো জরুরি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/m57ra8xg3g">পাকিস্তান: খাইবারে জরুরি অবস্থা জারিতে কি সংকট কাটবে</a></aside><p>তাঁর বইয়ে ২০১২ সালে আমার সহকর্মী আবসার আলমকে সঙ্গে নিয়ে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে করা আমার একটি আবেদনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।</p><p>পরে মাজহার আব্বাস, আসমা শিরাজি এবং নির্বাসিত অবস্থায় কেনিয়ায় রহস্যজনকভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার প্রয়াত আরশাদ শরিফও আমার সঙ্গে ওই আবেদনের আবেদনকারী হিসেবে যুক্ত হন।</p><p>রাষ্ট্রীয় কিছু প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রবহির্ভূত ব্যক্তিদের মাধ্যমে গণমাধ্যমে দুর্নীতির বিস্তারের বিরুদ্ধে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। জবাবদিহির জন্য সবার আগে আমরা নিজেদেরই আদালতের সামনে হাজির করেছিলাম।</p><p>আমরা ফেডারেল তথ্য মন্ত্রণালয়ের গোপন তহবিল বিলুপ্ত করার দাবি জানিয়েছিলাম। পাশাপাশি বেহরিয়া টাউনের মালিক, আবাসন ব্যবসায়ী ধনকুবের মালিক রিয়াজ সাংবাদিকদের যেসব সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন, সেগুলো প্রকাশ্যে আনারও দাবি জানিয়েছিলাম।</p><blockquote>কোয়েটা থেকে আসা সেলিম শহীদ আমাদের জানান, পাকিস্তানের প্রধান টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রগুলো বেলুচিস্তানে তাদের কার্যালয় বন্ধ করে দিচ্ছে এবং দ্রুত কর্মী ছাঁটাই করছে। বেলুচিস্তানের অনেক জেলা গণমাধ্যমের জন্য কার্যত নিষিদ্ধ এলাকায় পরিণত হয়েছে।</blockquote><p>আমরা আরও বলেছিলাম, তাঁর ব্যাংক হিসাব ও আর্থিক লেনদেন তদন্ত করতে হবে এবং তাঁর কাছ থেকে সুবিধা নেওয়া সব রাজনীতিবিদ ও অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার নাম প্রকাশ করতে হবে। কিন্তু কিছুই হয়নি। সবশেষে নিজেদের বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষার জন্য গণমাধ্যমের একটি আচরণবিধি প্রণয়নের দাবি জানিয়েছিলাম আমরা।</p><p>একসময় মালিক রিয়াজের সঙ্গে ইমরান খানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ইমরান খানকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তানের আদালত তাঁকে পলাতক ও ঘোষিত অপরাধী হিসেবে ঘোষণা করেছেন।</p><p>২০১৬ সালে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছেলে হাসান নওয়াজ শরিফের কাছ থেকে লন্ডনের ১ হাইড পার্ক প্লেসে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল সম্পত্তি ৪ কোটি ২৫ লাখ পাউন্ডে কিনেছিলেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষও তাঁকে খুঁজছে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন।</p><p>অথচ পাকিস্তানের মূলধারার সংবাদপত্রগুলোতে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু লেখা এখনো অত্যন্ত কঠিন। পাকিস্তানে তাঁর বিরুদ্ধে আমি যা-ই লিখি, তা সেন্সর করা হবে। রাষ্ট্রবহির্ভূত শক্তির মাধ্যমে কীভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়, মালিক রিয়াজ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/5qau9rctbf">ট্রাম্প কেন ইসলামাবাদকে ‘ধন্যবাদ পাকিস্তান’ বার্তা পাঠাচ্ছেন </a></aside><p>২০১৬ সালে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের ছেলে হাসান নওয়াজ শরিফের কাছ থেকে লন্ডনের ১ হাইড পার্ক প্লেসে অবস্থিত একটি বিলাসবহুল সম্পত্তি ৪ কোটি ২৫ লাখ পাউন্ডে কিনেছিলেন। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষও তাঁকে খুঁজছে। তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন।</p><p>অথচ পাকিস্তানের মূলধারার সংবাদপত্রগুলোতে তাঁর বিরুদ্ধে কিছু লেখা এখনো অত্যন্ত কঠিন। পাকিস্তানে তাঁর বিরুদ্ধে আমি যা-ই লিখি, তা সেন্সর করা হবে। রাষ্ট্রবহির্ভূত শক্তির মাধ্যমে কীভাবে গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করা হয়, মালিক রিয়াজ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ।</p><p>বছরের পর বছর ধরে শতাধিক শুনানিতে আমাদের আবেদনটির ওপর বিচারিক কার্যক্রম চলেছিল। এর একটি সাফল্য ছিল তথ্য মন্ত্রণালয়ের গোপন তহবিলের অর্থছাড় বন্ধ করে দেওয়া। এই তহবিল সাংবাদিকদের ঘুষ দেওয়ার কাজে ব্যবহার করা হতো। আবেদনকারী ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সুপ্রিম কোর্ট পাকিস্তানের ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমের জন্য একটি আচরণবিধিও তৈরি করেছিল। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/scw0g033/02112026-cm-5.jpg" /></figure><p>২০১৫ সালে পাকিস্তান ইলেকট্রনিক মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ—পেমরা—এটি কার্যকর করেছিল। দুঃখজনকভাবে, আচরণবিধিটি কখনো বাস্তবায়িত হয়নি।</p><p>আচরণবিধিটি আরোপ করেছিলেন সুপ্রিম কোর্ট। এটি বাস্তবায়নের দায়িত্বও ছিল আদালতের। কিন্তু আদালতের কয়েকজন বিচারক রাজনীতির অংশ হয়ে পড়েন। তাঁদের রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার কারণে প্রতিষ্ঠানটির দুর্বলতা আরও বেড়ে যায়।</p><p>গোয়েন্দা সংস্থার কর্তাব্যক্তিদের পরিকল্পনায় এবং কয়েকজন হাইকোর্টের বিচারকের নির্দেশে করা বহু মিথ্যা মামলার মুখোমুখি হয়েছি আমি। সরকার পরিবর্তনের পর ওই বিচারকদের সবাই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। আমি বলতে চাই, সব সময় নিম্ন আদালত থেকে প্রতিকার পেয়েছি; আমার সমস্যার উৎস ছিল উচ্চতর বিচার বিভাগ, যা আরও বেশি রাজনীতিকীকরণের শিকার।</p><p>আজ আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সূচকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা থেকে আইনের শাসন, সুশাসন থেকে গণতন্ত্র—সব ক্ষেত্রেই পাকিস্তানের অবস্থান একেবারে তলানিতে। মাজহার আব্বাসের বইটি শুধু পাকিস্তানে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা হারিয়ে যাওয়ার বেদনাময় বিবরণ নয়; এটি বিচার বিভাগ ও সংসদের স্বাধীনতা হারানোরও এক শোকগাথা।</p><p>বইটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার পর আমাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, কেন আমি বলেছি, জেনারেল পারভেজ মোশাররফের সামরিক শাসনের সময়ের তুলনায় বর্তমানে গণমাধ্যমের পরিস্থিতি আরও খারাপ।</p><p>আমি উত্তরে বলেছিলাম, মোশাররফের শাসনামলে আমারসহ মাত্র পাঁচজন টেলিভিশন উপস্থাপকের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল। সেই নিষেধাজ্ঞাও ছিল মাত্র কয়েক মাসের জন্য। তিনি প্রেসিডেন্টের পদ থেকে পদত্যাগ করার সঙ্গে সঙ্গেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছিল।</p><p>অথচ আজকের তথাকথিত গণতান্ত্রিক শাসনামলে ১৫ জন টেলিভিশন উপস্থাপককে পর্দা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। জনপ্রিয় উপস্থাপক কাশিফ আব্বাসিকে এক বছর ধরে এআরওয়াই টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যাচ্ছে না।</p><p>এই সরকার ইমরান খানের সরকারের রেকর্ডও ভেঙে দিয়েছে। ২০২১ সালে ইমরান খানের সরকার আমাকে ৯ মাসের বেশি সময়ের জন্য নিষিদ্ধ করেছিল। এখন যাঁদের ওপর সরাসরি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়নি, তাঁরাও নানা ধরনের বিধিনিষেধের মুখোমুখি হচ্ছেন।</p><p>আগে শুধু সরকার কিংবা সরকারের জোটসঙ্গী মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) গণমাধ্যমকে হুমকি দিত। এখন সরকারের পাশাপাশি বিভিন্ন রাষ্ট্রবহির্ভূত শক্তিও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করছে। এসব শক্তির মধ্যে কয়েকটি সন্ত্রাসী সংগঠনও রয়েছে।</p><p>বই প্রকাশের কয়েক দিন পর, আমি লাহোরে সাংবাদিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সভায় যোগ দিয়েছিলাম। সভায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন মুনিজা জাহাঙ্গীর। কয়েক সপ্তাহ আগেই তাঁকে<strong> </strong>টেলিভিশন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তাঁর মা আসমা জাহাঙ্গীরের মতো তিনিও মানবাধিকার রক্ষায় সক্রিয়। সে কারণেই তাঁকে চাকরি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।</p><p>পাকিস্তানের বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের সদস্যরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মুজিবুর রহমান শামি, সুহাইল ওয়ারাইচ, নাজাম শেঠি, আসমা শিরাজি ও আরিফা নূরের মতো ব্যক্তিরা বেলুচিস্তান, সিন্ধু, খাইবার পাখতুনখাওয়া, আজাদ কাশ্মীর এবং গিলগিট-বালটিস্তানের সাংবাদিকদের সমস্যার কথা শোনেন।</p><p>কোয়েটা থেকে আসা সেলিম শহীদ আমাদের জানান, পাকিস্তানের প্রধান টেলিভিশন চ্যানেল ও সংবাদপত্রগুলো বেলুচিস্তানে তাদের কার্যালয় বন্ধ করে দিচ্ছে এবং দ্রুত কর্মী ছাঁটাই করছে। বেলুচিস্তানের অনেক জেলা গণমাধ্যমের জন্য কার্যত নিষিদ্ধ এলাকায় পরিণত হয়েছে।</p><p>করাচি ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের সভাপতি তাহির হাসান বলেন, করাচি প্রেসক্লাবের বাইরে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের শনাক্ত করার জন্য প্রেসক্লাবের চারপাশে ক্যামেরাও স্থাপন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সিন্ধুতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পেকা আইন, ২০২৫ ব্যবহার করা হচ্ছে।</p><p>খাইবার ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের নাসির হোসেন খাইবার পাখতুনখাওয়ায় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) আগের সরকারের আমলে গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।</p><p>নাসির হোসেন জানান, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলার পর থেকে তাঁর প্রদেশে ৩০ জন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। পেশোয়ার প্রেসক্লাবেও আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়েছে।</p><p>পাঞ্জাব ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের মহাসচিব কামার ভাট্টি বলেন, পাঞ্জাবে ইমরান শাফকাত ও সাজ্জাদ আনোয়ারসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পেকা আইন ব্যবহার করা হয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটির ৬০ শতাংশ সাংবাদিক বেকার। তাঁর দাবি, পাঞ্জাবের পরিস্থিতি সামরিক শাসনামলের চেয়েও খারাপ।</p><p>মুজাফফরাবাদ থেকে আসা আরিফ বাহার বলেন, আজাদ কাশ্মীরের গণমাধ্যমও পাকিস্তানের অন্যান্য অঞ্চলের মতো একই পরিস্থিতির মুখোমুখি। লেখক ও মানবাধিকারকর্মী ফারহাতুল্লাহ বাবর আজাদ কাশ্মীর বিষয়ে পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশনের একটি প্রতিবেদনের কথা তুলে ধরেন।</p><p>গিলগিট থেকে আসা ইসরারউদ্দিন ইসরার বলেন, গিলগিট-বালটিস্তানে ইন্টারনেট নেই। ফলে সেখানকার মানুষ তথ্যের জন্য টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এসব টেলিভিশন চ্যানেল ওই অঞ্চলের খবরই প্রচার করে না।</p><p>পাকিস্তান ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের মহাসচিব ও লাহোর প্রেসক্লাবের সভাপতি আরশাদ আনসারি পেকা আইন, ২০২৫-কে একটি কালো আইন হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়ী করেন।</p><blockquote>পাকিস্তানে এমআই৬-এর এজেন্ট কারা, অবশ্যই তাদের খুঁজে বের করুন। তবে তাদের নামগুলো আমাদেরও জানিয়ে দিন। এমআই৬-এর এজেন্টরা যদি পাকিস্তানের গণমাধ্যমকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে আমরা তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা প্রায়ই ব্রিটিশ নীতির সমালোচনা করি, কিন্তু এতে ব্রিটিশদের কোনো সমস্যা হয় না।</blockquote><p>তাঁর বক্তব্য, এই আইন পাস করার পাপের ভাগীদার শুধু মাওলানা ফজলুর রহমানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (জেইউআই) এবং হাফিজ নাঈমুর রহমানের জামায়াতে ইসলামি নয়। বাকি সবার হাতই এই পাপে কলঙ্কিত। তিনি ঘোষণা করেন, গণমাধ্যমকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে সাংবাদিকেরা খুব শিগগির রাজপথে নামবেন।</p><p>তবে একটি আশাব্যঞ্জক ঘটনা ছিল, পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার ভিডিও সংযোগের মাধ্যমে সভায় যোগ দিয়েছিলেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের আশ্বাস দেন, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে পেকা আইন, ২০২৫-এর প্রয়োগ নিরুৎসাহিত করা হবে। তিনি বলেন, আইনটি শুধু ভুয়া খবর ছড়ানো ব্যক্তি এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে।</p><p>সভাটির আয়োজক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক নাসির জাইদি বারবার জোর দিয়ে বলেন, ‘আমাদের কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা নেই। পাকিস্তানের সংবিধানের কাঠামোর মধ্যে থেকেই আমরা নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে চাই।’</p><p>এই গুরুত্বপূর্ণ সভার পরদিনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি জাল এমআই৬ নথিসহ ভুয়া খবর ছড়িয়ে পড়ে। এতে দাবি করা হয়, ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থা এমআই৬-এর নির্দেশে লাহোরের ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল।</p><p>জাল নথিটিতে মুনিজা জাহাঙ্গীর, ফারহাতুল্লাহ বাবর ও আমাকে এমআই৬-এর এজেন্ট বা স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ক্ষমতাসীন সরকারের পরিচিত অনেক সমর্থকও দাবি করেন, আমাদের ‘লন্ডনের মনিবদের’ নির্দেশেই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়েছিল।</p><p>এই ভুয়া খবর ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তাঁরা জানতে চাইতে শুরু করেন, পাকিস্তানে এমআই৬ কেন আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।</p><p>আমি পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষকে বলতে চাই, ২০১২ সালে আমরা নিজেরাই জবাবদিহির জন্য নিজেদের সামনে হাজির করেছিলাম। আজ ২০২৬ সালেও আমরা জবাবদিহির জন্য প্রস্তুত। আমাদের যা কিছু আছে, সবই আয়কর বিবরণীতে ঘোষণা করা হয়েছে।</p><p>কর্তৃপক্ষ যদি সত্যিই মনে করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা এমআই৬-এর এজেন্ডা, তাহলে তাদের পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর ভাষণগুলো পড়া উচিত। তিনি সব সময় মুক্ত সংবাদমাধ্যমের পক্ষে ছিলেন। ১৯৪৭ সালের আগে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত অনেক সাংবাদিকের পক্ষে আইনজীবী হিসেবেও তিনি আদালতে দাঁড়িয়েছিলেন।</p><p>পাকিস্তানে এমআই৬-এর এজেন্ট কারা, অবশ্যই তাদের খুঁজে বের করুন। তবে তাদের নামগুলো আমাদেরও জানিয়ে দিন। এমআই৬-এর এজেন্টরা যদি পাকিস্তানের গণমাধ্যমকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে চান, তাহলে আমরা তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমরা প্রায়ই ব্রিটিশ নীতির সমালোচনা করি, কিন্তু এতে ব্রিটিশদের কোনো সমস্যা হয় না।</p><ul><li><p><strong>হামিদ মীর</strong> পাকিস্তানি সাংবাদিক এবং আরএসএফ বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা পুরস্কারের আন্তর্জাতিক জুরির সদস্য।</p><p><em>মতামত লেখকের নিজস্ব</em></p> <p>[ ২ নভেম্বর ২০২৬ প্রথম আলোর ছাপা পত্রিকায় এ লেখা ‘<strong>পাকিস্তান: এমআই৬ কি গণমাধ্যমকে মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচাতে চাইছে</strong>’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছে]</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে যেভাবে নাম লেখানো যায়</title><link>https://www.kishoralo.com/feature/1q51l1gsr1</link><comments>https://www.kishoralo.com/feature/1q51l1gsr1#comments</comments><guid isPermaLink="false">56ba5c6e-1e90-4b71-95f3-6ce0db96f6a9</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 13:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T13:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রেকর্ডের পেছনে একটি সংখ্যা বা পরিমাপ থাকতেই হবে। কত সেকেন্ডে? কত মিটার? কতজন? কয়টি? সংখ্যা ছাড়া তুলনা করা সম্ভব নয়। তাই ‘সবচেয়ে সুন্দর’ বা ‘সবচেয়ে ভালো’ ধরনের রেকর্ড গিনেস গ্রহণ]]></description><media:keywords>মাথায় কত প্রশ্ন আসে কিআ,আরও কিআ,জানা অজানা কিআ</media:keywords><media:content height="360" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qz2vpm73/guinness-world-record.jpg" width="640"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qz2vpm73/guinness-world-record.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>feature</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নভেম্বর মাসের এক শীতের সকাল। আকাশে উড়ছে একঝাঁক পাখি। আয়ারল্যান্ডের ওয়েক্সফোর্ড কাউন্টিতে স্ল্যানি নদীর ধারে বন্ধুদের নিয়ে শিকারে এসেছেন স্যার হিউ বিভার।</p><p>একটি পাখি শিকারের উদ্দেশ্যে গুলি ছুড়লেন তিনি। কিন্তু নিশানা ফসকে গেল। পাখিটি ছিল গোল্ডেন প্লোভার। তবে ওই মুহূর্তে তাঁর মাথায় এল অন্য একটি প্রশ্ন। ইউরোপে শিকার করা যায়, এমন পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত ওড়ে কোনটি? গোল্ডেন প্লোভার, নাকি রেড গ্রাউস?</p><p>শুরু হলো তুমুল তর্ক। কেউ বলেন প্লোভার, কেউ বলেন গ্রাউস। কিন্তু এই তর্কের মীমাংসা করবে কে? শেষ পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই তর্ক শেষ হলো। বিভার বাড়ি ফিরে এলেন, কিন্তু প্রশ্নটি মাথা থেকে গেল না।</p><p>স্যার হিউ বিভার ছিলেন বিখ্যাত গিনেস ব্রুয়ারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তাঁর মাথায় এল দারুণ এক বুদ্ধি। এমন একটি বই তৈরি করা যায় না, যেখানে পৃথিবীর সবচেয়ে বড়, দ্রুত, দীর্ঘ কিংবা অদ্ভুত সব বিষয়ের তথ্য থাকবে? পাবে এমন একটি বই থাকলে তর্কের মীমাংসা করা সহজ হবে। মানুষ আরও বেশি সময় বসে গল্প করবে, পান করবে আরও বেশি বিয়ার। গিনেসের ব্যবসাও জমজমাট হবে!</p><p>এভাবেই ১৯৫১ সালের নভেম্বরের এক শীতের সকালে ফসকে যাওয়া একটি গুলি থেকে জন্ম নিল পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত একটি বইয়ের ভাবনা।</p><p>মজার বিষয় হলো, গিনেস নামটি আসলে একটি পারিবারিক নাম। ১৭৫৯ সালে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে আর্থার গিনেস নামের এক ব্যবসায়ী একটি পুরোনো ব্রুয়ারি ইজারা নেন। ইজারা চুক্তির মেয়াদ ছিল টানা ৯ হাজার বছর! পরে সেই ব্রুয়ারিই হয়ে ওঠে বিখ্যাত গিনেস বিয়ার কোম্পানি। রেকর্ডবিষয়ক বইটির নাম এসেছে এই কোম্পানি থেকেই। তবে গিনেস বিয়ারের সঙ্গে বইটির সরাসরি সম্পর্ক বলতে এইটুকুই।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/a2gljflx17">২০২৪ সালের ১০টি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/65a75q2s/gwr_2015_endpapers_2_edit_485664.png" /></figure><p><strong>বই থেকে বিশ্ব রেকর্ড</strong></p><p>ভাবনা তো এল, কিন্তু বইটি লিখবে কে? এবার এগিয়ে এলেন গিনেসের আরেক কর্মী ক্রিস্টোফার চ্যাটাওয়ে। তিনি বিভারকে দুই যমজ ভাইয়ের কথা বললেন। তাঁদের নাম নরিস ম্যাকওয়ার্টার ও রস ম্যাকওয়ার্টার। লন্ডনে তাঁদের একটি ছোট তথ্য অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান ছিল। ১৯৫৪ সালে দুই ভাইয়ের হাতে বই তৈরির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হলো।</p><p>লন্ডনের ফ্লিট স্ট্রিটের একটি ছোট ঘরে বসে কাজে নেমে পড়লেন তাঁরা। পুরোনো বই, বিশ্বকোষ, গবেষণাপত্র, বিশেষজ্ঞদের চিঠি—কিছুই বাদ দিলেন না। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে তথ্য যাচাই করলেন। সব মিলিয়ে কয়েক মাসের হাড়ভাঙা খাটুনির পর তৈরি হলো বইটি।</p><p>১৯৫৫ সালের ২৭ আগস্ট প্রকাশিত হলো দ্য গিনেস বুক অব রেকর্ডস–এর প্রথম সংস্করণ। বইটিতে ছিল ১৯৮টি পৃষ্ঠা।</p><p>এরপর যা ঘটল, তা কেউ ভাবেনি। বইটি বাজারে আসার পর পাঠকেরা হুমড়ি খেয়ে পড়লেন। বড়দিনের আগেই গিনেস বুক ব্রিটেনের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বইয়ের তালিকার শীর্ষে চলে এল। পরের বছর প্রকাশিত হলো যুক্তরাষ্ট্রেও। যে বইয়ের শুরু হয়েছিল পাবে বসে তর্ক মেটানোর জন্য, সেটি পৌঁছে গেল ঘরে ঘরে। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বড়রা, এমনকি বয়স্করাও পড়তে শুরু করলেন বইটি। সবারই জানতে ইচ্ছা করে, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কেক কত বড়? সবচেয়ে লম্বা নখ কার?</p><p><strong>রেকর্ড মানে আসলে কী?</strong></p><p>ধরো, তুমি বন্ধুদের বললে, ‘আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর ছবি আঁকতে পারি!’ বন্ধুরা হয়তো হাততালি দেবে। কিন্তু গিনেস কর্তৃপক্ষ কি এটিকে রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি দেবে? মোটেই না! কারণ, ‘সুন্দর’ বা ‘মজার’ বিষয়গুলোকে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা দিয়ে মাপা যায় না। একজনের কাছে যা মজার, আরেকজনের কাছে তা বিরক্তিকরও হতে পারে।</p><p>গিনেসের কাছে রেকর্ড মানে এমন কিছু, যা মাপা যায়, যার সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা করা যায় এবং যা অন্য কেউ ভাঙার চেষ্টা করতে পারে। গিনেসের নিজস্ব নিয়ম অনুযায়ী, একটি রেকর্ডকে সাধারণত পাঁচটি শর্ত পূরণ করতে হয়।</p><p>শর্ত ১: মাপা যাবে</p><p>রেকর্ডের পেছনে একটি সংখ্যা বা পরিমাপ থাকতেই হবে। কত সেকেন্ডে? কত মিটার? কতজন? কয়টি? সংখ্যা ছাড়া তুলনা করা সম্ভব নয়। তাই ‘সবচেয়ে সুন্দর’ বা ‘সবচেয়ে ভালো’ ধরনের রেকর্ড গিনেস গ্রহণ করে না। তবে ‘এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি স্কিপিং’ গ্রহণ করে। কারণ, এটি গুনে দেখা সম্ভব।</p><p>শর্ত ২: রেকর্ড ভাঙা যাবে</p><p>রেকর্ড এমন হতে হবে, যাতে আজ একজন রেকর্ড গড়লে কাল অন্য কেউ সেটি ভাঙার চেষ্টা করতে পারে। ‘আমার দাদুর জন্মদিনে সবচেয়ে বেশি মানুষ এসেছিল’—এ ধরনের একবারই ঘটে যাওয়া ঘটনা তাই রেকর্ড হিসেবে স্বীকৃতি পায় না। রেকর্ডের আসল মজা হলো প্রতিযোগিতায়। যে রেকর্ড কেউ ভাঙার চেষ্টা করতে পারবে না, তা নিয়ে গিনেসের আগ্রহ নেই।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/fmx5owml7a">১১ বছর বয়সে জাদুঘরের দায়িত্ব নিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/wrd6owj5/images.jpg" /></figure><p>শর্ত ৩: নিয়মের মধ্যে বাঁধা যাবে</p><p>এটিকে বলে স্ট্যান্ডার্ডাইজড। কথাটি কঠিন শোনালেও ধারণাটি সহজ। ধরো, তুমি সবচেয়ে বেশি ডিগবাজি দেওয়ার রেকর্ড গড়তে চাও। কিন্তু ডিগবাজি কেমন হবে? মাটিতে, নাকি তোশকের ওপর? একটার পর একটা, নাকি মাঝে থেমে থেমে? প্রতিবার ডিগবাজি শেষে দুই পায়ে দাঁড়াতে হবে, নাকি না দাঁড়ালেও চলবে? এসব বিষয় ঠিক না করলে একজনের ডিগবাজির সঙ্গে আরেকজনের ডিগবাজির তুলনা করা যাবে না। তাই প্রতিটি রেকর্ডের জন্য গিনেস আলাদা নির্দেশিকা তৈরি করে রেখেছে। সব প্রতিযোগীকে সেই নিয়ম মেনেই চেষ্টা করতে হয়।</p><p>শর্ত ৪: প্রমাণ করা যাবে</p><p>তুমি যা-ই করো, তার প্রমাণ থাকতে হবে। ছবি, ভিডিও, সাক্ষীদের স্বাক্ষর, মাপার যন্ত্রের হিসাব—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ। ‘আমি করেছি, বিশ্বাস করুন’—এ কথায় গিনেস রেকর্ডের স্বীকৃতি দেয় না। প্রমাণের বিষয়টি নিয়ে আমরা একটু পরে বিস্তারিত কথা বলব। কারণ, আবেদনকারীরা সবচেয়ে বেশি ভুল করেন এই জায়গাতেই।</p><p>শর্ত ৫: একটি নির্দিষ্ট বিষয় মাপা হবে</p><p>একটি রেকর্ডে একবারে একটি বিষয়ই মাপা হয়। একসঙ্গে ‘সবচেয়ে দ্রুত’ আর ‘সবচেয়ে নিখুঁত’—এমন দুটি বিষয় জুড়ে দিলে ফলাফল নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। তাই ‘এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি’ কিংবা ‘সবচেয়ে কম সময়ে’—এভাবে একটি নির্দিষ্ট মাপকাঠি ঠিক করে নিতে হয়।</p><p>তুমি যদি রেকর্ড গড়ার কথা ভাবো, তাহলে সামনে আসলে দুটি পথ। পুরোনো কোনো রেকর্ড ভাঙতে পারো, অথবা একেবারে নতুন রেকর্ডের প্রস্তাব দিতে পারো।</p><p>গিনেসের ওয়েবসাইটে হাজার হাজার রেকর্ডের তালিকা আছে। সেখানে খুঁজলে পেয়ে যাবে ‘এক মিনিটে সবচেয়ে বেশি সিট-আপ’, ‘সবচেয়ে লম্বা কেক’, ‘সবচেয়ে বেশি মানুষ নিয়ে একসঙ্গে গান গাওয়া’—এমন নানা রেকর্ড। তুমি যে রেকর্ডটি ভাঙতে চাও, সেটি বেছে নিয়ে তার নিয়ম মেনে বর্তমান রেকর্ডধারীর চেয়ে ভালো কিছু করে দেখাতে হবে।</p><p>অন্যদিকে, চাইলে একেবারে নতুন কোনো রেকর্ডের প্রস্তাবও দিতে পারো। এমন কিছু করতে পারো, যা আগে কেউ ভাবেনি। এ জন্য গিনেসকে জানাতে হবে, তুমি ওই কাজের জন্য একটি নতুন রেকর্ডের বিভাগ চালু করতে চাও। গিনেসের দল যাচাই করে দেখবে, প্রস্তাবটি তাদের পাঁচটি শর্ত পূরণ করে কি না। প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হলে তারা নতুন একটি রেকর্ডের শিরোনাম তৈরি করবে এবং এর নিয়মকানুন ঠিক করে দেবে।</p><p>নতুন রেকর্ডের ক্ষেত্রে মজার একটি বিষয় আছে। যে প্রথম রেকর্ডটি গড়ে, সে-ই হয় ওই রেকর্ডের প্রতিষ্ঠাতা।</p><p><strong>এবার প্রশ্ন, আবেদন করবে কীভাবে?</strong></p><p>ধাপ ১: আগে ঠিক করো, কী করবে</p><p>গিনেসের ওয়েবসাইট (guinnessworldrecords.com) গিয়ে সার্চ করে দেখো, তোমার পছন্দের বিষয়ে কী কী রেকর্ড আছে। বর্তমান রেকর্ডধারীর সংখ্যা বা স্কোর কত এবং রেকর্ডটির নিয়মকানুন কী, তা মন দিয়ে পড়ে নাও।</p><p>ধাপ ২: অ্যাকাউন্ট খুলে আবেদন করো</p><p>ওয়েবসাইটে প্রথমে একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর ‘রেকর্ড ভাঙতে চাই’ অথবা ‘নতুন রেকর্ড প্রস্তাব করতে চাই’—এ ধরনের বিকল্প বেছে নিয়ে একটি ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে নিজের নাম, বয়স, ঠিকানা ও যোগাযোগের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি জানাতে হবে, কোন রেকর্ডটি ভাঙতে চাও অথবা নতুন রেকর্ডের ধারণাটি কী। কোথায় এবং কবে রেকর্ড গড়ার চেষ্টা করবে, তোমার লক্ষ্যমাত্রা কত, অর্থাৎ বর্তমান রেকর্ডের চেয়ে কতটা ভালো করতে চাও, এসব তথ্যও উল্লেখ করতে হবে।</p><p>কম বয়সীদের ক্ষেত্রে অনেক সময় অভিভাবকের অনুমতি প্রয়োজন হয়। কিছু রেকর্ডের জন্য নির্দিষ্ট বয়সসীমাও রয়েছে। তাই আবেদন করার আগে রেকর্ডটির নিয়মে বয়স–সংক্রান্ত শর্তগুলো দেখে নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/গিনেস-ওয়ার্ল্ড-রেকর্ডস-প্রচেষ্টা-ও-বিজয়-রাইডের-মাস">গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস প্রচেষ্টা ও বিজয় রাইডের মাস</a></aside><p>ধাপ ৩: গিনেসের উত্তরের অপেক্ষা</p><p>আবেদন জমা দেওয়ার পর গিনেসের দল সেটি যাচাই করবে। সাধারণ আবেদন বিনা মূল্যে করা যায়। তবে উত্তর পেতে বেশ কিছুদিন, কখনো কয়েক সপ্তাহও লেগে যেতে পারে। কারণ, প্রতিদিন পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে গিনেসের কাছে অসংখ্য আবেদন জমা পড়ে।</p><p>যাঁরা দ্রুত উত্তর পেতে চান, তাঁদের জন্য নির্দিষ্ট ফি দিয়ে ‘প্রায়োরিটি’ সেবা নেওয়ার সুযোগও রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আবেদনটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দেখা হয় এবং কয়েক কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর পাওয়ার সুযোগ থাকে।</p><p>গিনেস আবেদন গ্রহণও করতে পারে, আবার প্রত্যাখ্যানও করতে পারে। কখনো তারা প্রস্তাবিত রেকর্ডের ধরন পরিবর্তনের পরামর্শ দেয়। আবেদন গ্রহণ করা হলে তারা পাঠায় ওই রেকর্ডের বিস্তারিত নির্দেশিকা। সেখানে লেখা থাকে কী কী করতে হবে এবং কীভাবে প্রমাণ জমা দিতে হবে।</p><p>ধাপ ৪: নির্দেশিকা মেনে প্রস্তুতি নাও ও সাক্ষী ঠিক করো</p><p>গিনেসে নাম লেখাতে চাইলে নির্দেশিকার প্রতিটি নিয়ম হুবহু মানতে হবে। তাই প্রস্তুতির জন্য দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। এ সময় হাল ছেড়ে দিলে চলবে না। বারবার অনুশীলন করে নিজের দক্ষতা বাড়াতে হবে।</p><p>এবার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ, সাক্ষী ঠিক করা। গিনেসের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, রেকর্ড গড়ার চেষ্টার সময় অন্তত দুজন স্বাধীন সাক্ষী থাকতে হয়। স্বাধীন সাক্ষী মানে এমন কেউ, যিনি তোমার পরিবারের সদস্য নন এবং রেকর্ড গড়ার ঘটনায় যাঁর কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ নেই। যেমন স্কুলের শিক্ষক, কোচ, চিকিৎসক কিংবা স্থানীয় কোনো গণ্যমান্য ব্যক্তি।</p><p>সাক্ষীদের কাজ হলো—</p><p>নিজের চোখে পুরো চেষ্টাটি দেখা।</p><p>নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা খেয়াল রাখা।</p><p>ফলাফলের নির্ভুলতা যাচাই করা।</p><p>শেষে একটি সাক্ষ্য-বিবৃতিতে সই করা, যেখানে তাঁরা কী দেখেছেন, তা লেখা থাকবে।</p><p>ধাপ ৫: প্রমাণ রেকর্ড করো</p><p>গিনেসের নিয়ম অনুযায়ী, ভিডিওতে কোনো ধরনের সম্পাদনা করা যাবে না, যাতে পুরো ঘটনাটি নিয়ে কোনো সন্দেহ তৈরি না হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একটানা ভিডিও করতে হবে। মাঝখানে কোনো কাটাছেঁড়া চলবে না। ক্যামেরা এমন জায়গায় রাখতে হবে, যেন পুরো চেষ্টা এবং গণনা পরিষ্কারভাবে দেখা যায়।</p><p>বড় কোনো রেকর্ডের ক্ষেত্রে, যেমন হাজারো মানুষকে নিয়ে একসঙ্গে কিছু করা, গিনেসের একজন অফিশিয়াল বিচারক সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেন। তবে এ ধরনের ব্যবস্থা সাধারণত বড় আয়োজনের জন্য। বিচারক পাঠানোর খরচ আয়োজকদেরই বহন করতে হয়।</p><p>ধাপ ৬: প্রমাণ জমা দাও এবং সার্টিফিকেট পাও</p><p>ভিডিও, ছবি ও সাক্ষীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র গিনেসের ওয়েবসাইটে জমা দেওয়ার পর শুরু হবে আরেক দফা অপেক্ষা। গিনেসের রেকর্ড ব্যবস্থাপনা দল পুরো প্রমাণ ভালোভাবে যাচাই করবে। তারা ভিডিও দেখে হিসাব মিলিয়ে নেবে, সাক্ষীদের বিবৃতি পড়বে এবং প্রয়োজনে আরও তথ্য চাইবে। এই পর্যায়ে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। প্রমাণ অসম্পূর্ণ হলে তারা অতিরিক্ত তথ্য চেয়ে পাঠাবে।</p><p>রেকর্ডটি অনুমোদিত হলে অনলাইনে একটি ডিজিটাল সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। কাগজের সার্টিফিকেট বা স্মারক চাইলে আলাদাভাবে কিনতে হতে পারে।</p><p>আর যদি রেকর্ড অনুমোদিত না হয়? সে ক্ষেত্রে গিনেস কারণ জানিয়ে দেয়। কখনো ভিডিওর ক্যামেরার কোণ ঠিক থাকে না, কখনো সাক্ষীদের একজন পরিবারের সদস্য হন, আবার কখনো গণনায় ভুল থাকে। এসব ভুল শুধরে নিয়ে আবার চেষ্টা করা যায়।</p><p>গিনেসের নিয়ম, ফি ও অপেক্ষার সময় মাঝেমধ্যে পরিবর্তিত হয়। তাই আবেদন করার আগে অবশ্যই তাদের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট (guinnessworldrecords.com) থেকে সর্বশেষ নিয়মগুলো দেখে নিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/sports/bi8xn6671s">৫৫ ঘণ্টায় ১৬০ কিলোমিটার সাঁতরে রেকর্ড গড়লেন পোলিশ সাঁতারু</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/btlkjzid/shutterstock_cover_black_and_white_714697.jpg" /></figure><p><strong>গিনেস এসব করে কেন?</strong></p><p>একটি প্রতিষ্ঠান মানুষকে রেকর্ড গড়তে উৎসাহ দেয়, সার্টিফিকেট দেয়, আবার এত পরিশ্রম করে সবকিছু যাচাইও করে। এর পেছনে লাভটা কী?</p><p>শুরুর দিকে উত্তরটা ছিল বেশ সহজ। হিউ বিভার চেয়েছিলেন, পাবে আড্ডা জমুক আর গিনেসের নাম ছড়িয়ে পড়ুক ঘরে ঘরে। বইয়ের গায়ে কোনো বিজ্ঞাপন ছিল না, কিন্তু এর মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল গিনেসের নাম। একে বলে ব্র্যান্ড বিল্ডিং। অর্থাৎ কোনো প্রতিষ্ঠানের নাম ও পরিচিতি মানুষের মনে গেঁথে দেওয়া।</p><p>তবে এখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস নিজেই একটি বড় ব্যবসা। প্রতিবছর বইটির নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ছবিতে ঠাসা এই বই শিশু-কিশোরদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। এখন পর্যন্ত গিনেস বুক অব রেকর্ডসের বিভিন্ন সংস্করণ ১০০টির বেশি দেশে প্রায় ৪০টি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে। গিনেসের নিজের দাবি অনুযায়ী, বইটির বিক্রি ১৫ কোটি কপি ছাড়িয়েছে। কপিরাইটযুক্ত বইয়ের মধ্যে এটি পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া বইগুলোর একটি।</p><p>এ ছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে রেকর্ড নিয়ে অনুষ্ঠান তৈরি করা হয়। ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে দেওয়া হয় এসব রেকর্ডের ভিডিও। ফলে টেলিভিশন ও ডিজিটাল কনটেন্ট থেকেও আয় হয়।</p><p>অনেক ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠান নিজেদের পরিচিতি বাড়াতে গিনেসের রেকর্ড গড়তে চায়। গিনেস তাদের এ বিষয়ে পরামর্শ দেয়। বড় আয়োজনের ক্ষেত্রে নিজেদের বিচারকও পাঠায়। এসব সেবার বিনিময়ে প্রতিষ্ঠানটি ফি নেয়।</p><p>রেকর্ড অনুমোদিত হলে সার্টিফিকেট পাওয়া যায়। কেউ চাইলে বাঁধাই করা সার্টিফিকেট বা স্মারকও কিনতে পারেন। পাশাপাশি জাদুঘর ও প্রদর্শনীর মাধ্যমেও আয় করে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>গিনেস ব্রুয়ারির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার পর বইটির মালিকানা বেশ কয়েকবার হাতবদল হয়েছে। বর্তমানে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের মালিক কানাডার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান জিম প্যাটিসন গ্রুপ। ২০০৮ সালে তারা এটি কিনে নেয়। এর আগে ১৯৯৯ সালে বইটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস। নামেই বোঝা যায়, এখন এর পরিধি পুরো বিশ্বজুড়ে।</p><p>মোটকথা, মানুষের কৌতূহলকে একটি বিশাল বাণিজ্যিক শিল্পে পরিণত করেছে গিনেস। আর মানুষের কৌতূহল এমন এক জিনিস, যা কখনো ফুরিয়ে যাওয়ার নয়।</p><p>প্রতিবছর নভেম্বর মাসের দ্বিতীয় বৃহস্পতিবার পালিত হয় গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ডে। সে হিসাবে এবার ১২ নভেম্বর গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস ডে।</p><p><strong>রেকর্ড গড়ে কী লাভ?</strong></p><p>এখন তোমার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, এত কষ্ট করে রেকর্ড গড়ে লাভ কী?</p><p>মাসের পর মাস কঠোর অনুশীলন করলে নিজের মধ্যে তৈরি হয় দৃঢ় মনোবল। এই মনোবল ও আত্মবিশ্বাস পড়াশোনা, খেলাধুলা কিংবা জীবনের অন্য যেকোনো কাজে কাজে লাগতে পারে। রেকর্ডধারীদের অনেককেই সংবাদমাধ্যমে ডাকা হয়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়। কারও কারও জন্য এই অর্জন ভবিষ্যতে নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়।</p><p>তবে সবচেয়ে বড় কথা, রেকর্ড গড়া দারুণ এক শখের বিষয়। অনেকের কাছে এটি নিজেকে প্রমাণ করার একটি উপায়। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস বারবার দেখিয়েছে, মানুষের কৌতূহল আর অদম্য ইচ্ছাশক্তি থাকলে অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। নিজের ভেতরের শক্তি ও সামর্থ্যকে নতুন করে আবিষ্কার করার জন্য গিনেস রেকর্ড গড়ার অভিজ্ঞতা হতে পারে অসাধারণ। আর সেই সঙ্গে বিশ্বদরবারে নিজের দেশের নাম উজ্জ্বল করার আনন্দ তো আছেই!</p><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/mehucf5uxg">ছয় বছর বয়সী কন্যাশিশুর রুবিকস কিউব মিলিয়ে বিশ্ব রেকর্ড</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/obge8eioms">১ মিনিটে ১৫টি ফিশ ফিঙ্গার খাওয়ার রেকর্ড</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/kevg6s9jmq">১০০ মিটার দৌড়ে উসাইন বোল্টের রেকর্ড ভাঙল চীনা রোবট</a></aside><aside><a href="https://www.kishoralo.com/feature/1y1drocl17">বিশ্বজুড়ে চরম তাপপ্রবাহ, আর অ্যান্টার্কটিকায় এক দশকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে সেমিনার: মিডিয়া লিটারেসিতে সহায়তায় তরুণদের প্রতি তথ্য উপদেষ্টার আহ্বান</title><link>https://www.prothomalo.com/education/campus/yt5h5tyzb2</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/campus/yt5h5tyzb2#comments</comments><guid isPermaLink="false">9ab3b80c-2e79-4be1-a49f-d0b327057e1d</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:59:33 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:59:33.763Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিজ্ঞপ্তি</atom:name><atom:uri>/api/author/1631049</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ক্যাম্পাস,তরুণ,ইউনেসকো,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম,উচ্চশিক্ষা</media:keywords><media:content height="3456" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/v4zv6gq8/7.JPG" width="5184"><media:title type="html"><![CDATA[  বিশ্ব মিডিয়া ও তথ্য সচেতনতা  সপ্তাহ ২০২৬’ উপলক্ষে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/v4zv6gq8/7.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্যাম্পাস</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের উদ্যোগে ‘একবিংশ শতাব্দীর তরুণদের জন্য মিডিয়া ও ইনফরমেশন লিটারেসি স্কিলস’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনেসকো ঢাকা অফিস, মিডিয়া অ্যান্ড ইনফরমেশন লিটারেসি নেটওয়ার্ক বাংলাদেশ এবং জাতিসংঘের নির্বাচনী প্রকল্প ‘ব্যালট’-এর যৌথ সহযোগিতায় ‘বিশ্ব মিডিয়া ও তথ্য সচেতনতা  সপ্তাহ ২০২৬’-এর দেশব্যাপী উদ্যাপনের অংশ হিসেবে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।</p><p>গত বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬) ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মঞ্জুর এলাহী মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, সারা পৃথিবীর মতো বাংলাদেশও ভুয়া তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। তবে বর্তমান সরকার কঠোর নিয়ন্ত্রণের চেয়ে জনগণকে শিক্ষিত এবং সচেতন করার দিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।</p><p>তরুণদের চেয়ে বয়স্কদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ভুল তথ্য বেশি প্রভাবিত করে উল্লেখ করে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, বয়স্কদের সঠিক তথ্য নির্বাচনে সহায়তা করতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে।</p><p>অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন অধ্যাপক মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক এম আশিক মোসাদ্দিক, ইউনেসকোর বাংলাদেশ প্রতিনিধি সুসান ভাইজ এবং জাতিসংঘের নির্বাচনী প্রকল্প ‘ব্যালট’ বাংলাদেশের প্রতিনিধি আন্দ্রেস দেল কাস্তিলো সানচেজ।</p><p>সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন অধ্যাপক দিলারা বেগম। প্রবন্ধ আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক কাজী মোস্তাক গাউসুল হক।</p><p>সেমিনার শেষে সপ্তাহব্যাপী মিডিয়া লিটারেসি কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়</p>]]></content:encoded></item><item><title>খুলনাকে পেলেই সেঞ্চুরি, আল আমিনের আবার ১০২</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/k0j0xz29wa</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/cricket/k0j0xz29wa#comments</comments><guid isPermaLink="false">77fe1bd9-eb89-4222-9019-2385b295eb8e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:54:23 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:54:23.154Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ক্রীড়া প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428388</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[  অবশেষে তৃতীয় দিনে এসে মাঠে গড়িয়েছে বরিশাল–ঢাকা ম্যাচ। সেঞ্চুরি পেয়েছেন ময়মনসিংহের আল আমিন জুনিয়র। ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেট পেয়েছেন রাজশাহীর আসাদুজ্জামান পায়েল।]]></description><media:keywords>হাসান মুরাদ,আল আমিন জুনিয়র,জাতীয় ক্রিকেট লিগ</media:keywords><media:content height="1600" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k1338hik/Al-Amin-Jr-102.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে পঞ্চম সেঞ্চুরি পেয়েছেন আল আমিন জুনিয়র]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k1338hik/Al-Amin-Jr-102.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ক্রিকেট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>অবশেষে তৃতীয় দিনে এসে মাঠে গড়িয়েছে বরিশাল–ঢাকা ম্যাচ। সেঞ্চুরি পেয়েছেন ময়মনসিংহের আল আমিন জুনিয়র। ক্যারিয়ারে প্রথম ৫ উইকেট পেয়েছেন রাজশাহীর আসাদুজ্জামান পায়েল।</p><h3>খুলনাকে পেয়ে আবার সেঞ্চুরি আল আমিনের</h3><p>জাতীয় ক্রিকেট লিগে আল আমিন জুনিয়রের সঙ্গে খুলনার যেন একটা বিশেষ বোঝাপড়া তৈরি হয়েছে। গত মৌসুমে খুলনার বিপক্ষেই প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ছয় মৌসুমের সেঞ্চুরি-খরা কাটিয়েছিলেন। এবারও সেই খুলনা। প্রতিপক্ষ বদলায়নি, বদলায়নি আল আমিনের রানের সংখ্যাও। আবারও ১০২!</p><p>ময়মনসিংহের হয়ে খেলা এই অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার গত মৌসুমে খুলনার বিপক্ষে অপরাজিত ১০২ রান করেছিলেন। সেটি ছিল প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে তাঁর চতুর্থ সেঞ্চুরি। আজ একই প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পেলেন পঞ্চম সেঞ্চুরি। পার্থক্য শুধু এবার অপরাজিত থাকতে পারেননি। খেলেছেন দ্বিতীয় ইনিংসে।</p><p>তবে আল আমিনের সেঞ্চুরির পরও ম্যাচে স্বস্তিতে নেই ময়মনসিংহ। ফলোঅনে পড়া দলটি তৃতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৯ উইকেটে ৩১৫ রান করেছে। খুলনার প্রথম ইনিংসের চেয়ে এগিয়ে ১৩৫ রানে।</p><p>২ উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে দিন শুরু করেছিল ময়মনসিংহ। স্কোরে ৫ রান যোগ হতেই আরও ২ উইকেট হারায় দলটি। সেখান থেকে আবদুল মজিদকে (৫৯) নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ১১৬ রানের জুটি গড়েন আল আমিন। ১৮৫ বলের ইনিংসে ১০টি চার মেরেছেন তিনি। ক্র্যাম্পের কারণে ১০১ রানের মাথায় মাঠ ছেড়েছিলেন। পরে অষ্টম উইকেট পতনের পর আবার ব্যাটিংয়ে নেমে ২ বলে ১ রান করে আউট হন। অফ স্পিনার শেখ পারভেজের এটি চতুর্থ শিকার।</p><p>গত মৌসুমে খুলনার সঙ্গে ড্র করেছিল ময়মনসিংহ। এবারও শেষ দিনে রোমাঞ্চের সুযোগ থাকছে।</p><h3>চট্টগ্রামের চাই ১০১ রান</h3><p>চট্টগ্রামে স্বাগতিকদের সামনে জয়ের লক্ষ্য ২২৭ রান। তৃতীয় দিন শেষে ১ উইকেটে ১২৬ রান তুলে ভালো অবস্থানেই আছে চট্টগ্রাম। এবারের জাতীয় ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় জয় পেতে দলটির প্রয়োজন আর ১০১ রান।</p><p>ওপেনার সাদিকুর রহমান ৫৮ এবং ওয়ানডাউনে নামা শাহ পরান ৫১ রানে অপরাজিত আছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-11-19/t3qck4cw/Hasan-Murad-1.jpg" /><figcaption>ম্যাচে ৮ উইকট পেয়েছেন বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ</figcaption></figure><p>এর আগে ২ উইকেটে ৮৯ রান নিয়ে দিন শুরু করা সিলেট দ্বিতীয় ইনিংসে অলআউট হয়েছে ২১৮ রানে। প্রথম ইনিংসেও একই রানে অলআউট হয়েছিল দলটি। আজ ১৩৯ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারায় সিলেট। সেখান থেকে দলকে দুই শ পার করিয়েছেন ৯ নম্বরে নামা তোফায়েল আহমেদ। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৪৭ রান।</p><p>ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের বাংলাদেশ দলে ডাক পাওয়া অমিত হাসান করেছেন ২০ রান। প্রথম ইনিংসে তাঁর রান ছিল ৩৪। চট্টগ্রামের বাঁহাতি স্পিনার প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও নিয়েছেন ৪ উইকেট।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/6vdirblq6x">ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ অবস্থানে আফগানিস্তান, পেছনে পড়ল শ্রীলঙ্কাও</a></aside><h3>২০তম ম্যাচে পায়েলের ৫ উইকেট</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/y87qi0h5/Gemini_Generated_Image_d5i1p1d5i1p1d5i1.jpg" /><figcaption>প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে প্রথমবার ৫ উইকেট পেয়েছেন আসাদুজ্জামান পায়েল</figcaption></figure><p>প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ২০ ম্যাচ খেলেছেন আসাদুজ্জামান পায়েল। এত দিন ইনিংসে পাঁচ উইকেটের দেখা পাননি রাজশাহীর এই মিডিয়াম পেসার। অবশেষে বগুড়ায় রংপুরের বিপক্ষে সেই অপেক্ষা ফুরিয়েছে তাঁর।</p><p>রংপুরের প্রথম ইনিংসে ৬৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন পায়েল। ৩ উইকেটে ১২২ রান নিয়ে দিন শুরু করা রংপুর অলআউট হয়েছে ২৫৬ রানে। দলের হয়ে ওপেনার অনিক সরকার করেছেন ৭৫ রান। পাঁচ নম্বরে নামা ইকবাল হোসেনের ব্যাট থেকে এসেছে ৭০।</p><p>প্রথম ইনিংসে ২৫ রানে পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করা রাজশাহী দিন শেষ করেছে ৩ উইকেটে ১১০ রান তুলে। সব মিলিয়ে তাদের লিড এখন ৮৫ রান।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/rgz504l33q">এক বছরে ৪০০ ছক্কা, টি–টুয়েন্টিতে ভারতের নতুন ইতিহাস</a></aside><h3>তৃতীয় দিনে শুরু হলো ঢাকা-বরিশাল ম্যাচ</h3><p>জাতীয় ক্রিকেট লিগে বৃষ্টির জন্য নয়, আউটফিল্ড ভেজা থাকায় রাজশাহীতে ঢাকা ও বরিশালের ম্যাচের প্রথম দুই দিন একটি বলও মাঠে গড়ায়নি। দুই দলের খেলোয়াড়দের সময় কেটেছে ড্রেসিংরুমে বসে। অবশেষে তৃতীয় দিনে এসে শুরু হয়েছে ব্যাট-বলের লড়াই।</p><p>টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দিন শেষে ৮ উইকেটে ২৬৬ রান তুলেছে বরিশাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬২ রান করে অপরাজিত আছেন উইকেটকিপার মোহাম্মদ আবদুল্লাহ।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/cricket/xylnbudv7h">অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট এখন ‘আন–অস্ট্রেলিয়ান’, ‘ভয়ানক ও অপরিণত’</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>তারেক রহমানের জাপান সফর: বিনিয়োগ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/0cxfhlzjdn</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/0cxfhlzjdn#comments</comments><guid isPermaLink="false">d641a6dc-700f-4fa6-bb1b-325cd41a37c0</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:53:57 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:53:57.835Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো হলো ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা বিগ-বি উদ্যোগ]]></description><media:keywords>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান,জাপান,বিএনপি সরকার</media:keywords><media:content height="816" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ngpm6yys/tareq.jpg" width="1458"><media:title type="html"><![CDATA[ জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করেন। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ngpm6yys/tareq.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, পারস্পরিক আস্থা ও উন্নয়ন সহযোগিতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। </p><p>স্বাধীনতার পর থেকেই বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, শিল্পায়ন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং বাণিজ্য সম্প্রসারণে জাপানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  </p><p>স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। পরদিন, ১১ ফেব্রুয়ারি, দুই দেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠিত হয়। </p><p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্ক আরও সুসংহত হয়। তিনি ১৯৭৮ সালের এপ্রিল এবং ১৯৮০ সালের ৮ জুলাই জাপান সফর করেন। </p><p>তাঁর সময়েই বাণিজ্য, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও যোগাযোগব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেওয়া হয়। </p><p>সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ১৯৯৪ ও ২০০৫ সালে জাপান সফর করেন। </p><p>বিশেষ করে ২০০৫ সালে তাঁর রাষ্ট্রীয় সফর দুই দেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতার ইতিহাসে উল্লেখযোগ্য। সফরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয় ছিল ঢাকার যানজট নিরসনে আধুনিক গণপরিবহনব্যবস্থা গড়ে তোলা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ry9umcs48g">প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর: কোথায় সম্ভাবনা, কোথায় পরীক্ষা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/iz6625fbuz">প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর থেকে বাংলাদেশ কী পেতে পারে</a></aside><p>খালেদা জিয়া জাপানের উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার কাছে ঢাকায় মেট্রোরেল ও ভূগর্ভস্থ গণপরিবহনব্যবস্থা চালুর বিষয়ে সহযোগিতা চান। </p><p>পদ্মা সেতু নির্মাণ এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নেও তিনি জাপানের সহযোগিতা চেয়েছিলেন। </p><p>২০০৫ সালের সফরের আরেকটি স্মরণীয় ঘটনা হলো টোকিওতে বাংলাদেশের শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন। </p><p>ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও বাঙালির সাংস্কৃতিক পরিচয় জাপানের মাটিতে তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই উদ্যোগ ছিল গুরুত্বপূর্ণ।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফরের গুরুত্ব বুঝতে হলে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সময় দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন।</p><p>২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলের মূল বৈশিষ্ট্য ছিল গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার সংকুচিত করা, মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, দুর্নীতি, অর্থ পাচার, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম ও লুটপাট, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ন করা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, প্রশাসন ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর দলীয়করণ এবং ক্ষমতার চূড়ান্ত অপব্যবহার। পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রেও জাতীয় স্বার্থ ও স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা যথাযথভাবে রক্ষা করা যায়নি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/interview/tnn1of6c7e">প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে ডেঙ্গুর টিকার প্রসঙ্গ তোলা যায়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/cj64e5l2kl">প্রধানমন্ত্রীর সফর: সূর্যোদয়ের দেশ থেকে আমাদের প্রত্যাশা</a></aside><p>অর্থনীতির ক্ষেত্রেও বিগত সময়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্বলতার প্রভাব বিভিন্ন গবেষণা ও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। </p><p>ব্যাংকিং খাতে খেলাপি খণ, আর্থিক অনিয়ম, সীমাহীন অর্থ পাচার, বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা সামগ্রিক অর্থনীতিকে ভীষণভাবে চাপে ফেলেছে। </p><p>দেশের বিপুল সম্পদ বিদেশে পাচার হয়ে যাওয়ায় অর্থনীতির ভিত্তি দুর্বল হয়, বিনিয়োগ সক্ষমতা কমে যায় এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনায় অস্থিতিশীলতা দেখা দেয়। </p><p>এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা, বিনিয়োগ পরিবেশ, কর্মসংস্থান এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চাপ সৃষ্টি হয়েছে।</p><p>২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বাঁক তৈরি করে। </p><p>এর দেড় বছর পর একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমান এই জটিল ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। </p><p>এই পরিস্থিতিতে তাঁর সরকারকে একদিকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার মতো কঠিন দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/4eko32m4/premier-visit.webp" /><figcaption>জাপানে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।</figcaption></figure><p>সরকারের সামনে এখন প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো অর্থনীতিতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, ব্যাংকিং খাতের আস্থা পুনরুদ্ধার, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা। </p><p>একই সঙ্গে প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করে তোলাও জরুরি।</p><p>একটি ভঙ্গুর অর্থনীতি রাতারাতি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। এর জন্য প্রয়োজন ধারাবাহিক সুশাসন, কার্যকর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ। </p><p>এই বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সম্প্রসারণকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন।</p><p>এখানে জনগণের সহযোগিতাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরিয়ে আনা পর্যন্ত জনগণের ধৈর্য ধারণ করা এবং সরকারের ইতিবাচক উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।</p><p>সরকারেরও দায়িত্ব হবে জনগণের কাছে সংস্কারের উদ্দেশ্য ও অগ্রগতি স্বচ্ছভাবে তুলে ধরা এবং তাদের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/aaeo41duv3">প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: প্রতীকী সাফল্য, নাকি কৌশলগত নতুন অধ্যায়</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/2u7jofot36">প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর থেকে যা চেয়েছি, যা পেয়েছি</a></aside><p>দায়িত্ব গ্রহণের পর তারেক রহমানের কূটনৈতিক তৎপরতায় অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অবস্থান সুদৃঢ় করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। </p><p>জাপান সফরের আগে তাঁর মালয়েশিয়া, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সফরও এই ধারাবাহিক কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ।</p><p>২০২৬ সালের ২১ ও ২২ জুন মালয়েশিয়া সফরে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় গুরুত্ব পায়। </p><p>২২ থেকে ২৬ জুন চীন সফরে দেশটির প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠকে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন বিষয় আলোচিত হয়। </p><p>পরবর্তী সময়ে ২১ থেকে ২৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফর এবং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের স্বার্থ ও অগ্রাধিকার তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়।</p><p>এই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবেই ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।</p><p>জাপান সফরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, প্রযুক্তি ও মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-29/5jhfmnq1/PMO.jfif" /><figcaption>জাপান সফরের অংশ হিসেবে দেশটির নাগোয়ায় অবস্থিত টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তাঁর সফরসঙ্গীরা উপস্থিত ছিলেন।</figcaption></figure><p>বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে জাপানের বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহায়তা কাজে লাগানোর বিষয়টি আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায়। </p><p>বিশেষ করে, মাতারবাড়ী–মহেশখালী অঞ্চলকে কেন্দ্র করে শিল্প ও জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়ন, মেট্রোরেল সম্প্রসারণ, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল এবং গভীর সমুদ্রবন্দর-সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন কার্যক্রমে জাপানের সহযোগিতা আরও কার্যকর করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।</p><p>জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাঠামো হলো ‘বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট’ বা বিগ-বি উদ্যোগ। </p><p>এর লক্ষ্য বাংলাদেশের শিল্পায়ন, যোগাযোগব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর উন্নয়নের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা। </p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরে এই উদ্যোগকে আরও কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।</p><p>জাপান সফরের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে দুই দেশের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগকে দেখা হচ্ছে। </p><p>অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি, যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তি খাতে জাপানের অর্থায়ন এবং বিনিয়োগ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।</p><blockquote>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, জাপানের সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ তারই বাস্তব প্রতিফলন। 
বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প খাতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে জাপানি বিনিয়োগ গুরুতৃপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।</blockquote><p>সফরকালে সরকারি পর্যায়ে ঋণ, অনুদান ও উন্নয়ন সহযোগিতার বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা ও সমঝোতা হয়েছে। </p><p>জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।</p><p>বিশেষ করে দুই দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে ১৭টি সমঝোতা স্মারকসহ বিভিন্ন সহযোগিতামূলক উদ্যোগের মাধ্যমে প্রায় ৬৩০ কোটি মার্কিন ডলারের বিনিয়োগ সম্ভাবনার কথা উঠে এসেছে। </p><p>এসব বিনিয়োগ বাস্তবায়িত হলে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে। </p><p>তবে এই সম্ভাবনাকে বাস্তব ফলাফলে রূপ দিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন, নীতিগত ধারাবাহিকতা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ এবং দক্ষ মানবসম্পদ নিশ্চিত করা জরুরি।</p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার যে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে, জাপানের সঙ্গে এ ধরনের উদ্যোগ তারই বাস্তব প্রতিফলন। </p><p>বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং শিল্প খাতে প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে জাপানি বিনিয়োগ গুরুতৃপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/xdvozeqv6r">প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া ও চীন সফর: নতুন সরকারের পররাষ্ট্রনীতির প্রথম বার্তা</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ke7a1rwp1p">প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর: পূর্ব এশিয়ার মডেলে অংশীদারত্বের নতুন দিগন্ত</a></aside><p>জাপান বিশ্বের অন্যতম উন্নত প্রযুক্তি ও শিল্পোন্নত দেশ। উৎপাদনশীলতা, দক্ষতা, গুণগত মান, পরিবহন ব্যবস্থাপনা এবং জ্বালানি প্রযুক্তিতে দেশটির অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান। </p><p>সফরকালে জ্বালানি খাতে জাপানি প্রতিষ্ঠান ‘জেরা’-এর কার্যক্রম ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা সম্পর্কে জানার সুযোগ তৈরি হয়। </p><p>একইভাবে লজিস্টিকস ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় নিটসু এবং গাড়ি উৎপাদন খাতে টয়োটার মতো প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের শিল্প ও পরিবহন খাতের উন্নয়নে কাজে লাগানো যেতে পারে।</p><p>বাংলাদেশের শিল্প খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করতে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং জাপানি বিনিয়োগের সমন্বয় প্রয়োজন। </p><p>এ ক্ষেত্রে দুই দেশের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যৌথ উদ্যোগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হলে তা দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।</p><p>বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হলো অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি বা ইপিএ-সংক্রান্ত উদ্যোগ। </p><p>এ ধরনের চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগের পরিবেশ উন্নত করার সুযোগ তৈরি হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-27/lbifleo8/PM–Japanese.png" /><figcaption>জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান</figcaption></figure><p>জাপান বাংলাদেশের তৈরি পোশাক, চামড়াজাত পণ্য, ওষুধ, কৃষিপণ্য ও অন্যান্য রপ্তানিপণ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাজার। </p><p>অন্যদিকে জাপান থেকে বাংলাদেশ যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামাল, প্রযুক্তি ও উচ্চ মূল্যের পণ্য আমদানি করে। ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি রপ্তানিপণ্যের বৈচিত্র্য আনাও জরুরি।</p><p>ইপিএ কার্যকর হলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের জন্য জাপানের বাজারে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। </p><p>একই সঙ্গে জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্য বাংলাদেশে উৎপাদন ও ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্র আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে। </p><p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার এই সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে দেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং শিল্পায়নের গতি ত্বরান্বিত হবে।</p><p>বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠী। এই জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে জাপানের সঙ্গে কারিগরি শিক্ষা, ভাষা প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি শিক্ষা ও কর্মসংস্থানভিত্তিক সহযোগিতা বাড়ানো প্রয়োজন। </p><p>জাপানের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের কর্মীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণের পাশাপাশি দেশে জাপানি বিনিয়োগনির্ভর শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মসংস্থান সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।</p><p>এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও বাংলাদেশ ও জাপানের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ হবে।</p><p>বাংলাদেশ ও জাপানের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের দীর্ঘ ইতিহাসে তিন প্রজন্মের নেতৃত্বের অবদান বিশেষভাবে স্মরণীয়। </p><p>শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই সম্পর্কের ভিত্তি সুদৃঢ় করেছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে তা আরও বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক রূপ লাভ করে। </p><p>সেই সম্পর্ককে বর্তমান সময়ের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত বাস্তবতার সঙ্গে যুক্ত করে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর।</p><p>বর্তমান বাংলাদেশের জন্য অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, শিল্পায়ন ত্বরান্বিত করা এবং বিপুল তরুণ জনগোষ্ঠীর জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। </p><p>এ ক্ষেত্রে জাপানের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন সহযোগিতা, উন্নত প্রযুক্তি, শিল্প ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হতে পারে। বিশেষ করে প্রস্তাবিত বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং মানবসম্পদ তৈরির উদ্যোগগুলো যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/ntendllgk7">সানায়ে তাকাইচি যে পথে জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী</a></aside><aside><a href="https://www.prothomalo.com/opinion/column/yoy68vdonf">প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির ক্ষমতায় ভারসাম্য: কতটা কাজে আসবে সংস্কার প্রস্তাব</a></aside><p>তবে কেবল সমঝোতা বা প্রতিশ্রুতির মধ্যেই এই সম্ভাবনাকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্রয়োজন কার্যকর প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ, নীতিগত ধারাবাহিকতা, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা। </p><p>একই সঙ্গে দুই দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ করতে হবে, যাতে উন্নয়নের সুফল দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌঁছায়।</p><p>সঠিক নীতিনির্ধারণ, দূরদর্শী কূটনৈতিক পদক্ষেপ এবং ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার জাপানের সঙ্গে সৃষ্ট এই নতুন সম্ভাবনাকে বাংলাদেশের উন্নয়ন, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তিতে পরিণত করতে পারবে—এমন প্রত্যাশা করা যায়। </p><p>তিন প্রজন্মের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা বাংলাদেশ-জাপান বন্ধুত্ব ভবিষ্যতে আরও গভীর ও কার্যকর অংশীদারত্বে রূপ নেবে এবং দুই দেশের জনগণের জন্য নতুন সম্ভাবনার পথ তৈরি করবে—এটাই প্রত্যাশা।</p><ul><li><p><strong>আতিকুর রহমান রুমন</strong>, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব।</p></li></ul><p>    * মতামত লেখকের নিজস্ব</p>]]></content:encoded></item><item><title>কুড়িগ্রামে বকেয়া বেতনের দাবিতে মাদ্রাসার সুপার অবরুদ্ধ</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8lgoq611dj</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8lgoq611dj#comments</comments><guid isPermaLink="false">cfd8f455-b4b2-4051-984d-676904468d3c</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:47:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:47:00.284Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে সুপারিনটেনডেন্ট (সুপার) মো. সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন সহকারী শিক্ষক–কর্মচারীরা। ]]></description><media:keywords>শিক্ষক,ভূরুঙ্গামারী,এনটিআরসিএ,কুড়িগ্রাম,শিক্ষক নিবন্ধন,বেতন ভাতা,দাবি,অবরুদ্ধ</media:keywords><media:content height="2250" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ku2hy24a/20261102124949.jpg.jpeg" width="4000"><media:title type="html"><![CDATA[ ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি। সোমবার দুপুরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ku2hy24a/20261102124949.jpg.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছয় মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে সুপারিনটেনডেন্ট (সুপার) মো. সাইদুর রহমান ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে পাঁচ ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন সহকারী শিক্ষক–কর্মচারীরা। আজ সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত মাদ্রাসাটির কার্যালয়ে দুজনকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।</p><p>এ সময় মাদ্রাসার সামনে প্ল্যাকার্ড হাতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন সহকারী শিক্ষক–কর্মচারীরা। ‘ছয় মাস ধরে বেতন নাই, বেতন চাই, বেতন চাই’ বলে স্লোগানও দেন তাঁরা।</p><p>শিক্ষকদের অভিযোগ, মাদ্রাসা সুপারের কারণে প্রশাসনিক জটিলতায় ছয় মাস ধরে মাদ্রাসার ১৮ শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পাচ্ছেন না। বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত সুপারের বিরুদ্ধে তাঁদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।<br> </p><p>এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসাটির সহকারী শিক্ষক ইমরুল কায়েস মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা শিক্ষক। মানুষ আমাদের কাছে আরও ভদ্র আচরণ প্রত্যাশা করে। কিন্তু পেটের দায়ে সুপার স্যার ও অফিস সহকারীকে অবরুদ্ধ করতে হয়েছে। ছয় মাস ধরে বেতন বন্ধ। আমরা বাজারে যেতে পারি না। আমাদের সংসার কীভাবে চলে? আমরা সুপার স্যারের অধীনে চাকরি করি। তিনি কীভাবে সমস্যার সমাধান করবেন, সেটা তাঁর বিষয়।’</p><p>এদিকে খবর পেয়ে মাদ্রাসাটির সভাপতি ও ভূরুঙ্গামারী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব প্রভাষক শহিদুল ইসলাম আকন্দ বেলা তিনটার দিকে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন। পরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক–কর্মচারীদের সঙ্গে সভাপতি বৈঠকে বসেন।</p><p>সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায় দেড় বছর আগে মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান তাঁর চাচাতো ভাই ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানকে শিক্ষক হিসেবে পদায়ন দেখান। এ নিয়ে প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে অফিস সহকারী পদে বহাল থাকার দাবিতে শফিয়ার রহমান আদালতে মামলা করেন। প্রায় এক বছর আগে করা মামলাটি এখনো চলমান। পদবি নিয়ে এই জটিলতার নিষ্পত্তি না হওয়ায় ছয় মাস ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন বন্ধ রয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/714mg0cm/20261102124630.jpg.jpeg" /><figcaption>অবরুদ্ধ মাদ্রাসা সুপার মো. সাইদুর রহমান (বাঁয়ে) ও অফিস সহকারী শফিয়ার রহমান। সোমবার দুপুরে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসা কার্যালয়ে</figcaption></figure><p>অভিযোগের বিষয়ে মাদ্রাসার সুপার সাইদুর রহমান মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, অফিস সহকারী শফিয়ার রহমানের পদবি পরিবর্তন করে তাঁকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে দেখানো হয়েছে। এই ভুল সংশোধনের জন্য এনটিআরসিএতে (বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষে) কাজ চলছে। পদবি সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে সহকারী শিক্ষক হিসেবে বেতন নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তিনি তা নিতে রাজি না হওয়ায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। সোমবার সকালে দায়িত্ব পালন করতে মাদ্রাসায় এলে তাঁকে অবরুদ্ধ করা হয়।</p><p>সহকারী শিক্ষক আতাউর রহমান বলেন, মাদ্রাসা সুপার অফিস সহকারীকে ইবতেদায়ি শিক্ষক হিসেবে পদায়ন করেছেন। এ কারণে প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হওয়ায় মাদ্রাসার শিক্ষক-কর্মচারীরা কেউ বেতন পাচ্ছেন না। তাঁরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চান। সুপারের কর্মকাণ্ডের কারণে তাঁরা কেন বেতন–ভাতা থেকে বঞ্চিত হবেন।</p><p>মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত কামাত আঙ্গারিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি ১৯৮৫ সালে এমপিওভুক্ত হয়। বর্তমানে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাদ্রাসাটিতে ২১৯ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। শিক্ষক-কর্মচারীর সংখ্যা ১৮। এর আগে গত ২৩ জুলাই এনটিআরসির নিবন্ধন সনদ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন মাদ্রাসা সুপার সাইদুর রহমান। বর্তমানে তিনি জামিনে রয়েছেন।</p><p>ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ প্রথম আলোকে বলেন, মাদ্রাসাটির সুপারকে অবরুদ্ধ করার বিষয়টি তিনি জেনেছেন। এ বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে সমস্যা সমাধানে মাদ্রাসার সভাপতিকে উদ্যোগ নিতে বলা হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে মুখোশধারীরা অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/jfz7ruegs4</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/jfz7ruegs4#comments</comments><guid isPermaLink="false">7803d529-cea3-4f69-8a45-762866192971</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:45:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:45:13.224Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই; মূলত মুখোশধারী কিছু লোক সেখানে অনুপ্রবেশ করেছে।]]></description><media:keywords>বিজিএমইএ,স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী,পোশাক শ্রমিক,পোশাকশিল্প</media:keywords><media:content height="1064" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/obsffyul/Home-Min.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে গার্মেন্টস মালিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন। বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা। ২ অক্টোবর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/obsffyul/Home-Min.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পোশাকশিল্প খাতে সাম্প্রতিক আন্দোলনের ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে সেখানে সাধারণ শ্রমিক কিংবা শ্রমিকনেতাদের কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, মূলত কিছু মুখোশধারী লোকেরা এই আন্দোলনে অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।</p><p> আজ সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। এর আগে সকালে পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ এবং বিকেলে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন তিনি।</p><p>ভিডিও ফুটেজের প্রসঙ্গ টেনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত কয়েক দিনের আন্দোলনের ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সেখানে শ্রমিক ও শ্রমিকনেতাদের কোনো সংযোগ নেই। মুখোশধারী ব্যক্তিরা এতে অনুপ্রবেশ করেছে, যারা দাবি আদায়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয় এবং শ্রমিকও নয়, তারাই সড়কের আন্দোলনে নৈরাজ্য তৈরি করছে। তিনি বলেন, সড়ক-মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে।</p><p>পরিস্থিতির শিকার নিরীহ শ্রমিকদের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলনের ঘটনায় যেসব সাধারণ শ্রমিক পরিস্থিতির শিকার হয়ে গ্রেপ্তার হয়েছেন, সরকার তাদের বিষয়টি বিশেষ বিবেচনায় দেখবে। পাশাপাশি অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনায় যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের সুচিকিৎসার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/hxxm129eq5">পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভে কিছু শিল্পমালিক জড়িত, সাবেক সংসদ সদস্য–প্রতিমন্ত্রীও আছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী</a></aside><p>শ্রমিকদের কারখানায় ফেরার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন হয়েছে। এবার আপনারা শিল্পে ফিরে যান, ঘরে ফিরে যান, উৎপাদনে ফিরে যান, কর্মস্থলে ফিরে যান। আপনাদের পক্ষ হয়ে এখন শ্রমিকনেতারা মজুরি বোর্ডের সভায় কথা বলবেন।’ তিনি আরও বলেন, মজুরি বোর্ড গঠনের পরও যারা ইচ্ছা করে সড়ক অবরোধ করে রাখছে, তারা কোনোভাবেই শ্রমিকদের বন্ধু হতে পারে না।</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/VdMm7FxF5zk"></iframe></figure> <p>সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত গার্মেন্টস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ও মজুরি বোর্ডের সদস্য বাবুল আখতার বলেন, এবারের আন্দোলনে বহিরাগতরা কারখানায় ঢুকে জোর করে ছুটি দিতে বাধ্য করেছে। এর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে উচ্ছেদ হওয়া হকার, রাজনৈতিক ব্যক্তি এবং যাঁদের বকেয়া পাওনা ছিল, তাঁরা যুক্ত হয়েছে। তিনি শ্রমিকদের সতর্ক করে বলেন, ‘কারও উসকানিতে শিল্পের ক্ষতি হয়, এমন কোনো কাজ করবেন না।’ বাবুল আখতার বলেন, কেউ শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ২৭ হাজার টাকা বলছেন, কেউ ৩০ হাজার টাকা, কেউ ৩২ হাজার কেউ ৩৭ হাজার টাকা বলছেন। শ্রমিক প্রতিনিধিরা বসে একটি প্রস্তাব চূড়ান্ত করে মজুরি বোর্ডের প্রথম সভায় বিষয়টি তুলে ধরা হবে।</p><p>একই সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আকতারও শ্রমিকদের দ্রুত কাজে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং শ্রমিকনেতা ও সংসদ সদস্য শিমুল বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>জানুয়ারি–সেপ্টেম্বরে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের নিট মুনাফা বেড়েছে ৩৫ শতাংশ</title><link>https://www.prothomalo.com/business/corporate/bbd5jnnzg4</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/corporate/bbd5jnnzg4#comments</comments><guid isPermaLink="false">783ef775-6e39-4350-ba09-f74011bbe3af</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:41:08 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:41:08.331Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আয়,মুনাফা</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/omufzrpw/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.33.06-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/omufzrpw/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.33.06-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>করপোরেট সংবাদ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>চলতি বছরের প্রথম ৯ মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ঘোষণা করেছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি। তাদের হিসাবে কর-পরবর্তী মুনাফা ৩৫ কোটি ৪০ লাখ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। পরিচালন আয় বৃদ্ধি এবং ব্যয় নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এই প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে।</p><p> আইডিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরে শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৮২ পয়সা, গত বছর ছিল ৬১ পয়সা। মোট সুদ আয় ৫ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৪৯ কোটি টাকা এবং সুদ ব্যয় দশমিক ৩ শতাংশ কমে হয়েছে ৫৬১ কোটি টাকা। ফলে নিট সুদ আয় ১৮৮ কোটি টাকা।</p><p>বিনিয়োগ থেকে আয় ২৪ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৬ কোটি ৩০ লাখ টাকা। কমিশন ও ব্রোকারেজ আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ কোটি ১০ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে মোট পরিচালন আয় দাঁড়িয়েছে ৩১৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা, যা গত বছরের জানুয়ারি-সেপ্টেম্বরের তুলনায় প্রায় ২৬ শতাংশ বেশি।</p><p>পরিচালন ব্যয় ৯ দশমিক ৪ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১২৯ কোটি টাকা। ব্যয়ের তুলনায় আয় দ্রুত বৃদ্ধির ফলে প্রভিশন–পূর্ব মুনাফা ৪০ শতাংশের বেশি বেড়ে হয়েছে ১৯০ কোটি ৭০ লাখ টাকা।</p><p>৩০ সেপ্টেম্বর তারিখে ঋণ, অগ্রিম ও লিজের স্থিতি ছিল ৭ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা, যা ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের তুলনায় ১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। চাহিদার স্থবিরতা কাটিয়ে ওঠার মধ্যেও সতর্কতার সঙ্গে ঋণ দিয়েছে আইপিডিসি। আমানত ৯ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে হয় ৬৭৯১ কোটি টাকা। বিনিয়োগ পোর্টফোলিও ৪৬ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ১৫৫৬ কোটি টাকা।</p><p>এ প্রসঙ্গে আইপিডিসি ফাইন্যান্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রিজওয়ান দাউদ সামস বলেন, শিগগিরই ৪৫তম বছরে পা রাখতে যাচ্ছে আইপিডিসি। এই বিশেষ মুহূর্তে এমন অর্জনে ব্যবসার গতি বৃদ্ধি, নিয়ন্ত্রিত ব্যয় ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক ভিত্তি মজবুত রাখার চেষ্টা ফুটে উঠেছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইটের আঘাতে স্কুলছাত্রের আহত হওয়ার ঘটনাকে গুলিবিদ্ধ বলে ফেসবুকে প্রচার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/v91z89a5oi</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/v91z89a5oi#comments</comments><guid isPermaLink="false">3c681623-14e6-446d-a8ff-a8daf472fba3</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:39:38 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:39:38.492Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ গাজীপুরে স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবিটি সত্য নয়। তার বাবা জানিয়েছেন, স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে ছোড়া ইটের আঘাতে সে আহত হয়।]]></description><media:keywords>ফ্যাক্ট চেক,প্রথম আলো ফ্যাক্ট চেক,আঘাত,শিক্ষার্থী,আওয়ামী লীগ,গাজীপুর</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6sss1l53/Factcheck2.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ কোলাজ: প্রথম আলো গ্রাফিকস]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6sss1l53/Factcheck2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে নুরুজ্জামান সামি নামের ১০ বছর বয়সী এক স্কুলশিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ’, এমন দাবিতে তিনটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রথম ছবিতে স্কুলের পোশাক পরা এক আহত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালের কেবিনে জরুরি চিকিৎসা দিতে দেখা যায়। অন্য দুটি ছবিতে রক্তাক্ত স্কুলের আইডি কার্ড ও শার্ট দেখা যাচ্ছে।</p><p> তবে দাবিটির সত্যতা যাচাইয়ে শিক্ষার্থী নুরুজ্জামান সামির বাবা ইউসুফ রানার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছুটির পর স্কুল থেকে বের হওয়ার সময় পেছন থেকে একটি ইটের টুকরা এসে লাগে, যার আঘাতে আহত হয়েছে তার ছেলে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।</p><p>ছবিগুলো পোস্ট করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ‘বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ’ তাদের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজসহ দলটির সমর্থিত পেজ, প্রোফাইল ও পাবলিক গ্রুপ থেকে একই দাবি প্রচার করা হচ্ছে। এ ধরনের এক শর বেশি অ্যাকাউন্ট থেকে বলা হচ্ছে, চলমান পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে গাজীপুরে পুলিশের গুলিতে ১০ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী নুরুজ্জামান সামি গুলিবিদ্ধ হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/aw3d7e3j/Factcheck1.jpg" /></figure><p>আওয়ামী লীগ-সমর্থিত অ্যাকাউন্টগুলোর পাশাপাশি অন্য পেজ থেকেও একই দাবি প্রচার করা হয়েছে। যেমন Broiler Chicken Party নামের একটি পেজের পোস্টে ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘গাজীপুরে পুলিশের গু/লি/তে নুরুজ্জামান সামি নামে ১০ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী গু’লিবি/দ্ধ...! সালাহউদ্দিন বাহিনী কি চায়!’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6nlttf5y/Factcheck3.jpg" /></figure><p>ঘটনা সম্পর্কে আহত শিক্ষার্থীর বাবা ইউসুফ রানা প্রথম আলোকে জানান, সামি বিকেএসপি পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ে। ছুটি শেষে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর পেছন থেকে ছোড়া একটি ইটের টুকরা তাঁর ছেলের কানের পাশে এসে লাগে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা মাথায় তিনটি সেলাই দেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/whk4bboz/Factcheck4.jpg" /></figure><p>ছেলে ঝুঁকিমুক্ত কি না, জানতে চাইলে ইউসুফ রানা বলেন, সিটি স্ক্যান ও এক্স-রে করানো হয়েছে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তাঁর ছেলে এখন শঙ্কামুক্ত। তাঁকে বাসায় নিয়ে আসা হয়েছে এবং সে বিশ্রামে আছে।</p><p>ইউসুফ রানা আরও বলেন, ‘গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। আমার ছেলের মাথায় পেছন থেকে একটি ইটের টুকরার আঘাত লেগেছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/c8w4fikdxa">বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর ১ লাখ কর্মী নেবে জাপান সরকার, দাবিটি সত্য নয়</a></aside><p>প্রসঙ্গত, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে গতকাল রোববার থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানের পাশাপাশি গাজীপুরে পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলন কর্মসূচি চলছে। পুলিশ ও বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে তাঁদের একাধিকবার সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/fudc6sq4fw">দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে এক সপ্তাহে ছড়িয়েছে ৫৩টি অপতথ্য</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পদ্মার দুই কাতল বিক্রি হলো এক লাখ ১৮ হাজার টাকায়</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q5c48qh1yn</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/q5c48qh1yn#comments</comments><guid isPermaLink="false">f9792715-ddde-469d-850b-dce13fd82940</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:38:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:38:47.039Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আজ সোমবার ভোরের দিকে মাছগুলো ধরা পড়ে। পরে দৌলতদিয়া ঘাটের শিপন মণ্ডলের মৎস্য আড়তে নিলামে মাছ তিনটি কেনেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ।]]></description><media:keywords>গোয়ালন্দ,রাজবাড়ী,দৌলতদিয়া,ঢাকা বিভাগ,পদ্মা,মাছ</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/sfxa3n2w/Fish.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ দুটি বড় কাতলা হাতে মাছ ব্যবসায়ীরা। আজ সোমবার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/sfxa3n2w/Fish.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের অদূরে পদ্মা নদীতে আজ সোমবার ভোরে এক জেলের জালে ধরা পড়ে দুটি বড় কাতলা মাছ। মাছ দুইটির একটির ওজন ২৫ কেজি ও অপরটি ওজন ২২ কেজি। পরে এই মাছ দুটি প্রায় ১ লাখ ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। </p><p>এদিকে আজ ভোরে অপর এক জেলের জালে ধরা পড়ে একটি মহাবিপন্ন বাগাড় মাছ। বাগাড়টির ওজন ২৫ কেজি। এটি বিক্রি করা হয় ৪৭ হাজার ৫০০ টাকায়।</p><p>আজ ভোরের দিকে মাছগুলো ধরা পড়ার পর দৌলতদিয়া ঘাটের শিপন মণ্ডলের মৎস্য আড়তে আনা হয়। সেখানে নিলামে মাছ তিনটি কেনেন স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/wkalj81p/rajbari_dh0544_20261102_img_20261102_wa0003.jpg" /><figcaption>মহাবিপন্ন বাগাড় মাছ হাতে মাছ ব্যবসায়ী। আজ সোমবার সকালে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট বাজারে</figcaption></figure><p>স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী ও মৎস্যজীবীরা বলেন, আজ ভোররাতের দিকে স্থানীয় জেলে সেকেন সরদার তাঁর দল নিয়ে পদ্মা নদীতে মাছ ধরতে যান। নদীতে জাল ফেলার কিছুক্ষণ পর তা তুলতেই দুটি কাতলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ দেখতে পান তাঁরা। পরে মাছগুলো দৌলতদিয়া ঘাট মাছবাজারের শিপন মণ্ডলের আড়তে আনা হয়। </p><p>এদিকে জেলে অসেল সরদারের জালেও আজ ভোরে ধরা পড়ে একটি নিষিদ্ধ মহাবিপন্ন  ওই বাগাড়। এটিও শিপন মণ্ডলের আড়তে আনা হয়।</p><p>উন্মুক্ত নিলামে ২৫ কেজি ওজনের কাতলাটি প্রতি কেজি ২ হাজার ৩০০ টাকা দরে ৫৭ হাজার ৫০০ টাকায় এবং ২২ কেজি ওজনের কাতলাটি একই দরে ৫০ হাজার ৬০০ টাকায় কেনেন মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ। দুটি কাতলা কিনতে তাঁর খরচ হয় প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ১০০ টাকা।</p><p>এদিকে ২৫ কেজি ওজনের নিষিদ্ধ মহাবিপন্ন বাগাড়টিও নিলামে প্রতি কেজি ১ হাজার ৬০০ টাকা দরে ৪০ হাজার টাকায় কেনেন শাহজাহান শেখ। সব মিলিয়ে মাছ তিনটি কিনতে তাঁর খরচ হয় ১ লাখ ৪৮ হাজার ১০০ টাকা। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করে মাছ তিনটি মাছ সিলেটের এক ইতালিপ্রবাসীর কাছে বিক্রি করেন তিনি।</p><p>শাহজাহান শেখের ভাষ্য, দুটি কাতলা প্রতি কেজি ২ হাজার ৫০০ টাকা দরে মোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ টাকায় এবং বাগাড়টি প্রতি কেজি ১ হাজার ৭০০ টাকা দরে ৪২ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছেন। সব মিলিয়ে মাছ তিনটি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায়।</p><p>আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) তালিকায় বাগাড় মহাবিপন্ন প্রাণী হিসেবে চিহ্নিত। বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন অনুযায়ী, বাগাড় শিকার, ধরা ও বিক্রি দণ্ডনীয় অপরাধ। তবে আইন উপেক্ষা করে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় প্রায়ই প্রকাশ্যে বাগাড় শিকার ও নিলামে বিক্রির ঘটনা ঘটছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মণিপুরে পৃথক ঘটনায় ৫ কুকি সদস্যকে হত্যা</title><link>https://www.prothomalo.com/world/india/0vcy4fw6wl</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/india/0vcy4fw6wl#comments</comments><guid isPermaLink="false">0f12fc81-96c5-4f2b-a1d5-7b877af7f645</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:34:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:34:16.272Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সংবাদদাতা</atom:name><atom:uri>/api/author/1435932</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মণিপুর,ভারত,যুদ্ধবিরতি,সংঘর্ষ,হত্যা</media:keywords><media:content height="4640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/mggwg9tt/manipur.jpg" width="6960"><media:title type="html"><![CDATA[ মণিপুরের রাজধানীতে উপজাতীয় কয়েকটি গোষ্ঠীর সমাবেশ ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর সতর্ক অবস্থান। ৩১ অক্টোবর ২০২৬]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/mggwg9tt/manipur.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভারত</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ঘিরে পৃথক সহিংসতায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।</p><p> গত শনিবার রাজ্য পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, ননে জেলায় অজ্ঞাতপরিচয় সশস্ত্র দুষ্কৃতকারীদের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনায় কুকি উপজাতি সম্প্রদায়ের তিনজন পুরুষ নিহত হয়েছেন।</p><p> পুলিশের আরেক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিখোঁজ একই সম্প্রদায়ের অন্য দুই ব্যক্তির মৃতদেহ গতকাল রোববার সকালে নিরাপত্তাকর্মীদের তল্লাশি অভিযানের পর কাংপোকপি জেলা থেকে উদ্ধার করা হয়।</p><p>শীর্ষস্থানীয় কুকি উপজাতি সংগঠন এই হত্যাকাণ্ডের জন্য নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোকে দায়ী করেছে। তারা এই ঘটনাকে নিজেদের মাতৃভূমিতে সরাসরি প্ররোচনাহীন আক্রমণ বলে বর্ণনা করেছে।</p><p>মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল এবং রাজ্যের অন্যান্য এলাকায় কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে কুকি সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাতিলের দাবিতে শত শত মানুষের উপস্থিতিতে বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছিল। সেই সময়ই এই নতুন হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।</p><p>উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এই রাজ্যে স্বজাতীয় মাতৃভূমির অধিকার আদায়ের দাবিকে কেন্দ্র করে খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ কুকি এবং নাগা উপজাতিদের মধ্যে বিরোধের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে কুকি সম্প্রদায়ের কিছু পুরুষ এক নাগা পুরুষকে মারধর করে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপরই নতুন করে রক্তক্ষয়ী সংঘাত শুরু হয়।</p><p>গত মে মাসে নাগা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর হাতে তিন কুকি যাজক নিহত হলে দুই পক্ষের মধ্যে প্রতিশোধমূলক অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড শুরু হয়ে যায়।</p><p>সাম্প্রতিক এই কুকি-নাগা সংঘর্ষ মণিপুরে উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যেখানে ২০২৩ সালের মে মাস থেকে অর্থনৈতিক সুবিধা ও চাকরির কোটা নিয়ে কুকি সম্প্রদায় মূলত হিন্দু মেইতেই সম্প্রদায়ের সঙ্গেও এক রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যে রয়েছে।</p><p>এই দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে এ পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। গৃহহীন ৬০ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ এখনো অস্থায়ী ত্রাণ শিবিরে বসবাস করছেন। মিয়ানমার সীমান্তঘেঁষা এই রাজ্যে রক্তপাত বন্ধে ব্যর্থতার কারণে মুখ্যমন্ত্রী বীরেন সিং পদত্যাগ করেছিলেন।</p><p>মুখ্যমন্ত্রী না থাকায় ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে এক বছরের জন্য রাজ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে ছিল। চলতি বছরের শুরুতে রাষ্ট্রপতি শাসন তুলে নেওয়া হয় এবং ইউনম খেমচান্দ সিং মণিপুরের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।</p>]]></content:encoded></item><item><title>রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি: ঐতিহ্য আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ‘মেকার্স ইন মোশন’</title><link>https://www.haal.fashion/tpuftmtfk4</link><comments>https://www.haal.fashion/tpuftmtfk4#comments</comments><guid isPermaLink="false">158f5c74-eb05-4e60-9134-28b878fd5672</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:33:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:33:52.059Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নাদিয়া ইসলাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1818636</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি: ঐতিহ্য আর সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ‘মেকার্স ইন মোশন’]]></description><media:keywords>সৃজনশীল,নকশা,ঐতিহ্য</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xivg0kpi/ddr-1.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xivg0kpi/ddr-1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>হাল ফ্যাশন</category><category>ইভেন্ট</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দেশীয় শিল্প, কারুশিল্প, পোশাক, গয়না, সংগীত আর খাবার—সব মিলিয়ে ঢাকার এক অভিজাত হোটেল হয়ে উঠেছিল বাংলার ঐতিহ্য ও সৃজনশীলতার মিলনমেলা। আয়োজনের নাম ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’।</p><p>ঢাকার অভিজাত হোটেলের পরিচিত পরিবেশ সেদিন যেন বদলে গিয়েছিল বাংলার ঐতিহ্য, কারুশিল্প আর সৃজনশীলতার প্রাণবন্ত মিলনমেলায়। কোথাও দেশীয় নকশার পণ্য, কোথাও হাতে তৈরি গয়না ও পোশাক, আবার কোথাও সংগীত, কবিতা আর গল্পের আসর। এর সঙ্গে ছিল দেশীয় খাবারের পরিচিত স্বাদ। স্থানীয় উদ্যোক্তা, শিল্পী, কারুশিল্পী ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের লবি লেভেল হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির এক বর্ণিল প্রদর্শনীস্থল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ljoq0vkm/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.52.31-PM.jpeg" /><figcaption>রেনেসন্স হোটেলের বৈশ্বিক আয়োজন ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’।</figcaption></figure><p><br>১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয় রেনেসন্স হোটেলের বৈশ্বিক আয়োজন ‘রেনেসন্স ডে অব ডিসকভারি’। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘ক্র্যাফটস অ্যান্ড কালচার: মেকার্স ইন মোশন’। বাংলাদেশের ঐতিহ্য, শিল্প, কারুশিল্প, সংগীত ও খাবারকে দেশি-বিদেশি অতিথিদের সামনে তুলে ধরাই ছিল আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। বিকেল ৪টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত আয়োজনে অংশ নেন বিভিন্ন অঙ্গনের উদ্যোক্তা, ভ্রমণপ্রেমী, ব্যবসায়ী ও সংস্কৃতিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।</p><p>আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের প্রদর্শনী। কুন’স স্টোর, রেড পেন্সিল, হাতবাক্সো, বিস্কুট ফ্যাক্টরি, প্রতিভা ও মাস্করমশাইসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নিজেদের সৃজনশীল কাজ নিয়ে হাজির হয়েছিল। দেশীয় রিকশাচিত্র, পেইন্টিং, সিরামিক, মৃৎশিল্পসহ নানা ধরনের শিল্পকর্ম ও নকশার সমাহার ছিল স্টলগুলোতে। ঐতিহ্যবাহী উপকরণ ও নকশার সঙ্গে আধুনিক রুচির সমন্বয়ে তৈরি পণ্যগুলো দর্শনার্থীদের আগ্রহ তৈরি করে। কোথাও দেশীয় সংস্কৃতির পরিচিত অনুষঙ্গ, কোথাও হাতে তৈরি গয়না, আবার কোথাও শিল্প ও নকশার নতুন নিরীক্ষা নজর কেড়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/pjnucfrp/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.25-PM-11.jpeg" /><figcaption>আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল দেশীয় উদ্যোক্তাদের তৈরি পণ্যের প্রদর্শনী।</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/83wi9uwm/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.24-PM-2.jpeg" /><figcaption>ঐতিহ্যবাহী উপকরণ ও নকশার সঙ্গে আধুনিক রুচির সমন্বয়ে তৈরি পণ্যগুলো দর্শনার্থীদের আগ্রহ তৈরি করে। </figcaption></figure><p>বিশেষভাবে চোখে পড়েছে একটি কর্নার। সেখানে স্থান পেয়েছিল দেশীয় ডিজাইন হাউস ‘লেবেল বাই ইমাম হাসান’ এবং স্থপতি তন্বী কবিরের ব্র্যান্ড ‘ক্যানভাস’-এর বিশেষ আয়োজন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bs08xa6d/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.25-PM-5.jpeg" /><figcaption>স্থপতি তন্বী কবিরের ব্র্যান্ড ‘ক্যানভাস’-এর অলংকার</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xvgamk0w/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.25-PM-8.jpeg" /><figcaption>দেশীয় ডিজাইন হাউস ‘লেবেল বাই ইমাম হাসান’ </figcaption></figure><p>দেশীয় ঐতিহ্য, নকশা ও কারুশিল্পকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরার ভাবনা থেকে সাজানো এই কর্নারে ছিল পোশাক, অলংকার ও লাইফস্টাইল পণ্যের সমাহার। দেশীয় শিল্পের শিকড় অক্ষুণ্ন রেখে আধুনিক নান্দনিকতায় পণ্য উপস্থাপনের এই প্রয়াস অতিথিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।</p><p>প্রদর্শনীর বিশেষ দিক ছিল পণ্যের সঙ্গে দর্শনার্থীদের সরাসরি পরিচিত হওয়ার সুযোগ। শুধু কেনাবেচা বা প্রদর্শনের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না আয়োজন। পণ্য তৈরির পেছনের গল্প, কারিগরি দক্ষতা, উপকরণ ও সৃজনপ্রক্রিয়া সম্পর্কেও জানার সুযোগ ছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zakugo6h/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.02.07-PM.jpeg" /></figure><p> বিস্কুট ফ্যাক্টরির কাজে বাংলাদেশের নগরজীবন ও সংস্কৃতির নানা অনুষঙ্গ উঠে আসে। ঢাকার সিএনজি ও রিকশার মতো পরিচিত বিষয়কে সৃজনশীল পণ্যের মাধ্যমে তুলে ধরার উদ্যোগ ছিল আকর্ষণীয়। অন্যদিকে হাতবাক্সোর পণ্যেও দেখা গেছে দেশীয় ঐতিহ্য ও নান্দনিকতার সমন্বয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/79nwepmg/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.24-PM-1.jpeg" /><figcaption>আয়োজনজুড়ে ছিল সংগীত, কবিতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/1yzu630l/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.01.10-PM.jpeg" /><figcaption>কবিতা আবৃত্তি করেন এহসান সামাদ</figcaption></figure><p> প্রতিটি স্টল যেন হয়ে উঠেছিল একেকটি গল্পের জায়গা, যেখানে পণ্যের পাশাপাশি উঠে এসেছে শিল্পী ও উদ্যোক্তাদের সৃজনশীল ভাবনা।শিল্প ও কারুশিল্পের পাশাপাশি আয়োজনজুড়ে ছিল সংগীত, কবিতা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/2vdl0iwl/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.25-PM-12.jpeg" /><figcaption>হোটেলের কর্মীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন </figcaption></figure><p>হোটেলের কর্মীরা সংগীত ও নৃত্য পরিবেশন করেন। কবিতা আবৃত্তি করেন এহসান সামাদ। শিল্পীদের পরিবেশনায় অতিথিরা উপভোগ করেন দেশীয় সুর ও সংগীতের আবহ। অতিথিদের কথোপকথন, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং খাবারের সুবাস মিলিয়ে পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল উৎসবের আমেজ।</p><p>খাবারের আয়োজনেও ছিল দেশীয় স্বাদের বৈচিত্র্য। জিলাপি, পাটিসাপটা, জাম্বুরা ও কতবেলের ভর্তা, পতেঙ্গার পেঁয়াজু, ফুচকা ও চটপটির মতো পরিচিত খাবার নিয়ে অতিথিদের মধ্যে ছিল বেশ উৎসাহ। দেশীয় খাবারের স্বাদ ও পরিবেশনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের খাদ্যসংস্কৃতিকেও তুলে ধরা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/kps4a867/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.05.03-PM.jpeg" /><figcaption>খাবারের আয়োজনেও ছিল দেশীয় স্বাদের বৈচিত্র্য।</figcaption></figure><p><br>রেনেসাঁ ডে অব ডিসকভারি মূলত রেনেসন্স হোটেলসের একটি আন্তর্জাতিক উদ্যোগ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একই ভাবনায় আয়োজিত হয় এই অনুষ্ঠান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8m8o6yee/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-4.03.25-PM-13.jpeg" /><figcaption>ফুচকা ও চটপটির মতো পরিচিত খাবার নিয়ে অতিথিদের মধ্যে ছিল বেশ উৎসাহ</figcaption></figure><p> এর মাধ্যমে হোটেলগুলো নিজেদের অবস্থান করা এলাকার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্প, খাবার ও মানুষের গল্প অতিথিদের সামনে তুলে ধরে। ঢাকার আয়োজনে সেই ভাবনারই স্থানীয় রূপ দেখা গেল। এবারের প্রতিপাদ্য ‘মেকার্স ইন মোশন’ যেন মনে করিয়ে দিয়েছে, একটি দেশের সংস্কৃতি কেবল অতীতের ঐতিহ্যে বেঁচে থাকে না; বর্তমান সময়ের শিল্পী, উদ্যোক্তা ও কারিগরদের হাত ধরেই তা প্রতিনিয়ত নতুন রূপ পায়।</p><p>আয়োজনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল স্থানীয় উদ্যোক্তাদের কাজের জন্য আন্তর্জাতিক পরিসর তৈরি করা। বড় হোটেলের অতিথি, ভ্রমণকারী ও বিভিন্ন পেশার মানুষের সামনে নিজেদের পণ্য ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার সুযোগ স্থানীয় ব্র্যান্ডগুলোর জন্য ইতিবাচক। একই সঙ্গে দেশীয় শিল্প ও কারুশিল্পের পেছনে থাকা মানুষের শ্রম, দক্ষতা ও গল্পগুলোও নতুন করে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/d1t8lbrl/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.07.31-PM.jpeg" /><figcaption>বড় হোটেলের অতিথি ও ভ্রমণকারীদের সামনে স্থানীয় ব্র্যান্ডের পণ্য ও সৃজনশীলতা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8v1cp90w/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.08.54-PM.jpeg" /><figcaption>‘মেকার্স ইন মোশন’ প্রতিপাদ্যটি তুলে ধরেছে, শিল্পী, উদ্যোক্তা ও কারিগরদের হাত ধরেই সংস্কৃতি সময়ের সঙ্গে নতুন রূপ পায়</figcaption></figure><p>সব মিলিয়ে রেনেসন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের ‘ক্র্যাফটস অ্যান্ড কালচার: মেকার্স ইন মোশন’ ছিল কেবল একটি প্রদর্শনী কিংবা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়; বরং বাংলাদেশের নিজস্ব পরিচয়, সৃজনশীলতা ও ঐতিহ্যকে এক মঞ্চে তুলে ধরার প্রয়াস। আধুনিক নগরজীবনের ব্যস্ততার মধ্যে এমন আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, আমাদের চারপাশেই ছড়িয়ে আছে অসংখ্য শিল্প, গল্প ও সম্ভাবনা। সেগুলোকে নতুন করে আবিষ্কার এবং বৃহত্তর পরিসরে পরিচিত করে তোলার মধ্য দিয়েই দেশীয় ঐতিহ্য পেতে পারে নতুন মাত্রা। </p><p><strong>ছবি:</strong> হাল ফ্যাশন</p>]]></content:encoded></item><item><title>ধর্ষণ মামলায় টাইসনের বক্তব্য প্রাধান্য পাওয়ায় সমালোচনা</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/scqrybjjja</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/scqrybjjja#comments</comments><guid isPermaLink="false">efd6aa65-67aa-4884-9405-fe61015de7ff</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427622</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মাইক টাইসনের জীবনেই রয়েছে কারাবাস, ধর্ষণ মামলায় দণ্ড, মাদকাসক্তি ও পারিবারিক ট্র্যাজেডি। জীবনের এই অধ্যায়গুলো নিয়েই মুক্তি পেয়েছে চার পর্বের প্রামাণ্যচিত্র ‘টাইসন’। ]]></description><media:keywords>বক্সিং,নেটফ্লিক্স</media:keywords><media:content height="624" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/oytd0cbj/MV5BYjJkNDg3YTQtNjU3My00Nzg1LWIwZjQtMzBkOTczODdkNWUyXkEyXkFqcGdeQXRyYW5zY29kZS13b3JrZmxvdw_V1.jpg" width="1109"><media:title type="html"><![CDATA[ ‘টাইসন’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/oytd0cbj/MV5BYjJkNDg3YTQtNjU3My00Nzg1LWIwZjQtMzBkOTczODdkNWUyXkEyXkFqcGdeQXRyYW5zY29kZS13b3JrZmxvdw_V1.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ওটিটি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বক্সিং রিংয়ে প্রতিপক্ষকে মুহূর্তেই ধরাশায়ী করতেন। একসময় তাঁকে বলা হতো ‘দ্য ব্যাডেস্ট ম্যান অন দ্য প্লানেট’। মাত্র ২০ বছর বয়সে হয়েছিলেন হেভিওয়েট বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। কিন্তু সেই মাইক টাইসনের জীবনেই রয়েছে কারাবাস, ধর্ষণ মামলায় দণ্ড, মাদকাসক্তি, দাম্পত্য কলহ, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও পারিবারিক ট্র্যাজেডি। জীবনের এই বিচিত্র অধ্যায়গুলো নিয়েই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে চার পর্বের প্রামাণ্যচিত্র ‘টাইসন’। মুক্তির পর থেকেই দর্শকের আগ্রহের পাশাপাশি সমালোচকদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেউ বলছেন, জীবনের নানা উত্থান-পতন নিয়ে টাইসনের এমন অকপট স্বীকারোক্তি আগে দেখা যায়নি। আবার কারও অভিযোগ, নিজের অপরাধ ও বিতর্কের দায় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন এই সাবেক বক্সার।</p><p> মাইক টাইসনকে নিয়ে মানুষের আগ্রহ নতুন নয়। বক্সিংয়ের রিংয়ে তাঁর ভয়ংকর উপস্থিতি, প্রতিপক্ষকে নকআউট করার অবিশ্বাস্য ক্ষমতা, ব্যক্তিগত জীবনের নানা বিতর্ক—সব মিলিয়ে কয়েক দশক ধরেই তিনি আলোচনায়। খেলোয়াড় হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছাড়িয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন জনপ্রিয় সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র। সেই আগ্রহেরই নতুন প্রকাশ নেটফ্লিক্সের প্রামাণ্যচিত্র ‘টাইসন’।</p><p> ১৩ অক্টোবর মুক্তি পাওয়া চার পর্বের এই সিরিজ প্রথম সপ্তাহেই নেটফ্লিক্সের ইংরেজি ভাষার টিভি সিরিজের বৈশ্বিক তালিকায় চতুর্থ স্থান দখল করে। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এক সপ্তাহে সিরিজটি দেখেছেন ৫১ লাখ ভিউ। নেটফ্লিক্সের পরবর্তী সাপ্তাহিক হিসেবেও অবস্থান ধরে রেখেছে সিরিজটি। ১৯ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দ্বিতীয় সপ্তাহে আরও ৩৮ লাখ ভিউ পেয়েছে এটি। দুই সপ্তাহে মোট ভিউ দাঁড়িয়েছে ৮৯ লাখ। দ্বিতীয় সপ্তাহেও ইংরেজি ভাষার সিরিজের তালিকায় চতুর্থ অবস্থানে ছিল ‘টাইসন’।<br> এই সাফল্যের পেছনে বড় কারণ টাইসনের পরিচিতি। তবে শুধু বক্সিংপ্রেমীদের জন্য তৈরি হয়নি সিরিজটি। নির্মাতারাও শুরু থেকেই চেয়েছেন, খেলাধুলার গণ্ডি ছাড়িয়ে একজন মানুষের জীবন, খ্যাতি, ক্ষমতা, অপরাধবোধ ও আত্মপরিচয়ের সংকটকে সামনে আনতে। এ কারণেই বক্সিংয়ের ইতিহাস না জানলেও দর্শকের কাছে সিরিজটি আগ্রহের বিষয় হয়ে উঠেছে।</p><p><strong>রিংয়ের ভয়ংকর মানুষটির শৈশব ও উত্থান</strong><br>১৯৬৬ সালের ৩০ জুন নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের ব্রাউনসভিলে জন্ম মাইক টাইসনের। দারিদ্র্য, পারিবারিক অস্থিরতা, অপরাধপ্রবণ পরিবেশ ও সহিংসতার মধ্যে কেটেছে তাঁর শৈশব। ছোটবেলায় তাঁকে নানা ধরনের বুলিংয়ের শিকার হতে হয়েছে। কৈশোরেই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। ১৩ বছর বয়সের আগেই একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছিলেন তিনি।</p><p>তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেন কিংবদন্তি বক্সিং প্রশিক্ষক কাস ডি’আমাতো। টাইসনের প্রতিভা চিনতে ভুল করেননি তিনি। নিজের তত্ত্বাবধানে রেখে তাঁকে বক্সিংয়ের প্রশিক্ষণ দেন। শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, জীবনের নানা দিকেও পথ দেখান। টাইসনের কাছে কাস ছিলেন প্রশিক্ষকের চেয়েও বেশি কিছু—অভিভাবক, পরামর্শদাতা ও জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষদের একজন।</p><p>১৯৮৫ সালে পেশাদার বক্সিংয়ে অভিষেকের পর দ্রুত সাফল্য পেতে থাকেন টাইসন। একের পর এক প্রতিপক্ষকে নকআউট করে আলোচনায় আসেন। ১৯৮৬ সালে ট্রেভর বারবিককে হারিয়ে মাত্র ২০ বছর বয়সে হেভিওয়েট বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হন। বক্সিংয়ের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সী হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ছিলেন অবিসংবাদিত হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন।<br>সিরিজের প্রথম পর্বে এই উত্থানের গল্পই তুলে ধরা হয়েছে। টাইসনের শৈশবের দুর্দশা, অপরাধজগৎ থেকে বক্সিংয়ে আসা এবং কাস ডি’আমাতোর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পুরোনো ফুটেজের পাশাপাশি বর্তমান বয়সের টাইসনের সাক্ষাৎকারে উঠে এসেছে অতীতের নানা স্মৃতি। বিশেষ করে কাসের মৃত্যু নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি। নিজের জীবনের সবচেয়ে সুখের সময় হিসেবে কাসের তত্ত্বাবধানে কাটানো দিনগুলোর কথা বলেছেন।<br>খ্যাতির চূড়া থেকে পতন</p><p>টাইসনের জীবনের গল্প শুধু সাফল্যের নয়। বক্সিংয়ের দুনিয়ায় শীর্ষে ওঠার পর তাঁর ব্যক্তিগত জীবন ক্রমেই জটিল হয়ে ওঠে। অভিনেত্রী রবিন গিভেন্সের সঙ্গে বিয়ে, দাম্পত্য কলহ, বিচ্ছেদ, অর্থনৈতিক সংকট ও মাদকাসক্তি—সব মিলিয়ে তাঁর জীবন হয়ে ওঠে অস্থির।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/vdeyjos3/images-5.jpg" /><figcaption>‘টাইসন’–এর দৃশ্য। আইএমডিবি </figcaption></figure><p>১৯৯০ সালে বস্টার ডগলাসের কাছে হেরে হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়নের খেতাব হারান টাইসন। এরপর ১৯৯২ সালে ধর্ষণের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে কারাগারে যান। তিন বছরের বেশি সময় কারাভোগ করেন। টাইসন বরাবরই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তবে মামলাটি তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুতর বিতর্কগুলোর একটি হয়ে আছে।<br>এরপর ১৯৯৭ সালে ইভান্ডার হলিফিল্ডের সঙ্গে লড়াইয়ে প্রতিপক্ষের কানে কামড় বসিয়ে দেন তিনি। ঘটনাটি বক্সিং ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও বিস্ময়কর মুহূর্ত। এর ফলে তাঁকে খেলার বাইরে থাকতে হয়, জরিমানাও গুনতে হয়। একসময় যাঁর নাম শুনলেই প্রতিপক্ষের মধ্যে ভীতি তৈরি হতো, সেই টাইসনই ধীরে ধীরে নিজের আচরণ ও সিদ্ধান্তের কারণে বিতর্কের কেন্দ্রে চলে আসেন।</p><p>সিরিজের পরের পর্বগুলোয় এসব ঘটনাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হয়েছে। তাঁর জীবনে অর্থের উত্থান-পতন, মাদক ও অ্যালকোহলে আসক্তি, সম্পর্কের ভাঙন এবং পুনরায় নিজেকে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা উঠে এসেছে। ২০০৯ সালে চার বছর বয়সী মেয়ে এক্সোডাসের দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু তাঁর জীবনের সবচেয়ে বেদনাদায়ক অধ্যায়গুলোর একটি। সেই শোকের কথাও বলেছেন টাইসন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-31/fzlajbh7/MV5BZjk2OTZmOTgtY2E0NC00MDViLTg3NWYtNGQwMjZhNDJhNTNiXkEyXkFqcGc.V1.jpg" /><figcaption>‘টাইসন’–এর পোস্টার। আইএমডিবি </figcaption></figure><p><strong>কীভাবে তৈরি হলো সিরিজ<br></strong>‘টাইসন’ সিরিজের পরিচালক ফ্লয়েড রাস। এর আগে তিনি ‘আনটোল্ড: ম্যালিস অ্যাট দ্য প্যালেস’ এবং ‘আমেরিকান ম্যানহান্ট: দ্য বোস্টন ম্যারাথন বম্বিং’-এর মতো প্রামাণ্যচিত্রে কাজ করেছেন। সিরিজটির নির্বাহী প্রযোজকদের মধ্যে রয়েছেন বিল সিমন্স ও জিম গ্রে।</p><p>সিরিজটি নির্মাণের অভিজ্ঞতা নিয়ে নেটফ্লিক্সের টুডামকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফ্লয়েড রাস জানিয়েছেন, টাইসনের জীবনের পরিচিত ঘটনাগুলো নিয়েই শুধু কাজ করতে চাননি তিনি। তাঁর লক্ষ্য ছিল, ৬০ বছর বয়সী টাইসনকে নিজের জীবন ফিরে দেখার সুযোগ দেওয়া। রাসের ভাষায়, টাইসনের জীবনের গল্প আগেও অনেকবার বলা হয়েছে। কিন্তু এ বয়সে এসে তিনি যেভাবে নিজের অতীত নিয়ে ভাবছেন, সেটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারে।</p><p>নির্মাতা জানান, ৮ থেকে ১২ মাসের মধ্যে টাইসনের সঙ্গে প্রায় আটবার সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাঁরা। শুধু বসে সাক্ষাৎকার নেওয়াই নয়, টাইসনের শৈশবের এলাকা ব্রাউনসভিল, বক্সিং শেখার পুরোনো জিম, লাস ভেগাস এবং ফ্লোরিডায় তাঁর বর্তমান বাড়িতেও গেছেন নির্মাতা ও তাঁর দল। পুরোনো ছবি ও ভিডিও সংগ্রহের জন্য চারজন আর্কাইভ প্রযোজক টানা ১৬ মাস কাজ করেছেন।<br>রাসের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল পুরোনো সাক্ষাৎকারের সঙ্গে বর্তমানের টাইসনের কথোপকথন মিলিয়ে দেখানো। এতে দর্শক একই ঘটনা সম্পর্কে তরুণ টাইসন কী বলেছিলেন এবং এখন বয়সের ভারে অভিজ্ঞ একজন মানুষ হিসেবে কীভাবে সেটি দেখছেন, তা তুলনা করতে পারবেন।</p><p>সিরিজটির প্রযোজক জেনা মিলম্যান, জ্যাকব মিলার ও অ্যালেক্সা গিন্সবার্গ। নির্বাহী প্রযোজকদের তালিকায় আরও আছেন আমান্ডা স্পেন, ইয়োনা ম্যাকলাফলিন, গ্রেগ সি লেক, মাইকেল হিউজ, ডগলাস ব্যাংকার ও পরিচালক ফ্লয়েড রাস। সংগীত পরিচালনা করেছেন রাফার্টি।</p><p><strong>কেন এত আগ্রহ দর্শকের</strong><br>টাইসনের জীবন নিয়ে আগেও বই, সিনেমা ও প্রামাণ্যচিত্র তৈরি হয়েছে। ২০০৮ সালে তাঁর জীবন নিয়ে নির্মিত হয়েছিল ‘টাইসন’ নামের আরেকটি প্রামাণ্যচিত্র। ২০১২ সালে স্পাইক লির পরিচালনায় ব্রডওয়েতে একক মঞ্চ পরিবেশনাও করেন তিনি। তাহলে নতুন করে এই গল্প দেখার আগ্রহ কেন?</p><p>এর একটি উত্তর দিয়েছেন পরিচালক ফ্লয়েড রাস নিজেই। তাঁর মতে, টাইসনকে কেবল একজন বক্সার হিসেবে দেখলে তাঁর জীবনের অনেক কিছুই অজানা থেকে যায়। তিনি একজন ক্রীড়া তারকা, ফ্যাশন আইকন, বিতর্কিত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব এবং এমন একজন মানুষ, যাঁর জীবন গণমাধ্যম ও জনপ্রিয় সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p><p>টাইসনের জীবনে এত বেশি নাটকীয় ঘটনা রয়েছে যে প্রতিটি পর্বই আলাদা গল্পের মতো। দারিদ্র্য থেকে বিশ্বসেরা হওয়া, বিপুল অর্থের মালিক হওয়া, আবার সব হারানো, কারাগারে যাওয়া, ব্যক্তিগত জীবনে বিপর্যয়—সবকিছুই দর্শকের কৌতূহল তৈরি করে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে তাঁর নিজের মুখে অতীতের গল্প শোনার সুযোগ।</p><blockquote>দ্য গার্ডিয়ান’–এর সমালোচক হান্না জে ডেভিস সিরিজটিকে চারটির মধ্যে মাত্র এক তারকা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, টাইসনের জীবনের অন্ধকার অধ্যায়গুলো নিয়ে যথেষ্ট জবাবদিহি তৈরি করতে পারেনি প্রামাণ্যচিত্রটি। বরং নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ বেশি পেয়েছেন টাইসন। ‘দ্য গার্ডিয়ান’–এর আরেক সমালোচক অ্যান্ড্রু লরেন্সও সিরিজটিকে অসম্পূর্ণ প্রতিকৃতি হিসেবে দেখেছেন। তাঁর মতে, টাইসন নিজের জীবনের অনেক কিছু অকপটে বললেও সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলোর দায় স্বীকার করার ক্ষেত্রে তাঁর অনীহা স্পষ্ট।</blockquote><p>আরেকটি বিষয় হলো, টাইসন কখনোই খুব প্রচলিত অর্থে নিজেকে সংযত করে উপস্থাপন করেননি। সাক্ষাৎকারে রাগ, আবেগ, অনুশোচনা কিংবা আত্মপক্ষ সমর্থন—সবই প্রকাশ করেছেন। নতুন সিরিজেও তাঁর এই স্বভাব দেখা গেছে। কোথাও তিনি আবেগপ্রবণ, কোথাও ক্ষুব্ধ, আবার কোথাও নিজের অতীতের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, কেন একসময় হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই তাঁর কাছে এত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।</p><p>সিরিজের শেষ পর্বে রয়েছে আরও চমক। সেখানে টাইসন ও নির্মাতা রাসকে একসঙ্গে সাইকেডেলিক অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে দেখা যায়। টাইসন জানিয়েছেন, তাঁর ভাষায় ‘টোড’ নামের এই সাইকেডেলিক অভিজ্ঞতা মাদকাসক্তি থেকে বেরিয়ে আসতে তাঁকে সাহায্য করেছে। তাঁর দাবি, এই অভিজ্ঞতার পর তিনি কোকেন ও মদ্যপান ছেড়ে দিয়েছেন। নির্মাতাও সেই অভিজ্ঞতায় অংশ নেন। সিরিজের শেষাংশের এই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার বিষয় হয়েছে।</p><p><strong>সমালোচকদের প্রশংসা ও আপত্তি</strong><br>দর্শকের আগ্রহের পাশাপাশি সমালোচকদের প্রতিক্রিয়াও মিশ্র। রিভিউ সংকলনকারী ওয়েবসাইট রটেন টমেটোজে সাতজন সমালোচকের পর্যালোচনার ভিত্তিতে সিরিজটির স্কোর ৮৬ শতাংশ।</p><p>ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’–এর সমালোচক বেনজি উইলসন সিরিজটিকে চারটির মধ্যে চার তারকা দিয়েছেন। তাঁর মতে, টাইসনের মধ্যে যে অনিশ্চয়তা, আগ্রাসন ও অপ্রত্যাশিত আচরণ ছিল, সেটিই তাঁকে বক্সিংয়ের রিংয়ে এত আকর্ষণীয় করে তুলেছিল। সিরিজেও সেই বৈশিষ্ট্য অনুভব করা যায়।</p><p>‘দ্য হলিউড রিপোর্টার’–এর ড্যানিয়েল ফিয়েনবার্গের কাছেও টাইসনের আবেগপ্রবণ ও অস্থির ব্যক্তিত্ব পর্দায় দেখার মতো আকর্ষণীয়। তাঁর মতে, টাইসনের জীবনের প্রতি দর্শকের আগ্রহ ধরে রাখার মতো উপাদান রয়েছে সিরিজে।</p><p>অন্যদিকে ‘দ্য গার্ডিয়ান’–এর সমালোচক হান্না জে ডেভিস সিরিজটিকে চারটির মধ্যে মাত্র এক তারকা দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, টাইসনের জীবনের অন্ধকার অধ্যায়গুলো নিয়ে যথেষ্ট জবাবদিহি তৈরি করতে পারেনি প্রামাণ্যচিত্রটি। বরং নিজের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ বেশি পেয়েছেন টাইসন। ‘দ্য গার্ডিয়ান’–এর আরেক সমালোচক অ্যান্ড্রু লরেন্সও সিরিজটিকে অসম্পূর্ণ প্রতিকৃতি হিসেবে দেখেছেন। তাঁর মতে, টাইসন নিজের জীবনের অনেক কিছু অকপটে বললেও সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলোর দায় স্বীকার করার ক্ষেত্রে তাঁর অনীহা স্পষ্ট।</p><p>‘দ্য অবজারভার’–এর বারবারা এলেনের পর্যালোচনায় অবশ্য সিরিজটির প্রশংসাও রয়েছে। তাঁর মতে, টাইসনের জীবনের অন্ধকার দিকগুলো এড়িয়ে না গিয়ে দেখানোর চেষ্টা করেছে নির্মাতারা। ফলে এটি একদিকে কঠিন, অন্যদিকে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতা তৈরি করে। ‘দ্য আইরিশ টাইমস’–এর এড পাওয়ারও সিরিজটিকে আকর্ষণীয়, যদিও কোথাও কোথাও অস্বস্তিকর, বলে উল্লেখ করেছেন।</p><p><strong>রবিন গিভেন্স ও ডিজিরি ওয়াশিংটনকে ঘিরে বিতর্ক</strong><br>সিরিজটি নিয়ে সবচেয়ে বড় সমালোচনা তৈরি হয়েছে টাইসনের অতীতের যৌন নিপীড়ন ও দাম্পত্য নির্যাতনের অভিযোগ উপস্থাপনের ধরন নিয়ে।<br>অভিনেত্রী রবিন গিভেন্সের সঙ্গে টাইসনের সম্পর্কের ইতিহাস বহুদিন ধরেই আলোচিত। তাঁদের বিয়ের পর দাম্পত্য কলহ ও নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসে।</p><p>রবিন বিভিন্ন সময় টাইসনের বিরুদ্ধে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ তুলেছেন। টাইসন অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। নতুন সিরিজে এই সম্পর্কের নানা দিক উঠে এলেও রবিন গিভেন্স নিজে সাক্ষাৎকার দেননি।<br>আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুপস্থিতি ডিজিরি ওয়াশিংটন। ১৯৯১ সালে তিনি টাইসনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। পরের বছর মামলায় দোষী সাব্যস্ত হন টাইসন এবং কারাদণ্ড ভোগ করেন। ওয়াশিংটনও সিরিজে সরাসরি অংশ নেননি। তাঁর পুরোনো সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ঘটনার একটি গুরুত্বপূর্ণ পক্ষের বক্তব্য নতুন করে বিস্তারিতভাবে শোনার সুযোগ পাননি দর্শক।</p><p>‘দ্য গার্ডিয়ান’–এর সমালোচকদের অভিযোগ, টাইসনের ঘনিষ্ঠদের বক্তব্যকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ায় এই দুই নারীর অভিজ্ঞতা যথাযথ গুরুত্ব পায়নি। বিশেষ করে ধর্ষণ মামলার মতো গুরুতর বিষয়ে শুধু অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য ও তাঁর পক্ষের মানুষের মন্তব্যের ওপর নির্ভর করা প্রামাণ্যচিত্রের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করে।<br>এখানে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপস্থিতিও আলোচনার বিষয়। টাইসনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচয় রয়েছে। সিরিজে ট্রাম্পকে টাইসনের পক্ষে কথা বলতে দেখা যায়। গণমাধ্যম কীভাবে টাইসনের সমালোচনা করেছে, সে প্রসঙ্গে ট্রাম্প নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গেও তুলনা করেন। কিন্তু যৌন নিপীড়নের অভিযোগ ও দণ্ডের মতো গুরুতর বিষয়ে তাঁর বক্তব্যকে সমালোচকেরা যথেষ্ট মনে করেননি।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/ott/fyw79crxy1">সত্যি অপরাধের গল্পে কোটি কোটি ভিউ</a></aside><p><strong>টাইসন কি সত্যিই বদলেছেন?<br></strong>প্রামাণ্যচিত্রের শেষ দিকে টাইসনের ছেলে মিগুয়েলের একটি মন্তব্য বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। তাঁর বক্তব্যের সারকথা, তাঁর বাবা পুরোপুরি বদলে যাননি, বরং সময়ের সঙ্গে নিজের প্রকাশভঙ্গি ও জীবনযাপন বদলেছেন। এ মন্তব্যের মধ্য দিয়ে সিরিজটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের সামনে দাঁড় করায়—মানুষ কি অতীতের ভুল থেকে সত্যিই বেরিয়ে আসতে পারে, নাকি শুধু নতুনভাবে নিজেকে উপস্থাপন করতে শেখে?</p><p>টাইসন এখন আগের মতো বক্সিং রিংয়ে নিয়মিত লড়েন না। তবে ২০২৪ সালে ইউটিউবার ও বক্সার জেক পলের সঙ্গে তাঁর লড়াই আবারও তাঁকে আলোচনায় নিয়ে আসে। বয়সের ব্যবধান এবং শারীরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও লড়াইটি ঘিরে বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। নেটফ্লিক্সে প্রচারিত সেই লড়াইয়ের দর্শকসংখ্যা ও বৈশ্বিক আলোচনাও প্রমাণ করে, বক্সিং থেকে অনেকটা দূরে সরে গেলেও টাইসনকে ঘিরে মানুষের কৌতূহল ফুরায়নি।</p><p>নতুন প্রামাণ্যচিত্রে টাইসন নিজের জীবনের নানা ঘটনা নিয়ে কথা বলেছেন। কিন্তু নিজের ভুলের জন্য কতটা অনুশোচনা করেছেন, কতটা দায় স্বীকার করেছেন, সেই প্রশ্নের উত্তর পুরোপুরি মেলে না। এ কারণেই সিরিজটি একদিকে যেমন তাঁর জীবনের আকর্ষণীয় দলিল, অন্যদিকে তেমনি বিতর্কিত ব্যক্তিত্বকে কীভাবে পর্দায় উপস্থাপন করা উচিত, সেই প্রশ্নও সামনে নিয়ে এসেছে।</p><p><sup>ভ্যারাইটি, আইএমডিবি, নেটফ্লিক্সডটকম ও স্ক্রিনর‍্যান্ট অবলম্বনে</sup></p>]]></content:encoded></item><item><title>এটি সালিসের চেয়ে নিচে নেমে গেছে</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/fgtacheuoc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/fgtacheuoc#comments</comments><guid isPermaLink="false">616734ce-dcc7-4f1f-aa1d-68b0067fae29</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:28:36 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:28:36.321Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিচার,আইন ও আদালত,আইন ও বিচার,আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/kghflbla/DIPU0159063849.JPG" width="1200"><media:title type="html"><![CDATA[ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-08/kghflbla/DIPU0159063849.JPG?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ‘সালিসের চেয়ে নিচে নেমে গেছে’ বলে মন্তব্য করেছেন ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার জেরা চলার সময় তিনি এমন মন্তব্য করেন। আজ সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই মামলার জেরা চলে।</p><p> শতাধিক ব্যক্তিকে গুম ও হত্যার অভিযোগে জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে করা এই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলামকে আজ দুপুরে জেরা করছিলেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মো. সাহিদুর রহমান। সে সময় জিয়াউলের আরেক আইনজীবী নাজনীন নাহার ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জিয়াউলের বোন।</p><p> জেরায় তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ে জিয়াউল আহসান র‍্যাব ও এনএসআইয়ে চাকরি করেছেন।</p><p>এ কথা তখন লিখছিলেন ট্রাইব্যুনালের টাইপিস্ট। তা তদন্ত কর্মকর্তার সামনে থাকা মনিটরে ভাসছিল। ট্রাইব্যুনালে থাকা বড় দুটি মনিটরসহ অন্য মনিটরেও ভাসছিল। তদন্ত কর্মকর্তার উদ্দেশে তখন প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে একজন বলেন, ‘মনিটর দেখুন’। এ সময় একাধিক প্রসিকিউটর জেরার বিষয়টি নিয়ে কথা বলছিলেন।</p><p>তখন জিয়াউল আহসানের আইনজীবী নাজনীন নাহার প্রসিকিউশনের উদ্দেশে বলেন, ‘সবাই মিলে জেরার জবাব দিন।’</p><p>নাজনীন নাহার এ কথা বলার পর উঠে দাঁড়ান প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম। তিনি বলেন, ‘আপনার অনেক কথা সহ্য করছি। আপনি যা খুশি তাই বলছেন।’</p><p>নাজনীন নাহার বলেন, আপনি আঙুল উঁচিয়ে কথা বলছেন কেন।</p><p>একপর্যায়ে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ‘এটা (ট্রাইব্যুনাল) সালিস হয়ে গেছে। এটা সালিসের চেয়েও নিচে নেমে গেছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/takd6hl7th">‘গলফ অপারেশনের’ কথা বলে দেওয়ায় আলকাছ মাঝিকে শেষ করে দিতে বলেছিলেন জিয়াউল আহসান</a></aside><p>এ সময় প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ারের উদ্দেশে ট্রাইব্যুনাল বলেন, ‘আপনি কি চান আইনগত ব্যবস্থা নিই?’</p><p>জবাবে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার বলেন, ‘আমি চাই কোর্টের পরিবেশ ফিরে আসুক। আপনি অনুমতি দিয়েছেন ফোনে (জিয়াউলের আইনজীবীকে) কথা বলার। ওই দিকে আসামি কথা বলছেন। কোর্টের পরিবেশ ফিরে আসুক।’</p><p>পরে এ বিষয়ে মুঠোফোনে প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার প্রথম আলোকে বলেন, কোর্টের মধ্যে একজন ডিফেন্স কাউন্সিল রাগ করেছেন। তিনি আর জেরা করবেন না বলছিলেন। আরেকজন ডিফেন্স কাউন্সিল তাঁকে অনুরোধ করছিলেন। এই রাগ করা, রাগ ভাঙানোর মাঝখানে ট্রাইব্যুনাল এজলাসে বসে আছেন। তার মধ্যে আসামি কথা বলছেন, আবার ল ইয়ার কথা বলছেন। কোর্ট ট্রাইব্যুনাল তাঁর ডিসিপ্লিন রক্ষা করতে পারছেন না, কোর্টের ডেকোরাম রক্ষা করতে পারছেন না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/876s8nm2pg">জিয়াউল আহসানকে ট্রাইব্যুনালে আনা হবে না, কারাগার থেকে ভার্চ্যুয়ালি শুনানিতে অংশ নেবেন: প্রসিকিউটর</a></aside><p><strong>‘তারিক সিদ্দিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতেন জিয়াউল’</strong></p><p>আজ আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় তদন্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, জিয়াউল আহসান যে তারিক সিদ্দিকের (সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক) সঙ্গে যোগাযোগ করতেন, সে তথ্য তিনি সূত্রের কাছ থেকে পেয়েছেন এবং তা ডায়েরিতে লিখে রেখেছিলেন।</p><p>জেরায় তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, শেখ হাসিনা ও তারিক সিদ্দিকের সঙ্গে জিয়াউল আহসানের ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল মর্মে তাঁর কাছে কোনো ডিজিটাল এভিডেন্স (প্রমাণ) নেই।</p><p>তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সময়ে জিয়াউল আহসান র‍্যাব ও এনএসআইয়ে চাকরি করেছেন। তবে তদন্তের জন্য তিনি এনএসআইয়ে যাননি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>আড়াই বছর পর ফিরছে ইউএস ট্রেড শো, লক্ষ্য মার্কিন বিনিয়োগ বাড়ানো</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/kwfuopd33e</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/kwfuopd33e#comments</comments><guid isPermaLink="false">d14655de-4dab-45b6-acc8-c3801e4b294c</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:23:47 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:23:47.994Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে ইউএস ট্রেড শো। ]]></description><media:keywords>যুক্তরাষ্ট্র,বিনিয়োগ,বাণিজ্য</media:keywords><media:content height="1200" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/pqiqqaqs/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.13.28-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ৩০তম ইউএস ট্রেড শো আয়োজন নিয়ে কথা বলেন বাংলাদেশে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের (অ্যামচ্যাম) সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/pqiqqaqs/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.13.28-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্য অর্জনে সহায়ক হতে পারে ইউএস ট্রেড শো। এ প্রদর্শনীর লক্ষ্য হলো, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগে আগ্রহী করা এবং দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানো। আড়াই বছর পর দেশে আবার হতে যাচ্ছে এই প্রদর্শনী।</p><p>৫ নভেম্বর রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শুরু হবে তিন দিনব্যাপী এ প্রদর্শনী। এতে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে।</p><p>আজ সোমবার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানায় বাংলাদেশে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স (অ্যামচেম)। এবারের প্রদর্শনী হবে ৩০তম ইউএস ট্রেড শো। ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে হবে এই আয়োজন।</p><p>৫ থেকে ৭ নভেম্বর প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য মেলা খোলা থাকবে। আয়োজকেরা আশা করছেন, তিন দিনে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার দর্শনার্থী মেলায় আসবেন। বিনা মূল্যে শুধু অনলাইন নিবন্ধন করেই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া যাবে।</p><p>সংবাদ সম্মেলনে অ্যামচেম এ আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরে। উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কমার্শিয়াল কাউন্সেলর পল ফ্রস্ট, অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল, সহসভাপতি আলা উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ রেজা উর রহমান মাহমুদ প্রমুখ।</p><p>অ্যামচেমের সভাপতি সৈয়দ মোহাম্মদ কামাল বলেন, ‘আগামী ৫ বছরে ৫ বিলিয়ন বা ৫০০ কোটি ডলারের মার্কিন বিনিয়োগ আনার লক্ষ্যের কথা আগেই জানিয়েছি। সেই লক্ষ্য অর্জনে এই ট্রেড শো ভূমিকা পালন করবে। তবে সে জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে যদি নতুন ১০-১২টি মার্কিন কোম্পানিকে এ দেশে আনা যায়, সেটাই হবে আমাদের অর্জন।’</p><p>আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, এবারের প্রদর্শনীতে ৩৬টি প্রতিষ্ঠান ও সাতটি স্টার্টআপসহ মোট ৪৩টি প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। তাদের জন্য থাকবে ৬৩টি বুথ। বিভিন্ন দেশের আমেরিকান চেম্বার অব কমার্সের ব্যবসায়িক প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেবেন। তাঁরা বাংলাদেশের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। খতিয়ে দেখবেন বিনিয়োগের সম্ভাবনা।</p><p>এ ছাড়া নকশিকাঁথা, জামদানিসহ দেশীয় জিআই পণ্য প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হবে বলেও জানানো হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মোটরসাইকেল নিয়ে ছেলের সঙ্গে
বিরোধ, মারধরে প্রাণ গেল বাবার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3jwn0ij3vb</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/3jwn0ij3vb#comments</comments><guid isPermaLink="false">88793590-9b24-4eba-9ec3-dbb90e22f31a</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:16:26 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:16:26.815Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>অপরাধ,লক্ষ্মীপুর,চট্টগ্রাম বিভাগ,মোটরসাইকেল</media:keywords><media:content height="1204" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qpeo4dox/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.12.26-PM.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/qpeo4dox/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-6.12.26-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>লক্ষ্মীপুরে মারধরে হোসেন মিয়া (৫০) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। গতকাল রোববার রাতে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজীর দীঘির পাড় বাজারে ঘটনাটি ঘটে। হোসেন মিয়া ওই এলাকার সুলতান আহমেদ ভূঁইয়ার ছেলে।</p><p>স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, হোসেন মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৮) পল্লিচিকিৎসক। তাঁর একটি মোটরসাইকেল ১৯ অক্টোবর ধার নেন এলাকার শাকিল নামের এক ব্যক্তি। ১০ মিনিটের জন্য মোটরসাইকেলটি নেওয়া হলেও পরে আর ফেরত দিচ্ছিলেন না শাকিল। এ বিষয়ে স্থানীয় একটি দোকানে দুজনের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সালিস ডাকা হয়। কিন্তু শাকিল সালিসে বসতে রাজি ছিলেন না। এ নিয়ে শাকিলের সঙ্গে গতকাল রাতে সাইফুল ও হোসেন মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে শাকিল ও তাঁর সঙ্গে থাকা বিপ্লব নামের এক ব্যক্তি হোসেন মিয়াকে মারধর শুরু করেন। এ সময় হোসেন মিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।</p><p>সাইফুল ইসলাম বলেন, শাকিল তাঁর বাবার বুকে ও নাকে আঘাত করেছেন। এতে তাঁর বাবার মৃত্যু হয়েছে। বাবার পাশাপাশি তাঁকেও মারধর করা হয়েছে।</p><p>স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মিজানুর রহমান বলেন, ‘বাজারে আমার দোকানে দুই পক্ষের লোকজনের বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শাকিল বৈঠকে বসতে রাজি হননি। বিষয়টি নিয়ে সাইফুল ও তাঁর বাবার সঙ্গে শাকিলের কথা–কাটাকাটি হয়। এ সময় হোসেন মিয়াকে মারধর করেছেন শাকিল ও বিপ্লব।’</p><p>লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা অরূপ পাল বলেন, হোসেন মিয়া নামের ওই ব্যক্তিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছে। ময়নাতদন্ত করার পর চূড়ান্ত প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।</p><p>মারধরের অভিযোগের বিষয়ে শাকিল ও বিপ্লবের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে তাঁরা আত্মগোপনে রয়েছেন। লক্ষ্মীপুর ‎সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, হামলা-মারধরে একজনের মৃত্যুর বিষয়ে শুনেছেন তিনি। এ ঘটনায় মামলা করতে বলা হয়েছে। অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন, কোন বিপ্লবে ছিলেন: জামায়াতকে রিজভী</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hheedzh7ft</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/hheedzh7ft#comments</comments><guid isPermaLink="false">fd7d1115-8836-40a3-ab9d-6d2111accc17</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:12:38 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:12:38.848Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ সোমবার বেলা আড়াইটায় সিলেট নগরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,সিলেট,বিপ্লব,সিলেট বিভাগ,বিএনপি,সভা,রুহুল কবির রিজভী</media:keywords><media:content height="2320" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bptrctm6/sylhetdh052920261102img-20261102-wa0057.jpg" width="3480"><media:title type="html"><![CDATA[ সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ সোমবার বিকেলে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bptrctm6/sylhetdh052920261102img-20261102-wa0057.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><category>রাজনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>জামায়াতে ইসলামীকে সমালোচনা করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘জামায়াতের আমির বলেছেন, আরেকটি বিপ্লব দরজায় টোকা দিচ্ছে। কোন বিপ্লব এটা দরজায় টোকা দিচ্ছে? মাত্র ৮-৯ মাস হলো একটি সরকারের বয়স, অপপ্রচারের মাধ্যমে নানা কথা আপনারা বলার চেষ্টা করছেন। বিপ্লব আপনারা কবে করেছেন? কোন বিপ্লবে আপনারা ছিলেন?’ </p><p>আজ সোমবার বেলা আড়াইটায় নগরের দরগাগেট এলাকার একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। সিলেট জেলা বিএনপি এই সভা আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির সভাপতি ও সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী।</p><p>পরিকল্পিতভাবে কেউ কেউ দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, একদিকে পরাজিত শক্তি পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে নানা ধরনের উসকানি দিচ্ছে; পাশাপাশি দেশের ভেতরে কিছু রাজনৈতিক শক্তি নতুন সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য নানা ধরনের অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে।</p><aside><cite>রুহুল কবির রিজভী, ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, বিএনপি</cite>সবাই বলে আপনারা গুপ্ত। কীভাবে গুপ্ত ছিলেন? ছাত্রলীগের মধ্যে আপনারা মিশে ছিলেন, যুবলীগের মধ্যে মিশে ছিলেন। এই কারণে আপনাদের গুপ্ত বলে। কিন্তু বিএনপি প্রকাশ্যে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। একটি নীতি ও আদর্শের জন্য লড়াই করেছে ১৭ বছর।</aside><p>পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনের পেছনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের উসকানি দেখছেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শ্রমিক বিক্ষোভে পরাজিত শক্তির ইন্ধন আছে। তারা যে দেশকে অস্থিতিশীল করে, শ্রমিকদের মিথ্যা কথা বলে রাস্তায় নামিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে, সেটা জনগণের কাছে স্পষ্ট হয়েছে।<br>এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতকে ইঙ্গিত করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এখানে (শ্রমিক বিক্ষোভ) আরও কেউ মদদ দিচ্ছে কি না, এটা এই মুহূর্তে বলা মুশকিল। লংমার্চের মাধ্যমে নানা ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে প্রকারান্তরে তাঁরাও শ্রমিকদের সমর্থন দিচ্ছেন কি না, সেটা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিচ্ছে।</p><p>জামায়াতের উদ্দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব আরও বলেন, ‘সবাই বলে আপনারা গুপ্ত। কীভাবে গুপ্ত ছিলেন? ছাত্রলীগের মধ্যে আপনারা মিশে ছিলেন, যুবলীগের মধ্যে মিশে ছিলেন। এই কারণে আপনাদের গুপ্ত বলে। কিন্তু বিএনপি প্রকাশ্যে গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে। একটি নীতি ও আদর্শের জন্য লড়াই করেছে ১৭ বছর।’</p><p>বক্তব্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি জানান, যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে না। তাই জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা জনপ্রিয় নেতাদের নির্বাচন করে সমর্থন দেবে। এ বিষয়ে জেলা পর্যায়ে নেতা-কর্মীদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।</p><p>সভায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ফরহাদ হালিম (ডোনার), কেন্দ্রীয় বিএনপির সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সংসদ সদস্য এম এ মালিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী।</p><p>এদিকে সকালে নগরের টিলাগড় এলাকায় ২০০৬ সালের ২ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: প্রতিষ্ঠা, অর্জন ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন রুহুল কবির রিজভী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুব ইকবাল।</p><p>অনুষ্ঠানে প্রধান পৃষ্ঠপোষকের বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মুহাম্মদ সফি উল্যাহ মজুমদার। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ফরহাদ হালিম, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদীর লুনা ও এম এ মালিক, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ্ সিদ্দিকী, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী প্রমুখ।</p><p>প্রধান অতিথির বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, কৃষির সমন্বিত নীতিই টেকসই সমৃদ্ধির পথ। পতিত জমির সুষ্ঠু ব্যবহার, কৃষিজমি রক্ষা ও কৃষকের সরাসরি সহায়তায় গড়ে উঠতে পারে টেকসই কৃষি বিপ্লব। একটি সমন্বিত কৃষিনীতি থাকলে দেশের সমৃদ্ধি আরও দ্রুত ও টেকসই হতে পারে।</p><p>উন্নত দেশের মতো বাংলাদেশেও সরকার শিক্ষাঋণ চালু করতে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, শিক্ষাঋণের মাধ্যমে গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাবে। টেকসই কৃষি বিপ্লব সম্ভব, যদি কৃষিজমি রক্ষা, পতিত জমির সঠিক ব্যবহার, কৃষকের সরাসরি সহায়তা এবং বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা একসঙ্গে এগোয়। বিএনপি সরকার সেটাই করবে।</p><p>সবশেষে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন শেষ হয়। এ ছাড়া দিনভর আয়োজনে ক্যাম্পাসে শোভাযাত্রা, কেক কাটাসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এমপির ছেলে নূরুজ্জামান আবারও দুই দিনের রিমান্ডে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8zhy59zqcr</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/8zhy59zqcr#comments</comments><guid isPermaLink="false">90dc0373-c0a5-42c5-a58a-ea5930e8783e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:07:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:07:54.345Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় নাটোর-৪ আসনের (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুল আজিজের বড় ছেলে নূরুজ্জামানকে (মিন্টু) আবারও রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত।]]></description><media:keywords>নাটোর,সংসদ সদস্য,রিমান্ড,রাজশাহী বিভাগ,হত্যা</media:keywords><media:content height="675" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n2u29omj/natoredh060420261102natore-nurujjaman-photo-02.11.26.jpg" width="1021"><media:title type="html"><![CDATA[ নাটোরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যাকান্ডে আসামি নূরুজ্জামানকে আজ সোমবার আদালতে হাজির করা হয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n2u29omj/natoredh060420261102natore-nurujjaman-photo-02.11.26.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নাটোরের গুরুদাসপুরে ছাত্রদল নেতা শাকিল ইসলাম হত্যা মামলায় নাটোর-৪ আসনের (গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রাম) বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুল আজিজের বড় ছেলে নূরুজ্জামানকে (মিন্টু) আবারও রিমান্ডের আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ সোমবার দুপুরে গুরুদাসপুর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ বিষয়ে নির্দেশ দেন।</p><p>এদিকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে গুরুদাসপুরের নয়াবাজার এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেলটির মালিকানা শনাক্ত করার কাজ চলছে বলে জানান মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপপরিদর্শক (এসআই) শফিকুল ইসলাম।</p><p>ডিবি ও আদালত পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলা কারাগার থেকে নূরুজ্জামানকে দুপুর ১২টার দিকে আদালতের এজলাসের কাঠগড়ায় তোলা হয়। এ সময় তদন্ত কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম আসামির সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। তিনি রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে আদালতে বলেন, তদন্তে আসামির বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর দেওয়া তথ্য যাচাইবাছাই করার জন্য আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া দরকার। এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও অবস্থান জানতে আসামিকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া জরুরি।</p><p>রিমান্ড আবেদনের বিরোধিতা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী গোলাম সারোয়ার ও মাহবুব হোসেন। তাঁরা জানান, আসামিকে ইতিমধ্যে তিন দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাতে তেমন কোনো তথ্য উদ্ধার হয়নি। তাই তাঁকে আবার রিমান্ডে দেওয়া উচিত হবে না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/up3k0l1r6r">এমপির ছেলেকে আবার রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন, নাটোর জেলা বিএনপির বিশেষ সভা</a></aside><p>শুনানি শেষে বিচারক নূরুজ্জামানের আরও দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তবে রিমান্ডে নিয়ে যাওয়ার আগে ও পরে আসামির ডাক্তারি পরীক্ষা করাতে হবে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। রিমান্ড আদেশ দেওয়ার পর পরই আসামিকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।</p><p>মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই শফিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘মামলা তদন্তে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। আমরা গতকাল (সোমবার) ঘটনার সময় খুনিদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। রেজিস্ট্রেশনবিহীন মোটরসাইকেলটি নীল-সাদা রংয়ের। মোটরসাইকেলটি ঘটনার সময় সড়কে পড়ে যাওয়ায় ডান পাশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এখন গাড়িটির মালিকানা শনাক্ত করার কাজ চলছে।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/k0z3oa7hm3">বিএনপির এমপির ছেলেকে গ্রেপ্তার দেখাল পুলিশ</a></aside><p>মামলার তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম জানান, প্রবাসী রাসেল হোসাইন ও মিন্টুকে ঘিরে সব সন্দেহ যাচাই করা হচ্ছে। তবে চূড়ান্ত এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। শিগগিরই রহস্য উদ্‌ঘাটন হবে।</p><p>গত ১৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ১০টার দিকে স্থানীয় চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হন পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলাম। পরে ২৬ অক্টোবর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।</p>]]></content:encoded></item><item><title>২৫টিরও বেশি এআই টুল নিয়ে যাত্রা শুরু করল বাংলালিংকের রাইজ এআই</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/f1zu1r7bs5</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/f1zu1r7bs5#comments</comments><guid isPermaLink="false">509a773a-b375-4364-83bf-32993374e994</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:04:24 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:04:24.026Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রযুক্তি ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633233</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘রাইজ এআই’। ]]></description><media:keywords>মোবাইল অ্যাপ,বাংলালিংক,ওয়েবসাইট,স্মার্টফোন,কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,এআই</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/65v1vehk/Ryze-AI.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাইজ এআই ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/65v1vehk/Ryze-AI.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এআই</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ‘রাইজ এআই’। এআই প্ল্যাটফর্মটিতে গবেষণা, শিক্ষা ও আধেয় (কনটেন্ট) তৈরির ২৫টির বেশি এআই টুল রয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই এআই টুলগুলো কাজে লাগিয়ে নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন কাজ করতে পারবেন। বাংলালিংকের মূল প্রতিষ্ঠান ভিয়ন গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) কান তেরজিওগলু সম্প্রতি প্ল্যাটফর্মটি উদ্বোধন করেন। আজ সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলালিংক।</p><p>সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রাইজ এআইতে আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণা, ছবি তৈরি, ভিডিও নির্মাণ এবং অডিও তৈরির বিভিন্ন এআই টুল ব্যবহার করা যাবে। প্ল্যাটফর্মটিতে ইমাজিন স্টুডিও, স্টাডি হাব এবং প্লাগইনস নামের তিনটি ফিচার রয়েছে। ইমাজিন স্টুডিওর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ছবি, ভিডিও ও অডিও তৈরি করতে পারবেন। অন্যদিকে স্টাডি হাবে শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত সুবিধা পাওয়া যাবে। আর প্লাগইনসের মাধ্যমে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং দৈনন্দিন কাজ সহজ করার বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ মিলবে।</p><p>রাইজ এআই প্ল্যাটফর্ম চালুর বিষয়ে বাংলালিংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জোহান বুসে বলেন, ‘বাংলাদেশের তরুণদের মধ্যে অসাধারণ প্রতিভা রয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার শক্তি সরাসরি তাদের হাতে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। রাইজ এআইয়ের মাধ্যমে আমরা বিশ্বমানের প্রযুক্তিকে আরও সহজলভ্য করে তুলছি, যাতে তরুণেরা শুধু ডিজিটাল ভবিষ্যতের অংশ হতে পারে তা–ই নয়, বরং সেই ভবিষ্যৎ নির্মাণেও ভূমিকা রাখতে পারে।’</p><p>বাংলালিংকের তথ্যমতে, শিক্ষার্থী, তরুণ পেশাজীবী, কনটেন্ট নির্মাতা এবং সম্ভাবনাময় উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এআই প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। প্ল্যাটফর্মটি লক্ষ্য হলো শিক্ষা, গবেষণা, কনটেন্ট নির্মাণ এবং দৈনন্দিন বিভিন্ন কাজে এআই ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া। পাশাপাশি তরুণদের নতুন ধারণা বিকাশ, সৃজনশীলতার সম্ভাবনা অন্বেষণ এবং নতুন সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করবে প্ল্যাটফর্মটি।</p><p>রাইজ এআই প্ল্যাটফর্ম মোবাইল অ্যাপ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে। দেশের সব মোবাইল অপারেটরের গ্রাহকদের জন্য উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্মটির বিভিন্ন এআই টুল ব্যবহারের জন্য সর্বনিম্ন ১০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দেড় হাজার টাকার বিভিন্ন প্যাকেজ কিনতে হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/on6tt5lo7e</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/on6tt5lo7e#comments</comments><guid isPermaLink="false">4ed6721d-3fda-457a-8a3a-4f94cea54a91</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:03:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:03:01.114Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিউইয়র্ক টাইমস</atom:name><atom:uri>/api/author/1454913</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ জরিপে টেক্সাস ও কানসাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ১৯৮৮ সালের পর টেক্সাসে এবং ১৯৩২ সালের পর কানসাসে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হননি।]]></description><media:keywords>ভোট,জরিপ,যুক্তরাষ্ট্র</media:keywords><media:content height="640" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ocaksybt/Supporters-of-Democratic.avif" width="960"><media:title type="html"><![CDATA[ টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী জেমস টালারিকোর সমর্থকরা। ২৯ অক্টোবর ২০২৬ ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ocaksybt/Supporters-of-Democratic.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যুক্তরাষ্ট্রে এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ সাতটি অঙ্গরাজ্যের প্রায় সব কটিতেই রিপাবলিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকাশিত সর্বশেষ জনমত জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। দেশটির কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে যাবে, তা নির্ধারণে এই অঙ্গরাজ্যগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।</p><p> জরিপে দেখা গেছে, টেক্সাস ও কানসাসে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ১৯৮৮ সালের পর টেক্সাসে এবং ১৯৩২ সালের পর কানসাসে কোনো ডেমোক্র্যাট সিনেটর নির্বাচিত হননি।</p><p> ১০০ সদস্যের সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের বর্তমানে নিজেদের দখলে থাকা সব আসন ধরে রাখতে হবে এবং রিপাবলিকানদের দখলে থাকা অন্তত চারটি আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে।</p><p>এই লড়াই কঠিন বলেই মনে হচ্ছে। কারণ, ডেমোক্র্যাটদের যেসব আসনে জয় পেতে হবে, তার অধিকাংশই রিপাবলিকানদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত।</p><p>তবে নতুন জরিপে দেখা গেছে, বর্তমানে রিপাবলিকান সিনেটর রয়েছেন এমন পাঁচটি অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন। আর ষষ্ঠ অঙ্গরাজ্যটিতে দুই দলের প্রার্থীর অবস্থান প্রায় সমান।</p><blockquote>১০০ সদস্যের সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ডেমোক্র্যাটদের বর্তমানে নিজেদের দখলে থাকা সব আসন ধরে রাখতে হবে এবং রিপাবলিকানদের দখলে থাকা অন্তত চারটি আসন নিজেদের দখলে নিতে হবে।</blockquote><p>অঙ্গরাজ্যগুলোর মধ্যে কানসাস, মেইন, ওহাইও ও টেক্সাসে ডেমোক্র্যাটরা এগিয়ে রয়েছেন। আলাস্কায় ব্যবধান খুবই সামান্য। অন্যদিকে আইওয়ায় দুই দলের প্রার্থীর মধ্যে কার্যত হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস পাওয়া গেছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/i7tco3ag/James-Talarico.jfif" /><figcaption>সিনেটে টেক্সাস থেকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকো। ১ নভেম্বর ২০২৬ সাল</figcaption></figure><p>এবার নির্বাচন হচ্ছে, ডেমোক্র্যাটদের দখলে থাকা এমন একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ সিনেট আসনটি মিশিগানে। জরিপে দেখা গেছে, দলটির প্রার্থী রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে দুই অঙ্কের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। তবে জরিপটি করা হয়েছিল সপ্তাহান্তে মিশিগানের ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে বিরোধ শুরুর আগে।</p><blockquote>মিশিগানে গুরুত্বপূর্ণ সিনেট নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির এক কংগ্রেস সদস্য। দলীয় প্রার্থী আবদুল আল–সাইয়েদের সঙ্গে বিরোধের জেরে তিনি এমনটা করেছেন।</blockquote><p>মিশিগানে গুরুত্বপূর্ণ সিনেট নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির এক কংগ্রেস সদস্য। দলীয় প্রাইমারিতে তিনি আবদুল আল–সাইদের কাছে হেরে গেছেন। এখন আল–সাইয়েদের সঙ্গে বিরোধের জেরে তিনি এমনটা করেছেন। মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের এই সদস্যের নাম হ্যালি স্টিভেন্স।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/h7guxkti59">যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দল হারলে কী হতে পারে</a></aside><p>স্থানীয় সময় গতকাল রোববার রিপাবলিকান প্রার্থী রজার্সের সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে দেখা যায় হ্যালিকে। কিছুক্ষণ পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক ভিডিওতে হ্যালি বলেন, ‘আমি আবদুলের নির্বাচনী প্রচারের অংশ নই। মিশিগানের মানুষের পরিচয় ঘৃণা ছড়ানো নয়। আমাদের ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনীত প্রার্থী এখন যা করছেন, তা-ও আমাদের পরিচয় নয়। এ কারণেই আমি মাইক রজার্সকে সমর্থন জানাচ্ছি।’</p><p>নিউইয়র্ক টাইমস ও সিয়েনা বিশ্ববিদ্যালয়ের জরিপে নর্থ ক্যারোলাইনাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। সেখানে দীর্ঘদিন ধরেই জনমত জরিপে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী এগিয়ে রয়েছেন। এ কারণে রিপাবলিকানরা সেখানে তাদের নির্বাচনী প্রচারের ব্যয় কমিয়ে দিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/n9ewsohna2">মিশিগানে সিনেট নির্বাচনের আগে রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস সদস্যের</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/yjmedood/Abdul-El-Sayed.avif" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের নির্বাচনী প্রচার চালাচ্ছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী আবদুল আল–সাইয়েদ। ৩০ অক্টোবর  ২০২৬</figcaption></figure><p>জরিপ অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি অসন্তোষ এবং অর্থনীতি পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে ভোটের মধ্যে হতাশা রিপাবলিকানদের পিছিয়ে দিচ্ছে।</p><p>জরিপে অন্তর্ভুক্ত সাতটি অঙ্গরাজ্যের সম্ভাব্য ভোটারদের মধ্যে মাত্র ৩৮ শতাংশ ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। এই হার বেশ উল্লেখযোগ্যভাবে কম। মাত্র দুই বছর আগে এসব অঙ্গরাজ্যের পাঁচটিতেই ট্রাম্প দুই অঙ্কের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন।</p><p>অন্যদিকে অর্থনীতি সামলানোর ক্ষেত্রে ডেমোক্র্যাটদের ওপর ভোটারদের আস্থা বৃদ্ধি পাওয়ায় দলটির জনসমর্থনে এই অগ্রগতি এসেছে। এবারের নির্বাচনে ভোটারদের কাছে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু।</p><p>যদি চূড়ান্ত ফলাফলে জরিপের আভাস সঠিক হয়, তবে সিনেটের নিয়ন্ত্রণ পাবে ডেমোক্র্যাটরা।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/wdln8a1yqv">মিশিগানে আল–সাইয়েদকে ঠেকাতে এবার রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে কাঁড়ি কাঁড়ি ডলার খরচ করবে ইসরায়েলপন্থী আইপ্যাক</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বিগ বসের বাড়ি ছাড়ার আগে নন্দিনী আবার রাজের সঙ্গে কী করলেন</title><link>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/9ylxpbi1i8</link><comments>https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/9ylxpbi1i8#comments</comments><guid isPermaLink="false">d9cdf63a-6b31-4d45-9250-0df831b5ecdc</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:02:03 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:02:03.749Z</atom:updated><atom:author><atom:name>হাসান ইমাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1408179</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিগ বস,প্রেম,বিচ্ছেদ,ভালোবাসা,রিয়্যালিটি শো</media:keywords><category>সম্পর্ক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিগ বস বাংলা এগিয়ে চলেছে ফাইনালের দিকে। এখন প্রতিদিনই টান টান উত্তেজনাপূর্ণ। গতকাল ১ নভেম্বর রাতে দাদার দরবারে ঘটল অভাবনীয় এক ঘটনা। শোয়ের অন্যতম শক্ত প্রতিযোগী হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী <strong>নন্দিনী দত্ত</strong> ঘর থেকে বেরিয়ে গেছেন। আর তাঁর বিদায়ে বাড়িতে একা হয়ে পড়েছেন প্রেমিক <strong>রাজবীর দে</strong>। বিগ বসের বাড়িতে এসেই রাজবীর–নন্দিনীর প্রেম শুরু হয়, অন্তর্জালে দুষ্টু–মিষ্টি সেই প্রেম নিয়ে সমালোচনাও কম হয়নি। বিশেষ করে তাঁদের যেখানে–সেখানে চুমু খাওয়া দেখে অনেকেই কটূক্তি করেছেন। তবে সেই দর্শকই গতকাল নন্দিনী বাড়ি ছাড়ার আগে রাজবীরের শেষ চুম্বনে আবেগে ভাসলেন, রাজবীরের কান্নায় সংক্রমিত হলেন বাড়ির বাকি সদস্যরাও</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bjg4km7l/raj_7.jpg" /><figcaption>অনেক কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও সাংবাদিক গতকালের এপিসোড নিয়ে অনুমান করেছিলেন। বিশেষ করে কে শেষমেশ ‘ইভিকটেড’ হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যাচ্ছেন, সেটা অনুমান করেছেন অনেকে। সেখানে অনেকেই ভেবেছিলেন, তনুশ্রীকে এই সপ্তাহে ঘর ছাড়তে হতে পারে। কারণ, বাকি দুজন রাজবীর ও নন্দিনীর ভক্তকুলই তাঁদের ভোট দিয়ে বাঁচাবেন। তবে ঘটেছে উল্টোটা</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hurm1zbq/raj_8.jpg" /><figcaption>চূড়ান্ত ফলাফলে দেখা যায়, কম ভোট পেয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ পান নন্দিনী। সঞ্চালক সৌরভ গাঙ্গুলীর এই ঘোষণার পর রাজবীরের কথা বলতে কষ্ট হয়, অনুনয় করেন, ‘না দাদা, আপনি কিছু একটা করুন। একটা চান্স তো পাওয়াই উচিত নন্দিনীর’</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/eswlbfch/raj_11.jpg" /><figcaption>তবে কোনো অনুনয়–বিনয়ে কাজ হয়নি। আর তাই প্রেমিকার বিদায়বেলায় কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজবীর। প্রায় ১৫ মিনিট ধরে তিনি কখনো নন্দিনীকে জড়িয়ে ধরে রাখেন, কখনো বলেন নন্দিনীর বদলে তাঁকে যেন বের করে দেওয়া হয়</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zemiqu47/raj_4.jpg" /><figcaption>আর এদিনও গাল ও কপালে ভালোবাসার চুমুতে ভরিয়ে দিয়েছেন একে অপরকে। আর সেটা নিয়ে দর্শকেরও বিশেষ কোনো বিরূপ মন্তব্য চোখে পড়েনি। আলফা মেলের ইমেজ ভেঙে এদিন রাজবীরের কান্নায় বাড়ির বাকি সদস্যও সংক্রমিত হন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/m35tf5zk/raj_13.jpg" /><figcaption>তবে বিশেষ একটি সিনেমাটিক দৃশ্য দেখা যায় নন্দিনী সদর দরজার কাছে এসে দাঁড়ানোর পর। বেরিয়ে যাওয়ার আগে আরেকবার নন্দিনীকে ডেকে নেন রাজবীর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/49jkllfx/raj_12_1.jpg" /><figcaption>আর তারপর নিজের গায়ের ব্লেজারটি খুলে দুজনের মাথা ঢেকে শেষবার চুমু খান তাঁরা। বাড়ির বাকি সদস্যরাও বিষয়টিকে মিষ্টি মুহূর্ত হিসেবে দেখেছেন</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/fashion/074218uwwz">১৮ বছরে প্রথম বিয়ে, বিগ বসের ঘরে গিয়ে আবার বিয়ের পরিকল্পনা জানালেন সোনামণি সাহা</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n0w84bko/825292501_1837147357698165_3272845777013026987_n.jpg" /><figcaption>তবে বিগ বসের ‘টুইস্ট’ হিসেবে নন্দিনী বিগ বসের সেট ছেড়ে এখনো চলে যাননি। কারণ, সবার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আসার পর নন্দিনীর সঙ্গে সঞ্চালকের মঞ্চে কথা বলেন সৌরভ। আর সেখানেই তিনি জানান, তাঁকে একটি বিশেষ জায়গায় যেতে হবে বিগ বসের সঙ্গে দেখা করতে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/17cgg6tj/780259197_1427523255907015_1643696003638485082_n.jpg" /><figcaption>এরপর নন্দিনীকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে জানানো হয়, এটা ‘সিক্রেট রুম’। আপাতত এখানেই থাকবেন নন্দিনী। আর গোপনে নজর রাখবেন বাড়ির সদস্যদের ওপর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/dfbzpikt/845832574_1052659011133601_5858531325121879050_n.jpg" /><figcaption>উল্লেখ্য, ভারতীয় বাংলা টিভি চ্যানেলের একাধিক ধারাবাহিকের জনপ্রিয় মুখ নন্দিনী দত্ত। বিগ বসে যাঁকে অন্যতম শক্ত প্রতিযোগী হিসেবে মনে হচ্ছে। এমনকি শো শুরু হওয়ার কয়েক সপ্তাহ পর তাঁর ঠাকুরমা মারা গেলেও সেই খবর তাঁকে জানায়নি পরিবার। কারণ, খবর শুনে যেন নন্দিনীর পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে</figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/lifestyle/relation/4yrqniqqzo">বিগ বসে যখন-তখন চুমু খেয়ে কী বার্তা দিচ্ছেন নন্দিনী–রাজবীর</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, মজুত জানতে অপেক্ষা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/lhc846endc</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/lhc846endc#comments</comments><guid isPermaLink="false">dac9d97a-60f5-4633-a0c5-60f4a034dd05</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:01:19 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:01:19.159Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>নোয়াখালী,চট্টগ্রাম বিভাগ,গ্যাস সরবরাহ,বাপেক্স,গ্যাস</media:keywords><media:content height="480" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5qjsducc/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.46.37-PM.jpeg" width="854"><media:title type="html"><![CDATA[ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে নতুন কূপে মুখে আগুন জ্বালানোর মধ্য দিয়ে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করে বাপেক্স। আজ দুপুরে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5qjsducc/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.46.37-PM.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় নতুন একটি কূপে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে ‘সুন্দলপুর সাউথ-১’ নামের কূপটিতে খনন শেষে ড্রিল স্টিম টেস্ট (ডিএসটি) পরীক্ষায় গ্যাসের প্রবাহ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কূপের পাইপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়।</p><p>বাপেক্সের সুন্দলপুর সাউথ-১ অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক নতুন কূপে গ্যাস পাওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১২ জুলাই কূপটির খননকাজ শুরু হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩ হাজার ২৯০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৫৫১ থেকে ২ হাজার ৫৫৭ মিটার গভীরতার স্তরে গ্যাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।</p><p>প্রকল্প পরিচালক মো. মোজাম্মেল হক বলেন, দুপুর ১২টার পর পরীক্ষামূলকভাবে কূপে আগুন জ্বালিয়ে ডিএসটি পরীক্ষা করা হয়। এতে গ্যাসের প্রবাহ নিশ্চিত হয়েছে। তবে কূপটিতে গ্যাসের মোট মজুত এবং দৈনিক কতটুকু গ্যাস উত্তোলন করা যাবে, তা জানতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগবে। এ জন্য বিভিন্ন পরীক্ষা ও ফলাফল বিশ্লেষণের কাজ চলছে।</p><p>মো. মোজাম্মেল হক বলেন, কূপটিতে ভালো পরিমাণ গ্যাসের মজুত পাওয়ার আশা করছেন তাঁরা। গ্যাসের বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দ্রুত পাইপলাইন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। পাইপলাইনের সংযোগ স্থাপন করা গেলে উৎপাদিত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।</p><p>প্রকল্পসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন কূপটিতে গ্যাসের সন্ধান পাওয়ায় দেশে ৩১তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।</p><p>এর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর এলাকায় একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে সুন্দলপুর-১, সুন্দলপুর-২ ও সুন্দলপুর-৩ নামে তিনটি কূপ খনন করা হয়েছিল। নতুন কূপটি একই উপজেলার রামপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। তবে এটি একই ভূগর্ভস্থ গ্যাসক্ষেত্র কাঠামোর অংশ হওয়ায় এর নাম রাখা হয়েছে ‘সুন্দলপুর সাউথ-১’।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সৌরজগতে একটি সম্ভাব্য নতুন বামন গ্রহ খুঁজে পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা</title><link>https://www.bigganchinta.com/space/13hq2jln0h</link><comments>https://www.bigganchinta.com/space/13hq2jln0h#comments</comments><guid isPermaLink="false">16325e1f-e386-4b80-9821-64aff8c67e95</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 12:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T12:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>অনিমেষ হালদার</atom:name><atom:uri>/api/author/2564761</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,মহাকাশ আপডেট বিজ্ঞানচিন্তা,মহাকাশ বিজ্ঞানচিন্তা</media:keywords><media:content height="941" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n9wexrb5/3e17db25-946f-423a-8596-a3865209cd1b.jpg" width="1672"><media:title type="html"><![CDATA[ শিল্পীর কল্পনায় ২০২৬ ইডি১৩৮ গ্রহ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/n9wexrb5/3e17db25-946f-423a-8596-a3865209cd1b.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>space</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ছোটবেলার বিজ্ঞানের বইয়ে প্রথম সৌরজগতের ছবি দেখেছি। ছবিটা বেশ ছিমছাম আর নিখুঁত। সৌরজগতের মাঝখানে জ্বলজ্বলে এক বিশাল সূর্য, আর তাকে ঘিরে সুবোধ বালকের মতো নির্দিষ্ট পথে ঘুরছে আটটি গ্রহ। ব্যস, আমাদের সৌরজগতের গল্প যেন ওখানেই শেষ!</p><p>কিন্তু মহাকাশ কি আর মানুষের তৈরি ওই ছোট্ট বইয়ের পাতায় আটকে থাকার জিনিস? এই অসীম অন্ধকারে যে কত অজানা রোমাঞ্চ আর রহস্য ঘাপটি মেরে বসে আছে, তা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি ঠিক এমনই এক বিশাল চমকের মুখে পড়েছেন। তারা আমাদের চেনা সৌরজগতের একেবারে শেষ প্রান্তে, জমাট বাঁধা অন্ধকারের মাঝে খুঁজে পেয়েছেন নতুন এক অতিথিকে। চিলির ভেরা সি. রুবিন অবজারভেটরির শক্তিশালী ক্যামেরায় ধরা পড়া এই সম্ভাব্য নতুন বামন গ্রহটির আপাতত নাম দেওয়া হয়েছে ‘২০২৬ ইডি১৩৮’।</p><p>গ্রহটির আকার এতই বড় যে, এর ব্যাস ৬০০ থেকে ১৫০০ কিলোমিটারের কাছাকাছি হতে পারে বলে বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন। আর অবস্থান? সূর্য থেকে প্রায় ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরে! হিসাবটা আপনার জন্য একটু সহজ করে দিই।</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/4v93nrrgbj">বিশাল সূর্যকে কেন বামন নক্ষত্র বলা হয়</a></aside><blockquote>হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান রুবিন অবজারভেটরির বিশাল ডেটাবেস ঘাঁটতে গিয়ে গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইডি১৩৮ গ্রহটিকে প্রথম শনাক্ত করেন।</blockquote><p>সূর্য থেকে আমাদের এই পৃথিবীর দূরত্বকে এক অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট বা সৌরজাগতিক একক হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ, সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্বের ঠিক ৪৬ গুণ দূরে ঘুটঘুটে অন্ধকারের মাঝে বসে আছে এই নতুন প্রতিবেশী! একটু তুলনা করলে বুঝবেন, আমাদের সবার পরিচিত প্লুটোর গড় দূরত্বই হলো ৪০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট। তার মানে, এই নতুন বস্তুটি প্লুটোকেও ছাড়িয়ে আরও অনেক গভীরে, ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলে অবস্থান করছে। ট্রান্স-নেপচুনিয়ান মানে নেপচুন গ্রহের বাইরে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ওই অঞ্চলের জানা বস্তুগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে উজ্জ্বল বস্তু।</p><p>এখন স্বাভাবিকভাবেই মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে—এত বিশাল একটা জিনিস আমাদের নাকের ডগা দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে, আর আমাদের অত্যাধুনিক সব টেলিস্কোপ এতদিন কী করছিল? আসলে রাতের আকাশে আমরা যে মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সি দেখি, তা কোটি কোটি নক্ষত্রের এক উজ্জ্বল ও ঘন আলোর চাদর। এই নতুন গ্রহটির অবস্থান ঠিক ওই মিল্কিওয়ের উজ্জ্বল আলোর পটভূমিতে পড়ে গিয়েছিল। লাখো নক্ষত্রের তীব্র আলোর বন্যায় এই তুলনামূলক অনুজ্জ্বল গ্রহটি একেবারে মিশে ছিল। প্রাণীরা যেমন ক্যামোফ্লেজ করে অনেকটা সেরকম।</p><p>কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। হার্ভার্ড-স্মিথসোনিয়ান সেন্টার ফর অ্যাস্ট্রোফিজিক্সের গবেষক ম্যাথিউ হোলম্যান রুবিন অবজারভেটরির বিশাল ডেটাবেস ঘাঁটতে গিয়ে গত ১৩ অক্টোবর এটিকে প্রথম শনাক্ত করেন। এরপরই শুরু হয় মহাজাগতিক গোয়েন্দাগিরি আর পেছনের ইতিহাস খোঁড়া। খুঁজতে খুঁজতে বিজ্ঞানীরা ২০১৬ সালের পুরোনো আর্কাইভ ঘেঁটেও এর অস্তিত্বের প্রমাণ পেয়ে যান! অর্থাৎ, গত এক দশকের বেশি সময় ধরে এটি মহাকাশে আমাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/48exn6enh7">সৌরজগতের প্রান্তে নতুন বামন গ্রহের সন্ধান</a></aside><blockquote>আমাদের সবার পরিচিত প্লুটোর গড় দূরত্বই হলো ৪০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট। তার মানে, এই ২০২৬ ইডি১৩৮ গ্রহটি প্লুটোকেও ছাড়িয়ে আরও অনেক গভীরে, ট্রান্স-নেপচুনিয়ান অঞ্চলে অবস্থান করছে।</blockquote><p>তবে একে পুরোপুরি বামন গ্রহ বলার আগে একটা বড়সড় পরীক্ষা দিতে হবে। ২০০৬ সালে প্লুটোকে কেন গ্রহের তালিকা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, মনে আছে? আসলে সাধারণ গ্রহ আর বামন গ্রহের মধ্যে মূল পার্থক্য হলো তাদের রাজত্ব করার ক্ষমতা। একটি গ্রহ তার কক্ষপথের পুরো রাস্তাটা একেবারে পরিষ্কার করে রাখে। অর্থাৎ সেখানে তার সমকক্ষ অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তু থাকতে পারবে না। কিন্তু বামন গ্রহগুলো একটু বেশিই সামাজিক; তারা তাদের কক্ষপথে অন্যান্য ছোটখাটো পাথর বা বরফখণ্ডের সঙ্গে মিলেমিশে সহাবস্থান করে।</p><p>ইডি১৩৮-কে বামন গ্রহের পূর্ণ মর্যাদা পেতে হলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির এক চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাস করতে হবে। এর নিজস্ব মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতটা শক্তিশালী হতে হবে, যাতে এটি নিজেকে একটি নিখুঁত গোলকের আকার দিতে পারে। যদি শেষ পর্যন্ত এটি সব শর্ত পূরণ করে, তবে এটি সৌরজগতের স্বীকৃতি পাওয়া পাঁচ কিংবদন্তি বামন গ্রহের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করবে। এখন সৌরজগতে পরিচিত বামনগ্রহের মধ্যে রয়েছে সেরেস, প্লুটো, হাউমেয়া, মেকমেক এবং এরিস।</p><p>কিন্তু এই স্বীকৃতি দেওয়ার কাজটা মোটেও সহজ নয়। পৃথিবী থেকে এরা এতই দূরে যে, টেলিস্কোপ দিয়ে এদের নিখুঁত আকার বা ভর মাপা রীতিমতো অন্ধকারে সুঁই খোঁজার চেয়েও কঠিন। আপনাকে একটা বাস্তব উদাহরণ দিলে বুঝবেন। প্লুটোর মাত্র কয়েকটা পরিষ্কার ছবি তোলার জন্য নাসাকে নিউ হরাইজনস নামে একটি প্রোব পাঠাতে হয়েছিল। ২০০৬ সালে রওনা দিয়ে সেই মহাকাশযানের প্লুটোর কাছাকাছি পৌঁছাতেই সময় লেগেছিল দীর্ঘ সাড়ে নয় বছর!</p><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/50e0qpjnir">প্লুটো: গ্রহ নাকি বামন গ্রহ </a></aside><blockquote>একটি গ্রহ তার কক্ষপথের পুরো রাস্তাটা একেবারে পরিষ্কার করে রাখে। অর্থাৎ সেখানে তার সমকক্ষ অন্য কোনো মহাজাগতিক বস্তু থাকতে পারবে না। কিন্তু বামন গ্রহগুলো একটু বেশিই সামাজিক।</blockquote><p>আমরা সৌরজগত বলতে কেবল সূর্য আর আটটি গ্রহের যে পরিপাটি ছবিটা ভাবি, বাস্তবতা আসলে তার চেয়ে বহুগুণ বিশাল। নেপচুনের পর থেকে কুইপার বেল্ট শুরু হয়ে তা প্রায় ৫০ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট পর্যন্ত বিস্তৃত। এরপর স্ক্যাটার্ড ডিস্ক নামে অঞ্চলটি চলে গেছে প্রায় ১০০০ ইউনিট পর্যন্ত। আর তারও অনেক পরে রয়েছে রহস্যময় উর্ট ক্লাউড, যা সূর্য থেকে প্রায় এক লাখ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকতে পারে! এই বিশাল জমাট বাঁধা অন্ধকারে গংগং, কুয়াওার, সেডনা বা অরকাসের মতো আরও অসংখ্য অদ্ভুত নামের বস্তুরা বামন গ্রহ হওয়ার লাইনে অধীর আগ্রহে দাঁড়িয়ে আছে। সেই সঙ্গে নতুন যুক্ত হলো ইডি১৩৮।</p><h4>সূত্র: ওয়্যার্ড ডটকম</h4><aside><a href="https://www.bigganchinta.com/space/9x5czbumc3">সৌরজগতের যে গ্রহ নিজেই নিজের চাঁদকে গিলে খেয়েছিল</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড থেকে শ্রমিকদের অবরোধ প্রত্যাহার, যান চলাচল শুরু</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9vnuq4gos6</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/9vnuq4gos6#comments</comments><guid isPermaLink="false">cbf50a69-e5ab-48fc-9fb2-04ee4d5a17b3</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:59:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:59:01.149Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ঢাকা বিভাগ,নারায়ণগঞ্জ,মহাসড়ক,শ্রমিক,আন্দোলন</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/t9dluh8i/narayangonjdh078020261102img-20261102-wa0065.jpg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ নারায়ণগঞ্জের শিবু মার্কেট এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের অবরোধ তুলে নেওয়ার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। সোমবার বিকেলে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/t9dluh8i/narayangonjdh078020261102img-20261102-wa0065.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রায় চার ঘণ্টা অবরোধের পর নারায়ণগঞ্জের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড ছেড়েছেন পোশাকশ্রমিকেরা। অবরোধ প্রত্যাহারের পর শুরু হয়েছে যানবাহন চলাচল।</p><p>আজ সোমবার বিকেল চারটার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। এর আগে দুপুর ১২টা থেকে নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণসহ পাঁচ দফা দাবিতে শিবু মার্কেট এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। তাঁরা সড়কে অগ্নিসংযোগও করেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/cmfv5bnezm">পোশাকশ্রমিকদের ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ</a></aside><p>শ্রমিকদের অবরোধের কারণে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সড়কের দুই পাশে আটকে পড়ে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য যানবাহন। দীর্ঘ সময় সড়ক অবরোধ থাকায় হাজার হাজার যাত্রীকে ভোগান্তি পোহাতে হয়। যাত্রীদের হেঁটে গন্তব্যে যেতে হয়েছে।</p><p>শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এলেও তাঁদেরকে গুরুত্ব দেননি আন্দোলনরত শ্রমিকেরা। তাঁদেরকে ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিলে তাঁরা চলে যেতে বাধ্য হন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হলেও তাঁরা বল প্রয়োগ করেননি।</p><p>পরে বিকেল চারটার দিকে পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে এবং তাঁদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। শ্রমিকেরা অবরোধ তুলে নিলে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা যানবাহন চলাচলে কাজ শুরু করেন।</p><p>পরে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির ও পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান ঘটনাস্থলে এসে শ্রমিকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।</p><p>এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অপরাধ ও অপারেশন তারেক আল মেহেদী প্রথম আলোকে বলেন, কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শ্রমিকদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সড়কে যানবাহন চলাচল শুরু হয়েছে।</p><p>বিক্ষোভকারী শ্রমিকদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা ঘোষণা, সব পোশাক কারখানায় রেশনিং ব্যবস্থা চালু এবং ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার বাস্তবায়ন।</p><p>এ ছাড়া শ্রমিক আমজাদ হোসেন কামালসহ সব শ্রমিক হত্যার বিচারে বিচার বিভাগীয় কমিশন গঠন, বিনা কারণে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ এবং সর্বস্তরে শ্রম আইন পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের দাবি জানান আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।</p>]]></content:encoded></item><item><title>মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড অবরোধ</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/u2c0mcvbk9</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/u2c0mcvbk9#comments</comments><guid isPermaLink="false">97988bf3-42de-46e1-a39a-147b9a9ccc55</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:54:16 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:54:16.155Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মজুরি,নারায়ণগঞ্জ,অবরোধ,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="480" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/fnfji2ww/web.jpg" width="854"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/fnfji2ww/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা। এতে আটকে পড়ে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। দেখুন ভিডিওতে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/6FX2ORvLpyY"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের 
জামিন বহাল, মুক্তিতে বাধা নেই</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/w3z0vw3qok</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/w3z0vw3qok#comments</comments><guid isPermaLink="false">ad00c6c1-04ef-4ac3-b189-e38d2cedac0e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:52:03 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:52:03.908Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আখতারুজ্জামানের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।]]></description><media:keywords>বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী,গ্রেপ্তার,বিএনপি,ঢাকা,মামলা,জাতীয় নির্বাচন,শাহজালাল বিমানবন্দর,আদালত,হাইকোর্ট,জামিন</media:keywords><media:content height="899" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/4hbr3ghf/Akhtaruzzaman.jpeg" width="1599"><media:title type="html"><![CDATA[ আদালতে মেজর (অব.) আখতারুজ্জামান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-04/4hbr3ghf/Akhtaruzzaman.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রয়েছে।</p><p> আখতারুজ্জামানের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনে ‘নো অর্ডার’ দিয়েছেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক আজ সোমবার এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন নিষ্পত্তি করে এ আদেশ দেওয়া হয়। ফলে আখতারুজ্জামানের কারামুক্তিতে আইনগত কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।  </p><p>ওই মামলায় অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন আখতারুজ্জামান। এর শুনানি নিয়ে গতকাল রোববার হাইকোর্ট রুলসহ আখতারুজ্জামানকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন করে, যা চেম্বার আদালতের আজকের কার্যতালিকায় ওঠে।</p><p>আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক শুনানিতে ছিলেন। আখতারুজ্জামানের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।</p><p>গত ২ অক্টোবর রাজধানীর ক্যান্টনমেন্টের ডিওএইচএসের বাসা থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি-সংকটকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা দেওয়া, দায়িত্বরত এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে ১ অক্টোবর রাতে আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় মামলা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়। তাঁর এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর অধস্তন আদালতে বিফল হয়ে জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন আখতারুজ্জামান।</p><p>আখতারুজ্জামানের বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। কিশোরগঞ্জ-২ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে টানা দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদের প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনে এ আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পরাজিত হন আখতারুজ্জামান। ২০২৪ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নির্বাচন করে পরাজিত হন তিনি।</p><p>আখতারুজ্জামান একসময় কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তাঁকে পঞ্চমবারের মতো বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে টক শো বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা বলে আলোচনায় ছিলেন তিনি। এমন অবস্থার মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন আখতারুজ্জামান।</p>]]></content:encoded></item><item><title>সন্ধ্যায় সারা দিনের খবর</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/3qsv4u818t</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/3qsv4u818t#comments</comments><guid isPermaLink="false">33a4f59f-1e66-4a07-af43-3f5af3ff815f</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:44:27 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:44:27.765Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>বিনোদন,আন্তর্জাতিক,রাজনীতি,সন্ধ্যার খবর,প্রথম আলো</media:keywords><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>শুভসন্ধ্যা। আজ সোমবার। রাজনীতি, জাতীয়, আন্তর্জাতিক, ক্রীড়া, বিনোদনসহ আলোচিত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দিনভর প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে নানা খবর। এর অনেকগুলোই হয়তো আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। সন্ধ্যার অবসরে চোখ বুলিয়ে নিন সারা দিন প্রথম আলো অনলাইনে প্রকাশিত আলোচিত পাঁচ খবরে:</p><h3>পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/y9p8vxts/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-2.26.07-PM.jpeg" /><figcaption>পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ চলাকালে গাজীপুরের নাওজোড় এলাকায় পুলিশের ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়</figcaption></figure><p>ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আজ সোমবার আবারও রাস্তায় নেমেছেন গাজীপুরের পোশাকশ্রমিকেরা। শ্রমিক বিক্ষোভের কারণে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে দেড় শতাধিক কারখানায়। এসব কারখানার শ্রমিকেরা বিভিন্ন স্থানে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন। <a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/g5v7eec9rr">বিস্তারিত পড়ুন... </a><br></p><h3>ব্যাংক ‘লুট করে’ আটলান্টিকের ওপারে আবদুল হাই, বললেন ‘আমি বলির পাঁঠা’</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ipt1f5x3/32f0ad7b-50e9-415a-b5a7-bc330bc1b21b.jfif" /></figure><p>‘আমি বলির পাঁঠা’—বলছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই ওরফে বাচ্চু। নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সবচেয়ে ভালো ব্যাংকটিকে সবচেয়ে খারাপ ব্যাংকে পরিণত করার অভিযোগ রয়েছে। আছে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও। <a href="https://www.prothomalo.com/business/o57op2bl9m">বিস্তারিত পড়ুন... </a><br></p><h3>আমরা বিধ্বস্ত হতে যাচ্ছি: ফ্লোরিডায় উড়োজাহাজ আছড়ে পড়ার আগে পাইলটের শেষ কথা</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ykz5w8ic/Florida.jpg" /><figcaption>যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় আবাসিক এলাকায় লিয়ারজেট ৬০ উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হওয়ার পর সড়কে ছড়িয়ে পড়ে ধ্বংসাবশেষ</figcaption></figure><p>যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ফ্লোরিডার একটি আবাসিক এলাকায় গতকাল রোববার ৯ জন আরোহী নিয়ে বাণিজ্যিক একটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়েছে। ব্যস্ত একটি সড়কের পাশের বাড়িঘর থেকে সামান্য দূরে ভয়াবহ এই দুর্ঘটনা ঘটেছিল। মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী বলেছেন, উড়োজাহাজে থাকা সবাই নিহত হয়েছেন। <a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/v0jz0e4sv2">বিস্তারিত পড়ুন... </a><br></p><h3>নাচতে যাওয়ার স্বাধীনতা ও স্ত্রীর রান্নার কোর্সের খরচ: ফুটবলারদের চুক্তিতে যত অদ্ভুত শর্ত</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/8re6er37/gettyimages-81968455-2048x2048.jpg" /></figure><p>ফুটবল মাঠে গোল করার জন্য কত কিছুই না করেন খেলোয়াড়েরা। কেউ করেন কঠোর অনুশীলন, কেউ মেনে চলেন খাবারের কড়া নিয়ম। কেউ আবার নিজের শরীর ঠিক রাখতে জিম করে দিনরাত পার করে দেন। কিন্তু ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি করার সময় তাঁদের আবদারগুলো শুনলে চোখ কপালে উঠতে পারে। <a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/ikm9cpfc0c">বিস্তারিত পড়ুন... </a><br></p><h3>কীভাবে ১৩ হাজার কোটি টাকার সাম্রাজ্য গড়লেন শাহরুখ</h3><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/wjy2zh9a/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-3.05.30-PM.jpeg" /><figcaption>শাহরুখের সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি বা ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা</figcaption></figure><p>টেলিভিশনের অভিনেতা হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু। এরপর সিনেমা, প্রযোজনা, ভিএফএক্স, ক্রিকেট, বিজ্ঞাপন ও নানা ব্যবসায় বিনিয়োগ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এভাবেই নিজের সাম্রাজ্য গড়েছেন শাহরুখ খান। হুরুন ইন্ডিয়ার ২০২৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১০ হাজার কোটি রুপি বা ১৩ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। কিন্তু কীভাবে একের পর এক পদক্ষেপে এই বিপুল সম্পদের মালিক হলেন বলিউডের বাদশাহ? <a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/bollywood/jr7p0e9795">বিস্তারিত পড়ুন... </a></p>]]></content:encoded></item><item><title>১৭ শিক্ষকের কলেজের ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করেননি</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/vvqfoodg94</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/vvqfoodg94#comments</comments><guid isPermaLink="false">279eb82e-44d5-4354-b3e5-c9866b39ea1e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:44:14 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:44:14.921Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে শিক্ষক ১৭ জন। এই প্রতিষ্ঠান থেকে কারিগরি বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১০ জনের কেউই পাস করেননি।]]></description><media:keywords>নওগাঁ,শিক্ষার্থী,এইচএসসি পরীক্ষা ২০২৬,রাজশাহী বিভাগ</media:keywords><media:content height="1128" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8u80jpuy/HSCNaogaon.jfif" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। গতকাল রোববার দুপুরে নওগাঁর পত্নীতলা উপজেলায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8u80jpuy/HSCNaogaon.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>নওগাঁর পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এবার কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন ১০ জন। কলেজটিতে শিক্ষক আছেন ১৭ জন। অথচ ১০ পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেননি।</p><p> শুধু এই কলেজ নয়, এবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় নওগাঁর আরও ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে একজন শিক্ষার্থীও পাস করেননি। গত শনিবার ফলাফল প্রকাশের পর বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে।</p><p> শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলো হলো মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা ও আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ, পোরশার মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা, নিয়ামতপুরের রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ ও সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রানীনগরের বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ, ধামইরহাটের শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, পত্নীতলা উপজেলার পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মান্দার শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ, ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং আত্রাইয়ের সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ।</p><p>পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় ২০২১ সালে। কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হামিদুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। বেশির ভাগই পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। এদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফল এত খারাপ।’</p><aside><cite>—হামিদুল ইসলাম, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ, পত্নীতলা সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ</cite>আমাদের প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বেশির ভাগই অনিয়মিত। বেশির ভাগই পড়াশোনার পাশাপাশি কারখানা কিংবা দোকানে কাজ করে। এদের ধরে ধরে এনে ক্লাস করাতে হয়। এ কারণে এখানকার ফল এত খারাপ।</aside><p>স্থানীয় যুবক আবু সাঈদ এ ফল নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসে বেতন-ভাতা নিয়মিত পান। তারপরও ১৭ শিক্ষকের একটি প্রতিষ্ঠানে ১০ জন পরীক্ষার্থী পাস করেন না। কর্তৃপক্ষের উচিত, প্রতিষ্ঠানের প্রশাসক কিংবা শিক্ষকদের কোনো গাফিলতি আছে কি না, তা তদন্ত করে বের করা।</p><p>শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে মহাদেবপুর উপজেলার রামচন্দ্রপুর বাহারুল উলুম আলিম মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত। এখানকার শিক্ষক-কর্মচারীরা সরকার থেকে নিয়মিত বেতন-ভাতা পান। মাদ্রাসাটি ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এমপিওভুক্ত হয় ২০১২ সালে। এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন আলিম পরীক্ষায় এখান থেকে ২৬ জন অংশ নেন। কেউ পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠানটিতে শিক্ষক ২৪ জন, কর্মচারী ৬ জন।</p><p>মাদ্রাসাটির অধ্যক্ষ মো. জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘বরাবরই আমাদের প্রতিষ্ঠানে ফল ভালো হয়। কিন্তু এবার ফল খুবই খারাপ হয়েছে। এবারের শিক্ষার্থীরা একটু দুর্বল ছিল। ইংরেজি ও অঙ্ক পরীক্ষায় সবাই খারাপ করেছে। আশা করি ভবিষ্যতে আমরা ভালো করব।’</p><p>বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আরিফ মেমোরিয়াল কলেজ থেকে একজন, মেদা হযরত আয়েশা সিদ্দীকা (রা.) আলিম মাদ্রাসা থেকে ছয়জন, রাজাপুর বটতলী হাট কলেজ থেকে নয়জন, সাংশৈল আদিবাসী স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে চারজন, বড়খোল বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ থেকে সাতজন, শহীদ আব্দুল জব্বার মঙ্গলবাড়ী বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে আটজন, শ্যাম চাঁদ মডেল উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ থেকে আটজন, ঘোনা আদর্শ হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন এবং সোনাইডাঙ্গা মহিলা বিএম অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজ থেকে ১১ জন পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের কেউই উত্তীর্ণ হতে পারেননি।</p>]]></content:encoded></item><item><title>এক মাস আগে মাদ্রাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগদান, দুই শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/6h0l5e76si</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/6h0l5e76si#comments</comments><guid isPermaLink="false">98917122-106c-4186-88db-00715ce12a0f</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:40:50 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:40:50.426Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ দুই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>চৌদ্দগ্রাম,চট্টগ্রাম বিভাগ,কওমি মাদ্রাসা,কুমিল্লা,পুলিশ,গ্রেপ্তার,মামলা,ধর্ষণ</media:keywords><media:content height="199" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6gag5142/childabuse.avif" width="185"><media:title type="html"><![CDATA[ শিশু ধর্ষণ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6gag5142/childabuse.avif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><category>অপরাধ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে একটি আবাসিক হাফেজিয়া মাদ্রাসার দুই শিশুশিক্ষার্থীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। দুই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করা হয়েছে। এরপর তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। </p><p>গ্রেপ্তার শিক্ষকের নাম মো. কবির হোসেন। গতকাল রোববার উপজেলার একটি হাফেজিয়া মাদ্রাসা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। কবির হোসেনের বাড়ি জেলার বরুড়া উপজেলায়। আজ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।</p><p>দুই শিশুর বরাতে তাদের স্বজনেরা জানান, প্রায় এক মাস আগে ওই মাদ্রাসায় আবাসিক শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন কবির হোসেন। যোগদানের পর থেকে তিনি মাদ্রাসার হেফজ বিভাগের ১০ ও ১১ বছর বয়সী দুই আবাসিক ছাত্রকে বিভিন্ন সময় ধর্ষণ করেন। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।</p><p>দুই শিশুর বরাত দিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শিক্ষক ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে কয়েক দিন ধরে দুই শিশুর ওপর যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। লোকলজ্জা ও ভয়ে শিশুরা প্রথমে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। তবে গত দুই-তিন দিনে নির্যাতনের ঘটনা বেড়ে গেলে তারা পরিবারের সদস্যদের কাছে বিষয়টি খুলে বলে। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে ভুক্তভোগী শিশুদের পরিবার, অন্য অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।</p><p>এর প্রতিবাদে গতকাল রোববার বিকেলে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে জড়ো হন অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা মাদ্রাসাটি ঘেরাও করে অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে চৌদ্দগ্রাম থানার একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে রাতে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।</p><p>ভুক্তভোগী দুই শিশুর বাবা প্রবাসী। তাই একজনের চাচা এবং অন্যজনের দাদা বাদী হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় পৃথক দুটি ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেছেন। মামলার পর ওই শিক্ষককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।</p><p>চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন আজ সোমবার দুপুরে প্রথম আলোকে বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুই শিশুর পরিবারের পক্ষ থেকে দুটি মামলা হয়েছে। তাঁকে আদালতে পাঠানো হবে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>খুলনায় এবার দুই যুবকের গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার, ১২ দিনে সাত খুন</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ejtynefp21</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/ejtynefp21#comments</comments><guid isPermaLink="false">304e26d3-1ad1-4bb4-be5b-658bfe7051d0</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:38:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:38:32.133Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ খুলনায় এবার গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।]]></description><media:keywords>খুন,খুলনা,অপরাধ,খুলনা বিভাগ,হত্যা,গুলি</media:keywords><media:content height="1536" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/gbpc71jf/received4703425363249719.jpeg" width="2048"><media:title type="html"><![CDATA[ খুলনায় নদীর চরে মরদেহ দেখে ভিড় করেন স্থানীয় লোকজন। আজ সোমবার দুপুরে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকায়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/gbpc71jf/received4703425363249719.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>খুলনায় এবার গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুই যুবকের মরদেহ পাওয়া গেছে। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রূপসা উপজেলার আইচগাতি ইউনিয়নের সিংহের চর এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে পুলিশ।</p><p>এ নিয়ে গত ১২ দিনে খুলনা মহানগর ও জেলায় সাতটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন খুলনা মহানগর তাঁতী দলের এক নেতা। এ ছাড়া একই সময়ে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে আছেন যুবদলের বর্তমান ও সাবেক তিন নেতা।</p><p>সব মিলিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত (১ নভেম্বর) খুলনা মহানগর ও জেলায় গুলি, ধারালো অস্ত্রের আঘাতসহ বিভিন্নভাবে ৭৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে।</p><p><strong>নদীর চরে দুই মরদেহ</strong><br>খুলনার রূপসা উপজেলার আঠারোবেকি নদীর চরে আজ দুপুরে স্থানীয় লোকজন প্রথমে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে ভাটার সময় পানি কমে গেলে একই স্থানে আরও একটি মরদেহ দেখতে পান তাঁরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় মরদেহ দুটি উদ্ধার করে।</p><p>পুলিশ জানায়, নিহত দুজনের একজন মেহেদী হাসান (৩৫)। তিনি রূপসার রাজাপুর এলাকার আবদুল্লাহর ছেলে। একসময় জেলখানা ঘাটের মাঝি ছিলেন তিনি। নিহত অন্যজনের নাম রেজাউল করিম (৩০)।</p><p>পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, খুলনার অপরাধজগতে আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর গড়া সন্ত্রাসী গ্রুপ ‘বি-কোম্পানি’র সক্রিয় সদস্য ছিলেন মেহেদী ও রেজাউল। দুজনের শরীরেই গুলির চিহ্ন রয়েছে।</p><p>রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খান প্রথম আলোকে বলেন, মেহেদী ও রেজাউল দুজনকেই গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মেহেদী চোখের ওপর ভ্রুর পাশে গুলির চিহ্ন রয়েছে। আর রেজাউলের থুতনির নিচে ও পিঠে গুলির চিহ্ন রয়েছে। হত্যার কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দুজনই সন্ত্রাসী বাহিনী ‘বি-কোম্পানি’র সক্রিয় সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। &nbsp;</p><p>মেহেদীর মরদেহ নদীর চরে পড়ে থাকার খবর শুনে ঘটনাস্থলে আসেন তাঁর বাবা আবদুল্লাহ। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মেহেদী আলাদা থাকত। ছেলের সঙ্গে তাঁর তেমন যোগাযোগ ছিল না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/b1xxirl465">খুলনায় একের পর এক হত্যাকাণ্ড, ১০ মাসে ৭১ খুন, পেছনের কারণ কী</a></aside><blockquote>গতকাল রোববার সন্ধ্যায় খুলনা নগরের আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহল এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে খুন হন খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির। তাঁকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে।</blockquote><p><strong>একের পর এক হত্যাকাণ্ড</strong><br>এর আগে গতকাল রোববার সন্ধ্যায় খুলনা নগরের আড়ংঘাটা থানার রায়েরমহল এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে খুন হন খুলনা মহানগর তাঁতী দলের যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির। তাঁকে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে হত্যা করে। আর শনিবার দিবাগত রাতে নগরের লবণচরা এলাকার সড়ক থেকে এক যুবকের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে হত্যার পর সড়কে মরদেহ ফেলে যায়।</p><p>২৬ অক্টোবর রাত থেকে ২৭ অক্টোবর বিকেল পর্যন্ত খুলনায় গুলির তিনটি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বটিয়াঘাটা উপজেলার পৃথক দুটি স্থানে গুলিতে আহত হন যুবদলের সাবেক দুই নেতা। আর খুলনা নগরে গুলিবিদ্ধ হন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মী।</p><p>২৫ অক্টোবর নগরের সোনাডাঙ্গা থানা এলাকায় একজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ২৪ অক্টোবর নগরের দক্ষিণ টুটপাড়া গাছতলা এলাকায় ধনঞ্জয় কুণ্ডু ওরফে আকাশ কুণ্ডু নামের এক কলেজশিক্ষককে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। একই দিন সকালে তেরখাদা উপজেলায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে রামিম বিশ্বাস নামের যুবদলের এক নেতা আহত হন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/e4l92hjkqb">খুলনায় এবার মোটরসাইকেলে এসে গুলি করে ল্যাপটপের ব্যাগ ছিনতাই</a></aside><blockquote>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের অধিকাংশের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিরোধের মতো কারণ রয়েছে।</blockquote><p>এ ছাড়া ২২ অক্টোবর সকালে নগরের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় এক যুবককে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন সন্ধ্যার পর নগরের জিন্নাহপাড়া এলাকায় গুলি করে হত্যা করা হয় এক গৃহবধূকে।</p><p>পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এসব হত্যাকাণ্ডের অধিকাংশের পেছনে অস্ত্র ও মাদক কারবার, চাঁদাবাজির নিয়ন্ত্রণ, পূর্বশত্রুতা এবং সন্ত্রাসীগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিরোধের মতো কারণ রয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>দৃষ্টি ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মানুষের সহায়ক এআই</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/i1xg9uh1ow</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/i1xg9uh1ow#comments</comments><guid isPermaLink="false">ac2857de-f43f-4206-bd95-b2b5dc513974</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:37:21 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:37:21.642Z</atom:updated><atom:author><atom:name>রেমিজিউস রেমী</atom:name><atom:uri>/api/author/2556696</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এআই কখনো কখনো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভুল বর্ণনা দেয়। ওই প্রতিবেদনে ৯০ জন ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, এআইয়ের ভুলে তাঁরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ]]></description><media:keywords>প্রযুক্তি,দৃষ্টিশক্তি,প্রতিবন্ধী,এআই</media:keywords><media:content height="483" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ajchv3td/DailyAI026.jpg" width="858"><media:title type="html"><![CDATA[ ছবিটি এআই দিয়ে আঁকা]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ajchv3td/DailyAI026.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এআই</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘ছবিতে একটা লাল রিকশা আর পাশে হাসিমুখে এক শিশু।’ ফোনের কণ্ঠস্বর শুনে স্পষ্ট কল্পনা করতে পারলেন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী তন্ময় (ছদ্মনাম)। আজই আত্মীয়ের পাঠানো ছবিটা তিনি এই প্রথম ‘দেখলেন’।</p><p>এই প্রযুক্তির নাম এআই ছবি-বর্ণনা বা ইমেজ ডেসক্রিপশন, যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ছবি দেখে তা কথায় বলে দেয়। আবার বধির বা শ্রবণপ্রতিবন্ধী মানুষের জন্য আছে লাইভ ক্যাপশন, যা কথার সঙ্গে সঙ্গে লেখায় রূপ দেয়। আমেরিকান ফাউন্ডেশন ফর দ্য ব্লাইন্ডের আগস্ট ২০২৬-এর প্রতিবেদনে ৬২২ জন ছবি-বর্ণনা ব্যবহারকারীর ৭৪ শতাংশই প্রতিবন্ধী মানুষ।</p><p>এআই কখনো কখনো আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভুল বর্ণনা দেয়। ওই প্রতিবেদনে ৯০ জন ব্যবহারকারী জানিয়েছেন, এআইয়ের ভুলে তাঁরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। আর ছবির বর্ণনা আর পথ দেখানো এক জিনিস নয়; রাস্তায় চলার সময় শুধু বর্ণনার ভরসায় থাকা বিপজ্জনক হতে পারে। প্রতিবেদনেও দেখা গেছে, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যবহারকারীরা ভুলের কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন।</p><p>তাই মনে রাখুন ১. ওষুধের গায়ের লেখা বা টাকার অঙ্কের মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্বিতীয়বার মিলিয়ে নিন। ২. পরিবার ও বন্ধুরা সহায়ক হিসেবে পাশে থাকুন। ৩. বাংলা ভাষায় আরও ভালো সুবিধা পাওয়ার জন্য জোর দাবি তুলুন।</p><p>এআই কি প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতি দয়া, নাকি তাদের অধিকারের অংশ? উত্তরটা আমরা কীভাবে একে গড়ছি, তার ওপর নির্ভর করছে।</p><ul><li><p>লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর</p></li></ul>]]></content:encoded></item><item><title>আদর্শবান শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন বুনছে নাজমুল</title><link>https://trust.prothomalo.com/activities/alor-school/myakvz6wkj</link><comments>https://trust.prothomalo.com/activities/alor-school/myakvz6wkj#comments</comments><guid isPermaLink="false">a611f0e3-81bb-46cd-a202-09020560b226</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:30:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:30:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>প্রথম আলো ট্রাস্ট,কুড়িগ্রাম,স্বপ্ন নিয়ে,স্বপ্ন দেখা</media:keywords><media:content height="598" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zkesr4xj/4b3409ed-f57c-4921-a3ba-4fea5c8bb8be.jfif" width="1040"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালার চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: নাজমুল ইসলাম (হাসান)।]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zkesr4xj/4b3409ed-f57c-4921-a3ba-4fea5c8bb8be.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>আলোর পাঠশালা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রত্যন্ত ও দুর্গম চরাঞ্চলের অভাব-অনটনকে জয় করে শিক্ষার আলো ছড়ানোর অদম্য স্বপ্ন বুনছে চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো: নাজমুল ইসলাম (হাসান)। প্রথম আলো ট্রাস্টের সহযোগিতায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালার একজন মেধাবী শিক্ষার্থী সে। নাজমুলের পরিবারে সংগ্রাম আর লড়াইয়ের চিত্র নিত্যদিনের। তার বাবা করিম বাদশা একজন দিনমজুর। প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের প্রতিকূল পরিবেশে দিনমজুরের স্বল্প আয়ে যেখানে সংসার চালানোই দায়, সেখানে একমাত্র পুত্র সন্তানকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করা এক বিরাট চ্যালেঞ্জ। তবে হাজারো প্রতিকূলতা আর অভাবের মাঝেও দমে যায়নি নাজমুল। তার স্বপ্ন বড় হয়ে সে একজন সৎ ও আদর্শ শিক্ষক হবে।</p><p>নাজমুলের ভাষায়, শিক্ষকতা করাই আমার জীবনের স্বপ্ন। আম চাই এই অবহেলিত ও নিরক্ষরতা জর্জরিত চরাঞ্চলকে একটি সুন্দর ও সুশিক্ষিত সমাজে রূপান্তরিত করতে। শিক্ষার আলো দিয়ে সমাজ ও দেশকে আলোকিত করাই আমার মূল লক্ষ্য। চরঞ্চলের এই শিক্ষার্থীর অন্ধকার জীবনে আশার আলো হয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে প্রথম আলো চর আলোর পাঠশালা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকদের আন্তরিক নজরদারি, উৎসাহ, বাবার নাছোড়বান্দা সংগ্রাম এবং নাজমুলের অদম্য ইচ্ছাশক্তি তাকে একদিন তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেবে এমনটাই প্রত্যাশা শিক্ষক ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীদের।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ব্যাংক লুটের পরও দেশ ছাড়ার সুযোগ পান বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বাচ্চু</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/44oxe2gnla</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/44oxe2gnla#comments</comments><guid isPermaLink="false">58e2a250-b446-41c4-911c-ff101a3aca68</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:27:45 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:27:45.333Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িত অনেকের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু। কানাডা থেকে তিনি নিজেকে ‘বলির পাঁঠা’ দাবি করছেন]]></description><media:keywords>কানাডা,ঋণ কেলেঙ্কারি,ব্যাংক,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="534" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/08fk6vzz/WEB.jpg" width="800"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/08fk6vzz/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বেসিক ব্যাংকের ঋণ কেলেঙ্কারিতে জড়িত অনেকের মধ্যে ছিলেন ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই বাচ্চু। কানাডা থেকে তিনি নিজেকে ‘বলির পাঁঠা’ দাবি করছেন। কিন্তু আসলেই দায়ী কারা? বিস্তারিত ভিডিও বিশ্লেষণে...</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/zm9gmHlWKNk"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, কাভার্ডভ্যানে আগুন</title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/gbppydfp7p</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/gbppydfp7p#comments</comments><guid isPermaLink="false">12b74484-c42f-4591-8070-6ea81aaf1a52</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:20:52 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:20:52.788Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ আশুলিয়ায় শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, কাভার্ডভ্যানে আগুন]]></description><media:keywords>আশুলিয়া,পুলিশ,শ্রমিক,আগুন,সংঘর্ষ,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/su2zz2io/web.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/su2zz2io/web.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা করাসহ বিভিন্ন দাবিতে ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় সোমবারও বিক্ষোভ করছেন পোশাকশ্রমিকেরা। বিস্তারিত ভিডিওতে…</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/o5JCMfo2kwY"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>গত ২০ বছরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, জীবনমান ও মূল্যবৃদ্ধি একনজরে</title><link>https://www.prothomalo.com/business/economics/kk273e6f5h</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/economics/kk273e6f5h#comments</comments><guid isPermaLink="false">2cee5a3a-9d31-4d69-a6fc-24262b5636ee</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:16:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:16:00.197Z</atom:updated><atom:author><atom:name>উচ্ছ্বাস তৌসিফ</atom:name><atom:uri>/api/author/1475068</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এই প্রতিবেদনে ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকার দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভের মধ্যে পোশাকশিল্পের মজুরি, মূল্যবৃদ্ধি, ব্যয় এবং নতুন মজুরি বোর্ড গঠনের পরিপ্রেক্ষিত তুলে ধরা হয়েছে।]]></description><media:keywords>পোশাক শ্রমিক,মূল্যস্ফীতি,মজুরি,তৈরি পোশাকশিল্প</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/w25n76tp/HeaderN2.png" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/w25n76tp/HeaderN2.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>অর্থনীতি</category><content:encoded><![CDATA[ <p> ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে আবারও বিক্ষোভ শুরু করেছেন শ্রমিকেরা। আজ সোমবার গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বিক্ষোভ করছেন তাঁরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে অন্তত ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।</p><p>ওদিকে বেলা পৌনে ১১টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের সেনপাড়া পর্বতা এলাকা, পরে মিরপুর-২ নম্বর স্টেডিয়ামের পাশের প্রশিকা মোড় এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকেরা। বেলা ১১টার দিকে পুলিশ তাঁদের বাধা দিলে পুলিশ ও শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।</p><p>এর আগে গতকাল ১ নভেম্বর, রোববার কালিয়াকৈরের চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ, সফিপুর বাজার, মৌচাক ও তেলিচালা এলাকায় শ্রমিকরা বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ করেন। দিনভর উত্তেজিত পরিস্থিতির মধ্যে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চন্দ্রা পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় একটি পোশাক কারখানার ঝুটের গুদাম ও পুলিশের একটি ভ্যানে আগুন দেওয়া হয়। এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর হন। দিনভর বিক্ষোভ, অবরোধ ও সহিংসতার কারণে অন্তত ৩০টি কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়। প্রায় ছয় ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।</p><p>এ পরিস্থিতিতে গত ২০ বছরের সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করার চেষ্টা করেছে প্রথম আলো। সে জন্য প্রথমে মজুরি বৃদ্ধির বিষয়টা একনজরে দেখে নেওয়া যাক। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/83bj9e8i/01wagehistory.png" /></figure><p>তৈরি পোশাকশিল্পের শ্রমিকদের জন্য ১৯৯৪ সালে প্রথমবার নিম্নতম মজুরি বোর্ড গঠন করে সরকার। সেই বোর্ড ৯৩০ টাকা নিম্নতম মজুরি নির্ধারণ করে। এরপর ২০০৬ সালে বিএনপি সরকারের আমলে শ্রমিকদের মজুরি বাড়িয়ে ১ হাজার ৬৬২ টাকা ৫০ পয়সা করা হয়। এরপর ২০১০, ২০১৩, ২০১৮ এবং সর্বশেষ তৈরি পোশাকশিল্পে নিম্নতম মজুরি বোর্ড হয়েছিল ২০২৩ সালে। </p><p>সে সময় শ্রমিকেরা দাবি করেছিলেন ২০ হাজার ৩৯৩ টাকা। ওই বছরের ১ ডিসেম্বর মজুরি কাঠামো কার্যকর করার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। মজুরি বোর্ড তখন ছয়টি সভা করে ওই বছরের নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নিম্নতম মজুরির সুপারিশ করেছিল। এরপর ডিসেম্বরে চূড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এই পুরো বিষয়টি দেখা যাচ্ছে এ ছবিতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/w9ngsova/02realvalue.png" /></figure><p>পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে গত ৩ বছরে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে বাজারে। তাহলে প্রশ্ন আসে, ২০২৩ সালের ১২ হাজার ৫০০ টাকা এখন কত টাকার সমান? ৯ হাজার ৬৮৭ টাকা। এই টাকায় কি একটি পরিবার চলতে পারে? অর্থাৎ একটি পরিবারের মাসিক খরচ কত? সেটা দেখা যাচ্ছে এ ছবিতে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/mupax0u6/03householdcostvswage.png" /></figure><p>ছবিতে বিভিন্ন এলাকাভেদে একটি পরিবারের মাসিক খরচের একটা হিসাব পাওয়া যাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৫ সালে ৩ হাজার পরিবারের ওপর একটি জরিপ চালিয়েছিল। সেই সূত্রে প্রথম আলোর সংবাদ থেকে জানা যাচ্ছে, গ্রামাঞ্চলের একটি পরিবারের মাসিক খরচ ৩২ হাজার ৫৩২ টাকা। শহরাঞ্চলে সেটা ৩৭ হাজার ৩৪৪ টাকা। এতে দেখা যাচ্ছে, ১২ হাজার ৫০০ টাকায় গ্রামাঞ্চলে পারিবারিক খরচের মাত্র ৩৫ শতাংশ ব্যয় নির্বাহ করা যায়, শহরাঞ্চলে সেটা প্রায় ৩৮ শতাংশ।</p><p>তবে বেসরকারি গবেষণাপ্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের (পিপিআরসি) প্রকাশিত এক গবেষণায় উঠে এসেছে খানিকটা ভিন্নচিত্র। এই গবেষণায় দেখা গেছে, একটি পরিবারের গড় খরচ ২০ হাজার ৮২৬ টাকা। এই খরচগুলোর মধ্যে কোন খাতে গড়ে কত খরচ হয়, সেই চিত্র দেখা যাবে নিচের ছবিতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hzhbfh7m/04householdcostbyitem.png" /></figure><p>সেই সঙ্গে বাজারের সার্বিক চিত্র দেখা যাচ্ছে নিচের ছবিতে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5f31d7oi/05pricemix.png" /></figure><p>এ থেকে শ্রমিকদের এবং সার্বিকভাবে যেকোনো পরিবারের খরচের একটা ধারণা পাওয়া যায়।</p><p>২০২৩ সালে বোর্ড গঠন (এপ্রিল) থেকে মজুরি চূড়ান্ত (৭ নভেম্বর) হতে লেগেছিল প্রায় সাত মাস। সংশোধিত শ্রম আইন (নভেম্বর ২০২৫) অনুযায়ী এবার ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে নতুন কাঠামো আসার কথা ছিল। অবশেষে গত ১ নভেম্বর, মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষের দিনে সরকার মজুরি বোর্ড গঠন করেছে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ngeitvre/06timeline.png" /></figure><p>এ প্রসঙ্গে সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শ্রমিকনেত্রী নাজমা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ‘মজুরি বোর্ড গঠন করতে সরকারের বিলম্ব হয়েছে। সে জন্য শ্রমিকদের একটি অংশ আন্দোলনে নেমেছেন। এখন আমাদের চাওয়া, যত দ্রুত সম্ভব আলোচনা করে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত করা হোক।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/g5v7eec9rr">পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ: গাজীপুরে দেড় শতাধিক কারখানায় ছুটি</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>সেদিন অভিনেত্রী হিমুকে হাসপাতালে রেখে একজন পালিয়ে যায়, মৃত্যুর রহস্য অমীমাংসিত</title><link>https://www.prothomalo.com/entertainment/ce2kajyyia</link><comments>https://www.prothomalo.com/entertainment/ce2kajyyia#comments</comments><guid isPermaLink="false">3e6e4589-7d81-4f42-8e89-de304dc97766</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:04:48 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:15:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিনোদন প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428416</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মৃত্যুর পরে সেদিন উত্তরার একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছিল তাঁর মরদেহ। মৃত্যুর কারণ দীর্ঘসময় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ]]></description><media:keywords>শিল্পীর মৃত্যু,বাংলা নাটক,ট্রেন্ডিং নাটক</media:keywords><media:content height="470" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/raxs21jy/7a21386a8e8141ab8bccec66376d329f.jpg" width="835"><media:title type="html"><![CDATA[ হোমায়রা হিমু]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/raxs21jy/7a21386a8e8141ab8bccec66376d329f.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বিনোদন</category><content:encoded><![CDATA[ <p>২০২৩ সালের ২ নভেম্বর। হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে ছোট পর্দার অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুর মৃত্যুর খবর। শুরুতে তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন—কেউ বলছিলেন আত্মহত্যা, কেউ সন্দেহ করছিলেন হত্যা। সেই অনিশ্চয়তার মধ্যেই থেমে যায় দুই দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয় করা এক শিল্পীর পথচলা। আজ তাঁর তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।</p><p>মৃত্যুর পরে সেদিন উত্তরার একটি হাসপাতালে রাখা হয়েছিল তাঁর মরদেহ। মৃত্যুর কারণ দীর্ঘসময় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। সেই সময় ছড়িয়ে পরে এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর পেছনে রয়েছে রহস্যজনক কারণ। পরদিন তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/927d3eb1-4d0b-45d6-8bf1-425a54aa0243/33b53446-d4b2-4357-8ab7-d09dff54fe07.webp" /><figcaption>হোমায়রা হিমু</figcaption></figure><p><strong>হিমুর অভিনেত্রী হওয়ার গল্প</strong><br>হোমায়রা হিমু ১৯৮৫ সালের ২৩ নভেম্বর লক্ষ্মীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। লক্ষ্মীপুরে ছোটবেলা কেটেছে হোমায়রা হিমুর। ক্লাস টুতে পড়ার সময় থেকেই কাজ করতেন মঞ্চে। বেসরকারি টিভি চ্যানেল দেশ টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হিমু নিজেই বলেছিলেন, ছোটবেলা থেকেই স্থানীয় হাইফাই কৌতুক শিল্পগোষ্ঠী ও ফ্রেন্ডস নাট্যগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করতেন তিনি। ১৯৯৯ সালে এসএসসি পরীক্ষার পর ঢাকায় আসেন হিমু। প্রথমে ভর্তি হন নাগরিক নাট্যাঙ্গনে। এরপর কাজ করেন আরও কয়েকটি নাটকের দলে।</p><p><strong>মঞ্চ থেকে ছোট পর্দায়</strong><br>মঞ্চে কয়েক বছর কাজ করার পরে এক বড় ভাইয়ের পরামর্শে ফটোশুট করে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনী সংস্থায় মডেলিংয়ের জন্য জমা দেন এই অভিনেত্রী। তখন এইডস নিয়ে সচেতনতামূলক একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন। পরে দেখা যায় আরও কয়েকটি বিজ্ঞাপনচিত্রে। একটি চায়ের বিজ্ঞাপনচিত্রে তাঁকে দেখার পর প্রথম হিমুকে নাটকে সুযোগ দেন নির্মাতা তাহের শিপন। নাটকের নাম ছিল ‘পি আই’। তাঁর প্রথম সহশিল্পী ছিলেন প্রয়াত দিলীপ চক্রবর্তী। ২০০৫ সালে বিনোদন দুনিয়ায় কাজ শুরু করেন হুমায়রা হিমু। এই সময়ে তাঁর আসল নাম হোমায়রা নুসরাত হিমু থেকে হোমায়রা হিমু হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/f69bd1bc-2511-4d78-9718-9267359e4340/2ab7bff8fbde9ed92de3275de7b0c60bc41aedc9e478d2a1.jpg" /><figcaption>হোমায়রা হিমু। ছবি: ফেসবুক</figcaption></figure><p><strong>শেষ দিনগুলোর কথা</strong><br>অভিনয়ের দীর্ঘ পথচলার শেষ দিকে নিয়মিত কাজের সুযোগ কমে গিয়েছিল হিমুর। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিউ কম থাকায় পরিচালক ও প্রযোজকেরা তাঁকে আগের মতো কাজে নিচ্ছেন না, এ নিয়ে আক্ষেপের কথাও বলেছিলেন তিনি। হোমায়রা হিমুর বাড়ি লক্ষ্মীপুরে। তাঁর মা-বাবা কেউ বেঁচে নেই। এসব নিয়ে মাঝেমধ্যে তাঁর মধ্যে একাকিত্ব পেয়ে বসত বলে পরে জানান তাঁর সহকর্মীরা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/cd83b5d4-7eec-41ee-bedc-b213edd79769/148320113_5366161423401573_1789796985049921367_n.jpg" /><figcaption>হোমায়রা হিমু। ফেসবুক থেকে </figcaption></figure><aside><a href="https://www.prothomalo.com/entertainment/tv/atqp01q8qs">অভিনেত্রী হোমায়রা হিমুর রহস্যজনক মৃত্যু</a></aside><p><strong>মৃত্যু ঘিরে রহস্য</strong><br>কেউ না থাকায় মৃত্যুর পর তাঁর সব দায়িত্ব পালন করেছেন অভিনয় শিল্পী সংঘ। তখন তারা স্বাভাবিক মৃত্যু মনে করেই পাশে ছিল। কিন্তু পরে মনে সন্দেহ জাগায়। সেই অভিনয়শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম ঘটনা নিয়ে বলেছিলেন, ‘এর আগেও একইভাবে আরেক অভিনয়শিল্পীকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে একজন পালিয়ে যান। এবারও হিমুকে হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে একজন পালিয়ে যান। এই নিয়ে ঘটনা কী, কীভাবে মৃত্যু হয়েছে, সেটা পোস্টমর্টেম হওয়ার পরেই জানা যাবে। কেউ দায়ী থাকলে আমরা অবশ্যই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলব। কিন্তু এখন আমরা কোনো কিছু বলতে পারছি না।’</p><p><strong>হিমুর কাজ</strong><br>নোয়াখালীর আঞ্চলিক ভাষায় অভিনয় করে দর্শকের কাছে আলাদা পরিচিতি পান হিমু। ‘সোনাঘাট’, ‘চেয়ারম্যান বাড়ি’, ‘বাটিঘর’, ‘শোনে না সে শোনে না’, ‘কমেডি-৪২০’, ‘চাপাবাজ’ও ‘ছায়াবিবি’র মতো নাটকে তাঁকে দেখা গেছে। ২০১১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘আমার বন্ধু রাশেদ’ চলচ্চিত্রে তরু চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তাঁর।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2023-11/88381dba-890d-42ad-b7e6-1ca86f1538dc/himi_1.jpg" /><figcaption>হোমায়রা হিমু</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>আর্জেন্টিনার ‘কসাই’ এখন ইউনাইটেডে সবচেয়ে ‘গোলমাল পাকানো লোক’</title><link>https://www.prothomalo.com/sports/football/t347ho7180</link><comments>https://www.prothomalo.com/sports/football/t347ho7180#comments</comments><guid isPermaLink="false">517dda35-76d8-4252-b445-b6452dd550f0</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:12:25 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:12:25.911Z</atom:updated><atom:author><atom:name>খেলা ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427550</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড,আর্জেন্টিনা ফুটবল দল,লিসান্দ্রো মার্তিনেজ</media:keywords><media:content height="2047" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/rlwvyawl/imgi191crop-40876364.jpeg" width="3640"><media:title type="html"><![CDATA[ নিজের দলেরই সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/rlwvyawl/imgi191crop-40876364.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ফুটবল</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ফুটবলে একটা কথা আছে, রক্ষণভাগের খেলোয়াড়ের মাথা সবচেয়ে বেশি ঠান্ডা থাকতে হয়। কারণ, একটা ভুলের মাশুল দিতে হয় পুরো দলকে। আর সেই ভুল যদি হয় লাল কার্ড, তাহলে তো কথাই নেই। লিসান্দ্রো মার্তিনেজের মাথা যে সেদিন কতটা গরম ছিল, তা বুঝতে তাঁর মাঠ ছাড়ার দৃশ্যটা একবার চোখের সামনে আনতে হবে।</p><p>ঘটনাটা গত শনিবারের, চেলসির বিপক্ষে ম্যাচে। একবার মরগান রজার্সকে ফেলে দিলেন মার্তিনেজ। রেকর্ড ট্রান্সফার ফি দিয়ে কেনা চেলসির উইঙ্গার তাঁকে ফাউল করেছিলেন, সেটি সম্ভবত ভালো লাগেনি মার্তিনেজের। পরক্ষণেই ওয়েসলি ফোফানার দিকে উড়ে গেলেন হাত উঁচিয়ে। বলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক ছিল না, বল জেতার সম্ভাবনাও ছিল না। তবু ফরাসি ডিফেন্ডারের ওপর এমনভাবে ঝাঁপিয়ে পড়লেন, যেন ব্যক্তিগত কোনো শত্রুতা আছে! প্রশ্ন জাগে, কেন?</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/zslzj6lp25">সেই বিস্ফোরক মন্তব্যের কারণ জানালেন লিসান্দ্রো মার্তিনেজ</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ya0p16hp/gettyimages-2302847689-2048x2048.jpg" /><figcaption>মার্তিনেজের ক্ষোভ আছে, সমাধান খোঁজার তাগিদ নেই</figcaption></figure><p>উত্তর খুঁজতে গেলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ড্রেসিংরুমের দিকে তাকাতে হবে। সেখানে যুক্তিবুদ্ধির উপস্থিতি অনেক দিন ধরেই অনিয়মিত। চেলসির কাছে ২-০ গোলে হারের ম্যাচে মার্তিনেজের লাল কার্ড পাওয়ার ঘটনা আসলে ইউনাইটেডের চলমান দুর্দশার ছোট্ট একটি প্রতিচ্ছবি। প্রথমে রজার্সকে ফাউল করে হলুদ কার্ড। এরপর মাত্র সাড়ে তিন মিনিটের ব্যবধানে ফোফানার ওপর বিপজ্জনক ঝাঁপ। রেফারি পিটার ব্যাংকস ভিএআর মনিটরে একবার চোখ বুলিয়েই বুঝে গেলেন, আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডারের জন্য আর কোনো ছাড় নেই। লাল কার্ডের সঙ্গে চেলসিকে পেনাল্টিও দিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/wyrdgcog/gettyimages-2302327791-2048x2048.jpg" /><figcaption>লাল কার্ড দেখছেন লিস্তান্দ্রো মার্তিনেজ।</figcaption></figure> <p> সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ মার্তিনেজ তখন রেফারির সঙ্গে ঝামেলায় জড়াতে যাচ্ছিলেন। সতীর্থরা তাঁকে সরিয়ে নিলেন। এরপর কোচ মাইকেল ক্যারিকের পাশ দিয়ে মাথা নিচু করে মাঠ ছাড়তে হলো। ক্যারিকের মুখের দিকে তাকানোর সাহসটুকুও যেন ছিল না তাঁর।</p><p>অথচ এই ক্যারিকই তাঁকে দ্বিতীয়বার সুযোগ দিয়েছিলেন। অনেক কোচ হলে হয়তো দল থেকেই বের করে দিতেন। ক্লাবের পরিচালকদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ক্ষোভ প্রকাশ করার পরও মার্তিনেজকে ফিরিয়ে এনেছিলেন ক্যারিক। গত অক্টোবরে আতলেতিকো মাদ্রিদের কাছে হারের পর আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার বলেছিলেন, গ্রীষ্মকালীন দলবদলে পর্যাপ্ত খেলোয়াড় না কেনায় ক্লাবের পরিচালকেরা ব্যর্থ। তাঁর কথায়, ‘আমি আমাদের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের কাছ থেকে আরও বেশি প্রত্যাশা করি।’ কথাটা বলার অধিকার নিশ্চয়ই তাঁর আছে। কিন্তু এসব কথা তাঁকেই মানায়, যিনি মাঠে নিজের কাজটাও দারুণভাবে করেন। মার্তিনেজ কি সেটা করতে পারছেন?</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4n1rzlyo/gettyimages-2302320300-2048x2048.jpg" /><figcaption>এখন প্রায়ই মাথা গরম করে ফেলেন মার্তিনেজ।</figcaption></figure> <p> ইউনাইটেডের অবস্থা এমনিতেই নাজুক। টানা তিনটি হারের পর প্রিমিয়ার লিগে দলটি অবনমন অঞ্চলের একেবারে সীমানায়। এমন সময়ে অভিজ্ঞ একজন খেলোয়াড়ের কাছ থেকে দরকার ছিল নেতৃত্ব, সাহস আর প্রতিরোধ। মার্তিনেজ দেখিয়ে যাচ্ছেন উল্টোটা। চেলসির প্রথম গোলের সময় রজার্স প্রায় হেঁটেই ইউনাইটেডের রক্ষণভাগ পেরিয়ে গেলেন। মার্তিনেজের প্রতিরোধ বলতে কিছুই চোখে পড়েনি। অথচ মাইক্রোফোনের সামনে তাঁর সাহসের কমতি নেই।</p><p> ক্লাবের দলবদল নীতি নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে পারেন, পরিচালকদের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারেন। কিন্তু মাঠে দলকে বিপদ থেকে বাঁচানোর সময় সেই সাহস কোথায় যায়? মার্তিনেজের মধ্যে অভিযোগ আছে, ক্ষোভ আছে, অসন্তোষ আছে। সমাধান খোঁজার তাগিদটা নেই।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/jbiwrmo40k">চেলসির কাছে হেরে আরও বিপদে ইউনাইটেড এবং ক্যারিক</a></aside><p>মার্তিনেজের ইউনাইটেড-অধ্যায়ও খুব একটা গর্ব করার মতো নয়। চার বছর ছয় মাসে লিগে খেলেছেন মাত্র ৭২ ম্যাচ। চোটের কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন ৬০৯ দিন। চোট পাওয়া নিশ্চয়ই কোনো ফুটবলারের অপরাধ নয়। কিন্তু সুস্থ অবস্থায়ও তাঁর পারফরম্যান্সে যে অধারাবাহিকতা, সেটি প্রশ্ন তুলবেই। ২০২২ সালে আয়াক্সে এরিক টেন হাগের প্রিয় শিষ্য ছিলেন মার্তিনেজ। সেই টেন হাগই ইউনাইটেডকে রাজি করিয়েছিলেন তাঁকে ৪ কোটি ৮০ লাখ পাউন্ডে কিনতে। এখন পরিস্থিতি এমন, জানুয়ারিতে তাঁকে বিক্রি করে লোকসান হলেও ক্লাবের আপত্তি থাকার কথা নয়। অন্তত হিসাবের খাতা থেকে একটা বোঝা নামবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/gt7b14ll/gettyimages-2302842992-2048x2048.jpg" /><figcaption>মার্তিনেজ এখন আসলে ইউনাইটেডের গোলমাল পাকানো লোক!</figcaption></figure><p>আমস্টারডামে থাকার সময় মার্তিনেজের নাম হয়েছিল ‘দ্য বুচার’, অর্থাৎ কসাই। প্রতিপক্ষকে ভয় ধরানো ট্যাকলের জন্যই এই ডাকনাম। আর্জেন্টিনা দলে তাঁর পারফরম্যান্স দেখেও নামটা মানানসই মনে হয়। কিন্তু ইউনাইটেডে এসে তাঁর সেই কসাইসুলভ দক্ষতা যেন কোথায় উধাও! ট্যাকলের টাইমিং এতটাই এলোমেলো যে দেখলে মনে হয়,  যেকোনো মুহূর্তে কার্ড খেয়ে যাবেন।</p><p> এ বছরই এটি মার্তিনেজের দ্বিতীয় লাল কার্ড। গত এপ্রিলে লিডসের বিপক্ষে ডমিনিক কালভার্ট-লুইনের চুল টেনে ধরে মাঠ ছেড়েছিলেন। সেবার ক্যারিক সেই সিদ্ধান্তে জন্য রেফারির সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু এবার আর কিছু বলেননি ইউনাইটেড কোচ।</p><p>মার্তিনেজের সবচেয়ে বড় সমস্যা, জাতীয় দলের জার্সিতে তিনি যতটা কার্যকর, ক্লাবের হয়ে ততটাই অকার্যকর। আর্জেন্টিনার হয়ে গত দুটি বিশ্বকাপে তাঁকে দেখা গেছে দলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য রক্ষণযোদ্ধা হিসেবে। ক্রিস্টিয়ান রোমেরোর সঙ্গে তাঁর জুটি ছিল বেশ শক্তিশালী। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জয়ের পর ‘লাস মালভিনাস সন আর্জেন্তিনাস’, অর্থাৎ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার, লেখা ব্যানার তুলে ধরে ইংল্যান্ডের সমর্থকদের বিরাগভাজনও হয়েছিলেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/7hq51wfw/gettyimages-2302843284-2048x2048.jpg" /><figcaption>মাঝে মধ্যেই কার্ড দেখার মতো ত্যাকল করেন মার্তিনেজ।</figcaption></figure> <p> দেশের হয়ে মার্তিনেজের চারপাশে যেন নিরাপত্তার বলয় থাকে। সেখানে তিনি আগ্রাসী, আত্মবিশ্বাসী। কিন্তু ইউনাইটেডে খেলতে নামলেই রক্ষণে তাঁকে প্রায়ই একা পড়ে যেতে হয়। তখন তাঁর খেলায় ফুটে ওঠে সবচেয়ে ধ্বংসাত্মক দিকগুলো।</p><p> একজন খেলোয়াড়ের ডাকনাম ‘কসাই’ হতে পারে। তাতে আপত্তি নেই। ফুটবলে এমন আগ্রাসন অনেক সময় দলের সম্পদও হয়। কিন্তু সেই কসাই যখন নিজের দলেরই সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ান, তখন তাঁকে আর ভালোবাসা নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমর্থকেরাও সেটাই বলছেন। মার্তিনেজ এখন আসলে ইউনাইটেডের  ‘গোলমাল পাকানো লোক’!</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/sports/football/adiaprvqka">ক্ষমা চেয়েও শাস্তি এড়াতে পারলেন না মার্তিনেজ</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>দেয়ালে দেয়ালে খুলনার ইতিহাস ও জুলাইয়ের স্মৃতি</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/dfqrleh1zt</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/bangladesh/dfqrleh1zt#comments</comments><guid isPermaLink="false">ad58093e-6cad-4cf0-bc35-3101744144e6</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:06:13 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:06:13.166Z</atom:updated><atom:author><atom:name>সাদ্দাম হোসেন	</atom:name><atom:uri>/api/author/1409114</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ নভেম্বরে খুলনা সফর ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন উপলক্ষে নগরজুড়ে চলছে নানা প্রস্তুতি।]]></description><media:keywords>ছবির গল্প,ঐতিহ্য,ইতিহাস,খুলনা,খুলনা বিভাগ</media:keywords><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৫ নভেম্বরে খুলনা সফর ও ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ উদ্বোধন উপলক্ষে নগরজুড়ে চলছে নানা প্রস্তুতি। এর অংশ হিসেবে খুলনা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরের বিভিন্ন দেয়াল নতুন করে সাজানো হচ্ছে রংতুলির আঁচড়ে। দেয়ালে ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে খুলনার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের প্রতিকৃতি। পাশাপাশি নতুন করে আঁকা হচ্ছে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের গ্রাফিতি। দেয়ালে দেয়ালে শিল্পের ছোঁয়ায় তুলে ধরা হচ্ছে নগরের পরিচয় ও ইতিহাস</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/2v5bktid/1___Khulna_Depictions_on_walls_history_heritage_portraits_02112026.jpeg" /><figcaption>খুলনা বিভাগের ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার ছবি দেয়ালে আঁকা হয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/h26mk4ii/2.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>জুলাইয়ে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতিগুলো নতুন করে রং করা হয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zvfqgu9s/4.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>কিছু লেখায় এসেছে ফন্টের পরিবর্তন</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k88gclpx/5.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>স্টেশনের রঙিন দেয়াল </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/baf1q9l2/6.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>দেয়ালে স্বাধীনতার প্রতিচ্ছবি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/06p3bfop/8.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>চলছে আঁকাআঁকি</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bo7e24cw/9.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>জুলাইকে নতুন রঙে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xdg5tatr/10.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>দেয়ালজুড়ে আঁকা হয়েছে নানা রঙের ঘুড়ি </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ofth9yvi/11.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption> হাদিস পার্কের দেয়ালে গ্রামবাংলার ঐতিহ্য</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xjqudjq5/12.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>হাদিস পার্কের দেয়াল </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hthx6b10/13.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption> ইউনাইটেড ক্লাবের দেয়ালচিত্র </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/eib17vrz/14.-KhulnaDepictions-on-wallshistoryheritageportraits02112026.jpeg" /><figcaption>শিশুকে যেন সুন্দরবনের বাঘ দেখাচ্ছেন বাবা </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zzs2w0hp/15___Khulna_Depictions_on_walls_history_heritage_portraits_02112026.jpeg" /><figcaption>খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের দেয়ালচিত্র </figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ak9cp8yg/16___Khulna_Depictions_on_walls_history_heritage_portraits_02112026.jpeg" /><figcaption>দেয়ালে শ্রমিকদের কর্মজীবনের চিত্র </figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন, শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন</title><link>https://www.prothomalo.com/education/admission/idfd0jtc9s</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/admission/idfd0jtc9s#comments</comments><guid isPermaLink="false">2589493c-2f17-4146-97d9-3cb421634f0d</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:01:49 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:01:49.392Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ইউএনবি </atom:name><atom:uri>/api/author/1427839</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ১৭-১৮ জানুয়ারি পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।]]></description><media:keywords>পড়াশোনা: নোটিশ বোর্ড,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৫-২৬,উচ্চশিক্ষা,বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা ২০২৬–২৭</media:keywords><media:content height="2333" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-12-04/4gl8ow0g/1sylhetsustphoto140412482syl9.jpg" width="3500"><media:title type="html"><![CDATA[ শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2024-12-04/4gl8ow0g/1sylhetsustphoto140412482syl9.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ভর্তি</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমদ চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/eafsisifcg">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স</a></aside><p>বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বঘোষিত ২৬ ও ২৭ জানুয়ারির পরিবর্তে ১৭ ও ১৮ জানুয়ারি শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ২৬ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। শাবিপ্রবির ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র সেখানে রয়েছে। এ অবস্থায় পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত ও আবাসন ভোগান্তি হ্রাস এবং সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা সম্পাদনের স্বার্থে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/admission/e0hbv74ihu">জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১০ জানুয়ারি, বাড়তে পারে ফি</a></aside><p>নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট সবাইকে ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কাপ্তাই হ্রদের কাচকি-চাপিলা মাছেও মাইক্রোপ্লাস্টিক, যেসব কারণ জানালেন গবেষকেরা</title><link>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/njnbgk31qr</link><comments>https://www.prothomalo.com/bangladesh/district/njnbgk31qr#comments</comments><guid isPermaLink="false">a4621ef0-7cdb-4736-a3fb-5b9134f5986a</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:00:46 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:00:46.019Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রতিনিধি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427590</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্লাস্টিককণা সহজেই মানুষের খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করছে। নিয়মিত মাইক্রোপ্লাস্টিকযুক্ত মাছ খেলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের শরীরে প্রদাহ, মেটাবলিক (বিপাকজনিত) সমস্যাসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।]]></description><media:keywords>কাপ্তাই,গবেষণা,চট্টগ্রাম বিভাগ,মাইক্রোপ্লাস্টিক,রাঙামাটি</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zuezrv52/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-16.50.38.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ রাঙামাটির কাপ্তাই হ্রদে জেলেদের জালে ধরা পড়া মাছ সাজিয়ে রাখা হয়েছে। সম্প্রতি শহরের ফিশারি মৎস্য অবতরণ ঘাটে]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/zuezrv52/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-16.50.38.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>জেলা</category><content:encoded><![CDATA[ <p>দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদের মাছেও উদ্বেগজনক মাত্রায় ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণার (মাইক্রোপ্লাস্টিক) উপস্থিতি পাওয়া গেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সাময়িকী ডিসকাভার এনভায়রনমেন্টে প্রকাশিত এক গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।</p><p>গবেষণাটি করেছেন চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) ফিশারিজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের একদল শিক্ষক-শিক্ষার্থী। তাঁরা হলেন নিশাত আক্তার, মো. তানভীর হোসেন, মোহাম্মদ শাকিল খান, জোবায়ের আলম, মো. তারেক, ইফতেখের আহমেদ, ইনকিয়াদ আহমেদ, সাইফুদ্দিন রানা, এস কে আহমদ আল নাহিদ ও শাহিদা আরফিন।</p><p>কাপ্তাই হ্রদের পাঁচটি দেশীয় ছোট মাছের ওপর এই গবেষণা করা হয়। মাছগুলো হলো কাচকি, চাপিলা (গুটি মাছ), ট্যাংরা, মলা ও ঢেলা (রোহতি)। গবেষণার জন্য রাঙামাটির রিজার্ভ বাজার, সুবলং বাজার ও বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে ৫ প্রজাতির ৭৫টি মাছের নমুনা সংগ্রহ করে গবেষক দল।</p><p>গবেষণায় দেখা গেছে, নমুনা হিসেবে নেওয়া সব মাছের ভেতরেই মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিকের কণা বিদ্যমান। এর মধ্যে হ্রদের তলদেশের কাদা ও বালু থেকে খাবার গ্রহণ করা ট্যাংরা মাছের দেহে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ট্যাংরা মাছে প্রতি গ্রামে গড়ে শূন্য দশমিক ৬৩টি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা মিলেছে। গবেষকেরা বলছেন, হ্রদে ফেলা গৃহস্থালি বর্জ্য, পর্যটকদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক এবং মাছ ধরার পুরোনো জালের কারণেই এ দূষণ ছড়িয়ে পড়ছে।</p><p>গবেষণাপত্রে উল্লেখ করা হয়, মাছে পাওয়া প্লাস্টিক কণাগুলোর ৮৫ শতাংশই ছিল সুতা বা ফাইবার আকৃতির। আর রাসায়নিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এর ৭১ শতাংশই পলিথিন, যা মূলত প্লাস্টিকের ব্যাগ, বোতল ও প্যাকেজিং সামগ্রী থেকে তৈরি। নীল, কালো ও সাদা রঙের প্লাস্টিককণার উপস্থিতি প্রমাণ করে যে হ্রদে ফেলা প্লাস্টিক বর্জ্য ও প্লাস্টিকজাত সরঞ্জাম দীর্ঘদিন পানিতে ভেসে ও ভেঙে ক্ষুদ্র কণায় পরিণত হচ্ছে।</p><blockquote>নমুনা হিসেবে নেওয়া সব মাছের ভেতরেই মাইক্রোপ্লাস্টিক বা ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিকের কণা বিদ্যমান। এর মধ্যে হ্রদের তলদেশের কাদা ও বালু থেকে খাবার গ্রহণ করা ট্যাংরা মাছের দেহে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। ট্যাংরা মাছে প্রতি গ্রামে গড়ে শূন্য দশমিক ৬৩টি ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা মিলেছে।</blockquote><p>গবেষকদের মতে, কাপ্তাই হ্রদের আশপাশের এলাকায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাব এবং অসচেতনতার কারণে ড্রেন ও বৃষ্টির পানির সঙ্গে প্লাস্টিক হ্রদের পানিতে গিয়ে পড়ছে। বিশেষ করে পর্যটন এলাকা ও স্থানীয় বাজারগুলো থেকে ফেলা বর্জ্য এই পরিবেশ বিপর্যয়ের প্রধান কারণ।</p><p>গবেষণায় যুক্ত গবেষকেরা সতর্ক করে বলেন, কাপ্তাই হ্রদের ছোট মাছগুলো সাধারণত নাড়িভুঁড়িসহ পুরোটা রান্না করে খাওয়া হয়। ফলে মাছে জমে থাকা এসব ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা সহজেই মানুষের খাদ্যশৃঙ্খলে প্রবেশ করছে। নিয়মিত মাইক্রোপ্লাস্টিকযুক্ত মাছ খেলে দীর্ঘ মেয়াদে মানুষের শরীরে প্রদাহ, মেটাবলিক (বিপাকজনিত) সমস্যাসহ নানা জটিল রোগের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/t5d648m7/WhatsApp_Image_2026_11_02_at_16_51_40.jpeg" /><figcaption>রাঙামাটির ফিশারি মৎস্য অবতরণ ঘাটে বিক্রি হচ্ছে কাপ্তাই হ্রদে ধরা পড়া নানা প্রজাতির মাছ। সম্প্রতি তোলা</figcaption></figure><p>কাপ্তাই হ্রদের জীববৈচিত্র্য ও স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবিলম্বে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন গবেষক দলের সদস্যরা। তাঁরা মনে করেন, হ্রদের নিকটবর্তী বাজার, পর্যটনকেন্দ্র ও বসতিগুলোয় পরিবেশবান্ধব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা জরুরি। একই সঙ্গে প্লাস্টিক দূষণ রোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।</p><p>জানতে চাইলে গবেষক দলের অন্যতম সদস্য, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ফিশারিজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন রানা প্রথম আলোকে বলেন, ‘বড় প্লাস্টিক থেকে ছোট প্লাস্টিক হয়। ছোট প্লাস্টিক খাবার হিসেবে গ্রহণ করে মাছ। এর ফলে মাছের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া যায়।’</p><aside><cite>সাইফুদ্দিন রানা, সদস্য, গবেষক দল।</cite>এখন থেকে সাবধান হতে হবে। কাপ্তাই হ্রদভিত্তিক যেসব পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে, সেখানে প্লাস্টিকের ব্যবহার কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এ বিষয়ে ভাবতে হবে। পাশাপাশি পর্যটকসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে।</aside><p>সাইফুদ্দিন রানা আরও বলেন, ‘এখন থেকে সাবধান হতে হবে। কাপ্তাই হ্রদভিত্তিক যেসব পর্যটনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে, সেখানে প্লাস্টিকের ব্যবহার কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়, এ বিষয়ে ভাবতে হবে। পাশাপাশি পর্যটকসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের সচেতন হতে হবে। কাপ্তাই হ্রদের বেশ কয়েকটি প্রজাতির মাছের পরীক্ষা করা হয়েছে। সব কটি মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।’</p><p>জানতে চাইলে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট রাঙামাটি নদী উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এইচ এম রাকিবুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘কাপ্তাই হ্রদের মাছে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়ার তথ্যটি শুনেছি। হ্রদে প্লাস্টিকের ব্যবহার কীভাবে কমানো যায় বা নিয়ন্ত্রণে আনা যায়, এ বিষয়ে কাজ করা হবে। ভবিষ্যতে এ ধরনের গবেষণামূলক প্রকল্পও হাতে নেওয়া হবে।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>প্রতিদিন নিজেকে নিরাপদ রাখতে যে আমল করবেন</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/b44v06xbey</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/b44v06xbey#comments</comments><guid isPermaLink="false">16c0c347-0814-4d1f-b82d-6a1e194122e8</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 11:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T11:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফয়জুল্লাহ রিয়াদ</atom:name><atom:uri>/api/author/2460044</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ঘর থেকে বেরিয়ে মানুষ নানা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই বাইরে যাওয়ার সময় আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাঁর সাহায্য চাওয়া উচিত।]]></description><media:keywords>দোয়া,ইসলামের কথা,আমল,ইবাদত</media:keywords><media:content height="4000" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/0owg8cr7/pexels-michael-burrows-7129570.jpg" width="6000"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/0owg8cr7/pexels-michael-burrows-7129570.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রকৃত নিরাপত্তা আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। তাই বিপদ থেকে বাঁচতে ইসলাম যেমন বাস্তবসম্মত সতর্কতা অবলম্বনের শিক্ষা দিয়েছে, তেমনি কোরআন-হাদিসে বর্ণিত কিছু দোয়া ও আমলের মাধ্যমে আল্লাহর আশ্রয় চাইতেও উৎসাহিত করেছে।</p><p>নিজেকে নিরাপদ রাখার এমন কয়েকটি আমল হলো:</p><h3>সকাল-সন্ধ্যায় তিন কুল পাঠ

</h3><p>সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস—তিনটি সুরাকে একসঙ্গে ‘তিন কুল’ বলা হয়। সুরাগুলো মুমিনের আত্মিক সুরক্ষার গুরুত্বপূর্ণ আমল। সুরা ইখলাসে আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা রয়েছে। আর সুরা ফালাক ও নাসে যাবতীয় অনিষ্ট থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া হয়েছে।</p><p>রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি সকাল-সন্ধ্যায় তিনবার সুরা ইখলাস ও দুই মুআওয়িজাত (ফালাক ও নাস) পাঠ করো। তা তোমার জন্য সবকিছুর বিপরীতে যথেষ্ট হবে।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৮২)</p><p>ঘুমানোর আগে তিন কুল পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়ার একটি বিশেষ পদ্ধতিও হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বলেন, নবীজি প্রতি রাতে বিছানায় যাওয়ার সময় দুই হাত এক করে এই তিন সুরা পাঠ করে তাতে ফুঁ দিতেন। এরপর দুই হাত দিয়ে শরীরের যতটুকু সম্ভব মুছতেন। মাথা, মুখমণ্ডল ও শরীরের সামনের অংশ থেকে শুরু করতেন। এভাবে তিনবার করতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০১৭)</p><h3>সকাল-সন্ধ্যায় নিরাপত্তার দোয়া

</h3><p>নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে দিনের শুরু ও শেষে একটি সংক্ষিপ্ত দোয়া তিনবার পাঠ করা যায়। এতে আল্লাহর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকার প্রার্থনা রয়েছে।</p><p>দোয়াটি হলো ‘বিসমিল্লাহিল্লাজি লা-ইয়াদুররু মা’আ ইসমিহি শাইউন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামায়ি, ওয়া হুয়াস সামিউল আলিম।’</p><p>অর্থ: আল্লাহর নামে, যাঁর নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো কিছুই ক্ষতি করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।</p><p>রাসুল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়া তিনবার পাঠ করবে, কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না। (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ৩৩৮৮)</p><blockquote>ঘর থেকে বেরিয়ে মানুষ নানা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই বাইরে যাওয়ার সময় আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাঁর সাহায্য চাওয়া উচিত।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/5fwezam2m6">জেনে নিন, সর্বোচ্চ বেহেশত ‘ফেরদাউস’ পাওয়ার ৫ আমল</a></aside><h3>রাতে আয়াতুল কুরসি পাঠ

</h3><p>ঘুমের ঘোরে মানুষ নিজের চারপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে অসচেতন থাকে। এ সময় আল্লাহর আশ্রয় চাওয়ার অন্যতম আমল হলো আয়াতুল কুরসি পাঠ করা। এতে আল্লাহর অসীম ক্ষমতা, জ্ঞান ও সার্বভৌমত্বের বর্ণনা রয়েছে।</p><p>আবু হোরাইরা (রা.) বলেন, এক ব্যক্তি তাঁকে সদকার সম্পদ পাহারা দেওয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠের পরামর্শ দেন। এতে বলা হয়, রাতভর তার জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন রক্ষক নিযুক্ত থাকবেন এবং সকাল পর্যন্ত শয়তান তার কাছে আসতে পারবে না।</p><p>ঘটনাটি নবীজিকে জানানো হলে তিনি জানান, লোকটি ছিল শয়তান। সে মিথ্যাবাদী হলেও তোমাকে সত্য কথা বলেছে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৩১১)</p><p>সুরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াতকে আয়াতুল কুরসি বলা হয়। ঘুমানোর আগে এ আয়াত পাঠ করা সুন্নাহসম্মত আমল।</p><h3>সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত

</h3><p>আয়াতুল কুরসির পাশাপাশি রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠের প্রতিও মনোযোগী হওয়া উচিত। এতে ইমান, আনুগত্য, ক্ষমা প্রার্থনা ও আল্লাহর সাহায্য কামনার শিক্ষা রয়েছে।</p><p>রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, তা তার জন্য যথেষ্ট হবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫০০৯)</p><p>হাদিসে ‘যথেষ্ট হবে’ কথাটির ব্যাখ্যায় আলেমরা রাতের ইবাদতের জন্য যথেষ্ট হওয়া কিংবা বিভিন্ন অনিষ্ট থেকে সুরক্ষাসহ একাধিক অর্থ উল্লেখ করেছেন। (আল–আসকালানি, <em>ফাতহুল বারি বি-শরহি সহিহিল বুখারি,</em> ১৫/১১৩, আর-রিসালাতুল আলামিয়্যাহ, দিমাশক, ২০১৩)</p><h3>ঘর থেকে বের হওয়ার সময় দোয়া

</h3><p>ঘর থেকে বেরিয়ে মানুষ নানা পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়। তাই বাইরে যাওয়ার সময় আল্লাহর ওপর ভরসা করে তাঁর সাহায্য চাওয়া উচিত।</p><p>ঘর থেকে বের হওয়ার দোয়া—‘বিসমিল্লাহি তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহি, লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ।’ অর্থ: আল্লাহর নামে বের হচ্ছি। আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম। আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো শক্তি ও সামর্থ্য নেই।</p><p>কেউ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় এ দোয়া পড়লে তাকে বিপদাপদ ও অনিষ্ট থেকে রক্ষা করা হয় এবং শয়তান তার থেকে দূরে সরে যায়। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯৫)</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/lqm8nyhtxn">বাড়িঘর নিরাপদ রাখতে নবীজির শেখানো ৫ আমল</a></aside><blockquote>আল্লাহর ওপর ভরসা করার অর্থ বিপদের আশঙ্কা উপেক্ষা করা নয়। বরং যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করে আল্লাহর সাহায্য কামনা করাই তাওয়াক্কুলের শিক্ষা।</blockquote><h3>নতুন স্থানে অবস্থান করার দোয়া

</h3><p>ভ্রমণে কিংবা অন্য কোনো স্থানে গিয়ে অবস্থান করার সময়ও আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার শিক্ষা দিয়েছে ইসলাম। এ ক্ষেত্রে একটি সংক্ষিপ্ত দোয়া বিশেষভাবে বর্ণিত হয়েছে। দোয়াটি হলো ‘আউজু বিকালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।’ অর্থ: আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর মাধ্যমে তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।</p><p>রাসুল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি কোনো স্থানে অবতরণ করে এই দোয়া পড়বে, সে স্থান ত্যাগ করা পর্যন্ত কোনো কিছু তার ক্ষতি করতে পারবে না। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭০৮)</p><p>বিপদ থেকে মুক্তির পাশাপাশি নিরাপদ জীবন কামনা করাও জরুরি। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) সকাল-সন্ধ্যায় এই দোয়া পড়া কখনো ছাড়তেন না। </p><p>দোয়া: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফওয়া ওয়াল আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ।’</p><p>অর্থ: হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাই। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৭৪)</p><p>এ দোয়ায় ‘আফিয়াত’ শব্দটি ব্যাপক অর্থ বহন করে। এর মধ্যে বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি, সুস্থতা এবং কল্যাণকর জীবন লাভের প্রার্থনা অন্তর্ভুক্ত।</p><h3>শত্রুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয়

</h3><p>মানুষের জীবনে এমন পরিস্থিতিও আসে, যখন শত্রুর অনিষ্টের আশঙ্কা দেখা দেয়। তখন আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়ে এই দোয়া পড়া যায়,</p><p>দোয়া: ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন জাহদিল বালা, ওয়া দারাকিশ শাক্বা, ওয়া সুয়িল কাজা, ওয়া শামাতাতিল আ’দা।’</p><p>অর্থ: হে আল্লাহ, আমি কঠিন বিপদ, দুর্ভাগ্য, মন্দ ফয়সালা এবং শত্রুর আনন্দের কারণ হওয়া থেকে আপনার কাছে আশ্রয় চাই। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৩৪৭)</p><p>জীবনের অনিশ্চয়তার মধ্যে এই দোয়া মুমিনকে আল্লাহর কাছে নিজের দুর্বলতা প্রকাশ করতে এবং তাঁর সাহায্যের ওপর নির্ভর করতে শেখায়।</p><h3>আমলের পাশাপাশি সতর্কতাও জরুরি

</h3><p>আল্লাহর ওপর ভরসা করার অর্থ বিপদের আশঙ্কা উপেক্ষা করা নয়। বরং যথাসম্ভব সতর্কতা অবলম্বন করে আল্লাহর সাহায্য কামনা করাই তাওয়াক্কুলের শিক্ষা।</p><p>অতএব, নিরাপদ চলাচল, সতর্কতা অবলম্বন, বিপজ্জনক পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি নিয়মিত দোয়া ও জিকিরে অভ্যস্ত হতে হবে।</p><p>ফয়জুল্লাহ রিয়াদ: মুহাদ্দিস, জামিয়া আরাবিয়া দারুস সুন্নাহ রাজাবাড়ী, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/8pm909n5nl">মৃত মা-বাবার জন্য সবচেয়ে উপকারী ৩ আমল</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>পোশাকশ্রমিকদের দ্বিতীয় দিনের মতো মিরপুরের সড়কে নামার চেষ্টা, পুলিশের ধাওয়া </title><link>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zstn3dxdag</link><comments>https://www.prothomalo.com/video/bangladesh/zstn3dxdag#comments</comments><guid isPermaLink="false">cc1c56ba-a67a-4748-bf39-488959609664</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:57:01 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:57:01.525Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ভিডিও ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1427886</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>পুলিশ,শ্রমিক,মিরপুর,পোশাক,বাংলাদেশ</media:keywords><media:content height="1080" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/pmz32r24/WEB.jpg" width="1920"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/pmz32r24/WEB.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>bangladesh</category><content:encoded><![CDATA[ <p>রাজধানীর মিরপুরে বিভিন্ন গলি দিয়ে সোমবার সড়কে নামার চেষ্টা করেছেন পোশাকশ্রমিকেরা। তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে ধাওয়া দেয় পুলিশ। বিস্তারিত ভিডিওতে... </p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/oMAj1qT04vs"></iframe></figure>]]></content:encoded></item><item><title>প্রিন্সেস ডায়ানার ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ লুকে আবেদন কাড়লেন ঋতাভরী</title><link>https://www.haal.fashion/celeb/look/w0vo98znmd</link><comments>https://www.haal.fashion/celeb/look/w0vo98znmd#comments</comments><guid isPermaLink="false">e2f45e1f-7e7f-4f92-9b7c-dd2ba8e33964</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:51:45 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:51:45.835Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফ্লোরিডা শুভ্রা রোজারিও</atom:name><atom:uri>/api/author/1645162</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এবারের হ্যালোউইনে নানা রূপে চমকে দিয়েছেন তারকারা। তবে টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী বেছে নিয়েছেন ভিন্ন এক পথ। প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার বিখ্যাত ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ধরা দিয়েছেন তিনি। রইল বিস্তারিত।]]></description><media:keywords>স্টাইল,রাজকুমারী ডায়ানা,তারকা</media:keywords><media:content height="1140" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4lnn43mb/Rita-V-L.jpg" width="780"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4lnn43mb/Rita-V-L.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>লুক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>এবারের হ্যালোউইনে নানা রূপে চমকে দিয়েছেন তারকারা। তবে টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী বেছে নিয়েছেন ভিন্ন এক পথ। প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার বিখ্যাত ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে ধরা দিয়েছেন তিনি। রইল বিস্তারিত।</p><p>হ্যালোউইনের সাজ মানেই ভূত, ডাইনি কিংবা নানা কাল্পনিক চরিত্রের উপস্থাপন। তবে চেনা ছকের বাইরে গিয়ে এবার ইতিহাসের এক আলোচিত ফ্যাশন মুহূর্তকে বেছে নিয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী। প্রয়াত ব্রিটিশ রাজকুমারী প্রিন্সেস ডায়ানার আইকনিক ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ পরে হ্যালোউইনের সাজে হাজির হয়েছেন তিনি। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hgxo2lf5/881793585186390820900466088484860298804392680n.jpg" /></figure><p>পোশাক, সাজসজ্জা ও ব্যাকগ্রাউন্ড —সব মিলিয়ে ঋতাভরীর এই আয়োজন যেন ফিরিয়ে এনেছে নব্বইয়ের দশকের সেই আলোচিত রাত।</p><p>১৯৯৪ সালের ২৯ জুন। লন্ডনের সার্পেন্টাইন গ্যালারির একটি অনুষ্ঠানে কালো অফ-শোল্ডার গাউনে হাজির হয়েছিলেন প্রিন্সেস ডায়ানা। একই রাতে প্রচারিত এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে ডায়ানার স্বামী তৎকালীন প্রিন্স চার্লস তাঁর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/mhtbmvoj/878749803186390820690466088063782367013743693n.jpg" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/r9u4kpxk/881396672186390819760466084402281464771497050n.jpg" /></figure><p>সেই ঘটনার পর ডায়ানার পোশাকটি হয়ে ওঠে আত্মবিশ্বাস, স্বাধীনতা ও নিজের মতো করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রতীক। ফ্যাশন দুনিয়ায় পোশাকটি পরিচিতি পায় ‘রিভেঞ্জ ড্রেস’ নামে। তিন দশক পরও পোশাকটির আবেদন এতটুকু কমেনি।</p><p>ডায়ানার সেই স্মরণীয় লুকের অনুপ্রেরণায় নিজেকে তুলে ধরেছেন ঋতাভরী। তাঁর পরনে কালো অফ-শোল্ডার, বডিহাগিং ককটেল গাউন। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ijs9xhaf/881313525186390820210466086222329898102953216n.jpg" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/xhq2xxqt/878534059186390820510466085134922754864957632n.jpg" /></figure><p>পোশাকের পাশের স্লিটে লুকে যোগ হয়েছে সাহসী আবেদন। ডায়ানার মূল সাজের সঙ্গে মিল রেখে গলায় সাত লহরের মুক্তার চোকার পরেছেন ঋতাভরী। মাঝখানে বড় ওভাল আকৃতির লকেটটি পুরো সাজে যোগ করেছে আলাদা মাত্রা।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/248w2qv5/877254320186390820600466086273016959149254774n.jpg" /></figure><p>চোখে স্মোকি মেকআপ, ঠোঁটে ন্যুড ব্রাউন লিপস্টিক, হাতে স্টেটমেন্ট আংটি &nbsp;আর খোলা চুলে ক্যামেরায় ধরা দিয়েছেন অভিনেত্রী।</p><p>শুধু সাজপোশাকেই নয়, ফটোশুটের ব্যাকগ্রাউন্ডেও ফুটে উঠেছে লন্ডনের ছোঁয়া। লাল রঙের ঐতিহ্যবাহী ব্রিটিশ টেলিফোন বুথের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন অভিনেত্রী।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8rf4ro5m/875431978186390821380466086315943781002905986n.jpg" /></figure><p>ইনস্টাগ্রামে ছবিগুলো প্রকাশ করে ঋতাভরী জানিয়েছেন, এটি কেবল হ্যালোউইনের পোশাক নয়; বরং বিশ্বের অন্যতম আইকনিক নারীর প্রতি তাঁর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার প্রকাশ। ডায়ানার রিভেঞ্জ ড্রেস বেছে নেওয়ার মধ্য দিয়ে তিনি যেন পোশাকের বাইরের গল্পটিকেও সামনে এনেছেন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6aq4mheb/877997844186390820180466084197052110671903526n.jpg" /></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/orpmebtr/870527320186390820720466084993340716365174948n.jpg" /></figure><p>হ্যালোউইনের সাজে চমক দেওয়ার পাশাপাশি ঋতাভরীর এই আয়োজন মনে করিয়ে দেয়, ফ্যাশন কেবল সৌন্দর্য প্রকাশের মাধ্যম নয়; কখনো কখনো এটি ইতিহাস, ব্যক্তিত্ব ও সময়ের গল্পও বলে। </p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ciq64ci8/872488058186390819670466081249507828255850670n.jpg" /></figure><p>প্রিন্সেস ডায়ানার সেই কালো পোশাক যেমন তিন দশক পরও ফ্যাশনপ্রেমীদের আলোচনায়, তেমনি তার অনুপ্রেরণায় তৈরি ঋতাভরীর সাজও হয়ে উঠেছে আলোচিত এক ফ্যাশন মুহূর্ত।</p><p><strong>ছবি:</strong> ইন্সটাগ্রাম</p>]]></content:encoded></item><item><title>রিপাবলিকানদের টেক্সাস ‘দুর্গ’ কি এবার ভেঙে দিতে পারবেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী ৩৭ বছর বয়সী টালারিকো</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/0kuzghhfxn</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/0kuzghhfxn#comments</comments><guid isPermaLink="false">c0d237c2-8fa4-4643-ae39-a6532edb109e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:50:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:50:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিবিসি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427840</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ টেক্সাসে এবারের সিনেট নির্বাচনের লড়াই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনী লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এবার নির্বাচনে মোট ব্যয় ৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে।]]></description><media:keywords>ভোট,যুক্তরাষ্ট্র,নির্বাচন</media:keywords><media:content height="1023" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/vtrjsj66/James-Talarico.jfif" width="1537"><media:title type="html"><![CDATA[ সিনেটে টেক্সাস থেকে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জেমস টালারিকো। ১ নভেম্বর ২০২৬ সাল]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/vtrjsj66/James-Talarico.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>তিন দশকের বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল অঙ্গরাজ্য টেক্সাসে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে আছেন ডেমোক্র্যাটরা। কিন্তু এবার সেই চিত্র বদলে যেতে পারে, অন্তত ডেমোক্র্যাটরা তেমনটাই আশা করছেন।</p><p>ডেমোক্র্যাটদের এই আশা দেখাচ্ছেন ৩৭ বছর বয়সী সিনেট প্রার্থী জেমস টালারিকো। তাঁর হাত ধরে ১৯৮৮ সালের পর প্রথমবারের মতো টেক্সাসের সিনেট আসন ডেমোক্র্যাটদের দখলে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।</p><p>এবারের মধ্যবর্তী নির্বাচনে টেক্সাসে সিনেটের একটি আসনে ভোট হবে। আগামীকাল মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচনের ভোট। টেক্সাসে টালারিকোর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী কেন প্যাক্সটন।</p><aside><cite>ব্রেন্ডান স্টেইনহাউজার, টেক্সাসের রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ</cite>ডেমোক্র্যাটরা যদি সত্যিই জয়ী হতে পারেন, তাহলে টেক্সাসসহ পুরো যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান পার্টিকে নিজেদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এতে দলটি মানসিকভাবেও বড় ধাক্কা খাবে।</aside><p>টেক্সাসের রিপাবলিকান নির্বাচনী কৌশলবিদ ব্রেন্ডান স্টেইনহাউজার বলেন, ‘ডেমোক্র্যাটরা যদি সত্যিই জয়ী হতে পারেন, তাহলে টেক্সাসসহ পুরো যুক্তরাষ্ট্রে রিপাবলিকান পার্টিকে নিজেদের অবস্থান নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। এতে দলটি মানসিকভাবেও বড় ধাক্কা খাবে।’</p><p>এত গুরুত্বের কারণেই টেক্সাসে এবারের সিনেট নির্বাচনের লড়াই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে ব্যয়বহুল নির্বাচনী লড়াইয়ে পরিণত হয়েছে। এবারের নির্বাচনে মোট ব্যয়ের পরিমাণ ৫০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/n9mgk0nz6s">রিপাবলিকানরা কি কংগ্রেসে নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে, কেন ট্রাম্পের এত ভয়</a></aside><h3>টালারিকো কে, কতটা জনপ্রিয়

</h3><p>রাজনীতিতে টালারিকোর উত্থান খানিকটা বিস্ময়কর। ২০২৫ সালেও তিনি অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের তুলনামূলকভাবে অপরিচিত একজন ডেমোক্র্যাট নেতা ছিলেন।</p><p>নির্বাচনী প্রচার চালাতে টেক্সাসের লাবক শহরে গিয়েছিলেন টালারিকো। সেখানে অবস্থিত ফিয়েস্তা সেন্টারে তাঁকে দেখতে মানুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। মৃদুস্বরে কথা বলা টালারিকো খ্রিষ্টান ধর্মযাজক হওয়ার জন্য পড়াশোনা করেছিলেন। তাঁকে একনজর দেখতে আসা মানুষের সারি ভবন ঘুরে বিশাল পার্কিং লট পেরিয়ে ব্যস্ত সড়ক পর্যন্ত চলে গিয়েছিল।</p><blockquote>টালারিকো রক্ষণশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের অর্থনৈতিক দুর্দশার প্রতি এই নেতৃত্বের কোনো সংবেদনশীলতা নেই। রাজনীতিতে বিপুল অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবেরও নিন্দা জানান তিনি। সিনেটে দুর্নীতিবিরোধী একটি ‘সর্বাত্মক কর্মসূচি’ এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন।</blockquote><p>পশ্চিমাঞ্চলের ধুলোমাখা সমতল ভূমিতে অবস্থিত প্রায় আড়াই লাখ মানুষের এই শহরে নির্বাচনের ঠিক আগে একজন বড় ডেমোক্র্যাট প্রার্থীর সফর ছিল ব্যতিক্রমী ঘটনা। দুই বছর আগে শহরটির ভোটারদের একটি বড় অংশ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ভোট দিয়েছিলেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/h7guxkti59">যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দল হারলে কী হতে পারে</a></aside><p>লাবকের পাশের হকলি কাউন্টির ডেমোক্রেটিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যারন গনজালেজ বলেন, ‘এটা দেখতে সত্যিই দারুণ লাগছে। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন।’</p><p>প্রায় তিন হাজার সমর্থকের সামনে মঞ্চে ওঠেন টালারিকো। বাইরে আরও প্রায় এক হাজার মানুষ স্পিকারে তাঁর বক্তব্য শোনেন। এ বছর যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা যে ধরনের প্রচার চালাচ্ছেন, টালারিকোর বক্তব্যও ছিল অনেকটা সে রকম। তবে তাতে ছিল টেক্সাসের নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/cl6r4ojl/Democrats.webp" /><figcaption>টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী জেমস টালারিকোর সমর্থকেরা</figcaption></figure><p>টালারিকো রক্ষণশীল রাজনৈতিক নেতৃত্বের কঠোর সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের অর্থনৈতিক দুর্দশার প্রতি এই নেতৃত্বের কোনো সংবেদনশীলতা নেই। রাজনীতিতে বিপুল অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবেরও নিন্দা জানান তিনি। সিনেটে দুর্নীতিবিরোধী ‘সর্বাত্মক কর্মসূচি’ এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেন।</p><aside><cite>জেমস টালারিকো, ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী</cite>টেক্সাসের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। চরমপন্থা ও দুর্নীতির দিন শেষ। বিভেদ সৃষ্টির রাজনীতিও আর নয়। মানুষ এখন নতুন কিছু চায়।</aside><p>টালারিকো বলেন, ‘টেক্সাসের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। চরমপন্থা ও দুর্নীতির দিন শেষ। বিভেদ সৃষ্টির রাজনীতিও আর নয়। মানুষ এখন নতুন কিছু চায়।’</p><p>নির্বাচনী প্রচারের শেষ দুই সপ্তাহের জন্য টালারিকো যে স্লোগান বেছে নিয়েছেন, তা হলো ‘স্বচ্ছ দৃষ্টি, পূর্ণ হৃদয়, হারার কোনো সুযোগ নেই’।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/n1de6x4uot">যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন কী, কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী কী জানা দরকার</a></aside><p>লাবকের সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন টেক্সাস টেক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অ্যান্ড্রু রবিনসন। টালারিকোর বক্তব্য তাঁর ভালো লেগেছে। তবে ২৬ বছর বয়সী রবিনসনের আশাবাদে কিছুটা সংশয়ও ছিল। কারণ, জীবনের পুরোটা সময় তিনি দেখেছেন, টেক্সাসে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করার চেষ্টা করেও বারবার ব্যর্থ হয়েছেন ডেমোক্র্যাটরা।</p><p>রবিনসন বলেন, ‘টালারিকো জিতলে তা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার হবে। টেক্সাসে থেকে যাওয়ার ইচ্ছা আমার খুব একটা ছিল না। তবে সরকার পরিবর্তন হলে এটা আমার এখানে থেকে যাওয়ার একটা কারণ হতে পারে।’</p><p>২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে টেক্সাসে জয়ী হয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/world/usa/97oktc2168">যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০টি আসন, ব্যয় ১২ বিলিয়ন ডলার ও অনুপস্থিত প্রেসিডেন্ট</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস-বিডিএসে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান</title><link>https://www.prothomalo.com/education/scholarship/950netncdl</link><comments>https://www.prothomalo.com/education/scholarship/950netncdl#comments</comments><guid isPermaLink="false">e0a47800-85bd-4958-85ab-8ec226363aa8</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:46:20 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:46:20.935Z</atom:updated><atom:author><atom:name>নিজস্ব প্রতিবেদক</atom:name><atom:uri>/api/author/1258528</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ পাকিস্তানে ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান সরকার।]]></description><media:keywords>শিক্ষা মন্ত্রণালয়,হাইকমিশন,বৃত্তি,পাকিস্তান,এমবিবিএস কোর্স,বাংলাদেশি শিক্ষার্থী,বিডিএস</media:keywords><media:content height="332" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-09/d813c10b-4d0b-4c67-8de3-b50c1f8d934e/1.gif" width="599"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-09/d813c10b-4d0b-4c67-8de3-b50c1f8d934e/1.gif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বৃত্তি</category><category>বাংলাদেশ</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ দিচ্ছে পাকিস্তান। পাকিস্তান সরকারের বৃত্তিমূলক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে মোট ২৫ জন বাংলাদেশি এ সুযোগ পাবেন। আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ১৬ নভেম্বর ২০২৬–এর মধ্যে আবেদনপত্র জমা দিতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/eafsisifcg">ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএতে শুরু হচ্ছে এআই বিষয়ক সার্টিফিকেট কোর্স</a></aside><p>শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান টেকনিক্যাল অ্যাসিস্ট্যান্স প্রোগ্রাম সেশনের (২০২৬-২৭) অধীনে পাকিস্তানের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য এমবিবিএস ২০টি ও বিডিএস ৫টি কোর্সে ভর্তির ঘোষণা দিয়েছে। এই প্রোগ্রামের আবেদনপত্র এবং বিস্তারিত তথ্য মিনিস্ট্রি অব ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্সের <a href="https://www.ead.gov.pk/" rel="nofollow">ওয়েবসাইট </a> থেকে সংগ্রহ করা যাবে। সম্পূর্ণ আবেদনপত্র ১৬ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকার পাকিস্তান হাইকমিশনে পাঠাতে হবে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/education/scholarship/7v5m45qqkr">হার্ভার্ডের লিড ফেলোশিপ, অনলাইনের পাশাপাশি কেমব্রিজে ছয় সপ্তাহের প্রশিক্ষণ</a></aside><p>*বিস্তারিত দেখুন<a href="https://shed.gov.bd/pages/notices/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF-%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%80%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AF-%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%97%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BF-%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4-38wgqg-6ae81646693754e6a6917b13" rel="nofollow"> এখানে</a></p>]]></content:encoded></item><item><title>এআইয়ের সহায়তায় লেখা গবেষণাপত্রের মালিক কে</title><link>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/jxmblsnsz8</link><comments>https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/jxmblsnsz8#comments</comments><guid isPermaLink="false">624a4d0f-ba01-41b8-907f-e28dd8d3795c</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:41:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:41:54.396Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রযুক্তি ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1633233</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ এআই দিয়ে তৈরি গবেষণাপত্রের জন্য অন্তত একজন মানুষ সার্টিফায়িং অথর বা প্রত্যয়নকারী লেখক হিসেবে কাজ করতে পারেন, যিনি চূড়ান্ত ফলাফল যাচাই ও নিশ্চিত করবেন।]]></description><media:keywords>কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা,চ্যাটজিপিটি,এআই,গবেষণা,ওপেন এআই,বিজ্ঞানী</media:keywords><media:content height="427" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/7vr7tdh7/AI.Reuters4.png" width="640"><media:title type="html"><![CDATA[ এআই]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-10-26/7vr7tdh7/AI.Reuters4.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>এআই</category><content:encoded><![CDATA[ <p>বিভিন্ন ব্লগ পোস্ট, প্রবন্ধ, ই–মেইল থেকে শুরু করে গবেষণাপত্র ও পত্রিকার কলাম লেখায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। বর্তমানে অনেক এআই মডেল মানুষের লেখার মতোই সাবলীলভাবে লিখতে পারায় এআইয়ের সহায়তায় লেখা গবেষণাপত্রের দায়বদ্ধতা ও স্বত্বাধিকার নির্ধারণের নীতিমালায় ব্যাপক পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।</p><p>গত মাসে চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই দীর্ঘদিনের জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান নিয়ে শত শত গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে। গবেষণাপত্রগুলোতে কোনো মানুষের নাম না দিয়ে এআইকে একক লেখক হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তবে একাধিক গবেষক ও গণিতবিদ জানিয়েছেন, তাঁরা গবেষণাপত্রগুলোর অনেক প্রমাণ বুঝতে পারেননি। </p><p>যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এনভায়রনমেন্টাল হেলথ সায়েন্সেসের বায়োএথিসিস্ট ডেভিড রেসনিক বলেন, ‘আমরা যদি কোনো কিছু না বুঝি, তবে নৈতিক দিক থেকে আমরা তার দায়ভার নিতে পারি না।’</p><p>বর্তমানে একাডেমিক জার্নাল এবং প্রি–প্রিন্ট সার্ভারে এআইকে লেখক হিসেবে তালিকাভুক্ত করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব মেডিক্যাল জার্নাল এডিটরসের নির্দেশনা অনুযায়ী একজন লেখককে অবশ্যই গবেষণার পরিকল্পনা, তথ্য বিশ্লেষণ এবং লেখা যাচাইয়ের দায়িত্ব নিতে হবে। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের বায়োএথিসিস্ট ব্রায়ান আরপ বলেন, ‘এআই যুগের কারণে আমাদের লেখকত্বের সংজ্ঞা ও ধারণাগত পরিধি পরিবর্তন করার প্রয়োজন হতে পারে। এআই দিয়ে তৈরি গবেষণাপত্রের জন্য অন্তত একজন মানুষ সার্টিফায়িং অথর বা প্রত্যয়নকারী লেখক হিসেবে কাজ করতে পারেন, যিনি চূড়ান্ত ফলাফল যাচাই ও নিশ্চিত করবেন।</p><p>আইসিএমজেই নীতিমালার ভিত্তিতে বায়োএথিসিস্ট ডেভিড রেসনিক জানান, মানুষ যদি এআইয়ের কাজ বুঝতে না পারে, তবে সেই গবেষণাপত্র প্রকাশ করা উচিত নয়। একজন দায়িত্বশীল বিজ্ঞানী হিসেবে এআই কী করছে তা ধাপে ধাপে তদারকি করা অত্যন্ত জরুরি।</p><p>পিএলওএস সাময়িকীর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ভেরোনিক কিয়ারমার জানান, গবেষণায় এআইয়ের ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তবে কেবল বানান বা ভাষা সংশোধনের মতো সাধারণ ক্ষেত্রে প্রকাশ বাধ্যবাধকতা করা হলে তা অর্থহীন কাজে পরিণত হয়।</p><p>প্রকাশিত গবেষণাপত্রের জন্য কোনো একাডেমিক কৃতিত্ব দাবি করছে না ওপেনএআই। এআইয়ের তৈরি গবেষণাপত্র পর্যালোচনা ও বোঝার জন্য বিজ্ঞানীদের কাজ করার আহ্বানও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।</p><p>সূত্র: সায়েন্স ডটঅর্গ</p>]]></content:encoded></item><item><title>রাউজানে আরও ৫টি পাঠাগার উদ্বোধন</title><link>https://www.bondhushava.com/activities/t4142kmmws</link><comments>https://www.bondhushava.com/activities/t4142kmmws#comments</comments><guid isPermaLink="false">97fe5efb-61f8-41db-b4f1-e8c6c9f97373</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:39:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:39:32.566Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ‘একটি ভালো কাজ’-এর অংশ হিসেবে রাউজান বন্ধুসভা এবার পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। বাকি ১৮টি পাঠাগার উপজেলার ১৪টি ইউপি কার্যালয় ও মানুষের সমাগমস্থলে নভেম্বর মাসজুড়ে স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১০টি পাঠাগারে প্রথমা প্রকাশনীর ৫০০-এর বেশি বই রাখা হয়েছে। আছে অন্য প্রকাশনীর বইও।]]></description><media:keywords>একটি করে ভালো কাজ,সারাদেশ,রাউজান</media:keywords><media:content height="2464" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/vssd0e3z/Raujan-bs-bookCorner2.jpg" width="3650"><media:title type="html"><![CDATA[ প্রথম আলোর ২৮ বছর পূর্তিতে রাউজানে ২৮টি পাঠাগার]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/vssd0e3z/Raujan-bs-bookCorner2.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>activities</category><content:encoded><![CDATA[ <p>প্রথম আলোর ২৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে চট্টগ্রামের রাউজানে ২৮টি বুক কর্নার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে রাউজান বন্ধুসভা। ‘অপেক্ষার আড্ডায় বইয়ের সভা’ নামে এসব বুক কর্নার হাসপাতাল, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও চিকিৎসকদের চেম্বারে স্থাপন করা হচ্ছে। সেখানে প্রথমা প্রকাশনসহ বিভিন্ন প্রকাশনীর বই রাখা হবে। গত সপ্তাহে পাঁচটি বুক কর্নারের উদ্বোধন করা হয়েছিল।</p><p>১ নভেম্বর সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত আরও ৫টি বুক কর্নার উদ্বোধন করা হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ২৮টি কর্নারের মধ্যে ১০টি কর্নার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে। দুপুরে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আরও চারটি বেসরকারি হাসপাতালে এগুলো উদ্বোধন করা হয়।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/psf01dxb/Raujan_bs_bookCorner3.jpg" /><figcaption>প্রথম আলোর ২৮ বছর পূর্তিতে রাউজানে ২৮টি পাঠাগার।</figcaption></figure><p>প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ‘একটি ভালো কাজ’-এর অংশ হিসেবে রাউজান বন্ধুসভা এবার পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। বাকি ১৮টি পাঠাগার উপজেলার ১৪টি ইউপি কার্যালয় ও মানুষের সমাগমস্থলে নভেম্বর মাসজুড়ে স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১০টি পাঠাগারে প্রথমা প্রকাশনীর ৫০০-এর বেশি বই রাখা হয়েছে। আছে অন্য প্রকাশনীর বইও।</p><p>প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফিতা কেটে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও বেসরকারি নিউ লাইফ হাসপাতালে বুক কর্নার উদ্বোধন করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অংছিং মারমা। রাউজান বন্ধুসভার সভাপতি মুহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা শিক্ষক সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোহাম্মদ হাবিব উল্লাহ মাস্টার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও টিবলু কান্তি দে, নিউ লাইফ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরমান আহমেদ চৌধুরী, প্রথম আলোর রাউজান প্রতিনিধি এস এম ইউসুফ উদ্দিন ও রাউজান বন্ধুসভার সহসভাপতি এম সায়মন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/p9mdk10c/Raujan_bs_bookCorner.jpg" /><figcaption>প্রথম আলোর ২৮ বছর পূর্তিতে রাউজানে ২৮টি পাঠাগার।</figcaption></figure><p>সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলামের সঞ্চালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বন্ধুসভার সাংগঠনিক সম্পাদক পাভেল চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক ইমন দাশ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক কৃষ্ণ কলি দাশ গুপ্ত, বন্ধু সাবিনা ইয়াসমিন, স্মরণ বড়ুয়া, শহিদুল ইসলাম ও মুহাম্মদ ফাহিম প্রমুখ।</p><p>বন্ধুরা জানান, চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী, তাঁদের স্বজন ও অন্য সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা, জ্ঞানচর্চার প্রসার এবং বই পড়ার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টির লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি চিকিৎসাসেবা নিতে অপেক্ষার সময়টুকু বই পড়ে কাটানোর সুযোগ তৈরি করাও এর উদ্দেশ্য।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/o0hittug/Raujan_bs_bookCorner1.jpg" /><figcaption>প্রথম আলোর ২৮ বছর পূর্তিতে রাউজানে ২৮টি পাঠাগার।</figcaption></figure><p>বুক কর্নারগুলো স্থাপনে বন্ধুসভার সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন। কেউ বইয়ের তাক তৈরি করে দিচ্ছেন, কেউ বই দিচ্ছেন, আবার কেউ বই সংগ্রহ করে আনছেন। বন্ধুসভার উপদেষ্টারাও বই কিনে দিচ্ছেন। কয়েকটি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও নিজেদের উদ্যোগে বই দিয়ে বুক কর্নার সাজিয়ে দিচ্ছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/u29gx1cy/Raujan_bs_bookCorner5.jpg" /><figcaption>প্রথম আলোর ২৮ বছর পূর্তিতে রাউজানে ২৮টি পাঠাগার।</figcaption></figure><p>এ বিষয়ে রাউজান বন্ধুসভার সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম বলেন, বুক কর্নার স্থাপনের পুরো উদ্যোগ বন্ধুসভার উপদেষ্টা ও সদস্যদের নিজেদের। সদস্যদের কেউ এক হাজার, কেউ দুই হাজার টাকার বই দিয়েছেন। উপদেষ্টাদের কেউ তিন হাজার, কেউ পাঁচ হাজার, আবার কেউ ১০ হাজার টাকার বই দান করেছেন। এ ছাড়া বন্ধুসভার সভাপতি মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান নিজ উদ্যোগে ১০টি বইয়ের তাক তৈরি করে দিয়েছেন।</p><p><em><strong>সাংগঠনিক সম্পাদক,</strong></em> রাউজান বন্ধুসভা</p>]]></content:encoded></item><item><title>পার্থক্যটুকু</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/pf9ijttlu2</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/pf9ijttlu2#comments</comments><guid isPermaLink="false">70fe567a-d674-4548-b332-e047a4658ece</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:21:43 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:21:43.094Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ যতখানি ঢিল, ততখানি ঢেউ
ভাবার্থ কি বুঝবে না কেউ?]]></description><media:keywords>প্রেম,কবিতা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/yenky949/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-16.08.40.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/yenky949/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-16.08.40.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>poem</category><content:encoded><![CDATA[ <p>যতখানি ঢিল, ততখানি ঢেউ<br>ভাবার্থ কি বুঝবে না কেউ?</p><p>যতখানি খাঁ খাঁ, ততখানি নীল<br>সম্পর্ক কি মিল, না অমিল?</p><p>যতখানি প্রেম, ততখানি বোকা!<br>স্বপ্নেরা চিরকাল একরোখা!</p><p>যতখানি মধু, ততখানি বিষ<br>বাঘের হালুম, আমি শুনি শিস</p><p>যতখানি পাই, অধিক হারাই<br>যেইখানে আছি, সেইখানে নাই</p><p>যতখানি তাপ, দাহ তিন গুণ<br>সবার অলক্ষ্যে হতে থাকি খুন</p><p>যতখানি আমি, তুমি ততখানি?<br>যতখানি তুমি, ততখানি জানি?</p>]]></content:encoded></item><item><title>মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটদের জয়ের সম্ভাবনা প্রবল, তবে জরিপ নিয়ে আশঙ্কাও কি নেই</title><link>https://www.prothomalo.com/world/usa/c54yriuix6</link><comments>https://www.prothomalo.com/world/usa/c54yriuix6#comments</comments><guid isPermaLink="false">f43186ac-f01c-495b-a622-17cb1bed1ba1</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 10:14:54 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T10:14:54.466Z</atom:updated><atom:author><atom:name>বিবিসি</atom:name><atom:uri>/api/author/1427840</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ তবে মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যেখানে জনমত জরিপ, এমনকি নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগের জরিপও ভুল প্রমাণিত হয়েছে।]]></description><media:keywords>জরিপ,কংগ্রেস</media:keywords><media:content height="900" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/1hs1qlll/4_Elephant_3.jpg" width="1600"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/1hs1qlll/4_Elephant_3.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>যুক্তরাষ্ট্র</category><content:encoded><![CDATA[ <p>৩ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রত্যাশা অনেক বেশি। ঐতিহাসিকভাবে একজন অপ্রিয় রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট, খাদ্য ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি নিয়ে মার্কিন জনগণের অসন্তোষ এবং বিগত কয়েক মাসের অনুকূল জনমত জরিপ আগামীকাল মঙ্গলবার তাদের জন্য ভালো ফলের ইঙ্গিত দিচ্ছে।</p><p>জরিপের তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ২১৮টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি আসনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। সিনেটের মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনগুলোয় তাঁরা সমানে-সমানে অথবা সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।</p><p>দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, সাউথ ক্যারোলাইনার সিনেট নির্বাচনে লড়াই সমানে-সমানে হচ্ছে। অথচ ২০২৪ সালে এই অঙ্গরাজ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প ১৮ শতাংশ বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। সিএনএনের সাম্প্রতিক জরিপগুলোয় টেক্সাস, কানসাস এবং মেইন অঙ্গরাজ্যে ডেমোক্র্যাটদের এগিয়ে রাখা হয়েছে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/w3kj1yzy/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-5.49.43-PM.jpeg" /></figure><h3>এই জরিপগুলো কি আসলেই নির্ভুল

</h3><p>মার্কিন রাজনীতির সাম্প্রতিক ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে, যেখানে জনমত জরিপ, এমনকি নির্বাচনের মাত্র কয়েক দিন আগের জরিপও ভুল প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৬ ও ২০২৪ সালে ট্রাম্প যখন হোয়াইট হাউসের জয় নিশ্চিত করেন, তখন তিনি পূর্বাভাসকে ছাড়িয়ে গিয়েছিলেন। ২০২০ সালে তাঁর অল্প ব্যবধানের পরাজয়ের আগেও বেশির ভাগ জরিপ ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের একটি সহজ জয়ের ইঙ্গিত দিয়েছিল।</p><p>চলতি বছরের শুরুর দিকে জরিপে দেখা গিয়েছিল, ডেমোক্র্যাট আবদুল আল-সাইদ মিশিগানের ডেমোক্র্যাট–দলীয় সিনেট প্রাইমারিতে দুই অঙ্কের ব্যবধানে জিততে যাচ্ছেন। অথচ বাস্তবে জয়ের ব্যবধান ছিল মাত্র ১ শতাংশ। উইসকনসিনের গভর্নর পদে ডেমোক্র্যাট–দলীয় প্রাইমারিতে যে প্রার্থী জরিপে প্রায় ২০ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন, তিনি ১ শতাংশেরও কম ব্যবধানে হেরে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/810sdtf3/Abdul-El-Sayed.avif" /><figcaption>আবদুল আল-সাইদ</figcaption></figure><h3>পরিচয় সংকটে ভুগছে ডেমোক্র্যাটরা

</h3><p>রাজনৈতিক ও বাজার গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ইপসোস পাবলিক অ্যাফেয়ার্সের প্রেসিডেন্ট ক্লিফোর্ড ইয়াংয়ের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় জনমত জরিপ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। কারণ, মানুষ ল্যান্ডলাইন ফোন ব্যবহার ছেড়ে দিচ্ছে। তারা অচেনা কল এড়িয়ে চলছে। ফলে মার্কিন ভোটারদের নাগাল পাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। জরিপ পরিচালনাকারীরা যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন, তাঁদের মধ্যেও অনেকে অংশ নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছেন।</p><p>ইয়াং বলেন, রক্ষণশীলেরা, বিশেষ করে যাঁরা কট্টর ডানপন্থী, তাঁরা স্বভাবগতভাবেই ক্ষমতাসীনবিরোধী। তাঁরা কোনো কিছুতেই অংশ নেয় না। তাঁরা বর্তমান ব্যবস্থাকে ঘৃণা করেন। এটাই মূল চ্যালেঞ্জ।</p><p>যদি রিপাবলিকান ভোটারদের সংগৃহীত তথ্যে নিয়মিতভাবে কম গণনা করা হয় এবং জরিপকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁদের ভোটিং মডেল তৈরির সময় বিষয়টি বিবেচনা না করে, তবে উপাত্তগুলো ডেমোক্র্যাটদের দিকে পক্ষপাতদুষ্ট বা একপেশে হয়ে উঠতে পারে।</p><p>ভোটারদের আচরণ কেমন হবে, তা পূর্বাভাস দেওয়া জরিপকারীদের জন্য দিন দিন আরও জটিল হয়ে ওঠার পেছনে এটি অন্যতম একটি কারণ।</p><p>আগের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনগুলোয় ট্রাম্পের প্রত্যাশার চেয়ে ভালো করার একটি কারণ হলো, তাঁর সমর্থকদের যাঁরা নিয়মিত ভোটার ছিলেন না, তাঁরা প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিলেন।</p><p>সেই অনিশ্চয়তাই সাম্প্রতিক সময়ের জরিপ ভুলের অন্যতম প্রধান কারণ। যদিও বেশির ভাগ নির্ভরযোগ্য জরিপে ভুলের ব্যবধান ছিল মাত্র কয়েক শতাংশ।</p><p>হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে এই সামান্য কয়েক পয়েন্টই একজন প্রার্থীর জন্য জয়–পরাজয়ের মধ্যকার পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। আর এ বছর সিনেটের মূল লড়াইয়ের অনেকগুলোই এই স্বল্প ব্যবধানের মধ্যেই রয়েছে।</p><p>সাম্প্রতিক বছরগুলোয় মধ্যবর্তী সাধারণ নির্বাচনের জনমত জরিপগুলো অবশ্য বেশি নির্ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এর একটি কারণ হলো, ট্রাম্প এবং অসন্তুষ্ট মার্কিন ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে টেনে আনার তাঁর অনন্য ক্ষমতা।</p><p>২০২২ সালে জরিপগুলোয় আভাস দেওয়া হয়েছিল, বাইডেনের কম গ্রহণযোগ্যতা সত্ত্বেও ডেমোক্র্যাটরা প্রথাগত ধারণাকে ভুল প্রমাণ করবে এবং বড় ধরনের নির্বাচনী বিপর্যয় এড়াতে সক্ষম হবে।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/8prk3vni/James-Talarico.jfif" /><figcaption>টেক্সাসে ডেমোক্র্যাট সিনেট প্রার্থী জেমস টালারিকোর সমর্থকেরা</figcaption></figure><p>কিন্তু দলটি প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছিল। তবে জয়ের ব্যবধান ছিল সামান্য এবং ডেমোক্র্যাটরা মার্কিন সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছিল।</p><p>যদিও এ বছরের প্রাইমারি নির্বাচনগুলোর ফলাফল বড় ধরনের চমক দিয়েছিল। তবে ইয়াং বলেন, প্রার্থী বাছাইয়ের এই লড়াই ঐতিহাসিকভাবেই পরিবর্তনশীল হয়ে থাকে, যেখানে ভোটাররা একেবারে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নেন। সাধারণ নির্বাচনের বর্তমান জনমত জরিপগুলো ভুল, এমনটি ভাবার কারণ হিসেবে এটাকে দেখা উচিত নয়।</p><p>প্রেসিডেন্টের নিজস্ব দলের জন্য মধ্যবর্তী নির্বাচনের রাতটি বাজে যাওয়া অতীত থেকেই অনেকটা সাধারণ বিষয় হয়ে উঠেছে।</p><p>সাম্প্রতিক বছরগুলোর অন্যতম উল্লেখযোগ্য উদাহরণ ছিল ২০১০ সাল। ওই নির্বাচনে রিপাবলিকানরা হাউসের ৬০টির বেশি আসন ছিনিয়ে নিয়েছিল এবং সিনেটেও আসন সংখ্যা বাড়িয়েছিল।</p><p>আর্থিক মন্দা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে হিমশিম খাওয়া অর্থনীতি এবং প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার স্বাস্থ্যসেবা সংস্কার নিয়ে রক্ষণশীলদের উদ্বেগের কারণে এটি ঘটেছিল। জরিপগুলোয় পরাজয়ের পূর্বাভাস দেওয়া হলেও ধাক্কাটা এতটা বড় হবে, তা ধারণা করা যায়নি।</p><h3>ডেমোক্র্যাটদের দুশ্চিন্তাও আছে

</h3><p>এবার পরিস্থিতি ঠিক উল্টো। ডেমোক্র্যাটরা এখন বিরোধী দলে এবং অর্থনীতি ভোটারদের ভাবনায় প্রধান বিষয়। কিন্তু ট্রাম্পের কম গ্রহণযোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এবং ইতিহাস ডেমোক্র্যাটদের অনুকূলে কথা বললেও তাদের জন্য নির্বাচনী রাতটি প্রত্যাশিত বা ঐতিহাসিক ফলাফলের মতো ভালো না-ও হতে পারে। এর পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে।</p><p>প্রথমত, এই নির্বাচনে যেসব আসনে মূল লড়াই হচ্ছে, তার বেশির ভাগই মাত্র দুই বছর আগে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ট্রাম্প খুব সহজেই দখল করেছিলেন। রিপাবলিকানদের জন্য এগুলো হোম গ্রাউন্ডের মতো।</p><p>দ্বিতীয়ত, বছরের পর বছর ধরে হাউস নির্বাচনী এলাকার সীমানা পরিবর্তনের (পুনর্নির্ধারণ) ফলে দলগুলোর মধ্যে আসন পরিবর্তনের সুযোগ কমে এসেছে।</p><p>তৃতীয়ত, দেশে রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও গভীর হওয়ার কারণে সুইং ভোটার বা অনিশ্চিত ভোটারের সংখ্যা কমে গেছে। কিছু বিশেষজ্ঞ এই ভোটারদের নির্দিষ্ট ধারায় জমে যাওয়া বা স্থবির বলে বর্ণনা করেছেন।</p><p>এ ছাড়া রিপাবলিকানরা বিপুল অর্থের সুবিধা পেয়েছে, যা তাদের প্রচারের শেষ সপ্তাহে আক্রমণাত্মক বিজ্ঞাপনে শত শত মিলিয়ন ডলার খরচ করার সামর্থ্য দিয়েছে।</p><p>প্রতিটি পৃথক জরিপের নিজস্ব ভুলের সম্ভাব্য সীমা (মার্জিন অব এরর) থাকে, যা সামগ্রিক জনসংখ্যার তুলনায় নমুনা আকারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি পরিসংখ্যানগত অনিশ্চয়তার মাত্রা। তাই একক কোনো জরিপের চেয়ে সব জরিপের গড় হিসাব (পোলিং অ্যাভারেজ) বেশি নির্ভুল পূর্বাভাস দিতে পারে।</p><p>এই মুহূর্তে সাম্প্রতিক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনগুলোয় দেখা যাওয়া জনমত জরিপের ঝোঁক হিসাব করলেও ইঙ্গিত পাওয়া যায়, ৩ নভেম্বরের রাতটি ডেমোক্র্যাটদের জন্য ভালো হতে পারে। আর জরিপের ভুল উভয় দিকেই হতে পারে। গত বছরের অঙ্গরাজ্য ও বিশেষ নির্বাচনগুলোয় ডেমোক্র্যাটরা বেশির ভাগ জরিপকে পেছনে ফেলে ভালো ফল করেছিল। কারণ, তাদের সমর্থকেরাই অপ্রত্যাশিতভাবে বেশি সংখ্যায় ভোট দিতে এসেছিলেন।</p><p>প্রচারের শেষ দিনগুলোয় ট্রাম্পকে এমন সব অঙ্গরাজ্যে সমাবেশ করতে দেখা গেছে, যেখানে তিনি ২০২৪ সালে সহজেই জিতেছিলেন। এটি ডেমোক্র্যাটদের মনে আশা জাগিয়েছে, রিপাবলিকানদের অভ্যন্তরীণ জরিপে হয়তো রক্ষণশীল প্রার্থীরা বিপদে আছেন।</p><p>কখনো কখনো শেষ মুহূর্তের মোড় বা পরিবর্তন প্রতিদ্বন্দ্বিতার গতিপথ বদলে দিতে পারে। আবার কখনো সিদ্ধান্তহীনতায় থাকা ভোটাররা, যাঁরা অনেক আসনের ক্ষেত্রে মোট ভোটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, সবাই একই দিকে ঝুঁকে পড়তে পারেন।</p><p>জরিপের ক্ষেত্রে সব সময়ই কিছুটা অনিশ্চয়তা থাকবে। আর সেই অনিশ্চয়তাকে সামলে নেওয়াই হলো এই বিজ্ঞানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা শিল্পকলা।</p><p>ইয়াং বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা আগের চেয়ে ভালো কাজ করছি। তবে আমরা সব সময় যে সমস্যার মুখোমুখি হই, তা কেবল জরিপকারীদের নিয়ে নয়। এর কিছুটা হলো আমরা মানুষকে নিয়ে কাজ করছি। আর মানুষকে বোঝা বা তাদের আচরণ হিসাব করা মোটেও সহজ নয়।’</p>]]></content:encoded></item><item><title>একঝলক (০২ নভেম্বর ২০২৬)</title><link>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/2erac75099</link><comments>https://www.prothomalo.com/photo/glimpse/2erac75099#comments</comments><guid isPermaLink="false">e3a7655f-5115-4d76-99d5-f5c8887eae4e</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 09:17:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T09:17:00.212Z</atom:updated><atom:author><atom:name>প্রথম আলো ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1428114</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>একঝলক</media:keywords><category>glimpse</category><content:encoded><![CDATA[ <figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/gpsw20ex/1________Rangpur_school_going.JPG" /><figcaption>গ্রামের মেঠো পথ ধরে সাইকেল চালিয়ে বিদ্যালয়ের পথে দুই খুদে শিক্ষার্থী। চানকুঠি, রংপুর, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/bpgzl4fo/11.-Rangpur-pal.JPG" /><figcaption>আর কয়েক দিন পরই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম উৎসব দীপাবলি ও কালীপূজা। এ উপলক্ষে মাটির প্রদীপ তৈরি করে শুকাতে দেয়া হয়েছে। পালপাড়া, রংপুর। ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/d0n9y4jn/2_____Rangamati_froits.JPG" /><figcaption>পুঁইলতায় ঝুলছে পুঁইবীজের থোকা। শিমুলতলী, রাঙামাটি, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/91sv6310/12.-Khulna-physical-exercise.JPG" /><figcaption>ভোরে পার্কে শরীরচর্চা করছেন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা। শহীদ হাদিস পার্ক, খুলনা, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/3u99pfyh/3_____Bogura_bird.jpg" /><figcaption>কচুরিপানার ফাঁকে উঁকি দিচ্ছে পাখিটি। কামারগাড়ী, বগুড়া, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/5tpun1pa/13.-Sylhet-children.jpg" /><figcaption>পাহাড়ের কোলে সবুজ আমন ধানের খেত। খেতের পাশে বাঁশের রঙিন দোলনায় দুলছে শিশুরা। রাধানগর, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/4rxm8anl/5.-Rangamati-paddy.JPG" /><figcaption>খেতের পাশে বসে মাড়াই করা ধান পরিষ্কারের কাজ করা হচ্ছে। শিমুজ্জেছড়া, রাঙামাটি, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/0ug08nuc/14.-Dinajpur-indian-light.jpg" /><figcaption>ভারত সীমান্তের কাঁটাতারের পাশে রাতে জ্বলছে বৈদ্যুতিক বাতি। বাসুদেবপুর, হিলি, দিনাজপুর, ১ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ajje2gtr/6.-Bogura-Bamboo-Made.jpg" /><figcaption>বাঁশের তৈরি পণ্য ফেরি করছেন ফেরিওয়ালা। আতাইল বাজার, বগুড়া, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ialqlgy9/15.-Rangpur-Busy-Potters.JPG" /><figcaption>আগাম মৌসুমের জন্য টব সংরক্ষণ করতে ব্যস্ত কুমারেরা। শুকানো শেষে চুল্লিতে পোড়ানোর জন্য সাজিয়ে রাখা হয়েছে টব। পালপাড়া, মমিনপুর, রংপুর, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/6iejrlx7/7.-Sylhet-bird.JPG" /><figcaption> পাকা ডুমুরের স্বাদ নিচ্ছে বুলবুলি। থানা বাজার, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/aoi2kvaz/16.-Bandarban-farmer.jpg" /><figcaption> নতুন ফসল ফলানোর জন্য জমি প্রস্তুত করছেন এক কৃষক। বটতলীপাড়া, বান্দরবান, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/9zwlc3tl/8.-Rangpur-farmer.JPG" /><figcaption>কলমিশাক তুলছেন তিনি। জানপুর, রংপুর, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/08lviy8u/17.-Bandarban-play.jpg" /><figcaption>বিদ্যালয় ছুটির পর হাসিমুখে বাড়িতে ফিরছে দুই শিশু। বটতলীপাড়া, বান্দরবান, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/udda0o06/9.-Rangamati-paddy.JPG" /><figcaption> হেমন্তের সকালে ধানের পাতায় শিশিরবিন্দু জমেছে। রাঙামাটি, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/dd32f9m9/18.-Rajshahi-protest.jpg" /><figcaption>মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাধাদানকারী ব্যক্তিদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রাজশাহী জেলা ও মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড। সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট, রাজশাহী, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/k9cs75ww/10.-Khulna-flower.JPG" /><figcaption>ফুটেছে রাধাচূড়া ফুল। শহীদ হাদিস পার্ক, খুলনা, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/3ji6chna/19.-Dhaka-arrest.jpg" /><figcaption>পোশাকশ্রমিকদের সংঘর্ষের একপর্যায়ে আশুলিয়ার নরসিংহপুর এলাকা থেকে আটক এক ব্যক্তিকে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। আশুলিয়া, ঢাকা, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/wcup5ehn/20.-Barishal-Bus-services-suspended.jpg" /><figcaption> সড়কে ব্যাটারিচালিত তিন চাকার যান বন্ধের দাবিতে বরিশাল সদর উপজেলার চরকাউয়া বাস টার্মিনাল থেকে ছয়টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ রেখেছেন বাসমালিক ও শ্রমিকেরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। চরকাউয়া, বরিশাল, ২ নভেম্বর</figcaption></figure><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/coxf03or/21.-Kishorgonj-sunset.JPG" /><figcaption>দিন শেষে সূর্য ডুবে গেছে পশ্চিম আকাশে। সূর্যের লাল আভা ছড়িয়ে থাকলেও হাওরের পানিতে ছিপজাল নিয়ে মাছ শিকারে ব্যস্ত এক ব্যক্তি। বড় হাওর, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ৩১ অক্টোবর</figcaption></figure>]]></content:encoded></item><item><title>প্রেম</title><link>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/iiq87nv2dh</link><comments>https://www.prothomalo.com/onnoalo/poem/iiq87nv2dh#comments</comments><guid isPermaLink="false">0aa6ab12-5898-4841-9053-057958e025ae</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 09:10:34 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T09:10:34.432Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ মাসুদ খানের কবিতা]]></description><media:keywords>কবিতা-অন্য আলো,প্রেম,অন্য আলো,কবিতা</media:keywords><media:content height="1067" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/v11dj8hs/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-15.06.41.jpeg" width="1600"><media:title type="html"><![CDATA[ অলংকরণ এস এম রাকিবুর রহমান]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/v11dj8hs/WhatsApp-Image-2026-11-02-at-15.06.41.jpeg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>poem</category><content:encoded><![CDATA[ <p>সেই এক উদ্ভ্রান্ত বিদ্যুৎ<br> যা মানুষকে মুহূর্তে পরিণত করে পরাক্রান্ত চুম্বকে।<br> আর ওই সেই চুম্বক<br> যা পুনরায় বানায় বিদ্যুৎ<br> আর তা চমকিয়ে চলে মানুষে মানুষীতে।</p><p>সর্বোপরি এই সেই কোয়ান্টাম মুহূর্ত<br>যেখানে এসে বিস্ফোরিত হয় সমস্ত গণিত।</p>]]></content:encoded></item><item><title>কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ: মহানবী (সা.) কীভাবে কাজের চাপ সামলাতেন</title><link>https://www.prothomalo.com/religion/islam/2ub6vlsb8e</link><comments>https://www.prothomalo.com/religion/islam/2ub6vlsb8e#comments</comments><guid isPermaLink="false">b936a2b2-2440-4a1c-a208-e4e087f88f13</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 04:12:32 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T04:12:32.593Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ধর্ম ডেস্ক</atom:name><atom:uri>/api/author/1724627</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>মহানবী (সা.),নবীজি (সা.),মানসিক,আমল,মানসিক স্বাস্থ্য,অফিস</media:keywords><media:content height="3276" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/55sbem7t/pexels-a-darmel-8164573.jpg" width="4914"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/55sbem7t/pexels-a-darmel-8164573.jpg?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>ইসলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>পেশাগত জীবনে কর্মক্ষেত্রে ‘মানসিক চাপ’ (স্ট্রেস) একটি নিত্যনৈমিত্তিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাজের ডেডলাইন, টার্গেট পূরণ এবং বহুমুখী দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই চরম মানসিক অবসাদের (বার্নআউট) শিকার হন।&nbsp;</p><p>অথচ বলা যায়, মানব ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি কাজের চাপ ও বহুমুখী দায়িত্ব পালন করেছেন মহানবী (সা.)। তিনি একাধারে একজন নবী, রাষ্ট্রপ্রধান, সেনাপতি, প্রধান বিচারপতি, শিক্ষক ও একজন সংসারী মানুষ ছিলেন।</p><p>এত বিশাল দায়িত্বের বোঝা কাঁধে থাকার পরও তিনি কখনো মানসিক অবসাদে ভেঙে পড়েননি বা খিটখিটে মেজাজের হননি। কাজের প্রচণ্ড চাপ সামলাতে নবীজি যে কৌশলগুলো অবলম্বন করতেন, তা আজকের কর্মজীবীদের জন্য আদর্শ হতে পারে।</p><h3>১. কাজের ফাঁকে নামাজের মাধ্যমে ‘ব্রেক’

</h3><p>টানা কাজ করতে থাকলে মানুষের মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। আধুনিক বিজ্ঞান কাজের ফাঁকে বিরতির (মেডিটেশন) কথা বলে। নবীজির জীবনে যখনই কাজের চাপ বাড়ত বা কোনো চিন্তার বিষয় সামনে আসত, তিনি নামাজে দাঁড়িয়ে যেতেন।</p><p>নামাজের এই সময়টা ছিল তাঁর জন্য সব ধরনের জাগতিক চাপ থেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হওয়ার সুযোগ। তিনি সাহাবি বিলালকে বলতেন, নামাজের মাধ্যমে আমার প্রশান্তির ব্যবস্থা করো। (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৮৫)</p><p>কর্মক্ষেত্রে কাজের ফাঁকে নামাজের এই বিরতি মস্তিষ্ককে পুনরায় সতেজ ও কর্মক্ষম করে তোলে।</p><blockquote>নবীজি একা সব কাজের বোঝা কাঁধে তুলে নিতেন না; বরং সাহাবিদের যোগ্যতা অনুযায়ী চমৎকারভাবে দায়িত্ব বণ্টন করে দিতেন।</blockquote><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/birpe1nnxy">মহানবী (সা.) যেভাবে সমালোচনা মোকাবেলা করতেন</a></aside><h3>২. দায়িত্ব বণ্টন

</h3><p>মানসিক চাপের অন্যতম প্রধান কারণ হলো সব কাজ একাই নিখুঁতভাবে করার চেষ্টা, যাকে বলে ‘মাইক্রোম্যানেজমেন্ট’। নবীজি একা সব কাজের বোঝা কাঁধে তুলে নিতেন না; বরং সাহাবিদের যোগ্যতা অনুযায়ী চমৎকারভাবে দায়িত্ব বণ্টন করে দিতেন।</p><p>বিচার ও প্রশাসনিক দায়িত্ব দিয়ে সাহাবি মুয়াজ ইবনে জাবালকে ইয়েমেন পাঠিয়েছেন, যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন খালিদ ইবনে ওয়ালিদকে, আর গোপন তথ্যের দায়িত্ব দিয়েছেন হুজাইফাতুল ইয়ামানকে।</p><p>অধস্তনদের ওপর বিশ্বাস স্থাপন করে তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার এই নীতি আধুনিক ব্যবস্থাপনার অন্যতম মূলমন্ত্র।</p><h3>৩. সময়ের সুশৃঙ্খল বিভাজন

</h3><p>কাজের চাপের কারণে অনেক সময় কর্মজীবীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, যা মানসিক অবসাদ আরও বাড়িয়ে দেয়।</p><p>মহানবী (সা.) তাঁর প্রতিদিনের সময়কে সুশৃঙ্খলভাবে তিন ভাগে ভাগ করতেন। তিনি তাঁর ঘরের সময়কে তিন ভাগে ভাগ করতেন—এক ভাগ মহান আল্লাহর ইবাদতের জন্য, এক ভাগ পরিবারের সদস্যদের জন্য এবং এক ভাগ নিজের বিশ্রামের জন্য। (ইমাম তিরমিজি, <em>আশ-শামায়িল আল-মুহাম্মাদিয়্যাহ, </em>হাদিস: ৩১৫)</p><p>কর্মক্ষেত্রের কাজ তিনি কখনোই পরিবার বা বিশ্রামের সময়ে টেনে আনতেন না।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/nrfcsbbkjz">কর্মক্ষেত্রে ইতিবাচক থাকতে নবীজির জীবন থেকে ৫ শিক্ষা</a></aside><aside><cite>সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩৪৪</cite>তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথ ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদের সেভাবে রিজিক দিতেন, যেভাবে পাখিদের দিয়ে থাকেন; তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।</aside><h3>৪. দুশ্চিন্তা না করে তাওয়াক্কুল

</h3><p>কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপের সবচেয়ে বড় কারণ হলো টার্গেট পূরণ বা ভবিষ্যতের ফলাফল নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা। ইসলাম শেখায়, মানুষের কাজ হলো শুধু নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা, আর ফলাফলের বিষয়টি আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া।</p><p>মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা যদি আল্লাহর ওপর যথাযথ ভরসা করতে, তবে তিনি তোমাদের সেভাবে রিজিক দিতেন, যেভাবে পাখিদের দিয়ে থাকেন; তারা সকালে খালি পেটে বের হয় এবং সন্ধ্যায় ভরা পেটে ফিরে আসে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৩৪৪)</p><p>নিজের শতভাগ চেষ্টা করার পর ফলাফলের দুশ্চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলার এই নীতি মানুষকে যেকোনো পেশাগত হতাশা থেকে রক্ষা করে।</p><h3>৫. কর্মবিরতি ও পারিবারিক কাজে সহায়তা

</h3><p>অফিস থেকে ফিরেও অফিসের চিন্তা করা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। মহানবী (সা.) যখন ঘরে ফিরতেন, তখন তিনি তাঁর বাইরের বিশাল কাজের চাপ বাইরেই রেখে আসতেন।</p><p>তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে হাসিখুশি সময় কাটাতেন এবং ঘরের কাজে সাহায্য করতেন।</p><p>আয়েশা (রা.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, নবীজি ঘরে থাকা অবস্থায় কী করতেন? তিনি বলেন, ‘তিনি তাঁর পরিবারের কাজে ব্যস্ত থাকতেন। আর যখন নামাজের সময় হতো, তখন নামাজের জন্য বেরিয়ে যেতেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৭৬)</p><p>কাজের চাপ জীবনের অংশ, কিন্তু তা যেন জীবনকে গ্রাস করে না নেয়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।</p><p>নবীজির শেখানো এই সুশৃঙ্খল জীবনযাপন, দায়িত্ব বণ্টন এবং আল্লাহর ওপর আস্থার মাধ্যমে যেকোনো কর্মজীবী মানুষ তাঁর কর্মক্ষেত্রের প্রবল চাপকে প্রশান্তি ও সফলতায় রূপান্তর করতে পারেন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/religion/islam/em363keokq">ঘুমকেও কীভাবে ইবাদতে রূপান্তর করবেন</a></aside>]]></content:encoded></item><item><title>ব্যাংক ‘লুট করে’ আটলান্টিকের ওপারে আবদুল হাই, বললেন ‘আমি বলির পাঁঠা’</title><link>https://www.prothomalo.com/business/o57op2bl9m</link><comments>https://www.prothomalo.com/business/o57op2bl9m#comments</comments><guid isPermaLink="false">77ded6d4-fc4d-439c-8f60-08b0493146dc</guid><pubDate>Mon, 02 Nov 2026 03:00:00 +0000</pubDate><atom:updated>2026-11-02T03:00:00.000Z</atom:updated><atom:author><atom:name>ফখরুল ইসলাম</atom:name><atom:uri>/api/author/1258753</atom:uri></atom:author><description><![CDATA[ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর আগে ২০২৩ সালেই দেশ ছাড়েন তিনি। কোন মাসে ছেড়েছেন, তা তিনি বলেননি।  ]]></description><media:keywords>শেখ হাসিনা,আওয়ামী লীগ,বেসিক ব্যাংক লিমিটেড</media:keywords><media:content height="800" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ipt1f5x3/32f0ad7b-50e9-415a-b5a7-bc330bc1b21b.jfif" width="1194"><media:title type="html"></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/ipt1f5x3/32f0ad7b-50e9-415a-b5a7-bc330bc1b21b.jfif?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>বাণিজ্য</category><category>ব্যাংক</category><content:encoded><![CDATA[ <p>‘আমি বলির পাঁঠা’—বলছিলেন বেসিক ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান শেখ আবদুল হাই ওরফে বাচ্চু।</p><p> নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেও আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রমালিকানাধীন সবচেয়ে ভালো ব্যাংকটিকে সবচেয়ে খারাপ ব্যাংকে পরিণত করার অভিযোগ রয়েছে। আছে বিপুল অঙ্কের টাকা আত্মসাতের অভিযোগও।</p><p> অভিযোগগুলো নিয়ে আত্মগোপনে আবদুল হাই। খোঁজ নেই কয়েক বছর। অবশেষে তাঁর মুঠোফোন নম্বর পেলাম। গত জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে তাঁর সঙ্গে কয়েক দফা কথা হলো। কণ্ঠ পরিচিত। চিনতে অসুবিধা হলো না।</p><p> নিজের বিরুদ্ধে অভিযোগের জবাব দিলেন আবদুল হাই। অভিযোগ অস্বীকার করার চেষ্টা করলেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের একাধিক তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। পিছলে যাওয়ার সুযোগ কম। একপর্যায়ে বললেন, বেসিক ব্যাংক থেকে অনিয়ম করে ঋণ তিনি একা দেননি, তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের নেতারাও দায়ী। আরও বললেন, ‘আমাকে ফাঁসাইও না।’</p><p> আবদুল হাইয়ের গল্পের পুরোটা শোনার আগে তিন যুগের পাতা ওলটাতে হবে।</p><figure class="op-interactive"><iframe allowfullscreen="allowfullscreen" frameborder="0" src="https://www.youtube.com/embed/6WDTZkNbKsI"></iframe></figure><p>১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক পিএলসি, সংক্ষেপে বেসিক ব্যাংক। এই ব্যাংক ছিল ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের কাছে এক নির্ভরতার নাম। পদাধিকারবলে এ ব্যাংকের চেয়ারম্যান থাকতেন শিল্পসচিব। প্রতিষ্ঠার পর থেকে আবদুল হাই চেয়ারম্যান হওয়ার আগপর্যন্ত ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ কখনোই ৩-৪ শতাংশের বেশি হয়নি। ২০০৮ সাল পর্যন্ত সেটি সেরা ব্যাংকগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃত ছিল।</p><p>সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। দায়িত্ব নেয় ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে। ওই বছরের ১০ সেপ্টেম্বর শেখ আবদুল হাইকে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান করা হয়।</p><p>আবদুল হাই ২০১৪ সালের জুলাই পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। এই প্রায় পাঁচ বছরে ব্যাংকটিতে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার ঋণ অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়। রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে পরে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয় ব্যাংকটিকে। এ টাকা জনগণের করের টাকা। কিন্তু ব্যাংকটি যে মুখ থুবড়ে পড়ল, আর সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারল না।</p><p>কেন এবং কীভাবে দেশের ব্যাংক খাতের অন্যতম কেলেঙ্কারির এ ঘটনা ঘটল, তার পেছনে বহুমাত্রিক কাহিনি রয়েছে। বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন কয়েকজন পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্যে স্পষ্ট, আবদুল হাইকে নিয়োগ ও প্রশ্রয় দিতেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর আবদুল হাইয়ের দুর্নীতি নিয়ে সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়া ঠেকাতে চাপ দিতেন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) তৎকালীন কর্মকর্তারা।</p><p>তবে প্রথম আলো একের পর এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। আবদুল হাই বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অন্তত ৬৬টি মামলায় অভিযুক্ত। কিন্তু তিনি এখন কোথায়? দুদক বলছে, আবদুল হাই দেশেই আছেন। তবে আমরা খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি, আবদুল হাই আছেন কানাডায়, সপরিবার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এর আগে ২০২৩ সালেই দেশ ছাড়েন তিনি। কোন মাসে ছেড়েছেন, তা তিনি বলেননি।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/zint8mcf/Hai_1.jpg" /><figcaption>বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮</figcaption></figure><h3>কীভাবে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান</h3><p>আটলান্টিক মহাসাগরের ওপার থেকে একাধিক দফায় মুঠোফোনে কয়েক ঘণ্টার আলাপে আবদুল হাই বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান হওয়ার পেছনের গল্প বললেন তাঁর মতো করে। তিনি ছিলেন জাতীয় পার্টির নেতা। ১৯৮৬ সালের নির্বাচনে বাগেরহাট-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও হয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর তিনি জাতীয় রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয় হয়ে যান।</p><p>রাষ্ট্রমালিকানাধীন বলে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে সাধারণত দায়িত্বে থাকতেন শিল্পসচিব। আওয়ামী লীগ সরকার আবদুল হাইকে বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান বানায় প্রচলিত রীতির বড় ব্যতিক্রম ঘটিয়ে।</p><p>আবদুল হাই প্রথম আলোকে বলেন, ২০০৭-০৮ সালে সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ঢাকার বনানীতে তিনি একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন। পদাধিকারবলে সেখানকার ফ্ল্যাট মালিক সমিতির সভাপতি ছিলেন তখনকার সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদ। তিনি ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। তিনি (আবদুল হাই) বলেন, ‘সেই সময় সেনাপ্রধানের সঙ্গে আমার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। বিভিন্ন বিষয়েই তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ হতো। এই যোগাযোগকে তখন কাজে লাগিয়েছি। কী কাজে লাগিয়েছি, তা আর বলতে চাই না।’</p><p>সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদ বহু বছর ধরে বিদেশে। আবদুল হাইয়ের দাবির বিষয়ে বক্তব্য পেতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়েছিল। পাঠানো হয়েছিল প্রশ্ন। তবে সাড়া পাওয়া যায়নি।</p><p>এদিকে আবদুল হাই বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক ছিল না, এখনো নেই। শেখ হাসিনা আমাকে দেখতে পারতেন না। কারণ, আমি ছিলাম জাতীয় পার্টির লোক।’</p><p>আবদুল হাইকে যখন বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়, তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত (প্রয়াত)। আবদুল হাইয়ের প্রতি তাঁর ক্ষোভ বিভিন্ন সময় প্রকাশ পেয়েছে। কিন্তু মুহিত ছিলেন অসহায়। তিনি বেসিক ব্যাংকে আবদুল হাইয়ের কর্মকাণ্ডকে ‘প্রায় ডাকাতের মতো’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন। জাতীয় সংসদে তিনি বলেই ফেলেছিলেন, জালিয়াতদের ধরতে বাধা নিজের দলের লোক (২০১৬ সালের ৩০ জুন)।</p><p>আবুল মাল আবদুল মুহিতের মৃত্যু হয় ২০২২ সালের ৩০ এপ্রিল। সাবেক সেনাপ্রধান মঈন ইউ আহমেদ বিদেশে। ফলে কেন আবদুল হাইকে আওয়ামী লীগ বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান করেছিল, তা স্পষ্ট করা সম্ভব হয়নি। তবে এটা স্পষ্ট যে আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর আবদুল হাইয়ের প্রভাব ছিল। কারাগারে যাওয়ার বদলে আটলান্টিক পাড়ি দেওয়ার সুযোগ তাঁকে আওয়ামী লীগ সরকারই করে দিয়েছে।</p><p>বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন একজন পরিচালক নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বেসিক ব্যাংকে যা হচ্ছিল, তা জানতে তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত একদিন আমাকে ডেকেছিলেন। সব শোনার পর আমাকে তিনি বলেন, আবদুল হাই বাচ্চুকে সরিয়ে দেওয়া দরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনিও তা পারেননি।’</p><p>আবদুল হাইকে নিয়োগের পাশাপাশি ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রমালিকানাধীন চার ব্যাংক, তথা সোনালী, জনতা, অগ্রণী ও বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে আওয়ামী লীগ সরকার। নিয়োগ দেওয়া হয় দলীয় বিবেচনায়। ২০১০ সালের ১১ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর প্রথম পাতায় এ বিষয়ে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল, ‘দলীয় নেতা ও সমর্থকদের পুরস্কৃত করে চার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন’।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/eew23adg/Hai_4.jpg" /><figcaption>বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন। ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৯</figcaption></figure><h3>ভবন কেনার মাধ্যমে ‘দুর্নীতির শুরু’</h3><p>আবদুল হাই চেয়ারম্যান হওয়ার তিন মাসের মাথায় ২০০৯ সালের ১৩ ডিসেম্বর বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভা হয়। ব্যাংকের নথিপত্র অনুযায়ী, ওই সভায় আবদুল হাই বেসিক ব্যাংকের নিজস্ব ভবন করার কথা বলেন। এর চার মাস পর ২০১০ সালের ১ এপ্রিল মতিঝিলে নির্মাণাধীন একটি ভবন কেনার জন্য ৮১ কোটি টাকার চুক্তি করে ব্যাংকটি।</p><p>কিন্তু চুক্তিটি ছিল অনিবন্ধিত। এ ধরনের চুক্তি আদালতে গ্রহণযোগ্য হয় না। চুক্তিতে বলা হয়, ভবনের নাম হবে ‘জামান-বেসিক ব্যাংক টাওয়ার’। জমির মালিক ছিলেন সিঙ্কু আকরামুজ্জামান। সিঙ্কু আকরামুজ্জামানের মালিকানাধীন একটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের নাম বিজনেস রিসোর্সেস লিমিটেড। চুক্তিতে বলা হয়েছিল, ভবন নির্মাণের কাজ করবে বিজনেস রিসোর্সেস। অর্থাৎ জমি বিক্রি ও ভবন নির্মাণ—দুটিই একই ব্যক্তির কবলে।</p><p>২০১২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে বেরিয়ে আসে চুক্তির দিনই ব্যাংক থেকে ৪০ কোটি টাকা ছাড় করা হয়। ভবন নির্মাণের আগেই তড়িঘড়ি করে বেসিক ব্যাংকের তৎকালীন উপমহাব্যবস্থাপক নিরঞ্জন দেবনাথের মাধ্যমে (বর্তমানে আইসিবির এমডি) ৪০ কোটি টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়। এর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি মহাব্যবস্থাপক পদে পদোন্নতি পান।</p><p>নিরঞ্জন দেবনাথ গত শনিবার প্রথম আলোকে বলেন, ভবনের বিষয়ে পর্ষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একটি উপকমিটি করা হয়েছিল। উপকমিটি সুপারিশ করেছিল জরুরি ভিত্তিতে ৪০ কোটি টাকা পরিশোধ করার। তিনি বলেন, পরিস্থিতি তখন এতটাই খারাপ ছিল যে চেয়ারম্যানের গানপয়েন্টে এমডিসহ কারও পক্ষেই কথা বলার সুযোগ ছিল না।</p><p>ভবনের দাম হিসেবে পরে দুই বছরে আরও কয়েক দফায় পরিশোধ করা হয় ৩৬ কোটি টাকা। সব মিলিয়ে ৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। কিন্তু জমির মালিকানা তখনো ছিল বিরোধপূর্ণ। এটি পরিত্যক্ত সম্পত্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিল। চলছিল মামলা। এখনো ভবনটির পূর্ণ দখল পায়নি ব্যাংক।</p><p>অনিবন্ধিত চুক্তি কেন করেছিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুল হাই এখন প্রথম আলোকে বলছেন, ‘এটা তখনকার আইনজীবী ভালো বলতে পারবেন। আমার পুরোপুরি মনে নেই।’</p><p>অবশ্য ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ নথিপত্র ঘেঁটে বলছে, বিরোধপূর্ণ জমি, অনিবন্ধিত চুক্তি, এত টাকা দিয়ে দেওয়া, এসব ব্যাপারে শেখ আবদুল হাইয়ের ভূমিকাই ছিল প্রধান। তিনি নিজে এর মাধ্যমে লাভবান হয়েছিলেন। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যাংক।</p><p>বেসিক ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ` ভবনটির জটিলতা নিরসন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আমরা ভবনটিতে ওঠার অপেক্ষায় আছি। এতে ভাড়ার খরচটা বাঁচবে।’</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/x0r23kx9/Hai_2.jpg" /><figcaption>বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০</figcaption></figure><h3>ইচ্ছেমতো ঋণ বিতরণ</h3><p>আবদুল হাই বেসিক ব্যাংকে চেয়ারম্যান থাকাকালে ব্যাংকটির ঋণ বিতরণ অস্বাভাবিক হারে বাড়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১০ সালে ব্যাংকটির ঋণ ছিল প্রায় ৪ হাজার ৬৩৪ কোটি টাকা। ২০১২ সালে তা বেড়ে দ্বিগুণের কাছাকাছি হয়ে যায়; কিন্তু মুনাফা কমে।</p><p>২০১০ ও ২০১১ সালে বেসিক ব্যাংকের মুনাফা ছিল যথাক্রমে প্রায় ৬৬ ও ৯৭ কোটি টাকা। ২০১২ সালে তা নেমে আসে প্রায় ৩ কোটি টাকায়। তারপর ২০১৩ সালে ব্যাংকটি যে লোকসানে পড়ল, আর লাভের মুখ দেখেনি। ২০২০ সালের ১২ জানুয়ারি প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছিলেন, ‘আবদুল হাই বাচ্চুর মতো একটা লোকই বেসিক ব্যাংক ধ্বংস করে দিল।’</p><p>আবদুল হাই বাচ্চু যখন চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান, তখন বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন এ কে এম সাজেদুর রহমান। ২০০৮ সালের ২৩ জুলাই থেকে ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটিতে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।</p><p>সাজেদুর রহমান গত ২৭ অক্টোবর ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে বসে সেই সময়কার ঘটনাবলি নিয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে ঘণ্টাখানেক কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘শেখ আবদুল হাই ব্যাংকে যোগ দেওয়ার কয়েক মাসের মাথায় বুঝতে পারলাম তিনি কোন প্রকৃতির মানুষ। তিনি ব্যাংকের নিয়মকানুন মানতেন না। এসব দেখে ব্যাংক থেকে যে চলে আসব, সে উপায়ও ছিল না। কারণ, ব্যাংক ছাড়া যাবে না বলে প্রতিনিয়ত হুমকি দিতেন তিনি।’</p><p>সাজেদুর রহমান বলেন, ‘একদিন গোপনে তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের শরণাপন্ন হই। তাঁকে সব জানাই এবং বলি যে এখানে কোনো ব্যাংকিং হচ্ছে না; বরং মানুষের আমানতের টাকা লুটের পাঁয়তারা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘সব শুনেও আতিউর রহমান সহায়তার কোনো আশ্বাস দিলেন না। তিনি নিজের অসহায়ত্বের কথা জানালেন। ফিরে আসার পর শেখ আবদুল হাই মিটি মিটি হাসতে হাসতে আমাকে প্রশ্ন করলেন, “গভর্নরের কাছে গেছিলা নাকি?” মনে মনে ভাবলাম গভর্নরের সঙ্গে দেখা করার তথ্যটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ নিশ্চয়ই বাচ্চুকে জানিয়ে দিয়েছে। আমিও আর অস্বীকার করিনি।’</p><p>সাজেদুর রহমান ২০১০ সালের শেষ দিকে চিকিৎসার জন্য অস্ট্রেলিয়া যান। ওই বছরের ২ নভেম্বর থেকে তাঁর ছুটি শুরু হয়। ফেরেন ২৫ ডিসেম্বর। তিনি বলেন, ফেরার পর তাঁকে ব্যাংকে যোগ দিতে বলা হয়। তবে তিনি আর যোগ দেননি। ২৭ ডিসেম্বর লোক মারফত পদত্যাগপত্র জমা দেন।</p><p>তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আবদুল হাইয়ের সম্পর্ক কেমন ছিল, তা বোঝাতে একটি ঘটনার কথা বলেন সাজেদুর রহমান। তিনি বলেন, ‘২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে অগ্নিকাণ্ডের পর ব্যাংকের পর্ষদ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ৫০ লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংকের চেয়ারম্যান আমাকে নিয়ে অনুদানের চেক দিতে গণভবনে গেলেন শেখ হাসিনার কাছে। দূর থেকে দেখেই শেখ হাসিনা বলছিলেন, “কি রে বাচ্চু? তুই কেন?” আবদুল হাই বাচ্চু বললেন, “আপা, নিমতলী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অনুদান দিতে এসেছি।” “শেখ হাসিনা বললেন, ‘তাইলে তো ভালো। খুবই ভালো।”’</p><p>সাজেদুর রহমান বলেন, শেখ হাসিনার সঙ্গে আবদুল হাইয়ের সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ঠ ছিল যে তিনি তাঁকে (আবদুল হাই) ‘তুই তুই’ করে সম্বোধন করতেন।</p><p>সাজেদুর রহমান পদত্যাগ করার পর কাজী ফখরুল ইসলাম বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হন। দুদকের একটি সূত্র বলছে, ২০১৪ সালের ২৬ মে অপসারিত হওয়ার পর তিনি মালয়েশিয়ায় পালিয়ে যান।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/fx28g5lt/Info.png" /></figure><h3>একের পর এক অনিয়ম</h3><p>প্রথম আলোর পুরোনো প্রতিবেদন ঘেঁটে দেখা যায়, অনিয়মের অভিযোগ উঠতে থাকায় ২০১২ সালের শেষ দিকে বাংলাদেশ ব্যাংক বেসিক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় বিশেষ পরিদর্শন শুরু করে। গুলশান, দিলকুশা, শান্তিনগরসহ কয়েকটি শাখায় অনিয়ম ধরা পড়ে। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সময়কালে ব্যাংক থেকে ঋণের নামে প্রায় সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা সরিয়ে নেওয়ার চিত্র উঠে আসে। অধিকাংশ ঋণ যথাযথ যাচাই ছাড়াই দেওয়া হয়েছিল।</p><aside><cite>এ কে এম সাজেদুর রহমান, সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বেসিক ব্যাংক</cite>ফিরে আসার পর শেখ আবদুল হাই মিটি মিটি হাসতে হাসতে আমাকে প্রশ্ন করলেন, “গভর্নরের কাছে গেছিলা নাকি?” মনে মনে ভাবলাম গভর্নরের সঙ্গে দেখা করার তথ্যটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কেউ নিশ্চয়ই বাচ্চুকে জানিয়ে দিয়েছে। আমিও আর অস্বীকার করিনি।</aside><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমান ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে বেসিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন। কেন্দ্রীয় ব্যাংক চিঠি পাঠায় আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে। পরে ২০১৩ সালের ১৭ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক ও বেসিক ব্যাংকের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারকও সই হয়; কিন্তু তাতেও ঋণ অনিয়ম বন্ধ হয়নি।</p><p>তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৩ সালের ১৮ আগস্ট রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে বৈঠক করেন। আবদুল হাইকে বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হলেও তিনি যোগ দেননি। এরপর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে আরও কঠোর ভাষায় চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চিঠিতে ব্যাংকের ঋণশৃঙ্খলা ভেঙে পড়ার কথা বলা হয়।</p><p>২০১৪ সালের মে মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করে সরকারকে এবং একই মাসে ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামকে অপসারণ করে। দুই মাস পর ২০১৪ সালের জুলাইয়ে শেখ আবদুল হাই চেয়ারম্যান পদ ছাড়েন। ওই বছরের ৪ জুলাই তিনি তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের বাসায় গিয়ে পদত্যাগপত্র দেন, যার পরদিন ৫ জুলাই ছিল স্বাভাবিকভাবেই তাঁর মেয়াদের শেষ দিন।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2021-05/acb5aec8-dc98-4ed3-80c0-55779a75d7bd/prothomalo_import_media_2017_09_09_ef413a481fe8176b7020e50f98b0af06_59b3e1764f0e4.jpg" /><figcaption>আবদুল হাইকে যখন বেসিক ব্যাংকের চেয়ারম্যান করা হয়, তখন অর্থমন্ত্রী ছিলেন আবুল মাল আবদুল মুহিত (প্রয়াত)। আবদুল হাইয়ের প্রতি তাঁর ক্ষোভ বিভিন্ন সময় প্রকাশ পেয়েছে।  তিনি বেসিক ব্যাংকে আবদুল হাইয়ের কর্মকাণ্ডকে ‘প্রায় ডাকাতের মতো’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন</figcaption></figure><p>ব্যাংকের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে কানাডা থেকে আবদুল হাই প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি একাই কি প্রতিটি প্রস্তাব অনুমোদন করেছি? সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পুরো প্রক্রিয়া তো অন্য পর্ষদ সদস্য ও কর্মকর্তাদের মাধ্যমে হয়েছে। শুধু চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর থাকলেই তাঁকে পুরো প্রক্রিয়ার জন্য একমাত্র দায়ী ব্যক্তি বানানো যায় না।’</p><p>আবদুল হাই আরও বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলালউদ্দীনের অবৈধ হস্তক্ষেপ ছিল ব্যাংকে। শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন মহাপরিচালক নীলুফার আহমেদের এ ব্যাংকে অপরিসীম প্রভাব ছিল। যুবলীগের তৎকালীন প্রেসিডিয়াম সদস্য আনোয়ারুল ইসলাম এবং ব্যাংকের তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলামও ছিলেন প্রভাবশালী।</p><p>নীলুফার আহমেদ ও আনোয়ারুল ইসলাম এখন কোথায় আছেন, তা জানা সম্ভব হয়নি।</p><a class="cta-anchor" href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%8F%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%95%E0%A7%80-%E0%A6%B9%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87-" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">বেসিক ব্যাংকে এসব কী হচ্ছে!</span></a><p>কানাডা থেকে আবদুল হাই বলছেন, পুরো ঋণপ্রক্রিয়ার তদন্ত করে দায়ীদের না খুঁজে চেয়ারম্যান হিসেবে একমাত্র তাঁকে দোষ দেওয়া হচ্ছে, বানানো হচ্ছে ‘বলির পাঁঠা’।</p><p>অবশ্য দুই পরিচালকের তখনকার চিঠিতে আবদুল হাইয়ের দায় উঠে আসে। ২০১৩ সালের ১১ জুলাই পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ও সাবেক অতিরিক্ত সচিব এ কে এম রেজাউর রহমান তৎকালীন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব এম আসলাম আলমকে একটি চিঠি দেন। এর কয়েক দিন আগে আরেক পরিচালক হিসাববিদ এ কে এম কামরুল ইসলামকে নিয়ে তিনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিবের সঙ্গে বৈঠকও করে আসেন।</p><p>চিঠিতে ২০১৩ সালের ৩০ এপ্রিলের ব্যাংকের একটি পর্ষদ সভার কথা আছে। রেজাউর রহমান লিখেছেন, ১৩টি অনিয়মিত ঋণের বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রশ্ন তোলা প্রসঙ্গে আবদুল হাই বলেছিলেন, ‘এটা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন নেই।’ চেয়ারম্যান পরের আলোচ্যসূচিতে চলে যেতে চাইলে আপত্তি জানান রেজাউর রহমান। চিঠিতে তিনি লিখেছেন, বৈঠকে তিনি বলেছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন একটি পত্র নিয়ে আলোচনা না করে এগিয়ে যাওয়া যায় না।</p><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/1f78gnyh/Hai-5.jpg" /><figcaption>বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি নিয়ে প্রথম আলোতে প্রকাশিত প্রতিবেদন। ১২ নভেম্বর ২০২৩</figcaption></figure><p>রেজাউর রহমান আরও লিখেছিলেন, অনেক সময় পর্ষদ বৈঠকের আগের রাতে শত শত কোটি টাকার ঋণ ও বিনিয়োগসংক্রান্ত নথি দেওয়া হতো, যা পড়ার সময় পাওয়া যেত না। ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ও লবিতে প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সঙ্গে চেয়ারম্যানের তোলা ছবি টাঙানো থাকে। চেয়ারম্যান প্রায়ই পর্ষদে বলতেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার আপা। আমি তাঁকে ছাড়া কাউকে পরোয়া করি না।’</p><p>চিঠিতে রেজাউর রহমান বলেন, পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে বেসিক ব্যাংকের অনিয়ম নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশিত হচ্ছে। জাতীয় সংসদেও আলোচনা হয়েছে। পরিস্থিতি দেখে একদিকে পর্ষদ থেকে তাঁর সরে দাঁড়াতে ইচ্ছা করছে, অন্যদিকে বিবেক বলছে যে ব্যাংকটির স্বার্থে অন্তত পাহারাদারের দায়িত্ব পালন করা উচিত।</p><p>প্রতিবাদী দুই পরিচালক রেজাউর রহমান ও কামরুল ইসলাম পরে বেসিক ব্যাংকের পর্ষদে আর থাকতে পারেননি। সরকার পরে প্রথম জনকে সোনালী ব্যাংকে এবং দ্বিতীয় জনকে জনতা ব্যাংকের পরিচালক করে।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/পরিচালক-পুরস্কৃত-ব্যাংকার-জেলে-ব্যবসায়ী-পলাতক">পরিচালক পুরস্কৃত, ব্যাংকার জেলে, ব্যবসায়ী পলাতক</a></aside><p>বেসিক ব্যাংকের তদারকি কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকটির পর্ষদের সভায় সরকারি সংস্থার অস্ত্রধারী ব্যক্তিও উপস্থিত থাকতেন। ফলে চেয়ারম্যান যা বলতেন, তা-ই অনুমোদিত হয়ে যেত। এই পরিস্থিতিতে কারও কিছু করার সুযোগ ছিল না।</p><p>প্রতিবাদী পরিচালক রেজাউর রহমান কয়েক বছর আগে থাইল্যান্ডের একটি হাসপাতালে মারা যান। কামরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকার মিরপুরে তাঁর চার্টার্ড অ্যাকাউনট্যান্ট ফার্মে যেতে বলেন। গত ৫ জুলাই সেখানে গিয়ে দীর্ঘ সময় কথা বলি তাঁর সঙ্গে।</p><p>কামরুল ইসলাম বেসিক ব্যাংকের পরিচালক থাকার সময়কালীন ঘটনা মনে করে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। তিনি বলেন, ‘আবদুল হাইয়ের নেতৃত্বে ব্যাংকটি কীভাবে নষ্ট হলো, তার পুরো বিবরণই চিঠিতে উঠে এসেছে। আমার মনে হয়, দেশে একটি সরকার থাকা সত্ত্বেও এবং এত সব সংস্থা থাকা সত্ত্বেও এত লম্বা সময় ধরে একটা ভালো ব্যাংককে ধ্বংসের কাতারে নিয়ে যাওয়ার এই উদাহরণ গোটা বিশ্বেই বিরল।’</p><p>সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত আমলারা বেসিক ব্যাংকের পর্ষদে ছিলেন। ব্যাংকের পর্ষদে থাকলে প্রতি সভায় আট হাজার টাকা করে ভাতা পাওয়া যেত। তবে ব্যাংকটি যখন ডুবছিল, তখন পর্ষদের বেশ কয়েকজন সদস্যের পেশাজীবন তরতর করে এগিয়ে যায়।</p><p>আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বেসিক ব্যাংকে পরিচালক নিয়োগ পান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের তৎকালীন দুই মহাপরিচালক (ডিজি) শুভাশীষ বসু ও নীলুফার আহমেদ। শুভাশীষ বসু পরে বাণিজ্যসচিবও হয়েছিলেন। নীলুফার আহমেদ ২০২৪ সালের ২৮ জানুয়ারি সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী হিসেবে নিয়োগ পান। তাঁরা দুজনই এখন মামলার অভিযুক্ত।</p><p>আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বেসিক ব্যাংকের পরিচালক হয়েছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্ম সচিব বিজয় ভট্টাচার্য। তিনি পরে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। কেলেঙ্কারির পুরো সময়টাতেই কামরুন্নাহার আহমেদ বেসিক ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন। পরে তিনি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব হন। বিজয় ভট্টাচার্য ও কামরুন্নাহার আহমেদ এখন অবসরজীবন কাটাচ্ছেন। তাঁরাও অভিযুক্ত।</p><blockquote>সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে দায়িত্বরত আমলারা বেসিক ব্যাংকের পর্ষদে ছিলেন। ব্যাংকের পর্ষদে থাকলে প্রতি সভায় আট হাজার টাকা করে ভাতা পাওয়া যেত। তবে ব্যাংকটি যখন ডুবছিল, তখন পর্ষদের বেশ কয়েকজন সদস্যের পেশাজীবন তরতর করে এগিয়ে যায়।</blockquote><p>আবদুল হাইয়ের সঙ্গে বেসিক ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বর্তমানে বিলুপ্ত) সাবেক চেয়ারম্যান ফখরুল ইসলাম এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সাবেক সচিব শ্যাম সুন্দর শিকদার। অবসরের পর শ্যাম সুন্দর শিকদারকে বিটিআরসির চেয়ারম্যানও করা হয়। এই দুজনও অভিযুক্ত এখন।</p><p>বেসরকারি খাত থেকে পরিচালক হওয়াদের মধ্যে রয়েছেন চাঁদপুর চেম্বার অব কমার্সের তৎকালীন সভাপতি জাহাঙ্গীর আখন্দ সেলিম, সাবেক শুল্ক কমিশনার শাখাওয়াত হোসেন, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী আখতার হোসেন এবং এআরএস ল্যুভ বাংলাদেশ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলাম।</p><p>কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান ও ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী আখতার হোসেন গত ৫ জুলাই প্রথম আলোকে বলেন, শেখ আবদুল হাইয়ের এতটাই দাপট ছিল যে তিনিসহ কোনো পরিচালকই পর্ষদে যথাযথ ভূমিকা রাখতে পারতেন না। তাহলে পদত্যাগ করেননি কেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কাজী আখতার হোসেন বলেন, ‘তা করা যেত।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/bank/ul4c1yokd1">ঋণখেলাপি, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা,
তবু পদোন্নতি পেয়ে সচিব </a></aside><h3>হঠাৎ ধনী আবদুল হাই</h3><p>বেসিক ব্যাংকের কেলেঙ্কারির সঙ্গে আবদুল হাইয়ের ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধির সম্পর্ক নিয়ে ২০১৩ সালে তদন্ত করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। ক্যান্টনমেন্টে ৩০ কাঠা জমি, একটি ফ্ল্যাট, বসুন্ধরায় ১৩৮ কাঠা জমির পাশাপাশি শতকোটি টাকায় তিনি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জাহাজ কিনেছিলেন ৮টি। এসব সম্পদের মালিকানায় ছিলেন আবদুল হাই, তাঁর স্ত্রী শেখ শিরীন আখতার, ছেলে শেখ সাবিদ হাই অনিক, মেয়ে শেখ রাফা হাই এবং ভাই শেখ শাহরিয়ার ওরফে পান্না।</p><p>চেয়ারম্যান হওয়ার এক বছরের মধ্যেই কেনা হয় জাহাজগুলো। ছয়টি ইডেন ফিশারিজের নামে এবং দুটি ক্রাউন ফিশারিজের নামে। এগুলোর বাজারমূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা। বিএফআইইউ ২০১৪ সালে এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন পাঠিয়েছিল দুদকে।</p><p>তদন্তে উঠে আসে বেসিক ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে প্রায় ২০ কোটি টাকা শেখ শাহরিয়ারের দুই ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তরিত হয়। জাহাজগুলো কেনা হয়েছিল জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য মাহজাবীন মোরশেদ ও তাঁর স্বামী চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক সভাপতি মোরশেদ মুরাদ ইব্রাহিমের কাছ থেকে, যাঁদের কাছে ওই সময় বেসিক ব্যাংকের ঋণ ছিল ৪৫০ কোটি টাকা।</p><p>এদিকে ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে কেনা হয় ৩০ কাঠার বেশি জমি। ২০১২ সালের আগস্টে শেখ আবদুল হাই বেস্ট হোল্ডিংস গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিন আহমেদের সঙ্গে ১১০ কোটি টাকার বায়না চুক্তি করেন। জমি কেনা হয় তিনিসহ তাঁর স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে, ভাইসহ পাঁচজনের নামে। পুরো সম্পত্তির দলিলমূল্য দেখানো হয় ১৫ কোটি ২৫ লাখ টাকা। জমির মূল্য পরিশোধে যেসব পে-অর্ডার ব্যবহৃত হয়েছিল, সেগুলোর কয়েকটি এসেছিল বেসিক ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে। এ তথ্য উদ্‌ঘাটন করে বাংলাদেশ ব্যাংক।</p><p>পে-অর্ডার দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি যমুনা অ্যাগ্রো কেমিক্যালসের অন্যতম মালিক এবং জাতীয় পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য শওকত চৌধুরী ২০২০ সালে প্রথম আলোকে বলেছিলেন, সহজে ঋণ পাওয়া যায় না বলেই আবদুল হাইকে ঘুষ দিতে হয়েছিল।</p><p>এদিকে ২০১২ সালেই বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় আই ব্লকে ১৩৮ কাঠা জমি কেনেন শেখ আবদুল হাই। বাজারদর অনুযায়ী এই জমির মূল্য ৩০০ কোটি টাকার কাছাকাছি।</p><p>কানাডা থেকে আবদুল হাই এখন বলছেন, ক্যান্টনমেন্টের জমির দাম তিনি আস্তে আস্তে শোধ করেছেন। আর তাঁর সব সম্পদই সাদা টাকায় কেনা। তিনি বলেন, ‘আমি যে ধানমন্ডির বাড়ি বিক্রি করেছি, তার তো প্রমাণ আছে। আমি তো আর গরিব ছিলাম না। আবাসন খাতের ব্যবসা ছিল আমার।’</p><p>অবশ্য বাংলাদেশ ব্যাংক ও দুদকের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা বলছেন, উভয় সংস্থার কাছেই শেখ আবদুল হাই ও তাঁর ভাইয়ের ঋণের বিপরীতে ঘুষ হিসেবে কমিশন নেওয়ার তথ্য–প্রমাণ রয়েছে।</p><a class="cta-anchor" href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%95%E0%A7%87-%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BC-%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A6%BF" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">বেসিক ব্যাংকে বড় জালিয়াতি</span></a><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/eajad435/Bulding.jpg" /><figcaption>শেখ আবদুল হাই ২০০৯ সালে চেয়ারম্যান হয়ে বেসিক ব্যাংকের জন্য ভবন কেনেন। সেই ভবন এখনো বুঝে পায়নি ব্যাংকটি। গত ২২ অক্টোবর রাজধানীর মতিঝিলে</figcaption></figure><h3>৬৬ মামলা</h3><p>শেখ আবদুল হাই চেয়ারম্যান থাকার সময়ই তাঁর নেতৃত্বাধীন পর্ষদের বিরুদ্ধে ঘুষ-অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ শোনা যাচ্ছিল। তাঁর মেয়াদ শেষ হলে ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে প্রথমে ৫৬টি এবং পরে আরও ৩টি মামলা করে দুদক। তবে তখন মামলাগুলোর একটিতেও আবদুল হাই অথবা কোনো পর্ষদ সদস্যকে আসামি করা হয়নি।</p><p>২০১১ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ছিলেন দুদকের কমিশনার। আলোচনা আছে যে ওই সময় আবদুল হাই দুদকের ছাড় পেয়েছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে বাধ্য হয়ে দুদক শেখ আবদুল হাইসহ পর্ষদ সদস্যদের তলব করে। তবে তাঁদের মামলায় আসামি করা হয়নি।</p><p>২০১৬-২১ সময়ে টানা পাঁচ বছর দুদক চেয়ারম্যান ছিলেন ইকবাল মাহমুদ। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে শেখ আবদুল হাইয়ের বিষয়ে নীরব থাকার একটা ব্যাখ্যা পাওয়া যায় তাঁর পুরোনো বক্তব্যে। ২০১৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রথম আলোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইকবাল মাহমুদ বলেছিলেন, ‘আবেগ এবং ধারণা করে কাউকে আসামি করার সুযোগ নেই। তাঁর ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি আদালতে প্রমাণ করতে পারব না।’</p><aside><cite></cite>ক্যান্টনমেন্টের ভেতরে ৩০ কাঠার বেশি জমি কেনেন শেখ আবদুল হাই। বেস্ট হোল্ডিংস গ্রুপের চেয়ারম্যান আমিন আহমেদের সঙ্গে ১১০ কোটি টাকার বায়না চুক্তি করেন। জমির মূল্য পরিশোধে যেসব পে-অর্ডার ব্যবহৃত হয়েছিল, সেগুলোর কয়েকটি এসেছিল বেসিক ব্যাংকের গ্রাহকদের কাছ থেকে।</aside><p>সমালোচনার মুখে অবশেষে ২০২৩ সালের ১২ জুন বেসিক ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ-সংক্রান্ত ৫৯টি মামলার অভিযোগপত্র চূড়ান্ত করে দুদক। এগুলোর ৫৮টিতেই আবদুল হাইকে অভিযুক্ত করা হয়।</p><p>তখন দুদকের চেয়ারম্যান ছিলেন মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ। অভিযোগপত্রে নাম আসার পর আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। তবে তিনি কখনো গ্রেপ্তার হননি। আদালতে তিনি আত্মসমর্পণও করেননি। অভিযোগপত্রে নাম ওঠার আগেই তিনি দেশ ছাড়েন।</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/বেসিক-ব্যাংক-কেলেঙ্কারি-ঘুষের-টাকায়-বাড়ি-কেনেন">বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি: ঘুষের টাকায় বাড়ি কেনেন বাচ্চু ও তাঁর ভাই</a></aside><p>২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুদক আবদুল হাই ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে একসঙ্গে তিনটি মামলা করে। প্রথম মামলা আবদুল হাইয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ হচ্ছে জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ঋণের অর্থ আত্মসাৎ করে শেখ আবদুল হাই ১২৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ গড়েছেন। এর মধ্যে প্রায় ৫৬ কোটি টাকা কানাডায় পাচার করেছেন তিনি।</p><p>দ্বিতীয় মামলা করা হয় তাঁর স্ত্রী শেখ শিরীন আখতারের বিরুদ্ধে। সেখানে অভিযোগ, তিনি ৩৭ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের মালিক হয়েছেন। এই মামলায় শেখ আবদুল হাইও অভিযুক্ত। তৃতীয় মামলার আসামি ছেলে শেখ সাবিদ হাই অনিক। দুদকের অভিযোগ, তাঁর নামে ৪৫ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ রয়েছে। এই মামলাতেও শেখ আবদুল হাই সহ–আসামি।</p><p>২০২৫ সালের মার্চে আবদুল হাই ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে আরও তিনটি মামলা হয়। পরে আরও একটি মামলা হয়েছে। দুদক বলছে, এখন মামলার সংখ্যা ৬৬।</p><p>অর্থ পাচারের অভিযোগ বিষয়ে শেখ আবদুল হাই বলছেন, এর প্রমাণ সামনে আসা দরকার। প্রমাণ ছাড়া দায়ী করা ঠিক নয়। তাঁর ভাষ্য, ২০২৪ সালের নির্বাচনে রাজনৈতিক সুবিধা নেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৩ সালে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।</p><a class="cta-anchor" href="https://www.prothomalo.com/business/%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B9%E0%A7%80%E0%A6%A8-%E0%A6%B8%E0%A6%AC-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%AE" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">নজিরবিহীন সব অনিয়ম</span></a><p>কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগ সরকার আবদুল হাইকে বিনা বাধায় দেশ ছাড়ার সুযোগ দিয়েছে। বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তিন সপ্তাহের মাথায় গত ৯ মার্চ আদালত আবদুল হাইসহ তাঁর সময়ের পর্ষদ সদস্য, এমডি, ডিএমডি মিলিয়ে ১৬ জনের বিরুদ্ধে দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।</p><p>দুদক কমিশনার (অনুসন্ধান) মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া গত শনিবার প্রথম আলোকে জানান, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারি বিষয়ে ৬৬টি মামলার মধ্যে ৬০টির অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছিল। তবে কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে আদালত সব অভিযোগপত্রই ফেরত দিয়েছেন। বাকি ৬টিরও অভিযোগপত্র তৈরি হওয়ার পথে। তিনি বলেন, ‘সংশোধন করে আমরা খুব শিগগির সব মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দাখিল করব।’</p><p>আদালত কেন অভিযোগপত্রগুলো ফেরত দিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে সাজ্জাদ হোসেন ভূইয়া বলেন, ‘মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছিল খেয়ালখুশিমতো। একই সময়ে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালন করা ব্যক্তিদের মধ্যে কাউকে আসামি করা হয়েছে, আবার কাউকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটি ছিল পিক অ্যান্ড চুজ পদ্ধতি।’</p><aside><a href="https://www.prothomalo.com/business/bank/vxoeibx0b9">বসুন্ধরায় ১৩৮ কাঠা জমি আবদুল হাই বাচ্চুর, বিক্রির চেষ্টা করছেন</a></aside><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo/import/media/2014/05/25/a8432c0f00a60d3d8be8655d316d782c-Mr_Kazi_Faqurul_Islam.jpg" /><figcaption>বেসিক ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলাম ২০১৪ সালে দেশ ছেড়েছেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ায় রয়েছেন বলে জানা গেছে</figcaption></figure><h3>আরও যাঁদের ব্যর্থতা ছিল</h3><p>বেসিক ব্যাংকে অনিয়মের উদাহরণ অনেক। যেমন আবদুল হাই চেয়ারম্যান থাকার সময় বেসিক ব্যাংকের গুলশান শাখা থেকে এশিয়ান ফুড ট্রেডিংকে ৭৯ কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হয়। ঋণ পেয়েই গ্রাহক টাকার একটা অংশ জমা করেন আবদুল হাইয়ের ব্যাংক হিসাবে, আরেকটা অংশ জমা করেন তাঁর ভাই শেখ শাহরিয়ারের হিসাবে। বাংলাদেশ ব্যাংক পরে বের করেছে, দুই ভাই এভাবে ৩০ কোটি টাকা নিয়েছেন এক গ্রাহক থেকেই।</p><p>শুধু ঋণ অনিয়ম নয়, নিয়োগেও জালিয়াতি করা হয়েছিল। শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়স, লিখিত-মৌখিক পরীক্ষা, নিয়োগসংক্রান্ত বিধিবিধান—কোনো কিছুই না মেনে বেসিক ব্যাংকে ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে ১ হাজার ১৭৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের (সিএজি) কার্যালয়ের ২০১৪ সালের এক প্রতিবেদনে এ নিয়োগকে ‘নজিরবিহীন’ বলে মন্তব্য করা হয়েছিল।</p><aside><cite> হেলাল আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারম্যান, বেসিক ব্যাংক</cite>‘আগের কাহিনি আইন অনুযায়ী চলুক। ব্যাংকটি ভালো করার জন্য সরকারের কাছে স্বল্প সুদে ৫ হাজার কোটি টাকার আমানত চেয়েছি। এটা পেলে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকে আমানত বেড়েছে। কমেছে খেলাপি ঋণ।’</aside><p>বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে উঠে এসেছে, প্রধান কার্যালয়ের লিখিত অনুমোদন ছাড়াই ব্যাংকের আইটি বিভাগ ঋণের দরজা খুলে দিত, আর ব্যাংকের শাখা কার্যালয় ইচ্ছেমতো ঋণ সৃষ্টি করত। শাখাকে অনবরত টাকা সরবরাহ করত ট্রেজারি বিভাগ। অথচ এসব বিভাগের কেউ শাস্তির মুখে পড়েনি।</p><p>বেসিক ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করতেন তখনকার ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী ফখরুল ইসলাম এবং দুই ডিএমডি এ মোনায়েম খান ও রুহুল আলম। অন্য দুই ডিএমডি ফজলুস সোবাহান ও অনুপ কুমার পুরকায়স্থ চট্টগ্রামের সব শাখা নিয়ন্ত্রণ করতেন।</p><a class="cta-anchor" href="https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/%E0%A7%AD%E0%A7%AC-%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%9F%E0%A6%BF-%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%93-%E0%A6%AD%E0%A6%AC%E0%A6%A8-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A7%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BF" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">৭৬ কোটি টাকা দিয়েও ভবন পায়নি</span></a><p>বেসিক ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, রুহুল আলম ছিলেন সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। ব্যাংকিং কাজে কোনো ধরনের অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও তাঁকে সরাসরি উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন আবদুল হাই। সেটা ২০১২ সালের এপ্রিলে। চাকরি স্থায়ী হওয়ার আগে সাত মাসের মাথায় মহাব্যবস্থাপক (জিএম) পদে পদোন্নতি দেওয়া হয় তাঁকে। এর এক বছরের মাথায় তাঁকে করা হয় ডিএমডি। পদোন্নতির কারণ হিসেবে পর্ষদের নথিতে তখন ‘অতি চমৎকার কর্মনৈপুণ্যের জন্য পদোন্নতি দেওয়া হলো’ উল্লেখ করা হয়। অথচ জিএম পদে পদোন্নতি পেতে গেলে ডিজিএম পদে কমপক্ষে তিন বছরের কাজ করার অভিজ্ঞতা এবং ব্যাংকিং কাজে কমপক্ষে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।</p><p>শেখ আবদুল হাই যুগ শেষ হওয়ার পর চেয়ারম্যান হিসেবে আসেন এই ব্যাংকেরই সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলাউদ্দিন এ মজিদ। তাঁর সময়ে দেওয়া ঋণও এখন খেলাপির তালিকায়। জানতে চাইলে আলাউদ্দিন এ মজিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা ব্যাংকটিকে ভালো করার চেষ্টা করেছি। এত খাদে পড়ে গিয়েছিল যে পুরোপুরি পারিনি।’</p><a class="cta-anchor" href="https://www.prothomalo.com/business/%E0%A6%8F%E0%A6%95-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%87-%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%8F%E0%A6%AE%E0%A6%A1%E0%A6%BF" target="_blank" rel=""><span class="cta-text">এক বছর আট মাসেই ডিএমডি!</span></a><figure><img alt="" src="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-01/k6cxed9f/Land.jpg" /><figcaption>রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার আই ব্লকের ৭১৯ ও ৭২০ নম্বর প্লটে শেখ আবদুল হাইয়ের ১৩৮ কাঠা জমি রয়েছে। ২০২৩ সালে সেই জমি তিনি বিক্রির চেষ্টা করেছিলেন। তবে প্রথম আলো তা নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করার পর বিষয়টি জানাজানি হয়ে যায়। পরে আদালত জমি বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন</figcaption></figure><h3>ব্যাংক বাঁচাতে করের টাকা</h3><p>দুর্দশায় থাকা বেসিক ব্যাংককে ২০২৪ সালের এপ্রিলে বেসরকারি সিটি ব্যাংকের সঙ্গে একীভূত করার চেষ্টা হয়েছিল; তবে তা এগোয়নি। বেসিক ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে ব্যাংকটির ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০ হাজার ৭৬০ কোটি টাকা, যার ৬০ শতাংশই (৬ হাজার ৪১৪ কোটি টাকা) খেলাপি। ব্যাংকটি সম্প্রতি সরকারের কাছে ৫ হাজার কোটি টাকা চেয়েছে।</p><p>ব্যাংকের বর্তমান চেয়ারম্যান হেলাল আহমেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আগের কাহিনি আইন অনুযায়ী চলুক। ব্যাংকটি ভালো করার জন্য সরকারের কাছে স্বল্প সুদে ৫ হাজার কোটি টাকার আমানত চেয়েছি। এটা পেলে ব্যাংকটি ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। এক বছরের ব্যবধানে ব্যাংকে আমানত বেড়েছে। কমেছে খেলাপি ঋণ।’</p><p>আওয়ামী লীগ আমলে লুটপাটের শিকার হওয়া ব্যাংকগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে এখন জনগণের করের টাকা ঢালতে হচ্ছে বিএনপি সরকারকে। গত ১১ অক্টোবর এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমলে লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাতের যে ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে পরবর্তী পাঁচ থেকে আট বছরে জাতীয় বাজেট থেকে প্রতিবছর ৬০ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব সরকারের কাছে দেওয়া হয়েছে।</p><p>মোস্তাকুর রহমান বলেন, ‘যে টাকা লুট হয়েছে, সেটা জনগণের টাকা। আবার এই জনগণকেই এখন সেই টাকা ফেরত দিতে হবে।’</p><p>আবদুল হাই যা–ই বলুন না কেন, বেসিক ব্যাংক কেলেঙ্কারির দায় তাঁকে নিতে হবে—বললেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মইনুল ইসলাম। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ব্যাংকটিকে এমন পরিণতিতে নিয়ে আসার পেছনে যাঁরা দায়ী, তাঁদের বিচারটা দৃষ্টান্তমূলক না হলে ব্যাংক খাতে ভালো বার্তা যাবে না।</p>]]></content:encoded></item><item><title>ইরানে চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ যেভাবে ভূরাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিল</title><link>https://www.prothomalo.com/opinion/column/f5i44odshy</link><comments>https://www.prothomalo.com/opinion/column/f5i44odshy#comments</comments><guid isPermaLink="false">3bfdafdb-a9e6-488c-b29c-3aececb40271</guid><pubDate>Thu, 12 Mar 2026 12:42:42 +0000</pubDate><atom:updated>2026-03-12T12:42:42.355Z</atom:updated><atom:author><atom:name>লেখা: </atom:name><atom:uri>/api/author/1431141</atom:uri></atom:author><description></description><media:keywords>যুদ্ধ,ইরান ইসরায়েল সংঘাত,ইরান,যুক্তরাষ্ট্র,ইসরায়েল,ভূরাজনীতি</media:keywords><media:content height="519" url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hgikbjmd/iransharan-oil-deports.png" width="787"><media:title type="html"><![CDATA[ ইরানের পতাকা উড়ছে, আর তার পেছনেই ইসরায়েলি হামলায় আক্রান্ত শারান তেল ডিপো থেকে আগুন ও ধোঁয়া কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে; তেহরান, ইরান, ১৫ জুন, ২০২৫। ]]></media:title><media:description type="html"></media:description></media:content><media:thumbnail url="https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla/2026-11-02/hgikbjmd/iransharan-oil-deports.png?w=280" width="280"></media:thumbnail><category>কলাম</category><content:encoded><![CDATA[ <p>ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়েছে। এ সংঘাত আর কেবল আঞ্চলিক সীমার ভেতর সীমাবদ্ধ নেই; এর অভিঘাত পৌঁছে গেছে বৈশ্বিক স্তরে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসী এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী পদক্ষেপে শুরু হওয়া এ যুদ্ধ শুধু কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিপর্যস্ত করেনি, একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক কাঠামোকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।</p><p> এ পরিস্থিতিতে ইরান তার স্বাভাবিক ও স্বীকৃত আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করছে। রাষ্ট্রের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য এটি কৌশলগতভাবে অপরিহার্য।</p><p>আমাদের দেশের জন্য এ যুদ্ধ নিছক সামরিক সংঘাত নয়; এটি টিকে থাকার যুদ্ধ—যেখানে সীমিত লাল রেখা এবং সুস্পষ্ট কৌশলগত বাধ্যবাধকতা রয়েছে।</p><p>ইরানের অভিজ্ঞতায় যুদ্ধ নতুন কিছু নয়। অতীতেও সংবেদনশীল আলোচনার সময় দেশটি যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছে। ইরাকের সঙ্গে দীর্ঘ যুদ্ধ কিংবা সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অভিজ্ঞতা—সবই দেখিয়েছে যে নির্ভরযোগ্য ও কার্যকর নিরাপত্তা নিশ্চয়তা ছাড়া আগ্রাসনের ঝুঁকি থেকেই যায়।</p><p>বিশেষ করে পারমাণবিক আলোচনার সময় এবং নিষেধাজ্ঞা চলাকালে দুই দফা হামলার অভিজ্ঞতা (২০২৫ সালের জুনে এবং চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে) একটি বিষয় স্পষ্ট করে দিয়েছে। তা হলো প্রতিরোধক্ষমতা ও প্রতিরক্ষামূলক প্রস্তুতি অপরিহার্য। কূটনীতি কার্যকর হতে পারে তখনই, যখন তার সঙ্গে বাস্তব সামরিক সক্ষমতাও যুক্ত থাকে।</p><p>অবকাঠামোর ওপর হামলা এবং ইরানের নেতৃত্ব উত্তরাধিকারের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার যে দাবি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল তুলেছে, তা নিছক কৌশলগত ভুল হিসেবে দেখলে চলবে না। এগুলো মূলত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং স্বাধীনতাকে গভীরভাবে মূল্য দেওয়া রাষ্ট্রীয় কাঠামোর প্রকৃতি সম্পর্কে গভীর অজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ।</p><p>ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ সাইয়েদ মোজতবা খামেনিকে বিশেষজ্ঞ পরিষদের মাধ্যমে নির্বাচনের ঘটনাই স্বাধীনতার প্রতি এ অঙ্গীকারের সুস্পষ্ট প্রমাণ।</p><p>সামরিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি অত্যন্ত বড়। বর্তমানে তিনটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন রয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কার্যকর বিমানবাহী রণতরি বহরের প্রায় এক-চতুর্থাংশের সমান।</p><blockquote>এদিকে চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো অ-পশ্চিমা শক্তিগুলোর ভূমিকাও এ সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতি, জ্বালানিবাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এই দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।</blockquote><p>এ বিপুল উপস্থিতি মূলত শক্তি প্রদর্শন এবং ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার উদ্দেশ্যে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতি বলছে, এত শক্তি নিয়েও যুক্তরাষ্ট্র অঞ্চলটিতে নিজেদের সম্পদ পুরোপুরি নিরাপদ রাখতে পারছে না।</p><p>এলাকার দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন রাডার ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ঘটনা যুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় নির্দেশ করে। এটি দেখিয়েছে, ইরান উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর হুমকির মোকাবিলা করতে সক্ষম এবং সংঘাতকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে পরিচালনা করার ক্ষমতাও রাখে।</p><p>এর পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের নিয়ন্ত্রণ একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত বাস্তবতা। বৈশ্বিক তেলের প্রায় ২০ শতাংশ এ পথ দিয়ে রপ্তানি হয়। ফলে এ প্রণালির ওপর নিয়ন্ত্রণ ইরানকে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক প্রতিরোধক্ষমতা প্রদান করে।</p><p>ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রভাব জ্বালানিবাজার ও বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়।</p><p>গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ছিল ৭৩ ডলার। এই দাম ৮ মার্চের মধ্যে বেড়ে দাঁড়ায় ১০৭ ডলারে। অর্থাৎ মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৪০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়।</p><p>একই সঙ্গে বৈশ্বিক এলএনজি উৎপাদনের প্রায় ২০ শতাংশ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।</p><p>এ পরিস্থিতি বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খলের ওপর চাপ বাড়িয়েছে। সংকট দীর্ঘায়িত হলে খাদ্যবাজার, রাসায়নিক সার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্ষেত্রে এর প্রভাব কোভিড-১৯ মহামারির সময়কার সংকটকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে।</p><p>বাজারে অনিশ্চয়তা এবং দামের অস্থিরতা বহু দেশ ও বহুজাতিক কোম্পানিকে তাদের অর্থনৈতিক কাঠামো ও নীতিমালা পুনর্বিবেচনায় বাধ্য করছে। এর ফলে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানিব্যবস্থায় মৌলিক পরিবর্তনের সম্ভাবনাও তৈরি হচ্ছে।</p><p>সামরিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব ছাড়াও এ যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক মাত্রা রয়েছে।</p><p>সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, তেহরান নীতির প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র এবং তার পশ্চিমা ও আঞ্চলিক মিত্রদের মধ্যে ধীরে ধীরে মতপার্থক্য তৈরি হচ্ছে। ভিন্ন অর্থনৈতিক স্বার্থ, ভিন্ন নিরাপত্তা দৃষ্টিভঙ্গি এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা—এসব কারণ পশ্চিমা জোটের ঐতিহ্যগত ঐক্যকে দুর্বল করতে পারে।</p><p>যুদ্ধকে একতরফা বিজয় হিসেবে তুলে ধরার যে বয়ান যুক্তরাষ্ট্র দিচ্ছে, তা মূলত অভ্যন্তরীণ রাজনীতির প্রয়োজন থেকেই। এটি করা হচ্ছে ক্ষমতা প্রদর্শন এবং রাজনৈতিক বৈধতা জোরদারের উদ্দেশ্যে। বাস্তবে অঞ্চলটির সামরিক পরিস্থিতি সেই বয়ানের সঙ্গে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।</p><p>এদিকে চীন, ভারত ও রাশিয়ার মতো অ-পশ্চিমা শক্তিগুলোর ভূমিকাও এ সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতি, জ্বালানিবাজার ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে এই দেশগুলো গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তিতে পরিণত হতে পারে।</p><p>ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত এ যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্য ও বিশ্বের শক্তির ভারসাম্য নতুন করে নির্ধারণ করতে পারে।</p><p>বৈশ্বিক বাজারে অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি, পশ্চিমা শক্তিগুলোর মধ্যে বিভাজন এবং জ্বালানি ও আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের ক্রমবর্ধমান গুরুত্ব—সব মিলিয়ে একটি নতুন ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।</p><p>এ সংকট আরেকটি বিষয়ও স্পষ্ট করেছে। তা হলো জটিল নিরাপত্তাহুমকির মোকাবিলায় ইরানের জন্য চারটি বিষয় অপরিহার্য—সামরিক প্রতিরোধক্ষমতা, সক্রিয় কূটনীতি, জাতীয় নিরাপত্তার নিশ্চিত গ্যারান্টি ও দক্ষ সংকট ব্যবস্থাপনা।</p><p>প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ও কূটনীতির সমন্বিত প্রয়োগ ভবিষ্যতে আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি রোধ করতে পারে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সংকট ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।</p><p>সব মিলিয়ে ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত এ যুদ্ধ একটি বহুমাত্রিক সংকট, যার মধ্যে সামরিক, অর্থনৈতিক, ভূরাজনৈতিক ও মানবিক—সব দিকই জড়িয়ে আছে।</p><p>আত্মরক্ষার স্বাভাবিক অধিকারের ভিত্তিতে ইরান তার অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর আগ্রাসনের মোকাবিলা করার সক্ষমতাও প্রদর্শন করেছে।</p><p>অতীত অভিজ্ঞতা দেখিয়েছে, আন্তর্জাতিক আলোচনায় বাস্তব নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা অপরিহার্য। এ যুদ্ধের প্রভাব ইতিমধ্যেই দেখা যাচ্ছে—তেলের মূল্যবৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহশৃঙ্খলে বিঘ্ন, পশ্চিমা জোটের ভেতরে ফাটল এবং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে পরিবর্তনের আকারে।</p><p>এ যুদ্ধ ইরানের কৌশলগত দর্শনের একটি স্পষ্ট প্রতিফলন, যেখানে প্রতিরোধক্ষমতা, নিশ্চয়তাপূর্ণ কূটনীতি এবং বুদ্ধিদীপ্ত সংকট ব্যবস্থাপনাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়।</p><ul><li><p><strong>মোহাম্মদ রেজা বাহরামি</strong> ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক মহাপরিচালক</p></li></ul><p>আল–জাজিরা থেকে নেওয়া <strong>অনুবাদ: সারফুদ্দিন আহমেদ</strong></p><p>[<strong>সংশোধনী:</strong> অসতকর্তাবশত এ লেখার সঙ্গে অন্য ঘটনার ছবি প্রকাশিত হয়েছিল।  ছবিটি পরিবর্তন করা হলো। ২ নভেম্বর সন্ধ্যায় ৬.৫০টায় এ সংশোধন করা হয়েছে।]</p>]]></content:encoded></item></channel></rss>